Tag: Petroleum

  • মেরেকেটে ৫ দিনের LPG, ৭ দিনের তেল বেঁচে! জ্বালানির দাম ২০০% বাড়াল পাকিস্তান

    মেরেকেটে ৫ দিনের LPG, ৭ দিনের তেল বেঁচে! জ্বালানির দাম ২০০% বাড়াল পাকিস্তান

    সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যে পড়ে একেবারে দেউলিয়া হওয়ার পথে প্রতিবেশী দেশ পাকিস্তান (Pakistan Fuel Crisis)। একদিকে ইরান-ইজরায়েলের সংঘাতের (Iran-Israel War)  কারণে হরমুজ প্রণালীতে জাহাজ আটকে রয়েছে, অন্যদিকে খাদের কিনারায় দাঁড়িয়ে থাকা পাকিস্তানের অর্থনীতি জ্বালানির অভাবে সম্পূর্ণরূপে ধুকছে। আর পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার জন্য দেশের সরকার হাই অক্টেন তেলের দাম এক ধাক্কায় প্রতি লিটারে ২০০ টাকা পর্যন্ত বাড়িয়েছে। এক কথায় মধ্যবিত্তদের রাতের ঘুম উড়ে গিয়েছে সন্ত্রাসের দেশে।

    জ্বালানির বাজারে রেকর্ড মূল্যবৃদ্ধি

    প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরীফের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সম্প্রতি এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে জ্বালানির দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সেই অনুযায়ী, বিলাসবহুল গাড়িতে ব্যবহৃত তেলের দাম ১০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে এবার সরাসরি ৩০০ টাকা করা হয়েছে। অর্থাৎ প্রতি লিটারে ২০০ টাকা দাম বেড়েছে, যা শতাংশের হিসেবে প্রায় ২০০%। অন্যদিকে পেট্রোল-ডিজেলের দাম অনেকটাই ঊর্ধ্বগতিতে ঠেকেছে। এর আগেই সাধারণ পেট্রোলের দাম লিটার প্রতি ৫৫ টাকা বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে, যা এখন দাঁড়িয়েছে ৩২১.১৭ টাকা প্রতি লিটার। আর ডিজেলের ৩৩৫.৮৬ টাকা প্রতি লিটার।

    এদিকে পাকিস্তানের পেট্রোলিয়াম সচিবের দেওয়া একটি তথ্য অনুযায়ী, দেশের জ্বালানি ভান্ডার এখন সম্পূর্ণ তলানিতে। যদি নতুন করে সরবরাহ না আসে, তাহলে পাকিস্তান বড়জোর আর হাতেগোনা কয়েকটা দিন চালাতে পারে। জানা যাচ্ছে, যে পরিমাণ এলপিজি মজুদ রয়েছে তা মাত্র ৫ দিনের মধ্যেই শেষ হবে। আর মজুদ অপরিশোধিত তেল আগামী ৭ দিন পর্যন্ত চলবে এবং জেট ফুয়েল অর্থাৎ বিমানের জ্বালানি ১০ দিনের জন্য মজুদ রয়েছে। আর পেট্রোল মজুদ রয়েছে ২০ থেকে ২২ দিনের মতো এবং ডিজেল মজুদ রয়েছে আনুমানিক ১৭ দিনের মতো। সেই কারণে জ্বালানি ফুরিয়ে আসার জেরে দেশজুড়ে বিদ্যুৎ বিভ্রাট বা ব্ল্যাকআউটের আতঙ্কও দেখা যাচ্ছে।

    আরও পড়ুন: ভারতীয় রুপিতে ভারী পতন, সোমবার ডলারের বিপরীতে নতুন রেকর্ড গড়ল টাকা

    আকাশছোঁয়া বিমানের ভাড়া

    অন্যদিকে তেলের দাম বাড়ার কারণে সরাসরি প্রভাব পড়েছে বিমান পরিষেবার উপরেও। গত ১০ মার্চ থেকে পাকিস্তানের ভিতরে ফ্লাইটের টিকিটের দাম ২৮০০ থেকে ৫০০০ টাকা পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। আর আন্তর্জাতিক রুট বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্য বা মধ্য এশিয়ার দেশগুলোতে যাওয়ার খরচ এবার ১০ হাজার টাকা থেকে ২৮ হাজার টাকা পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। পাশাপাশি জ্বালানি সাশ্রয় করতে পাকিস্তান সরকার ইতিমধ্যে জরুরি অবস্থা জারি করেছে। অধিকাংশ সরকার এবং বেসরকারি অফিস বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে আর ওয়ার্ক ফ্রম হোম বা বাড়িতে থেকে কাজ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এমনকি স্কুল, কলেজ বন্ধ করা হয়েছে। আর সবথেকে বড় ব্যাপার, ঈদের ছুটির বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে যাতে রাস্তায় গাড়ি চলাচল কমিয়ে তেলের খরচ বাঁচানো যায়। এমনকি সম্প্রতি শুরু হতে চলা পাকিস্তান সুপার লিগে দর্শক ছাড়াই খেলা চলবে আর স্টেডিয়াম সংখ্যা কমানো হয়েছে।

