Tag: Income

  • ফিক্সড ১০০০ ডলার করে আয়! ৩ মাস ফ্রিতে ইনকামের সুযোগ দিল ফেসবুক

    ফিক্সড ১০০০ ডলার করে আয়! ৩ মাস ফ্রিতে ইনকামের সুযোগ দিল ফেসবুক

    সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের আকর্ষণ করার জন্য বিরাট পদক্ষেপ নিল ফেসবুক (Facebook)। নতুন করে একটি প্রোগ্রাম চালু করেছে তারা। যার নাম দেওয়া হয়েছে ‘Creator Fast Track’। আর এই প্রোগ্রামের আওতায় ইউটিউব, ইনস্টাগ্রাম এবং টিকটকের মতো জনপ্রিয় ক্রিয়েটরদের সরাসরি ফেসবুকে এনে দ্রুত আয় করার সুযোগ দেওয়া হবে।

    কী এই ‘Creator Fast Track’ প্রোগ্রাম?

    ফেসবুকের এই নতুন উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হল অন্য প্ল্যাটফর্মের প্রতিষ্ঠিত ক্রিয়েটরদেরকে নিজের প্ল্যাটফর্মে নিয়ে এসেই আয়ের সুযোগ করে দেওয়া এবং তাদেরকে দ্রুত গ্রো করতে সাহায্য করা। এই প্রোগ্রামে থাকছে তিন মাস পর্যন্ত গ্যারান্টেড ইনকাম এবং কনটেন্টের বেশি রিচ আর দ্রুত ফলোয়ার বাড়ানোর সুযোগ। তাই এটি ক্রিয়েটরদেরকে জন্য হতে চলেছে দারুণ ধামাকা।

    কত টাকা আয় করতে পারবেন?

    প্রসঙ্গত, এই প্রোগ্রামের সবথেকে বড় আকর্ষণ হল গ্যারান্টেড পেমেন্ট। যদি কোনও ক্রিয়েটরের ১ লক্ষ ফলোয়ার তাকে, তাহলে সে মাসে প্রায় ১০০০ ডলার ইনকাম করতে পারবে। অর্থাৎ ভারতীয় মুদ্রায় ৯০ হাজার টাকা। আর যদি ১০ লক্ষ ফলোয়ার থাকে, তাহলে মাসে ৩০০০ ডলার অর্থাৎ ভারতীয় মুদ্রায় ২.৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত আয় করতে পারবে। অর্থাৎ, জনপ্রিয় ক্রিয়েটরদেরকে জন্য এটি হতে চলেছে দারুণ সুযোগ।

    আর ফেসবুকের তরফ থেকে জানানো হয়েছে, এই প্রোগ্রামে যোগ দিলে প্রথম তিন মাস ক্রিয়েটররা নিশ্চিত পেমেন্ট পাবে। অর্থাৎ, নতুন প্ল্যাটফর্ম শুরু করার ভয়ও কমবে আর শুরুতেই আয় করা যাবে এবং দ্রুত অডিয়েন্স তৈরি করাও সহজ হবে। সাধারণভাবে ফেসবুকে আয় করতে গেলে কিছু শর্ত পূরণ করতে হয়। যেমন নির্দিষ্ট কিছু ফলোয়ার লাগে। তবে এই প্রোগ্রামে নতুন ক্রিয়েটরদের জন্য সেই বাধ্যবাধকতা নেই। সরাসরি মনিটাইজেশন টুল অ্যাক্সেস দেওয়া হবে আর প্রথম দিন থেকেই আয় করা সম্ভব হবে।

    কারা পাবে এই সুযোগ?

