Tag: Liquefied Petroleum Gas

  • গ্যাস বুকিং আরও সহজ, জারি হল নয়া নম্বর ও নিয়ম

    গ্যাস বুকিং আরও সহজ, জারি হল নয়া নম্বর ও নিয়ম

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের আবহে একধাক্কায় বেড়ে গিয়েছে জ্বালানির দাম। এদিকে রান্নার গ্যাস (LPG Gas Cylinder) নিয়েও নানা গুজব ছড়িয়ে পড়েছে দেশ জুড়ে। ফলস্বরূপ গ্যাসের আকাল পড়ায় বিভিন্ন প্রান্তে গ্যাস এজেন্সির সামনে গ্রাহকের দীর্ঘ লাইন দিতে হচ্ছে। যদিও কেন্দ্রীয় সরকার বারবার জানিয়েছে, গৃহস্থালির LPG সরবরাহে কোনও ঘাটতি নেই। এরপরেও দ্রুত সিলিন্ডার বুক (LPG Gas Booking) করতে গিয়ে সমস্যায় পড়ছেন সকলে। ব্যস্ত লাইনের কারণে অসুবিধা হচ্ছে, ফলে সময় নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি রান্নার সমস্যাও বাড়ছে। তাই এবার বড় উদ্যোগ নিল ইন্ডিয়ান অয়েল।

    গ্যাস বুকিংয়ের জন্য নতুন নম্বর

    গ্যাস বুকিংয়ের জন্য বারবার চেষ্টা করেও গ্রাহকদের মধ্যে নানা সমস্যা দেখা যাচ্ছে। ফোন করার চেষ্টা করা হলেও মিলছে না সুরাহা। ব্যস্ত বলেই চলেছে প্রতিটি লাইন, তাই এই সমস্যা দূর করতে বুকিংয়ের জন্য নতুন দুটি নম্বর চালু করল ইন্ডিয়ান অয়েল। এখন থেকে INDANE গ্রাহকরা ফোন করে সিলিন্ডার বুক করতে পারবেন। মিসড কল বুকিংয়ের জন্য যে নতুন নম্বর দেওয়া হয়েছে সেটি হল, ‘89272-25667’। এছাড়াও আইভিআরএসের মাধ্যমে বুকিংয়ের নতুন নম্বর হল ‘83919-90070’। জানা গিয়েছে ২৪ ঘণ্টা চালু থাকবে এই নম্বর দুটি। এই উদ্যোগে বেশ খুশি সকলে।

    বুকিং এর জন্য নয়া নিয়ম

    গ্যাসের অযথা মজুত বন্ধ করার লক্ষ্য নিয়ে শহরে এবং গ্রামে এলপিজি বুকিং সাইকেলে নানা পরিবর্তন আনা হয়েছে কেন্দ্রের তরফে। শহরের গ্রাহকদের জন্যও এলপিজি বুকিং সাইকেলে পরিবর্তন করা হয়েছে। আগে যেখানে দুটি সিলিন্ডার বুকিংয়ের মধ্যে সময়সীমা ২১ দিন ছিল, এখন সেটি বাড়িয়ে ২৫ দিন করা হয়েছে। অন্যদিকে গ্রামীণ এলাকার গ্রাহকেরা যেখানে প্রতি ২৫ দিনে একবার সিলিন্ডার বুক করার সুবিধা পেতেন, সেটি এখন বাড়িয়ে সরাসরি ৪৫ দিন করা হয়েছে। অর্থাৎ প্রথম সিলিন্ডার বুক করার ৪৫ দিন পরেই দ্বিতীয় সিলিন্ডার বুক করতে পারবেন গ্রাহকরা।

    আরও পড়ুন: কলেজ শিক্ষক নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে অনিয়ম! বিতর্ক উঠতেই চিন্তায় চাকরিপ্রার্থীরা

    প্রসঙ্গত, গ্যাস ডেলিভারি করার ক্ষেত্রে DAC নম্বর বা ডেলিভারি অথেন্টিকেশন কোড নেওয়া বাধ্যতামূলক। কিন্তু ডিস্ট্রিবিউটররা অভিযোগ জানাচ্ছেন যে বহু গ্রাহকই গ্যাস ডেলিভারি নেওয়ার সময় DAC দিতে পারছে না। ফেডারেশনের সহ সভাপতি বিজনবিহারী বিশ্বাস জানিয়েছেন, ‘DAC না দেওয়ার ফলে আমাদের সমস্যা হচ্ছে। তেল সংস্থাগুলি বারবার দাবি করছে, DAC ছাড়া সিলিন্ডার ডেলিভারি দেওয়া হবে না।’ কিন্তু এই সমস্যার জট কাটছে না। আসলে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে দেখা যাচ্ছে গ্যাসের সঙ্গে রেজিস্টার্ড করা মোবাইল নম্বরটি রিচার্জ না করায় আসছে না ‘DAC’।

  • শিবালিক ও নন্দাদেবীতে করে ভারতে এল ৯৩ হাজার মেট্রিক টন LPG, গ্যাস নিয়ে চিন্তা শেষ?

    শিবালিক ও নন্দাদেবীতে করে ভারতে এল ৯৩ হাজার মেট্রিক টন LPG, গ্যাস নিয়ে চিন্তা শেষ?

    বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: দেশে LPG সংকটের (LPG Crisis) মধ্যেই ফের মিলল স্বস্তির খবর। শিবালিক কার্গোর পর এবার 47 হাজার মেট্রিক টন LPG নিয়ে হরমুজ পেরিয়ে গুজরাতের ভাডিনার বন্দরে এসে পৌঁছেছে জাহাজ নন্দাদেবী। আর এই জাহাজের আগমনের পরই প্রশ্ন উঠছে এবার কি তাহলে দেশজুড়ে LPG গ্যাসের (Gas Service) সংকট কাটবে? বলাই বাহুল্য, এর আগের জাহাজ অর্থাৎ শিবালিক একবারে 46 হাজার মেট্রিক টন পেট্রোলিয়াম গ্যাস নিয়ে গুজরাত বন্দরে পৌঁছেছিল।

    অবশেষে কাটতে চলেছে LPG সংকট?

