Tag: Mamata Banerjee

  • ‘অন্য কোনও মুখ্যমন্ত্রী …’  মমতার ভূমিকায় ক্ষুব্ধ সুপ্রিম কোর্ট

    ‘অন্য কোনও মুখ্যমন্ত্রী …’ মমতার ভূমিকায় ক্ষুব্ধ সুপ্রিম কোর্ট

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: ২৬ এর বিধানসভা নির্বাচন (West Bengal Election 2026) নিয়ে বেশ তৎপর হয়ে উঠেছে রাজ্য রাজনীতি। প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করছে একেকটা রাজনৈতিক দল। আর এই অবস্থায় ফের খবরের শিরোনামে উঠে এল আইপ্যাক মামলা (IPAC ED Case)। আর এই মামলায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) কাণ্ডকারখানাকে ভালো চোখে দেখল না সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)। অন্যদিকে বুধবার শুনানি শুরু হতেই জবাব দেওয়ার জন্য অতিরিক্ত সময় চাইল মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আইনজীবী। যার বিরোধিতা করেন কেন্দ্রের অতিরিক্ত সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা।

    মুখ্যমন্ত্রীর পদক্ষেপ নিয়ে প্রশ্ন সুপ্রিম কোর্টের

    বুধবার সুপ্রিম কোর্টে বিচারপতি প্রশান্ত কুমার মিশ্র এবং বিচারপতি এন ভি আঞ্জারিয়া বেঞ্চে ফের সময় চেয়ে আবেদন জানান রাজ্যের আইনজীবী কপিল সিব্বল। তাতে সলিসেটর জেনারেল তুষার মেহেতার বক্তব্য, “সময় নষ্ট করার চেষ্টা করা হচ্ছে। মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ।” ইতিমধ্যেই রাজ্যকে যে আদালত চার সপ্তাহ সময় দিয়ে দিয়েছে, তা স্মরণ করান বিচারপতি। পাশাপাশি এদিন শীর্ষ আদালত মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রসঙ্গে জানায়, “ED-র তদন্তে কোনও মুখ্যমন্ত্রীর ঢুকে পড়াটা অনভিপ্রেত। যদি আর্টিকেল ৩২ বা আর্টিকেল ২২৬ অনুযায়ী মামলা করা না যায়, তাহলে কী করা যাবে? ভবিষ্যতে যদি অন্য কোনও মুখ্যমন্ত্রীও এ ভাবে অন্য কোনও দফতরে প্রবেশ করেন, তখন তার বিচার কী ভাবে হবে?”

    প্রশ্নের মুখে ED-র মৌলিক অধিকার

    উল্লেখ্য, সুপ্রিম কোর্টে আইপ্যাক মামলায় সরাসরি মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে নথি চুরির অভিযোগ এনেছিল ED। এর আগে সুপ্রিম কোর্টে হলফনামা পেশ করেছিল ED। হলফনামায় ইডি-র তরফে স্পষ্ট করে বলা হয়, “নথি নেওয়ার আগে কোনও তদন্তকারী আধিকারিকের অনুমতি নেননি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। যে নথিগুলি নিয়ে যাওয়া হয়েছে, তা তৃণমূলের নাকি কয়লাপাচারের সে সম্পর্কে নিশ্চিত করা যাচ্ছে না। এছাড়াও ED এও দাবি করেছিল যে ইডি র আধিকারিকদের কাজে বাধা দিয়ে এবং তাদের গতিবিধি নিয়ন্ত্রণ করে মৌলিক অধিকার খর্ব করা হয়েছে।

    আরও পড়ুন: ৩১ মার্চের পর শুধু আধার দিয়ে বানানো যাবে না প্যান কার্ড! কী কী লাগবে জানুন

    মামলা করার প্রসঙ্গে আজ, শুনানির সময় রাজ্যের তরফে বলা হয়, “আমরা বলছি, কেন্দ্রীয় সরকার এক্ষেত্রে মামলা করতে পারে। কিন্তু কোন দপ্তর নয় বা CID বা ইডির মত সংস্থা নয়। যদি তারা করেন, তাহলে সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১৪৫ ধারা অনুযায়ী সুপ্রিম কোর্টে পাঁচ বিচারপতির বেঞ্চ গঠন করে এ ধরনের সংস্থার ক্ষমতা এক্তিয়ার সব নতুন করে ঠিক করতে হবে।” এছাড়াও এদিন শুনানি শুরু হতেই ED-র জবাব দেওয়ার জন্য অতিরিক্ত সময় চান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আইনজীবী।, আর তাতে সায় দিল আদালত।

  • তৃণমূলের প্রার্থী ঘোষণা, কাবুলের হাসপাতালে হামলা…! আজকের সেরা ১০ খবর (১৭ মার্চ)

    তৃণমূলের প্রার্থী ঘোষণা, কাবুলের হাসপাতালে হামলা…! আজকের সেরা ১০ খবর (১৭ মার্চ)

    সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: আজ ১৭ মার্চ, মঙ্গলবার। তৃণমূলের প্রার্থী ঘোষণা, কাবুলের হাসপাতালে হামলা, ভারতে দূর হচ্ছে এলপিজি সংকট, রাজ্য-রাজনীতি, অর্থনীতি, বহির্বিশ্ব, কোথায় কী ঘটল আজ? জানতে চোখ রাখুন আজকের সেরা দশে। India Hood-র তরফ থেকে আমরা নিয়ে এসেছি তরতাজা দশটি (Top 10 Bangla News in West Bengal And India) খবর, যা না পড়লে মিস করে যাবেন অনেক কিছুই। বিস্তারিত নতে হলে অবশ্যই প্রতিবেদনটি শেষ পর্যন্ত পড়ুন।

    ১০) ২৫ হাজার কোটি দিয়ে সবুজ জ্বালানির চুক্তি রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজের

    ভারতের সবুজ জ্বালানির ক্ষেত্রে এবার বিরাট সাফল্য পেল রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজ। দক্ষিণ কোরিয়ার Samsung C&T Corporation এর সঙ্গে প্রায় ২৫ হাজার কোটি টাকার চুক্তিতে আগামী ১৫ বছর গ্রিন অ্যামোনিয়া সরবরাহ করবে সংস্থাটি, এমনটাই খবর। ২০১৯ থেকে কার্যকর হওয়া এই প্রকল্পের মাধ্যমে ভারত গ্রিন এনার্জি রফতানিতে শক্তিশালী অবস্থান দেখাবে। গ্রিন অ্যামোনিয়া যা কিনা কম কার্বন নিঃসরণযুক্ত একটি জ্বালানি, ভবিষ্যতের ক্লিন ফুয়েল হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে। আর এই উদ্যোগ ন্যাশনাল গ্রিন হাইড্রোজেন মিশনের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হবে। বিস্তারিত পড়তে- এখানে ক্লিক করুন

    ৯) ভারতে আসলো দুটি এলপিজি ভর্তি জাহজ

    এলপিজি সংকটের মধ্যেও স্বস্তি এনে ভারতে পৌঁছল দুটি জাহাজে মোট ৯৩ হাজার মেট্রিক টন গ্যাস। শিবালিক এবং নন্দাদেবী জাহাজ গুজরাট বন্দরে এলপিজি পৌঁছে দিয়েছে। আর বিশেষজ্ঞদের মতে, এতে সাময়িকভাবে সরবরাহ স্বাভাবিক হতে পারে। কিন্তু হ্যাঁ, দীর্ঘমেয়াদি সংকট এতে কাটবে না। পারস্য উপমহাসাগরে আটকে থাকা আরও জাহাজ দেশে ফিরলে পরিস্থিতি পুরোপুরি উন্নত হবে বলে জানানো হয়েছে। পাশাপাশি পশ্চিম এশিয়া থেকে আমদানি অব্যাহত রাখাও জরুরি বলে জানিয়েছে কেন্দ্র। এখনই গ্যাসের দাম কমবে কিনা সে বিষয়ে কোনও রকম তথ্য নেই। বিস্তারিত পড়তে- এখানে ক্লিক করুন

    ৮) সিকিমে রেলপথ তৈরি করে বিরাট সাফল্য

    ভারতের একমাত্র রেলবিহীন রাজ্য সিকিমে এবার বিরাট সাফল্য পেল ভারতীয় রেল। নর্থইস্ট ফ্রন্টিয়ার রেলের  উদ্যোগে পশ্চিমবঙ্গের সেবক থেকে রংপো পর্যন্ত রেললাইন তৈরির কাজ দ্রুত গতিতে এগোচ্ছে। দুর্গম হিমালয় অঞ্চলের মধ্য দিয়ে ১৪টি টানেলের মধ্যে ১৩টির কাজ ইতিমধ্যে সম্পন্ন হয়ে গিয়েছে। আর কঠিন পরিস্থিতিতে পুরনো পদ্ধতিতে খনন করে এই সাফল্য মিলেছে বলেই খবর। এই প্রকল্প সম্পন্ন হলে সিকিমে প্রথমবার রেলপথ যুক্ত হবে। আর সবকিছু যদি ঠিকঠাক থাকে তাহলে ২০২৭ সালের ডিসেম্বরের মধ্যেই কাজ শেষ হতে পারে। বিস্তারিত পড়তে- এখানে ক্লিক করুন

