Tag: Nabanna

  • শুধুমাত্র এদেরই বকেয়া DA দেবে নবান্ন? সুপ্রিম কোর্টে জমা রিপোর্ট ঘিরে চাঞ্চল্য

    শুধুমাত্র এদেরই বকেয়া DA দেবে নবান্ন? সুপ্রিম কোর্টে জমা রিপোর্ট ঘিরে চাঞ্চল্য

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ এখনই সরকার ডিএ (DA) দিতে পারবে না, সুপ্রিম কোর্টে MA ফাইল করে সাফ জানিয়ে দিয়েছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার (Government of West Bengal)। ভোটের মুখে সরকারের এহেন পদক্ষেপের ফলে স্বাভাবিকভাবেই ধাক্কা খেয়েছেন সরকারি আধিকারিক থেকে শুরু করে আন্দোলনকারীরা। যদিও সরকারের তরফে সুপ্রিম কোর্টে পেশ করা একটি হিসেব দেখে চমকে গিয়েছেন সকলে। নবান্নের (Nabanna) তরফে যে তথ্য দেওয়া হয়েছে, সেটা অনুযায়ী কর্মচারীদের সংখ্যা মাত্র ৩,১৭,৯৫৪ সেই সঙ্গে রয়েছেন পেনশনররাও। তবে সরকার বকেয়া দিলে শুধুমাত্র এরাই পাবেন টাকা? উঠছে প্রশ্ন।

    সবাইকে বকেয়া টাকা দেবে না সরকার?

    হিসেব দেখে অনেকেই বলতে শুরু করেছেন, তবে কি সরকার শিক্ষক, শিক্ষা কর্মীদের বকেয়া ভাতা দেওয়া থেকে বিরত থাকবে? এই বিষয়ে শিক্ষানুরাগী ঐক্য মঞ্চের সাধারণ সম্পাদক কিংকর অধিকারী বিস্ফোরক দাবি করেছেন। তিনি নিজের ফেসবুক বার্তায় সরকারের হিসেব তুলে ধরে লিখেছেন, ‘বকেয়া ২৫% ডিএ মেটানোর জন্য আগামী ডিসেম্বর মাস পর্যন্ত সময় চাইল রাজ্য সরকার সুপ্রিম কোর্টের কাছে। শিক্ষক, কর্মচারীদের দীর্ঘদিনের প্রাপ্য অর্থ নিয়ে ভোট রাজনীতি চলছে। আমরা চাই দীর্ঘদিনের এই বঞ্চনার বিরুদ্ধে সুপ্রিমকোর্ট কড়া বার্তা দিয়ে পূর্ববর্তী রায় অনুযায়ী বকেয়া মিটিয়ে দেওয়ার জন্য রাজ্যকে বাধ্য করুক।’

    তিনি আরও লেখেন, ‘কিন্তু অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় রাজ্য সরকার সুপ্রিম কোর্টের কাছে যে হিসেব পেশ করেছে তাতে কর্মচারীদের সংখ্যা মাত্র ৩,১৭,৯৫৪ এবং তার সাথে পেনশনারা। এই হিসেব বলে দিচ্ছে সুপ্রিম কোর্টের রায় অনুযায়ী রাজ্য সরকার শিক্ষক, শিক্ষাকর্মীদের বকেয়া মহার্ঘ ভাতা দেবে না। এর ফলে শিক্ষক, শিক্ষাকর্মী সমাজের ক্ষোভের আগুন ব্যাপকভাবে রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে যাবে। রাজ্য সরকার তাদের অবস্থান বদলাক। না হলে আইনি লড়াই এবং রাস্তার লড়াই আরো তীব্রতর হবে।’

    আরও পড়ুনঃ ‘পশ্চিমবঙ্গ সরকার MA ফিল করলেও …’ বকেয়া DA মামলায় নাটকীয় মোড়? এল বড় খবর

    ৩১ ডিসেম্বর অবধি সময় চাইল রাজ্য

    উল্লেখ্য, বকেয়া ২৫ শতাংশ DA দিতে পারবে না রাজ্য। আরও সময় চেয়ে সুপ্রিম কোর্টে আর্জি জানিয়েছে রাজ্যচ। ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত সময় চাইল রাজ্য সরকার বলে খবর। সেক্ষেত্রে বকেয়া ডিএ-র প্রথম কিস্তি দেওয়ার সময়সীমা ছিল ৩১ মার্চ। অর্থাৎ বকেয়া বুঝে নিতে এখনও লম্বা সময় অপেক্ষা করতে হবে সকলকে।

