Tag: Liquefied Petroleum Gas

  • মেরেকেটে ৫ দিনের LPG, ৭ দিনের তেল বেঁচে! জ্বালানির দাম ২০০% বাড়াল পাকিস্তান

    মেরেকেটে ৫ দিনের LPG, ৭ দিনের তেল বেঁচে! জ্বালানির দাম ২০০% বাড়াল পাকিস্তান

    সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যে পড়ে একেবারে দেউলিয়া হওয়ার পথে প্রতিবেশী দেশ পাকিস্তান (Pakistan Fuel Crisis)। একদিকে ইরান-ইজরায়েলের সংঘাতের (Iran-Israel War)  কারণে হরমুজ প্রণালীতে জাহাজ আটকে রয়েছে, অন্যদিকে খাদের কিনারায় দাঁড়িয়ে থাকা পাকিস্তানের অর্থনীতি জ্বালানির অভাবে সম্পূর্ণরূপে ধুকছে। আর পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার জন্য দেশের সরকার হাই অক্টেন তেলের দাম এক ধাক্কায় প্রতি লিটারে ২০০ টাকা পর্যন্ত বাড়িয়েছে। এক কথায় মধ্যবিত্তদের রাতের ঘুম উড়ে গিয়েছে সন্ত্রাসের দেশে।

    জ্বালানির বাজারে রেকর্ড মূল্যবৃদ্ধি

    প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরীফের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সম্প্রতি এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে জ্বালানির দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সেই অনুযায়ী, বিলাসবহুল গাড়িতে ব্যবহৃত তেলের দাম ১০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে এবার সরাসরি ৩০০ টাকা করা হয়েছে। অর্থাৎ প্রতি লিটারে ২০০ টাকা দাম বেড়েছে, যা শতাংশের হিসেবে প্রায় ২০০%। অন্যদিকে পেট্রোল-ডিজেলের দাম অনেকটাই ঊর্ধ্বগতিতে ঠেকেছে। এর আগেই সাধারণ পেট্রোলের দাম লিটার প্রতি ৫৫ টাকা বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে, যা এখন দাঁড়িয়েছে ৩২১.১৭ টাকা প্রতি লিটার। আর ডিজেলের ৩৩৫.৮৬ টাকা প্রতি লিটার।

    এদিকে পাকিস্তানের পেট্রোলিয়াম সচিবের দেওয়া একটি তথ্য অনুযায়ী, দেশের জ্বালানি ভান্ডার এখন সম্পূর্ণ তলানিতে। যদি নতুন করে সরবরাহ না আসে, তাহলে পাকিস্তান বড়জোর আর হাতেগোনা কয়েকটা দিন চালাতে পারে। জানা যাচ্ছে, যে পরিমাণ এলপিজি মজুদ রয়েছে তা মাত্র ৫ দিনের মধ্যেই শেষ হবে। আর মজুদ অপরিশোধিত তেল আগামী ৭ দিন পর্যন্ত চলবে এবং জেট ফুয়েল অর্থাৎ বিমানের জ্বালানি ১০ দিনের জন্য মজুদ রয়েছে। আর পেট্রোল মজুদ রয়েছে ২০ থেকে ২২ দিনের মতো এবং ডিজেল মজুদ রয়েছে আনুমানিক ১৭ দিনের মতো। সেই কারণে জ্বালানি ফুরিয়ে আসার জেরে দেশজুড়ে বিদ্যুৎ বিভ্রাট বা ব্ল্যাকআউটের আতঙ্কও দেখা যাচ্ছে।

    আরও পড়ুন: ভারতীয় রুপিতে ভারী পতন, সোমবার ডলারের বিপরীতে নতুন রেকর্ড গড়ল টাকা

    আকাশছোঁয়া বিমানের ভাড়া

    অন্যদিকে তেলের দাম বাড়ার কারণে সরাসরি প্রভাব পড়েছে বিমান পরিষেবার উপরেও। গত ১০ মার্চ থেকে পাকিস্তানের ভিতরে ফ্লাইটের টিকিটের দাম ২৮০০ থেকে ৫০০০ টাকা পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। আর আন্তর্জাতিক রুট বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্য বা মধ্য এশিয়ার দেশগুলোতে যাওয়ার খরচ এবার ১০ হাজার টাকা থেকে ২৮ হাজার টাকা পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। পাশাপাশি জ্বালানি সাশ্রয় করতে পাকিস্তান সরকার ইতিমধ্যে জরুরি অবস্থা জারি করেছে। অধিকাংশ সরকার এবং বেসরকারি অফিস বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে আর ওয়ার্ক ফ্রম হোম বা বাড়িতে থেকে কাজ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এমনকি স্কুল, কলেজ বন্ধ করা হয়েছে। আর সবথেকে বড় ব্যাপার, ঈদের ছুটির বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে যাতে রাস্তায় গাড়ি চলাচল কমিয়ে তেলের খরচ বাঁচানো যায়। এমনকি সম্প্রতি শুরু হতে চলা পাকিস্তান সুপার লিগে দর্শক ছাড়াই খেলা চলবে আর স্টেডিয়াম সংখ্যা কমানো হয়েছে।

  • ১৪ কেজি নয়, এবার সিলিন্ডারে মিলবে অর্ধেক গ্যাস? বুকিং নিয়ম বদলাতে পারে সরকার

    ১৪ কেজি নয়, এবার সিলিন্ডারে মিলবে অর্ধেক গ্যাস? বুকিং নিয়ম বদলাতে পারে সরকার

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ ইরান ও ইজরায়েলের মধ্যে এখনও যুদ্ধ চলছে। এই যুদ্ধ কবে থামবে? উত্তর জানা নেই কারোর। এদিকে এই যুদ্ধের প্রভাব বিশ্বের অন্যান্য দেশ, বিশেষ করে ভারতের নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসের ওপর পড়ছে। LPG থেকে শুরু করে নানা জিনিসের দাম বাড়ছে। এবার এই ১৪ কেজি গ্যাস সিলিন্ডারের (Gas Cylinder) ওজন নিয়ে প্রকাশ্যে এল বড় আপডেট। এবার হয়তো বুকিং করলে অর্ধেক ভর্তি গ্যাসই আপনার বাড়িতে পৌঁছাতে পারে। হ্যাঁ একদম ঠিক শুনেছেন।

    এবার LPG-তে থাকবে অর্ধেক গ্যাস?

