Tag: Government Of West Bengal

  • সিভিকের মতো এবার পথবন্ধু ভলান্টিয়ার নিয়োগ করতে চায় রাজ্য সরকার, কী কাজ করবে?

    সিভিকের মতো এবার পথবন্ধু ভলান্টিয়ার নিয়োগ করতে চায় রাজ্য সরকার, কী কাজ করবে?

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: সময় যত এগোচ্ছে রাজ্যে (West Bengal) বেপরোয়া চাকার দৌরাত্ম্য যেন ক্রমেই বাড়ছে। যার ফলে গত কয়েক বছরে রাজ্যে পথ দুর্ঘটনার সংখ্যা উদ্বেগজনক ভাবে বেড়েছে। সাধারণ মানুষের সঙ্গে বেলাগাম চাকার শিকার হচ্ছেন পুলিশকর্মীরাও। যদিও দুর্ঘটনা রুখতে একের পর এক পদক্ষেপ নিয়েই চলেছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার। এমতাবস্থায় দুর্ঘটনাপ্রবণ এলাকায় ‘পথবন্ধু’ (Pathbandhu) নিয়োগের পরিকল্পনা নিতে চলেছে নবান্ন, প্রতি স্থানে ৭ জন করে নিয়োগ করা হবে পথবন্ধু ভলেন্টিয়ার।

    বেড়েই চলছে শহরে দুর্ঘটনার পরিমাণ

    লালবাজারের তথ্য বলছে, কলকাতায় পথ দুর্ঘটনায় ২০২৩–এ মারা গিয়েছিলেন ১৫৯ জন। সেখানে ২০২৪ সালে মৃত্যুর সংখ্যা প্রায় ২০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে দাঁড়িয়েছে ১৯১ জনে। ২০২৫ এ সেই সংখ্যা আরও বেড়েছে। গত কয়েক বছরে রাজ্যে পথ দুর্ঘটনার সংখ্যা উদ্বেগজনক ভাবে বেড়েছে। এছাড়াও দুশ্চিন্তার বিষয় হল দুর্ঘটনার পর দ্রুত সহায়তা না পাওয়ার কারণে বহু ক্ষেত্রে আহতদের প্রাণহানির ঘটনাও ঘটছে। সেই নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে একাধিক পরিকল্পনা করে আসছে। এবার তাই প্রশিক্ষিত পথবন্ধু নিয়োগ করা হতে চলেছে। প্রশাসন সূত্রে খবর, রাজ্যের বিভিন্ন জাতীয় ও রাজ্য সড়কে চিহ্নিত প্রায় এক হাজারের বেশি দুর্ঘটনাপ্রবণ এলাকায় নতুন করে ‘পথবন্ধু’ নিয়োগ করা হতে পারে।

    দুর্ঘটনাপ্রবণ এলাকায় নিয়োগ করা হবে পথবন্ধু

    রাতের বেলায় দুর্ঘটনা ঘটলে যাতে আহতদের হাসপাতালে নিয়ে যেতে দেরি না হয় এবং দুর্ঘটনাস্থলে দ্রুত প্রাথমিক চিকিৎসা এবং উদ্ধার করার পরিষেবা বাড়াতে ‘পথবন্ধু’ নিয়োগ বাড়ানোয় মনোযোগ দিচ্ছে রাজ্য সরকার। প্রতিটি দুর্ঘটনাপ্রবণ এলাকায় নির্দিষ্ট ভাবে সাত জন করে পথবন্ধু নিয়োগ করা হতে পারে। তাঁদের উন্নত প্রশিক্ষণ দেওয়ার পাশাপাশি আধুনিক ফার্স্ট এড বক্স দেওয়ার কথাও ভাবা হয়েছে। যাতে দুর্ঘটনায় আহত ব্যক্তিদের দ্রুত ব্যান্ডেজ করা, রক্তপাত বন্ধ করা এবং জরুরি পরিস্থিতিতে প্রাথমিক চিকিৎসা করা যায়। তবে তার আগে সবটাই তাঁদের হাতেকলমে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে।

    আরও পড়ুন: ‘ইঞ্চিতে ইঞ্চিতে বুঝে নেব’ বকেয়া DA কাণ্ডে বড় ঘোষণা, ঘুরে যাবে খেলা? জল্পনা তুঙ্গে

    প্রসঙ্গত, ‘পথবন্ধু’রা ভলান্টিয়ার হিসেবেই কাজ করেন বেশিরভাগ সময়। কিন্তু প্রশিক্ষণের অভাবে নানা রকম সমস্যা তৈরি হয়। তাই রাজ্য সরকার এই উদ্যোগ নিচ্ছে। অন্যদিকে ‘পথবন্ধু’দের কাজ সম্পর্কে সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতা বাড়ানোর জন্য বিশেষ চিন্তা ভাবনা করেছে প্রশাসন। পথবন্ধুদের মাধ্যমেই বিভিন্ন এলাকায় সচেতনতামূলক প্রচার চালানোর পরিকল্পনা রয়েছে, যাতে দুর্ঘটনার সময় মানুষ দ্রুত তাঁদের সাহায্য নিতে পারেন।

  • ‘ইঞ্চিতে ইঞ্চিতে বুঝে নেব’ বকেয়া DA কাণ্ডে বড় ঘোষণা, ঘুরে যাবে খেলা? জল্পনা তুঙ্গে

    ‘ইঞ্চিতে ইঞ্চিতে বুঝে নেব’ বকেয়া DA কাণ্ডে বড় ঘোষণা, ঘুরে যাবে খেলা? জল্পনা তুঙ্গে

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: ২৬ এর বিধানসভা নির্বাচনের আবহে বিভিন্ন ইস্যু নিয়ে একের পর এক বিতর্ক তৈরি হয়েছে রাজ্য রাজনীতিতে। SIR নিয়ে ইতিমধ্যেই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ধর্মতলায় মেট্রো চ্যানেলে ধরনায় বসেছেন। কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে তুলে ধরছেন একের পর এক অভিযোগ। আর এই অবস্থায় গর্জে উঠল সরকারি কর্মীরা। DA না দিয়ে যুবসাথীর টাকা ঘোষণা করায় কাটমানির প্রসঙ্গ তুললেন সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের আহ্বায়ক ভাস্কর ঘোষ। ভোটে মমতাকে (Mamata Banerjee) দেখে নেওয়ার হুঁশিয়ারিও দিলেন।

