Tag: Government Of West Bengal

  • পেনশন পাওয়া আরও সহজ, GISS সমস্যা মেটাতে নয়া মেমোরেন্ডাম জারি নবান্নর

    পেনশন পাওয়া আরও সহজ, GISS সমস্যা মেটাতে নয়া মেমোরেন্ডাম জারি নবান্নর

    সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: পশ্চিমবঙ্গ সরকারি কর্মচারীদের অবসরকালীন সুবিধা বা পেনশন (Pension) প্রাপ্তি আরও সহজ করার জন্য এবার বিরাট পদক্ষেপ নিয়েছে রাজ্য সরকার (Government of West Bengal)। বিশেষ করে জেনারেল ইন্সুরেন্স কাম সেভিংস স্কিম বা জিআইএসএস সংক্রান্ত তথ্যের অভাবে যাদের পেনশন ফাইল এতদিন ধরে আটকে ছিল, তাদের জন্য এবার বিরাট খুশির খবর শুনিয়েছে নবান্ন। গত ১৯ মার্চ অর্থ দফতর থেকে জারি করা একটি নতুন নির্দেশিকা সেই দীর্ঘদিনের সমস্যার স্থায়ী সমাধানের পথ এবার আরও প্রশস্ত করল।

    কেন জারি করা হল নতুন নির্দেশিকা?

    আসলে দীর্ঘদিন ধরে দেখা যাচ্ছিল যে, বহু সরকারি কর্মচারীর সার্ভিস বুকে জিআইএসএস সাবস্ক্রিপশনের হিসেব সঠিক ভাবে আপডেট করা নেই। বিশেষ করে পুরনো নথি কিংবা তথ্য সময় মতো প্রশাসনিক দফতর থেকে না আসার কারণে পেনশনের কাজ থমকে যাচ্ছিল। আর অবসর গ্রহণের পর দিনের পর দিন প্রাপ্য টাকা পাওয়ার জন্য কর্মচারীদের অপেক্ষা করতে হচ্ছিল। কর্মীদের এই ভোগান্তি দূর করার জন্যই অর্থ দফতরের গ্রুপ-জে শাখা বিশেষ মেমোরেন্ডাম জারি করল।

    মেমোরেন্ডাম নম্বর 061-F(J)/2025 অনুযায়ী, এবার পেনশন প্রক্রিয়ায় বাধা দূর করার জন্য সরকার বিশেষ কিছু সিদ্ধান্ত নিয়েছে। প্রথমত, এখন থেকে সংশ্লিষ্ট ক্যাডার কন্ট্রোলিং অথরিটি নিজেরাই জিআইএসএস সাবস্ক্রিপশনের এন্ট্রি করতে পারবে। দ্বিতীয়ত, তথ্য যাচাই বা তথ্য প্রত্যায়িত করার ক্ষমতা সরাসরি কর্তৃপক্ষের হাতে দেওয়া হয়েছে। তৃতীয়ত, ১৯৮৭ সালের পুরনো একটি আইনের সুত্র ধরে এবার রাজ্যপালের বিশেষ অনুমতিক্রমে নতুন নিয়ম কার্যকর করা হচ্ছে।

    এক্ষেত্রে বলে রাখি, এই নির্দেশিকাটি এইচআরএমএস ব্যবস্থা চালুর আগের সময়ের জন্যই প্রযোজ্য। অর্থাৎ, ২০১৬ সালের এপ্রিল মাসের আগে যদি কোনও কর্মচারী জিআইএসএস সাবস্ক্রিপশনের তথ্য সার্ভিস বুকে নথিভুক্ত না থাকে, সেক্ষেত্রে তা এখন আরও সহজে আপডেট করা যাবে।

    আরও পড়ুন: শিয়ালদা ডিভিশনে একাধিক লোকাল ট্রেনের গন্তব্য বাড়াল রেল

    কীভাবে আপডেট করতে হবে তথ্য?

    সার্ভিস বুকে এই পুরনো তথ্যগুলি নথিভুক্ত করার জন্য এবার নির্দিষ্ট কিছু নিয়মের কথা বলা হয়েছে। প্রথমত, উপযুক্ত প্রমাণের ভিত্তিতেই তথ্য এন্ট্রি করা যাবে। দ্বিতীয়ত, যথাযথভাবে সত্যায়িত সার্ভিস ভেরিফিকেশন সার্টিফিকেট থাকতে হবে এবং তৃতীয়ত, কর্তৃপক্ষের কাছে গ্রহণযোগ্য অন্য যে কোনও বৈধ নথির ভিত্তিতে এই কাজ সম্পন্ন করা যাবে। এমনকি রাজ্যের সমস্ত ট্রেজারি অফিসার, জেলাসচিব, পুলিশ সুপার এবং বিভিন্ন দফতরের সচিবদের কাছে ইতিমধ্যে এ বিষয়ে নির্দেশিকা পাঠানো হয়েছে। যার ফলে হাজার হাজার সরকারি কর্মচারী যারা অবসরের দোরগোড়ায় দাঁড়িয়ে আছেন বা যাদের পেনশনের কাজ আটকে রয়েছে, তারা সরাসরি উপকৃত হবে।

  • চিংড়িঘাটা মেট্রো নিয়ে এবার পশ্চিমবঙ্গ সরকারকে একহাতে নিল সুপ্রিম কোর্ট!

    চিংড়িঘাটা মেট্রো নিয়ে এবার পশ্চিমবঙ্গ সরকারকে একহাতে নিল সুপ্রিম কোর্ট!

    বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: চিংড়িঘাটা মেট্রো নিয়ে এবার রাজ্যকে ভৎসনা সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court On Chingrighata Metro)। সোমবার, মেট্রোর বকেয়া কাজ নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে হস্তক্ষেপ করেনি দেশের শীর্ষ আদালত। সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্ত, বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী এবং বিচারপতি বিপুল মনুভাই পাঞ্চোলির বেঞ্চে ওঠে মামলা। আর তারপরেই রাজ্য সরকারকে মামলা তুলে নিতে বলে আদালত। অন্যথায় গোটা মামলাটি খারিজ করে দেওয়ার কথাও জানান বিচারপতিরা।

    চিংড়িঘাটা মেট্রোর বকেয়া কাজ নিয়ে রাজ্যকে কড়া নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের

    এর আগে চিংড়িঘাটা মেট্রোর অবশিষ্ট অংশের কাজ নিয়ে রাজ্যের বিরুদ্ধে অসহযোগিতার অভিযোগ তুলেছিল মেট্রো কর্তৃপক্ষ। সেই অভিযোগের পরপরই কলকাতা হাইকোর্ট বকেয়া কাজ শেষ করার জন্য রাজ্য সরকারকে সময় বেঁধে দিয়েছিল। এদিকে রাজ্যের তরফে উচ্চ আদালতের সেই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে সুপ্রিম কোটে মামলা হয়। সোমবার সেই মামলা নিয়েই সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি একেবারে খোলাখুলি জানিয়ে দিলেন, “সাধারণ মানুষের প্রকল্প নিয়ে রাজনীতি করবেন না। হাইকোর্ট যা নির্দেশ দিয়েছে, যেভাবে সময় বেঁধে দিয়েছে সেভাবেই কাজ করতে হবে।”

    কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশকে বহাল রেখেই সুপ্রিম কোর্টের পর্যবেক্ষণ সরকার যে অবস্থানে রয়েছে তা সাংবিধানিক দায়িত্ব পালনে গাফিলতিকে ইঙ্গিত করে। এটা একপ্রকার উন্নয়ন আটকানোর জেদ। এদিন চিংড়িঘাটার বকেয়া কাজ নিয়ে রাজ্যের তরফে করা মামলা তুলে নেওয়ার নির্দেশ দেন সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্ত। রাজ্য পক্ষের আইনজীবীকে সরাসরি উচ্চ আদালতের বিচারপতি জানান, “কখনও উৎসব চলছে, কখনও পরীক্ষা, কখনও আবার নির্বাচন দেখানো হচ্ছে। সুযোগ দিচ্ছি মামলা এখনই তুলে নিন। না হলে খারিজ করে দেব।”

    অবশ্যই পড়ুন: আবারও IPL দেখবে ওপার বাংলা, নিষেধাজ্ঞা তুলে নিচ্ছে বাংলাদেশ!

    উল্লেখ্য, মাত্র 316 বর্গমিটার অংশের জন্য আটকে রয়েছে চিংড়িঘাটা মেট্রোর কাজ। এই অংশের জন্যই নিউ গড়িয়া থেকে কলকাতা বিমানবন্দর পর্যন্ত মেট্রোর অরেঞ্জ লাইনের সম্প্রসারণ করা যাচ্ছে না। চিংড়িঘাটা মোড়ের এই অংশের কাজ সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে হলে সাময়িকভাবে বাইপাসে যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ করা প্রয়োজন। তবে অভিযোগ, রাজ্যের কাছে অনুরোধ জানানো সত্বেও অনুমতি দেওয়া হচ্ছে না। ফলে একই জায়গায় আটকে রয়েছে মেট্রো প্রকল্পের কাজ।

  • যুবসাথীর ১৫০০ টাকা এখনও পাননি? জানুন কী করতে হবে এবার

    যুবসাথীর ১৫০০ টাকা এখনও পাননি? জানুন কী করতে হবে এবার

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ যুবসাথী প্রকল্পে (Banglar Yuva Sathi) আবেদন করেছেন অথচ টাকা পেতে দেরি হচ্ছে? কী করবেন বুঝতে পারছেন না? তাহলে আপনার জন্য রইল আজকের এই প্রতিবেদনটি। রাজ্য বাজেটে পশ্চিমবঙ্গ সরকার যুবসাথী প্রকল্পের ঘোষণা করে। সরকারের এই প্রকল্পের মাধ্যমে প্রতি মাসে বাংলার বেকার যুবক যুবতীরা ১৫০০ টাকা করে অর্থ সাহায্য পাবেন। অনেকে এই টাকা পেয়েওছেন। কিন্তু আবার অনেকে পাননি। আদৌ টাকা মিলবে তো? নাকি আবেদন বাতিল হয়ে গেল? তা নিয়ে ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে। যারা এখনও টাকা পাননি তাঁরা কি আর ভবিষ্যতে পাবেন? চলুন বিশদে জেনে নেওয়া যাক।

    কবে মিলবে যুবসাথীর টাকা?

    সরকার জানিয়েছে, গত ৭ মার্চ, ২০২৬ থেকে আবেদনকারীদের অ্যাকাউন্টে ১৫০০ টাকা করে পাঠানো শুরু করা হয়েছে। আগে এই প্রকল্পের সুবিধা ১৫ আগস্ট, তারপর ১ এপ্রিল এবং পরে ৭ মার্চ থেকে দেওয়ার ঘোষণা করে সরকার। এদিকে ঘোষণা মতো সেদিন থেকেই টাকা ঢুকতে শুরু করে আবেদনকারীদের অ্যাকাউন্টে। ইতিমধ্যে বাংলায় বিধানসভা ভোটের দামামা বেজে গিয়েছে। জোরকদমে নির্বাচনী প্রচারের কাজ চলছে জেলায় জেলায়। তবে অন্যদিকে বিপাকে পড়েছেন সরকারি দফতরগুলি। কারণ ভোট ঘোষণা হওয়ার পাশাপাশি আচরণবিধিও লাগু হয়েছে। ফলে সরকারি দফতরগুলির কাজ ব্যাহত হয়েছে।

    আরও পড়ুনঃ DA কাণ্ডে রাজ্যের কাছে গেল কড়া চিঠি, চাপে পড়বে নবান্ন?

