Tag: High-speed rail

  • ২৫০ কিমি গতিতে ছুটবে স্বদেশী বুলেট ট্রেন, ১৬টি হাই-স্পিড ট্রেন সেটের অর্ডার

    ২৫০ কিমি গতিতে ছুটবে স্বদেশী বুলেট ট্রেন, ১৬টি হাই-স্পিড ট্রেন সেটের অর্ডার

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ কবে চালু হবে দেশের প্রথম বুলেট ট্রেন (Bullet Train)? এই প্রশ্ন এখন সকলের। রেল সূত্রে খবর, বিভিন্ন ধাপে এই ট্রেনের পথচলা শুরু হবে। এরই মাঝে উচ্চাকাঙ্খী এই বুলেট ট্রেন প্রকল্প নিয়ে সামনে এল বড় আপডেট। জানা গিয়েছে, মুম্বাই-আহমেদাবাদ বুলেট ট্রেন করিডোরের একটি বড় ক্রয় প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণের মাধ্যমে বিইএমএল (BEML) ভারতের দ্রুতগতির রেল নিয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নিয়েছে। সংস্থাটি মেধা সার্ভো ড্রাইভসের সঙ্গে অংশীদারিত্ব করেছে এবং এই প্রকল্পের জন্য অতিরিক্ত ট্রেনসেট সরবরাহ করতে একটি দরপত্র জমা দিয়েছে।

    বুলেট ট্রেন নিয়ে বড় আপডেট

    BEML মেধা কনসোর্টিয়াম ন্যাশনাল হাই-স্পিড রেল কর্পোরেশনকে ১৬টি দ্রুতগতির ট্রেনসেট সরবরাহ করার জন্য একটি প্রস্তাব জমা দিয়েছে। এর আগে ২০২৪ সালে ৮৬৬ কোটি টাকা মূল্যের দুটি প্রোটোটাইপ ট্রেনসেটের জন্য একটি চুক্তি হয়েছিল। দীর্ঘমেয়াদী রক্ষণাবেক্ষণ খরচ সহ প্রস্তাবিত নতুন ট্রেনসেটগুলির প্রতিটির আনুমানিক ব্যয় প্রায় ২৫০ কোটি টাকা হবে বলে আশা করা হচ্ছে। এই কাঠামোর অধীনে, বিইএমএল মূল কাঠামোগত এবং অভ্যন্তরীণ উপাদানগুলির দায়িত্ব নেবে, আর মেধা (Medha) প্রোপালশন সিস্টেম, বগি এবং ট্রেন নিয়ন্ত্রণ প্রযুক্তির জন্য দায়ী থাকবে। চূড়ান্ত মূল্য আরও আলোচনার সাপেক্ষে নির্ধারিত হবে।

    ঘণ্টায় ২৫০ কিমি গতিতে ছুটবে ট্রেন!

    সূত্রের খবর, এই ট্রেনগুলো ঘণ্টায় ২৫০ কিমি পর্যন্ত গতিতে চলার জন্য ডিজাইন করা হয়েছে, যার সর্বোচ্চ ধারণক্ষমতা ঘণ্টায় ২৮০ কিমি। আশা করা হচ্ছে, অতিরিক্ত ট্রেনসেটগুলোও প্রোটোটাইপের মতোই একই ডিজাইন প্ল্যাটফর্ম অনুসরণ করবে এবং সময়ের সাথে সাথে এতে আরও উন্নতি ঘটানো হবে। প্রকল্পটির একটি প্রধান লক্ষ্য হলো দেশীয় উৎপাদনের পরিমাণ বৃদ্ধি করা। প্রাথমিক ট্রেনসেটগুলিতে প্রায় ৫০% স্থানীয় যন্ত্রাংশ থাকবে বলে অনুমান করা হচ্ছে এবং সরবরাহ ব্যবস্থা পরিপক্ক হওয়ার সাথে সাথে এই অনুপাত আরও বাড়বে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

    আরও পড়ুনঃ নিম্নচাপের কাঁটায় দক্ষিণবঙ্গের ৬ জেলায় ভারী বৃষ্টির ভ্রূকুটি! আজকের আবহাওয়া

    প্রথম প্রোটোটাইপ ট্রেনসেটগুলির পথচলা আগামী ২০২৭ সালের মার্চের মধ্যে হবে বলে আশা করা হচ্ছে। ২০২৭ সাল থেকে পর্যায়ক্রমে বাণিজ্যিক কার্যক্রম শুরু হবে, যার সূচনা হবে সুরাট-বিলিমোরা অংশ দিয়ে। এই সুবিশাল করিডোরটি মহারাষ্ট্র ও গুজরাট জুড়ে ৫০৮ কিলোমিটার বিস্তৃত এবং ১২টি স্টেশনের একটি নেটওয়ার্কের মাধ্যমে প্রধান শহরগুলোকে সংযুক্ত করেছে।

     

  • মুম্বই-আহমেদাবাদের পর দক্ষিণ ভারতেও প্রথম বুলেট ট্রেন, মিলল আপডেট

    মুম্বই-আহমেদাবাদের পর দক্ষিণ ভারতেও প্রথম বুলেট ট্রেন, মিলল আপডেট

    বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: 2026-27 নতুন আর্থিক বছরের বাজেট পেশ করেই কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ 4000 কিলোমিটার দীর্ঘ সাত সাতটি নতুন হাই স্পিড রেল করিডোর (Bullet Train) পরিকল্পনা উন্মোচন করেন। রেল সূত্রে খবর, কমপক্ষে 16 লাখ কোটি টাকা বিনিয়োগ করে দেশের 7টি হাই স্পিড বা বুলেট ট্রেন রেল করিডোর এর কাজ চলবে। এর মধ্যে দক্ষিণ ভারতের প্রথম এবং গুরুত্বপূর্ণ বুলেট ট্রেন (Hyderabad-Chennai Bullet Train) প্রকল্প হায়দরাবাদ-চেন্নাই হাই স্পিড রেল করিডোর। এবার তা নিয়েই মিলল নতুন আপডেট।

