Tag: Nabanna

  • পেনশন পাওয়া আরও সহজ, GISS সমস্যা মেটাতে নয়া মেমোরেন্ডাম জারি নবান্নর

    পেনশন পাওয়া আরও সহজ, GISS সমস্যা মেটাতে নয়া মেমোরেন্ডাম জারি নবান্নর

    সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: পশ্চিমবঙ্গ সরকারি কর্মচারীদের অবসরকালীন সুবিধা বা পেনশন (Pension) প্রাপ্তি আরও সহজ করার জন্য এবার বিরাট পদক্ষেপ নিয়েছে রাজ্য সরকার (Government of West Bengal)। বিশেষ করে জেনারেল ইন্সুরেন্স কাম সেভিংস স্কিম বা জিআইএসএস সংক্রান্ত তথ্যের অভাবে যাদের পেনশন ফাইল এতদিন ধরে আটকে ছিল, তাদের জন্য এবার বিরাট খুশির খবর শুনিয়েছে নবান্ন। গত ১৯ মার্চ অর্থ দফতর থেকে জারি করা একটি নতুন নির্দেশিকা সেই দীর্ঘদিনের সমস্যার স্থায়ী সমাধানের পথ এবার আরও প্রশস্ত করল।

    কেন জারি করা হল নতুন নির্দেশিকা?

    আসলে দীর্ঘদিন ধরে দেখা যাচ্ছিল যে, বহু সরকারি কর্মচারীর সার্ভিস বুকে জিআইএসএস সাবস্ক্রিপশনের হিসেব সঠিক ভাবে আপডেট করা নেই। বিশেষ করে পুরনো নথি কিংবা তথ্য সময় মতো প্রশাসনিক দফতর থেকে না আসার কারণে পেনশনের কাজ থমকে যাচ্ছিল। আর অবসর গ্রহণের পর দিনের পর দিন প্রাপ্য টাকা পাওয়ার জন্য কর্মচারীদের অপেক্ষা করতে হচ্ছিল। কর্মীদের এই ভোগান্তি দূর করার জন্যই অর্থ দফতরের গ্রুপ-জে শাখা বিশেষ মেমোরেন্ডাম জারি করল।

    মেমোরেন্ডাম নম্বর 061-F(J)/2025 অনুযায়ী, এবার পেনশন প্রক্রিয়ায় বাধা দূর করার জন্য সরকার বিশেষ কিছু সিদ্ধান্ত নিয়েছে। প্রথমত, এখন থেকে সংশ্লিষ্ট ক্যাডার কন্ট্রোলিং অথরিটি নিজেরাই জিআইএসএস সাবস্ক্রিপশনের এন্ট্রি করতে পারবে। দ্বিতীয়ত, তথ্য যাচাই বা তথ্য প্রত্যায়িত করার ক্ষমতা সরাসরি কর্তৃপক্ষের হাতে দেওয়া হয়েছে। তৃতীয়ত, ১৯৮৭ সালের পুরনো একটি আইনের সুত্র ধরে এবার রাজ্যপালের বিশেষ অনুমতিক্রমে নতুন নিয়ম কার্যকর করা হচ্ছে।

    এক্ষেত্রে বলে রাখি, এই নির্দেশিকাটি এইচআরএমএস ব্যবস্থা চালুর আগের সময়ের জন্যই প্রযোজ্য। অর্থাৎ, ২০১৬ সালের এপ্রিল মাসের আগে যদি কোনও কর্মচারী জিআইএসএস সাবস্ক্রিপশনের তথ্য সার্ভিস বুকে নথিভুক্ত না থাকে, সেক্ষেত্রে তা এখন আরও সহজে আপডেট করা যাবে।

    আরও পড়ুন: শিয়ালদা ডিভিশনে একাধিক লোকাল ট্রেনের গন্তব্য বাড়াল রেল

    কীভাবে আপডেট করতে হবে তথ্য?

    সার্ভিস বুকে এই পুরনো তথ্যগুলি নথিভুক্ত করার জন্য এবার নির্দিষ্ট কিছু নিয়মের কথা বলা হয়েছে। প্রথমত, উপযুক্ত প্রমাণের ভিত্তিতেই তথ্য এন্ট্রি করা যাবে। দ্বিতীয়ত, যথাযথভাবে সত্যায়িত সার্ভিস ভেরিফিকেশন সার্টিফিকেট থাকতে হবে এবং তৃতীয়ত, কর্তৃপক্ষের কাছে গ্রহণযোগ্য অন্য যে কোনও বৈধ নথির ভিত্তিতে এই কাজ সম্পন্ন করা যাবে। এমনকি রাজ্যের সমস্ত ট্রেজারি অফিসার, জেলাসচিব, পুলিশ সুপার এবং বিভিন্ন দফতরের সচিবদের কাছে ইতিমধ্যে এ বিষয়ে নির্দেশিকা পাঠানো হয়েছে। যার ফলে হাজার হাজার সরকারি কর্মচারী যারা অবসরের দোরগোড়ায় দাঁড়িয়ে আছেন বা যাদের পেনশনের কাজ আটকে রয়েছে, তারা সরাসরি উপকৃত হবে।

  • DA কাণ্ডে রাজ্যের কাছে গেল কড়া চিঠি, চাপে পড়বে নবান্ন?

    DA কাণ্ডে রাজ্যের কাছে গেল কড়া চিঠি, চাপে পড়বে নবান্ন?

