Tag: North 24 Parganas

  • হাড়োয়ায় উদ্ধার তৃণমূল নেতার ক্ষতবিক্ষত দেহ! গোষ্ঠীদ্বন্দ্বে খুন? উত্তেজনা এলাকায়

    হাড়োয়ায় উদ্ধার তৃণমূল নেতার ক্ষতবিক্ষত দেহ! গোষ্ঠীদ্বন্দ্বে খুন? উত্তেজনা এলাকায়

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনের (West Bengal Election 2026) নির্ঘণ্ট বেজে গিয়েছে। জেলায় জেলায় প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করে দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গিয়েছে দেওয়াল লিখন। কিন্তু এই অবস্থায় ভোটের আগেই রক্ত ঝড়ল বাংলায়। তৃণমূল নেতাকে কুপিয়ে খুন করা হল। উদ্ধার করা হল দেহটি (TMC Worker Body)।ঘটনাটি ঘটেছে উত্তর ২৪ পরগনার হাড়োয়ার (Haroa) সোনাপুকুর শংকরপুরে। ঘটনায় রাজনৈতিক উত্তেজনা ছড়িয়েছে। তদন্তে নেমেছে পুলিশ।

    ভোটের আগেই খুন এক তৃণমূল কর্মী

    রিপোর্ট মোতাবেক, উত্তর ২৪ পরগনার হাড়োয়ার সোনাপুকুর শংকরপুরের তৃণমূল নেতা মশিউর কাজী বুধবার রাত থেকে নিখোঁজ ছিলেন। পরিবারের দাবি, রাতে তাঁকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। কিন্তু অনেক সময় পেরিয়ে গেলেও সে বাড়ি আসেনি। কিন্তু পরে আজ, বৃহস্পতিবার সকালে হাড়োয়া থানা এলাকার সোনাপুকুর শংকরপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের নব্বই পাট ঘেরির পাশ থেকে ওই কর্মীর ক্ষতবিক্ষত ও অর্ধনগ্ন মৃতদেহ উদ্ধার করে পুলিশ এবং হাড়োয়া গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে গিয়েছে। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, মশিউরের দুই হাতের কব্জি কাটা ছিল এবং সারা শরীরে গভীর ক্ষতের চিহ্ন রয়েছে। কান্নায় ভেঙে পড়ে গোটা পরিবার।

    ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে খুন!

    মৃত তৃণমূল কর্মী মশিউর কাজী রাজনীতি করার পাশাপাশি পেশায় জামাকাপড়ের ব্যবসায়ী ছিলেন। এবং দেগঙ্গার চাঁপাতলা পঞ্চায়েতের ১৭৮ নম্বর বুথের বুথ সভাপতি ছিলেন। পুলিশের তরফে প্রথমে ওই কর্মীর পরিচয় জানা যায়নি। পরে পরিবারের লোকজন দেহ শনাক্ত করেন। তাঁদের দাবি, চক্রান্ত করে ডেকে খুন করা হয়েছে মশিউর কাজীকে। ভোটের মুখে তৃণমূল নেতার দেহ উদ্ধারের ঘটনায় শোরগোল পড়ে গিয়েছে। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান, ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে অত্যন্ত নৃশংসভাবে খুন করা হয়েছে তাঁকে। কে বা কারা এই খুন করল, তা জানতে তদন্ত শুরু হয়েছে। এমনকি গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের সম্ভাবনাও উঠে আসছে।

    আরও পড়ুন: ভারতের সবথেকে সস্তার শহর কলকাতা, খরচ কত? দেখুন রিপোর্ট

    প্রসঙ্গত, কিছুদিন আগেই বঙ্গ সফরে এসেছিলেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার। সেই সময় বৈঠকে তিনি স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে ভোটে হিংসা ও ভোট পরবর্তী হিংসা কোনওভাবেই বরদাস্ত করা হবে না। সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ ভোট করাতে বদ্ধপরিকর কমিশন। তাই কোনও ধরনের গাফিলতি বরদাস্ত করা হবে না। কিন্তু ভোট শুরু হওয়ার আগেই বাংলায় তৃণমূল কর্মী খুন হওয়ায় আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে প্রশ্নের মুখে পড়েছে কমিশন।

