Tag: Pakistan

  • পাকিস্তানে গুপ্তচরবৃত্তির জন্য গ্রেফতার ভারতীয় বায়ুসেনার এক বেসামরিক কর্মী

    পাকিস্তানে গুপ্তচরবৃত্তির জন্য গ্রেফতার ভারতীয় বায়ুসেনার এক বেসামরিক কর্মী

    সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: ভারতের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার ক্ষেত্রে বিরাট সাফল্য পেল রাজস্থান পুলিশ। অসমের চাবুয়া বায়ুসেনা ঘাঁটির এক বেসামরিক কর্মীকে (Indian Air Force Staff) এবার গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগ গ্রেফতার করা হল। অভিযোগ উঠছে, ওই ব্যক্তি ভারতীয় বায়ুসেনার সংবেদনশীল আর গোপনীয় তথ্য পাকিস্তানের (Pakistan) গোয়েন্দা সংস্থাগুলির সঙ্গে প্রচার করছিলেন, যা দেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার ক্ষেত্রে বিরাট হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারত।

    এএনআই-এর রিপোর্ট অনুযায়ী, রাজস্থান পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের অতিরিক্ত মহাপরিচালক প্রফুল্ল কুমারের বক্তব্য, ঘটনার সূত্রপাত হয় গত জানুয়ারি মাসে। জয়সলমের বাসিন্দা ঝাবরারাম এক ব্যক্তিকে গ্রেফতারের পর জেরা চলাকালীন সুমিত কুমার নামের ওই অভিযুক্তের নাম সামনে আসে। তাঁর আনুমানিক বয়স ৩৬ বছর। তদন্তে জানা যায়, সমিক নিয়মিত পাকিস্তানের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছিলেন এবং দেশের সমস্ত তথ্য শেয়ার করছিলেন।

    কে এই অভিযুক্ত এবং কী তাঁর পরিচয়?

    রিপোর্ট অনুযায়ী জানা যাচ্ছে, সুমিত কুমার অসময়ের ডিব্রুগড় জেলার চাবুয়া বায়ুসেনা ঘাঁটিতে মাল্টি টাস্কিং স্টাফ হিসেবে কর্মরত ছিলেন। নিজের পদের অপব্যবহার করেই তিনি যে সমস্ত তথ্য পাচার করেছেন তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল যুদ্ধবিমানের অবস্থান। হ্যাঁ, চাবুয়া এবং বিকানেরের নাল এয়ারবেসে মোতায়েন থাকা যুদ্ধবিমান সংক্রান্ত তথ্য তিনি গুপ্তচরীর মাধ্যমে শেয়ার করেছেন। এমনকি ভারতের মিসাইল সিস্টেমের গোপনীয় অবস্থান ও ডেটা, আর বায়ুসেনার উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের নাম, পরিচয় এবং অন্যান্য ব্যক্তিগত ছবি পাকিস্তানি জঙ্গি সংগঠনের কাছে পাঠিয়েছিলেন তিনি। আর তদন্তে আরও জানা যায়, সুমিত নিজের নামে রেজিস্টার্ড মোবাইল নম্বর ব্যবহার করেই পাকিস্তানী হ্যান্ডলারদের সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট তৈরি করতে সাহায্য করেছিলেন।

    আরও পড়ুন: পেনশন পাওয়া আরও সহজ, GISS সমস্যা মেটাতে নয়া মেমোরেন্ডাম জারি নবান্নর

    সূত্রের খবর, দিল্লির বায়ুসেনা, গোয়েন্দা বিভাগ এবং রাজস্থানের ইন্টেলিজেন্সের একটি দল যৌথ অভিযান চালিয়ে সুমিতকে চাবুয়া থেকে আটক করে জয়পুরে নিয়ে আসে। আর সেখানে বিভিন্ন কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার জেরা চলাকালীন সুমিত স্বীকার করে নেন যে, ২০২৩ সাল থেকেই তিনি অর্থের বিনিময়ে পাকিস্তানের হয়ে এরকম গুপ্তচরবৃত্তি কাজ করছিলেন। রবিবার অর্থাৎ ২২ মার্চ জয়পুরের বিশেষ পুলিশ স্টেশন সুমিত কুমারের বিরুদ্ধে অফিশিয়াল সিক্রেট অ্যাক্ট ১৯২৩ এবং ভারতীয় ন্যয় সংহিতার ২০২৩ এর বিভিন্ন ধারায় মামলা দায়ের করে গ্রেফতার করা হয়েছে। আর রাজস্থান পুলিশের স্পষ্ট দাবি, এই গ্রেফতারের ফলে পাকিস্তান সমর্থিত একটি বড় স্পাই নেটওয়ার্কের মুখোশ খুলে দেওয়া সম্ভব হয়েছে।

  • মেরেকেটে ৫ দিনের LPG, ৭ দিনের তেল বেঁচে! জ্বালানির দাম ২০০% বাড়াল পাকিস্তান

    মেরেকেটে ৫ দিনের LPG, ৭ দিনের তেল বেঁচে! জ্বালানির দাম ২০০% বাড়াল পাকিস্তান

    সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যে পড়ে একেবারে দেউলিয়া হওয়ার পথে প্রতিবেশী দেশ পাকিস্তান (Pakistan Fuel Crisis)। একদিকে ইরান-ইজরায়েলের সংঘাতের (Iran-Israel War)  কারণে হরমুজ প্রণালীতে জাহাজ আটকে রয়েছে, অন্যদিকে খাদের কিনারায় দাঁড়িয়ে থাকা পাকিস্তানের অর্থনীতি জ্বালানির অভাবে সম্পূর্ণরূপে ধুকছে। আর পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার জন্য দেশের সরকার হাই অক্টেন তেলের দাম এক ধাক্কায় প্রতি লিটারে ২০০ টাকা পর্যন্ত বাড়িয়েছে। এক কথায় মধ্যবিত্তদের রাতের ঘুম উড়ে গিয়েছে সন্ত্রাসের দেশে।

