Tag: Press Information Bureau

  • ২২ হাজার টাকা বিনিয়োগে দিনে ৭০ হাজার আয়? যা জানাল কেন্দ্র সরকার

    ২২ হাজার টাকা বিনিয়োগে দিনে ৭০ হাজার আয়? যা জানাল কেন্দ্র সরকার

    সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: সোশ্যাল মিডিয়ায় সম্প্রতি একটি খবর ভাইরাল (Social Media Viral) হয়েছে, যেখানে দাবি করা হচ্ছে, মাত্র ২২ হাজার টাকা বিনিয়োগ করলে প্রতিদিন প্রায় ৭০ হাজার টাকা পর্যন্ত নাকি আয় করা যাচ্ছে! এমনকি ওই ভিডিওতে ভারতের কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামনকে (Nirmala Sitharaman) একটি বিনিয়োগের প্রকল্প প্রচার করতে দেখা যাচ্ছে বলে দাবি। কিন্তু এই ভিডিও নিয়েই এবার বড়সড় সতর্কবার্তা দিল কেন্দ্রীয় সরকারী ফ্যাক্ট চেক সংস্থা পিআইবি।

    কী বলা হয়েছে সরকারি ফ্যাক্ট চেকে?

    পিআইবি ফ্যাক্ট চেকের তরফ থেকে স্পষ্ট জানানো হয়েছে, ভাইরাল হওয়া ওই ভিডিওটি এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করে তৈরি করা হয়েছে। আর তাতে অর্থমন্ত্রীর আসল বক্তব্যই বিকৃত করে দেখানো হচ্ছে। সরকারের তরফ থেকে স্পষ্ট জানানো হয়েছে, এরকম কোনও বিনিয়োগের প্রকল্প সরকার ঘোষণা করেনি। অর্থমন্ত্রীও এরকম ধরনের কোনও স্কিম প্রচার করেননি। আর ভিডিওটি মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করার উদ্দেশ্যেই ছড়ানো হচ্ছে। সেই কারণেই সাধারণ মানুষকে এই ভিডিও বা বিজ্ঞাপন থেকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

    বেশ কিছু বিশেষজ্ঞদের মতে, বর্তমানে এআই প্রযুক্তির অপব্যবহার দ্রুত হারে বাড়ছে। আর আধুনিক সফটওয়্যারের মাধ্যমে খুব সহজেই কোনও ব্যক্তির মুখ বা কণ্ঠস্বর নকল করে নেওয়া যাচ্ছে। আর এই ধরনের ভিডিওকে সাধারণত ডিপফেক ভিডিও বলা হয়ে থাকে। অনেক সময় এগুলো এতটাই বাস্তবের মতো ফুটে ওঠে যে মনে হয় সাধারণ মানুষেরই ভিডিও। কিন্তু আদতে সেটা এআই দিয়ে বানানো।

    আরও পড়ুন: TRP না থাকায় স্লট বদল, প্রাইম টাইমে ফিরছে জি বাংলার এই ধারাবাহিক

    তাই এই ধরনের প্রতারণা থেকে বাঁচতে অবশ্যই কিছু নিয়ম মাথায় রাখুন। প্রথমত, অস্বাভাবিক বেশি লাভের প্রতিশ্রুতি দেওয়া স্কিম থেকে দূরে থাকুন। দ্বিতীয়ত, সরকারি স্কিম সম্পর্কে জানার জন্য শুধুমাত্র সরকারি ওয়েবসাইট বা বিশ্বস্ত সূত্র ব্যবহার করুন। আর অজানা লিংকে ক্লিক করবেন না। যদি সোশ্যাল মিডিয়ায় এরকম কোনও সন্দেহজনক বা বিভ্রান্তিকর খবর দেখেন, তাহলে অবশ্যই পিআইবির ফ্যাক্ট চেকে জমা দিতে পারেন। এমনকি আপনার স্ক্রিনশট, পোষ্টের লিংক বা ভিডিও ৮৭৯৯৭১১২৫৯ হোয়াটসঅ্যাপ নম্বরে পাঠাতে পারেন।

