Tag: Humayun Kabir

  • মমতা, শুভেন্দুর বিরুদ্ধে মুসলিম ক্যান্ডিডেট! ভবানীপুরে কাকে প্রার্থী করলেন হুমায়ুন?

    মমতা, শুভেন্দুর বিরুদ্ধে মুসলিম ক্যান্ডিডেট! ভবানীপুরে কাকে প্রার্থী করলেন হুমায়ুন?

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: ঘোষণা হয়ে গিয়েছে ২৬ এর বিধানসভা নির্বাচনের (West Bengal Election 2026) দিন। আগামী ২৩ এবং ২৯ এপ্রিল দুই দফায় রাজ্যে হবে ভোট। এদিকে তৃণমূল বিজেপি এবং লাল শিবির প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করে দিয়েছে। এমতাবস্থায় আর দেরি না করে প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করল হুমায়ুন কবীরের জনতা উন্নয়ন পার্টি (Candidate Lists Of Humayun Kabir Party)। জানা গিয়েছে, তাঁরা এবার ১৮২টি আসনে প্রার্থী দিচ্ছে তাঁরা।

    দুই জায়গার প্রার্থী হলেন হুমায়ুন কবীর

    গতকাল অর্থাৎ বুধবার, জনতা উন্নয়ন পার্টির ১৫ আসনে প্রার্থী ঘোষণা করেছেন হুমায়ুন কবীর। এদিন সাংবাদিক বৈঠক করে হুমায়ুন জানিয়েছেন, “আমরা ১৮২টি আসনে প্রার্থী দিচ্ছি। বাকি প্রার্থী তালিকা আগামী ২২ মার্চ তারিখ প্রকাশ করা হবে।” এছাড়াও তিনি জানিয়েছেন ‘মিম’ অর্থাৎ অল ইন্ডিয়া মজলিস-ই-ইত্তেহাদুল মুসলিমীনের সঙ্গেও আসন সমঝোতা চলছে। তাঁদের নাকি কয়েকটি আসন ছাড়া হয়েছে, তারা সেখানে লড়বে। কিন্তু সূত্রের খবর, এবার হুমায়ুন কবীর লড়বেন না ভরতপুর থেকে। শুভেন্দু অধিকারী যেমন নন্দীগ্রাম ও ভবানীপুর থেকে লড়বেন, ঠিক তেমনই হুমায়ুন কবীরও মুর্শিদাবাদের রেজিনগর এবং নঁওদা থেকে লড়বেন।

    কে কোথায় লড়ছেন?

    জনতা উন্নয়ন পার্টির প্রার্থী তালিকা অনুযায়ী, বর্ধমান পূর্বস্থলী উত্তর থেকে লড়াই করবেন বাপন ঘোষ। ইয়াসিন হায়দার কান্দি থেকে লড়াই করবেন। মালতীপুর থেকে আবদুল মিনাজ শেখ, বেলডাঙা থেকে সৈয়দ আহমেদ কবীর, মানিকচক থেকে আবু শইদ, মালদহ রতুয়া থেকে রয়াল ইসলাম, সুজাপুর থেকে নাসিমুল হক, ভরতপুর থেকে সৈয়দ খুবাইব আমিন সাহেব, বেহালা পূর্ব থেকে অনুপম রোহদগীর, ফরাক্কা থেকে ইমতিয়াজ মোল্লা, হরিহর পাড়া থেকে বিজয় শেখ এবং ভবানীপুর আসনে একজন অবাঙালি মুসলিমকে বেছে নেওয়া হয়েছে। তাঁর নাম আগামী ২২ তারিখে প্রকাশ্যে আসবে।

    আরও পড়ুন: স্বপ্না বর্মণের জীবনে শোকের ছায়া, বাবাকে হারিয়ে ভেঙে পড়লেন তৃণমূলের প্রার্থী