    জ্বালানির বাজারে রেকর্ড মূল্যবৃদ্ধি

    প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরীফের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সম্প্রতি এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে জ্বালানির দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সেই অনুযায়ী, বিলাসবহুল গাড়িতে ব্যবহৃত তেলের দাম ১০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে এবার সরাসরি ৩০০ টাকা করা হয়েছে। অর্থাৎ প্রতি লিটারে ২০০ টাকা দাম বেড়েছে, যা শতাংশের হিসেবে প্রায় ২০০%। অন্যদিকে পেট্রোল-ডিজেলের দাম অনেকটাই ঊর্ধ্বগতিতে ঠেকেছে। এর আগেই সাধারণ পেট্রোলের দাম লিটার প্রতি ৫৫ টাকা বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে, যা এখন দাঁড়িয়েছে ৩২১.১৭ টাকা প্রতি লিটার। আর ডিজেলের ৩৩৫.৮৬ টাকা প্রতি লিটার।

    এদিকে পাকিস্তানের পেট্রোলিয়াম সচিবের দেওয়া একটি তথ্য অনুযায়ী, দেশের জ্বালানি ভান্ডার এখন সম্পূর্ণ তলানিতে। যদি নতুন করে সরবরাহ না আসে, তাহলে পাকিস্তান বড়জোর আর হাতেগোনা কয়েকটা দিন চালাতে পারে। জানা যাচ্ছে, যে পরিমাণ এলপিজি মজুদ রয়েছে তা মাত্র ৫ দিনের মধ্যেই শেষ হবে। আর মজুদ অপরিশোধিত তেল আগামী ৭ দিন পর্যন্ত চলবে এবং জেট ফুয়েল অর্থাৎ বিমানের জ্বালানি ১০ দিনের জন্য মজুদ রয়েছে। আর পেট্রোল মজুদ রয়েছে ২০ থেকে ২২ দিনের মতো এবং ডিজেল মজুদ রয়েছে আনুমানিক ১৭ দিনের মতো। সেই কারণে জ্বালানি ফুরিয়ে আসার জেরে দেশজুড়ে বিদ্যুৎ বিভ্রাট বা ব্ল্যাকআউটের আতঙ্কও দেখা যাচ্ছে।

    আরও পড়ুন: ভারতীয় রুপিতে ভারী পতন, সোমবার ডলারের বিপরীতে নতুন রেকর্ড গড়ল টাকা

    আকাশছোঁয়া বিমানের ভাড়া

    অন্যদিকে তেলের দাম বাড়ার কারণে সরাসরি প্রভাব পড়েছে বিমান পরিষেবার উপরেও। গত ১০ মার্চ থেকে পাকিস্তানের ভিতরে ফ্লাইটের টিকিটের দাম ২৮০০ থেকে ৫০০০ টাকা পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। আর আন্তর্জাতিক রুট বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্য বা মধ্য এশিয়ার দেশগুলোতে যাওয়ার খরচ এবার ১০ হাজার টাকা থেকে ২৮ হাজার টাকা পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। পাশাপাশি জ্বালানি সাশ্রয় করতে পাকিস্তান সরকার ইতিমধ্যে জরুরি অবস্থা জারি করেছে। অধিকাংশ সরকার এবং বেসরকারি অফিস বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে আর ওয়ার্ক ফ্রম হোম বা বাড়িতে থেকে কাজ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এমনকি স্কুল, কলেজ বন্ধ করা হয়েছে। আর সবথেকে বড় ব্যাপার, ঈদের ছুটির বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে যাতে রাস্তায় গাড়ি চলাচল কমিয়ে তেলের খরচ বাঁচানো যায়। এমনকি সম্প্রতি শুরু হতে চলা পাকিস্তান সুপার লিগে দর্শক ছাড়াই খেলা চলবে আর স্টেডিয়াম সংখ্যা কমানো হয়েছে।

  • ‘আমেরিকা পাকিস্তানে হামলা করলে দিল্লি-মুম্বাই উড়িয়ে দেব!’ উদ্ভট দাবি প্রাক্তন পাক রাষ্ট্রদূতের

    ‘আমেরিকা পাকিস্তানে হামলা করলে দিল্লি-মুম্বাই উড়িয়ে দেব!’ উদ্ভট দাবি প্রাক্তন পাক রাষ্ট্রদূতের

    সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: ভারত আর পাকিস্তানের কূটনৈতিক সম্পর্কের টানাপোড়েনের মাঝেই এবার উদ্ভট মন্তব্য করে বসলেন ভারতে নিযুক্ত পাকিস্তানের প্রাক্তন হাই কমিশনার আব্দুল বাসিত (Abdul Basit)। এক ভাইরাল ভিডিওতে তাঁকে সরাসরি ভারতের দিল্লি এবং মুম্বাইয়ের মতো মেট্রো শহরগুলিতে সামরিক হামলা চালানোর হুঁশিয়ারি দিতে দেখা গেল (Pakistan on India)। তাঁর দাবি, যদি কখনো আমেরিকা বা ইজরায়েল পাকিস্তানের উপর আক্রমণ করে, তাহলে বদলা নিতে ভারতকেই লক্ষ্যবস্তু করা উচিত।