    কাটমানির প্রসঙ্গ তুললেন ভাস্কর

    কনফেডারেশন এবং সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের আহ্বায়ক ভাস্কর ঘোষ রাজ্য সরকারের যুবসাথী প্রকল্প নিয়ে ক্ষুব্ধতা প্রকাশ করেন। গত ৭ মার্চ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ধর্মতলার ধরনা মঞ্চ থেকে ঘোষণা করেছিলেন যে ১ এপ্রিল থেকে নয়, যুবসাথীর টাকা ৭ মার্চ থেকে দেওয়া হবে। আর সেই ঘোষণা নিয়ে বিরোধী পক্ষ থেকে উঠে আসে একাধিক কটাক্ষ। কীসের জন্য এই তাড়াহুড়ো তাই নিয়ে ওঠে প্রশ্ন, এবার সেই নিয়ে এক সাক্ষাৎকার পর্বে ভাস্কর ঘোষ কাটমানির প্রসঙ্গ তোলেন। তিনি বলেন, “ অনেকেই জানেন না যে রাজ্যের উচ্চপদস্থ আমলাকারীদের মধ্যে কতজনকে যুবসাথী দেওয়া হচ্ছে, এমনকি RTI করেও সেই তথ্য মিলবে না, কারণ এই সরকার যদি ৭০ লক্ষ বেকারদের মাসে ১৫০০ করে দেয় তাহলে রেকর্ডে এন্ট্রি হবে ১ কোটি উপোভোক্তাদের দেওয়া হচ্ছে। বাকি ৩০ লক্ষকে ভুতুড়ে সাজিয়ে টাকা পার্টি ফান্ডে ঢোকাবে। এইভাবেই চলবে কাটমানি।”

    DA নিয়ে খোঁচা সরকারকে

    গত শুক্রবার, সরকারি কর্মীদের মহার্ঘ ভাতা (Dearness allowance) মামলার রায় কার্যকর করার সময়সীমা বাড়ানোর জন্য নতুন করে সুপ্রিম কোর্টে আবেদন জমা দিয়েছিল পশ্চিমবঙ্গ সরকার। জানানো হয়েছিল, ডিএ বকেয়া পরিশোধ সংক্রান্ত নির্দেশ বাস্তবায়নে একাধিক প্রশাসনিক, প্রযুক্তিগত এবং আর্থিক জটিলতার মুখে পড়তে হচ্ছে। সেই কারণেই অন্তত ২৫ শতাংশ বকেয়া ডিএ এবং প্রথম কিস্তির অর্থ ৩১ ডিসেম্বর ২০২৬-এর মধ্যে দেওয়ার অনুমতি দেওয়া হোক। যদিও এখনও এই বিষয়ে সুপ্রিম কোর্টের তরফে কিছুই জানানো হয়নি। এই নিয়েও ভাস্কর ঘোষ বলেন, “এটি আসলে সুপ্রিম কোর্টকে বিভ্রান্ত করে সময় নষ্ট করা ছাড়া কিছুই নয়। তাঁরা নিজেরাই জানেন আজ নয়ত কাল DA মেটাতে হবে সকলকে। আমরাও আপনাকে ভোটের ময়দানে ইঞ্চিতে ইঞ্চিতে বুঝে নেব। ”

    আরও পড়ুন: রাজ্যে জয়েন্ট এন্ট্রান্স পরীক্ষার দিন ঘোষণা, দেখুন সূচি

    সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের মঞ্চের আহ্বায়ক ভাস্কর ঘোষ বলেন, “মমতা সরকারকে বুঝিয়ে দেব কর্মচারীদের প্রতি যদি এরূপ দৃষ্টিভঙ্গি তিনি চালিয়ে যান তাহলে মে মাসের পরে এই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর নাম মমতা ব্যানার্জি হবে না। রাজ্যবাসী তখন বুঝবে সরকার আসলে সরকারি কর্মীরা চালায় কোন কালীঘাটের লোকজন এই সরকার চালায় না। ” প্রসঙ্গত, আগামী ১৩ মার্চ রাজ্য জুড়ে সরকারি অফিস অচল করে দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন সরকারি কর্মচারী সংগঠনের নেতারা। যদিও যে কোনও ধর্মঘটের ক্ষেত্রে বরাবর কড়া অবস্থান নিয়ে এসেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে এবার সেই সরকার আদৌ কর্মীদের সঙ্গে সংঘাতে যাবে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।

  • এই দিনের মধ্যেই সবার অ্যাকাউন্টে ঢুকবে যুবসাথীর টাকা, বললেন অভিষেক

    এই দিনের মধ্যেই সবার অ্যাকাউন্টে ঢুকবে যুবসাথীর টাকা, বললেন অভিষেক

    বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘোষণার পর গত শনিবার থেকেই যুবসাথী প্রকল্পের (Banglar Yuva Sathi) টাকা ছাড়ার কাজ শুরু হয়েছে। ইতিমধ্যেই বহু আবেদনকারী নিজেদের অ্যাকাউন্টে পেয়ে গিয়েছেন বেকার ভাতার অর্থ। তবে অনেকেরই অভিযোগ, মুখ্যমন্ত্রী বলে তো দিলেন কিন্তু তাঁদের অ্যাকাউন্টে কোনও টাকা ঢোকেনি। এবার সেই সব আবেদনকারীদের বড় সুখবর দিলেন তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)। সম্প্রতি সুন্দরবনের গোপীনাথপুরের এক সভা থেকে তৃণমূল নেতা জানালেন, যাঁরা আবেদন করেছেন সবাই টাকা পাবেন।

    কত তারিখের মধ্যে ঢুকবে যুবসাথীর টাকা?

    গত শনিবার অর্থাৎ 7 মার্চ, মেট্রো চ্যানেলে ধরনা মঞ্চ থেকে মুখ্যমন্ত্রী ঘোষণা করেছিলেন, পহেলা এপ্রিল নয় বরং আন্তর্জাতিক নারী দিবসের আগের দিন অর্থাৎ শনিবার থেকেই আবেদনকারীদের অ্যাকাউন্টে ঢুকে যাবে যুবসাথী প্রকল্পের টাকা। সেই মতোই, রবিবারের মধ্যে অনেকেই নিজেদের স্মার্টফোনে যুবসাথীর মেসেজ পেয়েছেন। তবে অনেকেরই দাবি, 1500 টাকা তো দূরের কথা ফোনে কোনও রকম মানি ডিস্ট্রিবিউশন বা রিলিজের মেসেজ আসেনি।

    এ নিয়ে সুন্দরবনের গোপীনাথপুরের সভা থেকে বড় কথা বলে দিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তৃণমূল সাংসদদের বক্তব্য, রাজ্যের যেসব বেকার যুবক যুবতীরা যুবসাথী প্রকল্পের জন্য আবেদন করেছিলেন প্রত্যেককেই 1500 টাকা করে দেবে মা মাটি মানুষের সরকার। এদিন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় একেবারে স্পষ্ট করে বলেন, সোমবার থেকে মঙ্গলবারের মধ্যে সকল আবেদনকারীর অ্যাকাউন্টে বেকার ভাতার টাকা চলে যাবে। এক কথায়, যাঁরা এখনও পশ্চিমবঙ্গ সরকারের বিশেষ প্রকল্পের টাকা পাননি তাঁদের অ্যাকাউন্টেও মঙ্গলবারের মধ্যে নির্দিষ্ট অর্থ পৌঁছে যাবে।

