Tag: Indian Railways

  • দাঁড়ায় প্রায় সব ট্রেন! তবে বাংলার এই স্টেশনের নাম জানেন না যাত্রীরা

    দাঁড়ায় প্রায় সব ট্রেন! তবে বাংলার এই স্টেশনের নাম জানেন না যাত্রীরা

    বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: এ বাংলায় (West Bengal) কমবেশি 700 র বেশি রেল (Indian Railways) স্টেশন রয়েছে। যে গুলির প্রত্যেকটি একে অপরের থেকে আলাদা। তবে পশ্চিমবঙ্গের বুকেই এমন এক স্টেশন রয়েছে যেখানে থেকে প্রতিদিন বহু মানুষ যাতায়াত করলেও কোনও নাম নেই সেই স্টেশনের। এক কথায় যাকে বলা যায় নামহীন বা অনামিকা স্টেশন। ভারতীয় রেলের অধীনস্থ এই স্টেশনের নামকরণ না হওয়ার কারণে স্টেশনটিতে প্রতিদিন অজস্র ট্রেন দাঁড়ালেও এই স্টেশনের নাম দেখায় না Where Is My Train অ্যাপেও! কোথায় রয়েছে সেই স্টেশন?

    বাংলাতেই রয়েছে নামহীন রেল স্টেশন

    ভারতীয় রেলের হাজার হাজার রেল স্টেশনের মধ্যে জায়গা করে নিয়েছে পশ্চিমবঙ্গের নামহীন রেলস্টেশনটি। জানলে অবাক হবেন, এই স্টেশনই দেশের একমাত্র স্টেশন যার নামকরণ আজ পর্যন্ত হয়নি। নিশ্চয়ই জানতে ইচ্ছে হচ্ছে কোথায় রয়েছে এমন স্টেশন? বাংলা তথা ভারতের একমাত্র নামহীন রেল স্টেশনটি রয়েছে বর্ধমান জেলার জেলা সদর থেকে অন্তত 35 কিলোমিটার দূরে অবস্থিত রায়না নামক একটি গ্রামে।

    সালটা 2008। সে বছর এই গ্রামেই তৈরি হয়েছিল রেল স্টেশনটি। জানা যায়, ভারতীয় রেলের তরফে স্টেশনটি তৈরির পর এর নামকরণ করার প্রস্তুতি নেওয়া হলে রায়না এবং পার্শ্ববর্তী গ্রাম রায়নগরের বাসিন্দাদের মধ্যে স্টেশনের নামকরণ নিয়ে ব্যাপক মতপার্থক্য দেখা দিলে শেষ পর্যন্ত এই স্টেশনের নামকরণ করা যায়নি।

    জানা যায়, 2008 এ রায়নগর নামের একটি স্টেশন ছিল। পরবর্তীতে রায়নগরের বাসিন্দারা বাঁকুড়া থেকে মসাগ্রাম লাইনের নবনির্মিত স্টেশনটির নাম রায়নগর রাখার পরামর্শ দেন। তাতে ঘোর আপত্তি জানান রায়নার বাসিন্দারা। আসলে স্টেশনটি রায়না গ্রামের আওতায় পড়ায় সেই স্টেশনের নাম রায়না হওয়া উচিত বলেই দাবি করে বসেন রায়নার বাসিন্দারা। তাতে বাধা দেন পার্শ্ববর্তী গ্রামের সকলেই। ফলে দুই পক্ষের তীব্র মতপার্থক্যের কারণে এই স্টেশনের নাম রাখা সম্ভব হয়নি। যার কারণে আজও এই স্টেশনে গেলে হলুদ সাইনবোর্ডে দেখা যাবে না কোনও নাম। যাত্রীরা সেটা জেনেই এই নামহীন স্টেশনে ট্রেন ধরতে আসেন। টিকিট কাউন্টার থেকে টিকিট কাটার সময়ও যাত্রীরা বলেন রায়না গ্রামের স্টেশনের টিকিট দিতে।

    অবশ্যই পড়ুন: ভক্তদের আশায় জল ঢাললেন KKR তারকা!

    সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য বিষয়, রবিবার দিন অর্থাৎ ছুটির দিনটিতে এই স্টেশনে বাজে না ট্রেনের বাঁশি। অর্থাৎ এই দিন একেবারে নিরব থাকে স্টেশনটি। যাতায়াত করেন না যাত্রীরা। স্থানীয় সূত্রে খবর, এই স্টেশনে ইলেকট্রনিক পদ্ধতিতে টিকিট কাটার ব্যবস্থা না থাকায় রবিবার দিন স্টেশন মাস্টার বর্ধমান শহরে যান টিকিট কিনতে। সে কারণেই এই দিন এই স্টেশনের যাত্রী পরিষেবা পুরোপুরি বন্ধ থাকে। বলে রাখি, স্টেশনের নির্দিষ্ট কোনও নাম না থাকায় টিকিট ছাপানো হয় রায়নগর নামে। একই সাথে মোবাইল অ্যাপে বাঁকুড়া মসাগ্রাম লাইনে রায়নগর স্টেশনের নাম উল্লেখ রয়েছে। তবে হিসেব করে দেখতে গেলে, এই স্টেশন অনামিকা স্টেশন হওয়ায় আদতে এর নাম নেই অ্যাপে।

  • জ্ঞানেশ কুমারের সফর, রুপির পতন…! আজকের সেরা ১০ খবর (৯ মার্চ)

    জ্ঞানেশ কুমারের সফর, রুপির পতন…! আজকের সেরা ১০ খবর (৯ মার্চ)

    সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: আজ ৯ মার্চ, সোমবার। জ্ঞানেশ কুমারের সফর, রুপির পতন, দেশের প্রথম রিং মেট্রো, রাজ্য-রাজনীতি, অর্থনীতি, বহির্বিশ্ব, কোথায় কী ঘটল আজ? জানতে চোখ রাখুন আজকের সেরা দশে। India Hood-র তরফ থেকে আমরা নিয়ে এসেছি তরতাজা দশটি (Top 10 Bangla News in West Bengal And India) খবর, যা না পড়লে মিস করে যাবেন অনেক কিছুই। বিস্তারিত নতে হলে অবশ্যই প্রতিবেদনটি শেষ পর্যন্ত পড়ুন।

    ১০) দেশের প্রথম রিং মেট্রো উদ্বোধন করলেন মোদী

    রবিবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী দিল্লিতে দেশের প্রথম রিং মেট্রো চালু এবং দুটি নতুন মেট্রো করিডর উদ্বোধন করেছেন। উদ্বোধিত করিডরগুলি হল মজলিস পার্ক-মৌজপুর বাবরপুর এবং দীপালি চক-মজলিস পার্ক। আর এই দুটি লাইন মিলিয়ে রাজধানী শহরকে চক্রাকারে ঘিরেছে, যার জন্য প্রকল্পটি মূলত রিং মেট্রো নামে পরিচিত। নতুন করিডোরগুলিতে সেতু এবং ভায়াডাক্ট রয়েছে, যেটি উত্তর এবং উত্তর-পূর্ব দিল্লির মানুষদের যাতায়াতকে আরও সহজ করবে। বিস্তারিত পড়তে- এখানে ক্লিক করুন

    ৯) সিভিকের পর এবার পথবন্ধু ভলেন্টিয়ার নিয়োগ করছে সরকার

    পশ্চিমবঙ্গ সরকার রাজ্যের দুর্ঘটনাপ্রবণ এলাকাগুলিতে পথবন্ধু ভলেন্টিয়ার নিয়োগের পরিকল্পনা করছে। আর প্রতিটি স্থানে সাতজন করে নিয়োগ করা হবে। শহরে পথ দুর্ঘটনার সংখ্যা উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে। ২০২৩-২৫ সালের মধ্যে মৃতের সংখ্যা অনেকটাই বৃদ্ধি পেয়েছে। পথবন্ধুদের মূলত কাজ হবে দুর্ঘটনার পর দ্রুত আহতদেরকে প্রাথমিক চিকিৎসা এবং হাসপাতালে পৌঁছে দেওয়া। আর তাদের প্রশিক্ষণ এবং আধুনিক ফার্স্ট এইড বক্সও দেওয়া হবে বলে খবর। পাশাপাশি প্রচার চালানো হবে। বিস্তারিত পড়তে- এখানে ক্লিক করুন

