Tag: Government Of West Bengal

  • সপ্তম পে কমিশন লাগু হলে কী কী সুবিধা পাবেন পশ্চিমবঙ্গ সরকারের কর্মীরা?

    সপ্তম পে কমিশন লাগু হলে কী কী সুবিধা পাবেন পশ্চিমবঙ্গ সরকারের কর্মীরা?

    সহেলি মিত্র, কলকাতা: পঞ্চম বেতন পে কমিশনের আওতায় এখনও বকেয়া টাকা পাননি বাংলার সরকারি কর্মীরা। চলছে বিক্ষোভ। এদিকে বিক্ষোভ আন্দোলনের মাঝেই পশ্চিমবঙ্গ সরকার সপ্তম বেতন পে কমিশনের (7th Pay Commission) ঘোষণা করেছে। চলতি বছরের রাজ্য বাজেটে এই নতুন পে কমিশনের ঘোষণা করে স্বাভাবিকভাবেই সকলকে চমকে দেয় সরকার। এখন প্রশ্ন উঠছে, সরকার ঘোষণা তো করেছে বটে, কবে থেকে এটি লাগু হবে? ঠিক কী কী সুবিধা মিলবে তা এখনো স্পষ্ট নয় অনেকের কাছে। আজকের এই প্রতিবেদনে সেই বিষয়টি নিয়েই আলোচনা হবে।

    কবে থেকে লাগু হচ্ছে সপ্তম বেতন পে কমিশন?

    আগামী ৩১ মার্চ, ২০২৬- এর মধ্যে পঞ্চম বেতন পে কমিশনের (5th Pay Commission) আওতায় পশ্চিমবঙ্গ সরকারকে বকেয়া টাকা মেটানোর নির্দেশ দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। এদিকে এ বিষয়ে সরকারের এখন অবধি কোনওরকম হেলদোল না থাকায় দফায় দফায় বিক্ষোভ আন্দোলনের সামিল হচ্ছেন রাজ্য সরকারি কর্মীরা। এসবের মাঝেই চলতি বছরের রাজ্য বাজেটে পশ্চিমবঙ্গ সরকার ৪ শতাংশ ডিএ (Dearness allowance) বা মহার্ঘ্য ভাতা এবং সপ্তম বেতন পে কমিশনের ঘোষণা করে। আর এই ঘোষণা বিধানসভা ভোটের আগে বিরাট মাস্টারস্ট্রোক হিসেবে দেখছেন সকলে। প্রশ্ন একটাই নতুন বেতন কাঠামো কবে থেকে কার্যকর হবে এবং বেতন কতটা বাড়তে পারে? দেখে নিন এক নজরে।

    আরও পড়ুনঃ ‘DA, পেনশন দূর! বেতনই বন্ধ হতে পারে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের কর্মীদের!’ চাঞ্চল্যকর তথ্য

    গত ৫ ফেব্রুয়ারি অন্তর্বর্তী বাজেট পেশের সময় রাজ্য সরকার সপ্তম পে কমিশন গঠনের কথা জানায়। রাজ্যে বর্তমানে চালু থাকা ষষ্ঠ পে কমিশন বা রোপা ২০১৯-এর মেয়াদ শেষ হচ্ছে ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫। সেই হিসেবে নিয়ম মেনে ১ জানুয়ারি ২০২৬ থেকেই সপ্তম পে কমিশনের সুপারিশ কার্যকর হওয়ার কথা। তবে বেতন কাঠামো নিয়ে এখনো অবধি সরকারের তরফে কোনো বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়নি। এখানেও অবশ্য ফিটমেন্ট ফ্যাক্টরই শেষ কথা বলবে।

    এতটা বাড়তে পারে বেতন!

    বেতন কতটা বাড়বে সেটা জানার আগে বুঝতে হবে ফিটমেন্ট ফ্যাক্টরের বিষয়ে। কারণ যে কোনও পে কমিশনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল ‘ফিটমেন্ট ফ্যাক্টর’। বিশেষজ্ঞদের মতে, রাজ্য সরকার কেন্দ্রের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ফিটমেন্ট ফ্যাক্টর ২.৯১ থেকে ৩.১৫-এর মধ্যে রাখতে পারে। যদিও এ বিষয়ে এখনও কোনও সরকারি বিবৃতি মেলেনি। যদি এই হারে বেতন পরিকাঠামো সংশোধন হয়, তবে কর্মীদের বেসিক পে কার্যত তিনগুণ পর্যন্ত বাড়তে পারে।

    আরও পড়ুনঃ বজ্রবিদ্যুৎ সহ শিলাবৃষ্টি, দক্ষিণবঙ্গের ৬ জেলায় সতর্কতা! আজকের আবহাওয়া

    উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, কারও বর্তমান বেসিক বেতন যদি ১৮,০০০ টাকা হয়, তাহলে ২.৯১ ফিটমেন্ট ফ্যাক্টরে নতুন বেসিক দাঁড়াতে পারে প্রায় ৫২,৩৮০ টাকা। আর ৩.১৫ হলে তা বেড়ে প্রায় ৫৬,৭০০ টাকা হতে পারে। বেসিক বাড়ার পাশাপাশি অটোমেটিকভাবে  HRA, DA, DR বাড়বে। বাজেটে রাজ্য সরকার ৪% মহার্ঘ্য ভাতার ঘোষণা করেছিল। এর ফলে এখন সকলের ডিএ পরিমাণ ১৮% থেকে বেড়ে ২২%-এ এসে দাঁড়িয়েছে।

  • ‘DA, পেনশন দূর! বেতনই বন্ধ হতে পারে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের কর্মীদের!’ চাঞ্চল্যকর তথ্য

    ‘DA, পেনশন দূর! বেতনই বন্ধ হতে পারে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের কর্মীদের!’ চাঞ্চল্যকর তথ্য

    সহেলি মিত্র, কলকাতা: একদিকে যখন বকেয়া ডিএ (Dearness allowance), পেনশন নিয়ে আন্দোলন চলছে বাংলার সরকারি কর্মীদের। তখন অন্যদিকে বলা হল, নাকি এসবের পাশাপাশি এবার মাইনেটাও বন্ধ হয়ে যেতে পারে! শুনে চমকে গেলেন তো? কিন্তু এটাই সত্যি। আর ফেসবুক লাইভে এসে ঠিক এমনই মন্তব্য করে সকলের চিন্তা বাড়িয়েছেন বিশ্লেষক এবং অধ্যাপক বিশ্বনাথ চক্রবর্তী। চলুন তিনি কী বলেছেন সেটা বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক।

    DA, পেনশন, মাইনে সব বন্ধ হয়ে যাবে?

