Tag: Government Of West Bengal

  • DA নিয়ে রাজ্য সরকারের নতুন ষড়যন্ত্র? নয়া লড়াই শুরুর ঘোষণা ভাস্কর ঘোষের

    DA নিয়ে রাজ্য সরকারের নতুন ষড়যন্ত্র? নয়া লড়াই শুরুর ঘোষণা ভাস্কর ঘোষের

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ ফের একবার আলোচনায় উঠে এল বাংলার ডিএ মামলা (Bengal DA Case)। অবশ্য এবারে সরকারের সিদ্ধান্তে খুশি চাকুরীজীবী থেকে শুরু করে সরকারি পেনশন প্রাপকরা। এর কারণ, চলতি মার্চ মাসেই ২০০৯ রোপা আইন মেনে ২৫% বকেয়া DA মেটানোর ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এরই সঙ্গে রাজ্য বিধানসভা ভোটের প্রাক্কালে এই সিদ্ধান্তকে সরকারের বিরাট মাস্টারস্ট্রোক হিসেবে দেখছে বিশিষ্ট মহল। তবে অপরদিকে অন্য কথা বললেন সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের আহ্বায়ক ভাস্কর ঘোষ (Bhaskar Ghosh)। তিনি জানালেন, লড়াই শেষ হয়নি, বরং নতুন করে শুরু হল। হ্যাঁ একদম ঠিক শুনেছেন।

    ডিএ নিয়ে বিস্ফোরক দাবি ভাস্কর ঘোষের

    ভাস্কর ঘোষ জানান, ‘সবার আগে, আমি বলতে চাই যে এটি মানুষের জন্য একটি বড় জয়। কর্মচারীরা সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের নেতৃত্বে শীত, গ্রীষ্ম, বর্ষা উপেক্ষা করে দাঁতে দাঁত চেপে লড়াই করে গিয়েছেন। আমরা যদি ঐক্যবদ্ধ হই, লড়াই যদি সঠিক পথে পরিচালিত হয়, লক্ষ্য স্থির রাখি, তাহলে স্বৈরাচারীনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় হলেও তাঁকে মাথা নত করতে হয়। অরাজনৈতিক সিস্টেমের কাছেই মাথানত করতে হয়। আমরা কুল গোত্রহীন। আমাদের শতাব্দীর ইতিহাস নেই। কিন্তু যা আমাদের আছে, তা হল যৌবনের তারণ্য এবং প্রবল তেজ। আজ পশ্চিমবঙ্গ সরকার এক কাটমানি সিন্ডিকেটের যে জাল বিস্তার করে রেখেছিল তাকে মাথা নত করতে হল।

    রাজ্য সরকারের নতুন ষড়যন্ত্র?

    ডিএ নিয়ে সরকারের সিদ্ধান্তের পেছনে গভীর ষড়যন্ত্র দেখছেন ভাস্কর ঘোষ। তিনি জানান, ‘আমরা যেন এই আনন্দের মুহূর্তে ভেসে না যাই। এর ষড়যন্ত্রটা বুঝুন। তিনি যদি স্বদিচ্ছায় সব মেনে নিতেন তাহলে আর মডিফিকেশন অ্যাপ্লিকেশন বা M.A. দায়ের করতে যেতেন না। তিনি বলেছিল এটি সাব-জুডিসের বিষয়। আজ চাপ পড়েছে বলে সাব-জুডিস উঠে গিয়েছে। তিনি কী বলেছিলেন? তিনি বলেছিলেন সুপ্রিম কোর্টে M.A. দায়ের করে যে শুধুমাত্র সরকারি কর্মকর্তাদেরই এটা ডিএ দেওয়া হবে। কিন্তু এখন তিনি বলছেন এটা সবাই পাবে। আজ, সবাই এটি পাবে। সুপ্রিম কোর্ট কী বলেছি? পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের কর্মচারীরা সবাই এটি পাবে। তিনি কী বললেন? পশ্চিমবঙ্গ সরকারের কর্মচারীরা ডিএ পাবেন। তাঁকে খারিজ করতে হল। নিজে যে থুতু ফেলেছিলেন সেটা চাটতে হল তাঁকে।’

    আরও পড়ুনঃ ১০ বছরের লড়াইয়ের পর জয়, ২৫% DA নিয়ে কী বলছেন সরকারি কর্মীরা?

    ভাস্কর ঘোষ জানান, ‘আমরা বলেছিলাম মুখ্যমন্ত্রীকে আমরা আন্দোলন শেখাবো। আজকের সময়ে দাঁড়িয়ে সেই মুখ্যমন্ত্রীকে কিন্তু আন্দোলন শেখানোই শুধু নয়, আন্দোলনের কাছে কীভাবে মাথানত করতে হয় সেটাও শেখালাম। কিন্তু এরই মাঝে অর্থ দফতর থেকে একটি খবর এসেছে। সরকার একটি ষড়যন্ত্র করছে। তাঁরা জিওটাকে এখন বের করবেন না। তাঁরা বলবেন যেহেতু ভোট ঘোষণা হয়ে গিয়েছে তাই জিও দেওয়া যাবে না।’

  • ১০ বছরের লড়াইয়ের পর জয়, ২৫% DA নিয়ে কী বলছেন সরকারি কর্মীরা?

    ১০ বছরের লড়াইয়ের পর জয়, ২৫% DA নিয়ে কী বলছেন সরকারি কর্মীরা?