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ বিধানসভা ভোটের মুখে সরকারের গলায় ডিএ বিষয় (Bengal DA Issue) যেন কাঁটার মতো হয়ে আছে। বকেয়া ডিএ মিটিয়ে দেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হলে সরকারের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রশমন হওয়ার নামই নিচ্ছে না সরকারি কর্মীদের। শীঘ্রই যদি বকেয়া টাকা না মেটানো হয় তাহলে ফল ভালো হবে না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন আন্দোলনকারীরা। চলতি মার্চ মাসেই বকেয়া মহার্ঘ্য ভাতার প্রথম কিস্তি দেওয়ার কথা। কিন্তু এখনও অবধি সেই টাকা মেটানোর বিষয়ে কোনও উচ্চবাচ্য করেনি সরকার। যাইহোক, এরই মাঝে অর্থ দফতরের অতিরিক্ত মুখ্যসচিবের কাছে মেল দেওয়া হল সরকারি কর্মীদের পক্ষ থেকে।

    DA নিয়ে সরকারকে চিঠি

    কনফেডারেশন অফ স্টেট গভর্নমেন্ট এমপ্লয়িজের সাধারণ সম্পাদক মলয় মুখোপাধ্যায় মেলের একটা ছবি ফেসবুকে তুলে ধরেন। সেইসঙ্গে লেখেন, ‘সকলের জন্য ডিএ চাই। অর্থ দফতরের অতিরিক্ত মুখ্যসচিবের কাছে মেল মারফত পত্র।’ মেল অনুযায়ী,

    (১) আপনার স্মারক নং ৩৯৬-এফ(পি), ১৯৯-এফ(পি) এবং ১৯৮-এফ(পি) আদেশনামা গত ৩০.০১.২০২৬ তারিখে জারি হয়েছে এবং ০৬.০২.২০২৬ তারিখের মধ্যে কার্যকর করার কথা বলা হয়েছে। এটি একটি দীর্ঘদিনের বিষয়। ঘটনাক্রমে আদেশনামাটি ০১.০২.২০২৬ থেকে ০৬.০২.২০২৬ রাত ৮টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত গোপন রাখা হয়েছিল, যা বিধানসভা নির্বাচনের কোড অব কন্ডাক্ট জারির ৪০ মিনিট আগে (০৬.০২.২০২৬) মুখ্যমন্ত্রীকে নাটকীয়ভাবে ঘোষণা করার সুযোগ করে দিতে পরিকল্পিতভাবে করা হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে এবং এর কোনও সদুত্তর এখনও পাওয়া যায়নি।

    (২) আদেশনামা নং ৩৯৮-এফ(পি), ৩০.০১.২০২৬-এর ৮ নম্বর অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে—
    “The modalities for release of arrears of Dearness Allowance/Dearness Relief, as applicable, may be notified by the respective Administrative Departments thereafter with the concurrence of Finance Department.”

    অর্থাৎ সংশ্লিষ্ট প্রশাসনিক দপ্তরগুলিকে এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলা হলেও এখনও পর্যন্ত কোনও দৃশ্যমান অগ্রগতি নেই। এর ফলে কর্মরত ও অবসরপ্রাপ্ত রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের মধ্যে চরম অসন্তোষ বিরাজ করছে।

    (৩) উপরন্তু, আদালতের নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও রাজ্য কোষাগার থেকে বেতন/পেনশন প্রাপ্য সকল কর্মচারী একসঙ্গে সুপ্রিম কোর্টের রায়ের সুফল থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন—যা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক।

    (৪) আদেশনামা নং ৩৯৮-এফ(পি), ৩০.০১.২০২৬ অনুযায়ী ‘Rule making authority’ সংক্রান্ত প্রক্রিয়া নির্ধারণ করা হলেও তা এখনও বাস্তবায়িত হয়নি।

    (৫) এপ্রিল ২০০৮ থেকে ডিসেম্বর ২০১৯ পর্যন্ত বেতন/পেনশনের তথ্য এইচ.আর.এম.এস পোর্টালে আপলোডের বিষয়ে দপ্তরের নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও সেই কাজ সম্পূর্ণ হয়নি। ফলে কর্মচারীদের প্রাপ্য বকেয়া নির্ধারণে সমস্যা সৃষ্টি হচ্ছে।

    আরও পড়ুনঃ পার্ক সার্কাস নয়, শিয়ালদা ডিভিশনের সবথেকে নোংরা স্টেশন কোনটি জানলে অবাক হবেন

    (৬) আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী এপ্রিল ২০০৮ থেকে ডিসেম্বর ২০১৯ পর্যন্ত বেতন/পেনশনের তথ্যভান্ডার প্রস্তুত করা জরুরি হলেও, বাস্তবে তা কার্যকর হয়নি—এটি অত্যন্ত দুঃখজনক। অতএব, উপরোক্ত বিষয়গুলি বিবেচনা করে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আপনার নিকট বিশেষভাবে আবেদন জানাচ্ছি।

  • সিভিকরা পাবেনা ৬০০ টাকা বোনাস? নবান্নর সিদ্ধান্তের পরই রিপোর্ট চাইল কমিশন

    সিভিকরা পাবেনা ৬০০ টাকা বোনাস? নবান্নর সিদ্ধান্তের পরই রিপোর্ট চাইল কমিশন

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: বিধানসভা নির্বাচন (West Bengal Election 2026) যত এগিয়ে আসছে ততই রাজ্য জুড়ে এক চাপা উত্তেজনা ক্রমেই প্রকাশ পাচ্ছে। প্রার্থী তালিকা ঘোষণা থেকে শুরু করে ভোটপ্রচার সব মিলিয়ে যেন উৎসব লেগেছে রাজ্যে। আর এদিকে ভোটের আগে সিভিক ভলান্টিয়ারদের জন্য বড় ঘোষণা করল নবান্ন (Nabanna)। চলতি অর্থবর্ষ থেকেই কার্যকরী হয়ে চলেছে তাঁদের অ্যাড-হক বোনাস। এদিকে রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনের আগে সিভিক ভলান্টিয়ারদের বোনাস বৃদ্ধি নিয়ে বিতর্ক দেখা দিয়েছে। রিপোর্ট তলব করল নির্বাচন কমিশন (Election Commission Of India)।

    ৬০০ টাকা বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে বোনাস!