    বিশ্বনাথ চক্রবর্তী জানান, ‘কলেজগুলিতে শিক্ষা কর্মীদের পাওনা টাকা দেওয়া হচ্ছে না। স্যার, ম্যাডামদের দৈনন্দিন ক্লাসের টাকা অবধি দেওয়া হচ্ছে না। কম্পোজিট গ্রান্ট স্কুলগুলিতে পৌঁছাচ্ছে না। একটি রিপোর্ট অনুযায়ী, গত ৪ মার্চ অবধি প্রায় ৫৪ হাজার শিক্ষক, শিক্ষা কর্মীদের বেতন পাননি। সরকার ক্রমাগত দেউলিয়া হয়ে যেতে চলেছে। আগামী ৬ মার্চ অর্থাৎ আগামীকাল শুক্রবার জানা যাবে সরকারকে কত কিস্তিতে টাকা মেটাতে হবে কর্মীদের। এই দিনটার অপেক্ষা করছেন সকলে।’

    আরও পড়ুনঃ ১৫ মার্চই শেষ হবে ডেটা এন্ট্রি, কবে ঢুকবে বেকার ভাতার টাকা? যুবসাথী নিয়ে বড় খবর

    বকেয়া DA প্রসঙ্গে বিশ্বনাথবাবু জানান, ‘ডিএ-টা বড় কথা নয়, একটা সময়ে যদি মূল বেতনটাই না পাওয়া যায়! একবার ভাবুন আপনি লড়াই করছেন ডিএ-র জন্য। আমাদের কোষাগার, এমন হচ্ছে না তো নির্বাচনের পর সরকারি কর্মচারীদের বেতন দেওয়ার মতো জায়গায় থাকবে না সরকার! খবর বিভিন্নভাবে বুঝতে পারা যায়, সেটা হল, বেতন দেওয়া নিয়ে ইতিমধ্যে বেশ চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে হয়েছে সরকারকে। ডিএ তো অনেক দূরের কথা, ডিএ আপনি সুপ্রিম কোর্টের রায়ের পরেও পাননি। আদালত অবমাননার মামলা করা হয়েছে। কবে শুনানি হবে, কিভাবে হবে, আদৌ হবে কিনা কেউ জানেন না।’

    আরও পড়ুনঃ এক্সট্রা বোনাস, এই কর্মীরা পাবে সর্বোচ্চ ২২ হাজার টাকা! বিজ্ঞপ্তি জারি নবান্নর

    বিশ্ববিদ্যালয়গুলির হাল বেহাল

    বিশ্বনাথ চক্রবর্তী আগে জানান, ‘ডিএ সরকার দেবে না এটা আগেও বলেছিলাম। নানা অজুহাত দেবে এই সরকার। ভাবলে খারাপ লাগে অন্যান্য রাজ্যের কর্মীদের থেকে আমরা কত কম টাকা পাই। দীর্ঘদিন ধরে আমরা ডিএ থেকে বঞ্চিত হচ্ছি। আমরা আতঙ্কিত। কিন্তু একবার ভেবে দেখেছেন, এই নির্বাচনের পর সরকারের যে আর্থিক অবস্থা তৈরি হবে, তাতে বিশেষ করে শিক্ষা কর্মী, পঞ্চায়েত, পুরসভা কর্মী তাঁদের বেতনটা নিয়মিত হবে তো? যারা অধ্যাপক আছেন, কোথাও যদি গেস্ট প্রফেসর থাকে তাঁদের অনুদান এখন অনেকটা কমিয়ে দেওয়া হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়গুলি চলবে কীভাবে? প্রয়োজন অনুযায়ী শিক্ষক নেই, বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ বাধ্য হচ্ছে কোর্স কমপ্লিট করার জন্য গেস্ট অধ্যাপক রাখতে।’ লক্ষ্মীর ভাণ্ডার, বেকার ভাতা দেওয়ার জন্য সরকার যে পরিমাণে ঋণ নিচ্ছে হাত গুটিয়ে নেবে না তো সরকার? আশঙ্কায় ভুগছেন সরকারি কর্মীরা। বাকিটা শুনে নিন ভিডিওতে

  • ১৫ মার্চই শেষ হবে ডেটা এন্ট্রি, কবে ঢুকবে বেকার ভাতার টাকা? যুবসাথী নিয়ে বড় খবর

    ১৫ মার্চই শেষ হবে ডেটা এন্ট্রি, কবে ঢুকবে বেকার ভাতার টাকা? যুবসাথী নিয়ে বড় খবর

    বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: কবে থেকে মিলবে যুবসাথী প্রকল্পের (Banglar Yuva Sathi) টাকা? এমন প্রশ্নই এখন ঘুরপাক খাচ্ছে বাংলার লক্ষ লক্ষ আবেদনকারীর মনে। এ নিয়ে প্রাথমিকভাবে সরকারের তরফে দিনক্ষণ জানিয়ে দেওয়া হলেও অনেকেরই ধারণা পহেলা এপ্রিল নয় বরং আগস্টের প্রথম তারিখ থেকেই ঢুকতে পারে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের (Government Of West Bengal) বিশেষ প্রকল্পের মাসিক ভাতা। কেউ কেউ আবার বলছেন আগস্ট নয় সরকারি নির্দেশ অনুযায়ী এপ্রিল থেকে মিলবে মাসিক ভাতা। যুবসাথী নিয়ে নানা মুনির নানা মত শুনে ঘাবড়ে যাচ্ছেন আবেদনকারীরাও। ঠিক সেই আবহে যুবসাথী নিয়ে মিলল বড় আপডেট।