    মাত্র 2 ঘন্টা 55 মিনিটে হায়দরাবাদ থেকে চেন্নাই

    কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলার ঘোষণা অনুযায়ী, যে সাতটি নতুন উচ্চগতির রেল করিডরের ঘোষণা করা হয়েছে তার মধ্যে মুম্বই-পুনে রেল করিডোরের মাধ্যমে মাত্র 48 মিনিটে যাত্রা শেষ করা যাবে। অন্যদিকে চেন্নাই থেকে বেঙ্গালুরু পর্যন্ত যেতে বুলেট ট্রেনে সময় লাগবে 1 ঘন্টা 13 মিনিট। এদিকে বেঙ্গালুরু থেকে হায়দরাবাদ বুলেট ট্রেনে মাত্র 2 ঘন্টায় গন্তব্যে পৌঁছে যাবেন যাত্রীরা। সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য বিষয়, চেন্নাই থেকে হায়দরাবাদ পর্যন্ত যে নতুন হাই স্পিড রেল করিডোর তৈরি হচ্ছে তার দৌলতে বুলেট ট্রেনে করে 2 ঘন্টা 55 মিনিটে গন্তব্যে পৌঁছন যাবে।

    বলাই বাহুল্য, হায়দরাবাদ-চেন্নাই হাই স্পিড রেল করিডোর আসলে দক্ষিণ ভারতের প্রথম বুলেট ট্রেন প্রকল্প। রেলমন্ত্রক সূত্রে খবর, এই প্রকল্পের মাধ্যমে দক্ষিণ ভারতের হায়দরাবাদ, বেঙ্গালুরু, চেন্নাই এবং অমরাবতীকে সংযুক্ত করা যাবে। রেল সূত্রে পাওয়া সর্বশেষ আপডেট অনুযায়ী, দক্ষিণ ভারতের প্রথম বুলেট ট্রেন হায়দরাবাদ-চেন্নাই হাই স্পিড রেল করিডোরে এই মুহূর্তে প্রকল্পের সম্ভাব্যতা যাচাই (Feasibility Study) ও চূড়ান্ত সমীক্ষার কাজ চলছে।

     

    অবশ্যই পড়ুন: LPG সঙ্কটের মাঝে PNG কানেকশনে ৫০০ টাকা ছাড়ের ঘোষণা, কারা পাবেন জানুন

    উল্লেখ্য, উপরি উক্ত উচ্চগতির রেল করিডোর ছাড়াও পুনে থেকে হায়দরাবাদ রেল করিডোরের মাধ্যমে মাত্র 1 ঘন্টা 55 মিনিটে পৌঁছান যাবে গন্তব্যে। একই সাথে বেঙ্গালুরু থেকে হায়দরাবাদ যাত্রায় সময় লাগবে 2 ঘন্টার কাছাকাছি। এছাড়াও দিল্লি-বারাণসী বুলেট ট্রেনে গন্তব্যে পৌঁছতে সময় লাগবে 3 ঘন্টা 50 মিনিট। এদিকে বাংলার প্রথম বুলেট ট্রেন বারানসী-শিলিগুড়ি পরিষেবায় 2 ঘন্টা 55 মিনিটের মধ্যেই গন্তব্যে পৌঁছতে পারবেন যাত্রীরা।

  • শীঘ্রই ছুটবে প্রথম মেড ইন ইন্ডিয়া বুলেট ট্রেন, কবে থেকে টিকিট বুকিং শুরু?

    শীঘ্রই ছুটবে প্রথম মেড ইন ইন্ডিয়া বুলেট ট্রেন, কবে থেকে টিকিট বুকিং শুরু?

    সহেলি মিত্র, কলকাতা: যত সময় এগোচ্ছে ততই আরও আধুনিক হচ্ছে ভারতীয় রেল (Indian Railways)। ট্রেন দেরির সমস্যা একদিকে যেমন রয়েছে তেমনই কিন্তু অন্যদিকে বন্দে ভারত এক্সপ্রেস, বন্দে ভারত স্লিপার, তেজস এক্সপ্রেসের মতো কিছু প্রিমিয়াম এবং হাইস্পিড ট্রেনও রয়েছে। এখন তো আবার বুলেট ট্রেন করিডর (Bullet Train) তৈরী হচ্ছে। ভারতের প্রথম মেড ইন ইন্ডিয়া বুলেট ট্রেন মুম্বাই-আহমেদাবাদের মধ্যে চলবে। কাজ অনেকটাই হয়ে এসেছে বলে জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব। এখন প্রশ্ন উঠছে, তাহলে কবে থেকে বুলে ট্রেনের টিকিট কাটা যাবে? ভাড়াই বা কত হবে? চলুন জেনে নেওয়া যাক।

    বুলেট ট্রেনের বুকিং কবে থেকে শুরু হবে?