    গত ২৭ ফেব্রুয়ারি অর্থ দফতরের নির্দেশিকার ভিত্তিতে একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছিল। সেই বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছিল যে, পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ ও কলকাতা পুলিশের অধীনস্থ সিভিক ভলান্টিয়ার এবং ভিলেজ পুলিশ ভলান্টিয়াররা এবার থেকে বছরে ৭ হাজার ৪০০ টাকা করে বোনাস পাবেন। গত অর্থবর্ষে এই বোনাসের পরিমাণ ছিল ৬ হাজার ৮০০ টাকা। অর্থাৎ ৬০০ টাকা বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। সরকারি নির্দেশে জানানো হয়েছে, রাজ্যপাল এই বোনাস প্রদানের অনুমোদন দিয়েছেন। নির্দিষ্ট খাতে এর ব্যয় বহন করা হবে। এমতাবস্থায় গতকাল নবান্ন জানিয়েছে, রাজ্য পুলিশ ও কলকাতা পুলিশের অধীনে থাকা সিভিক ভলান্টিয়ার ও ওয়েস্ট বেঙ্গল পুলিশের অধীনে থাকা ভিলেজ পুলিশ ভলান্টিয়াররা চলতি অর্থবর্ষে এই বোনাস পাবেন। এবার এই নিয়ে রিপোর্ট তলব করল নির্বাচন কমিশন।

    পুরোহিত ভাতা বৃদ্ধি মমতা সরকারের

    গত রবিবার, নির্বাচনের দিন ঘোষণার কিছু আগেই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পুরোহিত এবং মোয়াজ্জিনদের ভাতা বাড়ানোর ঘোষণা করেছিলেন। ১৫০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২০০০ টাকা করা হয় পুরোহিত ও মোয়াজ্জিনদের ভাতা। শুধু তাই নয়, ওই ঘোষণার আধ ঘণ্টার মধ্যে বকেয়া ডিএ মিটিয়ে দেওয়ার কথা সোশ্যাল মিডিয়ায় জানিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। প্রশাসনিক মহলের মতে, নির্বাচনের ঠিক আগে এই ঘোষণা তাৎপর্যপূর্ণ মনে হলেও রাজনৈতিক মহলে এই ঘোষণা নিয়ে জল্পনা শুরু হয়েছে। বিরোধীদের দাবি, নির্বাচনের আগে সিভিক ভলান্টিয়ারদের খুশি করতেই শাসকদলের এই ধরনের পদক্ষেপ।

    আরও পড়ুন: এই কারণেই পানিহাটিতে অভয়ার মায়ের নাম ঘোষণা করতে পারল না বিজেপি?

    অন্যদিকে ভোটের আগেই যাতে বেকার যুবকদের হাতে ‘বাংলার যুব সাথী’ প্রকল্পে দেড় হাজার টাকা পৌঁছে দেওয়া যায়, তার জন্য সময় এগিয়ে আনেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। অনেকেরই দাবি, সামনে যেহেতু বিধানসভা ভোট তাই ‘বেকার ভাতা’ এগিয়ে আনা হল। সেক্ষেত্রে শাসকদলের প্রতি ‘ইতিবাচক মনোভাব’ তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। এমতাবস্থায় ভোটের মুখে সিভিক ভলান্টিয়ারদের অ্যাড-হক বোনাস নিয়ে এবার নির্বাচন কমিশন রিপোর্ট চাইল রাজ্য সরকারের কাছে। সব মিলিয়ে, নির্বাচন ঘোষণার আবহে এই বোনাস ঘোষণাকে ঘিরে প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক দুই ক্ষেত্রেই চর্চা তুঙ্গে।

  • সিভিক ভলান্টিয়ারদের বোনাস বাড়াল নবান্ন! এক ধাক্কায় বাড়ল এত টাকা

    সিভিক ভলান্টিয়ারদের বোনাস বাড়াল নবান্ন! এক ধাক্কায় বাড়ল এত টাকা

    বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: বিধানসভা নির্বাচনের আগে রাজ্যবাসীকে একের পর এক সুখবর দিচ্ছে বাংলার সরকার (Government Of West Bengal)। সম্প্রতি অন্তর্বর্তী বাজেট পেশ করে একের পর এক নতুন সব প্রকল্প চালু করেছে রাজ্য সরকার। নতুন নতুন প্রকল্প চালু করার পাশাপাশি সেইসব প্রকল্পের আর্থিক অনুদানও পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে আবেদনকারীদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে। এছাড়াও অন্তর্বর্তী বাজেটে বাড়ানো হয়েছে আশা কর্মী থেকে শুরু করে ICDS এমনকি সিভিক ভলান্টিয়ারদের (Civic Volunteers) বেতনও। এবার রাজ্যে ভোট ঘোষণা হওয়ার পরেও সিভিকদের অ্যাড হক বোনাস বাড়িয়ে দিল নবান্ন। নিউজ 18 এর রিপোর্ট অনুযায়ী, এক ধাক্কায় 600 টাকা বাড়ান হল বোনাস।

    600 টাকা বেড়ে কত হল সিভিকদের বোনাস?

    নিউজ 18 এর প্রতিবেদন বলছে, নবান্নের তরফে বিজ্ঞপ্তি জারি করে রাজ্য পুলিশ ও কলকাতা পুলিশের সিভিক ভলান্টিয়ারদের অ্যাড হক বোনাস 600 টাকা বাড়িয়ে 7400 টাকা করা হয়েছে। আগে এই বোনাস ছিল 6,800 টাকা। এক কথায় প্রায় সাড়ে 7 হাজার টাকার কাছাকাছি বোনাস পেতে চলেছেন রাজ্যের সিভিকরা।

    সূত্রের খবর, শহর কলকাতা সহ রাজ্যের অন্যান্য অঞ্চল এমনকি প্রত্যন্ত গ্রাম গঞ্জের সিভিকরাও এবার থেকে 7400 টাকা বোনাস পাবেন। নতুন বোনাস কাঠামোর নির্দেশিকা জারি করার সাথে সাথে রাজ্য পুলিশের ডিজি ও কলকাতা পুলিশের সিপিকে এই তথ্য দিয়েছে নবান্ন।

