Tag: Government Of West Bengal

  • ‘Updated Soon’ মেসেজে বিপাকে আবেদনকারীরা, যুবসাথীর স্ট্যাটাস চেক নিয়ে আপডেট সরকারের

    ‘Updated Soon’ মেসেজে বিপাকে আবেদনকারীরা, যুবসাথীর স্ট্যাটাস চেক নিয়ে আপডেট সরকারের

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: নির্বাচনের আবহে রাজ্যের সকল বেকার যুবক যুবতীদের জন্য যুব সাথীর (Yuba Sathi Scheme) মতো প্রকল্প ঘোষণা করেছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার (Government Of West Bengal)। যেখানে, ১ এপ্রিল থেকে, বেকার যুবক-যুবতীদের অ্যাকাউন্টে ঢুকবে ১৫০০ টাকা ঘোষণা করা হয়েছিল। কিন্তু এবার তার আগেই গতকাল অর্থাৎ ৭ মার্চ থেকেই এই টাকা ঢুকবে বলে ধরনা মঞ্চ থেকে জানিয়ে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। কিন্তু আবেদন জমা দেওয়ার পর, অনলাইনে স্ট্যাটাস চেক করতে গেলেই পড়তে হচ্ছে সমস্যায়, আর তাই নিয়ে এবার মুখ খুলল প্রশাসন।

    বন্ধ রাখা হয়েছে আবেদন প্রক্রিয়া

    রাজ্যজুড়ে ‘দুয়ারে সরকার’ ক্যাম্প এবং বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে গত ১৫ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ পর্যন্ত যুবসাথী প্রকল্পের আবেদন জমা নেওয়া হয়েছিল। সব মিলিয়ে এই প্রকল্পে রাজ্যে এখনও পর্যন্ত প্রায় ৮৪ লক্ষ আবেদন জমা পড়েছিল। এর মধ্যে ব্লক স্তরে আয়োজিত অফলাইন শিবিরে প্রায় ৬৫ লক্ষ এবং অনলাইন পোর্টালে প্রায় ১৯ লক্ষ যুবক, যুবতী নাম নথিভুক্ত করেছেন। এই মুহুর্তে আবেদন প্রক্রিয়া বন্ধ আছে। পোর্টাল থেকে সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়েছে যে, এই স্কিমের অনলাইন আবেদন জমা দেওয়ার সময় শেষ হয়ে গেছে তাই কোনও নতুন আবেদন গ্রহণ করা হবে না। এদিকে মুখ্যমন্ত্রী ঘোষণা করেছেন ৭ মার্চ থেকে অ্যাকাউন্টে নাকি ঢুকবে টাকা। কিন্তু টাকা পাবেন কিনা সেটি চেক করতে গেলেই পড়তে হচ্ছে সমস্যায়।

    স্ট্যাটাস চেক করতে গেলেই পড়তে হচ্ছে সমস্যায়!

    অনলাইনে স্মার্টফোনের মাধ্যমে আবেদনপত্রের স্ট্যাটাস যাচাই করা যাবে বে আগেই জানানো হয়েছিল। সেই অনুযায়ী আবেদনকারীর Application ID ব্যবহার করেই স্ট্যাটাস চেক করা যাবে। তার জন্য প্রথমে ‘বাংলা যুবসাথী’ https://yubasathi.wb.gov.in/ পোর্টালে গিয়ে Application ID বা মোবাইল নম্বর দিয়ে লগইন করে নিতে হবে। এরপর OTP ভেরিফিকেশন সম্পন্ন করলে আবেদনপত্রের বর্তমান অবস্থা দেখা যাবে। কিন্তু এইমুহুর্তে Check Status এ ক্লিক করতে গেলে “Updated Status will be made available soon, please Visit again, Thank You” – এই লেখাটি দেখছে। তাই স্বাভাবিকভাবেই সকলে চিন্তায় পড়েছে। সেক্ষেত্রে আশ্বস্ত করেছে সরকার।

    Yuba Sathi Scheme

    আরও পড়ুন: বদলে গেল ভোল, অমৃত ভারত প্রকল্পের আওতায় অত্যাধুনিক হল সিউড়ি থেকে হলদিয়া স্টেশন

    প্রশাসনের তরফে জানা গিয়েছে, যুবসাথী প্রকল্পে ইতিমধ্যেই লক্ষ লক্ষ আবেদন জমা পড়েছে। তাই অনেক ক্ষেত্রে যাচাই প্রক্রিয়ার কারণে স্ট্যাটাস আপডেট হতে কিছুটা সময় লাগতে পারে, সেই কারণে এই বার্তা দেওয়া হচ্ছে। রিপোর্ট বলছে, ইতিমধ্যেই সারা রাজ্য থেকে প্রায় ৯০ লক্ষ থেকে এক কোটি বেকার যুবক-যুবতী এই মাসিক সহায়তার জন্য দরখাস্ত করেছেন, তাই এই অসুবিধা। তবে খুব শীঘ্রই এই সমস্যা সমাধান হবে।

  • ভূমিহীন ক্ষেতমজুরদের অ্যাকাউন্টে কবে ঢুকবে টাকা? দিন ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

    ভূমিহীন ক্ষেতমজুরদের অ্যাকাউন্টে কবে ঢুকবে টাকা? দিন ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

    বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: সম্প্রতি রাজ্যের অন্তরবর্তী বাজেটে রাজ্যের ভূমিহীন ক্ষেতমজুর (Bhumihin Khetmajur) বা শ্রমিকদের জন্য বিশেষ প্রকল্প চালু করেছিল পশ্চিমবঙ্গ সরকার (Government Of West Bengal)। রাজ্য সরকারের তরফে নির্দেশিকা পেতেই, গত ফেব্রুয়ারি জুড়ে চলেছিল ভূমিহীন ক্ষেতমজুর প্রকল্পের আবেদন প্রক্রিয়া। পশ্চিমবঙ্গের স্থায়ী বাসিন্দা ভূমিহীন বহু মানুষ এই প্রকল্পের টাকা পেতে আবেদন করেছিলেন। সরকারের তরফে প্রাথমিকভাবে জানানো হয়েছিল, যুবসাথী প্রকল্পের পাশাপাশি আগামী পহেলা এপ্রিল থেকেই দেওয়া হবে ভূমিহীন ক্ষেতমজুর প্রকল্পের টাকা। তবে শনিবার, মেট্রো চ্যানেলে ধরনা মঞ্চ থেকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঘোষণা করে দিলেন, পহেলা এপ্রিল নয় বরং আজ অর্থাৎ 7 মার্চ থেকেই মিলবে ক্ষেতমজুর প্রকল্পের অর্থ।

    আজই ব্যাঙ্কে ঢুকবে ভূমিহীন ক্ষেতমজুর টাকা

    রাজ্য সরকারের তরফে আগেই জানিয়ে দেওয়া হয়েছিল, কৃষক বন্ধু প্রকল্পের আদলে যে নতুন ভূমিহীন ক্ষেতমজুর প্রকল্প চালু করা হল তাতে বছরে 4 হাজার টাকা করে পাবেন যোগ্য আবেদনকারীরা। মূলত দুটো কিস্তিতে 2 হাজার টাকা করে 4 হাজার টাকা দেওয়া হবে এই প্রকল্পে। সরকারি ঘোষণার পর গত মাসে ভূমিহীন ক্ষেতমজুর প্রকল্পে আবেদনের হিড়িক পড়েছিল কার্যত।

    বলাই বাহুল্য, রাজ্য সরকারের বিশেষ প্রকল্প যুবসাথীর আবেদন প্রক্রিয়া অনলাইন এবং অফলাইন উভয় মাধ্যমে হলেও ভূমিহীন ক্ষেতমজুর প্রকল্পের আবেদন প্রক্রিয়া চলেছিল শুধুমাত্র অফলাইন পদ্ধতিতে। অর্থাৎ নিকটবর্তী স্বনির্ভর বাংলা ক্যাম্প, পৌরসভা বা BDO অফিসে গিয়ে নিজেদের আবেদনপত্র জমা দিয়েছিলেন আবেদনকারীরা। এবার সেই প্রকল্পের প্রথম কিস্তি অর্থাৎ 2000 টাকা ঢুকবে আজই। এমনটাই ঘোষণা রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের।

    অবশ্যই পড়ুন: ‘যারা তৃণমূলের সঙ্গে নয়, তারা বাঙালি নয়!’ মহুয়া মৈত্রর মন্তব্য ঘিরে তুঙ্গে বিতর্ক

    উল্লেখ্য, গত 26 ফেব্রুয়ারি শেষ হয়েছিল বেকার ভাতা প্রকল্প যুবসাথীর আবেদন প্রক্রিয়া। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, এই বিশেষ প্রকল্পে রাজ্যের প্রায় 85 লাখ আবেদনকারী আবেদন করেছিলেন। সবচেয়ে বেশি আবেদন জমা পড়েছিল দক্ষিণ 24 পরগনা, মুর্শিদাবাদ, উত্তর 24 পরগনা থেকে। এছাড়াও বাঁকুড়া, পুরুলিয়া সহ একাধিক জেলা থেকে অসংখ্য আবেদনকারী এই প্রকল্পে আবেদন করেছিলেন। আজ অর্থাৎ শনিবার থেকেই মিলবে যুবসাথী প্রকল্পের মাসিক 1500 টাকা।

  • শুধুমাত্র এদেরই বকেয়া DA দেবে নবান্ন? সুপ্রিম কোর্টে জমা রিপোর্ট ঘিরে চাঞ্চল্য

    শুধুমাত্র এদেরই বকেয়া DA দেবে নবান্ন? সুপ্রিম কোর্টে জমা রিপোর্ট ঘিরে চাঞ্চল্য

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ এখনই সরকার ডিএ (DA) দিতে পারবে না, সুপ্রিম কোর্টে MA ফাইল করে সাফ জানিয়ে দিয়েছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার (Government of West Bengal)। ভোটের মুখে সরকারের এহেন পদক্ষেপের ফলে স্বাভাবিকভাবেই ধাক্কা খেয়েছেন সরকারি আধিকারিক থেকে শুরু করে আন্দোলনকারীরা। যদিও সরকারের তরফে সুপ্রিম কোর্টে পেশ করা একটি হিসেব দেখে চমকে গিয়েছেন সকলে। নবান্নের (Nabanna) তরফে যে তথ্য দেওয়া হয়েছে, সেটা অনুযায়ী কর্মচারীদের সংখ্যা মাত্র ৩,১৭,৯৫৪ সেই সঙ্গে রয়েছেন পেনশনররাও। তবে সরকার বকেয়া দিলে শুধুমাত্র এরাই পাবেন টাকা? উঠছে প্রশ্ন।

    সবাইকে বকেয়া টাকা দেবে না সরকার?