     

    অবশ্যই পড়ুন: ফিল্ডিং করার জন্য ১০ হাজার টাকা করে নেন টিম ইন্ডিয়ার প্লেয়াররা! ফাঁস হল হাঁড়ির খবর

    উল্লেখ্য, রবিবার পর্যন্ত একটা বড় অংশের আবেদনকারীর অভিযোগ থাকলেও সোমবার সকাল থেকেই একে একে সকলের অ্যাকাউন্টে ঢুকতে শুরু করেছে যুবসাথী প্রকল্পের নির্দিষ্ট অর্থ। আবেদনকারীদের দাবি, প্রথমে ফোনে টাকা রিলিজের একটি মেসেজ আসছে। তারপরই অ্যাকাউন্টে ক্রেডিট হচ্ছে যুবসাথী প্রকল্পের অর্থ।

  • বিজ্ঞপ্তি জারি, তবু শুরু হয়নি প্রক্রিয়া! মিড ডে মিল নিয়ে মহা সমস্যায় স্কুলগুলি

    বিজ্ঞপ্তি জারি, তবু শুরু হয়নি প্রক্রিয়া! মিড ডে মিল নিয়ে মহা সমস্যায় স্কুলগুলি

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: মিড ডে মিলে (Mid Day Meal) পড়ুয়াদের যাতে আরও পুষ্টি মেলে তাঁর জন্য একের পর এক পরিকল্পনা নিয়েই চলেছে রাজ্য সরকার। তাই এবার সেই মিলে অতিরিক্ত দিন দেওয়ার উদ্যোগ নিল স্কুল শিক্ষা দপ্তর (School Education Department)। জানানো হয়, রাজ্যের ৮১ লক্ষ ১৯ হাজার ৪১৫ জন পড়ুয়াকে ১২ দিন অতিরিক্ত ডিম দেওয়া হবে। কিন্তু বিজ্ঞপ্তি জারি করলেই এখনও সেই প্রক্রিয়া শুরু না হওয়ায় চিন্তায় পড়ল সরকারি স্কুলগুলো।

    মিড ডে মিল নিয়ে বিজ্ঞপ্তি স্কুল শিক্ষা দপ্তরের

    গত ১৭ ফেব্রুয়ারি স্কুল শিক্ষা দপ্তরের তরফে একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ্যে এসেছিল। সেখানে জানানো হয়েছিল এবার থেকে রাজ্যের ৮১ লক্ষ ১৯ হাজার ৪১৫ জন পড়ুয়াকে অতিরিক্ত ডিম দেওয়া হবে। ফ্লেক্সি ফান্ডে প্রতি মাসে ১২ দিন অতিরিক্ত ডিম দেওয়া হবে অথবা মরসুমি ফল দিতে হবে। আগামী ৩১ মার্চ পর্যন্ত তা বলবৎ থাকবে। আসলে বিশেষজ্ঞরা বারবার বলছেন, ডাল, সবজির সঙ্গে বাড়তি পুষ্টি হিসাবে ডিম, ফল দেওয়াটা খুব জরুরি, তাই এই উদ্যোগ। কিন্তু ওই বিজ্ঞপ্তির পরে ফেব্রুয়ারি মাস পেরিয়ে গিয়ে মার্চ মাসের আট দিন কেটে গেল এখনও সেই বহু স্কুলে শুরুই হয়নি।

    বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী শুরু হয়নি কাজ!

    জানা গিয়েছে, কলকাতা লাগোয়া উত্তর ২৪ পরগনা জেলার প্রায় কোনও স্কুলেই এখনও অতিরিক্ত ডিম বা ফল দেওয়া শুরু হয়নি। এদিকে চলতি মাস শেষ হতে বাকি ২৩ দিন, মাঝে রয়েছে রবিবার ও ছুটির দিন, সব মিলিয়ে হাতে সময় খুবই কম। ওদিকে মিড-ডে মিলের নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী, সপ্তাহে দু’টি ডিম এমনিই পড়ুয়াদের পাওয়ার কথা। সেই হিসাবে, আগামী তিন সপ্তাহের দু’দিন করে বাদ দিলে ছ’দিন বাদ যাচ্ছে। বাকি থাকছে ১৪ দিন। ফলস্বরূপ যে সব স্কুলে এখনও ফল এবং ডিম দেওয়া শুরু হয়নি, সেখানে কীভাবে ৩১ মার্চের মধ্যে তা দেওয়া সম্ভব হবে এই নিয়ে উঠছে প্রশ্ন। এমনকি, যে সব স্কুলে এই কাজ শুরু হয়েছে, সেখানেও ১২টি ডিম বা মরসুমি ফল দিতে পারা যাবে কিনা, সেই নিয়ে উঠছে প্রশ্ন।

    বিলম্বের কারণ জানালো দপ্তর

    শিক্ষা দপ্তরের বিজ্ঞপ্তি নিয়ে যখন সমস্ত সরকারি স্কুলে চিন্তার ভাঁজ পড়েছে তখন নাম প্রকাশ্যে অনিচ্ছুক শিক্ষা দফতরের এক কর্তা জানিয়েছেন, সব পড়ুয়া অতিরিক্ত ডিম বা ফল পাবে। উচ্চ মাধ্যমিকের জন্য কিছু স্কুল এই কর্মসূচি শুরু করতে পারেনি। দ্রুত সংশ্লিষ্ট স্কুলগুলিতে সেই কাজ শুরু হবে। উল্লেখ্য, কলকাতার বেশ কিছু স্কুলে ফল বা ডিম দেওয়া শুরু হলেও যে সব স্কুলে উচ্চ মাধ্যমিকের আসন পড়েছিল, সেখানে এখনও এই কাজ শুরু হয়নি বলে অভিযোগ। তবে কিছু স্কুলে সবে অতিরিক্ত ডিম বা ফল দেওয়া শুরু হয়েছে। তার উপর শহরের কয়েকটি স্কুলে আগামী দু’-এক দিনের মধ্যে কেন্দ্রীয় বাহিনীর চলে আসার কথা। কীভাবে সবটা সামলানো হবে তা বোঝা মুশকিল হয়ে উঠছে সকলের কাছে।

    আরও পড়ুন: ‘রাজ্য সরকার চাইলে বাংলায় কমবে গ্যাসের দাম’ কতটা?

    বঙ্গীয় প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক আনন্দ হান্ডা জানিয়েছে, “ মার্চে পাঁচ দিন অতিরিক্ত ছুটি। তা হলে ১৪ দিনের মধ্যে পড়ে রইল ন’দিন। যে সব স্কুলে এখনও অতিরিক্ত ডিম বা ফল দেওয়া শুরু হয়নি, সেখানে মাত্র এই ক’দিনে কোনও ভাবেই তা দেওয়া সম্ভব নয়। আমরা চাই, প্রতিটি পড়ুয়াকে অতিরিক্ত ডিম বা ফল দেওয়ার সময়সীমা বাড়ানো হোক।’’ এখন দেখার ৩১ মার্চের মধ্যে এই কাজ কীভাবে সম্পন্ন হয়।

  • ‘রাজ্য সরকার চাইলে বাংলায় কমবে গ্যাসের দাম’ কতটা?

