Tag: Government Of West Bengal

  • DA আন্দোলনে যেতে পারবেন না শিক্ষকরা! নোটিশ জারি মধ্যশিক্ষা পর্ষদের

    DA আন্দোলনে যেতে পারবেন না শিক্ষকরা! নোটিশ জারি মধ্যশিক্ষা পর্ষদের

    সহেলি মিত্র, কলকাতা: সুপ্রিম কোর্টের কড়া নির্দেশ সত্ত্বেও বকেয়া ডিএ (Dearness allowance) দিতে ব্যর্থ হয়েছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার। সেইসঙ্গে ডিএ দেওয়ার সময়সীমা যাতে ৩১ ডিসেম্বর, ২০২৬ সাল অবধি বৃদ্ধি করা হয় তার জন্য সরকারের তরফে এমএ, রিভিউ পিটিশন দাখিল করা হয়েছে শীর্ষ আদালতে। এহেন পরিস্থিতিতে আগামীকাল ১৩ মার্চ বৃহত্তর আন্দোলনে (DA Protest) সামিল হতে চলেছেন সরকারি কর্মীরা। এই আন্দোলনে থাকবেন শিক্ষকরাও। যদিও কিছু শিক্ষকের উদ্দেশ্যে এবার মধ্যশিক্ষা পর্ষদের তরফে বিশেষ নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে। আর এই নির্দেশিকাই এখন যত বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।

    বিশেষ নোটিশ মধ্যশিক্ষা পর্ষদের

    যেহেতু এখন মাধ্যমিক পরীক্ষার খাতা দেখা চলছে। তাই যে সকল শিক্ষক এই কাজ করছেন তাঁদের উদ্দেশ্যে পর্ষদের সাফ বার্তা, ধর্মঘট হলেও স্কুলে যেতে হবে শিক্ষকদের। সেইসঙ্গে বলা হয়েছে, মাধ্যমিক পরীক্ষার খাতা দেখার সঙ্গে যুক্ত শিক্ষকেরা কোনও ভাবেই আগামী ১৩ মার্চ ‘লিভ অফ অ্যাবসেন্স অন ডিউটি’ নিতে পারবেন না। আর এই ঘটনায় একদিকে যেমন অবাক শিক্ষকরা তেমনই ক্ষুব্ধও বটে। ডিএ ইস্যু থেকে নজর ঘোরাতে সরকারের এটি নতুন চাল বলে দাবি করছেন অনেকে। এই পরিস্থিতিতে শিক্ষকদের স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ হয়েছে বলে সরব হল একাধিক শিক্ষক সংগঠন। ধর্মঘট যাতে সফল না হয় তার চেষ্টা করা হচ্ছে।

    কী বলছেন শিক্ষকরা?

    এই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে সব স্কুলের প্রধান পরীক্ষক, পরীক্ষক এবং স্ক্রুটিনির সঙ্গে যুক্ত শিক্ষকদের। মধ্যশিক্ষা পর্ষদের নোটিশ প্রসঙ্গে বড় মন্তব্য করেছেন বঙ্গীয় শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মী সমিতির সাধারণ সম্পাদক স্বপন মণ্ডল। তিনি জানান, ‘সাধারণত মাধ্যমিকের খাতা দেখা, নম্বর জমা দেওয়া-সহ পুরো প্রক্রিয়ার সঙ্গে যাঁরা যুক্ত রয়েছেন তাঁরা স্কুল থেকে ‘লিভ অফ অ্যাবসেন্স অন ডিউটি’ নিয়ে থাকেন। অর্থাৎ সেই দিন গুলি তাঁরা স্কুলে যান না। সরকার যে ভাবে শিক্ষক কর্মচারীদের বঞ্চিত করছে তাতে এই ধর্মঘটে অভূতপূর্ব সাড়া পাওয়া যাবে বুঝতে পেরে পর্ষদ মাঠে নেমেছে। কিন্তু যতই ফতোয়া জারি করুক না কেন ধর্মঘট হচ্ছেই এবং তাতে শিক্ষক, শিক্ষাকর্মীরা ব্যাপকভাবে অংশগ্রহণ করবেন এবং সরকারকে উপযুক্ত জবাব দেবেন।’ শিক্ষকদের বক্তব্য, ধর্মঘটে যোগ দেওয়ার অধিকার সরকার তো কেড়ে নিতে পারে না।

    আরও পড়ুনঃ কালো মেঘে ঢাকবে আকাশ, ঘূর্ণাবর্তের জেরে ৫ জেলায় দুর্যোগ! আজকের আবহাওয়া

    এক আন্দোলনকারী জানান, “যেহেতু সুপ্রিম কোর্ট ৬ মার্চ রাজ্য সরকারকে প্রথম কিস্তির বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল, তাই ৬ মার্চ পর্যন্ত অপেক্ষা করার পর আমরা ১৩ মার্চ প্রতিবাদ কর্মসূচি ঘোষণা করেছি। আমাদের ন্যায্য অধিকার অর্জনের জন্য আমরা যতদূর যেতে হবে ততদূর যেতে প্রস্তুত।” তিনি আরও বলেন যে এই প্রতিবাদ আন্দোলনের পাশাপাশি, ফোরাম এই বিষয়ে রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে তাদের আইনি বিকল্পগুলিও প্রস্তুত রেখেছে। এখন দেখার বিষয় হলো, রাজ্য সরকার সরকারি কর্মচারীদের প্রস্তাবিত কর্মবিরতির ডাকে কীভাবে সাড়া দেয়।

     

  • নবান্নে স্টেশনারি সামগ্রী সরবরাহের সুযোগ! বিজ্ঞপ্তি করল অর্থ দফতর

    নবান্নে স্টেশনারি সামগ্রী সরবরাহের সুযোগ! বিজ্ঞপ্তি করল অর্থ দফতর

    সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: সামনেই বাংলায় বিধানসভা নির্বাচন। তবে তার আগে বিভিন্ন দফতরের দৈনন্দিন প্রয়োজনীয় সামগ্রী সরবরাহের জন্য এবার কোটেশন আহ্বান করেছে রাজ্যের অর্থ দফতর (Government of West Bengal)। নবান্ন এবার সরকার অনুমোদিত হোলসেল কনজিউমার কো-অপারেটিভ সোসাইটিগুলির কাছ থেকে এবার স্টেশনারি, গ্রোসারি, স্যানিটারি এবং অন্যান্য সামগ্রী সরবরাহের জন্য দরপত্র জমা দেওয়ার আবেদন জানানো হয়েছে। এমনকি এই সংক্রান্ত একটি বিজ্ঞপ্তিও জারি করেছেন নবান্ন।

    কী বলা হল ওই বিজ্ঞপ্তিতে?

