Tag: Liquefied Petroleum Gas

  • দেশে আকাল, বিদেশে রপ্তানি! এলপিজি সংকট নিয়ে কেন্দ্রের থেকে জবাব চাইল হাইকোর্ট

    দেশে আকাল, বিদেশে রপ্তানি! এলপিজি সংকট নিয়ে কেন্দ্রের থেকে জবাব চাইল হাইকোর্ট

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ এবার হাইকোর্ট অবধি পৌঁছে গেল LPG সরবরাহের বিষয়টি। কেন্দ্রীয় সরকারকে এবার সরাসরি নোটিশ জারি করা হল আদালতের তরফে। হ্যাঁ একদম ঠিক শুনেছেন। জানা গিয়েছে, ইরান-ইজরায়েলের মধ্যে চলমান যুদ্ধের ফলে গ্যাস নিয়ে সংকট (LPG Crisis) তৈরি হয়েছে। এদিকে এই সংকটের মধ্যে, রান্নার গ্যাস সিলিন্ডারের সরবরাহ বৃদ্ধির দাবিতে দায়ের করা একটি আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বোম্বে হাইকোর্ট কেন্দ্রীয় সরকারকে নোটিশ জারি করেছে।

    LPG নিয়ে কেন্দ্রকে নোটিশ পাঠাল হাইকোর্ট

    রিপোর্ট অনুযায়ী, গতকাল বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) বম্বে হাইকোর্ট কেন্দ্রীয় পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস মন্ত্রক এবং একটি বেসরকারি সংস্থাকে নোটিশ জারি করেছে। আবেদনকারীদের দাবি, নাগপুর-ভিত্তিক কনফিডেন্স পেট্রোলিয়াম ইন্ডিয়া লিমিটেড কেন্দ্রীয় সরকারের অভ্যন্তরীণ বিতরণকে অগ্রাধিকার দেওয়ার নির্দেশ সত্ত্বেও দেশীয় এলপিজি সিলিন্ডারের সরবরাহ বাড়াতে ব্যর্থ হয়েছে।

    আরও পড়ুনঃ ৩.৮০ টাকা পিস! হু হু করে দাম কমছে ডিমের, নেপথ্যে কারণ কী?

    বিশিষ্ট আইনজীবী শ্যাম দেওয়ানি এবং সাহিল দেওয়ানির মাধ্যমে দায়ের করা এই আবেদনে বলা হয়েছে যে ইরান যুদ্ধ বিশ্বব্যাপী অপরিশোধিত তেল সরবরাহ ব্যাহত করেছে, যার ফলে এলপিজি উৎপাদনও ব্যাহত হয়েছে। এর পর, পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস মন্ত্রক ঘরোয়া এলপিজি গ্রাহকদের জন্য এলপিজি উৎপাদন এবং সরবরাহকে অগ্রাধিকার দেওয়ার নির্দেশ জারি করে। আবেদনে অভিযোগ করা হয়েছে যে এলপিজি রপ্তানি বন্ধ এবং দেশীয় বাজারে সরবরাহ বাড়ানোর জন্য কোম্পানিকে বারবার অনুরোধ করার পরেও কোনও পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। আবেদনকারীরা দাবি করেছেন যে কনফিডেন্স পেট্রোলিয়াম ইন্ডিয়া লিমিটেড তাদের জানিয়েছে যে তাদের রপ্তানি কৌশল আন্তর্জাতিক বাজারের চাহিদা পূরণের জন্য প্রয়োজনীয়, এবং তাই তারা দেশীয় বাজারকে অগ্রাধিকার দিতে পারেনি।

    ১৬ মার্চের মধ্যে জবাব দেওয়ার নির্দেশ

    বৃহস্পতিবার নাগপুর বেঞ্চের বিচারপতি অনিল এস. কিলোর এবং বিচারপতি রাজ ডি. ওয়াকোড আবেদনের শুনানির সময়ে পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস মন্ত্রক, বৈদেশিক বাণিজ্যের মহাপরিচালক (ডিজিএফটি) এবং কনফিডেন্স পেট্রোলিয়াম ইন্ডিয়া লিমিটেডকে নোটিশ জারি করে। আদালত তাদের সোমবার অর্থাৎ আগামী ১৬ মার্চ মধ্যে জবাব দিতে বলেছে। হাইকোর্ট বেঞ্চ অন্তর্বর্তীকালীন সময়ে বলেছে যে, ঘরোয়া এলপিজি সিলিন্ডার সরবরাহকে অগ্রাধিকার দেওয়ার বিষয়ে সরকারের নীতি কঠোরভাবে অনুসরণ করা উচিত।

  • LPG কানেকশনে শীর্ষে উত্তরপ্রদেশ, বাংলার অবস্থান কোথায়? দেখুন রাজ্যভেদে পরিসংখ্যান

    LPG কানেকশনে শীর্ষে উত্তরপ্রদেশ, বাংলার অবস্থান কোথায়? দেখুন রাজ্যভেদে পরিসংখ্যান

    সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: পশ্চিম এশিয়ায় চলা যুদ্ধে পরিস্থিতিতে এমনিতেই দেশে গ্যাস সিলিন্ডার (LPG Cylinder) নিয়ে টানাটানি পড়েছে। গ্যাসের অভাবে শত শত কারখানা বন্ধ হচ্ছে, এমনকি হোটেল থেকে শুরু করে রেস্তোরাঁ, রেস্টুরেন্ট সবকিছুই বন্ধের পথে। আর এলপিজির পাশাপাশি সিএনজির দামও বৃদ্ধি পেয়েছে, যার জন্য অটো ভাড়াও বাড়ানো হচ্ছে। তবে আপনি কি কখনো ভেবে দেখেছেন, দেশের মধ্যে কোন রাজ্যে সবথেকে বেশি এলপিজি কানেকশন (LPG Connection) রয়েছে এবং বাকি রাজ্যগুলোর কী অবস্থা? জানুন বিশদে এই প্রতিবেদনে।