    ‘রাজ্য সরকার চাইলে বাংলায় কমবে গ্যাসের দাম’ কতটা?

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: মধ্যপ্রাচ্যে একের পর এক যুদ্ধ পরিস্থিতির ভয়ংকর প্রভাব পড়েছে গোটা বিশ্ববাজারে। এমনকি এই প্রভাব থেকে বাদ পড়েনি ভারতও, গ্যাসের দাম এতটাই বৃদ্ধি (LPG Cylinder Price Hike) পেয়েছে যে মধ্যবিত্তের হেঁশেলে রীতিমত আগুন ধরে গিয়েছে। একধাক্কায় ঘরোয়া সিলিন্ডারের দাম ৬০ টাকা বাড়িয়ে দিয়েছে কেন্দ্র। অর্থাৎ কলকাতায় ঘরোয়া রান্নার গাসের দাম বেড়ে হল ৯৩৯ টাকা। এবং ১৯ কেজির বাণিজ্যিক রান্নার গ্যাসের দাম বাড়ানো হয়েছে, বর্তমানে দাম ১৯৯০ টাকা। এই অবস্থায় রাস্তায় প্রতিবাদে নেমেছে তৃণমূল (Trinamool Congress)। তবে কংগ্রেস নেতা অধীর চৌধুরী (Adhir Chowdhury) বলছেন অন্য কথা, তাঁর দাবি মুখ্যমন্ত্রী নাকি চাইলেই রাজ্যে গ্যাসের দাম বেশ খানিকটা কমতে পারে।

    গ্যাসের দাম কমানোর ফর্মুলা দিল অধীর

    গতকাল অর্থাৎ রবিবার, কংগ্রেসের তরফে একটি সাংবাদিক বৈঠকের আয়োজন করা হয়েছিল। সেখানে সাংবাদিকদের সম্মুখে প্রাক্তন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর রঞ্জন চৌধুরী রাজ্যের একাধিক ইস্যু নিয়ে নানা মন্তব্য করছিলেন, আর তখনই উঠে আসে রান্নার গ্যাসের দাম বৃদ্ধির প্রসঙ্গে। তিনি বলেন, “দিদি যদি মনে করেন, তাহলে গ্যাসের দাম কিছুটা কমাতে পারেন। দিদি যদি ভাবেন, গ্যাসে যতটা দাম বাড়ল, ততটা যদি সাবসিডি দিই, তাহলে মানুষ সস্তার গ্যাস পাবে। এটা রাজ্য যদি মনে করে, রাজ্য সরকার পারবে।” এছাড়াও তাঁর দাবি, “আপনি যদি লক্ষ্মীর ভান্ডারে মা বোনেদের জন্য পয়সা দিতে পারেন, তাহলে গ্যাসের জন্যও পয়সা দিন। কারণ গ্যাসটা তো ব্যবহার করেন মা-বোনেরাই। যাতে তাঁদের রান্নায় কোনও সঙ্কট তৈরি না হয়।”

    কী বলছেন অধীর চৌধুরী?

    পশ্চিম এশিয়ায় সংঘাত ও যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে যখন চারিদিকে নানা সমস্যা তৈরি হয়েছে, সেই সময় গ্যাসের চড়া দাম বৃদ্ধি নিয়ে অধীর রঞ্জন চৌধুরী দাবি করেন, “রাজ্যের কাছে আবেদন করব, গ্যাসের যে দামটা বাড়ছে, রাজ্য ক্ষতিপূরণের মতো যাতে মানুষের স্বার্থে সাবসিডি অথবা ভর্তুকি দেয়। কারণ বিভিন্ন প্রকল্পে রাজ্য অনুদান দিচ্ছে, তাহলে গ্যাসের ক্ষেত্রেও দেওয়া হোক।” এদিকে গতকালই রান্নার গ্যাসের দাম বৃদ্ধিতে কেন্দ্রের বিরুদ্ধে প্রতিবাদে নেমেছিল তৃণমূল কংগ্রেস। কালো শাড়িতে হাতা-খুন্তি হাতে রাস্তায় নেমেছিল মহিলা বাহিনী। আন্দোলনে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের মন্ত্রী শশী পাঁজা, চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য, সাংসদ মালা রায়, বিধায়ক নয়না বন্দ্যোপাধ্যায় প্রমুখ। মিছিল শেষে পরে তাঁরা পুনরায় ধর্মতলায় মুখ্যমন্ত্রীর ধর্নামঞ্চে এসেও হাতা-খুন্তি নিয়ে গ্যাসের দামবৃদ্ধির প্রতিবাদ করেছিলেন।

    আরও পড়ুন: SIR ইস্যুতে ক্ষোভ! উঠল ‘গো ব্যাক’ স্লোগান, কালীঘাটে পুজো দিতে গিয়ে বিক্ষোভের মুখে জ্ঞানেশ কুমার

    প্রসঙ্গত, এইমুহুর্তে রান্নার গ্যাসের দাম বৃদ্ধি সকলের কাছে এক বিরাট সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। আর ভোটের আবহে এই সমস্যাকেই রাজনীতিবিদরা হাতিয়ার হিসেবে, স্বাভাবিকভাবেই এই চাপানউতোরের মাঝেই চাপা পড়ে যাচ্ছে সাধারণ মানুষ। কলকাতা, মুম্বই, দিল্লি বা চেন্নাই সর্বত্রই এখন জ্বালানির জ্বালায় জেরবার সাধারণ গৃহস্থ। এখন দেখার অধীরের এই ‘ভরতুকি ফর্মুলা’ রাজ্য সরকার গ্রহণ করে কি না। যদিও শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেসের তরফে কিছুই জানানো হয়নি।

  • ‘আরও এক দফায় লড়াই, এবার জিতবেন …’ DA মামলা নিয়ে ভবিষ্যদ্বাণী

    ‘আরও এক দফায় লড়াই, এবার জিতবেন …’ DA মামলা নিয়ে ভবিষ্যদ্বাণী

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ বকেয়া ডিএ (Bengal DA Case) নিয়ে অপেক্ষা এবং লড়াই দীর্ঘ হয়েই চলেছে। আদৌ বকেয়া টাকা মিলবে তো? সেই প্রশ্ন সকলের। এমনিতে যেখানে ৩১ মার্চের মধ্যে রাজ্য সরকারকে ২৫ শতাংশ বকেয়া ডিএ মিটিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল সর্বোচ্চ আদালত, সেখানে তা না করে উল্টে সরকার এখন এমএ পিটিশন দাখিল করে জানিয়েছে, এখনই তাঁদের পক্ষে ডিএ দেওয়া সম্ভব নয়। আগামী ৩১ ডিসেম্বর, ২০২৬ সাল অবধি সময়সীমা বাড়ানোর আবেদন জানিয়েছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার। এরইসঙ্গে সকলের এখন প্রশ্ন, আর কবে তাহলে ডিএ মিলবে? আর কত অপেক্ষা করতে হবে? অবশেষে এই নিয়ে মুখ খুললেন বিশিষ্ট আইনজীবী বিকাশ রঞ্জন ভট্টাচার্য (Bikas Ranjan Bhattacharya)।

    ডিএ নিয়ে ফের লড়াই শুরু?