    হিসেব দেখে অনেকেই বলতে শুরু করেছেন, তবে কি সরকার শিক্ষক, শিক্ষা কর্মীদের বকেয়া ভাতা দেওয়া থেকে বিরত থাকবে? এই বিষয়ে শিক্ষানুরাগী ঐক্য মঞ্চের সাধারণ সম্পাদক কিংকর অধিকারী বিস্ফোরক দাবি করেছেন। তিনি নিজের ফেসবুক বার্তায় সরকারের হিসেব তুলে ধরে লিখেছেন, ‘বকেয়া ২৫% ডিএ মেটানোর জন্য আগামী ডিসেম্বর মাস পর্যন্ত সময় চাইল রাজ্য সরকার সুপ্রিম কোর্টের কাছে। শিক্ষক, কর্মচারীদের দীর্ঘদিনের প্রাপ্য অর্থ নিয়ে ভোট রাজনীতি চলছে। আমরা চাই দীর্ঘদিনের এই বঞ্চনার বিরুদ্ধে সুপ্রিমকোর্ট কড়া বার্তা দিয়ে পূর্ববর্তী রায় অনুযায়ী বকেয়া মিটিয়ে দেওয়ার জন্য রাজ্যকে বাধ্য করুক।’

    তিনি আরও লেখেন, ‘কিন্তু অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় রাজ্য সরকার সুপ্রিম কোর্টের কাছে যে হিসেব পেশ করেছে তাতে কর্মচারীদের সংখ্যা মাত্র ৩,১৭,৯৫৪ এবং তার সাথে পেনশনারা। এই হিসেব বলে দিচ্ছে সুপ্রিম কোর্টের রায় অনুযায়ী রাজ্য সরকার শিক্ষক, শিক্ষাকর্মীদের বকেয়া মহার্ঘ ভাতা দেবে না। এর ফলে শিক্ষক, শিক্ষাকর্মী সমাজের ক্ষোভের আগুন ব্যাপকভাবে রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে যাবে। রাজ্য সরকার তাদের অবস্থান বদলাক। না হলে আইনি লড়াই এবং রাস্তার লড়াই আরো তীব্রতর হবে।’

    আরও পড়ুনঃ ‘পশ্চিমবঙ্গ সরকার MA ফিল করলেও …’ বকেয়া DA মামলায় নাটকীয় মোড়? এল বড় খবর

    ৩১ ডিসেম্বর অবধি সময় চাইল রাজ্য

    উল্লেখ্য, বকেয়া ২৫ শতাংশ DA দিতে পারবে না রাজ্য। আরও সময় চেয়ে সুপ্রিম কোর্টে আর্জি জানিয়েছে রাজ্যচ। ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত সময় চাইল রাজ্য সরকার বলে খবর। সেক্ষেত্রে বকেয়া ডিএ-র প্রথম কিস্তি দেওয়ার সময়সীমা ছিল ৩১ মার্চ। অর্থাৎ বকেয়া বুঝে নিতে এখনও লম্বা সময় অপেক্ষা করতে হবে সকলকে।

  • ‘পশ্চিমবঙ্গ সরকার MA ফিল করলেও …’ বকেয়া DA মামলায় নাটকীয় মোড়? এল বড় খবর

    ‘পশ্চিমবঙ্গ সরকার MA ফিল করলেও …’ বকেয়া DA মামলায় নাটকীয় মোড়? এল বড় খবর

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ ডিএ (Dearness allowance) নিয়ে বাংলার সরকারি কর্মীদের আশঙ্কাই যেন সত্যি হল। বকেয়া DA প্রদানের জন্য সুপ্রিম কোর্টের কাছে নতুন করে সময়সীমা চাইল পশ্চিমবঙ্গ সরকার। সাফ কথা, এখনই তাঁরা ডিএ দিতে পারবে না। যে কারণে এই মামলায় নতুন করে সর্বোচ্চ আদালতে ‘M.A’ করেছে সরকার। যদিও তা ফাইলিং হয়নি বলে খবর। এরই মধ্যে নয়া হুঁশিয়ারি দিলেন কনফেডারেশন অফ স্টেট গভর্নমেন্ট এমপ্লয়িজের সাধারণ সম্পাদক মলয় মুখোপাধ্যায়। তিনি জানালেন, ‘দেখা যাক, লড়াই জারি থাকবে।’

    চরম হুঁশিয়ারি সরকারি কর্মীদের

    তিনি নিজের ফেসবুক পোস্টে লেখেন, ‘সরকার MA করলেও Filling is not done yet. দেখা যাক লড়াই জরি থাকবে।’ এরপর অপর একটি পোস্টে তিনি লেখেন, ‘নির্লজ্জ বেহায়া, আবারও এম.এ অ্যাপ্লিকেশন করলো।’ অন্যদিকে সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের আহ্বায়ক ভাস্কর ঘোষ বলেছেন, ‘রাজ্য M.A ফাইল করে অধিকার আটকাতে চেয়েছে। এমনকি ২৫ শতাংশ দেবার জন্যও ডিসেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত সময় চেয়েছে! লড়াই জোরদার করতে হবে।’

    সরকারের জারি করা বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, মূলত পঞ্চম বেতন কমিশনের বকেয়া DA পেতে চলেছেন রাজ্য সরকারের ৩,১৭,৯৫৪ জন কর্মচারী, সবাই নন। পাবেন রাজ্য সরকারের পেনশনাররা। তবে বৃহত্তর কর্মচারীরা (শিক্ষক,শিক্ষাকর্মী,পঞ্চায়েত ও পৌর কর্মী প্রমুখ) এই বকেয়া পাওনা থেকে বাদই থাকতে চলেছেন। রাজ্য সরকার তার ২১৫ পাতার মডিফিকেশন আবেদনে সুপ্রিম কোর্টে যে পিটিশন জমা করেছে তার আইনজীবী মারফত।

    কী বলছে রাজ্য সরকার?