    ৮) কমিশনের কাছে ১৬ দফার দাবি পেশ বিজেপির

    পশ্চিমবঙ্গে আসন্ন নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বিজেপি নির্বাচন কমিশনের কাছে ১৬ দফা দাবি পেশ করেছে। আর তাদের মূল দাবি হলো, দীর্ঘ ৭-৮ ধাপের ভোটের পরিবর্তে নির্বাচন এক বা দুই ধাপে হওয়া উচিত। এতে ভোগান্তি অনেকটাই কমবে এবং ভোট দ্রুত আর সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হবে। এছাড়াও বড় বড় বহুতল কমপ্লেক্সে ভোটকেন্দ্র বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। আর পুলিশের কার্যক্রম সীমিত করা হয়েছে। পাশাপাশি পর্যবেক্ষণ এবং পরবর্তী নির্বাচনে বদলি হওয়া কর্মকর্তাদের পুনর্বদলি করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বিস্তারিত পড়তে- এখানে ক্লিক করুন

    ৭) রেকর্ড তলানিতে ঠেকল ভারতীয় রুপি

    ভারতীয় রুপি ডলারের তুলনায় রেকর্ড তলানিতে ঠেকল। সোমবার ১ ডলারের মূল্য ৯২.৩৪ টাকায় দাঁড়িয়েছে। আন্তর্জাতিক বাজারে অস্থিরতা, পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধ, তেলের দামের ঊর্ধ্বগতি আর বিদেশী বিনিয়োগকারীদের বাজার থেকে তাদের বিনিয়োগ তুলে নেওয়া রুপিকে আরও দুর্বল করে দিয়েছে। ভারতের তেলের ৮০ শতাংশ আমদানি বিদেশ থেকে হওয়ার কারণে ডলারের চাহিদা অনেকটাই বেড়েছে। আর বিশেষজ্ঞদের মতে, যদি এই ধারা বজায় থাকে, তাহলে রুপির পতন অব্যাহত থাকতে পারে। আর দাম ১০০ টাকার গণ্ডিও পার করতে পারে। বিস্তারিত পড়তে- এখানে ক্লিক করুন

    ৬) জ্ঞানেশ কুমারের আচরণে ক্ষুব্ধ চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য

    চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য জাতীয় নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চের বৈঠকেই জ্ঞানেশ কুমারের আচরণের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তিনি অভিযোগ করেছেন যে, প্রায় ৬৩ লক্ষ ভোটারের নাম তালিকা থেকে বাদ পড়েছে। আর মহিলাদেরকে লক্ষ্য করে করে বাদ দেওয়া হয়েছে। প্রশ্ন তুলতে গেলে কমিশনারের প্রতিক্রিয়া “ডোন্ট শাউট”। এর আগে তৃণমূলের অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এবং মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জ্ঞানেশ কুমারের আচরণ নিয়ে একাধিক সমালোচনা করেছেন। বিস্তারিত পড়তে- এখানে ক্লিক করুন

    ৫) জয়েন্ট এন্ট্রান্স পরীক্ষা ২০২৬ এর দিনক্ষণ ঘোষণা

    পশ্চিমবঙ্গ জয়েন্ট এন্ট্রান্স পরীক্ষা ২০২৬ এর দিনক্ষণ ঘোষণা করল জয়েন্ট এন্ট্রান্স এক্সামিনেশন বোর্ড। আগামী ২৪ মে রবিবার একদিনে দুই দফায় পরীক্ষা হবে। আর সকাল ১১টা থেকে ১টা পর্যন্ত গণিত এবং দুপুর ২টো থেকে ৪টা পর্যন্ত পদার্থবিজ্ঞান এবং রসায়ন পরীক্ষা হবে। আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হবে ১০ মার্চ থেকেই এবং চলবে ৫ এপ্রিল পর্যন্ত। আর ফর্ম সংশোধনের সুযোগ থাকবে ৭ থেকে ৯ এপ্রিল। অ্যাডমিট কার্ড পাওয়া যাবে আগামী ১৫ মে থেকে পরীক্ষার দিন পর্যন্ত। তবে ফল প্রকাশের দিন এখনো পর্যন্ত জানানো হয়নি। বিস্তারিত পড়তে- এখানে ক্লিক করুন

    ৪) মিড-ডে মিল নিয়ে সমস্যার মুখে হাজার হাজার স্কুল

    মিড-ডে মিল স্কিমে অতিরিক্ত পুষ্টি দেওয়ার জন্য পশ্চিমবঙ্গের স্কুল এডুকেশন ডিপার্টমেন্ট ৮১ লক্ষের বেশি পড়ুয়াকে ১২ দিন অতিরিক্ত ডিম বা মৌসুমী ফল দেওয়া নির্দেশ দিল। কিন্তু ১৭ ফেব্রুয়ারি বিজ্ঞপ্তি সত্ত্বেও অনেক স্কুলে এখনও পর্যন্ত সেই ব্যবস্থা হয়নি বলে বেশ কয়েকটি রিপোর্ট দাবি করা হচ্ছে। বিশেষ করে উত্তর ২৪ পরগনা জেলায়। আর সময় কম থাকার কারণে ৩১ মার্চের মধ্যেই সমস্ত ছাত্রছাত্রীকে অতিরিক্ত ডিম বা ফল দেওয়া সম্ভব হবে কিনা তা নিয়ে স্কুলগুলিতে বেড়েছে উদ্বেগ। বিস্তারিত পড়তে- এখানে ক্লিক করুন

    ৩) যুবসাথী কবে ঢুকবে তা জানালেন অভিষেক

    অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, বাংলার যুবসাথী প্রকল্পে আবেদন করা সমস্ত বেকার যুবক-যুবতীর অ্যাকাউন্টে সোমবার থেকে মঙ্গলবারের মধ্যেই বেকার ভাতার টাকা অর্থাৎ ১৫০০ টাকা করে পৌঁছে যাবে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আন্তর্জাতিক নারী দিবসের আগেই টাকা ছাড়ার ঘোষণা করে দিয়েছিলেন। ইতিমধ্যেই অনেকেই ১৫০০ টাকা বেকার ভাতা পেয়েছেন। তবে যারা এখনো পর্যন্ত পাননি, তাদের অ্যাকাউন্টে খুব শিগগিরই টাকা জমা দেওয়া হবে বলে আশ্বাস দিয়েছেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক। বিস্তারিত পড়তে- এখানে ক্লিক করুন

    ২) মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধে ভারতের শেয়ারবাজারে ভয়ঙ্কর পতন

    মধ্যপ্রাচ্যে ইরান এবং ইজরায়েলের যুদ্ধে সেন্সেক্স এবং নিফটি ৫০ এ বিরাট পতন। বাজার খোলার সঙ্গে সঙ্গে সেন্সেক্স ২২০০ পয়েন্ট তলানিতে ঠেকেছে এবং নিফটি প্রায় ৩% কমে গিয়েছে। যার ফলে মাত্র কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই বিনিয়োগকারীদের ৯ লক্ষ কোটি টাকা ধুলিস্যাত হয়ে যায়। ব্রেন্ট ক্রুড ওয়েলের দাম ব্যারেল পতি প্রায় ১১৭ ডলারে বেড়ে যাওয়ার কারণে বিনিয়োগকারীদের উদ্বেগ বেড়েছে। আর ভারতীয় রুপির দাম দিনের পর দিন তলানিতে ঠেকছে। এখন দেখার, ভারতের শেয়ার বাজার আবারো ঘুরে দাঁড়াতে পারে কিনা। বিস্তারিত পড়তে- এখানে ক্লিক করুন

    ১) বাংলায় এসে বিক্ষোভের শিকার জ্ঞানেশ কুমার

    জ্ঞানেশ কুমার পশ্চিমবঙ্গ সফরে এসে কালীঘাট মন্দিরের পূজা দিতে গিয়ে বিক্ষোভের মুখে পড়েছেন। পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের আগে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন নিয়ে বিক্ষোভকারীরা কালো পতাকা দেখিয়ে তাঁকে গো ব্যাক স্লোগান দিয়েছেন। কিন্তু বিক্ষোভ উপেক্ষা করে তিনি মন্দিরে পূজা দিয়েছেন। এমনকি আরতি ও অঞ্জলিও দিয়েছেন। তবে কোনও রকম মন্তব্য না করে বৈঠকের কর্মসূচিতে তিনি যোগদান করেছেন। আর তাঁর সঙ্গে কমিশনের অন্য সদস্যরাও সকলে এসেছেন বলে খবর। বিস্তারিত পড়তে- এখানে ক্লিক করুন

