Tag: Lakshmir Bhandar

  • লক্ষ্মীর ভাণ্ডার নিয়ে বড় ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

    লক্ষ্মীর ভাণ্ডার নিয়ে বড় ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

    বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: কথামতো শুক্রবার বিধানসভা নির্বাচনের প্রাক্কালে ইস্তেহার প্রকাশ করেছে তৃণমূল কংগ্রেস (Trinamool Congress)। এদিন কালিঘাট থেকে দলীয় ইস্তেহারে রাজ্যবাসীর কাছে 10টি প্রতিজ্ঞা রাখেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন মুখ্যমন্ত্রী বলেন, তৃণমূল কংগ্রেস জিতবে এবং পুনরায় ক্ষমতায় এলে আগামী দিনে দুয়ারে সরকারের আদলে দুয়ারে চিকিৎসা পরিষেবা পাবেন সাধারণ মানুষ। একাধিক প্রতিশ্রুতির সাথেই লক্ষ্মীর ভান্ডার (Lakshmir Bhandar) নিয়েও বড় ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী। মমতা স্পষ্ট বলে দেন, যাঁরা লক্ষী ভান্ডার পাচ্ছেন বা পাওয়ার যোগ্য তাঁরা আজীবন এই প্রকল্প থেকে অর্থ সাহায্য পাবেন।

    লক্ষীর ভান্ডার নিয়ে ঠিক কী জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী?

    শুক্রবার দলীয় ইস্তেহার প্রকাশ করার সাথে সাথে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সকলের কাছে অঙ্গীকার করেন রাজ্য সরকারের বিশেষ প্রকল্প লক্ষ্মীর ভান্ডার আজীবন দেওয়া হবে। মুখ্যমন্ত্রীর কথায়, “লক্ষীর ভান্ডার বাড়িয়েছি আমরা এবং বলে দিয়েছি মা বোনেরা আজীবন লক্ষ্মীর ভান্ডার পাবেন।” এদিন রাজ্যবাসীর কাছে একাধিক বিষয়ে প্রতিজ্ঞা করার পাশাপাশি তৃণমূল এবং নির্বাচন কমিশনকে নিশানা করতে ছাড়েননি তৃণমূল সুপ্রিমো।

    এদিন পরোক্ষভাবে নাম না করে বিজেপিকে নিশানায় রেখে মমতা বলেন, “অনেকে আছে যারা ভোটের সময় বলবে কিন্তু পরে করবে না। আমরা যেটা বলি সেটা করে দেখিয়েছি এবং একমাস আগেই করে দিয়েছি।”

    আরও পড়ুন: ৮০ কিমি বেগে কালবৈশাখী, শিলাবৃষ্টির ভ্রূকুটি, ৬ জেলায় কমলা সতর্কতা জারি, আজকের আবহাওয়া

    শুক্রবার মুখ্যমন্ত্রীর সংযোজন ছিল, এই মুহূর্তে রাজ্যের সাধারণ শ্রেণি ভুক্ত মহিলারা প্রতিমাসে 1500 টাকা অর্থাৎ বছরে 1800 হাজার টাকা করে পাচ্ছেন। অন্যদিকে আদিবাসী বা তপশিলি জাতি ও উপজাতিভুক্ত মহিলারা মাসে 1 হাজার 700 অর্থাৎ বছরে 20 হাজার 400 টাকা করে পাচ্ছেন। আমৃত্যু লক্ষ্মীর ভান্ডারের টাকা পাবেন সুবিধাভোগীরা। মুখ্যমন্ত্রীর এমন ঘোষণার পর আনন্দিত বাংলার লক্ষ্মীরা।

  • না মানলে এই মাস থেকেই বন্ধ হবে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার, নিয়মে বদল আনল পশ্চিমবঙ্গ সরকার

    না মানলে এই মাস থেকেই বন্ধ হবে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার, নিয়মে বদল আনল পশ্চিমবঙ্গ সরকার

    সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: পশ্চিমবঙ্গ সরকারের সবথেকে জনপ্রিয় প্রকল্পগুলির মধ্যে একটি হল লক্ষীর ভাণ্ডার (Lakshmir Bhandar)। তবে এই প্রকল্পে এবার আসছে বিরাট পরিবর্তন। রাজ্য প্রশাসনের তরফ থেকে এই প্রকল্পে একাধিক নতুন নিয়ম কার্যকর করা হচ্ছে। সরকারি সূত্রে খবর, এই নিয়মগুলি না মানলে চলতি মাস থেকে উপভোক্তার অ্যাকাউন্টে টাকা ঢোকা বন্ধ হয়ে যেতে পারে। রাজ্যের বিপুল সংখ্যক মহিলার আর্থিক সহায়তার জন্য এই প্রকল্পের স্বচ্ছতা বজায় রাখার জন্যই বড়সড় পদক্ষেপ নিচ্ছে প্রশাসন।

    প্রসঙ্গত, পশ্চিমবঙ্গ সরকারের সবথেকে জনপ্রিয় প্রকল্পগুলির মধ্যে একটি হল এই লক্ষ্মীর ভাণ্ডার। এই প্রকল্পের মাধ্যমে রাজ্যের মহিলাদের প্রতি মাসে আর্থিক সাহায্য দেওয়া হয়। সম্প্রতি অন্তর্বর্তী বাজেটে এই প্রকল্পের ভাতাও বাড়ানো হয়েছে। বর্তমানে সাধারণ শ্রেণির মহিলারা পাচ্ছে ১৫০০ টাকা এবং এসসি/এসটি শ্রেণীর মহিলারা পাচ্ছে ১৭০০ টাকা করে, যে টাকা সরাসরি উপোক্তাদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে পাঠানো হয়।

    লক্ষ্মীর ভাণ্ডারে আসছে নতুন নিয়ম

    সরকারি সূত্র মারফৎ খবর, বেশ কিছু ক্ষেত্রে নথিপত্রের ভুল বা অনিয়মের অভিযোগ সামনে আসছে। কেউ কেউ নিয়ম বহির্ভূতভাবে প্রকল্পের সুবিধা নিচ্ছেন। সেই পরিস্থিতিতে প্রকৃত উপভোক্তাদের সুবিধা দেওয়ার জন্য অ্যাকাউন্ট চিহ্নিত করতে প্রশাসন এখন নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া শুরু করেছে। জানা যাচ্ছে, নতুন নিয়ম অনুযায়ী ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের সঙ্গে আধার কার্ড সংযুক্ত থাকা বাধ্যতামূলক। যে সমস্ত উপভোক্তার অ্যাকাউন্ট আধারের সঙ্গে লিঙ্ক করানো নেই, তাদের ভাতা পাঠানো বন্ধ হয়ে যেতে পারে। তাই দ্রুত ব্যাঙ্কে গিয়ে আধার লিঙ্ক করে নেওয়া সবথেকে বুদ্ধিমানের কাজ হবে।

    এদিকে আরও একটু গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন হল ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট সংক্রান্ত নিয়ম। এখন থেকে লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের টাকা শুধুমাত্র উপভোক্তাদের নিজের নামে থাকা একক অ্যাকাউন্টের ক্ষেত্রে ঢুকবে। যৌথ অ্যাকাউন্ট বা জয়েন্ট অ্যাকাউন্টে লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের টাকা দেওয়া হবে না। তাই প্রয়োজনে নিজের নামে আলাদা ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট খুলে নেওয়ারই পরামর্শ দিয়েছে রাজ্যের প্রশাসন।

    আরও পড়ুন: ঘূর্ণাবর্তের জেরে বাড়ছে দুর্যোগ! শুক্রেও ঝড়-বৃষ্টির আভাস, আগামীকালের আবহাওয়া

