Tag: Government Of West Bengal

  • নতুন চাপে পশ্চিমবঙ্গ সরকার, ফের সুপ্রিম কোর্টে যেতে পারে DA মামলা

    নতুন চাপে পশ্চিমবঙ্গ সরকার, ফের সুপ্রিম কোর্টে যেতে পারে DA মামলা

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ বিধানসভা ভোটের মুখে ফের চাপ বাড়তে চলেছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার (Government of West Bengal)। কীসের চাপ? ডিএ নিয়ে নতুন চাপ (Bengal DA Case) তৈরি হতে পারে সরকারের বলে খবর। একদিকে যখন বাংলায় নির্বাচনের দামামা বেজে গিয়েছে, তখন অন্যদিকে সরকারি কর্মীদের ডিএ সংক্রান্ত লড়াইও কিন্তু জারি রয়েছে। একদিকে যখন শাসক দলে ভোটের কাজে ব্যস্ত, গতখন অন্যদিকে সুদ সহ ডিএ ফেরানোর মামলা করতে চলেছেন রাজ্য সরকারি কর্মীরা। হ্যাঁ একদম ঠিক শুনেছেন। কানাঘুষো এমনটাই শোনা যাচ্ছে।

    DA মামলায় নয়া পদক্ষেপ নিতে পারে সরকারি কর্মীরা

    সরকারের অর্থ দফতরের তরফে ইতিমধ্যে বকেয়া ডিএ সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে। সেই বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ২০১৬ থেকে ২০১৯ সাল অবধি বকেয়া ডিএ দুই কিস্তিতে মেটানো হবে। একটা চলতি মার্চ মাসে অন্যটি সেপ্টেম্বর মাসে। বাকি টাকা কবে কীভাবে মেটানো হবে তা পরবর্তীকালে জানানো হবে। অর্থাৎ মাত্র ৪৮ মাসের টাকা মেটানোর ঘোষণা করেছে সরকার। তাও আবার সকলে নিজেদের ব্যাঙ্কে পাবেন না কিন্তু। সরকার জানিয়েছে, গ্রুপ ‘এ’, ‘বি’ এবং ‘সি’-এর বকেয়া তাদের জিপিএফ অ্যাকাউন্টে জমা করা হবে, আর গ্রুপ ‘ডি’-এর কর্মচারীদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে টাকা সরাসরি ট্রান্সফার করা হবে। এখন মনে হচ্ছে, এই বিষয়টিই সরকারি কর্মী থেকে শুরু করে পেনশনভোগীরা হজম করতে পারছেন না। ফলে আরও এক পদক্ষেপ নিতে চলেছেন সকলে। যৌথ সংগ্রামী মঞ্চের তরফে নাকি সুপ্রিম কোর্টে আবেদন করা হচ্ছে, ২০০৮ থেকে ২০১৬ সাল অবধি সরকার যাতে বকেয়া ডিএ সুদ সহ দেয় সেই ব্যবস্থা করতে। এই নিয়ে এবার মুখ খুললেন সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের আহ্বায়ক ভাস্কর ঘোষ।

    আরও পড়ুনঃ ভাড়া কমল উত্তরবঙ্গগামী এই ট্রেনের

    তিনি জানালেন, ‘মামলার শুনানির দিন আমাদের আইনজীবীকে দিয়ে আদালতকে সুদের বিষয়টি বলা করানো হয়েছিল। কম্পাউন্ড সুদ যাতে দেওয়া হয়, সেই আবেদন আমরা জানিয়েছিলাম শীর্ষ আদালতে। পরবর্তীকালে আমরা দেখি এই বিষয়টি খারিজ হয়নি। ফলে এখন ২০০৮ থেকে ২০১৬ সালের বকেয়া ডিএর সঙ্গে সুদটাও আদায় করা যায় কিনা তা নিয়ে আমরা আমাদের সিনিয়র আইনজীবীদের সঙ্গে আলোচনা করছি। তিনি যা মতামত দেবেন আমরা সেই অনুযায়ীই এগিয়ে যাবো।’

  • সিভিক ভলান্টিয়ারদের বোনাস বাড়াল নবান্ন! এক ধাক্কায় বাড়ল এত টাকা

    সিভিক ভলান্টিয়ারদের বোনাস বাড়াল নবান্ন! এক ধাক্কায় বাড়ল এত টাকা

    বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: বিধানসভা নির্বাচনের আগে রাজ্যবাসীকে একের পর এক সুখবর দিচ্ছে বাংলার সরকার (Government Of West Bengal)। সম্প্রতি অন্তর্বর্তী বাজেট পেশ করে একের পর এক নতুন সব প্রকল্প চালু করেছে রাজ্য সরকার। নতুন নতুন প্রকল্প চালু করার পাশাপাশি সেইসব প্রকল্পের আর্থিক অনুদানও পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে আবেদনকারীদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে। এছাড়াও অন্তর্বর্তী বাজেটে বাড়ানো হয়েছে আশা কর্মী থেকে শুরু করে ICDS এমনকি সিভিক ভলান্টিয়ারদের (Civic Volunteers) বেতনও। এবার রাজ্যে ভোট ঘোষণা হওয়ার পরেও সিভিকদের অ্যাড হক বোনাস বাড়িয়ে দিল নবান্ন। নিউজ 18 এর রিপোর্ট অনুযায়ী, এক ধাক্কায় 600 টাকা বাড়ান হল বোনাস।

    600 টাকা বেড়ে কত হল সিভিকদের বোনাস?