    এমনিতেই বকেয়া ডিএ নিয়ে বছরের পর বছর ধরে বিক্ষোভ, আন্দোলন করছেন বাংলার সরকারি কর্মীরা। এরপর মাঝে সুপ্রিম নির্দেশে স্বস্তি পেলেও এখন সেই স্বস্তি হতাশায় পরিণত হয়েছে সকলের। তার ওপর গোদের ওপর বিষফোঁড়ার সমান হয়েছে সরকারের নতুন এক তথ্য। সরকার সুপ্রিম কোর্টে যে তথ্য পেশ করেছে সেখানে শিক্ষক, শিক্ষা কর্মী, পঞ্চায়েত, পুরসভা কর্মীদের নাম বাদ দেওয়া হয়েছে ডিএ দেওয়ার প্রক্রিয়া থেকে। এই ঘটনায় স্বাভাবিকভাবেই ক্ষোভে ফুঁসছেন সকলে। জায়গায় জায়গায় বিশেষ করে শিক্ষকরা আগামী কয়েকদিনে আন্দোলনের ঘোষণা করেছে। প্রশ্ন উঠছে, সত্যিই কি তাঁরা বকেয়া ডিএ পাওয়া থেকে বঞ্চিত হবেন? মুখ খুললেন বিকাশ রঞ্জন ভট্টাচার্য। বিশিষ্ট আইনজীবী জানালেন, ‘অনৈতিকভাবে যদি একটা সরকার চলে, তাঁদের রাজনৈতিক প্রশাসক যদি চূড়ান্ত অরাজনৈতিক হন, তাঁরাই শুধুমাত্র এরকম কৌশলের কথা ভাবতে পারেন।’ তিনি আরও জানান যে আরেক দফা লড়াইয়ে যেতে হবে। অপরদিকে বিশ্লেষক সনময় বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন যে, ‘এই লড়াইটা আবারও লড়তে হবে, তবে এবার জিতবেন কর্মচারীরাই।’

    আরও পড়ুনঃ প্রতিমাসে অ্যাকাউন্টে ঢুকবে ৭০০০ টাকা! মহিলাদের ক্ষমতায়নে বড় প্ল্যান LIC-র

    কী বলছেন বিশিষ্ট আইনজীবী?

    কর্মচারী ইউনিয়ন মামলা করলেও বিষয় ছিল রোপা রুলস অনুযায়ী ডিএ প্রাপ্য কিনা এবং তা প্রাপ্য হলে কীভাবে তা নির্ধারণ করা হবে। রোপা রুলস অনুযায়ী সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের যোগ্য সকলেই। কিন্তু এই সরকার সুনীতির পথে যাবেন না, এই সরকার সবসময় দুর্নীতির পথে মানুষকে নিয়ে যেতে পছন্দ করেন। বিচলিত হওয়ার কিছু নেই। কারণ যারা রোপা রুলস অনুযায়ী আওতাভুক্ত তাঁরা ডিএ পাবেন। হয়তো যারা সরাসরি কর্মচারী নন তাঁদের আবার মামলার মধ্যে দিয়ে যেতে হবে।’ অর্থাৎ ডিএ নিয়ে সকলকে আরও এক দফায় লড়াইয়ে সামিল হতে হবে।

     

  • নারী দিবসের আগে মহিলা রাষ্ট্রপতিকে অপমান! ফের গর্জে উঠলেন নরেন্দ্র মোদী

    নারী দিবসের আগে মহিলা রাষ্ট্রপতিকে অপমান! ফের গর্জে উঠলেন নরেন্দ্র মোদী

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: গত কয়েকদিন ধরেই রাজ্যে SIR বা ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়া নিয়ে বিতর্ক এবং সমালোচনা হয়েই চলেছে। এখনও থামেনি সেই বিতর্কের ঝড়, আর এই অবস্থায় রাজ্য প্রশাসন এবং মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর (Draupadi Murmu) অসন্তোষ প্রকাশের ঘটনায় রাজনৈতিক চাপানউতোর তুঙ্গে৷ এমনকি এই ঘটনাকে নজিরবিহীন এবং লজ্জাজনক বলে শনিবারই সুর চড়িয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (Narendra Modi)৷ আর এবার সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করে আগুনে আরও ঘি ঢাললেন নরেন্দ্র মোদী।

    রাষ্ট্রপতি সফর নিয়ে রাজ্য কেন্দ্রের সংঘাত

    গতকাল অর্থাৎ শনিবার শিলিগুড়ি মহকুমার গোঁসাইপুরে নবম আন্তর্জাতিক সাঁওতাল কনফারেন্সে এসেছিলেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। কিন্তু তাঁকে স্বাগত জানাতে মুখ্যমন্ত্রী বা কোনও মন্ত্রী উপস্থিত ছিলেন না, যা নিয়ে অভিযোগ তোলেন খোদ রাষ্ট্রপতি। এমনকি একাধিক ইস্যু নিয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি। লিখিত কোনও প্রোটোকল না থাকলেও চিরাচরিত নিয়ম অনুযায়ী, যখনই কোনও রাজ্যে রাষ্ট্রপতি যান তখন সেই রাজ্যের রাজ্যপাল, মুখ্যমন্ত্রীকে রিসিভ করতে দেখা যায়। সেক্ষেত্রে মুখ্যমন্ত্রী না গেলেও সাধারণত প্রশাসনিক স্তরের শীর্ষ কর্তারা যান। কিন্তু শনিবার কাউকেই দেখা যায়নি, তাই নিয়ে শুরু হয়েছে বিতর্ক।

    এক্স হ্যান্ডেলে ক্ষোভ প্রকাশ প্রধানমন্ত্রীর

    রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু রাজ্য সরকারের এই পদক্ষেপে বেশ ক্ষুব্ধ হন। এরপরই এক্স মাধ্যমে ঘটনার নিন্দা করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তিনি জানিয়েছেন, “ এটি লজ্জাজনক এবং অভূতপূর্ব ঘটনা। গণতন্ত্র এবং জনজাতি সম্প্রদায়ের ক্ষমতায়নে বিশ্বাসী মানুষজন সকলেই মর্মাহত। জনজাতি সম্প্রদায় থেকেই উঠে আসা রাষ্ট্রপতি মহোদয়ার প্রকাশিত বেদনা ও উদ্বেগ ভারতের মানুষের মনে গভীর দুঃখের সঞ্চার করেছে।” এদিন প্রথমে ইংরেজিতে, তার পরে বাংলায় এবং পরে অলচিকি লিপিতেও এই ঘটনার নিন্দা করেন। এখানেই ক্ষান্ত হননি তিনি। এরপর আজ, একটি অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে ফের সুর চড়ান মোদী।