  • চালু হল দেশের প্রথম রিং মেট্রো, উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি

    চালু হল দেশের প্রথম রিং মেট্রো, উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি

    বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: রবিবার ভারত বনাম নিউজিল্যান্ড টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনালের দিন দিল্লির বুকে দাঁড়িয়ে দুটি নতুন মেট্রো করিডোর উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (India’s First Ring Metro)। সেই সাথে সবুজ পতাকা দেখিয়ে দেশের প্রথম রিং মেট্রো চালু করেন তিনি (Narendra Modi) । এখানেই শেষ নয়, এদিনই একাধিক পরিকাঠামো এবং আবাসনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন প্রধানমন্ত্রী। এছাড়াও 18 হাজার 300 কোটির নতুন আরও দুটি মেট্রো প্রকল্পের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করেছিলেন দেশের চৌকিদার।

    দিল্লির কোন দুই রুটে নতুন মেট্রো করিডোর উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী?

    রবিবার নরেন্দ্র মোদির হাত ধরে দিল্লির বুকে যে নতুন দুটি মেট্রো করিডোরের উদ্বোধন হয়েছিল তার মধ্যে প্রথমটি 12.3 কিলোমিটার দীর্ঘ মজলিস পার্ক-মৌজপুর বাবরপুর মেট্রো করিডোর। এটি মূলত দিল্লি মেট্রোর পিঙ্ক লাইন। দ্বিতীয়টি ম্যাজেন্টা লাইনের 9.9 কিলোমিটার দীর্ঘ দীপালি চক-মজলিস পার্ক মেট্রো করিডোর। ভারতীয় রেল সুত্রে খবর, দিল্লির নতুন দুই মেট্রো করিডোর উদ্বোধনের পাশাপাশি নতুন রিং মেট্রো চালু করতে মোট খরচ হয়েছে 33 হাজার 500 কোটি টাকা।

    তবে স্বাভাবিকভাবেই অনেকের মনে প্রশ্ন উঠছে নতুন দুই মেট্রো করিডোর মিলিয়ে গোটা প্রকল্পটির নাম কেন রিং মেট্রো? এ প্রসঙ্গে বলে রাখি, দিল্লি মেট্রোর পিঙ্ক লাইনের মজলিস পার্ক-মৌজপুর বাবরপুর মেট্রো করিডোর এবং ম্যাজেন্টা লাইনের দীপালি চক-মজলিস পার্ক মেট্রো করিডোর মিলিয়ে গোটা দিল্লি শহরে পিঙ্ক লাইনের বিস্তৃতি হয়ে দাঁড়িয়েছে 71.56 কিলোমিটার। এক কথায়, গোটা রাজধানীকে একেবারে চক্রাকারে মুড়ে ফেলেছে এই মেট্রো লাইন। মূলত সে কারণেই এই মেট্রো প্রকল্পটিকে দিল্লির প্রথম রিং মেট্রো বলা হচ্ছে।

     

    অবশ্যই পড়ুন: এই দিনের মধ্যেই সবার অ্যাকাউন্টে ঢুকবে যুবসাথীর টাকা, বললেন অভিষেক

    উপকৃত হবেন রাজধানীর মানুষজন

    মজলিস পার্ক-মৌজপুর বাবরপুর মেট্রো করিডোর বরাবর যমুনা নদীর উপর তৈরি একটি নতুন সেতু এবং একটি দ্বিতল ভায়াডাক্ট রয়েছে। এই মেট্রো সেতু এবং ভায়াডাক্ট মেট্রো রেললাইন এবং সড়ক পথের উড়ালপুলকে বহন করছে। এদিকে আরেকটি লাইন অর্থাৎ দীপালি চক-মজলিস পার্ক করিডোর ম্যাজেন্টা লাইনকে প্রসারিত করায় এর মোট দৈর্ঘ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে 49 কিলোমিটার। মেট্রো রেলের আধিকারিকদের দাবি, দিল্লিতে মেট্রোর নতুন সংযোজন বা নতুন দুই করিডোর উত্তর ও উত্তর পূর্ব দিল্লির মানুষদের কষ্ট লাঘব করবে। উপকৃত হবেন খাজুরি খাস, ভজনপুরা, যমুনা বিহার, ওয়াজিরাবাদ, জগৎপুর সহ বিস্তীর্ণ অঞ্চলের মানুষজন।

  • নতুন প্ল্যাটফর্ম নির্মাণ, ট্রেন ধারণের ক্ষমতা হবে দ্বিগুণ! হাওড়া স্টেশন নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত রেলের

    নতুন প্ল্যাটফর্ম নির্মাণ, ট্রেন ধারণের ক্ষমতা হবে দ্বিগুণ! হাওড়া স্টেশন নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত রেলের

    সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: ভারতবর্ষের সবথেকে বড় আর অন্যতম পুরনো রেলওয়ে স্টেশন হাওড়াকে (Howrah Railway Station) এবার নতুন রূপে সাজানো হবে। ১৭৩ বছরের পুরনো পশ্চিমবঙ্গের বৃহৎ এই স্টেশনকে আগামী পাঁচ বছরের মধ্যেই উন্নত করার পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে রেল মন্ত্রণালয়। ১৮৫৪ সালে নির্মিত হাওড়া স্টেশনের ক্রমবর্ধমান চাহিদা মেটানোর জন্য বেশ কয়েকবার সম্প্রসারিত করা হয়েছে। তবে ২০৩০ সালের মধ্যে ট্রেন পরিচালনা ক্ষমতা দ্বিগুণ করানোর জন্য বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে (Indian Railways)।

    বলে দিই, ১৯০৫ সালে হাওড়া রেলওয়ে স্টেশনে নতুন ছয়টি প্ল্যাটফর্ম যুক্ত করা হয়। যার ফলে প্ল্যাটফর্ম সংখ্যা দাঁড়ায় সাতটি। আর ১৯৮৪ সালে আরও আটটি প্ল্যাটফর্ম নির্মাণ করা হয়। ফলে তখন প্লাটফর্ম সংখ্যা দাঁড়িয়ে ছিল ১৫টিতে। আর ১৯৯২ সালে আরও চারটি প্ল্যাটফর্মসহ নতুন একটি টার্মিনাল কমপ্লেক্স তৈরি করা হয়। পরে ২০০৯ সালে স্টেশনটিকে আবারো সম্প্রসারণ করা হয় এবং বর্তমানে এই স্টেশনের প্ল্যাটফর্ম সংখ্যা দাঁড়ায় ২৩টি।

    ২০৩০ সালের মধ্যেই ট্রেন পরিচালনা ক্ষমতা হবে দ্বিগুণ

    রেলওয়ে মন্ত্রণালয় জানিয়েছে যে, আগামী পাঁচ বছর প্রধান স্টেশনগুলির ট্রেন পরিচালনা ক্ষমতা দ্বিগুণ করা হবে। যার মধ্যে হাওড়া স্টেশন অন্যতম। এ বিষয়ে পূর্ব রেলের প্রধান জনসংযোগ কর্মকর্তা শিবরাম মাঝি বলেছেন, নতুন প্ল্যাটফর্ম এবং প্লাটফর্ম সম্প্রসারণের মাধ্যমে হাওড়া স্টেশনের টার্মিনাল ক্ষমতা বাড়ানো হচ্ছে। ভারতবর্ষের অন্যতম ব্যস্ততম রেল টার্মিনালের ট্রেন পরিচালনা ক্ষমতা বাড়ানো হবে আর ট্রাফিক আরও উন্নত করা হবে। হাওড়া স্টেশনে আসা দূরপাল্লার ট্রেনগুলি বিশেষ করে দক্ষিণ-পূর্ব রেলের ট্রেনগুলির সময়ানুবর্তিতা করার জন্যই এই পদক্ষেপ।