    নিউজ 18 এর প্রতিবেদন বলছে, নবান্নের তরফে বিজ্ঞপ্তি জারি করে রাজ্য পুলিশ ও কলকাতা পুলিশের সিভিক ভলান্টিয়ারদের অ্যাড হক বোনাস 600 টাকা বাড়িয়ে 7400 টাকা করা হয়েছে। আগে এই বোনাস ছিল 6,800 টাকা। এক কথায় প্রায় সাড়ে 7 হাজার টাকার কাছাকাছি বোনাস পেতে চলেছেন রাজ্যের সিভিকরা।

    সূত্রের খবর, শহর কলকাতা সহ রাজ্যের অন্যান্য অঞ্চল এমনকি প্রত্যন্ত গ্রাম গঞ্জের সিভিকরাও এবার থেকে 7400 টাকা বোনাস পাবেন। নতুন বোনাস কাঠামোর নির্দেশিকা জারি করার সাথে সাথে রাজ্য পুলিশের ডিজি ও কলকাতা পুলিশের সিপিকে এই তথ্য দিয়েছে নবান্ন।

    অবশ্যই পড়ুন: লটারি লাগল রেল কর্মীদের! ৫০% DA বৃদ্ধির পর এবার ২৫ শতাংশ বাড়ছে KMA

    উল্লেখ্য, 2011 তে ক্ষমতায় আসে তৃণমূল সরকার। আর তার দু বছরের মধ্যেই অর্থাৎ 2013 সালে গিয়ে রাজ্য এবং কলকাতা পুলিশকে সাহায্য করার জন্য স্বেচ্ছাসেবক বাহিনী অর্থাৎ সিভিক ভলান্টিয়ার নিয়োগ করে রাজ্য। এঁদের কাজ মূলত ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে পুলিশকে সাহায্য করা এবং যানজট দেখা দিলে জনশৃঙ্খলা বজায় রেখে তা ঠিক করা। যদিও এর আগে বহুবার রাজ্যের সিভিকদের বিরুদ্ধে পথচলতি মানুষের সাথে দুর্ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে।

  • DA-র প্রথম কিস্তির টাকা নিয়ে কী বলছে রাজ্যের নয়া বিজ্ঞপ্তি?

    DA-র প্রথম কিস্তির টাকা নিয়ে কী বলছে রাজ্যের নয়া বিজ্ঞপ্তি?

    সহেলি মিত্র, কলকাতা: যত সময় এগোচ্ছে বকেয়া ডিএ (Dearness allowance) নিয়ে উত্তেজনার পারদ ততটাই বাড়ছে। বাংলার রাজ্য সরকারি কর্মীদের মুখে বর্তমানে একটাই প্রশ্ন, কবে মিলবে প্রথম কিস্তির টাকা। এদিকে বাংলায় বিধানসভা ভোটের নির্ঘন্ট ঘোষণা হয়েছে। এহেন পরিস্থিতিতে অনেকের আশঙ্কা যে সরকার টাকা রিলিজ করবে কিনা। এসবের মাঝেই মহার্ঘ্য ভাতা বা DA নিয়ে সামনে এল বড় আপডেট যা সকলের জানা উচিৎ।

    বকেয়া DA নিয়ে প্রকাশ্যে বড় আপডেট

    সম্প্রতি পশ্চিমবঙ্গ সরকার ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের চলতি মার্চ মাস থেকে কর্মচারী ও পেনশনভোগীদের দীর্ঘদিনের বকেয়া মহার্ঘ ভাতা (ডিএ) প্রদান শুরু হবে। আশা করা হচ্ছে, এই পদক্ষেপে রাজ্য জুড়ে সরকারি কর্মচারী, অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারী, শিক্ষক এবং অনুদানপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানের কর্মীরা উপকৃত হবেন। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন, রাজ্য অর্থ দফতরের জারি করা বিজ্ঞপ্তি অনুসারেই এই অর্থ প্রদান করা হবে।

    কারা ডিএ পাবেন?

    • রাজ্য সরকারি কর্মচারী
    • পেনশনভোগীরা
    • শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও অশিক্ষক কর্মচারী
    • অনুদানপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানের কর্মচারী ও পেনশনভোগীরা
    • পঞ্চায়েত ও পৌরসভার মতো স্থানীয় সংস্থাগুলির কর্মচারীরা

    কবে টাকা দেওয়া হবে?

    রাজ্য সরকারের মতে, যোগ্য সুবিধাভোগীরা ২০২৬ সালের মার্চ মাস থেকে বকেয়া অর্থ পেতে শুরু করবেন। অর্থ বিভাগের সরকারি বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখিত পদ্ধতি অনুসরণ করেই এই অর্থ প্রদান করা হবে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায় জানিয়েছেন যে, ‘সরকার কর্মচারী এবং পেনশনভোগীদের প্রতি তার প্রতিশ্রুতি পূরণ করেছে এবং অনুমোদিত কাঠামো অনুযায়ী অর্থ প্রদান শুরু হবে।’ ডিএ বকেয়ার বিষয়ে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ বকেয়া ডিএ প্রদানের বিষয়টি বিচার বিভাগ পর্যন্তও পৌঁছেছিল। রাজ্য সরকারের কর্মচারীদের একটি দল বকেয়া অর্থ পরিশোধের দাবিতে ভারতের সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিল। আদালত রাজ্য সরকারকে ২০২৬ সালের ৩১শে মার্চের মধ্যে বকেয়া ডিএ-র ২৫% প্রদান করার নির্দেশ দিয়েছে। এদিকে সরকার এক বিজ্ঞপ্তি জারি করে জানিয়েছে যে মার্চ এবং সেপ্টেম্বর মাসে দুই দফায় প্রাথমিকভাবে ২০১৬ থেকে ২০১৯ সালের বকেয়া টাকা মেটানো হবে। বাকি ২০০৮ থেকে ২০১৫ সালের বকেয়া টাকা কীভাবে এবং কবে দেওয়া হবে, তা নির্ধারণ করতে সরকার পরে একটি পৃথক নির্দেশিকা জারি করবে। অর্থাৎ এর জন্য আরও অপেক্ষা করতে হবে সাধারণ কর্মীদের।

