Tag: Kolkata Police

  • ভোটের আগে রাজ্য পুলিশের ডিজি ও কলকাতা পুলিশ কমিশনারকে বদল করল কমিশন

    ভোটের আগে রাজ্য পুলিশের ডিজি ও কলকাতা পুলিশ কমিশনারকে বদল করল কমিশন

    সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: গতকালই বাংলায় বিধানসভা নির্বাচনের (West Bengal Election) দিনক্ষণ ঘোষিত হয়েছে। আগামী ২৩ ও ২৯ এপ্রিল দুই দফায় হবে নির্বাচন। তবে তার আগেই রাজ্যের প্রশাসনিক বিভাগে একাধিক রদবদল করছে নির্বাচন কমিশন (Election Commission of India)। সেই সূত্রে এবার পুলিশের শীর্ষস্থরের রদবদল। গতকাল রাতেই রাজ্যের মুখ্য সচিব এবং স্বরাষ্ট্র সচিবের বদল করেছিল কমিশন। এবার কলকাতা পুলিশ কমিশনার এবং রাজ্য পুলিশের ডিজিকেও বদলি করা হল।

    ভোটের আগে পুলিশস্তরে রদবদল

    রিপোর্ট অনুযায়ী, কলকাতা পুলিশ কমিশনার এবং রাজ্য পুলিশের ডিজিকে বদলি করেছে নির্বাচন কমিশন। এবার রাজ্যের নতুন ডিজিপি হিসেবে নিযুক্ত হচ্ছেন সিদ্ধনাথ গুপ্ত। জানা যাচ্ছে, ডিজি এবং ভারপ্রাপ্ত আইজিপি পদে তাঁকেই নিয়োগ করা হচ্ছে। অন্যদিকে কলকাতা পুলিশ কমিশনারের পদ থেকে সুপ্রতিম সরকারকে সরানো হয়েছে। তাঁর জায়গায় নিয়োগ করা হয়েছে আইপিএস অফিসার অজয় নন্দকে। এমনকি সোমবার দুপুর তিনটের মধ্যেই নতুন পুলিশ কমিশনার এবং ডিজিকে দায়িত্ব নিতে হবে বলে জানিয়েছে কমিশন।

    এদিকে গতকাল রাতে রাজ্যের মুখ্য সচিব পদ থেকে নন্দিনী চক্রবর্তীকে নির্বাচন কমিশন সরিয়ে দিয়েছিল। তাঁর জায়গায় দুষ্মন্ত নারিওয়ালাকে নিয়োগ করা হয়। পাশাপাশি রাজ্যের স্বরাষ্ট্র সচিব জগদীশপ্রসাদ মীনাকেও সরানো হয়েছে নির্বাচন কমিশনের তরফ থেকে। তাঁর জায়গায় নতুন স্বরাষ্ট্র সচিব হিসেবে নিযুক্ত করা হয়েছে সংঘমিত্রা ঘোষকে। সেই সূত্রে গতকালই আঁচ করা যাচ্ছিল যে, রাজ্যের পুলিশস্তরেও রদবদল করতে পারে নির্বাচন কমিশন। সেই ভাবনাই সত্যি হলো আজ।

    আরও পড়ুন: ৪ মে ভোটের ফল ঘোষণা, কলকাতায় হচ্ছে না ইস্ট-মোহনের ISL ডার্বি? বড় খবর

    উল্লেখ্য, কলকাতা পুলিশের নতুন কমিশনার হিসেবে নিযুক্ত অজয় নন্দ আগে পশ্চিম মেদিনীপুরের পুলিশ সুপার হিসেবে নিযুক্ত ছিলেন। আর মাওবাদী দমনেও তাঁর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। এমনকি আসানসোল ও দুর্গাপুর কমিশনার হিসেবেও তিনি একসময় কাজ করেছেন। আর কলকাতা পুলিশেও একসময় নিযুক্ত ছিলেন। এদিকে গতকাল বিকালে দিল্লি থেকে সাংবাদিক বৈঠকের মাধ্যমে নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার বাংলায় ভোটের দিনক্ষণ ঘোষণা করেন। এবারের ভোট যাতে সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হয়, এবং কোনও রকম জটিলতা না হয় তার জন্যই নির্বাচন কমিশন একের পর এক বড়সড় পদক্ষেপ নিচ্ছে।

