Tag: Mamata Banerjee

  • দুয়ারে চিকিৎসা থেকে ঘরে ঘরে পানীয় জল, মর্ডান স্কুল! ইস্তেহারে ১০ প্রতিজ্ঞা তৃণমূলের

    দুয়ারে চিকিৎসা থেকে ঘরে ঘরে পানীয় জল, মর্ডান স্কুল! ইস্তেহারে ১০ প্রতিজ্ঞা তৃণমূলের

    বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: বিধানসভা নির্বাচনের আগে একের পর এক চমক দিচ্ছে তৃণমূল কংগ্রেস (TMC Manifesto 2026)। এবার ইস্তেহার প্রকাশ করে রাজ্যবাসীকে চমকে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শুক্রবার কালীঘাট থেকে ইস্তেহার প্রকাশ করে বাংলার মানুষ জনের কাছে বড় প্রতিশ্রুতি রাখলেন মুখ্যমন্ত্রী। ইস্তেহারের নাম রাখা হল “বাংলার জন্য দিদির ১০ প্রতিজ্ঞা।” মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন, তৃণমূল কংগ্রেস ফের ক্ষমতায় এলে রাজ্যবাসীর দুয়ারে দুয়ারে পৌঁছে যাবে চিকিৎসা পরিষেবা। সেই সাথে বাংলার মানুষের কাছে আরও 9টি প্রতিজ্ঞা রেখেছেন মুখ্যমন্ত্রী।

    তৃণমূল এলেই দুয়ারে চিকিৎসা

    শুক্রবার নিজেদের ইস্তেহারে রাজ্যবাসীর কাছে অন্যতম প্রতিশ্রুতি হিসেবে দুয়ারের চিকিৎসা পরিষেবা চালু করার কথা জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। মমতার কথায়, “তৃণমূল কংগ্রেসের ক্ষমতায় আসবে এবং দুয়ারে সরকারের আদলে দুয়ারের চিকিৎসা নামে ব্লকে ব্লকে খোলা হবে স্বাস্থ্যশিবির। সেখানে থাকবেন রাজ্যের অভিজ্ঞ চিকিৎসকরা। আর সেই স্বাস্থ্য শিবির থেকেই নিজেদের যাবতীয় চিকিৎসা করাতে পারবে সাধারণ মানুষ।

    বলাই বাহুল্য, 2024 লোকসভা নির্বাচনের আগে নিজের ডায়মন্ড হারবার কেন্দ্রে সেবাস্রয় শিবিরের আয়োজন করেছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। পরবর্তীতে সেই সেবাশ্রয় গড়ে তোলা হয় নন্দীগ্রামেও। খানিকটা সেই আদলেই আগামী দিনে রাজ্যের প্রতিটি ব্লকে স্বাস্থ্য শিবির গড়ে তোলার কথা তুলে ধরেন মুখ্যমন্ত্রী।

    তৃণমূলের ইস্তেহারে আর কী কী আছে?

    ইস্তেহারে দুয়ারে চিকিৎসা পরিষেবা চালু করার কথা জানানোর পাশাপাশি রাজ্যের কয়েক হাজার সরকারি স্কুলের আধুনিকীকরণ করা হবে বলেও প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। এই স্কুল গুলিকে মডার্ন স্কুলে রূপান্তরিত করা হবে অর্থাৎ তালিকাভুক্ত প্রতিটি স্কুলে ই লার্নিং সহ আধুনিক পঠন-পাঠন চালানো হবে। এই প্রকল্পের অধীনে নিয়োগ করা হবে প্রচুর শিক্ষক।

     

    অবশ্যই পড়ুন: ট্রেনের খাবার কতটা সতেজ জানতে পারবেন স্ক্যান করেই, QR কোড সিস্টেম চালু করল রেল

    এখানেই শেষ নয়, রাজ্যের প্রবীণ নাগরিকদের দেখাশোনার জন্যও বিশেষ প্রকল্পের ঘোষণা করে দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা। পাশাপাশি বাংলার সাত থেকে আটটি জেলায় নতুন নতুন পৌরসভা তৈরি করার কথাও জানিয়েছেন তিনি। এগুলি ছাড়াও বাংলার প্রত্যেককে পাকা বাড়ি করে দেওয়া হবে বলেও নিশ্চয়তা দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। একই সঙ্গে তৃণমূলের ইস্তেহারে, বাড়িতে বাড়িতে পানীয় জল, বাংলাকে পূর্ব ভারতের প্রবেশদ্বার হিসেবে গড়ে তোলা, কৃষি ক্ষেত্রে 30 হাজার কোটি টাকার বাজেট এবং প্রতিটি কৃষককে আর্থিক সাহায্য করা, বেকার যুবক যুবতীদের পাশে থাকা অর্থাৎ যুবসাথী প্রকল্প এবং বাংলার মহিলাদের লক্ষ্মীর ভান্ডারের হাত ধরে মাসিক অর্থ সাহায্য দিয়ে যাওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।

  • বেতন-স্থায়ীকরণের দাবিতে বাড়ছে ক্ষোভ, ভোটে তৃণমূলকে হারানোর ডাক পার্শ্ব শিক্ষকদের

    বেতন-স্থায়ীকরণের দাবিতে বাড়ছে ক্ষোভ, ভোটে তৃণমূলকে হারানোর ডাক পার্শ্ব শিক্ষকদের

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: ২৬ এর বিধানসভা নির্বাচন (West Bengal Election 2026) নিয়ে বেশ তোড়জোড় শুরু হয়েছে রাজ্য জুড়ে। রবিবার নির্বাচনের দিন ঘোষণার পরেই মঙ্গলবার, পূর্ণাঙ্গ প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করেন মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। জনবিচ্ছিন্ন নয়, বরং সাধারণ মানুষের সঙ্গে নিবিড়ভাবে যুক্ত থাকার জন্য তালিকায় নতুন পুরাতন মুখকে দাঁড় করানো হয়েছে। কিন্তু এসবের মাঝেই পার্শ্ব শিক্ষকদের (Para Teachers) ক্ষোভ আরও বড় আকার নিল। প্রতিশ্রুতি না পূরণ হওয়ায় এবার শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেসের পরাজয় চেয়ে পথে নামতে চলেছে পার্শ্ব শিক্ষকেরা।

    প্রতিশ্রুতি পূরণ করেনি রাজ্য সরকার

    স্থায়ীকরণ ও বেতন বৃদ্ধির দাবিতে এখনও অনড় রাজ্যের সকল পার্শ্ব শিক্ষকরা। কিন্তু কোনো সুফল মিলছে না। নিখিল বঙ্গ পার্শ্ব শিক্ষক সমিতির সভাপতি মধুমিতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, ‘‘মুখ্যমন্ত্রী কি সবটাই ভুলে গেলেন? সাধারণ শিক্ষকদের মতোই পার্শ্ব শিক্ষকেরাও স্কুলের সব দায়িত্ব পালন করছেন। তবু আমরা কেন দীর্ঘ দিন অবহেলিত থাকব? দী‌র্ঘ বছর ধরে নিয়োগ না হওয়ায় এখন বিভিন্ন স্কুলে শিক্ষকের অভাব। তবে আমরা লিফলেট তৈরি করে আমাদের বঞ্চনার কথা লিখে সাধারণের মধ্যে ছড়িয়ে দেব।’’ তবে এই সকল অভিযোগ অস্বীকার করছে শাসকদল। পশ্চিমবঙ্গ তৃণমূল প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির রাজ্য সভাপতি মইদুল ইসলাম জানিয়েছেন, “শিক্ষকদের অবসরকালীন ৫ লক্ষ টাকা দেওয়ার ব্যবস্থা করেছে। ৬০ বছর পর্যন্ত চাকরি সুনিশ্চিত করেছে, মাতৃত্বকালীন ছুটি চালু করেছে।”