    আরও পড়ুন: কালবৈশাখী থেকে শিলাবৃষ্টিতে তোলপাড় হবে দক্ষিণবঙ্গের ৭ জেলা, আজকের আবহাওয়া

    সরকার জানিয়েছে, গ্রুপ ‘এ’, ‘বি’ এবং ‘সি’-এর বকেয়া তাদের জিপিএফ অ্যাকাউন্টে জমা করা হবে, আর গ্রুপ ‘ডি’-এর কর্মচারীদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে টাকা সরাসরি ট্রান্সফার করা হবে। হ্যাঁ একদম ঠিক শুনেছেন। যদিও এই টাকা নিয়ে অনেকেই নানা কথা বলছেন। কেউ বলছেন ডিএ-র টাকা যদি জিপিএফ অ্যাকাউন্টেই জমা হবে, তাহলে সেই তো একই বিষয় দাঁড়াল। এই টাকা আবার ২ বছরের আগে তোলা যাবে না।

  • IPAC মামলায় সুপ্রিম কোর্টে ফের বাড়তি সময় চাইল রাজ্য সরকার

    IPAC মামলায় সুপ্রিম কোর্টে ফের বাড়তি সময় চাইল রাজ্য সরকার

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: ভোটের আবহে ফের খবরের শিরোনামে উঠে এল IPAC মামলা (IPAC ED Case)। আজ সুপ্রিম কোর্টে মামলার শুনানি শুরু হলে ফের বিতর্কের মুখে পড়ে রাজ্য। জানা গিয়েছে ইডির হলফনামার জবাব জমা দেওয়ার জন্য অতিরিক্ত সময় চেয়েছে। আর তাই নিয়ে বিরোধিতা করল ED। ভোটের ঠিক আগেই আই-প্যাককে ঘিরে কেন্দ্র ও রাজ্যের টানাপোড়েন এখন চরমে। এমতাবস্থায় ED-র অভিযোগের উত্তর দিতে রাজ্য সরকারকে সময় দিল সর্বোচ্চ আদালত।

    IPAC মামলার শুনানি সুপ্রিম কোর্টে

    আজ বিচারপতি প্রশান্ত কুমার মিশ্র এবং এন ভি আঞ্জারিয়া-র বেঞ্চে এই মামলার শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। কিন্তু এদিন শুনানির সময় পশ্চিমবঙ্গ সরকার ইডির হলফনামার জবাব জমা দেওয়ার জন্য অতিরিক্ত সময় চেয়েছে। তবে সলিসিটার জেনারেল তুষার মেহতা এই আবেদনের তীব্র বিরোধিতা করেন। তিনি বলেন, এই মামলাকে ইচ্ছাকৃতভাবে বিলম্বিত করার চেষ্টা করছে রাজ্য। ইডি ইতিমধ্যেই দুই সপ্তাহ আগে তাদের প্রতিক্রিয়া আদালতে দাখিল করেছে। এদিন আইপ্যাক মামলা স্থগিত করার রাজ্যের সিদ্ধান্তকে খারিজ করেছে সুপ্রিম কোর্ট। তবে ইডির অভিযোগের জবাব দিতে রাজ্যকে অতিরিক্ত সময় দেওয়া হয়েছে।

    বিরোধিতা করল কেন্দ্রের অতিরিক্ত সলিসিটর

    রিপোর্ট মোতাবেক আজ রাজ্যের তরফে ইডির মামলার যৌক্তিকতা নিয়েই প্রশ্ন তোলা হয়। আইনজীবী মেনকা গুরুস্বামী বলেন, “আমরা মামলার গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে শুনানি চাই।” এরপরই বিচারপতি প্রশান্ত কুমার মিশ্রর তরফে বলা হয়, “শুনানি শুরু করা হোক। আপনারা (রাজ্য) ইডির পাল্টা হলফনামা জমা দিতে চাইছেন। আবার মামলার গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন? আপনাদের মূল অবস্থান কী?” কেন্দ্রের অতিরিক্ত সলিসিটর জেনারেল সময় চাওয়ার আর্জির বিরোধিতা করে বলেন, “এটা অত্যন্ত আশ্চর্যজনক যে, একজন মুখ্যমন্ত্রী কেন্দ্রীয় সংস্থার তদন্তে হস্তক্ষেপ করছেন। আর এখন আবার মামলার শুনানিতে দেরি করা হচ্ছে?” এরপরই দুই পক্ষের উদ্দেশেই বিচারপতি বলেন, “শুনানি পিছিয়ে দেওয়ার লড়াই চলছে না। আপনারা সওয়াল শুরু করুন।”

    আরও পড়ুন: ‘অবৈধভাবে পশ্চিমবঙ্গে আটক স্ত্রী’, উদ্ধারের দাবিতে হাইকোর্টের দ্বারস্থ বাংলাদেশি নাগরিক

    মুখ্যমন্ত্রীর আইনজীবীর অতিরিক্ত সময়ের আবেদনের প্রেক্ষিতে সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি প্রশান্তকুমার মিশ্র বলেন, “চার সপ্তাহ সময় দেওয়া হয়েছে। আপনারা এত দিনেও কেন পাল্টা জবাব দিলেন না?” যদিও পড়ে ইডির অভিযোগের জবাব দিতে রাজ্যকে অতিরিক্ত সময় দেওয়া হয়েছে। এদিকে ইডি ইতিমধ্যেই দুই সপ্তাহ আগে তাদের প্রতিক্রিয়া আদালতে দাখিল করেছে। যেখানে বলা হয়, নথি নেওয়ার আগে কোনও তদন্তকারী আধিকারিকের অনুমতি নেননি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। যে নথিগুলি নিয়ে যাওয়া হয়েছে, তা তৃণমূলের নাকি কয়লাপাচারের সে সম্পর্কে নিশ্চিত করা যাচ্ছে না। এছাড়াও ED এও দাবি করেছিল যে ইডি র আধিকারিকদের কাজে বাধা দিয়ে মৌলিক অধিকার খর্ব করা হয়েছে।