    প্রথম জাহাজ শিবালিকের পর গুজরাত বন্দরে এসে পৌঁছন নন্দাদেবীতে যে পরিমাণ তরল পেট্রোলিয়াম গ্যাস রয়েছে তা নিয়ে বিশেষজ্ঞদের একটা বড় অংশের দাবি, 47 হাজার মেট্রিক টন LPG দিয়ে গোটা দেশের একদিনের LPG সংকট কাটানো যাবে। শিবালিক জাহাজে যে পরিমাণ LPG রয়েছে তা দিয়ে ভারতের প্রায় সাড়ে 32 লাখ পরিবারের কাছে পৌঁছে দেওয়া যাবে গ্যাস।

    বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, শিবালিক এবং নন্দাদেবী এই দুই জাহাজে করে বিপুল পরিমাণ গ্যাস ভারতে আসার ফলে এবার অন্তত দেশে গ্যাসের সরবরাহ ঠিক হবে। তবে এই দুই জাহাজের তরল পেট্রোলিয়াম গ্যাস দিয়ে গোটা দেশের LPG সংকট দীর্ঘদিনের জন্য কাটানো সম্ভব নয়। বিশেষজ্ঞদের দাবি, ভারতে আগামী দিনের LPG সংকট এড়াতে পারস্য উপসাগরে আটকে থাকা ভারতের 24টি জাহাজকে দেশে ফিরিয়ে আনার ব্যবস্থা করতে হবে।

    তাঁদের বক্তব্য, পারস্য উপসাগরে দাঁড়িয়ে থাকা তরল পেট্রোলিয়াম গ্যাস বহনকারী জাহাজগুলি একে একে ভারতে ঢুকতে শুরু করলে তবেই LPG গ্যাসের সংকট কাটানো সম্ভব হবে। শুধু তাই নয়, গৃহস্থালী এবং বাণিজ্যিক গ্যাসের সরবরাহ আবার আগের অবস্থায় ফিরিয়ে নিয়ে যেতে হলে ইরানের সাথে কূটনৈতিক সম্পর্ক ভাল রেখে পশ্চিম এশিয়া থেকে তরল পেট্রোলিয়াম গ্যাস আমদানি অব্যাহত রাখতে হবে নয়া দিল্লিকে। তবেই দেশে গ্যাসের চাহিদা মেটানো সম্ভব হবে। তবে এখনই বাণিজ্যিক এবং রান্নার গ্যাসের দাম কমবে কিনা তা নিয়ে কোনও উত্তর নেই।

     

    অবশ্যই পড়ুন: বাংলার গুরুত্বপূর্ণ রুটে একাধিক ট্রেন বাতিল করল রেল, সমস্যায় পড়বেন যাত্রীরা

    উল্লেখ্য, সম্প্রতি ইরানের তরফে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, আমেরিকা এবং ইজরায়েল ও তাদের বন্ধু দেশগুলি ছাড়া বিশ্বের বাকি দেশ হরমুজ দিয়ে নিরাপদে জ্বালানি নিয়ে যেতে পারবে। তাদের জাহাজে হামলা চালাবে না তেহরান। তবে ভারতের জাহাজকে ছাড়পত্র দেওয়ার নেপথ্যে আলাদা করে নয়া দিল্লির সাথে তেহরানের কোনও বিনিময় চুক্তি হয়নি সে কথা জানিয়ে দিয়েছেন বিদেশ মন্ত্রী এস জয়শঙ্কর।

  • LPG সঙ্কটের মাঝে গ্যাস নিয়ে নয়া নির্দেশনা, না মানলে মিলবে না সিলিন্ডার

    LPG সঙ্কটের মাঝে গ্যাস নিয়ে নয়া নির্দেশনা, না মানলে মিলবে না সিলিন্ডার

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ এলপিজির (LPG Cylinder) জোগান না থাকায় এমনিতেই সমস্যায় রয়েছেন সাধারণ আমজনতা। গ্যাস নিয়ে বাংলা সহ গোটা দেশে রীতিমতো হাহাকার পড়ে গিয়েছে। এদিকে রেস্তোরাঁগুলিতেও মেনুতে কাটছাঁট থেকে শুরু করে মেনুর দাম বৃদ্ধি করে দিয়েছে। আগামী দিনে পরিস্থিতি কী হবে সেটা ভেবে দিশেহারা সকলে। এরই মাঝে এলপিজির নিয়মে বড় বদল আনল কেন্দ্রীয় সরকার। ৩৩ কোটি মানুষের জন্য বিশেষ নির্দেশিকা জারি করেছে কেন্দ্র।

    LPG e-KYC বাধ্যতামূলক করল কেন্দ্র

    নিশ্চয়ই ভাবছেন কী হয়েছে? তাহলে জানিয়ে রাখি, কেন্দ্রীয় সরকার দেশের প্রায় ৩৩ কোটি ঘরোয়া গ্যাস সিলিন্ডার গ্রাহকের জন্য বায়োমেট্রিক আধার অথেন্টিকেশন অর্থাৎ ই-কেওয়াইসি (eKYC) করানো বাধ্যতামূলক করেছে। তবে, এর জন্য গ্যাস এজেন্সিতে লাইনে দাঁড়ানোর প্রয়োজন হবে না। ঘরে বসেই ফোনের মাধ্যমে কয়েকটি সহজ ধাপ অনুসরণ করে আপনি করে নিতে পারবেন। মূলত গ্যাস সরবরাহে স্বচ্ছতা আনতে এবং ভর্তুকির সুবিধা যাতে সরাসরি সঠিক সুবিধাভোগীদের কাছে পৌঁছায় তা নিশ্চিত করতে এই পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। উল্লেখ্য যে, ই-কেওয়াইসি প্রক্রিয়াটি আধার অথেন্টিকেশন অ্যাপের মাধ্যমেই সম্পন্ন হবে। এই কারণেই গ্যাস গ্রাহকদের এই বাধ্যতামূলক প্রক্রিয়ার জন্য এজেন্সিতে যেতে হবে না।

    পেট্রোলিয়াম মন্ত্রক এক্স হ্যান্ডেলে জানিয়েছে যে, এখন থেকে সমস্ত গার্হস্থ্য গ্যাস গ্রাহকদের জন্য বায়োমেট্রিক আধার ভেরিফিকেশন বা ই-কেওয়াইসি সম্পন্ন করা বাধ্যতামূলক। টুইটটিতে আরও বলা হয়েছে যে, ই-কেওয়াইসি-র জন্য শুধু গ্যাস কোম্পানির মোবাইল অ্যাপ এবং Aadhaar Face RD-ই যথেষ্ট নয়। বর্তমানে প্রধানমন্ত্রী উজ্জ্বলা যোজনার ১০৫ মিলিয়নেরও বেশি সুবিধাভোগীর ভর্তুকি অব্যাহতভাবে পাওয়ার জন্য এই যাচাইকরণটি বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। এই সুবিধাভোগীদের বছরে একবার এই অনলাইন যাচাইকরণ প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন করতে হবে।

    ফোন থেকে কীভাবে LPG E-KYC সম্পন্ন করবেন?