    ভাতা নিয়েও বাড়ছে ক্ষোভ

    পার্শ্ব শিক্ষকদের অভিযোগ, ২০০৯ সালে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ছিলেন বিরোধী দলনেত্রী। তখন পার্শ্ব শিক্ষকদের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন যে, সরকারে এলে তাঁর প্রধান কাজ হবে পার্শ্ব শিক্ষকদের স্থায়ীকরণ। এখনও সেই বক্তব্যের ভিডিয়ো রেকর্ডিং, খবরের কাটিং আছে তাঁদের কাছে। এমনকি ২০১১ সালে ক্ষমতায় এসে মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠকের শেষে মুখ্যমন্ত্রী ঘোষণা করেছিলেন, পার্শ্ব শিক্ষকদের ছয় মাস থেকে তিন বছরের মধ্যে ধাপে ধাপে স্থায়ীকরণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। কিন্তু এত বছর পরে সেই স্থায়ীকরণ আজও হয়নি। এমনকি আট বছর পরে ভাতা বেড়েছে মাত্র এক হাজার টাকা।

    আরও পড়ুন: ‘জনসংগ্রাম মঞ্চ’ নিয়ে ভোটে রাজন্যা, লড়বেন দুই হেভিওয়েট কেন্দ্র থেকে

    পার্শ্ব শিক্ষক ঐক্য মঞ্চের সভাপতি ভগীরথ ঘোষ জানিয়েছেন, “স্কুল সার্ভিস কমিশনের পরীক্ষায় ৫৫ বছর পর্যন্ত বসার সুযোগ ছিল। তৃণমূলের সরকার সেই সংরক্ষণের নিয়মও তুলে দেয়। তাই এ বারের ভোটে তৃণমূলের পরাজয় চেয়ে মাঠে নামতে চাইছেন ক্ষুব্ধ পার্শ্ব শিক্ষকেরা। রাজ্যে পার্শ্ব শিক্ষকের সংখ্যা ৪১ হাজারের মতো। প্রতিটি পরিবারে চার জন সদস্য আছেন ধরে নিলে মোট ভোটারের সংখ্যা কিছু কম নয়। আমাদের আবেদন, যে এলাকায় যে বিরোধী দল শক্তিশালী, তাদের ভোট দিন। আমরা কলকাতার ভবানীপুর-সহ বেশ কিছু এলাকায় স্ট্রিট কর্নার করছি।” জানা গিয়েছে, খুব শীঘ্রই রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে সমাবেশ-মিছিল করতে চলেছেন তাঁরা। এখন দেখার এই ক্ষোভের মুখে পড়ে রাজ্য সরকার পার্শ্ব শিক্ষকদের জন্য কোনো উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ গ্রহণ করে কিনা।

  • আলোচনা না করেই IAS-IPS বদলি কমিশনের! হাইকোর্টে মামলা দায়ের কল্যাণের

    আলোচনা না করেই IAS-IPS বদলি কমিশনের! হাইকোর্টে মামলা দায়ের কল্যাণের

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: রাজ্য জুড়ে শুরু হয়েছে ভোটের (West Bengal Election 2026) প্রচার। দিন রাত এক করে প্রার্থীরা জনসংযোগ বৃদ্ধি করতে উঠে পড়ে লেগেছে। এদিকে ভোট ঘোষণার পর থেকে বাংলায় একের পর এক আধিকারিক বদল হয়েই চলেছে। যা নিয়ে বেশ ক্ষুব্ধ প্রশাসন। এমতাবস্থায় বাংলার IAS এবং IPS অফিসারদের অন্য রাজ্যে নির্বাচনের কাজে পাঠানোর বিরুদ্ধে হাইকোর্টে (Calcutta High Court) মামলা দায়ের করলেন আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় (Kalyan Banerjee)। অনুমতি দিলেন প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ। সোমবার হবে শুনানি।

    প্রশাসনের শীর্ষ কর্তাদের বদলি নিয়ে ক্ষুব্ধ সরকার

    গত রবিবার পশ্চিমবঙ্গ-সহ চারটি রাজ্য এবং একটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের বিধানসভা নির্বাচনের দিন ঘোষণা করেছে কমিশন ৷ দুই দফায় হবে রাজ্যে হবে নির্বাচন। এদিকে ঘোষণার পরেই ওইদিন রাত থেকেই রাজ্য প্রশাসনের শীর্ষ কর্তাদের একে একে পরিবর্তন করতে শুরু করে কমিশন। মুখ্যসচিব, স্বরাষ্ট্রসচিব থেকে শুরু করে পুলিশ ও প্রশাসনের আরও বেশ কয়েকজন কর্তাকেও সরিয়ে দেওয়া হয়। পরে শোনা যায় তাঁদের কয়েকজনকে অন্য রাজ্যে ভোটের কাছে পাঠানো হয়েছে। এই নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রাজ্যের সঙ্গে কোনও আলোচনা না করেই সিদ্ধান্ত নেওয়ায় ক্ষুব্ধ প্রশাসন। এবার সেই নিয়ে হাইকোর্টে দ্বারস্থ হলেন আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়।

    কমিশনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের কল্যাণের

    রিপোর্ট মোতাবেক, আজ অর্থাৎ শুক্রবার, রাজ্যের আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে কলকাতা হাইকোর্টের মামলা দায়েরের আবেদন জানান। প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ মামলা দায়েরের অনুমতি দিয়েছে। সেখানে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ জানিয়েছেন যে, নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব নির্বাচন করা। কিন্তু প্রশাসনের সমস্ত বিভাগের উচ্চপদস্থ আধিকারিকদের অন্য রাজ্যে স্থানান্তরের অধিকার নির্বাচন কমিশনের নেই। এতে প্রশাসনিক কাজ ব্যাহত হচ্ছে। জানা গিয়েছে, আগামী সোমবার, এই মামলার শুনানি হবে। অন্যদিকে এই একই বিষয় নিয়ে এর আগে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে চিঠিও দিয়েছেন। কিন্তু মেলেনি কোনো জবাব।

    আরও পড়ুন: সৌদির সঙ্গে মিলিয়ে ঈদ পালন করে ভারতের এই গ্রাম! কারণ জানলে অবাক হবেন আপনিও