    15 মার্চ শেষ হবে ডেটা এন্ট্রির কাজ

    গত 26 ফেব্রুয়ারি ছিল যুবসাথী প্রকল্পে আবেদনের শেষ তারিখ। সর্বশেষ রিপোর্ট অনুযায়ী, শেষ দিন পর্যন্ত রাজ্য সরকারের এই বিশেষ প্রকল্পে জমা পড়েছিল প্রায় 85 লাখ আবেদন। বেকার ভাতা প্রকল্পে আবেদনের নিরিখে প্রথম সারিতে নাম রয়েছে দক্ষিণ 24 পরগনা, মুর্শিদাবাদ, উত্তর 24 পরগনা, বাঁকুড়া, পুরুলিয়া সহ একাধিক জেলার।

    তবে আবেদন প্রক্রিয়ার শেষ হতেই আবেদনকারীদের মধ্যে পড়ে গিয়েছে আবেদনের স্ট্যাটাস চেক করার হিড়িক। সেই মর্মেই, যুবসাথী প্রকল্পের অফিসিয়াল পোর্টাল ভিজিট করছেন তারা। তবে বর্তমানে সেখান থেকে স্ট্যাটাস চেক করা যাচ্ছে না। এমতাবস্থায় যথেষ্ট চিন্তায় আবেদনকারীরা। তবে সরকারি সূত্র দাবি করছে, এই মুহূর্তে যুবসাথী পোর্টালে আবেদনকারীদের আবেদনপত্র গুলি এন্ট্রি করার কাজ চলছে। একই সাথে যাঁরা অনলাইনে আবেদন করেছিলেন তাঁদেরও ডিজিটাইজেশনের কাজ চলছে ওই পোর্টালেই। কয়েকজন সরকারি আধিকারিকের তরফে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, আগামী 15 মার্চ শেষ হয়ে যাবে ডেটা এন্ট্রির কাজ। তারপরই খুব সম্ভবত চেক করা যাবে স্ট্যাটাস।

    অবশ্যই পড়ুন : T20 বিশ্বকাপে মহিলার শ্লীলতাহানি পাকিস্তানি ক্রিকেটারের! মিলল চরম শাস্তিও

    কবে থেকে মিলবে যুবসাথী প্রকল্পের টাকা?

    সম্প্রতি অন্তর্বর্তী বাজেটে যুবসাথী প্রকল্পের ঘোষনা করেছিলেন রাজ্যের অর্থমন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। এরপরই জনসমক্ষে এসে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছিলেন আগস্ট মাস থেকে মিলবে যুবসাথী প্রকল্পের টাকা। যদিও পরবর্তীতে সেই বক্তব্য সংশোধন করে মুখ্যমন্ত্রী জানান আগস্ট নয় বরং এপ্রিল মাসের প্রথম তারিখ থেকেই দেওয়া হবে যুবসাথীর মাসিক ভাতা। তবে এর মাঝে শোনা গিয়ে, ভোট পর্ব মিটিয়ে সরকার ক্ষমতায় এলে তবেই মিলবে এই প্রকল্পের মাসিক ভাতা। সেক্ষেত্রে এপ্রিল থেকে হিসেব করে আগস্টে একসাথে চার মাসের টাকা দেওয়া হতে পারে। তবে এখন শোনা যাচ্ছে, সব ঠিক থাকলে এপ্রিল থেকেই মিলতে পারে যুবসাথী প্রকল্পের অর্থ।

  • এক্সট্রা বোনাস, এই কর্মীরা পাবে সর্বোচ্চ ২২ হাজার টাকা! বিজ্ঞপ্তি জারি নবান্নর

    এক্সট্রা বোনাস, এই কর্মীরা পাবে সর্বোচ্চ ২২ হাজার টাকা! বিজ্ঞপ্তি জারি নবান্নর

    সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: দুর্গাপুজো ও ঈদের আগে রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের জন্য বিরাট ঘোষণা করল পশ্চিমবঙ্গ সরকার (Government of West Bengal)। উৎসবের কথা মাথায় রেখে অ্যাড-হক বোনাস এবং সুদ মুক্ত ফেস্টিভাল অ্যাডভান্স দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে রাজ্যের তরফ থেকে। জানা যাচ্ছে, এ বিষয়ে ইতিমধ্যেই পশ্চিমবঙ্গ সরকারের প্রশাসনিক সদর দফতর নবান্ন (Nabanna) একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে। আর সেখানে চলতি বছর কর্মীদের আর্থিক স্বস্তি দিতে আগের তুলনায় কিছু কিছু ক্ষেত্রে টাকার পরিমাণও বাড়ানো হয়েছে। তাই উৎসবের মরসুমে সরকারি কর্মচারীদের মুখে যে হাসি ফুটবে তা বলার অপেক্ষা রাখে না।

