Tag: Malay Mukherjee

  • বিজ্ঞপ্তি জারি করলেও DA নিয়ে ‘চালাকি’ রাজ্যের, ফের সুপ্রিম কোর্টে যাওয়ার হুঁশিয়ারি

    বিজ্ঞপ্তি জারি করলেও DA নিয়ে ‘চালাকি’ রাজ্যের, ফের সুপ্রিম কোর্টে যাওয়ার হুঁশিয়ারি

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ বকেয়া ডিএ (Bengal DA Issue) বা মহার্ঘ্য ভাতা নিয়ে সরকার জারি করেছে নয়া বিজ্ঞপ্তি। কবে থেকে এবং কত দফায় এই বকেয়া পরিশোধ করা হবে তা বিজ্ঞপ্তি জারি করে সকলের সামনে তুলে ধরেছে রাজ্য অর্থ দফতর। যদিও এতে সরকারের নতুন চালাকি দেখছেন সরকারি কর্মীরা। এই ইস্যুতে বড় তথ্য দিয়েছেন কনফেডারেশন অব স্টেট গভঃ এমপ্লয়িজের সাধারণ সম্পাদক মলয় মুখোপাধ্যায় (Malay Mukherjee)।

    DA নিয়ে সরকারের নতুন চালাকি?

    তিনি ফেসবুক পোস্টে লিখেছেন, ‘ডিএ নোটিফিকেশন প্রেক্ষিত পশ্চিমবঙ্গ সরকার এপ্রিল ২০০৮ – ডিসেম্বর ২০১৯ পর্যন্ত DA/DR বকেয়া দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তবে সরকার প্রথম ধাপে জানুয়ারি ২০১৬ থেকে ডিসেম্বর ২০১৯ সময়ের বকেয়া দেওয়া হবে। এবং এই টাকা দুটি সমান কিস্তিতে দেওয়া হবে –১ম কিস্তি মার্চ ২০২৬ এবং ২য় কিস্তি সেপ্টেম্বর ২০২৬। বলা হয়েছে গ্রুপ A, B, C কর্মচারীদের টাকা GPF account-এ জমা করা হবে। তবে Group D কর্মচারী ও পেনশনভোগীদের টাকা সরাসরি ব্যাংক অ্যাকাউন্টে দেওয়া হবে। চালাকি এখানে বলা হয়েছে, ২০০৮–২০১৫ সময়ের DA বকেয়া দেওয়ার নিয়ম পরে জানানো হবে। যা সর্বোচ্চ আদালতের পরিপন্থি। আমরা, সরকার যে আদালতের নির্দেশের মান্যতা দেয়নি তা আবারও সর্বোচ্চ আদালতে তুলে ধরবো।’

    আরও পড়ুনঃ কবে, কত দফায় মিলবে বকেয়া DA? বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ পশ্চিমবঙ্গ সরকারের

    কেউ কেউ বলছেন, দয়া করে ১২.৫% হারে সুদের কথাটা তুলে ধরবেন। এতবছর ধরে টাকা গুলো সরকার খাটিয়ে নিল,তার তো একটা সুদ আছে। সুতরাং সুদসহ ফেরত দিতে হবে। একজন লিখেছেন, ‘এতো বছর পর এত টালবাহানা র পর টাকা GPF এ কেনো নেবো? তাও ২ বছর পর তোলা যাবে. মামার বাড়ি আব্দার স্যালারি অ্যাকান্ট এই দেওয়ার কথা তুলে ধরুন প্লিজ।’ অন্য আরেকজন লিখেছেন, ‘সুপ্রিম কোর্ট কি আগে ২০১৬ জানুয়ারি থেকে ২০১৯ ডিসেম্বর পর্যন্ত আগ দিয়ে পরে ২০০৮ থেকে ২০১৫ পর্যন্ত পরে দিতে বলেছে? সমস্ত হিসাব করে তার ২৫ শতাংশ দেওয়ার কথা।’

    বিজ্ঞপ্তি জারি সরকারের

    সোমবার রাজ্য অর্থ বিভাগের তরফে জারি করা বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, প্রথম পর্যায়ে, সরকার জানুয়ারি ২০১৬ থেকে ডিসেম্বর ২০১৯ পর্যন্ত চার বছরের জন্য বকেয়া ডিএ পরিশোধ করবে। সর্বভারতীয় ভোক্তা মূল্য সূচক (এআইসিপিআই)-এর ভিত্তিতে বকেয়ার পরিমাণ নির্ভুলভাবে গণনা করা হবে। রাজ্য সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে এই পর্বের বকেয়া দুটি সমান কিস্তিতে পরিশোধ করা হবে। প্রথম কিস্তি ২০২৬ সালের মার্চ মাসে এবং দ্বিতীয় কিস্তি ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বর মাসে প্রদান করা হবে।

     

  • ১০ বছরের লড়াইয়ের পর জয়, ২৫% DA নিয়ে কী বলছেন সরকারি কর্মীরা?