    প্রসঙ্গত, গত মঙ্গলবার তৃণমূলের প্রার্থী ঘোষণার দিনেও বিজেপি এবং কমিশনকে সাংবাদিক সম্মেলনে সরাসরি আক্রমণ করেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, ”বাংলাকে ইচ্ছে করে টার্গেট করা হচ্ছে। আপনাদের অনেক পরিকল্পনা, অনেক চক্রান্ত আছে। কিন্তু মনে রাখবেন, এবারেও বাংলার মাটিতে বিজেপির জেতার কোনো সম্ভাবনা নেই। SIR, গ্যাসের লাইনে দাঁড় করিয়ে মানুষকে হেনস্তা করলে কেউ আপনাদের পাশে থাকবে না। এই লড়াইয়ে বাংলা, বাংলার মা-মাটি-মানুষ জিতবে।” বিধানসভা নির্বাচন ঘিরে রাজ্য ও কমিশনের সংঘাত শুরু থেকেই ছিল৷ এর আগেও নানা ব্যাপারে কমিশনের সঙ্গে সংঘাতে জড়িয়েছে রাজ্য প্রশাসন ৷ একজন দেখার মামলার জল কত দূর এগোয়।

  • স্বাস্থ্য, মহিলা, কর্মসংস্থান—তৃণমূলের ইস্তেহারে বড় চমক আনতে চলেছেন মমতা

    স্বাস্থ্য, মহিলা, কর্মসংস্থান—তৃণমূলের ইস্তেহারে বড় চমক আনতে চলেছেন মমতা

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: হাতে সময় খুব কম, তাই বিধানসভা ভোটের (West Bengal Election 2026) নির্ঘণ্ট, প্রার্থীর নাম ঘোষণা হতেই বিভিন্ন ইস্যুকে সামনে রেখে দিন রাত ভোট প্রচার করে চলেছে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল। অন্যদিকে মুখ্যমন্ত্রীর সিংহাসন চতুর্থবার দখল করার জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছে তৃণমূল (Trinamool Congress)। তাই অন্তর্বর্তী বাজেট পেশ করার সময় নানা চমক এনেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। আর এবার শীঘ্রই ইস্তাহার (TMC Manifesto) প্রকাশ করতে চলেছে তৃণমূল কংগ্রেস। মহিলাদের নানা সুবিধা দেওয়ার পাশাপাশি স্বাস্থ্য ব্যবস্থায় আনা হতে চলেছে একাধিক চমক।

    তৃণমূলের ইস্তেহারে থাকবে একাধিক চমক

    রিপোর্ট মোতাবেক ২৬ এর বিধানসভা নির্বাচনের ইস্তেহার প্রকাশ করতে চলেছে তৃণমূল কংগ্রেস। শোনা যাচ্ছে আজ বিকেলেই প্রকাশিত হবে। এক বিশেষ নির্বাচনী স্লোগান নিয়ে আসা হয়েছে, আর সেটি হল ‘যে লড়ছে সবার ডাকে, সেই জেতাবে বাংলা মাকে’। শোনা যাচ্ছে বেশ কিছু সামাজিক উন্নয়নের পাশাপাশি মহিলাদের জন্য একাধিক চমক রাখা হচ্ছে। কর্মসংস্থানের উপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়ার পাশাপাশি শিল্পায়নের নতুন দিশা দেখাতে চলেছে তৃণমূলের এই ইস্তেহার। মহিলাদের উন্নয়ন ও সুরক্ষায় বিশেষ জোর দিতে চলেছে শাসকদল। এছাড়াও SC-ST সম্প্রদায়ের উন্নয়নে আরও জোর যেমন দেওয়া হবে ঠিক তেমনই স্বাস্থ্য ক্ষেত্রে বিশেষ চমক থাকতে পারে ইস্তেহারে।

    টার্গেট করা হচ্ছে সাধারণের নিত্যদিনের কাজকে

    তৃণমূল কংগ্রেসের আগামী ৫ বছরের কাজের পরিকল্পনায় বাঙালি অস্মিতা রক্ষায় জোর দিতে চলেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। উল্লেখ্য, ২০২১-এর ইস্তাহারে দুয়ারে রেশন, মা ক্যান্টিন বেশ সাড়া ফেলে দিয়েছিল বঙ্গবাসীদের মনে। তাই এবারের ইস্তাহারেও সাধারণ মানুষের কাজগুলি যেগুলি নিত্যদিনের যোগ থাকবে তার উপর জোর দিতে চলেছে। এদিকে গত রবিবার ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণার আগেই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পুরোহিত এবং মোয়াজ্জিনদের ভাতা ১৫০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২০০০ টাকা করে দিয়েছিল, যা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে বেশ চর্চা শুরু হয়েছিল, এখন দেখার ইস্তেহারে কী কী চমক অপেক্ষা করছে।

    আরও পড়ুন: ‘জনসংগ্রাম মঞ্চ’ নিয়ে ভোটে রাজন্যা, লড়বেন দুই হেভিওয়েট কেন্দ্র থেকে

    প্রসঙ্গত, নির্বাচনের আবহে যেকোনও রাজনৈতিক দলের কাছে নির্বাচনী ইস্তাহার খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আসলে এই ইস্তেহার হল যদি কোনো রাজনৈতিক দল ক্ষমতায় আসে, তাহলে সেই দল আগামী পাঁচ বছর কী কী কাজ করবে, ইস্তাহারে তা তুলে ধরে এনে জনগণের সামনে। বিজেপি ইতিমধ্যে ইস্তেহার প্রকাশ করেছে, এখন নজর তৃণমূলের দিকে।

  • ‘জনসংগ্রাম মঞ্চ’ নিয়ে ভোটে রাজন্যা, লড়বেন দুই হেভিওয়েট কেন্দ্র থেকে

    ‘জনসংগ্রাম মঞ্চ’ নিয়ে ভোটে রাজন্যা, লড়বেন দুই হেভিওয়েট কেন্দ্র থেকে

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: দোরগোড়ায় ২৬ এর বিধানসভা নির্বাচন (West Bengal Election 2026), তাই রাজনৈতিক দলগুলির প্রার্থী তালিকা ঘোষণা নিয়ে এইমুহুর্তে এক উত্তেজিনামূলক পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে রাজ্য জুড়ে। এমতাবস্থায় ভোটের ময়দানে এবার নিজস্ব দল গঠন করলেন রাজন্যা হালদার (Rajanya Haldar)। জানা গিয়েছে নির্বাচনে দুই হেভিওয়েট কেন্দ্র থেকে ভোটে লড়ছেন তিনি। প্রকাশ্যে আনলেন দলের নামও।

    দুই কেন্দ্র থেকে লড়ছেন রাজন্যা

    বৃহস্পতিবার বিকেল ৪টের সময় কলকাতার প্রেস ক্লাবে একটি সাংবাদিক বৈঠক করেন একদা তৃণমূলের ছাত্র পরিষদের প্রাক্তন নেত্রী রাজন্যা হালদার। সেখানেই তিনি নিজের রাজনৈতিক দল ‘জনসংগ্রাম মঞ্চ’ প্রকাশ করেন। শুধু দলের নাম নয় এর পাশাপাশি আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে কোন কোন কেন্দ্রে রাজন্যা প্রার্থী দেবে তাও খোলসা করলেন। জানা গিয়েছে, সোনারপুর দক্ষিণ ও আসানসোল দক্ষিণ থেকে প্রার্থী হচ্ছেন রাজন্যা হালদার। এছাড়াও খড়দহে জনসংগ্রাম মঞ্চের প্রার্থী হচ্ছেন আইনজীবী অনির্বাণ ব্যানার্জি, রাজারহাট-নিউটাউনে শুভঙ্কর মুখার্জি, সোনারপুর উত্তরে আইনজীবী নারায়ণ দাস। তবে আরও প্রার্থী ঘোষণা এখনও বাকি।

