Tag: India

  • সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডের হারের কারণ ভারতের এই পাঁচ প্লেয়ার

    সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডের হারের কারণ ভারতের এই পাঁচ প্লেয়ার

    বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: বৃহস্পতিবারের হাই ভোল্টেজ ম্যাচ মনে থাকবে সবার (India Vs England)। এদিন ভারতের দেওয়া বিরাট রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে একেবারে সমানে সমানে লড়াই করেছিল ইংল্যান্ড। তবে দুঃখের বিষয়, মাত্র 7 রানের ব্যবধানে হারতে হয়েছে তাঁদের। অন্যদিকে, ক্ষমতা দেখিয়ে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের (2026 Men’s T20 World Cup) ফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে ভারত। তবে ম্যাচের পর যে প্রশ্নটা সবচেয়ে বেশি উত্থাপিত হয়েছে তা হল, ভারতের কোন প্লেয়ারদের জন্য হারতে হলো ইংল্যান্ডকে? কারা টিম ইন্ডিয়ার জয়ের নায়ক?

    এই 5 ভারতীয় প্লেয়ারের জন্যই হারল ইংল্যান্ড

    প্রথম প্লেয়ার

    গতকাল টস জিতে ভারতকে প্রথমে ব্যাট করতে পাঠিয়েছিল ইংলিশরা। সেই সূত্রেই ওপেনিং করতে নেমে বড় সুযোগ পেয়ে যান সঞ্জু স্যামসন। গত ম্যাচের নায়ক এদিনও প্রতিপক্ষের চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়ালেন। বৃহস্পতিবার, ব্যাট হাতে ইংল্যান্ডের বোলারদের একেবারে পিটিয়ে ছাতু করেছিলেন সঞ্জু। একার হাতে তুলে নিয়েছিলেন 89 রান। ক্রিকেট বিশেষজ্ঞদের প্রায় সকলেরই বক্তব্য, ইংল্যান্ডের হারের অন্যতম কারণ সঞ্জু।

    দ্বিতীয় প্লেয়ার

    গতকালের ম্যাচে ইংল্যান্ডের পরাজয়ের নেপথ্য ভারতীয় প্লেয়ারদের তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে উঠে আসে অক্ষর প্যাটেলের নাম। গতকালের ম্যাচে বোধহয় সবচেয়ে বেশি অবদান ছিল তাঁর। ব্যাট হাতে সেভাবে বড় কিছু করার সুযোগ না পেলেও বল হাতে একটি উইকেট নিয়েছিলেন তিনি। এখানেই শেষ নয়, ইংল্যান্ডের উইল জ্যাকস এবং বেথেলের ভয়ানক পার্টনারশিপ ভেঙেছিলেন তিনি। ঝড়ের গতিতে অভিনব কায়দায় বল ধরে তা পাস করেছিলেন শিবম দুবের কাছে। দুবে ক্যাচ লুফে নিতেই আউট হয়ে মাঠ ছাড়েন জ্যাকস।

    তৃতীয় প্লেয়ার

    গতকাল ভারতের হয়ে ম্যাচে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছিলেন হার্দিক পান্ডিয়া। টিম ইন্ডিয়ার এই তারকা অলরাউন্ডার ব্যাট হাতে 27 রানের ইনিংস খেলার পাশাপাশি সঠিক সময়ে শেষের মুহূর্তে তুলে নিয়েছিলেন দুটি উইকেট। যা ইংল্যান্ড শিবিরকে একেবারে আত্মবিশ্বাসহীন করে তুলেছিল। ক্রিকেট বিশেষজ্ঞদের মতে, ইংরেজদের হারের অন্যতম প্রধান কারণ হার্দিক।

    চতুর্থ প্লেয়ার

    ভারতীয় দলের হয়ে গতকাল একটি উইকেট তুললেও রান আটকে দেওয়ার কাজটা করেছিলেন জসপ্রীত বুমরাহ। আসলে প্রতিপক্ষের রান আটকে দিয়েও যে ম্যাচ জেতা যায় সেটাই একেবারে চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছিলেন টিম ইন্ডিয়ার এই গুরুত্বপূর্ণ বোলার। কাজেই গতকাল ইংল্যান্ডের পরাজয়ের নেপথ্যে বুমরাহকে দায়ী করতে হচ্ছেই।

    অবশ্যই পড়ুন: সেমিফাইনালে ১০ বছর পুরনো রেকর্ড একসাথে ভাঙল ভারত এবং ইংল্যান্ড

    পঞ্চম প্লেয়ার

    বৃহস্পতিবারের ম্যাচে ভারতের জয়ের নেপথ্যে আরেক গুরুত্বপূর্ণ মুখ হলেন শিবম দুবে। গতকাল শেষ ওভারে বল করে প্রচুর রান দিলেও ব্যাট হাতে কিন্তু ভারতের জন্য 43 রানের ভরসাযোগ্য ইনিংস খেলে দিয়ে গেছিলেন তিনি। আর কিছুক্ষণ টিকে থাকলে হয়তো হাফ সেঞ্চুরি করে ফেলতেন এই ভারতীয় ক্রিকেটার। তাছাড়াও অক্ষরের ছুড়ে দেওয়া ক্যাচ লুফে নিয়ে খেলা ঘুরিয়ে দিয়েছিলেন তিনি।

  • ইংল্যান্ডের দুঃস্বপ্ন হয়ে ওঠার পাশাপাশি বিরাট কোহলিকেও পেছনে ফেললেন সঞ্জু স্যামসন

    ইংল্যান্ডের দুঃস্বপ্ন হয়ে ওঠার পাশাপাশি বিরাট কোহলিকেও পেছনে ফেললেন সঞ্জু স্যামসন

    বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: ইংল্যান্ড ম্যাচে ভারতের জয়ের নায়ক কিন্তু সঞ্জু স্যামসন (Sanju Samson)। ইংল্যান্ডের বোলিং আক্রমণের সামনে রুখে দাঁড়িয়ে প্রথম থেকেই টিম ইন্ডিয়ার সাফল্যের রাস্তা পরিষ্কার করছিলেন তিনি। এদিন সঞ্জুর ব্যাটিং দেখে কার্যত হা হয়ে গিয়েছিল ইংরেজ দল। বলে বলে চার ছয় হাঁকিয়ে ইংল্যান্ড বাহিনীকে নাস্তানাবুদ করে ছেড়েছিলেন এই দক্ষিণী ব্যাটসম্যান। আর সেই সূত্রেই একদিক থেকে বিরাট কোহলিকে টপকে গিয়েছেন তিনি।

    এভাবে বিরাট কোহলিকেও পেছনে ফেললেন সঞ্জু!

    বৃহস্পতিবার ইংল্যান্ডের দুর্ধর্ষ বোলিং আক্রমণের সামনে প্রথম থেকেই নিজেকে মেলে ধরেছিলেন সঞ্জু স্যামসন। এদিন 8টি চার এবং 7টি ছয় সহযোগে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে একেবারে 89 রানের গুরুত্বপূর্ণ ইনিংস খেলেন সঞ্জু। এদিন 211 স্ট্রাইক রেটে ব্যাটিং করে একেবারে ইতিহাসে নাম লিখিয়েছেন সঞ্জু। সেই সূত্রেই বিরাট কোহলির রেকর্ডে ভাগ বসানোর পাশাপাশি একদিক থেকে কিং কোহলিকে পেছনে ফেলেছেন এই ভারতীয় তারকা।

    বলাই বাহুল্য, গতকাল 42 বল খেলে ভারতীয় দলকে 89 রানের দাপুটে ইনিংস উপহার দিয়েছিলেন সঞ্জু। একইভাবে আজ থেকে 10 বছর আগে 2016 র টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে ভারত বনাম ওয়েস্ট ইন্ডিজ ম্যাচে 47 বল খেলে 89 রান করেছিলেন বিরাট কোহলি। যদিও সেদিন সঞ্জুর থেকে 5 বল বেশি খেলতে হয়েছিল তাঁকে। সেই সাথে সঞ্জুর থেকেও কম স্ট্রাইক রেট ছিল বিরাটের। আর সেই সূত্রেই রানের নিরিখে কোহলির পাশাপাশি বসলেও স্ট্রাইক রেট এবং বলের নিরিখে বিরাট কোহলিকেও পেছনে ফেলেছেন স্যামসন।