    অবশ্যই পড়ুন: লটারি লাগল রেল কর্মীদের! ৫০% DA বৃদ্ধির পর এবার ২৫ শতাংশ বাড়ছে KMA

    উল্লেখ্য, 2011 তে ক্ষমতায় আসে তৃণমূল সরকার। আর তার দু বছরের মধ্যেই অর্থাৎ 2013 সালে গিয়ে রাজ্য এবং কলকাতা পুলিশকে সাহায্য করার জন্য স্বেচ্ছাসেবক বাহিনী অর্থাৎ সিভিক ভলান্টিয়ার নিয়োগ করে রাজ্য। এঁদের কাজ মূলত ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে পুলিশকে সাহায্য করা এবং যানজট দেখা দিলে জনশৃঙ্খলা বজায় রেখে তা ঠিক করা। যদিও এর আগে বহুবার রাজ্যের সিভিকদের বিরুদ্ধে পথচলতি মানুষের সাথে দুর্ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে।

  • DA-র প্রথম কিস্তির টাকা নিয়ে কী বলছে রাজ্যের নয়া বিজ্ঞপ্তি?

    DA-র প্রথম কিস্তির টাকা নিয়ে কী বলছে রাজ্যের নয়া বিজ্ঞপ্তি?

    সহেলি মিত্র, কলকাতা: যত সময় এগোচ্ছে বকেয়া ডিএ (Dearness allowance) নিয়ে উত্তেজনার পারদ ততটাই বাড়ছে। বাংলার রাজ্য সরকারি কর্মীদের মুখে বর্তমানে একটাই প্রশ্ন, কবে মিলবে প্রথম কিস্তির টাকা। এদিকে বাংলায় বিধানসভা ভোটের নির্ঘন্ট ঘোষণা হয়েছে। এহেন পরিস্থিতিতে অনেকের আশঙ্কা যে সরকার টাকা রিলিজ করবে কিনা। এসবের মাঝেই মহার্ঘ্য ভাতা বা DA নিয়ে সামনে এল বড় আপডেট যা সকলের জানা উচিৎ।

    বকেয়া DA নিয়ে প্রকাশ্যে বড় আপডেট

    সম্প্রতি পশ্চিমবঙ্গ সরকার ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের চলতি মার্চ মাস থেকে কর্মচারী ও পেনশনভোগীদের দীর্ঘদিনের বকেয়া মহার্ঘ ভাতা (ডিএ) প্রদান শুরু হবে। আশা করা হচ্ছে, এই পদক্ষেপে রাজ্য জুড়ে সরকারি কর্মচারী, অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারী, শিক্ষক এবং অনুদানপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানের কর্মীরা উপকৃত হবেন। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন, রাজ্য অর্থ দফতরের জারি করা বিজ্ঞপ্তি অনুসারেই এই অর্থ প্রদান করা হবে।

    কারা ডিএ পাবেন?

    • রাজ্য সরকারি কর্মচারী
    • পেনশনভোগীরা
    • শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও অশিক্ষক কর্মচারী
    • অনুদানপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানের কর্মচারী ও পেনশনভোগীরা
    • পঞ্চায়েত ও পৌরসভার মতো স্থানীয় সংস্থাগুলির কর্মচারীরা

    কবে টাকা দেওয়া হবে?

    রাজ্য সরকারের মতে, যোগ্য সুবিধাভোগীরা ২০২৬ সালের মার্চ মাস থেকে বকেয়া অর্থ পেতে শুরু করবেন। অর্থ বিভাগের সরকারি বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখিত পদ্ধতি অনুসরণ করেই এই অর্থ প্রদান করা হবে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায় জানিয়েছেন যে, ‘সরকার কর্মচারী এবং পেনশনভোগীদের প্রতি তার প্রতিশ্রুতি পূরণ করেছে এবং অনুমোদিত কাঠামো অনুযায়ী অর্থ প্রদান শুরু হবে।’ ডিএ বকেয়ার বিষয়ে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ বকেয়া ডিএ প্রদানের বিষয়টি বিচার বিভাগ পর্যন্তও পৌঁছেছিল। রাজ্য সরকারের কর্মচারীদের একটি দল বকেয়া অর্থ পরিশোধের দাবিতে ভারতের সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিল। আদালত রাজ্য সরকারকে ২০২৬ সালের ৩১শে মার্চের মধ্যে বকেয়া ডিএ-র ২৫% প্রদান করার নির্দেশ দিয়েছে। এদিকে সরকার এক বিজ্ঞপ্তি জারি করে জানিয়েছে যে মার্চ এবং সেপ্টেম্বর মাসে দুই দফায় প্রাথমিকভাবে ২০১৬ থেকে ২০১৯ সালের বকেয়া টাকা মেটানো হবে। বাকি ২০০৮ থেকে ২০১৫ সালের বকেয়া টাকা কীভাবে এবং কবে দেওয়া হবে, তা নির্ধারণ করতে সরকার পরে একটি পৃথক নির্দেশিকা জারি করবে। অর্থাৎ এর জন্য আরও অপেক্ষা করতে হবে সাধারণ কর্মীদের।

    আরও পড়ুন: কালবৈশাখী থেকে শিলাবৃষ্টিতে তোলপাড় হবে দক্ষিণবঙ্গের ৭ জেলা, আজকের আবহাওয়া

    সরকার জানিয়েছে, গ্রুপ ‘এ’, ‘বি’ এবং ‘সি’-এর বকেয়া তাদের জিপিএফ অ্যাকাউন্টে জমা করা হবে, আর গ্রুপ ‘ডি’-এর কর্মচারীদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে টাকা সরাসরি ট্রান্সফার করা হবে। হ্যাঁ একদম ঠিক শুনেছেন। যদিও এই টাকা নিয়ে অনেকেই নানা কথা বলছেন। কেউ বলছেন ডিএ-র টাকা যদি জিপিএফ অ্যাকাউন্টেই জমা হবে, তাহলে সেই তো একই বিষয় দাঁড়াল। এই টাকা আবার ২ বছরের আগে তোলা যাবে না।