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ অবশেষে দীর্ঘ লড়াইয়ের অবসান। লক্ষ লক্ষ রাজ্য সরকারি কর্মচারীর জন্য অবশেষে এল বড় সুখবর। দীর্ঘদিন ধরে বকেয়া থাকা বকেয়া ডিএ (Dearness allowance) নিয়ে রাজ্য সরকার বড় ঘোষণা করেছে। মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, সরকার তাদের প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী রোপা ২০০৯ অনুযায়ী বকেয়া DA পরিশোধের প্রক্রিয়া (Bengal DA) শুরু করছে। চলতি মার্চ ২০২৬ থেকেই শুরু হবে ডিএ এরিয়ার প্রদান। এদিকে সরকারের এহেন ঘোষণায় বেজায় খুশি সরকারি কর্মীরাও। সরকারের এহেন পদক্ষেপে এবার বড় মন্তব্য করলেন ডিএ মামলাকারী মলয় মুখোপাধ্যায় (Malay Mukherjee)।

    আমাদের আনন্দ ধরে রাখতে পারছি নাঃ মলয় মুখোপাধ্যায়

    মলয় মুখোপাধ্যায় এক ভিডিও বার্তায় জানান। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মেনে যেভাবে ডিএ-টা দিতে বলেছিল সেটা সরকার মেনে নিয়েছে এবঙ্গা মরা সেভাবেই ডিএটা পেতে চলেছি। কনফেডারেশন অফ স্টেট গভর্নমেন্ট এমপ্লয়িজ ২০১৬ সালে ডিএ মামলা দায়ের করেছিল। ২০১৬ থেকে ২০২৬ সাল দীর্ঘ ১০ বছর ধরে নির্দিষ্ট লক্ষ্য রেখে লড়াই করে গিয়েছি। আগেই বলেছিলাম রোপা মেনে যারাই ডিএ পান তাঁরা সকলেই পাবেন। শিক্ষক, অশিক্ষক, ভোট, পুরসভা সকলেই পাবেন। আমরা সকলের জন্যি লড়াই করেছি। মাঝখানে একটা বিভ্রান্ত তৈরি হওয়াতে আমরা খুব দুর্বল হয়ে পড়েছিলাম। ভেবেছিলাম শুধু আমরাই টাকা পাবো। এই লড়াই কি তাহলে অসম্পূর্ণ রয়ে গেল? কিন্তু সরকার যখন ঘোষণা করল সকলেই ডিএ পাবেন তখন আমরা আমাদের আনন্দ ধরে রাখতে পারছি না।’

    তিনি আরও জানিয়েছেন, আমাদের লড়াই কিছুটা পূর্ণতা পেল। নোটিফিকেশন যখন সামনে আসবে তখন আমরা সম্পূর্ণটা বলব। এটা মনে রাখতে হবে ২০১৯ সালে রাজ্য ট্রাইব্যুনাল যে রায়টা দিয়েছিল সেটাই কিন্তু সুপ্রিম কোর্টে যায় এবং সেটা এখন মান্যতা পেয়েছে।’ শেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী, অর্থ দফতরের সর্বশেষ নোটিফিকেশন অনুযায়ী ধাপে ধাপে এই বকেয়া টাকা কর্মীদের দেওয়া হবে। বহু বছর ধরে জমে থাকা এই বকেয়া অর্থ অবশেষে কর্মীদের হাতে পৌঁছাতে চলেছে, যা রাজ্যের বিপুল সংখ্যক কর্মচারী ও তাদের পরিবারের জন্য যা নিঃসন্দেহে বড় স্বস্তির খবর।

    বড় ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

    রবিবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে জানান যে তাঁর “মা-মাটি-মানুষ” সরকার কর্মচারী এবং পেনশনভোগীদের প্রতি তাদের প্রতিশ্রুতি পূরণ করেছে। তিনি বলেন যে লক্ষ লক্ষ শিক্ষক, অ-শিক্ষক কর্মী এবং পঞ্চায়েত, পৌরসভা এবং অন্যান্য স্থানীয় সংস্থার মতো অনুদান-সহায়তা প্রতিষ্ঠানের কর্মচারী এবং পেনশনভোগীরাও উপকৃত হবেন। মুখ্যমন্ত্রী বলেন যে , রোপা ২০০৯ আইনের অধীনে কর্মচারীদের বকেয়া মহার্ঘ্য ভাতা ও মহার্ঘ্য ত্রাণ প্রদান ২০২৬ সালের মার্চ মাসে শুরু হবে। তিনি আরও বলেন যে, রাজ্যের অর্থ বিভাগ কর্তৃক জারি করা বিজ্ঞপ্তিতে একটি বিস্তারিত পদ্ধতি নির্ধারণ করা হয়েছে।

     

  • ২৫% বকেয়া DA মেলার পর গ্রুপ এ থেকে গ্রুপ ডি কর্মীরা কত টাকা পাবেন? রইল হিসেব

    ২৫% বকেয়া DA মেলার পর গ্রুপ এ থেকে গ্রুপ ডি কর্মীরা কত টাকা পাবেন? রইল হিসেব

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ ২৬-এর বিধানসভা ভোটের মুখে বিরাট মাস্টারস্ট্রোক দিয়েছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার। অবশেষে পঞ্চম বেতন পে কমিশনের আওতায় সরকারি কর্মীদের ২০০৯ রোপা অনুযায়ী বকেয়া ডিএ (Dearness allowance) টাকা মেটানোর ঘোষণা করেছে। চলতি মার্চ মাস থেকেই এই টাকা রিলিজ করা হবে বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। স্বাভাবিকভাবেই সরকারের এহেন ঘোষণায় খুশি কর্মীরা। তবে এখন প্রশ্ন উঠছে, কে কত টাকা পাবেন? চলুন সে বিষয়ে বিশদে জেনে নেওয়া যাক।

    ২৫% বকেয়া ডিএ দেওয়ার ঘোষণা

    গতকাল রবিবার বিধানসভা ভোটের নির্ঘন্ট প্রকাশ পাওয়ার কয়েক ঘণ্টা আগেই ২৫% বকেয়া ডিএ মেটানোর ঘোষণা করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সুপ্রিম কোর্টের তরফে এই বকেয়া মেটানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল সরকারকে। অবশ্য দীর্ঘ টানাপোড়েনের পর এই ঘোষণা সামনে এল। এখন যাইহোক, আজ আলোচনা হবে গ্রুপ এ থেকে শুরু করে গ্রুপ ডি কর্মীরা হাতে কত টাকা পাবেন সে বিষয়ে। রাজ্য় সরকারি কর্মী ও পেনশনভোগীদের রোপা 2009 অনুযায়ী মহার্ঘ ভাতা ও মহার্ঘ ত্রাণ দেওয়া হবে।

    কে কত টাকা পাবেন?