    যারা ইতিমধ্যে ইউটিউব, ইনস্টাগ্রাম এবং টিকটকের মতো প্ল্যাটফর্মে জনপ্রিয়, তারাই শুধুমাত্র এই প্রোগ্রামের আওতায় সুযোগ পাবে। কিন্তু হ্যাঁ, তাদের ভালো ফলোয়ার বেস থাকতে হবে আর নিয়মিত কনটেন্ট তৈরি করতে হবে। এ বিষয়ে ফেসবুক ক্রিয়েটর প্রোডাক্ট বিভাগের ভাইস প্রেসিডেন্ট Yair Livne জানিয়েছেন যে, আমরা চাই ক্রিয়েটরদের সহজে ফেসবুকে এনে তাদেরকে অডিয়েন্স তৈরি করতে সাহায্য করা এবং নতুন প্রোগ্রামের মাধ্যমে তাদের আয় বাড়ানো।

    আরও পড়ুন: বাংলায় ‘অঘোষিত জরুরি অবস্থা’? কমিশনের বিরুদ্ধে এবার গর্জে উঠলেন মমতা

    কিন্তু হ্যাঁ, তিন মাস গ্যারান্টেড পেমেন্ট দেওয়ার পর সরাসরি টাকা দেওয়া বন্ধ হবে। তখন ফেসবুক রিচ বাড়াতে সাহায্য করবে আর ক্রিয়েটরদের নিজের ভিউয়ের মাধ্যমে আয় চালিয়ে যেতে হবে। আর এই প্রোগ্রামের আরও একটা সুবিধা হল, নতুন কনটেন্ট তৈরি বাধ্যতামূলক নয়, বরং আগের ভাইরাল বা জনপ্রিয় ভিডিও শেয়ার করতে পারবেন। ফলে ক্রিয়েটরদের কাজও আরও সহজ হয়ে যাচ্ছে।

  • প্রতিমাসে অ্যাকাউন্টে ঢুকবে ৭০০০ টাকা! মহিলাদের ক্ষমতায়নে বড় প্ল্যান LIC-র

    প্রতিমাসে অ্যাকাউন্টে ঢুকবে ৭০০০ টাকা! মহিলাদের ক্ষমতায়নে বড় প্ল্যান LIC-র

    বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: রাজ্য তথা দেশজুড়ে পুরুষদের পাশাপাশি মহিলারাও আর্থিক দিক থেকে সাবলম্বী (Income) হয়ে উঠছেন। সমাজের পিছিয়ে পড়া নারীদের নিম্ন স্তর থেকে টেনে এনে আর্থিক সংস্থানের লক্ষ্যে একাধিক সব প্রকল্প চালায় বিভিন্ন রাজ্যের সরকার (LIC Bima Sakhi Yojana)। বাংলাতেও মহিলাদের আর্থিক সংস্থানের ব্যবস্থা করে দিয়েছে লক্ষী ভান্ডার প্রকল্প। এছাড়াও লাডলি বেহেনের মতো প্রকল্প তো রয়েছেই। তবে অনেকেই হয়তো জানেন না, লাইফ ইন্সুরেন্স কর্পোরেশনের এমন একটি সরকারি প্রকল্প রয়েছে যার অধীনে মহিলারা বিনামূল্যে প্রশিক্ষণ এবং মাসিক ভাল পরিমাণ অর্থ আয়ের সুযোগ পান। আজকের প্রতিবেদনের মূল বিষয়বস্তু LIC র সেই বিমান সখী যোজনা।

    কারা LIC র বীমা সখী যোজনা প্রকল্পের অধীনে নাম লেখাতে পারবেন?

    লাইফ ইন্সুরেন্স কর্পোরেশন বা সরকারি আর্থিক প্রতিষ্ঠানটি বলছে, মহিলাদের প্রশিক্ষণ দিয়ে তাদের বীমা খাতের সাথে যুক্ত করে আয়ের সুযোগ করে দেওয়ার লক্ষ্যে যে বীমা সখি প্রকল্প চালু করা হয়েছে তাতে নাম লেখাতে উচ্চ শিক্ষিত হওয়ার প্রয়োজন নেই। শুধুমাত্র প্রাথমিক বিষয়গুলি জানলেই এই প্রকল্পের অধীনে কাজ করতে পারবেন নারীরা। সেক্ষেত্রে অবশ্যই ভারতের স্থায়ী বাসিন্দা হতে হবে। সেই সাথে থাকতে হবে, পরিচয়ের প্রমাণপত্র।