  • নবান্নর DA বিজ্ঞপ্তি নিয়ে ক্ষোভ, এরা আদৌ পাবেন মহার্ঘ ভাতা? ফের আন্দোলনের হুঁশিয়ারি

    নবান্নর DA বিজ্ঞপ্তি নিয়ে ক্ষোভ, এরা আদৌ পাবেন মহার্ঘ ভাতা? ফের আন্দোলনের হুঁশিয়ারি

    সহেলি মিত্র, কলকাতা: সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মেনে বকেয়া ডিএ (Dearness allowance) দেওয়ার ঘোষণা করেছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার। চলতি মার্চ মাসেই প্রথম কিস্তির টাকা দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়। যদিও এসবের  মাঝেই এক নয়া আশঙ্কায় ভুগতে শুরু করেছেন সরকারি কর্মীরা। বিশেষ করে শিক্ষক, শিক্ষাকর্মীরা টাকাটা আদৌ পাবেন কিনা তা নিয়ে ধন্ধে রয়েছেন সকলে। এই সংশয় নিয়েই এবার সকলে নতুন করে আন্দোলনে সামিল হতে চলেছেন। শুনে চমকে গেলে তো? কিন্তু এটাই সত্যি।

    ডিএ নিয়ে ফের পথে নামছে শিক্ষক সমাজ

    শিক্ষক সমাজের দাবি, রাজ্য সরকারের অর্থ দফতরের তরফে DA সংক্রান্ত যে বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে সেখানে আগামী ৩১ মার্চের মধ্যে প্রথম কিস্তির টাকা দেওয়ার বিষয়ে খোলসা করে কিছু বলা নেই। যে কারণে তারা টাকা পাবেন কিনা সেই নিয়ে ধোঁয়াশার মধ্যে রয়েছেন সকলে। তাঁরা টাকা নাও পেতে পারেন, এই আশঙ্কা তাঁদের তাড়া করে বেরাচ্ছে। ফলে নতুন করে আন্দোলনে সামিল হতে চলেছেন তাঁরা বলে খবর।

    এক শিক্ষক দাবি করেছেন, অর্থ দফতরের তরফে বকেয়া মহার্ঘ ভাতা নিয়ে যে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে, সেখানে সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মী, পঞ্চায়েত এবং পৌরসভার মতো স্থানীয় স্বশাসিত সংস্থার অনুদানপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানের কর্মচারী এবং পেনশনভোগীদের ২০১৮-এর এপ্রিল থেকে ২০১৯-এর ডিসেম্বর পর্যন্ত মহার্ঘ ভাতার পরিমাণ কত, তা উল্লেখ করা হয়নি। সংশ্লিষ্ট বিভাগ এই হিসাব জানাবে বলে উল্লেখ করা হয়েছে। এখানেই যত সংশয় তৈরি হয়েছে সংশয়। তা হলে বকেয়া মহার্ঘ ভাতা পাবেন না তাঁরা? স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠছে।

    বিজ্ঞপ্তি জারি সরকারের

    সোমবার পশ্চিমবঙ্গ সরকারের অর্থ দফতরের এক বিজ্ঞপ্তি অনুসারে, নবান্ন রাজ্য কর্মচারীদের মহার্ঘ ভাতার  বকেয়া একাধিক ধাপে পরিশোধ করবে। ২০০৮ সালের এপ্রিল থেকে ২০১৯ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত সময়ের এই বকেয়ার কথা রবিবার ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। যদিও সরকার জানিয়েছে মার ৪৮ মাসের বকেয়া আগে শোধ করা হবে। তারপরে বাকিটা কবে কী শোধ করা হবে তা পরে জানাবে সরকার।

    আরও পড়ুনঃ আকাশ কালো করে ধেয়ে আসছে কালবৈশাখী, ৫ জেলায় প্রবল বৃষ্টি! আজকের আবহাওয়া

    সরকারের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, প্রথম পর্যায়ে, সর্বভারতীয় ভোক্তা মূল্য সূচকের ভিত্তিতে ২০১৬ সালের জানুয়ারি থেকে ২০১৯ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত বকেয়া গণনা করা হবে। এই অর্থ দুটি কিস্তিতে প্রদান করা হবে প্রথমটি ২০২৬ সালের মার্চ মাসে এবং দ্বিতীয়টি ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বর মাসে। বিচারপতি ইন্দু মালহোত্রার নেতৃত্বাধীন মনিটরিং কমিটি কর্তৃক মোট বকেয়ার চূড়ান্ত নির্ধারণের ওপর এই অর্থপ্রদান নির্ভরশীল থাকবে। এই বিষয়ে বড় মন্তব্য করেছেন শিক্ষানুরাগী ঐক্য মঞ্চের সাধারণ সম্পাদক কিঙ্কর অধিকারী। তিনি বলেন, “সুপ্রিম কোর্টের রায় অনুযায়ী শিক্ষক-শিক্ষাকর্মীদের ক্ষেত্রেও মার্চের মধ্যে নির্ধারিত বকেয়া মিটিয়ে দিতেই হবে। সরকারি কর্মচারীদের সঙ্গে কোন‌ও ভাবেই বিভাজন চলবে না। শিক্ষক-শিক্ষাকর্মীদের ক্ষেত্রে ধোঁয়াশা রেখে শাসকদলের ভোট বৈতরণী পেরোনোর কৌশল কোন‌ওমতেই মেনে নেব না আমরা।”