    ৭) কাবুলের হাসপাতালে হামলা পাকিস্তানের, মৃত্যু ৪০০

    আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলে ভয়াবহ বিমান হামলার অভিযোগ উঠল পাকিস্তানের বিরুদ্ধে। এই হামলায় একটি হাসপাতাল ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে বহু মানুষের মৃত্যু হয়েছে বলে দাবি করছে আফগান প্রশাসন। এর প্রতিবাদ জানিয়েছে তালিবান সরকার এবং একে নৃশংস বলেই আখ্যা দিয়েছে। কিন্তু পাকিস্তান সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করে জানিয়ে দিয়েছে যে, শুধুমাত্র সন্ত্রাসবাদী ঘাঁটিগুলি লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছে। সীমান্ত সংঘর্ষের পর এই ঘটনা ঘটেছে বলে খবর, যা কিনা দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা আরও বাড়িয়ে তুলেছে। বিস্তারিত পড়তে- এখানে ক্লিক করুন

    ৬) বকেয়া ডিএ ইস্যুতে নয়া বিজ্ঞপ্তি নবান্নের

    বকেয়া ডিএ ইস্যুতে নতুন বিজ্ঞপ্তি জারি করল পশ্চিমবঙ্গ সরকার। স্পষ্ট জানানো হয়েছে যে, ২০১৬ থেকে ২০১৯ সালের ডিএ বকেয়া দুই কিস্তিতে দেওয়া হবে। কিন্তু ২০০৮ থেকে ২০১৫ সালের বকেয়া পরিশোধের নিয়ম পরে জানিয়ে দেওয়া হবে, যা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করছে কর্মীরা। কনফেডারেশনের নেতা মলয় মুখার্জি অভিযোগ করছেন যে, সরকার আদালতের নির্দেশ মানেনি এবং চালাকি করছে। এ নিয়ে ফের সুপ্রিম কোর্টে যাওয়ার হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে। কর্মচারীদের একাংশ সুদসহ টাকা ফেরত দেওয়ার দাবি তুলছেন। বিস্তারিত পড়তে- এখানে ক্লিক করুন

    ৫) আউশ গ্রামের বিজেপি প্রার্থী কলিতা মাজির নাম ভোটার তালিকায় বিচারাধীন

    আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আউসগ্রামের বিজেপি প্রার্থী কলিতা মাঝিকে ঘিরে এবার বিতর্ক শুরু হল। তাঁর নাম ভোটার তালিকায় আন্ডার অ্যাডজুডিকেশন হিসেবে চিহ্নিত থাকার কারণে প্রশ্ন তুলছে তৃণমূল কংগ্রেস। যদিও কলিতা জানিয়েছেন যে, প্রয়োজনীয় নথি জমা দিয়েছেন এবং কমিশনের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় রয়েছেন তিনি। পেশায় পরিচালিকা কলিতা আগেও এখানে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন। আর এবারও জয়ের আশাবাদী তিনি। বিষয়টি নিয়ে রাজনৈতিক বিতর্ক বেড়েছে। বিস্তারিত পড়তে- এখানে ক্লিক করুন

    ৪) আদ্রা ডিভিশনে একাধিক ট্রেন বাতিল

    মার্চ মাসে যাত্রীদের বিরাট ভোগান্তির মুখে ফেলল ভারতীয় রেল। দক্ষিণ-পূর্ব রেলের আদ্রা ডিভিশনে ১৬ থেকে ২২ মার্চ পর্যন্ত রক্ষণাবেক্ষণের কাজের জন্য একাধিক ট্রেন বাতিল আর দেরিতে চলবে বলে জানানো হয়েছে। কিছু ট্রেনের যাত্রাপথও সংক্ষিপ্ত করে দেওয়া হয়েছে। আর আদ্রা-মেদিনীপুর, আদ্রা-ভাগা ও ভজুডিহি-চন্দ্রপুরা রুটের মেমু ট্রেনগুলি নির্দিষ্ট দিনগুলোতে বাতিল থাকবে। পাশাপাশি টাটানগর-আসানসোল সহ বেশ কিছু ট্রেন আংশিক চলবে কিংবা দেরিতে পৌঁছবে। যাত্রীদের অসুবিধার জন্য দুঃখ প্রকাশ করেছে রেল কর্তৃপক্ষ। বিস্তারিত পড়তে- এখানে ক্লিক করুন

    ৩) রাজ্যপাল হিসাবে শপথ নিয়েই নবান্নকে চিঠি আরএন রবির

    নতুন রাজ্যপাল হিসেবে শপথ নিয়েই প্রশাসনিক কাজে তৎপর হয়েছেন আরএন রবি। আসন্ন পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনকে কেন্দ্র করে রাজভবনের একাধিক শূন্যপদ পূরণের জন্য নবান্নকে চিঠি পাঠিয়ে দিয়েছেন তিনি। সচিব, বিশেষ সচিব, যুগ্ম সচিব এবং ডেপুটি সচিবসহ মোট পাঁচটি নিয়োগের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে ফাঁকা থাকা পদগুলো দ্রুত পূরণ করে প্রশাসনিক কাজের গতি বাড়ানোই মূলত তাঁর লক্ষ্য। প্রাক্তন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসের সময় এই পদগুলি খালি ছিল বলে জানানো হয়েছে। আর এবার নতুন উদ্যোগে রাজভবন এবং নবান্নের সমন্বয় আরও জোরদার হবে। বিস্তারিত পড়তে- এখানে ক্লিক করুন

    ২) LPG সঙ্কটের মাঝে গ্যাস নিয়ে নয়া নির্দেশিকা কেন্দ্রের

    এলপিজি সংকটের মধ্যে কেন্দ্র সরকার নতুন করে নির্দেশিকা জারি করল। এখন সমস্ত গ্যাস গ্রাহকদের জন্য এলপিজি কেওয়াইসি বাধ্যতামূলক করে দেওয়া হয়েছে। প্রায় ৩৩ কোটি গ্রাহককে বায়োমেট্রিক আধার যাচাইকরন করতে হবে। আর যদি না করা হয়, তাহলে সিলিন্ডার পাওয়া বন্ধ হয়ে যেতে পারে। এই প্রক্রিয়া ঘরে বসে মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে করা যাচ্ছে। সরকারের মূল লক্ষ্য হল ভর্তুকি সঠিক গ্রাহকদের কাছে পৌঁছানো আর স্বচ্ছতা বজায় রাখা। বিশেষ করে প্রধানমন্ত্রী উজ্জ্বলা যোজনা প্রকল্পের আওতায় সুবিধাভোগীদের জন্য এই যাচাইকরন জরুরী। বিস্তারিত পড়তে- এখানে ক্লিক করুন

    ১) ভোটের প্রার্থী ঘোষণা করল তৃণমূল

    পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে এবার ২৯১টি আসনে প্রার্থী ঘোষণা করল তৃণমূল কংগ্রেস। জানা যাচ্ছে, দার্জিলিংয়ের তিনটি আসনে তারা লড়বে না। আর বিরাট চমক হিসেবে ভবানীপুরে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজেই প্রার্থী হয়েছেন। সেখানে তাঁর প্রতিদ্বন্ধী স্বয়ং শুভেন্দু অধিকারী। নন্দীগ্রামে তৃণমূল প্রার্থী হয়েছেন পবিত্র কর। এছাড়া ফিরগাদ হাকিম, মদন মিত্র, কুনাল ঘোষ সহ একাধিক পরিচিত মুখ রয়েছেন। রাজ্যের মোট ২৯৪ আসনের মধ্যে অধিকাংশ আসনে প্রার্থী ঘোষণা করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। বিস্তারিত পড়তে- এখানে ক্লিক করুন

  • ৭৪ জন বর্তমান বিধায়ককে টিকিট দিল না তৃণমূল, আসন বদল হল কাদের? দেখুন

    ৭৪ জন বর্তমান বিধায়ককে টিকিট দিল না তৃণমূল, আসন বদল হল কাদের? দেখুন

    বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: কথামতোই প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করল তৃণমূল কংগ্রেস (West Bengal Assembly Election)। মঙ্গলবার বিকেলে খোদ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে সঙ্গে নিয়ে সাংবাদিক সম্মেলন করেই তৃণমূলের প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করেন। তবে উল্লেখযোগ্য বিষয়, সেই তালিকায় নাম নেই একাধিক বর্তমান বিধায়কের। হাওড়া শিবপুরের বিধায়ক মনোজ তিওয়ারি থেকে শুরু করে পরেশ পালের মতো 74 জন সিটিং MLA শাসক দলের টিকিট পাননি।

    74 জন তৃণমূল বিধায়কের নাম নেই প্রার্থী তালিকায়

    নির্বাচন ঘোষণার আগে জল্পনা বেড়েছিল বহু বিধায়কের টিকিট পাওয়া নিয়ে। তাছাড়াও অনেকেই ভেবেছিলেন জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের মতো বিধায়করা নিজেদের কেন্দ্র থেকে এ বছর আর লড়তে পারবেন না। তবে হয়েছে তার উল্টো। শিবপুরের বিধায়ক মনোজ তিওয়ারি, জোড়াসাঁকর বিধায়ক বিবেক গুপ্ত, মালদহের কৃষ্ণেন্দু নারায়ণ চৌধুরি থেকে শুরু করে রত্না দে নাগ, পরেশ পাল, সাবিত্রী মিত্রর মতো মোট 74 জন বর্তমান বিধায়ক এবারের প্রার্থী তালিকায় জায়গা পাননি।

