Tag: Pensioner

  • ৩০ এপ্রিলের মধ্যে দিতে হবে জমা, কর্মচারী ও পেনশনভোগীদের বিশেষ নির্দেশ সরকারের

    ৩০ এপ্রিলের মধ্যে দিতে হবে জমা, কর্মচারী ও পেনশনভোগীদের বিশেষ নির্দেশ সরকারের

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারীদের জন্য রইল জরুরি খবর। আর এই খবরটি হল অষ্টম বেতন পে কমিশন (8th Pay Commission) সংক্রান্ত। জানা গিয়েছে, কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারী এবং পেনশনভোগীদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে বিবেচিত অষ্টম কেন্দ্রীয় বেতন কমিশন এখন বিভিন্ন অংশীদারদের কাছ থেকে পরামর্শ এবং স্মারকলিপি চেয়েছে। সময়সীমা ৩০ এপ্রিল, ২০২৬।

    ৩০ এপ্রিল ডেডলাইন দিল কেন্দ্র

    জানা গিয়েছে, কমিশন তার অফিসিয়াল ওয়েবসাইটের মাধ্যমে জানিয়েছে যে কর্মচারী, পেনশনভোগী, ইউনিয়ন এবং অন্যান্য অংশীদাররা একটি অনলাইন পোর্টালের মাধ্যমে তাদের মতামত জমা দিতে পারবেন। এই পোর্টালটি ইতিমধ্যে গত ৫ মার্চ, ২০২৬ থেকে চালু করা হয়েছে এবং পরামর্শ জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ৩০ এপ্রিল, ২০২৬ নির্ধারণ করা হয়েছে। কমিশন স্পষ্ট করে জানিয়েছে যে সমস্ত পরামর্শ অফলাইন নয়, শুধুমাত্র অনলাইন পোর্টালের মাধ্যমে গ্রহণ করা হবে। হার্ড কপি, ইমেল বা পিডিএফ ফাইল বিবেচনা করা হবে না। অতএব, বেতন, ভাতা বা অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা সম্পর্কিত দাবি সহ যে কোনও কর্মচারী বা প্রতিষ্ঠানকে নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে অনলাইনেই তাদের প্রস্তাব জমা দিতে হবে।

    আরও পড়ুনঃ শুধুমাত্র এদেরই বকেয়া DA দেবে নবান্ন? সুপ্রিম কোর্টে জমা রিপোর্ট ঘিরে চাঞ্চল্য

    কী বলা হয়েছে ওয়েবসাইটে?

    অষ্টম বেতন কমিশনের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত মেসেজ অনুসারে, কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারী (শিল্প ও অ-শিল্প), সর্বভারতীয় পরিষেবার কর্মকর্তা, প্রতিরক্ষা বাহিনীর কর্মী, কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের কর্মচারী, ভারতীয় নিরীক্ষা ও হিসাব বিভাগের কর্মকর্তা ও কর্মচারী, সংসদের আইনের অধীনে গঠিত নিয়ন্ত্রক সংস্থার সদস্য (আরবিআই ছাড়া), সুপ্রিম কোর্ট এবং হাইকোর্টের কর্মচারী, অধস্তন আদালতের বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তা, পেনশনভোগী এবং কর্মচারী ইউনিয়ন এই প্রক্রিয়ায় তাদের মতামত জমা দিতে পারবেন।

    আরও পড়ুনঃ বাংলা ও বিহার হচ্ছে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল? স্পষ্ট জানিয়ে দিল সরকার

    এছাড়াও, কেন্দ্রীয় সরকারের মন্ত্রক, বিভিন্ন বিভাগ, সংস্থা, কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল প্রশাসন, কর্মচারী ইউনিয়ন, গবেষক এবং শিক্ষা বিশেষজ্ঞরাও কমিশনের কাছে পরামর্শ জমা দিতে পারবেন। কমিশন ইতিমধ্যেই বেতন কাঠামো, ভাতা, সুযোগ-সুবিধা এবং নিয়ম সম্পর্কিত বিষয়গুলির উপর প্রতিক্রিয়া জানতে ১৮টি প্রশ্নের একটি প্রশ্নপত্র জারি করেছে। এই প্রশ্নের উত্তর অনলাইনেও দিতে হবে, যার সময়সীমা ১৬ মার্চ, ২০২৬ পর্যন্ত।