    এরা পাবে ২২ হাজার টাকা উৎসব অগ্রিম

    নবান্নের তরফ থেকে জারি করা নির্দেশিকা অনুযায়ী, নির্দিষ্ট বেতনসীমার মধ্যে থাকা কর্মচারীরা এবার সুদমুক্ত ফ্যাসিভ্যাল অ্যাডভান্স পাবে। সেক্ষেত্রে যাদের মাসিক বেতন ৪৬ হাজার টাকার বেশি এবং ৫৪ হাজার টাকার মধ্যে, তারাই এই সুবিধার আওতায় আসবে। আর এই সমস্ত কর্মচারীরা সর্বোচ্চ ২২ হাজার টাকা পর্যন্ত সুদমুক্ত উৎসব অগ্রিম নিতে পারবে বলে জানানো হয়েছে। আর সবথেকে উল্লেখ করার বিষয়, গত বছর বেতন সীমা ছিল ৪৪ হাজার টাকা থেকে ৫২ হাজার টাকার মধ্যে। অর্থাৎ, চলতি বছরে সেই সীমা আরও ২ হাজার টাকা বাড়ানো হল। আর একইভাবে গত বছর উৎসবের অগ্রিম পরিমাণ ছিল ২০ হাজার টাকা। এবার তা ২২ হাজার টাকা করা হয়েছে।

    বাড়ানো হয়েছে অ্যাড-হক বোনাস

    এদিকে যে সমস্ত কর্মচারীর মাসিক বেতন ৪৬ হাজার টাকা কিংবা তার কম, তারা এবার অ্যাড হক বোনাস পাবে বলে জানানো হয়েছে। সেক্ষেত্রে বোনাসের পরিমাণ নির্ধারণ করা হয়েছে ৭৪০০ টাকা। গত বছর এই পরিমাণ ছিল মাত্র ৬৮০০ টাকা। অর্থাৎ, এবারও গত বছরের তুলনায় ৬০০ টাকা বাড়ানো হয়েছে অ্যাড-হক বোনাস।

    পেনশনভোগীদের জন্য বড় ঘোষণা

    অন্যদিকে রাজ্য সরকারি পেনশনভোগীদের কথাও মাথায় রেখেছে। যাদের মাসিক পেনশন ৪০ হাজার টাকার মধ্যে, তারা এবার উৎসব উপলক্ষে বিশেষ অনুদান পাবে। হ্যাঁ, এবার ৩৮০০ টাকা করে অনুদান দেওয়া হবে উৎসবের মরসুমে। আর গত বছর এই হার ছিল ৩৫০০ টাকার। ফলে তারাও এবার থেকে ৩০০ টাকা করে বেশি পাবে।

    নবান্ন সূত্রে জানা গিয়েছে, যে মুসলিম কর্মীদের ঈদ-উল-ফিতরের আগেই এই সুবিধা দিয়ে দেওয়া হবে। আর অন্যান্য কর্মচারীরা ২৮ সেপ্টেম্বর থেকে ১ অক্টোবর এর মধ্যেই বোনাস পাবে। অর্থাৎ দুর্গাপুজোর আগে এই বোনাস হাতে আসবে। তবে এই উৎসব অগ্রিম সম্পূর্ণ সুদমুক্ত হলেও পরে দশটি কিস্তিতে বেতন কেটে নেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে। সরকার জানিয়েছে যে, ৩১ আগস্ট ২০২৭ এর মধ্যে এই টাকা পরিশোধ করতে হবে।

    আরও পড়ুন: উদ্বোধন করেছিলেন মন্ত্রী, সেই স্ট্রিট লাইটে নেই বাল্ব! সরকারি প্রকল্পে দুর্নীতির অভিযোগ

    তবে হ্যাঁ, শুধুমাত্র রাজ্যের সরকারি কর্মচারীরা হন, বরং আরও কয়েকটি ক্ষেত্রের কর্মীরা এই সুবিধার আওতায় আসবে। সেক্ষেত্রে তালিকায় পড়ছে সরকারি এবং সরকারপোষিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কর্মচারীরা, রাজ্য সরকারের অধীনস্থ সংস্থার কর্মচারীরা এবং পারিবারিক পেনশনভোগী ও অতিরিক্ত পেনশনভোগীরা। এছাড়াও যে সমস্ত সরকারি সংস্থায় কর্মীদের মাসিক বেতন ১০ হাজার টাকা কিংবা তার কম, সেখানে কর্মীরা ৩৫০০ টাকা বোনাস পাবে বলে জানানো হয়েছে।

  • ফুড সেফটিতে কত নম্বরে বাংলা? রাজ্য সরকারের রিপোর্ট দেখে খুশি হাইকোর্ট

    ফুড সেফটিতে কত নম্বরে বাংলা? রাজ্য সরকারের রিপোর্ট দেখে খুশি হাইকোর্ট

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: বর্তমান সময়ে বাংলার (West Bengal) প্রতিটি খাবারের মধ্যেই এখন ভেজাল থাকে। এদিকে চিকিৎসকরা বারংবার খাবারে ভেজাল সম্পর্কে সতর্ক করে চলেছে সুস্থতার ক্ষেত্রে। কারণ খাবারের মেশানো রাসায়নিক দ্রব্য শরীরে বিপদ ডেকে আনে। আর এই আবহে খাবারে ভেজাল ও কৃত্রিম রঙের ব্যবহার রুখতে এবং খাবারের গুণগতমান নিয়মিত যাচাইকরণ নিয়ে রাজ্য সরকার (Government Of West Bengal) নিল এক বড় পদক্ষেপ। যা নিয়ে এবার বেশ প্রশংসা করল কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High Court)।

    খাদ্যে ভেজাল নিয়ে জনস্বার্থ মামলা

    রিপোর্ট মোতাবেক, সম্প্রতি কলকাতা হাইকোর্টে দিনের পর দিন খাবারে ভেজাল থাকা নিয়ে এক জনস্বার্থ মামলা দায়ের হয়েছিল। অভিযোগ উঠেছিল, কাঁচা সবজি, মাছ, মাংস, দুধ, ফল, রাস্তার খাবার, প্রক্রিয়াজাত খাবার, মিষ্টি জাতীয় খাবারে ভেজাল ও বিভিন্ন পানীয় দ্রব্যে কৃত্রিম রঙের ব্যবহার করা হচ্ছে, যা খুবই ভয়ংকর। এতে শিশু থেকে বৃদ্ধ প্রত্যেকেই ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে, তাই সেক্ষেত্রে রাজ্য সরকার কী ভূমিকা নিচ্ছে। এবার সেই মামলায় প্রশংসা অর্জন করল রাজ্য সরকার। বৃহস্পতিবার, হাই কোর্টের প্রধান বিচারপতি সুজয় পালের ডিভিশন বেঞ্চ রাজ্যের পদক্ষেপ নিয়ে বিস্তারিত রিপোর্ট জমা দেয়, যা দেখে রীতিমত সন্তোষ প্রকাশ করে ডিভিশন বেঞ্চ।