    হরমুজ প্রণালী দিয়ে বাণিজ্য কার্যত বন্ধ হয়ে গেছে, যা গ্যাস সরবরাহকে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করছে। ভারত তার অভ্যন্তরীণ এলপিজি চাহিদার প্রায় ৬০% আমদানি করে এবং এই সরবরাহের প্রায় ৯০% আসে মধ্যপ্রাচ্য থেকে। এই অবনতিশীল পরিস্থিতি সাধারণ মানুষের পকেটের উপর সরাসরি প্রভাব ফেলছে। তবে এখন গ্যাসের ওজন নিয়ে নয়া বিতর্ক শুরু হয়েছে। এমনিতে একটি ঘরোয়া গ্যাস সিলিন্ডারে ১৪.২ কেজি গ্যাস থাকে। কিন্তু পরিস্থিতি ক্রমশ খারাপ হতে থাকলে সিলিন্ডারগুলিতে ৭ বা ১০ কেজি গ্যাস ভরা হবে। এই বিষয়ে সরকার চূড়ান্ত কোনও সিদ্ধান্ত না নিলেও আশঙ্কা এমনটাই তৈরি হচ্ছে।

    সিলিন্ডারে গ্যাসের পরিমাণ কমানো হলেও কেন্দ্র বুকিংয়ের নিয়ম অপরিবর্তিত রাখবে বলে মনে করা হচ্ছে। সহজ ভাষায় বললে, ১০ কেজির প্লাস্টিক সিলিন্ডারের ক্ষেত্রে ১৫ দিন, ১৪.২ কেজির সিলিন্ডারের ক্ষেত্রে শহরাঞ্চলে ২৫ দিন এবং গ্রামাঞ্চলে ৪৫ দিনের যে সীমারেখা রয়েছে, তাতে কোনো বদল আসছে না। এদিকে সরকার যতই বলুক পর্যাপ্ত গ্যাস মজুত রয়েছে, জায়গায় জায়গায় গ্যাস নিয়ে হাহাকার পড়ে গিয়েছে। বুকিং করলেও দীর্ঘদিন পর মিলছে গ্যাস। যাইহোক, কবে এই পরিস্থিতি ঠিক হবে সেদিকে নজর রাখছেন সাধারণ মানুষ।

    কোথায় কত টাকায় মিলছে ঘরোয়া, বাণিজ্যিক সিলিন্ডার?

    নয়াদিল্লিতে ঘরোয়া গ্যাসের দাম ৯১৩ এবং বাণিজ্যিক সিলিন্ডারের দাম ১,৮৮৪.৫০ টাকা। মুম্বাইতে ঘরোয়া এবং বাণিজ্যিক গ্যাস সিলিন্ডারের দাম যথাক্রমে ৯১২ এবং ১৮৩৬ টাকা। কলকাতা ঘরোয়া গ্যাস সিলিন্ডার বিকোচ্ছে ৯৩৯ টাকা এবং বাণিজ্যিক গ্যাস সিলিন্ডারের দাম ১,৯৮৮.৫০ টাকা। এর পাশাপাশি চেন্নাইতে ঘরোয়া এবং বাণিজ্যিক গ্যাস সিলিন্ডারের দাম যথাক্রমে ৯২৮.৫০ ও ২,০৪৩.৫০ টাকা।

    আরও পড়ুনঃ মিলতে পারে ১৫ লক্ষ টাকা! ৩১ মার্চের পর বকেয়া DA নিয়ে সুখবর শোনাবে সরকার?

    ২৮শে ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইজরায়েল ইরানের ওপর যৌথ হামলা চালানোর পর উত্তেজনা শুরু হয়। এর ফলে মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে সংঘাত তীব্রতর হয়েছে এবং নিরাপত্তা উদ্বেগের কারণে তেল ও গ্যাস ট্যাংকারগুলো এই গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথ দিয়ে চলাচল কার্যত বন্ধ করে দিয়েছে। জাহাজে হামলার হুমকির কারণে কোম্পানিগুলো এই পথ এড়িয়ে চলছে, যার ফলে সরবরাহে গুরুতর ব্যাঘাত ঘটছে। এই সংকটের কারণে ভারতে এলপিজি সিলিন্ডারের দাম বেড়েছে। মার্চের শুরুতে, ১৪.২ কেজি গার্হস্থ্য সিলিন্ডারের দাম ৫০ টাকা এবং ১৯ কেজি বাণিজ্যিক সিলিন্ডারের দাম ১৪৪ টাকা বাড়ানো হয়েছিল। তবে, এরপর থেকে আর কোনো মূল্যবৃদ্ধির ঘোষণা করা হয়নি। সরকারের দাবি, দেশে বর্তমানে পর্যাপ্ত মজুদ রয়েছে এবং এখনই আতঙ্কিত হওয়ার কোনো প্রয়োজন নেই।

  • কাটবে LPG সংকট, রাজ্যগুলিতে ২০% গ্যাস সরবরাহ বাড়ানোর ঘোষণা কেন্দ্রের

    কাটবে LPG সংকট, রাজ্যগুলিতে ২০% গ্যাস সরবরাহ বাড়ানোর ঘোষণা কেন্দ্রের

    সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে দেশজুড়ে দিনের পর দিন এলপিজি সংকট (LPG Crisis) বাড়ছে। আর সেই হাহাকার মেটাতে অবশেষে ময়দানে নামল কেন্দ্রীয় সরকার। আগামী সোমবার অর্থাৎ ২৩ মার্চ থেকে রাজ্যগুলির জন্য গ্যাসের সরবরাহ একধাক্কায় ২০ শতাংশ বাড়ানোর সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে নরেন্দ্র মোদী সরকার (Government of India)। পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস মন্ত্রকের এই পদক্ষেপে যে সাধারণ মানুষ আগামী দিনে বিরাট স্বস্তি পাবে এমনটাই মত ওয়াকিবহাল মহলের।