    বুলেট ট্রেনের কাজ কিছুটা হলেও ২০২৭ সালের মধ্যে শেষ হবে বলে খবর। বুলেট ট্রেনের প্রাথমিক কার্যক্রম শুরু হবে করিডোরের ৯৭ কিলোমিটার সুরাট-ভাপি অংশে বলে খবর। ৫০৮ কিলোমিটারের পুরো ট্র্যাকটি ২০২৯ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে সম্পন্ন হতে পারে।আহমেদাবাদ-মুম্বাই হাই স্পিড রেল করিডোর প্রকল্পটি এনএইচআরএসসিএল দ্বারা তৈরি করা হচ্ছে। সরকার জানিয়েছে যে ২৮০ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টা গতিতে সক্ষম B28 ভারত-নির্মিত বুলেট ট্রেন স্থাপনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, যখন অন্যান্য উন্নত ট্রেন সেটের কাজ অব্যাহত রয়েছে। যদিও ট্রেনের বুকিং প্রক্রিয়া কবে শুরু হবে এই বিষয়ে কিছু জানা যায়নি।

    বুলেট ট্রেনের রুট

    এই বুলেট ট্রেন প্রকল্পটি ভারতের জন্য একটি বড় পদক্ষেপ। এর সমাপ্তি ভ্রমণের সময় উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস করবে এবং দেশের উন্নয়নকে এগিয়ে নিয়ে যাবে। যদিও ক্রমবর্ধমান ব্যয় এবং বিলম্ব উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে, সরকার যত তাড়াতাড়ি সম্ভব এটি সম্পন্ন করার জন্য প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। এই প্রকল্পটি উচ্চ-গতির রেলের ক্ষেত্রে ভারতকে একটি নতুন পরিচয় দেবে। রেলমন্ত্রী বলেন, বুলেট ট্রেন করিডোরটি পর্যায়ক্রমে চালু করা হবে। তিনি বলেন, প্রথম কার্যকরী অংশটি হবে সুরাট-বিলিমোরা রুট, তারপরে ভাপি-সুরাট। এরপর, ভাপি-আহমেদাবাদ অংশটি খোলা হবে, তারপরে থানে-আহমেদাবাদ রুটে পরিষেবা চালু হবে।

    আরও পড়ুনঃ হাওড়াগামী বহু ট্রেনের নম্বর, বিভাগ বদলাচ্ছে রেল! ভ্রমণের আগে দেখুন তালিকা

    তিনি বলেন, চূড়ান্ত পর্যায়ে পুরো মুম্বাই-আহমেদাবাদ হাই-স্পিড রেল করিডোরটি চালু হবে।508-কিমি মুম্বাই-আমেদাবাদ হাই স্পিড রেল (MAHSR) প্রকল্পে ১২টি স্টেশন থাকবে (মুম্বাই, থানে, ভিরার, বোইসার, ভাপি, বিলিমোরা, সুরাট, ভরুচ, ভাদোদরা, আনন্দ, আহমেদাবাদ এবং সবরমতি)। একবার চালু হয়ে গেলে, এটি মুম্বাই এবং আহমেদাবাদের মধ্যে ভ্রমণের সময় মাত্র ২ ঘন্টা ৭ মিনিট (১২৭ মিনিট) কমিয়ে আনবে।

  • এয়ারপোর্ট অবধি ছুটবে হাইস্পিড ট্রেন! ৭০ কিমি মাত্র ২১ মিনিটে, বিরাট প্ল্যান রেলের

    এয়ারপোর্ট অবধি ছুটবে হাইস্পিড ট্রেন! ৭০ কিমি মাত্র ২১ মিনিটে, বিরাট প্ল্যান রেলের

    সহেলি মিত্র, কলকাতা: মেট্রো অতীত, এবার বিমানবন্দর অবধি হাইস্পিড ট্রেন (High-speed Rail) চালানোর পরিকল্পনা শুরু রেলের। জানা গিয়েছে, রেলের তরফে এমন এক ট্রেন চালানো হবে যা ৭০ কিমি রাস্তা মাত্র ২১ মিনিটে পার করবে। শীঘ্রই ছুটতে পারে বুলেট ট্রেন। আরও বিশদে জানতে চোখ রাখুন আজকের এই প্রতিবেদনটির ওপর।

    এবার বিমানবন্দর অবধি হাইস্পিড ট্রেন চালাবে রেল

    আসলে রেলের তরফে এমন এক পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে যার দরুণ লাভবান হবেন দিল্লি-এনসিআর-এর মানুষ। এখন নয়ডা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছানো আরও সহজ হবে। কোনও যানজট হবে না, বরং আসা যাওয়া আরও দ্রুত হবে। মূলত দিল্লি এবং নয়ডা বিমানবন্দরের মধ্যে একটি বুলেট ট্রেন (Bullet Train) চালু করার কাজ চলছে। এর ফলে আপনি দিল্লি থেকে সরাসরি নয়ডা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর অর্থাৎ জেওয়ার বিমানবন্দর (Jewer Airport) অবধি অনায়াসেই বলা ভালো চোখের নিমিষে পৌঁছাতে পারবেন। নয়ডা বিমানবন্দরকে বুলেট ট্রেন প্রকল্পের সাথে সংযুক্ত করার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।

    মঙ্গলবার ন্যাশনাল হাই-স্পিড রেল কর্পোরেশন লিমিটেড (NHSRCL) এর কর্মকর্তারা যমুনা কর্তৃপক্ষের সদর দপ্তর পরিদর্শন করেছেন। জমির প্রাপ্যতা, যাত্রী ধারণক্ষমতা এবং বিমানবন্দরের কাছে একটি স্টেশনের নকশা নিয়ে আলোচনা হয়েছে।  রেল কর্মকর্তাদের মতে, বুলেট ট্রেনের জন্য বিমানবন্দরের কাছে একটি ভূগর্ভস্থ স্টেশন উপযুক্ত বলে বিবেচিত হচ্ছে।

    কী বলছেন রেল কর্তারা?