    মুখ্যমন্ত্রীকে কটাক্ষ করলেন রাজন্যা

    সাংবাদিক সম্মেলনে প্রার্থী এবং দল ঘোষণার পর রাজন্যা হালদার তৃণমূল এবং বিজেপি, ২ দলের বিরুদ্ধেই সরব হয়েছেন। তিনি বলেছেন, “ প্রার্থী হিসেবে নানা বিধানসভা কেব্দ্র থেকে ভোটের ময়দানে থাকব। বাংলা কাঁদছে, গণতন্ত্র ধার চাই।” নাম না করেই মুখ্যমন্ত্রীর উদ্দেশে তিনি বলেন, “যে বাংলার মানুষের দায়িত্ব নিয়েছেন তাঁকে বাংলার গণতন্ত্রকে বাঁচানোর আবেদন সুপ্রিম কোর্টে যেতে হত না। বাংলার গণতন্ত্রকে কীভাবে বাঁচাতে হয় তা তাঁর করে দেখানো উচিৎ ছিল। কিন্তু তা পারেননি। তাই ‘জনসংগ্রাম মঞ্চ’-এর মাধ্যমে ছাত্রযুবরা মাঠে নামছি।” তিনি আরও বলেন, “হারি কি জিতি, লড়াইয়ের ময়দান থেকে সরব না।”

    আরও পড়ুন: সিভিকরা পাবেনা ৬০০ টাকা বোনাস? নবান্নর সিদ্ধান্তের পরই রিপোর্ট চাইল কমিশন

    আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে রাজন্যা হালদার এদিন ‘জনসংগ্রাম মঞ্চ’-এর ইশতেহার প্রকাশ করেন। কর্মসংস্থান, চাকরি সঙ্কট, মানুষের মৌলিক অধিকার সুরক্ষিত করা, নারী সুরক্ষা এবং নারীর অর্থনৈতিক বিকাশ সুরক্ষা করা, শিশুদের পুষ্টির বিকাশ, শিক্ষার উন্নয়ন ইত্যাদি তুলে ধরেন ইশতেহারে। উল্লেখ্য, আর জি কর-কাণ্ডের আবহে, তিলোত্তমাদের প্রতিবাদ নিয়ে শর্ট ফিল্ম তৈরি করে, দলের রোষে পড়েন তিনি। তারপর তৃণমূল তাঁকে সাসপেন্ড করে দিয়েছিল। জল্পনা ছিল যে, তিনি বিজেপি-তে যোগ দিতে পারেন। যদিও সেই জল্পনা উড়িয়ে অবশেষে নিজের দল তৈরি করলেন রাজন্যা।

  • সিভিকরা পাবেনা ৬০০ টাকা বোনাস? নবান্নর সিদ্ধান্তের পরই রিপোর্ট চাইল কমিশন

    সিভিকরা পাবেনা ৬০০ টাকা বোনাস? নবান্নর সিদ্ধান্তের পরই রিপোর্ট চাইল কমিশন

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: বিধানসভা নির্বাচন (West Bengal Election 2026) যত এগিয়ে আসছে ততই রাজ্য জুড়ে এক চাপা উত্তেজনা ক্রমেই প্রকাশ পাচ্ছে। প্রার্থী তালিকা ঘোষণা থেকে শুরু করে ভোটপ্রচার সব মিলিয়ে যেন উৎসব লেগেছে রাজ্যে। আর এদিকে ভোটের আগে সিভিক ভলান্টিয়ারদের জন্য বড় ঘোষণা করল নবান্ন (Nabanna)। চলতি অর্থবর্ষ থেকেই কার্যকরী হয়ে চলেছে তাঁদের অ্যাড-হক বোনাস। এদিকে রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনের আগে সিভিক ভলান্টিয়ারদের বোনাস বৃদ্ধি নিয়ে বিতর্ক দেখা দিয়েছে। রিপোর্ট তলব করল নির্বাচন কমিশন (Election Commission Of India)।

    ৬০০ টাকা বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে বোনাস!

    গত ২৭ ফেব্রুয়ারি অর্থ দফতরের নির্দেশিকার ভিত্তিতে একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছিল। সেই বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছিল যে, পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ ও কলকাতা পুলিশের অধীনস্থ সিভিক ভলান্টিয়ার এবং ভিলেজ পুলিশ ভলান্টিয়াররা এবার থেকে বছরে ৭ হাজার ৪০০ টাকা করে বোনাস পাবেন। গত অর্থবর্ষে এই বোনাসের পরিমাণ ছিল ৬ হাজার ৮০০ টাকা। অর্থাৎ ৬০০ টাকা বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। সরকারি নির্দেশে জানানো হয়েছে, রাজ্যপাল এই বোনাস প্রদানের অনুমোদন দিয়েছেন। নির্দিষ্ট খাতে এর ব্যয় বহন করা হবে। এমতাবস্থায় গতকাল নবান্ন জানিয়েছে, রাজ্য পুলিশ ও কলকাতা পুলিশের অধীনে থাকা সিভিক ভলান্টিয়ার ও ওয়েস্ট বেঙ্গল পুলিশের অধীনে থাকা ভিলেজ পুলিশ ভলান্টিয়াররা চলতি অর্থবর্ষে এই বোনাস পাবেন। এবার এই নিয়ে রিপোর্ট তলব করল নির্বাচন কমিশন।

    পুরোহিত ভাতা বৃদ্ধি মমতা সরকারের

    গত রবিবার, নির্বাচনের দিন ঘোষণার কিছু আগেই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পুরোহিত এবং মোয়াজ্জিনদের ভাতা বাড়ানোর ঘোষণা করেছিলেন। ১৫০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২০০০ টাকা করা হয় পুরোহিত ও মোয়াজ্জিনদের ভাতা। শুধু তাই নয়, ওই ঘোষণার আধ ঘণ্টার মধ্যে বকেয়া ডিএ মিটিয়ে দেওয়ার কথা সোশ্যাল মিডিয়ায় জানিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। প্রশাসনিক মহলের মতে, নির্বাচনের ঠিক আগে এই ঘোষণা তাৎপর্যপূর্ণ মনে হলেও রাজনৈতিক মহলে এই ঘোষণা নিয়ে জল্পনা শুরু হয়েছে। বিরোধীদের দাবি, নির্বাচনের আগে সিভিক ভলান্টিয়ারদের খুশি করতেই শাসকদলের এই ধরনের পদক্ষেপ।

    আরও পড়ুন: এই কারণেই পানিহাটিতে অভয়ার মায়ের নাম ঘোষণা করতে পারল না বিজেপি?