    রিপোর্ট জমা দিল রাজ্য সরকার

    রাজ্যের রিপোর্টে জানানো হয়েছে, বর্তমানে জেলা, পুরসভা এবং ব্লক স্তরে মোট ১৭৬ জন ফুড সেফটি অফিসার কাজ করছেন। এর পাশাপাশি জেলাগুলিতে রয়েছেন ২৮ জন আধিকারিক এবং ৩ জন রাজ্য খাদ্যদ্রব্য তদন্তকারী আধিকারিক। নিয়ম অনুযায়ী ফুড সেফটি অফিসাররা প্রতি মাসে অন্তত ২৫টি খাদ্য নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষাগারে পাঠান। সেই পরীক্ষার রিপোর্টের ভিত্তিতেই প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হয়। এছাড়াও রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে, দেশের খাদ্য সুরক্ষা সূচক বা Food Safety Index-এ পশ্চিমবঙ্গ বর্তমানে ষষ্ঠ স্থানে উঠে এসেছে। যেখানে, ২০১৯ সালে এই সূচকে রাজ্যের অবস্থান ছিল ১৫তম। অর্থাৎ খাদ্য সুরক্ষার ক্ষেত্রে পশ্চিমবঙ্গের অগ্রগতি বেশ উল্লেখযোগ্য।

    আরও পড়ুন: তৃণমূল নেতার উসকানিতে তরোয়াল দিয়ে একের পর এক কোপ! মালদায় বাচ্চাদের ঝামেলায় প্রাণ গেল ব্যক্তির

    প্রসঙ্গত, এই জনস্বার্থ মামলায় আদালত রাজ্য সরকারকে নির্দেশ দিয়েছে যে, প্রতি মুহূর্তে খাদ্যের গুণগত মান ও শুদ্ধতা যাচাইকরণ নিয়ে রাজ্যের স্বাস্থ্য দপ্তরকে তৎপর থাকতে হবে। যদি খাদ্যদ্রব্যে ব্যবসায়ীদের কোনও ত্রুটি বা ভুল ধরা পড়ে তাহলে সঙ্গে সঙ্গে ওই ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে হবে। পাশাপাশি নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, খাদ্য সুরক্ষা দপ্তরে কর্মীর যাতে কোনো অভাব না হয়, সঙ্গে সঙ্গে নিয়ম মেনে শূন্যপদে নিয়োগ করতে হবে। এরপরই সেই জনস্বার্থ মামলাটির নিষ্পত্তি করে দেয় আদালত।

  • মার্চে কবে ঢুকবে লক্ষীর ভান্ডারের টাকা? বড় আপডেট!

    মার্চে কবে ঢুকবে লক্ষীর ভান্ডারের টাকা? বড় আপডেট!

    বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: রাজ্যের অন্তর্বর্তী বাজেটে 500 টাকা করে বাড়ানো হয়েছে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প লক্ষী ভান্ডারের (Lakshmir Bhandar) মাসিক ভাতা। এর ফলে সাধারণ শ্রেণীর মহিলারা 1500 এবং তপশিলি জাতি এবং উপজাতিভুক্ত মহিলারা 1700 টাকা করে পাচ্ছেন। গত ফেব্রুয়ারি থেকে এই বর্ধিত অর্থ ঢুকতে শুরু করেছে বাংলার মহিলাদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে। কিন্তু আজ মার্চের চতুর্থ দিন। এ মাসে কি তাহলে দেরি হবে লক্ষীর ভান্ডারের টাকা পেতে? কবে ঢুকবে এই বিশেষ প্রকল্পের মাসিক ভাতা?

    মার্চে কবে ঢুকবে লক্ষীর ভান্ডারের টাকা?

    পুরনো উপভোক্তাদের পাশাপাশি যাঁরা নতুন করে লক্ষ্মীর ভান্ডার প্রকল্পে আবেদন করেছিলেন তাঁদের টাকা দেওয়ার কাজও শুরু করেছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার। গত মাস অর্থাৎ ফেব্রুয়ারি থেকেই নতুন আবেদনকারীদের অ্যাকাউন্টে ঢুকতে শুরু করেছে লক্ষ্মীর ভান্ডারের মাসিক ভাতা। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, নতুন করে কমপক্ষে 20.62 লাখ মহিলাকে এই বিশেষ প্রকল্পের আওতায় নিয়ে আসা হয়েছে। এর ফলে বর্তমানে রাজ্যজুড়ে লক্ষীর ভান্ডার প্রকল্পের মোট সুবিধাভোগীর সংখ্যা 2 কোটি 42 লাখ।

    আরও পড়ুনঃ ৩৭ লক্ষ মানুষের অ্যাকাউন্টে ২০০০ টাকা, ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর! কারা পেলেন?