    কর্মকর্তারা বলছেন যে জেওয়ার বিমানবন্দরটি দিল্লি থেকে বারাণসী পর্যন্ত প্রস্তাবিত উচ্চ-গতির বুলেট ট্রেনের সাথে সংযুক্ত হবে। এর ডিপিআর প্রস্তুত করার প্রক্রিয়া চলছে। মঙ্গলবার NHSRCSL-এর একটি দল যমুনা কর্তৃপক্ষের সাথে এর সারিবদ্ধকরণ চূড়ান্ত করতে পরিদর্শন করেছে। NHSRCSL-এর  প্রধান প্রকল্প ব্যবস্থাপক সুধীর কুমার গুপ্ত সিইও রাকেশ কুমার সিং এবং এসিইও শৈলেন্দ্র ভাটিয়ার সাথে দেখা করেছেন।

    ২টি ভূগর্ভস্থ স্টেশন তৈরি করা হবে

    সিইও শৈলেন্দ্র ভাটিয়া জানিয়েছেন যে নয়ডায় দুটি ভূগর্ভস্থ স্টেশন তৈরির পরিকল্পনা করা হয়েছে। একটি গ্রেটার নয়ডায় অবস্থিত সেক্টর ১৪৮-এ থাকবে। দ্বিতীয় স্টেশনটি নয়ডায় আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কাছে জেওয়ারে নির্মিত হবে। নয়ডায় বিমানবন্দরের গ্রাউন্ড ট্রান্সপোর্টেশন সেন্টারের (জিটিসি) মধ্যে ভূগর্ভস্থ এই স্টেশনটি তৈরির পরিকল্পনা করা হয়েছে। বিমানবন্দরের জিটিসিতে মেট্রো এবং নমো ভারত ভূগর্ভস্থ স্টেশন ইতিমধ্যেই প্রস্তাবিত। রেলওয়ে এই স্থান থেকে চোলা এবং রুন্ধির সাথে রেল ট্র্যাকের মাধ্যমে নয়ডায় বিমানবন্দরকে সংযুক্ত করার পরিকল্পনা করেছে।

    আরও পড়ুনঃ LPG সঙ্কটের মাঝে যাত্রীদের খাবারের জন্য রেলের ক্যান্টিনকে বড় নির্দেশ IRCTC-র

    মাত্র ২০ মিনিটে যাওয়া যাবে বিমানবন্দরে

    রেল কর্তারা বলছেন যে বুলেট ট্রেন প্রকল্পটি সম্পন্ন হলে, দিল্লির সরাই কালে খান থেকে নয়ডা বিমানবন্দর পর্যন্ত ৭০ কিলোমিটার যাত্রায় প্রায় ২০ মিনিট সময় লাগবে। বেশিরভাগ রুটটি উঁচু করে তৈরি করা হবে। এটি নয়ডা এবং গ্রেটার নয়ডার মধ্যে এক্সপ্রেসওয়ের কেন্দ্রীয় প্রান্তে নির্মিত হওয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে। এর পরে, যমুনা এক্সপ্রেসওয়ের মাধ্যমে বিমানবন্দরের সাথে একটি সারিবদ্ধকরণ তৈরি করা হবে।

  • সাধ্যের মধ্যেই হতে পারে ভারতের প্রথম বুলেট ট্রেনের ভাড়া, কত? দেখুন রিপোর্ট

    সাধ্যের মধ্যেই হতে পারে ভারতের প্রথম বুলেট ট্রেনের ভাড়া, কত? দেখুন রিপোর্ট

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ দেশে কবে ছুটবে প্রথম বুলেট ট্রেন (Bullet Train)? সেই অপেক্ষায় দিন গুনছেন সমগ্র ভারতবাসী। ইতিমধ্যে কাজ অনেকটাই হয়েছে বলে জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় রেল মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব। দেশের প্রথম বুলেট ট্রেন মুম্বাই-আহমেদাবাদে ছুটবে বলে জানা গিয়েছে। প্রায়শই এই বিষয়ে আপডেট সামনে আসছে। কিন্তু এবার সামনে এল বুলেট ট্রেনের ভাড়া (Bullet Train Fare) কত হবে সেটা নিয়ে। দাম কি আকাশছোঁয়া হবে নাকি বাজেটের মধ্যেই হবে? চলুন জেনে নেওয়া যাক।

    কত হবে ভারতের প্রথম বুলেট ট্রেনের ভাড়া?

    এখন সকলের মুখে একটাই প্রশ্ন, কবে ছুটবে, স্পিড কত হবে, বুলেট ট্রেনের ভাড়া কত হবে? সাধারণ মানুষের যেন আর তড় সইছে না। ইতিমধ্যে দেশে বন্দে ভারত থেকে শুরু করে শতাব্দী এক্সপ্রেস, তেজস এক্সপ্রেসের মতো কিছু সেমি হাইস্পিড এবং প্রিমিয়াম ট্রেন ছুটছে। আগামী দিনে দেশে আরও সংখ্যা বাড়বে এই ট্রেনগুলির। অপরদিকে কেন্দ্রীয় বাজেট ২০২৬ পেশ করে সরকার দেশে আরও ৭টি হাইস্পিড রেল করিডোরের ঘোষণা করে। এর ফলে স্বাভাবিকভাবেই সরকারের ওপর বিশেষ নজর পড়েছে মানুষের। যাইহোক, আজ কথা হচ্ছে বুলেট ট্রেনের ভাড়া কত হতে পারে সেই বিষয়ে। এই বিষয়ে সরকারের তরফে এখনও অবধি আনুষ্ঠানিক কিছু ঘোষণা করা হয়নি বটে। তবে এই মর্মে একটি বিশেষ আপডেট সামনে এসেছে।

    ৩০০০ টাকা অবধি ভাড়া হতে পারে?

    সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া এক রিপোর্ট অনুযায়ী, মুম্বাই -আহমেদাবাদের মধ্যে প্রথম বুলেট ট্রেনের ভাড়া খুবই সাশ্রয়ী মূল্যের হতে চলেছে। অর্থাৎ সাধারণ যাত্রীদের নাগালের মধ্যেই দাম থাকতে পারে বলে NHSRCL সূত্রে খবর। আবার কিছু জায়গায় এও দাবি করা হয়েছে, সরকার বুলেট ট্রেনের টিকিটের দাম একটি ফ্লাইট বা এসি ট্রেনের সমান রাখার প্ল্যান করছে।

    আরও পড়ুনঃ অবশেষে বকেয়া DA দিচ্ছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার? ২০ মার্চের মধ্যে বিশেষ কাজ করার নির্দেশ নবান্নের

    পুরো রুট অর্থাৎ মুম্বাই থেকে আহমেদাবাদ এবং আহমেদাবাদ থেকে মুম্বাই যাওয়ার জন্য প্রায় ৩০০০ টাকা অবধি হতে পারে বলে সূত্রের খবর। এই ভাড়া অনেকের কাছে কম তো আবার অনেকের কাছে বেশি হতে পারে। সঙ্গে এও প্রশ্ন উঠছে, যদি টিকিটের মূল্য প্রায় ৩০০০ হয় তাহলে ভারতের কতজন মানুষ সত্যিই নিয়মিতভাবে বুলেট ট্রেন ব্যবহার করবেন? প্রশ্ন কিন্তু থেকেই যাচ্ছে। যদিও চূড়ান্ত বিষয়ে জানার জন্য সরকারের বিজ্ঞপ্তির জন্য অপেক্ষা করতেই হবে।

  • বিমানের মতো সুবিধা, স্পিড ২০০ কিমি! তেজস এক্সপ্রেস থেকে কেমন আয় রেলের?

    বিমানের মতো সুবিধা, স্পিড ২০০ কিমি! তেজস এক্সপ্রেস থেকে কেমন আয় রেলের?

    সহেলি মিত্র, কলকাতা: যত সময় এগোচ্ছে ততই ভারতে হাইস্পিড ট্রেন, হাইস্পিড রেল করিডরের দাবি বাড়ছে। ইতিমধ্যেই দেশে বন্দে ভারত, শতাব্দী এক্সপ্রেস,গতিমান এক্সপ্রেসের মতো কিছু সেমি হাইস্পিড এবং প্রিমিয়াম ট্রেন চলছে। তবে, খুব কম লোকই জানেন যে গতির দিক থেকে দেশের দ্রুততম ট্রেন হল তেজস এক্সপ্রেস (Tejas Express)। ভারতের প্রথম কর্পোরেট-ধাঁচের যাত্রীবাহী ট্রেন হিসাবে বিবেচিত, এটি আইআরসিটিসি তরফে পরিচালিত হয়। এই ট্রেনে উঠলে একদম রয়্যাল অনুভূতি পাবেন। মনে হবে বিমানে উঠেছেন।

    ভারতের দ্রুতগামী ট্রেন হল এটি

    ২০১৯ সালে এটি নয়াদিল্লি-লখনউ রুটে চালু হয় তেজস এক্সপ্রেস। পরবর্তীতে ২০২০ সালে আহমেদাবাদ-মুম্বাই রুটে দ্বিতীয় পরিষেবা চালু করা হয়। ট্রেনটি প্রিমিয়াম বিভাগে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। যাত্রীদের একদম বিমানের মতো অভিজ্ঞতা প্রদান করছে। প্রযুক্তিগতভাবে, তেজস এক্সপ্রেস ২০০ কিমি/ঘন্টা গতিতে পৌঁছাতে সক্ষম। তবে, বিদ্যমান ট্র্যাক সীমাবদ্ধতার কারণে, এটি কেবল ১৬০ কিমি/ঘন্টা পর্যন্ত চলতে পারে, অর্থাৎ বন্দে ভারতের সমান।

    সুযোগ-সুবিধা মিলবে একদম বিমানের মতো

    তেজস এক্সপ্রেসের বৈশিষ্ট্য কেবল এর গতি নয়, এর প্রিমিয়াম সুযোগ-সুবিধাও। যাত্রীরা ট্রেনে ওঠার সঙ্গে সঙ্গে পানীয় জল,  অনলাইন খাবার নির্বাচন, সংবাদপত্র, প্রতিটি আসনে LED স্ক্রিন, ওয়াই-ফাই এবং চার্জিং পয়েন্টের মতো সুযোগ-সুবিধা উপভোগ করেন। অটোমেটিক দরজা, বায়ো -ভ্যাকুয়াম টয়লেট এবং সিসিটিভি নজরদারি এই তেজস এক্সপ্রেস ট্রেনটিকে আধুনিক করে তোলে। ট্রেনটি একটি ভ্রমণ বীমা প্ল্যানও অফার করে। ট্রেন দেরির ক্ষেত্রে ক্ষতিপূরণ প্রদান করে।

    তেজস এক্সপ্রেসের আয়

    তেজস এক্সপ্রেস বেসরকারি অংশগ্রহণের একটি সফল মডেল হিসেবেও আবির্ভূত হয়েছে। রেলের রিপোর্ট অনুসারে, ২০২৫-২৬ অর্থবছরের তৃতীয় প্রান্তিকে এটি প্রায় ৫০ কোটি টাকা আয় করেছে। দিল্লি-লখনউ রুটে আসন দখল ছিল ৬৯% এবং আহমেদাবাদ-মুম্বাই রুটে এটি ১০০% এরও বেশি, যা এর জনপ্রিয়তা প্রমাণ করে।

    আরও পড়ুনঃ সাবধান করেছিল সুপ্রিম কোর্ট, এবার লক্ষ্মীর ভাণ্ডার নিয়ে যা বলল SBI

    আর কী কী হাইস্পিড ট্রেন রয়েছে?