    বলে দিই, সম্প্রতি এরকমই এক পরিসংখ্যান প্রকাশ্যে এনেছে ইন্ডিয়ান ইনফ্রা রিপোর্ট। আর সেই অনুযায়ী জানা যাচ্ছে, দেশের মধ্যে সবথেকে বেশি এলপিজি কানেকশন রয়েছে যোগীরাজ্য উত্তরপ্রদেশে। হ্যাঁ, তালিকায় শীর্ষস্থানে রয়েছে উত্তরপ্রদেশ, যেখানে এলপিজি কানেকশন প্রায় ৫ কোটির কাছাকাছি। আর পশ্চিমবঙ্গের অবস্থানও বেশ ভালো জায়গায়। বাদবাকি রাজ্যগুলির তালিকা আলোচনা করা হল নিচে।

    রাজ্যভেদে এলপিজি সংযোগের পরিসংখ্যান

    সরকারের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এবার দেশের বিভিন্ন রাজ্যে সক্রিয় এলপিজি সংযোগের আনুমানিক সংখ্যা পরিসংখ্যান ঠিক নিম্নরূপ—

    • উত্তরপ্রদেশের ৪ কোটি ৮৫ লক্ষ
    • মহারাষ্ট্রে ৩ কোটি ১৮ লক্ষ
    • পশ্চিমবঙ্গে ২ কোটি ৭২ লক্ষ
    • তামিলনাড়ুতে ২ কোটি ৩৮ লক্ষ
    • বিহারে ২ কোটি ৩০ লক্ষ
    • কর্ণাটকে ১ কোটি ৮৯ লক্ষ
    • রাজস্থানে ১ কোটি ৮৩ লক্ষ
    • মধ্যপ্রদেশে ১ কোটি ৭৫ লক্ষ
    • অন্ধ্রপ্রদেশে ১ কোটি ৫৯ লক্ষ
    • গুজরাটে ১ কোটি ২৮ লক্ষ
    • তেলেঙ্গানায় ১ কোটি ২৭ লক্ষ
    • ওড়িশায় এক কোটি
    • কেরালায় ৯৮ লক্ষ
    • পাঞ্জাবে ৯৬ লক্ষ
    • অসমে ৯২ লক্ষ
    • হরিয়ানায় ৮২ লক্ষ
    • ঝাড়খণ্ডে ৬৬ লক্ষ
    • ছত্তিশগড়ে ৬৩ লক্ষ
    • দিল্লিতে ৫৬ লক্ষ
    • জম্মু ও কাশ্মীরে ৩৫ লক্ষ
    • উত্তরাখণ্ডে ৩২ লক্ষ
    • হিমাচল প্রদেশে ২২ লক্ষ
    • ত্রিপুরাতে ৮.৫ লক্ষ
    • মণিপুরে ৭.১ লক্ষ
    • মেঘালয়ে ৫.২ লক্ষ
    • গোয়াতে ৫.৮ লক্ষ
    • নাগাল্যান্ডে ৩.৯ লক্ষ
    • মিজোরামে ৩.৬ লক্ষ
    • অরুণাচল প্রদেশে ৩.৪ লক্ষ এবং
    • লাদাখে ১ লক্ষ

    আরও পড়ুন: জয়শঙ্করের হস্তক্ষেপেই স্বস্তি, হরমুজ প্রণালী দিয়ে চলাচলের অনুমতি পেল ভারতীয় জাহাজ

    বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, দিনের পর দিন রান্নার জন্য পরিষ্কার জ্বালানি ব্যবহারে সচেতনতা বৃদ্ধি পাচ্ছে আর সরকারি প্রকল্পের প্রসারণ, যেমন প্রধানমন্ত্রী উজ্জ্বলা যোজনা আওতায় সম্পন্নবিনামূল্যে গ্যাস সিলিন্ডার এবং ভর্তুকির কারণে গ্রামাঞ্চলেও এখন এলপিজি কানেকশন পৌঁছে যাচ্ছে, যা দেশে দ্রুত হারে সংযোগের সংখ্যা বাড়াচ্ছে। এছাড়া এখন গ্রামীণ এলাকায় কাঠ বা কয়লার পরিবর্তে এলপিজি ব্যবহারের প্রবণতা অনেকটাই বেড়েছে, যা পরিবেশ দূষণ কমাচ্ছে বলে মত বিশেষজ্ঞদের।

  • LPG সংকটে বিপর্যস্ত মিড ডে মিল! পড়ুয়াদের খাবারে কাটছাঁট

    LPG সংকটে বিপর্যস্ত মিড ডে মিল! পড়ুয়াদের খাবারে কাটছাঁট

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের কারণে প্রবল জ্বালানি সংকট দেখা গেল বিশ্ব জুড়ে, যার আঁচ পড়েছে ভারতেও। এক ধাক্কায় ৬০ টাকা বেড়েছে রান্নার গ্যাসের দাম। অন্যদিকে দাম বেড়েছে বাণিজ্যিক গ্যাস এবং অটো এলপিজি গ্যাসের দামও (LPG Cylinder Price Hike)। এদিকে এই দাম বৃদ্ধির মাঝেই গ্যাস সরবরাহ সঙ্কটের মুখে পড়েছে কলকাতা (Kolkata) সহ বিভিন্ন জেলায়। গ্যাস বুকিংয়ের জন্য গোডাউনে লম্বা লাইনে দাঁড়াতে হয়েছে গ্রাহকদের। আর এবার গ্যাস সংকটের কোপের মুখে পড়ল পড়ুয়াদের মিড ডে মিল (Mid Day Meal)।

