Tag: Government Of Uttar Pradesh

  • ডিমেও লিখতে হবে এক্সপায়েরি ডেট, নির্দেশ যোগী সরকারের

    ডিমেও লিখতে হবে এক্সপায়েরি ডেট, নির্দেশ যোগী সরকারের

    সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্য সুরক্ষার জন্য এবার বিরাট সিদ্ধান্ত নিল রাজ্য সরকার। আগামী ১ এপ্রিল থেকে রাজ্যে বিক্রি হওয়া প্রতিটি ডিমের উপর উৎপাদন তারিখ (Egg Production Date) এবং এক্সপায়ারি ডেট উল্লেখ করতে হবে বলে জানানো হল। আর এই নতুন নিয়ম চালু হলে আর পুরনো বা পচা ডিমকে তাজা বলে বিক্রি করা যাবে না। ক্রেতারা সহজেই বুঝতে পারবে যে, ওই ডিমটি কতদিনের পুরনো এবং তা কত দিন পর্যন্ত খাওয়া যাবে।

    কেন নেওয়া হচ্ছে এই সিদ্ধান্ত?

    সরকারি সূত্র মারফৎ খবর, আগে অনেক জায়গায় পুরনো ডিম বিক্রির অভিযোগ উঠছিল। আর সাধারণ মানুষ তা বুঝতে না পেরে কিনে নিচ্ছিল। এমনকি বোঝাই যেত না যে ডিমটি কতদিনের পুরনো। আর এই সমস্যা দূর করার জন্যই ডিমে স্পষ্টভাবে তারিখ লেখা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। পাশাপাশি বাজারের স্বচ্ছতা বাড়ানো হবে আর খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। এই উদ্যোগ নিয়েছে সম্প্রতি উত্তরপ্রদেশ সরকারের পশুপালন দপ্তর ও ফুড সেফটি বিভাগ।

    বিশেষজ্ঞদের মতে, ডিমের সংরক্ষণ পদ্ধতির উপরেই মূলত ওই ডিমের মেয়াদ নির্ভর করে থাকে। সাধারণ তাপমাত্রা অর্থাৎ ৩০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে ডিম আনুমানিক দুই সপ্তাহ ভালো থাকে। তবে ঠান্ডা পরিবেশে রাখলে অর্থাৎ ২ থেকে ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে যদি ডিম রাখা হয়, তাহলে তা পাঁচ সপ্তাহ পর্যন্ত ব্যবহার করা যায়। কিন্তু অনেক ক্ষেত্রে ঠিকভাবে কোল্ড স্টোরেজ ব্যবহার না করার ক্ষেত্রে সমস্যা হচ্ছিল। তবে নতুন এই পদ্ধতি চালু হলে সেই ঝুঁকি অনেকটাই কমবে।

    আরও পড়ুন: ব্যারেল প্রতি ১৩৭ ডলার! হরমুজ সংকটে এপ্রিলে পেট্রোল-ডিজেলের দাম বাড়তে পারে ভারতে

    নিয়ম না মানলেই সমস্যা

    সরকার ইতিমধ্যেই স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে যে, নিয়ম ভাঙলে সেই ডিম বাজেয়াপ্ত করে দেওয়া হবে এবং নষ্ট বা অনিরাপদ হিসেবে চিহ্নিত করা হবে। এর পাশাপাশি নিয়মিত নজরদারি চালাতে বলা হয়েছে। তবে হ্যাঁ, এত বড় রাজ্যে এখনও পর্যন্ত কোল্ড স্টোরেজদের সংখ্যা খুবই কম। কারণ, বর্তমানে আগ্রা এবং ঝাঁসি, এই দুই জায়গাতেই প্রধানত কোল্ড স্টোরেজ রয়েছে। তবে আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম চালু করা হচ্ছে যে, ডিম এবং সবজি একসঙ্গে সংরক্ষণ করা যাবে না। কারণ, দুটির জন্য আলাদা তাপমাত্রা প্রয়োজন। সরকার জানিয়ে দিয়েছে, অবকাঠামো কম থাকলে কোনও অজুহাত দিলেও চলবে না। এককথায়, এই নিয়ম চালু হলে ক্রেতারা সরাসরি ডিমের গায়ে সেই ডিমের জন্ম তারিখ ও মেয়াদ দেখে কিনতে পারবে।