    শুক্রবার, রাজ্য সরকার সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়। তারা ডিএ মামলায় রায় কার্যকর করার জন্য আদালতের কাছে সময়সীমা বাড়ানোর জন্য একটি নতুন আবেদন জমা দেয়। শুক্রবার রাজ্য সরকার সুপ্রিম কোর্টকে জানিয়েছে যে ডিএ প্রদানের আদেশ বাস্তবায়নে তারা বেশ কয়েকটি প্রশাসনিক ও প্রযুক্তিগত সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে। সরকার তাদের আর্থিক অসুবিধাগুলিও তুলে ধরেছে। এই কারণেই তারা আদালতের রায় অনুসরণ করার জন্য আরও সময় চেয়েছে। রাজ্য সরকার তাদের আবেদনে দাবি করেছে যে অল্প সময়ের মধ্যে এত বিশাল আর্থিক প্রতিশ্রুতি পূরণ করা প্রায় অসম্ভব। সরকার ব্যাখ্যা করেছে যে মুলতুবি ডিএ গণনা করার জন্য ৩.১৭ লক্ষেরও বেশি বর্তমান কর্মচারীর পাশাপাশি অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মীদের তথ্য যাচাই করা প্রয়োজন।

    আরও পড়ুনঃ DA না দেওয়ার জন্য বিরাট যুক্তি রাজ্য সরকারের, কবে মিলবে বকেয়া? জানাল সময়

    রাজ্য সরকার সুপ্রিম কোর্টকে জানিয়েছে যে ২০১৬ সালের আগে, সমস্ত কর্মচারী তথ্য ডিজিটাল ছিল না। এই হাতে লেখা রেকর্ডগুলি, যা পরিষেবা বইতে রাখা হয়, যাচাই করা একটি বড় চ্যালেঞ্জ। ফলস্বরূপ, ভোটের মুখে এই তথ্য ডিজিটালাইজেশন এবং তারপর যাচাই করার প্রক্রিয়াটি অনেক সময় নিচ্ছে। এর ফলে নতুন করে বাংলার সরকারি কর্মীরা ফের একবার অনিশ্চয়তার মধ্যে থাকতে চলেছেন। বারবার সুপ্রিম নির্দেশ সত্ত্বেও ডিএ না পাওয়া, সরকারি কর্মীদের কাছে কতটা ধাক্কার সেটা আর বলার অপেক্ষা রাখে না।

    চালু পোর্টাল

    সরকার আরও জানিয়েছে যে ২০১৬ থেকে ২০১৯ সালের তথ্য আংশিকভাবে ‘ইন্টিগ্রেটেড ফাইন্যান্সিয়াল ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম’ (IFMS) তে পাওয়া যাচ্ছে এবং এই তথ্য ব্যবহার করে গণনা শুরু হয়েছে। তবে, ২০০৮ থেকে ২০১৫ সালের তথ্যের জন্য, তারা একটি পৃথক অনলাইন পোর্টাল তৈরি করছে। যাচাইয়ের জন্য কর্মীদের এই পোর্টালে তাদের বিবরণ আপলোড করতে হবে। ফলে সবদিক থেকে বিচার করে রাজ্য সরকার সুপ্রিম কোর্টের কাছে কমপক্ষে ৩১ ডিসেম্বর, ২০২৬ পর্যন্ত সময় বাড়ানোর আবেদন করেছে। এটি ডিএ-র প্রথম ২৫% কিস্তি পরিশোধের জন্য, যা আদালত ৩১ মার্চের মধ্যে পরিশোধ করার নির্দেশ দিয়েছিল। এদিকে চুপ করে বসে নেই আন্দোলনকারীরাও। সরকারের এহেন পদক্ষেপের পর রাজ্য সরকারি কর্মচারীরা পাল্টা সতর্কবার্তা জারি করেছেন। তারা ১৩ মার্চ, শুক্রবার ধর্মঘটের ডাক দিয়েছেন।

  • আজ থেকেই অ্যাকাউন্টে ঢুকবে যুবসাথীর টাকা, ধরনা মঞ্চ থেকে ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রী মমতার

    আজ থেকেই অ্যাকাউন্টে ঢুকবে যুবসাথীর টাকা, ধরনা মঞ্চ থেকে ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রী মমতার

    সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: ধর্মতলার ধরনা মঞ্চ থেকে বিরাট ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। আজ থেকেই যুবসাথী প্রকল্পের (Banglar Yuva Sathi) টাকা বেকারদের অ্যাকাউন্টে ঢুকবে বলেই জানালেন মুখ্যমন্ত্রী। হ্যাঁ, গতকাল অর্থাৎ ৬ মার্চ থেকে এসআইআর প্রতিবাদে ধর্মতলার মেট্রো চ্যানেলে ধরনা মঞ্চে বসেছেন মুখ্যমন্ত্রী সহ তৃণমূলের শীর্ষ নেতারা। আর আজ ৭ মার্চ তিনি নিজেই ঘোষণা করলেন, আজ থেকেই যুবসাথীর টাকা অ্যাকাউন্টে ঢুকবে। ফলে ভোটের আগেই যে বেকারদের মুখে হাসি ফোটাতে ফেলেছে শাসক দল তা স্পষ্ট।

    আজ থেকে যুবসাথীর টাকা

    বলাই বাহুল্য, চলতি বাজেটে যুবসাথী প্রকল্পের ঘোষণা করা হয়েছিল। যেখানে জানানো হয়েছিল, মাধ্যমিক পাস করলেই বেকার যুবক-যুবতীরা প্রতি মাসে ১৫০০ টাকা করে ভাতা পাবে। তবে তার জন্য অবশ্যই ২১ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে বয়স হতে হবে। আগে ঠিক করা হয়েছিল, ১৫ আগস্ট থেকে এই ভাতা দেওয়া হবে। কিন্তু মুখ্যমন্ত্রী পরে জানান যে, ১ এপ্রিল থেকেই অ্যাকাউন্টে টাকা ঢুকবে। কিন্তু আজ ধরনা মঞ্চ থেকে স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন, ৭ মার্চ থেকেই যুবসাথীর টাকা ঢুকবে। এমনকি আন্তর্জাতিক মহিলা দিবসের উপহার হিসেবেই তিনি এই ঘোষণা করলেন।