    সংকটে স্কুলের হেঁসেল

    সরকারের তরফ থেকেই প্রতিটি সরকারি স্কুলে পঞ্চম থেকে অষ্টম শ্রেণী পর্যন্ত মিড ডে মিলের ব্যবস্থা করা হয়ে থাকে। মূলত ছাত্রছাত্রীদের স্কুলমুখী করার জন্য এই ব্যবস্থা। কিন্তু বর্তমানে LPG সঙ্কটের প্রভাব পড়েছে পড়ুয়াদের এই মিড ডে মিলে। জেলার স্কুলগুলিতে নিয়মিতভাবে রান্না হলেও, কলকাতার অধিকাংশ সরকারি স্কুলে রান্নার ব্যবস্থা নেই। এস এন ব্যানার্জি রোডের রানি রাসমণি হাই স্কুলে বুধবার মিড-ডে মিলে দেওয়ার কথা ছিল ভাত, আলু-সয়াবিনের তরকারি এবং ডিম সেদ্ধ। কিন্তু তার বদলে মিলল শুধুই ডিম। অভিযোগ রান্নার জন্য বাণিজ্যিক গ্যাস সিলিন্ডার অপর্যাপ্ত, তাই শুধুই ডিম পেল পড়ুয়ারা। এছাড়াও বিভিন্ন স্কুলে খাবারে কাটছাঁট দেখা গিয়েছে।

    পড়ুয়াদের খাবারের মেনুতে একাধিক বদল

    কলকাতার অধিকাংশ সরকারি স্কুলে রান্নার ব্যবস্থা নেই। সেই কারণেই এই সমস্ত স্কুলগুলিতে রান্না করা খাবার আসে কমিউনিটি কিচেন থেকেই। ওই কমিউনিটি রান্নাঘরগুলি চালায় বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা। এমনই কিছু সংস্থার দাবি, মিড-ডে মিল রান্নার জন্য প্রতিদিন যত গ্যাস সিলিন্ডার দরকার, ততগুলি তারা এ দিন পায়নি। তাই মেনুতে বদল আনা হচ্ছে। গড়িয়াহাটের কমিউনিটি কিচেনে খোঁজ নিয়ে জানা গিয়েছে, এখানে পড়ুয়াদের জন্য রান্না হওয়ার কথা ছিল ভাত আর সয়াবিনের তরকারি। কিন্তু গ্যাসের আকাল থাকায় বাদ দেওয়া হয়েছে সয়াবিনের তরকারি। পরিস্থিতি এমন জায়গায় পৌঁছচ্ছে যে স্কুলগুলিতে কত দিন মিড-ডে মিল সরবরাহ করতে পারবে তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।

    কী বলছেন শিক্ষামন্ত্রী?

    শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু মিড ডে মিলের ক্ষেত্রে এইরূপ সিলিন্ডার সংকট নিয়ে জানিয়েছেন যে, ‘‘মিড-ডে মিলের জন্য যাতে কোনও ভাবেই গ্যাসের সঙ্কট দেখা না দেয়, তার জন্য স্পষ্ট নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।’’ জানা গিয়েছে আজ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বৈঠকে খাদ্য দফতর থেকে গ্যাসের ডিলারদের সঙ্গে কথা হতে চলেছে। এছাড়াও সেই বৈঠকে হাসপাতাল, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মিড-ডে মিল, স্কুল-কলেজের ক্যান্টিনের জন্য সিলিন্ডারের জোগানে যাতে কোনও ঘাটতি না হয়, তা নিয়ে আলোচনা হওয়ার কথা।

    আরও পড়ুন: LPG দাম বৃদ্ধি এবং সংকটে পথে নামছেন মমতা! দিলেন মহামিছিলের ডাক

    প্রসঙ্গত LPG সংকট নিয়ে শুধু স্কুল নয়, সমস্যায় পড়েছেন অফিসে কর্মরত কর্মীরাও। যাঁরা রোজ অফিস যান, অনেকের ক্ষেত্রেই ভরসা অফিস পাড়ার খাবারের দোকান। কম দামে, মনের মতো খাবার এখানে মেলে সহজেই। অধিকাংশ জায়গাতে রান্নাও প্রায় ঘরের মতোই। কিন্তু সেখানেও গ্যাসের আকাল দেখা দিয়েছে। যদিও কেন্দ্রীয় সরকারের নির্দেশ অনুযায়ী, হাসপাতাল এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কোনও ভাবেই রান্নার গ্যাসের সরবরাহে ঘাটতি তৈরি করা যাবে না। কিন্তু তারপরেও এই অবস্থা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।

  • ৬০ টাকা নয়, আরও বাড়বে রান্নার গ্যাসের দাম! বাড়ছে আশঙ্কা

    ৬০ টাকা নয়, আরও বাড়বে রান্নার গ্যাসের দাম! বাড়ছে আশঙ্কা

    বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: মধ্যপ্রাচ্যে যেভাবে অস্থিরতা (Iran War) বেড়েছে তাতে জ্বালানি নিয়ে উদ্বিগ্ন গোটা বিশ্ব। বিশ্বের বেশিরভাগ অপরিশোধিত তেল চলাচল করে যে রাস্তা দিয়ে সেই হরমুজ প্রণালী নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রেখেছে ইরান। পশ্চিম এশিয়ার এই দেশ আগেই হুমকি দিয়ে বলেছে, যদি কেউ এখান থেকে তেল নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে তবে জাহাজে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হবে। আর তারপর থেকেই সরবরাহ শৃংখল বাধাপ্রাপ্ত হওয়ায় 30 শতাংশ বেড়ে গিয়েছে অপরিশোধিত তেলের দাম। দাম বেড়েছে রান্নার গ্যাস (LPG Price Hike) এবং প্রাকৃতিক গ্যাসেরও। এমতবস্থায় আশঙ্কা বাড়ছে, গৃহস্থালির রান্নার গ্যাসের দাম আরও বাড়তে পারে।

    আরও বাড়বে রান্নার গ্যাসের দাম?