    এছাড়াও এই প্রকল্পে আবেদন করার জন্য বয়সের নির্দিষ্ট সীমা রয়েছে। আবেদনকারীর বয়স হতে হবে অবশ্যই ২৫ বছর থেকে ৬০ বছরের মধ্যে। কিন্তু বয়স ৬০ বছর পেরিয়ে গেলে তিনি আর এই প্রকল্পের আওতায় সুবিধা পাবেন না। সেক্ষেত্রে তাঁকে বার্ধক্য ভাতা সুবিধা দেওয়া হবে। তাই যদি বয়সজনিত কারচুপি করা হয়, তাহলে এই প্রকল্পের ভাতা আর মিলবে না। প্রশাসনের তরফ থেকে স্পষ্ট জানানো হয়েছে, আবেদনপত্রে ভুল তথ্য দিলে বা নথিপত্রে অসঙ্গতি থাকলে অ্যাকাউন্ট বাতিল হয়ে যেতে পারে। বিশেষ করে যদি আবেদনকারী বা তাঁর পরিবারের কেউ স্থায়ী সরকারি চাকরি করেন বা সরকারি পেনশন পান, সেক্ষেত্রে এই প্রকল্পের আওতায় ভাতা পাওয়া যাবে না।

  • সাবধান করেছিল সুপ্রিম কোর্ট, এবার লক্ষ্মীর ভাণ্ডার নিয়ে যা বলল SBI

    সাবধান করেছিল সুপ্রিম কোর্ট, এবার লক্ষ্মীর ভাণ্ডার নিয়ে যা বলল SBI

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: এইমুহুর্তে সাধারণ নাগরিকদের কাছে রাজ্যের সবথেকে জনপ্রিয় প্রকল্পগুলির মধ্যে একটি হল লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্প (Lakshmir Bhandar)। এই প্রকল্প মূলত মহিলাদের জন্য নিতে এসেছিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার। তবে শুধু পশ্চিমবঙ্গ নয়, নির্বাচনে ভোটারদের আকৃষ্ট করার জন্য একাধিক রাজ্য একের পর এক প্রকল্প নিয়ে এসেছে জনসাধারণের জন্য। কিন্তু এই প্রকল্পগুলিতে রাজনৈতিক লাভ হলেও সরকারের কোষাগারে বিপুল চাপ পড়ে, আর এবার তাই প্রকল্পগুলি বাস্তবায়নের ব্যয়ের সীমা সীমাবদ্ধ করার সুপারিশ দিল স্টেট ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া (State Bank Of India)। মহিলা ভোটার নিয়েও দিল বড় আপডেট।

    জনসংযোগ বাড়াতে প্রকল্প নীতি

    নির্বাচন আসলেই রাজনীতিবিদরা সাধারণ জনগণের দৃষ্টি আকর্ষণ করার জন্য একের পর এক জনদরদী প্রকল্প নিয়ে আসে। আর এই সব প্রকল্পে বরাদ্দ করা হয় কয়েক কোটি টাকা। উপভোক্তাদের সরাসরি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে নগদ অর্থ পাঠানো হয়, তাতে সরকারের কোষাগারে বেশ চাপ পড়ে। এই নিয়ে সুপ্রিম কোর্টও উদ্বেগ প্রকাশ করেছিল। সমালোচনা করে শীর্ষ আদালত বলেছিল যে জনগণকে বিনামূল্যে প্রকল্পের মাধ্যমে নগদ দেওয়ার পরিবর্তে কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করা উচিত যাতে তারা তাদের মর্যাদা এবং আত্মসম্মান অর্জন করতে পারে। কিন্তু তবুও বন্ধ হয়নি প্রকল্প। তাই এবার বিনামূল্যের এই সব সুবিধা এবং নগদ অর্থের মতো প্রকল্পগুলি বাস্তবায়নের ব্যয়ের সীমা GSDP-র একটি শতাংশে সীমাবদ্ধ করার সুপারিশ করা হয়েছে, যাতে সরকারের প্রয়োজনীয় এবং কল্যাণমূলক প্রকল্পগুলি প্রভাবিত না হয়।

    কী বলছে স্টেট ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া?