     

    অবশ্যই পড়ুন: ছিটকে গেল পরশুরাম, বেঙ্গল টপারের শিরোপা ফিরে পেল এই মেগা, দেখুন TRP তালিকা

    উল্লেখ্য, চলতি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের শুরুর দিকে ক্রমাগত ব্যর্থ হয়েছিলেন ভারতীয় দলের গুরুত্বপূর্ণ ব্যাটসম্যান সঞ্জু। ব্যর্থতার সেই সময় মাঠে ভারতীয় দলের প্রাক্তন অধিনায়ক রোহিত শর্মাকে সঞ্জুর পিঠ চাপড়ে বলতে শোনা গিয়েছিল, “বড় টুর্নামেন্ট, যেকোনও সময় সুযোগ আসতে পারে।” রোহিতের সেই কথাই হয়তো সঞ্জুর জন্য মন্ত্রের মতো কাজ করেছে। তাইতো শেষ দুই ম্যাচে ভারতকে জেতানোর ক্ষেত্রে সবার আগে রয়েছে নেই তারকা ক্রিকেটার।

  • India Hood Decode: এবার ধ্বংস হবে পাকিস্তান! সীমান্তে শুরু ভয়ংকর যুদ্ধ

    India Hood Decode: এবার ধ্বংস হবে পাকিস্তান! সীমান্তে শুরু ভয়ংকর যুদ্ধ

    দুই মুসলিম দেশ –আফগানিস্থান আর পাকিস্তানের মধ্যে শুরু হয়ে গেল ভয়ঙ্কর যুদ্ধ (Pakistan Afghanistan War)!

    পরিস্থিতি এমন যে পাকিস্তানে জারি করতে হয়েছে জরুরী অবস্থা! শুধু তাই নয়, আফগানিস্থানের কাছে মাথাও নত করেছে তারা, পাঠিয়েছে সংঘর্ষবিরতি, শান্তি, সমঝোতার প্রস্তাবও।

    অন্যদিকে পাকিস্তান শুরু করেছে আফগানিস্থানের ওপর ‘অপারেশন ঘাজ়াব লিল হক’!

    হ্যাঁ ঠিকই শুনেছেন!

    ২০২৬-এর ফেব্রুয়ারি মাসের শুরুতেই, পাকিস্তানের মসজিদে বিস্ফোরণ, আর ফেব্রুয়ারির শেষে আফগানিস্থানের মাদ্রাসায় আক্রমণ দিয়ে যে সংঘর্ষ শুরু হয়েছিল, এবার সেই সংঘর্ষ নিয়ে নিয়েছে রনং দেহি রূপ! রমজান মাসের তোয়াক্কা না করেই দুই দেশ উঠে পড়ে লেগেছে একে অপরের অস্তিত্ব মেটাতে! যা  ইতিমধ্যেই কেড়ে নিয়েছেদুই দেশের কয়েকশো সেনা এবং নাগরিকের প্রাণ!

    কিন্তু, হঠাৎ করেই কী নিয়ে আফগানিস্থান আর পাকিস্তানের মধ্যে ফের শুরু হয়ে গেল লড়াই? ঠিক কী কী আপডেট পাওয়া গিয়েছে এখনও অবধি এই যুদ্ধ নিয়ে? তবে কি এবার সত্যিই তালিবানদের কাছে মাথা নত করবে পকিস্তান? কেনই বা এই যুদ্ধের কারণে হঠাৎ করে ভারতের দিকে অভিযোগের আঙ্গুল তুলছে পাকিস্তান?

    জানলে অবাক হবেন – যে পাকিস্তান নিজেদের মুসলিম বিশ্বের এক অন্যতম নেতা হিসাবে দাবী করে, আজ তারাই রমজান মাস চলাকালীন আক্রমণ করল মুসলিম জনতার ওপর! হামলা চালাল মাদ্রাসার ওপর!

    যে পাকিস্তান আগে নিজেরাই, রমজান মাস চলাকালীন গাজার ওপর ইজরায়েলের আক্রমণ নিয়ে করেছিল নিন্দা, আজ তারাই করল সেই একই কাজ! যুদ্ধ ঘোষণা করে ডিল আর এক মুসলিম দেশ আফগানিস্থানের ওপর!

    আজ India Hood ডিকোড-এ আমরা তুলে ধরবো এমন কিছু তথ্য, যা পরিষ্কার করে দেবে পাকিস্তানের নীচ মনোভাব সম্পর্কে। পরিষ্কার করে দেবে, তারা আর কোনও রাষ্ট্র নেই, আমেরিকার গোলামে পরিণত হয়েছে। তাই ধৈর্য ধরে লেখাটি শেষ পর্যন্ত পড়ুন।

    রমজান মাসে আফগানিস্থানের মাদ্রাসায় বোমা হামলা!

    দিনটা ২১শে ফেব্ররুয়ারি, রমজান মাস চলাকালীন, গভীর রাতে হঠাৎ করেই আফগানিস্তানের পক্তিকা প্রদেশের বরমল জেলার এক মাদ্রাসায় বিমান হামলা চালানো হয়। আর হামলার অভিযোগ ওঠে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে। জানা যায়, এই হামলার করার জন্য ব্যবহার করা হয়েছে F-16 এবং JF-17 বিমান থেকে। যার ফলে মৃত্যু হয় প্রায় ৭০ জন আফগান নাগরিকের।

    এরপর পাক সেনার তরফ থেকে বিবৃতি জারি করে জানানো হয়,“আফগানিস্তানে জঙ্গিদের বেশ কয়েকটি ঘাঁটি গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।“

    এরপর ২২শে ফেব্রুয়ারি, আফগানিস্তানের তরফ থেকে দাবি করা হয়েছে, এই হামলা চালানো হয়েছে বসতি এলাকায়। যার ফলে নিরীহ মানুষদের মৃত্যু হয়েছে, যার মধ্যে বেশিরভাগই আবার মহিলা এবং শিশু। এর পাশাপাশি আফগানিস্তানের তালিবান প্রশাসন এই হামলা বরদাস্ত করবে না বলেও হুঁশিয়ারি দেয়।

    আর এরপর ২৫শে ফেব্রুয়ারি, কথা মতো কাজ করে দেখায় আফগানিস্থান সরকার। নিজেদের সরকারি এক্স হ্যান্ডলে আফাগনিস্তান দাবি করে, “পাকিস্তানে বিমানহামলা চালানো হয়েছে। সেই হামলায় অন্ততপক্ষে ৫০ পাক সেনা নিহত হয়েছেন। এই লড়াই থামবে না।“

    এরপর ২৬শে ফেব্রুয়ারি রাত থেকে ফের উত্তপ্ত হয়ে ওঠে আফগান-পাক সীমান্ত। গোলাগুলি থেকে শুরু করে আকাশপথে হামলা সবই চলতে থাকে জোর কদমে। আফগানিস্তানের তালিবান সরকারের মুখপাত্র জবিউল্লা মুজাহিদ বলেন, ‘‘আমাদের সেনারা নাইট ভিশন এবং লেজ়ার নিয়ন্ত্রিত অস্ত্র ব্যবহার করে হামলা চালিয়েছে। এ বার পাকিস্তানি ফৌজদের নরকে পাঠাব।’’ তার পরেই পাল্টা জবাব দেয় পাকিস্তানও।

    আফগানিস্থানের দাবি – এখনও পর্যন্ত পাকিস্তানের ৫৫ জন সেনার মৃত্যু হয়েছে। মার্কিন এফ-১৬ পাক যুদ্ধবিমান ধ্বংস করা হয়েছে।

    পাকিস্তানের দাবি – এখনও পর্যন্ত দুই পাক সেনার মৃত্যু হয়েছে। উল্টো দিকে মারা গিয়েছেন ৩৬ জন আফগান সেনা। যদিও যুদ্ধবিমান নিয়ে কোনও মন্তব্য করেনি পাকিস্তান।

    তবে, এই হামলা কি হঠাৎ করেই পাকিস্তান শুরু করল?