    বলাই বাহুল্য, উল্লিখিত নাম গুলি ছাড়াও 74 জনের তালিকায় নাম রয়েছে বলাগড়ের মনোরঞ্জন ব্যাপারী, চুঁচুড়ার অসিত মজুমদার, সপ্তগ্রামের তপন দাশগুপ্ত, শ্রীরামপুরের ডক্টর সুদীপ্ত রায়, ডোমজুড়ের কল্যাণ ঘোষদের। হিসেব বলছে, এবারের বিধানসভা নির্বাচনে সবমিলিয়ে 33 শতাংশ বিধায়ককেই নতুন করে টিকিট দেয়নি, দল তৃণমূল কংগ্রেস। যদিও এ নিয়ে আগেই হালকা ইঙ্গিত দিয়েছিলেন তৃণমূল কংগ্রেসের সেকেন্ড ইন কমান্ড অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।

    এ প্রসঙ্গে দলীয় সূত্রে খবর, স্থানীয় স্তরের কিছু বিরোধিতার কারণেই এ বছর নতুন করে টিকিট পেলেন না 74 জন বিধায়ক। শোনা যাচ্ছে, নতুন করে তাঁদের টিকিট দেওয়া হলে হেরে যাওয়ার সম্ভাবনা ছিল। সেই দিক মাথায় রেখেই বর্তমান বিধায়কদের ফের প্রার্থী তালিকায় জায়গা দেয়নি তৃণমূল কংগ্রেস।

    আসন বদলেছে বহু বিধায়কের

    এদিকে বর্তমান বিধায়কদের মধ্যে অনেকেই টিকিট পেলেও আগের আসন থেকে লড়তে পারছেন না। সেই তালিকায় নাম রয়েছে 15 জনের। এদের মধ্যে বেহালা পূর্বের বিধায়ক রত্না চট্টোপাধ্যায়কে পাঠানো হয়েছে বেহালা পশ্চিমে। শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে খড়দহ থেকে সরিয়ে নিয়ে বালিগঞ্জ বিধানসভার প্রার্থী করা হয়েছে। উল্লেখযোগ্য নাম শওকত মোল্লাকে ক্যানিংয়ের বদলে প্রার্থী করা হয়েছে ভাঙরে। একই সাথে ডেবরার বিধায়ক হুমায়ুন কবীরকে মুর্শিদাবাদের ডোমকলে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। এর বদলে ডেবরায় টিকিট পেয়েছেন সেচ এবং বন মন্ত্রী রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়।

    অবশ্যই পড়ুন: অধিনায়ক কে হবে ঘোষণা করে দিল KKR, নাম জানলে চমকে যাবেন

    বলে রাখি, বর্তমান বিধায়কদের মধ্যে এবছর 135 জন টিকিট পেয়েছেন। ওদিকে হাবড়ার জ্যোতিপ্রিয় মল্লিককে নিয়ে কানাঘুষা শোনা গিয়েছিল হয়তো এ বছর হাবড়া থেকে তাঁকে দাঁড় করানো হবে না। তবে সেসব জল্পনাতে কান না দিয়েই স্থানীয় স্তরে বালু দা হিসেবে পরিচিত নেতাকে ফের একই আসন থেকে প্রার্থী করেছে তৃণমূল। ওদিকে হাবড়ার সম্ভাব্যপ্রার্থীর তালিকায় থাকা কুনাল ঘোষ টিকিট পেয়েছেন বেলেঘাটায়। তবে ইমন চক্রবর্তীর মতো ব্যক্তিদের প্রার্থী হওয়ার সম্ভাবনা থাকলেও এখনই সেই পথে হাঁটেনি তৃণমূল।

  • নন্দীগ্রামে পবিত্র, ভবানিপুরে মমতা! ২৯১ আসনে প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করল TMC

    নন্দীগ্রামে পবিত্র, ভবানিপুরে মমতা! ২৯১ আসনে প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করল TMC

    সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: মাস গড়ালেই বিধানসভা নির্বাচন বাংলায়। গতকাল বিজেপি এবং বামফ্রন্ট তাদের প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করেছে। আর সেই তালে তাল মিলিয়ে আজ রাজ্যের শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস ২৯১ আসনে প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করল (TMC Candidate List)। একদিকে ভবানীপুরে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। অন্যদিকে নন্দীগ্রামেও রয়েছে চমক। কারণ, সেখানেও লড়ছেন শুভেন্দু। আবার সেই জ্যোতিপ্রিয় মল্লিককেই হাবড়ার তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী করা হল। কোন আসনে কাকে প্রার্থী করল শাসকদল? জানুন।

    তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী ঘোষণা

    শাসকদল এবার রাজ্যের মোট ২৯১টি আসনে তাদের প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করেছে। প্রত্যেকটি বিধানসভা অনুযায়ী প্রার্থী তালিকা নিচে তুলে ধরা হল—

    • অশোকনগর- নারায়ণ গোস্বামী
    • আলিপুরদুয়ার- সুমন কাঞ্জিলাল
    • উত্তরপাড়া- শীর্ষান্ন বন্দ্যোপাধ্য়ায়
    • উলুবেড়িয়া পূর্ব- ঋতব্রত
    • কান্দি- অপূর্ব সরকার
    • কামারহাটি- মদন মিত্র
    • কালিগঞ্জ- পার্থপ্রতিম রায়
    • করিমপুর- সোহম চক্রবর্তী
    • কুশমণ্ডি- রাজীব তিরকে (কুমারগঞ্জ)
    • কোচবিহার উত্তর- পার্থপ্রতিম রায়
    • কলকাতা পোর্ট- ফিরহাদ হাকিম
    • করিমপুর- সোহম
    • কান্দি- অপূর্ব সরকার
    • খড়গপুর (ডেবরা)- রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়
    • গোপালপুর (রাজারহাট)- অদিতি মুন্সি
    • চাঁচল-মালদা- প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়
    • চোপড়া- হামিদুল রহমান
    • চুঁচুডা- দেবাংশু ভট্টাচার্য
    • দিনহাটা- উদয়ন গুহ
    • ডোমকল- হুমায়ুন কবীর
    • ডায়মন্ড হারবার- পান্নালাল হালদার
    • ডেবরা- রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়
    • তালিগঞ্জ- অরূপ বিশ্বাস
    • ধূপগুড়ি- ড. নির্মল রায়
    • নন্দীগ্রাম- পবিত্র কর
    • নওদা- বাইরন বিশ্বাস
    • নাটাবাড়ি- শৈলেন বর্মা
    • নোয়াপাড়া- তৃণাঙ্কুর ভট্টাচার্য
    • পাঁচলা- গুলশন মল্লিক
    • পলাশিপাড়া- রুকবানুর রহমান
    • বারুইপুর পশ্চিম- বিমান বন্দোপাধ্যায়
    • বারুইপুর পূর্ব- বিভাস সর্দার
    • ব্যারাকপুর- রাজ চক্রবর্তী
    • বালুরঘাট- অর্পিতা ঘোষ
    • বেহালা পশ্চিম- রত্না চট্টোপাধ্যায়
    • বেলেঘাটা- কুণাল ঘোষ
    • বরানগর- মদন মিত্র
    • ভবানীপুর- মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
    • ভাটপাড়া- অমিত গুপ্তা
    • ভাঙড়- শওকত মোল্লা
    • মানিকতলা- শ্রেয়া পাণ্ডে
    • মাথাভাঙা- সাধু বর্মন
    • মাটিগাড়া-নকশালবাড়ি- শঙ্কর মালাকার
    • মেখলিগঞ্জ- পরেশ অধিকারী
    • মোথাবাড়ি- মহম্মদ নজরুল ইসলাম
    • রানাঘাট- রানা চট্টোপাধ্যায়
    • রামনগর- অখিল গিরি
    • রায়গঞ্জ- কৃষ্ণ কল্যাণী
    • রাজারহাট-নিউটাউন- তাপস চট্টোপাধ্যায়
    • শিলিগুড়ি- গৌতম দেব
    • শীতলকুচি- হরিহর দাস
    • সাগরদিঘি- বাইরন বিশ্বাস
    • সবং- মানস ভুঁইয়া
    • সিঙ্গুর- বেচারাম মান্না
    • সোনারপুর উত্তর- ফিরদৌসি বেগম
    • সোনারপুর দক্ষিণ- অরুন্ধুতী মৈত্র
    • হাবড়া- জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক
    • হাওড়া উত্তর- গৌতম চৌধুরী
    • হরিরামপুর- বিপ্লব মিত্র
    • বরানগর- সায়ন্তিকা
  • নন্দীগ্রামে মমতার আঘাতপ্রাপ্ত খুঁটিতে ধূপ-ধুনো! প্রচার শুরু বিজেপির, ভাইরাল ভিডিও

    নন্দীগ্রামে মমতার আঘাতপ্রাপ্ত খুঁটিতে ধূপ-ধুনো! প্রচার শুরু বিজেপির, ভাইরাল ভিডিও

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: বহু জল্পনা এবং প্রতীক্ষার পর অবশেষে গত রবিবার কমিশন রাজ্যে দুই দফায় নির্বাচনের দিন (West Bengal Election 2026) ঘোষণা করল। ২৩ এবং ২৯ এপ্রিল ভোটগ্রহণের পর ৪ মে প্রকাশ্যে আসবে ফলাফল। এমতাবস্থায় গতকাল প্রকাশ্যে এল বিজেপির প্রার্থীদের তালিকা। ভবানীপুর এবং নন্দীগ্রাম (Nandigram) থেকে দাঁড়াতে চলেছেন শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। নাম ঘোষণায় আনন্দে মেতে উঠেছেন কর্মীরা। এমতাবস্থায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আঘাতপ্রাপ্ত খুঁটিতে পুজো করে নন্দীগ্রামে প্রচার শুরু করে বিজেপি। ভাইরাল সেই ভিডিও।

    নন্দীগ্রামে খুঁটি পুজো বিজেপি কর্মীদের

    রবিবার কমিশনের নির্বাচনের দিন ঘোষণার পরেই নন্দীগ্রামে শুভেন্দু অধিকারীর সমর্থনে শুরু হয়ে যায় দেওয়াল লিখন। যদিও তখনও অফিসিয়ালি ঘোষণা হয়নি তাঁর নাম। তবে পরে নাম ঘোষণা হতেই উল্লাসে মেতে ওঠেন বিজেপির কর্মী সমর্থকরা। ব্যান্ড পার্টি নিয়ে দলের পতাকা ওড়াতে ওড়াতে সোজা চলে যান নন্দীগ্রামের বিরুলিয়া বাজারে। সেখানে যে খুঁটিতে আঘাতপ্রাপ্ত হয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সেই খুঁটিতে ধূপকাঠি জ্বালিয়ে পুজো করতে দেখা যায় বিজেপি কর্মীদের। পুজো দেওয়ার পাশাপাশি জয় শ্রীরাম স্লোগানও দেন তাঁরা। ইতিমধ্যেই সেই ভিডিওটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করেছেন বিজেপি নেতা তথা আইনজীবী তরুণজ্যোতি তিওয়ারি।

    কী কারণে এই খুঁটি পুঁজো?

