Tag: Pakistan

  • পাক স্পিনার আবরার আহমেদকে ছেড়ে দিতে পারে সানরাইজার্স, কারণ জানুন

    পাক স্পিনার আবরার আহমেদকে ছেড়ে দিতে পারে সানরাইজার্স, কারণ জানুন

    বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: নিলাম থেকে পাকিস্তানের তারকা স্পিনার আবরার আহমেদকে (Abrar Ahmed) 2 কোটি 34 লাখ টাকায় কিনেছিল কাব্যা মারানের দল সানরাইজার্স লিডস (Sunrisers Leeds)। যার কারণে সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যাপক ট্রোল হতে হয়েছে তাঁকে। পাকিস্তানি তারকাকে কিনে নেওয়ায় সানরাইজার্স হায়দরাবাদ দলটিকে ইন্ডিয়ার প্রিমিয়ার লিগ থেকে বয়কট করার দাবী জানিয়েছিলেন ভারতীয় সমর্থকরা। এরই মাঝে এবার শোনা যাচ্ছে, ওই পাক প্লেয়ারকে ছেড়ে দিতে পারে সানরাইজার্স ফ্রাঞ্চাইজি। কিন্তু কেন?

    পাক স্পিনারকে ছেড়ে দেবে সানরাইজার্স লিডস?

    এই মুহূর্তে বাংলাদেশ সফর করছে পাকিস্তান দল। সেখানে ওপার বাংলার প্লেয়ারদের বিরুদ্ধে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ খেলছে পাকবাহিনী। এই সিরিজ শেষ হলেই আসন্ন আগস্ট মাসে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে দুই টেস্টের সিরিজ খেলতে যাবে পাকিস্তান। আগামী 15 জুলাই থেকে 7 আগস্ট পর্যন্ত চলবে ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজ। মূলত সে কারণেই এই সময় দ্য হান্ড্রেড লিগে খেলার জন্য আবরার আহমেদকে ছাড়পত্র দেবে না পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড। আসলে পাকিস্তান টেস্ট দলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সদস্য আবরার। তাঁকে ইংল্যান্ডের মতো শক্তিশালী দলের বিপক্ষে বিশ্রামে রাখার কোনও চিন্তাভাবনা নেই PCB র।

    আরও পড়ুনঃ এদের জন্য হরমুজ প্রণালীর দরজা খুলে দিল ইরান, তালিকায় ভারতও?

    তাছাড়াও আগামী 19 আগস্ট থেকে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে তিন ম্যাচের টেস্ট সিরিজ খেলবে পাকিস্তান। এদিকে 21 জুলাই থেকে শুরু হচ্ছে দ্য হান্ড্রেড লিগ। চলবে আগামী 16 আগস্ট পর্যন্ত। বেশ কয়েকটি সূত্র দাবি করছে, 15 জুলাই থেকে গোটা আগস্ট মাস ওয়েস্ট ইন্ডিজ এবং ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজ নিয়ে ব্যস্ত থাকবে পাকিস্তান দল। পাকিস্তানের কয়েকটি সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, ওয়েস্ট ইন্ডিজ এবং ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজ থাকার কারণে তার আগে প্রস্তুতি পর্ব এবং বিদেশ সফরের জন্য হান্ড্রেড লিগে পাকিস্তানি স্পিনারকে খেলার ছাড়পত্র দেবে না PCB। সে কারণেই আগেভাগে এই পাকিস্তানি ক্রিকেটারকে বাদ দিতে পারে সানরাইজার্স, এমনটাই মনে করছেন ওয়াকিবহাল মহল।

  • বিশ্বকাপ শেষ হতেই এবার পাকিস্তানের অধিনায়ককে শাস্তি দিল ICC

    বিশ্বকাপ শেষ হতেই এবার পাকিস্তানের অধিনায়ককে শাস্তি দিল ICC

    বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে (T20 World Cup) চরম ব্যর্থতা। বাংলাদেশের বিরুদ্ধে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ খেলতে গিয়েও ধাক্কা খাচ্ছে পাকিস্তান। এরই মাঝে পাক অধিনায়ক সলমান আলি আঘাকে শাস্তি দিলো আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (ICC Punishment To Pakistan Captain)। জানা যাচ্ছে, বাংলাদেশ সিরিজ চলাকালীন মাঠে মেজাজ হারানোর কারণে শাস্তি পাচ্ছেন পাক ক্রিকেটার। ঠিক কী করেছিলেন সলমান?

    ঠিক কী করেছিলেন পাক অধিনায়ক?

    বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ওয়ানডের দ্বিতীয় ম্যাচ চলাকালীন 39 তম ওভারে বল করছিলেন ওপার বাংলার মেহেদী হাসান মিরাজ। ব্যাট হাতে স্ট্রাইকে ছিলেন মহম্মদ রিজওয়ান। ওভারের চতুর্থ বলটি সোজা খেলার চেষ্টা করেন রিজওয়ান। সেই বল পা দিয়ে আটকানোর চেষ্টা করেন মিরাজ। এদিকে সেই বল থামার আগেই ক্রিজের বাইরে থাকা সলমান হাত দিয়ে বলটি তুলতে যান। আর তখনই মিরাজ দ্রুত বল তুলে উইকেটে ছুড়ে মারেন। আউট হওয়া মাত্রই তৃতীয় আম্পায়র আউটের ইশারা করেন। আর তারপরেই ঘটে বিপত্তি!

    আম্পায়ার আউট দেওয়া মাত্রই নিজের হেলমেট এবং দস্তানা। জোরে মাটিতে ছুড়ে ফেলেন পাকিস্তানের অধিনায়ক। পরবর্তীতে তৃতীয় আম্পায়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানালে সেই হেলমেট এবং দস্তানা কুড়িয়ে মাঠ ছেড়ে বেরিয়ে যান তিনি। এরপর ডাগ আউট এর কাছে গিয়ে আবার ব্যাট এবং দস্তানা ছুড়ে ফেলেন পাকিস্তানের ক্রিকেটার। আর সেটাই কাল হল তাঁর জন্য। পাক অধিনায়কের এমন আচরণ একেবারেই ভালোভাবে নেয়নি আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল।

     

    অবশ্যই পড়ুন: ট্রেনের টিকিট থেকে শুরু করে খাওয়ার, সবই পাবেন বিনামূল্যে! বড় উদ্যোগ রেলের

    খেলা শেষ হওয়া মাত্রই ম্যাচ রেফারি পাকিস্তানের অধিনায়কের রিপোর্টে এই বিষয়টিকে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের 2.2 ধারার আওতায় অন্তর্ভুক্ত করেন। আসলে বিশ্ব ক্রিকেট সংস্থার এই ধারা অনুযায়ী ম্যাচের মাঝে যদি কোনও ক্রিকেটার নিজেদের ক্রিকেট সরঞ্জাম ছুড়ে ফেলেন তা আগ্রহণযোগ্য অপরাধের মধ্যে পড়ে। এর জন্য শাস্তি পেয়ে থাকেন প্লেয়াররা। সেই মতোই নিয়ম মেনে শাস্তি পেয়েছেন সলমান। তাঁকে সতর্ক করার পাশাপাশি এক ডিমেরিট পয়েন্ট দেওয়া হয়েছে। তবে আউট হয়ে যাওয়ার সময় বাংলাদেশের প্লেয়ার লিটন দাসের সাথে ঝামেলার কারণে পাকিস্তানের প্লেয়ারকে কোনও শাস্তি দেয়নি ICC।