    ২৩ মার্চ থেকেই বাড়তি যোগান

    প্রসঙ্গত, শনিবার কেন্দ্রীয় পেট্রোলিয়াম সচিব নীরজ মিত্তল দেশের সমস্ত রাজ্যে চিঠি দিয়ে এই সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন। সেখানে স্পষ্ট বলা হয়েছে যে, সোমবার থেকেই প্রতিটি রাজ্যে অতিরিক্ত ২০ শতাংশ এলবিজি সরবরাহ করা হবে। আর সরকার আশাবাদী যে, এই বাড়তি যোগান শুরু হলে আগামী কয়েকদিনের মধ্যেই হয়তো গোটা দেশের বাজারের অস্থিরতা কাটবে এবং এলপিজি সংকট দূর হবে। পাশাপাশি লাইনে দাড়িয়ে গ্যাস নেওয়ার সমস্যাও অনেকটাই মুকুব হবে।

    এদিকে বাণিজ্যিক সিলিন্ডারের অভাবে গত কয়েকদিন ধরেই দেশের বেশ কিছু শহরের হোটেল, রেস্তোরাঁ বন্ধ হয়ে যাওয়ার উপক্রম হয়েছিল। আর কেন্দ্র সরকার স্পষ্ট নির্দেশিকা জারি করেছে যে, রেস্তোরাঁ এবং ছোট খাবারের দোকানগুলোকে অগ্রাধিকার দেওয়ার ভিত্তিতে গ্যাস সরবরাহ করতে হবে। এমনকি ছোট ছোট হোটেল বা ফুটপাথের দোকানগুলো যাতে জ্বালানির অভাবে বন্ধ না হয়ে যায়, সেদিকেও বিশেষ নজরদারি করতে হবে আর গ্যাস সরবরাহ চালু রাখতে হবে।

    আরও পড়ুন: ভারতের দীর্ঘমেয়াদি সরকার প্রধান হিসাবে ইতিহাস মোদীর, টপকালেন সিকিমের পবন চামলিংকে

    অন্যদিকে বড় সিলিন্ডার কেনা বা বহন করা অনেক সময় শ্রমিকদের পক্ষে কঠিন হয়ে দাঁড়ায়। সেক্ষেত্রে পরিযায়ী শ্রমিকদের সুবিধার্থে ৫ কেজি ছোট সিলিন্ডারের যোগান বাড়ানোর নির্দেশ দিয়েছে কেন্দ্রীয় মন্ত্রক। এর ফলে শ্রমজীবী মানুষদের রান্নার সমস্যা অনেকটাই মুকুব হবে বলে মনে করা হচ্ছে। পাশাপাশি দেশের এই জ্বালানি ঘাটতিকে কাজে লাগিয়ে যাতে কোনও কালোবাজারি না হয়, সেদিকেও নজরদারি করবে কেন্দ্র, এমনটাই রাজ্য সরকারগুলোকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

  • ভারতে তো ৯৩৯, পাকিস্তানে LPG-র দাম কত জানেন? শুনলে আঁতকে উঠবেন

    ভারতে তো ৯৩৯, পাকিস্তানে LPG-র দাম কত জানেন? শুনলে আঁতকে উঠবেন

    সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে এমনিতেই দেশে জ্বালানি সংকট (LPG Crisis)। ভারতে ডোমেস্টিক গ্যাস সিলিন্ডারের দাম ইতিমধ্যেই ৬০ টাকা বাড়ানো হয়েছে। আর বাণিজ্যিক সিলিন্ডার তো পাওয়া যাচ্ছে না বললেই চলে। পাশাপাশি ডোমেস্টিক সিলিন্ডারেরও আকাল পড়েছে। সাধারণত ভারতের বেশিরভাগ শহরেই ৯১২ টাকা থেকে ১০০০ টাকার মধ্যে মিলছে গৃহস্থলীর গ্যাস সিলিন্ডার। তবে এবার প্রশ্ন উঠছে, আর্থিক দুর্দশায় জড়িত সন্ত্রাসের দেশ পাকিস্তানে গ্যাস সিলিন্ডারের দাম কত (Pakistan LPG Price)? সেখানকার মানুষকে ঠিক কীরকম অসুবিধার সম্মুখীন হতে হচ্ছে? জানুন।

    পাকিস্তানে গ্যাসের দাম কত?

    বেশ কয়েকটি রিপোর্ট অনুযায়ী জানা যাচ্ছে, পাকিস্তানে একটি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ভারতের থেকে অনেকটাই বেশি এবং তা প্রায়শই ওঠানামা করে। মার্চ মাসের রিপোর্ট অনুযায়ী, একটি ১১.৮ কেজি গার্হস্থ্য সিলিন্ডার পড়ছে প্রায় ২৬৬৪.৮৮ পাকিস্তানি রুপি যা ভারতীয় মুদ্রায় আনুমানিক ৮৮৮ টাকা। তবে ভারতের বাজারে গৃহস্থলীর গ্যাস সিলিন্ডারের ওজন ১৪.২ কেজি। যেটি পাওয়া যাচ্ছে ৯১২ টাকা থেকে ১০০০ টাকার মধ্যে। সেক্ষেত্রে পাকিস্তানের গ্যাস সিলিন্ডার ভারতে আনুমানিক দাম ৮০০ টাকার মধ্যে। যদিও আগে সিলিন্ডারের দাম ছিল ২৬৬৭.৪০ পাকিস্তানি রুপি।

    কী কারণে পাকিস্তানে গ্যাসের দামের ঊর্ধ্বগতি?