    এতদিন দিব্য বিভিন্ন আরব দেশগুলির কাছ থেকে এলএনজি এবং প্রাকৃতিক গ্যাস আমদানি করছিল ভারত। তবে ইরান যুদ্ধ শুরু হলে সেই আমদানি ব্যাহত হয়। এর ফলে প্রভাব পড়েছে জ্বালানির দামে। কিছুদিন আগেই কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে দেশবাসীকে আশ্বস্ত করা হলেও গোটা দেশজুড়ে রান্নার গ্যাসের দাম 60 টাকা বেড়েছে। দাম বেড়েছে বাণিজ্যিক গ্যাসেরও। এখানেই শেষ নয়, পরিবহন জ্বালানি অর্থাৎ অটোর গ্যাসের দামও বেড়েছে বেশ খানিকটা।

    অতিরিক্ত অর্থ দিয়ে গ্যাস কিনতে গিয়ে একেবারে নাজেহাল অবস্থা মধ্যবিত্তের। বিশেষজ্ঞদের দাবি, তরল সোনার জন্য পশ্চিম এশিয়ার উপরেই পুরোপুরি নির্ভরশীল ভারত। ফলে সেখান থেকে তেল আমদানি ঠিকমতো না হলে আগামী দিনে দেশে জ্বালানির দাম অনেকটাই বাড়তে পারে। যদিও ভারতের কাছে সুযোগ রয়েছে বন্ধু রাশিয়া থেকে অপরিশোধিত তেল কিনে নেওয়ার। এছাড়াও নয়া দিল্লির কাছে তেলের দাম নিয়ন্ত্রণে রাখার বেশ কিছু প্ল্যান রয়েছে। তবে শেষ পর্যন্ত যদি সেটা নাও হয়, অধিক দামে তরল সোনা কিনে নিতে পারবে নয়া দিল্লি। কিন্তু রান্নার গ্যাস বা LPG র ক্ষেত্রে সেটা সম্ভব নয়। বিশ্লেষক মহলের অনেকেরই আশঙ্কা, ইরান যুদ্ধ যদি দীর্ঘস্থায়ী হয় সেক্ষেত্রে পরবর্তীতে নরেন্দ্র মোদির সরকার অধিক দামে তেল কিনলেও LPG র সংকট দেখা দিতে পারে। সেক্ষেত্রে রান্নার গ্যাসের দাম যে আরও অনেকটাই বাড়বে সে কথা বলার অপেক্ষা রাখে না।

    অবশ্যই পড়ুন: দায়ের হয়েছে FIR, জাতীয় পতাকার অপমান করে গ্রেফতার হবেন হার্দিক পান্ডিয়া?

    উল্লেখ্য, মধ্যপ্রাচ্যের চরম অস্থিরতার মধ্যেও নরেন্দ্র মোদি সরকারের কূটনৈতিক পদক্ষেপে মন গলেছে ইরানের। ইতিমধ্যেই ইরানের তরফে হরমুজ প্রণালী দিয়ে ভারতের জাহাজ চলাচলের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। আর এই অনুমোদনের পরই পুষ্পক এবং পরিমল নামক দুটি পণ্যবাহী জাহাজ একেবারে নিরাপদে হরমুজ পেরিয়ে ভারতের উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছে। আর এই খবর জ্বালানি সংকটের পরিস্থিতিতে যে বড় স্বস্তি তা বলাই যায়।

  • দূর হবে চিন্তা, LPG নিয়ে এল বড় সুখবর

    দূর হবে চিন্তা, LPG নিয়ে এল বড় সুখবর

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ LPG নিয়ে সংকটের মাঝেই বিরাট সুখবর শোনাল ভারত সরকার। এমনিতে গ্যাসের দাম বৃদ্ধি থেকে শুরু করে গ্যাসের (LPG Cylinder) অমিল নিয়ে সমস্যায় পড়েছেন সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে হোটেল ব্যবসায়ীরা। কী করে হেঁশেল চলবে সেই চিন্তা এখন কুঁড়ে কুঁড়ে খাচ্ছে সকলকে। এহেন পরিস্থিতিতে সরকারের এক ঘোষণা সকলের মধ্যে একটু হলেও স্বস্তির আবহাওয়া তৈরি করতে পারবে বলে মনে করা হচ্ছে। প্রাকৃতিক গ্যাস ভর্তি দুটি কার্গো জাহাজ ভারতের উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছে বলে খবর।

    দুটি কার্গো জাহাজ আসছে ভারতে

    যত সময় এগোচ্ছে ইরান-ইজরায়েলের যুদ্ধের কারণে দেশে গ্যাস সংকট আরও তীব্র হচ্ছে। গ্যাস সরবরাহের অভাবে অনেক শহরের হোটেল এবং রেস্তোরাঁ বন্ধ রয়েছে। অনেক শহরের গ্যাস এজেন্সিগুলির বাইরে দীর্ঘ লাইন তৈরি হয়েছে। ইতিমধ্যে, সরকার জানিয়েছে যে বুকিংয়ের আড়াই দিন পরে এলপিজি সিলিন্ডার পাওয়া যাবে। সরকার জনগণকে আতঙ্কিত না হয়ে সিলিন্ডার মজুদ না করার জন্যও আবেদন করেছে। দেশে এলপিজি উৎপাদন ২৫ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। এরই মাঝে সরকার ঘোষণা করেছে, তরল প্রাকৃতিক গ্যাস (LNG)-এর দুটি কার্গো ইতিমধ্যেই ভারতের উদ্দেশে রওনা দিয়েছে। এর ফলে সংকট কিছুটা হলেও মিটবে বলে মনে করা হচ্ছে।

    আরও পড়ুনঃ DA আন্দোলনে যেতে পারবেন না শিক্ষকরা! নোটিশ জারি মধ্যশিক্ষা পর্ষদের

    পেট্রোলিয়াম মন্ত্রকের যুগ্ম সচিব (বিপণন ও তেল শোধনাগার) সুজাতা শর্মা এক সংবাদ সম্মেলনে বলেছেন যে আমরা আমাদের এলপিজি চাহিদার ৬০ শতাংশ আমদানি করি এবং এর ৯০ শতাংশ আসে হরমুজ প্রণালী থেকে । এই পরিস্থিতি মোকাবেলায় সরকার বেশ কয়েকটি পদক্ষেপ নিয়েছে। ৮ মার্চ, রিফাইনারি এবং পেট্রোকেমিক্যাল কমপ্লেক্সগুলিকে এলপিজি উৎপাদন সর্বাধিক করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। তিনি বলেন, সরকারি পদক্ষেপের কারণে, দেশীয় এলপিজি উৎপাদন ২৫ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। এটি দেশীয় গ্রাহকদের কাছে সরবরাহ করা হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, হাসপাতাল এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলিতে অ-দেশীয় এলপিজিকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে।

    কত টাকায় মিলছে রান্নার গ্যাস?