    সাধারণত, প্রত্যেক মাসের প্রথম সপ্তাহেই উপভোক্তাদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট নম্বরে পাঠিয়ে দেওয়া হয় লক্ষীর ভান্ডারের মাসিক অর্থ। তবে বেশ কয়েকটি সূত্র বলছে, এ মাসে প্রশাসনিক কিছু কারণে এবং বিপুল সংখ্যক নতুন উপভোক্তার তথ্য যাচাইয়ের জন্য টাকা দিতে সামান্য দেরি হলেও হতে পারে। কয়েকজন সরকারি আধিকারিকের বক্তব্য, নতুন করে যেহেতু লক্ষীর ভান্ডার প্রকল্পে প্রচুর আবেদন জমা পড়েছে, ফলে নতুন এবং পুরনো সকলকে বর্ধিত ভাতা দিতে ব্যাঙ্কিং প্রক্রিয়ায় সামান্য সময় লাগতে পারে। সে ক্ষেত্রে লক্ষীর ভান্ডারের টাকা পেতে খুব বেশি হলে দু একদিন দেরি হতে পারে বলেই মনে করছেন কেউ কেউ।

    অবশ্যই পড়ুন: মধ্যপ্রাচ্যে ভয়াবহ যুদ্ধের মাঝে গোপনে মারণ ড্রোন ‘শেষনাগ 150’ তৈরি করছে ভারত!

    কয়েকটি সরকারি সূত্র মারফত খবর, যাই হয়ে যাক মার্চ মাসের প্রথম সপ্তাহ শেষ হওয়ার আগে উপভোক্তাদের অ্যাকাউন্টে ঢুকে যেতে পারে লক্ষ্মীর ভান্ডারের অর্থ। যদি সেটা নাও হয়, চিন্তার কোনও কারণ নেই। মনে করা হচ্ছে, টেকনিক্যাল বা পদ্ধতিগত সমস্যা থাকলেও তা কাটিয়ে মার্চ মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহের মধ্যে বা তার আগেই উপভোক্তাদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট এ পাঠিয়ে দেওয়া হবে মাসিক অর্থ। যদিও এ নিয়ে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের তরফে কোনও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসেনি।

  • DA মামলায় জোড়া চাপে পশ্চিমবঙ্গ সরকার

    DA মামলায় জোড়া চাপে পশ্চিমবঙ্গ সরকার

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ ডিএ (Dearness allowance) বা বকেয়া মহার্ঘ্য ভাতা নিয়ে সরকারের চাপ বাড়িয়েই চলেছেন কর্মীরা। কখনও মলয় মুখোপাধ্যায়রা তো আবার ভাস্কর ঘোষের নেতৃত্বাধীন সংগ্রামী যৌথ মঞ্চ, ভোটের আগে DA প্রদান নিয়ে চাপ সৃষ্টি করছেন। এবারেও যার ব্যতিক্রম ঘটল না। মলয় মুখোপাধ্যায়ের পর এবার পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের সংগঠন সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের তরফে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার মামলা দায়ের করা হল। আসন্ন বিধানসভা ভোটের মুখে সরকারের বিরুদ্ধে এহেন পদক্ষেপকে গুরুত্বপূর্ণ সহকারে দেখা হচ্ছে।

    ডিএ মামলায় সরকারের বিরুদ্ধে ফের আদালত অবমাননার মামলা

    গত ফেব্রুয়ারি মাসে দেশের শীর্ষ আদালত সুপ্রিম কোর্ট পশ্চিমবঙ্গ সরকারকে নির্দেশ দেয় সরকারি কর্মীদের বকেয়া ২৫ শতাংশ মিটিয়ে দিতে হবে ৩১ মার্চ, ২০২৬-এর মধ্যে। বাকি টাকা কিস্তিতে দিতে হবে। এদিকে সুপ্রিম নির্দেশ পাওয়ার পরেও সরকারের তরফে কোনও হেলদোল না থাকায় সরকারি কর্মীদের ক্ষোভ আরও দ্বিগুণ হয়েছে। রাস্তায় নেমে নতুন করে বিক্ষোভে সামিল হয়েছেন সকলে। তবে এরই মাঝে ভাস্কর ঘোষ জানালেন, সরকারের বিরুদ্ধে পঞ্চম বেতন পে কমিশনের আওতায় থাকা ডিএ মামলা নিয়ে আদালত অবমাননার মামলা দায়ের করা হয়েছে। তবে এই মামলার শুনানি কবে হবে সেই নিয়ে এখনও অবধি জানা যায়নি।

    নজরে ১৩ মার্চ

    এদিকে ভোটের মুখে বকেয়া ডিএ সহ আরও নানা দাবিতে আগামী ১৩ মার্চ শুক্রবার রাস্তায় নামতে চলেছেন সরকারি কর্মচারীদের একাংশ। ধর্মঘট সফল করতে ইতিমধ্যে জায়গায় জায়গায় পোস্টার এবং ফ্লেক্স লাগানোর কাজ চলছে। এই প্রসঙ্গে বড় তথ্য দিয়েছেন সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের আহ্বায়ক ভাস্কর ঘোষ। তিনি জানিয়েছেন, মঙ্গলবার ডুয়ার্স কন্যার সামনে ধর্মঘটের স্বপক্ষে ব্যানার লাগানো হয়েছে।

    আরও পড়ুনঃ ATM-এ টাকা তোলা থেকে ডেবিট কার্ড, ১ এপ্রিল বদলাচ্ছে HDFC ব্যাঙ্কের একাধিক নিয়ম

    একগুচ্ছ দাবি নিয়ে ১৩ মার্চ নামতে চলেছেন সরকারি কর্মচারীদের একাংশ। দাবিগুলির মধ্যে রয়েছে সুপ্রিম কোর্টের রায় মেনে অবিলম্বে বকেয়া ডিএ প্রদান করতে হবে রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের, যোগ্য অনিয়মিত কর্মচারীদের নিয়মতিকরণ করতে হবে, সরকারি প্রতিষ্ঠানে অবিলম্বে ছয় লাখ শূন্যপদে স্বচ্ছ ও স্থায়ী নিয়োগ করতে হবে। এছাড়াও সরকারি দফতর ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ডিটেলমেন্ট এবং প্রতিহিংসামূলক বদলি বন্ধ করতে হবে। এখন দেখার সরকার ডিএ মামলায় কর্মচারীদের ক্ষোভ প্রশমনে কোনও পদক্ষেপ গ্রহণ করে কিনা সে বিষয়ে।