    ১০ বছরের লড়াইয়ের পর জয়, ২৫% DA নিয়ে কী বলছেন সরকারি কর্মীরা?

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ অবশেষে দীর্ঘ লড়াইয়ের অবসান। লক্ষ লক্ষ রাজ্য সরকারি কর্মচারীর জন্য অবশেষে এল বড় সুখবর। দীর্ঘদিন ধরে বকেয়া থাকা বকেয়া ডিএ (Dearness allowance) নিয়ে রাজ্য সরকার বড় ঘোষণা করেছে। মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, সরকার তাদের প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী রোপা ২০০৯ অনুযায়ী বকেয়া DA পরিশোধের প্রক্রিয়া (Bengal DA) শুরু করছে। চলতি মার্চ ২০২৬ থেকেই শুরু হবে ডিএ এরিয়ার প্রদান। এদিকে সরকারের এহেন ঘোষণায় বেজায় খুশি সরকারি কর্মীরাও। সরকারের এহেন পদক্ষেপে এবার বড় মন্তব্য করলেন ডিএ মামলাকারী মলয় মুখোপাধ্যায় (Malay Mukherjee)।

    আমাদের আনন্দ ধরে রাখতে পারছি নাঃ মলয় মুখোপাধ্যায়

    মলয় মুখোপাধ্যায় এক ভিডিও বার্তায় জানান। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মেনে যেভাবে ডিএ-টা দিতে বলেছিল সেটা সরকার মেনে নিয়েছে এবঙ্গা মরা সেভাবেই ডিএটা পেতে চলেছি। কনফেডারেশন অফ স্টেট গভর্নমেন্ট এমপ্লয়িজ ২০১৬ সালে ডিএ মামলা দায়ের করেছিল। ২০১৬ থেকে ২০২৬ সাল দীর্ঘ ১০ বছর ধরে নির্দিষ্ট লক্ষ্য রেখে লড়াই করে গিয়েছি। আগেই বলেছিলাম রোপা মেনে যারাই ডিএ পান তাঁরা সকলেই পাবেন। শিক্ষক, অশিক্ষক, ভোট, পুরসভা সকলেই পাবেন। আমরা সকলের জন্যি লড়াই করেছি। মাঝখানে একটা বিভ্রান্ত তৈরি হওয়াতে আমরা খুব দুর্বল হয়ে পড়েছিলাম। ভেবেছিলাম শুধু আমরাই টাকা পাবো। এই লড়াই কি তাহলে অসম্পূর্ণ রয়ে গেল? কিন্তু সরকার যখন ঘোষণা করল সকলেই ডিএ পাবেন তখন আমরা আমাদের আনন্দ ধরে রাখতে পারছি না।’

    তিনি আরও জানিয়েছেন, আমাদের লড়াই কিছুটা পূর্ণতা পেল। নোটিফিকেশন যখন সামনে আসবে তখন আমরা সম্পূর্ণটা বলব। এটা মনে রাখতে হবে ২০১৯ সালে রাজ্য ট্রাইব্যুনাল যে রায়টা দিয়েছিল সেটাই কিন্তু সুপ্রিম কোর্টে যায় এবং সেটা এখন মান্যতা পেয়েছে।’ শেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী, অর্থ দফতরের সর্বশেষ নোটিফিকেশন অনুযায়ী ধাপে ধাপে এই বকেয়া টাকা কর্মীদের দেওয়া হবে। বহু বছর ধরে জমে থাকা এই বকেয়া অর্থ অবশেষে কর্মীদের হাতে পৌঁছাতে চলেছে, যা রাজ্যের বিপুল সংখ্যক কর্মচারী ও তাদের পরিবারের জন্য যা নিঃসন্দেহে বড় স্বস্তির খবর।

