Tag: R. G. Kar Medical College and Hospital

  • স্ট্রেচার না পেয়ে হাঁটতে গিয়ে মৃত্যু! ফের আরজি করের ট্রমা কেয়ার নিয়ে চরম অভিযোগ

    স্ট্রেচার না পেয়ে হাঁটতে গিয়ে মৃত্যু! ফের আরজি করের ট্রমা কেয়ার নিয়ে চরম অভিযোগ

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: লিফট ঘটনার পর ফের বিতর্কের শিরোনামে উঠে এল আরজি কর হাসপাতাল। সেখানকার ট্রমা কেয়ারে (RG Kar Hospital Trauma Care Centre) ফের অব্যবস্থার অভিযোগ উঠে এল। জানা গিয়েছে, চিকিৎসা করাতে এসে হাসপাতালের অব্যবস্থার কারণে মৃত্যু হয় এক প্রৌঢ়ের। শৌচালয়ে যাওয়ার জন্য পাওয়া যায়নি কোনো স্ট্রেচার। হাঁটতে গিয়ে শ্বাসকষ্ট হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন বিশ্বজিৎ সামন্ত নামের ওই প্রৌঢ়। তার পরেই মৃত্যু হয় তাঁর।

    স্ট্রেচার না পেয়ে হাঁটতে গিয়ে মৃত্যু!

    রিপোর্ট মোতাবেক, শ্বাসকষ্টের সমস্যা নিয়ে আরজি কর হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন ৬০ বছরের এক প্রৌঢ় বিশ্বজিৎ সামন্ত। হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার সময় তাঁর নাক থেকে রক্তও পড়ছিল। ট্রমা কেয়ারে চিকিৎসা চলছিল তাঁর। যদিও প্রাথমিক চিকিৎসার পর রাতে রক্ত বন্ধ হয়ে যায়। কিছুটা সুস্থ বোধ করেন কিন্তু শৌচালয়ে যাওয়ার পথেই মৃত্যু হয় তাঁর। পরিবারের অভিযোগ, হাসপাতালের যেখানে প্রৌঢ়ের চিকিৎসা চলছিল, সেখানে কাছাকাছি কোনও শৌচালয় ছিল না। এমনকি দোতলায় ওঠার জন্য স্ট্রেচারের ব্যবস্থাও ছিল না। তাই বাধ্য হয়ে রোগী অসুস্থ অবস্থায় হেঁটে হেঁটে দোতলার শৌচালয়ে যেতে গিয়েই মৃত্যু হয় তাঁর। যদিও এখনও এবিষয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

    ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে দেহ

    মৃত বিশ্বজিৎ সামন্তের ছেলে বিশাল সামন্ত বলেন, ‘‘অনেক আশা নিয়ে আমরা আরজি কর হাসপাতালে এসেছিলাম। কিন্তু এখানে তো সুস্থ মানুষও অসুস্থ হয়ে মারা যাচ্ছেন!’’ অন্যদিকে হাসপাতাল সূত্রে দাবি, ট্রমা কেয়ার সেন্টারে শৌচালয় রয়েছে। তাহলে কেন তা সত্ত্বেও রোগীকে নিয়ে বাইরে যেতে বলা হয়? তবে এই সকল প্রশ্নের জবাবের জন্য মৃতের দেহ আপাতত ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। প্রাথমিক অনুমান, হার্ট অ্যাটাকে মৃত্যু হয়েছে প্রৌঢ়ের। আপাতত এই ঘটনায় অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা রুজু করেছে টালা থানার পুলিশ।

    আরও পড়ুন: ৫ জেলায় দুর্যোগের ভ্রূকুটি, কেমন থাকবে আজকের আবহাওয়া

    উল্লেখ্য, গত শুক্রবার ভোরে আরজি করের ট্রমা কেয়ার ভবনের লিফ্‌টে আটকে মৃত্যু হয়েছিল দমদমের বাসিন্দা অরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের। সেখানেও বিতর্কের কেন্দ্র ছিল শৌচালয়। তিন বছরের ছেলের চিকিৎসা করানোর জন্য আরজি করে এসেছিলেন তিনি। শিশুকে শৌচালয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য লিফ্‌টে উঠতে হয় তাঁদের। কিন্তু, যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে সেই লিফ্‌টের বেসমেন্টে দীর্ঘ ক্ষণ আটকে থাকেন অরূপেরা। সেখানেই এক ঘণ্টা আটকে থাকার পর স্ত্রী সন্তানের চোখের সামনেই মৃত্যু হয় ওই ব্যক্তির। হাসপাতালের অব্যবস্থা, রক্ষণাবেক্ষণ এবং নজরদারির অভাবকেই এই মৃত্যুর জন্য দায়ী করা হয়েছে। শেষ আপডেট বলছে, এই ঘটনায় ৩ জন লিফটম্যান-সহ পাঁচজনকে গ্রেফতার করা হয়।

