Tag: Purba Medinipur

  • নতুন স্টেশন পূর্ব মেদিনীপুরে, দিঘা যাওয়ার পথে থামবে ট্রেন

    নতুন স্টেশন পূর্ব মেদিনীপুরে, দিঘা যাওয়ার পথে থামবে ট্রেন

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান ঘটতে চলেছে মেদিনীপুরবাসীর। উদ্বোধন হতে চলেছে আরও এক নতুন রেল স্টেশনের যেটার দাবি ছিল দীর্ঘদিনের। বিশেষ করে আপনিও যদি আগামী কয়েকদিনের মধ্যে দিঘা ঘুরতে যাওয়ার প্ল্যান করে থাকেন তাহলে ট্রেন নতুন এক স্টেশনে দাঁড়াবে এবং তার ওপর দিয়ে যাবে। নিশ্চয়ই ভাবছেন কোন স্টেশন? তাহলে বিশদে জানতে চোখ রাখুন আজকের এই প্রতিবেদনটির ওপর।

    এবার দিঘা যাওয়ার পথে নতুন স্টেশনে থামবে ট্রেন

    আজ কথা হচ্ছে পূর্ব মেদিনীপুরের ঘোলবাগদা রেল স্টেশন (Gholbagda Railway Station) নিয়ে। যেটি এখনও উদ্বোধন হয়নি। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে চলতি মার্চ মাসেই এই স্টেশনটি সর্বসাধারণের জন্য খুলে দেবে প্রশাসন। একটা স্থানীয় স্টেশনে যা যা সুবিধা থাকার কথা তা সবই থাকবে এই স্টেশনে। যাত্রীদের বসার জায়গা থেকে শুরু করে পানীয় জলের কল, শৌচালয়, টিকিট কাউন্টার ইত্যাদি। এলাকার বাসিন্দাদের দীর্ঘদিনের দাবি মেনে পূর্ব মেদিনীপুরের ভগবানপুর–২ ব্লকের ঘোলবাগদায় তৈরি হয়েছে নতুন হল্ট স্টেশন।

    আরও পড়ুনঃ কামরূপ এক্সপ্রেসের টিকিট কাটা? বড় আপডেট দিল রেল

    জানা গিয়েছে, দিঘা–তমলুক রেলপথে নাচিন্দা ও হেঁড়িয়া স্টেশনের মাঝামাঝি এলাকায় গড়ে উঠেছে এই ঘোলবাগদা হল্ট স্টেশনটি। আগে ভগবানপুর ব্লকের বহু জায়গার মানুষদের ট্রেন ধরতে অনেক দূরে যেতে হত। সমস্যার শেষ থাকত না বোরোজ, অর্জুননগর, পটাশপুর–২ ব্লকের আড়গোয়াল ও মথুরা, কাঁথি–৩ ব্লকের কানাইদিঘি ও কুমীরদা গ্রামের মানুষদের। সেই নাচিন্দায় যেতে হত ট্রেন ধরতে। তবে আর নয়, কারণ নতুন স্টেশনটি সকলের মুশকিল আসান করবে। বলে মনে করা হচ্ছে। গত ২০২৪ সালের ১ মার্চ এই স্টেশনের শিলান্যাস করা হয়। এরপর কাজ শুরু হয়। বর্তমান সময়ে কাজ একদম শেষ পর্যায়ে। আগামী ১২ মার্চ স্টেশনটির উদ্বোধন হতে পারে।

    কোন কোন ট্রেন থামতে পারে?

    এক রিপোর্ট অনুযায়ী, রেলওয়ে বোর্ড আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোলবাগদা স্টেশনে কিছু ট্রেনের গুলোর পরীক্ষামূলক স্টপেজ অনুমোদন করেছে। যদিও এই ট্রেনগুলোর নির্দিষ্ট আগমন ও প্রত্যাবর্তনের সময় এখনও প্রকাশিত হয়নি। জানা গিয়েছে, স্টেশনটি উদ্বোধনের পর ট্রেন নম্বর ৬৮১১৩ মেচেদা-দিঘা লোকাল, ৬৮১১৪ দিঘা পাঁশকুড়া লোকাল, ৬৮১১৫ পাঁশকুড়া দিঘা লোকাল, ৬৮১১৬ দিঘা-পাঁশকুড়া, ৬৮১১৭ পাঁশকুড়া-দিঘা, ৬৮১১৮ দিঘা-পাঁশকুড়া, ৬৮১১৯ পাঁশকুড়া-দিঘা এবং ৬৮১২০ দিঘা পাঁশকুড়া ঘোলবাগদা স্টেশনে দাঁড়াতে পারে। বর্তমানে, পাঁশকুড়া–দিঘা–পাঁশকুড়া বিশেষ ট্রেনটি ঘোলবাগদা স্টেশনে থামবে না।