  • নবান্নর DA বিজ্ঞপ্তি নিয়ে ক্ষোভ, এরা আদৌ পাবেন মহার্ঘ ভাতা? ফের আন্দোলনের হুঁশিয়ারি

    নবান্নর DA বিজ্ঞপ্তি নিয়ে ক্ষোভ, এরা আদৌ পাবেন মহার্ঘ ভাতা? ফের আন্দোলনের হুঁশিয়ারি

    সহেলি মিত্র, কলকাতা: সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মেনে বকেয়া ডিএ (Dearness allowance) দেওয়ার ঘোষণা করেছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার। চলতি মার্চ মাসেই প্রথম কিস্তির টাকা দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়। যদিও এসবের  মাঝেই এক নয়া আশঙ্কায় ভুগতে শুরু করেছেন সরকারি কর্মীরা। বিশেষ করে শিক্ষক, শিক্ষাকর্মীরা টাকাটা আদৌ পাবেন কিনা তা নিয়ে ধন্ধে রয়েছেন সকলে। এই সংশয় নিয়েই এবার সকলে নতুন করে আন্দোলনে সামিল হতে চলেছেন। শুনে চমকে গেলে তো? কিন্তু এটাই সত্যি।

    ডিএ নিয়ে ফের পথে নামছে শিক্ষক সমাজ

    শিক্ষক সমাজের দাবি, রাজ্য সরকারের অর্থ দফতরের তরফে DA সংক্রান্ত যে বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে সেখানে আগামী ৩১ মার্চের মধ্যে প্রথম কিস্তির টাকা দেওয়ার বিষয়ে খোলসা করে কিছু বলা নেই। যে কারণে তারা টাকা পাবেন কিনা সেই নিয়ে ধোঁয়াশার মধ্যে রয়েছেন সকলে। তাঁরা টাকা নাও পেতে পারেন, এই আশঙ্কা তাঁদের তাড়া করে বেরাচ্ছে। ফলে নতুন করে আন্দোলনে সামিল হতে চলেছেন তাঁরা বলে খবর।

    এক শিক্ষক দাবি করেছেন, অর্থ দফতরের তরফে বকেয়া মহার্ঘ ভাতা নিয়ে যে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে, সেখানে সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মী, পঞ্চায়েত এবং পৌরসভার মতো স্থানীয় স্বশাসিত সংস্থার অনুদানপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানের কর্মচারী এবং পেনশনভোগীদের ২০১৮-এর এপ্রিল থেকে ২০১৯-এর ডিসেম্বর পর্যন্ত মহার্ঘ ভাতার পরিমাণ কত, তা উল্লেখ করা হয়নি। সংশ্লিষ্ট বিভাগ এই হিসাব জানাবে বলে উল্লেখ করা হয়েছে। এখানেই যত সংশয় তৈরি হয়েছে সংশয়। তা হলে বকেয়া মহার্ঘ ভাতা পাবেন না তাঁরা? স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠছে।

    বিজ্ঞপ্তি জারি সরকারের

    সোমবার পশ্চিমবঙ্গ সরকারের অর্থ দফতরের এক বিজ্ঞপ্তি অনুসারে, নবান্ন রাজ্য কর্মচারীদের মহার্ঘ ভাতার  বকেয়া একাধিক ধাপে পরিশোধ করবে। ২০০৮ সালের এপ্রিল থেকে ২০১৯ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত সময়ের এই বকেয়ার কথা রবিবার ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। যদিও সরকার জানিয়েছে মার ৪৮ মাসের বকেয়া আগে শোধ করা হবে। তারপরে বাকিটা কবে কী শোধ করা হবে তা পরে জানাবে সরকার।

    আরও পড়ুনঃ আকাশ কালো করে ধেয়ে আসছে কালবৈশাখী, ৫ জেলায় প্রবল বৃষ্টি! আজকের আবহাওয়া

    সরকারের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, প্রথম পর্যায়ে, সর্বভারতীয় ভোক্তা মূল্য সূচকের ভিত্তিতে ২০১৬ সালের জানুয়ারি থেকে ২০১৯ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত বকেয়া গণনা করা হবে। এই অর্থ দুটি কিস্তিতে প্রদান করা হবে প্রথমটি ২০২৬ সালের মার্চ মাসে এবং দ্বিতীয়টি ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বর মাসে। বিচারপতি ইন্দু মালহোত্রার নেতৃত্বাধীন মনিটরিং কমিটি কর্তৃক মোট বকেয়ার চূড়ান্ত নির্ধারণের ওপর এই অর্থপ্রদান নির্ভরশীল থাকবে। এই বিষয়ে বড় মন্তব্য করেছেন শিক্ষানুরাগী ঐক্য মঞ্চের সাধারণ সম্পাদক কিঙ্কর অধিকারী। তিনি বলেন, “সুপ্রিম কোর্টের রায় অনুযায়ী শিক্ষক-শিক্ষাকর্মীদের ক্ষেত্রেও মার্চের মধ্যে নির্ধারিত বকেয়া মিটিয়ে দিতেই হবে। সরকারি কর্মচারীদের সঙ্গে কোন‌ও ভাবেই বিভাজন চলবে না। শিক্ষক-শিক্ষাকর্মীদের ক্ষেত্রে ধোঁয়াশা রেখে শাসকদলের ভোট বৈতরণী পেরোনোর কৌশল কোন‌ওমতেই মেনে নেব না আমরা।”