  • ২০০০ টাকায় কমিশন ২০ টাকা, গ্রামের মহিলাদের আয়ের পথ দেখাচ্ছে বিদ্যুৎ সখী প্রকল্প

    ২০০০ টাকায় কমিশন ২০ টাকা, গ্রামের মহিলাদের আয়ের পথ দেখাচ্ছে বিদ্যুৎ সখী প্রকল্প

    সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: গ্রামীণ মহিলাদেরকে আর্থিকভাবে স্বনির্ভর করে তোলার জন্য রাজ্য সরকারের জনপ্রিয় প্রকল্প এবার বিরাট নজির গড়ল। হ্যাঁ, রাজ্যের বিদ্যুৎ সখী প্রকল্পের (Vidyut Sakhi Scheme) আওতায় গ্রামীণ এলাকার মহিলারা বাড়ি বাড়ি গিয়ে বিদ্যুৎ বিল সংগ্রহ করে এখনো পর্যন্ত ৩২৫০ কোটি টাকার বেশি টাকা জমা করেছেন। মুখ্যমন্ত্রীর নেতৃত্বে চালু হওয়া এই উদ্যোগ শুধুমাত্র যে বিদ্যুৎ বিল সংগ্রহ সহজ করেছে এমনটা নয়, বরং গ্রামের মহিলাদের আয়ের নতুন পথও খুলে দিয়েছে।

    রাজ্য সরকারের জনপ্রিয় প্রকল্প বিদ্যুৎ সখী

    বলে রাখি, এই প্রকল্পটি চালু করা হয়েছে উত্তরপ্রদেশের যোগী আদিত্যনাথ সরকারের তরফ থেকে। রাজ্যে এখনো পর্যন্ত প্রায় ৩০ হাজার মহিলাকে বিদ্যুৎ সখী হিসেবে নিবন্ধিত করা হয়েছে। যার মধ্যে বর্তমানে ১৫ হাজারেরও বেশি প্রশিক্ষিত মহিলা সক্রিয়ভাবে মাঠে কাজ করছেন। তারা গ্রামে গ্রামে গিয়েই বাড়ি বাড়ি বিদ্যুৎ বিল সংগ্রহ করছেন আর গ্রাহকদের ডিজিটাল রশিদ দিচ্ছেন। সরকারের পরিকল্পনামাফিক, বাকি প্রশিক্ষিত মহিলাদেরকেও খুব শীঘ্রই এই কাজে নিযুক্ত করা হবে।

    এদিকে এই প্রকল্পে কাজ করা মহিলাদের জন্য নির্দিষ্ট কমিশনের ব্যবস্থাও রয়েছে। যার ফলে অনেকে এখন মোটা অংকের টাকা আয় করছে। সরকারি সূত্র অনুযায়ী খবর, ২০০০ টাকা পর্যন্ত বিদ্যুৎ বিল সংগ্রহ করলে বিদ্যুৎ সখীরা ২০ টাকা কমিশন পান। আর ২০০০ টাকার বেশি বিলের ক্ষেত্রে দেওয়া হয় ১ শতাংশ কমিশন। এই স্বচ্ছ কমিশন ব্যবস্থার আওতায় রাজ্যের বহু গ্রামীণ মহিলারা এখন আর্থিকভাবে স্বনির্ভর হচ্ছে। অনেকেই ইতিমধ্যেই লাখপতি দিদি হিসেবেও পরিচিত পেয়েছেন।

    আরও পড়ুন: এয়ারপোর্ট অবধি ছুটবে হাইস্পিড ট্রেন! ৭০ কিমি মাত্র ২১ মিনিটে, বিরাট প্ল্যান রেলের

    এমনকি এই প্রকল্পের ফলে গ্রামীণ এলাকার বাসিন্দারাও বিরাট সুবিধা পাচ্ছেন। আগে বিদ্যুৎ বিল জমা দিতে অনেককে ব্লক অফিস বা বিদ্যুৎ দফতরে গিয়ে দীর্ঘক্ষণ ধরে লাইনে দাঁড়াতে হতো। কিন্তু এখন বিদ্যুৎ সখীরা বাড়িতে বাড়িতে গিয়ে বিল সংগ্রহ করছেন। আর সঙ্গে সঙ্গে ডিজিটাল রশিদও দিচ্ছেন। যার ফলে গ্রাহকদের সময় আর পরিশ্রম দুটোই বাঁচছে।