    এদিকে জানিয়ে রাখি, হাওড়া স্টেশনের ১৫ নম্বর প্ল্যাটফর্মের পুনঃনির্মাণ এবং সম্প্রসারণ সম্পন্ন হয়েছে। হ্যাঁ প্ল্যাটফর্মটি ৩১২ মিটার থেকে ৫৯১ মিটার পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। যার ফলে ২২ থেকে ২৪টি কোচবিশিষ্ট দূরপাল্লার ট্রেনগুলি আরামসে দাঁড়াতে পারবে। কারণ, আগে এই প্ল্যাটফর্মে শুধুমাত্র লোকাল ট্রেন চলাচল করতে পারত। এছাড়াও ১৪ নম্বর প্ল্যাটফর্মের সম্প্রসারণ সম্পন্ন হয়েছে। এটির দৈর্ঘ্য ৫৬৪ মিটার থেকে ৫৮১ মিটার করা হয়েছে। যার ফলে বেশি কোচের ট্রেনগুলি সহজেই দাঁড়াতে পারে।

    আরও পড়ুন: ব্যবসার জন্য ১০ লক্ষ দিচ্ছে রাজ্য সরকার! হাফ টাকা মুকুব, মাধ্যমিক পাসেই আবেদন

    তৈরি হবে নতুন প্ল্যাটফর্ম

    এদিকে স্টেশনের ক্ষমতা সম্প্রসারণ করানোর জন্য আরও দুটি নতুন প্ল্যাটফর্ম তৈরি হবে বলেই খবর। আর এই প্ল্যাটফর্ম দুটি হবে ৬৩৫ মিটার লম্বা, যাতে ২৪টি কোচবিশিষ্ট দূরপাল্লার ট্রেন দাঁড়াতে পারবে। এই প্ল্যাটফর্মগুলি নির্মিত হলে সেগুলি শহরতলির সাথে দূরপাল্লার পরিষেবাকে আরও উন্নত করবে বলেই অনুমান করা হচ্ছে। পাশাপাশি যাত্রীদের ভোগান্তিও দূর হবে।

  • পশুর নামে গোটা ট্রেন, বাঘ এক্সপ্রেসের নামকরণের আসল কারণ জানেন না ৯৯% মানুষ

    পশুর নামে গোটা ট্রেন, বাঘ এক্সপ্রেসের নামকরণের আসল কারণ জানেন না ৯৯% মানুষ

    বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: মেল এবং এক্সপ্রেস মিলিয়ে ভারতীয় রেলের (Indian Railways) অধীনে রয়েছে 13 হাজারেরও বেশি যাত্রীবাহী ট্রেন। এই ট্রেনগুলিতে চেপেই প্রতিদিন তুলনামূলক কম খরচে নিজেদের গন্তব্যে পৌঁছন যাত্রীরা। তবে ভারতীয় রেলের মালিকানাধীন হাজার হাজার ট্রেনের প্রত্যেকটির নাম কিন্তু আলাদা আলাদা। এমন কিছু ট্রেন রয়েছে যে গুলির নামকরণ করা হয় দেশের বিভিন্ন জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্রের নামে। কিছু ট্রেন রয়েছে যে গুলির নাম রাখা হয়েছে বিভিন্ন মনি ঋষীদের নাম অনুসারে। তবে ভারতীয় রেলের হাতে এমন একটি ট্রেন রয়েছে যার নামকরণ করা হয় বাঘের নামে (Bagh Express)। হ্যাঁ, হাওড়া ডিভিশনে দৈনিক যাতায়াতকারী বাঘ এক্সপ্রেস সম্পর্কে কমবেশি সকলেই অভিহিত। কিন্তু জানেন কি কেন এই ট্রেনের নাম রাখা হয়েছিল বাঘের নামে?

    বাঘ এক্সপ্রেসের নামকরনের পেছনের কারণ

    প্রথমেই বলে রাখি, ভারতীয় রেলের জনপ্রিয় ট্রেন বাঘ এক্সপ্রেস প্রতিদিন হাওড়া জংশন থেকে উত্তরাখণ্ডের কাঠগোদাম স্টেশন পর্যন্ত যাতায়াত করে। সে রাজ্যের নৈনিতালে রয়েছে এই স্টেশন। বলাই বাহুল্য, এই বাঘ এক্সপ্রেসে চেপেই প্রতিদিন হাওড়া বলা ভাল শহর কলকাতা থেকে বহু যাত্রী উত্তরাখন্ডে পৌঁছন। এক কথায়, বাংলার সাথে ভিন রাজ্যকে সংযুক্ত করেছে এই ট্রেন।

    আরও পড়ুনঃ কালবৈশাখীর সাথে বজ্রবিদ্যুৎ সহ বৃষ্টি, ভিজবে দক্ষিণবঙ্গের ৮ জেলা, আজকের আবহাওয়া

    কিন্তু কেন এর নাম রাখা হয়েছে পশুর নামে? আসলে হাওড়া থেকে কাঠগোদাম পর্যন্ত চলাচলকারী এই বাঘ এক্সপ্রেসের নামকরণের নেপথ্যে রয়েছে ভারতের জনপ্রিয় ব্যাঘ্র প্রকল্প তথা উত্তরাখণ্ডের জিম করবেট ন্যাশনাল পার্ক। 1936 সালে প্রতিষ্ঠিত এই পার্ক বা প্রাচীনতম জাতীয় উদ্যানেই রয়েছে ওয়েস্ট বেঙ্গল টাইগার, চিতা থেকে শুরু করে বিভিন্ন প্রজাতির বাঘ। সব মিলিয়ে বলা যায়, হাওড়া থেকে প্রতিদিন এই ট্রেন ব্যাঘ্র প্রকল্পের পার্শ্ববর্তী কাঠগোদাম স্টেশন পর্যন্ত যায় বলেই এই ট্রেনের নাম বাঘ এক্সপ্রেস। অনেকেই বলেন, এই ট্রেন প্রতিদিন যাত্রীদের বাঘের দেশে নিয়ে যায়। তাই এর নাম বাঘ এক্সপ্রেস রাখা হয়েছিল।

    অবশ্যই পড়ুন: ট্রেনেই পৌঁছতে পারবেন কেদারনাথ, বদ্রিনাথ! শীঘ্রই চারধাম যাত্রীদের সুখবর দিতে পারে রেল

    না বললেই নয়, হাওড়া থেকে ব্যান্ডেল হয়ে কাঠগোদাম যাওয়ার সময় প্রতিদিন সকালেই কমবেশি স্টেশনে অপেক্ষারত যাত্রীদের মধ্যে আলোচনা চলে এই ট্রেনটিকে নিয়ে। বাঘের ছবি অঙ্কিত এই ট্রেনটিকে আসতে দেখে প্রায়শই অনেকে মজার ছলে বলেন, “ওই যে বাঘ আসছে।” এভাবেই যাত্রীদের মুখে মুখে ব্যাপক জনপ্রিয়তা লাভ করেছে ভারতীয় রেলের বহু পুরনো এই এক্সপ্রেস।

  • রাষ্ট্রপতির সফর নিয়ে বিতর্ক, মমতার প্রতিবাদ…! আজকের সেরা ১০ খবর (৮ মার্চ)

    রাষ্ট্রপতির সফর নিয়ে বিতর্ক, মমতার প্রতিবাদ…! আজকের সেরা ১০ খবর (৮ মার্চ)

    সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: আজ ৮ মার্চ, রবিবার। রাষ্ট্রপতির সফর নিয়ে বিতর্ক, মমতার প্রতিবাদ, ভারতীয় রেলের উন্নতি, রাজ্য-রাজনীতি, অর্থনীতি, বহির্বিশ্ব, কোথায় কী ঘটল আজ? জানতে চোখ রাখুন আজকের সেরা দশে। India Hood-র তরফ থেকে আমরা নিয়ে এসেছি তরতাজা দশটি (Top 10 Bangla News in West Bengal And India) খবর, যা না পড়লে মিস করে যাবেন অনেক কিছুই। বিস্তারিত নতে হলে অবশ্যই প্রতিবেদনটি শেষ পর্যন্ত পড়ুন।