    ভারতে অনেক ট্রেন উচ্চ গতির জন্য ডিজাইন করা হয়েছে, কিন্তু ট্র্যাক এবং সিগন্যালিং সীমাবদ্ধতার কারণে, তারা নিয়মিতভাবে তাদের সর্বোচ্চ নকশা গতিতে চলে না। উদাহরণস্বরূপ, বন্দে ভারত এক্সপ্রেসের এমনি গতি ১৮০ কিমি/ঘন্টা, যেখানে এর পরিচালনা গতি ১৬০ কিমি/ঘন্টা। গতিমান এক্সপ্রেসের এমনি এবং পরিচালনা গতি উভয়ই ১৬০ কিমি/ঘন্টা। রাজধানী এক্সপ্রেসের সর্বোচ্চ গতি ১৩০-১৪০ কিমি/ঘন্টা এবং পরিচালনা গতি প্রায় ১৩০ কিমি/ঘন্টা, যেখানে শতাব্দী এক্সপ্রেস ১৫০ কিমি/ঘন্টা এবং পরিচালনা গতি ১৩০-১৫০ কিমি/ঘন্টা। অর্থাৎ ইচ্ছা থাকলেও জোরে চালানোর অনুমতি নেই ট্রেনগুলির।

  • দু ঘন্টায় পৌঁছে যান হায়দরাবাদ! হাই স্পিড রেল করিডোর নিয়ে তৎপর রেল

    দু ঘন্টায় পৌঁছে যান হায়দরাবাদ! হাই স্পিড রেল করিডোর নিয়ে তৎপর রেল

    বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: কেন্দ্রীয় বাজেটে তুলে ধরা হয়েছিল বেঙ্গালুরু-হায়দরাবাদ হাই স্পিড রেল করিডোরের (Bengaluru-Hyderabad High Speed Rail) বিষয়টি। আর তারপরেই এই বিশেষ রেল করিডোর নিয়ে তৎপর হয়েছে সেন্ট্রাল রেলওয়ে। রিপোর্ট অনুযায়ী, সম্প্রতি বেঙ্গালুরু থেকে হায়দরাবাদ পর্যন্ত হাই স্পিড রেল করিডোর নিয়ে আলোচনার জন্য কর্নাটকে পৌঁছেছিলেন সেন্ট্রাল রেলওয়ের কর্মকর্তারা। সিংহভাগেরই আশা, ভারতীয় রেলের (Indian Railways) বিশেষ প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে চেহারা পাল্টে যাবে দক্ষিণ ভারতের পরিবহন ব্যবস্থার।

    মাত্র দু’ঘণ্টায় পৌঁছে যাবেন হায়দরাবাদ

    বর্তমান সময়ে এক্সপ্রেস ট্রেনে চেপে বেঙ্গালুরু থেকে হায়দরাবাদ পর্যন্ত 606 কিলোমিটার পথ পাড়ি দিতে সময় লাগে প্রায় সাড়ে আট ঘন্টা। তবে ভারতীয় রেলের একটি সূত্র দাবি করছে, বেঙ্গালুরু থেকে হায়দরাবাদ পর্যন্ত নতুন হাই স্পিড রেল করিডোর তৈরি হয়ে গেলে এই পথ ধরে হায়দরাবাদ পর্যন্ত 606 কিলোমিটার পথ পাড়ি দিতে সময় লাগবে মাত্র দু’ঘণ্টা।

    সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য বিষয়, এই করিডোরটিকে এমন ভাবে ডিজাইন করা হচ্ছে যাতে এই রেল ট্র্যাক দিয়ে সর্বোচ্চ 350 কিলোমিটার প্রতি ঘন্টায় ছুটতে পারে ট্রেন। আপাতত যা খবর, এই রেল করিডোরের 100 কিলোমিটার অংশ থাকবে কর্নাটকের মধ্যেই। জানা যাচ্ছে, এই হাই স্পিড রেল করিডোর বা রেললাইনটি তুমাকুরু জেলা হয়ে প্রবেশ করবে।

     

    এছাড়াও এই করিডোরে ট্রেনের দীর্ঘ যাত্রাপথে থাকবে তিনটি কৌশলগত স্টেশন। এর মধ্যে প্রথম স্টেশনটি চিক্কাবল্লাপুরে অবস্থিত আলিপুর স্টেশন, দেভানাহল্লি স্টেশন এবং কোডিহাল্লি স্টেশন থাকছে। না বললেই নয়, এর মধ্যে প্রথম স্টেশনটি অর্থাৎ আলিপুর স্টেশন হবে হাই স্পিড করিডোরে প্রবেশের প্রথম স্টেশন। এছাড়াও তিন নম্বর সেশনটি হবে মেগা জংশন। সবচেয়ে বড় কথা, এই দীর্ঘ যাত্রাপথে 12টি স্টেশন তৈরির পরিকল্পনা চলছে বলেই খবর।

    অবশ্যই পড়ুন: বজ্রবিদ্যুৎ সহ শিলাবৃষ্টি, দক্ষিণবঙ্গের ৬ জেলায় সতর্কতা! আজকের আবহাওয়া

    ওয়াকিবহাল মহলের আশা, বেঙ্গালুরু থেকে হায়দরাবাদ পর্যন্ত বিশেষ হাই স্পিড রেল করিডোর তৈরি হলে দেশের দুই গুরুত্বপূর্ণ শহরের মধ্যে যেমন যোগাযোগ বাড়বে তেমনই দুই শহরের মধ্যে আর্থিক ক্ষেত্রেও জোয়ার আসবে। সবচেয়ে বড় কথা, বেঙ্গালুরু থেকে হায়দরাবাদ পর্যন্ত নিয়মিত যাতায়াতকারী যাত্রীরা অল্প সময়ে নিজেদের কাজ মিটিয়ে ফিরে আসতে পারবেন। সরকারি সূত্র মারফত খবর, এই প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য এখনও 176 হেক্টর জমি অধিগ্রহণ করা প্রয়োজন। আশা করা হচ্ছে, খুব শীঘ্রই সেই কাজ সম্পন্ন হলেই বিশেষ প্রকল্পের নির্মাণ কাজে হাত লাগাবে রেল।

  • এক ধাক্কায় খরচ বাড়ল ৯০ হাজার কোটি, দেশের প্রথম বুলেট ট্রেন নিয়ে দুঃসংবাদ!