    আপনার ফোন থেকে ই-কেওয়াইসি সম্পন্ন করতে, প্রথমে আপনার গ্যাস কোম্পানির অ্যাপ এবং Aadhaar Face RD অ্যাপ ইনস্টল করুন। বাধ্যতামূলক বায়োমেট্রিক প্রমাণীকরণ সম্পন্ন করার জন্য এলপিজি গ্রাহকদের এগুলোর প্রয়োজন হবে।

    আরও পড়ুনঃ বাংলার গুরুত্বপূর্ণ রুটে একাধিক ট্রেন বাতিল করল রেল, সমস্যায় পড়বেন যাত্রীরা

    ১) গ্যাস কোম্পানির অ্যাপটি ওপেন করুন এবং আপনার গ্যাস সংযোগের সাথে নিবন্ধিত একই মোবাইল নম্বর দিয়ে লগইন করুন।
    ২) গ্যাস কোম্পানির অ্যাপের মেনু বা সার্ভিস সেকশনে গিয়ে সেখানকার আধার E-KYC বা Re-KYC বাটনে ক্লিক করুন।
    ৩) এরপরে, স্ক্রিনে ভেসে থাকা নিয়মগুলো মেনে নিন এবং মুখ শনাক্তকরণের কাজটি সম্পন্ন করতে পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যান।
    ৪) এটি করলে আধার ফেসআরডি অ্যাপটি অটোমেটিকভাবে খুলে যাবে।
    ৫) এবার, আপনার ফোনের সামনের ক্যামেরা দিয়ে আপনার মুখ স্ক্যান করুন।
    এই ধাপের পর আপনার আধার বিবরণ স্ক্রিনে দেখা যাবে। এখন সাবমিট অপশনে ক্লিক করে আপনার ই-কেওয়াইসি সম্পূর্ণ করুন।

  • LPG সঙ্কটের মাঝে PNG কানেকশনে ৫০০ টাকা ছাড়ের ঘোষণা, কারা পাবেন জানুন

    LPG সঙ্কটের মাঝে PNG কানেকশনে ৫০০ টাকা ছাড়ের ঘোষণা, কারা পাবেন জানুন

    বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: ইরান যুদ্ধের আঁচে পুড়তে হচ্ছে ভারতকেও। ইতিমধ্যেই দেশজুড়ে দেখা দিয়েছে LPG র সংকট। এরই মাঝে দেশবাসীকে আশ্বস্ত করেও রান্নার গ্যাসের দাম 60 টাকা বাড়িয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। সবমিলিয়ে, সংকট কার্যত চরমে উঠেছে আমজনতার। ঠিক সেই পরিস্থিতিতে এবার স্বস্তির খবর শোনালো ইন্দ্রপ্রস্থ গ্যাস লিমিটেড বা IGL (IGL PNG Discount)। ইতিমধ্যেই এই সংস্থাটি পাইপ যুক্ত প্রাকৃতিক গ্যাস বা PNG র নতুন কানেকশনের উপর মোটা ডিসকাউন্ট ঘোষণা করেছে। কিন্তু কতদিন থাকবে এই অফার? কারাই বা এই অফারের সুবিধা পাবেন?

    500 টাকা ডিসকাউন্টে মিলছে নতুন PNG কানেকশন

    দেশজুড়ে রান্নার গ্যাস নিয়ে চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে দিল্লি-NCR র বাসিন্দাদের মুখে হাসি ফুটিয়েছে IGL। ইন্দ্রপ্রস্থ গ্যাস লিমিটেড জানিয়েছে, দিল্লি ও তার পার্শ্ববর্তী অঞ্চলের বাসিন্দারা যদি আগামী 31 মার্চের মধ্যে নতুন PNG কানেকশন বুক করেন সে ক্ষেত্রে নতুন PNG বা প্রাকৃতিক গ্যাস সংযোগের উপর 500 টাকা ছাড় দেওয়া হবে। এখানেই শেষ নয়, সংস্থাটি এও জানিয়েছে যাঁদের পুরনো PNG কানেকশন রয়েছে এবং বর্তমানে তা বন্ধ পড়ে রয়েছে, তাঁরাও খুব সহজেই সেই কানেকশন পুনরায় অ্যাক্টিভ করে নিলে 500 টাকা ডিসকাউন্ট অফার অ্যাভিল করতে পারবেন।

    হঠাৎ কেন এমন ডিসকাউন্ট অফার?

    Zee বিজনেসের রিপোর্ট অনুযায়ী, সম্প্রতি পশ্চিম এশিয়ায় ভয়াবহ সংঘাতের পরিস্থিতি তৈরি হওয়ার ফলে গোটা বিশ্ব জুড়ে দেখা দিয়েছে LPG সংকট। যার ফলে যথেষ্ট সমস্যায় পড়তে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে। আসলে কেন্দ্রীয় সরকার এবং বিভিন্ন তেল কোম্পানিগুলি চাইছে LPG গ্যাসের বদলে সাধারণ মানুষ PNG মুখী হোক। এর ফলে গোটা দেশজুড়ে গ্যাস সরবরাহের উপর থেকে চাপ কমানো যাবে। বিশেষজ্ঞদের অনেকেই বলছেন, সরকার এবং প্রতিটি তেল কোম্পানি চায় সাধারণ মানুষ যাতে প্রাকৃতিক গ্যাস বা PNG র ব্যবহার বাড়ায়। সে কারণেই ডিসকাউন্ট অফার দিয়ে গ্রাহকদের আকৃষ্ট করতে চাইছে ইন্দ্রপ্রস্থ গ্যাস লিমিটেড।

    অবশ্যই পড়ুন: কিছুই জানায়নি KKR, তাহলে কি IPL খেলছেন হর্ষিত রানা?

