Tag: Gas

  • ১৪ কেজি নয়, এবার সিলিন্ডারে মিলবে অর্ধেক গ্যাস? বুকিং নিয়ম বদলাতে পারে সরকার

    ১৪ কেজি নয়, এবার সিলিন্ডারে মিলবে অর্ধেক গ্যাস? বুকিং নিয়ম বদলাতে পারে সরকার

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ ইরান ও ইজরায়েলের মধ্যে এখনও যুদ্ধ চলছে। এই যুদ্ধ কবে থামবে? উত্তর জানা নেই কারোর। এদিকে এই যুদ্ধের প্রভাব বিশ্বের অন্যান্য দেশ, বিশেষ করে ভারতের নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসের ওপর পড়ছে। LPG থেকে শুরু করে নানা জিনিসের দাম বাড়ছে। এবার এই ১৪ কেজি গ্যাস সিলিন্ডারের (Gas Cylinder) ওজন নিয়ে প্রকাশ্যে এল বড় আপডেট। এবার হয়তো বুকিং করলে অর্ধেক ভর্তি গ্যাসই আপনার বাড়িতে পৌঁছাতে পারে। হ্যাঁ একদম ঠিক শুনেছেন।

    এবার LPG-তে থাকবে অর্ধেক গ্যাস?

    হরমুজ প্রণালী দিয়ে বাণিজ্য কার্যত বন্ধ হয়ে গেছে, যা গ্যাস সরবরাহকে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করছে। ভারত তার অভ্যন্তরীণ এলপিজি চাহিদার প্রায় ৬০% আমদানি করে এবং এই সরবরাহের প্রায় ৯০% আসে মধ্যপ্রাচ্য থেকে। এই অবনতিশীল পরিস্থিতি সাধারণ মানুষের পকেটের উপর সরাসরি প্রভাব ফেলছে। তবে এখন গ্যাসের ওজন নিয়ে নয়া বিতর্ক শুরু হয়েছে। এমনিতে একটি ঘরোয়া গ্যাস সিলিন্ডারে ১৪.২ কেজি গ্যাস থাকে। কিন্তু পরিস্থিতি ক্রমশ খারাপ হতে থাকলে সিলিন্ডারগুলিতে ৭ বা ১০ কেজি গ্যাস ভরা হবে। এই বিষয়ে সরকার চূড়ান্ত কোনও সিদ্ধান্ত না নিলেও আশঙ্কা এমনটাই তৈরি হচ্ছে।

    সিলিন্ডারে গ্যাসের পরিমাণ কমানো হলেও কেন্দ্র বুকিংয়ের নিয়ম অপরিবর্তিত রাখবে বলে মনে করা হচ্ছে। সহজ ভাষায় বললে, ১০ কেজির প্লাস্টিক সিলিন্ডারের ক্ষেত্রে ১৫ দিন, ১৪.২ কেজির সিলিন্ডারের ক্ষেত্রে শহরাঞ্চলে ২৫ দিন এবং গ্রামাঞ্চলে ৪৫ দিনের যে সীমারেখা রয়েছে, তাতে কোনো বদল আসছে না। এদিকে সরকার যতই বলুক পর্যাপ্ত গ্যাস মজুত রয়েছে, জায়গায় জায়গায় গ্যাস নিয়ে হাহাকার পড়ে গিয়েছে। বুকিং করলেও দীর্ঘদিন পর মিলছে গ্যাস। যাইহোক, কবে এই পরিস্থিতি ঠিক হবে সেদিকে নজর রাখছেন সাধারণ মানুষ।

    কোথায় কত টাকায় মিলছে ঘরোয়া, বাণিজ্যিক সিলিন্ডার?

    নয়াদিল্লিতে ঘরোয়া গ্যাসের দাম ৯১৩ এবং বাণিজ্যিক সিলিন্ডারের দাম ১,৮৮৪.৫০ টাকা। মুম্বাইতে ঘরোয়া এবং বাণিজ্যিক গ্যাস সিলিন্ডারের দাম যথাক্রমে ৯১২ এবং ১৮৩৬ টাকা। কলকাতা ঘরোয়া গ্যাস সিলিন্ডার বিকোচ্ছে ৯৩৯ টাকা এবং বাণিজ্যিক গ্যাস সিলিন্ডারের দাম ১,৯৮৮.৫০ টাকা। এর পাশাপাশি চেন্নাইতে ঘরোয়া এবং বাণিজ্যিক গ্যাস সিলিন্ডারের দাম যথাক্রমে ৯২৮.৫০ ও ২,০৪৩.৫০ টাকা।

    আরও পড়ুনঃ মিলতে পারে ১৫ লক্ষ টাকা! ৩১ মার্চের পর বকেয়া DA নিয়ে সুখবর শোনাবে সরকার?

    ২৮শে ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইজরায়েল ইরানের ওপর যৌথ হামলা চালানোর পর উত্তেজনা শুরু হয়। এর ফলে মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে সংঘাত তীব্রতর হয়েছে এবং নিরাপত্তা উদ্বেগের কারণে তেল ও গ্যাস ট্যাংকারগুলো এই গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথ দিয়ে চলাচল কার্যত বন্ধ করে দিয়েছে। জাহাজে হামলার হুমকির কারণে কোম্পানিগুলো এই পথ এড়িয়ে চলছে, যার ফলে সরবরাহে গুরুতর ব্যাঘাত ঘটছে। এই সংকটের কারণে ভারতে এলপিজি সিলিন্ডারের দাম বেড়েছে। মার্চের শুরুতে, ১৪.২ কেজি গার্হস্থ্য সিলিন্ডারের দাম ৫০ টাকা এবং ১৯ কেজি বাণিজ্যিক সিলিন্ডারের দাম ১৪৪ টাকা বাড়ানো হয়েছিল। তবে, এরপর থেকে আর কোনো মূল্যবৃদ্ধির ঘোষণা করা হয়নি। সরকারের দাবি, দেশে বর্তমানে পর্যাপ্ত মজুদ রয়েছে এবং এখনই আতঙ্কিত হওয়ার কোনো প্রয়োজন নেই।