  • তালিবানদের ঘাঁটি লক্ষ্য করে ফের আফগানিস্তানে এয়ারস্ট্রাইক পাকিস্তানের

    তালিবানদের ঘাঁটি লক্ষ্য করে ফের আফগানিস্তানে এয়ারস্ট্রাইক পাকিস্তানের

    সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: একদিকে পশ্চিম এশিয়ার সংঘাত, আরেক দিকে দক্ষিণ এশিয়ার (Pakistan-Afghanistan War)। হ্যাঁ, পাকিস্তান এবং আফগানিস্তানের মধ্যে উত্তেজনা আবারও চরমে পৌঁছেছে। সীমান্ত পরিস্থিতি শান্ত হওয়ার তো কোনও লক্ষণই দেখা যাচ্ছে না। আর তারই মধ্যে আফগানিস্তানের কান্দাহার অঞ্চলের তালিবান ঘাঁটি লক্ষ্য করে বিমান হামলা চালিয়েছে পাকিস্তান (Pakistan Airstrike on Afghanistan)। এমনটাই দাবি আফগান প্রশাসনের। আর এই ঘটনায় দুই দেশের মধ্যে আবারও নতুন করে সংঘর্ষ বাড়ার আশঙ্কা তৈরি হচ্ছে। পাকিস্তানের দাবি, সাম্প্রতিক ড্রোন হামলার জবাবে হিসাবেই তাদের এই আক্রমণ।

    কান্দাহারে ফের বিমান হামলা

    পাকিস্তানের সূত্র মারফৎ খবর, আফগানিস্তানের দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর কান্দাহারের কাছে তালিবানদের একটি ঘাঁটিকে লক্ষ্য করে বিমান হামলা চালানো হয়েছে। আর পাকিস্তানের পক্ষ থেকে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, সাম্প্রতিক সময়ে সীমান্তের কাছে পাকিস্তানের এলাকায় একাধিক ড্রোন দেখা গিয়েছিল। নিরাপত্তা বাহিনী ড্রোনগুলিকে প্রতিহত করতে সক্ষম হলেও কিছু কিছু ক্ষেত্রে ধ্বংসাবশেষ পড়ে ক্ষয়ক্ষতির খবর মিলেছে।

    এদিকে পাক সেনা কর্মকর্তাদের মতে, এই ড্রোনগুলোর লক্ষ্য ছিল গুরুত্বপূর্ণ সামরিক স্থাপনাগুলিকে গুঁড়িয়ে দেওয়া। কিন্তু অধিকাংশ ড্রোনই লক্ষ্যভেদ করতে পারেনি। আর কিছু জায়গায় ধ্বংসাবশেষ পড়ে সাধারণ মানুষের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলেও তারা দাবি করেছে। পাকিস্তানের কোয়েটাতে ড্রোনের ধ্বংসাবশেষ পড়ে দুই শিশু আহত হয়েছে বলেও খবর মিলেছে। এছাড়াও কোহাট এবং রাওয়ালপিন্ডি এলাকাতেও কয়েকজন আহত হওয়ার খবর সামনে আসে।

    আরও পড়ুন: মেসেজ পেলেও ঢোকেনি যুবসাথীর টাকা? জানুন কী হবে এবার

    আফগানিস্তানকে দায়ী ইসলামাবাদের

    এদিকে এই ঘটনার জন্য সরাসরি আফগানিস্তানকে দায়ী করেছে পাকিস্তান। তাদের দাবি, এই ড্রোন হামলাগুলি আফগানিস্তানের কান্দাহার অঞ্চলের একটি সামরিক ঘাঁটি থেকেই করা হয়েছে। সেনা ঘাঁটি আর সাধারণ মানুষের উপর হামলা চালিয়ে তালিবানরা রেড লাইন অতিক্রম করতে চাইছে। তারই জবাবে পাকিস্তান বিমান হামলা চালিয়েছে। এমনকি সংঘাত আরও বাড়তে পারে এরকম আশঙ্কায় পাকিস্তান সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নিয়েছে। রিপোর্ট অনুযায়ী, ইসলামাবাদের আকাশ পথ সাময়িক বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। পাকিস্তান সেনাবাহিনীর দাবি, নিরাপত্তার স্বার্থেই তাদের এই পদক্ষেপ।

  • আটকে রেখেছে কিস্তির ১ বিলিয়ন ডলার! কাঙাল পাকিস্তানকে বড় ধাক্কা IMF-র

    আটকে রেখেছে কিস্তির ১ বিলিয়ন ডলার! কাঙাল পাকিস্তানকে বড় ধাক্কা IMF-র

    বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: যখনই পরিস্থিতি একটু বেগতিক হয়েছে আন্তর্জাতিক অর্থভাণ্ডার বা IMF এর সামনে ঝুলি পেতে বসেছে পাকিস্তান (IMF Loan To Pakistan)। এর আগে গত মে মাসে ভারত এবং পাকিস্তানের মধ্যে সংঘাত চলাকালীন পাকিস্তানের 100 কোটির ঋণ মঞ্জুর করে দিয়েছিল আন্তর্জাতিক অর্থ তহবিল। পরবর্তীতে আবারও IMF এর শরণাপন্ন হয়েছে পাকিস্তান। তবে এবার আন্তর্জাতিক অর্থভাণ্ডার ইসলামাবাদকে কার্যত বড়সড় ধাক্কা দিয়েছে। জানা যাচ্ছে, IMF পাকিস্তানকে 7 বিলিয়ন ডলারের ঋণ দিতে রাজি হয়ে গেলেও সেই ঋণের 1 বিলিয়ন ডলারের কিস্তি দিতে অস্বীকার করেছে তারা কিন্তু কেন?

    পাকিস্তানকে ঋণ দিচ্ছে না IMF!

