Tag: Nandigram

  • পবিত্র করকে প্রার্থী করে চমক দিয়েছিল তৃণমূল, এবার নন্দীগ্রামে আরও বড় কাণ্ড ঘটালেন শুভেন্দু!

    পবিত্র করকে প্রার্থী করে চমক দিয়েছিল তৃণমূল, এবার নন্দীগ্রামে আরও বড় কাণ্ড ঘটালেন শুভেন্দু!

    বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: বন্ধুর বিরুদ্ধে বন্ধু! নন্দীগ্রামের আসন দখল করতে বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারীর বিরুদ্ধে তাঁরই একসময়ের ঘনিষ্ঠ পবিত্র করকে টিকিট দিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। বিধানসভা নির্বাচনের আগে এমন পদক্ষেপ তৃণমূলের তরফে নিঃসন্দেহে বড় চমক বলাই যায়। তবে এবার চমক দেখালেন বিরোধী দলনেতার শুভেন্দু অধিকারীও। নন্দীগ্রামে পবিত্রর খাসতালুকে ভাঙন ধরালেন বিজেপি নেতা! সূত্রের খবর, ইতিমধ্যেই বেশ কয়েকজন তৃণমূল নেতাকর্মী থেকে শুরু করে পবিত্রর অঞ্চল বয়ালের এক নম্বর পঞ্চায়েতের প্রাক্তন প্রধানও এবার বিজেপিতে যোগদান করলেন।

    জোর কদমে প্রচার শুরু শুভেন্দুর

    গত শুক্রবার, নন্দীগ্রামের একাধিক তৃণমূল নেতাকর্মী থেকে শুরু করে বয়াল এক নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রাক্তন প্রধানকে বিজেপিতে যোগদান করিয়ে পুরোদমে নিজের নির্বাচনী প্রচার শুরু করেছেন শুভেন্দু অধিকারী। এদিন থেকেই নন্দীগ্রামের বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে ঘুরে সাধারণ মানুষের কাছে আশীর্বাদ চাইতে দেখা গেল রাজ্যের বিরোধী দলনেতাকে।

    সূত্রের খবর, প্রচারের প্রথম দিন দলীয় নেতাকর্মীদের নিয়ে নন্দীগ্রামের বিরুলিয়া থেকে শুরু করে হরিপুর, টেংগুয়া সহ একাধিক জায়গায় ভোট প্রচার করেন বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু। এদিন বিজেপি প্রার্থীকে তাঁর প্রতিদ্বন্ধী পবিত্র কর সম্পর্কে প্রশ্ন করা হলে শুভেন্দু অধিকারী অবশ্য বেশি কিছু বলতে চাননি। বিজেপি নেতা শুধু এটুকু বললেন, “ওর সম্পর্কে আমি বেশি কিছু বলব না।” আসলে শুভেন্দু মনে করেন নন্দীগ্রামের মানুষের আশীর্বাদ নিয়ে তিনি যেখানে খোদ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে হারিয়েছেন, সেখানে পবিত্র করের মতো ব্যক্তি বড় ফ্যাক্টর নয়!

    অবশ্যই পড়ুন: মহম্মদ শামির জন্য চিরতরে বন্ধ ভারতীয় দলের দরজা? বড় সিদ্ধান্ত BCCI-র

    উল্লেখ্য, গত মঙ্গলবার অর্থাৎ তৃণমূলের প্রার্থী তালিকা প্রকাশের দিন সকালে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত ধরে তৃণমূলে যোগদান করেন পবিত্র কর। আর তারপরই তাঁকে নন্দীগ্রাম আসন থেকে প্রার্থী করে তৃণমূল কংগ্রেস। দলের প্রার্থী তালিকায় নিজের নাম দেখতে পাওয়া মাত্রই নন্দীগ্রামের বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে ঘুরে ভোট চাইতে দেখা গেল শুভেন্দু অধিকারীর একসময়ের বন্ধুকে।

