Tag: Indian Navy

  • রাশিয়া থেকে ভয়ানক অস্ত্র কিনছে ভারত, মাথা ঝোঁকাবে পাকিস্তানের মতো শত্রুরা!

    রাশিয়া থেকে ভয়ানক অস্ত্র কিনছে ভারত, মাথা ঝোঁকাবে পাকিস্তানের মতো শত্রুরা!

    বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের আবহে ALH Mk-III (MR) এবং VL-Shtil ক্ষেপণাস্ত্র কিনছে ভারত (India Russia New Missile System)। ভারতীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের তরফে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, ALH Mk-III (MR) এবং VL-Shtil 1 ক্ষেপণাস্ত্র পেতে 5,083 কোটির চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছে ভারত। এও জানা যাচ্ছে, ভারতীয় নৌবাহিনী (Indian Navy) রাশিয়ার জেএসসি রোসোবোরোনেক্সপোর্টের সাথে 2,182 কোটি টাকা মূল্যের সারফেস টু এয়ার মিসাইল সিস্টেম কেনার জন্য চুক্তি করেছে। যা আগামী দিনে ভারতীয় জল বাহিনীকে শত্রুর যেকোনও ধরনের হামলা প্রতিহত করতে সাহায্য করবে।

    কী এই Shtil 1?

    ইউরেশিয়ান টাইমসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, Shtil 1 আসলে একটি আঞ্চলিক বিমান ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা। এক কথায়, এটি আসলে একটি মিডিয়াম রেঞ্জ নেভাল এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম। যা রাশিয়ার আলমাজ আন্তে সংস্থা হালকা যুদ্ধ জাহাজের জন্য তৈরি করেছে। Shtil-1 9M317ME সক্রিয় রাডার হোমিং ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে থাকে। এটি সম্পূর্ণভাবে নৌ বাহিনীর জন্য ডিজাইন করা হয়েছে। যা যেকোনও সময় বায়বীয় হুমকি মোকাবিলা করতে পারবে।

    প্রতিরক্ষা খাতের গবেষকরা বলছেন, এই এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম প্রতি 2 থেকে 3 সেকেন্ডে একটি ক্ষেপণাস্ত্র ছুঁড়তে পারে। দ্বিতীয় বিষয় এই Shtil-1 অবিলম্বে বায়বীয় হুমকি ধরার ক্ষমতা রাখে। তৃতীয়ত, এটি সুপারসনিক বিমান, ড্রোন, হেলিকপ্টার এমনকি অ্যান্টিসেপ্টর ক্ষেপণাস্ত্র পরিচালনা করতে সক্ষম। এর রেঞ্জ সাড়ে তিন কিলোমিটার থেকে 50 কিলোমিটার পর্যন্ত হয়ে থাকে। তবে পাহাড়ি এলাকায় এটি সর্বোচ্চ 15 কিলোমিটার পর্যন্ত আঘাত হানতে সক্ষম। জানা যাচ্ছে, এই ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা বা Shtil-1 একসাথে 12টি লক্ষ্যবস্তুকে ধ্বংস করতে পারে।

    অবশ্যই পড়ুন: পাকিস্তানকে সমর্থন করে হান্ড্রেড লিগ থেকে নিজেই বাদ মইন আলি!

    কেন Shtil-1 বেছে নিল ভারত?

    রাশিয়ার কাছ থেকে এই বিশেষ ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা কেনার অন্যতম কারণ এটি অন্যান্য এয়ার ডিফেন্স সিস্টেমের তুলনায় অনেকটাই সস্তার। দ্বিতীয়ত ক্ষেপণাস্ত্রের আকার এবং টার্মিনাল শক্তি ইজরায়েলের বারাক এমআর এসএমের মতো সক্রিয় রাডার হোমিং সিস্টেমের থেকে অনেক ভাল। একই সাথে এই ক্ষেপণাস্ত্রটি ব্যাটারি চালিত রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি ট্রান্সমিটারের উপর নির্ভর করে চালনা করা যায়। সেই সাথে এই ডিফেন্স সিস্টেমে থাকা আলো বা লাইট অত্যন্ত মৃদু। এর ফলে শত্রু এটিকে পুরোপুরি পরিষ্কারভাবে দেখতে পায় না। সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য বিষয়, এই ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থার ব্যবহার অত্যন্ত সহজ। গুরুত্বপূর্ণ বিষয়একটি জাহাজে 24 থেকে 36টি এই এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম বহন করা যায়। অনেকেই বলছেন, এই ক্ষেপণাস্ত্রগুলির সামনে পাকিস্তানের মতো শত্রুরা মাথা ঝোকাবে!