    এখন প্রশ্ন, এই প্রকল্পের আওতায় কী কাজ করতে হবে? বলে রাখি, লাইফ ইন্সুরেন্স কর্পোরেশনের তরফে বিশেষ প্রকল্পের জন্য নির্বাচিত বিশেষ করে গ্রামীন এলাকার মহিলারা এলাকায় এলাকায় ঘুরে LIC র এই প্রকল্প সম্পর্কে সাধারণ মানুষকে সচেতন করবেন। একই সাথে তারা যাতে LIC র বিভিন্ন বীমা প্রকল্পের সাথে যুক্ত হন সেজন্য তাঁদের দিয়ে ফর্ম পূরণ করানোর পাশাপাশি ক্লেম প্রক্রিয়ায় সাহায্য করবেন। এক কথায়, LIC র এজেন্টরা যে কাজ করে থাকেন আর কি। এই কাজের বিনিময় লাইফ ইন্সুরেন্স কর্পোরেশনের তরফে প্রতি মাসে কমিশন এবং অন্যান্য ইন্সেন্টিভ পাবেন মহিলারা।

    অবশ্যই পড়ুন: বিশ্বের কঠিনতম রেল প্রকল্প ভারতের! ২৭০ কিমি সুড়ঙ্গ খুঁড়ে চিন সীমান্তে যাবে ট্রেন

    কত টাকা আয় করা যাবে?

    LIC বলছে তাদের বিশেষ প্রকল্প বীমা সখিতে যুক্ত মহিলারা গ্রাহকদের বিভিন্ন প্রকল্প সম্পর্কে অবগত করার পাশাপাশি তাদের লাইফ ইন্সুরেন্স কর্পোরেশনের নানান প্রকল্পে অন্তর্ভুক্ত করাতে পারলে প্রত্যেক মাসে কমিশন সহ অন্যান্য ইন্সেন্টিভ বাবদ মোট অর্থ মিলিয়ে ভাল পরিমাণ টাকা আয় করতে পারবেন। সবচেয়ে বড় কথা এই কাজের আগে মহিলাদের বিনামূল্যে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। সেখানেই শেখানো হবে কাজের ধরন।

    লাইফ ইন্সুরেন্স কর্পোরেশনের বিশেষ প্রকল্পের সাথে যুক্ত বহু মহিলার দাবি, গ্রামাঞ্চলে ঘুরে ঘুরে LIC র বিভিন্ন প্রকল্প সম্পর্কে সাধারণ মানুষকে অবগত করার পাশাপাশি তাদের দিয়ে বিভিন্ন পলিসি কেনানোর মাধ্যমে কমিশন ও ইনসেন্টিভ থেকে কম বেশি মাসে প্রায় 7000 হাজার টাকা আয় করা সম্ভব। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়, এই প্রকল্পে আয়ের নির্দিষ্ট কোনও সীমা নেই। অর্থাৎ যে মহিলা যত বেশি গ্রাহককে LIC র বিভিন্ন প্রকল্পে আকৃষ্ট করতে পারবেন তত বেশি আয় হবে তাঁর।

  • বিমানের মতো সুবিধা, স্পিড ২০০ কিমি! তেজস এক্সপ্রেস থেকে কেমন আয় রেলের?

    বিমানের মতো সুবিধা, স্পিড ২০০ কিমি! তেজস এক্সপ্রেস থেকে কেমন আয় রেলের?

    সহেলি মিত্র, কলকাতা: যত সময় এগোচ্ছে ততই ভারতে হাইস্পিড ট্রেন, হাইস্পিড রেল করিডরের দাবি বাড়ছে। ইতিমধ্যেই দেশে বন্দে ভারত, শতাব্দী এক্সপ্রেস,গতিমান এক্সপ্রেসের মতো কিছু সেমি হাইস্পিড এবং প্রিমিয়াম ট্রেন চলছে। তবে, খুব কম লোকই জানেন যে গতির দিক থেকে দেশের দ্রুততম ট্রেন হল তেজস এক্সপ্রেস (Tejas Express)। ভারতের প্রথম কর্পোরেট-ধাঁচের যাত্রীবাহী ট্রেন হিসাবে বিবেচিত, এটি আইআরসিটিসি তরফে পরিচালিত হয়। এই ট্রেনে উঠলে একদম রয়্যাল অনুভূতি পাবেন। মনে হবে বিমানে উঠেছেন।