  • তৃণমূলে যোগ দিয়েই প্রার্থী, সমাজের জন্য যা করেছেন আব্দুল মাতিন, জেনে শ্রদ্ধা বাড়বে

    তৃণমূলে যোগ দিয়েই প্রার্থী, সমাজের জন্য যা করেছেন আব্দুল মাতিন, জেনে শ্রদ্ধা বাড়বে

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: নির্বাচনের (West Bengal Election 2026) দামামা বেজে গিয়েছে রাজ্য জুড়ে, বিজেপি-সিপিএমের পর তৃণমূলও প্রার্থীতালিকা প্রকাশ করেছে। কিন্তু তার ঠিক কয়েক ঘণ্টা আগে ক্রিকেটার শিবশঙ্কর পাল, শিক্ষাবিদ তনুশ্রী হাঁসদা ও আবদুল মাতিন (Abdul Matin) যোগ দেন তৃণমূলে। আর যোগ দেওয়ার পরেই তিনি টিকিটও হাসিল করে নিয়েছেন।

    তৃণমূলে যোগ ৪ জনের

    আজ অর্থাৎ মঙ্গলবার দুপুরের পরেই তৃণমূলের প্রার্থী তালিকা প্রকাশ হয়েছে। আর প্রার্থী তালিকা প্রকাশের আগেই শাসকদলে যোগ দেন প্রাক্তন ক্রিকেটার শিবশঙ্কর পাল, শিক্ষাবিদ তনুশ্রী হাঁসদা, মুহম্মদ আব্দুল মতিন। তাঁদের হাতে দলীয় পতাকা তুলে দেন চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য ও পার্থ ভৌমিক। অন্য দিকে এ দিন একই সময়ে রাজ্যের আরও কয়েকটি জেলায় বিভিন্ন সমাজকর্মী ও বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বও তৃণমূলের পতাকা হাতে নেন। বাঁকুড়া জেলার শালতোড়া ও বড়জোড়া এলাকা থেকে সমাজসেবী গৌতম মিশ্র তৃণমূলে যোগ দেন।

    সমাজকর্মী হিসেবে আব্দুল মতিনের নাম জনপ্রিয়

    শিক্ষাক্ষেত্রে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নাম হল আবদুল মাতিন। তিনি মূলত ধর্মীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান দিয়ে শুরু করে তাঁর পরিচালিত প্রতিষ্ঠান রাজ্য মাদ্রাসা বোর্ড ও উচ্চ মাধ্যমিক স্তর পর্যন্ত কাজ করে চলেছেন। মেয়েদের শিক্ষা সম্প্রসারে নির্মাণ করেছেন ১৮ টি স্কুল। একইসঙ্গে অল ইন্ডিয়া সুন্নত উল জামাত নামে এক সংগঠনের সংগঠনের সম্পাদকও তিনি। এর পাশাপাশি তৈরি করেছেন ২টি আবাসিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। একাদশ ও দ্বাদশ শেণিতে মেয়েদের ভর্তি নেওয়া হয় ওইসব প্রতিষ্ঠানে।

    আরও পড়ুন: হিরণ ছাড়া বিজেপির প্রার্থী তালিকা থেকে বাদ আরও ৮ বিধায়ক, দেখুন লিস্ট

    আজ তৃণমূলের প্রার্থী তালিকায় আব্দুল মতিনের নাম জ্বলজ্বল করছে। উত্তর ২৪ পরগনা জেলার হাড়োয়া থেকে আব্দুল মতিনকে প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।