  • দোলে রেকর্ড মদ বিক্রি উত্তর থেকে দক্ষিণবঙ্গে, কোন জেলায় কত? দেখুন পরিসংখ্যান

    দোলে রেকর্ড মদ বিক্রি উত্তর থেকে দক্ষিণবঙ্গে, কোন জেলায় কত? দেখুন পরিসংখ্যান

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: হোলির মরশুম (Holi 2026) ঘিরে তুমুল হইচই রাজ্য জুড়ে। আবির আর পিচকারির এই বর্ণময় আনন্দের মাঝেই উঠে এল এক নয়া তথ্য। জানা গিয়েছে সুরাপ্রেমীদের দৌলতে নাকি রাজ্যের (West Bengal) কোষাগারে রেকর্ড পরিমাণ রাজস্ব লাভ করল প্রশাসন। আবগারি দফতরের প্রাথমিক পরিসংখ্যান অনুযায়ী, চলতি বছরে দোল ও হোলির দিনগুলোতে রাজ্যে মদ বিক্রি (Record Liquor Sold In West Bengal) নাকি বিগত সমস্ত রেকর্ডকে ছাপিয়ে গিয়েছে। পূর্ব মেদিনীপুর এবং দার্জিলিং এর দোকানে দোকানে ভিড় উপচে পড়েছে।

    ১২০ কোটি টাকার মদ বিক্রি রাজ্যে

    আবগারি দফতরের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের দোলের মরসুমে রাজ্যজুড়ে মদ বিক্রি করে রাজস্ব আদায় হয়েছে প্রায় ১২০ কোটি টাকা। রেকর্ড হারে মদ বিক্রি হয়েছে এলাকায় এলাকায়, যার মধ্যে সবচেয়ে বেশি চাহিদা ছিল বিয়ারের। শুধুমাত্র বিয়ার বিক্রি থেকেই এসেছে ৭০ কোটি টাকা। আর এই সুরাপ্রেমীদের দৌলতে পূর্ব মেদিনীপুরেও দোল ও হোলির দিনগুলোতে সবচেয়ে বেশি বিক্রি হয়েছে। জেলা প্রশাসনের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ১ থেকে ৪ মার্চ পর্যন্ত এই চার দিনে মোট ৩০ কোটি ১১ লক্ষ টাকার মদ বিক্রি হয়েছে। যার মধ্যে দেশি মদ বিক্রি হয়েছে প্রায় ২ লক্ষ ৭৭ হাজার লিটার। পাশাপাশি বিদেশি মদ বিক্রি হয়েছে প্রায় ১ লক্ষ ৮৬ হাজার লিটার।

    ৩ দিনে মোট ১১ কোটির বেশি মদ বিক্রি

    পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় দিঘা, মন্দারমণি, তাজপুর–সহ একাধিক জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্র রয়েছে। ফলে যে কোনও ছুটির মরশুমেই রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তের পাশাপাশি ভিন রাজ্য থেকেও বহু পর্যটক এখানে ভিড় করেন। তাই সেখানে নদের চাহিদাও বেশি। একইভাবে দোলের দিন শিলিগুড়ি সহ দার্জিলিংয়েও রেকর্ড বিক্রি হয়েছে মদ। আবগারি দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, সেখানে ২ মার্চ থেকে ৪ মার্চ পর্যন্ত ৩ দিনে মোট ১১ কোটি ১৬ লক্ষ ৮০ হাজার টাকার মদ বিক্রি হয়েছে। গত ২ মার্চ দার্জিলিং এ ৪ কোটি ১০ লক্ষ টাকার মদ বিক্রি হয়েছে। ৩ মার্চ ৬ কোটি ৮৭ লক্ষ টাকার মদ বিক্রি হয়েছে এবং ৪ তারিখ ১ কোটি ৯৮ লক্ষ টাকার মদ বিক্রি হয়েছে।

    আরও পড়ুন: লক্ষ্মীর ভাণ্ডার অতীত! বাংলার মহিলাদের জন্য গঠন হবে ৫৭০০ কোটির তহবিল

    রাজ্যে বৈধ মদের পাশাপাশি অবৈধ চোলাই মদের রমরমাও বেশ বেড়েছে, তাই সেই তৎপরতা রুখতে সক্রিয় হয়েছে প্রশাসন। গোটা ফেব্রুয়ারি মাস জুড়ে জেলায় অভিযান চালিয়েছে আবগারি দফতর ও প্রশাসন। জানা গিয়েছে, পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় দোলের দিন বিশেষ অভিযান চালিয়ে আবগারি দপ্তর মোট ১৩২ লিটার চোলাই মদ উদ্ধার করা হয়েছে। এই ঘটনায় দু’জনকে গ্রেপ্তার করার পাশাপাশি দু’টি বাইকও বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। এদিকে রাজ্যের এই বিপুল পরিমাণ মদ বিক্রি নিয়ে আতঙ্কিত মাদক বিরোধী সংগঠনগুলো। পূর্ব মেদিনীপুর জেলা মদ ও মাদক দ্রব্য বিরোধী কমিটির আহ্বায়ক নারায়ণচন্দ্র নায়ক বলেন, ‘রাজ্য সরকার ঢালাও মদের লাইসেন্স দেওয়ার কারণেই এই অপরাধ বাড়ছে। যা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য অশনিসংকেত।’