    দ্য এক্সপ্রেস ট্রিবিউনের রিপোর্ট অনুযায়ী, আন্তর্জাতিক অর্থ ভান্ডারের তরফে 7 বিলিয়ন ডলার ঋণের আওতায় 1 বিলিয়ন ডলারের একটি কিস্তি নিয়ে পাকিস্তান সরকার এবং IMF এর মধ্যে দীর্ঘ কথোপকথন হলেও ঋণ নিয়ে কর্মী পর্যায়ের কোনও বৈঠক বা স্টাফ লেভেল চুক্তি হয়নি। মূলত সে কারণেই পাকিস্তানকে 1 বিলিয়ন ডলারের ঋণ দিচ্ছে না আন্তর্জাতিক অর্থভাণ্ডার।

    তবে IMF খুব পরিষ্কারভাবে জানিয়ে দিয়েছে, এই মুহূর্তে 1 বিলিয়ন ডলারের ঋণ দেওয়া না হলেও পাকিস্তান সরকারের সাথে কথাবার্তা জারি থাকবে তাদের। আন্তর্জাতিক অর্থভাণ্ডারের তরফে জানানো হয়েছে, কিস্তির অর্থ বিতরণ করার জন্য স্টাফ লেভেল চুক্তির বিষয়ে ঐক্যমত নিশ্চিত করতে আগামী দিনে নীতি নিয়ে পাকিস্তানের সাথে আলোচনা চলবে। তবে পাকিস্তানের আর্থিক ঘাটতি নিয়ে ইতিমধ্যেই উদ্বেগ প্রকাশ করেছে IMF।

    এ প্রসঙ্গে আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডারের মিশন প্রধান ইভা পেট্রোভা সাফ জানিয়েছেন, “আলোচনায় অগ্রগতি হলে আগামী দিনে সেই আলোচনা অব্যাহত থাকবে। আমারা পাকিস্তানের অর্থনীতি, বর্ধিত তহবিল সুবিধা ও IMF সমর্থিত কর্মসূচির উপর সাম্প্রতিক বৈশ্বিক উন্নয়নের প্রভাব সবটাই মূল্যায়ন করবে।

    অবশ্যই পড়ুন: রেশনে অর্ধেক খরচে কিনতে পারবেন কেরোসিন! বড় সিদ্ধান্ত কেন্দ্রের

    পাকিস্তানে দেখা দিতে পারে চরম অর্থনৈতিক সংকট!

    আন্তর্জাতিক অর্থভাণ্ডার কিস্তির 1 বিলিয়ন ডলার না দেওয়ার সিদ্ধান্ত এমন সময় নিল যখন পশ্চিম এশিয়ায় চলছে, ভয়াবহ যুদ্ধ। ইরান যুদ্ধের কারণে পাকিস্তানে লাফিয়ে বাড়ছে জ্বালানির দাম। সেই সাথে তেল এবং গ্যাস সরবরাহ বাধাপ্রাপ্ত হওয়ায় আরও বিপদে পড়েছে ইসলামাবাদ। বিশ্লেষক মহলের অনেকেই বলছেন, IMF যদি এখন তাদের 1 বিলিয়ন ডলার ঋণ না দেয় সেক্ষেত্রে পাকিস্তান বড়সড় অর্থনৈতিক সংকটের মুখোমুখি হতে পারে।

    যদিও পাক সরকার বলছে, IMF এর কাছ থেকে আর্থিক সাহায্য এখন না পেলেও অর্থনৈতিক সংকটের মুখে পড়বে না ইসলামাবাদ। ঠিক উল্টো দিকে আন্তর্জাতিক অর্থভাণ্ডার আবার বলছে, পাকিস্তান এখনও উচ্চ অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি সহ্য করার মতো ক্ষমতায় পৌঁছয়নি। এক কথায়, বিপুল পরিমাণ ঋণ নিয়ে তা পরিশোধ করার ক্ষমতা যে পাকিস্তানের এখন নেই তা ভাল মতোই বুঝছে আন্তর্জাতিক অর্থভাণ্ডার।

  • গুঁড়িয়ে দেওয়া হবে করাচি, কোয়েটা, ইসলামাবাদ! পাকিস্তানকে হুঁশিয়ারি তালিবানের

    গুঁড়িয়ে দেওয়া হবে করাচি, কোয়েটা, ইসলামাবাদ! পাকিস্তানকে হুঁশিয়ারি তালিবানের

    সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: একদিকে মধ্যপ্রাচ্যে ইরান, ইজরায়েল আর আমেরিকার সংঘাত, অন্যদিকে দক্ষিণ এশিয়ায় আফগানিস্তান-পাকিস্তানের সংঘাত (2026 Afghanistan–Pakistan War)। এবার বিমান হামলার অভিযোগে নতুন করে উত্তেজনা ছড়াল। সেই প্রেক্ষাপটে আফগান শাসকগোষ্ঠী তালিবান (Taliban) পাকিস্তানের বিরুদ্ধে কড়া সতর্কবার্তা জানিয়েছে। তালিবানের এক শীর্ষ কর্তার বক্তব্য অনুযায়ী, পাকিস্তান যদি এই ধরনের হামলা চালাতে থাকে, তাহলে তাদের গুরুত্বপূর্ণ শহরগুলোকেই এবার লক্ষ্যবস্তু করে হামলা করা হবে। ফলে দুই দেশের মধ্যে সম্পর্ক যে আরও তিক্ত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হচ্ছে তা বলার অপেক্ষা রাখে না।

    কোন শহরগুলিকে নিশানা করার হুমকি?

    এদিন তালিবানের মুখপাত্র স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, পাকিস্তানের পক্ষ থেকে আফগানিস্তানে হামলা যদি অব্যাহত থাকে, তাহলে দেশের বড় বড় শহরগুলিকে এবার গুঁড়িয়ে দেওয়া হবে। বিশেষ করে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ শহরের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। তালিকায় রয়েছে ইসলামাবাদ, করাচি এবং কোয়েটা। এই শহরগুলিকে লক্ষ্য করেই হামলার হুমকি দেওয়া হয়েছে। আর এতে দুই দেশের মধ্যে সম্পর্ক আরও উত্তপ্ত হয়েছে।

    তালিবানদের দাবি, পাকিস্তানের সেনাবাহিনী সম্প্রতি আফগানিস্তানে বিভিন্ন এলাকায় বিমান হামলা চালিয়েছে। সংবাদমাধ্যমের রিপোর্ট অনুযায়ী, কাবুল এবং কান্দাহার প্রদেশকে হামলার লক্ষ্যবস্তু করা হয়। এমনকি আফগানিস্তানের আরও বেশ কিছু এলাকাতে হামলা চালিয়েছে পাকিস্তান। সেই সূত্রেই এবার হুঁশিয়ারি দিলেন তালিবান কর্মকর্তার মুখপাত্র হাজী জাহিদ। তিনি তালিবান নেতা হাজী ইউসুফের প্রতিনিধিত্ব করেন বলেই খবর। বিশেষজ্ঞদের মতে, তালিবানা শীর্ষ নেতা হিবাতুল্লাহ আখুন্দজাদার ঘনিষ্ঠ বলেই আফগানিস্তানের উত্তর অঞ্চলে এই গোষ্ঠীর প্রভাব যথেষ্ট শক্তিশালী।

    আরও পড়ুন: দেশে আকাল, বিদেশে রপ্তানি! এলপিজি সংকট নিয়ে কেন্দ্রের থেকে জবাব চাইল হাইকোর্ট