    সূত্রের খবর, ব্লক উন্নয়ন আধিকারিকদের (BDO) লগইন আইডি সাময়িকভাবে নিষ্ক্রিয় থাকায় তারা সরাসরি কোনো সমস্যার সমাধান করতে পারছেন না। ফলে এখন সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে চারিদিকে। যদিও সরকার এখনও আশ্বাস দিচ্ছে, যারা একদম নির্ভুল ফর্ম জমা দিয়েছেন কিন্তু অনুদান পাননি তাঁরা শীঘ্রই টাকা পেয়ে যাবেন। এই মার্চ মাসের মধ্যে সকলেই টাকা পেয়ে যাবেন বলে খবর। শুধু একটু অপেক্ষা আর কিছুই না।

    এভাবে নিজের স্টেটাস চেক করুন

    • ১) প্রথমে yubasathi.wb.gov.in -এ ভিজিট করতে হবে।
    • ২) এরপর “Check Status” or “Applicant Login” অপশনে ক্লিক করতে হবে।
    • ৩) পরবর্তী ধাপ হিসেবে আবেদন নম্বর বা রেজিস্টার মোবাইল নম্বর লিখতে হবে।
    • ৪) Security Code দিতে হবে। এরপরেই আপনার আবেদন কী পর্যায়ে আছে তা দেখানো হবে স্ক্রিনে।

     

  • DA কাণ্ডে রাজ্যের কাছে গেল কড়া চিঠি, চাপে পড়বে নবান্ন?

    DA কাণ্ডে রাজ্যের কাছে গেল কড়া চিঠি, চাপে পড়বে নবান্ন?

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ বিধানসভা ভোটের মুখে সরকারের গলায় ডিএ বিষয় (Bengal DA Issue) যেন কাঁটার মতো হয়ে আছে। বকেয়া ডিএ মিটিয়ে দেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হলে সরকারের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রশমন হওয়ার নামই নিচ্ছে না সরকারি কর্মীদের। শীঘ্রই যদি বকেয়া টাকা না মেটানো হয় তাহলে ফল ভালো হবে না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন আন্দোলনকারীরা। চলতি মার্চ মাসেই বকেয়া মহার্ঘ্য ভাতার প্রথম কিস্তি দেওয়ার কথা। কিন্তু এখনও অবধি সেই টাকা মেটানোর বিষয়ে কোনও উচ্চবাচ্য করেনি সরকার। যাইহোক, এরই মাঝে অর্থ দফতরের অতিরিক্ত মুখ্যসচিবের কাছে মেল দেওয়া হল সরকারি কর্মীদের পক্ষ থেকে।

    DA নিয়ে সরকারকে চিঠি

    কনফেডারেশন অফ স্টেট গভর্নমেন্ট এমপ্লয়িজের সাধারণ সম্পাদক মলয় মুখোপাধ্যায় মেলের একটা ছবি ফেসবুকে তুলে ধরেন। সেইসঙ্গে লেখেন, ‘সকলের জন্য ডিএ চাই। অর্থ দফতরের অতিরিক্ত মুখ্যসচিবের কাছে মেল মারফত পত্র।’ মেল অনুযায়ী,

    (১) আপনার স্মারক নং ৩৯৬-এফ(পি), ১৯৯-এফ(পি) এবং ১৯৮-এফ(পি) আদেশনামা গত ৩০.০১.২০২৬ তারিখে জারি হয়েছে এবং ০৬.০২.২০২৬ তারিখের মধ্যে কার্যকর করার কথা বলা হয়েছে। এটি একটি দীর্ঘদিনের বিষয়। ঘটনাক্রমে আদেশনামাটি ০১.০২.২০২৬ থেকে ০৬.০২.২০২৬ রাত ৮টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত গোপন রাখা হয়েছিল, যা বিধানসভা নির্বাচনের কোড অব কন্ডাক্ট জারির ৪০ মিনিট আগে (০৬.০২.২০২৬) মুখ্যমন্ত্রীকে নাটকীয়ভাবে ঘোষণা করার সুযোগ করে দিতে পরিকল্পিতভাবে করা হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে এবং এর কোনও সদুত্তর এখনও পাওয়া যায়নি।

    (২) আদেশনামা নং ৩৯৮-এফ(পি), ৩০.০১.২০২৬-এর ৮ নম্বর অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে—
    “The modalities for release of arrears of Dearness Allowance/Dearness Relief, as applicable, may be notified by the respective Administrative Departments thereafter with the concurrence of Finance Department.”

    অর্থাৎ সংশ্লিষ্ট প্রশাসনিক দপ্তরগুলিকে এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলা হলেও এখনও পর্যন্ত কোনও দৃশ্যমান অগ্রগতি নেই। এর ফলে কর্মরত ও অবসরপ্রাপ্ত রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের মধ্যে চরম অসন্তোষ বিরাজ করছে।

    (৩) উপরন্তু, আদালতের নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও রাজ্য কোষাগার থেকে বেতন/পেনশন প্রাপ্য সকল কর্মচারী একসঙ্গে সুপ্রিম কোর্টের রায়ের সুফল থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন—যা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক।

    (৪) আদেশনামা নং ৩৯৮-এফ(পি), ৩০.০১.২০২৬ অনুযায়ী ‘Rule making authority’ সংক্রান্ত প্রক্রিয়া নির্ধারণ করা হলেও তা এখনও বাস্তবায়িত হয়নি।