    অন্যদিকে ভোটের আগেই যাতে বেকার যুবকদের হাতে ‘বাংলার যুব সাথী’ প্রকল্পে দেড় হাজার টাকা পৌঁছে দেওয়া যায়, তার জন্য সময় এগিয়ে আনেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। অনেকেরই দাবি, সামনে যেহেতু বিধানসভা ভোট তাই ‘বেকার ভাতা’ এগিয়ে আনা হল। সেক্ষেত্রে শাসকদলের প্রতি ‘ইতিবাচক মনোভাব’ তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। এমতাবস্থায় ভোটের মুখে সিভিক ভলান্টিয়ারদের অ্যাড-হক বোনাস নিয়ে এবার নির্বাচন কমিশন রিপোর্ট চাইল রাজ্য সরকারের কাছে। সব মিলিয়ে, নির্বাচন ঘোষণার আবহে এই বোনাস ঘোষণাকে ঘিরে প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক দুই ক্ষেত্রেই চর্চা তুঙ্গে।

  • বাংলায় ‘অঘোষিত জরুরি অবস্থা’? কমিশনের বিরুদ্ধে এবার গর্জে উঠলেন মমতা

    বাংলায় ‘অঘোষিত জরুরি অবস্থা’? কমিশনের বিরুদ্ধে এবার গর্জে উঠলেন মমতা

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: দোরগোড়ায় এসে গিয়েছে ২৬ এর বিধানসভা নির্বাচন (West Bengal Election 2026), হাতে বাকি আর মাত্র কয়েকটা দিন। আগামী ২৩ এবং ২৯ এপ্রিল দুই দফায় রাজ্যে হবে বিধানসভা নির্বাচন। ইতিমধ্যেই বিজেপি এবং CPIM প্রথম দফার প্রার্থী তালিকা প্রকাশ্যে এনেছে, অন্যদিকে তৃণমূল কংগ্রেসও পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রকাশ করেছে। তাই এখন তুমুল ভোট প্রচার শুরু হয়েছে রাজনীতিবিদদের। এই অবস্থায় ফের নির্বাচন কমিশনারকে নিশানা করল তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। অঘোষিত জরুরি অবস্থা নিয়ে গর্জে উঠলেন তিনি।

    কমিশনের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক মমতা

    রিপোর্ট মোতাবেক মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আজ, নিজের এক্স হ্যান্ডেলে জাতীয় নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ তুলে ধরেন। তিনি পোস্টে লেখেন, “নির্বাচন কমিশন যেভাবে বাংলাকে আলাদাভাবে টার্গেট করে একের পর এক নিশানা করেছে, তা শুধু নজিরবিহীনই নয় বরং গভীর উদ্বেগের। নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক বিজ্ঞপ্তি জারির আগেই মুখ্যসচিব, স্বরাষ্ট্রসচিব এবং রাজ্য পুলিশের ডিজি-সহ প্রায় ৫০ জনেরও বেশি উচ্চপদস্থ আধিকারিককে তাঁদের পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। এছাড়াও এই তালিকায় রয়েছেন একাধিক এডিজি, আইজি, ডিআইজি এবং জেলাশাসকরা। তাই, এটি কোনও সাধারণ প্রশাসনিক রদবদল নয়, বরং এটি একটি ‘সুপরিকল্পিত রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ’।”

    নির্বাচনী পর্যবেক্ষকদের ট্রান্সফার নিয়ে প্রশ্ন মমতার

    মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর পোস্টে নির্বাচন কমিশনকে প্রশাসনিক সিদ্ধান্তের স্বচ্ছতা নিয়ে একাধিক প্রশ্ন করেছেন। তিনি লিখেছেন, “শিলিগুড়ি ও বিধাননগরের পুলিশ কমিশনারদের কোনো বিকল্প ছাড়াই পর্যবেক্ষক হিসেবে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। যার ফলে এই দুই গুরুত্বপূর্ণ শহর কিছু সময়ের জন্য কার্যত অভিভাবকহীন হয়ে পড়েছে। এমনকি যে আধিকারিকদের এতদিন ‘নির্বাচনী কাজের অযোগ্য’ বলে সরানো হচ্ছিল, তাঁদেরই দেখা যাচ্ছে কয়েক ঘণ্টার মধ্যে ভিন রাজ্যে নির্বাচনী পর্যবেক্ষক হিসেবে পাঠানো হয়েছে। যা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে।” তিনি আরও জানান, “আইবি, এসটিএফ এবং সিআইডির মতো গুরুত্বপূর্ণ শাখার অফিসারদের সরিয়ে দেওয়ায় প্রশাসনিক কাঠামো পঙ্গু হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। যা নাগরিকদের মধ্যে উদ্বিগ্ন ও অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে।”

    অঘোষিত জরুরি অবস্থা প্রসঙ্গে মমতা

    তৃণমূল সুপ্রিমো নির্বাচন কমিশনকে আক্রমণ শানিয়ে জানান যে, “সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও এখনও সম্পূরক ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হয়নি। এছাড়া বিতর্কিত এসআইআর (SIR) প্রক্রিয়া এবং নাগরিকত্ব প্রমাণের বাধ্যবাধকতা নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে উদ্বেগ বাড়ছে। এটি কোনো সুশাসন নয়। এটি বিশৃঙ্খলা, বিভ্রান্তি এবং চরম অযোগ্যতা, যাকে ক্ষমতার মোড়কে চালানো হচ্ছে। এটি কোনো কাকতালীয় ঘটনা নয়, বরং জোরজুলুম এবং প্রাতিষ্ঠানিক কারসাজির মাধ্যমে পশ্চিমবঙ্গের নিয়ন্ত্রণ দখল করার পরিকল্পনা। আমরা যা দেখছি তা রাজনৈতিক প্রতিহিংসা দ্বারা পরিচালিত একটি অঘোষিত জরুরি অবস্থা এবং রাষ্ট্রপতির শাসনের এক অপ্রকাশিত রূপ।”

    আরও পড়ুন: সিভিক ভলান্টিয়ারদের বোনাস বাড়াল নবান্ন! এক ধাক্কায় বাড়ল এত টাকা

    নির্বাচন কমিশনকে দোষ দেওয়ার পাশাপাশি এদিন বিজেপিকেও এক হাতে নেন তৃণমূল সুপ্রিম তথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, “বাংলার মানুষের বিশ্বাস অর্জন করতে ব্যর্থ হয়ে বিজেপি বাংলাকে কব্জা করতে প্রতিষ্ঠানগুলোকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছে। তাইতো স্বাধীনতার ৭৮ বছর পরেও মানুষকে লাইনে দাঁড়িয়ে নাগরিকত্ব প্রমাণ করতে বাধ্য করতে হচ্ছে। তবে বাংলা লড়বে, বাংলা প্রতিরোধ গড়বে এবং এই মাটিতে কোনো বিভাজনমূলক ও ধ্বংসাত্মক কর্মসূচি চাপিয়ে দেওয়ার প্রতিটি চেষ্টাকে বাংলা চূড়ান্তভাবে পরাজিত করবে।”