    না। এর পেছনে রয়েছে ৬ই ফেব্রুয়ারির একটি ঘটনা। যেদিন পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদের শেহজাদ টাউন এলাকার শিয়া টারলাই ইমামবাড়ার শিয়া মসজিদে আত্মঘাতী বিস্ফোরণ হয়। ওই বিস্ফোরণের ফলে মৃত্যু হয় প্রায় ৩১ জনের। এর পর ৭ই ফেব্রুয়ারি, খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশের বান্নু এলাকায় পাকিস্তানের এক সেনাকর্মী ও এক লেফটেন্যান্ট কর্নেল নিহত হন।

    এই নিয়ে পাকিস্তানের তরফ থেকে জানানো হয়, যে ভারতের মদতে আফগানিস্তানে বসে জঙ্গিরা পাকিস্তানে হামলার পরিকল্পনা করছে। সেই পরিকল্পনা বাস্তবায়িতও হচ্ছে ভারতের মদতে। আর এই সমস্ত জঙ্গিরা আফগানিস্থানের কাবুলে গিয়ে প্রশিক্ষণ নিয়ে আসছে। যদিও ভারতের তরফ থেকে দীর্ঘ দিন ধরে এই অভিযোগ অস্বীকার করা হচ্ছে। আর পাকিস্তানও নিজেদের বক্তব্যের পক্ষে কোনও প্রমাণও দেখাতে পারেনি।

    আর সেই হামলার প্রতিশোধ নিতেই এবার পাকিস্তান এই হামলা চালিয়েছে।

    আর পাকিস্তান আর আফগানিস্থানের এই যুদ্ধ দীর্ঘদিন ধরেই চলছে। ২০২৫ সালের অক্টোবর মাসে আফগানিস্থান এবং পাকিস্তান সীমান্তে টানা ১০ দিন সংঘর্ষ চলে, যার ফলে দুই দেশেই ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি এবং প্রাণহানি হয়। তবে, সেই সংঘর্ষে পাকিস্তানের প্রচুর সেনাবাহিনী মারা গেলেও, কিন্তু পাকিস্তানের আক্রমণে বেশিরভাগ প্রাণহানি হতে থাকে আফগানিস্থানের সাধারণ জনগণের।

    এরপর ২০২৫-এর অক্টোবরেই পাকিস্তান ফের হামলা করে আফগানিস্থানে। যার ফলে মারা যায় আফগানিস্থানের তিন ক্রিকেটার সহ ৫ জন সাধারণ নাগরিক।

    এরপর ওই বছরের নভেম্বর মাসে, ফের আফগানিস্থানের ওপর পাকিস্তানের তরফ থেকে বিমান হামলা করা হয় যার ফলে ১০ জন সাধারণ আফগান নাগরিকের মৃত্যু হয়।

    অর্থাৎ, এই কথাগুলো বলার আমাদের একটাই উদ্দেশ্য, আর সেটি হল – যতবার পাকিস্তানের তরফ থেকে আফগানিস্থানে হামলা করা হয়েছে মৃত্যু হয়েছে সাধারণ মানুষের! জঙ্গি মৃত্যুর প্রমাণ খুবই কম পাওয়া গিয়েছে।

    তবে, অনেক জিওপলিটিক্স বিশেষজ্ঞদের মতে, আমেরিকার বাগরাম এয়ারবেস পুন্রুদ্ধার করার জন্যই পাকিস্তানকে ব্যবহার করে আফগানিস্থানে এই হামলা চালানো হচ্ছে। যাতে আফগানিস্থান, আমেরিকার কথা মেনে নেয়।

    এবার আমরা আপনাদের জানাবো, পাকিস্তান এই জঙ্গি বলতে ঠিক কাদের কথা বোঝাতে চেয়েছে!

    আপনাদের জানিয়ে দিই, এখানে জঙ্গিঘাঁটি বলতে তেহরিক-ই-তালিবান পাকিস্তান অর্থাৎ টিটিপি-কে বোঝানো হয়েছে, যাদের ওপর আক্রমণ করা হয়েছে। এই জঙ্গি গোষ্ঠী আদতে পাকিস্তানের হলেও, আদর্শগতভাবে এরা তালিবানপন্থী, এবং এরা পাকিস্তান রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে লড়াই করে। আর মজার বিষয় কি জানেন? যে পাকিস্তান একসময় জঙ্গি গোষ্ঠীগুলোকে কৌশলগত সম্পদ ভাবত, আজ তারাই পাকিস্তানের ভিতরে আগুন ধরাচ্ছে।

    কিন্তু এই তেহরিক-ই-তালিবান পাকিস্তান গোষ্ঠী কারা এবং পাকিস্তানের গোষ্ঠী হওয়া সত্ত্বেও এদের সাথে পাকিস্তানের কিসের শত্রুতা, এই সবকিছু নিয়ে আমাদের চ্যানেলে একটি বিস্তারিত ভিডিও রয়েছে। আপনি আই বাটনে ক্লিক করে দেখে নিতে পারেন সেই ডিকোড ভিডিওটি।

    এবার জানবো বারবার কেন ভারতকে এর মধ্যে টানা হচ্ছে? ভারত কি সত্যিই এই যুদ্ধে নাক গলাবে?

    দিনটা ১৩ই নভেম্বর, ২০২৫। পাকিস্তানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী খাজা আসিফ, পাকিস্তানের হামলার জন্য আফগানিস্থানের পাশাপাশি ভারতকে তো দায়ী করেই, উল্টে দুজনের সাথেই একসাথে লড়ার হুমকি দেয়। জানিয়ে দেয়, পাকিস্তান তৈরি কাবুল এবং নিউ দিল্লির সাথে লড়ার জন্য। সাথে এও বলে, ভারতের সাথে যুদ্ধ সম্ভব।

    কিন্তু, এর কারণটা কি?

    এর কারণ ভারত আর আফগানিস্থানের সম্পর্ক। আফগানিস্থান ও ভারতের মধ্যে ভালো সম্পর্ক রয়েছে। এমনকি তাদের মধ্যে বন্ধুত্বের শিকড় আমরা লক্ষ্য করেছিলাম জখন ২০২৫ সালে আফগানিস্থানের বিদশ মন্ত্রী আমির মুত্তাকি ভারত সফরে এসেছিলেন। আমাদের চ্যানেলে ভারত ও তালেবানদের সম্পর্ক নিয়ে একটি বিস্তারিত ভিডিও রয়েছে। আপনি আই বাটনে ক্লিক করে দেখে নিতে পারেন সেই ডিকোড ভিডিওটি।

    তো এই সম্পর্কের জন্যই পাকিস্তান ভেবে নিয়েছে, হয়তো আফগানিস্থানে হামলা করলে, ভারত পাকিস্তানের ওপর হামলা করতে পারে। তাই পাকিস্তান আগে থেকেই এই সিগন্যাল দেয় ভারতকে।

    তবে, একটা বিষয় পরিষ্কার – ভারত কিন্তু আফগানিস্থান এবং পাকিস্তানের এই ঝামেলার মধ্যে নাক গলাবে না। তবেও ভারত কিন্তু চুপ করেও নেই। পাকিস্তানের তরফ থেকে আফগানিস্থানে যে হামলা করা হয়েছে তার কড়া নিন্দা জানিয়েছে ভারত।

    ২২শে ফেব্রুয়ারি, ভারতের বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল পাকিস্তানের এই পদক্ষেপের সমালোচনা করে বলেন, ‘‘পবিত্র রমজান মাসে আফগান-ভূখণ্ডে পাকিস্তানের বিমান হামলার তীব্র নিন্দা জানাচ্ছে ভারত। এই হামলার ফলে মহিলা ও শিশু-সহ বহু প্রাণহানি হয়েছে। এই ঘটনায় গভীর ভাবে শোকাহত ভারত।” তিনি আরও লেখেন, “এই ঘটনাটি পাকিস্তান সরকারের ব্যর্থতাকে ফের প্রকাশ্যে এনেছে।” রণধীর জানান, আফগানিস্তানের পাশে আছে ভারত।

    তবে ভারত হাতে না মারলেও একরকমভাবে জলে মেরে দিয়েছে পাকিস্তানকে।

    একদিকে ইতিমধ্যেই স্থগিত রয়েছে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে হওয়া Indus Waters Treaty।