    বড় ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

    রবিবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে জানান যে তাঁর “মা-মাটি-মানুষ” সরকার কর্মচারী এবং পেনশনভোগীদের প্রতি তাদের প্রতিশ্রুতি পূরণ করেছে। তিনি বলেন যে লক্ষ লক্ষ শিক্ষক, অ-শিক্ষক কর্মী এবং পঞ্চায়েত, পৌরসভা এবং অন্যান্য স্থানীয় সংস্থার মতো অনুদান-সহায়তা প্রতিষ্ঠানের কর্মচারী এবং পেনশনভোগীরাও উপকৃত হবেন। মুখ্যমন্ত্রী বলেন যে , রোপা ২০০৯ আইনের অধীনে কর্মচারীদের বকেয়া মহার্ঘ্য ভাতা ও মহার্ঘ্য ত্রাণ প্রদান ২০২৬ সালের মার্চ মাসে শুরু হবে। তিনি আরও বলেন যে, রাজ্যের অর্থ বিভাগ কর্তৃক জারি করা বিজ্ঞপ্তিতে একটি বিস্তারিত পদ্ধতি নির্ধারণ করা হয়েছে।

     

  • ‘পশ্চিমবঙ্গ সরকার MA ফিল করলেও …’ বকেয়া DA মামলায় নাটকীয় মোড়? এল বড় খবর

    ‘পশ্চিমবঙ্গ সরকার MA ফিল করলেও …’ বকেয়া DA মামলায় নাটকীয় মোড়? এল বড় খবর

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ ডিএ (Dearness allowance) নিয়ে বাংলার সরকারি কর্মীদের আশঙ্কাই যেন সত্যি হল। বকেয়া DA প্রদানের জন্য সুপ্রিম কোর্টের কাছে নতুন করে সময়সীমা চাইল পশ্চিমবঙ্গ সরকার। সাফ কথা, এখনই তাঁরা ডিএ দিতে পারবে না। যে কারণে এই মামলায় নতুন করে সর্বোচ্চ আদালতে ‘M.A’ করেছে সরকার। যদিও তা ফাইলিং হয়নি বলে খবর। এরই মধ্যে নয়া হুঁশিয়ারি দিলেন কনফেডারেশন অফ স্টেট গভর্নমেন্ট এমপ্লয়িজের সাধারণ সম্পাদক মলয় মুখোপাধ্যায়। তিনি জানালেন, ‘দেখা যাক, লড়াই জারি থাকবে।’

    চরম হুঁশিয়ারি সরকারি কর্মীদের

    তিনি নিজের ফেসবুক পোস্টে লেখেন, ‘সরকার MA করলেও Filling is not done yet. দেখা যাক লড়াই জরি থাকবে।’ এরপর অপর একটি পোস্টে তিনি লেখেন, ‘নির্লজ্জ বেহায়া, আবারও এম.এ অ্যাপ্লিকেশন করলো।’ অন্যদিকে সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের আহ্বায়ক ভাস্কর ঘোষ বলেছেন, ‘রাজ্য M.A ফাইল করে অধিকার আটকাতে চেয়েছে। এমনকি ২৫ শতাংশ দেবার জন্যও ডিসেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত সময় চেয়েছে! লড়াই জোরদার করতে হবে।’

    সরকারের জারি করা বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, মূলত পঞ্চম বেতন কমিশনের বকেয়া DA পেতে চলেছেন রাজ্য সরকারের ৩,১৭,৯৫৪ জন কর্মচারী, সবাই নন। পাবেন রাজ্য সরকারের পেনশনাররা। তবে বৃহত্তর কর্মচারীরা (শিক্ষক,শিক্ষাকর্মী,পঞ্চায়েত ও পৌর কর্মী প্রমুখ) এই বকেয়া পাওনা থেকে বাদই থাকতে চলেছেন। রাজ্য সরকার তার ২১৫ পাতার মডিফিকেশন আবেদনে সুপ্রিম কোর্টে যে পিটিশন জমা করেছে তার আইনজীবী মারফত।

    কী বলছে রাজ্য সরকার?