  • দায়িত্ব নিয়েই অ্যাকশনে রাজ্যপাল, নিয়োগ নিয়ে চিঠি নবান্নে

    দায়িত্ব নিয়েই অ্যাকশনে রাজ্যপাল, নিয়োগ নিয়ে চিঠি নবান্নে

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: রাজ্যে ভোটের (West Bengal Election 2026) নির্ঘণ্ট বেজে গিয়েছে। আগামী ২৩ এবং ২৯ এপ্রিল রাজ্যে দুই দফায় হতে চলেছে ভোট। গণনা হবে ৪ মে। আর এই অবস্থায় বৃহস্পতিবার রাজ্যপাল হিসেবে শপথ নিলেন আর এন রবি (Governor RN Ravi)। জাঁকজমকপূর্ণ ভাবে বিভিন্ন রীতি মেনে ঘোষণা করা হয় তাঁর নাম। এদিকে রাজ্যপালের দায়িত্ব গ্রহণ করার পরই প্রশাসনিক কাজে গতি আনতে উদ্যোগী হলেন তিনি। নবান্নকে রাজভবনের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ শূন্যপদ পূরণের লক্ষ্যে পাঠালেন চিঠি।

    নবান্নকে চিঠি রাজ্যপালের

    শুক্রবার, লোকভবন থেকে ইমেলের মাধ্যমে বার্তা পাঠানো হয়েছিল। সেখানে রাজ্যপালের সচিব পদে এক জন আইএএস আধিকারিক, বিশেষ সচিব পদে এক জন প্রোমোটি IAS, দু’জন যুগ্মসচিব এবং একটি ডেপুটি সচিব পদের জন্য তিন জন WBCS অফিসারের নাম চাওয়া হয়েছে, তাঁদের মধ্যে থেকে এক জনকে বেছে নেওয়া হবে। সব মিলিয়ে মোট পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ পদে নিয়োগের জন্য নবান্নকে চিঠি পাঠানো হয়েছে। ইতিমধ্যেই রাজ্যপালের চিঠি পাওয়ার পরেই নবান্নের তরফে বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দেখা হচ্ছে। সূত্রের খবর, চলতি সপ্তাহেই নবান্নের তরফে আধিকারিকদের নাম জানিয়ে দেওয়া হবে।

    সচিব পদ নিয়োগের জন্য বার্তা

    উল্লেখ্য, গত কয়েক বছর ধরে রাজভবনের প্রশাসনিক কাঠামোয় কয়েকটি শূন্যপদ ছিল। যার মধ্যে অন্যতম হল রাজ্যপালের সচিব পদটি। যদিও প্রাক্তন রাজ্যপাল বোস এই পদে নতুন কাউকে নিয়োগে আগ্রহী ছিলেন না তাই প্রায় তিন বছর ধরে সচিববিহীন অবস্থাতেই লোকভবনের কাজকর্ম চলেছিল, তবে বর্তমান রাজ্যপাল এবার সকল শূন্যপদ পূরণ করতে চাইছে। প্রশাসনের একাংশের মতে, এই উদ্যোগে একদিকে যেমন রাজভবনের কাজের গতি বাড়বে ঠিক তেমনই নবান্নের সঙ্গে রাজভবনের সমন্বয়ও আরও মজবুত হবে।

    আরও পড়ুন: প্রতি দফায় ২ লাখ ৫০ হাজার কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ান, অশান্তি হলে … কড়া বার্তা কমিশনের

    প্রসঙ্গত, কয়েকদিন আগেই বাংলার রাজ্যপাল পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন সিভি আনন্দ বোস। এরপরেই স্থায়ী রাজ্যপাল হিসাবে নিয়োগ করা হয় রবীন্দ্র নারায়ণ রবিকে। তিনি এতদিন তামিলনাড়ুর রাজ্যপাল হিসাবে কাজ করেছিলেন। সে রাজ্যে থাকাকালীন একাধিক ইস্যুতে ডিএমকে সরকারের সঙ্গে সংঘাতে জড়িয়েছেন আরএন রবি। বিশেষ করে একাধিক বিল নিয়ে সংঘাত চরমে ওঠে। এমনকি রাজ্যপালকে সরানোর জন্য একাধিকবার রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর কাছে আবেদন জানানো হয়েছিল। তাই এবার বাংলার রাজ্যপাল হিসাবে পদ সামলাচ্ছেন আর এন রবি।

  • কবে, কত দফায় মিলবে বকেয়া DA? বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ পশ্চিমবঙ্গ সরকারের

    কবে, কত দফায় মিলবে বকেয়া DA? বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ পশ্চিমবঙ্গ সরকারের

    সহেলি মিত্র, কলকাতা: বকেয়া ডিএ (DA) নিয়ে আরও এক ধাপ এগোলো পশ্চিমবঙ্গ সরকার। ভোটের মুখে সরকার আদৌ টাকা রিলিজ করবে কিনা, তা নিয়ে এখন সরকারি কর্মীদের মধ্যে নতুন আশঙ্কা তৈরী হয়েছিল। এদিকে এই আশঙ্কার মাঝেই সরকার বকেয়া DA ইস্যুতে বিজ্ঞপ্তি জারি করে জানাল কবে থেকে এবং কত দফায় সরকারি কর্মীদের বকেয়া মেটানো হবে। চলুন বিশদে জেনে নেওয়া যাক।

    বকেয়া DA নিয়ে বিজ্ঞপ্তি জারি রাজ্যের

    সোমবার রাজ্য অর্থ বিভাগের তরফে জারি করা বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, প্রথম পর্যায়ে, সরকার জানুয়ারি ২০১৬ থেকে ডিসেম্বর ২০১৯ পর্যন্ত চার বছরের জন্য বকেয়া ডিএ পরিশোধ করবে। সর্বভারতীয় ভোক্তা মূল্য সূচক (এআইসিপিআই)-এর ভিত্তিতে বকেয়ার পরিমাণ নির্ভুলভাবে গণনা করা হবে। রাজ্য সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে এই পর্বের বকেয়া দুটি সমান কিস্তিতে পরিশোধ করা হবে। প্রথম কিস্তি ২০২৬ সালের মার্চ মাসে এবং দ্বিতীয় কিস্তি ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বর মাসে প্রদান করা হবে।