    এবার অন্যদিকে পাকিস্তানে প্রবাহিত হওয়া বন্ধ হয়ে যাবে রবি নদীর উদ্বৃত্ত জল। কারণ, পাঞ্জাব–জম্মু ও কাশ্মীর সীমান্তে শাহপুর কান্ডি বাঁধ প্রকল্পের কাজ দ্রুতগতিতে হচ্ছে। আর সেই বাঁধ চালু হলে রবি নদীর উদ্বৃত্ত জল পাকিস্তানে প্রবাহিত হওয়া বন্ধ করা সম্ভব হবে বলে জানিয়েছেন, জম্মু ও কাশ্মীরের মন্ত্রী জাভেদ আহমেদ রানা।

    একই সঙ্গে ভারত চেনাব নদীর উপর একাধিক জলবিদ্যুৎ প্রকল্প দ্রুত সম্পন্ন করার কাজ এগিয়ে নিচ্ছে, যা ২০২৭–২৮ সালের মধ্যে শেষ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

    অর্থাৎ, ভারত সরাসরি লড়াইতে না নামলেও, আড়ালে যে পাকিস্তানের ওপর সারজিক্যাল স্ট্রাইক করে যাচ্ছে সে কথা কিন্তু বলাই বাহুল্য।

    ফলত, ফের একবার উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে আফগানিস্থান – পাকিস্তান সীমান্ত! কী মনে হয়ে এর শেষ কোথায় গিয়ে হবে? কী হবে এর ভবিষ্যৎ? পাকিস্তান কি সত্যিই ধ্বংসের দিকে এগোচ্ছে?
    নাকি এটা আরও বড় যুদ্ধের প্রস্তুতি? আফগানিস্তান–পাকিস্তান সীমান্তে কি পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধ হবে?
    ভারত কি শেষ পর্যন্ত নিরপেক্ষ থাকবে? জানাতে ভুলবেন না আপনার মতামত কমেন্ট করে।

  • ‘পরমাণু ভাণ্ডার বাড়াবে দিল্লি!’ কানাডা-ভারতের ইউরোনিয়াম চুক্তিতে কান্নাকাটি পাকিস্তানের

    ‘পরমাণু ভাণ্ডার বাড়াবে দিল্লি!’ কানাডা-ভারতের ইউরোনিয়াম চুক্তিতে কান্নাকাটি পাকিস্তানের

    সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: আন্তর্জাতিক কূটনীতির অঙ্গনে এবার নতুন চর্চার কেন্দ্রবিন্দুতে ভারত আর কানাডার সাম্প্রতিক ইউরেনিয়াম সরবরাহ চুক্তি (India-Canada Agreement)। দুই দেশের মধ্যে ২.৬ বিলিয়ন ডলারের একটি দীর্ঘমেয়াদি ইউরেনিয়াম সরবরাহ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে বলে খবর। আর এই চুক্তির লক্ষ্য হল ভারতের বেসামরিক পারমাণবিক বিদ্যুৎ কর্মসূচির জন্য দীর্ঘ সময়ের জন্য জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করা। তবে সমস্যা হল এই নিয়েই উদ্বেগ প্রকাশ করছে পাকিস্তান (Pakistan)। কারণ, দেশটির বিদেশ মন্ত্রক জানিয়েছে, ভারত-কানাডা সহযোগিতা দক্ষিণ এশিয়ার কৌশলগত ভারসাম্যের উপর প্রভাব ফেলতে পারে।

    কী বলছে পাকিস্তান?

    পাকিস্তানের বিদেশ মন্ত্রকের মতে, এই চুক্তি পারমাণবিক সহযোগিতার ক্ষেত্রে বিশেষ সুবিধা দেওয়ার মত পদক্ষেপ তা বলা যায়। কিন্তু তাদের স্পষ্ট দাবি, ভারতের সমস্ত বেসামরিক পারমাণবিক স্থাপনা এখনো পর্যন্ত আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষণের আওতায় নেই। আর যদি অতিরিক্ত ইউরোনিয়াম সরবরাহ করা হয়, তাহলে ভারত ভবিষ্যতে তার পারমাণবিক সক্ষমতা আরও দ্রুত বাড়াতে পারে। যার ফলে দক্ষিণ এশিয়ার কৌশলগত ভারসাম্য নষ্ট হতে পারে এবং সামরিক ক্ষেত্রে বিভিন্ন রকম বাধা বিঘ্নতা আসতে পারে।

    এদিকে ভারত এবং কানাডার এই চুক্তির মূল লক্ষ্য হল ভারতের পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদন কর্মসূচি আরও শক্তিশালী করা। চুক্তি অনুযায়ী, কানাডার সংস্থা Cameco আগামী কয়েক বছর ভারতে ইউরেনিয়াম সরবরাহ করবে। পরিকল্পনামাফিক, ২০২৭ সাল থেকে ২০৩৫ সাল পর্যন্ত মোট ২২ মিলিয়ন পাউন্ড ইউরেনিয়াম ভারতে পাঠানো হবে। আর এই জ্বালানি মূলত বেসামরিক পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পগুলিতে ব্যবহার করা হবে বলে জানানো হয়েছে।

    আরও পড়ুন: ‘সংঘাতে সমস্যা মেটে না..’ পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধ নিয়ে প্রথম বিবৃতি মোদির

    ভবিষ্যতের জন্য পরিকল্পনা

    বিশ্লেষকদের বক্তব্য অনুযায়ী ভারতের মূল লক্ষ্য হল, আগামী কয়েক দশকের মধ্যেই পারমাণবিক শক্তি উৎপাদন আরও বাড়ানো। সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, ২০৪৭ সালের মধ্যে পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা নূন্যতম ১০০ গিগাওয়াটে উন্নীত করতে হবে। আর এই লক্ষ্য পূরণে স্থিতিশীল জ্বালানি সরবরাহ সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ। সেই কারণে ইউরেনিয়াম আমদানির দীর্ঘমেয়াদি চুক্তি ভারতের শক্তি নিরাপত্তার জন্য বিরাট পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। এমনকি শুধুমাত্র ইউরেনিয়াম সরবরাহ নয়, বরং ভবিষ্যতে ছোট মডেলকিউলার রিয়াক্টর এবং উন্নত পারমাণবিক প্রযুক্তি নিয়ে যৌথভাবে কাজ করার সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করছে বলে খবর। আর এই ধরনের আধুনিক রিয়াক্টর তুলনামূলকভাবে ছোট হলেও বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষেত্রে বিশেষ কার্যকর হবে বলে জানা যাচ্ছে।

  • ৯৯টি বিদেশ সফর প্রধানমন্ত্রী মোদীর, খরচ কত? লাভ কী হল ভারতের? প্রকাশ্যে রিপোর্ট

    ৯৯টি বিদেশ সফর প্রধানমন্ত্রী মোদীর, খরচ কত? লাভ কী হল ভারতের? প্রকাশ্যে রিপোর্ট

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: নরেন্দ্র মোদী (Narendra Modi) প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর থেকেই ঘন ঘন বিদেশ সফর করেছেন, যা নিয়ে এখনও বিরোধীরা মোদীকে নানাভাবে কটাক্ষও করেছেন, এমনকি তাঁর বিলাসিতা নিয়েও একাধিক কটূক্তি করেছেন। পাশাপাশি মোদীর এই বিদেশ সফরে আখেরে দেশের কী লাভ হয়েছে, তা নিয়ে নানা সময়ে বিরোধীরা প্রশ্নও তুলেছেন। আর এই নিয়ে গত মাসে সংসদে প্রধানমন্ত্রীর বিদেশ সফর নিয়ে প্রশ্ন ওঠে, এবং এই সফরে কত খরচ (Modi Travel Expenditure) পড়ে সেই নিয়েও উঠেছে প্রশ্ন। আর এবার সেই প্রশ্নের রিপোর্ট জমা দিল কেন্দ্রীয় বিদেশ প্রতিমন্ত্রী।

    ৯৯টি বিদেশ সফরে গিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী মোদী

    কেন্দ্রীয় বিদেশ প্রতিমন্ত্রীর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, নরেন্দ্র মোদী মোট ৭৮টি দেশ জুড়ে সর্বমোট ৯৯টি সফরে গিয়েছেন। আর এই সফরে মোট ৮১৫ কোটি টাকা ব্যয় করেছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর এই বিদেশ সফরের কারণে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে ব্যবসায়িক সম্পর্ক ভালো হয়েছে। এমনকি ভারতে বিদেশি বিনিয়োগের পরিমাণ বেড়েছে। এছাড়াও বিভিন্ন দেশের সঙ্গে তথ্যপ্রযুক্তি, মেধা, মহাকাশ ও প্রতিরক্ষা সংক্রান্ত বিষয়ে যৌথ উদ্যোগে অনেক কাজও শুরু হয়েছে। পাশাপাশি আঞ্চলিক ও বিশ্বের বিভিন্ন ইস্যুতে ভারতের মনোভাবের বিষয়ে বার্তা পৌঁছে দিয়েছেন তিনি। গিয়েছে অন্য দেশগুলির কাছে।

    বিদেশ ভ্রমণে কতটা লাভ হল ভারতের?