    অর্থ দফতরের তরফ থেকে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, আগামী ১ এপ্রিল ২০২৬ থেকে ৩১ মার্চ ২০২৭ পর্যন্ত এক বছরের জন্য বিভিন্ন প্রয়োজনীয় সামগ্রী সরবরাহের উদ্দেশ্যেই কোটেশন আহ্বান করা হচ্ছে। ইচ্ছুক সরকারি অনুমোদিত কো-অপারেটিভ সংস্থাগুলিকে নিয়ম মেনেই সিল করা খামে কোটেশন জমা করতে হবে। এমনকি সেই কোটেশন জমা করার শেষ তারিখ ১৯ মার্চ ২০২৬। বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নবান্নে অবস্থিত অর্থ দফতরের কার্যালয়ে এই কোটেশন জমা দিতে হবে। যার ঠিকানা ফাইন্যান্স ডিপার্টমেন্ট, গ্রুপ–এইচ; ১০ তলা, রুম নম্বর ১০০৪; নবান্ন, হাওড়া।

    তবে সমস্ত জামা পড়া কোটেশন খোলা হবে ২৩ মার্চ ২০২৬ দুপুর ১২ টার সময়। আর এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে অর্থ দফতরের স্পেশালিস্ট সেক্রেটারী দফতরের মাধ্যমে। এমনকি বিজ্ঞপ্তিতে স্পষ্ট জানানো হয়েছে, দফতরের প্রয়োজন অনুযায়ী বিভিন্ন ধরনের স্টেশনারি সামগ্রী, গ্রোসারি পণ্য, স্যানিটারি সামগ্রী এবং অন্যান্য অফিসের প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র সরবরাহ করা হবে। আর এই সমস্ত সামগ্রীর নির্দিষ্ট তালিকা অর্থ দফতর থেকে সংগ্রহ করা হবে। পাশাপাশি আগ্রহী প্রতিনিধিরা নবান্নে এসে নমুনা দেখতে পারবে।

    আরও পড়ুন: ৫২৪টি LPG সিলিন্ডার ভর্তি ট্রাক উধাও! গ্যাসের সংকটের মধ্যেই চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঝাঁসিতে

    রয়েছে কিছু গুরুত্বপূর্ণ শর্ত

    তবে বিজ্ঞপ্তিতে গুরুত্বপূর্ণ কিছু শর্ত উল্লেখ করা হয়েছে। যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল, কোটেশনে উল্লেখিত দাম জিএসটি ছাড়াই দিতে হবে। আর সরবরাহ করা সামগ্রী অবশ্যই দফতরের দেওয়া নমুনা অনুযায়ী হতে হবে। পাশাপাশি কোনও সংস্থার কোটেশন গ্রহণ করা কিংবা বাতিল করার সম্পূর্ণ অধিকার দফতরের হাতেই থাকবে। আর বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, যে সংস্থার কোটেশন গ্রহণ করা হবে তাদের দফতরের চাহিদা পাওয়ার সাত দিনের মধ্যেই সমস্ত সামগ্রী সরবরাহ করতে হবে। সময়ের মধ্যে সরবরাহ না করলে সেই সংস্থা ব্ল্যাকলিস্ট হতে পারে।

    অফিসিয়াল বিজ্ঞপ্তি- Download Now

  • LPG সিলিন্ডার মজুত রাখলে বাজেয়াপ্ত করবে রাজ্য সরকার! জানিয়ে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী

    LPG সিলিন্ডার মজুত রাখলে বাজেয়াপ্ত করবে রাজ্য সরকার! জানিয়ে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী

    বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধের হাওয়া গায়ে লেগেছে বাংলারও। কেন্দ্রীয় সরকার আশ্বস্ত করলেও এক ধাক্কায় 60 টাকা বেড়েছে রান্নার গ্যাসের (LPG) দাম। তাতে পকেটে টান পড়ছে মধ্যবিত্তের। এদিকে জ্বালানি সমস্যার কারণে অটোতে অতিরিক্ত ভাড়া গুনতে হচ্ছে যাত্রীদের। এমতাবস্থায়, ভবিষ্যতে সমস্যা এড়াতে আগেভাগে কঠোর পদক্ষেপ নিতে চলেছে রাজ্য সরকার। ইতিমধ্যেই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, যাঁরা এই কঠিন সময়ে সাধারণ মানুষের পাশে না দাঁড়িয়ে নিজেদের মজুত বাড়াচ্ছেন, প্রয়োজন হলে সরকার তাদের কাছ থেকে সেই মজুত বাজেয়াপ্ত করবে।

    কেন্দ্রকে দুষে বড় সিদ্ধান্ত রাজ্যের

    গত 27 ফেব্রুয়ারি ইরানে যৌথভাবে ভয়াবহ হামলা চালায় আমেরিকা এবং ইজরায়েল। পরবর্তীতে দুই শক্তিধর দেশের হামলায় মৃত্যু হয় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির। যেই ঘটনায় প্রত্যাঘাত করে পশ্চিম এশিয়ার দেশটি। বেঁধে যায় যুদ্ধ। অনেকেই ভেবে নিয়েছিলেন এই যুদ্ধ দীর্ঘস্থায়ী হবে। সময় যত গড়াচ্ছে সেদিকেই যাচ্ছে পরিস্থিতি। এদিকে যুদ্ধের আবহে কেন্দ্রীয় সরকার দেশবাসীকে আশ্বস্ত করেছিল খুব কঠিন পরিস্থিতি তৈরি না হলে দেশে বাড়বে না গ্যাসের দাম। তবে হয়েছে উল্টোটা।