  • ফের আরজি কর, লিফটে আটকে রহস্যমৃত্যু ব্যক্তির! ঘনাচ্ছে রহস্য

    ফের আরজি কর, লিফটে আটকে রহস্যমৃত্যু ব্যক্তির! ঘনাচ্ছে রহস্য

    সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: ফের খবরের শিরোনামে আরজি কর হাসপাতাল (RG Kar Hospital)। এবার লিফটে আটকে পড়ে মৃত্যু হল এক ব্যক্তির। জানা যাচ্ছে, মৃত ব্যক্তির নাম অরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়। যিনি দমদমের বাসিন্দা। তাঁর বয়স আনুমানিক ৪০ বছর। হাসপাতালে ভর্তি থাকা ছেলেকে দেখতে লিফটে করে উপরের দিকে যাচ্ছিলেন তিনি। তবে সেই লিফটেই আটকে পড়ে মৃত্যু হয় ওই ব্যক্তির। ইতিমধ্যেই এই ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে টালা থানার পুলিশ (Tala Police Station)। হাসপাতালে ফের এই রহস্যমৃত্যু নিয়ে তৈরি হচ্ছে সংশয়।

    আরজি কর হাসপাতালে লিফটে আটকে পড়ে মৃত্যু

    স্থানীয় সূত্র অনুযায়ী খবর, হাসপাতালের ট্রমা কেয়ারে এই ঘটনা ঘটেছে। মৃত ব্যক্তির এক ছেলে হাসপাতালে ভর্তি। তাঁকে দেখতেই স্ত্রী এবং অন্য ছেলেকে নিয়ে লিফটে করে পাঁচ তলায় যাচ্ছিলেন তিনি। তবে ওই লিফটে কোনও অপারেটর ছিল না। এতেই তাঁরা আটকে পড়েন। কিন্তু এই ঘটনায় ওই ব্যক্তির রহস্যজনক ভাবে মৃত্যু হয়। যদিও কীভাবে তাঁর মৃত্যু হল তা এখনো পর্যন্ত স্পষ্ট নয়। তবে যতদূর জানা যাচ্ছে, লিফটটি উপরে ওঠার বদলে নিচের থেকে নেমে আসে। যার কারণে তিনজনই লিফটে আটকে পড়েন। এমতাবস্থায় লিফট কেটে উদ্ধার করা হয় তিনজনকে। কিন্তু স্ত্রী এবং অন্য ছেলে সম্পূর্ণ সুস্থ হয়েছেন বলেই খবর। রহস্যজনকভাবে মৃত্যু হয় অরূপবাবুর।

    আরও পড়ুন: এই কারণেই পানিহাটিতে অভয়ার মায়ের নাম ঘোষণা করতে পারল না বিজেপি?

    ইতিমধ্যে ঘটনার খবর পেয়ে টালা থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে এবং তদন্ত শুরু করেছে, এবং দুর্ঘটনার কারণ খতিয়ে দেখার চেষ্টা করছে। পাশাপাশি সিসিটিভি ফুটেজও সংগ্রহ করা হয়েছে। আর ওই মৃত ব্যক্তির দেহ ময়নাতদন্তে পাঠানো হয়েছে। এখনও পর্যন্ত স্পষ্ট কিছু বলা যাচ্ছে না যে কীভাবে তাঁর মৃত্যু হল। কিন্তু ময়নাতদন্তের রিপোর্ট আসার পরেই মৃত্যুর কারণ স্পষ্ট জানা যাবে। যদিও এই মৃত্যু নিয়ে রহস্য দানা বাঁধতে শুরু করেছে। এদিকে এই ঘটনার পর মৃত ব্যক্তির পরিবার হাসপাতালের পরিকাঠামের উপর ক্ষোভ উগড়ে দিচ্ছে। তাঁদের দাবি, লিফটে কোনও অপারেটর ছিল না এবং কোনও রক্ষণাবেক্ষণ নেই। যার ফলেই এই দুর্ঘটনা। কিন্তু মৃত ব্যক্তির পরিবারের তরফ থেকে এখনও পর্যন্ত লিখিত কোনও অভিযোগ দায়ের করা হয়নি। সবটাই ময়নাতদন্তের রিপোর্টের উপর নির্ভর করছে।