    প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর এই বিদেশ সফরের কারণে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে ব্যবসায়িক সম্পর্ক ভালো হয়েছে। ভারতে বিদেশি বিনিয়োগের পরিমাণ বেড়েছে। বিভিন্ন দেশের সঙ্গে তথ্যপ্রযুক্তি, মেধা, মহাকাশ ও প্রতিরক্ষা সংক্রান্ত বিষয়ে যৌথ উদ্যোগে অনেক কাজও শুরু হয়েছে। দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক দৃঢ় হওয়ার পাশাপাশি আঞ্চলিক ও বিশ্বের বিভিন্ন ইস্যুতে ভারতের মনোভাবের বিষয়ে বার্তা পৌঁছেছে অন্য দেশগুলির কাছে। ফলে দেশের নাগরিকদের অর্থনৈতিক অবস্থা ও স্বাচ্ছন্দ্যের ক্ষেত্রে কিছুটা হলেও পরিবর্তন এসেছে।

    আরও পড়ুন: ফুড সেফটিতে কত নম্বরে বাংলা? রাজ্য সরকারের রিপোর্ট দেখে খুশি হাইকোর্ট

    প্রসঙ্গত, ২০২০ সালে মার্চে লোকসভায় প্রধানমন্ত্রীর বিদেশসফর নিয়ে একটি পরিসংখ্যান প্রকাশ্যে আনা হয়েছিল। তাতে উল্লেখ ছিল, মোদীর বিদেশ সফরে ২০১৫-১৬ সালে ১২১ কোটি ৮৫ লক্ষ, ২০১৬-১৭ সালে ৭৮ কোটি ৫২ লক্ষ, ২০১৭-১৮ সালে ৯৯ কোটি ৯০ লক্ষ, ২০১৮-১৯ সালে ১০০ কোটি ২ লক্ষ এবং ২০১৯-২০ সালে ৪৬ কোটি ২৩ লক্ষ টাকা খরচ হয়েছে। আর সেই তথ্য নিয়ে বিরোধীদের মধ্যে একাধিক শোরগোল দেখা গিয়েছিল। যদিও সেই নিয়ে কোনো মন্তব্য করেননি নরেন্দ্র মোদী।

  • নিচে মেট্রো, মাঝখানে ট্রেন, উপরে ছুটবে বুলেট ট্রেন! ভারতে তৈরি হচ্ছে ১৬ তলার স্টেশন

    নিচে মেট্রো, মাঝখানে ট্রেন, উপরে ছুটবে বুলেট ট্রেন! ভারতে তৈরি হচ্ছে ১৬ তলার স্টেশন

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ রেল যাত্রীদের জন্য বিরাট খবর। দেশে এমন এক রেল স্টেশন তৈরি হচ্ছে যেখানে নিচে চলবে মেট্রো, মাঝে চলবে ট্রেন এবং ওপরে দৌড়াবে বুলেট ট্রেন। ১৬ তলার স্টেশন তৈরি হচ্ছে। শুনে চমকে গেলেন তো? কিন্তু এটাই দিনের আলোর মতো সত্যি। আজ কথা হচ্ছে গুজরাটের আহমেদাবাদ রেলওয়ে স্টেশনকে (Ahmedabad Bullet Train Station) নিয়ে। এটি ভারতের সবচেয়ে উঁচু, ১৬ তলা বিশিষ্ট মাল্টি-মডেল পরিবহন কেন্দ্র হিসেবে পুনর্নির্মাণ করা হচ্ছে, যেখানে পার্কিং, অফিস এবং বিমানবন্দর থেকে শুরু করে আধুনিক সুযোগ-সুবিধা থাকবে। চলুন আরও বিশদে জেনে নেওয়া যাক।

    কতটা কাজ হয়েছে?

    আহমেদাবাদ রেলওয়ে স্টেশনটি প্রায় ২৪,০০০ কোটি টাকা ব্যয়ে একটি পুনর্নির্মাণ প্রকল্পের আওতায় রয়েছে। লক্ষ্য হল স্টেশনটিকে একটি মাল্টি-মডেল পরিবহন কেন্দ্রে রূপান্তরিত করা। এটি হবে দেশের সর্বোচ্চ স্টেশন, সমস্ত আধুনিক সুযোগ-সুবিধা দিয়ে সজ্জিত এবং ৩৫ হেক্টর এলাকা জুড়ে বিস্তৃত। রেল সূত্রে খবর, ৫৮ শতাংশ কাজ নাকি ইতিমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে।

    বিশ্বের বৃহত্তম ১৬ তলা বিশিষ্ট স্টেশন

    এই বিষয়ে পশ্চিম রেলওয়ের ডিআরএম বেদ প্রকাশ বলেন যে আহমেদাবাদ স্টেশনটি বিশ্বের বৃহত্তম স্টেশন উন্নয়নের অংশ হিসেবে নির্মাণ কয়রা হচ্ছে। এটিতে ১৬ তলা ভবন নির্মাণের পরিকল্পনা করা হয়েছে, যার মধ্যে ১৫ তলা নির্মাণ সম্পন্ন হয়েছে। দুটি ভূগর্ভস্থ তলা এবং দুটি উপরের তলার জন্য পিলারও তৈরি করা হয়েছে। স্টেশনে যাওয়ার জন্য উঁচু রাস্তাটিও সম্পূর্ণ।

    আরও পড়ুনঃ দক্ষিণবঙ্গের ৩ জেলায় ধেয়ে আসছে বজ্রবিদ্যুৎ সহ বৃষ্টি, কেমন থাকবে আজকের আবহাওয়া?

    ডিআরএম বলেন যে এখানে দুই থেকে তিন লক্ষ মানুষ সহজেই আসা-যাওয়া করতে পারবেন। এটি একটি সম্পূর্ণ মডেল হবে, যার অর্থ আপনি মেট্রো, বাস বা বুলেট ট্রেনে ভ্রমণ করুন না কেন, আপনি সংযুক্ত থাকবেন। বিভিন্ন স্থানে এসকেলেটর, সিঁড়ি এবং লিফট স্থাপন করা হবে, যাতে কারও অসুবিধা না হয়। বুলেট ট্রেনের উঁচু স্টেশনের নিচে তিনটি নতুন রেলওয়ে প্ল্যাটফর্ম নির্মাণ করা হবে। রেলওয়ের অনুযায়ী স্টেশনকে কালুপুর এবং সরসপুর উভয় দিক থেকে আধুনিক রূপে রূপান্তরিত কয়রা হচ্ছে। এটি বিশ্বমানের মাল্টিমোডাল ট্রান্সপোর্ট হাবে উন্নয়ন করা হচ্ছে। স্টেশনের দক্ষিণ দিকের নিচের অংশের ৫৮.২ শতাংশ কাজ সম্পন্ন হয়েছে, উপরের অংশের ২৪.০ শতাংশ কাজ চলমান রয়েছে।

    কবে শেষ হবে কাজ?