    ১০) ২৭০ কিলোমিটার সুরঙ্গ খুঁড়ে এবার চিন সীমান্তে যাবে ভারতের ট্রেন

    ভারতীয় রেল হিমালয়ের মধ্য দিয়ে এবার লেহ পর্যন্ত নতুন রেলপথ নির্মাণের পরিকল্পনা করছে। বিলাসপুর-মানালি-লেহ রেল প্রোজেক্ট প্রায় ৪৮৯ কিলোমিটার পর্যন্ত দীর্ঘ হবে এবং এতে ৬২টি টানেল এবং ১১৬টি সেতু থাকবে বলে জানানো হয়েছে। মোট ২৭০ কিলোমিটার পথ টানেরলের মধ্য দিয়েই যাবে। আর এই রেলপথ সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ১৫ হাজার ফুট উচ্চতায় বিশ্বের সবথেকে উঁচু রেল নেটওয়ার্ক হবে এবং দিল্লি থেকে লেহ যাত্রা সময় ৪০ ঘন্টা থেকে কমে ২০ ঘন্টায় নেমে আসবে। পাশাপাশি সীমান্ত নিরাপত্তা জোরদার হবে। বিস্তারিত পড়তে- এখানে ক্লিক করুন

    ৯) রাষ্ট্রপতির সফর নিয়ে নবান্নের কাছে জবাব চায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক

    রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর উত্তরবঙ্গ সফরকে ঘিরে বিতর্কে জেরে এবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক রাজ্য সরকারের কাছে রিপোর্ট চেয়েছে। হ্যাঁ, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র সচিব গোবিন্দ মোহন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্য সচিব নন্দিনী চক্রবর্তীকে বিকেল পাঁচটার মধ্যেই ব্যাখ্যা দিতে বলেছেন। অভিযোগ উঠছে, অনুষ্ঠানের স্থান পরিবর্তন ও ব্যবস্থাপনা নিয়েই সমস্যা হয়েছে। এ নিয়ে রাজনৈতিক বিতর্ক যেরকম একদিকে বাড়ছে, অন্যদিকে নরেন্দ্র মোদী এবং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মন্তব্যের জলঘোলা আরও বেড়েছে। বিস্তারিত পড়তে- এখানে ক্লিক করুন

    ৮) ইরান সংঘর্ষ নিয়ে আমেরিকা থেকে সতর্ক করল চিন

    চিন-ইরান সংঘর্ষ নিয়ে পরোক্ষভাবে আমেরিকা এবং ইজরায়েলকে সতর্ক করল চিনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই। তিনি বলেছেন, ইরানের সরকার বদলানোর ষড়যন্ত্র বা বিদেশি হস্তক্ষেপে বেজিং সমর্থন করবে না। আর তিনি এটিকে সার্বভৌমত্বের লঙ্ঘন বলে উল্লেখ করেছেন এবং জঙ্গল রাজ চলবে না বলেও মন্তব্য করেছেন। চিন সমস্ত পক্ষকে সামরিক অভিযান বন্ধ করে আলোচনার মাধ্যমে সমস্যা সমাধানের আহ্বান জানিয়েছেন। বিস্তারিত পড়তে- এখানে ক্লিক করুন

    ৭) সিভিল সার্ভিস পরীক্ষায় বাজিমাত ট্র্যাক চালকের মেয়ের

    সিভিল সার্ভিস পরীক্ষা ২০২৫-এ বিরাট সাফল্য অর্জন করলেন উত্তরাখণ্ডের ফাইরুজ ফাতিমা। হরিদ্বয়ার জেলার রুরকির বাসিন্দা ফাতেমা একজন ট্রাকচালকের মেয়ে এমনটাই জানা যাচ্ছে। দীর্ঘ আট বছর প্রস্তুতির পরেই তৃতীয় চেষ্টায় তিনি সারা ভারতে ৭০৮ তম র‍্যাঙ্ক অর্জন করেছেন। বর্তমানে তিনি ভারতীয় রিজার্ভ ব্যাঙ্কের ডেপুটি ম্যানেজার হিসেবে কর্মরত আর সীমিত আর্থিক অবস্থার মধ্যে বাবা-মায়ের অনুপ্রেরণায় তাঁর এই সাফল্য মানুষের কাছে অনুপ্রেরণা হয়ে উঠেছে তা বলার অপেক্ষা রাখে না। বিস্তারিত পড়তে- এখানে ক্লিক করুন

    ৬) নির্বাচন প্রস্তুতি খতিও দেখতে বাংলায় আসছেন জ্ঞানেশ কুমার

    জ্ঞানেশ কুমার পশ্চিমবঙ্গ সফরে এসে নির্বাচনী প্রস্তুতির খতিয়ান দেখতে একাধিক বৈঠক করবেন বলে খবর। নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চের সঙ্গে তিনি কলকাতায় পৌঁছে রাজনৈতিক দল, প্রশাসনিক আধিকারিক এবং পুলিশ কর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করবেন। আর বৈঠকের আগে তিনি কালীঘাট মন্দিরে পূজা দেবেন এবং পরে বেলুড় মঠ দর্শন করতে পারেন বলেই খবর। এমনকি এই সফরে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের সম্ভাব্য প্রস্তুতি নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা হবে। বিস্তারিত পড়তে- এখানে ক্লিক করুন

    ৫) রাষ্ট্রপতি সফর ঘিরে তীব্র সমালোচনা প্রধানমন্ত্রী মোদীর

    নরেন্দ্র মোদী পশ্চিমবঙ্গে রাষ্ট্রপতি সফরকে ঘিরে এবার তীব্র সমালোচনা করেছেন। শিলিগুড়ি অনুষ্ঠানে আসা দ্রৌপদী মুর্মুকে স্বাগত জানাতে রাজ্য সরকারের কোনও রকম প্রতিনিধি সেখানে উপস্থিত ছিল না বলেই অভিযোগ। আর এ নিয়ে তীব্র বিতর্ক শুরু হয়েছে। এই ঘটনাকে লজ্জাজনক বলেই মন্তব্য করেছেন মোদী এবং তিনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে সরাসরি নিশানা করেছেন। নারী দিবসের আগে এক মহিলা রাষ্ট্রপতিকে অপমান করা হয়েছে বলেও তিনি দাবি করেছেন। যার ফলে রাজ্য-কেন্দ্র রাজনৈতিক উত্তেজনা আরও বেড়েছে। বিস্তারিত পড়তে- এখানে ক্লিক করুন

    ৪) ইরানের তেল মজুদে আঘাত হানল ইজরায়েল

    ইরান এবং ইজরায়েল সংঘাত এবার আরও তীব্র হল। ইরানের মিসাইল হামলার জবাবে তেহরানের তেল মজুদে আঘাত হেনেছে ইজরায়েল এমনটাই খবর। নেতানিয়াহু সতর্ক করে বলেছেন, ইরান আত্মসমর্পণ না করলে আরও কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে। এমনকি ইরানের তেল রিফাইনারি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার কারণে বিদ্যুৎ পরিবহন এবং জ্বালানি সংকটের আশঙ্কাও তৈরি হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রথমবার ইজরায়েল ইরানের বেসামরিক ঘাঁটিতে সরাসরি লক্ষ্য করেই হামলা চালিয়েছে। বিস্তারিত পড়তে- এখানে ক্লিক করুন

    ৩) গ্যাসের দাম বাড়ায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতিবাদ

    নারী দিবসে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডাকে গ্যাসের দাম বৃদ্ধির প্রতিবাদে রাস্তায় নেমেছে তৃণমূলের মহিলারা। কালো শাড়ি পরে থালা-বাসন এবং খুন্তি হাতে এই প্রতিবাদ মিছিল হয়েছে। সুবোধ মল্লিক স্কয়ার এবং ধর্মতলায় আন্দোলনে অংশগ্রহণ করেছিলেন শশী পাঁজা এবং চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যসহ একাধিক নেত্রীরা। প্রতীকী গ্যাস সিলেন্ডার হাতে নিয়েই মুখ্যমন্ত্রী কেন্দ্রের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। গ্যাসের দাম বৃদ্ধি এবং ভোটার তালিকা নিয়ে এই প্রতিবাদে রাজনৈতিক উত্তেজনা যে আরও বেড়েছে তা বলার অপেক্ষা রাখে না। বিস্তারিত পড়তে- এখানে ক্লিক করুন