    আরও পড়ুন: কালীঘাটে পুজো থেকে বেলুড় দর্শন, বাংলায় মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের সফরনামা

    তৃণমূল সরকারকে ধিক্কার জানালেন মোদি

    অনুষ্ঠানে নরেন্দ্র মোদি বলেন, “আজ আন্তর্জাতিক নারী দিবস পালন করা হচ্ছে চারিদিকে। আর ঠিক আগের দিন পশ্চিমবঙ্গে তৃণমূল সরকার মহিলা রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুকে চরম অপমান করেছেন। দ্রৌপদী মুর্মু আদিবাসীদের উৎসবে সামিল হতে বাংলায় গিয়েছিলেন। কিন্তু তৃণমূল সরকার জনসমক্ষে সাঁওতালদের অপমান করেছে, রাষ্ট্রপতিকে অপমান করেছে।” এছাড়াও মোদী আরও বলেন যে, “রাষ্ট্রপতি আদিবাসী সমাজের বিকাশের কথা চিন্তা করেছেন। আর তাঁকেই নারী দিবসের আগের দিন চরম অপমান করা হল। তাই এটা শুধু সেই রাষ্ট্রপতির অপমান নয়, সংবিধানেরও অপমান। সংবিধানের স্পিরিটের অপমান। যাঁরা জীবনের সংঘর্ষ পেরিয়ে সাফল্য পেয়েছেন, সেই সব মহিলাদের অপমান।”

  • ৫টার মধ্যে জবাব চাই! রাষ্ট্রপতি মুর্মুর দার্জিলিং সফরে অব্যবস্থা নিয়ে নবান্নকে কড়া চিঠি

    ৫টার মধ্যে জবাব চাই! রাষ্ট্রপতি মুর্মুর দার্জিলিং সফরে অব্যবস্থা নিয়ে নবান্নকে কড়া চিঠি

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: ভোটের কারণে উত্তপ্ত বঙ্গ রাজ্য রাজনীতি, একাধিক ইস্যু নিয়ে তৃণমূল এবং বিজেপির মধ্যে সংঘাত লেগেই চলেছে। আর এই আবহে বাংলায় রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর (Draupadi Murmu) সভা ঘিরে বিতর্ক যেন আরও দানা বাধল। জানা গিয়েছে বাংলার মুখ্যসচিবের কাছে এবার সরাসরি রিপোর্ট চাইলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র সচিব। রিপোর্টের মাধ্যমে জানতে চাওয়া হয়েছে কেন রাষ্ট্রপতির সভার স্থানবদল করা হয়েছে। বেঁধে দেওয়া হয়েছে সময়সীমা।

    রাষ্ট্রপতির সফর ঘিরে মহা বিতর্ক

    গতকাল অর্থাৎ শনিবার শিলিগুড়িতে আন্তর্জাতিক সাঁওতাল কনফারেন্সে যোগ দিতে এসেছিলেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। সকাল সাড়ে ১১টা নাগাদ বায়ুসেনার বিশেষ বিমানে বাগডোগরা বিমানবন্দরে পৌঁছন রাষ্ট্রপতি। শুক্রবার বিকেলে উত্তরবঙ্গে আসার কথা ছিল তাঁর। কিন্তু কিছু কারণে তাঁর সফরসূচির পরিবর্তন হয়। আগের অনুষ্ঠান সূচি অনুযায়ী, বিধাননগরে আন্তর্জাতিক সাঁওতাল কনফারেন্সে যোগ দেওয়ার কথা ছিল রাষ্ট্রপতির। কিন্তু নিরাপত্তার কারণে গোঁসাইপুর থেকে ভার্চুয়াল মাধ্যমে সাঁওতাল কনফারেন্সে যোগ দেন তিনি। কিন্তু পরে এই স্থান পরিবর্তন নিয়েই অসন্তুষ্ট হন রাষ্ট্রপতি মুর্মু। রাজ্যের ব্যবস্থাপনা নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে কটাক্ষ করেন।

    মুখ্য সচিবের কাছে রিপোর্ট চাইল কেন্দ্র

    রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু মুখ্যমন্ত্রীর উদ্দেশে বলেন, “আমিও বাংলার মেয়ে। আমাকে বাংলায় আসতেই দেওয়া হয় না। মমতাদি আমার ছোট বোন। জানি না, আমার উপর কী রাগ। যাই হোক… কোনও অভিযোগ নেই। কোনও ক্ষোভ নেই। উনি ভাল থাকুন, আপনারাও ভাল থাকুন।” এমতাবস্থায় গতকাল রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর সফরে কী কী ঘটেছে, স্থানবদল কেন করা হয়েছে, প্রশাসন কী কী পদক্ষেপ করা হয়েছে, সবটাই লিখিতভাবে জানতে চাওয়া হয়েছে কেন্দ্রের তরফে। রিপোর্ট মোতাবেক, আজ অর্থাৎ রবিবার, সকালে রাজ্যের মুখ্যসচিব নন্দিনী চক্রবর্তীর কাছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রসচিব গোবিন্দ মোহন এই বিষয়ে একটি নির্দেশিকা পাঠিয়েছেন। যেখানে বলা হয়েছে, আজ বিকেল পাঁচটার মধ্যেই রিপোর্ট জমা দিতে হবে।

    রাষ্ট্রপতি সফর নিয়ে কী বলছে প্রশাসন?

    উত্তরবঙ্গ সফরে এসে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর মন্তব্যকে ঘিরে যে রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি হয়েছিল, তাই নিয়ে রাজ্য প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, শিলিগুড়ির যে অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি যোগ দিয়েছিলেন সেটি ছিল ‘ইন্টারন্যাশনাল সান্তাল কাউন্সিল’ নামে একটি বেসরকারি সংগঠনের উদ্যোগ, এবং সেখানে প্রোটোকল ভাঙার কোনও ঘটনা ঘটেনি। পাশাপাশি মুখ্যমন্ত্রী বিজেপিকে টার্গেট করে বলেন, “মাননীয়া রাষ্ট্রপতিকে আমরা সম্মান করি। তাঁকে দিয়েও পলিটিক্স বেচতে পাঠানো হয়েছে! বিজেপির এজেন্ডা বেচতে পাঠানো হয়েছে!’’