    এখন সকলের প্রশ্ন, কাজ কবে শেষ হবে? স্টেশনটির সংস্কার কাজ ২০২৭ সালের মধ্যে সম্পন্ন হবে বলে আশা করা হচ্ছে। স্টেশনটি একবার তৈরি হয়ে গেলে নিত্য যাত্রীরা বিশ্বমানের সুযোগ-সুবিধা উপভোগ করবেন এবং এই মাল্টি-মডেল পরিবহন কেন্দ্রটি রেল, মেট্রো, বাস এবং বুলেট ট্রেনের নেটওয়ার্কের সাথে সংযুক্ত থাকবে। উল্লেখযোগ্যভাবে, এর নকশা এবং কাঠামো নিউ ইয়র্কের হাডসন হাই লাইন দ্বারা অনুপ্রাণিত। এই স্টেশনে ৩,০০০ গাড়ি পার্কিংয়ের জায়গা থাকবে। এছাড়াও, অফিস, হোটেল, বাগান এবং একটি আধুনিক মল তৈরি করা হবে। এই স্টেশনের সবথেকে বড় ইউএসপি হল, মাটির তলা দিয়ে মেট্রো, মাঝখান দিয়ে ট্রেন এবং সর্বোচ্চ স্তরে ছুটবে বুলেট ট্রেন।

  • ইরানে আটকে থাকা পড়ুয়াদের নিরাপদে সরাল ভারত, ফিরতে চায় না কিছুজন

    ইরানে আটকে থাকা পড়ুয়াদের নিরাপদে সরাল ভারত, ফিরতে চায় না কিছুজন

    সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: বর্তমানে ইরান এবং ইজরায়েলের যুদ্ধে (Iran-Israel War) উত্তপ্ত গোটা মধ্যপ্রাচ্য। তবে এই পরিস্থিতিতে বহু ভারতীয় ইরানের মাটিতে আটকে রয়েছেন। আর তা নিয়েই উদ্বেগ প্রকাশ করছে আন্তর্জাতিক মহল থেকে শুরু করে ভারতীয়রা। এমনকি এক রিপোর্ট বলছে, প্রায় ৯০০০ ভারতীয় বর্তমানে ইরানে আটকে। যাদের মধ্যে অধিকাংশ পড়ুয়া। আর এই পরিস্থিতিতে বিরাট স্বস্তির খবর জানালো ইরানের ভারতীয় দূতাবাস। হ্যাঁ, দূতাবাস স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, আটকে থাকা বেশিরভাগ পড়ুয়াকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে ফেলা হয়েছে। তবে এক্ষেত্রে উদ্বেগও প্রকাশ করছে ওয়াকিবহাল মহল। কারণ, বেশ কিছু পড়ুয়া নিজেদের স্থান ছাড়তে চায়নি।

    ভারতীয়দের নিরাপদ স্থানের সরিয়ে ফেলেছে ইরান

    গতকাল ইরানের ভারতীয় দূতাবাসের তরফ থেকে স্পষ্ট জানানো হয়েছে, যে সমস্ত ভারতীয়রা তেহরানে আটকে ছিল, তাদের বেশিরভাগকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে রাখা হয়েছে। তেহরানে প্রতিনিয়ত হামলার কারণেই তাদেরকে সরানোর প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। আর যারা সেই প্রস্তাব মেনে নিয়েছে, তাদেরকেই নিরাপদ নিরাপদ স্থানে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। এমনকি তাদের জন্য থাকা খাওয়ার বন্দোবস্ত করেছে ভারতীয় দূতাবাস।

    তবে এক্ষেত্রে রয়েছে বিভ্রান্তি। কারণ, বেশ কিছু পড়ুয়া সরকারের দেওয়া নিরাপদ আশ্রয়ের প্রস্তাব ফিরিয়ে দিয়েছে। কারণ, তারা নিজেদের বাসস্থান ছাড়তে চায়নি। হ্যাঁ, তারা এখনো পর্যন্ত তেহরানেই আটকে রয়েছে। যদিও সেই সংখ্যা সীমিত। তবে তাদের আগের মতো নিরাপদে থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। আর ইরানে আটকে থাকা ভারতীয়দের নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে গত রবিবার নির্দেশিকাও জারি করা হয়েছিল। সেখানে বলা হয়েছিল, যে যেখানে আছেন সেখানেই থাকুন। যতটা সম্ভব বাড়িতেই থাকুন। বাইরে বেরোনোর চেষ্টা করবেন না। আর জানালার ধারে থাকবেন না। এমনকি একাধিক হেল্পলাইন নম্বরও দেওয়া হয়।

    আরও পড়ুন: খামেনির মৃত্যুর ৪ দিন পরও নীরব মোদি, নিন্দা করেনি ভারত! নেপথ্যে কী কারণ?

    বলে রাকি, শুধুমাত্র ইরান নয়, বরং মধ্যপ্রাচ্যের একাধিক দেশে প্রচুর ভারতীয়রা আটকে রয়েছে। যেমন সৌদি আরব, দুবাই, বাহরাইন ইত্যাদি। আর তাদেরকেও দেশে ফেরানোর উদ্যোগ নিয়েছে ভারত সরকার। এমনকি ইতিমধ্যে দুবাই বিমানবন্দরে তিনটি এয়ার ইন্ডিয়ার বিমান পাঠানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তাতে আটকে থাকা সমস্ত ভারতীয়দের দেশে ফেরানো হবে বলেই জানানো হয়েছে।

  • খামেনির মৃত্যুর ৪ দিন পরও নীরব মোদি, নিন্দা করেনি ভারত! নেপথ্যে কী কারণ?

    খামেনির মৃত্যুর ৪ দিন পরও নীরব মোদি, নিন্দা করেনি ভারত! নেপথ্যে কী কারণ?

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: মধ্যপ্রাচ্য জুড়ে ভয়ংকর যুদ্ধ যেন কিছুতেই থামতে চাইছে না। গতকালও নতুন করে হামলার খবর পাওয়া গেছে। এদিকে গত শনিবার, মার্কিন-ইজরায়েল যৌথ হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি-র (Ayatollah Ali Khamenei Death) মৃত্যু হয়েছিল। যা নিয়ে তীব্র রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছিল, ভারতেও সেই ঘটনার ছায়া পড়েছে। বিরোধীরা সরকারের কাছ থেকে আনুষ্ঠানিক বিবৃতির দাবি করে চলেছে। কিন্তু এদিকে খামেনির মৃত্যুর ৪ দিন কেটে গেলেও এখনও নীরব মোদি সরকার। দেওয়া হয়নি কোনো বিবৃতি।

    খামেনির মৃত্যু নিয়ে নীরব মোদি

    গত সোমবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেছেন যে, পশ্চিম এশিয়ার পরিস্থিতি গুরুতর উদ্বেগের বিষয়। এমনকি কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নির সঙ্গে যৌথ সংবাদিক বৈঠকেও তিনি জানিয়েছেন, “ভারত শান্তি ও স্থিতিশীলতার পক্ষে। ভারত সর্বদা এই ধরনের বিরোধের সমাধান খুঁজে বের করার জন্য সংলাপ এবং কূটনীতির আহ্বান জানিয়েছে।” অর্থাৎ মধ্য এশিয়ায় ক্রমবর্ধমান আঞ্চলিক উত্তেজনার মধ্যে সংযম এবং উত্তেজনা কমানোর আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। কিন্তু একবারের জন্যও ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি-র মৃত্যু নিয়ে কোনো মন্তব্য করেননি। আর তাতেই অবাক সকলে। আসলে নয়াদিল্লি আগ বাড়িয়ে দুনিয়ার বৃহৎ শক্তিকে চটাতে চাইছে না বলেই মনে করছেন কূটনীতিবিদরা।

    চুপ উপসাগরীয় রাষ্ট্রগুলিও

    ইরান ইজরায়েলের যুদ্ধ পরিস্থিতিতে মধ্যপ্রাচ্যে এই মুহূর্তে লক্ষ লক্ষ ভারতীয় আটকে রয়েছে, তাই তাঁদের নিরাপত্তা নিয়ে এখন বেশ দুশ্চিন্তায় রয়েছে ভারত সরকার। ইতিমধ্যেই এই বিষয়টি নিয়ে উপকূলীয় দেশগুলির রাষ্ট্রনেতাদের সঙ্গেও আলোচনা করেছেন প্রধানমন্ত্রী মোদি। কারণ ইরান যে ভাবে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশের জনবহুল এলাকাগুলিতেও হামলা চালাচ্ছে, তাতে সেখানে বসবাসকারী ভারতীয়দেরও জীবন সংকটের মুখে পড়েছে। এদিকে উপসাগরীয় রাষ্ট্রগুলিও বেশিরভাগই পশ্চিমী শক্তির পক্ষে, তাই আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি-র মৃত্যু নিয়ে নীরব আছে। জাপান এবং জার্মানি স্থিতিশীলতা এবং উত্তেজনা বৃদ্ধির বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে, কিন্তু কোনও শোক বিবৃতি দেয়নি।

    আরও পড়ুন: নির্বাচিত হলেন মুস্তাফিজুর রহমান, বড় সিদ্ধান্ত IPL মালিকদের!