    এক হিসেব অনুযায়ী, ২৫ শতাংশ মহার্ঘ ভাতার (DA) হিসেবে অনুযায়ী, রাজ্য সরকারের একজন গ্রুপ-ডি কর্মী হাতে পাবেন ১ থেকে দেড় লক্ষ টাকা পাবেন। অপরদিকে রাজ্য সরকারের একজন গ্রুপ-সি কর্মী হাতে পাবেন ২ লক্ষ টাকা। রাজ্য সরকারের একজন গ্রুপ-এ কর্মী হাতে পাবেন ৩ থেকে সাড়ে ৩ লক্ষ টাকা। একজন সর্বনিম্ন বেতনভুগ গ্রুপ-ডি কর্মী পাবেন প্রায় ৪ লক্ষ টাকার বেশি। এছাড়া একজন গ্রুপ-সি কর্মী পাবেন প্রায় ৬ লক্ষ টাকার বেশি। এই বকেয়া ডিএর আওতায় মাসে ৭ থেকে ৮ হাজার টাকা পেনশন প্রাপক গ্রুপ-ডি কর্মী পাবেন প্রায় ১ লক্ষ টাকা। সেইসঙ্গে ১০,০০০ টাকা পেনশন পাওয়া অবসরপাওয়া গ্রুপ-সি কর্মী পাবেন প্রায় ২ লক্ষ টাকা।

    আরও পড়ুনঃ ৭০ কিমি বেগে কালবৈশাখী, দক্ষিণবঙ্গের ৪ জেলায় ভারী বৃষ্টি, আজকের আবহাওয়া

    বিশেষ পোস্ট মুখ্যমন্ত্রীর

    মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে জানান যে তাঁর “মা-মাটি-মানুষ” সরকার কর্মচারী এবং পেনশনভোগীদের প্রতি তাদের প্রতিশ্রুতি পূরণ করেছে। তিনি বলেন যে লক্ষ লক্ষ শিক্ষক, অ-শিক্ষক কর্মী এবং পঞ্চায়েত, পৌরসভা এবং অন্যান্য স্থানীয় সংস্থার মতো অনুদান-সহায়তা প্রতিষ্ঠানের কর্মচারী এবং পেনশনভোগীরাও উপকৃত হবেন। মুখ্যমন্ত্রী বলেন যে , রোপা ২০০৯ আইনের অধীনে কর্মচারীদের বকেয়া মহার্ঘ্য ভাতা ও মহার্ঘ্য ত্রাণ প্রদান ২০২৬ সালের মার্চ মাসে শুরু হবে। তিনি আরও বলেন যে, রাজ্যের অর্থ বিভাগ কর্তৃক জারি করা বিজ্ঞপ্তিতে একটি বিস্তারিত পদ্ধতি নির্ধারণ করা হয়েছে।

  • মার্চে বকেয়া DA-র কত শতাংশ পাবেন সরকারি কর্মীরা? জানুন

    মার্চে বকেয়া DA-র কত শতাংশ পাবেন সরকারি কর্মীরা? জানুন

    বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: অবশেষে মিটল অপেক্ষা (WB DA Latest Update)। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মেনে নিয়েই রাজ্যের সরকারি কর্মীদের বকেয়া DA দিতে চলেছে রাজ্য সরকার। রবিবার দুপুরেই নিজের X হ্যান্ডেলে সে কথা ঘোষণা করেছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষনার পরই একদিকে বকেয়া DA বা মহার্ঘ ভাতা পাবেন জেনে উচ্ছ্বসিত সরকারি কর্মী এবং অবসরপ্রাপ্তরা। অন্যদিকে, বকেয়া মহার্ঘ ভাতার ঠিক কত শতাংশ মার্চ মাসে দেওয়া হবে তা নিয়ে চিন্তিত অনেকেই। এবার সে বিষয়েই মুখ খুললেন রাজ্যের DA মামলাকারি মলয় মুখোপাধ্যায়।

    মার্চ মাসেই দেওয়া হবে বকেয়া DA

    আজ দুপুরে নিজের X হ্যান্ডেল থেকে একটি পোস্ট করে মুখ্যমন্ত্রী জানান, “আমি আনন্দের সাথে ঘোষনা করছি যে, আমাদের মা মাটি মানুষের সরকার সমস্ত সরকারি কর্মচারী ও পেনশনভোগীদের দেওয়া প্রতিশ্রুতি রাখলো। আমাদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের লক্ষ লক্ষ শিক্ষক, অশিক্ষক কর্মী, সেই সাথে পঞ্চায়েত এবং পৌর সংস্থা ও অন্যান্য সংস্থার কর্মীদেরও কথা রেখেছে আমাদের সরকার। রাজ্য সরকারের অর্থ দপ্তরের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ROPA 2009 হিসেবে বকেয়া মহার্ঘ ভাতা পাবেন তাঁরা। এই অর্থ মার্চ মাস থেকে অ্যাকাউন্টে ঢুকতে শুরু করবে।”

    মুখ্যমন্ত্রীর এমন ঘোষণার পরই এক ভিডিও বার্তায় ব্যাপক উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন রাজ্যের DA মামলাকারী মলয় মুখোপাধ্যায়। সেই সাথে রাজ্য সরকারের তরফে বকেয়া মহার্ঘ ভাতার ঘোষণার নেপথ্যে কনফেডারেশন অফ স্টেট গভারমেন্ট এমপ্লয়িজের দীর্ঘ আন্দোলন এবং লড়াইকে স্মরণ করিয়েছেন তিনি। পাশাপাশি রাজ্যের বকেয়া মহার্ঘ ভাতা প্রাপকদের অভিনন্দনও জানিয়েছেন মলয় বাবু। সেই সাথে প্রথম মাস অর্থাৎ মার্চ মাসে বকেয়া মহার্ঘ ভাতার কত শতাংশ দেওয়া হবে তা নিয়েও কথা বলেন তিনি।

    মার্চ মাসে বকেয়া DA র কত শতাংশ দেবে রাজ্য সরকার?

    মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষনার পরই বকেয়া DA নিয়ে কথা বলতে গিয়ে রাজ্যের DA মামলাকারি মলয় বাবু জানান, “সুপ্রিম কোর্টের তরফে আগেই জানিয়ে দেওয়া হয়েছে রাজ্য সরকারি কর্মীদের বকেয়া DA র অন্তত 25 শতাংশ এখনই মিটিয়ে দিতে হবে। বাকি বকেয়ার প্রথম কিস্তি কতটা দিতে পারবে 6 মার্চের মধ্যে কমিটির কাছে সেই পরিমাণ জানাতে হবে রাজ্য সরকারকে। এখন রাজ্য সরকার ঠিক কতটা বলেছে সেটা আমরা জানি না। অর্থাৎ 25 শতাংশের সাথে প্রথম কিস্তি যেটাই হোক সেটা যদি 10 শতাংশ হয় তবে 35 শতাংশ যদি 25 শতাংশ হয় তবে 50 শতাংশ বকেয়া ভাতা দেওয়া হবে মার্চ মাসের 31 তারিখের মধ্যে। এক কথায় বলা যেতে পারে, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মতো প্রথম 25 শতাংশ বকেয়া মহার্ঘ ভাতার সাথে সরকার প্রদত্ত প্রথম কিস্তির DA যুক্ত হয়ে মোট রাশি চলতি মাস শেষ হওয়ার আগেই হাতে পাবেন সরকারি কর্মী ও অবসরপ্রাপ্তরা।

    অবশ্যই পড়ুন: মিনিটে কাটা যাবে ১ লাখ ২৫ হাজার টিকিট, তৎকাল বুকিং নিয়েও ভোগান্তি দূর করছে রেল

    উল্লেখ্য, সুপ্রিম কোর্টের তরফে নির্দেশ সত্ত্বেও এতদিন রাজ্য সরকারি কর্মীদের বকেয়া মহার্ঘ ভাতা নিয়ে কোনও ঘোষণা আসছিল না রাজ্য সরকারের তরফে। যার কারণে ক্রমশ ক্ষোভ বাড়ছিল রাজ্যের কর্মীদের। এ নিয়ে গত শুক্রবার ধর্মঘটের ডাক দেয় সংগ্রামী যৌথ মঞ্চ। যদিও সেই ধর্মঘট সফল হয়নি। আর তার একদিন পর অর্থাৎ রবিবার দুপুরেই বকেয়া ভাতা দেওয়ার কথা ঘোষণা করে সরকারি কর্মীদের মুখে হাসি ফোটালেন মুখ্যমন্ত্রী।

  • ভোটের আগেই কল্পতরু মমতা, কর্মীদের বকেয়া DA দেওয়ার ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

    ভোটের আগেই কল্পতরু মমতা, কর্মীদের বকেয়া DA দেওয়ার ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

    সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: ভোট ঘোষণার আগেই একেবারে কল্পতরু হয়ে গেল পশ্চিমবঙ্গ সরকার। হ্যাঁ, এবার সরকারি কর্মচারীদের মুখে হাসি ফোটালো মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী ভোটের আগেই বকেয়া ডিএ (Dearness Allowance) দেবে রাজ্য সরকার। নিজেই এ কথা জানালেন মমতা। সেই অনুযায়ী, চলতি মার্চ মাসেই কর্মীদের অ্যাকাউন্টে এই বকেয়া ডিএ দেওয়া শুরু হবে। ভোট ঘোষণার কয়েক ঘণ্টা আগেই এ কথা জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।

    ভোটের আগে ডিএ দেবে রাজ্য

    বলে দিই, রাজ্যের সরকারি কর্মচারীদের বকেয়া ডিএ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই চলে আসছে আইনি জটিলতা। প্রথমে কলকাতা হাইকোর্ট রাজ্যকে সরকারি কর্মীদের ডিএ মেটানোর নির্দেশ দিয়েছিল। তবে সেই রায়কেই চ্যালেঞ্জ করে রাজ্য সরকার সুপ্রিম কোর্টে যায়। আর সেখানে অবিলম্বে ২৫ শতাংশ ডিএ মেটানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। এমনকি তার জন্য ছয় সপ্তাহ সময় বেঁধে দিয়েছিল দেশের সর্বোচ্চ আদালত। কিন্তু সেই সময়সীমার মধ্যে কোনও রকম ডিএ মেটাতে পারেনি রাজ্য। সেই কারণে সুপ্রিম কোর্টের কাছে আরও অতিরিক্ত ৬ মাস সময় চেয়েছিল নবান্ন। এই সময়সীমা শেষ হয়েছিল ২০২৫ এর সেপ্টেম্বর মাসে। এমনকি তখনো ডিএ মেটাতে ব্যর্থ হয় বাংলা।

    এদিকে গত ৫ ফেব্রুয়ারি বিচারপতি সঞ্জয় করোল এবং বিচারপতি মনোজ মিশ্রের বেঞ্চ স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছিল যে, যে করে হোক রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের বকেয়া ডিএ মেটাতেই হবে। আর আদালত ২৫ শতাংশ ডিএ মেটানোর জন্য মে মাস পর্যন্ত সময় বেঁধে দেয় এবং বলা হয় যে, দুই দফায় এই ২৫ শতাংশ ডিএ মেটাতে হবে। কিন্তু প্রথম কিস্তি অবশ্যই ৩১ মার্চের মধ্যে প্রদান করতে হবে। আর এবার ভোটের আগে সেই কথাই রাখল রাজ্য সরকার।

    আরও পড়ুন: লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের পর ভাতা বাড়ল পুরোহিত ও ইমামদের! এবার কত?