    আরও পড়ুন: ভোটের আগে রদবদল, ৭ IAS অফিসার সহ KMC-র কমিশনারকেও সরাল নবান্ন

    এদিকে যুবসাথী আবেদনের ক্ষেত্রে বেশ কয়েকটি শর্ত বেধে দিয়েছিল রাজ্য সরকার। যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল আবেদনকারীকে অবশ্যই ২১ থেকে ৪০ বছর বয়স হতে হবে। আর রাজ্য সরকারের অন্য কোনও রকম জনমুখী প্রকল্পের আওতায় থাকা যাবে না। প্রাথমিকভাবে আগামী পাঁচ বছর প্রতি মাসে এই প্রকল্পের আওতায় আবেদনকারীরা ভাতা পাবেন বলে জানানো হয়। তবে যদি তার পরেও কেউ বেকার থাকে, সেক্ষেত্রে আবার রিভিউ নিতে পারবে। সেই অনুসারী, সকলে ভেবেছিলে হয়তো ১ এপ্রিল থেকেই এই প্রকল্পের টাকা ঢুকবে। কিন্তু তার আগেই বিরাট খুশির খবর শোনালেন মমতা।

  • ভোটের আগে রদবদল, ৭ IAS অফিসার সহ KMC-র কমিশনারকেও সরাল নবান্ন

    ভোটের আগে রদবদল, ৭ IAS অফিসার সহ KMC-র কমিশনারকেও সরাল নবান্ন

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: ২৬ এর বিধানসভা নির্বাচন (West Bengal Election 2026) নিয়ে বেশ উত্তপ্ত পরিস্থিতি রাজ্য রাজনীতিতে। আর এই ভোট আবহেই রাজ্যে এবার একাধিক আইএএস এবং ডব্লিউবিএস এগজিকিউটিভ অফিসার বদলি করল নবান্ন (Nabanna)। গতকাল অর্থাৎ শুক্রবার, নবান্ন থেকে জারি হওয়া এক বিজ্ঞপ্তিতে সাতজন IAS অফিসারের বদলি (WB IAS Officer Transfer) নতুন দায়িত্বের কথা ঘোষণা করা হয়েছে।

    নবান্নের জরুরি বিজ্ঞপ্তি

    সরকারি নির্দেশিকায় জানানো হয়েছে, বর্তমানে কলকাতা পুরসভার মিউনিসিপ্যাল কমিশনার হিসেবে কর্মরত সুমিত গুপ্তকে ডিএলআরএস, পশ্চিমবঙ্গ পদে নিয়োগ করা হয়েছে। এবং তাঁকে কলকাতা দক্ষিণের জেলা নির্বাচন আধিকারিকের অতিরিক্ত দায়িত্বও দেওয়া হয়েছে। কলকাতা পুরসভার নতুন কমিশনারের অতিরিক্ত দায়িত্ব হিসেবে বসানো হয়েছে অংশুল গুপ্তাকে, এছাড়াও তাঁকে কলকাতা উত্তরের জেলা নির্বাচন আধিকারিকও করা হয়েছে। নদিয়ার বর্তমান জেলাশাসক অনীশ দাশগুপ্তকে বাঁকুড়ার জেলাশাসক করা হয়েছে। সিয়াদ এন উত্তর ২৪ পরগনার নতুন জেলাশাসক হয়েছেন, তিনি আগে বাঁকুড়ার জেলাশাসক ছিলেন।

    Nabanna

    রাজ্যপালের সম্মতিতেই বদলি

    প্রাণী সম্পদ উন্নয়ন বিভাগের স্পেশাল সেক্রেটারি শেভালে অভিজিৎ তুকারামকে আলিপুরদুয়ারের জেলা শাসক হিসেবে বদলি করা হয়েছে। উত্তর দিনাজপুরের জেলাশাসক সুরেন্দ্র কুমার মিনাকে কেএমডিএ-র সিইও করা হয়েছে। WBSIDCL এর এমডি নিখিল নির্মলকে নদিয়ার জেলাশাসক করা হয়েছে। এছাড়াও পশ্চিমবঙ্গ অনগ্রসর শ্রেণি কমিশনের সদস্য সচিব তনভির আফজলকে উত্তর দিনাজপুরের নতুন জেলাশাসক হিসেবে বসানো হয়েছে। জানা গিয়েছে, রাজ্যপাল এই বদলিগুলিতে সম্মতি দিয়েছেন এবং পরবর্তী নির্দেশ না আসা পর্যন্ত তা বহাল থাকবে।

    আরও পড়ুন: সাতসকালে ভয়াবহ বিস্ফোরণ কলকাতায়,পাইকপাড়ায় উড়ল ক্লাবের চাল, এলাকায় আতঙ্ক

    প্রসঙ্গত, গত বছরের শেষের দিকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রাজ্য প্রশাসনে বড়সড় পরিবর্তন করেছিলেন। সেই সময় কলকাতা পুরসভার কমিশনার-সহ রাজ্যের একঝাঁক জেলার জেলাশাসক এবং অতিরিক্ত জেলাশাসকদেরও বদল করা হয়েছিল। এবার মার্চের শুরুতে ফের বদলি করা হল। আসলে সামনেই যেহেতু বিধানসভা নির্বাচন, তাই সমস্ত জেলায় নিয়ম শৃঙ্খলা সুরক্ষিত এবং নিয়ন্ত্রণ করতে এই বদল আনা হয়েছে বলে মনে করছেনরাজ্য প্রশাসনের একাংশ।

  • DA না দেওয়ার জন্য বিরাট যুক্তি রাজ্য সরকারের, কবে মিলবে বকেয়া? জানাল সময়

    DA না দেওয়ার জন্য বিরাট যুক্তি রাজ্য সরকারের, কবে মিলবে বকেয়া? জানাল সময়

    সহেলি মিত্র, কলকাতা: বকেয়া ডিএ (Dearness allowance)) নিয়ে নয়া জলঘোলা শুরু বাংলায়। আরও সময় চাইল পশ্চিমবঙ্গ সরকার। হ্যাঁ একদম ঠিক শুনেছেন। মার্চ নয়, আগামী ৩১ ডিসেম্বর, ২০২৬ অবধি সময়সীমা চেয়ে নিল পশ্চিমবঙ্গ সরকার। আর সরকারের এই আবেদন রাজ্য সরকারি কর্মীদের কাছে যথেষ্ট ধাক্কার সেটা আর নতুন করে বলার অপেক্ষা রাখে না। চলুন আরও বিশদে জেনে নেওয়া যাক।