  • দায়িত্ব নিয়েই অ্যাকশনে রাজ্যপাল, নিয়োগ নিয়ে চিঠি নবান্নে

    দায়িত্ব নিয়েই অ্যাকশনে রাজ্যপাল, নিয়োগ নিয়ে চিঠি নবান্নে

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: রাজ্যে ভোটের (West Bengal Election 2026) নির্ঘণ্ট বেজে গিয়েছে। আগামী ২৩ এবং ২৯ এপ্রিল রাজ্যে দুই দফায় হতে চলেছে ভোট। গণনা হবে ৪ মে। আর এই অবস্থায় বৃহস্পতিবার রাজ্যপাল হিসেবে শপথ নিলেন আর এন রবি (Governor RN Ravi)। জাঁকজমকপূর্ণ ভাবে বিভিন্ন রীতি মেনে ঘোষণা করা হয় তাঁর নাম। এদিকে রাজ্যপালের দায়িত্ব গ্রহণ করার পরই প্রশাসনিক কাজে গতি আনতে উদ্যোগী হলেন তিনি। নবান্নকে রাজভবনের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ শূন্যপদ পূরণের লক্ষ্যে পাঠালেন চিঠি।

    নবান্নকে চিঠি রাজ্যপালের

    শুক্রবার, লোকভবন থেকে ইমেলের মাধ্যমে বার্তা পাঠানো হয়েছিল। সেখানে রাজ্যপালের সচিব পদে এক জন আইএএস আধিকারিক, বিশেষ সচিব পদে এক জন প্রোমোটি IAS, দু’জন যুগ্মসচিব এবং একটি ডেপুটি সচিব পদের জন্য তিন জন WBCS অফিসারের নাম চাওয়া হয়েছে, তাঁদের মধ্যে থেকে এক জনকে বেছে নেওয়া হবে। সব মিলিয়ে মোট পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ পদে নিয়োগের জন্য নবান্নকে চিঠি পাঠানো হয়েছে। ইতিমধ্যেই রাজ্যপালের চিঠি পাওয়ার পরেই নবান্নের তরফে বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দেখা হচ্ছে। সূত্রের খবর, চলতি সপ্তাহেই নবান্নের তরফে আধিকারিকদের নাম জানিয়ে দেওয়া হবে।

    সচিব পদ নিয়োগের জন্য বার্তা

    উল্লেখ্য, গত কয়েক বছর ধরে রাজভবনের প্রশাসনিক কাঠামোয় কয়েকটি শূন্যপদ ছিল। যার মধ্যে অন্যতম হল রাজ্যপালের সচিব পদটি। যদিও প্রাক্তন রাজ্যপাল বোস এই পদে নতুন কাউকে নিয়োগে আগ্রহী ছিলেন না তাই প্রায় তিন বছর ধরে সচিববিহীন অবস্থাতেই লোকভবনের কাজকর্ম চলেছিল, তবে বর্তমান রাজ্যপাল এবার সকল শূন্যপদ পূরণ করতে চাইছে। প্রশাসনের একাংশের মতে, এই উদ্যোগে একদিকে যেমন রাজভবনের কাজের গতি বাড়বে ঠিক তেমনই নবান্নের সঙ্গে রাজভবনের সমন্বয়ও আরও মজবুত হবে।

    আরও পড়ুন: প্রতি দফায় ২ লাখ ৫০ হাজার কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ান, অশান্তি হলে … কড়া বার্তা কমিশনের

    প্রসঙ্গত, কয়েকদিন আগেই বাংলার রাজ্যপাল পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন সিভি আনন্দ বোস। এরপরেই স্থায়ী রাজ্যপাল হিসাবে নিয়োগ করা হয় রবীন্দ্র নারায়ণ রবিকে। তিনি এতদিন তামিলনাড়ুর রাজ্যপাল হিসাবে কাজ করেছিলেন। সে রাজ্যে থাকাকালীন একাধিক ইস্যুতে ডিএমকে সরকারের সঙ্গে সংঘাতে জড়িয়েছেন আরএন রবি। বিশেষ করে একাধিক বিল নিয়ে সংঘাত চরমে ওঠে। এমনকি রাজ্যপালকে সরানোর জন্য একাধিকবার রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর কাছে আবেদন জানানো হয়েছিল। তাই এবার বাংলার রাজ্যপাল হিসাবে পদ সামলাচ্ছেন আর এন রবি।

  • ‘দু’বছরের আগে হাত দেওয়া যাবে না DA-র টাকায়!’ মহার্ঘ ভাতার এ কেমন নিয়ম?

    ‘দু’বছরের আগে হাত দেওয়া যাবে না DA-র টাকায়!’ মহার্ঘ ভাতার এ কেমন নিয়ম?

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ বকেয়া ডিএ (Bengal DA) নিয়ে অবশেষে দীর্ঘ প্রতীক্ষিত বিজ্ঞপ্তি জারি হয়ে গিয়েছে। সোমবার পশ্চিমবঙ্গ সরকারের অর্থ দফতরের এক বিজ্ঞপ্তি অনুসারে, নবান্ন রাজ্য কর্মচারীদের মহার্ঘ ভাতার (Dearness allowance) বকেয়া একাধিক ধাপে পরিশোধ করবে। ২০০৮ সালের এপ্রিল থেকে ২০১৯ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত সময়ের এই বকেয়ার কথা রবিবার ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। যদিও সরকার জানিয়েছে মার ৪৮ মাসের বকেয়া আগে শোধ করা হবে। তারপরে বাকিটা কবে কী শোধ করা হবে তা পরে জানাবে সরকার। এখন প্রশ্ন উঠছে, কে কে টাকা পাবে এবং কবে থেকে পাবেন? চলুন জেনে নেওয়া যাক।