    ২) শ্রীরামপুর স্টেশন নিয়ে বড় ঘোষণা রেলমন্ত্রীর

    রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব হুগলির শ্রীরামপুর সফরে গিয়ে রেল উন্নয়নে বিরাট ঘোষণা করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, ভারতীয় রেলের জন্য চলতি বাজেটে বাংলায় প্রায় ১৪,২০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। আর অন্যান্য প্রকল্পে ৯৩ হাজার কোটি টাকা অনুমোদন করা হয়েছে। শ্রীরামপুর স্টেশনকে মাহেশের জগন্নাথ মন্দিরের আদলে সাজানোর প্রস্তাব সামনে এসেছে। পাশাপাশি হাওড়া লাইনে শ্রীরামপুর এবং রিষরার মাঝে নতুন একটি হল্ট স্টেশন তৈরি করা দাবি উঠেছে, যা হলে রথযাত্রায় দর্শনার্থীরা আরও সুবিধা পাবে। বিস্তারিত পড়তে- এখানে ক্লিক করুন

    ১) অমৃত ভারত স্টেশনের আওতায় নয়া রূপ পাচ্ছে সিউড়ি ও হলদিয়া

    ভারতীয় রেলের অমৃত ভারত স্টেশন স্কিমের আওতায় বাংলার একাধিক স্টেশন আধুনিক রুপ নিচ্ছে। এর মধ্যে সিউড়ি রেলওয়ে স্টেশন এবং হলদিয়া রেলওয়ে স্টেশনের চেহারাও পুরো বদলে গিয়েছে। স্টেশনগুলোতে নতুন প্রবেশদ্বার, আধুনিক অপেক্ষাকক্ষ, পরিষ্কার শৌচালয় সহ উন্নত প্ল্যাটফর্ম, লিফট এবং ফ্রি ওয়াইফাই পরিষেবা যুক্ত করা হয়েছে। আর এই প্রকল্পের লক্ষ্য হল যাত্রীদের জন্য স্টেশনকে আরও পরিষ্কার, আরামদায়ক এবং আধুনিক গড়ে তোলা। পাশাপাশি স্থানীয় পণ্য বিক্রির সুযোগ রয়েছে। বিস্তারিত পড়তে- এখানে ক্লিক করুন

  • ট্রেনেই পৌঁছতে পারবেন কেদারনাথ, বদ্রিনাথ! শীঘ্রই চারধাম যাত্রীদের সুখবর দিতে পারে রেল

    ট্রেনেই পৌঁছতে পারবেন কেদারনাথ, বদ্রিনাথ! শীঘ্রই চারধাম যাত্রীদের সুখবর দিতে পারে রেল

    বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গিয়েছে চারধাম (Char Dham Rail Project) যাত্রা 2026 এর অনলাইন রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়া। আগামী 17 এপ্রিল থেকে শুরু হবে অফলাইন রেজিস্ট্রেশনের কাজ। উত্তরাখণ্ড সরকারের তরফে স্পষ্ট করে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, চারধাম যাত্রায় অংশ নিতে হলে রেজিস্ট্রেশন বাধ্যতামূলক। এদিকে কেদারনাথ, বদ্রিনাথ, গঙ্গোত্রী এবং যমুনেত্রী অর্থাৎ এই চারটি ধামে পৌঁছতে যাতে দর্শনার্থীদের সমস্যা না হয় সেজন্যই পাহাড়ের মধ্যে দিয়ে তৈরি হচ্ছে রেলপথ। ভারতীয় রেলের (Indian Railways) সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, চারধাম যাত্রীদের কষ্ট লাঘব করতে দ্রুত গতিতে চলছে রেল প্রকল্পের কাজ।

    কতদূর রেল প্রকল্পের কাজ?

    রেলমন্ত্রকের তরফে আগেই জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, চারধাম যাত্রায় অংশ নিতে যাওয়া পুণ্যার্থীদের ভীরকে সামাল দিতে পাহাড়ের দুর্গম পরিবেশে 327 কিলোমিটার দীর্ঘ রেল পথ তৈরির কাজ শুরু করা হয়েছিল। জানা যায়, উত্তরাখণ্ডের দেরাদুন এবং কর্ণপ্রয়াগ হয়ে গঙ্গোত্রী, যমুনেত্রী, বদ্রিনাথ এবং কেদারনাথের মধ্যে থেকে চলবে ট্রেন। সেই মর্মেই জোর কদমে চলছিল কাজ। এরই মাঝে রেল বিকাশ নিগম লিমিটেড জানিয়েছে, ঋষিকেশ থেকে কর্ণপ্রয়াগ পর্যন্ত 125 কিলোমিটার দীর্ঘ রেলপথের কাজ একপ্রকার শেষ।

    আরও পড়ুনঃ ‘আরও এক দফায় লড়াই, এবার জিতবেন …’ DA মামলা নিয়ে ভবিষ্যদ্বাণী

    এদিকে রেলের বিভিন্ন টানেলগুলির কাজও সম্পন্ন হয়েছে। রেল সূত্রে খবর, 38টি অত্যাধুনিক টানেলের মধ্যে ইতিমধ্যেই 28টি টানেলের কাজ ইতিমধ্যেই শেষ হয়ে গিয়েছে। ভারতের দীর্ঘতম রেল টানেল T8 এর কাজও শেষ হয়েছে ইতিমধ্যেই। রেল সূত্রে যা খবর, এই বিশেষ রেল প্রকল্পের মোট বাজেট 26 হাজার 841 কোটি টাকা। এরমধ্যে প্রায় 60 থেকে 76 শতাংশ অর্থ খরচ হয়ে গিয়েছে। বর্তমানে কয়েকটি রেল ব্রিজ, কাটিং এবং স্টেশন নির্মাণের কাজ চলছে।

    রেল সূত্রে খবর, শ্রীনগর গরহওয়াল, গোচর এবং কালেশ্বরের এলাকাগুলিকে সংযোগকারী মোটর টানেলগুলির কাজ ইতিমধ্যেই শেষ হয়েছে। বলাই বাহুল্য, ভারতীয় রেলের এই বিশেষ প্রকল্পের অধীনে ঋষিকেশ থেকে কর্ণপ্রয়াগ পর্যন্ত 125 কিলোমিটার দীর্ঘ রেল লাইনের 105 কিলোমিটার লাইন 16টি টানেলের মধ্যে দিয়ে যাবে। শোনা যাচ্ছে, এইসব টানেল ছাড়াও 12টি নিষ্কাশন টানেল ও কিছু ক্রস পাস প্যাসেজও তৈরি করা হচ্ছে।

    অবশ্যই পড়ুন: প্রতিমাসে অ্যাকাউন্টে ঢুকবে ৭০০০ টাকা! মহিলাদের ক্ষমতায়নে বড় প্ল্যান LIC-র

    ভারতীয় রেলের কয়েকজন আধিকারিক জানিয়েছেন, সব ঠিক থাকলে খুব শীঘ্রই ঋষিকেশ থেকে কর্ণপ্রয়াগ লাইনে আংশিকভাবে ট্রেন চলাচল শুরু হয়ে যেতে পারে। তবে গোটা অংশে ট্রেন চলাচল শুরু হতে 2027 এর ডিসেম্বর অথবা 2028 সাল পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হতে পারে। রেল আধিকারিকদের দাবি, পাহাড়ের বুক চিরে তৈরি রেল প্রকল্পটির কাজ শেষ হয়ে গেলে প্রতিকূল পরিবেশের মধ্যে দিয়ে উঁচুতে অবস্থিত কেদারনাথ, বদ্রিনাথ মন্দিরগুলি অর্থাৎ চারধাম দর্শন অনেকটাই সহজ হবে তীর্থযাত্রীদের পক্ষে।

  • বিশ্বের কঠিনতম রেল প্রকল্প ভারতের! ২৭০ কিমি সুড়ঙ্গ খুঁড়ে চিন সীমান্তে যাবে ট্রেন

    বিশ্বের কঠিনতম রেল প্রকল্প ভারতের! ২৭০ কিমি সুড়ঙ্গ খুঁড়ে চিন সীমান্তে যাবে ট্রেন