    কোন কোন অঞ্চলের বাসিন্দারা এই বিশেষ অফার পাবেন?

    রিপোর্ট অনুযায়ী, দিল্লি, নয়ডা, গাজিয়াবাদ, ফরিদাবাদ, গুরুগ্রাম, এবং গ্রেটার নয়ডার বাসিন্দারা নতুন PNG বা প্রাকৃতিক গ্যাস কানেকশন নিলে প্রথম গ্যাস উপর 500 টাকা ছাড় পাবেন। IGL একেবারে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, এই অফারের লাভ তুলতে হলে 31 মার্চের মধ্যেই নতুন PNG কানেকশনের জন্য আবেদন করতে হবে। এর জন্য ইন্দ্রপ্রস্থ গ্যাস লিমিটেডের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট থেকে একেবারে অনলাইনে নতুন PNG কানেকশনের জন্য আবেদন করতে পারবেন গ্রাহকরা।

  • PNG থাকলে আপাতত মিলবে না LPG! নয়া নির্দেশ কেন্দ্রের

    PNG থাকলে আপাতত মিলবে না LPG! নয়া নির্দেশ কেন্দ্রের

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ গ্যাস সিলিন্ডারের (Gas Cylinder) এবার PNG নিয়ে বড় নির্দেশিকা জারি করল কেন্দ্রীয় সরকার। ইরান ইজরায়েলের মধ্যেকার যুদ্ধের আঁচ ভারতের হেঁশেলে পড়েছে। একদিকে যখন নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিস কিনতে গিয়ে হিমশিম খাচ্ছেন আমজনতা, তখন আচমকা সরকার ঘরোয়া রান্নার গ্যাস থেকে শুরু করে বাণিজ্যিক গ্যাস সিলিন্ডারের দাম আকাশছোঁয়া করে দিয়েছে। এখনও বিষয়টি অনেকে হজম করতে পারেননি, এরই মধ্যে এবার পাইপযুক্ত প্রাকৃতিক গ্যাস (PNG) নিয়ে বড় ঘোষণা করল কেন্দ্র। নেওয়া হয়েছে কড়া পদক্ষেপ। চলুন বিশদে জেনে নেবেন।

    PNG নিয়ে বড় ঘোষণা কেন্দ্রের

    পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস মন্ত্রক শনিবার ঘোষণা করেছে যে, যাদের বাড়িতে পিএনজি সংযোগ রয়েছে তারা আর ঘরোয়া এলপিজি সিলিন্ডার সংরক্ষণ, নতুন কানেকশন গ্রহণ বা সিলিন্ডার পুনরায় রিফিল করতে পারবেন না। সংশোধিত সরবরাহ নির্দেশের অধীনে, তেল কোম্পানিগুলিকে এই ধরনের গ্রাহকদের এলপিজি কানেকশন বা পুনরায় রিফিল প্রদান থেকেও নিষেধ করা হয়েছে।

    কেন এরকম সিদ্ধান্ত সরকারের?

    সরকার এই সিদ্ধান্ত এমন এক সময়ে নিয়েছে যখন বিশ্বব্যাপী পরিস্থিতি এলপিজি সরবরাহের উপর প্রভাব ফেলছে। মধ্যপ্রাচ্যে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার কারণে ভারতে এলপিজি চালান হ্রাস পাচ্ছে। এক রিপোর্ট অনুসারে, ৯ মার্চ থেকে শুরু হওয়া সপ্তাহে ভারতে এলপিজি সরবরাহ আনুমানিক ২.৭ লক্ষ টন পৌঁছাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে, যা ২০২৩ সালের এপ্রিলের পর সর্বনিম্ন। মধ্যপ্রাচ্যের সাম্প্রতিক ঘটনাবলীর কারণে হরমুজ প্রণালী বন্ধ হয়ে গেছে, যে সমুদ্রপথ দিয়ে ভারতের এলপিজির একটি বড় অংশ প্রবেশ করে। এর ফলে আমদানি ব্যাহত হয়েছে এবং অভ্যন্তরীণ বাজারে চাপ বেড়েছে। ভারত বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম এলপিজি গ্রাহক এবং তার চাহিদার প্রায় ৯০ শতাংশ আমদানির উপর নির্ভর করে।

    আরও পড়ুনঃ ঘরে বসেই ট্রান্সফার হবে পিএফ অ্যাকাউন্ট, নয়া সুবিধা আনল EPFO

    এদিকে দেশের রিফাইনারিগুলিকে উৎপাদন বাড়ানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, যার ফলে দেশীয় এলপিজি উৎপাদন প্রায় ২৮ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে বলে জানিয়েছে সরকার। মূলত চাহিদা নিয়ন্ত্রণে রাখতে সরকার সম্প্রতি রান্নার গ্যাসের দাম বাড়িয়েছে। ৭ মার্চ, প্রায় এক বছর পর ১৪.২ কিলোগ্রামের একটি ঘরোয়া এলপিজি সিলিন্ডারের দাম বাড়ানো হয়, যা প্রায় ৭ শতাংশ বেড়ে ৯১৩ টাকায় দাঁড়িয়েছে।

  • ভারতের পতাকা দেখেই ছাড়, নিরাপদে হরমুজ পেরোল LPG কার্গো শিবালিক

    ভারতের পতাকা দেখেই ছাড়, নিরাপদে হরমুজ পেরোল LPG কার্গো শিবালিক

    সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: দেশে কাটতে চলেছে এলপিজির সংকট (LPG Crisis)! পশ্চিম এশিয়ায় চলা উত্তেজনার জেরে যখন জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে দিনের পর দিন উদ্বেগ বাড়ছে, ঠিক সেই সময় সামনে এলো বিরাট স্বস্তির খবর। হ্যাঁ, ভারতের পতাকাবাহী একটি এলপিজি পরিবাহী জাহাজ নিরাপদেই হরমুজ প্রণালী (Strait of Hormuz) অতিক্রম করল। অনলাইন জাহাজ ট্র্যাকিং পোর্টাল MarineTraffic এর রিপোর্ট অনুযায়ী, ভারতের পতাকাবাহী এলপিজি পরিবাহী জাহাজ শিবালিক শুক্রবার রাত নগদ সফলভাবেই হরমুজ প্রণালী অতিক্রম করেছে। ফলে সংকটের মুখে দেশে এলপিজি নিয়ে দুশ্চিন্তা হয়তো দূর হতে চলেছে, এমনটাই মত ওয়াকিবহাল মহলের।