    ৪৮ মাসের টাকা দেবে সরকার

    সরকারের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, প্রথম পর্যায়ে, সর্বভারতীয় ভোক্তা মূল্য সূচকের ভিত্তিতে ২০১৬ সালের জানুয়ারি থেকে ২০১৯ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত বকেয়া গণনা করা হবে। এই অর্থ দুটি কিস্তিতে প্রদান করা হবে প্রথমটি ২০২৬ সালের মার্চ মাসে এবং দ্বিতীয়টি ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বর মাসে। বিচারপতি ইন্দু মালহোত্রার নেতৃত্বাধীন মনিটরিং কমিটি কর্তৃক মোট বকেয়ার চূড়ান্ত নির্ধারণের ওপর এই অর্থপ্রদান নির্ভরশীল থাকবে।

    এপ্রিল ২০০৮ থেকে ডিসেম্বর ২০১৫ সময়কালের জন্য কী কী করা হবে তা পরবর্তীতে জানানো হবে। কর্মকর্তারা আরও জানান, গ্রুপ ‘এ’, ‘বি’ এবং ‘সি’-এর বকেয়া তাদের জিপিএফ অ্যাকাউন্টে জমা করা হবে, আর গ্রুপ ‘ডি’-এর কর্মচারীদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে টাকা সরাসরি ট্রান্সফার করা হবে। হ্যাঁ একদম ঠিক শুনেছেন। যদিও এই টাকা নিয়ে অনেকেই নানা কথা বলছেন। কেউ বলছেন ডিএ-র টাকা যদি জিপিএফ অ্যাকাউন্টেই জমা হবে, তাহলে সেই তো একই বিষয় দাঁড়াল। এই টাকা আবার ২ বছরের আগে তোলা যাবে না।

    সরকারি কর্মী, পেনশন প্রাপকদের জন্য বিজ্ঞপ্তি জারি সরকারের

    সরকার বর্তমানে কর্মরত কর্মী, পেনশনভোগীদের জন্য ডিএ সংক্রান্ত পৃথক বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে। সরকার ৪৮ মাসের বকেয়া টাকাটি রাজ্য সরকারি কর্মচারী, পেনশনভোগী এবং অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মচারী, স্কুল ও কলেজের শিক্ষক এবং অশিক্ষক কর্মচারী, সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানের কর্মচারী ও পেনশনভোগী, পৌরসভা ও পঞ্চায়েতের মতো স্থানীয় সংস্থাগুলিতে কর্মরত কর্মচারীদের প্রদান করবে। রাজ্য সরকারের প্রাক্তন রাজ্য সরকারি কর্মচারী, পেনশনভোগীদের প্রাথমিকভাবে ২০১৬ সালের জানুয়ারি থেকে ২০১৯ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত বকেয়া ডিএ দেওয়া হবে। টাকা দেওয়া হবে দুটি সমান কিস্তিতে। প্রথম কিস্তির টাকা দেওয়া হবে মার্চে। দ্বিতীয় কিস্তির টাকা ঢুকবে সেপ্টেম্বরে। যাঁরা বর্তমানে পেনশনভোগী, তাঁদের অ্যাকাউন্টে সরাসরি নগদ টাকা ঢুকবে।

    আরও পড়ুনঃ বিজ্ঞপ্তি জারি করলেও DA নিয়ে ‘চালাকি’ রাজ্যের, ফের সুপ্রিম কোর্টে যাওয়ার হুঁশিয়ারি

    আসলে সরকারি কর্মচারীদের বেতন কাঠামোর একটি অপরিহার্য অংশ হলো মহার্ঘ ভাতা। ক্রমবর্ধমান মুদ্রাস্ফীতি ও জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির সাথে কর্মীদের মানিয়ে নিতে সাহায্য করার জন্যই এটি চালু করা হয়েছে। অন্যদিকে পেনশনভোগীদের জন্য ডিএ বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এটি অবসরের পর তাদের ক্রয়ক্ষমতা বজায় রাখতে সাহায্য করে। ডিএ প্রদানে দেরি হওয়া সকলের বাজেটকে অনেক ক্ষেত্রে প্রভাবিত করে।

     

  • কবে, কত দফায় মিলবে বকেয়া DA? বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ পশ্চিমবঙ্গ সরকারের

    কবে, কত দফায় মিলবে বকেয়া DA? বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ পশ্চিমবঙ্গ সরকারের

    সহেলি মিত্র, কলকাতা: বকেয়া ডিএ (DA) নিয়ে আরও এক ধাপ এগোলো পশ্চিমবঙ্গ সরকার। ভোটের মুখে সরকার আদৌ টাকা রিলিজ করবে কিনা, তা নিয়ে এখন সরকারি কর্মীদের মধ্যে নতুন আশঙ্কা তৈরী হয়েছিল। এদিকে এই আশঙ্কার মাঝেই সরকার বকেয়া DA ইস্যুতে বিজ্ঞপ্তি জারি করে জানাল কবে থেকে এবং কত দফায় সরকারি কর্মীদের বকেয়া মেটানো হবে। চলুন বিশদে জেনে নেওয়া যাক।

    বকেয়া DA নিয়ে বিজ্ঞপ্তি জারি রাজ্যের

    সোমবার রাজ্য অর্থ বিভাগের তরফে জারি করা বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, প্রথম পর্যায়ে, সরকার জানুয়ারি ২০১৬ থেকে ডিসেম্বর ২০১৯ পর্যন্ত চার বছরের জন্য বকেয়া ডিএ পরিশোধ করবে। সর্বভারতীয় ভোক্তা মূল্য সূচক (এআইসিপিআই)-এর ভিত্তিতে বকেয়ার পরিমাণ নির্ভুলভাবে গণনা করা হবে। রাজ্য সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে এই পর্বের বকেয়া দুটি সমান কিস্তিতে পরিশোধ করা হবে। প্রথম কিস্তি ২০২৬ সালের মার্চ মাসে এবং দ্বিতীয় কিস্তি ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বর মাসে প্রদান করা হবে।