    বকেয়া ডিএ মেটাতে সময় চাইল সরকার

    সরকারের এখন সাফ কথা, ‘এখন ডিএ দিতে পারব না।’ এমনিতে গত ফেব্রুয়ারি মাসে প্রায় ২০ লক্ষ সরকারি কর্মচারীকে স্বস্তি দিয়ে সুপ্রিম কোর্ট পশ্চিমবঙ্গ সরকারকে ২০০৮ থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত তাদের মহার্ঘ্য ভাতা (ডিএ) প্রদানের নির্দেশ দেয়। আদালতের দাবি, এটা সরকারি কর্মীদের অধিকার। বিচারপতি সঞ্জয় কারোল এবং প্রশান্ত কুমার মিশ্রের একটি বেঞ্চ রাজ্য সরকারকে ৩১ মার্চের মধ্যে তাদের কর্মচারীদের বকেয়া ডিএ-র ২৫% পরিশোধ করার নির্দেশ দিয়েছে। তারা বেতন প্রদানের তদারকির জন্য সুপ্রিম কোর্টের তিনজন অবসরপ্রাপ্ত বিচারক এবং অন্য একজন কর্মকর্তার সমন্বয়ে চার সদস্যের একটি কমিটিও গঠন করা হয়।

    বাকি ৭৫% ডিএ-র জন্য একটি পেমেন্ট পরিকল্পনা ঠিক করার জন্য কমিটিকে রাজ্য সরকারের সাথে কাজ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কমিটিকে ৬ মার্চের মধ্যে তাদের সুপারিশ পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। পেমেন্ট প্রদানের পর রাজ্য সরকারকে ১৫ এপ্রিলের মধ্যে আদালতে একটি সম্মতি প্রতিবেদন জমা দিতে হবে। যদিও এখন বকেয়া ২৫% DA-র প্রথম কিস্তি দিতে সময় চায় রাজ্য। ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত সময় বাড়াতে সুপ্রিম কোর্টে আবেদন।

    নতুন যুক্তি সরকারের

    সকলের আশঙ্কা সত্যি করে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছে রাজ্য সরকার। সেখানে তাদের বক্তব্য, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বকেয়া ডিএ মেটানো তাদের পক্ষে সম্ভব নয়। এই নিয়ে তাদের যুক্তি ২০১৬ সালের আগে নিয়োগ পাওয়া সরকারি কর্মী এবং পেনশনভোগীদের সার্ভিস বুক খুঁজে বার করতে অনেকটা সময় লাগবে। এহেন পরিস্থিতিতে নাকি ডিসেম্বর মাসের ৩১ তারিখের আগে তারা কোনও ভাবেই ডিএ দিতে পারবে না।

  • মার্চে টানা ৬ দিনের লম্বা ছুটি, কবে থেকে কবে? দেখুন নবান্নের হলিডে লিস্ট

    মার্চে টানা ৬ দিনের লম্বা ছুটি, কবে থেকে কবে? দেখুন নবান্নের হলিডে লিস্ট

    সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: মার্চ মাস মানেই একেবারে ছুটির রমরমা। হ্যাঁ, এ মাসের ছুটির তালিকা যে অনেকটাই দীর্ঘ তা নবান্নের হলিডে লিস্ট (March Holiday List) দেখলেই বোঝা যাচ্ছে। দোল থেকে শুরু করেই ঈদ-উল-ফিতর, রামনবমী, মহাবীর জয়ন্তী সবকিছুই এই মাসে। এক কথায়, সরকারি কর্মচারী থেকে শুরু করে স্কুল-কলেজের পড়ুয়ারা ছোটখাটো ভ্রমণের পরিকল্পনা সেরা নিতে পারে মার্চে। আর সাথে সাপ্তাহিক ছুটি তো থাকছেই। সবথেকে বড় ব্যাপার, সাপ্তাহিক ছুটি ছাড়াও এই মাসে অতিরিক্ত ৭টি ছুটি পাওয়া যাবে। দেখুন নবান্নের হলিডে লিস্ট।

    মার্চ মাসের ছুটির তালিকা

    প্রথমেই বলি, এ মাসের প্রথম দিন অর্থাৎ ১ মার্চ রবিবার ছিল। তারপর ৩ মার্চ ছিল মঙ্গলবার, দোলের ছুটি। আর ৪ মার্চ হোলির ছুটি। অর্থাৎ টানা দু’দিন ছুটি মিলেছে কর্মীদের। তবে সেক্ষেত্রে যদি সোমবারটা ছুটি নেওয়া যেত তাহলে টানা ৪ দিনের লম্বা ছুটির সুযোগ পেত সরকারি কর্মীরা। বিশেষ করে রঙের মরসুমে অনেকেই শান্তিনিকেতন বা সমুদ্রের হাওয়া গায়ে লাগিয়েছে তা বলার অপেক্ষা রাখে না।

    এদিকে আগামী ১৭ মার্চ মঙ্গলবারও রয়েছে ছুটি। কারণ, এদিন শ্রীশ্রী হরিচাঁদ ঠাকুরের জন্মতিথি আর মধুকৃষ্ণ ত্রয়োদশী উপলক্ষে সমস্ত সরকারি স্কুল-কলেজ, অফিস আদালত ছুটি থাকবে। পাশাপাশি ১৮ এবং ১৯ মার্চ অফিসের পর আবার পরপর তিনদিন ছুটির সুযোগ মিলছে। কারণ, ২০ মার্চ শুক্রবার ঈদ-উল-ফিতরের আগের দিন ছুটি আর ২১ মার্চ ঈদ-উল-ফিতরের ছুটি থাকছে। আবার ২২ মার্চ রবিবার। অর্থাৎ এই দিনও সাপ্তাহিক ছুটি। ফলত, এখানেও মিলছে টানা তিনদিন ছুটি। আর যদি ১৮ এবং ১৯ মার্চ ব্যক্তিগত ছুটি নেওয়া যায়, তাহলে ১৭ থেকে একেবারে ২২ মার্চ লম্বা ৬ দিনের ছুটির সুযোগ পাবে সরকারি কর্মচারীরা।