  • ভারতে তো ৯৩৯, পাকিস্তানে LPG-র দাম কত জানেন? শুনলে আঁতকে উঠবেন

    ভারতে তো ৯৩৯, পাকিস্তানে LPG-র দাম কত জানেন? শুনলে আঁতকে উঠবেন

    সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে এমনিতেই দেশে জ্বালানি সংকট (LPG Crisis)। ভারতে ডোমেস্টিক গ্যাস সিলিন্ডারের দাম ইতিমধ্যেই ৬০ টাকা বাড়ানো হয়েছে। আর বাণিজ্যিক সিলিন্ডার তো পাওয়া যাচ্ছে না বললেই চলে। পাশাপাশি ডোমেস্টিক সিলিন্ডারেরও আকাল পড়েছে। সাধারণত ভারতের বেশিরভাগ শহরেই ৯১২ টাকা থেকে ১০০০ টাকার মধ্যে মিলছে গৃহস্থলীর গ্যাস সিলিন্ডার। তবে এবার প্রশ্ন উঠছে, আর্থিক দুর্দশায় জড়িত সন্ত্রাসের দেশ পাকিস্তানে গ্যাস সিলিন্ডারের দাম কত (Pakistan LPG Price)? সেখানকার মানুষকে ঠিক কীরকম অসুবিধার সম্মুখীন হতে হচ্ছে? জানুন।

    পাকিস্তানে গ্যাসের দাম কত?

    বেশ কয়েকটি রিপোর্ট অনুযায়ী জানা যাচ্ছে, পাকিস্তানে একটি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ভারতের থেকে অনেকটাই বেশি এবং তা প্রায়শই ওঠানামা করে। মার্চ মাসের রিপোর্ট অনুযায়ী, একটি ১১.৮ কেজি গার্হস্থ্য সিলিন্ডার পড়ছে প্রায় ২৬৬৪.৮৮ পাকিস্তানি রুপি যা ভারতীয় মুদ্রায় আনুমানিক ৮৮৮ টাকা। তবে ভারতের বাজারে গৃহস্থলীর গ্যাস সিলিন্ডারের ওজন ১৪.২ কেজি। যেটি পাওয়া যাচ্ছে ৯১২ টাকা থেকে ১০০০ টাকার মধ্যে। সেক্ষেত্রে পাকিস্তানের গ্যাস সিলিন্ডার ভারতে আনুমানিক দাম ৮০০ টাকার মধ্যে। যদিও আগে সিলিন্ডারের দাম ছিল ২৬৬৭.৪০ পাকিস্তানি রুপি।

    কী কারণে পাকিস্তানে গ্যাসের দামের ঊর্ধ্বগতি?

    প্রসঙ্গত, সন্ত্রাসের দেশ পাকিস্তানে গ্যাসের দামের এই ঊর্ধ্বগতির পেছনে বেশ কয়েকটি কারণ কাজ করছে। প্রথমত, পাকিস্তান তার এলপিজি সরবরাহের সিংহভাগই বিদেশ থেকে আমদানি করে থাকে। সেই কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে দাম বৃদ্ধি পেলে দেশের বাজারেও দাম বাড়ে। আর যেহেতু এখন পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধ পরিস্থিতিতে হরমুজ প্রণালী দিয়ে গ্যাসবাহী জাহাজগুলি আসতে পারছে না, সেই কারণে সম্প্রতি আরও দাম বেড়েছে। দ্বিতীয়ত, গ্যাসের দামের সঙ্গে উৎপাদন খরচ, পরিবহন, বিপণন ব্যয় আর ১৮% জিএসটি যুক্ত হচ্ছে, যা দামকে আরও বাড়িয়ে তুলছে।

    আরও পড়ুন: জাহান্নামে যাবে! রেড রোডে ঈদের মঞ্চে মোদিকে ‘অনুপ্রবেশকারী’ তকমা মমতার

    আর সবথেকে বড় ব্যাপার, পাকিস্তানি রুপি বর্তমানে মার্কিন ডলারের বিপরীতে অনেকটাই দুর্বল। আর ডলারের মূল্যবৃদ্ধি গ্যাসের দাম বাড়ায়। এক কথায়, আর্থিক দুর্দশায় জর্জরিত পাকিস্তানে প্রতিনিয়িত গ্যাসের দাম ব্যাপকভাবে ওঠানামা করে, যা সাধারণ মানুষের বাজেটের উপর প্রভাব ফেলে। বিশেষ করে গ্যাসের ঊর্ধ্বগতি দরিদ্র এবং মধ্যবিত্ত শ্রেণীর মানুষের উপর আরও চাপ সৃষ্টি করে। আর অনেকেই সেই কারণে কাঠ বা কয়লাতে রান্না করে থাকে। সবথেকে বড় ব্যাপার, পাকিস্তানে গ্যাসের জন্য কোনও রকম ভর্তুকিও মেলেনা সরকারের তরফ থেকে। সেই কারণেই আরও বাড়তি চাপ।

  • LPG সংকটের মাঝে ৫০০ টাকার ফ্রি গ্যাস, ৩১ মার্চের আগে করতে হবে এই কাজ

    LPG সংকটের মাঝে ৫০০ টাকার ফ্রি গ্যাস, ৩১ মার্চের আগে করতে হবে এই কাজ

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধ পরিস্থিতির জেরে গোটা দেশ জুড়ে গ্যাস সিলিন্ডার (LPG Crisis ) সরবরাহ নিয়ে এক চরম অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। এদিকে আবার গ্যাস সংকটের আতঙ্কের মাঝেই বাড়ছে দাম। এমতাবস্থায় মাথায় হাত পড়েছে সকলের। তাই সেই সংকট থেকে মুক্তি পেতে সকলেই বর্তমানে PNG সংযোগের ওপর জোর দিচ্ছে। এবার এই PNG সংযোগের জন্য বড় অফার আনল সরকার। গ্রাহকদের দেওয়া হবে ৫০০ টাকার বিনামূল্যে গ্যাস।

    সবচেয়ে নিরাপদ PNG সংযোগ

    PNG অর্থাৎ পাইপড ন্যাচারাল গ্যাস, এতে গ্যাস সিলিন্ডারের মতো বাড়িতে সরবরাহ করা হয় না, বরং পাইপলাইনের মাধ্যমে সরাসরি রান্নাঘরে পৌঁছায়। আর এই সংযোগের সবচেয়ে বড় সুবিধা হল সিলিন্ডার শেষ হওয়ার চিন্তা থাকে না এবং গ্যাস একটানা পাওয়া যায়। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল এই PNG সংযোগ অত্যন্ত নিরাপদ এবং সুবিধাজনক। অনেক গ্রাহক ভাবেন যে এই সংযোগ করা অত্যন্ত কঠিন এবং সময়সাপেক্ষ। কিন্তু না তা একদমই কঠিন হয়ে, শুধু মানতে হবে কয়েকটি সহজ প্রসেস। আর এইসবের মাঝেই সরকার PNG সংযোগের জন্য দিচ্ছে বড় ছাড়।