  • ভোটের আগে রদবদল, ৭ IAS অফিসার সহ KMC-র কমিশনারকেও সরাল নবান্ন

    ভোটের আগে রদবদল, ৭ IAS অফিসার সহ KMC-র কমিশনারকেও সরাল নবান্ন

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: ২৬ এর বিধানসভা নির্বাচন (West Bengal Election 2026) নিয়ে বেশ উত্তপ্ত পরিস্থিতি রাজ্য রাজনীতিতে। আর এই ভোট আবহেই রাজ্যে এবার একাধিক আইএএস এবং ডব্লিউবিএস এগজিকিউটিভ অফিসার বদলি করল নবান্ন (Nabanna)। গতকাল অর্থাৎ শুক্রবার, নবান্ন থেকে জারি হওয়া এক বিজ্ঞপ্তিতে সাতজন IAS অফিসারের বদলি (WB IAS Officer Transfer) নতুন দায়িত্বের কথা ঘোষণা করা হয়েছে।

    নবান্নের জরুরি বিজ্ঞপ্তি

    সরকারি নির্দেশিকায় জানানো হয়েছে, বর্তমানে কলকাতা পুরসভার মিউনিসিপ্যাল কমিশনার হিসেবে কর্মরত সুমিত গুপ্তকে ডিএলআরএস, পশ্চিমবঙ্গ পদে নিয়োগ করা হয়েছে। এবং তাঁকে কলকাতা দক্ষিণের জেলা নির্বাচন আধিকারিকের অতিরিক্ত দায়িত্বও দেওয়া হয়েছে। কলকাতা পুরসভার নতুন কমিশনারের অতিরিক্ত দায়িত্ব হিসেবে বসানো হয়েছে অংশুল গুপ্তাকে, এছাড়াও তাঁকে কলকাতা উত্তরের জেলা নির্বাচন আধিকারিকও করা হয়েছে। নদিয়ার বর্তমান জেলাশাসক অনীশ দাশগুপ্তকে বাঁকুড়ার জেলাশাসক করা হয়েছে। সিয়াদ এন উত্তর ২৪ পরগনার নতুন জেলাশাসক হয়েছেন, তিনি আগে বাঁকুড়ার জেলাশাসক ছিলেন।

    Nabanna

    রাজ্যপালের সম্মতিতেই বদলি

    প্রাণী সম্পদ উন্নয়ন বিভাগের স্পেশাল সেক্রেটারি শেভালে অভিজিৎ তুকারামকে আলিপুরদুয়ারের জেলা শাসক হিসেবে বদলি করা হয়েছে। উত্তর দিনাজপুরের জেলাশাসক সুরেন্দ্র কুমার মিনাকে কেএমডিএ-র সিইও করা হয়েছে। WBSIDCL এর এমডি নিখিল নির্মলকে নদিয়ার জেলাশাসক করা হয়েছে। এছাড়াও পশ্চিমবঙ্গ অনগ্রসর শ্রেণি কমিশনের সদস্য সচিব তনভির আফজলকে উত্তর দিনাজপুরের নতুন জেলাশাসক হিসেবে বসানো হয়েছে। জানা গিয়েছে, রাজ্যপাল এই বদলিগুলিতে সম্মতি দিয়েছেন এবং পরবর্তী নির্দেশ না আসা পর্যন্ত তা বহাল থাকবে।

    আরও পড়ুন: সাতসকালে ভয়াবহ বিস্ফোরণ কলকাতায়,পাইকপাড়ায় উড়ল ক্লাবের চাল, এলাকায় আতঙ্ক

    প্রসঙ্গত, গত বছরের শেষের দিকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রাজ্য প্রশাসনে বড়সড় পরিবর্তন করেছিলেন। সেই সময় কলকাতা পুরসভার কমিশনার-সহ রাজ্যের একঝাঁক জেলার জেলাশাসক এবং অতিরিক্ত জেলাশাসকদেরও বদল করা হয়েছিল। এবার মার্চের শুরুতে ফের বদলি করা হল। আসলে সামনেই যেহেতু বিধানসভা নির্বাচন, তাই সমস্ত জেলায় নিয়ম শৃঙ্খলা সুরক্ষিত এবং নিয়ন্ত্রণ করতে এই বদল আনা হয়েছে বলে মনে করছেনরাজ্য প্রশাসনের একাংশ।