    প্রসঙ্গত, সন্ত্রাসের দেশ পাকিস্তানে গ্যাসের দামের এই ঊর্ধ্বগতির পেছনে বেশ কয়েকটি কারণ কাজ করছে। প্রথমত, পাকিস্তান তার এলপিজি সরবরাহের সিংহভাগই বিদেশ থেকে আমদানি করে থাকে। সেই কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে দাম বৃদ্ধি পেলে দেশের বাজারেও দাম বাড়ে। আর যেহেতু এখন পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধ পরিস্থিতিতে হরমুজ প্রণালী দিয়ে গ্যাসবাহী জাহাজগুলি আসতে পারছে না, সেই কারণে সম্প্রতি আরও দাম বেড়েছে। দ্বিতীয়ত, গ্যাসের দামের সঙ্গে উৎপাদন খরচ, পরিবহন, বিপণন ব্যয় আর ১৮% জিএসটি যুক্ত হচ্ছে, যা দামকে আরও বাড়িয়ে তুলছে।

    আরও পড়ুন: জাহান্নামে যাবে! রেড রোডে ঈদের মঞ্চে মোদিকে ‘অনুপ্রবেশকারী’ তকমা মমতার

    আর সবথেকে বড় ব্যাপার, পাকিস্তানি রুপি বর্তমানে মার্কিন ডলারের বিপরীতে অনেকটাই দুর্বল। আর ডলারের মূল্যবৃদ্ধি গ্যাসের দাম বাড়ায়। এক কথায়, আর্থিক দুর্দশায় জর্জরিত পাকিস্তানে প্রতিনিয়িত গ্যাসের দাম ব্যাপকভাবে ওঠানামা করে, যা সাধারণ মানুষের বাজেটের উপর প্রভাব ফেলে। বিশেষ করে গ্যাসের ঊর্ধ্বগতি দরিদ্র এবং মধ্যবিত্ত শ্রেণীর মানুষের উপর আরও চাপ সৃষ্টি করে। আর অনেকেই সেই কারণে কাঠ বা কয়লাতে রান্না করে থাকে। সবথেকে বড় ব্যাপার, পাকিস্তানে গ্যাসের জন্য কোনও রকম ভর্তুকিও মেলেনা সরকারের তরফ থেকে। সেই কারণেই আরও বাড়তি চাপ।

  • LPG সংকটের মাঝে ৫০০ টাকার ফ্রি গ্যাস, ৩১ মার্চের আগে করতে হবে এই কাজ

    LPG সংকটের মাঝে ৫০০ টাকার ফ্রি গ্যাস, ৩১ মার্চের আগে করতে হবে এই কাজ

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধ পরিস্থিতির জেরে গোটা দেশ জুড়ে গ্যাস সিলিন্ডার (LPG Crisis ) সরবরাহ নিয়ে এক চরম অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। এদিকে আবার গ্যাস সংকটের আতঙ্কের মাঝেই বাড়ছে দাম। এমতাবস্থায় মাথায় হাত পড়েছে সকলের। তাই সেই সংকট থেকে মুক্তি পেতে সকলেই বর্তমানে PNG সংযোগের ওপর জোর দিচ্ছে। এবার এই PNG সংযোগের জন্য বড় অফার আনল সরকার। গ্রাহকদের দেওয়া হবে ৫০০ টাকার বিনামূল্যে গ্যাস।

    সবচেয়ে নিরাপদ PNG সংযোগ

    PNG অর্থাৎ পাইপড ন্যাচারাল গ্যাস, এতে গ্যাস সিলিন্ডারের মতো বাড়িতে সরবরাহ করা হয় না, বরং পাইপলাইনের মাধ্যমে সরাসরি রান্নাঘরে পৌঁছায়। আর এই সংযোগের সবচেয়ে বড় সুবিধা হল সিলিন্ডার শেষ হওয়ার চিন্তা থাকে না এবং গ্যাস একটানা পাওয়া যায়। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল এই PNG সংযোগ অত্যন্ত নিরাপদ এবং সুবিধাজনক। অনেক গ্রাহক ভাবেন যে এই সংযোগ করা অত্যন্ত কঠিন এবং সময়সাপেক্ষ। কিন্তু না তা একদমই কঠিন হয়ে, শুধু মানতে হবে কয়েকটি সহজ প্রসেস। আর এইসবের মাঝেই সরকার PNG সংযোগের জন্য দিচ্ছে বড় ছাড়।

    মিলবে ৫০০ টাকার বিনামূল্যে গ্যাস

    বরাবরই সরকার LPG গ্যাস সংযোগের নির্ভরতা কমানোর জন্য PNG সংযোগ বৃদ্ধির প্রচার করে চলেছে। এই কারণে, ইন্দ্রপ্রস্থ গ্যাস লিমিটেড, GAIL এবং ভারত পেট্রোলিয়ামের মতো সংস্থাগুলি PNG সংক্রান্ত বিভিন্ন অফার নিয়ে এসেছে। যেখানে বলা হয়েছে কোনো গ্রাহক যদি ৩১ মার্চের আগে PNG সংযোগের জন্য রেজিস্ট্রেশন করেন, তাহলে সে PNG ইনস্টলেশনের ক্ষেত্রে বড় অফার পাবেন, রেজিস্ট্রশন ফি মকুব করা হবে। শুধু তাই নয়, সহজ কিস্তিতে অর্থ প্রদানের সুবিধা সহ গার্হস্থ্য গ্রাহকদের জন্য ৫০০ টাকার বিনামূল্যে গ্যাস অফার করছে। তবে এই সুযোগ দিল্লি এবং তার আশেপাশের এলাকার বাসিন্দাদের জন্য আনা হয়েছে। এখন প্রশ্ন কীভাবে এই PNG সংযোগের জন্য আবেদন করতে হবে, আজকের প্রতিবেদনের মাধ্যমে সম্পূর্ণটা জেনে নিন বিস্তারিত।

    আরও পড়ুন: সত্যিই কপাল খারাপ KKR-র! এবার IPL থেকে ছিটকে গেলেন আকাশদীপও

    PNG সংযোগ করার জন্য অফিসে যেতে হবে না, ঘরে বসেই অনলাইনে এর মাধ্যমে সহজেই আবেদন করে নিতে পারবেন যে কেউ। তারজন্য প্রথমে, এলাকায় PNG পরিষেবা উপলব্ধ আছে কিনা তা যাচাই করার জন্য সংশ্লিষ্ট গ্যাস কোম্পানির ওয়েবসাইটে গিয়ে পিনকোড দিয়ে চেক করে নিতে হবে। যদি পরিষেবা উপলব্ধ থাকে, তাহলে অনলাইনে একটি ফর্মে গ্রাহকের নাম, ঠিকানা, মোবাইল নম্বর, ইমেল ঠিকানা এবং পরিচয়পত্র দিয়ে সাবমিট করে দিতে হবে। এরপর তথ্য যাচাইয়ের পর গ্রাহকের বাড়িতে লোক আসবে ইনস্টলেশনের জন্য। তাই দেরি না করে এখনই রেজিস্টার করে নিন।