    দেশজুড়ে এক ধাক্কায় গৃহস্থালির রান্নার গ্যাসের দাম 60 টাকা বাড়ায় ক্ষুব্ধ বিরোধীরা। ইতিমধ্যেই একযোগে গ্যাসের মূল্য বৃদ্ধি নিয়ে কেন্দ্রকে আক্রমণ করেছে তৃণমূল নেতৃত্ব। এবার জ্বালানি সংকট তৈরির নেপথ্যে ফের নরেন্দ্র মোদির সরকারকে দায়ী করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর স্পষ্ট অভিযোগ, সঞ্চয়ের খতিয়ান না দেখে কেন LPG বুকিং এ কড়াকড়ি বিজ্ঞপ্তি জারি করা হল? এই পদক্ষেপ দায়িত্বজ্ঞানহীনতার পরিচয় বলেই মনে করেন মুখ্যমন্ত্রী।

    অবশ্যই পড়ুন: LPG সঙ্কটের মাঝে যাত্রীদের খাবারের জন্য রেলের ক্যান্টিনকে বড় নির্দেশ IRCTC-র

    এদিকে, কঠিন পরিস্থিতিতে রাজ্যে যাতে গ্যাসের জন্য হাহাকার দেখা না দেয় সেজন্যই এবার কঠিন পদক্ষেপ নিতে পারে রাজ্য সরকার। পরিস্থিতি খতিয়ে দেখে ইতিমধ্যেই জেলাশাসক থেকে শুরু করে পুলিশ সুপারদের নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। এ নিয়ে খুব শীঘ্রই প্রশাসনিক বৈঠকে বসবেন তিনি। সেখানেই কীভাবে কঠিন সময়ে সাধারণ মানুষকে বাঁচানো যায় তা নিয়ে ই হবে আলোচনা। তবে সেই বৈঠক শুরুর আগেই এরই মধ্যেই জেলা প্রশাসনকে মুখ্যমন্ত্রী নির্দেশ দিয়েছেন খারাপ সময়ে গ্যাসের কালোবাজারি রুখতে অবৈধভাবে LPG সিলিন্ডার মজুত করে রাখছে এমন খবর পেলে তৎক্ষণাৎ তা বাজেয়াপ্ত করা হতে পারে বলেও জানিয়ে দেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর সাফ বক্তব্য, কালোবাজারি সহ্য করবে না সরকার।

  • ফাইল আটকে নবান্নেই? ১০০ দিনের টাকা বন্ধের আসল কারণ নিয়ে বিস্ফোরক দাবি

    ফাইল আটকে নবান্নেই? ১০০ দিনের টাকা বন্ধের আসল কারণ নিয়ে বিস্ফোরক দাবি

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: ক্রমেই এগিয়ে আসছে ২৬ এর বিধানসভা নির্বাচন, তাই স্বাভাবিকভাবেই রাজ্য জুড়ে এক উত্তপ্ত পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। তবে প্রকল্প নিয়ে কেন্দ্র এবং রাজ্যের মধ্যে সংঘাত যেন কিছুতেই থামছে না। কখনও আবাস যোজনা প্রকল্প তো কখনও আবার MGNREGA-এর প্রকল্প (MGNREGA Scheme)। আর এই পরিস্থিতির মাঝেই এবার মমতা সরকারের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক তথ্য তুলে ধরলেন বিজেপির আইটি সেলের প্রধান অমিত মালব্য।

    ১০০ দিনের কাজ নিয়ে তুমুল বিতর্ক

    দুর্নীতির অভিযোগে প্রায় সাড়ে তিন বছর ধরে ১০০ দিনের কাজে রাজ্য সরকারকে প্রকল্পের জন্য বরাদ্দ দেওয়া বন্ধ করে দিয়েছিল কেন্দ্রীয় সরকার। যদিও এই নিয়ে কম জলঘোলা হয়নি। কখনও এর বিরুদ্ধে মামলা করে হাইকোর্টে যেতে হয়েছে তো কখনও আবার সুপ্রিম কোর্টে। আদালত জানিয়ে ছিল, দুর্নীতির তদন্ত চলুক, তবে সাধারণ মানুষের টাকা আটকে রাখা যাবে না। একই সঙ্গে স্বচ্ছতা বজায় রাখতে কেন্দ্রকে শর্তও ঠিক করতেও বলেছিল আদালত। কিন্তু কেন্দ্রের দেওয়া শর্তগুলি মানতে নারাজ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাই সেই নিয়ে ঝামেলার শেষ নেই। আর এই অবস্থায় লোকসভার তরফে দেওয়া এক চাঞ্চল্যকর তথ্য তুলে ধরলেন অমিত মালব্য।

    MGNREGA নিয়ে নয়া তথ্য ফাঁস

    সম্প্রতি তৃণমূলের এক সাংসদ প্রতিমা মণ্ডল MGNREGA নিয়ে বেশ কয়েকটি প্রশ্ন তুলে ধরেছিলেন। তিনি জানতে চেয়েছিলেন পশ্চিমবঙ্গে মহাত্মা গান্ধী জাতীয় গ্রামীণ কর্মসংস্থান নিশ্চয়তা প্রকল্প তহবিল দীর্ঘ সময় ধরে আটকে কেন রাখা রয়েছে। এবং কবে বরাদ্দ টাকা মিলবে সেই নিয়েও প্রশ্ন করা হয়। অবশেষে তার জবাব পেয়ে ফ্যাসাতে পড়ল শাসকদল। রিপোর্ট মোতাবেক, আজ, বুধবার, বিজেপির আইটি সেলের প্রধান অমিত মালব্য তাঁর এক্স হ্যান্ডেলে লোকসভার সেই প্রশ্নের জবাবের তথ্য পোস্ট করেন। যেখানে স্পষ্ট জানানো হয় পশ্চিমবঙ্গ সরকার MGNREGA-এর জন্য শ্রম বাজেট প্রস্তাব জমা দেয়নি। আর এই নিয়ে বেশ শোরগোল শুরু হয়। অমিত কটাক্ষ করে জানান তাহলে বোঝাই যাচ্ছে বাংলার লক্ষ লক্ষ দরিদ্র শ্রমিকের কাছে MGNREGA মজুরি পৌঁছানো থেকে আসলে কে আটকাচ্ছে?