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ যত সময় এগোচ্ছে ততই পরিধি বাড়ছে ভারতীয় রেলের (Indian Railways)। একটা সময়ে যেখানে কোনওদিন রেললাইন হবে সেটা ভাবা যায়নি, আজ সেখানে অবধি রেল লাইন বসছে এবং ট্রেন পরিষেবা শুরু হয়েছে। সে আইফেল টাওয়ারের চেয়েও উঁচু চেনাব ব্রিজের ওপর দিয়ে ট্রেন পরিষেবা হোক কিংবা পাহাড় কেটে সেবক-রংপো রেল প্রকল্প হোক, সবই করছে রেল। যাইহোক, এখন রেল আরও এক অসাধ্য সাধন করতে চলেছে বলে খবর। শোনা যাচ্ছে, ভারতীয় রেল শীঘ্রই হিমালয় পর্বতমালার মধ্য দিয়ে চীন সীমান্ত পর্যন্ত রেল যোগাযোগ স্থাপনের লক্ষ্য নিয়েছে।

    এবার চিন সীমান্ত অবধি যাবে রেল

    রিপোর্ট অনুযায়ী, রেলওয়ে বোর্ড বিলাসপুর-মানালি-লেহ রেল লাইন প্রকল্পের (Bilaspur-Manali-Leh railway) বিস্তারিত প্রকল্প ডিপিআর প্রতিরক্ষা মন্ত্রকে নাকি ইতিমধ্যেই জমা দিয়েছে। প্রায় ১.৩১ লক্ষ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত এই রেললাইনটি কেবল দেশের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত প্রকল্পগুলির মধ্যে একটি নয়, বরং বিশ্বের সর্বোচ্চ উচ্চতার রেল নেটওয়ার্কও হবে বলে মনে কয়রা হচ্ছে। পুরো রেললাইনটি ৪৮৯ কিলোমিটার দীর্ঘ হবে বলে খবর। সবথেকে বড় কথা, ট্রেন ছুটতে পারে দীর্ঘ ২৭০ কিমি দীর্ঘ টানেলের মধ্যে দিয়ে।

    আরও পড়ুনঃ পরশুরাম ছেড়ে বিগ বস বাংলায় তৃণা সাহা? জল্পনার মাঝেই মুখ খুললেন অভিনেত্রী

    এদিকে প্রস্তাবিত বিলাসপুর-মানালি-লেহ রেলপথের মোট দৈর্ঘ্য হবে প্রায় ৪৮৯ কিলোমিটার। এই পুরো রুটে প্রায় ৪০টি রেলস্টেশন নির্মাণের পরিকল্পনা করা হয়েছে। সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ১৫,০০০ ফুটেরও বেশি উচ্চতায় অবস্থিত এই রেলপথটিকে বিশ্বের সর্বোচ্চ রেলপথ হিসেবে বিবেচনা করা হবে। উত্তর রেলওয়ে এই প্রকল্পের জন্য চূড়ান্ত স্থান জরিপও সম্পন্ন করেছে।

    থাকবে ২৭০ কিলোমিটার দীর্ঘ টানেল

    এই রেল প্রকল্পের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য হল এর ইঞ্জিনিয়ারিং কাঠামো। সমগ্র রেললাইনের প্রায় ৫৫ শতাংশ, অর্থাৎ প্রায় ২৭০ কিলোমিটার, টানেলের মধ্য দিয়ে যাবে। এই প্রকল্পে মোট ৬২টি টানেল এবং ১১৬টি বৃহৎ সেতু নির্মাণের প্রস্তাব করা হয়েছে। এই টানেল এবং সেতুগুলি পাহাড়ি অঞ্চলের কঠিন ভৌগোলিক চ্যালেঞ্জগুলি কাটিয়ে উঠবে। এই লাইনে চলাচলকারী ট্রেনগুলির সর্বোচ্চ গতিবেগ হবে ঘণ্টায় প্রায় ১০০ কিলোমিটার। একবার চালু হলে, দিল্লি থেকে লেহ ভ্রমণের সময় ৪০ ঘন্টা থেকে কমে প্রায় ২০ ঘন্টা হবে। এর ফলে লাদাখে পৌঁছানো আগের তুলনায় আরও অনেক সহজ এবং দ্রুত হবে।

    আরও পড়ুনঃ বদলে গেল ভোল, অমৃত ভারত প্রকল্পের আওতায় অত্যাধুনিক হল সিউড়ি থেকে হলদিয়া স্টেশন 

    এই প্রকল্পটি কেবল পর্যটন এবং সাধারণ ভ্রমণের জন্যই নয়, জাতীয় নিরাপত্তার জন্যও গুরুত্বপূর্ণ বলে বিবেচিত হয়। বর্তমানে, ভারী তুষারপাত এবং প্রতিকূল আবহাওয়া প্রায়শই লাদাখের সাথে যোগাযোগ ব্যাহত হয়ে যায়। একবার এই প্রস্তাবিত রেলপথটি সম্পন্ন হলে, সারা বছর সেনা এবং প্রয়োজনীয় সরবরাহের চলাচল সম্ভব হবে। সীমান্তে ভারতীয় সেনাবাহিনীর সক্ষমতা আরও জোরদার করবে। অর্থাৎ ভ্রমণ এবং সুরক্ষা দুইই থাকবে। এখন শুধু প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের সবুজ সিগন্যালের অপেক্ষা।

  • শ্রীরামপুর স্টেশন নিয়ে বড় ঘোষণা রেলমন্ত্রীর, হাওড়া লাইনে হতে পারে আরেকটি হল্ট স্টেশনও

    শ্রীরামপুর স্টেশন নিয়ে বড় ঘোষণা রেলমন্ত্রীর, হাওড়া লাইনে হতে পারে আরেকটি হল্ট স্টেশনও

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ নির্ঘন্ট প্রকাশ না পেলেও বাংলার বিধানসভা ভোট নিয়ে কাউন্টডাউন শুরু হয়ে গিয়েছে। আর এই সময়কে কাজে লাগিয়েই এক অঘোষিত রাজনৈতিক প্রচারে নেমে পড়েছে বাম থেকে শুরু করে শাসক দল তৃণমূল, বিজেপি ও অন্যান্যরা। জায়গায় জায়গায় যাচ্ছেন রাজনৈতিক দলীয় নেতৃবৃন্দরা। এদিকে বাংলায় নিজেদের জমি দখল করতে বিজেপিও একের পর এক কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী থেকে শুরু করে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এসে ঘুরে গিয়েছেন। এবার বঙ্গ সফরে এলেন কেন্দ্রীয় রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব (Ashwini Vaishnaw)। সম্প্রতি তিনি হুগলীর শ্রীরামপুর (Serampore) গিয়েছিলেন এবং সেখানে গিয়ে বড় ঘোষণা করেছেন।

    বঙ্গ সফরে এসে বড় ঘোষণা রেলমন্ত্রী

    বঙ্গ সফরে এসে শ্রীরামপুরের মতো গুরুত্বপূর্ণ রেলস্টেশন নিয়ে বড় ঘোষণা করেন অশ্বিনী বৈষ্ণব। সেইসঙ্গে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে কেন্দ্রীয় বাজেটে বাংলার জন্য রেল প্রকল্পের ক্ষেত্রে কত কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে সে বিষয়ে বড় তথ্য দেন তিনি। অশ্বিনী বৈষ্ণব জানালেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এই বছরের সাধারণ বাজেটে বাংলার রেলওয়ের উন্নয়নের জন্য রেকর্ড ১৪,২০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করেছেন। এছাড়াও, রাজ্যে ইতিমধ্যেই ৯৩,০০০ কোটি টাকার বিভিন্ন রেল উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদিত হয়েছে।

    স্থানীয়দের তরফে রেলমন্ত্রীর কাছে একটি বিশেষ প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। দক্ষিণেশ্বর স্টেশন যেমন দক্ষিণেশ্বর মন্দিরের আদলে হয়েছে। তেমনই এবার মাহেশের জগন্নাথ মন্দিরের আদলে যেন শ্রীরামপুর স্টেশন করা হবে বলে জানিয়েছেন রেলমন্ত্রী। এমনকি রেলমন্ত্রীর কাছে এদিন হাওড়া লাইনে শ্রীরামপুর থেকে রিষড়ার মধ্যে একটি হল্ট স্টেশন হয় সেই দাবিও জানানো হয়। এই স্টেশনটি হলে মাহেশের রথযাত্রা দেখতে আসা দর্শনার্থীদের অনেক সুবিধা হবে।