    কাতার থেকে শুরু করেছিল যাত্রা

    বিশ্বস্ত সূত্র অনুযায়ী খবর, এই এলপিজি ভর্তি জাহাজটি বিগত ২৭ মার্চ কাতারের রাস লাফান বন্দর থেকে যাত্রা শুরু করেছিল। আর সেখান থেকে বিপুল পরিমাণ তরলকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস বোঝাই করেই জাহাজটি আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক রুট ধরে এগিয়ে যায়। এমনকি পরে তা নিরাপদে হরমুজ প্রণালী দিয়ে পার হয়ে যায়। প্রথমদিকে কিছু কিছু সংবাদমাধ্যমে দাবি করা হয়েছিল যে, জাহাজটিকে ভারতীয় যুদ্ধ জাহাজ নিরাপত্তা দিয়েই নিয়ে যাচ্ছে। কিন্তু পরে সেই দাবি নাকোচ করে ভারতীয় নৌ-বাহিনী। তাদের তরফ থেকে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়, ওই জাহাজকে কোনওরকম সুরক্ষা দেওয়া হয়নি।

    এক্ষেত্রে বলে রাখি, শিবালিক একটি বৃহৎ আকারের এলপিজি পরিবাহী জাহাজ। এর কার্গো বহন ক্ষমতা আনুমানিক ৫৪ হাজার টনেরও বেশি। বর্তমানে জাহাজটি ভারতের রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা শিপিং কর্পোরেশন ইন্ডিয়ার মালিকানাধীন। শিপিং ডাটাবেস Equasis এর একটি তথ্য অনুযায়ী, ২০০৮ সালে তৈরি হওয়া এই জাহাজটির প্রথম মালিক ছিল কাতার শিপিং কোম্পানি। পরে মালিকানা বদলের মাধ্যমে এটি ভারতের আওতায় আসে। এমনকি বিশেষজ্ঞদের মতে, এই জাহাজে থাকা এলপিজির পরিমাণ ভারতের মোট দৈনিক আমদানির প্রায় একদিনের সমান হতে পারে।

    আরও পড়ুন: দেশে ৩০% বাড়ল LPG-র উৎপাদন, কমবে গ্যাসের ক্রাইসিস

    বলাই বাহুল্য, মধ্যপ্রাচ্যের হরমুজ প্রণালী বিশ্বের সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহন রুট। কিন্তু আন্তর্জাতিক পরিস্থিতির জেরে সেখানে এখন তৈরি হয়েছে অস্থিরতা। বিশেষ করে আন্তর্জাতিক বাজারে যে বিপুল পরিমাণ তেল বা গ্যাস বাণিজ্য হয়, তার বৃহৎ অংশই এই পথ দিয়ে পরিবহন করা হয়। কিন্তু উত্তেজনার কারণে এই রুটে জাহাজ চলাচল ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছিল। যার ফলে বিশ্বের অনেক দেশে দেখা যায় জ্বালানির সংকট। তবে সেই হাহাকারের মধ্যেও কিছুটা স্বস্তির নিঃশ্বাস হয়তো ফেলতে পারে ভারত।

  • দেশে ৩০% বাড়ল LPG-র উৎপাদন, কমবে গ্যাসের ক্রাইসিস

    দেশে ৩০% বাড়ল LPG-র উৎপাদন, কমবে গ্যাসের ক্রাইসিস

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধের কারণে দিন দিন গ্যাসের সঙ্কট বেড়েই চলেছে। মিলছে না গ্যাস, বাজারে তাই গ্রাহকদের হাহাকার অবস্থা। এই কারণে একাধিক শহরে হোটেল-রেস্টুরেন্ট বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। গ্যাসের সংকটের (LPG Cylinder Crisis) ছায়া পড়েছে হাসপাতাল, স্কুল কলেজ হোস্টেল ক্যান্টিনে। আর ঠিক এই পরিস্থিতিতে গতকাল অর্থাৎ শুক্রবার জ্বালানি নিয়ে বড় ঘোষণা করল কেন্দ্রীয় সরকার (Central Government Of India)। রান্নার গ্যাসের অভ্যন্তরীণ উৎপাদন (LPG Gas Production) প্রায় ৩০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে বলে আশ্বাস দিল কেন্দ্র।

    এলপিজি উৎপাদন ৩০ শতাংশ বাড়ানো হয়েছে

    কেন্দ্রীয় তেল মন্ত্রকের যুগ্মসচিব সুজাতা শর্মা জানিয়েছে যে, দেশজুড়ে গৃহস্থালির জন্য এলপিজি সরবরাহ স্বাভাবিক রয়েছে। রিফাইনারিগুলিতে উৎপাদন বাড়ানো হয়েছে যাতে বাজারে গ্যাসের ঘাটতি না হয়। রিপোর্ট মোতাবেক ৫ মার্চের পর থেকে দেশে এলপিজি উৎপাদন ৩০ শতাংশ বাড়ানো হয়েছে। অন্যদিকে ব্যবসায়ীদের চাহিদার কথা মাথায় রেখেই এলপিজি বুকিংয়ের ব্যবধান বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্রীয় পেট্রোলিয়াম মন্ত্রী হরদীপ সিং পুরী। তিনি জানিয়েছেন, শহরাঞ্চলে গ্যাস বুকিংয়ের ন্যূনতম ব্যবধান ২১ দিন থেকে বাড়িয়ে ২৫ দিন করা হয়েছে। গ্রামাঞ্চল ও দুর্গম এলাকায় এই ব্যবধান ২৫ দিন থেকে বাড়িয়ে ৪৫ দিন করা হয়েছে। আর তাতে পরিস্থিতি কিছুটা স্বস্তিদায়ক হয়েছে।

    কী বলছেন যুগ্ম সচিব সুজাতা শর্মা?

    পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব সুজাতা শর্মা জানিয়েছেন, “পরিবার, হাসপাতাল এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের জন্য এলপিজি সরবরাহকে বেশি অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। এছাড়াও কেন্দ্র, রাজ্য সরকারগুলিকে বাণিজ্যিক সিলিন্ডারও সরবরাহ করছে, যাতে রাজ্য সরকার যেখানে যেমন প্রয়োজন ঠিক ততটাই অগ্রাধিকার অনুসারে বিতরণ করতে পারে। পাশাপাশি সারা দেশে পেট্রোল বা ডিজেলের কোনও ঘাটতি নেই। প্রায় ১,০০,০০০ খুচরো জ্বালানি বিক্রেতা জানিয়েছেন যে গ্যাসের কোনও ঘাটতি নেই তাদের আউটলেটে। পেট্রোল পাম্পগুলিও স্বাভাবিকভাবে চলছে এবং পর্যাপ্ত জ্বালানি মজুত রয়েছে।”

    পাইপের মাধ্যমেও চলছে গ্যাস সরবরাহ

    ভারতে প্রায় ১ কোটি ৫০ লক্ষ পরিবার পিএনজি কানেক্শন ব্যবহার করেন। সরকারের তরফ থেকে বলা হয়েছে, পাইপের মাধ্যমে সরবরাহ করা প্রাকৃতিক গ্যাস এবং কম্প্রেসড প্রাকৃতিক গ্যাসও স্থিতিশীল রয়েছে এবং পর্যাপ্ত পরিমাণ সরবরাহও করা হচ্ছে। আরও ৬০ লক্ষ বাড়ি সহজেই পিএনজি সংযোগ পেতে পারেন। ফলস্বরূপ এলপিজির চাহিদার উপর চাপ কমতে পারে। অন্যদিকে যানবাহনে ব্যবহৃত সিএনজি সরবরাহ অব্যাহত রয়েছে। এছাড়াও অন্য শিল্পক্ষেত্রগুলি যেমন উৎপাদন শিল্প ও চা শিল্প, এদের গড় চাহিদার প্রায় ৮০ শতাংশ গ্যাস দেওয়া হবে।

    আরও পড়ুন: KKR-এ হর্ষিত রানার বদলি হচ্ছেন MI-র এই বোলার! চেনেন নাকি?

    প্রসঙ্গত, এলপিজি ঘাটতির অভিযোগ তুলে বিরোধী সাংসদেরা সংসদ চত্বরে বিক্ষোভও দেখিয়েছেন। তবে কেন্দ্র জানিয়েছে, পরিস্থিতি সামাল দিতে একাধিক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এদিকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জ্বালানি সংকটের জেরে কেন্দ্রের বিরুদ্ধে রাজপথে মিছিল করতে চলেছেন। আগামী সোমবার, ১৬ মার্চ, বিকেল ৪টের সময় মিছিল শুরু হবে কলেজ স্কোয়ার থেকে যা শেষ হবে ডরিনা ক্রসিংয়ে। মিছিলে উপস্থিত থাকবেন তৃণমূলের নেতা মন্ত্রীরা।

  • সত্যিই কি LPG সিলিন্ডার প্রতি ২৯১ টাকা কর নিচ্ছে রাজ্য সরকার? দেখুন হিসেব

    সত্যিই কি LPG সিলিন্ডার প্রতি ২৯১ টাকা কর নিচ্ছে রাজ্য সরকার? দেখুন হিসেব

    বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: ইরান যুদ্ধের আঁচে পুড়ছে বাংলাও (West Bengal)! রাজ্যজুড়ে দেখা দিয়েছে LPG র হাহাকার! এরই মাঝে কেন্দ্রীয় সরকারের নতুন নিয়মে এবার থেকে শহরের ক্রেতারা 25 দিনের আগে দ্বিতীয় গ্যাস বুক করতে পারবেন না। গ্রামাঞ্চলের ক্ষেত্রে সেই পরিধিটা 45 দিনের। এমতবস্থায়, গ্যাস সিলিন্ডার নিয়ে কার্যত কাড়াকাড়ি বেঁধে গিয়েছে বলা যায়! এদিকে দেশবাসীকে আশ্বস্ত করা সত্ত্বেও রান্নার গ্যাসের দাম 60 টাকা বেড়েছে। যা নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকারকে কটাক্ষ করতে ছাড়ছেন না বিরোধীরা। এহেন আবহে, শহর কলকাতার নামকরা চিকিৎসক নারায়ন ব্যানার্জি (Narayan Banerjee), নিজের সোশ্যাল মিডিয়া হ্যান্ডেলে গ্যাস সিলিন্ডার থেকে রাজ্য এবং কেন্দ্রের রাজস্ব আয় সংক্রান্ত একটি পোস্ট শেয়ার করেন। আর তাতেই বিপাকে পড়েছেন ডাক্তার বাবু!

    বাংলার চিকিৎসককে তুলোধোনা তৃণমূল নেত্রীর!

    একজন চিকিৎসক হওয়ার পাশাপাশি নেট দুনিয়াতেও বেশ পরিচিত মুখ নারায়ণ ব্যানার্জি। সোশ্যাল মিডিয়াতে প্রায় ভেসে বেড়ায় তাঁর বিভিন্ন উপদেশমূলক ভিডিও। তবে মাঝেমধ্যে রাজনীতির রঙ গায়ে না মেখেও বেশ কিছু বিতর্কিত মন্তব্য করে বসেন তিনি। এমনকি রাজ্য সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েও প্রশ্ন তুলতে দেখা যায় শহর কলকাতার এই চিকিৎসককে। সোশ্যাল মিডিয়ায় সম্প্রতি তিনিই একটি পোস্ট শেয়ার করেছিলেন। যেই ছবিটির ওপরেই লেখা রয়েছে গ্যাস থেকে কার কোষাগারে কত ঢোকে… নিচে গ্যাস সিলিন্ডারের রাজস্ব সংক্রান্ত যে হিসেব দেখানো হয়েছে তাতে কেন্দ্রীয় সরকারের কর হিসেবে 24 টাকা 75 পয়সা এবং রাজ্য সরকার অর্থাৎ তৃণমূল সরকারের কর বাবদ 291.36 টাকা দেখানো হয়। পোস্টের ক্যাপশনে লেখা হয়েছে ট্রু।