    কেন্দ্রের তরফে কিছু না জানানো হলেও মধ্যপ্রাচ্যের এই সংঘাতের আবহে ভারত একটি পক্ষকে যে সমর্থন করে সেই নিয়ে সম্প্রতি একটি প্রতিবেদনও লিখেছেন কংগ্রেস সভানেত্রী সোনিয়া গান্ধি। যা নিয়ে দেশে বেশ শোরগোল পরে গিয়েছিল। এদিকে খানিক পিছনের দিকে গেলে দেখা যাবে ভারতের বিভিন্ন অভ্যন্তরীণ বিষয় নিয়ে অনভিপ্রেত মন্তব্য করেছিলেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি। তিনি কখনও কাশ্মীরে ৩৭০ ধারা বিলোপ, কখনও CAA আবার কখনও দিল্লির হিংসা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছিল, যা কেন্দ্রীয় সরকারের বিপক্ষে ছিল, আর সকলের ধারণা সেই কারণের জন্যই খামেনি-র মৃত্যু নিয়ে নীরব নরেন্দ্র মোদি। যদিও সবটাই অনুমান, এখনও এই নিয়ে কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে।

  • খামেনির মৃত্যু মিছিল, হাইড্রোজেন ট্রেন…! আজকের সেরা ১০ খবর (৩ মার্চ)

    খামেনির মৃত্যু মিছিল, হাইড্রোজেন ট্রেন…! আজকের সেরা ১০ খবর (৩ মার্চ)

    সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: আজ ৩ মার্চ, মঙ্গলবার। খামেনির মৃত্যু মিছিল, হাইড্রোজেন ট্রেন, পাকিস্তান-আফগানিস্তান সংঘর্ষ, রাজ্য-রাজনীতি, অর্থনীতি, বহির্বিশ্ব, কোথায় কী ঘটল আজ? জানতে চোখ রাখুন আজকের সেরা দশে। India Hood-র তরফ থেকে আমরা নিয়ে এসেছি তরতাজা দশটি (Top 10 Bangla News in West Bengal And India) খবর, যা না পড়লে মিস করে যাবেন অনেক কিছুই। বিস্তারিত নতে হলে অবশ্যই প্রতিবেদনটি শেষ পর্যন্ত পড়ুন।

    ১০) স্বাস্থ্য প্রকল্প নিয়ে বিরাট ঘোষণা পশ্চিমবঙ্গ সরকারের

    পশ্চিমবঙ্গ সরকার স্বাস্থ্য প্রকল্প নিয়ে বিরাট ঘোষণা করল। এবার তালিকাভুক্ত বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসার খরচ ২ লক্ষ টাকার বেশি হলেও সরকারি পেনশনভোগীরা ক্যাশলেস সুবিধা পাবে বলেই স্পষ্ট জানানো হয়েছে। এমনকি আগে এই সুবিধা কেবলমাত্র কর্মচারীদের মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল। কিন্তু বাজেটের প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী, অর্থ দফতর নির্দেশিকা জারি করেছে। আর নির্দিষ্ট ফর্ম জমা দিলে সর্বোচ্চ ৭৫ শতাংশ পর্যন্ত খরচ ক্যাশলেসে মেটানো যাবে। পাশাপাশি নির্দিষ্ট সময় অনুমোদন না আসলে তার ডিঅ্যাপ্রুভ বলে ধরা হবে। বিস্তারিত পড়তে– এখানে ক্লিক করুন

    ৯) খামেনির মৃত্যুর মিছিল নিয়ে প্রতিবাদ করাতে প্রহ্লাদ মাইতির বিরুদ্ধে অভিযোগ

    ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি নিহত হওয়ার পর বসিরহাটে প্রতিবাদ মিছিল নিয়ে বিতর্কে ইউটিউবার প্রহ্লাদ মাইতি অরফে বিষাক্ত ছেলে খামেনিকে কটুক্তি করে একটি ভিডিও পোস্ট করলে সেটা রীতিমতো ভাইরাল হয়। তবে এই নিয়েই ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। প্রতিবাদকারীরা তাঁর বিরুদ্ধে বসিরহাট থানায় এফআইআর দায়ের করেছেন। এমনকি বিষয়টি নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় তীব্র মতবিরোধ দেখা দিয়েছে। আর আন্তর্জাতিক পরিস্থিতির প্রেক্ষিতে উত্তেজনা যে আরও বাড়ছে তা বলার অপেক্ষা রাখে না। বিস্তারিত পড়তে– এখানে ক্লিক করুন

    ৮) দোলের দিন পার্ক স্ট্রিটে ভেঙে পড়ল ১৫০ বছরের পুরনো বাড়ি

    দোলের দিন সকলে কলকাতার পার্ক স্ট্রিটে ১৫০ বছরের পুরনো একটি বাড়ির অংশ ভেঙে পড়ে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে। তবে এই ঘটনায় কেউ হতাহত হননি। স্থানীয়রা দাবি করছে, সাম্প্রতিক ভূমিকম্পে কাঠামো দুর্বল হয়ে পড়ার কারণে এই দুর্ঘটনা ঘটেছে। যদিও কারণ এখনো পর্যন্ত স্পষ্ট নয়। তদন্ত শুরু হয়েছে। আর আগের দিন সেন্ট্রাল পার্ক স্ট্রিট মেট্রো স্টেশনের নিচেও কংক্রিট ঘষে পড়ায় নিরাপত্তা নিয়ে বিভিন্ন রকম প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। বিস্তারিত পড়তে– এখানে ক্লিক করুন

    ৭) ডুরান্ড লাইনে পাকিস্তান-আফগানিস্তান সংঘর্ষ

    বিতর্কিত ডুরান্ড লাইন ঘিরে আফগানিস্তান এবং পাকিস্তান সংঘর্ষ এবার তীব্র উঠল। তালেবান দাবি করছে, স্পিন বোলদাকসহ কয়েকটি পাকিস্তানী সীমান্ত পোস্ট করা দখল করে ফেলেছে। কিন্তু পাকিস্তান পাল্টা বিমান হামলা চালিয়ে অভিযানের নাম দিয়েছে ‘গজব লিল হক’। আর সেখানে অনেক তালেবানদের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছে। উভয় পক্ষই বড় ক্ষয়ক্ষতির দাবি করলেও নিরপেক্ষ ভাবে তা এখনো পর্যন্ত যাচাই করা হয়নি। আর দীর্ঘদিনের সীমান্ত বিরোধ নতুন করে যুদ্ধ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। বিস্তারিত পড়তে– এখানে ক্লিক করুন

    ৬) দেশের প্রথম হাইড্রোজেন ট্রেনের ট্রায়াল রান

    পরিবেশবান্ধব যাত্রার লক্ষ্যে দেশের প্রথম হাইড্রোজেন ট্রেনের ট্রায়াল রান সম্পন্ন হল দেশের হরিয়ানা রাজ্যের জিন্দিতে। ভারতীয় রেলের উদ্যোগে ট্রেনটি মোট আটটি কোচ নিয়ে ২০ কিলোমিটার পথ অতিক্রম করে সর্বোচ্চ ৭০ কিলোমিটার গতিতে চলেছে বলে খবর। নিরাপত্তা এবং প্রযুক্তিগত দিক থেকে সমস্ত ইতিবাচক ফলাফল পাওয়া গিয়েছে। আর আগামী এক সপ্তাহ আরও পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হবে। যদি সবকিছু ঠিকঠাক থাকে তাহলে খুব শীঘ্রই জিন্দা-সোনিপথ রুটে এই ট্রেনটি নিয়মিত পরিষেবা দেবে। বিস্তারিত পড়তে– এখানে ক্লিক করুন