    বড় ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

    গত রবিবার, পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের ঘোষণার ঠিক কয়েক ঘন্টা আগে, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর এক্স হ্যান্ডেলে সরকারি কর্মচারীদের দীর্ঘদিনের বকেয়া ডিএ পরিশোধের ঘোষণা করেন। তিনটি পৃথক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে অর্থ বিভাগ এপ্রিল ২০০৮ থেকে ডিসেম্বর ২০১৯ পর্যন্ত সময়ের বকেয়া ডিএ পরিশোধের সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেছে।

    রাজ্য সরকার মূলত ২০২৬ সালের ৫ই ফেব্রুয়ারি সুপ্রিম কোর্টের দেওয়া একটি যুগান্তকারী রায় এবং শীর্ষ আদালত কর্তৃক গঠিত একটি পর্যবেক্ষণ কমিটির জারি করা নির্দেশাবলী মেনেই এই পদক্ষেপ নিয়েছে বলে খবর। বিজ্ঞপ্তিগুলিতে রাজ্য সরকার স্পষ্টভাবে জানিয়েছে যে, বিভিন্ন কেন্দ্র-প্রযোজিত প্রকল্পের বিপুল পরিমাণ বকেয়া পাওনা এবং রাজ্যের অভ্যন্তরে বিভিন্ন সমাজকল্যাণমূলক কর্মসূচি ও উন্নয়নমূলক প্রকল্পে চলমান দায়বদ্ধতার কারণে বর্তমানে এর আর্থিক সক্ষমতা উল্লেখযোগ্য চাপের মধ্যে রয়েছে। এই আর্থিক সীমাবদ্ধতা সত্ত্বেও, সরকার জোর দিয়ে বলেছে যে তার কর্মচারীদের কল্যাণ ও স্বার্থই অগ্রাধিকার পায়। তাই, বকেয়া মহার্ঘ ভাতা একাধিক পর্যায়ে পরিশোধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

    আরও পড়ুনঃ বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম মেট্রো নেটওয়ার্ক ভারতে! পরিসংখ্যান দেখলে শিউরে উঠবেন

    সরকারি কর্মচারীদের জন্য, কর্মচারী শ্রেণীর উপর ভিত্তি করে অর্থ প্রদানের পদ্ধতি ভিন্ন হবে। নির্দেশিকা অনুসারে, গ্রুপ A, গ্রুপ B এবং গ্রুপ C শ্রেণীর কর্মচারীদের ডিএ এরিয়ার সরাসরি তাদের জেনারেল প্রভিডেন্ট ফান্ড (GPF) অ্যাকাউন্টে জমা করা হবে। তবে, জিপিএফ অ্যাকাউন্টে জমা করা অর্থ জমা দেওয়ার তারিখ থেকে ২৪ মাসের জন্য অগ্রিম বা চূড়ান্ত অর্থ হিসাবে তোলা যাবে না।

  • নতুন করে আবেদন করা যাবে যুবসাথীতে? এপ্রিলে কবে ঢুকবে টাকা! জানুন এখানে

    নতুন করে আবেদন করা যাবে যুবসাথীতে? এপ্রিলে কবে ঢুকবে টাকা! জানুন এখানে

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ কেন্দ্রীয় ও রাজ্য সরকার যুব সমাজকে সাহায্য করার জন্য বেশ কয়েকটি প্রকল্প পরিচালনা করে। এর মধ্যে একটি হল পশ্চিমবঙ্গ সরকারের বাংলার ‘যুবসাথী’ প্রকল্প (Banglar Yuva Sathi)। রাজ্য বাজেট পেশ করার সময়ে এই স্কিমের ঘোষণা করে সকলকে চমকে দেয় সরকার। এই প্রকল্পটি বিশেষভাবে বেকার যুবকদের জন্য চালু করা হয়েছে। এই প্রকল্পের আওতায়, রাজ্যের যোগ্য যুবক যুবতীরা ১৫০০ টাকা করে পাবেন। কেউ কেউ ইতিমধ্যে এই টাকা পেয়েছেন তো কেউ পাননি। এদিকে স্কিম ঘোষণা হওয়ার পর থেকে কয়েক লক্ষ আবেদনও জমা পড়েছে। তবে সেইসঙ্গে অনেকের প্রশ্ন, সমস্যা এবং অভিযোগ শোনা ও সমাধানের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়েছে নবান্ন।

    যুবসাথী নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নবান্নের

    জানা গিয়েছে, এখন সরকারের তরফে যুবসাথী সংক্রান্ত সকল সমস্যা সমাধানের লক্ষ্যে বিশেষ হেল্পডেস্ক চালু করা হয়েছে। নবান্ন জানিয়েছে এই হেল্পডেস্কটি এখন থেকে সরাসরি Department of Youth Services and Sports–এর অধীনে কাজ করবে। এমনকি বিপুল চাপ সামাল দিতে এক মোবাইল নম্বরও ইস্যু করা হয়েছে। আবেদনকারী থেকে শুরু করে স্কিম সম্পর্কে বিশদে জানতে যে কেউ ৬২৯২২৪৮৮৮- নম্বরে ফোন করে হেল্পডেস্কের সাহায্য নিতে পারবেন।

    আরও পড়ুনঃ LPG সঙ্কটের মাঝে PNG কানেকশনে ৫০০ টাকা ছাড়ের ঘোষণা, কারা পাবেন জানুন

    সরকারি নির্দেশিকা অনুযায়ী, হেল্পডেস্ক খোলা থাকবে- সকাল ১০টা ৩০ মিনিট থেকে বিকেল ৫টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত। তবে শনিবার, রবিবার এবং সরকারি ছুটির দিনে এই পরিষেবা বন্ধ থাকবে। এমনকি ইমেইল মারফতও আপনি আপনার সমস্যার কথা, প্রশ্ন জানাতে পারবেন সরকারের ঘরে। এর ফলে-লিখিত অভিযোগ জমা রাখা সহজ হবে। নথিভিত্তিক যাচাই প্রক্রিয়া দ্রুত হবে। যোগাযোগে স্বচ্ছতা বজায় থাকবে।