    এদিকে বকেয়া ডিএ দেওয়ার জন্য ৩ লক্ষ ১৭ হাজারের বেশি কর্মচারীর নথি খতিয়ে দেখতে হবে রাজ্যের অর্থ দফতরকে এমনটাই খবর। আর ২০১৬ সালের আগে পর্যন্ত যাদের তথ্য ডিজিটাল নেই তাদেরকে আবার নতুন করে সেই তালিকায় নথিভুক্ত করতে হবে। আর সেগুলো ডিজিটাইজ করতে সময় লাগছে বলেই জানিয়েছে রাজ্য। তবে তার আগেই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে বকেয়া ডিএ দেওয়ার ঘোষণা করলেন। তিনি এক্স হ্যান্ডেলে লিখেছেন, “আমি অত্যন্ত আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি, আমাদের মা মাটি মানুষ সরকার তাঁদের সকল কর্মচারী আর পেনশনভোগীদের বকেয়া ডিএ দেবে। যার মধ্যে শিক্ষক, অশিক্ষক কর্মী, পঞ্চায়েত, পৌরসভা এবং অন্যান্য স্থানীয় সংস্থার মতো প্রতিষ্ঠানের কর্মচারী রয়েছে। ২০১৬ সালের মার্চ মাস থেকে তাদের রোপা ২০০৯-এর বকেয়া মহার্ঘ ভাতা এই মাসেই ঢোকা শুরু হবে।

  • লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের পর ভাতা বাড়ল পুরোহিত ও ইমামদের! এবার কত?

    লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের পর ভাতা বাড়ল পুরোহিত ও ইমামদের! এবার কত?

    সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: আজই বাংলায় ভোট ঘোষণা। আগামী মাসেই হতে পারে বিধানসভা নির্বাচন। তবে ভোটের আগেই কল্পতরু হল পশ্চিমবঙ্গ সরকার। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) বিরাট ঘোষণা করলেন। অন্তর্বর্তী বাজেটে রাজ্যের মহিলাদের লক্ষীর ভাণ্ডারের ভাতা এমনিতেই ৫০০ টাকা করে বাড়ানো হয়েছে। এবার আরও এক ভাতা বাড়াল শাসকদল। হ্যাঁ, পুরোহিত এবং ইমাম মোয়াজ্জেমদের আর্থিক সহায়তা বাড়িয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। মমতা নিজেই এ কথা জানিয়েছেন সোশ্যাল মিডিয়ায়।

    বাড়ল পুরোহিত এবং ইমামদের ভাতা

    এক্স হ্যান্ডেকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় লিখেছেন, “আমি অত্যন্ত আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি যে আমাদের পুরোহিত এবং মোয়াজ্জেমদের মাসিক ভাতা ৫০০ টাকা করে বৃদ্ধি করা হচ্ছে। আজ যাদের সেবায় আমাদের সম্প্রদায়ের আধ্যাত্মিক ও সামাজিক জীবন সমৃদ্ধ থাকে, তাঁদের জন্য এই ঘোষণা। তাঁরা এখন থেকে প্রতিমাসে ১৫০০ টাকার বদলে ২০০০ টাকা করে ভাতা পাবেন।” এমনকি একই সঙ্গে পুরোহিত আর ইমাম মোয়াজ্জেমদের পক্ষ থেকে যথাযথভাবে দাখিলকৃত সমস্ত নতুন আবেদন রাজ্য সরকারের দ্বারা অনুমোদিত হয়েছে বলেও জানান মুখ্যমন্ত্রী।

    আরও পড়ুন: রাজ্যে শীঘ্রই আরও ১৫ হাজার শিক্ষক নিয়োগ, জানালেন শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু

    শুধু এখানেই থেমে থাকেননি তিনি। মমতা জানান, “এমন একটি পরিবেশ গড়ে তুলতে পারে আমরা গর্বিত যেখানে প্রতিটি সম্প্রদায় আর প্রতিটি ঐতিহ্য সমানভাবে মর্যাদা ও শক্তি লাভ করে। আমাদের সমৃদ্ধি, আধ্যাত্মিক ঐতিহ্যের ধারক আর বাহকরা যাতে তাদের প্রাপ্য সম্মান আর স্বীকৃতিটুকু পায়, সেই সেই দিকেই আমরা এগোতে চাইছি। আমরা চাই, প্রতিটি সম্প্রদায় সমানভাবে এগিয়ে যাক। আধ্যাত্মিক ঐতিহ্যের ধারকদের প্রাপক স্বীকৃতি দেওয়াই আমাদের মূল লক্ষ্য।”

  • রাজ্যে শীঘ্রই আরও ১৫ হাজার শিক্ষক নিয়োগ, জানালেন শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু

    রাজ্যে শীঘ্রই আরও ১৫ হাজার শিক্ষক নিয়োগ, জানালেন শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু

    সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: সামনেই বিধানসভা নির্বাচন। তবে তার আগে রাজ্যের শিক্ষাক্ষেত্রে বিরাট নিয়োগের ইঙ্গিত দিলেন শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু (Bratya Basu)। তিনি জানালেন, খুব শীঘ্রই রাজ্যে আরও ১৫ হাজার শিক্ষক নিয়োগ করা হবে (West Bengal Teacher Recruitment)। শনিবার উত্তর ২৪ পরগনার তেঘরিয়ায় এক সরকারি অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে তিনি নিজেই এ কথা জানিয়েছেন। সূত্রের খবর, এদিন তেঘরিয়া শিক্ষানিকেতন নিকেতন হাইস্কুলে একটি গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু। আর ওই স্কুলটিকে বাংলা মাধ্যম থেকে উন্নীত করে সরকারি কো-এড ইংরেজি এবং বাংলা মাধ্যম বিদ্যালয় হিসেবে চালু করার সূচনা হয়েছিল ওই অনুষ্ঠানে। সেখানেই বড়সড় ঘোষণা করেন তিনি।