    ভারতকে লক্ষ্যবস্তু পাকিস্তানের

    প্রসঙ্গত, ২০১৪ থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত দিল্লিতে পাকিস্তানের রাস্ট্রদূত হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন আবদুল বাসিত। তবে সম্প্রতি এক লাইভ অনুষ্ঠানে এই বিতর্কিত মন্তব্য করে বসলেন তিনি। তাঁর মতে, আমেরিকা বা ইজরায়েলের মতো দূরবর্তী শত্রুদের সরাসরি আঘাত করার ক্ষমতা যদি না থাকে, তাহলে পাকিস্তানের উচিত তাদের কাছে থাকা ভারতকেই টার্গেট বা লক্ষ্যবস্তু বানানো। ভিডিওতে তাঁকে সরাসরি বলতে শোনা যায়, “আমাদের জন্য কোনও রুট ভালো হবে? ভারত।” তিনি আরও যোগ করেছেন, মূল আক্রমণকারীদের নাগাল না পেলেও ভারতের উপর হামলা করার পরিকল্পনা কখনো ত্যাগ করা উচিত নয়।

    এদিকে ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থাগুলির মতে, বাসিদের এই মন্তব্য কোনও আকস্মিক ঘটনা নয়,  বরং এটি পাকিস্তানের উচ্চশিক্ষিত অভিজাত শ্রেণি এবং সেনাশাসিত ব্যবস্থার জিহাদী মানসিকতার বহিঃপ্রকাশ। গোয়েন্দা সূত্রে খবর, একজন প্রাক্তন উচ্চপদস্থ কূটনৈতিক নেতা যখন এরকম কথা বলেন তখন বুঝতে হবে যে, এটি পাক সামরিক চিন্তাধারারই অংশ। আর দিল্লি এবং মুম্বাইয়ের নাম সুনির্দিষ্ট ভাবে উল্লেখ করে বাসিদ আসলে ২৬/১১ এর মতো ভয়াবহ জঙ্গি হামলার ঘটনার স্মৃতিকেই উস্কে দিতে চাইছেন বলেই মনে করা হচ্ছে।

    আরও পড়ুন: পবিত্র করকে প্রার্থী করে চমক দিয়েছিল তৃণমূল, এবার নন্দীগ্রামে আরও বড় কাণ্ড ঘটালেন শুভেন্দু!

    বেশ কিছু বিশ্লেষকদের মতে, বাসিদ কৌশলে ভারতকে পশ্চিমী দেশগুলির সামরিক পদক্ষেপের সঙ্গে জুড়ে দেওয়ার চেষ্টা করছেন। এমনকি তিনি বোঝাতে চাইছেন যে, বিশ্বজুড়ে মুসলিম দেশগুলোর উপর কোনও আক্রমণ হলে পাকিস্তান তার শোধ ভারতের উপরেই তুলবে। এটি মূলত দক্ষিণ এশিয়ার শান্ত পরিস্থিতিকে আরও অশান্ত করার প্রচেষ্টা। এদিকে ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থাগুলি বাসিদের এহেন মন্তব্যকে হুমকির অংশ হিসেবেই দেখছে। আর শিক্ষিত আর হাই প্রোফাইল ব্যক্তিত্বদের নিয়ে এই ধরনের উগ্র মন্তব্য যে সাধারণ মানুষকে ছায়াযুদ্ধের জন্য প্রস্তুত করানো হচ্ছে তা বলার অপেক্ষা রাখে না।

  • ঈদের নামাজ শেষে পাকিস্তানে কুপিয়ে খুন লস্কর কমান্ডারকে! কে এই বিলাল আরিফ সালাফি?

    ঈদের নামাজ শেষে পাকিস্তানে কুপিয়ে খুন লস্কর কমান্ডারকে! কে এই বিলাল আরিফ সালাফি?

    সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: ঈদের নামাজের পরেই খতম লস্কর কমান্ডার! হ্যাঁ, লস্কর-ই-তৈবার (Lashkar-e-Taiba) খাসতালুক পাকিস্তানের মুরিদকেতে আবারও চাঞ্চল্যকর হত্যাকাণ্ড। শনিবার ঈদুল ফিতরের নামাজ শেষ হওয়ার ঠিক পরেই অজ্ঞাত পরিচয়ের আততায়ীদের হাতে প্রাণ হারিয়েছেন লস্কর কমান্ডার বিলাল আরিফ সালাফি। জানা যাচ্ছে, প্রকাশ্য দিবালোকে এই হামলার ধরন দেখে অনেকেই একে গত বছরের অপারেশন সিঁদুরের সেই ধুরন্ধর স্টাইলের সঙ্গে তুলনা করছেন। কিন্তু কে ছিল এই বিলাল আরিফ সালাফি (Bilal Arif Salafi)?

    প্রকাশ্যে আততায়ীদের হাতে খুন লস্কর কমান্ডার

    News24 এর এক রিপোর্ট অনুযায়ী জানা যাচ্ছে, ঘটনাটি ঘটেছে লস্কর-ই-তৈবার প্রধান সদর দফতর মারকাজ তৈবা চত্বরে। প্রত্যক্ষদর্শীদের বয়ান অনুযায়ী, ঈদের নামাজ শেষ করে সালাফি যখন বের হচ্ছিলেন, ঠিক তখনই তাঁর উপর অজ্ঞাত পরিচয়ের একদল বন্দুকধারী চড়াও হয়। প্রথমে তাঁকে লক্ষ্য করে এলোপাথাড়ি গুলি চালানো হয় এবং পরে মৃত্যু নিশ্চিত করার জন্য একাধিকবার ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোপানো হয়। জনসমক্ষে নৃশংস এই হামলার জেরে গোটা এলাকায় যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে তা বলার অপেক্ষা রাখে না। আর ঘটনাস্থলেই ওই লস্কর নেতার মৃত্যু হয়।

    কে এই বিলাল আরিফ সালাফি?