    ভারতের দ্রুতগামী ট্রেন হল এটি

    ২০১৯ সালে এটি নয়াদিল্লি-লখনউ রুটে চালু হয় তেজস এক্সপ্রেস। পরবর্তীতে ২০২০ সালে আহমেদাবাদ-মুম্বাই রুটে দ্বিতীয় পরিষেবা চালু করা হয়। ট্রেনটি প্রিমিয়াম বিভাগে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। যাত্রীদের একদম বিমানের মতো অভিজ্ঞতা প্রদান করছে। প্রযুক্তিগতভাবে, তেজস এক্সপ্রেস ২০০ কিমি/ঘন্টা গতিতে পৌঁছাতে সক্ষম। তবে, বিদ্যমান ট্র্যাক সীমাবদ্ধতার কারণে, এটি কেবল ১৬০ কিমি/ঘন্টা পর্যন্ত চলতে পারে, অর্থাৎ বন্দে ভারতের সমান।

    সুযোগ-সুবিধা মিলবে একদম বিমানের মতো

    তেজস এক্সপ্রেসের বৈশিষ্ট্য কেবল এর গতি নয়, এর প্রিমিয়াম সুযোগ-সুবিধাও। যাত্রীরা ট্রেনে ওঠার সঙ্গে সঙ্গে পানীয় জল,  অনলাইন খাবার নির্বাচন, সংবাদপত্র, প্রতিটি আসনে LED স্ক্রিন, ওয়াই-ফাই এবং চার্জিং পয়েন্টের মতো সুযোগ-সুবিধা উপভোগ করেন। অটোমেটিক দরজা, বায়ো -ভ্যাকুয়াম টয়লেট এবং সিসিটিভি নজরদারি এই তেজস এক্সপ্রেস ট্রেনটিকে আধুনিক করে তোলে। ট্রেনটি একটি ভ্রমণ বীমা প্ল্যানও অফার করে। ট্রেন দেরির ক্ষেত্রে ক্ষতিপূরণ প্রদান করে।

    তেজস এক্সপ্রেসের আয়

    তেজস এক্সপ্রেস বেসরকারি অংশগ্রহণের একটি সফল মডেল হিসেবেও আবির্ভূত হয়েছে। রেলের রিপোর্ট অনুসারে, ২০২৫-২৬ অর্থবছরের তৃতীয় প্রান্তিকে এটি প্রায় ৫০ কোটি টাকা আয় করেছে। দিল্লি-লখনউ রুটে আসন দখল ছিল ৬৯% এবং আহমেদাবাদ-মুম্বাই রুটে এটি ১০০% এরও বেশি, যা এর জনপ্রিয়তা প্রমাণ করে।

    আরও পড়ুনঃ সাবধান করেছিল সুপ্রিম কোর্ট, এবার লক্ষ্মীর ভাণ্ডার নিয়ে যা বলল SBI

    আর কী কী হাইস্পিড ট্রেন রয়েছে?

    ভারতে অনেক ট্রেন উচ্চ গতির জন্য ডিজাইন করা হয়েছে, কিন্তু ট্র্যাক এবং সিগন্যালিং সীমাবদ্ধতার কারণে, তারা নিয়মিতভাবে তাদের সর্বোচ্চ নকশা গতিতে চলে না। উদাহরণস্বরূপ, বন্দে ভারত এক্সপ্রেসের এমনি গতি ১৮০ কিমি/ঘন্টা, যেখানে এর পরিচালনা গতি ১৬০ কিমি/ঘন্টা। গতিমান এক্সপ্রেসের এমনি এবং পরিচালনা গতি উভয়ই ১৬০ কিমি/ঘন্টা। রাজধানী এক্সপ্রেসের সর্বোচ্চ গতি ১৩০-১৪০ কিমি/ঘন্টা এবং পরিচালনা গতি প্রায় ১৩০ কিমি/ঘন্টা, যেখানে শতাব্দী এক্সপ্রেস ১৫০ কিমি/ঘন্টা এবং পরিচালনা গতি ১৩০-১৫০ কিমি/ঘন্টা। অর্থাৎ ইচ্ছা থাকলেও জোরে চালানোর অনুমতি নেই ট্রেনগুলির।