  • মার্চে টানা ৬ দিনের লম্বা ছুটি, কবে থেকে কবে? দেখুন নবান্নের হলিডে লিস্ট

    মার্চে টানা ৬ দিনের লম্বা ছুটি, কবে থেকে কবে? দেখুন নবান্নের হলিডে লিস্ট

    সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: মার্চ মাস মানেই একেবারে ছুটির রমরমা। হ্যাঁ, এ মাসের ছুটির তালিকা যে অনেকটাই দীর্ঘ তা নবান্নের হলিডে লিস্ট (March Holiday List) দেখলেই বোঝা যাচ্ছে। দোল থেকে শুরু করেই ঈদ-উল-ফিতর, রামনবমী, মহাবীর জয়ন্তী সবকিছুই এই মাসে। এক কথায়, সরকারি কর্মচারী থেকে শুরু করে স্কুল-কলেজের পড়ুয়ারা ছোটখাটো ভ্রমণের পরিকল্পনা সেরা নিতে পারে মার্চে। আর সাথে সাপ্তাহিক ছুটি তো থাকছেই। সবথেকে বড় ব্যাপার, সাপ্তাহিক ছুটি ছাড়াও এই মাসে অতিরিক্ত ৭টি ছুটি পাওয়া যাবে। দেখুন নবান্নের হলিডে লিস্ট।

    মার্চ মাসের ছুটির তালিকা

    প্রথমেই বলি, এ মাসের প্রথম দিন অর্থাৎ ১ মার্চ রবিবার ছিল। তারপর ৩ মার্চ ছিল মঙ্গলবার, দোলের ছুটি। আর ৪ মার্চ হোলির ছুটি। অর্থাৎ টানা দু’দিন ছুটি মিলেছে কর্মীদের। তবে সেক্ষেত্রে যদি সোমবারটা ছুটি নেওয়া যেত তাহলে টানা ৪ দিনের লম্বা ছুটির সুযোগ পেত সরকারি কর্মীরা। বিশেষ করে রঙের মরসুমে অনেকেই শান্তিনিকেতন বা সমুদ্রের হাওয়া গায়ে লাগিয়েছে তা বলার অপেক্ষা রাখে না।

    এদিকে আগামী ১৭ মার্চ মঙ্গলবারও রয়েছে ছুটি। কারণ, এদিন শ্রীশ্রী হরিচাঁদ ঠাকুরের জন্মতিথি আর মধুকৃষ্ণ ত্রয়োদশী উপলক্ষে সমস্ত সরকারি স্কুল-কলেজ, অফিস আদালত ছুটি থাকবে। পাশাপাশি ১৮ এবং ১৯ মার্চ অফিসের পর আবার পরপর তিনদিন ছুটির সুযোগ মিলছে। কারণ, ২০ মার্চ শুক্রবার ঈদ-উল-ফিতরের আগের দিন ছুটি আর ২১ মার্চ ঈদ-উল-ফিতরের ছুটি থাকছে। আবার ২২ মার্চ রবিবার। অর্থাৎ এই দিনও সাপ্তাহিক ছুটি। ফলত, এখানেও মিলছে টানা তিনদিন ছুটি। আর যদি ১৮ এবং ১৯ মার্চ ব্যক্তিগত ছুটি নেওয়া যায়, তাহলে ১৭ থেকে একেবারে ২২ মার্চ লম্বা ৬ দিনের ছুটির সুযোগ পাবে সরকারি কর্মচারীরা।

    আরও পড়ুন: একদম ঝাঁ চকচকে, অমৃত ভারত প্রকল্পে ভোল বদলে গেল পুরুলিয়ার দুই রেল স্টেশনের

    এখানেই শেষ নয়। আগামী ২৬ মার্চ রামনবমী উপলক্ষে পশ্চিমবঙ্গ থেকে শুরু করে গোটা ভারতবর্ষের সমস্ত সরকারি অফিস বন্ধ থাকবে। আর ৩১ মার্চ পড়ছে মহাবীর জয়ন্তী। সেই কারণে এইদিনও রয়েছে ছুটি। অর্থাৎ মাসের শুরু ছুটি দিয়ে আবার শেষও ছুটি দিয়ে। এক কথায়, মার্চ মাস মানেই সরকারি কর্মচারীদের শুধু ছুটি আর ছুটি।

  • রাজীবের পর চর্চায় আরেক প্রাক্তন পুলিশ কর্তা, রণবীর কুমারকে বড় দায়িত্ব দিল নবান্ন

    রাজীবের পর চর্চায় আরেক প্রাক্তন পুলিশ কর্তা, রণবীর কুমারকে বড় দায়িত্ব দিল নবান্ন

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: রাজ্যের (West Bengal) প্রশাসনিক পদ নিয়ে বিতর্ক যেন কিছুতেই পিছু ছাড়ছে না। এর আগেও প্রাক্তন ডিজি রাজীব কুমারের পদ নিয়ে একাধিকবার বিতর্ক উঠেছিল। যদিও এইসব তর্ক বিতর্ককে পিছনে ফেলে ফের প্রশাসনিক পদ পরিবর্তন করল নবান্ন (Nabanna)। রাজ্যের সড়ক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবার অবসরপ্রাপ্ত আইপিএস রণবীর কুমারকে (Ranbir Kumar) ট্রাফিক অ্যান্ড রোড সেফটির অ্যাডভাইজর করা হল।