    নিরাপত্তা সংস্থাগুলির দেওয়া বেশ কিছু তথ্য অনুযায়ী, বিলাল আরিফ সালাফি লস্কর-ই-তৈবার রিক্রুটমেন্ট নেটওয়ার্কের প্রধান স্তম্ভ। তাঁর প্রধান কাজগুলির মধ্যে ছিল তরুণদের মগজ ধোলাই করে জঙ্গি সংগঠনে যোগ দেওয়ার জন্য উৎসাহিত করে তোলা, নতুন সদস্যদের প্রশিক্ষণ দেওয়া আর তথাকথিত কাশ্মীর জিহাদের নামে উস্কানি দেওয়া। এমনকি মুরিদকে কেন্দ্র করে লস্করের জন্য নতুন বাহিনী তৈরি করার গুরুদায়িত্ব ছিল এই সালাফির উপরেই।

    আরও পড়ুন: পার্ক সার্কাস নয়, শিয়ালদা ডিভিশনের সবথেকে নোংরা স্টেশন কোনটি জানলে অবাক হবেন

    এদিকে সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া বেশ কিছু ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে যে, রক্তাক্ত অবস্থায় সালাফি মাটিতে পড়ে রয়েছেন। আর তাঁর পোশাক ছিঁড়ে গিয়েছে এবং চারপাশের মানুষদের ভিড় ও আতঙ্কের পরিবেশ। কিন্তু এই ভিডিওর সত্যতা যাচাই করা হয়নি ইন্ডিয়া হুডের তরফ থেকে। যদিও লস্করের খাস মহলে ঢুকে এইভাবে একজন কমান্ডারকে খতম করার ঘটনাটি নিয়েও যে তীব্র উদ্বেগ ছড়িয়েছে তা বলার অপেক্ষা রাখে না। অনেকেই একে ভারতীয় সশস্ত্র বাহিনীর চালানো ঐতিহাসিক অপারেশন সিঁদুরের ধুরন্ধর স্টাইলের সঙ্গেই তুলনা করছে। কারণ, অপারেশন সিঁদুরে ভারতের লক্ষ্য ছিল লস্করের এই প্রধান ঘাঁটি।

  • ভারতে তো ৯৩৯, পাকিস্তানে LPG-র দাম কত জানেন? শুনলে আঁতকে উঠবেন

    ভারতে তো ৯৩৯, পাকিস্তানে LPG-র দাম কত জানেন? শুনলে আঁতকে উঠবেন

    সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে এমনিতেই দেশে জ্বালানি সংকট (LPG Crisis)। ভারতে ডোমেস্টিক গ্যাস সিলিন্ডারের দাম ইতিমধ্যেই ৬০ টাকা বাড়ানো হয়েছে। আর বাণিজ্যিক সিলিন্ডার তো পাওয়া যাচ্ছে না বললেই চলে। পাশাপাশি ডোমেস্টিক সিলিন্ডারেরও আকাল পড়েছে। সাধারণত ভারতের বেশিরভাগ শহরেই ৯১২ টাকা থেকে ১০০০ টাকার মধ্যে মিলছে গৃহস্থলীর গ্যাস সিলিন্ডার। তবে এবার প্রশ্ন উঠছে, আর্থিক দুর্দশায় জড়িত সন্ত্রাসের দেশ পাকিস্তানে গ্যাস সিলিন্ডারের দাম কত (Pakistan LPG Price)? সেখানকার মানুষকে ঠিক কীরকম অসুবিধার সম্মুখীন হতে হচ্ছে? জানুন।

    পাকিস্তানে গ্যাসের দাম কত?

    বেশ কয়েকটি রিপোর্ট অনুযায়ী জানা যাচ্ছে, পাকিস্তানে একটি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ভারতের থেকে অনেকটাই বেশি এবং তা প্রায়শই ওঠানামা করে। মার্চ মাসের রিপোর্ট অনুযায়ী, একটি ১১.৮ কেজি গার্হস্থ্য সিলিন্ডার পড়ছে প্রায় ২৬৬৪.৮৮ পাকিস্তানি রুপি যা ভারতীয় মুদ্রায় আনুমানিক ৮৮৮ টাকা। তবে ভারতের বাজারে গৃহস্থলীর গ্যাস সিলিন্ডারের ওজন ১৪.২ কেজি। যেটি পাওয়া যাচ্ছে ৯১২ টাকা থেকে ১০০০ টাকার মধ্যে। সেক্ষেত্রে পাকিস্তানের গ্যাস সিলিন্ডার ভারতে আনুমানিক দাম ৮০০ টাকার মধ্যে। যদিও আগে সিলিন্ডারের দাম ছিল ২৬৬৭.৪০ পাকিস্তানি রুপি।

    কী কারণে পাকিস্তানে গ্যাসের দামের ঊর্ধ্বগতি?