    রাজ্যে অতিরিক্ত ১৫ হাজার শিক্ষক নিয়োগের ঘোষণা

    এদিন অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, রাজ্যে শিক্ষক নিয়োগে নিয়ে যে জটিলতা তৈরি হয়েছিল তা কাটিয়ে ওঠার জন্য দ্রুত ২৬ হাজার অনিশ্চয়তার মুখে থাজা প্রার্থীর চাকরি ফিরিয়ে দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তিনি বলেছেন, শুধুমাত্র ২৬ হাজার প্রার্থীর সমস্যা সমাধানে আমরা থেমে থাকব না, বরং এর পাশাপাশি আরও দ্রুত ১৫ হাজার শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু করা হবে। শিক্ষাক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় সরকারের ভূমিকা নিয়েও এদিন কথা বলেন শিক্ষামন্ত্রী। তাঁর অভিযোগ, স্কুলের মিড ডে মিল প্রকল্প আর উন্নয়নমূলক বিভিন্ন খাতে কেন্দ্র সরকার রাজ্যকে দিনের পর দিন বঞ্চিত করে আসছে। সেই সঙ্গে তিনি বিজেপিকেও নিশানা করেন।

    শিক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, আমাদের মাতৃভাষা বাংলা। আর এটি আমাদের শিকড়ের ভাষা। তাই বাংলাকে ভালোভাবে শেখার উপরেই জোর দিতে হবে। পাশাপাশি ইংরেজি আর হিন্দি ভাষাকেও সমান ভাবে গুরুত্ব দিয়ে শেখা দরকার। কারণ, বাইরের রাজ্যে গেলে হিন্দি তো দরকারই। আর দেশের বাইরে গেলে ইংরেজি ছাড়া চলাই যাবে না। এদিকে রাজ্যে ক্ষমতায় আসার পর মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকারি স্কুলগুলিতে ইংরেজি শিক্ষার প্রসার বাড়ানোর উপর জোর দিয়েছিলেন বলে জানান শিক্ষামন্ত্রী।

    আরও পড়ুন: ট্রেনের টিকিট থেকে শুরু করে খাওয়ার, সবই পাবেন বিনামূল্যে! বড় উদ্যোগ রেলের

    প্রসঙ্গত, উত্তর ২৪ পরগনার বাগুইআটি অঞ্চলে অবস্থিত তেঘরিয়া শিক্ষানিকেতন স্কুলটি ১৯৪৮ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। আর দীর্ঘদিনের পুরনো এই বিদ্যালয় থেকে এবার সরকারি উদ্যোগে ইংরেজি আর বাংলা দুই মাধ্যমে পড়াশোনার সুযোগ দেওয়া হচ্ছে। স্থানীয় বাসিন্দা, শিক্ষক আর পরিচালন কমিটির আবেদনের ভিত্তিতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এমনকি উক্ত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন দমদমের সাংসদ সৌগত রায়, অদিতি মুন্সি, বিধানসভা ও পৌরসভার প্রতিনিধিরা এবং স্কুলের প্রধান শিক্ষক ও পরিচালন কমিটির সদস্যরা। এখন দেখার, এই শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া ঠিক কবে সম্পন্ন হয়।

  • আলুর দাম নিয়ে বড় ঘোষণা নবান্নের, চিন্তা দূর হবে চাষিদের?

    আলুর দাম নিয়ে বড় ঘোষণা নবান্নের, চিন্তা দূর হবে চাষিদের?

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ বিধানসভা ভোটের মুখে আলু নিয়ে বিপাকে বাংলার চাষিরা (Farmer)। এবারে ফলন হলেও বাজারে আলুর সঠিক দাম (Potato Price) মিলছে না, যা স্বাভাবিকভাবেই মাথা ব্যাথার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে চাষিদের। আলু আতঙ্কে বর্ধমানের এক চাষি আত্মহত্যা অবধি করেছে। এহেন পরিস্থিতিতে বড় পদক্ষেপ নিল পশ্চিমবঙ্গ সরকার।

    আলু চাষিদের জন্য বিরাট ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

    কুইন্টাল পিছু ৯৫০ টাকা দরে আলু কেনার কথা ঘোষণা করেছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার। শনিবার চাষিদের স্বার্থে বড় ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি জানিয়েছেন, ‘আলুর অভাবী বিক্রি রোধ করতে এবং আলু চাষিদের জন্য লাভজনক দাম নিশ্চিত করতে আমরা রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে অন্যান্য বারের মতো এবারেও আলু সংগ্রহ প্রকল্প চালু রেখেছে। আলুর ন্যূনতম সহায়ক মূল্য বাড়িয়ে কুইন্টাল পিছু ৯৫০ টাকা করা হয়েছে।’

    তিনি টুইটারে লেখেন, ‘আমাদের সমবায় দফতরের হিমঘর সহ রাজ্যের প্রায় সমস্ত হিমঘর এই প্রকল্পে অংশ নিচ্ছে। রাজ্যের হিমঘরে ছোট আলু চাষিদের জন্য ৩০ শতাংশ জায়গা সংরক্ষিত আছে। আন্তঃরাজ্যে বাণিজ্যে কোনও নিষেধাজ্ঞা নেই। রাজ্যের মানুষকে বঞ্চিত না করে অন্য রাজ্যে আলু রপ্তানি করতে চাইলে রাজ্য সরকার কৃষকদের স্বার্থে তাতে কোনও বাধা দেবে না। বরং আলুর ক্ষেত্রে আন্তঃরাজ্য বাণিজ্যে রাজ্যের উৎসাহই আছে।’

    কী অবস্থা রাজ্যের আলু চাষিদের ?