  • ৩০০ ছুঁই ছুঁই, LPG সঙ্কটের মাঝে বাড়ল চিকেনের দাম

    ৩০০ ছুঁই ছুঁই, LPG সঙ্কটের মাঝে বাড়ল চিকেনের দাম

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের আবহে দেশজুড়ে জ্বালানির হাহাকার দেখা দিয়েছে। রান্নার গ্যাস সংকট এখনও কাটেনি বেশ কয়েকটি জেলায়। আর এর মাঝেই সাধারণ মানুষের জন্য এল বড় দুঃসংবাদ। রান্নার গ্যাসের দামবৃদ্ধির (Cooking Gas) পর এবার এক ধাক্কায় অনেকটাই বাড়ানো হল মুরগির মাংসের দাম (Chicken Price Hike)। মাথায় হাত পড়ল মধ্যবিত্তদের।

    বাড়ল মুরগির দাম

    পশ্চিম এশিয়ার উত্তপ্ত পরিস্থিতির জেরে জ্বালানি সরবরাহের শৃঙ্খল ভেঙে পড়েছে। এর প্রভাব পড়ছে জীবনের প্রতিটি স্তরে। পর্যাপ্ত সিলিন্ডার না থাকায় ধুঁকছে হোটেল ও রেস্তরাঁগুলি। অনেক জায়গায় পরিষেবা বন্ধ হওয়ার উপক্রম। এই অবস্থায় চিকেনের দামও বেশ বেড়েছে। রিপোর্ট মোতাবেক, গতকাল অর্থাৎ শুক্রবার মুরগির মাংসের দাম ২৫০-২৮০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। প্রায় কম বেশি প্রতিদিনই নাকি দাম বাড়ছে। গত এক সপ্তাহে কেজি প্রতি চিকেনের দাম ১৮০-১৯০ টাকা থেকে বাড়তে বাড়তে আড়াইশোর গণ্ডি ছাড়িয়েছিল। এই প্রসঙ্গে খামার মালিকরা জানাচ্ছেন বর্তমানে মুরগি উৎপাদন খরচ বেড়ে গিয়েছে অনেকটাই, তাই এইভাবে দাম বাড়ছে।

    ব্রয়লার মুরগিদের ভ্যাকসিনের আকাল

    বাজারে খাসির মাংস বা মাটনের দাম ক্রমেই বেড়ে চলেছে। তার উপর ব্রয়লার মুরগিও দামবৃদ্ধির কারণে নিম্নবিত্তদের হাতের নাগালের বাইরে চলে যাচ্ছে। রাজ্য পোলট্রি ফেডারেশনের বক্তব্য, ব্রয়লার মুরগিদের যে ভিটামিন এবং ভ্যাকসিন দেওয়া হয়, তা মূলত আসে বিদেশ থেকে। যুদ্ধের প্রভাবে তাতে ভাঁটা পড়েছে। অন্যদিকে ওয়েস্ট বেঙ্গল পোল্ট্রি ফেডারেশন-এর সাধারণ সম্পাদক মদনমোহন মাইতি বলেন, ‘সারা দেশে চিকেনের দাম বেড়েছে। এ রাজ্যে গরম তেমন না পড়লেও, অন্যান্য রাজ্যে তাপমাত্রা বাড়তে শুরু করেছে। তার ফলে মুরগির উৎপাদন কমায় দাম বাড়ছে।” তবে আশা করা যাচ্ছে খুব দ্রুত এই দাম নাগালে আসবে।

    আরও পড়ুন: জাহান্নামে যাবে! রেড রোডে ঈদের মঞ্চে মোদিকে ‘অনুপ্রবেশকারী’ তকমা মমতার

    প্রসঙ্গত, ২০২৪ সালে লোকসভা ভোটের আগেও কলকাতায় চিকেনের দাম কেজি প্রতি ৩০০ টাকা ছুঁয়েছিল। সে বার অবশ্য অতিরিক্ত গরমের জন্য মুরগির উৎপাদন কমে গিয়েছিল। কিন্তু ঈদের মরশুমে এইভাবে দাম বাড়ায় বেশ চিন্তায় পড়েছে সকলে। এদিকে মাত্র কয়েক দিনের ব্যবধানে অটোর জ্বালানির দাম যে হারে বেড়েছে, তাতে কার্যত দিশেহারা অটোচালকরা। প্রথম দফায় বেড়েছিল কয়েক দিন আগে প্রতি লিটারে ৫ টাকা বেড়ে দাম হয়েছিল ৬২.৬৮ টাকা। আজ এক ধাক্কায় আরও ৮ টাকা বাড়ল দাম। বর্তমানে এলপিজির দাম লিটার প্রতি ৭০.৬৮ টাকা। এবার ভাড়া বাড়ানোর পথে হাঁটতে চলেছে অটোচালকেরা।

  • করা যাবে না ভিডিও কল, ফেসবুক! ইরান যুদ্ধে বন্ধ হতে পারে বিশ্বব্যাপী ইন্টারনেট পরিষেবা

    করা যাবে না ভিডিও কল, ফেসবুক! ইরান যুদ্ধে বন্ধ হতে পারে বিশ্বব্যাপী ইন্টারনেট পরিষেবা

    বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: পশ্চিম এশিয়ার অস্থিরতা গোটা বিশ্বজুড়ে তেল এবং গ্যাসের সংকটে পরিণত হয়েছে (Iran War)। দেশের প্রতিটি প্রান্তে রান্নার গ্যাস বা LPG র জন্য তৈরি হয়েছে হাহাকার! এদিকে আমেরিকা ও ইজরায়েল বনাম ইরানের যুদ্ধ তৃতীয় সপ্তাহে পা দিতেই তা আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। এমতাবস্থায়, জ্বালানির পাশাপাশি এবার চিন্তা বাড়ছে, গোটা বিশ্বব্যাপী ইন্টারনেট পরিষেবা (Global Internet Crisis) নিয়েও। এর অন্যতম কারণ হরমুজ প্রণালী ও লোহিত সাগরের তলদেশ দিয়ে গোটা বিশ্বে ইন্টারনেট পরিষেবা চালানোর জন্য ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ কেবল নেটওয়ার্ক। যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হলে সেই কেবল ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। এ জেরে বিশ্বব্যাপী ইন্টারনেট পরিষেবা ব্যাহত হতে পারে।

    বড়সড় ক্ষতির মুখে পড়বে গোটা বিশ্ব?