    দিল্লিতে একটি সিলিন্ডারের দাম ৬০ বৃদ্ধির পর ৯১৩ টাকায় এসে দাঁড়িয়েছে। যদিও উজ্জ্বলা সুবিধাভোগীদের জন্য, দাম ৬১৩ টাকা। ২০২৩ সালের জুলাই থেকে, আন্তর্জাতিক বাজারে এলপিজির দাম ৪১% বৃদ্ধি পেয়েছে, যেখানে ভারতে পিএমইউ-এর দাম ৩২% হ্রাস পেয়েছে। তিনি বলেন যে ভারতে এলপিজির দাম অনেক দেশের তুলনায় অনেক কম।

  • অবশেষে স্বস্তি! বুকিংয়ের এত দিনের মধ্যে মিলবে LPG সিলিন্ডার, জানাল কেন্দ্র

    অবশেষে স্বস্তি! বুকিংয়ের এত দিনের মধ্যে মিলবে LPG সিলিন্ডার, জানাল কেন্দ্র

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ অশান্ত মধ্যপ্রাচ্য। ইরান-ইজরায়েলের মধ্যে সংঘাত অব্যাহত রয়েছে। এদিকে যুদ্ধের আবহে দাম বেড়ে গিয়েছে ঘরোয়া এলপিজি সিলিন্ডার (LPG Cylinder) থেকে শুরু করে বাণিজ্যিক গ্যাস সিলিন্ডারের। এদিকে বর্তমানে ভারতে এলপিজির ব্যাপক ঘাটতি দেখা গিয়েছে। গ্যাস ডিস্ট্রিবিউটারদের অফিসের সামনে সাধারণ মানুষের লম্বা লাইন সকাল থেকেই চোখে পড়ার মতো। তবে চিন্তা নেই, কারণ সরকারের তরফে এলপিজি নিয়ে বিরাট স্বস্তি দেওয়া হল। গ্যাস বুক করলেও কতদিনের মধ্যে মিলবে সিলিন্ডার? সেই নিয়ে বড় ঘোষণা করা হল।

    গ্যাস বুকিং নিয়ে বিরাট সুখবর

    আজ বুধবার পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস মন্ত্রক দেশবাসীকে বড় স্বস্তি দিয়েছে। সরকা জানিয়েছে, রান্নার গ্যাসের সরবরাহ নিয়ে চিন্তা করার দরকার নেই। কারণ আপনি যেদিন সিলিন্ডার বুক করবেন তার মাত্র আড়াই দিনের মধ্যে আপনার বাড়িতে পৌঁছে দেওয়া হবে সিলিন্ডার। ৪টি মন্ত্রকের এক সাংবাদিক সম্মেলনে কেন্দ্রীয় সরকার দাবি করেছে যে আড়াই দিনের মধ্যে গ্যাস সিলিন্ডার পাওয়া যাবে।

    আরও পড়ুনঃ IPL 2026-র প্রথম পর্বের সূচি ঘোষণা, KKR-র ম্যাচ কবে কবে? দেখুন

    পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস মন্ত্রক স্পষ্ট করে জানিয়েছে যে, ‘আন্তর্জাতিক অস্থিরতা সত্ত্বেও, আমাদের সরবরাহ শৃঙ্খল সম্পূর্ণ নিরাপদ।’ এদিন সরবরাহ ও নিরাপত্তার আশ্বাস মন্ত্রকের সিনিয়র অফিসার সুজাতা শর্মা পরিসংখ্যানসহ তথ্য প্রদান করে বলেন, ভারতের দৈনিক ব্যবহার প্রায় ৫.৫ মিলিয়ন ব্যারেল অপরিশোধিত তেল। তিনি আশ্বস্ত করেন যে এই মুহূর্তে সরবরাহ নিয়ে চিন্তা করার কোনও কারণ নেই।

    পরিস্থিতির ওপর নজর রাখছে সরকার

    মন্ত্রক জানিয়েছে যে সরকার পরিস্থিতির উপর কড়া নজর রাখছে। বর্তমানে ভারতের দুটি বৃহৎ তেল ট্যাঙ্কার সমুদ্রে রয়েছে এবং শীঘ্রই ভারতীয় বন্দরে নোঙর করবে। এটি প্রমাণ করে যে চলমান যুদ্ধের মধ্যেও ভারতের লজিস্টিক নেটওয়ার্ক দৃঢ়ভাবে কাজ করছে। বর্তমানে দিল্লিতে একটি ঘরোয়া এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ৯১৩ টাকায় পৌঁছেছে।

     

     

  • LPG সিলিন্ডার মজুত রাখলে বাজেয়াপ্ত করবে রাজ্য সরকার! জানিয়ে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী

    LPG সিলিন্ডার মজুত রাখলে বাজেয়াপ্ত করবে রাজ্য সরকার! জানিয়ে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী

    বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধের হাওয়া গায়ে লেগেছে বাংলারও। কেন্দ্রীয় সরকার আশ্বস্ত করলেও এক ধাক্কায় 60 টাকা বেড়েছে রান্নার গ্যাসের (LPG) দাম। তাতে পকেটে টান পড়ছে মধ্যবিত্তের। এদিকে জ্বালানি সমস্যার কারণে অটোতে অতিরিক্ত ভাড়া গুনতে হচ্ছে যাত্রীদের। এমতাবস্থায়, ভবিষ্যতে সমস্যা এড়াতে আগেভাগে কঠোর পদক্ষেপ নিতে চলেছে রাজ্য সরকার। ইতিমধ্যেই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, যাঁরা এই কঠিন সময়ে সাধারণ মানুষের পাশে না দাঁড়িয়ে নিজেদের মজুত বাড়াচ্ছেন, প্রয়োজন হলে সরকার তাদের কাছ থেকে সেই মজুত বাজেয়াপ্ত করবে।

    কেন্দ্রকে দুষে বড় সিদ্ধান্ত রাজ্যের

    গত 27 ফেব্রুয়ারি ইরানে যৌথভাবে ভয়াবহ হামলা চালায় আমেরিকা এবং ইজরায়েল। পরবর্তীতে দুই শক্তিধর দেশের হামলায় মৃত্যু হয় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির। যেই ঘটনায় প্রত্যাঘাত করে পশ্চিম এশিয়ার দেশটি। বেঁধে যায় যুদ্ধ। অনেকেই ভেবে নিয়েছিলেন এই যুদ্ধ দীর্ঘস্থায়ী হবে। সময় যত গড়াচ্ছে সেদিকেই যাচ্ছে পরিস্থিতি। এদিকে যুদ্ধের আবহে কেন্দ্রীয় সরকার দেশবাসীকে আশ্বস্ত করেছিল খুব কঠিন পরিস্থিতি তৈরি না হলে দেশে বাড়বে না গ্যাসের দাম। তবে হয়েছে উল্টোটা।

    দেশজুড়ে এক ধাক্কায় গৃহস্থালির রান্নার গ্যাসের দাম 60 টাকা বাড়ায় ক্ষুব্ধ বিরোধীরা। ইতিমধ্যেই একযোগে গ্যাসের মূল্য বৃদ্ধি নিয়ে কেন্দ্রকে আক্রমণ করেছে তৃণমূল নেতৃত্ব। এবার জ্বালানি সংকট তৈরির নেপথ্যে ফের নরেন্দ্র মোদির সরকারকে দায়ী করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর স্পষ্ট অভিযোগ, সঞ্চয়ের খতিয়ান না দেখে কেন LPG বুকিং এ কড়াকড়ি বিজ্ঞপ্তি জারি করা হল? এই পদক্ষেপ দায়িত্বজ্ঞানহীনতার পরিচয় বলেই মনে করেন মুখ্যমন্ত্রী।

    অবশ্যই পড়ুন: LPG সঙ্কটের মাঝে যাত্রীদের খাবারের জন্য রেলের ক্যান্টিনকে বড় নির্দেশ IRCTC-র

    এদিকে, কঠিন পরিস্থিতিতে রাজ্যে যাতে গ্যাসের জন্য হাহাকার দেখা না দেয় সেজন্যই এবার কঠিন পদক্ষেপ নিতে পারে রাজ্য সরকার। পরিস্থিতি খতিয়ে দেখে ইতিমধ্যেই জেলাশাসক থেকে শুরু করে পুলিশ সুপারদের নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। এ নিয়ে খুব শীঘ্রই প্রশাসনিক বৈঠকে বসবেন তিনি। সেখানেই কীভাবে কঠিন সময়ে সাধারণ মানুষকে বাঁচানো যায় তা নিয়ে ই হবে আলোচনা। তবে সেই বৈঠক শুরুর আগেই এরই মধ্যেই জেলা প্রশাসনকে মুখ্যমন্ত্রী নির্দেশ দিয়েছেন খারাপ সময়ে গ্যাসের কালোবাজারি রুখতে অবৈধভাবে LPG সিলিন্ডার মজুত করে রাখছে এমন খবর পেলে তৎক্ষণাৎ তা বাজেয়াপ্ত করা হতে পারে বলেও জানিয়ে দেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর সাফ বক্তব্য, কালোবাজারি সহ্য করবে না সরকার।

  • LPG সঙ্কটের মাঝে যাত্রীদের খাবারের জন্য রেলের ক্যান্টিনকে বড় নির্দেশ IRCTC-র

    LPG সঙ্কটের মাঝে যাত্রীদের খাবারের জন্য রেলের ক্যান্টিনকে বড় নির্দেশ IRCTC-র

    বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: ইরান যুদ্ধের কারণে দাম বেড়েছে রান্নার গ্যাসের। দেশের বিভিন্ন প্রান্তে কার্যত দেখা দিয়েছে LPG র সংকট! ঠিক সেই আবহে বিরাট সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলল ভারতীয় রেলের (Indian Railways) নিজস্ব সংস্থা IRCTC। জানা যাচ্ছে, সম্ভাব্য LPG সরবরাহ সংকটের আশঙ্কায় এবার স্টেশন ভিত্তিক ক্যাটারিং পরিষেবায় বিরাট বদল আনছে IRCTC। রেল সূত্রে যা খবর, স্টেশনগুলিতে থাকা স্থায়ী ক্যাটারিং ইউনিট গুলিকে বিকল্প রান্নার পদ্ধতি হিসেবে মাইক্রোওয়েভ ও ইন্ডাকশন ব্যবহার করে খাবার তৈরি করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    তাহলে কি ট্রেনের প্যান্ট্রি কারেও চালু হবে এই নিয়ম?