    সম্প্রতি স্টেট ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়ার একটি প্রতিবেদন প্রকাশ এসেছে। যেখানে বলা হয়েছে, “বিধানসভা নির্বাচনের আগে দেওয়া প্রতিশ্রুতিগুলি পৃথক রাজ্যগুলির জন্য GSDP-র ০.১ থেকে ২.৭ শতাংশ, যা রাজ্যগুলির নিজস্ব মোট রাজস্ব সংগ্রহের প্রায় ৫ থেকে ১০ শতাংশ। তবে এইমুহুর্তে এই খাতে ব্যয়ের জন্য মোট রাজস্বের এক শতাংশের সীমা নির্ধারণ করতে হবে।” এছাড়াও SBI এর রিপোর্ট অনুযায়ী, যে সব রাজ্যে মহিলাকেন্দ্রিক প্রকল্প রয়েছে, সেখানে মহিলারা ভোট দেওয়ার ক্ষেত্রে এগিয়ে রয়েছেন। অর্থাৎ পশ্চিমবঙ্গ, মধ্যপ্রদেশ, মহারাষ্ট্র, ঝাড়খণ্ড, বিহারের মতো রাজ্য এই তালিকায় রয়েছে। পশ্চিমবঙ্গের ক্ষেত্রে SBI জানিয়েছে, ২০২১ সালে বাংলার বিধানসভা ভোটে অতিরিক্ত ২৯ লক্ষ ১০ হাজার মহিলা বুথমুখী হয়েছেন। যার নেপথ্য রয়েছে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্প।

    আরও পড়ুন: আহমেদাবাদে মেগা ফাইনাল ভারত-নিউজিল্যান্ডের, মাঠে থাকবেন নরেন্দ্র মোদী?

    প্রসঙ্গত, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্প নিয়ে বেশ প্রশংসা করেছে কেন্দ্রীয় সরকার। যেখানে বলা হয়েছে লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের মতে প্রকল্পের জন্য পশ্চিমবঙ্গে ভোগ্যপণ্যের বিক্রি বেড়েছে। কিছুদিন আগেই অন্তর্বতী বাজেট পেশ করেছিল পশ্চিমবঙ্গ সরকার। সেখানেই লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের টাকার অঙ্ক বাড়ানো হয়েছে। বর্তমানে এই প্রকল্পের মাধ্যমে সাধারণ মহিলারা মাসে ১৫০০ টাকা ও পিছিয়ে পড়া মহিলাদের মাসে ১৭০০ টাকা করে দেওয়া হয়।

  • মার্চে কবে ঢুকবে লক্ষীর ভান্ডারের টাকা? বড় আপডেট!

    মার্চে কবে ঢুকবে লক্ষীর ভান্ডারের টাকা? বড় আপডেট!

    বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: রাজ্যের অন্তর্বর্তী বাজেটে 500 টাকা করে বাড়ানো হয়েছে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প লক্ষী ভান্ডারের (Lakshmir Bhandar) মাসিক ভাতা। এর ফলে সাধারণ শ্রেণীর মহিলারা 1500 এবং তপশিলি জাতি এবং উপজাতিভুক্ত মহিলারা 1700 টাকা করে পাচ্ছেন। গত ফেব্রুয়ারি থেকে এই বর্ধিত অর্থ ঢুকতে শুরু করেছে বাংলার মহিলাদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে। কিন্তু আজ মার্চের চতুর্থ দিন। এ মাসে কি তাহলে দেরি হবে লক্ষীর ভান্ডারের টাকা পেতে? কবে ঢুকবে এই বিশেষ প্রকল্পের মাসিক ভাতা?

    মার্চে কবে ঢুকবে লক্ষীর ভান্ডারের টাকা?