    কমবেশি সকলেই জানেন, হরমুজ প্রণালী এবং লোহিত সাগরের নিচ থেকে গিয়েছে গুরুত্বপূর্ণ একাধিক কেবল। এগুলির মাধ্যমেই গোটা বিশ্বে অর্থাৎ ইউরোপ, এশিয়া এবং আফ্রিকার মধ্যে ইন্টারনেট সংযোগ পরিচালনা করা হয়। এই কেবলগুলির দৌলতেই করা যায় ভিডিও কল, ফেসবুক, ইমেল এমনকি ব্যাঙ্কিং লেনদেনও। রিপোর্ট বলছে, এই মুহূর্তে লোহিত সাগরের নিচে কম করে 17 বা তারও বেশি সাবমেরিন কেবল আছে। অন্যদিকে হরমুজে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে রয়েছে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ কেবল।

    বিশেষজ্ঞরা বলছেন, পারস্য উপসাগরে এই মুহূর্তে সমুদ্র গর্ভস্থ কেবল গুলির মধ্যে রয়েছে FALCON, Gulf Bridge International Cable System, AAE 1 এবং TATA TGN Gulf। এই লাইনগুলি ভারতের বৈদেশিক ডেটা সংযোগকে সাহায্য করে থাকে। সবচেয়ে বড় কথা, মাইক্রোসফট, অ্যামাজন এমনকি গুগলের মতো মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানিগুলিও সংযুক্ত আরব আমিরশাহী থেকে শুরু করে সৌদি আরবের মতো উপসাগরীয় দেশগুলিতে AI ডেটা সেন্টার গড়ে তোলার জন্য প্রচুর পরিমাণ অর্থ বিনিয়োগ করেছে।

     

     

    View this post on Instagram

     

    অবশ্যই পড়ুন: “২০০০-৩০০০ রান করব!” IPL শুরুর আগেই গর্জন বৈভব সূর্যবংশীর

    বিশেষজ্ঞদের একটাই বক্তব্য, কোনও কারণে যুদ্ধের মধ্যে যদি হরমুজ এবং লোহিত সাগরের নিচে থাকা কেবলগুলি ক্ষতিগ্রস্ত হয় তবে গ্লোবাল কমিউনিকেশন ক্রাইসিস দেখা দেবে। তাছাড়াও এই বিশেষ জলপথে জোরালো হামলা হলে কিংবা বিস্ফোরণের মতো ঘটনা ঘটলে একবার যদি এই গুরুত্বপূর্ণ কেবলগুলি ক্ষতিগ্রস্ত হয় সেক্ষেত্রে পরবর্তীতে তা মেরামত করা যথেষ্ট কষ্টসাধ্য হয়ে উঠবে। এর ফলে মাসের বড় মাস এইসব কেবল অচল হয়ে থাকতে পারে। তাতে বড়বড় বিপদের মুখে পড়বেন গোটা বিশ্ববাসী।

  • ফের বেড়ে গেল অটোর LPG-র দাম, ভাড়া নিয়ে আশঙ্কায় সাধারণ মানুষ

    ফের বেড়ে গেল অটোর LPG-র দাম, ভাড়া নিয়ে আশঙ্কায় সাধারণ মানুষ

    বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: LPG নিয়ে চরম দুশ্চিন্তায় রাজ্যবাসী। এরই মাঝে আবার নতুন করে দাম বাড়লো অটোয় ব্যবহৃত LPG র (Auto LPG Price Hike)। বৃহস্পতিবার রাত থেকেই অটোর গ্যাসের দাম এক ধাক্কায় 8 টাকা বেড়েছে। এর ফলে শহর কলকাতায় প্রতি লিটার LPG র দাম গিয়ে দাঁড়িয়েছে 70 টাকা 68 পয়সায়। গতকাল মধ্যরাত থেকেই সেই দাম কার্যকর হয়েছে। আর তার পরেই অতিরিক্ত খরচের চিন্তায় কার্যত মাথায় হাত পড়েছে নিত্য যাত্রীদের। বাড়ছে দুর্ভোগের আশঙ্কা।

    ভোগান্তির আশঙ্কায় সাধারণ মানুষ

    পশ্চিম এশিয়ার অশান্তির জের আগেই রাস্তা থেকে তুলে নেওয়া হয়েছে 30 শতাংশ অটো। এই মুহূর্তে যেগুলো চলছে সেগুলিও নিয়মিত ছুটছে না। তার উপর আবার এক ধাক্কায় 8 টাকা বেড়ে গেল অটোতে ব্যবহৃত LPG র দাম। এদিকে বিধানসভা নির্বাচনের প্রাক্কালে রাস্তা থেকে উঠে যাচ্ছে একের পর এক বেসরকারি বাস। এর অন্যতম কারণ এবছর তুলনামূলকভাবে অনেক বেশি কেন্দ্রীয় বাহিনী এসেছে রাজ্যে। ফলে তাঁদের বিভিন্ন বুথে পৌঁছে দেওয়ার জন্য বেসরকারি বাসগুলি তুলে নিচ্ছে পুলিশ। যেগুলি ব্যবহার করা হবে ভোটের কাজে।

    বৃহস্পতিবার অবশ্য নির্বাচন সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে পরিবহন মালিকদের সাথে। বাস মালিকদের তরফে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, 1600 বা তারও বেশি বেসরকারী বাস রিকুইজিশন করা হয়েছে পুলিশের তরফে। এইসব বাস ভোটের কাজে লাগানো হবে। এবার শোনা যাচ্ছে, ধীরে ধীরে কলকাতার মূল জায়গাগুলির পাশাপাশি বারাসাত, আলিপুর এমনকি কসবা আরটিও থেকেও গাড়ি তোলা হবে। আর এর জেরেই রাস্তা থেকে উধাও হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে বাসের। যার ফলে বড় ভোগান্তি পোহাতে হবে নিত্য যাত্রীদের। হাতে গোনা যে কটি বাস চলবে তাতে হবে বাদুর ঝোলা ভিড়।

