Tag: National Highways Authority of India

  • ১ এপ্রিল থেকেই বেড়ে যাচ্ছে বার্ষিক টোল পাসের দাম, কত খরচ হবে জানুন

    ১ এপ্রিল থেকেই বেড়ে যাচ্ছে বার্ষিক টোল পাসের দাম, কত খরচ হবে জানুন

    বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: জাতীয় সড়কে যাতায়াত এবার ব্যয়বহুল হতে চলেছে (Annual Toll Pass Price Hike)। সব ঠিক থাকলে, আগামী পহেলা এপ্রিল থেকেই বার্ষিক টোল পাসের দাম আরও বৃদ্ধি পাবে। রিপোর্ট অনুযায়ী, ন্যাশনাল হাইওয়েজ অথরিটি অফ ইন্ডিয়া (National Highways Authority of India) বা NHAI এর তরফে বার্ষিক FASTag বা টোল ফি 3 হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে 3 হাজার 75 টাকা করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এর জেরেই এবার নতুন আর্থিক বছরের শুরুতেই অর্থাৎ পহেলা এপ্রিল থেকেই বার্ষিক পাসের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত অর্থ গুনতে হবে প্রাইভেট এবং কমার্শিয়াল যানবাহনের মালিকদের।

    নতুন নিয়মে বার্ষিক টোল পাসের দাম কত হবে?

    জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষ বা NHAI এর সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এবার থেকে গাড়ি নিয়ে জাতীয় মহাসড়কের টোল পার করার সময় একপ্রকার পকেটে টান পড়বে সাধারণ মানুষের। কারণ এবার থেকে বার্ষিক পাসের দাম 3000 হাজার টাকার বদলে 3075 টাকা হচ্ছে। তবে বলে রাখা প্রয়োজন, এই পাস মূলত ব্যক্তিগত গাড়ি অর্থাৎ অবাণিজ্যিক যানবাহনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। অর্থাৎ কমার্শিয়াল গাড়ির ক্ষেত্রে এই পাস চলবে না।

    টোল পাসের খরচ বৃদ্ধি নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের মতামত, প্রত্যেক বছর টোলের হার পর্যালোচনা করে তা সংশোধন করা হয়। নতুন আর্থিক বছরেও এই প্রক্রিয়া অব্যাহত থাকছে। তারই অংশ হিসেবে বাড়ছে বার্ষিক পাসের দাম। বলাই বাহুল্য, যদি কারও কাছে অ্যানুয়াল বা বার্ষিক টোল পাস থেকে থাকে তবে তা দেখিয়ে অন্তত 200 বার অথবা এক বছর কোনও রকম অতিরিক্ত খরচ ছাড়াই টোল প্লাজা অতিক্রম করতে পারবেন গাড়ির চালকরা। পাসের বৈধতা শেষ হলে দ্রুত নতুন পাস তৈরি করতে হবে অথবা রিনিউ করাতে হবে।

    অবশ্যই পড়ুন: নতুন জার্সি প্রকাশ করল KKR, রয়েছে অনেক নতুনত্ব

    প্রসঙ্গত, 2026-27 আর্থিক বছর শুরুর আগেই ভারতের জাতীয় মহাসড়ক কর্তৃপক্ষের তরফে প্রত্যেক টোল প্লাজা কর্তৃপক্ষকে স্পষ্ট নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, টোল পাস সংক্রান্ত নতুন নিয়ম পহেলা এপ্রিল থেকে এই কার্যকর হয়ে যাবে। সে কারণে এই নতুন নিয়ম সম্পর্কে দ্রুত যাত্রীদের অভিহিত করতে হবে তাদের। একই সাথে সিস্টেমে নতুন দাম আপডেট করতে হবে। সরকার বলছে, টোল সিস্টেমে আয় এবং ব্যয়ের ভারসাম্য বজায় রাখতেই প্রতি বছর ফি পর্যালোচনা করা হয়। এবারেও সেই নিয়মের অন্যথা হচ্ছে না।

  • ১ এপ্রিল থেকে বাড়ছে FasTag অ্যানুয়াল পাসের দাম! এবার কত হবে?