  • ব্যারেল প্রতি ১৩৭ ডলার! হরমুজ সংকটে এপ্রিলে পেট্রোল-ডিজেলের দাম বাড়তে পারে ভারতে

    ব্যারেল প্রতি ১৩৭ ডলার! হরমুজ সংকটে এপ্রিলে পেট্রোল-ডিজেলের দাম বাড়তে পারে ভারতে

    সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধের (Middle East War) কারণে দিনের পর দিন দেশের অর্থনীতির উপর প্রভাব পড়ছে। শোনা যাচ্ছে, আগামী ৩১ মার্চের পর নাকি পেট্রোল-ডিজেলের দাম বাড়বে! হ্যাঁ, ইতিমধ্যে আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম ঊর্ধ্বগতিতে ঠেকেছে। জানা যাচ্ছে, যুদ্ধ শুরু হওয়ার আগে যেখানে এই তেলের দাম ছিল ৭০.৯ ডলার, সেখানে শুক্রবার তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৩৬.৫৬ ডলার। অর্থাৎ, ভারতীয় শোধনাগারগুলির জন্য এই অপরিশোধিত তেলের দাম প্রায় ৯৩ শতাংশ পর্যন্ত ঊর্ধ্বগতিতে ঠেকেছে। সেই সূত্রে আঁচ করা হচ্ছে যে, পেট্রোল-ডিজেলের দামও এবার অনেকটাই বাড়বে (Petrol-Diesel Price Hike)।

    ভারতে বাড়বে জ্বালানির দাম

    বেশ কিছু বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন যে, বাজেট লক্ষ্যমাত্রা আর আর্থিক ভারসাম্যের উপর নজর রেখেই আগামী ৩১ মার্চ সরকার তেলের দামের মূল্যবৃদ্ধি করতে পারে। তবে হ্যাঁ, যেহেতু বাংলা সহ মোট পাঁচটি রাজ্যে আসন্ন বিধানসভা নির্বাচন, তাই এই রাজ্যগুলিতে ২৯ এপ্রিল পর্যন্ত মূল্যবৃদ্ধির সম্ভাবনা খুবই কম। তবে তারপর দাম বাড়তে পারে।

    বলে দিই, গত ২৬ ফেব্রুয়ারি ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ছিল ব্যারেল প্রতি ৭০.৯ ডলার। আর ১২ মার্চ সেই দাম দাঁড়ায় ১৮৭.২ ডলার। এমনকি গত শুক্রবার সেই দাম পৌঁছে গিয়েছে এক্কেবারে ১৩৬.৫ ডলারে। যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ৪০ শতাংশের বেশি আর ইউরালস ক্রুডের দাম প্রায় ৫০ শতাংশের বেশি বেড়েছে। আসলে ইরানের সমুদ্রপথ হরমুজ প্রণালী বন্ধ করে দেওয়ার কারণে বিশ্বের ২০ শতাংশ তেল আর গ্যাস সরবরাহ কমে গিয়েছে। আর এই সংকটের কারণেই আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম বাড়ছে। যেহেতু ভারতের মোট জ্বালানির প্রায় ৬০% এই পথ দিয়ে আসে, সেই কারণেই পড়ছে প্রভাব।

    এদিকে এও বলে রাখি, ভারত দীর্ঘদিন ধরেই রাশিয়ায় রাশিয়া থেকে অল্প দামে তেল কিনে আসছে। কিন্তু সম্প্রতি রাশিয়ার ইউরালস ক্রুডের দাম ৫০ শতাংশের বেশি বেড়েছে। সেই কারণেই আরও চাপ বাড়ছে। এ বিষয়ে অর্থনীতিবিদ বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যদি অপরিশোধিত তেলের দাম সারা বছর প্রায় ১০০ ডলারের কাছাকাছি থাকে, তাহলে ভারতের আমদানি ব্যয় বেড়ে ৮০ বিলিয়ন ডলারের পৌঁছবে। এমনকি ২০২৬ সালে অপরিশোধিত তেলের গড় মূল্য ৮৫ ডলার থাকলে বৈশ্বিক প্রবৃদ্ধি ০.৩ থেকে ০.৪ শতাংশ কমে যেতে পারে, আর মুদ্রাস্ফীতি বাড়তে পারে ০.৬০%।