    প্রসঙ্গত, সন্ত্রাসের দেশ পাকিস্তানে গ্যাসের দামের এই ঊর্ধ্বগতির পেছনে বেশ কয়েকটি কারণ কাজ করছে। প্রথমত, পাকিস্তান তার এলপিজি সরবরাহের সিংহভাগই বিদেশ থেকে আমদানি করে থাকে। সেই কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে দাম বৃদ্ধি পেলে দেশের বাজারেও দাম বাড়ে। আর যেহেতু এখন পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধ পরিস্থিতিতে হরমুজ প্রণালী দিয়ে গ্যাসবাহী জাহাজগুলি আসতে পারছে না, সেই কারণে সম্প্রতি আরও দাম বেড়েছে। দ্বিতীয়ত, গ্যাসের দামের সঙ্গে উৎপাদন খরচ, পরিবহন, বিপণন ব্যয় আর ১৮% জিএসটি যুক্ত হচ্ছে, যা দামকে আরও বাড়িয়ে তুলছে।

    আরও পড়ুন: জাহান্নামে যাবে! রেড রোডে ঈদের মঞ্চে মোদিকে ‘অনুপ্রবেশকারী’ তকমা মমতার

    আর সবথেকে বড় ব্যাপার, পাকিস্তানি রুপি বর্তমানে মার্কিন ডলারের বিপরীতে অনেকটাই দুর্বল। আর ডলারের মূল্যবৃদ্ধি গ্যাসের দাম বাড়ায়। এক কথায়, আর্থিক দুর্দশায় জর্জরিত পাকিস্তানে প্রতিনিয়িত গ্যাসের দাম ব্যাপকভাবে ওঠানামা করে, যা সাধারণ মানুষের বাজেটের উপর প্রভাব ফেলে। বিশেষ করে গ্যাসের ঊর্ধ্বগতি দরিদ্র এবং মধ্যবিত্ত শ্রেণীর মানুষের উপর আরও চাপ সৃষ্টি করে। আর অনেকেই সেই কারণে কাঠ বা কয়লাতে রান্না করে থাকে। সবথেকে বড় ব্যাপার, পাকিস্তানে গ্যাসের জন্য কোনও রকম ভর্তুকিও মেলেনা সরকারের তরফ থেকে। সেই কারণেই আরও বাড়তি চাপ।

  • সন্ত্রাসী কার্যকলাপে শীর্ষে পাকিস্তান! ভারত, বাংলাদেশ কোথায়? প্রকাশ্যে রিপোর্ট

    সন্ত্রাসী কার্যকলাপে শীর্ষে পাকিস্তান! ভারত, বাংলাদেশ কোথায়? প্রকাশ্যে রিপোর্ট

    সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: সন্ত্রাসের দেশের কথা উঠতেই প্রথমে কোন দেশটির কথা মাথায় আসে? নিশ্চয়ই পাকিস্তান (Pakistan)! হ্যাঁ, প্রতিবেশী পাকিস্তানের বর্তমান পরিস্থিতি এই তকমাকে যেন আরও সত্যি করল। সম্প্রতি ‘ইনস্টিটিউট ফর ইকনোমিক অ্যান্ড পিস’ গ্লোবাল টেরোরিজম ইনডেক্স ২০২৬ (Global Terrorism Index 2026) এর রিপোর্ট প্রকাশ করেছে। আর সেখানেই উঠে এসেছে চাঞ্চল্যকর তথ্য। জানা যাচ্ছে, সারা বিশ্বের মধ্যে সন্ত্রাসবাদের প্রভাবে সবথেকে ক্ষতিগ্রস্ত দেশের তালিকায় শীর্ষস্থান দখল করে রেখেছে পাকিস্তান। কিন্তু সেই তালিকায় ভারত, বাংলাদেশের অবস্থান কোথায়? জানুন।

    রেকর্ড ভাঙা সন্ত্রাসবাদ পাকিস্তানে

    প্রকাশিত রিপোর্ট অনুযায়ী, গত এক দশকের মধ্যে ২০২৫ সালটা ছিল পাকিস্তানের ইতিহাসের সবথেকে রক্তক্ষয়ী বছর। কারণ, পশ্চিম এশিয়ার বুরকিনা ফাসোকে পেছনে ফেলে পাকিস্তান এখন বিশ্বের এক নম্বর সন্ত্রাসবাদী দেশ। পরিসংখ্যানে দেখা যাচ্ছে, ২০২৫ সালে পাকিস্তানে মোট ১০৪৫টি জঙ্গি হামলার ঘটনা ঘটেছে। আর সেক্ষেত্রে মোট ১১৩৯ জনের প্রাণহানি হয়েছে। সবথেকে বড় ব্যাপার, ২০২০ সালের তুলনায় ২০২৫ সালে পাকিস্তানের জঙ্গি তৎপরতা প্রায় ৬ গুণ বেড়েছে। আর এই পরিস্থিতির জন্য দায়ী করা হচ্ছে তেহরিক-ই-তালিবান পাকিস্তানকে। তাদের হামলা এক বছরে প্রায় ২৪ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। পাশাপাশি বালুচ লিবারেশন আর্মিও পাকিস্তানে যথেষ্ট সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপ বিস্তার করেছে, যা এই রেকর্ডকে আরও বাড়িয়েছে।

    তবে হ্যাঁ, পাকিস্তানের ঠিক বিপরীত চিত্র ভারতে। কারণ, ওই রিপোর্টে ভারতের অবস্থান বর্তমানে ১৩ নম্বরে এবং ভারতের স্কোর ৬.৪২৮। রিপোর্টে ভারতের ভূয়সী প্রশংসা করা হচ্ছে। জানা যাচ্ছে, ২০২৫ সালে ভারতে সন্ত্রাসবাদের ঘটনা আগের বছরের তুলনায় প্রায় ৪৩ শতাংশ তলানিতে ঠেকেছে। আর গত এক দশকে ভারতের অভ্যন্তরে নিরাপত্তা ব্যবস্থা এতটাই শক্তিশালী করা হয়েছে যে, বড়সড় কোনও নাশকতামূলক চক্র বিস্তার লাভ করতে পারেনি। এমনকি রিপোর্টে দক্ষিণ এশিয়ার অন্যান্য দেশগুলির সন্ত্রাস মোকাবিলার চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। সেক্ষেত্রে বাংলাদেশে ২০২৫ সালে সন্ত্রাসবাদী হামলার ঘটনা ১০০ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে। আর নেপালে গত তিন বছরে কোনও রকম বড় জঙ্গি হামলার খবর পাওয়া যায়নি। পাশাপাশি আফগানিস্তানের তালিবান ক্ষমতায় আসার পর সেখানে হামলার সংখ্যা অনেকটাই কমেছে। বিশ্ব র‍্যাকিং-এ আফগানিস্তান এখন ১১ নম্বরে।