    মিলবে ৫০০ টাকার বিনামূল্যে গ্যাস

    বরাবরই সরকার LPG গ্যাস সংযোগের নির্ভরতা কমানোর জন্য PNG সংযোগ বৃদ্ধির প্রচার করে চলেছে। এই কারণে, ইন্দ্রপ্রস্থ গ্যাস লিমিটেড, GAIL এবং ভারত পেট্রোলিয়ামের মতো সংস্থাগুলি PNG সংক্রান্ত বিভিন্ন অফার নিয়ে এসেছে। যেখানে বলা হয়েছে কোনো গ্রাহক যদি ৩১ মার্চের আগে PNG সংযোগের জন্য রেজিস্ট্রেশন করেন, তাহলে সে PNG ইনস্টলেশনের ক্ষেত্রে বড় অফার পাবেন, রেজিস্ট্রশন ফি মকুব করা হবে। শুধু তাই নয়, সহজ কিস্তিতে অর্থ প্রদানের সুবিধা সহ গার্হস্থ্য গ্রাহকদের জন্য ৫০০ টাকার বিনামূল্যে গ্যাস অফার করছে। তবে এই সুযোগ দিল্লি এবং তার আশেপাশের এলাকার বাসিন্দাদের জন্য আনা হয়েছে। এখন প্রশ্ন কীভাবে এই PNG সংযোগের জন্য আবেদন করতে হবে, আজকের প্রতিবেদনের মাধ্যমে সম্পূর্ণটা জেনে নিন বিস্তারিত।

    আরও পড়ুন: সত্যিই কপাল খারাপ KKR-র! এবার IPL থেকে ছিটকে গেলেন আকাশদীপও

    PNG সংযোগ করার জন্য অফিসে যেতে হবে না, ঘরে বসেই অনলাইনে এর মাধ্যমে সহজেই আবেদন করে নিতে পারবেন যে কেউ। তারজন্য প্রথমে, এলাকায় PNG পরিষেবা উপলব্ধ আছে কিনা তা যাচাই করার জন্য সংশ্লিষ্ট গ্যাস কোম্পানির ওয়েবসাইটে গিয়ে পিনকোড দিয়ে চেক করে নিতে হবে। যদি পরিষেবা উপলব্ধ থাকে, তাহলে অনলাইনে একটি ফর্মে গ্রাহকের নাম, ঠিকানা, মোবাইল নম্বর, ইমেল ঠিকানা এবং পরিচয়পত্র দিয়ে সাবমিট করে দিতে হবে। এরপর তথ্য যাচাইয়ের পর গ্রাহকের বাড়িতে লোক আসবে ইনস্টলেশনের জন্য। তাই দেরি না করে এখনই রেজিস্টার করে নিন।

  • গ্যাস বুকিং আরও সহজ, জারি হল নয়া নম্বর ও নিয়ম

    গ্যাস বুকিং আরও সহজ, জারি হল নয়া নম্বর ও নিয়ম

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের আবহে একধাক্কায় বেড়ে গিয়েছে জ্বালানির দাম। এদিকে রান্নার গ্যাস (LPG Gas Cylinder) নিয়েও নানা গুজব ছড়িয়ে পড়েছে দেশ জুড়ে। ফলস্বরূপ গ্যাসের আকাল পড়ায় বিভিন্ন প্রান্তে গ্যাস এজেন্সির সামনে গ্রাহকের দীর্ঘ লাইন দিতে হচ্ছে। যদিও কেন্দ্রীয় সরকার বারবার জানিয়েছে, গৃহস্থালির LPG সরবরাহে কোনও ঘাটতি নেই। এরপরেও দ্রুত সিলিন্ডার বুক (LPG Gas Booking) করতে গিয়ে সমস্যায় পড়ছেন সকলে। ব্যস্ত লাইনের কারণে অসুবিধা হচ্ছে, ফলে সময় নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি রান্নার সমস্যাও বাড়ছে। তাই এবার বড় উদ্যোগ নিল ইন্ডিয়ান অয়েল।

    গ্যাস বুকিংয়ের জন্য নতুন নম্বর

    গ্যাস বুকিংয়ের জন্য বারবার চেষ্টা করেও গ্রাহকদের মধ্যে নানা সমস্যা দেখা যাচ্ছে। ফোন করার চেষ্টা করা হলেও মিলছে না সুরাহা। ব্যস্ত বলেই চলেছে প্রতিটি লাইন, তাই এই সমস্যা দূর করতে বুকিংয়ের জন্য নতুন দুটি নম্বর চালু করল ইন্ডিয়ান অয়েল। এখন থেকে INDANE গ্রাহকরা ফোন করে সিলিন্ডার বুক করতে পারবেন। মিসড কল বুকিংয়ের জন্য যে নতুন নম্বর দেওয়া হয়েছে সেটি হল, ‘89272-25667’। এছাড়াও আইভিআরএসের মাধ্যমে বুকিংয়ের নতুন নম্বর হল ‘83919-90070’। জানা গিয়েছে ২৪ ঘণ্টা চালু থাকবে এই নম্বর দুটি। এই উদ্যোগে বেশ খুশি সকলে।

    বুকিং এর জন্য নয়া নিয়ম

    গ্যাসের অযথা মজুত বন্ধ করার লক্ষ্য নিয়ে শহরে এবং গ্রামে এলপিজি বুকিং সাইকেলে নানা পরিবর্তন আনা হয়েছে কেন্দ্রের তরফে। শহরের গ্রাহকদের জন্যও এলপিজি বুকিং সাইকেলে পরিবর্তন করা হয়েছে। আগে যেখানে দুটি সিলিন্ডার বুকিংয়ের মধ্যে সময়সীমা ২১ দিন ছিল, এখন সেটি বাড়িয়ে ২৫ দিন করা হয়েছে। অন্যদিকে গ্রামীণ এলাকার গ্রাহকেরা যেখানে প্রতি ২৫ দিনে একবার সিলিন্ডার বুক করার সুবিধা পেতেন, সেটি এখন বাড়িয়ে সরাসরি ৪৫ দিন করা হয়েছে। অর্থাৎ প্রথম সিলিন্ডার বুক করার ৪৫ দিন পরেই দ্বিতীয় সিলিন্ডার বুক করতে পারবেন গ্রাহকরা।