    (৫) এপ্রিল ২০০৮ থেকে ডিসেম্বর ২০১৯ পর্যন্ত বেতন/পেনশনের তথ্য এইচ.আর.এম.এস পোর্টালে আপলোডের বিষয়ে দপ্তরের নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও সেই কাজ সম্পূর্ণ হয়নি। ফলে কর্মচারীদের প্রাপ্য বকেয়া নির্ধারণে সমস্যা সৃষ্টি হচ্ছে।

    আরও পড়ুনঃ পার্ক সার্কাস নয়, শিয়ালদা ডিভিশনের সবথেকে নোংরা স্টেশন কোনটি জানলে অবাক হবেন

    (৬) আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী এপ্রিল ২০০৮ থেকে ডিসেম্বর ২০১৯ পর্যন্ত বেতন/পেনশনের তথ্যভান্ডার প্রস্তুত করা জরুরি হলেও, বাস্তবে তা কার্যকর হয়নি—এটি অত্যন্ত দুঃখজনক। অতএব, উপরোক্ত বিষয়গুলি বিবেচনা করে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আপনার নিকট বিশেষভাবে আবেদন জানাচ্ছি।

  • ৭ নতুন জেলা, ২৫ মডেল শহর! তালিকায় আপনার এলাকা আছে? জানুন

    ৭ নতুন জেলা, ২৫ মডেল শহর! তালিকায় আপনার এলাকা আছে? জানুন

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: বহু প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে গতকাল, শুক্রবার বিকেলে ২০২৬ সালের নির্বাচনকে (West Bengal Election 2026) টার্গেট করে ইস্তেহার প্রকাশ করে তৃণমূল (Trinamool Congress Manifesto)। যার পোশাকি নাম দেওয়া হয় ‘প্রতিজ্ঞা’। রাজ্যবাসীর কাছে একগুচ্ছ ‘প্রতিজ্ঞা’ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee)। সেখানেই উঠে এল, লক্ষ্মীর ভাণ্ডার, যুবসাথী, দুয়ারে চিকিৎসার কথা। এছাড়াও প্রশাসনিক দিক থেকে নতুন জেলা এবং নতুন পুরসভা সহ ১০ প্রতিজ্ঞার কথা ঘোষণা করেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর কথায়, ‘আমাদের অঙ্গীকার, প্রতিজ্ঞা, যা বলি, তাই করে দেখাই।’

    নতুন সাত জেলার ঘোষণা মমতার

    মহিলা, যুব, কৃষক, সাধারণ পরিবার—প্রায় সব স্তরের মানুষের জন্য একাধিক আর্থিক ও সামাজিক প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে তৃণমূলের ইস্তেহারে। পাশাপাশি কেন্দ্রের বিরুদ্ধে ‘বঞ্চনা’র অভিযোগ তুলে রাজনৈতিক সুরও চড়িয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শুক্রবার, কালীঘাট থেকে নির্বাচনী ইস্তেহার ঘোষণার সময় মমতা জানান, নতুন জেলা, নতুন পুরসভা তৈরি করা হবে। রাজ্যে যে নতুন সাত জেলার কথা ঘোষণা করা হয়েছে, সেগুলি হল, সুন্দরবন, ইছামতী (উত্তর ২৪ পরগনার বনগাঁ মহকুমা ও বাগদা নিয়ে), বসিরহাট, রানাঘাট, বিষ্ণুপুর, বহরমপুর এবং কান্দি। আইন শৃঙ্খলা বজায় রাখার ক্ষেত্রে বাড়তি সুবিধা এবং উন্নতমানের পরিষেবা দিতেই এই পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

    ২৫টি প্রধান শহরকে মডেল শহর গড়বে সরকার

    গত ১৫ বছরে বাংলায় উন্নয়নের এক নতুন মডেল তৈরি করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আর সেই অনুযায়ী তৃণমূলের ইস্তেহারে ‘মিশন মহানগর’ নামের আরেকটি প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে। সেখানে পশ্চিমবঙ্গের ২৫টি প্রধান শহরকে মডেল শহর হিসাবে তুলে ধরা হবে। তার মধ্যে রয়েছে, হাওড়া, ডায়মন্ড হারবার, বর্ধমান, দুর্গাপুর, বোলপুর, কৃষ্ণনগর, বারাসত, রায়গঞ্জ, শিলিগুড়ি, বহরমপুর, মালদহ, কল্যাণী, শ্রীরামপুর, অণ্ডাল, বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, দিঘা, মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, এনকেডিএ এলাকা, গঙ্গারামপুর, জলপাইগুড়ি, কোচবিহার, আলিপুরদুয়ার এবং দার্জিলিং।

    আরও পড়ুন: পানিহাটিতে অভয়ার মা দাঁড়ালে বিজেপির লাভ না ক্ষতি? সমীক্ষায় মিলল চমকপ্রদ উত্তর

    তৃণমূলের ইস্তেহারে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, রাস্তা, বিদ্যুৎ, কৃষি—সব ক্ষেত্রেই উন্নয়নের দাবি করেছে শাসকদল। আগামী ১০ বছরে বাংলা হবে দেশের তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতি। ৫ বছরে ৪০ লক্ষ কোটি টাকার অর্থনীতি গড়ার লক্ষ্য রাখা হয়েছে। পাশাপাশি রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের জন্যও বড় চমক আনা হয়েছে। জানা গিয়েছে, রাজ্যে সপ্তম পে কমিশন চালু হবে। বকেয়া মহার্ঘ ভাতা ধাপে ধাপে মেটানো হবে। এ ছাড়া নতুন প্রশাসনিক ইউনিটও গঠন করা হবে। অর্থাৎ বোঝাই যাচ্ছে এই ইস্তেহারই আগামী নির্বাচনে শাসকদলের প্রধান অস্ত্র হতে চলেছে।

  • পশ্চিমবঙ্গ সরকারের DA বিজ্ঞপ্তিতেও ভিজল না চিঁড়ে, এবার কলকাতা হাইকোর্টে নতুন মামলা