    নতুন পদে নিয়োগ IPS রণবীর কুমারকে

    রিপোর্ট মোতাবেক, রাজ্যে সড়ক নিরাপত্তা সংক্রান্ত কাজে আরও জোর দিতে বেশ উদ্যোগী হয়েছে রাজ্য সরকার। তাই সেই কাজ যাতে আরও সুষ্ঠভাবে সম্পন্ন করা যায় তাই ট্রাফিক ও সড়ক নিরাপত্তা বিষয়ক নতুন উপদেষ্টা হিসেবে প্রাক্তন পুলিশ কর্তা রণবীর কুমারকে নিয়োগ করা হয়েছে। প্রশাসন মনে করছে, এই সিদ্ধান্ত ভবিষ্যতে রাজ্যে সড়ক নিরাপত্তা এবং ট্রাফিক ব্যবস্থাপনাকে আরও শক্তিশালী করে তুলবে। অন্যদিকে রাজ্যের প্রাক্তন ডিজি রাজীব কুমারকে রাজ্যসভার প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করেছে শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস। গতকাল অর্থাৎ বৃহস্পতিবার বিধানসভায় বাকি তিন প্রার্থী, কোয়েল মল্লিক, বাবুল সুপ্রিয় এবং মেনকা গুরুস্বামীকে সঙ্গে নিয়ে জমা দিলেন মনোনয়ন পত্র।

    চর্চায় রাজীব কুমার

    বরাবরই খবরের শিরোনামে থাকেন প্রাক্তন ডিজি রাজীব কুমার। সারদা ও রোজভ্যালি চিটফান্ড কেলেঙ্কারির তদন্ত চলাকালীন রাজীব কুমারের পাশে যেভাবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দাঁড়িয়েছিলেন, তা নিয়ে বেশ চর্চা উঠেছিল বিরোধীদের মধ্যে। এক্ষেত্রে রাজীব কুমারকে নিয়ে সিবিআই তদন্তের জট থাকলেও, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর ওপর যথেষ্ট আস্থা রেখেছেন তাই সারদা তদন্তের জন্য রাজ্য পুলিশের বিশেষ তদন্তকারী দলের প্রধান হিসেবে তাঁকে নিয়োগ করা হয়েছিল। পরবর্তীকালে তাঁকে বিধাননগর কমিশনারেটের প্রধান এবং কলকাতার পুলিশ কমিশনার পদে বসানো হয়। এবং সবশেষে রাজ্য পুলিশের ডিজিপি (DGP) পদে নিযুক্ত করা হয়েছিল তাঁকে। সম্প্রতি সেই পদ থেকে তিনি অবসর নিয়েছেন।

    আরও পড়ুন: ভোটের মুখে বাংলায় রাজ্যপাল বদল! দায়িত্বে প্রাক্তন গোয়েন্দাকর্তা! কে এই আর এন রবি?

    প্রসঙ্গত, নবান্নে প্রশাসনিক রদবদলের মাঝেই গতকাল অর্থাৎ বৃহস্পতিবার আচমকা রাজ্যপাল পদ থেকে ইস্তফা দিলেন সিভি আনন্দ বোস। রাতেই রাষ্ট্রপতি ভবনে পদত্যাগপত্র পাঠানো হলে তা গ্রহণ করা হয়। কিন্তু ভোটমুখী বঙ্গে কেন আচমকা এই পদত্যাগ রাজ্যপালের, সেই কারণ এখনো স্পষ্ট হয়নি, এমনকি এ বিষয়ে সিভি আনন্দ বোস নিজেও কোনও মন্তব্য করেননি। আর এই অবস্থায়, বোসের ইস্তফার পর ‌পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপালের দায়িত্ব পেলেন তামিলনাড়ুর রাজ্যপাল আর এন রবি। অন্যদিকে কেরলের রাজ্যপাল রাজেন্দ্র বিশ্বনাথ আরলেকরকে তামিলনাড়ুর রাজ্যপালের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

  • ১৫ মার্চই শেষ হবে ডেটা এন্ট্রি, কবে ঢুকবে বেকার ভাতার টাকা? যুবসাথী নিয়ে বড় খবর

    ১৫ মার্চই শেষ হবে ডেটা এন্ট্রি, কবে ঢুকবে বেকার ভাতার টাকা? যুবসাথী নিয়ে বড় খবর

    বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: কবে থেকে মিলবে যুবসাথী প্রকল্পের (Banglar Yuva Sathi) টাকা? এমন প্রশ্নই এখন ঘুরপাক খাচ্ছে বাংলার লক্ষ লক্ষ আবেদনকারীর মনে। এ নিয়ে প্রাথমিকভাবে সরকারের তরফে দিনক্ষণ জানিয়ে দেওয়া হলেও অনেকেরই ধারণা পহেলা এপ্রিল নয় বরং আগস্টের প্রথম তারিখ থেকেই ঢুকতে পারে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের (Government Of West Bengal) বিশেষ প্রকল্পের মাসিক ভাতা। কেউ কেউ আবার বলছেন আগস্ট নয় সরকারি নির্দেশ অনুযায়ী এপ্রিল থেকে মিলবে মাসিক ভাতা। যুবসাথী নিয়ে নানা মুনির নানা মত শুনে ঘাবড়ে যাচ্ছেন আবেদনকারীরাও। ঠিক সেই আবহে যুবসাথী নিয়ে মিলল বড় আপডেট।

    15 মার্চ শেষ হবে ডেটা এন্ট্রির কাজ

    গত 26 ফেব্রুয়ারি ছিল যুবসাথী প্রকল্পে আবেদনের শেষ তারিখ। সর্বশেষ রিপোর্ট অনুযায়ী, শেষ দিন পর্যন্ত রাজ্য সরকারের এই বিশেষ প্রকল্পে জমা পড়েছিল প্রায় 85 লাখ আবেদন। বেকার ভাতা প্রকল্পে আবেদনের নিরিখে প্রথম সারিতে নাম রয়েছে দক্ষিণ 24 পরগনা, মুর্শিদাবাদ, উত্তর 24 পরগনা, বাঁকুড়া, পুরুলিয়া সহ একাধিক জেলার।

    তবে আবেদন প্রক্রিয়ার শেষ হতেই আবেদনকারীদের মধ্যে পড়ে গিয়েছে আবেদনের স্ট্যাটাস চেক করার হিড়িক। সেই মর্মেই, যুবসাথী প্রকল্পের অফিসিয়াল পোর্টাল ভিজিট করছেন তারা। তবে বর্তমানে সেখান থেকে স্ট্যাটাস চেক করা যাচ্ছে না। এমতাবস্থায় যথেষ্ট চিন্তায় আবেদনকারীরা। তবে সরকারি সূত্র দাবি করছে, এই মুহূর্তে যুবসাথী পোর্টালে আবেদনকারীদের আবেদনপত্র গুলি এন্ট্রি করার কাজ চলছে। একই সাথে যাঁরা অনলাইনে আবেদন করেছিলেন তাঁদেরও ডিজিটাইজেশনের কাজ চলছে ওই পোর্টালেই। কয়েকজন সরকারি আধিকারিকের তরফে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, আগামী 15 মার্চ শেষ হয়ে যাবে ডেটা এন্ট্রির কাজ। তারপরই খুব সম্ভবত চেক করা যাবে স্ট্যাটাস।

    অবশ্যই পড়ুন : T20 বিশ্বকাপে মহিলার শ্লীলতাহানি পাকিস্তানি ক্রিকেটারের! মিলল চরম শাস্তিও

    কবে থেকে মিলবে যুবসাথী প্রকল্পের টাকা?

    সম্প্রতি অন্তর্বর্তী বাজেটে যুবসাথী প্রকল্পের ঘোষনা করেছিলেন রাজ্যের অর্থমন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। এরপরই জনসমক্ষে এসে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছিলেন আগস্ট মাস থেকে মিলবে যুবসাথী প্রকল্পের টাকা। যদিও পরবর্তীতে সেই বক্তব্য সংশোধন করে মুখ্যমন্ত্রী জানান আগস্ট নয় বরং এপ্রিল মাসের প্রথম তারিখ থেকেই দেওয়া হবে যুবসাথীর মাসিক ভাতা। তবে এর মাঝে শোনা গিয়ে, ভোট পর্ব মিটিয়ে সরকার ক্ষমতায় এলে তবেই মিলবে এই প্রকল্পের মাসিক ভাতা। সেক্ষেত্রে এপ্রিল থেকে হিসেব করে আগস্টে একসাথে চার মাসের টাকা দেওয়া হতে পারে। তবে এখন শোনা যাচ্ছে, সব ঠিক থাকলে এপ্রিল থেকেই মিলতে পারে যুবসাথী প্রকল্পের অর্থ।