    আরও পড়ুন: কলেজ শিক্ষক নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে অনিয়ম! বিতর্ক উঠতেই চিন্তায় চাকরিপ্রার্থীরা

    প্রসঙ্গত, গ্যাস ডেলিভারি করার ক্ষেত্রে DAC নম্বর বা ডেলিভারি অথেন্টিকেশন কোড নেওয়া বাধ্যতামূলক। কিন্তু ডিস্ট্রিবিউটররা অভিযোগ জানাচ্ছেন যে বহু গ্রাহকই গ্যাস ডেলিভারি নেওয়ার সময় DAC দিতে পারছে না। ফেডারেশনের সহ সভাপতি বিজনবিহারী বিশ্বাস জানিয়েছেন, ‘DAC না দেওয়ার ফলে আমাদের সমস্যা হচ্ছে। তেল সংস্থাগুলি বারবার দাবি করছে, DAC ছাড়া সিলিন্ডার ডেলিভারি দেওয়া হবে না।’ কিন্তু এই সমস্যার জট কাটছে না। আসলে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে দেখা যাচ্ছে গ্যাসের সঙ্গে রেজিস্টার্ড করা মোবাইল নম্বরটি রিচার্জ না করায় আসছে না ‘DAC’।

  • LPG সঙ্কটের মাঝে গ্যাস নিয়ে নয়া নির্দেশনা, না মানলে মিলবে না সিলিন্ডার

    LPG সঙ্কটের মাঝে গ্যাস নিয়ে নয়া নির্দেশনা, না মানলে মিলবে না সিলিন্ডার

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ এলপিজির (LPG Cylinder) জোগান না থাকায় এমনিতেই সমস্যায় রয়েছেন সাধারণ আমজনতা। গ্যাস নিয়ে বাংলা সহ গোটা দেশে রীতিমতো হাহাকার পড়ে গিয়েছে। এদিকে রেস্তোরাঁগুলিতেও মেনুতে কাটছাঁট থেকে শুরু করে মেনুর দাম বৃদ্ধি করে দিয়েছে। আগামী দিনে পরিস্থিতি কী হবে সেটা ভেবে দিশেহারা সকলে। এরই মাঝে এলপিজির নিয়মে বড় বদল আনল কেন্দ্রীয় সরকার। ৩৩ কোটি মানুষের জন্য বিশেষ নির্দেশিকা জারি করেছে কেন্দ্র।

    LPG e-KYC বাধ্যতামূলক করল কেন্দ্র

    নিশ্চয়ই ভাবছেন কী হয়েছে? তাহলে জানিয়ে রাখি, কেন্দ্রীয় সরকার দেশের প্রায় ৩৩ কোটি ঘরোয়া গ্যাস সিলিন্ডার গ্রাহকের জন্য বায়োমেট্রিক আধার অথেন্টিকেশন অর্থাৎ ই-কেওয়াইসি (eKYC) করানো বাধ্যতামূলক করেছে। তবে, এর জন্য গ্যাস এজেন্সিতে লাইনে দাঁড়ানোর প্রয়োজন হবে না। ঘরে বসেই ফোনের মাধ্যমে কয়েকটি সহজ ধাপ অনুসরণ করে আপনি করে নিতে পারবেন। মূলত গ্যাস সরবরাহে স্বচ্ছতা আনতে এবং ভর্তুকির সুবিধা যাতে সরাসরি সঠিক সুবিধাভোগীদের কাছে পৌঁছায় তা নিশ্চিত করতে এই পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। উল্লেখ্য যে, ই-কেওয়াইসি প্রক্রিয়াটি আধার অথেন্টিকেশন অ্যাপের মাধ্যমেই সম্পন্ন হবে। এই কারণেই গ্যাস গ্রাহকদের এই বাধ্যতামূলক প্রক্রিয়ার জন্য এজেন্সিতে যেতে হবে না।

    পেট্রোলিয়াম মন্ত্রক এক্স হ্যান্ডেলে জানিয়েছে যে, এখন থেকে সমস্ত গার্হস্থ্য গ্যাস গ্রাহকদের জন্য বায়োমেট্রিক আধার ভেরিফিকেশন বা ই-কেওয়াইসি সম্পন্ন করা বাধ্যতামূলক। টুইটটিতে আরও বলা হয়েছে যে, ই-কেওয়াইসি-র জন্য শুধু গ্যাস কোম্পানির মোবাইল অ্যাপ এবং Aadhaar Face RD-ই যথেষ্ট নয়। বর্তমানে প্রধানমন্ত্রী উজ্জ্বলা যোজনার ১০৫ মিলিয়নেরও বেশি সুবিধাভোগীর ভর্তুকি অব্যাহতভাবে পাওয়ার জন্য এই যাচাইকরণটি বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। এই সুবিধাভোগীদের বছরে একবার এই অনলাইন যাচাইকরণ প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন করতে হবে।

    ফোন থেকে কীভাবে LPG E-KYC সম্পন্ন করবেন?

    আপনার ফোন থেকে ই-কেওয়াইসি সম্পন্ন করতে, প্রথমে আপনার গ্যাস কোম্পানির অ্যাপ এবং Aadhaar Face RD অ্যাপ ইনস্টল করুন। বাধ্যতামূলক বায়োমেট্রিক প্রমাণীকরণ সম্পন্ন করার জন্য এলপিজি গ্রাহকদের এগুলোর প্রয়োজন হবে।

    আরও পড়ুনঃ বাংলার গুরুত্বপূর্ণ রুটে একাধিক ট্রেন বাতিল করল রেল, সমস্যায় পড়বেন যাত্রীরা