    পশ্চিমবঙ্গ সরকারের DA বিজ্ঞপ্তিতেও ভিজল না চিঁড়ে, এবার কলকাতা হাইকোর্টে নতুন মামলা

    সহেলি মিত্র, কলকাতা: পঞ্চম বেতন পে কমিশনের আওতায় এখনো অবধি ডিএ (Dearness allowance)-র প্রথম কিস্তি টাকা পাননি সরকারি কর্মীরা। অপরদিকে শীঘ্রই সপ্তম পেতন পে কমিশন লাগু হবে বলে নিজেদের ইস্তেহারে ঘোষণা করেছে তৃণমূল। এক কথায় যত সময় এগোচ্ছে ততই বকেয়া DA বা মহার্ঘ্য ভাতা নিয়ে পশ্চিমবঙ্গে উত্তেজনার পারদ ক্রমশ চড়ছে। তবে এসবের মাঝেই এবার ষষ্ঠ বেতন পে কমিশনের (6th Pay Commission) মামলা গড়াল কলকাতা হাইকোর্টে (Calcutta High Court)। শুনে চমকে গেলেন তো? কিন্তু এটাই সত্যি। কেন্দ্রের সঙ্গে রাজ্য সরকারের তুলনা টেনে এনে এবার আদালতেই মামলা করলেন সরকারি কর্মীরা। অর্থাৎ বিধানসভা ভোটের মুখে নতুন এক চাপের মুখে পশ্চিমবঙ্গ সরকার।

    এবার হাইকোর্টে ষষ্ঠ বেতন পে কমিশন মামলা

    ষষ্ঠ বেতন পে কমিশন নিয়ে মামলা করেছে ‘ইউনিটি ফোরাম’ নামের একই সংগঠন। বিচারপতি মধুরেশ প্রসাদের ডিভিশন বেঞ্চে এই মামলা দায়ের করা হয়েছে। সংগঠনের তরফে মামলায় দাবি করা হয়েছে। ষষ্ঠ বেতন কমিশনের প্রথম কিস্তির ডিএ অল ইন্ডিয়া প্রাইস ইনডেক্স (AICPI) অনুযায়ী নির্ধারণ করতে হবে। জানিয়ে রাখি, বর্তমানে কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীরা ৫৮% হারে ডিএ পাচ্ছেন। সেখানে বাংলার সরকারি কর্মীরা এতদিন ১৮ শতাংশ হারে মহার্ঘ্য ভাতা পাচ্ছিলেন। তবে রাজ্য বাজেটে আরও ৪ শতাংশ ডিএ বৃদ্ধির ঘোষণা করে পশ্চিমবঙ্গ সরকার। অর্থাৎ সরকারি কর্মীরা এখন ২২ শতাংশ হারে ডিএ পাবেন। তারপরেও কেন্দ্রের সঙ্গে বাংলার সরকারের ডিএ ফারাক ৪০%, যা নিঃসন্দেহে চোখে পড়ার মতো।

    আরও পড়ুনঃ বকেয়া DA থেকে নতুন পে কমিশন, বড় ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা

    বিস্ফোরক দাবি আবেদনকারীদের

    অর্থাৎ পঞ্চম বেতন কমিশনের পাশাপাশি এখন ষষ্ঠ বেতন পে কমিশন নিয়েও আইনি লড়াইয়ে ফাঁসল পশ্চিমবঙ্গ সরকার। আবেদনকারীদের বক্তব্য, কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীদের তুলনায় এখনও প্রায় ৪০ শতাংশ কম ডিএ পাচ্ছেন রাজ্যের কর্মীরা। এই বৈষম্য দূর করতেই আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন তাঁরা। এর আগে পঞ্চম বেতন কমিশনের বকেয়া ডিএ সংক্রান্ত মামলার রায়ে সুপ্রিম কোর্ট স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছিল, ভবিষ্যতে ডিএ নির্ধারণ করতে হবে অল ইন্ডিয়া প্রাইস ইনডেক্স মেনেই। কিন্তু সেই নির্দেশ বাস্তবায়িত হয়নি বলেই অভিযোগ। এই পরিস্থিতিতে নতুন করে ষষ্ঠ বেতন কমিশনের ক্ষেত্রেও একই নীতি কার্যকর করার দাবিতে হাইকোর্টে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

    সূত্রের খবর, আগামী ৬ এপ্রিল এই মামলার প্রথম শুনানি হতে পারে। অর্থাৎ বিধানসভা ভোটের মুখে আরও একটা কমিশন সংক্রান্ত মামলা। এদিকে সরকার সপ্তম বেতন পে কমিশন লাগুর বিষয়ে বড় তথ্য দিয়েছে সরকার। সরকার ইস্তেহারে সপ্তম বেতন পে কমিশন চালুর প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। সরকার জানিয়েছে, রাজ্যে নতুন পে কমিশন গঠন করে সরকারি কর্মচারী, শিক্ষক, পেনশনভোগী এবং অনুদানপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের বেতন কাঠামোয় সামঞ্জস্য আনা হবে। এরইসঙ্গে সকল কর্মীদের মন জয় করার স্বার্থে ডিএ ছাড়াও একের পর এক কাজ করছে সরকার। অর্থ বিশেষজ্ঞদের মতে, সপ্তম পে কমিশন চালু হলে ডিএ-সহ অন্যান্য ভাতা এবং বেতনের গঠন নতুন করে নির্ধারিত হতে পারে। ফলে দীর্ঘমেয়াদে কর্মচারীদের আর্থিক অবস্থার উন্নতির সম্ভাবনা তৈরি হবে। যদিও এই প্রক্রিয়া কবে শুরু হবে, আদৌ শুরু হবে কিনা তা এখনই জোর দিয়ে বলা সম্ভব হচ্ছে না।

     