  • SIR-র চাপে মৃত ৬১ পরিবারের সদস্যদের হাতে হোমগার্ড পদের নিয়োগপত্র দিলেন মমতা

    SIR-র চাপে মৃত ৬১ পরিবারের সদস্যদের হাতে হোমগার্ড পদের নিয়োগপত্র দিলেন মমতা

    সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: এসআইআর প্রক্রিয়া ঘিরে শুরু হওয়া বিতর্কের আবহে এবার বিরাট সিদ্ধান্ত নিয়েছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) সোমবার কলকাতায় এক অনুষ্ঠানে ৬১ জন মৃত ব্যক্তির পরিবারের হাতে হোমগার্ড পদে চাকরি নিয়োগপত্র তুলে দিয়েছেন। জানা যাচ্ছে, যে ৬১ জন এসআইআর-এর চাপে মৃত্যু হয়েছিল, তাদের পরিবারের সদস্যরাই এই সুযোগ পাচ্ছে। রাজ্য সরকারের দাবি, ভোটার তালিকা সংশোধনের প্রক্রিয়াকে কেন্দ্র করে চরম মানসিক চাপের জেড়ে এই ব্যক্তিরা প্রাণ হারিয়েছেন।

    দোলের অনুষ্ঠানে নিয়োগপত্র প্রদান

    কলকাতায় দোল উৎসব উপলক্ষে আয়োজিত একটি কর্মসূচিতে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজেই এই নিয়োগপত্র তুলে দেন। অনুষ্ঠানের দিন নির্বাচন কমিশনের সমালোচনা করে তিনি বলেছেন যে, ভোটারদের নাম ভুল ভাবে বাদ দেওয়া এবং আন্ডার অ্যাডজুডিকেশন তালিকায় ফেলে রাখার ফলে বহু মানুষ এখন আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছে। মুখ্যমন্ত্রীর অভিযোগ, এক ব্যক্তি আন্ডার অ্যাডজুডিকেশন শ্রেণীতে পড়ার পর এতটাই মানসিক চাপ পড়েছেন যে স্ট্রোকে আক্রান্ত হয়ে মারা গিয়েছেন।

    সরকারের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, পশ্চিমবঙ্গে চূড়ান্ত ভোটার তালিকায় মোট ৭ কোটি ৪ লক্ষ ভোটারের নাম রয়েছে। যার মধ্যে ৬০ লক্ষ নাম আন্ডার অ্যাডজুডিকেশন হিসেবে চিহ্নিত। এমনকি মামলাগুলি বর্তমানে ৫০১ জন বিচার বিভাগীয় আধিকারিকের তত্ত্বাবধানে রয়েছে। আর রাজ্যে শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেসের তরফ থেকে দাবি করা হচ্ছে যে, এসআইআর প্রক্রিয়ার কারণে রাজ্যে একাধিক ব্যক্তি মানসিক চাপে অসুস্থ রয়েছেন এবং আত্মহত্যার ঘটনা ঘটছে।

    আরও পড়ুন: তৃণমূলের পর এবার বিজেপির চমক! রাজ্যসভায় প্রার্থী হলেন রাহুল সিনহা

    এদিকে গত বছর মুখ্যমন্ত্রী মৃতদের নিকট আত্মীয়দের জন্য ২ লক্ষ টাকার আর্থিক সহায়তার কথা ঘোষণা করেছিলেন বলে রিপোর্ট অনুযায়ী খবর। আর এবার তার সঙ্গে সরকারি চাকরির সুযোগও দেওয়া হল। তৃণমূল কংগ্রেসের বক্তব্য, মা-মাটি মানুষ সরকার ৬১টি শোকাহত পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল এবং তা পূরণ করেছে।

  • বাড়বে DA থেকে পেনশন, বাংলায় ৭ পে কমিশন গঠনের দিন ঘোষণা, তবে রয়েছে শর্ত

    বাড়বে DA থেকে পেনশন, বাংলায় ৭ পে কমিশন গঠনের দিন ঘোষণা, তবে রয়েছে শর্ত

    সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে রাজনৈতিক মহলে এখন প্রতিশ্রুতির ঝড় বইছে। বিভিন্ন দল নিজেদের নির্বাচনী রূপরেখা তুলে ধরা শুরু করেছে। আর সেই প্রেক্ষাপটেই রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের জন্য বিরাট ঘোষণা করল রাজ্যের বিরোধী দল ভারতীয় জনতা পার্টি বা বিজেপি। দলের তরফ থেকে স্পষ্ট জানানো হয়েছে, তারা ক্ষমতায় আসলে ৪৫ দিনের মধ্যেই সপ্তম বেতন কমিশন (7th Pay Commission) কার্যকর হবে।

    বেতন কমিশন নিয়ে চর্চা তুঙ্গে

    বলে রাখি, সাধারণ নিয়ম অনুযায়ী কেন্দ্র এবং রাজ্য প্রতি ১০ বছর অন্তর বেতন কমিশন গঠন করে। আর রাজ্যের ষষ্ঠ বেতন কমিশনের মেয়াদ শেষ হয়েছে ২০২৫ এর ৩১ ডিসেম্বর। সেই অনুযায়ী, জানুয়ারি থেকেই সপ্তম বেতন কমিশন গঠনের কথা। তবে রাজ্য বাজেটে নতুন বেতন কমিশনের প্রসঙ্গ তোলা হলেও তা কবে থেকে বাস্তবায়িত হবে সে বিষয়ে এখনো পর্যন্ত কিছু ঘোষণা করা হয়নি। যার ফলে সরকারি কর্মচারীদের মধ্যে স্বাভাবিক প্রত্যাশা আর অনিশ্চয়তা বাড়ছে।