    এদিকে বলে রাখি, আফগানিস্তান আর পাকিস্তানের সীমান্তে দীর্ঘদিন ধরেই উত্তেজনা তুঙ্গে। দুই দেশের মধ্যে সীমান্ত বিরোধ, জঙ্গি কার্যকলাপ আর পাল্টা অভিযানের অভিযোগ প্রায়শই সামনে আসে। বিশেষ করে ডুরান্ড লাইন ঘিরে দুই দেশের মধ্যে রাজনৈতিক আর সামরিক বিরোধ দীর্ঘদিন ধরেই চলে আসছে। বিশ্লেষকরা বলছেন, সাম্প্রতিক এই হুঁশিয়ারি দুই দেশের সম্পর্কের মধ্যে আরও ফাটল সৃষ্টি করছে। আর যদি এরকম ভাবে হামলা চলতে থাকে, তাহলে গোটা অঞ্চলের নিরাপত্তা প্রশ্নের মুখে পড়তে পারে।

  • বন্ধ স্কুল, কলেজ! বেতনে ২৫% কাটছাঁট, জ্বালানী সঙ্কটে বড় সিদ্ধান্ত পাকিস্তান সরকারের

    বন্ধ স্কুল, কলেজ! বেতনে ২৫% কাটছাঁট, জ্বালানী সঙ্কটে বড় সিদ্ধান্ত পাকিস্তান সরকারের

    সহেলি মিত্র, কলকাতা: জ্বলছে মধ্যপ্রাচ্য। এরই মাঝে নতুন করে শিরোনামে উঠে এল পাকিস্তান (Pakistan)। সেখানকার সরকার এবার এমন এক সিদ্ধান্ত নিয়েছে যার প্রভাব কয়েক কোটি মানুষের ওপর পড়বে। জানা গিয়েছে, আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম বৃদ্ধির পর পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরীফ খরচ কমানোর জন্য একগুচ্ছ ঘোষণা করেছেন। স্কুল, কলেজ বন্ধ থেকে শুরু করে বেতনে কাটছাঁট, কমিশন বন্ধ করা সহ একাধিক ঘোষণা করেছেন প্রধানমন্ত্রী। চলুন আরও বিশদে জেনে নেওয়া যাক।

    বড় সিদ্ধান্ত পাক সরকারের

    সরকারের নতুন পরিকল্পনার আওতায়, সরকারি অফিসগুলি এখন সপ্তাহে মাত্র চার দিন খোলা থাকবে এবং অর্ধেক কর্মচারী বাড়ি থেকে কাজ (WFH) করবেন। স্কুলগুলিও দুই সপ্তাহের জন্য বন্ধ রাখা হয়েছে। পাকিস্তান সরকার মন্ত্রী এবং উপদেষ্টাদের বিদেশ ভ্রমণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। মন্ত্রীরা দুই মাস বেতন নেবেন না এবং সাংসদদের ২৫% বেতন কাটা হবে। আগামী দুই মাস সরকারি যানবাহনে ৫০% জ্বালানি কম থাকবে। ৬০% সরকারি যানবাহন বন্ধ থাকবে। সমস্ত সরকারি বিভাগকে তাদের ব্যয় ২০% কমাতে হবে।

    কী বলেছেন প্রধানমন্ত্রী?

    প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরীফ বলেছেন যে যুদ্ধের কারণে অপরিশোধিত তেলের দাম প্রতি ব্যারেল ৬০ ডলার থেকে ১০০ ডলারেরও বেশি বেড়েছে, যার কারণে এই সিদ্ধান্তগুলি নেওয়া হয়েছে। পাকিস্তান পেট্রোল ও ডিজেলের দাম প্রায় ২০ শতাংশ বাড়িয়েছে। পেট্রোল ও ডিজেলের দাম প্রতি লিটারে ৫৫ টাকা বেড়েছে। মূল্যবৃদ্ধির পর, পাকিস্তানে এখন পেট্রোলের দাম প্রতি লিটারে ৩৩৫.৮৬ টাকা এবং ডিজেলের দাম প্রতি লিটারে ৩২১.১৭ টাকা।

    আরও পড়ুনঃ গ্যাস নিয়ে LPG কোম্পানিগুলোকে নয়া নির্দেশ কেন্দ্রের

    পাকিস্তান সৌদি আরবের কাছে বেশ কিছু দাবি জানিয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে বিদ্যমান ৫ বিলিয়ন ডলারের আমানতকে ১০ বছরের সুবিধায় রূপান্তর করা এবং তেল সরবরাহের জন্য বিলম্বিত অর্থপ্রদানের সুবিধা ১.২ বিলিয়ন ডলার থেকে বাড়িয়ে ৫ বিলিয়ন ডলার করা।

  • পাকিস্তানে ৫৫ টাকা দাম বাড়ল পেট্রোল-ডিজেলের! জানুন নতুন রেট

    পাকিস্তানে ৫৫ টাকা দাম বাড়ল পেট্রোল-ডিজেলের! জানুন নতুন রেট

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ সাধারণ মানুষের মাথায় বাজ ভেঙে পড়ল। আশঙ্কা সত্যি করে এবার পেট্রোল এবং ডিজেল (Petrol Diesel Price)-রও দাম বাড়ল। এক ধাক্কায় ৫৫ টাকা অবধি তেলের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। হ্যাঁ একদম ঠিক শুনেছেন। তাহলে এখন এক লিটার পেট্রোল ও ডিজেলের দাম কত হল? চলুন সে বিষয়ে বিশদে জেনে নেওয়া যাক।

    দাম বাড়ল পেট্রোল-ডিজেলের

    আপনি কি ভাবছেন ভারতে? উত্তর হল না। মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের আবহে এখন জ্বালানির দাম বৃদ্ধি পেয়েছে পাকিস্তানে (Pakistan Petrol Diesel Price)। মূলত মধ্যপ্রাচ্যে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনা এবং ইরান ও আমেরিকা-ইসরায়েলের মধ্যে চলমান যুদ্ধের সরাসরি প্রভাব প্রতিবেশী পাকিস্তানের অর্থনীতিতে পড়ছে। বিশ্বব্যাপী অপরিশোধিত তেলের দাম তীব্র বৃদ্ধির পর, পাকিস্তান সরকার পেট্রোল এবং ডিজেলের দাম প্রতি লিটারে ৫৫ টাকা অবধি বৃদ্ধি করেছে। এমনিতে নানা ঘটনাকে কেন্দ্র করে অশান্ত হয়ে রয়েছে পাকিস্তান। নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসের দাম সেখানে আকাশছোঁয়া। এহেন পরিস্থিতিতে এবার তেলের দাম বৃদ্ধি, আমজনতার কাছে রামধাক্কা সেটা বলাই বাহুল্য।

    কত হল নতুন রেট?