  • শুভেন্দুর বিরুদ্ধে তৃণমূলের ‘বাজি’ পবিত্র কর, চিনে নিন নন্দীগ্রামের প্রার্থীকে

    শুভেন্দুর বিরুদ্ধে তৃণমূলের ‘বাজি’ পবিত্র কর, চিনে নিন নন্দীগ্রামের প্রার্থীকে

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: ২৬ এর বিধানসভা নির্বাচনের (West Bengal Election 2026) দিন ঘোষণা হতেই রাজ্য রাজনীতিতে এক তুমুল উত্তেজনামূলক পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। ভোটের আবহে ঘোষণা হয়ে গিয়েছে রাজনৈতিক দলগুলির প্রার্থীদের তালিকা। বিজেপির তরফে জানানো হয়েছে নন্দীগ্রাম (Nandigram) এবং ভবানীপুর থেকে এবার লড়াই করবেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। এরপরেই জল্পনা বাড়ে কে তৃণমূলের প্রার্থী হবে এই যুদ্ধে। গতকালই প্রকাশ্যে আসে তালিকা। জানা যায় ভবানীপুরে লড়াই করবেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং নন্দীগ্রাম থেকে লড়াই করবেন পবিত্র কর (Pabitra Kar)।

    কে এই পবিত্র কর?

    নন্দীগ্রাম-২ ব্লকের বয়ালের বাসিন্দা হলেন তৃণমূলের নয়া প্রার্থী তথা দাপুটে নেতা পবিত্র কর। শিক্ষাগত যোগ্যতা উচ্চমাধ্যমিক পাশ। তাঁর মাছের পারিবারিক ব্যবসা রয়েছে। প্রথম দিকে পবিত্র কর তৃণমূলেই ছিলেন। সেই সময় নন্দীগ্রাম-২ ব্লকের বয়াল-১ গ্রাম পঞ্চায়েতে একাধিক বার প্রধান ও উপপ্রধানের দায়িত্ব সামলে ছিলেন। কোনোরকম প্রচার ছাড়াই নিজের মত করে এলাকার কাজ করে গিয়েছেন। বলা হয়, বিজেপির মধ্যে যারা কড়া হিন্দুত্ববাদী নেতা রয়েছেন, তাঁদের মধ্যে এই পবিত্র কর একজন। বর্তমানে বয়াল ১ গ্রাম পঞ্চায়েতের তাঁর স্ত্রী শিউলি কর প্রধান। তবে ২০২০ সালে পবিত্র কর তৃণমূল ছেড়ে দিলীপ ঘোষের হাত থেকে বিজেপির পতাকা তুলে নেন। আর তার পরেই তৃণমূল ছেড়ে শুভেন্দু অধিকারীও যোগ দেন বিজেপিতে।

    পুনরায় তৃণমূলে যোগ পবিত্রর

    ২০২১ সালে বিধানসভা নির্বাচনে নন্দীগ্রাম কেন্দ্রে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ১৯৫৬ ভোটে পরাজিত করেছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। সেই সংখ্যা জাহির করে প্রায়ই নিজের কথা বলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। এবারেও শুভেন্দু দাবি করেছেন যে ২০২১-এ তাঁর কাছে নন্দীগ্রামে যেভাবে হারতে হয়েছিল মমতাকে, ভবানীপুরে তার পুনরাবৃত্তি হবে। তাই স্বাভাবিকভাবেই সকলের মনে প্রশ্ন জাগছে কে হবে। যদিও জল্পনা আগেই উঠেছিল পবিত্র করের। কারণ গত ডিসেম্বর থেকে এই পবিত্রর দলবদল নিয়ে জল্পনা তৈরি হয়েছিল। এমনকি আইপ্যাকের সঙ্গে পবিত্রর গোপন বৈঠকে বোঝা গেছিল এবার দলবদলের পালা তাঁর। আর সেটাই বাস্তবের রূপ নিল।

    আরও পড়ুন: নবান্নর DA বিজ্ঞপ্তি নিয়ে ক্ষোভ, এরা আদৌ পাবেন মহার্ঘ ভাতা? ফের আন্দোলনের হুঁশিয়ারি