    গতবার বিধানসভা নির্বাচনের সময় নন্দীগ্রামের ওই খুঁটিতে পায়ে আঘাত লেগেছিল মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। পায়ে প্লাস্টার নিয়েই রাজ্যজুড়ে ভোটের প্রচার করেছিলেন তিনি। যদিও বিজেপির নেতাদের দাবি, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ‘নাটক’ করেছিলেন। তাতেও লাভ হয়নি তাঁর। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ১৯৫৬ ভোটে পরাজিত করেছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। তাই শাসক দলকে মোক্ষম জবাব দিতে সোমবার রাতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আঘাতপ্রাপ্ত খুঁটিতে পুজো করে নন্দীগ্রামে শুভেন্দু অধিকারীর হয়ে প্রচার শুরু করেন বিজেপি কর্মীরা। তুমুল ভাইরাল হয় সেই ভিডিও। আর তাতেই রাজনৈতিক তরজা চরম আকার নেয়।

    আরও পড়ুন: পরিচারিকাতে ভরসা বিজেপির, আউশ গ্রামের পদ্মের প্রার্থী কলিতা মাজির নাম বিচারাধীন

    খুঁটিপুজো প্রসঙ্গে তমলুক সাংগঠনিক জেলা বিজেপির সহ-সভাপতি প্রলয় পাল বলেন ‘মেদিনীপুরে ছেলে শুভেন্দু অধিকারী এবার নন্দীগ্রামের পাশাপাশি ভবানীপুরেও প্রার্থী হয়েছেন। মুখ্যমন্ত্রী যেখানেই দাঁড়ান না কেন আমাদের নেতা তাঁকে বিদায় জানাবেন। রীতি অনুযায়ী সনাতন ধর্মের মানুষ কিছু শুভ কাজ করার আগে খুঁটি পুজো করে। আমরা তাই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যেই খুঁটিতে আঘাত পেয়েছিলেন, সেই খুঁটিতে পুজো করে শুভ কাজ শুরু করলাম।” অন্যদিকে ওই জেলার তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি সুজিত রায় বলেন, “যে বিজেপি নেতা খুঁটি পুজো করছেন তিনি মহিলাদের নিয়ে কুরুচিপূর্ণ কথা বলেন। তাঁরাই শুভেন্দুর সম্পদ। এই নির্বাচনে মহিলারা বিজেপিকে উচিত শিক্ষা দেবেন।”

  • এই কারণেই ভবানীপুরে মমতা ব্যানার্জির বিরুদ্ধে প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারী! ফাঁস মেগা প্ল্যান

    এই কারণেই ভবানীপুরে মমতা ব্যানার্জির বিরুদ্ধে প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারী! ফাঁস মেগা প্ল্যান

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ আরও একটা বিধানসভা ভোটের (Bengal Election 2026) ঘোষণা হয়ে গেল। ভোট ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গে সামনে এসেছে বিজেপি ও বামেদের প্রার্থী তালিকাও। তবে তালিকা প্রকাশ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে চোখ আটকে গিয়েছে নাম এবং কেন্দ্রের দিকে। সেই শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikary)। প্রত্যাশা মতো নন্দীগ্রামে তাঁকে প্রার্থী করেছে বিজেপি। কিন্তু আসল চমক তো বাকি রয়েছে, আর সেটা হল, স্বয়ং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হটস্পট বা বলা ভালো বিধানসভা কেন্দ্র ভবানীপুরেও শুভেন্দুকেই প্রার্থী করেছে গেরুয়া শিবির। অর্থাৎ ২৬-এ বিজেপির নয়া স্ট্র্যাটেজি। আর এই রণনীতি স্বাভাবিকভাবেই অবাক করেছে সকলকে। অবশ্য অনেকে বলতে শুরু করেছেন, তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে (Mamata Banerjee) হারাতে পারে একজনই, আর সেটা হল তৃণমূলের ভাষায় ‘গদ্দার’ শুভেন্দু অধিকারী।

    প্রশ্ন উঠছে, শুভেন্দু অধিকারী ছাড়া কি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে কাউকে রিস্ক নিতে পারছে না বিজেপি? অবশ্য বিজেপির প্রার্থী তালিকা দেখে সেটাই মনে হচ্ছে। ২০২১ সালের বিধানসভা ভোটে নন্দীগ্রামের ফলাফল কারোর অজানা  নয়। সকলকে চমকে দিয়ে হুইলচেয়ারে থাকা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে হারিয়ে নন্দীগ্রাম দখল করেন শুভেন্দু। সেক্ষেত্রে হয়তো এবার ২৬-এর ভোটে নন্দীগ্রামের পাশাপাশি ভবানীপুরেও শুভেন্দুকে প্রার্থী করে মানুষের মন ও বিশ্বাস বাজিয়ে দেখতে চাইছে বিজেপি বলে মনে করছে বিশিষ্ট মহল।

    যদিও নন্দীগ্রামে ২১-এর বিধানসভা ভোটের ফলাফলে কারচুপি ছিল বলে জানিয়েছিলেন একদা বিজেপি নেতা এবং পরবর্তীকালে তৃণমূল নেতা রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি ঘাসফুলে যোগ দিয়ে জানিয়েছিলেন কীভাবে শুভেন্দু অধিকারী সেখানে ভোট পেয়ে জয় লাভ করেছিলেন। ২০২১ সালের বিধানসভা ভোটে নন্দীগ্রামে শুভেন্দু এবং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দ্বৈরথ দেখেছিল গোটা পশ্চিমবঙ্গ। পা ভেঙে হুইলচেয়ারে বসেও নন্দীগ্রাম জিততে ব্যর্থ হন মমতা। ভোটগণনায় নাটকীয় সব ঘটনার পর শেষ পর্যন্ত ১,৯৫৬ ভোটে জয়ী হন বিজেপির শুভেন্দু।

    আরও পড়ুনঃ নন্দীগ্রামে শুভেন্দুর প্রতিপক্ষ প্রায় চূড়ান্ত, কাকে মাঠে নামাচ্ছে তৃণমূল?

    এখনও অবধি তৃণমূলের কিন্তু প্রার্থী তালিকা প্রকাশ পায়নি। আজ ১৭ মার্চ তালিকা প্রকাশ করতে পারে ঘাসফুল শিবির বলে খবর। সেখানে তৃণমূলের প্রার্থী তালিকা প্রকাশের আগেই বিজেপির তরফে ভবানীপুরে শুভেন্দু অধিকারীকে দাঁড় করানোকে অনেকে মোক্ষম চাল বলছেন তো আবার অনেকে বোকামিও বলতে শুরু করেছেন। বোকামি কেন? মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আদৌ ভবানীপুর থেকে ভোটে দাঁড়াবেন কিনা তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছেন। শুরু হয়েছে নানান জল্পনা কল্পনা।

    এই কারণেই ভবানীপুরে প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারী!

    এখন আরও একটা প্রশ্ন বারবার উঠছে, শুভেন্দুর ইচ্ছে ছিল নাকি দলের ইচ্ছে ছিল তাঁকে ভবানীপুরে ভোটে দাঁড় করানোর? সূত্রের খবর, বিজেপি যথা সম্ভব মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিজের কেন্দ্র ব্যস্ত রাখার জন্য পরিকল্পনা করেছে। এটা কেউ অস্বীকার করতে পারবে না তৃণমূলের ভোট মানেই হল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ভোট দেওয়া। মানুষ দল নয়, তাঁকে দেখেই ভোট দেন, সেটা অনেক নেতা সাংসদও স্বীকার করেছে। অনেকে এও বলছেন, নন্দীগ্রামে যেহেতু শুভেন্দু ‘ভূমিপুত্র’ তাই কিছুটা হলেও হালে পানি পেয়ে মমতাকে হারাতে পেরেছিলেন। কিন্তু ভবানীপুর হল মমতার নিজের জায়গা। যাকে বলে তিনি হলেন সেখানকার ‘ঘরের মেয়ে’। সেক্ষেত্রে শুভেন্দু কতটা কী করতে পারবে তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। যাইহোক, মানুষ এখন মুখিয়ে থাকবেন ‘ভূমিপুত্র’ বনাম ‘ঘরের মেয়ে’র লড়াই কেমন হয় তা জানা ও দেখার জন্য।

     

  • নন্দীগ্রামে শুভেন্দুর প্রতিপক্ষ প্রায় চূড়ান্ত, কাকে মাঠে নামাচ্ছে তৃণমূল?