  • দীর্ঘদিনের দাবিতে সাড়া, এবার চার লেন হবে বারাকপুর-বারাসত রোড

    দীর্ঘদিনের দাবিতে সাড়া, এবার চার লেন হবে বারাকপুর-বারাসত রোড

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: দীর্ঘদিনের যানজট নিয়ে ক্রমেই অসুবিধায় পড়ছে এলাকাবাসী, বারাকপুরের লাইফ লাইন বলে পরিচিত বারাকপুর-বারাসত রোড (Barrackpore Barasat Four Lane Project) সম্প্রসারণ করা নিয়ে একাধিকবার অভিযোগ জানানো হয়েছিল। অবশেষে সেই আবেদনে সাড়া দিল পূর্তদপ্তর। ২০ কোটি টাকা ব্যয়ে এবার ওই দু’লেনের রাস্তা চার লেন করা হতে চলেছে। জানা গিয়েছে, খুব শীঘ্রই শুরু হতে চলেছে এই রাস্তা সম্প্রসারণের কাজ।

    যানজটের সমস্যা বারাকপুর-বারাসত রোডে

    উল্লেখ্য, বারাকপুরের ১৫ নম্বর রেলগেটের উপর থাকা উড়ালপুল থেকে ওয়্যারলেস মোড় পর্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা চওড়া করার দাবি তুলেছিল স্থানীয়রা। কারণ নোনা চন্দনপুকুর বাজারের সামনে রাস্তার ধারেই রয়েছে স্কুল, বিভিন্ন অফিস, ক্লাব, সুইমিং পুল। কিন্তু রাস্তাটি খুবই সরু হওয়ায় ফলস্বরূপ অফিস টাইমে যাতায়াত করা খুবই কষ্টকর হয়ে ওঠে। এদিকে এই সমস্যা শুধুই নোনা চন্দনপুকুর নয়, মসজিদ মোড়, মাঠপাড়া, জাফরপুর মোড় এই জায়গাগুলিতে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়। তাই ওই রাস্তা সম্প্রসারণের জন্য স্থানীয় বিধায়ক রাজ চক্রবর্তী পূর্তমন্ত্রী পুলক রায়ের কাছে আবেদন করেন এবং সেই আবেদনে পরে সবুজ সংকেত দেয় পূর্তদপ্তর।

    বরাদ্দ হতে চলেছে ২০ কোটি টাকা

    রিপোর্ট মোতাবেক, বারাসত বারাকপুরের এই রাস্তা চার লেনের জন্য ২০ কোটি টাকা ব্যয় করা হচ্ছে। এর মধ্যে বিদ্যুতের খুঁটি সহ বিভিন্ন ইউটিলিটি সার্ভিস সরানোর জন্য ছ’কোটি টাকা বরাদ্দ ধরা হয়েছে। কয়েকদিন আগেই পূর্ত দফতর, কেএমডিএ, বিদ্যুৎ দফতর এবং পুরসভার ইঞ্জিনিয়াররা রাস্তাটি পরিদর্শন করে হয়েছে। প্রথম পর্যায়ে রাস্তার দু’ধারে নর্দমা নির্মাণ করা হবে। আর তখনই বিদ্যুতের খুঁটি ও মাটির নীচে থাকা পাইপলাইন সরানোর কাজও চলবে। এই কাজের জন্য প্রায় আট কোটি টাকা বরাদ্দ ধরা হয়েছে। আশা করা হচ্ছে আগামী এক বছরের মধ্যেই চার লেনের কাজ সম্পূর্ণ হবে। এই প্রসঙ্গে বিধায়ক রাজ চক্রবর্তী জানান, এই রাস্তাটির সম্প্রসারণ অত্যন্ত জরুরি ছিল।

    আরও পড়ুন: দোলে ৩৩০ জনকে গ্রেফতার করল কলকাতা পুলিশ, বাজেয়াপ্ত ২৫ লিটার মদ

    রাজ্য সরকারের এই প্রকল্প অনুমোদন হওয়ায় খুব খুশি এলাকার মানুষজন। নোনা চন্দনপুকুর বাজারের ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, এই রাস্তা সম্প্রসারিত হলে সাধারণ মানুষের খুবই উপকার হবে। বাজারের সময় এত ভিড় হয় এই রাস্তায় যান চলাচল থমকে যায়। সরকার অত্যন্ত ভালো সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। প্রশাসনের দাবি, এই সম্প্রসারণের ফলে যানজট অনেকটাই কমবে এবং বারাকপুর ও বারাসত সংযোগ আরও মসৃণ হবে।