    প্রতি মাসে মিলবে ১৫০০ টাকা

    সরকারের এই স্কিমের আওতায় যোগ্যরা প্রতি মাসে ১৫০০ টাকা করে পাবেন। যদিও এই টাকার পরিমাণ আগামী দিনে বাড়বে কিনা, পুনরায় আবেদন করা যাবে কিনা সেই নিয়েও এখন প্রশ্ন উঠছে। আবেদনকারীকে অবশ্যই পশ্চিমবঙ্গের স্থায়ী বাসিন্দা হতে হবে। বয়স ২১ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে হতে হবে। আবেদনকারীকে কমপক্ষে দশম শ্রেণী পাস হওয়া থাকতে হবে।

     

  • ২৫% বকেয়া DA মেলার পর গ্রুপ এ থেকে গ্রুপ ডি কর্মীরা কত টাকা পাবেন? রইল হিসেব

    ২৫% বকেয়া DA মেলার পর গ্রুপ এ থেকে গ্রুপ ডি কর্মীরা কত টাকা পাবেন? রইল হিসেব

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ ২৬-এর বিধানসভা ভোটের মুখে বিরাট মাস্টারস্ট্রোক দিয়েছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার। অবশেষে পঞ্চম বেতন পে কমিশনের আওতায় সরকারি কর্মীদের ২০০৯ রোপা অনুযায়ী বকেয়া ডিএ (Dearness allowance) টাকা মেটানোর ঘোষণা করেছে। চলতি মার্চ মাস থেকেই এই টাকা রিলিজ করা হবে বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। স্বাভাবিকভাবেই সরকারের এহেন ঘোষণায় খুশি কর্মীরা। তবে এখন প্রশ্ন উঠছে, কে কত টাকা পাবেন? চলুন সে বিষয়ে বিশদে জেনে নেওয়া যাক।

    ২৫% বকেয়া ডিএ দেওয়ার ঘোষণা

    গতকাল রবিবার বিধানসভা ভোটের নির্ঘন্ট প্রকাশ পাওয়ার কয়েক ঘণ্টা আগেই ২৫% বকেয়া ডিএ মেটানোর ঘোষণা করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সুপ্রিম কোর্টের তরফে এই বকেয়া মেটানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল সরকারকে। অবশ্য দীর্ঘ টানাপোড়েনের পর এই ঘোষণা সামনে এল। এখন যাইহোক, আজ আলোচনা হবে গ্রুপ এ থেকে শুরু করে গ্রুপ ডি কর্মীরা হাতে কত টাকা পাবেন সে বিষয়ে। রাজ্য় সরকারি কর্মী ও পেনশনভোগীদের রোপা 2009 অনুযায়ী মহার্ঘ ভাতা ও মহার্ঘ ত্রাণ দেওয়া হবে।

    কে কত টাকা পাবেন?

    এক হিসেব অনুযায়ী, ২৫ শতাংশ মহার্ঘ ভাতার (DA) হিসেবে অনুযায়ী, রাজ্য সরকারের একজন গ্রুপ-ডি কর্মী হাতে পাবেন ১ থেকে দেড় লক্ষ টাকা পাবেন। অপরদিকে রাজ্য সরকারের একজন গ্রুপ-সি কর্মী হাতে পাবেন ২ লক্ষ টাকা। রাজ্য সরকারের একজন গ্রুপ-এ কর্মী হাতে পাবেন ৩ থেকে সাড়ে ৩ লক্ষ টাকা। একজন সর্বনিম্ন বেতনভুগ গ্রুপ-ডি কর্মী পাবেন প্রায় ৪ লক্ষ টাকার বেশি। এছাড়া একজন গ্রুপ-সি কর্মী পাবেন প্রায় ৬ লক্ষ টাকার বেশি। এই বকেয়া ডিএর আওতায় মাসে ৭ থেকে ৮ হাজার টাকা পেনশন প্রাপক গ্রুপ-ডি কর্মী পাবেন প্রায় ১ লক্ষ টাকা। সেইসঙ্গে ১০,০০০ টাকা পেনশন পাওয়া অবসরপাওয়া গ্রুপ-সি কর্মী পাবেন প্রায় ২ লক্ষ টাকা।

    আরও পড়ুনঃ ৭০ কিমি বেগে কালবৈশাখী, দক্ষিণবঙ্গের ৪ জেলায় ভারী বৃষ্টি, আজকের আবহাওয়া

    বিশেষ পোস্ট মুখ্যমন্ত্রীর

    মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে জানান যে তাঁর “মা-মাটি-মানুষ” সরকার কর্মচারী এবং পেনশনভোগীদের প্রতি তাদের প্রতিশ্রুতি পূরণ করেছে। তিনি বলেন যে লক্ষ লক্ষ শিক্ষক, অ-শিক্ষক কর্মী এবং পঞ্চায়েত, পৌরসভা এবং অন্যান্য স্থানীয় সংস্থার মতো অনুদান-সহায়তা প্রতিষ্ঠানের কর্মচারী এবং পেনশনভোগীরাও উপকৃত হবেন। মুখ্যমন্ত্রী বলেন যে , রোপা ২০০৯ আইনের অধীনে কর্মচারীদের বকেয়া মহার্ঘ্য ভাতা ও মহার্ঘ্য ত্রাণ প্রদান ২০২৬ সালের মার্চ মাসে শুরু হবে। তিনি আরও বলেন যে, রাজ্যের অর্থ বিভাগ কর্তৃক জারি করা বিজ্ঞপ্তিতে একটি বিস্তারিত পদ্ধতি নির্ধারণ করা হয়েছে।