  • ইরান-ইজরায়েল যুদ্ধের মধ্যে শক্তি বাড়াচ্ছে ভারত, প্রতিরক্ষা খাতে ৫০৮৩ কোটির চুক্তি

    ইরান-ইজরায়েল যুদ্ধের মধ্যে শক্তি বাড়াচ্ছে ভারত, প্রতিরক্ষা খাতে ৫০৮৩ কোটির চুক্তি

    সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: মধ্যপ্রাচ্যে ইরান এবং ইজরায়েলের সংঘাত আন্তর্জাতিক মহলে উদ্বেগ দিনের পর দিন বাড়াচ্ছে। আর ঠিক সেই সময় নিজেদের সামুদ্রিক এবং আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করার জন্য বিরাট পদক্ষেপ নিল ভারত। প্রতিরক্ষা মন্ত্রক এবার মোট ৫,০৮৩ কোটি টাকার দুটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিরক্ষা চুক্তির অনুমোদন দিয়েছে (Indian Defence Force)। বিশেষজ্ঞদের মতে, বৈশ্বিক অস্থিরতার সময় সমুদ্রসীমা এবং কৌশলগত সার্থ রক্ষার জন্য এই চুক্তি বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ।

    কোস্ট গার্ডের জন্য আধুনিক হেলিকপ্টার

    জানিয়ে রাখি, প্রথম যে চুক্তিটি হয়েছে সেটি ২৯০১ কোটি টাকায় রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা হিন্দুস্তান অ্যারোনেটিক্স লিমিটেডের সঙ্গে। জানা যাচ্ছে, এই চুক্তির আওতায় উপকূলরক্ষী বাহিনী মোট ছয়টি অ্যাডভান্সড ফ্লাইট হেলিকপ্টার লাইট হেলিকপ্টার (ALH) Mk-III মেরিটাইম রোল পাবে। এই হেলিকপ্টারের মূল বৈশিষ্ট্য হল এতে দুটি ইঞ্জিন রয়েছে এবং উন্নত নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকবে। পাশাপাশি স্থলভিত্তিক বিমানবন্দর থেকে উড্ডয়নের সক্ষমতা রয়েছে। আর সমুদ্রে চলন্ত জাহাজ থেকেও অপারেশন পরিচালনার ক্ষমতা রয়েছে। এগুলোকে মূলত সমুদ্রসীমায় নজরদারি, সন্দেহজনক গতিবিধি পর্যবেক্ষণ, জেলেদের সুরক্ষা আর কৃত্রিম দ্বীপ বা সামুদ্রিক স্থাপনার নিরাপত্তার ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হবে।

    আরও পড়ুন: ইরানে আটকে থাকা পড়ুয়াদের নিরাপদে সরাল ভারত, ফিরতে চায় না কিছুজন

    নৌ-সেনার জন্য আধুনিক ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা

    অন্যদিকে দ্বিতীয় চুক্তিটি হয়েছে ২১৮২ কোটি টাকার, যেটি Surface-to-Air Vertical Launch Shtil ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহারের জন্যই। আর এই চুক্তিটি রাশিয়ার সরকারি প্রতিরক্ষা রফতানি সংস্থা JSC Rosoboronexport এর সঙ্গে হয়েছে। এই আধুনিক ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা ভারতের নৌ বাহিনীর সামনে যুদ্ধ জাহাজগুলোকে আরও উন্নত করবে এবং আকাশপথে আসা হুমকি থেকে সুরক্ষা দেবে। অন্যদিকে এর মূল বৈশিষ্ট্যগুলি হল, সমস্ত ধরনের আবহাওয়ায় দ্রুত প্রতিক্রিয়া দেওয়া, শত্রু বিমান, ড্রোন বা ক্ষেপণাস্ত্র মোকাবেলায় সক্ষমতা, নৌ বাহিনীর বহুতলীয় আকাশের ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করে তোলা। প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের মতে, এই যুক্তি ভারত এবং রাশিয়ার প্রতিরক্ষা সহযোগিতাকে আরও দীর্ঘ করবে।