  • বকেয়া DA থেকে নতুন পে কমিশন, বড় ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা

    বকেয়া DA থেকে নতুন পে কমিশন, বড় ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ বকেয়া ডিএ (Dearness allowance) নিয়ে অপেক্ষা যেন শেষ হওয়ার নামই নিচ্ছে না বাংলার সরকারি কর্মীদের। ইতিমধ্যে সুপ্রিম কোর্টের রায় মেনে চলতি মার্চ মাসে প্রথম কিস্তির টাকা দেওয়ার ঘোষণা করেছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার। আরও একটি কিস্তির টাকা চলতি বছরের সেপ্টেম্বর মাসে রিলিজ করা হবে বলে খবর। যদিও সরকারের ওপর ভরসা রাখতে পারছেন না কর্মীরা। যাইহোক, এরই মাঝে ভোটের মুখে ইস্তেহার প্রকাশ করল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার। সেই ইস্তেহারে DA মেটানো থেকে শুরু করে সপ্তম বেতন পে কমিশন (7th Pay Commission) চালু এবং সামগ্রিক বেতন কাঠামো পুনর্বিন্যাসের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

    ইস্তেহারে সপ্তম বেতন পে কমিশন চালুর প্রতিশ্রুতি

    সম্প্রতি বাংলায় বিধানসভা ভোটের দিনক্ষণ ঘোষণার আগে বড় ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি জানান, ২০০৯ রোপা অনুযায়ী বকেয়া ডিএ ধাপে ধাপে মেটানো হবে। এই সংক্রান্ত একটি বিজ্ঞপ্তি অবধি জারি করে রাজ্য অর্থ দফতর। সেখানে বলা হয়, ২০১৬ থেকে ২০১৯ সাল অর্থাৎ মাত্র ৪৮ মাসের বকেয়া টাকা মেটানো হবে কর্মীদের। বাকিটা কবে কী দেওয়া হবে তা পরে জানানো হবে। যাইহোক, এদিকে ইস্তেহারে কিন্তু কেন্দ্রীয় হারে ডিএ সংক্রান্ত কোনও উল্লেখ করা হয়নি। বলা হয়েছে, যেহেতু কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে এই রাজ্যের বিপুল পরিমাণ বকেয়া টাকা আটকে রয়েছে, বাড়ছে আর্থিক চাপ। ফলে এক কালীন বা বিশাল বড় অঙ্কের ডিএ দেওয়া যাচ্ছে না। কিন্তু সরকার ইস্তেহারে সপ্তম বেতন পে কমিশন চালুর প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।

    আরও পড়ুনঃ হাওড়া-শিয়ালদা লাইনে বাতিল ৪৭টি লোকাল, বহু ট্রেনের সময়ও বদলাল রেল

    তবে কি শীঘ্রই লাগু হচ্ছে? বেতন, পেনশন বাড়ছে? সরকার জানিয়েছে, রাজ্যে নতুন পে কমিশন গঠন করে সরকারি কর্মচারী, শিক্ষক, পেনশনভোগী এবং অনুদানপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের বেতন কাঠামোয় সামঞ্জস্য আনা হবে। এরইসঙ্গে সকল কর্মীদের মন জয় করার স্বার্থে ডিএ ছাড়াও একের পর এক কাজ করছে সরকার। অর্থ বিশেষজ্ঞদের মতে, সপ্তম পে কমিশন চালু হলে ডিএ-সহ অন্যান্য ভাতা এবং বেতনের গঠন নতুন করে নির্ধারিত হতে পারে। ফলে দীর্ঘমেয়াদে কর্মচারীদের আর্থিক অবস্থার উন্নতির সম্ভাবনা তৈরি হবে। যদিও এই প্রক্রিয়া কবে শুরু হবে, আদৌ শুরু হবে কিনা তা এখনই জোর দিয়ে বলা সম্ভব হচ্ছে না।

  • লক্ষ্মীর ভাণ্ডার নিয়ে বড় ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

    লক্ষ্মীর ভাণ্ডার নিয়ে বড় ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

    বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: কথামতো শুক্রবার বিধানসভা নির্বাচনের প্রাক্কালে ইস্তেহার প্রকাশ করেছে তৃণমূল কংগ্রেস (Trinamool Congress)। এদিন কালিঘাট থেকে দলীয় ইস্তেহারে রাজ্যবাসীর কাছে 10টি প্রতিজ্ঞা রাখেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন মুখ্যমন্ত্রী বলেন, তৃণমূল কংগ্রেস জিতবে এবং পুনরায় ক্ষমতায় এলে আগামী দিনে দুয়ারে সরকারের আদলে দুয়ারে চিকিৎসা পরিষেবা পাবেন সাধারণ মানুষ। একাধিক প্রতিশ্রুতির সাথেই লক্ষ্মীর ভান্ডার (Lakshmir Bhandar) নিয়েও বড় ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী। মমতা স্পষ্ট বলে দেন, যাঁরা লক্ষী ভান্ডার পাচ্ছেন বা পাওয়ার যোগ্য তাঁরা আজীবন এই প্রকল্প থেকে অর্থ সাহায্য পাবেন।

    লক্ষীর ভান্ডার নিয়ে ঠিক কী জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী?