  • আধার আপডেট না করলে বন্ধ হবে SBI YONO? বড় সতর্কতা PIB-র

    আধার আপডেট না করলে বন্ধ হবে SBI YONO? বড় সতর্কতা PIB-র

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ তথ্যের মধ্যে অন্যতম হল আধার কার্ড। জন্ম থেকে মৃত্যু- এখন সব জায়গাতেই প্রয়োজন আধার কার্ডের, তাই এটি নির্ভুল রাখা ভীষণ জরুরি। কারণ এই পরিচয়পত্র ছাড়া কোনও অফিসিয়াল কাজই করা হয় না। তাই আধার কার্ড সবসময় আপডেট রাখা জরুরি, কারণ সেখানে ভুল থাকলে একাধিক কাজ আটকে পরে। কিন্তু তাই বলে আধার আপডেট না হলে কি SBI YONO অ্যাপটি (SBI YONO App)বন্ধ হয়ে যাবে? চলুন আজকের প্রতিবেদনের মাধ্যমে সম্পূর্ণটা জেনে নেওয়া যাক বিস্তারিত।

    বিভ্রান্তি দূর করতে বড় পদক্ষেপ PIB-র

    সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি তথ্য বেশ ঘোরপাক খাচ্ছে সকলের মোবাইল স্ক্রিনে। আর সেখানে বলা হচ্ছে আধার আপডেট না করা হলে নাকি SBI এর নিজস্ব YONO অ্যাপটি সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যাবে। আর এই তথ্য ছড়িয়ে পড়তেই রীতিমত দুশ্চিন্তায় পড়েছেন গ্রাহকরা। তবে চিন্তার কিছু নেই, কারণ PIB এই ধরনের বার্তাগুলিকে রটনা এবং ভুয়ো বলে ঘোষণা করেছে। আসলে এটি সাইবার অপরাধীদের দ্বারা প্রতারণার একটি নতুন পদ্ধতি। আধার আপডেটের এই বার্তার মাধ্যমে প্রতারকরা গ্রাহকদের ফোনে APK ফাইল ডাউনলোড করতে বলে। আর সেটি যদি বিশ্বাস করে কোনো গ্রাহক ডাউনলোড করে তাহলে সমস্ত অ্যাক্সেস পেয়ে যাবে প্রতারক, এবং মুহূর্তের মধ্যেই অ্যাকাউন্ট খালি হয়ে যাবে। তাই সকলকে এই তথ্য নিয়ে চিন্তিত হতে মানা করা হয়েছে।

    KYC আপডেট করা জরুরি

    আধার কর্তৃপক্ষ বা UIDAI এর তরফে আগেই বলা হয়েছিল যে, ১০ বছর পর পর আধার তথ্য আপডেট করা বাধ্যতামূলক। কিন্তু কখনোই বলা হয়নি যে আধার আপডেট না করলে YONO অ্যাপ বন্ধ হবে, তাই গ্রাহকদের এই ব্যাপারে নিশ্চিন্তে থাকার পরামর্শ দিয়েছে। অন্যদিকে KYC নিয়েও বড় আপডেট দেওয়া হয়েছে। যদি কোনো গ্রাহকের অ্যাকাউন্টে KYC আপডেট করা না হয়ে থাকে, তাহলে ব্যাংকিং পরিষেবা সাময়িকভাবে বন্ধ হতে পারে। সেক্ষেত্রে সরাসরি শাখায় যোগাযোগ করা উচিত বলে জানানো হয়েছে।

    আরও পড়ুন: রাত হতেই বদলে যায় রেলের এই নিয়মগুলো! ট্রেনে ওঠার আগে জানুন, নাহলেই বিপদ

    প্রসঙ্গত, আধার কার্ড আপডেটের জন্য পরিষেবা কেন্দ্রে যাওয়া বাধ্যতামূলক ছিল। কিন্তু এখন বাড়িতে বসেই সেই কাজ করা যায় মাত্র এক ক্লিকেই। নাম, ঠিকানা পরিবর্তন করার পাশাপাশি আধার-প্যান লিঙ্ক এসব কিছুই করা যাবে অনলাইনের মাধ্যমে। তাই সোশ্যাল মিডিয়ায় কোনো তথ্য যাচাই না করে বিশ্বাস করবেন না। কারণ ব্যক্তিগত তথ্যের মতো সংবেদনশীল বিবরণ গুলো চুরি হয়ে গেলে ব্যাপক আর্থিক ক্ষতি হতে পারে গ্রাহকদের