    সূত্রের খবর, ‘গত বছর, রাজ্যে ১১০ লক্ষ টন আলু উৎপাদন হয়েছিল। ফসল তোলার সময় কৃষকরা পর্যাপ্ত দাম পাননি, এবং ব্যবসায়ীরা, যারা হিমাগারে আলু সংরক্ষণ করেছিলেন, তারা মরসুমের শেষে তাদের উৎপাদিত পণ্য অনেক কম দামে বিক্রি করতে বাধ্য হন – প্রায় ₹ ২ কেজি। এই বছর, উৎপাদন অনেক বেশি, এবং ফলস্বরূপ, সমস্যাটি আরও বড়।’

    আরও পড়ুনঃ ট্রেনের টিকিট থেকে শুরু করে খাওয়ার, সবই পাবেন বিনামূল্যে! বড় উদ্যোগ রেলের

    এক সরকারি কর্মকর্তা জানান, “রাজ্যের চাহিদা প্রায় ৬০ লক্ষ টন। বাকিটা আগে বিহার, ওড়িশা, ঝাড়খণ্ড এবং আসামের মতো রাজ্যে পাঠানো হত। কিন্তু ২০১৯ থেকে ২০১৪ সালের মধ্যে বাংলা সরকার অন্যান্য রাজ্যে আলু বিক্রির উপর বারবার নিষেধাজ্ঞা আরোপ করায়, প্রতিবেশী রাজ্যগুলি আর বাংলার আলুর উপর নির্ভরশীল নয়, যার ফলে ব্যবসায়ীরা বিনিয়োগ নিয়ে শঙ্কিত।” হুগলি, পূর্ব বর্ধমান, বীরভূম এবং পশ্চিম মেদিনীপুর জেলায় প্রায় ১৫ লক্ষ আলু চাষী রয়েছে। তাঁদের সমস্যা শীঘ্রই দূর করতে বদ্ধপরিকর সরকার বলে খবর।

  • সিভিক, হোমগার্ডদের ইউনিফর্ম স্টিচিং ভাতা দেবে নবান্ন

    সিভিক, হোমগার্ডদের ইউনিফর্ম স্টিচিং ভাতা দেবে নবান্ন

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ যে কোনও মুহূর্তে বাংলায় বিধানসভা ভোটের দিনক্ষণ ঘোষণা হতে পারে। এরই মাঝে বাংলায় কর্মরত সিভিক ভলান্টিয়ার ও হোমগার্ডদের জন্য রইল সুখবর। পশ্চিমবঙ্গ সরকারের (Government of West Bengal) তরফে সকলের জন্য বিশেষ তোড়জোড় শুরু করা হয়েছে। মিলবে টাকা। আপনিও যদি সিভিক ভলান্টিয়ার ও হোমগার্ড হয়ে থাকেন তাহলে বিশদে জেনে নেবেন।

    সিভিক ভলান্টিয়ার ও হোমগার্ডদের জন্য বিরাট সুখবর

    আসলে এবার পশ্চিমবঙ্গ সরকার সিভিক ভলান্টিয়ার ও হোমগার্ডদের ‘ইউনিফর্ম স্টিচিং অ্যালাওয়েন্স’ দিতে উদ্যত হয়েছে। ভোটের মুখে ইউনিফর্ম সেলাইয়ের টাকা পাবেন ১ লক্ষ ৪০ হাজার সিভিক ভলান্টিয়ার এবং হোমগার্ড। মূলত পশ্চিমবঙ্গ এবং কলকাতা পুলিশের সিভিক ভলান্টিয়ার এবং হোমগার্ডরা এই সুবিধা পাবেন বলে সূত্রের খবর। এই নিয়ে ইতিমধ্যে বেশ কিছু তথ্য চেয়ে পাঠানো হয়েছে। সেইসঙ্গে হিসেব নিয়েও কাজ শুরু করে দিয়েছে সরকার বলে কানাঘুষো শোনা যাচ্ছে।

    এমনিতে বছরে দুটি ইউনিফর্ম তৈরির বর্তমানে বছরে দু’টি ইউনিফর্ম তৈরির জন্য নির্দিষ্ট রঙের কাপড় দিয়ে দেওয়া হয় সিভিক ভলান্টিয়ার ও হোমগার্ডদের। কিন্তু সরকারের তরফে পাঠানো সেই কাপড় সেলাইয়ের টাকা দেওয়া হত না। টাকা বরাদ্দ করত না সরকার। তবে এবার ছবি বদলে গিয়েছে।

    আর্জি অর্থ দফতরে

    শোনা যাচ্ছে, এবার থেকে অর্থ দফতরকে এর জন্য অর্থ বরাদ্দের আর্জি জানানো হচ্ছে। পশ্চিমবঙ্গ এবং কলকাতা পুলিশের প্রস্তাবের উপর ভিত্তি করেই অর্থ দফতরের কাছে ছাড়পত্র চেয়েছে রাজ্য স্বরাষ্ট্র দফতর। এখন প্রশ্ন উঠছে, কে কত টাকা পাবেন এবং কতজনই বা টাকা পাবেন? সরকারি সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রতি ইউনিফর্ম সেলাই বাবদ ৫০০ টাকা করে দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ। আর কলকাতা পুলিশ প্রস্তাব দিয়েছে ৩০০ টাকার। এদিকে সমস্ত দিক খতিয়ে দেখে জিএসটি সহ ৫২০ টাকা করে দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছে স্বরাষ্ট্র দফতর। এখন রাজ্যের অর্থ দফতর সবুজ পতাকা দেখালেই কাজ শুরু হয়ে যাবে। মিলবে টাকা।

    আরও পড়ুনঃ এদের জন্য হরমুজ প্রণালীর দরজা খুলে দিল ইরান, তালিকায় ভারতও? 