  • ভোটের আগে অন্য খেলা! শুভেন্দু হাইকোর্টে যেতেই শোরগোল

    ভোটের আগে অন্য খেলা! শুভেন্দু হাইকোর্টে যেতেই শোরগোল

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: ২৬ এর ভোটের (West Bengal Election 2026) দামামা বেজে গিয়েছে রাজ্য জুড়ে। তাই বেশি দেরি না করে সোমবারই বিজেপি প্রথম দফার ভোটের প্রার্থী তালিকা প্রকাশ্যে আসতেই দেখা যায় নন্দীগ্রাম এবং ভবানীপুর এই দুই কেন্দ্রে বিজেপি প্রার্থী হয়ে দাঁড়িয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। এদিকে ভবানীপুরে তাঁর প্রতিপক্ষ হয়ে দাঁড়াচ্ছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, তাই সেখানে টক্কর যে বেশ নজরকাড়া হবে তা বেশ বোঝা যাচ্ছে। এমতাবস্থায় ঘটল আরেক ঘটনা। মনোনয়ন পত্র জমা দেওয়ার আগে ফের হাইকোর্টের (Calcutta High Court) দ্বারস্থ হলেন শুভেন্দু অধিকারী।

    হাইকোর্টের দ্বারস্থ হলেন শুভেন্দু

    রিপোর্ট মোতাবেক, আজ, ভবানীপুর এলাকায় প্রচার মিছিলেও যান শুভেন্দু অধিকারী৷ কিন্তু, হঠাৎ করেই ঢুকে পড়েন ভবানীপুর থানার ভিতরে। বেশ খানিকক্ষণ কথাও বলেন সেখানে৷ এরপর সেখান থেকে বেরিয়ে গিয়েই কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হলেন তিনি। আর তাতেই সকলের মনে প্রশ্ন জাগে যে কী এমন হল যে হাইকোর্টে আসলেন শুভেন্দু অধিকারী? পরে জানায় হাইকোর্টে তিনি পুলিশের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছেন। শুভেন্দুর বক্তব্য, তাঁর বিরুদ্ধে মোট কতগুলি মামলা রয়েছে, সেই সঠিক তথ্য পুলিশ তাঁকে দিচ্ছে না। কিন্তু মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার সময় প্রার্থীকে তাঁর শিক্ষাগত যোগ্যতা, অপরাধমূলক রেকর্ড, আর্থিক অবস্থা, পেশা ও আয়ের উৎস, সরকারি বকেয়া সবই বিস্তারিত জানাতে হয়। তাই এই বিষয়ে আদালতের হস্তক্ষেপ চেয়েছেন বিজেপি নেতা।

    খারিজ হয়েছিল ১৫ টি FIR

    শুভেন্দু অধিকারী এর আগে আইনি রক্ষাকবচ চেয়ে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন। ২০২২ সালের ডিসেম্বর মাসে বিচারপতি রাজাশেখর মান্থা নির্দেশ দিয়েছিলেন যে, আদালতের অনুমতি ছাড়া শুভেন্দু অধিকারীর বিরুদ্ধে কোনো নতুন FIR করা যাবে না। কিন্তু গত বছর কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি জয় সেনগুপ্ত শুভেন্দু অধিকারীর দীর্ঘদিনের আইনি সুরক্ষাকবচ সরিয়ে নেন। এদিকে সুরক্ষাকবচ তুলে নিলেও একই রায়ে শুভেন্দুর বিরুদ্ধে দায়ের করা ১৫টি FIR বা মামলা সম্পূর্ণ খারিজ করে দেয় হাইকোর্ট। কারণ স্বরূপ আদালত জানিয়েছিল মামলাগুলি ভিত্তিহীন ছিল বা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে করা হয়েছিল। আর সেই রায় বড় স্বস্তি লাভ করেছিলেন শুভেন্দু অধিকারী।

    আরও পড়ুন: হাড়োয়ায় উদ্ধার তৃণমূল নেতার ক্ষতবিক্ষত দেহ! গোষ্ঠীদ্বন্দ্বে খুন? উত্তেজনা এলাকায়

    উল্লেখ্য, চলতি বছর পশ্চিম মেদিনীপুরের চন্দ্রকোনায় শুভেন্দু অধিকারীর কনভয়ে হামলার ঘটনা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে বেশ উত্তেজোনামূলক পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল। এই নিয়ে হাইকোর্টে মামলা দায়ের করেছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। সেই মামলায় ২০২৬ সালের ১৯ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত তাঁকে অন্তর্বর্তী সুরক্ষা দিয়েছিল হাইকোর্ট। এবার এই পরিস্থিতিতে মনোনয়ন জমা দেওয়ার আগে নিজের বিরুদ্ধে থাকা মামলার পূর্ণাঙ্গ তথ্য জানতে চেয়ে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন শুভেন্দু। এখন দেখার আদালত এই প্রসঙ্গে কী নির্দেশ দেয়।

  • আইপ্যাক মামলা, ভোটের আগে রাজ্যে বিস্ফোরক…! আজকের সেরা ১০ খবর (১৮ মার্চ)

    আইপ্যাক মামলা, ভোটের আগে রাজ্যে বিস্ফোরক…! আজকের সেরা ১০ খবর (১৮ মার্চ)

    সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: আজ ১৮ মার্চ, বুধবার। আইপ্যাক মামলা, ভোটের আগে রাজ্যে বিস্ফোরক, বাংলায় নতুন রেলপথ, রাজ্য-রাজনীতি, অর্থনীতি, বহির্বিশ্ব, কোথায় কী ঘটল আজ? জানতে চোখ রাখুন আজকের সেরা দশে। India Hood-র তরফ থেকে আমরা নিয়ে এসেছি তরতাজা দশটি (Top 10 Bangla News in West Bengal And India) খবর, যা না পড়লে মিস করে যাবেন অনেক কিছুই। বিস্তারিত নতে হলে অবশ্যই প্রতিবেদনটি শেষ পর্যন্ত পড়ুন।

    ১০) স্ত্রীকে ফিরে পাওয়ার জন্য কলকাতা হাইকোর্টের দারস্থ বাংলাদেশি যুবক

    বাংলাদেশের যুবক অরিজিৎ সরকার তাঁর স্ত্রীকে উদ্ধারের দাবিতে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হলেন। তাঁর অভিযোগ যে, ঢাকায় বিয়ের পর স্ত্রীর পরিবার জোর করে তাঁকে পশ্চিমবঙ্গে এনে উত্তর ২৪ পরগনা জেলার বিরাটিতে আটকে রেখেছেন এবং তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ বন্ধ করে দিয়েছেন। হোয়াটসঅ্যাপে পাঠানো লোকেশনের ভিত্তিতে তিনি কলকাতায় এসেছেন এবং বিভিন্ন জায়গায় অভিযোগ করেছেন। কিন্তু কোনও রকম ফল মেলেনি। পরে হাইকোর্টে মামলা করেছেন। তাঁর দাবি, স্ত্রীকে অবৈধ ভাবে আটকে রাখা হয়েছে। বিস্তারিত পড়তে- এখানে ক্লিক করুন