    একাধিক সংবাদমাধ্যমের রিপোর্ট অনুযায়ী, ভারতীয় রেলের সহায়ক সংস্থা IRCTC বিভিন্ন ক্যাটারিং ইউনিট গুলিকে রান্নার যে পদ্ধতি অবলম্বনের নির্দেশ দিয়েছে তা কিন্তু শুধুমাত্র স্টেশনের ক্যাটারিং ইউনিটগুলির জন্যেই প্রযোজ্য। অর্থাৎ ট্রেনে চলমান প্যান্ট্রি কারে অথবা অন বোর্ড ক্যাটারিং পরিষেবার ক্ষেত্রে এই নির্দেশ লাগু হবে না। কর্তৃপক্ষের তরফে খুব পরিষ্কারভাবে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, LPG র সম্ভাব্য সংকটকে মাথায় রেখে আগামীতে যাত্রীদের খাবার সরবরাহের ক্ষেত্রে কোনও ব্যাঘাত না ঘটে সেজন্যই এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হল।

    ওই নির্দেশিকায় স্পষ্ট করে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, ভারতীয় রেলের অধীনস্থ যেসব স্টেশন গুলিতে খাবার তৈরি বা রান্নার পদ্ধতি সম্পূর্ণভাবে LPG বা রান্নার গ্যাসের উপর নির্ভরশীল সেইসব ক্যাটারিং ইউনিটগুলিকে এবার থেকে মাইক্রোওয়েভ বা ইন্ডাকশনের মাধ্যমে খাবার প্রস্তুত করার উপর জোর দিতে হবে। ইনডাকশন চুলার মতো যন্ত্রগুলিতে রান্না করলে গ্যাসের উপর নির্ভরতা অনেকটাই কমবে। তাতে আগামী দিনে সমস্যায় পড়তে হবে না ক্যাটারিং ইউনিটগুলিকে। সেক্ষেত্রে পরবর্তীতে জরুরি পরিস্থিতিতে খাবার সরবরাহের কাজটাও অনেকটাই সহজ হবে।

     

    আরও এক গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশ

    ভারতীয় রেলের সাথে যুক্ত বিভিন্ন ক্যাটারিং ইউনিট বা ক্যান্টিনগুলিকে IRCTC কর্তৃপক্ষ স্পষ্ট নির্দেশ দিয়েছে, এবার থেকে বেশি করে রেডি টু ইট বা রেডিমেড খাবার মজুত রাখতে হবে। একই সাথে প্যাকেটজাত বিভিন্ন খাবার যেমন স্যান্ডউচ, স্ন্যাকসের মতো খাবার গুলি যা দ্রুত সরবরাহ করা যায় এমন খাবার বেশি করে স্টকে রাখতে হবে।

    অবশ্যই পড়ুন: “দেশ বিশ্বকাপ জিতেছে, উনি রাজনীতি করছেন” কীর্তি আজাদকে পাল্টা হরভজনের

    প্রসঙ্গত, রেলের তরফে একেবারে পরিষ্কার ভাবে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে আগামীতে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেলে অবিলম্বে ইনডাকশন বা মাইক্রোওয়েভের মাধ্যমে খাবার প্রস্তুত করে তা রেলের যাত্রীদের সরবরাহ করতে হবে। LPG সংকট দেখা দিলে যাতে যাত্রীদের খাবার পরিবেশনে কোনও রকম সমস্যা না হয় তা নিশ্চিত করতেই বদ্ধপরিকর রেল।

  • এই কাজ না করলে মিলবে না LPG সিলিন্ডার! সতর্কতা জারি কেন্দ্রের

    এই কাজ না করলে মিলবে না LPG সিলিন্ডার! সতর্কতা জারি কেন্দ্রের

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ কলকাতা সহ সমগ্র দেশে রীতিমতো গ্যাস সিলিন্ডারের (LPG Cylinder) আকাল দেখা দিয়েছে। আগামী দিনে পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে বলে আশঙ্কা। ইতিমধ্যে দুটো গ্যাস বুকিং-এর ক্ষেত্রে সময়সীমা ২১ দিন থেকে বাড়িয়ে ২৫ দিন করে দিয়েছে সরকার। এরই মাঝে সরকার নতুন এক নির্দেশিকা জারি করল যা সকলের জেনে রাখা উচিৎ। এমন এক কাজ আছে যা সকলকে শীঘ্রই করে নেওয়ার জন্য পরামর্শ দিয়েছে কেন্দ্র। এই কাজ না করলে আর গ্যাস নাও মিলতে পারে। নিশ্চয়ই ভাবছেন কী সেই কাজ? চলুন জেনে নেবেন।

    LPG নিয়ে নতুন নির্দেশিকা কেন্দ্রের

    মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের কারণে গ্যাসের ঘাটতি দেখা দিয়েছে দেশে। এহেন পরিস্থিতিতে সরকার e-KYC সম্পর্কে আরও কঠোর অবস্থান গ্রহণ করেছে। এক্স হ্যান্ডেলে পেট্রোলিয়াম মন্ত্রক স্পষ্ট করে জানিয়েছে যে এখন থেকে প্রতিটি গ্রাহককে তাদের বায়োমেট্রিক আধার ভেরিফিকেশন সম্পন্ন করতে হবে। এই প্রক্রিয়ায় দেরি করলে তাদের গ্যাস ভর্তুকি স্থগিত করা হতে পারে।

    আরও পড়ুনঃ DA নিয়ে এবার নয়া পদক্ষেপ রাজ্য সরকারের, ধৈর্যের বাঁধ ভাঙল কর্মীদের

    স্বস্তি একটাই, আপনাকে কোথাও তাড়াহুড়ো করতে হবে না; আপনি আপনার স্মার্টফোন ব্যবহার করে কয়েক মিনিটের মধ্যে ঘরে বসেই এটি সম্পন্ন করতে পারবেন। সরকার কেবল স্বচ্ছতা বৃদ্ধির জন্যই নয়, চলমান বিশ্বব্যাপী সংকটের মধ্যে মসৃণ গ্যাস সরবরাহ নিশ্চিত করার জন্যও এই পদক্ষেপ নিয়েছে।

    e-KYC কেন জরুরি?