  • এক্সট্রা বোনাস, এই কর্মীরা পাবে সর্বোচ্চ ২২ হাজার টাকা! বিজ্ঞপ্তি জারি নবান্নর

    এক্সট্রা বোনাস, এই কর্মীরা পাবে সর্বোচ্চ ২২ হাজার টাকা! বিজ্ঞপ্তি জারি নবান্নর

    সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: দুর্গাপুজো ও ঈদের আগে রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের জন্য বিরাট ঘোষণা করল পশ্চিমবঙ্গ সরকার (Government of West Bengal)। উৎসবের কথা মাথায় রেখে অ্যাড-হক বোনাস এবং সুদ মুক্ত ফেস্টিভাল অ্যাডভান্স দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে রাজ্যের তরফ থেকে। জানা যাচ্ছে, এ বিষয়ে ইতিমধ্যেই পশ্চিমবঙ্গ সরকারের প্রশাসনিক সদর দফতর নবান্ন (Nabanna) একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে। আর সেখানে চলতি বছর কর্মীদের আর্থিক স্বস্তি দিতে আগের তুলনায় কিছু কিছু ক্ষেত্রে টাকার পরিমাণও বাড়ানো হয়েছে। তাই উৎসবের মরসুমে সরকারি কর্মচারীদের মুখে যে হাসি ফুটবে তা বলার অপেক্ষা রাখে না।

    এরা পাবে ২২ হাজার টাকা উৎসব অগ্রিম

    নবান্নের তরফ থেকে জারি করা নির্দেশিকা অনুযায়ী, নির্দিষ্ট বেতনসীমার মধ্যে থাকা কর্মচারীরা এবার সুদমুক্ত ফ্যাসিভ্যাল অ্যাডভান্স পাবে। সেক্ষেত্রে যাদের মাসিক বেতন ৪৬ হাজার টাকার বেশি এবং ৫৪ হাজার টাকার মধ্যে, তারাই এই সুবিধার আওতায় আসবে। আর এই সমস্ত কর্মচারীরা সর্বোচ্চ ২২ হাজার টাকা পর্যন্ত সুদমুক্ত উৎসব অগ্রিম নিতে পারবে বলে জানানো হয়েছে। আর সবথেকে উল্লেখ করার বিষয়, গত বছর বেতন সীমা ছিল ৪৪ হাজার টাকা থেকে ৫২ হাজার টাকার মধ্যে। অর্থাৎ, চলতি বছরে সেই সীমা আরও ২ হাজার টাকা বাড়ানো হল। আর একইভাবে গত বছর উৎসবের অগ্রিম পরিমাণ ছিল ২০ হাজার টাকা। এবার তা ২২ হাজার টাকা করা হয়েছে।

    বাড়ানো হয়েছে অ্যাড-হক বোনাস

    এদিকে যে সমস্ত কর্মচারীর মাসিক বেতন ৪৬ হাজার টাকা কিংবা তার কম, তারা এবার অ্যাড হক বোনাস পাবে বলে জানানো হয়েছে। সেক্ষেত্রে বোনাসের পরিমাণ নির্ধারণ করা হয়েছে ৭৪০০ টাকা। গত বছর এই পরিমাণ ছিল মাত্র ৬৮০০ টাকা। অর্থাৎ, এবারও গত বছরের তুলনায় ৬০০ টাকা বাড়ানো হয়েছে অ্যাড-হক বোনাস।

    পেনশনভোগীদের জন্য বড় ঘোষণা

    অন্যদিকে রাজ্য সরকারি পেনশনভোগীদের কথাও মাথায় রেখেছে। যাদের মাসিক পেনশন ৪০ হাজার টাকার মধ্যে, তারা এবার উৎসব উপলক্ষে বিশেষ অনুদান পাবে। হ্যাঁ, এবার ৩৮০০ টাকা করে অনুদান দেওয়া হবে উৎসবের মরসুমে। আর গত বছর এই হার ছিল ৩৫০০ টাকার। ফলে তারাও এবার থেকে ৩০০ টাকা করে বেশি পাবে।

    নবান্ন সূত্রে জানা গিয়েছে, যে মুসলিম কর্মীদের ঈদ-উল-ফিতরের আগেই এই সুবিধা দিয়ে দেওয়া হবে। আর অন্যান্য কর্মচারীরা ২৮ সেপ্টেম্বর থেকে ১ অক্টোবর এর মধ্যেই বোনাস পাবে। অর্থাৎ দুর্গাপুজোর আগে এই বোনাস হাতে আসবে। তবে এই উৎসব অগ্রিম সম্পূর্ণ সুদমুক্ত হলেও পরে দশটি কিস্তিতে বেতন কেটে নেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে। সরকার জানিয়েছে যে, ৩১ আগস্ট ২০২৭ এর মধ্যে এই টাকা পরিশোধ করতে হবে।

    আরও পড়ুন: উদ্বোধন করেছিলেন মন্ত্রী, সেই স্ট্রিট লাইটে নেই বাল্ব! সরকারি প্রকল্পে দুর্নীতির অভিযোগ