    শুক্রবার পাকিস্তানের পেট্রোলিয়াম মন্ত্রী আলী পারভেজ মালিক, উপ-প্রধানমন্ত্রী ইসহাক দার এবং অর্থমন্ত্রী মুহাম্মদ আওরঙ্গজেব এক সাংবাদিক সম্মেলনে নতুন দাম ঘোষণা করেন। এগুলি ৭ মার্চ, ২০২৬ থেকে অর্থাৎ আজ থেকে কার্যকর হবে। আজ থেকে পাকিস্তানের পেট্রোল প্রতি লিটারে ২৬৬.১৭ টাকা থেকে বেড়ে ৩২১.১৭ টাকা হয়েছে। এছাড়া হাই স্পিড ডিজেল প্রতি লিটারে ২৮০.৮৬ টাকা থেকে বেড়ে ৩৩৫.৮৬ টাকা হয়েছে।

    আরও পড়ুনঃ শুধুমাত্র এদেরই বকেয়া DA দেবে নবান্ন? সুপ্রিম কোর্টে জমা রিপোর্ট ঘিরে চাঞ্চল্য

    তেলের দাম বৃদ্ধির বিষয়ে বড় তথ্য দিয়েছেন পাকিস্তানের উপ-প্রধানমন্ত্রী ইসহাক দার। তিনি স্পষ্ট করে বলেছেন যে ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে চলমান সংঘাত সমগ্র অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়েছে। আমেরিকা ও ইসরায়েলের ইরানের উপর আক্রমণ এবং ইরানের প্রতিশোধমূলক পদক্ষেপ বিশ্ব তেল বাজারে আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। হরমুজ প্রণালী দিয়ে সরবরাহ ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কায় আন্তর্জাতিক বাজারে ব্রেন্ট অপরিশোধিত তেল এবং WTI তেলের দাম ৬% থেকে ১০% অবধি বৃদ্ধি পেয়েছে।

  • একসময় ছিল পাকিস্তানের অংশ! বাংলাতেই রয়েছে ভারতের শেষ স্টেশন

    একসময় ছিল পাকিস্তানের অংশ! বাংলাতেই রয়েছে ভারতের শেষ স্টেশন

    বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: ভারতীয় রেল ব্যবস্থায় এমন বহু স্টেশন রয়েছে যেগুলির সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত ইতিহাস (India’s Last Rail Station)। কিন্তু তা সত্ত্বেও ঐতিহাসিক সেই সব স্টেশনে বর্তমানে পা পড়ে না যাত্রীদের। ভারতীয় রেলের অধীনে এমনই একটি স্টেশন রয়েছে উত্তর 24 পরগনার বনগাঁ শাখায়। জানলে অবাক হবেন, এই স্টেশনটি ভারতের অন্তিম স্টেশন। যা একটা সময় পূর্ব পাকিস্তান অর্থাৎ বর্তমান বাংলাদেশের অংশ ছিল। যদিও কালের নিয়মে স্টেশনটির কয়েকটি ভবন একপ্রকার ভগ্নপ্রায় অবস্থায় পড়ে রয়েছে। এই স্টেশন থেকে আজ মানুষের বদলে যাতায়াত করে শিয়াল কুকুর সহ অন্যান্য সব বন্যপ্রাণী।

    এটিই ভারতের শেষ স্টেশন

    সালটা 1947 সালের আগস্ট মাস। প্রায় সকলেই জানেন সে বছরের 15 আগস্ট দিনটিকে ভারতের স্বাধীনতা দিবস হিসেবে উদযাপন করা হয়। অন্যদিকে 14 আগস্ট পালিত হয় পাকিস্তানের স্বাধীনতা দিবস। তবে 1947 এর আগস্ট মাস নাগাদ ভারত যখন স্বাধীন তখনও উত্তর 24 পরগনার বনগাঁ সংলগ্ন বিস্তীর্ণ এলাকাকে পূর্ব পাকিস্তান অর্থাৎ বর্তমান বাংলাদেশের অংশ হিসেবে দেখানো হয়েছিল। যার ফলে যথেষ্ট আতঙ্কে ছিলেন সেখানকার বাসিন্দারা। যদিও পরবর্তীতে ওই এলাকা গুলিকে ভারতের অন্তর্ভুক্ত করা হয়।

    সেই সময়, পেট্রাপোল স্টেশন সহ বেশ কিছু স্টেশন পূর্ব পাকিস্তানের অংশ হিসেবে দেখানো হয়েছিল। যদিও বর্তমানে সেটি ভারতের অংশ। অনেকেই হয়তো জানেন না, এই স্টেশনটি বনগাঁ-পেট্রাপোল শাখার শেষ স্টেশন। একটা সময় এই স্টেশন দিয়েই বর্তমান বাংলাদেশ তথা পূর্ব পাকিস্তানে নিয়মিত বিভিন্ন পণ্য পাঠানো হতো। যদিও পরবর্তীতে এই স্টেশন হয়েই বন্ধন এক্সপ্রেস বাংলাদেশে প্রবেশ করে।

    একটা সময় এই স্টেশনের কদর থাকলেও বর্তমানে স্টেশনটিতে কুকুর, শিয়ালের মতো বন্যপ্রাণী ছাড়া আর কারও দেখা মেলে না। সবচেয়ে বড় কথা, এই স্টেশনের পাশেই রয়েছে ট্রেন চলাচলের সিঙ্গেল লাইন। যদিও বর্তমানে এই স্টেশনে থামেনা কোনও যাত্রীবাহী ট্রেন, বলা ভাল এই রেল ট্র্যাক দিয়ে চলাচল করে না কোনও ট্রেন। জানিয়ে রাখা ভাল, দেশের সর্বশেষ স্টেশন পেট্রাপোল থেকে জিরো পয়েন্টের দূরত্ব মাত্র 600 মিটার। একইভাবে বাংলাদেশের বেনাপোল স্টেশনের দূরত্ব মাত্র আড়াই কিলোমিটার।

    অবশ্যই পড়ুন: ঘূর্ণাবর্ত-পশ্চিমী ঝঞ্ঝার দাপট, ধেয়ে আসছে কালবৈশাখী সহ বৃষ্টি, আজকের আবহাওয়া

    বলাই বাহুল্য, একটা সময় পূর্ব পাকিস্তানের অংশ হিসেবে দেখানো পেট্রাপোল স্টেশনটির পাশেই রয়েছে একটি ছোট্ট গ্রাম। সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য বিষয়, ভারতের শেষ স্টেশন পেট্রাপোল বাংলাদেশের একেবারে গা ঘেঁষে তৈরি হওয়ায় প্রায়শই এই অংশ থেকে অবৈধ অনুপ্রবেশের অভিযোগ ওঠে। তবে সেই সব বিতর্ক কাটিয়ে আগামী দিনে দেশের ঐতিহাসিক এই স্টেশনটিকে ভারতীয় রেলের তরফে কাজে লাগানো হবে কিনা তা নিয়ে কৌতুহল রয়েছে অনেকেরই।

  • পাকিস্তানকে সমর্থন করে হান্ড্রেড লিগ থেকে নিজেই বাদ মইন আলি!

    পাকিস্তানকে সমর্থন করে হান্ড্রেড লিগ থেকে নিজেই বাদ মইন আলি!

    বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: নিজে একজন পাক বংশোদ্ভুত খেলোয়াড়। তাই পাকিস্তানের প্রতি দরদটা ইংল্যান্ড দলের প্রাক্তন সদস্য মইন আলির (Moeen Ali) চিরকালেরই। এইতো কিছুদিন আগেই দ্য হান্ড্রেড লিগের (The Hundred) মালিকদের একেবারে হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন তিনি। জানা গিয়েছিল, পাকিস্তানের ক্রিকেটারদের ইংল্যান্ডের এই বিশেষ লিগে অন্তর্ভুক্ত করতে রাজি ছিলেন না দলগুলির মালিকরা। তারপরই মইন কার্যত হুমকি দিয়ে বলেছিলেন, পাকিস্তানি প্লেয়ারদের না নিলে বিক্ষোভ হবে। এবার সেই মইন আলিই এবারের হান্ড্রেড লিগে উপেক্ষিত। তাঁকে কিনতে রাজি নয় কোনও দল।

    দ্য হান্ড্রেড লিগে ব্যান মইন?

    রিপোর্ট অনুযায়ী, আগামী জুলাই থেকে শুরু হতে যাওয়া হান্ড্রেড লিগের নতুন সিজনের আগে কিংবদন্তি ক্রিকেটার মইন আলিকে দলে নিতে রাজি নয় কোনও ফ্রাঞ্চাইজি। আসন্ন নিলামের আগে পাক বংশোদ্ভুত ক্রিকেটারকে দলে না নেওয়ার বিষয়ে যুক্তি দিয়ে ইংল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ড বলেছে, এবারের নিলামে কোনও দল মইন আলির প্রতি আগ্রহ দেখাচ্ছে না। তাই তাঁকে মনোনীত করা হয়নি।

    বলাই বাহুল্য, ইংল্যান্ডের ঘরোয়া ক্রিকেট থেকে অবসর নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন মইন। যদিও পরবর্তীতে বিভিন্ন কারণে সেই সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসে দেশের ঘরোয়া ক্রিকেট লিগে খেলতে রাজি হন তিনি। কিন্তু তা হলেও ইংল্যান্ডের গুরুত্বপূর্ণ ক্রিকেট লিগ হান্ড্রেডের কোনও দলেই জায়গা হল না তাঁর। অনেকেই মনে করছেন, পাক ক্রিকেটারদের নিয়ে দলগুলির মালিকদের একপ্রকার হুমকি দেওয়ায় মইনের দিক থেকে মুখ ফিরিয়ে রাখল ফ্রাঞ্চাইজিগুলি। ওয়াকিবহাল মহলও এমন ঘটনার নেপথ্যে ইংল্যান্ড অলরাউন্ডারের পাকিস্তান প্রীতি খুঁজে পাচ্ছেন।

    অবশ্যই পড়ুন: ইংল্যান্ডের দুঃস্বপ্ন হয়ে ওঠার পাশাপাশি বিরাট কোহলিকেও পেছনে ফেললেন সঞ্জু স্যামসন

    ক্রিক ইনফোর এক রিপোর্ট অনুযায়ী, পাকিস্তানের ক্রিকেটারদের সমর্থন জানানোর কারণেই যে মইনকে উপেক্ষা সহ্য করতে হচ্ছে এমনটা বলছে না ইংল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ড। বরং ECB খুব পরিষ্কারভাবে জানিয়েছে, হান্ড্রেড লিগে এমনিতেই প্লেয়ারদের তালিকা বড় হয়ে গিয়েছে। তাছাড়াও ফ্রাঞ্চাইজি গুলি কোন প্লেয়ারকে কিনবে বা দলে রাখবেন সেটা তাদের ব্যক্তিগত বিষয়। কিন্তু দল গুলির মালিকরা মইনকে নিয়ে আগ্রহ না দেখানোর কারণেই খুব সম্ভবত এবারের লিগে খেলা হচ্ছে না তাঁর।

  • India Hood Decode: এবার ধ্বংস হবে পাকিস্তান! সীমান্তে শুরু ভয়ংকর যুদ্ধ

    India Hood Decode: এবার ধ্বংস হবে পাকিস্তান! সীমান্তে শুরু ভয়ংকর যুদ্ধ

    দুই মুসলিম দেশ –আফগানিস্থান আর পাকিস্তানের মধ্যে শুরু হয়ে গেল ভয়ঙ্কর যুদ্ধ (Pakistan Afghanistan War)!

    পরিস্থিতি এমন যে পাকিস্তানে জারি করতে হয়েছে জরুরী অবস্থা! শুধু তাই নয়, আফগানিস্থানের কাছে মাথাও নত করেছে তারা, পাঠিয়েছে সংঘর্ষবিরতি, শান্তি, সমঝোতার প্রস্তাবও।

    অন্যদিকে পাকিস্তান শুরু করেছে আফগানিস্থানের ওপর ‘অপারেশন ঘাজ়াব লিল হক’!

    হ্যাঁ ঠিকই শুনেছেন!

    ২০২৬-এর ফেব্রুয়ারি মাসের শুরুতেই, পাকিস্তানের মসজিদে বিস্ফোরণ, আর ফেব্রুয়ারির শেষে আফগানিস্থানের মাদ্রাসায় আক্রমণ দিয়ে যে সংঘর্ষ শুরু হয়েছিল, এবার সেই সংঘর্ষ নিয়ে নিয়েছে রনং দেহি রূপ! রমজান মাসের তোয়াক্কা না করেই দুই দেশ উঠে পড়ে লেগেছে একে অপরের অস্তিত্ব মেটাতে! যা  ইতিমধ্যেই কেড়ে নিয়েছেদুই দেশের কয়েকশো সেনা এবং নাগরিকের প্রাণ!

    কিন্তু, হঠাৎ করেই কী নিয়ে আফগানিস্থান আর পাকিস্তানের মধ্যে ফের শুরু হয়ে গেল লড়াই? ঠিক কী কী আপডেট পাওয়া গিয়েছে এখনও অবধি এই যুদ্ধ নিয়ে? তবে কি এবার সত্যিই তালিবানদের কাছে মাথা নত করবে পকিস্তান? কেনই বা এই যুদ্ধের কারণে হঠাৎ করে ভারতের দিকে অভিযোগের আঙ্গুল তুলছে পাকিস্তান?

    জানলে অবাক হবেন – যে পাকিস্তান নিজেদের মুসলিম বিশ্বের এক অন্যতম নেতা হিসাবে দাবী করে, আজ তারাই রমজান মাস চলাকালীন আক্রমণ করল মুসলিম জনতার ওপর! হামলা চালাল মাদ্রাসার ওপর!

    যে পাকিস্তান আগে নিজেরাই, রমজান মাস চলাকালীন গাজার ওপর ইজরায়েলের আক্রমণ নিয়ে করেছিল নিন্দা, আজ তারাই করল সেই একই কাজ! যুদ্ধ ঘোষণা করে ডিল আর এক মুসলিম দেশ আফগানিস্থানের ওপর!