    গতকাল, মঙ্গলবার, তৃণমূলের বিধানসভা নির্বাচনের প্রার্থী ঘোষণার আগেই সকালবেলায় বিজেপি থেকে তৃণমূলে যোগ দিলেন পবিত্র কর। তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত থেকে তুলে নিয়েছিলেন দলীয় পতাকা। এরপর বিকেলেই নন্দীগ্রামের প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করা হয় তাঁর নাম। একসময় যে কিনা শুভেন্দুর ঘনিষ্ঠ ছিলেন সেই এখন শুভেন্দুর প্রতিপক্ষ হয়ে ভোট ময়দানে নামবেন। এ বার দেখার পালা নিজের ঘুঁটি কী ভাবে সাজান পবিত্র। তবে তৃণমূল ইতিমধ্যেই বলতে শুরু করে দিয়েছে, এ বার নন্দীগ্রামে খেলা হবে, বিরাট খেলা হবে, বইবে সবুজ ঝড়।

  • নন্দীগ্রামে মমতার আঘাতপ্রাপ্ত খুঁটিতে ধূপ-ধুনো! প্রচার শুরু বিজেপির, ভাইরাল ভিডিও

    নন্দীগ্রামে মমতার আঘাতপ্রাপ্ত খুঁটিতে ধূপ-ধুনো! প্রচার শুরু বিজেপির, ভাইরাল ভিডিও

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: বহু জল্পনা এবং প্রতীক্ষার পর অবশেষে গত রবিবার কমিশন রাজ্যে দুই দফায় নির্বাচনের দিন (West Bengal Election 2026) ঘোষণা করল। ২৩ এবং ২৯ এপ্রিল ভোটগ্রহণের পর ৪ মে প্রকাশ্যে আসবে ফলাফল। এমতাবস্থায় গতকাল প্রকাশ্যে এল বিজেপির প্রার্থীদের তালিকা। ভবানীপুর এবং নন্দীগ্রাম (Nandigram) থেকে দাঁড়াতে চলেছেন শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। নাম ঘোষণায় আনন্দে মেতে উঠেছেন কর্মীরা। এমতাবস্থায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আঘাতপ্রাপ্ত খুঁটিতে পুজো করে নন্দীগ্রামে প্রচার শুরু করে বিজেপি। ভাইরাল সেই ভিডিও।

    নন্দীগ্রামে খুঁটি পুজো বিজেপি কর্মীদের

    রবিবার কমিশনের নির্বাচনের দিন ঘোষণার পরেই নন্দীগ্রামে শুভেন্দু অধিকারীর সমর্থনে শুরু হয়ে যায় দেওয়াল লিখন। যদিও তখনও অফিসিয়ালি ঘোষণা হয়নি তাঁর নাম। তবে পরে নাম ঘোষণা হতেই উল্লাসে মেতে ওঠেন বিজেপির কর্মী সমর্থকরা। ব্যান্ড পার্টি নিয়ে দলের পতাকা ওড়াতে ওড়াতে সোজা চলে যান নন্দীগ্রামের বিরুলিয়া বাজারে। সেখানে যে খুঁটিতে আঘাতপ্রাপ্ত হয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সেই খুঁটিতে ধূপকাঠি জ্বালিয়ে পুজো করতে দেখা যায় বিজেপি কর্মীদের। পুজো দেওয়ার পাশাপাশি জয় শ্রীরাম স্লোগানও দেন তাঁরা। ইতিমধ্যেই সেই ভিডিওটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করেছেন বিজেপি নেতা তথা আইনজীবী তরুণজ্যোতি তিওয়ারি।

    কী কারণে এই খুঁটি পুঁজো?

    গতবার বিধানসভা নির্বাচনের সময় নন্দীগ্রামের ওই খুঁটিতে পায়ে আঘাত লেগেছিল মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। পায়ে প্লাস্টার নিয়েই রাজ্যজুড়ে ভোটের প্রচার করেছিলেন তিনি। যদিও বিজেপির নেতাদের দাবি, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ‘নাটক’ করেছিলেন। তাতেও লাভ হয়নি তাঁর। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ১৯৫৬ ভোটে পরাজিত করেছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। তাই শাসক দলকে মোক্ষম জবাব দিতে সোমবার রাতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আঘাতপ্রাপ্ত খুঁটিতে পুজো করে নন্দীগ্রামে শুভেন্দু অধিকারীর হয়ে প্রচার শুরু করেন বিজেপি কর্মীরা। তুমুল ভাইরাল হয় সেই ভিডিও। আর তাতেই রাজনৈতিক তরজা চরম আকার নেয়।