    আরও পড়ুন: গ্যাস সংকটের প্রভাব এবার পরিবহণে! CNG-র দাম বাড়ায় কলকাতায় বাড়ছে অটোভাড়া, কতটা?

    প্রসঙ্গত, শুরু থেকেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার বিজেপিশাসিত রাজ্যগুলিতে ১০০ দিনের কাজ নিয়ে একাধিক অভিযোগ করে এসেছে। তাঁদের এও বলা হয়েছিল যে বিজেপিশাসিত রাজ্যগুলিতে ১০০ দিনের কাজে নাকি অধিক বরাদ্দ দেওয়া হয়, কিন্তু মমতা সরকার ঠিকভাবে কাজ করেও কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে কোনো সুবিধা পায়নি। এদিকে লোকসভার এই রিপোর্ট প্রকাশ্যে আসতেই বিজেপির তরফে নানাবিধ মন্তব্য করা হলেও এখনও তৃণমূলের তরফে কিছু জানানো হয়নি।

  • DA নিয়ে এবার নয়া পদক্ষেপ রাজ্য সরকারের, ধৈর্যের বাঁধ ভাঙল কর্মীদের

    DA নিয়ে এবার নয়া পদক্ষেপ রাজ্য সরকারের, ধৈর্যের বাঁধ ভাঙল কর্মীদের

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ বকেয়া ডিএ (DA) মামলায় খেলা যেন উল্টে গিয়েছে। সরকারি কর্মীদের পর এবার পাল্টা সক্রিয় হয়ে উঠেছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার। সুপ্রিম কোর্টের বেঁধে দেওয়া ডেডলাইনের মধ্যে সরকার কিছুতেই বকেয়া মহার্ঘ্য ভাতা (Dearness allowance) দিতে পারবে না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছে। এই সময়সীমা আগামী ৩১ ডিসেম্বর, ২০২৬ অবধি বাড়ানোর দাবি জানানো হয়েছে। এই নিয়ে প্রথমে এম-এ পিটিশন, এবার রিভিউ পিটিশন দাখিল করল পশ্চিমবঙ্গ সরকার। আর তা নিয়ে নতুন করে ক্ষোভে ফেটে পড়লেন সাধারণ কর্মচারীরা।

    ডিএ মামলায় রাজ্যের পদক্ষেপে ফের খুব্ধ সরকারি কর্মীরা

    কনফেডারেশন অফ স্টেট গভর্নমেন্ট এমপ্লয়িজের সাধারণ সম্পাদক তথা ডিএ মামলাকারী মলয় মুখোপাধ্যায় (Malay Mukherjee) সরকারের পদক্ষেপ নিয়ে ক্ষোভে ফেটে পড়েছেন। নিজের ফেসবুক পেজে গত ৬ মার্চ সরকারের এমএ পিটিশন এবং গত ৯ মার্চে রিভিউ পিটিশনের একটি স্ক্রিনশট তুলে ধরেন। সেইসঙ্গে সরকারকে তীব্র ভাষায় কটাক্ষ করেন। তিনি লেখেন, ‘DA মামলা রাজ্য সরকার দেশের সর্বোচ্চ আদালতকে কি মনে করছেন?’ অর্থাৎ সরকারের ডিএ নিয়ে এরকম মনোভাব সরকারি কর্মী থেকে শুরু করে পেনশন প্রাপকদের মধ্যে কত ক্ষোভের সৃষ্টি করছে তা যেন নতুন করে ফুটে উঠেছে তাঁর কথায়।

    এই নিয়ে বহু মানুষের প্রতিক্রিয়া সামনে এসেছে। একজন লিখেছেন, ‘এই মূহুর্তে রাজ্যের অর্থসচিব এবং মুখ্যসচিব কে তলব করে এই টালবাহানার নাটক বন্ধ করে ওনাদের বেতন ফ্রিজ করে দেওয়ার জন্য মাননীয় সর্বোচ্চ আদালতের দৃষ্টি আকর্ষণ করা প্রয়োজন।’ অন্য একজন বেশ মজার ছলে লিখেছেন, ‘সুপ্রীম কোর্ট রাজ্য সরকারকে কী মনে করেছে সেটাও তো জানা দরকার! এত আবদার লোক নিজের বৌয়েরও রাখতে পারে না! অপর একজন লিখেছেন, ‘এতদিন বাদে বকেয়া DA দেওয়ার রায় দিলেন বিচারপতিরা কোনো সুদ ছাড়া, এইজন্য এত সাহস পাচ্ছে।’

    আরও পড়ুনঃ ৫২৪টি LPG সিলিন্ডার ভর্তি ট্রাক উধাও! গ্যাসের সংকটের মধ্যেই চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঝাঁসিতে

    সরকারের এহেন পিটিশন নিয়ে অন্য আরেকজন ফেসবুক ব্যবহারকারী লিখেছেন, ‘করতেই পারে। যতটা সময় এই করে করে কাটানো যায় আর কি! কিন্তু ওপেন কোর্ট হিয়ারিং সবরিমালা কেসে হয়েছিল। কিন্তু সেই ভারডিক্টে কোনো স্টে নেই। আর ডেথ পেনাল্টি র ক্ষেত্রে ওপেন কোর্ট হিয়ারিং হয়। আর কোনো আইনি বাধ্যবাধকতা নেই এর। সুতরাং সম্ভাবনা খুবই ক্ষীণ। তবুও উনি হাল ছাড়বেন না আর কি।’

    কী বলছে সরকার?