    নবান্ন সূত্রে খবর, পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ এলাকায় রয়েছেন ১ লক্ষ ২৪ হাজার ৭১৪ জন সিভিক ভলান্টিয়ার। অন্যদিকে কলকাতা পুলিশ এলাকায় প্রায় ৭৫০০ জন। পশ্চিমবঙ্গ ও কলকাতা পুলিশ মিলিয়ে হোমগার্ডের সংখ্যা ১০,৫০০। এছাড়াও মহিলা হোমগার্ডের সংখ্যা ১৫৩৭। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে এই সংখ্যক মানুষ টাকা পাবেন।

     

  • মেসেজ পেলেও ঢোকেনি যুবসাথীর টাকা? জানুন কী হবে এবার

    মেসেজ পেলেও ঢোকেনি যুবসাথীর টাকা? জানুন কী হবে এবার

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ বর্তমান সময়ে বাংলায় সবথেকে আলোচ্য বিষয় হল যুবসাথী স্কিম (Banglar Yuva Sathi)। এই স্কিমের আওতায় বহু যুবক যুবতী ইতিমধ্যে ১৫০০ টাকা করে পেয়ে গিয়েছেন। আর কিছু মানুষ অপেক্ষা করছেন টাকা আসার। কিছুজনের মধ্যে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের তরফে দেওয়া ১৫০০ টাকা নিয়ে ধন্ধ শুরু হয়েছে। আদৌ তাঁরা টাকা পাবেন তো? প্রশ্ন উঠছে কারণ, অনেকে নানানভাবে মেসেজ পেয়েছেন যে তাঁদের অ্যাকাউন্টে টাকা ট্রানজেকশন ফেল হয়েছে। ফলে অনেক আবেদনকারীই এখন অপেক্ষা করছেন টাকার। আপনিও কি অপেক্ষা করছেন? তাহলে বিশদে জানতে চোখ রাখুন আজকের এই প্রতিবেদনটির ওপর।

    কবে মিলবে যুবসাথীর টাকা?

    ২০২১ সালে বিধানসভা ভোটের সময়ে রাজ্য সরকার যেমন লক্ষ্মীর ভাণ্ডার স্কিম এনে সকলকে চমকে দিয়েছিল, এবারেও সেই একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি হল। কয়েকদিনের মধ্যেই বাংলায় ভোটের দামামা বেজে যাবে। কিন্তু তার আগে রাজ্য বাজেটে বাংলার যুবকদের ১৫০০ টাকা করে দেওয়ার ঘোষণা করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার। আগে ১৫ আগস্ট থেলে থেকে এই টাকা দেওয়ার কথা থাকলেও, পরে বলা হয় এপ্রিল মাস থেকে টাকা দেওয়া হবে। তারপর, নারী দিবসের প্রাক্কালে, ৭ মার্চ মমতা ঘোষণা করেন যে ডিবিটি সেই দিন থেকেই শুরু হবে। ঘোষণা অনুযায়ী, অনেকে পেয়েওছেন তো আবার অনেকে পাননি।

    রাজ্যের বহু কর্মপ্রার্থী যুবক-যুবতী সম্প্রতি ‘বাংলার যুবসাথী’ প্রকল্পের একটি মেসেজ পেয়েছেন। ইনফরমেশন এন্ড কালচারাল অ্যাফেয়ার্স ডিপার্টমেন্ট থেকে হোয়াটসঅ্যাপে এই মেসেজ আসার পর অনেকেই ভাবছেন যে তাদের অ্যাকাউন্টে খুব শীঘ্রই টাকা জমা পড়বে। কিন্তু টাকা আসছে কই? এখানে একটি বিষয় মাথায় রাখতে হবে, সে ব্যাঙ্ক হোক বা অন্য কোনও জিনিসে আবেদন, আবেদন করার পর আপনার কাছে স্বাগত বার্তা আসবেই। এর মানেই এই নয় যে আপনি তখনই টাকা পাবেন। সেটি মূলত একটি প্রাপ্তি স্বীকার বা রিসিভ কপি। সকলের কাছে যুবসাথীর যে মেসেজ গিয়েছে সেটার অর্থ হল সরকারি পোর্টালে আপনার আবেদনটি সফলভাবে জমা পড়েছে। কিন্তু এটিকে টাকা পাওয়ার চূড়ান্ত নিশ্চয়তা হিসেবে ধরে নিলে কিন্তু ভুল করবেন। আপনার ব্যাংক অ্যাকাউন্টে যেদিন টাকা ঢুকবে, সেদিন সরাসরি সংশ্লিষ্ট ব্যাংক থেকে একটি কনফার্মেশন মেসেজ আসবে আপনার কাছে।

    আরও পড়ুনঃ এরা পাবেন না গ্যাস সিলিন্ডার! নয়া বিধি নিষেধ আরোপ কেন্দ্রের

    এদিকে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যুব সাথী প্রকল্পের সুবিধাভোগীদের অভিযোগ পেয়েছেন, কনফার্মেশন মেসেজ পেয়েছেন কিন্তু এখনও তাদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে টাকা পাননি, তাদের অবিলম্বে অভিযোগের সমাধানের জন্য কর্মকর্তাদের নির্দেশ দিয়েছেন।

    যুবসাথীর যোগ্যতা কী?

    এই অর্থ সর্বোচ্চ ৫ বছর পর্যন্ত প্রদান করা হবে। ২১ থেকে ৪০ বছর বয়সী যে কেউ দশম শ্রেণী পাস হওয়া পর্যন্ত আবেদন করতে পারবেন। পুরুষ, মহিলা এবং তৃতীয় লিঙ্গ উভয়ই স্বাগত। তবে আপনি যদি ইতিমধ্যেই লক্ষ্মীর ভান্ডারের সুবিধাভোগী হন বা অন্যান্য কোনও প্রকল্পের সুবিধা গ্রহণকারী হয়ে থাকেন তাহলে আপনি এই টাকা পাবেন না। শেষ হিসাব অনুযায়ী, ১৫ ফেব্রুয়ারি থেকে ১০ মার্চের মধ্যে ৮৪ লক্ষ মানুষ যুবসাথির জন্য নাম নথিভুক্ত করেছেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেছেন যে কমপক্ষে এক কোটি ইতিমধ্যেই নাম নথিভুক্ত করেছেন।