    সরকারের বিরুদ্ধে গুরতর অভিযোগ রেলমন্ত্রীর

    রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব শনিবার আবারও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকারকে নিশানা করেন। দাবি করেন যে রাজ্য সরকারের অসহযোগিতার কারণে বাংলায় হাজার হাজার কোটি টাকার অনেক গুরুত্বপূর্ণ রেল প্রকল্প ঝুলে আছে। এদিন হুগলি জেলার শ্রীরামপুরে বিজেপির পরিবর্তন যাত্রায় অংশগ্রহণকারী অশ্বিনী বৈষ্ণব সাংবাদিকদের সাথে কথা বলার সময় অভিযোগ করেন যে রাজ্য সরকার রেল প্রকল্পের জন্য জমি অধিগ্রহণের জন্য প্রয়োজনীয় সহায়তা করছে না। জমি অধিগ্রহণের জন্য রাজ্য সরকারের কাছ থেকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা না পাওয়ায় তিনি হতাশা প্রকাশ করেন।

    আরও পড়ুনঃ বদলে গেল ভোল, অমৃত ভারত প্রকল্পের আওতায় অত্যাধুনিক হল সিউড়ি থেকে হলদিয়া স্টেশন

    তিনি বলেন যে, বাংলায় রেল প্রকল্পের জন্য মাত্র ২৭ শতাংশ জমি অধিগ্রহণ করা হয়েছে, যেখানে ৭৩ শতাংশ এখনও অঅধিগ্রহণ করা হয়নি। তিনি দাবি করেন যে এর ফলে অনেক প্রকল্প আটকে আছে। রেলমন্ত্রী বলেন, রাজ্য সরকারের অব্যাহত অসহযোগিতা সত্ত্বেও, রেল প্রকল্প বাস্তবায়নে প্রচুর প্রচেষ্টা এবং কঠোর পরিশ্রম করা হচ্ছে। বাংলায় ১০ থেকে ১২টি এমন রেল প্রকল্প রয়েছে যেখানে কাজ করার জন্য সরকার কোনও সাহায্য করছে না। রেলমন্ত্রী জানান, ২০১৪ সালের আগের ৪০ বছরে, পূর্ববর্তী সরকারগুলির অধীনে, কলকাতা মেট্রো লাইনের মাত্র ২৭ কিলোমিটার সম্প্রসারণ করা হয়েছিল। কিন্ত ২০১৪ সালে মোদী সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকে ১১ বছরে, কলকাতায় ৪৫ কিলোমিটার মেট্রো লাইন সম্প্রসারণ করা হয়েছে।

    আরও পড়ুনঃ যুবসাথীর চক্করে কত হাজার কোটির ধাক্কা রাজ্য সরকারের? ভয়ঙ্কর রিপোর্ট দিল RBI

    রেলমন্ত্রী উল্লেখ করেন যে অমৃত ভারত স্টেশন প্রকল্পের আওতায় বর্তমানে বাংলা জুড়ে ১০১টি রেলস্টেশন সংস্কার করা হচ্ছে। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে এই বছরের বাজেটে বাংলার জন্য একটি বুলেট ট্রেনের পাশাপাশি একটি নতুন ডেডিকেটেড ফ্রেইট করিডোর অনুমোদন করা হয়েছে। ভবিষ্যতে, বুলেট ট্রেনটি শিলিগুড়িকে সংযুক্ত করবে।

  • যাতায়াত করে বন্দে ভারত, রাজধানীর মতো ট্রেন, এটিই বাংলার একমাত্র দোতলা স্টেশন

    যাতায়াত করে বন্দে ভারত, রাজধানীর মতো ট্রেন, এটিই বাংলার একমাত্র দোতলা স্টেশন

    বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: এ বাংলায় রয়েছে কম-বেশি প্রায় সাড়ে 700 রেল স্টেশন (Indian Railways)। যেগুলির প্রত্যেকটি একে অপরের থেকে আলাদা। পশ্চিমবঙ্গে (West Bengal) এমন একাধিক স্টেশন রয়েছে যেখানে সারা দিনে একটি ট্রেনও চলে না। আবার এমন স্টেশনও রয়েছে যে স্টেশন থেকে প্রতিদিন যাতায়াত করেন লক্ষাধিক মানুষ। ঐতিহাসিক বৈশিষ্ট্য থেকে শুরু করে গঠন সবদিক থেকেই একে অপরের থেকে আলাদা স্টেশনগুলি। তবে অনেকেই হয়তো জানেন না, বাংলার বুকেই রয়েছে এক এবং অদ্বিতীয় দোতলা স্টেশন। কিন্তু কোথায় সেটি?

    বাংলার একমাত্র দোতলা স্টেশন কোথায় রয়েছে?

    সালটা 1885। সে বছরই তৈরি হয়েছিল হাওড়া-তারকেশ্বর রুট। ভারতীয় রেলের হাত ধরে এই রুট নির্মাণের পাশাপাশি তৈরি হয় কামারকুন্ডু স্টেশনও। পরবর্তীতে 1917 সালে নির্মাণ করা হয় হাওড়া-বর্ধমান কর্ড লাইন। যা এই স্টেশনের উপর থেকেই গিয়েছে। না বললেই নয়, বাংলার একমাত্র দোতলা স্টেশন কামারকুন্ডু দিয়ে মেইন এবং কর্ড উভয় লাইনেরই ট্রেন যাতায়াত করে।

    সব ঠিক থাকলে, এই কামারকুন্ডু স্টেশনটি হয়ে উঠতে পারতো জংশন। তবে স্টেশনটিকে জংশন তৈরি না করে হাওড়া তারকেশ্বর এবং হাওড়া বর্ধমান দুই লাইনকে আলাদাভাবে নিয়ে যাওয়া হয় এই স্টেশনের উপর দিয়ে। ফলে তৈরি করতে হয় আলাদা আলাদা দুটি স্টেশন। যদিও প্রথম স্টেশন অর্থাৎ হাওড়া থেকে বর্ধমান লাইনের স্টেশনে চারটি প্ল্যাটফর্ম রয়েছে। এই স্টেশন থেকে 100 মিটার দূরে রয়েছে হাওড়া-শেওড়াফুলি বা তারকেশ্বর লাইনের দ্বিতীয় স্টেশনটি।

    দ্বিতীয় স্টেশনটিতে রয়েছে মূলত আপ এবং ডাউন দুটি প্ল্যাটফর্ম। দুটি স্টেশনই কামারকুন্ডু স্টেশন হলেও দ্বিতীয় স্টেশনটি আপাতদৃষ্টিতে 4 প্ল্যাটফর্মের মেইন লাইনের স্টেশনের তুলনায় অনেকটাই উঁচুতে। প্রথম স্টেশনটির টিকিট কাউন্টারের পাশ থেকে RPF অফিস হয়ে সিঁড়ি দিয়ে উঠতে হয় দ্বিতীয় দোতলা স্টেশনটিতে। আসলে যেসব যাত্রীরা হাওড়া শেওড়াফুলি বা হাওড়া তারকেশ্বর রুটের ট্রেন ধরতে চান তাদের আসতে হয় এই স্টেশনে।

     

    অবশ্যই পড়ুন: ৫০ কিমি বেগে হাওয়া, বজ্রবিদ্যুৎ সহ বৃষ্টি দক্ষিণবঙ্গের ৫ জেলায়! আজকের আবহাওয়া

    সব মিলিয়ে, মেন লাইনের স্টেশনটির তুলনায় অনেকটাই উঁচুতে থাকায় কামার কুন্ডু স্টেশনটিকে বাংলার একমাত্র দোতলা স্টেশন বলা হয়ে থাকে। বলে রাখা প্রয়োজন, হাওড়া বর্ধমান লাইনে বন্দে ভারত থেকে শুরু করে রাজধানীর মতো গুরুত্বপূর্ণ একাধিক মেল বা সুপার ফাস্ট এক্সপ্রেস ট্রেন এই কামারকুন্ডু স্টেশনের উপর দিয়েই যায়।