    আরও পড়ুন: যুবসাথীর চক্করে কত হাজার কোটির ধাক্কা রাজ্য সরকারের? ভয়ঙ্কর রিপোর্ট দিল RBI

    রাষ্ট্রপতির উত্তরবঙ্গ সফর সংঘাতকে নিয়ে সমাজমাধ্যমে পোস্ট করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী স্বয়ং। রাষ্ট্রপতির অপমান করা হয়েছে বলে অভিযোগ তুলেছেন তিনি। প্রথমে ইংরেজিতে, তার পরে বাংলায় এবং পরে অলচিকি লিপিতেও এই ঘটনার নিন্দা করেন। পাশাপাশি দার্জিলিঙের বিজেপি সাংসদ রাজু বিস্তা বলেন, “রাজ্যের গাফিলতির কারণে এই পরিস্থিতি, এটা দেশের সাংবিধানিক প্রধানকে অপমান, আদিবাসী-সাঁওতাল সমাজকে অপমান।”

  • যুবসাথীর চক্করে কত হাজার কোটির ধাক্কা রাজ্য সরকারের? ভয়ঙ্কর রিপোর্ট দিল RBI

    যুবসাথীর চক্করে কত হাজার কোটির ধাক্কা রাজ্য সরকারের? ভয়ঙ্কর রিপোর্ট দিল RBI

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: বিধানসভা নির্বাচন (West Bengal Election 2026) শুরু হতে আর মাত্র কয়েকটা দিন বাকি। তার আগেই বড় মাস্টারস্ট্রোক দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। ধর্মতলার ধরনা মঞ্চ থেকেই যুবসাথী (Yuba Sathi Scheme) নিয়ে ঘোষণা করলেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন, রাজ্যের বেকার যুবক-যুবতীদের জন্য বরাদ্দ ‘যুবসাথী’ প্রকল্পের ভাতার টাকা ১ এপ্রিল নয়, আজ, শনিবার, ৭ মার্চ থেকেই উপভোক্তাদের দেওয়া হবে টাকা। কিন্তু প্রকল্পের জন্য এই টাকা দেওয়ার চক্করে এবার সরকারি কোষাগারে বড় প্রভাব পড়তে চলেছে। একধাক্কায় খরচ হতে চলেছে অন্তত ১২৬০ কোটি টাকা!

    চলতি মাসেই ১২৬০ কোটি টাকা খরচ

    মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে রাজ্যজুড়ে ‘দুয়ারে সরকার’ ক্যাম্প এবং বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে চলতি বছর গত ১৫ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত যুবসাথী প্রকল্পের আবেদন জমা নেওয়া হয়েছিল। রিপোর্ট মোতাবেক সব মিলিয়ে এই প্রকল্পে রাজ্যে এখনও পর্যন্ত প্রায় ৮৪ লক্ষ আবেদন জমা পড়েছিল। এর মধ্যে ব্লক স্তরে আয়োজিত অফলাইন শিবিরে প্রায় ৬৫ লক্ষ এবং অনলাইন পোর্টালে প্রায় ১৯ লক্ষ যুবক যুবতী নাম নথিভুক্ত করেছে। আগে জানানো হয়েছিল ১ এপ্রিল থেকে এই টাকা দেওয়া হবে কিন্তু আচমকা দিন বদলে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী। আর তাতেই চলতি মাসে ১২৬০ কোটি টাকা খরচ হতে চলেছে। সেক্ষেত্রে অনুদানের খরচ সামলাতে জানুয়ারি, ফেব্রুয়ারি এবং মার্চ এই তিন মাসে সম্ভাব্য ধারের পরিমাণ পৌঁছতে পারে ৪৬ হাজার কোটি টাকায়।

    চাঞ্চল্যকর তথ্য ফাঁস করল RBI

    রিজার্ভ ব্যাঙ্কের সাম্প্রতিক তথ্য বলছে, গত জানুয়ারি থেকে চলতি মার্চ মাস পর্যন্ত রাজ্য সরকার প্রায় ৪৬ হাজার কোটি টাকা ধার করার প্রস্তাব দিয়েছে যা ত্রৈমাসিকে সর্বাধিক। এছাড়াও চলতি আর্থিক বছরের এপ্রিল থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত ৭৮ হাজার কোটি টাকা ধার করার কথা জানিয়েছিল রাজ্য। ফলে এই তিন মাসের জন্য আরও ৪৬ হাজার কোটি টাকা ধার করতে হলে চলতি আর্থিক বছরেই ধারের পরিমাণ হবে ১.২৪ লক্ষ কোটি টাকা। যা নিয়ে চিন্তিত সকলে। এক্ষেত্রে প্রশ্ন উঠছে কেন ১ এপ্রিল থেকে ভাতা দেওয়ার কথা ছিল? জানা গিয়েছে, ১ এপ্রিল থেকে নতুন আর্থিক বছর শুরু হবে। তখন থেকে ভাতা চালু করলে ওই বছরের বাজেট থেকে খরচ করা যেত। কিন্তু এখন থেকেই তা চালু হওয়ায় প্রথম মাসের খরচটা চলতি আর্থিক বছরেই ঢুকে যাবে। কিন্তু ভোটের আগে হাতে টাকা পৌঁছে দেওয়া হয়তো জরুরি বলেই সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করল সরকার।

    কোষাগার নিয়ে বাড়ছে বিরোধীদের কটাক্ষ

    দিনের পর দিন রাজ্যের কোষাগারের বেহাল অবস্থা নিয়ে চুপ থাকছে না বিরোধীরা। বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য মমতার এই প্রকল্প অনুদানের আচমকা নেওয়া সিদ্ধান্তকে কটাক্ষ করেছেন। তিনি বলেন, “রাজ্যকে দেউলিয়া করছে এই সরকার। যুবসাথী যাঁরা নেবেন, তাঁরাও জানেন, এই সরকার তাঁদের ভবিষ্যৎ অন্ধকার করে দেবে। ফলে ভাতা নিলেও এই সরকারকে বিসর্জন দেবেন তাঁরাই।” অন্যদিকে সিপিএমের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য সুজন চক্রবর্তীও কটাক্ষ করে বলেন, ‘‘মুখ্যমন্ত্রী ‘ক্যাশ ফর ভোট’ মডেলের চক্করে রাজ্যের মানুষের ঘাড়ে বিপুল ঋণের বোঝা চাপছে। আর তার দায় বর্তমান মুখ্যমন্ত্রীকেই নিতে হবে।’’

    আরও পড়ুন: ভারত না নিউজিল্যান্ড, T20 বিশ্বকাপে কার ক্ষমতা বেশি? পরিসংখ্যান দেখলে ভয় পাবেন!