    আরও পড়ুন: একদম ঝাঁ চকচকে, অমৃত ভারত প্রকল্পে ভোল বদলে গেল পুরুলিয়ার দুই রেল স্টেশনের

    এখানেই শেষ নয়। আগামী ২৬ মার্চ রামনবমী উপলক্ষে পশ্চিমবঙ্গ থেকে শুরু করে গোটা ভারতবর্ষের সমস্ত সরকারি অফিস বন্ধ থাকবে। আর ৩১ মার্চ পড়ছে মহাবীর জয়ন্তী। সেই কারণে এইদিনও রয়েছে ছুটি। অর্থাৎ মাসের শুরু ছুটি দিয়ে আবার শেষও ছুটি দিয়ে। এক কথায়, মার্চ মাস মানেই সরকারি কর্মচারীদের শুধু ছুটি আর ছুটি।

  • DA থেকে সপ্তম পে কমিশন, শাহের ওপর আস্থা? জানালেন পশ্চিমবঙ্গ সরকাররের কর্মীরা

    DA থেকে সপ্তম পে কমিশন, শাহের ওপর আস্থা? জানালেন পশ্চিমবঙ্গ সরকাররের কর্মীরা

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ বাংলায় বিধানসভা ভোটের মুখে প্রতিশ্রুতির বন্যা বইছে সকলের জন্য। ইতিমধ্যে ভোটকে নজরে রেখে পশ্চিমবঙ্গ সরকার লক্ষ্মীর ভান্ডারের টাকা বৃদ্ধি, বেকার ভাতার আওতায় ১৫০০ টাকা, ৪ শতাংশ ডিএ (Dearness allowance) বৃদ্ধি, সপ্তম বেতন পে কমিশনের ঘোষণা করেছে। অপরদিকে সম্প্রতি বাংলা সফরে এসে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ঘোষণা করেছেন, বাংলায় বিজেপি সরকার গড়ল ৪৫ দিনের মধ্যে সপ্তম বেতন পে কমিশন (7th Pay Commission) লাগু করা হবে। এতকিছু প্রতিশ্রুতির মধ্যে এখন প্রশ্ন উঠছে, বাংলার সরকারি কর্মীরা এসবের ওপর বিশ্বাস রাখতে পারছেন? সেই নিয়েই এবার মুখ খুললেন বকেয়া মহার্ঘ ভাতা আদায়ের আন্দোলনের অন্যতম প্রধান মুখ ও কনফেডারেশন অফ স্টেট গভর্নমেন্ট এমপ্লয়িজ-এর সাধারণ সম্পাদক মলয় মুখোপাধ্যায় (Malay Mukherjee)।

    অমিত শাহের প্রতিশ্রুতিতে আস্থা পশ্চিমবঙ্গ সরকারের কর্মীদের?

    অনেকেই ইতিমধ্যে প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছেন, DA, পেনশন, বেতন বৃদ্ধি নিয়ে অমিত শাহের কথার ওপর আস্থা রাখতে পারবেন বাংলার সরকারি কর্মীরা? কারণ দীর্ঘ বিগত কয়েক বছর ধরে পঞ্চম বেতন পে কমিশনের আওতায় বকেয়া ডিএ মামলা নিয়ে লড়াই চলছে। আর এই লড়াইয়ে আংশিক জয়ও পেয়েছেন সকলে। আগামী ৩১ মার্চ, ২০২৬-এর মধ্যে পশ্চিমবঙ্গ সরকারকে সরকারি কর্মীদের বকেয়া টাকা মিটিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। এসবের মধ্যেই মলয় মুখোপাধ্যায়ের আশঙ্কা, ভোটের পর তৃণমূল সরকার পুনরায় নির্বাচিত হলে পেনশন বন্ধ করে দিতে পারে। অমিত শাহের করা মন্তব্য প্রসঙ্গে মলয়বাবু জানান, ‘কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর মুখ দিয়ে একটা কথা বের হওয়া মানে সেটাকে একদম অবিশ্বাস আমরা করতে পারি না বা করছিও না।’

    ২০৩০ সালে লাগু হবে সপ্তম বেতন পে কমিশন!

    মুখ্যমন্ত্রীর করা সপ্তম বেতন কমিশন প্রসঙ্গে মলয় মুখোপাধ্যায় জানান, ‘বর্তমান সরকার যদি আবার আসে তাহলে এই সপ্তম বেতন পে কমিশন ২০৩০ সালে লাগু হবে। মুখ্যমন্ত্রী এসে অনেক কথাই বলেছিল। তাঁর যে প্রতিশ্রুতি কতটা ফেক তা কর্মচারী সমাজ হারে হারে টের পাচ্ছেন। মুখ্যমন্ত্রী বলেছিলেন যে বাম আমলে যে যে বঞ্চনা হয়েছিল তা তাঁরা এসে ঠিক করে দেবেন। কিন্তু সেটা একদম মিথ্যে প্রতিশ্রুতি ছিল। এখানে শুধু দুর্নীতি আর দুর্নীতি। আর এসব করেই দীর্ঘ ১৫ বছর ধরে রাজত্ব করছে বর্তমান সরকার। তবে এই যে মাননীয় অমিত শাহের বক্তব্য এটা যদি সত্যি সত্যি লাগু হয় তাহলে ১০০ শতাংশ সরকারি কর্মচারীরা অনেক উপকৃত হবে, যেটা বর্তমান সরকার থাকলে আমরা পেতাম না।’

    আরও পড়ুনঃ দ্বিতীয় বা তৃতীয় সন্তানের জন্ম দিলেই ২৫,০০০ টাকা দেবে রাজ্য সরকার! কবে থেকে?