    পুরনো উপভোক্তাদের পাশাপাশি যাঁরা নতুন করে লক্ষ্মীর ভান্ডার প্রকল্পে আবেদন করেছিলেন তাঁদের টাকা দেওয়ার কাজও শুরু করেছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার। গত মাস অর্থাৎ ফেব্রুয়ারি থেকেই নতুন আবেদনকারীদের অ্যাকাউন্টে ঢুকতে শুরু করেছে লক্ষ্মীর ভান্ডারের মাসিক ভাতা। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, নতুন করে কমপক্ষে 20.62 লাখ মহিলাকে এই বিশেষ প্রকল্পের আওতায় নিয়ে আসা হয়েছে। এর ফলে বর্তমানে রাজ্যজুড়ে লক্ষীর ভান্ডার প্রকল্পের মোট সুবিধাভোগীর সংখ্যা 2 কোটি 42 লাখ।

    আরও পড়ুনঃ ৩৭ লক্ষ মানুষের অ্যাকাউন্টে ২০০০ টাকা, ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর! কারা পেলেন?

    সাধারণত, প্রত্যেক মাসের প্রথম সপ্তাহেই উপভোক্তাদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট নম্বরে পাঠিয়ে দেওয়া হয় লক্ষীর ভান্ডারের মাসিক অর্থ। তবে বেশ কয়েকটি সূত্র বলছে, এ মাসে প্রশাসনিক কিছু কারণে এবং বিপুল সংখ্যক নতুন উপভোক্তার তথ্য যাচাইয়ের জন্য টাকা দিতে সামান্য দেরি হলেও হতে পারে। কয়েকজন সরকারি আধিকারিকের বক্তব্য, নতুন করে যেহেতু লক্ষীর ভান্ডার প্রকল্পে প্রচুর আবেদন জমা পড়েছে, ফলে নতুন এবং পুরনো সকলকে বর্ধিত ভাতা দিতে ব্যাঙ্কিং প্রক্রিয়ায় সামান্য সময় লাগতে পারে। সে ক্ষেত্রে লক্ষীর ভান্ডারের টাকা পেতে খুব বেশি হলে দু একদিন দেরি হতে পারে বলেই মনে করছেন কেউ কেউ।

    অবশ্যই পড়ুন: মধ্যপ্রাচ্যে ভয়াবহ যুদ্ধের মাঝে গোপনে মারণ ড্রোন ‘শেষনাগ 150’ তৈরি করছে ভারত!

    কয়েকটি সরকারি সূত্র মারফত খবর, যাই হয়ে যাক মার্চ মাসের প্রথম সপ্তাহ শেষ হওয়ার আগে উপভোক্তাদের অ্যাকাউন্টে ঢুকে যেতে পারে লক্ষ্মীর ভান্ডারের অর্থ। যদি সেটা নাও হয়, চিন্তার কোনও কারণ নেই। মনে করা হচ্ছে, টেকনিক্যাল বা পদ্ধতিগত সমস্যা থাকলেও তা কাটিয়ে মার্চ মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহের মধ্যে বা তার আগেই উপভোক্তাদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট এ পাঠিয়ে দেওয়া হবে মাসিক অর্থ। যদিও এ নিয়ে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের তরফে কোনও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসেনি।

  • এদের বাদ দেওয়া হবে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের যুবসাথী, লক্ষ্মীর ভাণ্ডার থেকে! ঘোষণায় বিতর্ক

    এদের বাদ দেওয়া হবে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের যুবসাথী, লক্ষ্মীর ভাণ্ডার থেকে! ঘোষণায় বিতর্ক

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: ক্রমেই এগিয়ে আসছে ২৬ এর বিধানসভা নির্বাচনের সময়। আর তার জন্যই ভোটের প্রচার চালাতে ‘পরিবর্তন যাত্রা’ শুরু করেছে বিজেপি। এমতাবস্থায় তৃণমূলের বিরুদ্ধে বড় অভিযোগ তুললেন কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। জানা গিয়েছে, যারা বিজেপির পরিবর্তন যাত্রায় অংশগ্রহণ করবেন, তাদের নাকি যুব সাথী এবং লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পের সুবিধা বাতিল করে দেবে বলে হুংকার দিচ্ছে তৃণমূল। এই নিয়ে একটি স্ক্রিনশট করেন সুকান্ত মজুমদার।