    বিরোধীদের মন্তব্য মানেনি তৃণমূলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষ। তিনি বলেন, “রাজ্যের কোষাগারে চাপ ও ঋণের হাল নিয়ে দুশ্চিন্তা না করে কেন্দ্রীয় সরকারকে রাজ্যের প্রাপ্য বকেয়া ছেড়ে দিতে বলুন।” প্রসঙ্গত, গত অন্তর্বর্তী বাজেটে যুবসাথী ছাড়াও খরচসাপেক্ষ একাধিক ঘোষণা করেছিল রাজ্য সরকার। লক্ষ্মীর ভান্ডার প্রকল্পে উপভোক্তার সংখ্যা বাড়িয়ে প্রায় ২.৪২ কোটি করা হয়েছে এবং মাসিক ভাতাও ৫০০ টাকা করে বাড়ানো হয়েছে। খেতমজুরদের আর্থিক অনুদান দেওয়ার কথাও ঘোষণা হয়েছিল। সব মিলিয়ে আগের খরচের বহরের উপর আরও বোঝা চাপানো হয়েছে।

  • ‘এবার সুপ্রিম কোর্ট দেখাবে অ্যাগ্রেসিভ মনোভাব’, DA মামলায় বড় আপডেট

    ‘এবার সুপ্রিম কোর্ট দেখাবে অ্যাগ্রেসিভ মনোভাব’, DA মামলায় বড় আপডেট

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ উপেক্ষা আর উপেক্ষা। এই বকেয়া ডিএ (Bengal Da Case) নিয়ে কবে টানাপোড়েন, উপেক্ষার পালা শেষ হবে? উত্তর খুঁজছেন সাধারণ সরকারি কর্মচারী থেকে শুরু করে পেনশন প্রাপকরা। এদিকে সরকার শিক্ষক, শিক্ষা কর্মী সহ অনেককে এই বকেয়া ডিএ-র আওতায় রাখেনি। সেই এমএ পিটিশন দাখিল করা হয়েছে আদালত। এহেন ঘটনায় ক্ষোভের মুখে পড়েছে কনফেডারেশন অফ স্টেট গভর্নমেন্ট এমপ্লয়িজ। ডিএ মামলাকারী এক ভিডিও বার্তায় এই বিষয়ে মুখ খুললেন। তিনি জানালেন, ‘রাজ্য সরকার ইমেইল মারফত সর্বোচ্চ আদালতে একটি MA পিটিশন দাখিল করে। পরবর্তীকালে সেটা আমাদের হাতে আসে। সকাল থেকেই যে খবরটি ভাইরাল হয়েছে সেটা অনুযায়ী সরকার নাকি শিক্ষা কর্মী, পঞ্চায়েত কর্মীদের ডিএ-র আওতায় রাখেনি। আমরাও দেখলাম। তবে একটা কথা মনে রাখবেন, এটি এমএ অ্যাপ্লিকেশন যেটি সরকারের তরফে সুপ্রিম কোর্টের কাছে তুলে ধরা হয়েছে। সেক্ষেত্রে এখনও কিন্তু ফাইলিং হয়নি। সেটা গ্রাহ্য হবে কি হবে না সেটা পরে জানা যাবে।’

    ক্ষোভের মুখে পড়েছে কনফেডারেশন অফ স্টেট গভর্নমেন্ট এমপ্লয়িজ

    মলয়বাবু বলেন, ‘সরকার যে কর্মচারীদের সংখ্যা তুলে ধরেছে তা বিভেদ সৃষ্টি করার জন্যই করেছে বলে মনে হচ্ছে। সেইসঙ্গে কনফেডারেশন অফ স্টেট গভর্নমেন্ট এমপ্লয়িজকেই দায়ী করেছে। আমরা আগেও বলেছি, খোদ রাজ্য সরকারি কর্মীদের মামলায় আমাদের আসতে হয় ট্রাইব্যুনাল দিয়ে। আমাদের মামলা রোপা মেনে হয়েছে। যারা বেতন, ডিএ, পেনশন পায় তাঁরাই এর আওতায় আসবেন। আজ যে বলছে শিক্ষক, শিক্ষা কর্মী, পুরসভা কর্মীদের DA দেওয়া হবে না, তাঁদেরই কিন্তু বকেয়া দিতে বেশি খরচ হবে। সরকারের খরচ হবে ১৮,৩৬৯,৩২ কোটি টাকা।’

    তিনি আরও বলেন, ‘সব মিলিয়ে সরকারের খরচ হবে ৪২,০০০ কোটি টাকা। ২৫ শতাংশ যে দেওয়ার কথা ছিল অর্থাৎ সেখানে খরচ হত ১০,০০০ কোটি টাকা মতো। সেখানে সবাই ছিল। কর্মচারী সমাজ, শিক্ষক, শিক্ষা কর্মী, পঞ্চায়েত, ভোট কর্মী প্রমুখ। ১০ নম্বর পেজে কিন্তু সবটা লেখা আছে। তারপরেও কেন আমাদের যাতা বলছেন? বেশ কিছু শিক্ষক কর্মচারী সমাজ থেকেই আমাদের যা নয় তাই বলা হচ্ছে। এখানে তো আমরাই তুলে ধরেছিলাম।’ মলয় মুখোপাধ্যায় এও বলেছেন যে, ‘এবার সুপ্রিম কোর্ট দেখাবে অ্যাগ্রেসিভ মনোভাব।’

    আরও পড়ুনঃ ‘Updated Soon’ মেসেজে বিপাকে আবেদনকারীরা, যুবসাথীর স্ট্যাটাস চেক নিয়ে আপডেট সরকারের

    কী বলছেন কর্মীরা?

    সরকারের নতুন পিটিশন নিয়ে কেউ কেউ বলছেন, ‘আপনারা আগে থেকে সব জানতেন তবু এটা নিয়ে কোনোদিন কোনোদিন ব্যবস্থা নেননি ‘ অন্য আরেকজন লিখেছেন, এই সরকার কে আর এক দিনও ক্ষমতায় রাখা উচিৎ নয়,,, এরা divide and rule করতে চাইছে,,, প্রথম বার যখন 25% দেওয়ার কথা হয়েছিল তখন এই রাজ্য সরকার supreme court এ বলেছে যে আমাদের 10 লাখ কর্মচারীদের বেতন দিতে হয়, তাই এই পরিমাণ DA দিতে পারব না,,,, এখন চুপিসারে অন্য পিটিশন দাখিল করেছে,,,, সমস্ত রাজ্যবাসীদের এরা ভিখারী আর ভাতাজীবিতে পরিণত করতে চায়।’ অন্য আরেকজন লিখেছেন, ‘শ্রদ্ধেয় মলয় বাবু আজকে তো রিপোর্ট দেখে আমাদের তো মন ভেঙে যাচ্ছে আপনারা ডিএ পাবেন অথচ আমরা প্রাথমিক শিক্ষক বা শিক্ষক সমাজ এরা ডি এ পাব না। এটা বোধহয় আপনার আগে জানা ছিল। মাঝে এই নিয়ে একটু তর্কাতর্কি হচ্ছিল যাক দুঃখ করে লাভ নাই জীবনে বাঁচতে হলে অনেক কিছুই দেখ কে স্বীকার করতে হয়।’