  • নবান্নের দিকে জানলা ব্যালকনি রাখা যাবে না! পুলিশের শর্তে বড় ধাক্কা দিল হাইকোর্ট

    নবান্নের দিকে জানলা ব্যালকনি রাখা যাবে না! পুলিশের শর্তে বড় ধাক্কা দিল হাইকোর্ট

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: নবান্নের (Nabanna) সামনে বাড়ি তৈরির জন্য স্থানীয় প্রশাসনের দেওয়া তিনটি শর্ত খারিজ করে দিল কলকাতা হাই কোর্ট (Calcutta High Court)। আর এই রায়ের নিরিখে স্বস্তি পেল নির্মাণকারীরা। হাই সিকিউরিটি জোন হিসেবে চিহ্নিত নবান্নের দিকে বাড়ি তৈরির ক্ষেত্রে পুলিশ স্পষ্ট জানিয়েছিল কোনো জানলা থাকবে না, ছাদের উপরে তুলতে হবে পাঁচিল! যেটা খুবই অস্বস্তিকর, এই নিয়ে মামলা উঠতেই বড় সিদ্ধান্ত নিল কলকাতা হাইকোর্ট।

    একাধিক শর্ত আরোপ হাইকোর্টের

    নবান্নর নিরাপত্তার মূল দায়িত্বে রয়েছে লালবাজার। পুলিশের ২০১৯-এর বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ওই এলাকা ‘হাই সিকিউরিটি জোন’ হিসেবে চিহ্নিত। তাই নবান্নের আশেপাশে বাড়ি তৈরি করার জন্য ১৭ দফা শর্ত বেঁধে দেওয়া হয়েছিল। নবান্নের আশেপাশের আবাসনে কাউকে ফ্ল্যাট বিক্রির আগে সেই ব্যক্তির অতীত সম্পর্কে প্রোমোটারকে খোঁজ নিতে হবে। আইনজীবীদের ব্যাখ্যা, কোনও ব্যক্তির বিরুদ্ধে কোনও ক্রিমিনাল কেস থাকলে তাঁর কাছে ফ্ল্যাট বিক্রি করা যাবে না। শুধু তাই নয় কোনও ভাবেই আশেপাশের আবাসন বাণিজ্যিক কাজে ব্যবহার করা যাবে না। বিল্ডিং তৈরির পরে সিসিটিভি ক্যামেরা লাগানো সংক্রান্ত একাধিক নিয়ম জারি করা হয়েছিল। এমনকি জানলা এবং ব্যালকনি নিয়েও শর্ত রাখা হয়েছিল।

    শর্তের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে মামলা দায়ের

    নবান্নের পাশে বাড়ি তৈরির লালবাজারের অন্যতম শর্ত ছিল নবান্নের দিকে মুখ করে কোনও জানলা অথবা বারান্দা রাখা যাবে না৷ ছাদে নবান্নের দিকে পাঁচিলের উচ্চতা হতে হবে অন্তত ১০ ফুট। নবান্ন যাতে দেখা না যায় তা নিশ্চিত করতে ছাদের উপরেও ১০ মিটার উঁচু পাচিল তুলতে হবে৷ এদিকে নবান্নের সামনে ক্ষেত্রমোহন বন্দ্যোপাধ্যায় লেনে এক ব্যক্তি পাঁচ তলা বাড়ি তৈরি করতে চেয়েছিলেন। তাই হাওড়া পুরসভার কাছে বাড়ির পরিকল্পনা জমা দিয়ে প্রয়োজনীয় অনুমোদন চান তিনি। কিন্তু অভিযোগ, তখনই তাঁকে পুলিশের ১৭টি শর্ত ধরানো হয়। তাই এবার নির্দিষ্ট এই শর্তগুলি চ্যালেঞ্জ করে জমির মালিক এবার সরাসরি কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হলেন।