    বড় ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

    গত রবিবার, পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের ঘোষণার ঠিক কয়েক ঘন্টা আগে, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর এক্স হ্যান্ডেলে সরকারি কর্মচারীদের দীর্ঘদিনের বকেয়া ডিএ পরিশোধের ঘোষণা করেন। তিনটি পৃথক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে অর্থ বিভাগ এপ্রিল ২০০৮ থেকে ডিসেম্বর ২০১৯ পর্যন্ত সময়ের বকেয়া ডিএ পরিশোধের সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেছে।

    রাজ্য সরকার মূলত ২০২৬ সালের ৫ই ফেব্রুয়ারি সুপ্রিম কোর্টের দেওয়া একটি যুগান্তকারী রায় এবং শীর্ষ আদালত কর্তৃক গঠিত একটি পর্যবেক্ষণ কমিটির জারি করা নির্দেশাবলী মেনেই এই পদক্ষেপ নিয়েছে বলে খবর। বিজ্ঞপ্তিগুলিতে রাজ্য সরকার স্পষ্টভাবে জানিয়েছে যে, বিভিন্ন কেন্দ্র-প্রযোজিত প্রকল্পের বিপুল পরিমাণ বকেয়া পাওনা এবং রাজ্যের অভ্যন্তরে বিভিন্ন সমাজকল্যাণমূলক কর্মসূচি ও উন্নয়নমূলক প্রকল্পে চলমান দায়বদ্ধতার কারণে বর্তমানে এর আর্থিক সক্ষমতা উল্লেখযোগ্য চাপের মধ্যে রয়েছে। এই আর্থিক সীমাবদ্ধতা সত্ত্বেও, সরকার জোর দিয়ে বলেছে যে তার কর্মচারীদের কল্যাণ ও স্বার্থই অগ্রাধিকার পায়। তাই, বকেয়া মহার্ঘ ভাতা একাধিক পর্যায়ে পরিশোধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

    আরও পড়ুনঃ বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম মেট্রো নেটওয়ার্ক ভারতে! পরিসংখ্যান দেখলে শিউরে উঠবেন

    সরকারি কর্মচারীদের জন্য, কর্মচারী শ্রেণীর উপর ভিত্তি করে অর্থ প্রদানের পদ্ধতি ভিন্ন হবে। নির্দেশিকা অনুসারে, গ্রুপ A, গ্রুপ B এবং গ্রুপ C শ্রেণীর কর্মচারীদের ডিএ এরিয়ার সরাসরি তাদের জেনারেল প্রভিডেন্ট ফান্ড (GPF) অ্যাকাউন্টে জমা করা হবে। তবে, জিপিএফ অ্যাকাউন্টে জমা করা অর্থ জমা দেওয়ার তারিখ থেকে ২৪ মাসের জন্য অগ্রিম বা চূড়ান্ত অর্থ হিসাবে তোলা যাবে না।

  • নতুন করে আবেদন করা যাবে যুবসাথীতে? এপ্রিলে কবে ঢুকবে টাকা! জানুন এখানে

    নতুন করে আবেদন করা যাবে যুবসাথীতে? এপ্রিলে কবে ঢুকবে টাকা! জানুন এখানে

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ কেন্দ্রীয় ও রাজ্য সরকার যুব সমাজকে সাহায্য করার জন্য বেশ কয়েকটি প্রকল্প পরিচালনা করে। এর মধ্যে একটি হল পশ্চিমবঙ্গ সরকারের বাংলার ‘যুবসাথী’ প্রকল্প (Banglar Yuva Sathi)। রাজ্য বাজেট পেশ করার সময়ে এই স্কিমের ঘোষণা করে সকলকে চমকে দেয় সরকার। এই প্রকল্পটি বিশেষভাবে বেকার যুবকদের জন্য চালু করা হয়েছে। এই প্রকল্পের আওতায়, রাজ্যের যোগ্য যুবক যুবতীরা ১৫০০ টাকা করে পাবেন। কেউ কেউ ইতিমধ্যে এই টাকা পেয়েছেন তো কেউ পাননি। এদিকে স্কিম ঘোষণা হওয়ার পর থেকে কয়েক লক্ষ আবেদনও জমা পড়েছে। তবে সেইসঙ্গে অনেকের প্রশ্ন, সমস্যা এবং অভিযোগ শোনা ও সমাধানের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়েছে নবান্ন।

    যুবসাথী নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নবান্নের

    জানা গিয়েছে, এখন সরকারের তরফে যুবসাথী সংক্রান্ত সকল সমস্যা সমাধানের লক্ষ্যে বিশেষ হেল্পডেস্ক চালু করা হয়েছে। নবান্ন জানিয়েছে এই হেল্পডেস্কটি এখন থেকে সরাসরি Department of Youth Services and Sports–এর অধীনে কাজ করবে। এমনকি বিপুল চাপ সামাল দিতে এক মোবাইল নম্বরও ইস্যু করা হয়েছে। আবেদনকারী থেকে শুরু করে স্কিম সম্পর্কে বিশদে জানতে যে কেউ ৬২৯২২৪৮৮৮- নম্বরে ফোন করে হেল্পডেস্কের সাহায্য নিতে পারবেন।

    আরও পড়ুনঃ LPG সঙ্কটের মাঝে PNG কানেকশনে ৫০০ টাকা ছাড়ের ঘোষণা, কারা পাবেন জানুন

    সরকারি নির্দেশিকা অনুযায়ী, হেল্পডেস্ক খোলা থাকবে- সকাল ১০টা ৩০ মিনিট থেকে বিকেল ৫টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত। তবে শনিবার, রবিবার এবং সরকারি ছুটির দিনে এই পরিষেবা বন্ধ থাকবে। এমনকি ইমেইল মারফতও আপনি আপনার সমস্যার কথা, প্রশ্ন জানাতে পারবেন সরকারের ঘরে। এর ফলে-লিখিত অভিযোগ জমা রাখা সহজ হবে। নথিভিত্তিক যাচাই প্রক্রিয়া দ্রুত হবে। যোগাযোগে স্বচ্ছতা বজায় থাকবে।