    আরও পড়ুন: লিটারে ২ টাকা বাড়ল পেট্রোলের দাম! আজ থেকেই কার্যকর নয়া রেট

    তবে ওই রিপোর্টে সতর্ক করা হয়েছে যে, পাকিস্তান এবং আফগানিস্তানের সীমান্তে যে চলমান সামরিক উত্তেজনা, তার জন্য বহু মানুষ বাস্তুচ্যুত হতে পারেন। আর সীমান্ত নিরাপত্তা এবং টিটিপির মতো সংগঠনের বিস্তার রোধ না করতে পারলে দক্ষিণ এশিয়ায় এই পরিস্থিতি আগামী দিনে ভয়াবহ রূপ নিতে পারে। সেক্ষেত্রে পাকিস্তান আর আফগানিস্তানের সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপ আরও বাড়তে পারে বলেই অনুমান করা হচ্ছে।

  • তেল সঙ্কটের জের! পাকিস্তান দিবসে সামরিক কুচকাওয়াজ করবে না শেহবাজ সরকার

    তেল সঙ্কটের জের! পাকিস্তান দিবসে সামরিক কুচকাওয়াজ করবে না শেহবাজ সরকার

    বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: পশ্চিম এশিয়ায় অশান্তি ক্রমশ বেড়েই চলেছে। এর জেরে জ্বালানি সংকটে ভুগছে বিশ্বের বহু দেশ। সেই তালিকায় একেবারে প্রথম দিকে নাম রয়েছে পাকিস্তানের (Pakistan)। ইরান যুদ্ধের কারণে রান্নার গ্যাস, তেলের সংকট দেখা দিয়েছে সে দেশে। ঠিক সেই পরিস্থিতিতে 23 মার্চ, পাকিস্তান দিবসের দিন সামরিক কুচকাওয়াজ (Pakistan Day Military Parade) কর্মসূচি বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিল শেহবাজ শরীফের সরকার। সেই মর্মেই বিবৃতি জারি করেছে ইসলামাবাদ।

    বিবৃতি জারি করে কী জানাল পাকিস্তান সরকার?

    প্রত্যেক বছর 23 মার্চ মুসলিম লিগের মুসলিমদের জন্য আলাদা দেশ গঠনের প্রস্তাবকে স্মরণ করে দিনটিকে পাকিস্তান দিবস হিসেবে পালন করা হয় পশ্চিমের দেশে। এই দিনই আয়োজন করা হয় সামরিক কুচকাওয়াজের। তবে এবছর সেই পরিস্থিতি নেই পাকিস্তানে। মঙ্গলবার বিবৃতি জারি করে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরের তরফে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধের পরিস্থিতিতে খরচ কমানোর পথে হাঁটছে দেশ। তাই দেশের বিভিন্ন জায়গায় পতাকা উত্তোলন কর্মসূচি চললেও সামরিক কুচকাওয়াজ আপাতত বন্ধ রাখা হচ্ছে।

    বলাই বাহুল্য, পশ্চিম এশিয়ায় সংঘাত তীব্রতর হলে হরমুজ প্রণালী বন্ধ করে দেয় ইরান। পরবর্তীতে তেহরানের তরফে জানানো হয় ইরানের অনুমতি ছাড়া এই প্রণালী দিয়ে যাতায়াতের চেষ্টা করলে জাহাজে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হবে। আর এমন ঘটনার পরই হরমুজে আটকে যায় একের পর এক জাহাজ। সেই তালিকায় ছিল পাকিস্তানের জাহাজও। এর ফলে সে দেশে দেখা যায় জ্বালানির তীব্র সংকট। সে কারণেই কঠিন সময় জ্বালানি বাঁচাতে সামরিক কুচকাওয়াজ না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে পাক সরকার।

     

    অবশ্যই পড়ুন: জোয়ার আসবে বাণিজ্য থেকে পর্যটন শিল্পে! বাংলার নতুন রেলপথ নিয়ে বড় সুখবর

    উল্লেখ্য, তেল আমদানির জন্য পুরোপুরি পশ্চিম এশিয়ার উপর নির্ভরশীল পাকিস্তান। এখানকার দেশগুলি থেকেই তেল আমদানি করে থাকে ইসলামাবাদ। গত 15 মার্চ ইরানের অনুমতি পাওয়ার পরেই পাকিস্তানের একটি তেলবাহী জাহাজ হরমুজ পেরিয়ে এসেছে। বুধবারের মধ্যে ওই জাহাজটি করাচিতে পৌঁছে যাওয়ার কথা।

  • T20 বিশ্বকাপ শেষ হতেই ফের মুখোমুখি হচ্ছে ভারত-পাকিস্তান, কবে ম্যাচ?

    T20 বিশ্বকাপ শেষ হতেই ফের মুখোমুখি হচ্ছে ভারত-পাকিস্তান, কবে ম্যাচ?

    বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ শেষ হতে না হতেই ফের মুখোমুখি হতে চলেছে ভারত এবং পাকিস্তান (India Vs Pakistan)। না এখনই নয়, পাঁচ মাস পর ফের একে অপরের মুখ দেখবে এশিয়ার এই দুই চির প্রতিদ্বন্দ্বী। তবে ক্রিকেটের ময়দানে নয় বরং হকি বিশ্বকাপে (Men’s FIH Hockey World Cup) একে অপরের বিরুদ্ধে খেলবে এই দুই দেশ। আসলে হকি বিশ্বকাপের একই গ্রুপে পড়েছে ভারত এবং পাকিস্তান দল। তাই নতুন করে আবারও মুখদর্শন হবে দু দেশের প্লেয়ারদের।

    কবে থেকে শুরু হচ্ছে বিশ্বকাপ?

    এবছর মহিলা এবং পুরুষ উভয় দলেরই হকি বিশ্বকাপ রয়েছে। আগামী 14 থেকে 30 আগস্ট পর্যন্ত চলবে সেই বিশ্বকাপ। জানা যাচ্ছে, এই হকি বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হবে নেদারল্যান্ডস এবং বেলজিয়ামে। মহিলা এবং পুরুষ উভয়-বিভাগেই অংশগ্রহণ করবে ভারত। এই প্রতিযোগিতার পুরুষদের বিশ্বকাপে ভারত এবং পাকিস্তান একই গ্রুপে জায়গা পেয়েছে।

    বলাই বাহুল্য, ভারত এবং পাকিস্তানের গ্রুপে জায়গা করেছে ইংল্যান্ড এবং ওয়েলেস। অন্যদিকে মহিলাদের বিশ্বকাপে চিন, ইংল্যান্ড এবং দক্ষিণ আফ্রিকার সাথে একই গ্রুপে রয়েছে ভারত। দুঃখের বিষয় এবছর পাকিস্তানের মহিলা দল বিশ্বকাপে যোগ্যতা অর্জন করতে পারেনি। তাই তাঁদের প্রশ্নই উঠছে না। বলে রাখি, গ্রুপ বিভাজন হয়ে গেলেও হকি বিশ্বকাপের চূড়ান্ত সূচি এখনও প্রকাশ্যে আসেনি। আশা করা হচ্ছে খুব শীঘ্রই প্রকাশ করা হবে সেই সূচি।

    অবশ্যই পড়ুন: উড়ে উড়ে একদিনেই পৌঁছে যাবে আপনার পার্সেল! পরিষেবা শুরু ইন্ডিয়া পোস্টের

    প্রসঙ্গত, চূড়ান্ত সূচি প্রকাশ করা হলেই জানা যাবে ভারত এবং পাকিস্তানের ম্যাচের তারিখ। তবে আপাতত জানিয়ে রাখি, ভারত এবং পাকিস্তান এই মুহূর্তে পুল ডি তে রয়েছে। অন্যদিকে মহিলা হকি বিশ্বকাপেও পুল ডিতেই জায়গা পেয়েছে ভারতীয় দল। জানিয়ে রাখা প্রয়োজন, হকি বিশ্বকাপ বেলজিয়াম এবং নেদারল্যান্ডস দুই দেশে অনুষ্ঠিত হলেও ভারতের মহিলা এবং পুরুষ উভয় দলই নেদারল্যান্ডসেই তাদের সব ম্যাচ খেলবে।

  • আফগানিস্তানের হাসপাতালে এয়ারস্ট্রাইক পাকিস্তানের, মৃত ৪০০

    আফগানিস্তানের হাসপাতালে এয়ারস্ট্রাইক পাকিস্তানের, মৃত ৪০০

    সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলে ভয়াবহ বিমান হামলা চালানোর অভিযোগ উঠল পাকিস্তানের বিরুদ্ধে (Pakistan Airstrike Afghanistan)। সোমবার গভীর রাতে চালানো এই হামলায় একটি হাসপাতাল সম্পূর্ণ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে আর বহু মানুষের প্রাণহানি ঘটেছে। ঘটনাটি ঘিরে প্রতিবাদ জানিয়েছে তালিবান প্রশাসন। অন্যদিকে এই অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করে দিয়েছে পাকিস্তান। তাদের দাবি, শুধুমাত্র সন্ত্রাসবাদী ঘাঁটিগুলি লক্ষ্য করেই হামলা চালানো হয়েছে। কোনও বেসামরিক স্থাপনা টার্গেট করা হয়নি।

    হাসপাতালে হামলার অভিযোগ

    আফগান প্রশাসনের এক মুখপাত্র জানিয়েছেন, কাবুলের নেশামুক্তি চিকিৎসা কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত একটি হাসপাতালের উপর এই হামলা চালিয়েছে পাকিস্তান। আর হামলার জায়গায় ভবনের একটি বিরাট অংশ ভেঙে পড়ে আর সেখানে আগুন ধরে যায়। প্রাথমিক রিপোর্ট অনুযায়ী খবর, ধ্বংসস্তূপের নিচে বহু মানুষ আটকে পড়েন এবং আঘাতে প্রাণহানি হয়। উদ্ধারকারী দল আগুন নেভানো আর ধ্বংসাবশেষ সরিয়ে মানুষকে বের করার কাজ চালিয়েছে। পাশাপাশি আহতদেরকে নিকটবর্তী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

    এদিকে এই ঘটনার পর পাকিস্তান সরকার জানিয়ে দিয়েছে, তাদের বিমান হামলা মূলত সন্ত্রাসবাদী সংগঠনের ঘাঁটি আর অস্ত্রভাণ্ডারগুলিকে লক্ষ্য করেই চালানো হয়েছিল। আফগানিস্তানের বিভিন্ন এলাকায় সক্রিয় সশস্ত্র গোষ্ঠীর অপশাসন ধ্বংস করায় তাদের মূল উদ্দেশ্য ছিল। কোনও হাসপাতাল বা সাধারণ মানুষের বসতি লক্ষ্য করা হয়নি বলেই দাবি করছে ইসলামাবাদ।