    তবে হ্যাঁ, শুধুমাত্র রাজ্যের সরকারি কর্মচারীরা হন, বরং আরও কয়েকটি ক্ষেত্রের কর্মীরা এই সুবিধার আওতায় আসবে। সেক্ষেত্রে তালিকায় পড়ছে সরকারি এবং সরকারপোষিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কর্মচারীরা, রাজ্য সরকারের অধীনস্থ সংস্থার কর্মচারীরা এবং পারিবারিক পেনশনভোগী ও অতিরিক্ত পেনশনভোগীরা। এছাড়াও যে সমস্ত সরকারি সংস্থায় কর্মীদের মাসিক বেতন ১০ হাজার টাকা কিংবা তার কম, সেখানে কর্মীরা ৩৫০০ টাকা বোনাস পাবে বলে জানানো হয়েছে।

  • যুবসাথী নিয়ে হেল্পডেস্ক খুলল নবান্ন

    যুবসাথী নিয়ে হেল্পডেস্ক খুলল নবান্ন

    বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: রাজ্যজুড়ে শেষ হয়েছে যুবসাথী প্রকল্পের (Yuva Sathi Scheme) আবেদন প্রক্রিয়া। কিন্তু তা হলেও পশ্চিমবঙ্গ সরকারের এই বিশেষ প্রকল্প নিয়ে নানান প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে আবেদনকারীদের মনে। আবেদন করার পরও বেশ কিছু সংশয় নিয়েই দিন কাটাতে হচ্ছিল তাঁদের। অবশেষে সেই সবদিক মাথায় রেখেই সমস্যার সমাধানের লক্ষ্যে এবার সরাসরি যুবসাথী প্রকল্পের হেল্পডেস্ক চালু করল নবান্ন। সম্প্রতি পশ্চিমবঙ্গ সরকারের ক্রীড়া ও যুব কল্যাণ দপ্তরের তরফে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে নতুন হেল্পডেস্ক চালু করার খবর জানানো হয়েছে।

    আপনার সব প্রশ্নের উত্তর মিলবে এক নম্বরেই

    নবান্নর তরফে নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, এবার যুবসাথী প্রকল্প নিয়ে যেকোনও ধরনের প্রশ্নের উত্তর অর্থাৎ সমাধান পেতে নির্দিষ্ট মোবাইল নম্বর 6292248888 এ whatsapp করতে পারবেন আবেদনকারীরা। এই এক নম্বর থেকেই আবেদনকারীরা নিজেদের যুবসাথী প্রকল্পের আবেদন সংক্রান্ত সমস্ত রকমের প্রশ্নের উত্তর পেতে পারেন। নবান্ন সূত্রে খবর, শনি এবং রবিবার ও সরকারি ছুটির দিনগুলি বাদ দিয়ে প্রত্যেকদিন সকাল সাড়ে দশটা থেকে বিকেল সাড়ে পাঁচটা পর্যন্ত খোলা থাকবে রাজ্য সরকারের এই বিশেষ হেল্পডেস্ক।

    এই হোয়াটসঅ্যাপ নম্বর ছাড়াও পশ্চিমবঙ্গ সরকারের যুব দপ্তরের তরফে জানানো হয়েছে বাংলার যুবসাথী প্রকল্প সংক্রান্ত বিষয়ে সমস্যার সমাধানের জন্য সরকারের তরফে দেওয়া নির্দিষ্ট ইমেল আইডিতে মেইল করে সমস্যা সমাধান করতে পারেন আবেদনকারীরা। সব মিলিয়ে বলাই যায়, যুবসাথী নিয়ে আবেদনকারীদের সব রকম সমস্যার সমাধান সূত্র খুঁজে দিল পশ্চিমবঙ্গ সরকার।

    অবশ্যই পড়ুন: যুদ্ধের আবহে পাকিস্তানে অভিযান মোসাদের? ইজরায়েলের বিরুদ্ধে ভয়ঙ্কর অভিযোগ

    উল্লেখ্য, গত 26 ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত যুবসাথী প্রকল্পে মোট জমা পড়েছিল 84 লাখ আবেদন। এরমধ্যে অফলাইনে আবেদন জমা পড়েছে 64 লাখ। বাকি আবেদন অনলাইনে পোর্টালের মাধ্যমে জমা করেছিলেন আবেদনকারীরা। মূলত দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা, মুর্শিদাবাদ, উত্তর চব্বিশ পরগনা, বাঁকুড়া, পুরুলিয়ার মতো জেলাগুলি থেকে সবচেয়ে বেশি আবেদন জমা পড়েছে এই প্রকল্পে।

  • মার্চে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের কর্মীদের জন্য একগাদা ছুটি, দেখুন নবান্নের হলিডে লিস্ট