    অমিত শাহ বলেছেন ৪৫ দিনের মধ্যে পে কমিশন লাগু হবে। যদিও মলয় মুখোপাধ্যায় অন্য কথা বলছেন। তিনি জানান, ‘আমার মনে হয় মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এই বেতন কমিশনের বিস্তারিত তথ্য জানেন না। তবুও তাঁর মুখ থেকে ওই কথাটা বলা মানে কিন্তু বড় বিষয়।’

  • রাজীবের পর চর্চায় আরেক প্রাক্তন পুলিশ কর্তা, রণবীর কুমারকে বড় দায়িত্ব দিল নবান্ন

    রাজীবের পর চর্চায় আরেক প্রাক্তন পুলিশ কর্তা, রণবীর কুমারকে বড় দায়িত্ব দিল নবান্ন

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: রাজ্যের (West Bengal) প্রশাসনিক পদ নিয়ে বিতর্ক যেন কিছুতেই পিছু ছাড়ছে না। এর আগেও প্রাক্তন ডিজি রাজীব কুমারের পদ নিয়ে একাধিকবার বিতর্ক উঠেছিল। যদিও এইসব তর্ক বিতর্ককে পিছনে ফেলে ফের প্রশাসনিক পদ পরিবর্তন করল নবান্ন (Nabanna)। রাজ্যের সড়ক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবার অবসরপ্রাপ্ত আইপিএস রণবীর কুমারকে (Ranbir Kumar) ট্রাফিক অ্যান্ড রোড সেফটির অ্যাডভাইজর করা হল।

    নতুন পদে নিয়োগ IPS রণবীর কুমারকে

    রিপোর্ট মোতাবেক, রাজ্যে সড়ক নিরাপত্তা সংক্রান্ত কাজে আরও জোর দিতে বেশ উদ্যোগী হয়েছে রাজ্য সরকার। তাই সেই কাজ যাতে আরও সুষ্ঠভাবে সম্পন্ন করা যায় তাই ট্রাফিক ও সড়ক নিরাপত্তা বিষয়ক নতুন উপদেষ্টা হিসেবে প্রাক্তন পুলিশ কর্তা রণবীর কুমারকে নিয়োগ করা হয়েছে। প্রশাসন মনে করছে, এই সিদ্ধান্ত ভবিষ্যতে রাজ্যে সড়ক নিরাপত্তা এবং ট্রাফিক ব্যবস্থাপনাকে আরও শক্তিশালী করে তুলবে। অন্যদিকে রাজ্যের প্রাক্তন ডিজি রাজীব কুমারকে রাজ্যসভার প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করেছে শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস। গতকাল অর্থাৎ বৃহস্পতিবার বিধানসভায় বাকি তিন প্রার্থী, কোয়েল মল্লিক, বাবুল সুপ্রিয় এবং মেনকা গুরুস্বামীকে সঙ্গে নিয়ে জমা দিলেন মনোনয়ন পত্র।

    চর্চায় রাজীব কুমার

    বরাবরই খবরের শিরোনামে থাকেন প্রাক্তন ডিজি রাজীব কুমার। সারদা ও রোজভ্যালি চিটফান্ড কেলেঙ্কারির তদন্ত চলাকালীন রাজীব কুমারের পাশে যেভাবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দাঁড়িয়েছিলেন, তা নিয়ে বেশ চর্চা উঠেছিল বিরোধীদের মধ্যে। এক্ষেত্রে রাজীব কুমারকে নিয়ে সিবিআই তদন্তের জট থাকলেও, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর ওপর যথেষ্ট আস্থা রেখেছেন তাই সারদা তদন্তের জন্য রাজ্য পুলিশের বিশেষ তদন্তকারী দলের প্রধান হিসেবে তাঁকে নিয়োগ করা হয়েছিল। পরবর্তীকালে তাঁকে বিধাননগর কমিশনারেটের প্রধান এবং কলকাতার পুলিশ কমিশনার পদে বসানো হয়। এবং সবশেষে রাজ্য পুলিশের ডিজিপি (DGP) পদে নিযুক্ত করা হয়েছিল তাঁকে। সম্প্রতি সেই পদ থেকে তিনি অবসর নিয়েছেন।

    আরও পড়ুন: ভোটের মুখে বাংলায় রাজ্যপাল বদল! দায়িত্বে প্রাক্তন গোয়েন্দাকর্তা! কে এই আর এন রবি?

    প্রসঙ্গত, নবান্নে প্রশাসনিক রদবদলের মাঝেই গতকাল অর্থাৎ বৃহস্পতিবার আচমকা রাজ্যপাল পদ থেকে ইস্তফা দিলেন সিভি আনন্দ বোস। রাতেই রাষ্ট্রপতি ভবনে পদত্যাগপত্র পাঠানো হলে তা গ্রহণ করা হয়। কিন্তু ভোটমুখী বঙ্গে কেন আচমকা এই পদত্যাগ রাজ্যপালের, সেই কারণ এখনো স্পষ্ট হয়নি, এমনকি এ বিষয়ে সিভি আনন্দ বোস নিজেও কোনও মন্তব্য করেননি। আর এই অবস্থায়, বোসের ইস্তফার পর ‌পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপালের দায়িত্ব পেলেন তামিলনাড়ুর রাজ্যপাল আর এন রবি। অন্যদিকে কেরলের রাজ্যপাল রাজেন্দ্র বিশ্বনাথ আরলেকরকে তামিলনাড়ুর রাজ্যপালের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।