    সূত্রের খবর, তৃণমূলের প্রার্থী তালিকা থেকে বেশ কয়েকজন মুসলিম বিধায়কের নাম বাদ পড়েছে এবার তাঁদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে চাইছেন হুমায়ুন। তাঁর লক্ষ্য তৃণমূলকে উচিত শিক্ষা দেওয়া এবং রাজ্যের মুসলিম ভোট এক করা। এর আগে সিপিআইএমের রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিমের সঙ্গে জোট গঠনের জন্য সাক্ষাৎ করেছিলেন হুমায়ুন। কিন্তু তা ফলপ্রসূ হয়নি। উল্টে এই নিয়ে সিপিআইএমের অন্দরে শুরু হয়েছে বিতর্ক। একজন দেখার বিজেপি দ্বিতীয় দফা ভোটের জন্য কাকে কাকে প্রার্থী তালিকায় জায়গা দেয়।

  • ভোটের আগেই ঝটকা, বদলে গেল হুমায়ুন কবিরের দলের নাম! এবার কী হল?

    ভোটের আগেই ঝটকা, বদলে গেল হুমায়ুন কবিরের দলের নাম! এবার কী হল?

    সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: সামনেই বিধানসভা নির্বাচন। তার আগেই রাজনৈতিক দলগুলি একের পর এক চমক দিচ্ছে। তবে এবার বিরাট ধাক্কা খেল ভরতপুরের বিধায়ক হুমায়ুন কবীর (Humayun Kabir)। নির্বাচন কমিশনের আপত্তির জেরে নবগঠিত রাজনৈতিক দল জনতা উন্নয়ন পার্টির নাম বদলাতে বাধ্য হয়েছেন তিনি। কিন্তু নতুন নাম কী রাখা হল?

    কেন বদলাতে হল দলের নাম?

    রবিবার সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে হুমায়ুন কবীর স্পষ্ট জানিয়েছেন, তাঁর আগের দলের নাম জনতা উন্নয়ন পার্টি ইতিমধ্যেই অন্য আরেক রাজনৈতিক সংগঠন নির্বাচন কমিশনের কাছে নিবন্ধিত করে রেখেছে। তিনি বলেছেন, রুহুল আমিন নামের এক রাজনৈতিক নেতা একই নামে নির্বাচন কমিশনে দলের নাম জমা দিয়ে স্বীকৃতি পেয়েছেন। আর সম্প্রতি দিল্লি থেকে নির্বাচন কমিশনের তরফ থেকে চিঠি এসেছিল। সেখানে বিষয়টি স্পষ্ট করা হয়। এরপর দিল্লিতে গিয়ে আলোচনা করে নাম পরিবর্তন করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। জনতা উন্নয়ন পার্টির পরিবর্তে এখন দলের নতুন নামকরণ করা হচ্ছে “আম জনতা উন্নয়ন পার্টি”।

    হুমায়ুনের দাবি, খুব শীঘ্রই নির্বাচন কমিশনের কাছ থেকে নতুন দলের লোগো এবং প্রতীক পাওয়া যাবে। তিনি জানিয়েছেন, তাঁরা তাঁদের নতুন দলের সঙ্গে কয়েকটি ছোট রাজনৈতিক দলের জোট গড়ানোর কথাবার্তা চলছে। যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল মিম, এসডিপিআই এবং আজাদ সমাজ পার্টি। এছাড়াও রুহুল আমিনের দলকেও জোটে শামিল দেওয়ার প্রস্তাব জানিয়েছেন তিনি এমনটাই খবর।

    আরও পড়ুন: মমতার বিরুদ্ধে হবে ভোটে লড়াই, ভবানীপুরে বিরাট কাজ করলেন শুভেন্দু

    জেনে রাখা ভাল, ধর্মের নামে রাজনীতি করার অভিযোগ তুলে গত বছরের শেষ দিকে হুমায়ুন কবীরকে তৃণমূল কংগ্রেস তাঁদের দল থেকে বহিষ্কৃত করেছিল। তারপর তিনি নিজস্ব রাজনৈতিক দল গঠনের ঘোষণা করেন এবং জনতা উন্নয়ন পার্টি নামে সংগঠন প্রতিষ্ঠা করেন। সম্প্রতি নির্বাচন কমিশনের কাছে প্রতীকের জন্য আবেদন করা হয়েছিল। কিন্তু নাম নিয়ে জটিলতার কারণে এবার তা বদলাতে বাধ্য হলেন ভরতপুরের বিধায়ক।