    শুক্রবার দলীয় ইস্তেহার প্রকাশ করার সাথে সাথে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সকলের কাছে অঙ্গীকার করেন রাজ্য সরকারের বিশেষ প্রকল্প লক্ষ্মীর ভান্ডার আজীবন দেওয়া হবে। মুখ্যমন্ত্রীর কথায়, “লক্ষীর ভান্ডার বাড়িয়েছি আমরা এবং বলে দিয়েছি মা বোনেরা আজীবন লক্ষ্মীর ভান্ডার পাবেন।” এদিন রাজ্যবাসীর কাছে একাধিক বিষয়ে প্রতিজ্ঞা করার পাশাপাশি তৃণমূল এবং নির্বাচন কমিশনকে নিশানা করতে ছাড়েননি তৃণমূল সুপ্রিমো।

    এদিন পরোক্ষভাবে নাম না করে বিজেপিকে নিশানায় রেখে মমতা বলেন, “অনেকে আছে যারা ভোটের সময় বলবে কিন্তু পরে করবে না। আমরা যেটা বলি সেটা করে দেখিয়েছি এবং একমাস আগেই করে দিয়েছি।”

    আরও পড়ুন: ৮০ কিমি বেগে কালবৈশাখী, শিলাবৃষ্টির ভ্রূকুটি, ৬ জেলায় কমলা সতর্কতা জারি, আজকের আবহাওয়া

    শুক্রবার মুখ্যমন্ত্রীর সংযোজন ছিল, এই মুহূর্তে রাজ্যের সাধারণ শ্রেণি ভুক্ত মহিলারা প্রতিমাসে 1500 টাকা অর্থাৎ বছরে 1800 হাজার টাকা করে পাচ্ছেন। অন্যদিকে আদিবাসী বা তপশিলি জাতি ও উপজাতিভুক্ত মহিলারা মাসে 1 হাজার 700 অর্থাৎ বছরে 20 হাজার 400 টাকা করে পাচ্ছেন। আমৃত্যু লক্ষ্মীর ভান্ডারের টাকা পাবেন সুবিধাভোগীরা। মুখ্যমন্ত্রীর এমন ঘোষণার পর আনন্দিত বাংলার লক্ষ্মীরা।

  • বেতন-স্থায়ীকরণের দাবিতে বাড়ছে ক্ষোভ, ভোটে তৃণমূলকে হারানোর ডাক পার্শ্ব শিক্ষকদের

    বেতন-স্থায়ীকরণের দাবিতে বাড়ছে ক্ষোভ, ভোটে তৃণমূলকে হারানোর ডাক পার্শ্ব শিক্ষকদের

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: ২৬ এর বিধানসভা নির্বাচন (West Bengal Election 2026) নিয়ে বেশ তোড়জোড় শুরু হয়েছে রাজ্য জুড়ে। রবিবার নির্বাচনের দিন ঘোষণার পরেই মঙ্গলবার, পূর্ণাঙ্গ প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করেন মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। জনবিচ্ছিন্ন নয়, বরং সাধারণ মানুষের সঙ্গে নিবিড়ভাবে যুক্ত থাকার জন্য তালিকায় নতুন পুরাতন মুখকে দাঁড় করানো হয়েছে। কিন্তু এসবের মাঝেই পার্শ্ব শিক্ষকদের (Para Teachers) ক্ষোভ আরও বড় আকার নিল। প্রতিশ্রুতি না পূরণ হওয়ায় এবার শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেসের পরাজয় চেয়ে পথে নামতে চলেছে পার্শ্ব শিক্ষকেরা।

    প্রতিশ্রুতি পূরণ করেনি রাজ্য সরকার

    স্থায়ীকরণ ও বেতন বৃদ্ধির দাবিতে এখনও অনড় রাজ্যের সকল পার্শ্ব শিক্ষকরা। কিন্তু কোনো সুফল মিলছে না। নিখিল বঙ্গ পার্শ্ব শিক্ষক সমিতির সভাপতি মধুমিতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, ‘‘মুখ্যমন্ত্রী কি সবটাই ভুলে গেলেন? সাধারণ শিক্ষকদের মতোই পার্শ্ব শিক্ষকেরাও স্কুলের সব দায়িত্ব পালন করছেন। তবু আমরা কেন দীর্ঘ দিন অবহেলিত থাকব? দী‌র্ঘ বছর ধরে নিয়োগ না হওয়ায় এখন বিভিন্ন স্কুলে শিক্ষকের অভাব। তবে আমরা লিফলেট তৈরি করে আমাদের বঞ্চনার কথা লিখে সাধারণের মধ্যে ছড়িয়ে দেব।’’ তবে এই সকল অভিযোগ অস্বীকার করছে শাসকদল। পশ্চিমবঙ্গ তৃণমূল প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির রাজ্য সভাপতি মইদুল ইসলাম জানিয়েছেন, “শিক্ষকদের অবসরকালীন ৫ লক্ষ টাকা দেওয়ার ব্যবস্থা করেছে। ৬০ বছর পর্যন্ত চাকরি সুনিশ্চিত করেছে, মাতৃত্বকালীন ছুটি চালু করেছে।”

    ভাতা নিয়েও বাড়ছে ক্ষোভ

    পার্শ্ব শিক্ষকদের অভিযোগ, ২০০৯ সালে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ছিলেন বিরোধী দলনেত্রী। তখন পার্শ্ব শিক্ষকদের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন যে, সরকারে এলে তাঁর প্রধান কাজ হবে পার্শ্ব শিক্ষকদের স্থায়ীকরণ। এখনও সেই বক্তব্যের ভিডিয়ো রেকর্ডিং, খবরের কাটিং আছে তাঁদের কাছে। এমনকি ২০১১ সালে ক্ষমতায় এসে মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠকের শেষে মুখ্যমন্ত্রী ঘোষণা করেছিলেন, পার্শ্ব শিক্ষকদের ছয় মাস থেকে তিন বছরের মধ্যে ধাপে ধাপে স্থায়ীকরণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। কিন্তু এত বছর পরে সেই স্থায়ীকরণ আজও হয়নি। এমনকি আট বছর পরে ভাতা বেড়েছে মাত্র এক হাজার টাকা।

    আরও পড়ুন: ‘জনসংগ্রাম মঞ্চ’ নিয়ে ভোটে রাজন্যা, লড়বেন দুই হেভিওয়েট কেন্দ্র থেকে