    ১) গ্যাস কোম্পানির অ্যাপটি ওপেন করুন এবং আপনার গ্যাস সংযোগের সাথে নিবন্ধিত একই মোবাইল নম্বর দিয়ে লগইন করুন।
    ২) গ্যাস কোম্পানির অ্যাপের মেনু বা সার্ভিস সেকশনে গিয়ে সেখানকার আধার E-KYC বা Re-KYC বাটনে ক্লিক করুন।
    ৩) এরপরে, স্ক্রিনে ভেসে থাকা নিয়মগুলো মেনে নিন এবং মুখ শনাক্তকরণের কাজটি সম্পন্ন করতে পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যান।
    ৪) এটি করলে আধার ফেসআরডি অ্যাপটি অটোমেটিকভাবে খুলে যাবে।
    ৫) এবার, আপনার ফোনের সামনের ক্যামেরা দিয়ে আপনার মুখ স্ক্যান করুন।
    এই ধাপের পর আপনার আধার বিবরণ স্ক্রিনে দেখা যাবে। এখন সাবমিট অপশনে ক্লিক করে আপনার ই-কেওয়াইসি সম্পূর্ণ করুন।

  • PNG থাকলে আপাতত মিলবে না LPG! নয়া নির্দেশ কেন্দ্রের

    PNG থাকলে আপাতত মিলবে না LPG! নয়া নির্দেশ কেন্দ্রের

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ গ্যাস সিলিন্ডারের (Gas Cylinder) এবার PNG নিয়ে বড় নির্দেশিকা জারি করল কেন্দ্রীয় সরকার। ইরান ইজরায়েলের মধ্যেকার যুদ্ধের আঁচ ভারতের হেঁশেলে পড়েছে। একদিকে যখন নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিস কিনতে গিয়ে হিমশিম খাচ্ছেন আমজনতা, তখন আচমকা সরকার ঘরোয়া রান্নার গ্যাস থেকে শুরু করে বাণিজ্যিক গ্যাস সিলিন্ডারের দাম আকাশছোঁয়া করে দিয়েছে। এখনও বিষয়টি অনেকে হজম করতে পারেননি, এরই মধ্যে এবার পাইপযুক্ত প্রাকৃতিক গ্যাস (PNG) নিয়ে বড় ঘোষণা করল কেন্দ্র। নেওয়া হয়েছে কড়া পদক্ষেপ। চলুন বিশদে জেনে নেবেন।

    PNG নিয়ে বড় ঘোষণা কেন্দ্রের

    পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস মন্ত্রক শনিবার ঘোষণা করেছে যে, যাদের বাড়িতে পিএনজি সংযোগ রয়েছে তারা আর ঘরোয়া এলপিজি সিলিন্ডার সংরক্ষণ, নতুন কানেকশন গ্রহণ বা সিলিন্ডার পুনরায় রিফিল করতে পারবেন না। সংশোধিত সরবরাহ নির্দেশের অধীনে, তেল কোম্পানিগুলিকে এই ধরনের গ্রাহকদের এলপিজি কানেকশন বা পুনরায় রিফিল প্রদান থেকেও নিষেধ করা হয়েছে।

    কেন এরকম সিদ্ধান্ত সরকারের?

    সরকার এই সিদ্ধান্ত এমন এক সময়ে নিয়েছে যখন বিশ্বব্যাপী পরিস্থিতি এলপিজি সরবরাহের উপর প্রভাব ফেলছে। মধ্যপ্রাচ্যে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার কারণে ভারতে এলপিজি চালান হ্রাস পাচ্ছে। এক রিপোর্ট অনুসারে, ৯ মার্চ থেকে শুরু হওয়া সপ্তাহে ভারতে এলপিজি সরবরাহ আনুমানিক ২.৭ লক্ষ টন পৌঁছাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে, যা ২০২৩ সালের এপ্রিলের পর সর্বনিম্ন। মধ্যপ্রাচ্যের সাম্প্রতিক ঘটনাবলীর কারণে হরমুজ প্রণালী বন্ধ হয়ে গেছে, যে সমুদ্রপথ দিয়ে ভারতের এলপিজির একটি বড় অংশ প্রবেশ করে। এর ফলে আমদানি ব্যাহত হয়েছে এবং অভ্যন্তরীণ বাজারে চাপ বেড়েছে। ভারত বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম এলপিজি গ্রাহক এবং তার চাহিদার প্রায় ৯০ শতাংশ আমদানির উপর নির্ভর করে।

    আরও পড়ুনঃ ঘরে বসেই ট্রান্সফার হবে পিএফ অ্যাকাউন্ট, নয়া সুবিধা আনল EPFO

    এদিকে দেশের রিফাইনারিগুলিকে উৎপাদন বাড়ানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, যার ফলে দেশীয় এলপিজি উৎপাদন প্রায় ২৮ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে বলে জানিয়েছে সরকার। মূলত চাহিদা নিয়ন্ত্রণে রাখতে সরকার সম্প্রতি রান্নার গ্যাসের দাম বাড়িয়েছে। ৭ মার্চ, প্রায় এক বছর পর ১৪.২ কিলোগ্রামের একটি ঘরোয়া এলপিজি সিলিন্ডারের দাম বাড়ানো হয়, যা প্রায় ৭ শতাংশ বেড়ে ৯১৩ টাকায় দাঁড়িয়েছে।

  • দেশে ৩০% বাড়ল LPG-র উৎপাদন, কমবে গ্যাসের ক্রাইসিস

    দেশে ৩০% বাড়ল LPG-র উৎপাদন, কমবে গ্যাসের ক্রাইসিস

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধের কারণে দিন দিন গ্যাসের সঙ্কট বেড়েই চলেছে। মিলছে না গ্যাস, বাজারে তাই গ্রাহকদের হাহাকার অবস্থা। এই কারণে একাধিক শহরে হোটেল-রেস্টুরেন্ট বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। গ্যাসের সংকটের (LPG Cylinder Crisis) ছায়া পড়েছে হাসপাতাল, স্কুল কলেজ হোস্টেল ক্যান্টিনে। আর ঠিক এই পরিস্থিতিতে গতকাল অর্থাৎ শুক্রবার জ্বালানি নিয়ে বড় ঘোষণা করল কেন্দ্রীয় সরকার (Central Government Of India)। রান্নার গ্যাসের অভ্যন্তরীণ উৎপাদন (LPG Gas Production) প্রায় ৩০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে বলে আশ্বাস দিল কেন্দ্র।