    আরও পড়ুন: পরিচারিকাতে ভরসা বিজেপির, আউশ গ্রামের পদ্মের প্রার্থী কলিতা মাজির নাম বিচারাধীন

    এখন বিশেষজ্ঞদের একটাই বক্তব্য, হরমুজ প্রণালী দিয়ে যতদিন না পর্যন্ত তৈলবাহী জাহাজগুলি সাধারণভাবে চলাচল করতে পারছে, ততদিন বাজারে এই অস্থিরতা বজায় থাকবে এবং ভারতীয় ভোক্তাদের উপরে প্রভাব পড়বে। এমনকি পশ্চিম এশিয়ার পরিস্থিতির কারণে বাণিজ্যের ক্ষেত্রেও দেখা যাচ্ছে চ্যালেঞ্জ। ফেব্রুয়ারি মাসের আমদানি-রফতানির পরিসংখ্যানেও দেখা গিয়েছে আমূল পরিবর্তন। হ্যাঁ, আমদানি ২৪.১১% বেড়ে ৬৩.৭১ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে। আর বাণিজ্য ঘাটতি দাঁড়িয়েছে ২৭.১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। এখন দেখার, পেট্রোল-ডিজেলের দামের উপর কোনও প্রভাব পড়ে কিনা, আর এই পরিস্থিতি নয়াদিল্লি কীভাবে সামাল দেয়।

  • বন্ধ স্কুল, কলেজ! বেতনে ২৫% কাটছাঁট, জ্বালানী সঙ্কটে বড় সিদ্ধান্ত পাকিস্তান সরকারের

    বন্ধ স্কুল, কলেজ! বেতনে ২৫% কাটছাঁট, জ্বালানী সঙ্কটে বড় সিদ্ধান্ত পাকিস্তান সরকারের

    সহেলি মিত্র, কলকাতা: জ্বলছে মধ্যপ্রাচ্য। এরই মাঝে নতুন করে শিরোনামে উঠে এল পাকিস্তান (Pakistan)। সেখানকার সরকার এবার এমন এক সিদ্ধান্ত নিয়েছে যার প্রভাব কয়েক কোটি মানুষের ওপর পড়বে। জানা গিয়েছে, আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম বৃদ্ধির পর পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরীফ খরচ কমানোর জন্য একগুচ্ছ ঘোষণা করেছেন। স্কুল, কলেজ বন্ধ থেকে শুরু করে বেতনে কাটছাঁট, কমিশন বন্ধ করা সহ একাধিক ঘোষণা করেছেন প্রধানমন্ত্রী। চলুন আরও বিশদে জেনে নেওয়া যাক।

    বড় সিদ্ধান্ত পাক সরকারের

    সরকারের নতুন পরিকল্পনার আওতায়, সরকারি অফিসগুলি এখন সপ্তাহে মাত্র চার দিন খোলা থাকবে এবং অর্ধেক কর্মচারী বাড়ি থেকে কাজ (WFH) করবেন। স্কুলগুলিও দুই সপ্তাহের জন্য বন্ধ রাখা হয়েছে। পাকিস্তান সরকার মন্ত্রী এবং উপদেষ্টাদের বিদেশ ভ্রমণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। মন্ত্রীরা দুই মাস বেতন নেবেন না এবং সাংসদদের ২৫% বেতন কাটা হবে। আগামী দুই মাস সরকারি যানবাহনে ৫০% জ্বালানি কম থাকবে। ৬০% সরকারি যানবাহন বন্ধ থাকবে। সমস্ত সরকারি বিভাগকে তাদের ব্যয় ২০% কমাতে হবে।

    কী বলেছেন প্রধানমন্ত্রী?

    প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরীফ বলেছেন যে যুদ্ধের কারণে অপরিশোধিত তেলের দাম প্রতি ব্যারেল ৬০ ডলার থেকে ১০০ ডলারেরও বেশি বেড়েছে, যার কারণে এই সিদ্ধান্তগুলি নেওয়া হয়েছে। পাকিস্তান পেট্রোল ও ডিজেলের দাম প্রায় ২০ শতাংশ বাড়িয়েছে। পেট্রোল ও ডিজেলের দাম প্রতি লিটারে ৫৫ টাকা বেড়েছে। মূল্যবৃদ্ধির পর, পাকিস্তানে এখন পেট্রোলের দাম প্রতি লিটারে ৩৩৫.৮৬ টাকা এবং ডিজেলের দাম প্রতি লিটারে ৩২১.১৭ টাকা।

    আরও পড়ুনঃ গ্যাস নিয়ে LPG কোম্পানিগুলোকে নয়া নির্দেশ কেন্দ্রের

    পাকিস্তান সৌদি আরবের কাছে বেশ কিছু দাবি জানিয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে বিদ্যমান ৫ বিলিয়ন ডলারের আমানতকে ১০ বছরের সুবিধায় রূপান্তর করা এবং তেল সরবরাহের জন্য বিলম্বিত অর্থপ্রদানের সুবিধা ১.২ বিলিয়ন ডলার থেকে বাড়িয়ে ৫ বিলিয়ন ডলার করা।