    ৫) হোলি উপলক্ষে কলকাতায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন

    হোলি উপলক্ষে কলকাতা পুলিশ শহরজুড়ে কড়া নিরাপত্তা দিয়েছে। আজ প্রায় চার ৪০০০ পুলিশ মোতায়ন করা হয়েছে। এমনকি ৪০০ পিকেট ও ৮৬টি গুরুত্বপূর্ণ স্থানে বিশেষ নজরদারি চালানো হবে বলে জানানো হয়েছে। রাস্তায় পিসিআর ভ্যান্ন, কুইক রেসপন্স টিম এবং বাইক টহল দেবে। আর ৬৬ গঙ্গার ঘাটে অতিরিক্ত নিরাপত্তা এবং ডিএমসি জল থাকবে বলে জানানো হয়েছে। এছাড়াও ছাদ থেকে রং বা বেলুন ছোড়া, মদ্যপ অবস্থায় স্নান বা পশুদের রং লাগানো রুখতে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বিস্তারিত পড়তে– এখানে ক্লিক করুন

    ৪) প্রতিটি ভোটকেন্দ্রের সামনে থাকবে সিসিটিভি ক্যামেরা, নির্দেশ নির্বাচন কমিশনের

    আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে নির্বাচন কমিশন বুথের ভিতর এবং বাইরে সিসিটিভি ক্যামেরা বসানো বাধ্যতামূলক করেছে। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের নেতৃত্বে ফুল বেঞ্চ ৯ মার্চ রাজ্যে আসবে বলে খবর। বুথের বাইরে নজরদারিতে থাকবেন মাইক্রো অবজার্ভাররা এবং কেন্দ্রীয় বাহিনীকে নিরপেক্ষতার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আর ইতিমধ্যে রাজ্যে ২৪০টি কোম্পানি কেন্দ্র বাহিনী মোতায়ন করেছে। এমনকি আরও বাহিনী আসছে বলে খবর। বিস্তারিত পড়তে– এখানে ক্লিক করুন

    ৩) রাহুল সিংহকে প্রার্থী ঘোষণা করল ভারতীয় জনতা পার্টি

    আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে পশ্চিমবঙ্গে প্রার্থী ঘোষণা করল ভারতীয় জনতা পার্টি। রাহুল সিংহকে প্রার্থী করেছে তারা। আগামী ১৬মার্চ দশ রাজ্যের ৩৭টি আসনে ভোট হবে। আর এর মধ্যে  বাংলায় হবে পাঁচটি। আগে তৃণমূল কংগ্রেস পার্টি ঘোষণা করেছে। এমনকি একাধিক নির্বাচনে পরাজিত হলেও এবার নিশ্চিত আসনে রাহুলকে সুযোগ দিয়েছে ভারতীয় জনতা পার্টি। আর মনোনয়ন হবে আগামী ৫ মার্চ। বিস্তারিত পড়তে– এখানে ক্লিক করুন

    ২) এসআইআর-র চাপে মৃত ৬১ জনের পরিবারের সদস্যদের হোমগার্ড নিয়োগপত্র দিলেন মমতা

    মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কলকাতার এক অনুষ্ঠানে এসে এসআইআর প্রক্রিয়ার চাপে মৃত ৬১ জনের পরিবারের সদস্যদের হোম গার্ড চাকরির নিয়োগপত্র তুলে দিয়েছেন। রাজ্য সরকারের দাবি, ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন নিয়ে মানসিক চাপে তাদের মৃত্যু হয়েছে। চূড়ান্ত তালিকায় ৭ কোটির বেশি নাম থাকলেও প্রায় ৬০ লক্ষ নাম এখনো বিচারাধীন। আর এর ফলেও দুশ্চিন্তে বাড়ছে। এমনকি আগে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার ঘোষণা করা হয়েছিল। তবে চাকরির সুযোগ দিয়ে শোকাহত পরিবারগুলোর পাশে দাঁড়িয়েছে রাজ্য সরকার। বিস্তারিত পড়তে– এখানে ক্লিক করুন

    ১) মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতে তেলের দাম বৃদ্ধি, বিকল্প রাস্তা ভারতের

    মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত এবং হরমুজ প্রণালী বন্ধ হওয়ার কারণে বিশ্বে অপরিশোধিত তেলের দাম দ্রুত হারে বেড়েছে। ইরানের হুশিয়ারিতে সরবরাহ অনিশ্চিত এখন পুরোপুরি। যার ফলে দাম ব্যারেল প্রতি ১০০ ডলার হতে পারে। পরিস্থিতি সামাল দিতে ভারত সরকার তেল রফতানি নিষিদ্ধ রাশিয়া থেকে আমদানি বাড়ানো এবং বিকল্প উৎস খোঁজার পরিকল্পনা শুরু করেছে। কিন্তু এতে ডোনাল্ড ট্রাম্পের আমেরিকার শুল্ক নীতির প্রভাব পড়তে পারে বলে খবর। বিস্তারিত পড়তে– এখানে ক্লিক করুন

  • “পাকিস্তানের সাথে ফের যুদ্ধের প্রস্তুতি নিচ্ছে ভারত”, জানালেন খোদ পাক প্রেসিডেন্ট

    “পাকিস্তানের সাথে ফের যুদ্ধের প্রস্তুতি নিচ্ছে ভারত”, জানালেন খোদ পাক প্রেসিডেন্ট

    বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: পাকিস্তানের সাথে ফের যুদ্ধে জড়াতে পারে ভারত। এমনটাই বলছেন পশ্চিমের দেশের প্রেসিডেন্ট আসিফ আলি জারদারি (Pak President On India)। সম্প্রতি পাকিস্তানের পার্লামেন্টে দেওয়া এক ভাষণে পাক প্রেসিডেন্ট খুব স্পষ্ট করে জানান, “পাকিস্তানের সাথে নতুন করে আরও একটি যুদ্ধের প্রস্তুতি সারছে ভারত। দুই দেশ যদি এখনই আলোচনায় না বসে তবে এই এলাকাকে রক্ষা করা যাবে না!” পাক প্রেসিডেন্টের এমন বক্তব্যের পরই কার্যত তোলপাড় হয়ে যাচ্ছে নেট জগৎ। এদিকে, পাক প্রেসিডেন্টের এমন বক্তব্যের পরই পাকিস্থানের বিরোধী দলগুলি ইমরান খানের মুক্তির দাবিতে ব্যাপক বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করে।

    ভারত নিয়ে পাক প্রেসিডেন্টের বড় বক্তব্য

    গতকাল অর্থাৎ সোমবার, পাকিস্তানের পার্লামেন্টে ভাষণ দেওয়ার সময় হঠাৎ প্রেসিডেন্ট জারদারি বলে বসেন, “আমার একটাই বার্তা ভারত যুদ্ধ ক্ষেত্র থেকে আলোচনায় আসুক। কারণ আলোচনাই নিরাপত্তার একমাত্র উপায়। ভারতের নেতারা বলছেন, তারা আরও একটি যুদ্ধের প্রস্তুতি নিচ্ছেন। এই অঞ্চলের শান্তির আজীবন সমর্থক হিসেবে আমি কখনই যুদ্ধের পক্ষে নই।”

    বলাই বাহুল্য, পাকিস্তানের নবম রাষ্ট্রপতি আসিফ। তিনিই এবার যুদ্ধের প্রস্তুতি নিয়ে ভারত প্রসঙ্গে বড় মন্তব্য করে বসলেন। সেই সাথে এদিন একপ্রকার মিথ্যার আশ্রয় নিয়ে পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট এও বললেন পাকিস্তান নাকি ইতিমধ্যেই ভারত এবং আফগানিস্তান দুই দেশকেই তাদের ক্ষমতা দেখিয়েছে। যদিও সেটা পাকিস্তানের সামর্থ্যের ছোট্ট অংশ। একই সাথে এদিন পাকিস্তানের পারমাণবিক শক্তির কথাও স্মরণ করিয়ে দেন জারদারি।

     

    অবশ্যই পড়ুন: ভারতকে সেমিফাইনালে তুলে এবার শাস্তি পেতে পারেন সঞ্জু স্যামসন

    উল্লেখ্য, পাকিস্তানের পার্লামেন্টে হঠাৎ প্রেসিডেন্ট জারদারির এমন বক্তব্যের পর তাঁকে ঘিরে বিক্ষোভ এবং গো জারদারি গো স্লোগান দিতে থাকেন বিরোধী দলের নেতারা। একই সাথে এদিন প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের মুক্তির দাবিতে পাকিস্তানের রাজপথে দীর্ঘক্ষণ বিক্ষোভ দেখান পিটিআইয়ের সমর্থকরা

     

    View this post on Instagram