    কিন্তু বিজেপির দাবি, তারা সরকার গঠন করলে ক্ষমতায় আসার ৪৫ দিনের মধ্যেই সপ্তম বেতন কমিশনের সুপারিশ কার্যকর করবে। যার ফলে বাড়বে DA থেকে পেনশন। তবে শর্ত একটি বিজেপিকে ক্ষমতায় আনতে হবে। আর দীর্ঘদিন ধরেই ডিএ এবং বেতন কাঠামো নিয়ে অসন্তোষে থাকা কর্মীদের মন জিততেই এই ঘোষণা করা হয়েছে বলেই মত প্রকাশ করছে রাজনৈতিক মহলের একাংশ। কিন্তু এই প্রতিশ্রুতি নির্বাচনের সমীকরণে ঠিক কতটা প্রভাব ফেলবে তা নিয়ে রয়েছে মতভেদ।

    আরও পড়ুন: স্বাস্থ্য প্রকল্প নিয়ে বড় ঘোষণা পশ্চিমবঙ্গ সরকারের, উপকৃত হবেন …

    ফিটমেন্ট ফ্যাক্টর ঠিক কত হতে পারে?

    এদিকে বেতন কমিশনের সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ দিক হল ফিটমেন্ট ফ্যাক্টর। এর উপরে নির্ভর করছে কর্মীদের মূল বেতন কতটা বাড়বে তা। বিশেষজ্ঞদের মতে, কেন্দ্রীয় সরকারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ফিটমেন্ট ফ্যাক্টর ২.৯১ থেকে ৩.১৫ পর্যন্ত করা হতে পারে। আর সেই হিসেবে বর্তমানে যাদের বেসিক বেতন ১৮ হাজার টাকা, তাদের বেতন বেড়ে হতে পারে ৫২ হাজার টাকা থেকে ৫৬ হাজার টাকা। কিন্তু এই অংক পুরোপুরি নির্ভর করবে চূড়ান্ত সুপারিশের উপরেই।

  • পেনশনভোগীদের চিকিৎসায় ২ লাখের বেশি খরচ হলেও মিলবে ক্যাশলেস সুবিধা

    পেনশনভোগীদের চিকিৎসায় ২ লাখের বেশি খরচ হলেও মিলবে ক্যাশলেস সুবিধা

    বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: রাজ্যের সরকারি পেনশনভোগীদের জন্য চরম সুখবর। এবার থেকে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের (Government Of West Bengal) স্বাস্থ্য প্রকল্পের আওতায় তালিকাভুক্ত বেসরকারি হাসপাতাল গুলিতে চিকিৎসার খরচ 2 লাখ টাকা ছাড়িয়ে গেলেও মিলবে ক্যাশলেস সুবিধা। হ্যাঁ, সোমবারই পশ্চিমবঙ্গ সরকারের অর্থ দপ্তরের মেডিকেল সেলের তরফে বিশেষ নির্দেশিকা জারি করে এই কথা জানানো হয়। বলাই বাহুল্য, এতদিন রাজ্য সরকারের এই বিশেষ প্রকল্পের সুবিধা পেতেন শুধুমাত্র সরকারি কর্মচারীরাই। এবার থেকে সেই সুবিধা ভোগ করবেন রাজ্য সরকারের পেনশনাররাও।

    বাজেটে এই সুবিধার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন অর্থমন্ত্রী

    সম্প্রতি সপ্তদশ বিধানসভার শেষ অধিবেশনে অন্তর্বর্তীকালীন বাজেট পেশ করার পর রাজ্যের অর্থমন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য এ বঙ্গের সরকারি পেনশনভোগীদের 2 লাখ টাকার বেশি চিকিৎসার খরচের ক্ষেত্রে ক্যাশলেস সুবিধার প্রস্তাব রেখেছিলেন। সেই মতোই, বিধানসভা নির্বাচনের প্রাক্কালে পেনশনভোগীদের উপর থেকে চিকিৎসা সংক্রান্ত চাপ কমাতে তড়িঘড়ি বিশেষ নির্দেশ কার্যকর করল সরকার।

    বলাই বাহুল্য, রাজ্য সরকারি কর্মচারীর পাশাপাশি পেনশনভোগীদের হাসপাতালে চিকিৎসার খরচ যদি 2 লাখ টাকা পার করেও যায় সে ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট পেনশনভোগী বা কর্মী ফর্ম 7 পূরণ করে ওই হাসপাতালে জমা দিতে পারবেন। আবেদন পাওয়ার পর সেই আবেদন খতিয়ে দেখে সর্বোচ্চ 10 দিনের মধ্যে চিকিৎসার খরচের একটি আনুমানিক হিসাব সহ গোটা রিপোর্ট তৈরি করে রাজ্য সরকারের ডাবলুবিএইচএস পোর্টালের মাধ্যমে অর্থ দপ্তরের মেডিকেল সেলকে দিতে হবে।

    অবশ্যই পড়ুন: “কেউ আশা করবে না সূর্যকুমার..” সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতির গলায় কেন টিম ইন্ডিয়ার অধিনায়কের নাম?

    রিপোর্ট অনুযায়ী, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের তরফে আবেদন পাওয়ার সর্বোচ্চ 24 ঘণ্টার মধ্যে সিদ্ধান্ত জানাতে হবে অর্থ দপ্তরকে। তবে শেষ পর্যন্ত যদি কোনও সিদ্ধান্ত না আসে সে ক্ষেত্রে আবেদন ডিমড অ্যাপ্রুভাল হিসেবে গণ্য হবে। এক্ষেত্রে

    সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্মচারী বা পেনশনভোগী মোট খরচের সর্বোচ্চ 75 শতাংশ পর্যন্ত ক্যাশলেস সুবিধা পেতে পারেন। সবচেয়ে বড় কথা, একজন সম্ভাব্য রোগী বা কর্মী ক্যাশলেস সুবিধা পাওয়ার সীমা বা লিমিট বাড়ানোর জন্য কয়েকবার আবেদন করতে পারেন।