  • হোলির দিন মধ্যমগ্রামে ভয়াবহ বিস্ফোরণ, সিলিন্ডার ফেটে ভস্মীভূত একাধিক দোকান

    হোলির দিন মধ্যমগ্রামে ভয়াবহ বিস্ফোরণ, সিলিন্ডার ফেটে ভস্মীভূত একাধিক দোকান

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: হোলির দুপুরে যখন সকলে আনন্দের উৎসবে মাতোয়ারা, তখন মধ্যমগ্রামে ঘটে গেল এক ভয়ংকর বিপদ (Fire Breaks Out In Madhyamgram)। রেল স্টেশনের কাছে সিলিন্ডার ফেটে ভয়াবহ আগুনে ভস্মীভূত একাধিক দোকান। প্রথমে একটি কাঠের গোলায় আগুন লাগে, তারপর একটি হোটেলে আগুন লাগে। ঘটনাস্থলে এখনও অবধি এসেছে দমকলের চারটি ইঞ্জিন। সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে ট্রেন চলাচল এবং ফ্লাইওভারের ওপরেও গাড়ি চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছে।

    সিলিন্ডার ব্লাস্ট মধ্যমগ্রামে

    রিপোর্ট মোতাবেক জানা গিয়েছে, আজ অর্থাৎ বুধবার দুপুরে মধ্যমগ্রাম রেল স্টেশনের কাছেই আচমকা পরপর সিলিন্ডার ব্লাস্টের ঘটনা ঘটে। বিকট শব্দে কেঁপে ওঠে গোটা এলাকা, ভয়ে চিৎকার করতে করতে ছুটতে থাকেন স্থানীয় বাসিন্দারা। কালো ধোঁয়ায় ঢেকেছে গোটা স্টেশন চত্বর। সঙ্গে সঙ্গে দমকলকে খবর দেওয়া হলে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয় দমকলের চারটি ইঞ্জিন। এছাড়াও SDPO বারাসত, ডিএসপি ট্র্যাফিক-সহ পুলিশ আধিকারিকরাও এসেছেন ঘটনাস্থলে। সামনেই স্কুল থাকায় আতঙ্ক ছড়িয়েছে। এখনও পর্যন্ত হতাহতের খবর মেলেনি কোনো।

    ক্ষতিগ্রত একাধিক দোকান

    ভরদুপুরে সিলিন্ডার ব্লাস্টের এই ঘটনার পর ছুটে আসেন আশেপাশের মানুষজন। অনেকেই জানান, একটি মিষ্টির দোকানে প্রথম আগুন লাগে। সেখান আগুন লাগার পর পর দোকানে ছড়াতে শুরু করে। মুহুর্তের মধ্যে আশেপাশে যত খাবারের দোকান আছে সবই আগুনের লেলিহান শিখায় পর পর সিলিন্ডার ফাটতে থাকে, দাউদাউ করে জ্বলতে থাকে দোকানগুলি। প্রায় ৮-১০ টি দোকান ক্ষতির মুখে পড়েছেন কীভাবে এই সিলিন্ডার ব্লাস্ট হল কিছুই বোঝা যায়নি। ইতিমধ্যেই ঘটনাস্থলে এসে পৌঁছেছেন স্থানীয় কাউন্সিলর তথা মধ্যমগ্রাম পুরসভার উপপ্রধান প্রকাশ রাহা।

    আরও পড়ুন: ফ্রিতে দেখা যাবে মোহনবাগানের ম্যাচ, বড় ঘোষণা গোয়েঙ্কার

    স্থানীয় কাউন্সিলর প্রকাশ রাহা বলেন, ‘এই দোকানগুলি কেন হলো, কী ভাবে হলো, তা নিয়ে বলতে গেলে আমাদের দিকেও প্রশ্ন উঠবে। এ নিয়ে আমার সন্দেহ নেই। তবে এখানে খাবারের দোকান থেকেই আগুন লেগেছে। সিলিন্ডার ফেটেছে। তাতেই এই ঘটনা। তবে সবটাই তদন্ত করা হচ্ছে।