    আরও পড়ুন: পরিচারিকাতে ভরসা বিজেপির, আউশ গ্রামের পদ্মের প্রার্থী কলিতা মাজির নাম বিচারাধীন

    খুঁটিপুজো প্রসঙ্গে তমলুক সাংগঠনিক জেলা বিজেপির সহ-সভাপতি প্রলয় পাল বলেন ‘মেদিনীপুরে ছেলে শুভেন্দু অধিকারী এবার নন্দীগ্রামের পাশাপাশি ভবানীপুরেও প্রার্থী হয়েছেন। মুখ্যমন্ত্রী যেখানেই দাঁড়ান না কেন আমাদের নেতা তাঁকে বিদায় জানাবেন। রীতি অনুযায়ী সনাতন ধর্মের মানুষ কিছু শুভ কাজ করার আগে খুঁটি পুজো করে। আমরা তাই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যেই খুঁটিতে আঘাত পেয়েছিলেন, সেই খুঁটিতে পুজো করে শুভ কাজ শুরু করলাম।” অন্যদিকে ওই জেলার তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি সুজিত রায় বলেন, “যে বিজেপি নেতা খুঁটি পুজো করছেন তিনি মহিলাদের নিয়ে কুরুচিপূর্ণ কথা বলেন। তাঁরাই শুভেন্দুর সম্পদ। এই নির্বাচনে মহিলারা বিজেপিকে উচিত শিক্ষা দেবেন।”

  • নন্দীগ্রামে শুভেন্দুর প্রতিপক্ষ প্রায় চূড়ান্ত, কাকে মাঠে নামাচ্ছে তৃণমূল?

    নন্দীগ্রামে শুভেন্দুর প্রতিপক্ষ প্রায় চূড়ান্ত, কাকে মাঠে নামাচ্ছে তৃণমূল?

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: ২৬ এর বিধানসভা নির্বাচনের (West Bengal Election 2026) নির্ঘণ্ট বেজে গিয়েছে। আগামী ২৩ এবং ২৯ এপ্রিল দুদফায় রাজ্যে হতে চলেছে ভোট। আর এই ভোটের আবহে ইতিমধ্যেই বাম এবং বিজেপি শিবির প্রকাশ্যে এনেছে বিধানসভা কেন্দ্রগুলোতে প্রার্থীদের তালিকা। এমতাবস্থায় চর্চায় উঠে এসেছে নন্দীগ্রাম (Nandigram), সোমবার প্রার্থী তালিকা প্রকাশ হওয়ার পর দেখা গেল, ভবানীপুরের পর শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) সেখান থেকেও বিজেপির হয়ে দাঁড়াতে চলেছেন। আর সেখানেই প্রশ্ন উঠছে তাহলে প্রতিপক্ষ হয়ে কে উঠে আসছে? জল্পনায় উঠে এল বিশেষ নাম।

    নন্দীগ্রামে বিজেপির হয়ে দাঁড়াবেন শুভেন্দু

    ২০২১ সালে বিধানসভা নির্বাচনে নন্দীগ্রাম কেন্দ্রে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ১৯৫৬ ভোটে পরাজিত করেছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। সেই সংখ্যা জাহির করে প্রায়ই নিজের শ্লাঘার কথা বলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। এবারেও শুভেন্দু দাবি করেছেন যে ২০২১-এ তাঁর কাছে নন্দীগ্রামে যেভাবে হারতে হয়েছিল মমতাকে, ভবানীপুরে তার পুনরাবৃত্তি হবে। আবার হিরণ চট্টোপাধ্যায়ের আসন খড়্গপুর সদর থেকে দিলীপ ঘোষ টিকিট পেলেন। অন্যদিকে অভিনেতা-রাজনীতিবিদ রুদ্রনীল ঘোষকে শিবপুর থেকে প্রার্থী করল বিজেপি। কিন্তু এবার প্রশ্ন উঠছে নন্দীগ্রামে তৃণমূলের তরফে কে দাঁড়াবে। আর তাতেই শোনা যাচ্ছে প্রদীপ করের নাম।

    কে হবে শুভেন্দুর প্রতিপক্ষ?