  • ২ লাখ দিয়েও মেলেনি পদ, পার্টি অফিসে TMC নেতাকে পেটালেন দলীয় কর্মী! ভাইরাল ভিডিও

    ২ লাখ দিয়েও মেলেনি পদ, পার্টি অফিসে TMC নেতাকে পেটালেন দলীয় কর্মী! ভাইরাল ভিডিও

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: বিধানসভা নির্বাচন যত এগিয়ে আসছে ততই রাজ্যে একের পর এক রাজনৈতিক বিতর্ক বেড়েই চলেছে। হাতে যেহেতু সময় খুব কম তাই এখন থেকেই শুরু হয়েছে ভোট প্রচার, উন্নয়নের পাঁচালি নিয়ে দরজায় দরজায় যাচ্ছেন নেতা মন্ত্রীরা। অন্যদিকে বিজেপিও নেমেছে প্রচার দলে। এমতাবস্থায় রাজ্যে ফের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের অভিযোগ উঠল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব মেদিনীপুরের খেজুরিতে (Khejuri)।

    খেজুরিতে প্রকাশ্যে এল গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব

    সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ভিডিও ছেড়েছেন বিজেপি নেতা দেবজিত সরকার, যেখানে দেখা যাচ্ছে পদ পাইয়ে দেওয়ার নামে ২ লাখ টাকা নেওয়ার অভিযোগ উঠে এসেছিল পূর্ব মেদিনীপুরের খেজুরির এক তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে। কিন্তু পরে দলীয় পদ না পাওয়ায় চরম উত্তেজিত হয়ে পরেন তৃণমূল কর্মী। কার্যালয়ে এসে রীতিমত দুই নেতার মধ্যে মারধর শুরু হয়ে যায়। টাকা ফেরতের দাবিও ওঠে, তুমুল বচসা আটকাতে আসে পাশের কর্মীরা এগিয়ে এলেও কোনও লাভ হয় না। এলোপাথাড়ি চড়-কিল-ঘুসি চলতেই থাকে। আর সেই ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট হতেই একাধিক কটাক্ষ করে নেটিজেনরা।

    অস্বস্তিতে পড়েছে তৃণমূল নেতৃত্ব

    জানা গিয়েছে, ভিডিওতে খেজুরির যে দুই নেতা হাতাহাতি এবং মারামারি করছে, তাঁরা হলেন শংকর দুলাল পাত্র এবং নন্দন দাস। যদিও ওই ভিডিও-র সত্যতা যাচাই করেনি India Hood Bangla। যদিও এই ভিডিও ঘিরে জোর শোরগোল শুরু হয়েছে খেজুরিতে। যা নিয়ে দলের নেতারা মুখে কুলুপও এঁটেছেন। তবে ভোটের মুখে নিজেদের মধ্যে মারামারি এবং কোন্দল ঘিরে খেজুরিতে দলের অনৈক্যের ছবি প্রকাশ্যে এসে পড়ায় বেশ অস্বস্তিতে পড়েছে তৃণমূল নেতৃত্ব। এদিকে তৃণমূলের এই কাণ্ডকারখানায় কটাক্ষ করতে ছাড়েনি বিজেপি, তাঁদের দাবি কাটমানির লোভ নিজেদের দলের লোককেও ছাড়ল না।

    আরও পড়ুন: হোলির দিন মধ্যমগ্রামে ভয়াবহ বিস্ফোরণ, সিলিন্ডার ফেটে ভস্মীভূত একাধিক দোকান

    প্রসঙ্গত, গত রবিবার সন্ধ্যায় বাঁকুড়ার তালডাংরায় বিজেপির শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ কর্মসূচির উপর হামলা চালিয়ে বিজেপি কর্মীদের মারধর ও গাড়ি ভাঙচুরের অভিযোগকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়িয়েছিল এলাকা জুড়ে। তৃণমূল কর্মীদের বিরুদ্ধে হামলার অভিযোগ এনেছে। শেষে এই ঘটনার প্রতিবাদে ও দোষীদের শাস্তির দাবিতে বাঁকুড়ায় পুলিশ সুপারের দফতর ঘেরাও করে প্রবল বিক্ষোভে ফেটে পড়লেন বিজেপির বাঁকুড়ার বিধায়ক নিলাদ্রী শেখর দানা সহ বিজেপি কর্মী সমর্থকেরা।