    আজ India Hood ডিকোড-এ আমরা তুলে ধরবো এমন কিছু তথ্য, যা পরিষ্কার করে দেবে পাকিস্তানের নীচ মনোভাব সম্পর্কে। পরিষ্কার করে দেবে, তারা আর কোনও রাষ্ট্র নেই, আমেরিকার গোলামে পরিণত হয়েছে। তাই ধৈর্য ধরে লেখাটি শেষ পর্যন্ত পড়ুন।

    রমজান মাসে আফগানিস্থানের মাদ্রাসায় বোমা হামলা!

    দিনটা ২১শে ফেব্ররুয়ারি, রমজান মাস চলাকালীন, গভীর রাতে হঠাৎ করেই আফগানিস্তানের পক্তিকা প্রদেশের বরমল জেলার এক মাদ্রাসায় বিমান হামলা চালানো হয়। আর হামলার অভিযোগ ওঠে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে। জানা যায়, এই হামলার করার জন্য ব্যবহার করা হয়েছে F-16 এবং JF-17 বিমান থেকে। যার ফলে মৃত্যু হয় প্রায় ৭০ জন আফগান নাগরিকের।

    এরপর পাক সেনার তরফ থেকে বিবৃতি জারি করে জানানো হয়,“আফগানিস্তানে জঙ্গিদের বেশ কয়েকটি ঘাঁটি গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।“

    এরপর ২২শে ফেব্রুয়ারি, আফগানিস্তানের তরফ থেকে দাবি করা হয়েছে, এই হামলা চালানো হয়েছে বসতি এলাকায়। যার ফলে নিরীহ মানুষদের মৃত্যু হয়েছে, যার মধ্যে বেশিরভাগই আবার মহিলা এবং শিশু। এর পাশাপাশি আফগানিস্তানের তালিবান প্রশাসন এই হামলা বরদাস্ত করবে না বলেও হুঁশিয়ারি দেয়।

    আর এরপর ২৫শে ফেব্রুয়ারি, কথা মতো কাজ করে দেখায় আফগানিস্থান সরকার। নিজেদের সরকারি এক্স হ্যান্ডলে আফাগনিস্তান দাবি করে, “পাকিস্তানে বিমানহামলা চালানো হয়েছে। সেই হামলায় অন্ততপক্ষে ৫০ পাক সেনা নিহত হয়েছেন। এই লড়াই থামবে না।“

    এরপর ২৬শে ফেব্রুয়ারি রাত থেকে ফের উত্তপ্ত হয়ে ওঠে আফগান-পাক সীমান্ত। গোলাগুলি থেকে শুরু করে আকাশপথে হামলা সবই চলতে থাকে জোর কদমে। আফগানিস্তানের তালিবান সরকারের মুখপাত্র জবিউল্লা মুজাহিদ বলেন, ‘‘আমাদের সেনারা নাইট ভিশন এবং লেজ়ার নিয়ন্ত্রিত অস্ত্র ব্যবহার করে হামলা চালিয়েছে। এ বার পাকিস্তানি ফৌজদের নরকে পাঠাব।’’ তার পরেই পাল্টা জবাব দেয় পাকিস্তানও।

    আফগানিস্থানের দাবি – এখনও পর্যন্ত পাকিস্তানের ৫৫ জন সেনার মৃত্যু হয়েছে। মার্কিন এফ-১৬ পাক যুদ্ধবিমান ধ্বংস করা হয়েছে।

    পাকিস্তানের দাবি – এখনও পর্যন্ত দুই পাক সেনার মৃত্যু হয়েছে। উল্টো দিকে মারা গিয়েছেন ৩৬ জন আফগান সেনা। যদিও যুদ্ধবিমান নিয়ে কোনও মন্তব্য করেনি পাকিস্তান।

    তবে, এই হামলা কি হঠাৎ করেই পাকিস্তান শুরু করল?

    না। এর পেছনে রয়েছে ৬ই ফেব্রুয়ারির একটি ঘটনা। যেদিন পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদের শেহজাদ টাউন এলাকার শিয়া টারলাই ইমামবাড়ার শিয়া মসজিদে আত্মঘাতী বিস্ফোরণ হয়। ওই বিস্ফোরণের ফলে মৃত্যু হয় প্রায় ৩১ জনের। এর পর ৭ই ফেব্রুয়ারি, খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশের বান্নু এলাকায় পাকিস্তানের এক সেনাকর্মী ও এক লেফটেন্যান্ট কর্নেল নিহত হন।

    এই নিয়ে পাকিস্তানের তরফ থেকে জানানো হয়, যে ভারতের মদতে আফগানিস্তানে বসে জঙ্গিরা পাকিস্তানে হামলার পরিকল্পনা করছে। সেই পরিকল্পনা বাস্তবায়িতও হচ্ছে ভারতের মদতে। আর এই সমস্ত জঙ্গিরা আফগানিস্থানের কাবুলে গিয়ে প্রশিক্ষণ নিয়ে আসছে। যদিও ভারতের তরফ থেকে দীর্ঘ দিন ধরে এই অভিযোগ অস্বীকার করা হচ্ছে। আর পাকিস্তানও নিজেদের বক্তব্যের পক্ষে কোনও প্রমাণও দেখাতে পারেনি।

    আর সেই হামলার প্রতিশোধ নিতেই এবার পাকিস্তান এই হামলা চালিয়েছে।

    আর পাকিস্তান আর আফগানিস্থানের এই যুদ্ধ দীর্ঘদিন ধরেই চলছে। ২০২৫ সালের অক্টোবর মাসে আফগানিস্থান এবং পাকিস্তান সীমান্তে টানা ১০ দিন সংঘর্ষ চলে, যার ফলে দুই দেশেই ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি এবং প্রাণহানি হয়। তবে, সেই সংঘর্ষে পাকিস্তানের প্রচুর সেনাবাহিনী মারা গেলেও, কিন্তু পাকিস্তানের আক্রমণে বেশিরভাগ প্রাণহানি হতে থাকে আফগানিস্থানের সাধারণ জনগণের।

    এরপর ২০২৫-এর অক্টোবরেই পাকিস্তান ফের হামলা করে আফগানিস্থানে। যার ফলে মারা যায় আফগানিস্থানের তিন ক্রিকেটার সহ ৫ জন সাধারণ নাগরিক।

    এরপর ওই বছরের নভেম্বর মাসে, ফের আফগানিস্থানের ওপর পাকিস্তানের তরফ থেকে বিমান হামলা করা হয় যার ফলে ১০ জন সাধারণ আফগান নাগরিকের মৃত্যু হয়।

    অর্থাৎ, এই কথাগুলো বলার আমাদের একটাই উদ্দেশ্য, আর সেটি হল – যতবার পাকিস্তানের তরফ থেকে আফগানিস্থানে হামলা করা হয়েছে মৃত্যু হয়েছে সাধারণ মানুষের! জঙ্গি মৃত্যুর প্রমাণ খুবই কম পাওয়া গিয়েছে।

    তবে, অনেক জিওপলিটিক্স বিশেষজ্ঞদের মতে, আমেরিকার বাগরাম এয়ারবেস পুন্রুদ্ধার করার জন্যই পাকিস্তানকে ব্যবহার করে আফগানিস্থানে এই হামলা চালানো হচ্ছে। যাতে আফগানিস্থান, আমেরিকার কথা মেনে নেয়।

    এবার আমরা আপনাদের জানাবো, পাকিস্তান এই জঙ্গি বলতে ঠিক কাদের কথা বোঝাতে চেয়েছে!