    প্রশ্ন তোলা হয় শর্তগুলি নিয়ে

    জানা গিয়েছে, নবান্ন থেকে ১০০ মিটার দূরে হাওড়া পুরসভার ৩৩ নম্বর ওয়ার্ডে ৫ তলা ওই বাড়িটি তৈরির পরিকল্পনা করেছিলেন জমির মালিক৷ বছর সাতেক আগে হাওড়া পুরসভায় প্রস্তাবিত বাড়িটির নকশা অনুমোদনের জন্য জমা দেওয়া হয়৷ কিন্তু নবান্নের দিকে জানলা, বারান্দা না রাখতে দেওয়া, ছাদের উপরে দশ মিটার উচ্চতার পাঁচিল তোলার শর্ত নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়৷ মামলাকারীর আইনজীবী শ্রীজীব চক্রবর্তীর প্রশ্ন, আইন অনুযায়ী এই ধরনের শর্ত কি কোনও বাড়ির উপর চাপানো যায়? কী ভাবে বাড়ি তৈরি করা হবে, তা কি প্রশাসন ঠিক করে দিতে পারে? অবশেষে গতকাল সেই শর্ত খারিজ করে দিল হাই কোর্টের বিচারপতি গৌরাঙ্গ কান্তের বেঞ্চ।

    আরও পড়ুন: DA আন্দোলনে যেতে পারবেন না শিক্ষকরা! নোটিশ জারি মধ্যশিক্ষা পর্ষদের

    শর্ত খারিজ হাইকোর্টের

    আদালতের পর্যবেক্ষণ, কোনও এলাকার নিরাপত্তা গুরুত্বপূর্ণ হলেও শর্তাবলি আইনের সীমার মধ্যে রাখা উচিত। ছাদে ১০ ফুটের দেওয়াল তৈরি করতে গেলে বাড়ির প্রয়োজনীয় আলো-বাতাস বন্ধ হয়ে যাবে। লালবাজারের জানলা বা বারান্দার নির্মাণ নিষিদ্ধ করাও অমানবিক, এতে আবাসিকদের স্বাস্থ্য ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। তাই এই জোড়া শর্তকে ‘অবৈধ’ বলে উল্লেখ করেছেন বিচারপতি। এছাড়াও আদালত জানিয়েছে, কে বাড়িতে থাকবেন, তা নির্ধারণ করা পুরসভার কাজ নয়। তাই পুলিশের ক্রাইম ইনসিডেন্ট ভেরিফিকেশন শর্তটিও খারিজ করা হয়েছে।

  • দোলে ৩৩০ জনকে গ্রেফতার করল কলকাতা পুলিশ, বাজেয়াপ্ত ২৫ লিটার মদ

    দোলে ৩৩০ জনকে গ্রেফতার করল কলকাতা পুলিশ, বাজেয়াপ্ত ২৫ লিটার মদ

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: প্রতি বছর দোলের দিন শহর জুড়ে একের পর এক নানা অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটে থাকে। এবারে যাতে সেই পরিস্থিতি তৈরি না হয় তাই আগেভাগেই সার্বিক নিরাপত্তার জন‍্য গুরুত্ব অনুযায়ী বিভিন্ন এলাকায় ৩৯৮টি পুলিশ পিকেটের ব্যবস্থা করেছিল রাজ্য পুলিশ। খান্না মোড়, পার্ক সার্কাস সেভেন পয়েন্ট, শ‍্যামবাজার-সহ ৮৬ টি জায়গায় বিশেষ পিকেট ছিল মঙ্গলবার। এছাড়াও নজরদারির জন‍্য মোটর বাইক এবং পিসিআর ভ‍্যানে ছিলেন পুলিশকর্মী ও আধিকারিকেরা। আর রাত পোহাতেই এবার গতকালের রিপোর্ট প্রকাশ্যে আসল। কলকাতায় (Kolkata) গ্রেফতারির সংখ্যা দাঁড়াল ৩৩০।