    অবশ্যই পড়ুন: এই কর্মীদের পিএফের টাকা ট্রান্সফার হল আরও সহজ, ফের সুখবর শোনাল EPFO

    এদিকে LPG সংকটের আবহে রাস্তায় ঠিক মতো চলছে না অটোও। যে কটি বা চলছে অধিক ভাড়া দিয়ে যেতে হচ্ছে যাত্রীদের। তার উপর নতুন করে ভাড়া বৃদ্ধিতে বড়সড় সমস্যার সম্মুখীন হতে চলেছেন সাধারণ মানুষ। সব মিলিয়ে বলাই যায়, ভোটের আগে রাস্তায় বাস শূন্যতা এবং অটোর মাত্রাতিরুক্ত ভাড়ার কারণে কার্যত বিপাকে শহর কলকাতা সহ রাজ্যের অন্যান্য অংশের যাত্রীরা।

  • ফাঁকা সিলিন্ডারে নিজেই ভরে আনুন গ্যাস, দেশে চালু হল প্রথম LPG ATM পরিষেবা

    ফাঁকা সিলিন্ডারে নিজেই ভরে আনুন গ্যাস, দেশে চালু হল প্রথম LPG ATM পরিষেবা

    সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: দেশে এমনিতেই এলপিজি সংকটের (LPG Crisis) মধ্য দিয়ে দিন কাটাচ্ছে সাধারণ মানুষ। বুকিং করলেও মিলছে না সিলিন্ডার। এমনকি কোথাও কোথাও বুকিং করতেও সমস্যা হচ্ছে, আর দামও বেড়েছে অনেকটাই। আর এই সবকিছুর পিছনে রয়েছে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ। হরমুজে আটকে একের পর এক এলপিজিবাহী জাহাজ। বিশেষ করে গার্হস্থ সিলিন্ডারে কিছুটা স্বস্তি মিললেও বাণিজ্যিক সিলেন্ডার নিয়ে দুশ্চিন্তায় দিন কাটাচ্ছে ব্যবসায়ীরা। দীর্ঘ লাইন দিয়েও মিলছে না গ্যাস। একেবারে সরবরাহ নেই বললেই চলে। তার মধ্যেই আসলো বিরাট সুখবর। এবার দেশে চালু হল এলপিজি এটিএম পরিষেবা (LPG ATM Service), যেখানে এটিএম-র মাধ্যমেই সাধারণ মানুষ গ্যাস নিতে পারবে।

    প্রথমেই জানিয়ে রাখি, দেশে এলপিজি সরবরাহ নিশ্চিত করার জন্য কেন্দ্র সরকার একের পর পদক্ষেপ গ্রহণ করছে। তবে এবার তারই মধ্যে হরিয়ানার গুরুগ্রামে চালু হল এই নতুন পরিষেবা। এটিই দেশের মধ্যে প্রথম। জানা যাচ্ছে, বিপিসিএল এর পরীক্ষামূলক প্রকল্পে সাধারণ মানুষ অনেকটাই স্বস্তি পাবে। কারণ, দিনের পর দিন যেভাবে এলপিজি সংকট দেখা যাচ্ছে, তা থেকে রেহায় দেবে এই পরিষেবা। বিপিসিএল এর উদ্যোগে গুরগ্রামে শুরু হওয়া এই এলপিজি এটিএম পরিষেবার মাধ্যমে গ্রাহকরা কয়েক মিনিটের মধ্যেই গ্যাস ভরে দিতে পারবে। কিন্তু কীভাবে কাজ করবে এই পরিষেবা?

    কী এই এলপিজি এটিএম পরিষেবা?

    রিপোর্ট অনুযায়ী জানা যাচ্ছে, এই এটিএম ব্যবহার করতে গেলে ব্যবহারকারীদের আগে থেকে এটিএম-এ এসে নিজেদেরকে রেজিস্ট্রেশন করতে হবে। তারপর নিজের মোবাইল নম্বরে একটি ওটিপি আসবে। সেই ওটিপি দিলেই গ্যাস রিফিল হবে। তার আগে সিলিন্ডারে থাকা বারকোড বা কিউআর কোড স্ক্যান করতে হবে। রিপোর্ট অনুযায়ী, এই এলপিজি পরিষেবা গুরুগ্রামের সোহানা সেক্টর ৩৩ এর আবাসিক বিল্ডিং-এ বসানো হয়েছে। আর সেখানে অটোমেটিক ভেন্ডিং মেশিনের মাধ্যমে সাধারণ মানুষ দুই থেকে তিন মিনিটের মধ্যেই নিজেদের সিলিন্ডার রিফিল করে নিতে পারছে। এমনকি ২৪ ঘণ্টা এই পরিষেবা চালু থাকবে বলে কোম্পানির তরফ থেকে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়েছে।

    আরও পড়ুন: কাতারের রাস লাফানে ইরানের হামলা, সম্পূর্ণ বন্ধ গ্যাস সরবরাহ! ফের LPG সঙ্কটে ভারত?

    এদিকে সাধারণ মানুষের সুবিধার্থে এখানে পেমেন্টের ক্ষেত্রেও আনা হয়েছে ডিজিটাল মাধ্যম। হ্যাঁ, ইউপিআই থেকে শুরু করে ক্রেডিট কার্ড, ডেবিট কার্ড বা নেট ব্যাঙ্কিং এর মাধ্যমেই এই এটিএম-এ পেমেন্ট করতে পারবেন। তবে আপনাকে সেখানে একটি খালি সিলিন্ডার রাখতে হবে। তারপর সেই এটিএম আপনাকে ভর্তি সিলিন্ডার ফেরত দেবে। উল্লেখ করার বিষয় যে, এখানে লোহার সিলিন্ডার ব্যবহার করা হবে না। শুধুমাত্র কম্পোজিট সিলিন্ডার দেওয়া হবে, যেগুলি অন্যান্য সিলিন্ডারের তুলনায় হালকা। আর এই সিলিন্ডারের ওজন মাত্র ১৫ কেজি, তাও গ্যাসসহ। আর একটি এটিএম-এ দশটি সিলিন্ডার থাকবে। যখন সিলিন্ডার শেষ হয়ে যাবে, তখন সঙ্গে সঙ্গে নিকটবর্তী কোনও গ্যাস এজেন্সি থেকে এটিএম এলার্ট পাঠাবে। তারপর তারা আবার দ্রুত মেশিন রিফিল করবে। এতে সাধারণ মানুষ খুব সহজেই তাদের সিলিন্ডার ভর্তি করে নিতে পারবে।

  • কাতারের রাস লাফানে ইরানের হামলা, সম্পূর্ণ বন্ধ গ্যাস সরবরাহ! ফের LPG সঙ্কটে ভারত?