    পার্শ্ব শিক্ষক ঐক্য মঞ্চের সভাপতি ভগীরথ ঘোষ জানিয়েছেন, “স্কুল সার্ভিস কমিশনের পরীক্ষায় ৫৫ বছর পর্যন্ত বসার সুযোগ ছিল। তৃণমূলের সরকার সেই সংরক্ষণের নিয়মও তুলে দেয়। তাই এ বারের ভোটে তৃণমূলের পরাজয় চেয়ে মাঠে নামতে চাইছেন ক্ষুব্ধ পার্শ্ব শিক্ষকেরা। রাজ্যে পার্শ্ব শিক্ষকের সংখ্যা ৪১ হাজারের মতো। প্রতিটি পরিবারে চার জন সদস্য আছেন ধরে নিলে মোট ভোটারের সংখ্যা কিছু কম নয়। আমাদের আবেদন, যে এলাকায় যে বিরোধী দল শক্তিশালী, তাদের ভোট দিন। আমরা কলকাতার ভবানীপুর-সহ বেশ কিছু এলাকায় স্ট্রিট কর্নার করছি।” জানা গিয়েছে, খুব শীঘ্রই রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে সমাবেশ-মিছিল করতে চলেছেন তাঁরা। এখন দেখার এই ক্ষোভের মুখে পড়ে রাজ্য সরকার পার্শ্ব শিক্ষকদের জন্য কোনো উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ গ্রহণ করে কিনা।

  • বাংলায় ঈদের ছুটি ২ দিন! ব্যাংক-স্কুল কবে বন্ধ থাকবে? জেনে নিন বিস্তারিত

    বাংলায় ঈদের ছুটি ২ দিন! ব্যাংক-স্কুল কবে বন্ধ থাকবে? জেনে নিন বিস্তারিত

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: ইসলামিক ক্যালেন্ডার অনুযায়ী, শাওয়াল মাসের প্রথম দিনে ঈদ উদযাপিত হয় এবং ঈদের তারিখ চাঁদ দেখার উপর নির্ভর করে। তাই সৌদি আরবে চাঁদ দেখার পর পশ্চিমবঙ্গ (West Bengal) সহ সারা ভারতে ঈদ-উল-ফিতর (Eid Ul Fitr) উদযাপিত হয়। এই কারণে প্রতিবার ঈদের তারিখ নিয়ে মানুষ কিছুটা বিভ্রান্ত থাকে। এমনকি ঈদের ছুটি নিয়েও বিভ্রান্তি রয়েছে। চলুন আজকের প্রতিবেদনের মাধ্যমে জেনে নেওয়া যাক চলতি বছর ঈদের জন্য রাজ্য কোন কোন দিন ব্যাঙ্ক, স্কুল, কলেজ এবং অফিস বন্ধ থাকবে।

    সৌদি আরবে আজ খুশির ঈদ

    পবিত্র রমজান মাসের শেষে সকলেই অপেক্ষায় থাকেন খুশির ঈদের জন্য। কারণ এটি হল রমজান মাসের রোজা সমাপ্তির উৎসব। প্রতি বছর ঈদ-উল-ফিতর চাঁদ দেখার মাধ্যমে নির্ধারিত হয়। তাই বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে এই উৎসবটি বিভিন্ন দিনে উদযাপিত হয়। ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে সৌদি আরবে ঈদ উদযাপিত হয় সবার আগে। এইবছর সৌদি আরবে চাঁদ দেখা নিয়েও নানা সমস্যা তৈরি হয়েছিল। বুধবার শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখা যায়নি। তারপর ঠিক হয়েছিল বৃহস্পতিবার অর্থাৎ ১৯ মার্চ চাঁদ দেখা গেলে ভারতে আজ ঈদ পালন করা হবে। তবে শেষে দেখা গেল, সৌদি আরবে আজ খুশির ঈদ পালন করা হচ্ছে। অর্থাৎ আগামীকাল অর্থাৎ শনিবার ভারতে পালন করা হবে ঈদ-উল-ফিতর।

    বাংলায় কোন দিন ঈদের ছুটি?

    পশ্চিমবঙ্গ অর্থ দফতরের বিজ্ঞপ্তি অনুসারে, আগামীকাল অর্থাৎ ২১ মার্চ সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। এদিকে আবার রাজ্য সরকার আজকেও ঈদের জন্য সরকারি ছুটির তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করেছে। একই সঙ্গে রাজ্য শিক্ষাপরিষদও ২০ ও ২১ মার্চ-উভয় দিনই ঈদের ছুটি হিসেবে তালিকাভুক্ত করেছে। ফলে বাংলার স্কুল, কলেজ এবং অফিসে টানা দু’দিন ছুটি থাকার থাকতে চলেছে। অন্যদিকে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া বাংলায় আগামীকাল, ২১ মার্চ ঈদের ছুটি ঘোষণা করেছে।

    আরও পড়ুন: সৌদির সঙ্গে মিলিয়ে ঈদ পালন করে ভারতের এই গ্রাম! কারণ জানলে অবাক হবেন আপনিও

    প্রসঙ্গত, মুসলিম সম্প্রদায়ের কাছে বছরের সবচেয়ে পবিত্র সময় হল রমজান মাস। এই গোটা এক মাসে সূর্যোদয় থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত রোজা রাখেন মুসলিমরা। এই বছর ভারতে রমজান মাস শুরু হয় ১৮ ফেব্রুয়ারি থেকে। আর রমজান মাসের শেষ দিনে পালিত হয় মুসলিমদের সবচেয়ে বড় উৎসব ইদ-উল ফিতর। ওইদিন সকালে ইদের প্রার্থনা, নতুন পোশাক ও মিষ্টিমুখ করে ইদের আনন্দে মেতে ওঠেন সবাই।