    ৩৩০ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ

    লালবাজারের তরফে জানানো হয়েছে, দোলের দিন মেয়েদের সঙ্গে অভব্য আচরণ এবং মত্ত অবস্থায় ঘোরাফেরা করায় এলাকায় ঝামেলার অভিযোগে সব মিলিয়ে ৩৩০ জনকে গ্রেফতার করল কলকাতা পুলিশ। বিভিন্ন জায়গায় পুলিশ পিকেটিং থেকে শুরু করে টহলদারির জেরে, শহরের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে এই গ্রেপ্তারির ঘটনা ঘটেছে। গ্রেফতারির পাশাপাশি প্রায় ২৫ লিটার মদও বাজেয়াপ্ত করেছে পুলিশ, শহরের ১০টি ডিভিশন জুড়েই এই অভিযোগ উঠে এসেছে। জানা গিয়েছে আজ হোলিতেও সকাল থেকে কলকাতা পুলিশের তরফে কড়া নজরদারি চালানো হচ্ছে।

    আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে বড় পদক্ষেপ

    গত কয়েক বছরে দোলের দিনে বেপরোয়া ও মদ্যপ চালকদের কারণে একাধিক বড় দুর্ঘটনার নজির রয়েছে শহরে। তাই জারি করা হচ্ছে একগুচ্ছ নির্দেশিকা। মদ্যপ চালকদের কারণে একাধিক বড় দুর্ঘটনার নজির রয়েছে শহরে। আর তাতেই শহরের নিরাপত্তা নিয়ে উঠছে একাধিক প্রশ্ন, তাই বিতর্ক ওঠার আগে ভাগেই রাজ্যে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিশ্ছিদ্র রাখতে বড়সড় পদক্ষেপ করেছে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ। স্থানীয়দের দাবি কঠোর নজরদারি ও তৎপরতার জেরে এ বার দোলের দিন শহরে বড় কোনও দুর্ঘটনার খবর মেলেনি।

    আরও পড়ুন: দুবাইয়ে আটকে অভিনেত্রী শুভশ্রী! ইউভানকে নিয়ে কবে ফিরবেন কলকাতায়?

    প্রসঙ্গত, দোলের দিন, গঙ্গার ঘাটগুলিতেও সমান সতর্কতা বজায় রেখেছে কলকাতা পুলিশ। বিচলিঘাট, দাইঘাট ও আউটরাম ঘাট এলাকায় জোয়ার-ভাঁটার সময় মাইকিং করে সতর্ক করা হয় সাধারণ মানুষকে। শহরের আটটি ঘাটে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। দক্ষিণে পশ্চিম বন্দর থানা এলাকা থেকে হুগলির কোন্নগর পর্যন্ত চারটি স্পিডবোট নিয়ে টহল দেয় রিভার ট্রাফিক পুলিশ। ঘাট সংলগ্ন এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন ছিল। তবে এসবের মাঝেও বেশ কয়েকটি জেলায় দুর্ঘটনার খবর উঠে এসেছে।

  • দোলের দিনে কলকাতা জুড়ে কড়া নিরাপত্তা, ৮৬ জায়গায় পুলিশ পিকেট, থাকছে কুইক রেসপন্স টিম

    দোলের দিনে কলকাতা জুড়ে কড়া নিরাপত্তা, ৮৬ জায়গায় পুলিশ পিকেট, থাকছে কুইক রেসপন্স টিম