    এক ধাক্কায় খরচ বাড়ল ৯০ হাজার কোটি, দেশের প্রথম বুলেট ট্রেন নিয়ে দুঃসংবাদ!

    বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: দেশের প্রথম বুলেট ট্রেন (India’s First Bullet Train) নিয়ে অপেক্ষা বেড়েই চলেছে। কার্যত প্রতিবারই সম্ভাব্য দিনক্ষণ ঠিক করেও পিছিয়ে যেতে হচ্ছে রেলমন্ত্রককে। মুম্বই-আহমেদাবাদ বুলেট ট্রেন প্রকল্পে জমি অধিগ্রহণে বিলম্ব এবং নির্মাণ কাজে দেরি হওয়ার কারণে লাফিয়ে বাড়ছে রেলের ব্যয়। একাধিক রিপোর্ট অনুযায়ী, ভারতের প্রথম বুলেট ট্রেন প্রকল্পের আনুমানিক ব্যয় ইতিমধ্যেই 83 শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। প্রাথমিকভাবে এই প্রকল্পের আনুমানিক ব্যয় রাখা হয়েছিল প্রায় 1.08 লাখ কোটি টাকা। এবার তা বেড়ে হয়েছে 1.98 লাখ কোটি টাকা। অর্থাৎ এক ধাক্কায় খরচ বেড়েছে, 90 হাজার কোটি টাকা। যা দেশের প্রথম বুলেট ট্রেন প্রকল্প নিয়ে আদতেই দুঃসংবাদ! যদিও বুলেট ট্রেন প্রকল্পে ব্যয় বৃদ্ধি কমাতে বড় পদক্ষেপ নিতে পারে ভারতীয় রেল।

    অতিরিক্ত খরচ এড়াতে বড় পরিকল্পনা ভারতীয় রেলের!

    ইকোনমিক টাইমসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, মুম্বই থেকে আহমেদাবাদ রুটে দেশের প্রথম বুলেট ট্রেন প্রকল্পে জমি অধিগ্রহণ সহ অন্যান্য নির্মাণ কাজে অত্যাধিক দেরি হওয়ার কারণে বেড়েই চলেছে রেলের খরচ। এবার সেই অতিরিক্ত খরচ বৃদ্ধি এড়াতে নতুন কিছু পরিকল্পনা করছে রেলওয়ে। এ প্রসঙ্গে ভারতীয় রেলের এক উর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, রেলের ব্যয় বৃদ্ধি কমাতে জাপান ইন্টারন্যাশনাল কো অপারেশন এজেন্সি অথবা অন্য কোনও বহুাপাক্ষিক প্রতিষ্ঠান থেকে অতিরিক্ত ঋণ নেওয়ার কথা ভাবা হচ্ছে না।

    সাংবাদিকদের সাথে কথা বলার সময় রেলের ওই কর্মকর্তা বলেন, “মুম্বই-আহমেদাবাদ হাই স্পিড রেল করিডোরের জন্য আর কোনও বাহ্যিক তহবিলের প্রয়োজন হবে না। জমি কিনতে দেরি হওয়ার কারণে আমাদের এই প্রকল্পের ব্যয় 83 শতাংশ বেড়ে গিয়েছে। কিন্তু তাতে সমস্যা হবে না। রেল আগে থেকেই এই প্রকল্পে অতিরিক্ত বাজেট ধরে রেখেছিল। তাছাড়াও 2027 আর্থিক বছরের বাজেটে জাতীয় হাই স্পিড রেল কর্পোরেশনের জন্য 15 হাজার 500 কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়। এ বছর এই অর্থ এই প্রকল্পে ব্যয়ের জন্য নেহাত কম নয়।”

    অবশ্যই পড়ুন: নির্বাচিত হলেন মুস্তাফিজুর রহমান, বড় সিদ্ধান্ত IPL মালিকদের!

    এও শোনা যাচ্ছে, দেশের প্রথম বুলেট ট্রেন প্রকল্প বাস্তবায়িত করতে অর্থ মন্ত্রণালয়ের কাছ থেকে অতিরিক্ত তহবিল চাইতে পারে ভারতীয় রেল। 2017 সাল থেকে এই প্রকল্পের জন্য 59 হাজার 396 কোটি টাকা মূল্যের ঋণ দিয়েছে জিআইসিএ। পরবর্তীতে এই অর্থ দিয়ে 508 কিলোমিটার রেল প্রকল্প নির্মাণের কাজ শুরু হয়। ইতিমধ্যেই 8টি করিডোর স্টেশনে ফাউন্ডেশনের কাজ শেষ হয়েছে। এদিকে গত নভেম্বরেই কেন্দ্রের তরফে 2027 সালের মধ্যে বুলেট ট্রেন প্রকল্পের আওতায় 100 কিলোমিটার পর্যন্ত ট্রেন চালানোর পরিকল্পনা ঘোষণা করা হয়।