  • ইরান-ইজরায়েল যুদ্ধে বাড়তে পারে সোনা ও তেলের দাম

    ইরান-ইজরায়েল যুদ্ধে বাড়তে পারে সোনা ও তেলের দাম

    সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: মধ্যপ্রাচ্যে ইরান আর ইজরায়েলের সংঘাত (Iran-Israel War) ঘিরে সামরিক উত্তেজনা তীব্র হওয়ার কারণে বিশ্ববাজারে বাড়ছে অস্থিরতা। যুক্তরাষ্ট্র আর ইজরায়েলের যৌথ পদক্ষেপে পরিস্থিতি এখন বদলাতে শুরু করেছে। আর এই প্রেক্ষাপটে বিনিয়োগকারীরা ঝুঁকিপূর্ণ সম্পদ ছেড়ে নিরাপদ আশ্রয়ের দিকে ঝুঁকছে। যার ফলে সোনা এবং কাঁচা তেলের দামে এবার দেখা যাচ্ছে উত্থানের সম্ভাবনা ।

    বাজারে রিস্ক প্রিমিয়াম ঠিক কতটা বাড়তে পারে?

    বেশ কিছু বিশ্লেষকদের মতে, আন্তর্জাতিক বাজারে ট্রেডিং পুনরায় শুরু হলে তেল এবং সোনার গ্যাপ-আপ খেলার সম্ভাবনাও রয়েছে। হ্যাঁ, বিশ্বের বৃহত্তর ভোক্তা দেশ আমেরিকা এবং ওপেকের গুরুত্বপূর্ণ উৎপাদক ইরানের মধ্যে উত্তেজনা বাড়ার কারণে দামে ভূ-রাজনৈতিক চাপ পড়তে পারে। আর হামলার আগে ব্রেন্ট ক্রুড ব্যারেল প্রতি ৭২.৪৮ ডলার এবং WTI ৬৭.০২ ডলারে বন্ধ হয়েছিল। বিশেষজ্ঞদের অনুমান, সরবরাহের বড় ব্যাঘাতের আশঙ্কা তৈরি হলে ব্রেন্ট ক্রুড প্রায় ৮৫ থেকে ৯৫ ডলার এমনকি তার উপরে চড়তে পারে। আর চরম পরিস্থিতিতে অতিরিক্ত ১৫ থেকে ২০ ডলার পর্যন্ত রিস্ক প্রিমিয়াম যুক্ত হওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে।

    এদিকে তেল পরিবহনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পথ হরমুজ প্রণালী। আর এখানে যে কোনও রকম বাধা বৈশ্বিক সরবরাহে বিরাট ধাক্কা দিতে পারে বলেই অনুমান। আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলির দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, প্রতিদিন বিপুল পরিমাণ কাঁচাতেল এবং জ্বালানি এই প্রণালী দিয়েই আসে যা বৈশ্বিক তরল জ্বালানি ব্যবহারের সবথেকে বড় অংশ। আর সম্পূর্ণ অবরোধের সম্ভাবনা না থাকলেও আংশিক দামে অনেকটাই উত্থান দেখতে পারে।

    আরও পড়ুন: টানা ৩ মাস বাতিল একাধিক ট্রেন, যাত্রা সংক্ষিপ্ত ৩০ এক্সপ্রেসের! তালিকা দিল রেল

    সোনার ক্ষেত্রে কী হতে পারে?

    অন্যদিকে উত্তেজনার আবহে ঐতিহ্যগতভাবে নিরাপদ বিনিয়োগের বিকল্প হিসেবে চাহিদা পায় সোনা। আর বাজার বন্ধের আগে আন্তর্জাতিক স্পট মার্কেটে সোনার দাম ছিল মোটামুটি ৫২৭৮ ডলার। তবে নতুন সপ্তাহের ট্রেডিং শুরু হলে দামে ৩ থেকে ৬ শতাংশ পর্যন্ত উত্থান দেখা যেতে পারে বলেই অনুমান করা হচ্ছে। এমনকি বিশেষজ্ঞদের মতে, যদি সংঘাত দীর্ঘায়িত হয় বা ইরান কঠোর পাল্টা ব্যবস্থা নেয়, তাহলে সোনা সর্বকালের রেকর্ড দাম ছুঁতে পারে। কিন্তু কূটনৈতিক উদ্বেগের উত্তেজনা কমলে প্রাথমিক উত্থানের পর আবারও মুনাফা বুকিং দেখা যেতে পারে বলে মত ওয়াকিবহাল মহলের।