    প্রতি মাসে মিলবে ১৫০০ টাকা

    সরকারের এই স্কিমের আওতায় যোগ্যরা প্রতি মাসে ১৫০০ টাকা করে পাবেন। যদিও এই টাকার পরিমাণ আগামী দিনে বাড়বে কিনা, পুনরায় আবেদন করা যাবে কিনা সেই নিয়েও এখন প্রশ্ন উঠছে। আবেদনকারীকে অবশ্যই পশ্চিমবঙ্গের স্থায়ী বাসিন্দা হতে হবে। বয়স ২১ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে হতে হবে। আবেদনকারীকে কমপক্ষে দশম শ্রেণী পাস হওয়া থাকতে হবে।

     

  • বেলডাঙা কাণ্ডে সুপ্রিম কোর্টে রাজ্যের বড় ধাক্কা! বহাল থাকল হাইকোর্টের নির্দেশ

    বেলডাঙা কাণ্ডে সুপ্রিম কোর্টে রাজ্যের বড় ধাক্কা! বহাল থাকল হাইকোর্টের নির্দেশ

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: সামনেই ২৬ এর বিধানসভা নির্বাচন (West Bengal Election 2026), দুই দফাতেই হতে চলেছে নির্বাচন। এদিকে রাজ্যের অন্দরে হিংসা ক্রমেই বাড়ছে। ফের খবরের শিরোনামে উঠে এল বেলডাঙা হিংসাকাণ্ড (Beldanga Incident)। সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court) ফের বেলডাঙা কাণ্ডে রাজ্যকে ধাক্কা খেতে হল। নথি হস্তান্তর করা নিয়ে আর্জি খারিজ করে দেওয়া হল। হাইকোর্টের রায়ে কোনও হস্তক্ষেপ করল না শীর্ষ আদালত। NIA-এর নথি হস্তান্তর নিয়ে হাইকোর্ট যা নির্দেশ দিয়েছিল সেটাই আপাতত বহাল রাখা হল।

    বেলডাঙা হিংসা মামলায় ধাক্কা খেল রাজ্য

    বেলডাঙা হিংসা মামলায় কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি বলেছিলেন, মুর্শিদাবাদের বেলডাঙার ঘটনায় রাজ্য পুলিশের হাতে যে ডকুমেন্ট বা তথ্য রয়েছে, সেই সবগুলো NIA-কে হস্তান্তর করতে হবে। কিন্তু সেই নির্দেশ মানতে নারাজ হাইকোর্ট। তাই বাধ্য হয়ে কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে রাজ্য সরকার সুপ্রিম কোর্টে যায়। সেখানে রাজ্য অভিযোগ জানায় তাদের বক্তব্য পুরো না শুনেই কলকাতা হাইকোর্টের তরফে এই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কিন্তু লাভের ল কিছুই হল না। ফের সুপ্রিম কোর্টে ধাক্কা খেল রাজ্য সরকার। NIA-এর নথি হস্তান্তর নিয়ে হাইকোর্টের নির্দেশকেই মান্যতা দিল শীর্ষ আদালত।

    ঠিক কী ঘটেছিল?

    উল্লেখ্য, জানুয়ারি মাসে ঝাড়খণ্ডে আলাউদ্দিন শেখ নামে এক পরিযায়ী শ্রমিকের মৃত্যুকে ঘিরে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছিল মুর্শিদাবাদের বেলডাঙা। পরে জানা যায়, আলাউদ্দিনকে খুন করা হয়নি। পশ্চিমবঙ্গের পুলিশ ঝাড়খণ্ডে গিয়ে সেখানকার পুলিশের তথ্যপ্রমাণ দেখে এসেছিল। এদিকে বেলডাঙায় এর জেরে অশান্ত ছিল বেশ কয়েকদিন। স্টেশন সংলগ্ন রেলগেটে ভাঙচুর চালানো হয়েছিল সেই সময়। রেলের সিগন্যালও ভেঙে ফেলা হয়েছিল। ব্যাহত হয়েছিল রেল পরিষেবা। সড়কপথেও যান চলাচল ব্যাহত হয়েছিল। মারধর করা হয়েছিল সাংবাদিকদেরও। এরপর মামলা ওঠে হাইকোর্টে। সেই সময় আদালত বলেছিল, কেন্দ্র যদি মনে করে, তাহলে বেলডাঙার হিংসা নিয়ে NIA তদন্ত হতে পারে। সেই মতো তদন্ত শুরু করে কেন্দ্রীয় এজেন্সি। কিন্তু সেই তদন্ত ঠেকাতেই সুপ্রিম কোর্টে গিয়েছিল রাজ্য।

    আরও পড়ুন: ২৪-র লোকসভা ভোট হিংসায় যুক্ত পুলিশ অফিসারদের তালিকা তলব, বড় পদক্ষেপ কমিশনের

    NIA-কে বেলডাঙার কেস ডায়েরি হস্তান্তর করার জন্য গত ১৭ ফেব্রুয়ারি নির্দেশ দিয়েছিল বিশেষ আদালত। সেই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে এবং সমস্ত তদন্ত প্রক্রিয়ার ওপর স্থগিতাদেশ চেয়ে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিল রাজ্য সরকার। কিন্তু সুপ্রিম কোর্ট ঘুরে ফের সেই মামলা দেয় কলকাতা হাইকোর্টে। আর সেই মামলাতেই রাজ্য সরকারের আপত্তি খারিজ করে দেয় কলকাতা হাইকোর্ট।