Tag: Home Guard

  • সিভিক, হোমগার্ডদের ইউনিফর্ম স্টিচিং ভাতা দেবে নবান্ন

    সিভিক, হোমগার্ডদের ইউনিফর্ম স্টিচিং ভাতা দেবে নবান্ন

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ যে কোনও মুহূর্তে বাংলায় বিধানসভা ভোটের দিনক্ষণ ঘোষণা হতে পারে। এরই মাঝে বাংলায় কর্মরত সিভিক ভলান্টিয়ার ও হোমগার্ডদের জন্য রইল সুখবর। পশ্চিমবঙ্গ সরকারের (Government of West Bengal) তরফে সকলের জন্য বিশেষ তোড়জোড় শুরু করা হয়েছে। মিলবে টাকা। আপনিও যদি সিভিক ভলান্টিয়ার ও হোমগার্ড হয়ে থাকেন তাহলে বিশদে জেনে নেবেন।

    সিভিক ভলান্টিয়ার ও হোমগার্ডদের জন্য বিরাট সুখবর

    আসলে এবার পশ্চিমবঙ্গ সরকার সিভিক ভলান্টিয়ার ও হোমগার্ডদের ‘ইউনিফর্ম স্টিচিং অ্যালাওয়েন্স’ দিতে উদ্যত হয়েছে। ভোটের মুখে ইউনিফর্ম সেলাইয়ের টাকা পাবেন ১ লক্ষ ৪০ হাজার সিভিক ভলান্টিয়ার এবং হোমগার্ড। মূলত পশ্চিমবঙ্গ এবং কলকাতা পুলিশের সিভিক ভলান্টিয়ার এবং হোমগার্ডরা এই সুবিধা পাবেন বলে সূত্রের খবর। এই নিয়ে ইতিমধ্যে বেশ কিছু তথ্য চেয়ে পাঠানো হয়েছে। সেইসঙ্গে হিসেব নিয়েও কাজ শুরু করে দিয়েছে সরকার বলে কানাঘুষো শোনা যাচ্ছে।

    এমনিতে বছরে দুটি ইউনিফর্ম তৈরির বর্তমানে বছরে দু’টি ইউনিফর্ম তৈরির জন্য নির্দিষ্ট রঙের কাপড় দিয়ে দেওয়া হয় সিভিক ভলান্টিয়ার ও হোমগার্ডদের। কিন্তু সরকারের তরফে পাঠানো সেই কাপড় সেলাইয়ের টাকা দেওয়া হত না। টাকা বরাদ্দ করত না সরকার। তবে এবার ছবি বদলে গিয়েছে।

    আর্জি অর্থ দফতরে

    শোনা যাচ্ছে, এবার থেকে অর্থ দফতরকে এর জন্য অর্থ বরাদ্দের আর্জি জানানো হচ্ছে। পশ্চিমবঙ্গ এবং কলকাতা পুলিশের প্রস্তাবের উপর ভিত্তি করেই অর্থ দফতরের কাছে ছাড়পত্র চেয়েছে রাজ্য স্বরাষ্ট্র দফতর। এখন প্রশ্ন উঠছে, কে কত টাকা পাবেন এবং কতজনই বা টাকা পাবেন? সরকারি সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রতি ইউনিফর্ম সেলাই বাবদ ৫০০ টাকা করে দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ। আর কলকাতা পুলিশ প্রস্তাব দিয়েছে ৩০০ টাকার। এদিকে সমস্ত দিক খতিয়ে দেখে জিএসটি সহ ৫২০ টাকা করে দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছে স্বরাষ্ট্র দফতর। এখন রাজ্যের অর্থ দফতর সবুজ পতাকা দেখালেই কাজ শুরু হয়ে যাবে। মিলবে টাকা।

    আরও পড়ুনঃ এদের জন্য হরমুজ প্রণালীর দরজা খুলে দিল ইরান, তালিকায় ভারতও? 