    নন্দীগ্রামে শুভেন্দুর প্রতিপক্ষ প্রায় চূড়ান্ত, কাকে মাঠে নামাচ্ছে তৃণমূল?

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: ২৬ এর বিধানসভা নির্বাচনের (West Bengal Election 2026) নির্ঘণ্ট বেজে গিয়েছে। আগামী ২৩ এবং ২৯ এপ্রিল দুদফায় রাজ্যে হতে চলেছে ভোট। আর এই ভোটের আবহে ইতিমধ্যেই বাম এবং বিজেপি শিবির প্রকাশ্যে এনেছে বিধানসভা কেন্দ্রগুলোতে প্রার্থীদের তালিকা। এমতাবস্থায় চর্চায় উঠে এসেছে নন্দীগ্রাম (Nandigram), সোমবার প্রার্থী তালিকা প্রকাশ হওয়ার পর দেখা গেল, ভবানীপুরের পর শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) সেখান থেকেও বিজেপির হয়ে দাঁড়াতে চলেছেন। আর সেখানেই প্রশ্ন উঠছে তাহলে প্রতিপক্ষ হয়ে কে উঠে আসছে? জল্পনায় উঠে এল বিশেষ নাম।

    নন্দীগ্রামে বিজেপির হয়ে দাঁড়াবেন শুভেন্দু

    ২০২১ সালে বিধানসভা নির্বাচনে নন্দীগ্রাম কেন্দ্রে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ১৯৫৬ ভোটে পরাজিত করেছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। সেই সংখ্যা জাহির করে প্রায়ই নিজের শ্লাঘার কথা বলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। এবারেও শুভেন্দু দাবি করেছেন যে ২০২১-এ তাঁর কাছে নন্দীগ্রামে যেভাবে হারতে হয়েছিল মমতাকে, ভবানীপুরে তার পুনরাবৃত্তি হবে। আবার হিরণ চট্টোপাধ্যায়ের আসন খড়্গপুর সদর থেকে দিলীপ ঘোষ টিকিট পেলেন। অন্যদিকে অভিনেতা-রাজনীতিবিদ রুদ্রনীল ঘোষকে শিবপুর থেকে প্রার্থী করল বিজেপি। কিন্তু এবার প্রশ্ন উঠছে নন্দীগ্রামে তৃণমূলের তরফে কে দাঁড়াবে। আর তাতেই শোনা যাচ্ছে প্রদীপ করের নাম।

    কে হবে শুভেন্দুর প্রতিপক্ষ?

    রিপোর্ট মোতাবেক, আজ, মঙ্গলবার ২৯৪টি বিধানসভার আসনে প্রার্থীর নাম ঘোষণা করবে তৃণমূল। তখনই দেখা যাবে কোন কেন্দ্রে কাকে বসাতে চাইছেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে রাজনীতি বিশ্লেষকদের ধারণা হয় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় খোদ দাঁড়াবেন নয়তো এমন একজনকে দাঁড় করাবেন যে বিজেপিকে বড় আঘাত করতে পারে। এদিকে এসবের মাঝে আজ তৃণমূলে যোগ দিতে চলেছেন নন্দীগ্রাম দুই ব্লকের বিজেপি নেতা পবিত্র কর। যে কিনা শুভেন্দু অধিকারী ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত ছিলেন। তাঁকেও হয়ত এবার শুভেন্দুর প্রতিপক্ষ হিসেবে নন্দীগ্রামে দাঁড় করানো হতে পারে।

    আরও পড়ুন: ১ ঘণ্টার পথ মাত্র ৫ মিনিটে! প্রকাশ্যে গঙ্গাসাগর সেতুর প্রথম নকশা, শুরু নির্মাণ কাজ

    আসলে কিছুদিন আগেই আইপ্যাকের সঙ্গে পবিত্র করের গোপন বৈঠকে বোঝা গেছিল এবার দলবদলের পালা তাঁর। যদিও কোনও পক্ষই অবশ্য এই বিষয়ে মুখ খুলতে চাননি। নন্দীগ্রাম বিধানসভা দু’টি ব্লক নিয়ে গঠিত, তার মধ্যে নন্দীগ্রাম ২ ব্লকেই বিজেপি এগিয়ে। আর সেই ব্লকেরই বাসিন্দা পবিত্র কর। এলাকায় তাঁর যথেষ্ট পরিচিতি রয়েছে। মুখে মৃদু হাসি নিয়ে কাজ করে যান সকলের জন্য। বেশি প্রচারে থাকেন না কোনওদিনই। সেই জন্য কেউ কেউ তাঁকে, নন্দীগ্রাম দুই ব্লকের ‘সাইলেন্ট কিলার’ বলে। এবার দেখার পালা কাকে কোন কোন কেন্দ্রে দাঁড় করায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

  • ১ ঘণ্টার পথ মাত্র ৫ মিনিটে! প্রকাশ্যে গঙ্গাসাগর সেতুর প্রথম নকশা, শুরু নির্মাণ কাজ

    ১ ঘণ্টার পথ মাত্র ৫ মিনিটে! প্রকাশ্যে গঙ্গাসাগর সেতুর প্রথম নকশা, শুরু নির্মাণ কাজ

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: অবশেষে রূপায়ণের পথে গঙ্গাসাগর সেতু (Gangasagar Bridge)! প্রকাশ্যে এল গঙ্গাসাগর সেতুর প্রস্তাবিত নকশা (Gangasagar Setu Design)। চলতি বছর গঙ্গাসাগরে মুড়িগঙ্গার উপর গঙ্গাসাগর সেতুর শিলান্যাস করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। জানা গিয়েছে, মুড়িগঙ্গার উপর দীর্ঘ ৪.৭৫ কিলোমিটার এই গঙ্গাসাগর সেতুতে থাকবে মোট ৪টি লেন। উভয়পাশে থাকবে ১.৫ মিটার চওড়া ফুটপাত। নতুন এই লুক ইতিমধ্যেই সাড়া ফেলেছে এলাকায়। নকশা প্রকাশ্যে আসার পরেই সেতু নির্মাণের প্রস্তুতির কাজ শুরু করল নির্মাণকারী সংস্থা।

    গঙ্গাসাগর সেতু নির্মাণের বীজ পুঁতেছিলেন মমতা

    কাকদ্বীপ থেকে কচুবেড়িয়া যাতায়াতের জন্য একমাত্র ভরসা পথ ছিল মুড়িগঙ্গা নদী। তাই স্বাভাবিকভাবেই স্টিমার, নৌকা এই সবের উপর নির্ভর করেই যাতায়াত করা হত। যেখানে সময় লাগত প্রায় এক ঘণ্টা! কিন্তু বর্ষার সময় কিংবা কোনও কারণে নদীর জল উপচে পড়লে সমস্যায় পড়তে হতো সকলকে। তাই এই পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখেই প্রায় ছয় বছর আগে মুড়িগঙ্গার উপর একটি সেতু তৈরির স্বপ্ন দেখেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কেন্দ্রের কাছে বারংবার সেতু তৈরির জন্য আর্থিক সাহায্য চেয়েছিল রাজ্য, কিন্তু মেলেনি কোনো ফল। তাই এবার কেন্দ্রের ভরসায় না থেকে মুখ্যমন্ত্রী নিজ দায়িত্বে বানাতে চলেছে স্বপ্নের গঙ্গাসাগর সেতু। এই সেতু নির্মাণ হয়ে গেলে এই ১ ঘণ্টার পথ মাত্র ৫ মিনিটেই অতিক্রম করা যাবে। জানা গিয়েছে, মুড়িগঙ্গা নদীর উপর গঙ্গাসাগর সেতু নির্মাণের প্রস্তুতির কাজ শুরু করে দিয়েছে নির্মাণকারী সংস্থা ‘লারসন অ্যান্ড টুবরো’ সংক্ষেপে এল অ্যান্ড টি।

    সেতুর প্রাথমিক পর্যায়ের কাজ শুরু হয়েছে

    সূত্রের খবর, গত রবিবার সাগরে সেতু সংক্রান্ত একটি বৈঠক ডাকা হয়েছিল, সেখানে উপস্থিত ছিলেন সুন্দরবন উন্নয়নমন্ত্রী বঙ্কিম হাজরা, এল অ্যান্ড টি’র তিন প্রতিনিধি। তাঁরা সেই বৈঠকেই প্রস্তাবিত সেতুর কারিগরি নকশা দেখান। পাশাপাশি বৈঠকে ব্রিজের দৈর্ঘ্য, স্তম্ভের বিন্যাস এবং স্থায়িত্ব নিয়ে বিস্তারিত আলোচনাও হয়। ওইদিনই প্রশাসনিক কর্তা ও ইঞ্জিনিয়াররা নদী তীরবর্তী এলাকা পরিদর্শন করেন। আপাতত কাকদ্বীপ লট এইটের দিকে প্রাথমিক পর্যায়ের কাজ শুরু করেছে এল অ্যান্ড টি। বৈঠকে সংস্থার পক্ষ থেকে মন্ত্রীকে জানানো হয়েছে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই সেতু নির্মাণের কাজ শেষ হবে।

    আরও পড়ুন: কবে, কত দফায় মিলবে বকেয়া DA? বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ পশ্চিমবঙ্গ সরকারের