    আপনাদের জানিয়ে দিই, এখানে জঙ্গিঘাঁটি বলতে তেহরিক-ই-তালিবান পাকিস্তান অর্থাৎ টিটিপি-কে বোঝানো হয়েছে, যাদের ওপর আক্রমণ করা হয়েছে। এই জঙ্গি গোষ্ঠী আদতে পাকিস্তানের হলেও, আদর্শগতভাবে এরা তালিবানপন্থী, এবং এরা পাকিস্তান রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে লড়াই করে। আর মজার বিষয় কি জানেন? যে পাকিস্তান একসময় জঙ্গি গোষ্ঠীগুলোকে কৌশলগত সম্পদ ভাবত, আজ তারাই পাকিস্তানের ভিতরে আগুন ধরাচ্ছে।

    কিন্তু এই তেহরিক-ই-তালিবান পাকিস্তান গোষ্ঠী কারা এবং পাকিস্তানের গোষ্ঠী হওয়া সত্ত্বেও এদের সাথে পাকিস্তানের কিসের শত্রুতা, এই সবকিছু নিয়ে আমাদের চ্যানেলে একটি বিস্তারিত ভিডিও রয়েছে। আপনি আই বাটনে ক্লিক করে দেখে নিতে পারেন সেই ডিকোড ভিডিওটি।

    এবার জানবো বারবার কেন ভারতকে এর মধ্যে টানা হচ্ছে? ভারত কি সত্যিই এই যুদ্ধে নাক গলাবে?

    দিনটা ১৩ই নভেম্বর, ২০২৫। পাকিস্তানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী খাজা আসিফ, পাকিস্তানের হামলার জন্য আফগানিস্থানের পাশাপাশি ভারতকে তো দায়ী করেই, উল্টে দুজনের সাথেই একসাথে লড়ার হুমকি দেয়। জানিয়ে দেয়, পাকিস্তান তৈরি কাবুল এবং নিউ দিল্লির সাথে লড়ার জন্য। সাথে এও বলে, ভারতের সাথে যুদ্ধ সম্ভব।

    কিন্তু, এর কারণটা কি?

    এর কারণ ভারত আর আফগানিস্থানের সম্পর্ক। আফগানিস্থান ও ভারতের মধ্যে ভালো সম্পর্ক রয়েছে। এমনকি তাদের মধ্যে বন্ধুত্বের শিকড় আমরা লক্ষ্য করেছিলাম জখন ২০২৫ সালে আফগানিস্থানের বিদশ মন্ত্রী আমির মুত্তাকি ভারত সফরে এসেছিলেন। আমাদের চ্যানেলে ভারত ও তালেবানদের সম্পর্ক নিয়ে একটি বিস্তারিত ভিডিও রয়েছে। আপনি আই বাটনে ক্লিক করে দেখে নিতে পারেন সেই ডিকোড ভিডিওটি।

    তো এই সম্পর্কের জন্যই পাকিস্তান ভেবে নিয়েছে, হয়তো আফগানিস্থানে হামলা করলে, ভারত পাকিস্তানের ওপর হামলা করতে পারে। তাই পাকিস্তান আগে থেকেই এই সিগন্যাল দেয় ভারতকে।

    তবে, একটা বিষয় পরিষ্কার – ভারত কিন্তু আফগানিস্থান এবং পাকিস্তানের এই ঝামেলার মধ্যে নাক গলাবে না। তবেও ভারত কিন্তু চুপ করেও নেই। পাকিস্তানের তরফ থেকে আফগানিস্থানে যে হামলা করা হয়েছে তার কড়া নিন্দা জানিয়েছে ভারত।

    ২২শে ফেব্রুয়ারি, ভারতের বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল পাকিস্তানের এই পদক্ষেপের সমালোচনা করে বলেন, ‘‘পবিত্র রমজান মাসে আফগান-ভূখণ্ডে পাকিস্তানের বিমান হামলার তীব্র নিন্দা জানাচ্ছে ভারত। এই হামলার ফলে মহিলা ও শিশু-সহ বহু প্রাণহানি হয়েছে। এই ঘটনায় গভীর ভাবে শোকাহত ভারত।” তিনি আরও লেখেন, “এই ঘটনাটি পাকিস্তান সরকারের ব্যর্থতাকে ফের প্রকাশ্যে এনেছে।” রণধীর জানান, আফগানিস্তানের পাশে আছে ভারত।

    তবে ভারত হাতে না মারলেও একরকমভাবে জলে মেরে দিয়েছে পাকিস্তানকে।

    একদিকে ইতিমধ্যেই স্থগিত রয়েছে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে হওয়া Indus Waters Treaty।

    এবার অন্যদিকে পাকিস্তানে প্রবাহিত হওয়া বন্ধ হয়ে যাবে রবি নদীর উদ্বৃত্ত জল। কারণ, পাঞ্জাব–জম্মু ও কাশ্মীর সীমান্তে শাহপুর কান্ডি বাঁধ প্রকল্পের কাজ দ্রুতগতিতে হচ্ছে। আর সেই বাঁধ চালু হলে রবি নদীর উদ্বৃত্ত জল পাকিস্তানে প্রবাহিত হওয়া বন্ধ করা সম্ভব হবে বলে জানিয়েছেন, জম্মু ও কাশ্মীরের মন্ত্রী জাভেদ আহমেদ রানা।

    একই সঙ্গে ভারত চেনাব নদীর উপর একাধিক জলবিদ্যুৎ প্রকল্প দ্রুত সম্পন্ন করার কাজ এগিয়ে নিচ্ছে, যা ২০২৭–২৮ সালের মধ্যে শেষ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

    অর্থাৎ, ভারত সরাসরি লড়াইতে না নামলেও, আড়ালে যে পাকিস্তানের ওপর সারজিক্যাল স্ট্রাইক করে যাচ্ছে সে কথা কিন্তু বলাই বাহুল্য।

    ফলত, ফের একবার উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে আফগানিস্থান – পাকিস্তান সীমান্ত! কী মনে হয়ে এর শেষ কোথায় গিয়ে হবে? কী হবে এর ভবিষ্যৎ? পাকিস্তান কি সত্যিই ধ্বংসের দিকে এগোচ্ছে?
    নাকি এটা আরও বড় যুদ্ধের প্রস্তুতি? আফগানিস্তান–পাকিস্তান সীমান্তে কি পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধ হবে?
    ভারত কি শেষ পর্যন্ত নিরপেক্ষ থাকবে? জানাতে ভুলবেন না আপনার মতামত কমেন্ট করে।