    এমনিতেই বকেয়া ডিএ মামলায় নতুন করে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার। সুপ্রিম কোর্টে সরকার জানিয়েছে, এখনই রাজ্যের পক্ষে সকলের বকেয়া মেটানো সম্ভব নয়। যে কারণে আগামী ৩১ ডিসেম্বর, ২০২৬ সাল অবধি সময় দেওয়ার আবেদন জানানো হয়েছে। এদিকে সরকারের এহেন মন্তব্যে ক্ষোভে ফুঁসছেন সরকারি কর্মী থেকে শুরু করে পেনশন প্রাপকরা। তাঁদের অপেক্ষা আরও কত দীর্ঘ হবে? আদৌ টাকাটা মিলবে তো? এই আশঙ্কায় ভুগছেন সকলে।

  • সারদা কাণ্ডের গোপন নথি প্রকাশ্যে আসছে? ১৩ বছর পর বিরাট নির্দেশ হাইকোর্টের

    সারদা কাণ্ডের গোপন নথি প্রকাশ্যে আসছে? ১৩ বছর পর বিরাট নির্দেশ হাইকোর্টের

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: বিধানসভা নির্বাচনের আবহে সারদা কেলেঙ্কারি মামলা (Sarada Scam Case) নিয়ে বড় আপডেট দিল কলকাতা হাইকোর্ট। প্রায় ১৩ বছর পর মামলার তদন্তে রাজ্যের গঠিত বিচারপতি শ্যামল সেন কমিশনের রিপোর্ট প্রকাশের নির্দেশ দিল উচ্চ আদালত (Calcutta High Court)। আশঙ্কা করা হচ্ছে এত বছর পর এবার হয়ত আর্থিক হিসেব-নিকেশ সহ যাবতীয় রিপোর্ট এবং দীর্ঘদিন ধরে গোপন থাকা গুরুত্বপূর্ণ নথি এবার সকলের সামনে আসতে চলেছে।

    বিচারপতি শ্যামল সেনের নেতৃত্বে গড়ে উঠেছিল কমিশন

    উল্লেখ্য, শুরু থেকেই সারদা কেলেঙ্কারিকে ঘিরে রাজ্যজুড়ে তীব্র শোরগোল হয়ে চলেছে। ২০১৩ সালে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে আমানতকারীদের টাকা ফেরত দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। সেই কারণে রাজ্য সরকার, বিচারপতি শ্যামল সেনের নেতৃত্বে একটি কমিশন গঠন করেছিল। আর সেই কমিশনের মাধ্যমে রাজ্যের ঘোষিত ৫০০ কোটির তহবিল থেকে প্রায় ২২৫ কোটি টাকা আমানতকারীদের মধ্যে ফেরত দেওয়ার ব্যবস্থা করে। পরে কমিশনের কাজ শেষ হলে সমস্ত হিসেব নিকেশ এবং অবশিষ্ট অর্থ রাজ্য সরকারের কাছে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। এবং একটি প্রতিলিপি আদালতের কাছেও জমা দেওয়া হয়। কিন্তু প্রকাশ্যে আনা হয়নি পূর্ণাঙ্গ রিপোর্ট।

    পূর্ণাঙ্গ রিপোর্ট পেশের নির্দেশ হাইকোর্টের

    এক যুগ কেটে গেলেও বিচারপতি শ্যামল সেনের নেতৃত্বে গঠিত কমিশন রিপোর্ট না বের করায় আদালতে মামলা করা হয়। গতকাল, মঙ্গলবার সেই মামলার শুনানি ওঠে হাইকোর্টের বিচারপতি রাজর্ষি ভরদ্বাজ ও বিচারপতি উদয় কুমারের ডিভিশন বেঞ্চ। আমানতকারীদের আইনজীবী তাঁদের পক্ষের মন্তব্য পেশ করেছেন। কিন্তু এদিনও চিটফান্ডের মামলাগুলিতে সিবিআই ও ইডি-র আইনজীবী না থাকা নিয়ে ডিভিশন বেঞ্চ ক্ষোভ প্রকাশ করে। বিচারপতি ভরদ্বাজ বলেন, “চিটফান্ডের যাবতীয় কোম্পানির তদন্ত এই দুই সংস্থার হাতে। অথচ লক্ষ্য করছি, ৯০ শতাংশ চিটফান্ডের মামলায় এই দুই এজেন্সির আইনজীবী গরহাজির থাকছেন। এইভাবে চললে, আদালত পদক্ষেপ করতে বাধ্য হবে।” এরপরই আদালত স্পষ্ট জানায় শীঘ্রই ওই রিপোর্ট মামলার সব পক্ষকে দেখাতে হবে।

    আরও পড়ুন: হবে মাল্টিট্র্যাকিং, চতুর্থ লাইন! বাংলায় ফের একগুচ্ছ রেল প্রকল্পের ঘোষণা

    প্রসঙ্গত, সারদা কেলেঙ্কারি নিয়ে দীর্ঘদিনের আইনি লড়াইয়ের মধ্যে এই নির্দেশ নতুন করে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছে। আমানতকারীদের আইনজীবী শুভাশিস চক্রবর্তী ও অরিন্দম দাস বলেন, এতদিনে সারদা সংক্রান্ত শ্যামল সেন কমিশনের যাবতীয় রিপোর্ট প্রকাশ্যে এলে নতুন করে এই রিপোর্ট নিয়ে অগ্রসর হওয়া যাবে। এখন দেখার কবে এই রিপোর্ট প্রকাশ্যে আসে।