    আরও পড়ুন: কবে, কত দফায় মিলবে বকেয়া DA? বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ পশ্চিমবঙ্গ সরকারের

    বলাই বাহুল্য, সোমবার সীমান্ত এলাকায় আফগানিস্তান ও পাকিস্তানের সেনাবাহিনীর মধ্যে তীব্র গুলি বিনিময় হয়। তারপর এই হামলা ঘটে বলে অভিযোগ। আফগান প্রশাসন দাবি করছে যে, পাকিস্তান তাদের সার্বভৌম সীমা লঙ্ঘন করেছে। এর যথাযথ জবাব দেওয়া হবে। এমনকি হামলায় ঘটনায় তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে তালিবান। তাদের দাবি, চিকিৎসাধীন রোগীদের উপর হামলা নৃশংস কাজ। একইসঙ্গে ঘটনার পূর্ণ তদন্তের দাবি জানানো হয়েছে।

  • পাকিস্তানে হাহাকার! কর্মীদের ৩০% বেতন কাটল সরকার

    পাকিস্তানে হাহাকার! কর্মীদের ৩০% বেতন কাটল সরকার

    সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: সংকটের মুখে কত কিছু যে করতে হবে কাঙাল পাকিস্তানের (Pakistan) তা হয়তো ভাবতেও পারবেন না আপনি। হ্যাঁ, টানাটানির মধ্যে পড়ে এবার দেশটির রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থাগুলিতে কর্মরত কর্মীদের ৩০ শতাংশ পর্যন্ত বেতন কাটছাঁটের সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরীফ। চলমান যুক্তরাষ্ট্র, ইজরায়েল আর ইরান সংঘাতের (Middle East War) জেরে তৈরি হওয়া এই জ্বালানির সংকট মেটানোর জন্যই বড়সড় সিদ্ধান্তের পথে হাঁটল সন্ত্রাসের দেশের প্রশাসন।

    জ্বালানি সংকট মেটাতে বড় সিদ্ধান্ত পাকিস্তানের

    প্রসঙ্গত, ইরানের সঙ্গে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র আর ইজরায়েলের সংঘাত দিনের পর দিন বাড়ছে। যার কারণে শুধুমাত্র পাকিস্তান নয়, বরং বিশ্বের একাধিক দেশে জ্বালানি সংকট তৈরি হয়েছে। কারণ, হরমুজ প্রণালী দিয়ে তৈলবাহী জাহাজগুলি আসতে পারছে না, যেহেতু ইরান সেখানে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। আর সেই কারণেই বিশ্বজুড়ে বাড়ছে অপরিশোধিত তেলের দাম। এমনকি সম্প্রতি পাকিস্তানে পেট্রোলের দাম ১৫ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। যার ফলে এখন ১ লিটার পেট্রোলের দামই পড়ছে ৩৪৫ টাকা। অন্যদিকে হাইস্পিড ডিজেলের দাম প্রায় ৩৫৫ টাকা প্রতি লিটার ছুঁয়েছে। সেই বৃদ্ধির ফলে সারা দেশে পরিবহন খরচ এবং খাদ্যের দামের উপর প্রভাব পড়েছে।

    এদিকে গ্যাসের শুল্কও দিনের পর দিন বাড়ছে। বিশ্বব্যাপী জ্বালানি বাজারে এলএনজি আমদানির খরচ বৃদ্ধি পাওয়ার কারণে গৃহস্থালির গ্যাসের দামও ২৫ শতাংশ বেড়েছে পাকিস্তানের। সেই কারণেই এবার জ্বালানি সংকট কাটানোর জন্য বড়সড় সিদ্ধান্ত নিচ্ছে পাকিস্তান। সম্প্রতি অর্থ দফতরের তরফ থেকে বিজ্ঞপ্তি জারি করে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়েছে যে, রাষ্ট্রায়ত্ত মালিকানধীন প্রতিষ্ঠান এবং স্বায়ত্তশাসিত সংস্থাগুলির কর্মীদের বেতন এবার ৫ থেকে ৩০ শতাংশ পর্যন্ত কমানো হবে, যাতে ডুবে যাওয়া অর্থনীতিকে কিছুটা হলেও ত্বরান্বিত করা যায়।

    আরও পড়ুন: “বাড়িতে আঘাতের চিহ্ন নেই, পার্টি অফিসে ব্যান্ডেজ!” শশী পাঁজাকে একহাত নিলেন সজল ঘোষ

    তবে এই সিদ্ধান্ত সামনে আসতেই কর্মকর্তারা নিজেদের মত প্রকাশ করেছেন। কেউ কেউ বলছেন, এই পদক্ষেপ সরকারের আর্থিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে সাহায্য করবে। আর পাকিস্তানের সংকট এবং ক্রমবর্ধমান বৈশ্বিক জ্বালানির দামের ফলে অর্থনৈতিক ক্ষতি মোকাবেলা করতে পারবে। তবে কেউ কেউ দাবি করছে, বিশ্বজুড়ে চলমান সংকটের প্রভাব শুধুমাত্র কর্মকর্তাদের উপর চাপিয়ে দেওয়া ঠিক না। এদিকে অর্থনীতিবিদরা বলছেন যে, জ্বালানি আর গ্যাসের ক্রমবর্ধমান দাম বৃদ্ধি পাকিস্তানের অর্থনীতিকে আরও চাপে ফেলতে পারে আর মুদ্রাস্ফীতি আরও বাড়তে পারে। এখন দেখার দেশটির অর্থনীতি আবারও ঘুরে দাঁড়াতে পারে কিনা।