    গ্যাস সিলিন্ডার থেকে রাজ্য এবং কেন্দ্রীয় সরকারের রাজস্ব সংক্রান্ত হিসেব নিজের ফেসবুক পেজে পোস্ট করেই একপ্রকার বিপাকে পড়েছেন চিকিৎসক। আসলে চিকিৎসক নারায়ণ ব্যানার্জির এমন পোস্ট নিয়ে তাঁকে সরাসরি আক্রমণ করেছেন উত্তর ব্যারাকপুর মিউনিসিপ্যালিটির ভাইস চেয়ারম্যান তথা তৃণমূল নেত্রী শ্রীপর্ণা রায়। নিজের ফেসবুক হ্যান্ডেলে চিকিৎসক নারায়ণ ব্যানার্জির করা পোষ্টের সাথেই গ্যাস সিলিন্ডার থেকে রাজ্য এবং কেন্দ্রের রাজস্ব আয়ের হিসাব সহ আরেকটি ছবি আপলোড করে চিকিৎসককে চাঁচাছোলা আক্রমণ করেছেন ওই তৃণমূল নেত্রী।

    অবশ্যই পড়ুন: রেশনে অর্ধেক খরচে কিনতে পারবেন কেরোসিন! বড় সিদ্ধান্ত কেন্দ্রের

    উত্তর ব্যারাকপুরের ভাইস চেয়ারম্যান নিজের ফেসবুক পেজে দুটি ছবি পাশাপাশি রেখে তার ক্যাপশনে লিখেছেন, “নাড়ু ব্যানার্জী লজ্জা শরম থাকলে ডাক্তারের ডিগ্রীটা জ্বালিয়ে দিন …. যেই জিনিসটা জিএসটির আওতায় সেখানে আর কোনো ট্যাক্স লাগে না এটা নাড়ু ডাক্তারের নতুন বাবার সরকারের সিদ্ধান্ত। নাড়ু বিধায়ক হওয়ার লোভে নিজের বাবা মায়ের দেওয়া শিক্ষাটাও জলাঞ্জলি দিয়েছে। এলপিজি গ্যাস জিএসটির আওতায় এবং ৫ শতাংশ করের স্ল্যাবে অবস্থান করছে, এর থেকে ২.৫ শতাংশ কর রাজ্য সরকার এবং ২.৫ শতাংশ কর কেন্দ্রীয় সরকার পায় যার আর্থিক মুল্য মাত্র ২২.৩৬ টাকা। এর বাইরে রাজ্য সরকার এক পয়সা পায় না। উপরন্তু এই প্রাপ্য ট্যাক্সের টাকাও কেন্দ্রীয় সরকার নানা আছিলায় আটকে রাখে। তাই এই অশিক্ষিত নির্লজ্জ মিথ্যাবাদী নাড়ু ডাক্তারের বিরুদ্ধে উদ্দেশ্যপ্রনোদিত মিথ্যাচারের মাধ্যমে রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে গুজব ছড়ানোর অভিযোগে মামলা করার অনুরোধ রাখছি।” তৃণমূল নেত্রীর এমন পোস্ট দেখামাত্রই কেউ কেউ ওই চিকিৎসককে কটাক্ষ করে লিখছেন, “গোমূত্রের পরিমাণটা বেশি হয়ে গিয়েছে বোধহয়!”

  • লাগবে না গ্যাস-বিদ্যুৎ, রোদেই হবে রান্না! LPG সংকটে মুশকিল আসান এই উনুন

    লাগবে না গ্যাস-বিদ্যুৎ, রোদেই হবে রান্না! LPG সংকটে মুশকিল আসান এই উনুন

    সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: রান্নার গ্যাসের দাম বৃদ্ধি আর সরবরাহের সমস্যা (LPG Crisis) দিনের পর দিন চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে মধ্যবিত্ত থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষের। এই পরিস্থিতিতে বিকল্প রান্নার উপায় খুঁজছে এখন আমজনতা। ঠিক এরকম সময় আলোচনায় উঠে আসছে সূর্যের আলোতে চলা সোলার কুকার (Solar Cooker)। এই প্রযুক্তিতে রান্নার জন্য প্রয়োজন হবে না কোনও এলপিজি গ্যাস বা বিদ্যুতের। বিশেষজ্ঞদের মতে, যে সমস্ত অঞ্চলে প্রচুর রোদ সেখানে সোলার কুকার হতে পারে একেবারে দারুণ বিকল্প।

    কীভাবে কাজ করে এই সোলার কুকার?

    সোলার কুকার মূলত বিজ্ঞান আর প্রযুক্তির প্রয়োগ। এতে একটি রিফ্লেক্টর বা চকচকে পৃষ্ঠ থাকে, যেটি সূর্যের আলোকে নির্দিষ্ট জায়গায় কেন্দ্রীভূত করে রাখে। আর ওভেনের ভেতরের অংশ সাধারণত কালো রঙের হয়ে থাকে, যাতে সূর্যের তাপ সহজেই শোষিত হয়। আর উপরে কাঁচের ঢাকনা থাকার কারণে ভিতরে গ্রীনহাউস ইফেক্ট তৈরি হয় এবং তা বাইরে যেতে পারে না। এভাবে সোলার কুকারের ভিতরে তাপমাত্রা অনেক সময় ১৫০ ডিগ্রি সেলসিয়াসেরও বেশি হয়ে যায়, যা কিনা ভাত, ডাল, সবজি বা অন্যান্য সাধারণ খাবার রান্নার জন্য একেবারে পারফেক্ট।

    তবে হ্যাঁ, বর্তমানে বাজারে মূলত দুই ধরনের সোলার কুকার পাওয়া যায়। প্রথমত রয়েছে বক্স টাইপ কুকার। এই ধরনের কুকারগুলি ছোট পরিবারের জন্য উপযোগী। এর দাম ২৫০০ টাকা থেকে ৪৫০০ টাকার মধ্যে হয়ে থাকে। আর দ্বিতীয়ত রয়েছে প্যারাবোলিক সোলার কুকার। এগুলি দ্রুত তাপ তৈরি করতে পারে আর তুলনামূলকভাবে বেশি কার্যকর। এর দাম ৫০০০ থেকে ৮০০০ টাকার মধ্যে হয়ে থাকে। এগুলি অনলাইনে অ্যামাজন বা ফ্লিপকার্টের মতো ই-কমার্স প্ল্যাটফর্ম থেকে অনায়াসে কিনে নিতে পারবেন।