    মার্চে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের কর্মীদের জন্য একগাদা ছুটি, দেখুন নবান্নের হলিডে লিস্ট

    সহেলি মিত্র, কলকাতা: আজ থেকে মার্চ মাস পড়ে গিয়েছে। আর এই মাসেই বাংলার সরকারি কর্মীদের জন্য ছুটির বন্যা বইয়ে দেবে রাজ্য সরকার (Government of West Bengal)। দোল থেকে শুরু করে ঈদ ও অন্যান্য উৎসবের জেরে এক ধাক্কায় অনেক ছুটি পেতে চলেছেন সরকারি কর্মীরা। আর এই ছুটিগুলিকে কাজে লাগিয়ে একা কিংবা পরিবারকে নিয়ে কোথাও ঘুরেও আসতে পারেন। চলুন সরকার কবে কবে ছুটি ঘোষণা করেছে সে বিষয়ে জেনে নেওয়া যাক।

    মার্চ মাসে একগুচ্ছ ছুটির ঘোষণা সরকারের

    দোল ও হোলির ছুটি- মাসের শুরুতেই রয়েছে টানা দুদিনের ছুটি। আগামী ৩রা মার্চ মঙ্গলবার দোলযাত্রা উপলক্ষে এন.আই অ্যাক্ট (N.I. Act) অনুযায়ী ছুটি থাকছে। ঠিক তার পরদিন অর্থাৎ ৪ মার্চ বুধবার রাজ্য সরকারের বিশেষ ছুটি হিসেবে হোলি পালিত হবে।যে কারণে ছুটি থাকবে। এই দু’দিনের ছুটিকে কাজে লাগিয়ে আপনি পুরুলিয়া, ঘাটশিলা, দিঘা অনায়াসেই ঘুরে আসতে পারেন। কিংবা কোথাও দুদিনের জন্য স্টেকেশনও করতে পারেন।

    এরপর আগামী ১৭ই মার্চ (মঙ্গলবার) শ্রী শ্রী হরিচাঁদ ঠাকুরের জন্মতিথি উপলক্ষে সরকারি অফিস বন্ধ থাকবে। এরপর মাসের শেষে ২৬শে মার্চ (বৃহস্পতিবার) রাম নবমী এবং ৩১শে মার্চ (মঙ্গলবার) মহাবীর জয়ন্তী উপলক্ষেও ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। এই ছুটিগুলিকে কাজে লাগিয়ে আপনি একদিনের জন্য কিংবা ডে ট্যুর করে নিতে পারেন।

    আরও পড়ুনঃ গর্ভবতী মহিলাদের ৫০০০, কন্যা সন্তান হলে ৬০০০ দিচ্ছে সরকার, কীভাবে আবেদন?

    ইদ-উল-ফিতর: এই মাসে মুসলিম সম্প্রদায়ের অন্যতম বড় উৎসব ইদও অনুষ্ঠিত হবে। ২০শে মার্চ শুক্রবার ইদের আগের দিন হিসেবে বিশেষ ছুটি এবং ২১শে মার্চ শনিবার ইদ-উল-ফিতর উপলক্ষে এন.আই অ্যাক্ট অনুযায়ী ছুটি থাকবে। এছাড়া আবার ২২ মার্চ রবিবার পাচ্ছেন। সব মিলিয়ে আপনি হাতে এক টানা তিনদিন পাচ্ছেন ছুটি কাটানোর জন্য। একদিনে জন্য হলেও পাহাড়ে ঘুরে আসতে পারেন। সরকারি কর্মীদের ক্যালেন্ডার দেখে নিজেদের ভ্রমণের পরিকল্পনা সাজিয়ে নিতে পারেন।

    মার্চে কতদিন ব্যাংক বন্ধ থাকবে?

    এই মাসে অর্থাৎ মার্চ মাসে, দেশের বিভিন্ন রাজ্যে মোট ১৮ দিন ব্যাংক বন্ধ থাকবে। আরবিআই কর্তৃক প্রকাশিত ক্যালেন্ডার অনুসারে, আগামী মাসে, পাঁচটি রবিবার এবং দ্বিতীয় ও চতুর্থ শনিবার ছাড়াও, বিভিন্ন স্থানে ব্যাংক ১১ দিন বন্ধ থাকবে। এই মাসের ৩রা মার্চ দেশের বেশিরভাগ রাজ্যে ব্যাংক বন্ধ থাকবে। অতএব, যদি আপনার আগামী মাসে কোনও গুরুত্বপূর্ণ ব্যাংকিং কাজ থাকে, তাহলে আপনাকে এই ছুটির দিনগুলি মনে রাখতে হবে।