    আরও পড়ুনঃ ৪০০০ কিমি লাইন, ১৬ লাখ কোটি খরচে দেশে ৭ হাইস্পিড রেল করিডর, তালিকায় বাংলাও

    আশা করা হচ্ছে, এমএএএইচএসআর ছাড়াও কেন্দ্রীয় সরকার যে 4 হাজার কিলোমিটার বিস্তৃত সাতটি নতুন বুলেট ট্রেন করিডোর ঘোষণা করেছে সেখানে প্রায় 16 লাখ কোটি টাকা বিনিয়োগ করা হতে পারে। এই প্রস্তাবিত করিডোর গুলির মধ্যে রয়েছে মুম্বই থেকে পুনে, পুনে-হায়দরাবাদ, হায়দরাবাদ-বেঙ্গালুরু, হায়দরাবাদ-চেন্নাই, চেন্নাই-বেঙ্গালুরু, দিল্লি-বারাণসী এমনকি বারাণসী-শিলিগুড়িও।

  • ৪০০০ কিমি লাইন, ১৬ লাখ কোটি খরচে দেশে ৭ হাইস্পিড রেল করিডর, তালিকায় বাংলাও

    ৪০০০ কিমি লাইন, ১৬ লাখ কোটি খরচে দেশে ৭ হাইস্পিড রেল করিডর, তালিকায় বাংলাও

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ আগামী কয়েক বছরের মধ্যে দেশের রেলের নকশা একপ্রকার অনেকটাই বদলে যাবে। গোটা বিশ্বকে চমকে দিয়ে ৭টি হাইস্পিড রেল করিডরের (High-Speed Rail Corridor) ঘোষণা করেছেন দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী থেকে শুরু করে রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব। ইতিমধ্যে রেলমন্ত্রী জানিয়েছেন যে যদি দ্রুত কাজ শুরু হয় তাহলে আগামী ১০ বছরের মধ্যে এই ৭টি রেল করিডরের কাজ শেষ করা সম্ভব হবে। আগামী ২০৪০ সাল অবধি কাজ শেষ হওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। মোট ৪০০০ কিমি রেলপথ তৈরি করা হবে নতুন।

    ৭টি হাইস্পিড রেল করিডর নিয়ে বিরাট তথ্য

    রেলমন্ত্রী জানিয়েছেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ৭টি নতুন বুলেট ট্রেন করিডর, হাইস্পিড করিডর, যাত্রী করিডর অনুমোদন করেছেন। এগুলি প্রায় ৪,০০০ কিলোমিটার অবধি বিস্তৃত হবে। যেখানে বিনিয়োগ প্রায় ১৬ লাখ কোটি টাকা হবে। এটি একটি অত্যন্ত বড় বিনিয়োগ এবং আমাদের এটি পরবর্তী ১০ বছরে সম্পন্ন করতে হবে। যার অর্থ কাজ শুরু হলে, আমাদের প্রতি বছরে প্রায় ৫০০ কিলোমিটার কমিশন করতে হবে, যা প্রতি বছরে সমগ্র মুম্বাই আহমদাবাদ বুলেট ট্রেন প্রকল্প কমিশনের সমান।’

    রেলমন্ত্রী আরও জানান, ‘আসন্ন বছরে আমাদের প্রতি স্তর ধরে ধরে কাজ করতে হবে এবং আমরা এগিয়ে গেলে, আরও ৩,০০০ উচ্চ-গতির করিডর অনুমোদনও দেব, যার অর্থ ২০৩৯ বা ২০৪০ সালের মধ্যে আমাদের প্রায় ৭,০০০ কিলোমিটার থাকবে এবং তারপর আমাদের ১৫,০০০ এবং তারপর ২১,০০০ কিলোমিটার উচ্চ-গতির রেল নেটওয়ার্কের দিকে এগোতে হবে।’

    আরও পড়ুনঃ ৮ মার্চ অবধি বহু ট্রেন বাতিল করল দক্ষিণ পূর্ব রেল, যাত্রার আগে দেখুন তালিকা

    কোন কোন রুটে কাজ হবে?

    ভারত ইতিমধ্যেই মুম্বাই – আহমেদাবাদ বুলেট ট্রেন প্রকল্পে কাজ করছে। এখন, নতুন করিডোর এবং বন্দে ভারত স্লিপার এবং অমৃত ভারত ট্রেনের মাধ্যমে, রেলওয়ে যাত্রী পরিষেবাগুলিকে সম্পূর্ণরূপে রূপান্তর করতে চায়। ইতিমধ্যে যে যে ৭টি রুটে হাইস্পিড রেল প্রকল্পের কাজ করা হবে সেই জায়গাগুলির নাম সামনে এসেছে।

    • ১) মুম্বাই – পুনে
    • ২) পুনে-হায়দরাবাদ
    • ৩) হায়দরাবাদ-বেঙ্গালুরু
    • ৪) হায়দরাবাদ-চেন্নাই
    • ৫) চেন্নাই-বেঙ্গালুরু
    • ৬) দিল্লি-বারাণসী
    • ৭) বারাণসী-শিলিগুড়ি

    এখানে একটি তথ্য জানিয়ে রাখি, বুলেট ট্রেন এবং হাইস্পিড রেল করিডরের মধ্যে কিন্তু আকাশ পাতাল তফাৎ রয়েছে। যেমন বুলেট ট্রেন হচ্ছে ৩০০ কিমি/ঘন্টায় চলবে। এই কাজ চলছে যেমন মুম্বাই – আহমেদাবাদ রুটে। অপরদিকে উচ্চ-গতির রেল বা হাইস্পিড রেল করিডরের মানে হচ্ছে ট্রেনের গতি ২২০ – ২৫০ কিমি/ঘন্টা হবে।