    এলপিজি উৎপাদন ৩০ শতাংশ বাড়ানো হয়েছে

    কেন্দ্রীয় তেল মন্ত্রকের যুগ্মসচিব সুজাতা শর্মা জানিয়েছে যে, দেশজুড়ে গৃহস্থালির জন্য এলপিজি সরবরাহ স্বাভাবিক রয়েছে। রিফাইনারিগুলিতে উৎপাদন বাড়ানো হয়েছে যাতে বাজারে গ্যাসের ঘাটতি না হয়। রিপোর্ট মোতাবেক ৫ মার্চের পর থেকে দেশে এলপিজি উৎপাদন ৩০ শতাংশ বাড়ানো হয়েছে। অন্যদিকে ব্যবসায়ীদের চাহিদার কথা মাথায় রেখেই এলপিজি বুকিংয়ের ব্যবধান বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্রীয় পেট্রোলিয়াম মন্ত্রী হরদীপ সিং পুরী। তিনি জানিয়েছেন, শহরাঞ্চলে গ্যাস বুকিংয়ের ন্যূনতম ব্যবধান ২১ দিন থেকে বাড়িয়ে ২৫ দিন করা হয়েছে। গ্রামাঞ্চল ও দুর্গম এলাকায় এই ব্যবধান ২৫ দিন থেকে বাড়িয়ে ৪৫ দিন করা হয়েছে। আর তাতে পরিস্থিতি কিছুটা স্বস্তিদায়ক হয়েছে।

    কী বলছেন যুগ্ম সচিব সুজাতা শর্মা?

    পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব সুজাতা শর্মা জানিয়েছেন, “পরিবার, হাসপাতাল এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের জন্য এলপিজি সরবরাহকে বেশি অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। এছাড়াও কেন্দ্র, রাজ্য সরকারগুলিকে বাণিজ্যিক সিলিন্ডারও সরবরাহ করছে, যাতে রাজ্য সরকার যেখানে যেমন প্রয়োজন ঠিক ততটাই অগ্রাধিকার অনুসারে বিতরণ করতে পারে। পাশাপাশি সারা দেশে পেট্রোল বা ডিজেলের কোনও ঘাটতি নেই। প্রায় ১,০০,০০০ খুচরো জ্বালানি বিক্রেতা জানিয়েছেন যে গ্যাসের কোনও ঘাটতি নেই তাদের আউটলেটে। পেট্রোল পাম্পগুলিও স্বাভাবিকভাবে চলছে এবং পর্যাপ্ত জ্বালানি মজুত রয়েছে।”

    পাইপের মাধ্যমেও চলছে গ্যাস সরবরাহ

    ভারতে প্রায় ১ কোটি ৫০ লক্ষ পরিবার পিএনজি কানেক্শন ব্যবহার করেন। সরকারের তরফ থেকে বলা হয়েছে, পাইপের মাধ্যমে সরবরাহ করা প্রাকৃতিক গ্যাস এবং কম্প্রেসড প্রাকৃতিক গ্যাসও স্থিতিশীল রয়েছে এবং পর্যাপ্ত পরিমাণ সরবরাহও করা হচ্ছে। আরও ৬০ লক্ষ বাড়ি সহজেই পিএনজি সংযোগ পেতে পারেন। ফলস্বরূপ এলপিজির চাহিদার উপর চাপ কমতে পারে। অন্যদিকে যানবাহনে ব্যবহৃত সিএনজি সরবরাহ অব্যাহত রয়েছে। এছাড়াও অন্য শিল্পক্ষেত্রগুলি যেমন উৎপাদন শিল্প ও চা শিল্প, এদের গড় চাহিদার প্রায় ৮০ শতাংশ গ্যাস দেওয়া হবে।

    আরও পড়ুন: KKR-এ হর্ষিত রানার বদলি হচ্ছেন MI-র এই বোলার! চেনেন নাকি?

    প্রসঙ্গত, এলপিজি ঘাটতির অভিযোগ তুলে বিরোধী সাংসদেরা সংসদ চত্বরে বিক্ষোভও দেখিয়েছেন। তবে কেন্দ্র জানিয়েছে, পরিস্থিতি সামাল দিতে একাধিক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এদিকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জ্বালানি সংকটের জেরে কেন্দ্রের বিরুদ্ধে রাজপথে মিছিল করতে চলেছেন। আগামী সোমবার, ১৬ মার্চ, বিকেল ৪টের সময় মিছিল শুরু হবে কলেজ স্কোয়ার থেকে যা শেষ হবে ডরিনা ক্রসিংয়ে। মিছিলে উপস্থিত থাকবেন তৃণমূলের নেতা মন্ত্রীরা।

  • লাগবে না গ্যাস-বিদ্যুৎ, রোদেই হবে রান্না! LPG সংকটে মুশকিল আসান এই উনুন

    লাগবে না গ্যাস-বিদ্যুৎ, রোদেই হবে রান্না! LPG সংকটে মুশকিল আসান এই উনুন

    সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: রান্নার গ্যাসের দাম বৃদ্ধি আর সরবরাহের সমস্যা (LPG Crisis) দিনের পর দিন চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে মধ্যবিত্ত থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষের। এই পরিস্থিতিতে বিকল্প রান্নার উপায় খুঁজছে এখন আমজনতা। ঠিক এরকম সময় আলোচনায় উঠে আসছে সূর্যের আলোতে চলা সোলার কুকার (Solar Cooker)। এই প্রযুক্তিতে রান্নার জন্য প্রয়োজন হবে না কোনও এলপিজি গ্যাস বা বিদ্যুতের। বিশেষজ্ঞদের মতে, যে সমস্ত অঞ্চলে প্রচুর রোদ সেখানে সোলার কুকার হতে পারে একেবারে দারুণ বিকল্প।

    কীভাবে কাজ করে এই সোলার কুকার?