    ৯) আইপ্যাক মামলায় মমতার ভূমিকায় ক্ষুব্ধ সুপ্রিম কোর্ট

    আইপ্যাক মামলায় সুপ্রিম কোর্ট মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভূমিকা নিয়ে এবার প্রশ্ন তুলেছে। আদালত জানিয়েছে, তদন্তে কোনও মুখ্যমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ মেনে নেওয়া যায় না। শুনানিতে রাজ্যের আইনজীবী অতিরিক্ত সময় চেয়েছেন। যার বিরোধিতা করেছেন তুষার মেহতা। ইডি অভিযোগ করছে যে, মুখ্যমন্ত্রী অনুমতি ছাড়াই নথি নিয়েছেন আর তদন্তে বাধা দিয়েছেন। রাজ্যের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, এই ধরনের মামলা কেন্দ্রীয় সরকার করতে পারে, কোনও সংস্থা নয়। পাশাপাশি সংবিধান অনুযায়ী বড় বেঞ্চ গঠন করে সংস্থাগুলির সঙ্গে ক্ষমতা নির্ধারণের কথা উঠেছে। বিস্তারিত পড়তে- এখানে ক্লিক করুন

    ৮) অরুণাচলে মঠে গিয়ে মূর্তি চুরি বাংলার পর্যটকের

    অরুণাচল প্রদেশের তাওয়াং মঠে এক বাঙালি পর্যটকের বিরুদ্ধে ধর্মীয় সামগ্রী চুরির অভিযোগ উঠল। জানা যাচ্ছে, পিতলের বুদ্ধমূর্তি, ঘন্টা এবং অন্যান্য জিনিসপত্র চুরি করে নিয়েছিল সে। সিসিটিভি ফুটেজের ভিত্তিতে পুলিশ ওই অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে এবং সমস্ত সামগ্রী উদ্ধার করেছে। পরে তিনি নিজের ভুল স্বীকার করে নেন আর অনুতপ্ত প্রকাশ করেন। মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি থেকেই মঠ কর্তৃপক্ষ তাঁকে ক্ষমা করে দেয় আর কোনও মামলা দায়ের করা হয়নি। এই ঘটনায় সন্ন্যাসীদের মানবিকতার নিয়ে ধন্যি ধন্যি পড়েছে। বিস্তারিত পড়তে- এখানে ক্লিক করুন

    ৭) ভোটের আগে পাঁচ DIG সহ ১১ DM-কে সরাল কমিশন

    আসন্ন পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে বিরাট পদক্ষেপ নিয়েছে নির্বাচন কমিশন। একসঙ্গে ৫ ডিআইজি এবং ১১টি জেলার ডিএমকে বদল করে দেওয়া হল এবার। দার্জিলিং, মালদা, মুর্শিদাবাদ, নদিয়া সহ বেশ কিছু জেলায় এবার নতুন জেলা শাসক নিয়োগ করা হয়েছে। পাশাপাশি কলকাতা উত্তর এবং দক্ষিণে ডিইও বদল করে দেওয়া হয়েছে। ভোটের আগে প্রশাসনে নিরপেক্ষতা বজায় রাখার জন্য এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হচ্ছে। যদিও অভিযোগ উঠছে যে, রাজ্যের সঙ্গে আলোচনা ছাড়াই এই বদলি করা হচ্ছে। বিস্তারিত পড়তে- এখানে ক্লিক করুন

    ৬) গ্যাস বুকিং আরও সহজ, জারি নতুন নম্বর

    গ্যাস বুকিং সহজ করার জন্য বিরাট উদ্যোগ নিয়েছে ইন্ডিয়ান অয়েল কর্পোরেশন। নতুন মিসড কল নম্বর ৮৯২৭২-২৫৬৬৭ ও আইভিআরএস নম্বর ৮৩৯১৯-৯০০৭০ চালু করা হল, যা কিনা ২৪ ঘন্টা সক্রিয় থাকবে। পাশাপাশি এলপিজি বুকিং সাইকেলে পরিবর্তন আনা হয়েছে। শহরে ২১ দিনের বদলে এবার ২৫ দিন আর গ্রামে ২৫ দিনের বদলে ৪৫ দিন করে নতুন সিলিন্ডার বুক করা যাবে। আর ডেলিভারির ক্ষেত্রে কোড বাধ্যতামূলক করে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু অনেক গ্রাহক রেজিস্টার্ড নম্বর সক্রিয় না থাকার কারণে সমস্যায় পড়ছেন। বিস্তারিত পড়তে- এখানে ক্লিক করুন

    ৫) বাংলার নতুন রেলপথ নিয়ে বিরাট সুখবর

    নতুন রেলপথ নির্মাণে এবার বিরাট অগ্রগতি পেল বাংলা। হ্যাঁ, ভারতীয় রেলের উদ্যোগে মানবাজার হয়ে পুরুলিয়া থেকে ঝাড়গ্রাম পর্যন্ত মোট ১২৫ কিলোমিটার নতুন লাইনের ফাইনাল সার্ভে সম্পন্ন হয়েছে বলে খবর। এই প্রকল্পে মোট আটটি নতুন স্টেশন তৈরি করা হবে। যার মধ্যে চারটি হবে পুরুলিয়ায়। আর রেল মন্ত্রকের অনুমোদন মিললেই এই প্রকল্পের কাজ শুরু হবে। এই রেলপথ চালু হলে দুই জেলার যোগাযোগ আরও মজবুত হবে বলে জানা যাচ্ছে এবং বাণিজ্য ও পর্যটন শিল্পে ব্যাপক উন্নতি আসবে। বিস্তারিত পড়তে- এখানে ক্লিক করুন

    ৪) IPAC মামলায় সুপ্রিম কোর্টে ফের বাড়তি সময় চাইল রাজ্য

    আইপ্যাক মামলায় সুপ্রিম কোর্টে শুনানির সময় পশ্চিমবঙ্গ সরকার ইডির হলফনামা জবাব দিতে অতিরিক্ত সময় চেয়েছে। যার বিরোধিতা করেছে ইডি। বিচারপতি প্রশান্ত কুমারের বেঞ্চ মামলার বিলম্ব নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত রাজ্যকে কিছু সময় দেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে। কেন্দ্রের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে যে, রাজ্য ইচ্ছাকৃতভাবে শুনানি পিছচ্ছে। রাজ্য মামলার গ্রহণযোগ্যতা নিয়েও প্রশ্ন তুলছে। ভোটার আগে এই মামলা কেন্দ্র ও রাজ্যের টানাপড়েন আরও বাড়াচ্ছে। বিস্তারিত পড়তে- এখানে ক্লিক করুন

    ৩) বীরভূমে উদ্ধার অসংখ্য বিস্ফোরক, আতঙ্ক নলহাটিতে

    আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের আগে বীরভূমের নলহাটিতে উদ্ধার হল বিপুল পরিমাণে বিস্ফোরক। পুলিশ একটি ট্রাক্টর থেকে আনুমানিক ১০ হাজার জিলেটিন স্টিক ও ৩৬০ ডিটোনেটর বাজেয়াপ্ত করেছে। আর সেই ট্রাকের চালক পলাতক। ঘটনায় এলাকায় তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে এবং তদন্ত শুরু হয়েছে। অন্যদিকে প্রার্থী তালিকা ঘোষণার পর রাজনৈতিক অশান্তি আরও বেড়েছে। বহু বিধায়ক ভোটার টিকিট না পেয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করছেন। আর স্থানীয় প্রতিযোগিতা বাড়ানোর জন্য প্রার্থী বদলের সিদ্ধান্ত নিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। বিস্তারিত পড়তে- এখানে ক্লিক করুন