    সোলার কুকারের প্রধান সুবিধা

    জানিয়ে রাখি, সোলার কুকার ব্যবহার শুধুমাত্র যে খরচ বাঁচাবে এমনটাই নয়, বরং পরিবেশের দিক থেকেও এটি উপকারী। কারণ, এক্ষেত্রে রান্নার জন্য গ্যাস বা বিদ্যুতের প্রয়োজন তো পড়েই না, পাশাপাশি দীর্ঘমেয়াদে রান্নার খরচ একেবারে শুন্য নেমে আসে। আর ধীরে রান্না হওয়ার কারণে খাবারের পুষ্টিগুণ অনেকটাই বাড়ে। পাশাপাশি গ্যাস লিকেজ বা আগুন লাগার ঝুঁকিও থাকে না, এবং  রক্ষণাবেক্ষণ খুবই সহজে করা যায়।

    আরও পড়ুন: LPG সংকটের জের, রেস্তোরাঁর বিলের সাথে যুক্ত হচ্ছে গ্যাসের চার্জ!

    এক্ষেত্রে উল্লেখ করার বিষয়, সোলার কুকার ব্যবহার করার জন্য কিছু বিষয় খেয়াল রাখতে হবে। যেমন, এমন জায়গায় এই কুকার রাখতে হবে যেখানে কমপক্ষে ৩ থেকে ৪ ঘণ্টা সরাসরি রোদ পড়ে, বিশেষ করে ছাদ বা বারান্দায় ব্যবহার করলে সবথেকে ভালো। তাছাড়া রান্নার জন্য কালো রঙের পাত্র ব্যবহার করুন। এতে দ্রুত তাপ শোষণ হয়। আর সকাল দশটা থেকে এগারোটার মধ্যে খাবার রাখলে দুপুরের মধ্যেই তা রান্না হয়ে যাবে বলে জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।

  • LPG সংকটের জের, রেস্তোরাঁর বিলের সাথে যুক্ত হচ্ছে গ্যাসের চার্জ!

    LPG সংকটের জের, রেস্তোরাঁর বিলের সাথে যুক্ত হচ্ছে গ্যাসের চার্জ!

    সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: এবার থেকে হোটেল বা রেস্তোরাঁয় খেতে গেলে হয়তো একটু বাড়তি খরচ করতে হতে পারে (Restaurant Extra Charges)। কারণ, দেশের বিভিন্ন প্রান্তে কিছু রেস্তোরাঁ গ্রাহকদের বিলের সঙ্গে এলপিজি সারচার্জ বা গ্যাস ফি যুক্ত করে দিচ্ছে। হ্যাঁ, পশ্চিম এশিয়ায় চলা সংঘাতের জেরে রান্নার গ্যাসের টানাটানি (LPG Crisis) এমনিতেই ভারতে। আর সেই পরিস্থিতিতেই এবার বিরাট সিদ্ধান্ত নিচ্ছে রেস্তোরাঁর মালিকরা।

    বিলের সঙ্গে যুক্ত হচ্ছে এলপিজি সারচার্জ

    রেস্তোরাঁর মালিকরা দাবি করছে, বর্তমানে বাণিজ্যিক রান্নার গ্যাসের দাম আর সরবরাহ দুটোই অনিশ্চিত। এই কারণে অনেক জায়গায় রেস্তোরাঁগুলিকে অতিরিক্ত খরচ করতে হচ্ছে। পাশাপাশি কিছু কিছু রেস্তোরাঁ বা হোটেল গ্যাসের অভাবে বন্ধ হয়ে গিয়েছে। আর সেই খরচ সামাল দেওয়ার জন্যই কিছু রেস্তোরাঁ গ্রাহকদের বিলের মধ্যে গ্যাস ফি বা এলপিজি সারচার্জ নামে আলাদা চার্জ যুক্ত করছে। সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি বিল ভাইরাল হয়েছে। আর সেখানে Geeraas Restaurant নামে একটি রেস্তোরাঁ গ্রাহকের বিলের সঙ্গে ৯.৫২ টাকা গ্যাস ফি যুক্ত করেছে। বিষয়টি সামনে আসার পর অনেকেই প্রশ্ন করেছেন, এই ধরনের অতিরিক্ত চার্জ নেওয়া ঠিক কতটা যুক্তিযুক্ত?

    এমনকি শুধুমাত্র রেস্তোরাঁ নয়, বরং দেশের বিভিন্ন শহরে কিছু কিছু খাবারের দোকান বিলের মধ্যে নতুন করে লাইন আইটেম যুক্ত করেছে। যেমন এলপিজি রিভিশন চার্জ, গ্যাস সাপ্লাই ইস্যু ফি, ফুয়েল অ্যাডজাস্টমেন্ট চার্জ। আর এসবের অর্থ একটাই, গ্যাসের দাম বাড়ার কারণে সেই অতিরিক্ত খরচের একটা অংশ গ্রাহকদের উপরেই চাপানো হচ্ছে।

    আরও পড়ুন: বিজেপিতে যোগ দিতে পারেন তৃণমূলের হেভিওয়েট বিধায়ক, ছড়াল জল্পনা

    এদিকে সব রেস্তোরাঁ সরাসরি চার্জ নিচ্ছে না। বরং অনেক জায়গায় আবার মেনুতে খাবারের দাম বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। উদাহরণ হিসেবে বলতে পারি, বেঙ্গালুরুর Krishna Vaibhava নামক এক রেস্তোরাঁর বেশ কয়েকটি খাবারের দাম ৫ থেকে ১০ টাকা পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। আসলে ভারতের রান্নার গ্যাসের একটি বৃহৎ অংশ আমদানি করা হয় মধ্যপ্রাচ্য থেকে। কিন্তু সাম্প্রতিক রাজনৈতিক উত্তেজনার কারণে সেই সরবরাহে কিছুটা সমস্যা দেখা যাচ্ছে। যার ফলে বাজারে বাণিজ্যিক সিলিন্ডারের দাম আর সরবরাহ দুটোই অনিশ্চিত। আর তারই প্রভাব পড়ছে হোটেল বা রেস্তোরাঁর মালিকদের উপর।