    নবান্ন সূত্রে খবর, পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ এলাকায় রয়েছেন ১ লক্ষ ২৪ হাজার ৭১৪ জন সিভিক ভলান্টিয়ার। অন্যদিকে কলকাতা পুলিশ এলাকায় প্রায় ৭৫০০ জন। পশ্চিমবঙ্গ ও কলকাতা পুলিশ মিলিয়ে হোমগার্ডের সংখ্যা ১০,৫০০। এছাড়াও মহিলা হোমগার্ডের সংখ্যা ১৫৩৭। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে এই সংখ্যক মানুষ টাকা পাবেন।

     

  • SIR-র চাপে মৃত ৬১ পরিবারের সদস্যদের হাতে হোমগার্ড পদের নিয়োগপত্র দিলেন মমতা

    SIR-র চাপে মৃত ৬১ পরিবারের সদস্যদের হাতে হোমগার্ড পদের নিয়োগপত্র দিলেন মমতা

    সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: এসআইআর প্রক্রিয়া ঘিরে শুরু হওয়া বিতর্কের আবহে এবার বিরাট সিদ্ধান্ত নিয়েছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) সোমবার কলকাতায় এক অনুষ্ঠানে ৬১ জন মৃত ব্যক্তির পরিবারের হাতে হোমগার্ড পদে চাকরি নিয়োগপত্র তুলে দিয়েছেন। জানা যাচ্ছে, যে ৬১ জন এসআইআর-এর চাপে মৃত্যু হয়েছিল, তাদের পরিবারের সদস্যরাই এই সুযোগ পাচ্ছে। রাজ্য সরকারের দাবি, ভোটার তালিকা সংশোধনের প্রক্রিয়াকে কেন্দ্র করে চরম মানসিক চাপের জেড়ে এই ব্যক্তিরা প্রাণ হারিয়েছেন।

    দোলের অনুষ্ঠানে নিয়োগপত্র প্রদান

    কলকাতায় দোল উৎসব উপলক্ষে আয়োজিত একটি কর্মসূচিতে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজেই এই নিয়োগপত্র তুলে দেন। অনুষ্ঠানের দিন নির্বাচন কমিশনের সমালোচনা করে তিনি বলেছেন যে, ভোটারদের নাম ভুল ভাবে বাদ দেওয়া এবং আন্ডার অ্যাডজুডিকেশন তালিকায় ফেলে রাখার ফলে বহু মানুষ এখন আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছে। মুখ্যমন্ত্রীর অভিযোগ, এক ব্যক্তি আন্ডার অ্যাডজুডিকেশন শ্রেণীতে পড়ার পর এতটাই মানসিক চাপ পড়েছেন যে স্ট্রোকে আক্রান্ত হয়ে মারা গিয়েছেন।

    সরকারের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, পশ্চিমবঙ্গে চূড়ান্ত ভোটার তালিকায় মোট ৭ কোটি ৪ লক্ষ ভোটারের নাম রয়েছে। যার মধ্যে ৬০ লক্ষ নাম আন্ডার অ্যাডজুডিকেশন হিসেবে চিহ্নিত। এমনকি মামলাগুলি বর্তমানে ৫০১ জন বিচার বিভাগীয় আধিকারিকের তত্ত্বাবধানে রয়েছে। আর রাজ্যে শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেসের তরফ থেকে দাবি করা হচ্ছে যে, এসআইআর প্রক্রিয়ার কারণে রাজ্যে একাধিক ব্যক্তি মানসিক চাপে অসুস্থ রয়েছেন এবং আত্মহত্যার ঘটনা ঘটছে।

    আরও পড়ুন: তৃণমূলের পর এবার বিজেপির চমক! রাজ্যসভায় প্রার্থী হলেন রাহুল সিনহা

    এদিকে গত বছর মুখ্যমন্ত্রী মৃতদের নিকট আত্মীয়দের জন্য ২ লক্ষ টাকার আর্থিক সহায়তার কথা ঘোষণা করেছিলেন বলে রিপোর্ট অনুযায়ী খবর। আর এবার তার সঙ্গে সরকারি চাকরির সুযোগও দেওয়া হল। তৃণমূল কংগ্রেসের বক্তব্য, মা-মাটি মানুষ সরকার ৬১টি শোকাহত পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল এবং তা পূরণ করেছে।