    চাঞ্চল্যকর স্ক্রিনশট শেয়ার সুকান্তর

    বিজেপি নেতা তথা কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার তাঁর এক্স হ্যান্ডেলে একটি হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাটের স্ক্রিন শট শেয়ার করেছেন। যেখানে গ্রুপের নাম লেখা ২৬৭ নং বুথ তৃণমূল। সেই বার্তায় লেখা রয়েছে যে, “মথুরাপুর সাংগঠনিক জেলায় বিজেপির ‘পরিবর্তন যাত্রা’ সভায় যে সকল গেরুয়া শিবিরের কার্যকর্তারা এবং সমর্থকরা যাবেন, তাঁদের সকলের যুব সাথী এবং লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পের সুবিধা বাতিল করে দেওয়া হবে! তাই তৃণমূলের সমস্ত কর্মী সমর্থকদের জানানো হচ্ছে যে আপনারা সকলে সকাল থেকে একটুখানি খবর রাখবেন কারা কারা যায় এবং তার নাম বুথের নেতৃত্বকে জানানোর জন্য বিশেষ ভাবে আহ্বান জানাই।” আর এই বার্তা ছড়িয়ে পড়তেই তুমুল হইচই শুরু হয়ে গিয়েছে। কটাক্ষ করতে ছাড়লেন না সুকান্ত।

    চরম কটাক্ষ তৃণমূলকে

    সুকান্ত মজুমদার এক্স হ্যান্ডেলে তৃণমূলকে টার্গেট করে লিখেছেন, “সমাজবিরোধী দুর্বৃত্ত তৃণমূল কংগ্রেস কতটা নীচ এবং ন্যক্কারজনক প্রতিহিংসাপরায়ণ মানসিকতা পোষণ করে, তা স্পষ্ট হয়ে যায় তাদের দলের একটি হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপের মেসেজ দেখলেই!” সঙ্গে তিনি আরও লিখেছেন, “তৃণমূলের এই জঘন্য প্রতিহিংসামূলক মানসিকতা প্রমাণ করে দেয়, গ্রামেগঞ্জে কী ভয় ও আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি হয়েছে। গণতান্ত্রিক অধিকারের চর্চাকে রুদ্ধ করতে এ ধরনের হুমকি ও বঞ্চনার রাজনীতি অত্যন্ত উদ্বেগজনক। বাংলার প্রান্তিক খেটে খাওয়া মানুষের উপর এই ন্যক্কারজনক রাজনৈতিক প্রতিহিংসার উপযুক্ত জবাব হবে।” যদিও এই রাজনৈতিক তরজার মাঝে এখনও পর্যন্ত শাসক দলের তরফে কোন প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি।

    আরও পড়ুন: জঙ্গল মহলে শক্তিবৃদ্ধি বিজেপির, গেরুয়া শিবিরে যোগ কুড়মিদের প্রধান উপদেষ্টার

    প্রসঙ্গত, গতকাল অর্থাৎ রবিবার, পশ্চিম গড়বেতায় বিজেপির পরিবর্তন যাত্রার সভার আয়োজন করা হয়েছিল। আর সেখানেই কুড়মি সমাজ, পশ্চিমবঙ্গের প্রধান উপদেষ্টা তথা শিক্ষক রাজেশ মাহাতো বিজেপিতে যোগদান করেন। শুরু হয় নানা রাজনৈতিক তরজা। রাজনৈতিক মহলের দাবি, রাজেশ মাহাতো দীর্ঘদিন ধরে কুড়মি আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত। আর তাঁর এই যোগদান তাৎপর্যপূর্ণ বলেই দেখছে বিজেপি নেতৃত্ব। কারণ এটি জঙ্গলমহল এলাকায় কুড়মি ভোটব্যাঙ্কে প্রভাব ফেলবে।