    প্রসঙ্গত, সাগরের দিকে কিছু পরিমাণ জমি কিনেছে এল অ্যান্ড টি। এই ব্রিজের জন্য তাদের আরও ১০ বিঘা জমির প্রয়োজন রয়েছে। এছাড়াও সেতু তৈরির জন্য বড় আকারের যন্ত্রপাতি ও অন্যান্য সামগ্রী দরকার এবং যে সকল কর্মী এখানে দিনরাত কাজ করবে তাঁদের থাকারও বন্দোবস্ত করা হবে। তবে আশা করা যাচ্ছে এই সেতু নির্মাণ হলে সুন্দরবনের সঙ্গে একদিকে যেমন যোগাযোগ বৃদ্ধি পাবে ঠিক তেমনই পর্যটন বিপ্লবে ব্যাপক উন্নতি হবে। গঙ্গাসাগর মেলায় আসা পর্যটকদের যাতায়াতও আরও সহজ হবে।

  • India Hood Decode: ধর্মতলার ধর্না ফ্লপ! এবার আরও বড়সড় চাপে পড়ল তৃনমূল

    India Hood Decode: ধর্মতলার ধর্না ফ্লপ! এবার আরও বড়সড় চাপে পড়ল তৃনমূল

    এবার এক প্রকার ফাঁদে পড়ে রণে ভঙ্গ দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সুপ্রিম নির্দেশে জয় নয়, বরং ধর্না মঞ্চে নিজের হার দেখে ধর্না তোলার  সিদ্ধান্ত নিলেন তৃণমূল (TMC) সুপ্রিমো। আর এই কথাগুলো আমরা বলছি না, এগুলো প্রকাশ পাচ্ছে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রীর কাজে!

    একদিকে নিজের রাজনৈতিক স্বার্থ চরিতার্থ করতে গিয়ে কখনও তিনি অপমান করে বসছেন দেশের রাষ্ট্রপতিকে, আবার কখনো তিনি ওপেন থ্রেট দিচ্ছেন একটি কমিউনিটিকে! আবার অন্যদিকে, সুপ্রিম নির্দেশ হোক কিংবা শিক্ষকদের বিক্ষোভ – SIR-এর ধর্না মঞ্চে প্রকাশ্যে এসেছে এমন কিছু ঘটনা, যা বলে দিচ্ছে এক প্রকার ব্যর্থ হয়েছে এই ধর্না।

    এমনকি যে মুখ্যমন্ত্রী সিঙ্গুরের ঘটনার জন্য করেছিলেন ২৬ দিনের অনশন, যে মুখ্যমন্ত্রী নন্দীগ্রাম ঘটনার প্রতিবাদে দিয়েছিলেন ১৪ দিনের ধর্না, এমনকি নিজের পুলিশকে বাঁচাতে গিয়ে দিয়েছিলেন ৩ দিনের ধর্না – আজ সেই মুখ্যমন্ত্রী SIR-এর মতো ইস্যুতে মাত্র ৫ দিনেই কেন শেষ করে দিলেন ধর্না! আবার তাঁকে সেই ধর্না তোলার অনুরোধ করলেন তাঁরই ভাইপো অভিষেক! কেন?

    আজ India Hood ডিকোডে, আমরা তুলে ধরবো এমন কিছু তথ্য, এমন কিছু সত্য, যা প্রমাণ করে দেবে – ধর্মতলার এই ধর্না একটি ফ্লপ শো! প্রমাণ করে দেবে এই যে ধর্না মঞ্চেই এক প্রকার প্যাঁচে পড়ে গেলেন মুখ্যমন্ত্রী! তাই ধৈর্য ধরে লেখাটি শেষ পর্যন্ত পড়ুন।

    দিনটা ছিল শুক্রবার, ৬ই মার্চ, ২০২৬। দুপুর থেকেই ধর্মতলার মেট্রো চ্যানেলে ধর্নায় বসেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এই ধর্নার মূল ইস্যু ছিল SIR প্রক্রিয়ায়, অ্যাডজুডিকেশন তালিকায় যে ৬৩ লক্ষের নাম বাদ গিয়েছে, এরা কি আর ভোট দিতে পারবে?

    কিন্তু কয়েকদিন যেতে না যেতেই দেখা গেল অন্য ছবি। ধর্না মঞ্চ থেকেই তৈরি হচ্ছে একের পর এক বিতর্ক, মানুষের অধিকার নিয়ে শুরু হওয়া ধর্না পাল্টে যাচ্ছে  রাজনীতিতে! এমনকি ধর্না মঞ্চের পাশেই প্রতিবাদ দেখাচ্ছেন বাংলার শিক্ষকরা।

    যার ফলে শেষ পর্যন্ত – আদালতের নির্দেশে বড় জয়, নতুন দরজা অনেকটা খুলে গেল – এই সব বলে এক প্রকার বাধ্য হয়ে নিজেই ধর্না শেষ করার ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী!

    কিন্তু, আসলে এই ধর্না শেষ করার নেপথ্যে আসলে রয়েছে কী কারণ?

    প্রথম কারণ – প্রথম দিনেই হন অপদস্থ!

    দিনটা ৬ই মার্চ, অর্থাৎ ধর্নার প্রথম দিন। ধর্মতলায় মেট্রো চ্যানেলে ধর্নায় বসেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা। কিন্তু, হঠাৎ সেখানে গিয়ে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন কয়েক জন পার্শ্বশিক্ষক। গত কয়েক দিন ধরেই বেতন বৃদ্ধির দাবিতে সরব হয়েছিলেন তাঁরা। এ বার সেই প্রতিবাদের জন্য তাঁরা বেছে নিলেন মমতার ধর্না মঞ্চকে। সেখানে প্ল্যাকার্ড হাতে বেতন বৃদ্ধির দাবিতে স্লোগান দিতে থাকেন। পাশাপাশি পুলিশ এসে তাঁদের আটক করে সরিয়ে নিয়ে যায়।

    মঞ্চে বসে মমতা বলেন, ‘‘শান্ত হয়ে থাকতে পারলে থাকবেন। রাজনীতি করবেন না। বিজেপির কথায় এ সব করবেন না। এই জায়গা খোলামেলা বলে ভাববেন না, যা কিছু করা যাবে। প্রধানমন্ত্রী মোদী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শাহ-কে দেখান। ভ্যানিশ কুমারকে দেখান।’’

    আর এই ঘটনার ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় দ্রুত ভাইরাল হয়ে যায়। রাজনৈতিকভাবে এই ঘটনাটি তৃণমূলের জন্য অস্বস্তিকর হয়ে ওঠে।

    এই নিয়ে বিরোধীরা বলতে শুরু করে—যে মঞ্চ থেকে সরকার অন্যায়ের বিরুদ্ধে আন্দোলনের দাবি করছে, সেই মঞ্চের সামনেই সরকারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ হচ্ছে।

    এবার আসবো দ্বিতীয় কারণে, আর সেটা হল – রাষ্ট্রপতিকে অপমান!

    এরপর দিনটা ছিল ৭ই মার্চ। অর্থাৎ ধর্নার দ্বিতীয় দিন। পশ্চিমবঙ্গ সফরে আসেন ভারতের রাষ্ট্রপতি দৌপ্রদী মুরমু। তাঁর শিলিগুড়িতে আদিবাসী সম্প্রদায়ের একটি অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু নিরাপত্তার কারণে তার স্থান বদল হয়। আর সেখান থেকেই হয় বিতর্কের সূত্রপাত।

    কারণ এই স্থান পরিবর্তন নিয়ে রাষ্ট্রপতি অসন্তোষ প্রকাশ করেন। পরে তিনি নিজেই চলে যান সেখানে, যেখানে অনুষ্ঠান হওয়ার কথা ছিল। সেখান থেকে মুখ্যমন্ত্রী এবং রাজ্য প্রশাসনের বিরুদ্ধে তোপ দেগে মুর্মু বলেন, ‘‘সাধারণত রাষ্ট্রপতি এলে মুখ্যমন্ত্রীরও আসা উচিত। মন্ত্রীর থাকা উচিত। মমতা আমার ছোট বোনের মতো। জানি না, হয়তো কোনও কারণে আমার উপর রাগ করেছেন।‘ জায়গা প্রসঙ্গে এর পর তিনি বলেন, ‘‘প্রশাসনের মনে কী চলছিল জানি না। আমি তো সহজে চলে এলাম। ওরা বলেছিল পর্যাপ্ত জায়গা নেই। এখানে এত বড় জায়গা আছে। তা-ও কেন হল না, জানি না। এখানে হলে আরও অনেক মানুষ আসতে পারতেন।‘

    এরপর ধর্মতলার ধর্নামঞ্চ থেকেই এর জবাব দেন মমতা। বলেন, রাষ্ট্রপতি ‘বিজেপির নীতির ফাঁদে’ পড়েছেন। রাষ্ট্রপতির উদ্দেশ্যে মমতা বলেন, ‘‘বিজেপির পরামর্শে বিধানসভা ভোটের সময় রাজনীতি করবেন না। এসআইআর নিয়ে একটাও কথা বললেন না তো? কত আদিবাসীর নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে, সেই খবর রেখেছেন? খোঁজ নিয়ে নিন, আমরা আদিবাসীদের জন্য কী কী করেছি। অন্য রাজ্য কী করেছে।’

    আর মুখ্যমন্ত্রীর এই মন্তব্যকে কেন্দ্র করে বিরোধীরা অভিযোগ তোলে যে ভারতের রাষ্ট্রপতি পদকে অসম্মান করা হয়েছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয় জাতীয় স্তরেও।

    প্রশ্ন ওঠে — যে আন্দোলনকে গণতন্ত্র রক্ষার আন্দোলন বলা হচ্ছে, সেই আন্দোলনের মঞ্চ থেকেই দেশের সাংবিধানিক পদ নিয়ে মন্তব্য কেন? এই ঘটনাটা ধর্না মঞ্চের প্রথম বড় বিতর্ক হয়ে ওঠে। অনেকেই এই ঘটনাকে ভালোভাবে নেন না। আদিবাসীরা এই ঘটনায় রেগে যান। আর এখানেই ফাঁস হয় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আর এক দুমুখো রাজনীতির পরিচয় – একদিকে তিনি বলেন ভিনরাজ্যে বাঙালীদের হেনস্থার কথা, আর অন্যদিকে তিনি নিজের রাজ্যেই একজন বাঙালি রাষ্ট্রপতিকে হেনস্থা এবং অপমান করলেন। শুধু তাই নয়, তৃনমূলের তরফ থেকে রাষ্ট্রপতির নিরাপত্তার দায়িত্বে কারা থাকবেন, কোন কনভয়ে যাবেন, সেই সংক্রান্ত গোপন নথিও প্রকাশ করা হয় তৃনমূলের সোশ্যাল মিডিয়া হ্যান্ডেলে। যা নিয়েও শুরু হয় বিতর্ক!