    শুক্রবার, রাজ্য সরকার সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়। তারা ডিএ মামলায় রায় কার্যকর করার জন্য আদালতের কাছে সময়সীমা বাড়ানোর জন্য একটি নতুন আবেদন জমা দেয়। শুক্রবার রাজ্য সরকার সুপ্রিম কোর্টকে জানিয়েছে যে ডিএ প্রদানের আদেশ বাস্তবায়নে তারা বেশ কয়েকটি প্রশাসনিক ও প্রযুক্তিগত সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে। সরকার তাদের আর্থিক অসুবিধাগুলিও তুলে ধরেছে। এই কারণেই তারা আদালতের রায় অনুসরণ করার জন্য আরও সময় চেয়েছে। রাজ্য সরকার তাদের আবেদনে দাবি করেছে যে অল্প সময়ের মধ্যে এত বিশাল আর্থিক প্রতিশ্রুতি পূরণ করা প্রায় অসম্ভব। সরকার ব্যাখ্যা করেছে যে মুলতুবি ডিএ গণনা করার জন্য ৩.১৭ লক্ষেরও বেশি বর্তমান কর্মচারীর পাশাপাশি অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মীদের তথ্য যাচাই করা প্রয়োজন।

    আরও পড়ুনঃ DA না দেওয়ার জন্য বিরাট যুক্তি রাজ্য সরকারের, কবে মিলবে বকেয়া? জানাল সময়

    রাজ্য সরকার সুপ্রিম কোর্টকে জানিয়েছে যে ২০১৬ সালের আগে, সমস্ত কর্মচারী তথ্য ডিজিটাল ছিল না। এই হাতে লেখা রেকর্ডগুলি, যা পরিষেবা বইতে রাখা হয়, যাচাই করা একটি বড় চ্যালেঞ্জ। ফলস্বরূপ, ভোটের মুখে এই তথ্য ডিজিটালাইজেশন এবং তারপর যাচাই করার প্রক্রিয়াটি অনেক সময় নিচ্ছে। এর ফলে নতুন করে বাংলার সরকারি কর্মীরা ফের একবার অনিশ্চয়তার মধ্যে থাকতে চলেছেন। বারবার সুপ্রিম নির্দেশ সত্ত্বেও ডিএ না পাওয়া, সরকারি কর্মীদের কাছে কতটা ধাক্কার সেটা আর বলার অপেক্ষা রাখে না।

    চালু পোর্টাল

    সরকার আরও জানিয়েছে যে ২০১৬ থেকে ২০১৯ সালের তথ্য আংশিকভাবে ‘ইন্টিগ্রেটেড ফাইন্যান্সিয়াল ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম’ (IFMS) তে পাওয়া যাচ্ছে এবং এই তথ্য ব্যবহার করে গণনা শুরু হয়েছে। তবে, ২০০৮ থেকে ২০১৫ সালের তথ্যের জন্য, তারা একটি পৃথক অনলাইন পোর্টাল তৈরি করছে। যাচাইয়ের জন্য কর্মীদের এই পোর্টালে তাদের বিবরণ আপলোড করতে হবে। ফলে সবদিক থেকে বিচার করে রাজ্য সরকার সুপ্রিম কোর্টের কাছে কমপক্ষে ৩১ ডিসেম্বর, ২০২৬ পর্যন্ত সময় বাড়ানোর আবেদন করেছে। এটি ডিএ-র প্রথম ২৫% কিস্তি পরিশোধের জন্য, যা আদালত ৩১ মার্চের মধ্যে পরিশোধ করার নির্দেশ দিয়েছিল। এদিকে চুপ করে বসে নেই আন্দোলনকারীরাও। সরকারের এহেন পদক্ষেপের পর রাজ্য সরকারি কর্মচারীরা পাল্টা সতর্কবার্তা জারি করেছেন। তারা ১৩ মার্চ, শুক্রবার ধর্মঘটের ডাক দিয়েছেন।

  • ‘এই দিনের মধ্যে DA দিতেই হবে পশ্চিবঙ্গ সরকারকে’

    ‘এই দিনের মধ্যে DA দিতেই হবে পশ্চিবঙ্গ সরকারকে’