    সোলার কুকার মূলত বিজ্ঞান আর প্রযুক্তির প্রয়োগ। এতে একটি রিফ্লেক্টর বা চকচকে পৃষ্ঠ থাকে, যেটি সূর্যের আলোকে নির্দিষ্ট জায়গায় কেন্দ্রীভূত করে রাখে। আর ওভেনের ভেতরের অংশ সাধারণত কালো রঙের হয়ে থাকে, যাতে সূর্যের তাপ সহজেই শোষিত হয়। আর উপরে কাঁচের ঢাকনা থাকার কারণে ভিতরে গ্রীনহাউস ইফেক্ট তৈরি হয় এবং তা বাইরে যেতে পারে না। এভাবে সোলার কুকারের ভিতরে তাপমাত্রা অনেক সময় ১৫০ ডিগ্রি সেলসিয়াসেরও বেশি হয়ে যায়, যা কিনা ভাত, ডাল, সবজি বা অন্যান্য সাধারণ খাবার রান্নার জন্য একেবারে পারফেক্ট।

    তবে হ্যাঁ, বর্তমানে বাজারে মূলত দুই ধরনের সোলার কুকার পাওয়া যায়। প্রথমত রয়েছে বক্স টাইপ কুকার। এই ধরনের কুকারগুলি ছোট পরিবারের জন্য উপযোগী। এর দাম ২৫০০ টাকা থেকে ৪৫০০ টাকার মধ্যে হয়ে থাকে। আর দ্বিতীয়ত রয়েছে প্যারাবোলিক সোলার কুকার। এগুলি দ্রুত তাপ তৈরি করতে পারে আর তুলনামূলকভাবে বেশি কার্যকর। এর দাম ৫০০০ থেকে ৮০০০ টাকার মধ্যে হয়ে থাকে। এগুলি অনলাইনে অ্যামাজন বা ফ্লিপকার্টের মতো ই-কমার্স প্ল্যাটফর্ম থেকে অনায়াসে কিনে নিতে পারবেন।

    সোলার কুকারের প্রধান সুবিধা

    জানিয়ে রাখি, সোলার কুকার ব্যবহার শুধুমাত্র যে খরচ বাঁচাবে এমনটাই নয়, বরং পরিবেশের দিক থেকেও এটি উপকারী। কারণ, এক্ষেত্রে রান্নার জন্য গ্যাস বা বিদ্যুতের প্রয়োজন তো পড়েই না, পাশাপাশি দীর্ঘমেয়াদে রান্নার খরচ একেবারে শুন্য নেমে আসে। আর ধীরে রান্না হওয়ার কারণে খাবারের পুষ্টিগুণ অনেকটাই বাড়ে। পাশাপাশি গ্যাস লিকেজ বা আগুন লাগার ঝুঁকিও থাকে না, এবং  রক্ষণাবেক্ষণ খুবই সহজে করা যায়।

    আরও পড়ুন: LPG সংকটের জের, রেস্তোরাঁর বিলের সাথে যুক্ত হচ্ছে গ্যাসের চার্জ!

    এক্ষেত্রে উল্লেখ করার বিষয়, সোলার কুকার ব্যবহার করার জন্য কিছু বিষয় খেয়াল রাখতে হবে। যেমন, এমন জায়গায় এই কুকার রাখতে হবে যেখানে কমপক্ষে ৩ থেকে ৪ ঘণ্টা সরাসরি রোদ পড়ে, বিশেষ করে ছাদ বা বারান্দায় ব্যবহার করলে সবথেকে ভালো। তাছাড়া রান্নার জন্য কালো রঙের পাত্র ব্যবহার করুন। এতে দ্রুত তাপ শোষণ হয়। আর সকাল দশটা থেকে এগারোটার মধ্যে খাবার রাখলে দুপুরের মধ্যেই তা রান্না হয়ে যাবে বলে জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।

  • দূর হবে চিন্তা, LPG নিয়ে এল বড় সুখবর

    দূর হবে চিন্তা, LPG নিয়ে এল বড় সুখবর

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ LPG নিয়ে সংকটের মাঝেই বিরাট সুখবর শোনাল ভারত সরকার। এমনিতে গ্যাসের দাম বৃদ্ধি থেকে শুরু করে গ্যাসের (LPG Cylinder) অমিল নিয়ে সমস্যায় পড়েছেন সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে হোটেল ব্যবসায়ীরা। কী করে হেঁশেল চলবে সেই চিন্তা এখন কুঁড়ে কুঁড়ে খাচ্ছে সকলকে। এহেন পরিস্থিতিতে সরকারের এক ঘোষণা সকলের মধ্যে একটু হলেও স্বস্তির আবহাওয়া তৈরি করতে পারবে বলে মনে করা হচ্ছে। প্রাকৃতিক গ্যাস ভর্তি দুটি কার্গো জাহাজ ভারতের উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছে বলে খবর।

    দুটি কার্গো জাহাজ আসছে ভারতে

    যত সময় এগোচ্ছে ইরান-ইজরায়েলের যুদ্ধের কারণে দেশে গ্যাস সংকট আরও তীব্র হচ্ছে। গ্যাস সরবরাহের অভাবে অনেক শহরের হোটেল এবং রেস্তোরাঁ বন্ধ রয়েছে। অনেক শহরের গ্যাস এজেন্সিগুলির বাইরে দীর্ঘ লাইন তৈরি হয়েছে। ইতিমধ্যে, সরকার জানিয়েছে যে বুকিংয়ের আড়াই দিন পরে এলপিজি সিলিন্ডার পাওয়া যাবে। সরকার জনগণকে আতঙ্কিত না হয়ে সিলিন্ডার মজুদ না করার জন্যও আবেদন করেছে। দেশে এলপিজি উৎপাদন ২৫ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। এরই মাঝে সরকার ঘোষণা করেছে, তরল প্রাকৃতিক গ্যাস (LNG)-এর দুটি কার্গো ইতিমধ্যেই ভারতের উদ্দেশে রওনা দিয়েছে। এর ফলে সংকট কিছুটা হলেও মিটবে বলে মনে করা হচ্ছে।

    আরও পড়ুনঃ DA আন্দোলনে যেতে পারবেন না শিক্ষকরা! নোটিশ জারি মধ্যশিক্ষা পর্ষদের

    পেট্রোলিয়াম মন্ত্রকের যুগ্ম সচিব (বিপণন ও তেল শোধনাগার) সুজাতা শর্মা এক সংবাদ সম্মেলনে বলেছেন যে আমরা আমাদের এলপিজি চাহিদার ৬০ শতাংশ আমদানি করি এবং এর ৯০ শতাংশ আসে হরমুজ প্রণালী থেকে । এই পরিস্থিতি মোকাবেলায় সরকার বেশ কয়েকটি পদক্ষেপ নিয়েছে। ৮ মার্চ, রিফাইনারি এবং পেট্রোকেমিক্যাল কমপ্লেক্সগুলিকে এলপিজি উৎপাদন সর্বাধিক করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। তিনি বলেন, সরকারি পদক্ষেপের কারণে, দেশীয় এলপিজি উৎপাদন ২৫ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। এটি দেশীয় গ্রাহকদের কাছে সরবরাহ করা হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, হাসপাতাল এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলিতে অ-দেশীয় এলপিজিকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে।

    কত টাকায় মিলছে রান্নার গ্যাস?