    কাতারের রাস লাফানে ইরানের হামলা, সম্পূর্ণ বন্ধ গ্যাস সরবরাহ! ফের LPG সঙ্কটে ভারত?

    সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: আবারও এলপিজি নিয়ে খারাপ খবর (LPG Crisis)। মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা (Middle East War) ফের নতুন রূপ ধারণ করল। ইরানের গ্যাস ফিল্ডে হামলা করল ইজরায়েল। পাল্টা কাতারের তরল প্রাকৃতিক গ্যাস কেন্দ্রে ক্ষেপণাস্ত্র ছুঁড়ে বদলা নিল তেহরান (Iran Attack on Qatar)। ভারতে এলএনজি গ্যাস মূলত কাতার থেকেই আসে। আর বিশ্বের সবথেকে বড় এলএনজি হাব ছিল কাতারের রাস লাফান ইন্ডাস্ট্রিয়াল সিটি (Ras Laffan Industrial City)। সেখানেই মিসাইল ইরানের। তাহলে ফের এলপিজির সংকট?

    এলপিজি নিয়ে ফের উদ্বেগ

    জানিয়ে রাখি, হরমুজ প্রণালীর আশেপাশে এখনো পর্যন্ত ভারতের একটি এলএনজি ভর্তি জাহাজ আর ছয়টি এলপিজি জাহাজ আটকে রয়েছে। তবে সেগুলি ভারতে আসার পরেও দুর্ভোগ কমবে না। কারণ, বিশ্বের সবথেকে বড় এলএনজি হাবেই অ্যাটাক করেছে ইরান। একেবারে মিসাইল মেড়ে উড়িয়ে দিয়েছে রাস লাফান। এমনিতেই এতদিন ধরে এলএনজি প্রোডাকশন বন্ধ রেখেছিল কাতার। এবার পুরোপুরি তা ভেস্তে গেল। আগেই ঘোষণা দিয়েছিল ইরান। তেহরানের তরফ থেকে জানানো হয়েছিল, গালফ অঞ্চলের বিভিন্ন জ্বালানি পরিকাঠামোতে পাল্টা হামলা চালানো হবে। সে মতোই রাস লাফান ইন্ডাস্ট্রিয়াল সিটিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে খামেনির দেশ।

    এক্ষেত্রে বলে রাখা ভালো, বর্তমানে কাতারে ১৯.২ কেজি এলএনজির দাম ৮৫০ টাকা। আর ওই একই এলএনজি আমেরিকায় ২২০০ টাকা। পাশাপাশি ১৪.২ কেজি এলপিজি গ্যাসের দাম কাতারে ৯১০ টাকা হলে আমেরিকা সেখানে নেয় ১২০০ টাকা। আর দিনের পর দিন ডলারের বিপরীতে ভারতীয় মুদ্রা একেবারে তলানিতে ঠেকছে। তাই আমদানি খরচ যে বাড়ছে তা বলার জো নেই। সবথেকে বড় ব্যাপার, প্রতি ইউনিট গ্যাস আনতে ভারতের এখন ১১০০ টাকা করে অতিরিক্ত খরচ হচ্ছে। আর মোট হিসাব করলে গ্যাস আমদানিতে প্রায় ২৫০০ কোটি টাকা অতিরিক্ত ব্যয় করতে হচ্ছে নয়া দিল্লিকে।

    সেই সূত্রে গৃহস্থালীর এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ১২০০ টাকা হওয়া উচিত। কিন্তু প্রতি সিলিন্ডারে ৩০০ টাকা করে লসে বিক্রি করছে ভারত সরকার। এমনকি বাকি আরও ৩০০ টাকা ভর্তুকি দেওয়া হচ্ছে। এমতাবস্থায় যদি সাপ্লাই চেইন ঠিক না থাকে এবং গ্যাসের উৎপাদন ভারত না বাড়াতে পারে, তাহলে যে আগামী দিনে আবারও তীব্র গ্যাস সংকটে পড়বে দেশ তা বলার অপেক্ষা রাখে না। এমনকি এই যুদ্ধ কতদিন চলবে তাও অনিশ্চিত। আর তার উপর পেট্রো কোম্পানিগুলি দিনের পর দিন ক্ষতির মধ্য দিয়ে যাচ্ছে।

    আরও পড়ুন: বর্ধমান লাইনে বিরাট কাজ করে ফেলল পূর্ব রেল, হাওড়া-দিল্লি রুট এখন আরও নিরাপদ

    ডোনাল্ড ট্রাম্পের পাল্টা হুঁশিয়ারি

    এদিকে ইরান কাতারের গ্যাস ফিল্ডে হামলা করাতে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। তেহরানকে সতর্ক করে ট্রাম্প বলেছেন, কাতারের জ্বালানি পরিকাঠামোতে হামলা করলে কঠোর পরিণতি হতে পারে। ইজরায়েল রাগের বশে সাউথ পার্স গ্যাস ফিল্ডের ছোট্ট একটি অংশে হামলা চালিয়েছে। এই হামলার সঙ্গে আমেরিকার কোনও যোগ নেই। ইরান পরিস্থিতি না বুঝেই অন্যায় ভাবে কাতারের গ্যাস কেন্দ্রে হামলা চালিয়েছে। যদি ইরান কাতারের উপর আবারও হামলা চালায়, তাহলে আমেরিকা ইজরায়েলের সহযোগিতা না পেলেও সাউথ পার্স গ্যাস ফিল্ড সম্পূর্ণ গুঁড়িয়ে দেবে।