  • পেনশনভোগীদের চিকিৎসায় ২ লাখের বেশি খরচ হলেও মিলবে ক্যাশলেস সুবিধা

    পেনশনভোগীদের চিকিৎসায় ২ লাখের বেশি খরচ হলেও মিলবে ক্যাশলেস সুবিধা

    বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: রাজ্যের সরকারি পেনশনভোগীদের জন্য চরম সুখবর। এবার থেকে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের (Government Of West Bengal) স্বাস্থ্য প্রকল্পের আওতায় তালিকাভুক্ত বেসরকারি হাসপাতাল গুলিতে চিকিৎসার খরচ 2 লাখ টাকা ছাড়িয়ে গেলেও মিলবে ক্যাশলেস সুবিধা। হ্যাঁ, সোমবারই পশ্চিমবঙ্গ সরকারের অর্থ দপ্তরের মেডিকেল সেলের তরফে বিশেষ নির্দেশিকা জারি করে এই কথা জানানো হয়। বলাই বাহুল্য, এতদিন রাজ্য সরকারের এই বিশেষ প্রকল্পের সুবিধা পেতেন শুধুমাত্র সরকারি কর্মচারীরাই। এবার থেকে সেই সুবিধা ভোগ করবেন রাজ্য সরকারের পেনশনাররাও।

    বাজেটে এই সুবিধার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন অর্থমন্ত্রী

    সম্প্রতি সপ্তদশ বিধানসভার শেষ অধিবেশনে অন্তর্বর্তীকালীন বাজেট পেশ করার পর রাজ্যের অর্থমন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য এ বঙ্গের সরকারি পেনশনভোগীদের 2 লাখ টাকার বেশি চিকিৎসার খরচের ক্ষেত্রে ক্যাশলেস সুবিধার প্রস্তাব রেখেছিলেন। সেই মতোই, বিধানসভা নির্বাচনের প্রাক্কালে পেনশনভোগীদের উপর থেকে চিকিৎসা সংক্রান্ত চাপ কমাতে তড়িঘড়ি বিশেষ নির্দেশ কার্যকর করল সরকার।

    বলাই বাহুল্য, রাজ্য সরকারি কর্মচারীর পাশাপাশি পেনশনভোগীদের হাসপাতালে চিকিৎসার খরচ যদি 2 লাখ টাকা পার করেও যায় সে ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট পেনশনভোগী বা কর্মী ফর্ম 7 পূরণ করে ওই হাসপাতালে জমা দিতে পারবেন। আবেদন পাওয়ার পর সেই আবেদন খতিয়ে দেখে সর্বোচ্চ 10 দিনের মধ্যে চিকিৎসার খরচের একটি আনুমানিক হিসাব সহ গোটা রিপোর্ট তৈরি করে রাজ্য সরকারের ডাবলুবিএইচএস পোর্টালের মাধ্যমে অর্থ দপ্তরের মেডিকেল সেলকে দিতে হবে।

    অবশ্যই পড়ুন: “কেউ আশা করবে না সূর্যকুমার..” সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতির গলায় কেন টিম ইন্ডিয়ার অধিনায়কের নাম?

    রিপোর্ট অনুযায়ী, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের তরফে আবেদন পাওয়ার সর্বোচ্চ 24 ঘণ্টার মধ্যে সিদ্ধান্ত জানাতে হবে অর্থ দপ্তরকে। তবে শেষ পর্যন্ত যদি কোনও সিদ্ধান্ত না আসে সে ক্ষেত্রে আবেদন ডিমড অ্যাপ্রুভাল হিসেবে গণ্য হবে। এক্ষেত্রে

    সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্মচারী বা পেনশনভোগী মোট খরচের সর্বোচ্চ 75 শতাংশ পর্যন্ত ক্যাশলেস সুবিধা পেতে পারেন। সবচেয়ে বড় কথা, একজন সম্ভাব্য রোগী বা কর্মী ক্যাশলেস সুবিধা পাওয়ার সীমা বা লিমিট বাড়ানোর জন্য কয়েকবার আবেদন করতে পারেন।