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: আজ দোল পূর্ণিমা। সকাল থেকেই চারিদিকে শুরু হয়েছে আবির এবং রঙের খেলা। তাইতো প্রতি বছরের মতো এবছরও দোল উৎসবকে কেন্দ্র করে শহরে থাকছে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা (Security Wrapped In Kolkata)। আসলে প্রতিবারই এই দিন শহরে নানা অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটে থাকে। তাই সেই সকল পরিস্থিতি যাতে তৈরি না হয়, সে কারণে একগুচ্ছ নির্দেশিকা জারি করেছে কলকাতা পুলিশ। জায়গায় জায়গায় দেওয়া হবে টহল।

    রাস্তায় থাকছে প্রায় ৪০০ পুলিশ পিকেট

    লালবাজারের তরফে জানানো হয়েছে, দোল ও হোলির দিন শহরে যাতে কোনও গোলমাল না বাঁধে, সেই কারণে তাই শহরজুড়ে মোতয়েন করা হয়েছে প্রায় চার হাজার পুলিশ। এছাড়াও যেকোনো পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য রাস্তায় থাকবে যুগ্ম পুলিশ কমিশনার ও ডিসি পদমর্যাদার পুলিশ আধিকারিকরাও। জানা গিয়েছে আজ অর্থাৎ মঙ্গলবার রাস্তায় থাকছে প্রায় ৪০০ পুলিশ পিকেট। এর মধ্যে খান্না মোড়, পার্ক সার্কাস সেভেন পয়েন্ট, শ্যামবাজার সহ রয়েছে ৮৬টি গুরুত্বপূর্ণ জায়গা। মোতায়েন থাকছেন ৬জন পুলিশ আধিকারিক ও পুলিশকর্মী। এ ছাড়াও আরও ৩১২টি জায়গায় পিকেটে থাকছেন তিনজন করে পুলিশকর্মী। পাশাপাশি বন্দর এলাকায় থাকছে প্রায় ৭২টি পিকেট।

    বিভিন্ন জলাশয়ের ঘাটে থাকবে পুলিশি ব্যবস্থা

    আজ রাস্তায় সাধারণ মানুষের নিরাপত্তার খাতিরে থাকছে হেভি রেডিও ফ্লাইং স্কোয়াড, ৬২টি পিসিআর ভ‌্যান ও সঙ্গে কুইক রেসপন্স টিম। এই টিম সারা শহরজুড়ে প্রত্যেকটি থানা এলাকার অপরিসর রাস্তাগুলিতে টহল দেবে। থাকবে পুলিশের বাইকও। এদিকে আজ গঙ্গার ঘাটে থাকবে বাড়তি ভিড়। সে কারণে কলকাতার ৬৬টি গঙ্গা ও বিভিন্ন জলাশয়ের ঘাটে পুলিশের বিশেষ নিরাপত্তা থাকছে। এছাড়াও লালবাজারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, পিকেট ছাড়াও ২৪টি ঘাটে ডিএমজি দল থাকবে। দোল বা হোলিতে রং মেখে কেউ যাতে মদ‌্যপ অবস্থায় গঙ্গা বা জলাশয়ে স্নান করতে না নামেন, সেদিকে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে পুলিশ।

    আরও পড়ুন: “পাকিস্তানের সাথে ফের যুদ্ধের প্রস্তুতি নিচ্ছে ভারত”, জানালেন খোদ পাক প্রেসিডেন্ট

    পুলিশের দেওয়া রিপোর্ট অনুযায়ী জানা গিয়েছে, বহুতলের ছাদ বা বারান্দা থেকে পথচারীদের দিকে কেউ যাতে রং বা জলভর্তি বেলুন না ছোড়ে সেদিকে পুলিশের নজর থাকবে। রাস্তার কুকুর বা অন‌্য কোনও পশুর শরীরে যাতে রং না লাগানো হয়, সেদিকেও টহলরত পুলিশকে নজরদারি করতে বলা হয়েছে। এছাড়াও যদি কোথাও কোনও গোলমালের খবর পাওয়া যায় তাহলে খুব অল্প সময়ের মধ্যে বাহিনী ঘটনাস্থলে পৌছে যাবে বলে জানানো হয়েছে। দরকার পড়লে নেওয়া হবে আইনি ব‌্যবস্থা।