    তৃতীয় কারণ – হিন্দুদের ওপেন থ্রেট!

    এরপর দিনটা ছিল ৯ই মার্চ। অর্থাৎ, ধর্নার চতুর্থ দিন। ধর্নামঞ্চে দাঁড়িয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায় বলেন,’আমরা আছি বলে আপনারা সবাই ভালো আছেন। যদি আমরা না থাকি, যদি তেমন দিন আসে তাহলে এক সেকেন্ড লাগবে। একটা কমিউনিটি যখন জোট বাঁধে না,ঘিরে ফেললে এক সেকেন্ডে দেবে একদম ১২টা বাজিয়ে। যদি নিজেদের ১৩টা বাজাতে না চান তাহলে বিজেপির অপ্রচারে কেউ দিন ভুল বুঝবেন না।’

    মমতার এই মন্তব্যের কড়া প্রতিক্রিয়া দেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন, এবার মুসলিমরা আর মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়ের পাশে নেই। তারা রয়েছে হুমায়ুন কবীরের পাশে। তিনি আরও বলেন, হিন্দুরাও এবার জোট বাঁধতে শুরু করেছে।

    ফলে ধর্নার মূল ইস্যু থেকে আলোচনা সরে গিয়ে সেই যে ধর্মীয় বিষয়ে গিয়ে আটকে গেলেন মুখ্যমন্ত্রী। অর্থাৎ কখনো দুধেল গাই আবার কখনো হিংস্র কমিউনিটির মন্তব্য – লোকের কাছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আসল পর্দা ফাঁস করে দিয়েছে।

    এবার আমরা বলবো চতুর্থ কারণ, আর সেটা হল সুপ্রিম কোর্টে রাজ্যের অপদস্থ হওয়া

    ১০ই মার্চ, সুপ্রিম কোর্টে SIR মামলার শুনানিতে একদিকে তৃনমূলের আইনজীবী মেনকা গুরুস্বামীকে চূড়ান্ত তিরস্কার করেন প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্ত। আর অন্যদিকে পরিষ্কার করে দেন, SIR প্রক্রিয়ার উদ্দেশ্য, যা প্রথম থেকেই বারংবার বলে আসছে নির্বাচন কমিশন। প্রধান বিচারপতি বলেন, যারা বৈধ ভোটার, তারা অবশ্যই তালিকায় থাকবেন, যারা অবৈধ, তাদের নাম বাদ যাবে। আর ভোটের একদিন আগেও যদি কোনও বৈধ ভোটারের নাম তালিকায় না থাকে, তাহলে সেটিকে স্পেশাল কেস হিসেবে দেখা হবে।

    কিন্তু, এখানেই উঠতে থাকে একাধিক প্রশ্ন – এখানে তৃনমূলের জয় কোথা থেকে হল? এছাড়া, কোর্টের নির্দেশ সবসময়ই মেনে এসেছে নির্বাচন কমিশন, সেটা আধার কার্ডকে মান্যতা দেওয়া হোক কিংবা SIR প্রক্রিয়ায় বিচার আধিকারিকদের অন্তর্ভুক্তি হোক – কিন্তু তৃনমূল কি কোর্টের কথা আদৌ শুনছে? তারা কোর্টের নির্দেশকেই বারংবার চ্যালেঞ্জ জানাচ্ছেন!

    এমনকি বিরোধীরা প্রশ্ন তোলে —  যদি বিষয়টি আদালতেই নিষ্পত্তির পথে থাকে তাহলে ধর্নার রাজনৈতিক প্রয়োজনীয়তা কোথায়? এইভাবে সাধারণ মানুষকে হয়রানি করিয়ে কী লাভ?

    পঞ্চম কারণ – ধর্না শেষে মুখ্যমন্ত্রীর আক্ষেপ!

    ১০ই মার্চ, ধর্না শেষ করার সময় মুখ্যমন্ত্রী একটি গুরুত্বপূর্ণ অভিযোগ করেন। তিনি বলেন— কিছু মানুষকে টাকা দিয়ে কিনে নেওয়ার চেষ্টা চলছে।

    এই বক্তব্য রাজনৈতিকভাবে বড় দাবি হলেও বিরোধীরা পাল্টা প্রশ্ন তোলে— কারা টাকা দিচ্ছে? কোন প্রমাণ আছে?

    আবার অনেকের দাবী – আসলে সবাই তৃণমূলের অরাজকতা ছেড়ে দল ছাড়ছে, আর সেই ব্যর্থতা ঢাকতে মুখ্যমন্ত্রী টাকা দিয়ে কেনার অভিযোগ তুলছেন – এমনটা নয় তো?

    আবার অনেকেই দাবী করেছেন, এবারের ধর্নায় মানুষের উপস্থিতির হার ছিল অনেক কম। এছাড়া, ধর্নার ফলে মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রাও প্রচণ্ডভাবে প্রভাবিত হচ্ছিল।

    ফলত বেগতিক বুঝে তাড়াতাড়ি করে এই ধর্না তুলে নেন মুখ্যমন্ত্রী।

    অর্থাৎ একদিকে মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন— দরজা কিছুটা খুলেছে, তাই আপাতত কর্মসূচি শেষ করা হচ্ছে।

    আর অন্যদিকে বিরোধীরা বলছে — আসলে রাজনৈতিকভাবে লাভ হচ্ছিল না। ধর্না মঞ্চে একের পর এক বিতর্ক তৈরি হচ্ছিল, প্রতিবাদ হচ্ছিল, এবং জনসমর্থনের প্রশ্ন উঠছিল। ফলে সেই পরিস্থিতি থেকে বেরিয়ে আসতেই ধর্না শেষ করা হয়েছে।

    কিন্তু, আপনাদের কী মনে হয়? এই ধর্না হঠাৎ করেই কেন শেষ করা হল? এবারের ভোটে এই ধর্না কী কোনও প্রভাব ফেলতে পারবে? জানাতে ভুলবেন না আপনার মতামত কমেন্ট করে।

  • BJP ও CPIM-র প্রার্থী ঘোষণা, হাসপাতালে আগুন…! আজকের সেরা ১০ খবর (১৬ মার্চ)

    BJP ও CPIM-র প্রার্থী ঘোষণা, হাসপাতালে আগুন…! আজকের সেরা ১০ খবর (১৬ মার্চ)

    সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: আজ ১৬ মার্চ, সোমবার। BJP ও CPIM-র প্রার্থী ঘোষণা, রেল সম্প্রসারণ, মমতার ধরনা মঞ্চে ‘ভুয়ো সাধু’, রাজ্য-রাজনীতি, অর্থনীতি, বহির্বিশ্ব, কোথায় কী ঘটল আজ? জানতে চোখ রাখুন আজকের সেরা দশে। India Hood-র তরফ থেকে আমরা নিয়ে এসেছি তরতাজা দশটি (Top 10 Bangla News in West Bengal And India) খবর, যা না পড়লে মিস করে যাবেন অনেক কিছুই। বিস্তারিত নতে হলে অবশ্যই প্রতিবেদনটি শেষ পর্যন্ত পড়ুন।

    ১০) ভোটের আগে প্রার্থী ঘোষণা করল বিজেপি

    আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে ১৪৪টি আসনে প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করেছে বিজেপি। তালিকায় বিরাট চমক হিসেবে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী এবার নন্দীগ্রাম এবং ভবানীপুর দুই আসনেই প্রার্থী হয়েছেন। আর ভবানীপুরে তাঁর সম্ভাব্য প্রতিনিধি হিসাবে প্রতিদ্বন্দ্বি হতে পারেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজেই। এছাড়াও দিলীপ ঘোষ থেকে শুরু করে অগ্নিমিত্রা পালসহ একাধিক পরিচিত মুখকে এবার বিভিন্ন পরিচিত কেন্দ্রের প্রার্থী করা হয়েছে। আর প্রথম দফায় ১৪৪টি আসনেই প্রার্থী দিয়েছে বিজেপি। বিস্তারিত পড়তে- এখানে ক্লিক করুন