    দিল্লিতে একটি সিলিন্ডারের দাম ৬০ বৃদ্ধির পর ৯১৩ টাকায় এসে দাঁড়িয়েছে। যদিও উজ্জ্বলা সুবিধাভোগীদের জন্য, দাম ৬১৩ টাকা। ২০২৩ সালের জুলাই থেকে, আন্তর্জাতিক বাজারে এলপিজির দাম ৪১% বৃদ্ধি পেয়েছে, যেখানে ভারতে পিএমইউ-এর দাম ৩২% হ্রাস পেয়েছে। তিনি বলেন যে ভারতে এলপিজির দাম অনেক দেশের তুলনায় অনেক কম।

  • দাম বৃদ্ধি তো ছিলই, এখন অমিল গ্যাস! LPG সঙ্কটে শহরের সমস্ত হোটেল বন্ধের সিদ্ধান্ত

    দাম বৃদ্ধি তো ছিলই, এখন অমিল গ্যাস! LPG সঙ্কটে শহরের সমস্ত হোটেল বন্ধের সিদ্ধান্ত

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: ইরান এবং ইজরায়েল যুদ্ধ পরিস্থিতির জেরে রীতিমত কাবু হয়ে উঠেছে গোটা বিশ্ব। দু’পক্ষের মধ্যে আক্রমণ এবং প্রতি আক্রমণের ফলে কোপ পড়েছে জ্বালানিতে। ঊর্ধ্বমুখী দামের কারণে বেড়েছে রান্নার গ‍্যাসের (Gas Cylinder Price Hike) দামও। এদিকে এই যুদ্ধ পরিস্থিতির জেরে কর্নাটকের রাজধানী বেঙ্গালুরুতে (Bengaluru) দেখা দিয়েছে বাণিজ্যিক সিলিন্ডার সরবরাহের চরম অভাব। ফলে বেঙ্গালুরু শহর জুড়ে বন্ধ হতে চলেছে সমস্ত হোটেল, রেস্তোরাঁ (Bengaluru Hotels Shut Down)। মারাত্মক ক্ষতির মুখে ব্যবসায়ীরা।

    গ্যাসের দাম বৃদ্ধিতে মহা সমস্যায় ব্যবসায়ীরা

    জানা গিয়েছে, ইরান এবং ইজরায়েলের যুদ্ধ পরিস্থিতির জেরে বন্ধ রয়েছে হরমুজ প্রণালী, যেখান দিয়ে বিশ্ব বাজারে সিংহভাগ আমদানি-রফতানি হয় তেলের। তার জেরেই গোটা বিশ্ব সহ ভারতে, জ্বালানির সঙ্কট দেখা দিয়েছে। ১৪ কেজির রান্নার গ্যাস সিলিন্ডারের দাম ৬৩ টাকা বাড়িয়েছে সরকার। একইসঙ্গে ১৯ কেজির বাণিজ্যিক সিলিন্ডারের দাম ১১৫ টাকা বাড়িয়েছে সরকার। সাপ্লাই নিয়ন্ত্রণে রাখতে গ্যাস বুকিংয়ের নিয়মেও বেশ কিছু পরিবর্তন এনেছে সরকার। আর তার প্রভাবেই মহা সমস্যায় পড়েছে হোটেল ব্যবসায়ীরা। জানা গিয়েছে, আজ মঙ্গলবার থেকে বন্ধ হতে চলেছে বেঙ্গালুরুর সমস্ত হোটেল। ইতিমধ্যেই একটি নোটিস জারি করেছে বেঙ্গালুরুর হোটেল অ্যাসোসিয়েশন।

    হোটেল বন্ধের নির্দেশিকা ব্যবসায়ীদের

    বেঙ্গালুরুর হোটেল ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন গতকাল অর্থাৎ সোমবার তাদের তরফে এক নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, হোটেল ইন্ডাস্ট্রি একটি জরুরি পরিষেবা। সাধারণ মানুষ, বয়স্ক লোকজন, ছাত্রছাত্রীরা, মেডিক্যাল পেশায় যুক্ত মানুষরা – অনেক অনেক মানুষ প্রতিদিন বিভিন্ন ভাবে নির্ভর করেন হোটেল-রেস্তোরাঁর উপর। আজ থেকে বন্ধ হয়ে গিয়েছে বাণিজ্যিক সিলিন্ডার সরবরাহ। ফলে হোটেলের উপর নির্ভরশীল বহু মানুষ সমস্যায় পড়বেন। হাইটেক সিটির সব হোটেল বন্ধ করার ভাবনাচিন্তা করছে। তাঁদের দাবি, কেন্দ্রীয় মন্ত্রীরা যেন অবিলম্বে এই বিষয়ে হস্তক্ষেপ করেন এবং বাণিজ্যিক গ্যাস সিলিন্ডারের পরিষেবা ঠিকভাবে চালু করার ব্যবস্থা করেন।

    আরও পড়ুন: তেলের সঙ্কট বাংলাদেশে, উদ্ধারে ৫ হাজার টন ডিজেল পাঠাচ্ছে ভারত

    হোটেল ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের হোটেল রেস্তোরাঁ বন্ধের সিদ্ধান্ত নিয়ে কর্ণাটকের মুখ্যমন্ত্রী সিদ্দারামাইয়ার জানিয়েছেন, সিলিন্ডারের দাম বাড়াই প্রধান কারণ। তবে সরবরাহও আরেকটি কারণ। এখন এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে হোটেল অ্যাসোসিয়েশগুলি যদি সংঘটিত হয়, তবে সেটা তাদের অধিকার আছে। এদিকে গ্যাস ডেলিভারি কর্মীরা জানাচ্ছেন, বাস্তবে এখনও এলপিজির কোনও বড় ধরনের ঘাটতি নেই। কিন্তু যুদ্ধের ফলে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ হয়ে যেতে পারে, এই আশঙ্কাতেই অনেকে আগাম সিলিন্ডার তুলে রাখছেন। এতেই কিছু অসাধু ব্যবসায়ীরা শুরু করেছেন সিলিন্ডারের কালোবাজারি, আর তাই এই সংকট।