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ ২০০৮ সাল থেকে ২০২০ সাল, সময়টা কম নয়। আর এই কয়েক বছরে সরকারি কর্মীদের ডিএ (Dearness allowance) বকেয়া টাকা না মেলায় স্বাভাবিকভাবেই ক্ষোভের সঞ্চার হয়েছে। যদিও পশ্চিমবঙ্গ সরকারের বিরুদ্ধে পঞ্চম বেতন পে কমিশনের আওতায় বকেয়া টাকা নিয়ে ট্রাইব্যুনাল, উচ্চ আদালত এবং সর্বোচ্চ আদালত সুপ্রিম কোর্টে জয় পেয়েছেন সরকারি কর্মীরা। চলতি মার্চ মাসের মধ্যে রাজ্য সরকারকে সকল বকেয়া DA মিটিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। এদিকে এই বিষয়ে সরকারের কোনও হেলদোল না থাকার ক্রমেই সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন শুরু করেছেন কর্মীরা। এসবের মধ্যেই ২০০৮ থেকে ২০২০ সাল অবধি কী কী অর্ডার দেওয়া হয়েছিল তা সবটা তুলে ধরলেন ডিএ মামলাকারী মলয় মুখোপাধ্যায় (Malay Mukherjee)।

    ২০০৮-২০২০ সালের পরিসংখ্যান তুলে ধরলেন মলয় মুখোপাধ্যায়

    এক ফেসবুক ভিডিওতে তিনি বলেন, ‘এই বকেয়া প্রসঙ্গে উচ্চ আদালত হলফনামা চায় সরকারের কাছে। রাজ্য সরকারের ডিএ অর্ডার অনুযায়ী আজ পর্যন্ত কত শতাংশ ডিএ দেওয়া হল এবং কেন্দ্রীয় সরকার তথা এই দিল্লি, চেন্নাইতে কর্মরত তাঁরা কত পরিমাণে ডিএ পাচ্ছেন সেটার তালিকা চাওয়া হয়। এই তালিকা আমাদের কাছে আছে। অন্যদিকে সরকারকেও দিতে হচ্ছে।’ ভিডিও বার্তায় মলয়বাবু তুলে ধরেন, ২০০৯ সালে রোপা অনুযায়ী পশ্চিমবঙ্গ সরকার কত ডিএ দিচ্ছিল এবং এআইসিপিআই সূচক মেনে কেন্দ্রীয় সরকার থেকে অন্যান্য রাজ্য সরকার কত শতাংশ টাকা দিচ্ছিল সেটার তথ্য।

    আরও পড়ুনঃ মার্চেই হাঁসফাঁস পরিস্থিতি দক্ষিণবঙ্গে? ৪ জেলায় বজ্রবিদ্যুৎ, শিলাবৃষ্টি! আজকের আবহাওয়া

    মলয়বাবু জানান, ‘সুপ্রিম কোর্ট নির্দেশ দিয়েছে ২০০৮ থেকে ২০১৯ পর্যন্ত বকেয়া ডিএ সরকারি কর্মচারী থেকে শুরু করে অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারীদের মিটিয়ে দিতে হবে। প্রথমে ২৫ শতাংশ মেটাতে হবে এবং পরবর্তীটা কিস্তিতে মেটাতে হবে। সরকারের কাছে টাকা থাকলেও দেওয়া হচ্ছে না। তাঁরা বলেছিল ২৫ শতাংশ টাকা সুপ্রিম কোর্টে জমা দেবে। কিন্তু কিছুই কাজের কাজ করেনি। যে কারণে আমরা সরকারকে আদালত অবমাননার নোটিশ দিয়েছিলাম। এরপর গত ২১ ফেব্রুয়ারি রাজ্যের অর্থসচিব এবং মুখ্যসচিবের বিরুদ্ধে অবমাননার পিটিশন ফাইল হয়ে গিয়েছে। সর্বোচ্চ আদালত নিশ্চয়ই ৫ মার্চ অবধি দেখবে তারপর মামলার শুনানির তারিখ বলবে।’

    এই দিনের মধ্যে DA দিতেই হবে, আমরা ছেড়ে দেব নাঃ মলয় মুখোপাধ্যায়

    মলয়বাবুর ফের হুঁশিয়ারি, ‘আমরা ছেড়ে দেব না। তবে হঠাৎ করে যদি ২৫ শতাংশের অর্ডার বেরিয়ে যায়, বেরোবেই, ডিএ দিতে হবেই। ডিএটা যদি না দেয় ২৫ শতাংশ সঙ্গে প্রথম কিস্তি ৫০ শতাংশ ডিএ ৩১ মার্চের মধ্যে বা বিধানসভা ভোটের আগে দিয়ে যেতে হবে। আর ডিএ দেওয়াটাই সরকারের পক্ষে লাভ।’