  • ২২ হাজার টাকা বিনিয়োগে দিনে ৭০ হাজার আয়? যা জানাল কেন্দ্র সরকার

    ২২ হাজার টাকা বিনিয়োগে দিনে ৭০ হাজার আয়? যা জানাল কেন্দ্র সরকার

    সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: সোশ্যাল মিডিয়ায় সম্প্রতি একটি খবর ভাইরাল (Social Media Viral) হয়েছে, যেখানে দাবি করা হচ্ছে, মাত্র ২২ হাজার টাকা বিনিয়োগ করলে প্রতিদিন প্রায় ৭০ হাজার টাকা পর্যন্ত নাকি আয় করা যাচ্ছে! এমনকি ওই ভিডিওতে ভারতের কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামনকে (Nirmala Sitharaman) একটি বিনিয়োগের প্রকল্প প্রচার করতে দেখা যাচ্ছে বলে দাবি। কিন্তু এই ভিডিও নিয়েই এবার বড়সড় সতর্কবার্তা দিল কেন্দ্রীয় সরকারী ফ্যাক্ট চেক সংস্থা পিআইবি।

    কী বলা হয়েছে সরকারি ফ্যাক্ট চেকে?

    পিআইবি ফ্যাক্ট চেকের তরফ থেকে স্পষ্ট জানানো হয়েছে, ভাইরাল হওয়া ওই ভিডিওটি এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করে তৈরি করা হয়েছে। আর তাতে অর্থমন্ত্রীর আসল বক্তব্যই বিকৃত করে দেখানো হচ্ছে। সরকারের তরফ থেকে স্পষ্ট জানানো হয়েছে, এরকম কোনও বিনিয়োগের প্রকল্প সরকার ঘোষণা করেনি। অর্থমন্ত্রীও এরকম ধরনের কোনও স্কিম প্রচার করেননি। আর ভিডিওটি মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করার উদ্দেশ্যেই ছড়ানো হচ্ছে। সেই কারণেই সাধারণ মানুষকে এই ভিডিও বা বিজ্ঞাপন থেকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

    বেশ কিছু বিশেষজ্ঞদের মতে, বর্তমানে এআই প্রযুক্তির অপব্যবহার দ্রুত হারে বাড়ছে। আর আধুনিক সফটওয়্যারের মাধ্যমে খুব সহজেই কোনও ব্যক্তির মুখ বা কণ্ঠস্বর নকল করে নেওয়া যাচ্ছে। আর এই ধরনের ভিডিওকে সাধারণত ডিপফেক ভিডিও বলা হয়ে থাকে। অনেক সময় এগুলো এতটাই বাস্তবের মতো ফুটে ওঠে যে মনে হয় সাধারণ মানুষেরই ভিডিও। কিন্তু আদতে সেটা এআই দিয়ে বানানো।

    আরও পড়ুন: TRP না থাকায় স্লট বদল, প্রাইম টাইমে ফিরছে জি বাংলার এই ধারাবাহিক

    তাই এই ধরনের প্রতারণা থেকে বাঁচতে অবশ্যই কিছু নিয়ম মাথায় রাখুন। প্রথমত, অস্বাভাবিক বেশি লাভের প্রতিশ্রুতি দেওয়া স্কিম থেকে দূরে থাকুন। দ্বিতীয়ত, সরকারি স্কিম সম্পর্কে জানার জন্য শুধুমাত্র সরকারি ওয়েবসাইট বা বিশ্বস্ত সূত্র ব্যবহার করুন। আর অজানা লিংকে ক্লিক করবেন না। যদি সোশ্যাল মিডিয়ায় এরকম কোনও সন্দেহজনক বা বিভ্রান্তিকর খবর দেখেন, তাহলে অবশ্যই পিআইবির ফ্যাক্ট চেকে জমা দিতে পারেন। এমনকি আপনার স্ক্রিনশট, পোষ্টের লিংক বা ভিডিও ৮৭৯৯৭১১২৫৯ হোয়াটসঅ্যাপ নম্বরে পাঠাতে পারেন।