    ২) বিমানের ৬০ শতাংশ আসন পছন্দ হবে ফ্রিতে, নয়া নিয়ম DGCA-র

    বিমান যাত্রীদের জন্য বিরাট স্বস্তির খবর দিয়েছে এভিয়েশন মন্ত্রক এবং ডিজিসিএ। নতুন নিয়ম অনুযায়ী বিমানের অন্তত ৬০ শতাংশ আসন যাত্রীরা বিনামূল্যে পছন্দ করতে পারবে। আর এর জন্য অতিরিক্ত কোনও চার্জ দেওয়া লাগবে না। একই পিএনআর-এ বুকিং হলে পাশাপাশি সিটও বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। আর ফ্লাইট দেরি বা বাতিল হলে যাত্রীদের জানানো, আঞ্চলিক ভাষায় সহায়তা এবং পোষ্য বহনের নীতিতে এবার জোর দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এতে যাত্রীদের ভ্রমণ আরও সহজ হবে। বিস্তারিত পড়তে- এখানে ক্লিক করুন

    ১) শিয়ালদা লাইনে একাধিক স্পেশাল ট্রেনের ঘোষণা পূর্ব রেলের

    যাত্রীদের ভিড় সামাল দেওয়ার জন্য পূর্ব রেল শিয়ালদা ডিভিশনে বিশেষ ট্রেন চালানোর ঘোষণা করল। শিয়ালদা স্টেশন থেকে লালগোলা ও রানাঘাট রুটে ১৯, ২০ এবং ২২ মার্চ মোট ছয়টি স্পেশাল ট্রেন চালানো হবে বলে জানানো হয়েছে। ঈদের আগে যাত্রীদের চাপ কমানোর জন্য এই উদ্যোগ। শিয়ালদা-লালগোলা, লালগোলা-রানাঘাট এবং রানাঘাট-লালগোলা রুটে বিভিন্ন সময়ে ট্রেনগুলো চলবে। আর নির্দিষ্ট সময়সূচি অনুযায়ী সকাল, দুপুর এবং সন্ধ্যাবেলা ট্রেনগুলি ছাড়বে আর পৌছবে। এতে যাত্রীদের যাতায়াতে কিছুটা হলেও স্বস্তি মিলবে। বিস্তারিত পড়তে- এখানে ক্লিক করুন

  • একসময় বিজেপিতে আস্থা দেখিয়েছিল ভবানীপুর, জিতেছিল গেরুয়া শিবির

    একসময় বিজেপিতে আস্থা দেখিয়েছিল ভবানীপুর, জিতেছিল গেরুয়া শিবির

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: বাংলায় ভোটের আখড়া রীতিমত জমে উঠেছে। রবিবার নির্বাচন কমিশনের ভোটের (West Bengal Election 2026) দিনক্ষণ ঘোষণার পরেই পরেরদিন সোমবার, বিজেপি প্রথম দফার প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেছে। আর সেই তালিকায় বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীকে দেখা গিয়েছে ভবানীপুর (Bhabanipur) এবং নন্দীগ্রামের প্রার্থী হতে। অন্যদিকে গতকাল, তৃণমূল কংগ্রেস প্রকাশ্যে এসেছে সম্পূর্ণ ভোটার তালিকায়। উল্লেখ্যযোগ্য বিষয় হল মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) এবার ভবানীপুর থেকে ভোটে দাঁড়াতে চলেছেন। অর্থাৎ নন্দীগ্রামের হাইভোল্টেজ লড়াই এবার দেখা যাবে ভবানীপুরে।

    ভবানীপুরে জোর টক্কর তৃণমূল বিজেপির

    ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে নন্দীগ্রাম কেন্দ্র থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে পরাজিত করেছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। মমতাকে ১৯৫৬ ভোটে পরাজিত করেছিলেন শুভেন্দু। প্রতি মুহূর্তে সেই সংখ্যা জাহির করে প্রায়ই নিজের প্রশংসা করেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। এবারেও শুভেন্দু দাবি করেছেন যে ২০২১-এ তাঁর কাছে নন্দীগ্রামে যেভাবে হারতে হয়েছিল মমতাকে, ২০২৬ এ ভবানীপুরে তার পুনরাবৃত্তি হবে। কিন্তু ইতিহাস বলছে, ভবানীপুর দীর্ঘদিন ধরেই তৃণমূলের শক্ত ঘাঁটি। তাই মমতাকে হারাতে গেলে অনেক কষ্ট করতে হবে। কিন্তু এর মাঝেও উঠছে উল্টো হিসেব, কারণ একসময় কিন্তু বিজেপিও ভবানীপুরে জিতেছিল।

    ভবানীপুরে জিতেছিল বিজেপি!

    রিপোর্ট অনুযায়ী জানা যাচ্ছে, ২০১১ সালের পর থেকে ভবানীপুর কেন্দ্রে একাধিকবার জিতেছিল শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস। ২০১১ ও ২০২১ সালের উপনির্বাচন এবং ২০১৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে জিতেছিল তৃণমূল। যদিও ২০১৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে ভালো ফল করতে পারেনি তৃণমূল, উল্টে গেরুয়া শিবির কম ভোট পেলেও হারিয়েছিল শাসকদলকে। রিপোর্ট বলছে ২০১৪ এর লোকসভা নির্বাচনে ভবানীপুর বিধানসভা কেন্দ্রে সর্বমোট ১৮৫ ভোটে জিতেছিল বিজেপি (যদিও সেটি আসন জয় নয়, তবে সেবার ভবানীপুরে প্রথমবার এমন পটপরিবর্তন দেখা গিয়েছিল)। যদিও ওই একটি বারই, গত ১৫ বছরে মোট ৮টি নির্বাচনের মধ্যে ৭টিতেই তৃণমূল জয়ী বা এগিয়ে ছিল। ফলে এই কেন্দ্র এখনও তৃণমূলের ঘাঁটি বলেই ধরা হয়।

    আরও পড়ুন: বাংলায় ফের বড় অ্যাকশন কমিশনের, পাঁচ DIG সহ ১১ DM-কে সরাল কমিশন

    বেশ কয়েকটি সংবাদ প্রতিবেদনে শোনা যাচ্ছে, ভবানীপুরে প্রায় ৪০% বাঙালি ভোটার, সমসংখ্যক গুজরাতি, মারওয়ারি, বিহারি ও অন্যান্য রয়েছে এছাড়াও মুসলিম ভোটারের পরিসংখ্যানও এখানে ২০%। এই মিশ্র সামাজিক গঠন নির্বাচনের ফল নির্ধারণে বড় ভূমিকা নেয়। সেক্ষেত্রে দুই দলের মধ্যে কোন দল জিতবে সেই নিয়ে জটিলতা তৈরি হয়েছে। যদিও তৃণমূল এবং বিজেপি দুজনেই আশা রাখছে তারাই জিতবে। এখন দেখার মমতা বনাম শুভেন্দুর লড়াইয়ের টক্করে কে জেতে।