    রিপোর্ট মোতাবেক, আজ, মঙ্গলবার ২৯৪টি বিধানসভার আসনে প্রার্থীর নাম ঘোষণা করবে তৃণমূল। তখনই দেখা যাবে কোন কেন্দ্রে কাকে বসাতে চাইছেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে রাজনীতি বিশ্লেষকদের ধারণা হয় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় খোদ দাঁড়াবেন নয়তো এমন একজনকে দাঁড় করাবেন যে বিজেপিকে বড় আঘাত করতে পারে। এদিকে এসবের মাঝে আজ তৃণমূলে যোগ দিতে চলেছেন নন্দীগ্রাম দুই ব্লকের বিজেপি নেতা পবিত্র কর। যে কিনা শুভেন্দু অধিকারী ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত ছিলেন। তাঁকেও হয়ত এবার শুভেন্দুর প্রতিপক্ষ হিসেবে নন্দীগ্রামে দাঁড় করানো হতে পারে।

    আরও পড়ুন: ১ ঘণ্টার পথ মাত্র ৫ মিনিটে! প্রকাশ্যে গঙ্গাসাগর সেতুর প্রথম নকশা, শুরু নির্মাণ কাজ

    আসলে কিছুদিন আগেই আইপ্যাকের সঙ্গে পবিত্র করের গোপন বৈঠকে বোঝা গেছিল এবার দলবদলের পালা তাঁর। যদিও কোনও পক্ষই অবশ্য এই বিষয়ে মুখ খুলতে চাননি। নন্দীগ্রাম বিধানসভা দু’টি ব্লক নিয়ে গঠিত, তার মধ্যে নন্দীগ্রাম ২ ব্লকেই বিজেপি এগিয়ে। আর সেই ব্লকেরই বাসিন্দা পবিত্র কর। এলাকায় তাঁর যথেষ্ট পরিচিতি রয়েছে। মুখে মৃদু হাসি নিয়ে কাজ করে যান সকলের জন্য। বেশি প্রচারে থাকেন না কোনওদিনই। সেই জন্য কেউ কেউ তাঁকে, নন্দীগ্রাম দুই ব্লকের ‘সাইলেন্ট কিলার’ বলে। এবার দেখার পালা কাকে কোন কোন কেন্দ্রে দাঁড় করায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

  • নন্দীগ্রাম নাকি ভবানীপুর, কোথা থেকে প্রার্থী হবেন শুভেন্দু? যা জানালেন বিরোধী দলনেতা

    নন্দীগ্রাম নাকি ভবানীপুর, কোথা থেকে প্রার্থী হবেন শুভেন্দু? যা জানালেন বিরোধী দলনেতা

    সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: আগামী ২৩ ও ২৯ এপ্রিল বাংলায় বিধানসভা নির্বাচন (West Bengal Election)। তবে তার আগে নন্দীগ্রাম নাকি ভবানীপুর কোথা থেকে ভোটে লড়তে চান শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari), তা নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দেন, কে কোথায় প্রার্থী হবেন তা বিজেপি নেতৃত্বও ঠিক করবে। কিন্তু তাঁকে যদি বেছে নিতে বলা হয়, তাহলে তিনি কোন আসনকে বেছে নেবেন? নিজেই জানালেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা।