  • ৪০ লক্ষ মহিলার অ্যাকাউন্টে ৯০০০ করে টাকা, বিরাট স্কিম অসম সরকারের

    ৪০ লক্ষ মহিলার অ্যাকাউন্টে ৯০০০ করে টাকা, বিরাট স্কিম অসম সরকারের

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ হঠাৎ কপাল খুলে গেল কয়েক লক্ষ রাজ্যবাসীর। ৯০০০ টাকা করে পাঠানো হল প্রায় ৪০ লক্ষ রাজ্যবাসীর ব্যাংক অ্যাকাউন্টে। শুনতে অবিশ্বাস্যকর মনে হলেও এটাই সত্যি। আজ কথা হচ্ছে অরুণোদয় স্কিম (Orunodoi Scheme) নিয়ে যার আওতায় সকলকে এই টাকা পাঠিয়েছে সরকার। চলুন আরও বিশদে জেনে নেবেন সবটা।

    রাজ্যবাসীকে ৯০০০ টাকা দিল সরকার

    আসলে আসামের (Assam) ৪০ লক্ষ পরিবারের মহিলারা তাদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে ৯,০০০ টাকা করে পেয়েছেন। মঙ্গলবার রাজ্য সরকারের অরুণোদয় প্রকল্পের আওতায় ডাইরেক্ট বেনিফিট ট্রান্সফারের মাধ্যমে এই অর্থ ট্রান্সফার করা হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা গুয়াহাটিতে আয়োজিত একটি কেন্দ্রীয় অনুষ্ঠানে এটি চালু করেন। তিনি বলেন, এই অর্থ রাজ্য সরকারের সহানুভূতিশীল নীতির প্রতীক এবং নারী-নেতৃত্বাধীন পরিবারগুলিকে শক্তিশালী করার দিকে একটি ঐতিহাসিক পদক্ষেপ।

    মুখ্যমন্ত্রীর কার্যালয়, X-এর একটি পোস্টে, এটিকে মহিলাদের আর্থিক নিরাপত্তা এবং মর্যাদা জোরদার করার একটি উদ্যোগ হিসাবে বর্ণনা করেছে। জানা গিয়েছে, রাজ্যজুড়ে গ্রাম পঞ্চায়েত, স্বায়ত্তশাসিত পরিষদ এলাকা, গ্রাম উন্নয়ন কমিটি এবং নগর ওয়ার্ড কমিটি সহ ৩,৮০০ টিরও বেশি জনসাধারণের অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি মহিলারা যোগ দিয়েছিলেন।

    অরুণোদয় স্কিম কী?

    মূলত দারিদ্র্য দূরীকরণের জন্য বিজেপি সরকার ২০২০ সালে অরুণোদয় স্কিম চালু করেছিল। এই যোজনার আওতায়, প্রতিটি যোগ্য পরিবারের একজন মহিলাকে প্রতি মাসে ১,২৫০ টাকা সহায়তা দেওয়া হয়। মুখ্যমন্ত্রী এর আগে ঘোষণা করেছিলেন যে এই বছরের জানুয়ারি থেকে চার মাসের জন্য ৫,০০০ টাকা এবং বোহাগ বিহু বা অসমীয়া নববর্ষ উপলক্ষে অতিরিক্ত অর্থ প্রদান করা হবে, যা মার্চ মাসে একযোগে দেওয়া হবে, যার ফলে মোট ৯,০০০ টাকা হবে। সরকার সেই কথা রেখে এখন সকলকে ৯০০০ টাকা দিয়েছে।

    আরও পড়ুনঃ নিম্নচাপ-ঘূর্ণাবর্তের জোড়া ঠ্যালায় খেল দেখাবে বৃষ্টি, ৬ জেলায় সতর্কতা, আজকের আবহাওয়া

    এই স্কিমের ফলে লক্ষ লক্ষ মহিলা এককালীন আর্থিক সহায়তা পেয়েছেন। মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত শর্মা বলেছেন যে অরুণোদয় প্রকল্পের আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের সাথে কোনও সম্পর্ক নেই। তিনি আরও বলেন যে অন্যান্য রাজ্যের মতো, এখানে কোনও গণ বা সর্বজনীন স্থানান্তর নেই। যদি এটি নির্বাচনী লাভের জন্য হত, তাহলে সকলেই এর আওতায় আসত, তবে এটি একটি নিয়ন্ত্রিত এবং নির্বাচনী প্রকল্প।

  • Failed হতে শুরু করল যুবসাথীর পেমেন্ট! SMS ঢুকলেও মিলছে না টাকা

    Failed হতে শুরু করল যুবসাথীর পেমেন্ট! SMS ঢুকলেও মিলছে না টাকা

    বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: যুবসাথী প্রকল্পের (Yuva Sathi Payment Failed) টাকা কবে মিলবে তা নিয়ে চিন্তিত রাজ্যের (Government Of West Bengal) একটা বড় অংশের আবেদনকারী। এর আগে গত শনিবার মেট্রো চ্যানেলের ধরনা মঞ্চ থেকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছিলেন, 7 মার্চ অর্থাৎ শনিবার থেকেই প্রত্যেক আবেদনকারীর অ্যাকাউন্টে ঢুকতে শুরু করবে যুবসাথী প্রকল্পের টাকা। সেই মতোই 8 তারিখের মধ্যে একাংশের আবেদনকারীর ফোন টাকা ক্লেম হওয়ার মেসেজ ঢুকলেও বাংলার একটা বড় অংশের আবেদনকারী এখনও রাজ্য সরকারের এই বিশেষ প্রকল্পের টাকা পাননি। ফলে তাঁরা উগরে দিচ্ছিলেন ক্ষোভ। এরই মাঝে এবার Failed হতে শুরু করল যুবসাথী প্রকল্পের পেমেন্ট।

    মেসেজ ঢুকলেও মিলছে না যুবসাথীর টাকা!

    মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘোষণার পর থেকে ধীরে ধীরে রাজ্যের সকল আবেদনকারীদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে টাকা পাঠানোর কাজ শুরু হয় বলেই সূত্রের খবর। শুরুর দিকে না হলেও গতকাল অর্থাৎ সোমবার থেকে বহু আবেদনকারী নিজেদের অ্যাকাউন্টে যুবসাথীর টাকা পেয়ে গিয়েছেন। তবে অনেকের অভিযোগ, তাঁদের Whatsapp এবং মেসেজে যুবসাথী প্রকল্প সংক্রান্ত বার্তা সরকারের তরফে পাঠানো হলেও ক্রেডিট হয়নি টাকা।

    এরই মাঝে মঙ্গলবার বহু আবেদনকারীর ফোনে পেমেন্ট Failed হওয়ার মেসেজ এসেছে। স্মার্টফোনে আসা ওই বার্তায় বলা হচ্ছে আবেদনকারীর অ্যাকাউন্টের উদ্দেশ্যে 1500 টাকা পাঠানো হলেও পেমেন্ট ফেলড হয়েছে। এর জন্য যত দ্রুত সম্ভব নিকটবর্তী সরকারি অফিস অথবা সংশ্লিষ্ট ব্যাঙ্কের ব্রাঞ্চে যোগাযোগ করার অনুরোধ করা হচ্ছে। আর এমন মেসেজ পেতেই একেবারে ঘাবড়ে গিয়েছেন একটা বড় অংশের আবেদনকারী। এ নিয়ে বিশেষজ্ঞদের বক্তব্য, সাধারণত আবেদনপত্রে ব্যাঙ্ক ডিটেইলস ভুল দেওয়া হলে এই ধরনের মেসেজ আসে। এছাড়াও অনেক সময় যে ট্রেজারি থেকে টাকা পাঠানো হচ্ছে সেখানে আবেদনকারীর ব্যাঙ্কিং তথ্য ভুল নোট করা হলেও অ্যাকাউন্টে ক্রেডিট হয় না টাকা।

    অবশ্যই পড়ুন: আলিপুরদুয়ার অমৃত ভারত এক্সপ্রেস পেল নয়া স্টপেজ, কোন স্টেশনে দাঁড়াবে জানাল রেল

    এখন কী করণীয়?

    একাধিক সূত্র মারফত খবর, ইতিমধ্যেই বাংলার একাধিক জেলার আবেদনকারীরা নিজেদের অ্যাকাউন্টে যুবসাথী প্রকল্পের প্রদত্ত অর্থ পেয়ে গিয়েছেন। তাঁদের মধ্যে অনেকেই ভিডিও বার্তায় বেকার ভাতা দেওয়ার জন্য রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীকে ধন্যবাদও জানিয়েছেন। কিন্তু হঠাৎ করে ফোনে Failed মেসেজ আসা শুরু হওয়ায় আদৌ টাকা ঢুকবে কিনা তা নিয়ে চিন্তায় পড়ে গিয়েছেন অনেকেই। যদিও সকলের ফোনে এমন মেসেজ যায়নি। এ নিয়ে কয়েকজন সরকারি আধিকারিকের দাবি, ফোনে যদি সত্যিই এমন ধরনের মেসেজ এসে থাকে সেক্ষেত্রে দ্রুত ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষ অথবা BDO অফিসে যোগাযোগ করা ভাল।

  • ‘এই দিন পর্যন্ত সমাধান হলেও দিতে পারবেন ভোট’ জানিয়ে দিল সুপ্রিম কোর্ট

    ‘এই দিন পর্যন্ত সমাধান হলেও দিতে পারবেন ভোট’ জানিয়ে দিল সুপ্রিম কোর্ট

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: ২৬ এর বিধানসভা নির্বাচন (West Bengal Election 2026) শুরু হতে আর খুব বেশি দেরি নেই, এদিকে পশ্চিমবঙ্গে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন বা SIR প্রক্রিয়া নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে আগে থেকেই মামলা চলছে। শীর্ষ আদালতের নির্দেশে বিচারবিভাগীয় আধিকারিকদেরও এই SIR প্রক্রিয়ায় যুক্ত করা হয়েছে। আদালত জানিয়েছিল, ভোটার তালিকার তথ্যগত অসঙ্গতির ক্ষেত্রে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন বর্তমান এবং প্রাক্তন জুডিশিয়াল অফিসাররা। এবং রাজ্যকে তা পালন করতে হবে। এরই মধ্যে হাইকোর্টের (Calcutta High Court) প্রধান বিচারপতি জানালেন যে, শুনানিতে (SIR Hearing) রাজ্যের বিবেচনাধীনের ভোটার তালিকায় থাকা আপাতত ১০ লক্ষ লোকের নিষ্পত্তি হয়েছে।

     ১০ লক্ষ ভোটারের শুনানির কাজ নিষ্পত্তি

    রিপোর্ট মোতাবেক আজ অর্থাৎ মঙ্গলবার সুপ্রিম কোর্টে SIR সংক্রান্ত মূল মামলার শুনানি ছিল। সেখানে কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি জানান, এখনও পর্যন্ত বিবেচনাধীন তালিকায় থাকা ১০ লক্ষ লোকের নিষ্পত্তি হয়েছে। এই নিষ্পত্তি প্রক্রিয়ায় যোগ দিয়েছেন আরও ২০০ জুডিশিয়াল অফিসার। এদিকে রাজ্যের আইনজীবি মেনকা গুরুস্বামী জানান, ‘মাত্র ৭ লক্ষ লোকের নিষ্পত্তি হয়েছে, এখনও বাকি ৫৭ লক্ষ’। এরপরই প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত জানান, “ হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি জানিয়েছেন যে ইতিমধ্যেই ১০ লক্ষ বিবেচনাধীন ভোটারের শুনানির কাজ নিষ্পত্তি হয়েছে। জুডিশিয়াল অফিসারদের নিজেদের মতো করে কাজ করতে দিন। আপনারা সবকিছু জানেন না, কোথায় কী হচ্ছে আমরা জানি।’