    ১ এপ্রিল থেকে বাড়ছে FasTag অ্যানুয়াল পাসের দাম! এবার কত হবে?

    সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: জাতীয় সড়কে বারবার টোল দিতে গিয়ে অনেকেই ভোগান্তিতে পড়ে। আর সেই সমস্যার সমাধান করার জন্য কিছুদিন আগেই চালু করা হয়েছিল অ্যানুয়াল পাস (Annual Pass Hike)। তবে এবার সেই পাসের দাম বাড়তে চলেছে। বেশ কয়েকটি সূত্রের খবর, আগামী ১ এপ্রিল থেকে জাতীয় সড়কে চলাচলের জন্য এই বার্ষিক পাসের দাম কিছুটা বাড়ানো হবে। বর্তমানে এই পাসের দাম ৩০০০ টাকা। কিন্তু নতুন আর্থিক বছর শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই তার দাম ৭৫ থেকে ১০০ টাকা পর্যন্ত বাড়ানো হতে পারে।

    কেন বাড়ানো হচ্ছে অ্যানুয়াল পাসের দাম?

    বলে রাখি, জাতীয় সড়কের টোল নির্ধারণের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে চলতে হয় প্রশাসনকে। প্রতিবছর ১ এপ্রিল থেকে এই হার সংশোধন করা হয়। কারণ, এই দিন থেকে নতুন অর্থবছর শুরু হয়। আর এই বৃদ্ধি মুদ্রাস্ফীতি আর পাইকারি মূল্য সূচকের উপরে নির্ভর করে থাকে। যেহেতু টোলের হার বাড়ছে, তাই একই নিয়ম অনুযায়ী এবার অ্যানুয়াল পাসের দাম কিছুটা বাড়ানো হতে পারে।

    যারা প্রায়ই জাতীয় সড়ক বা এক্সপ্রেসওয়ে দিয়ে যাতায়াত করেন, তাদের সুবিধার জন্যই এই বিশেষ অ্যানুয়াল পাস চালু করা হয়েছিল ন্যাশনাল হাইওয়ে অথরিটি অফ ইন্ডিয়ার তরফ থেকে। আর এই পাস কিনলে গাড়ির মালিকরা এক বছর পর্যন্ত অথবা সর্বোচ্চ ২০০টি টোল প্লাজা কোনও রকম অতিরিক্ত টোল না দিয়েই পার করতে পারে। কিন্তু যদি এক বছরের আগে ২০০টি টোল প্লাজা পার হয়ে যায়, তাহলে সেই পাসের মেয়াদ তখনই শেষ হয়ে যায়।

    আরও পড়ুন: বিশ্বকাপজয়ী ভারতীয় দলকে টাকায় মুড়িয়ে দিল BCCI, কত পেলেন সূর্যরা?

    কারা কিনতে পারবেন এই পাস?

    জানিয়ে রাখি, এই সুবিধা শুধুমাত্র ব্যক্তিগত গাড়ির জন্যই, কোনও রকম বাণিজ্যিক গাড়ির জন্য নয়। শুধুমাত্র ভ্যান, ব্যক্তিগত কার, জিপ ইত্যাদি গাড়ির মালিকরা এই পাস কিনতে পারবে। আর এই অ্যানুয়াল পাস সহজেই অনলাইনের মাধ্যমে কেনা যায়। তবে এর জন্য সক্রিয় ফাস্ট্যাগ থাকতে হবে। আর Rajmarg Yatra মোবাইল অ্যাপ কিংবা জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষের অফিসিয়াল পোর্টাল থেকে সহজেই এই পাস কিনে নেওয়া যাবে। কিন্তু যদি এখন পাসের দাম বাড়ানো হয়, তাহলে যে সাধার গাড়ির মালিকদের উপর চাপ পড়বে তা বলার অপেক্ষা রাখে না।