    ৯) ভোটের আগে প্রার্থী ঘোষণা করল সিপিআইএম

    আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রার্থি তালিকা প্রকাশ করেছে সিপিআইএম। আলিমুদ্দিনে সাংবাদিক বৈঠকে বিমান বসু জানিয়েছেন যে, প্রথম দফায় ১৯২টি আসনে প্রার্থীর নাম ঘোষণা করা হচ্ছে। আর তালিকায় রয়েছেন মীনাক্ষী মুখার্জী থেকে শুরু করে বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য, দিপ্সিতা ধর সহ বিভিন্ন নাম করা নেতারা। বিভিন্ন জেলায় একাধিক নতুন এবং পরিচিত মুখদের এবার প্রার্থী করা হয়েছে। আর মোট ২৯৪টি আসনের মধ্যে বাকি আসনগুলির প্রার্থী তালিকা আগামী কয়েকদিনের মধ্যেই প্রকাশ করা হবে। বিস্তারিত পড়তে- এখানে ক্লিক করুন

    ৮) ভাঙ্গরে টিএমসি ছাড়লেন আব্দুল ইসলাম

    বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিরাট রাজনৈতিক পরিবর্তন ঘটল ভাঙ্গরে। তৃণমূল কংগ্রেস ছাড়ার ঘোষণা করলেন নেতা আব্দুল ইসলাম। তিনি জানিয়েছেন, দীর্ঘদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাশে থেকেও দলের থেকে প্রাপ্য সম্মান তিনি পাননি। তাই দুঃখে দল ছেড়েছেন। তাঁর এই সিদ্ধান্তে ভাঙ্গরে তৃণমূল কংগ্রেসের বিরাট ক্ষতি হতে পারে বলেই মনে করা হচ্ছে। জল্পনা উঠছে, তিনি এবার আইএসএফ-এ যোগ দিতে পারেন। যদিও এ বিষয়ে এখনও পর্যন্ত কিছু স্পষ্ট জানানো হয়নি। আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের আগে এই ঘটনা নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি করেছে। বিস্তারিত পড়তে- এখানে ক্লিক করুন

    ৭) ভারত থেকে ৪৫,০০০ টন ডিজেল আমদানি বাংলাদেশের

    জ্বালানি সংকট সামাল দিতে আবারো ভারত থেকে ডিজেল আমদানি বাড়াচ্ছে বাংলাদেশ। হ্যাঁ, বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন জানিয়ে দিয়েছে, প্রথমে ৫ হাজার টন ডিজেল পাঠানো হচ্ছে ভারত থেকে। আরও ৪০ হাজার টন আমদানির প্রক্রিয়া চলছে। সবমিলিয়ে এবার মোট ৪৫ হাজার টন ডিজেল ভারতে আসবে। আর এই সরবরাহ ভারত-বাংলাদেশ পাইপলাইনের মাধ্যমেই হবে, যা নরেন্দ্র মোদী এবং শেখ হাসিনা উদ্বোধন করেছিলেন। আসন্ন ঈদ উপলক্ষে দেশে জ্বালানিতে প্রভাব পড়তে পারে, তাই আগাম ব্যবস্থা নিচ্ছে সরকার। বিস্তারিত পড়তে- এখানে ক্লিক করুন

    ৬) শিয়ালদার তিন রুটে EMU পরিষেবা সম্প্রসারণ

    যাত্রীদের সুবিধার জন্য বিরাট সিদ্ধান্ত নিল ভারতীয় রেল। শিয়ালদা ডিভিশনে বনগাঁ, ক্যানিং এবং ডায়মন্ড হারবার পরিষেবা সম্প্রসারণ করা হচ্ছে। ২৩ মার্চ থেকে ২৩ মে পর্যন্ত পরীক্ষামূলকভাবে কিছু ট্রেনের গন্তব্য বাড়ানো হয়েছে, যাতে যাত্রীদের মাঝপথে অন্য ট্রেন ধরতে না হয়। শিয়ালদা-দত্তপুকুর, গোবরডাঙ্গা, চমম্পাহাটি, ঘুটিয়ারি এবং মগরাহাট লোকাল এখন সরাসরি বনগাঁ, ক্যানিং আর ডায়মন্ড হারবার পর্যন্ত চলবে বলে জানানো হয়েছে। ফলে শিয়ালদা শাখার লক্ষাধিক যাত্রী উপকৃত হবে। বিস্তারিত পড়তে- এখানে ক্লিক করুন

    ৫) রাজ্য পুলিশের ডিজি ও কলকাতা পুলিশ কমিশনারকে বদল কমিশনের

    বিধানসভা নির্বাচনের আগে প্রশাসনে বিরাট রদবদল করল নির্বাচন কমিশন। রাজ্যের ডিজিপি এবং কলকাতা পুলিশ কমিশনারকে বদলি করা হল। নতুন ডিজিপি হিসেবে দায়িত্ব পাচ্ছেন সিদ্ধনাথ গুপ্ত। আর কলকাতা পুলিশের নতুন কমিশনার হচ্ছেন অজয় নন্দ। আগের কমিশনার সুপ্রতিম সরকারকে সরানো হচ্ছে। আর কমিশনের নির্দেশ অনুযায়ী, সোমবার দুপুর তিনটের মধ্যেই নতুন কর্মকর্তাদেরকে দায়িত্ব নিতে হবে। এর আগে মুখ্য সচিব এবং স্বরাষ্ট্র সচিবকেও বদলি করা হয়েছিল। আর আসন্ন বিধানসভা নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার লক্ষ্যেই এই সিদ্ধান্ত। বিস্তারিত পড়তে- এখানে ক্লিক করুন

    ৪) মমতার ধরনা মঞ্চে ‘ভুয়ো সাধু’

    ধর্মতলায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ধরনা মঞ্চ ঘিরে এবার নতুন করে বিতর্ক তৈরি হল। অমিত মালব্য অভিযোগ করছেন, মঞ্চে এক ব্যক্তি সন্ন্যাসীর বেশে বক্তব্য দিয়ে নিজেকে মীনাখাঁর রামকৃষ্ণ সারদা মিশনের প্রধান বলে দাবি করেছেন। আর পরে রামকৃষ্ণ মিশন বিজ্ঞপ্তি দিয়ে জানিয়ে দিয়েছে, মীনাখাঁইয় তাদের কোনও রকম শাখা নেই এবং তাদের কোনও সন্ন্যাসী কর্মসূচিতে অংশগ্রহণও করেননি। ঘটনাটি ঘিরে রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে। কিন্তু এই অভিযোগ, এ নিয়ে এখনো পর্যন্ত তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে কোনও বিবৃতি জারি করা হয়নি। বিস্তারিত পড়তে- এখানে ক্লিক করুন

    ৩) আলু বিক্রি না হওয়ায় গোঘাটে আত্মঘাতী ভাগচাষি

    হুগলির গোঘাটের মথুরা এলাকায় আলু বিক্রি না হওয়া এবং ঋণের চাপে আত্মঘাতী হয়েছেন ৩৩ বছরের ভাগ চাষি বাপন সুর। হ্যাঁ, গত কয়েক বছর ধরে আলু চাষ করলেও এবার ভালো পরিমাণে দাম না পাওয়ার কারণে তিনি চরম হতাশার মধ্য দিয়ে দিন কাটাচ্ছিলেন। পরিবারের অনুপস্থিততে বাড়িতে গলায় ফাঁস দিয়েছেন তিনি। প্রথমে তাঁর পাঁচ বছরের সন্তান বাবাকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পায়। চিৎকার করলে পরিবার তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা সেখানে মৃত বলে ঘোষণা করে। ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। বিস্তারিত পড়তে- এখানে ক্লিক করুন

    ২) শিয়ালদা ডিভিশনের একাধিক লোকাল ট্রেনের স্টপেজ বাড়াল রেল

    শিয়ালদা ডিভিশনের যাত্রীদের সুবিধার জন্য এবার বিরাট সিদ্ধান্ত নিল পূর্ব রেল। বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ১৮ মার্চ থেকে শিয়ালদা ডিভিশনের একাধিক লোকাল ট্রেনের নতুন স্টপেজ চালু হচ্ছে। শিয়ালদা-শান্তিপুর, রানাঘাট, গেদে, কৃষ্ণনগর, শিয়ালদা-বনগাঁ রুটের বিভিন্ন ট্রেন এবার বাথনা কৃত্তিবাস, শান্তিনগর হল্ট, তাহেরপুর, বীরনগর, জালালখালি হল্ট, বিশরপাড়া কোদালিয়া ও মাতলা স্টেশনে থামবে। আর এই সিদ্ধান্তে উপকৃত হবে যাত্রীরা এবং যাতায়াত আরও সহজ হয়ে উঠবে বলেই মনে করা হচ্ছে। বিস্তারিত পড়তে- এখানে ক্লিক করুন

    ১) কটকের হাসপাতালে অগ্নিকাণ্ডে মর্মান্তিক মৃত্যু ১০ রোগীর

    ওড়িশার কটকের এসসিবি মেডিকেল কলেজ এন্ড হসপিটালের আইসিইউতে ভোররাতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ১০ জন রোগীর মৃত্যু হয়েছে। সোমবার ভোর তিনটে নাগাদ আগুন লাগার পর দ্রুত ধোঁয়া ছড়িয়ে পড়ে। উদ্ধার কাজে গিয়ে প্রায় ১১ জন হাসপাতাল কর্মী আহত হয়েছেন। আর ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি পরিদর্শন করেছেন ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রী মোহন চরণ মাঝি। প্রাথমিকভাবে কোনও শর্টসার্কিট থেকেই আগুন লাগার আশঙ্কা করা হচ্ছে। মুখ্যমন্ত্রী বিচার বিভাগীয় তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন। আর মৃতদের পরিবারকে আর্থিক সহায়তা করাবে বলে জানিয়েছেন। বিস্তারিত পড়তে- এখানে ক্লিক করুন