    গত ১০ মার্চ, মন্ত্রক স্পষ্ট করে জানিয়েছে যে সকল এলপিজি গ্রাহকের জন্য বায়োমেট্রিক প্রমাণীকরণ বাধ্যতামূলক। ই-কেওয়াইসি সম্পন্ন করতে ব্যর্থ হলে ভবিষ্যতে ভর্তুকি নাও মিলতে পারে। আসলে সরকার নিশ্চিত করতে চায় যে গ্যাস সুবিধাগুলি কেবলমাত্র প্রকৃত সুবিধাভোগীদের মধ্যে বিতরণ করা হয় এবং কালোবাজারি রোধ করা যায়।

    আরও পড়ুনঃ ৫২৪টি LPG সিলিন্ডার ভর্তি ট্রাক উধাও! গ্যাসের সংকটের মধ্যেই চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঝাঁসিতে

    কীভাবে e-KYC করবেন?

    ধাপ ১: প্রথমে আপনাকে আপনার গ্যাস কোম্পানির (ইন্ডেন, ভারত গ্যাস বা এইচপি গ্যাস) অফিসিয়াল ওয়েবসাইট ভিজিট করতে হবে।
    ধাপ ২: সেখান থেকে আপনার গ্যাস কোম্পানির মোবাইল অ্যাপটি ডাউনলোড করুন।
    ধাপ ৩: গুগল প্লে স্টোর থেকে ‘Aadhaar Face RD’ অ্যাপটি ডাউনলোড করুন। এটি ফেস স্ক্যানিংয়ের জন্য প্রয়োজনীয়।
    ধাপ ৪: গ্যাস কোম্পানির অ্যাপে যান, নির্দেশাবলী অনুসরণ করুন এবং আপনার ফেস স্ক্যান করুন।
    ধাপ ৫: এভাবে আপনার ই-কেওয়াইসি তাৎক্ষণিকভাবে সম্পন্ন হবে।

  • ৫২৪টি LPG সিলিন্ডার ভর্তি ট্রাক উধাও! গ্যাসের সংকটের মধ্যেই চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঝাঁসিতে

    ৫২৪টি LPG সিলিন্ডার ভর্তি ট্রাক উধাও! গ্যাসের সংকটের মধ্যেই চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঝাঁসিতে

    সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: দেশে এলপিজি সরবরাহ নিয়ে দিনের পর দিন বাড়ছে উদ্বেগ। তবে তারই মধ্যে উত্তরপ্রদেশে (Uttar Pradesh) ঘটল চাঞ্চল্যকর চুরির ঘটনা। একটি ট্রাক ভর্তি রান্নার গ্যাস সিলিন্ডার উধাও (LPG Cylinder Theft) হয়ে গেল যা নিয়ে গোটা এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে। জানা গিয়েছে, ওই ট্রাকটিতে মোট ৫২৪টি ভর্তি এলপিজি সিলিন্ডার ছিল, যার আনুমানিক বাজার মূল্য প্রায় ১৮ লক্ষ টাকা। আর এই ঘটনাটি ঘটেছে ঝাঁসির সিপ্রি বাজার থানা এলাকায়। ট্রাক মালিকের অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ ইতিমধ্যেই অজ্ঞাত পরিচয়ের দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে এবং তদন্ত শুরু করেছে।

    কীভাবে ঘটল এই চুরি?

    আসলে ওই ট্রাকের মালিক নীরজ আগরওয়ালের অভিযোগ, ট্রাকটি ভারত পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন লিমিটেডের কারারি প্ল্যান্টের সঙ্গে যুক্ত। গত ২ মার্চ ওই প্ল্যান্ট থেকে ৫২৪টি ভরা গ্যাস সিলিন্ডার ট্রাকে তোলা হয়েছিল। তারপর সেগুলি গাজনার পাঠানোর কথা ছিল। তবে হোলি উৎসবের কারণে ট্রাক চালক রাজকুমার সাময়িকভাবে ট্র্যাকটিকে প্ল্যান্টের বাইরে পার্ক করে রেখে বাড়িতে চলে গিয়েছিলেন। কয়েকদিন পর অর্থাৎ ৬ মার্চ খবর আসে যে, ট্র্যাকটি ঝাঁসির বরাগাঁও এলাকার হাইওয়ের ধারে পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে রয়েছে।

    এমতাবস্থায় ট্রাক মালিক ঘটনাস্থলে পৌঁছে দেখেন যে, ট্রাকটি থাকলেও সমস্ত গ্যাস সিলিন্ডার উধাও। আর শুধু তাই নয়, ট্রাকের জিপিএস সিস্টেম সম্পূর্ণরূপে ভেঙে দেওয়া হয়েছে যাতে গাড়ির অবস্থান কোনও ভাবে ট্রাক না করা যায়। এরপর তিনি সিপ্রি বাজার থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন আর পুলিশ সঙ্গে সঙ্গেই মামলা দায়ের করে তদন্ত শুরু করেছে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ট্রাকটিকে ইতিমধ্যে উদ্ধার করা হয়েছে। কিন্তু চুরি যাওয়া সিলিন্ডারগুলির কোনও হদিস নেই। আর থানার ভারপ্রাপ্ত আধিকারিক জয়প্রকাশ চৌবে জানিয়েছেন, অজ্ঞাত পরিচয়ের ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ইতিমধ্যে মামলা দায়ের করা হয়েছে আর তদন্তের ভিত্তিতে সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পাশাপাশি অভিযুক্তদের খোঁজে তল্লাশি চালানো হচ্ছে।

    আরও পড়ুন: ক্যাবিনেটের বৈঠকে বড় সিদ্ধান্ত! DA বাড়ছে শীঘ্রই? জানুন আপডেট

    বলাবাহুল্য, আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে দিনের পর দিন উদ্বেগ তৈরি হচ্ছে। কারণ, পশ্চিম এশিয়ায় উত্তেজনা আর যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে তেল আর গ্যাস সরবরাহের উপর বিরাট প্রভাব পড়ছে। আর এই পরিস্থিতিতে একসঙ্গে এত গ্যাস সিলিন্ডার চুরি হওয়ায় ঘটনা স্বাভাবিকভাবেই প্রশাসন আর সাধারণ মানুষের মধ্যে উদ্বেগ বাড়িয়েছে।