    নন্দীগ্রাম আর ভবানীপুর নিয়ে বড় মন্তব্য শুভেন্দু অধিকারীর

    সাংবাদিকদের প্রশ্নের মুখোমুখি হয়ে তিনি জানান, যদি তাঁকে নন্দীগ্রাম আর ভবানীপুরের মধ্যে বিধানসভা বেছে নিতে হয়, তাহলে নন্দীগ্রামকে বেছে নেবেন। কারণ, তিনি সেখান থেকে লড়াই করতে ইচ্ছুক। কিন্তু ভবানীপুর নিয়েও বেশ কিছুদিন ধরে মন্তব্য করে আসছিলেন বিরোধী দলনেতা। তাহলে এবার কী হল তাঁর? নন্দীগ্রামকে নিয়ে তিনি কি আলাদা কিছু ভাবছেন? নাকি দুই কেন্দ্র থেকেই এবার ভোটে দাঁড়াবেন শুভেন্দু অধিকারী? সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি স্পষ্ট বলেন, “আমার ভাবার কিছুই নেই। বিজেপি ব্যক্তিগত দল না। এটা পিসি -ভাইপোর পার্টি নয়। আর এখানে কোনও ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত হয় না। বিজেপি আমাকে যেখানে লড়াই করতে দেবে আমি সেখানে লড়াই করব। আমাকে লড়াই করতে দিলেও ঠিক আছে, লড়ালেও ঠিক আছে।”

    এদিন তিনি স্পষ্ট বলেন, “আমাকে যদি জিজ্ঞাসা করা হয়, তাহলে আমি নন্দীগ্রাম থেকেই লড়ব। কিন্তু বিজেপি যদি বলে যে এটা করতে হবে, ওটা করতে হবে, তবে তাই হবে। কিন্তু হ্যাঁ, নন্দীগ্রাম নিয়ে আমার কোনও দ্বিমত নেই। দল আমাকে যেটা করতে বলবে আমি সেটাই করব।” এদিকে ভবানীপুর নিয়ে সম্প্রতি উস্কানিমূলক মন্তব্য করেছিলেন শুভেন্দু। ভবানীপুরে নিজের সভা করেছেন তিনি। আর সেখানকার দোলেও অংশ নেন। এমনকি এসআইআর-এ ভবানীপুর থেকে ৪৭ হাজারের বেশি নাম পড়ার কারণে সেখানে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য করেন শুভেন্দু, এবং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে তুলোধোনাও করেন।

    শুভেন্দু এও বলেন যে, ২০২১ সালে তাঁর কাছে নন্দীগ্রামে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে যেভাবে হারতে হয়েছিল, এবার ভবানীপুরেও তাঁর পুনরাবৃত্তি হবে। দল চাইলে ভবানীপুরে তিনি প্রার্থী হতে পারেন। কিন্তু তাঁকে কটাক্ষ করতে ছাড়েননি মুখ্যমন্ত্রী মমতা। তিনি স্পষ্ট জবাব দেন যে, “ভবানীপুর থেকে যদি আমি এক ভোটেও জিতি, তাহলেও জিতবো। এখানে আমাকে হারানোর কোনও ক্ষমতা নেই।”

    আরও পড়ুন: বাংলায় কবে ভোটগ্রহণ, গণনা এবং কত দফায় ভোট? জানাল নির্বাচন কমিশন

    এদিকে শুভেন্দুর এই মন্তব্যকে কেন্দ্র করে শাসকদোলের বিধায়ক অরূপ চক্রবর্তী কটাক্ষ করেন। তিনি বলেছেন, “শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বে বিজেপি দুবারই ধরাশায়ী হয়েছে। ভবানীপুরে কোনও পাত্তা পাবে না শুভেন্দু। যা পারফরমেন্স তাতে ধোপে টিকবে না। বাংলার মানুষ মমতাকেই ৩৯টি আসনে জয়ী করেছিল। আর বিজেপি শমিক ভট্টাচার্যকে রাজ্য সভাপতি করে ওঁর ডানা ইতিমধ্যেই ছেঁটে দিয়েছে। শুভেন্দু এবার টিকিট পাবে কিনা তা নিয়েই সংশয় থেকে যাচ্ছে। নিজের মুখে যখন এরকম কথা বলছে, তাহলে বোঝা যাচ্ছে, বিজেপিতে ঠিক শুভেন্দু কতটা কোণঠাসা।” এমনকি অরূপ এও জানান যে, “লোডশেডিং না করলে ২০২১ সালে বিধায়ক হওয়া হতো না। কিন্তু নন্দীগ্রামে তো এবার লোডশেডিং হবে না। পশ্চিমবঙ্গের বিদ্যুৎ বিভাগ এবার সব ঠিক করে রেখেছে। সবটা সময়েই দেখা যাবে।”