    ভোট দেওয়া নিয়ে বিশেষ নির্দেশ আদালতের

    সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত স্পষ্ট জানিয়ে দেন, “সমস্ত বৈধ ভোটারদের তালিকায় যুক্ত করার লক্ষ্য নিয়েই বিচার বিভাগ কাজ করছে। তবে এক্ষেত্রে কোনও জুডিশিয়াল অফিসারদের কর্মদক্ষতা নিয়ে যেন কোনও প্রশ্ন না ওঠে। যদি কেউ তা করে থাকেন তবে তাঁর দৃষ্টান্তমূলক জরিমানা করা হবে। যদি কোনও জুডিশিয়াল অফিসার মনে করেন কেউ বৈধ ভোটার নন, তাহলে তিনি ভোট দিতে পারবেন না। এমনকি ভোটের আগের দিন পর্যন্ত যদি কোনও ভোটারের সমস্যার সমাধান হয়ে যায় তবে তিনিও ভোট দিতে পারবেন।” এই নির্দেশের পর কোর্টে আইনজীবী মেনকা গুরুস্বামী দাবি করেন যে, নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে জুডিশিয়াল অফিসারদের কাজ শেষ করা যাবে বলে মনে হচ্ছে না, আর সেই মন্তব্য শুনে পাল্টা জবাব দেন প্রধান বিচারপতি।

    আরও পড়ুন: একটু পরেই দক্ষিণবঙ্গের এই ৫ জেলায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টি, বইবে ঝোড়ো হাওয়া

    রাজ্যের উদ্দেশে প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত জানান, “আপনাদের কমিশনের কাছে আবেদন জুডিশিয়াল অফিসারদের ভোটারদের যে তালিকা রিভিউ করার জন্য দেওয়া হয়েছে সেটা প্রত্যাহার করা হোক। কারণ এটা আমাদের নির্দেশের পরিপন্থী’। পাশাপাশি তিনি আরও বলেন যে, “দু’পক্ষের সততা নিয়ে আমরা এই মুহূর্তে সন্দিহান। তাই সেক্ষেত্রে দরকার পড়লে হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি, অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতিদের দিয়ে ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হবে। তখন জুডিশিয়াল অফিসারদের নির্দেশের বিরুদ্ধে এই ট্রাইব্যুনালের কাছে আবেদন করা যাবে।”

  • অবশেষে বকেয়া DA দিচ্ছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার? ২০ মার্চের মধ্যে বিশেষ কাজ করার নির্দেশ নবান্নের

    অবশেষে বকেয়া DA দিচ্ছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার? ২০ মার্চের মধ্যে বিশেষ কাজ করার নির্দেশ নবান্নের

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ সামনেই রয়েছে বিধানসভা ভোট। এখনও অবধি বিধানসভা ভোটের নির্ঘন্ট প্রকাশ না পেলেও তোড়জোড় ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গিয়েছে। অন্যদিকে বকেয়া ডিএ (Dearness allowance) ইস্যুতে সরকারের চাপ বাড়াচ্ছেন রাজ্যের সরকারি কর্মীরা। এই ক্ষোভ কবে প্রশমন হবে? উত্তর জানা নেই কারোর। এরই মধ্যে সরকারি কর্মীদের উদ্দেশ্যে নতুন নির্দেশিকা জারি করল নবান্ন (Nabanna)। আগামী ২০ মার্চের মধ্য সরকারি কর্মীদের একটি বিশেষ কাজ করে নেওয়ার জন্য বলা হয়েছে। চলুন বিশদে জেনে নেওয়া যাক।

    ২০ মার্চের মধ্যে এই কাজ করার নির্দেশ নবান্নের

    আপনিও কি জানতে ইচ্ছুক যে সরকার ২০ মার্চের মধ্যে কী কাজ করার নির্দেশ দিয়েছে? তাহলে জানিয়ে রাখি, রাজ্য অর্থ দফতরের তরফে জারি করা নতুন বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সব সরকারি কর্মচারীর সার্ভিস বুক (Service Book) ডিজিটাল বা ই-সার্ভিস বুক হিসেবে তৈরি করতে হবে। তাহলে কি বকেয়া DA নিয়ে তোড়জোড় শুরু করতে চাইছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার? সুপ্রিম কোর্টে চলা পঞ্চম বেতন পে কমিশনের বকেয়া ডিএ মেটানোর বিষয়ে এটা প্রথম পদক্ষেপ? এই নিয়ে সরকারের তরফে কিছু না জানানো হলেও, ইতিমধ্যে সরকারি কর্মীদের মধ্যে ফিসফাস শুরু হয়ে গিয়েছে।

    এমনিতেই বকেয়া ডিএ মামলায় নতুন করে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার। সুপ্রিম কোর্টে শাসক দল জানিয়েছে, এখনই সরকারের পক্ষে সকলের বকেয়া মেটানো সম্ভব নয়। যে কারণে আগামী ৩১ ডিসেম্বর, ২০২৬ সাল অবধি সময় দেওয়ার আবেদন জানানো হয়েছে। এদিকে সরকারের এহেন মন্তব্যে ক্ষোভে ফুঁসছেন সরকারি কর্মী থেকে শুরু করে পেনশন প্রাপকরা। তাঁদের অপেক্ষা আরও কত দীর্ঘ হবে? আদৌ টাকাটা মিলবে তো? এই আশঙ্কায় ভুগছেন সকলে।

    কী আছে বিজ্ঞপ্তিতে?

    অর্থ দফতরের তরফে প্রকাশিত নতুন আদেশনামা 835-F(eGov) এবং ২৮/০২/২০২৬ অনুযায়ী, আগামী ২০ মার্চের মধ্যে সমস্ত সরকারি কর্মীর ই-সার্ভিস বুক তৈরির কাজ সম্পূর্ণ করতে হবে। প্রথমে সার্ভিস বুকের দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিক বা কাস্টোডিয়ানরা মূল নথির পাতাগুলি স্ক্যান করে অনলাইনে আপলোড করবেন। এরপর কর্মচারীদের নিজেদের দায়িত্ব নিতে হবে। তাঁরা সেই স্ক্যান করা নথিগুলি দেখে অনলাইনে নিজেদের সমস্ত তথ্য সতর্কতার সঙ্গে এন্ট্রি করবেন।