Tag: Farmer

  • আলুর দাম নিয়ে বড় ঘোষণা নবান্নের, চিন্তা দূর হবে চাষিদের?

    আলুর দাম নিয়ে বড় ঘোষণা নবান্নের, চিন্তা দূর হবে চাষিদের?

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ বিধানসভা ভোটের মুখে আলু নিয়ে বিপাকে বাংলার চাষিরা (Farmer)। এবারে ফলন হলেও বাজারে আলুর সঠিক দাম (Potato Price) মিলছে না, যা স্বাভাবিকভাবেই মাথা ব্যাথার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে চাষিদের। আলু আতঙ্কে বর্ধমানের এক চাষি আত্মহত্যা অবধি করেছে। এহেন পরিস্থিতিতে বড় পদক্ষেপ নিল পশ্চিমবঙ্গ সরকার।

    আলু চাষিদের জন্য বিরাট ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

    কুইন্টাল পিছু ৯৫০ টাকা দরে আলু কেনার কথা ঘোষণা করেছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার। শনিবার চাষিদের স্বার্থে বড় ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি জানিয়েছেন, ‘আলুর অভাবী বিক্রি রোধ করতে এবং আলু চাষিদের জন্য লাভজনক দাম নিশ্চিত করতে আমরা রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে অন্যান্য বারের মতো এবারেও আলু সংগ্রহ প্রকল্প চালু রেখেছে। আলুর ন্যূনতম সহায়ক মূল্য বাড়িয়ে কুইন্টাল পিছু ৯৫০ টাকা করা হয়েছে।’

    তিনি টুইটারে লেখেন, ‘আমাদের সমবায় দফতরের হিমঘর সহ রাজ্যের প্রায় সমস্ত হিমঘর এই প্রকল্পে অংশ নিচ্ছে। রাজ্যের হিমঘরে ছোট আলু চাষিদের জন্য ৩০ শতাংশ জায়গা সংরক্ষিত আছে। আন্তঃরাজ্যে বাণিজ্যে কোনও নিষেধাজ্ঞা নেই। রাজ্যের মানুষকে বঞ্চিত না করে অন্য রাজ্যে আলু রপ্তানি করতে চাইলে রাজ্য সরকার কৃষকদের স্বার্থে তাতে কোনও বাধা দেবে না। বরং আলুর ক্ষেত্রে আন্তঃরাজ্য বাণিজ্যে রাজ্যের উৎসাহই আছে।’

    কী অবস্থা রাজ্যের আলু চাষিদের ?

    সূত্রের খবর, ‘গত বছর, রাজ্যে ১১০ লক্ষ টন আলু উৎপাদন হয়েছিল। ফসল তোলার সময় কৃষকরা পর্যাপ্ত দাম পাননি, এবং ব্যবসায়ীরা, যারা হিমাগারে আলু সংরক্ষণ করেছিলেন, তারা মরসুমের শেষে তাদের উৎপাদিত পণ্য অনেক কম দামে বিক্রি করতে বাধ্য হন – প্রায় ₹ ২ কেজি। এই বছর, উৎপাদন অনেক বেশি, এবং ফলস্বরূপ, সমস্যাটি আরও বড়।’

    আরও পড়ুনঃ ট্রেনের টিকিট থেকে শুরু করে খাওয়ার, সবই পাবেন বিনামূল্যে! বড় উদ্যোগ রেলের

    এক সরকারি কর্মকর্তা জানান, “রাজ্যের চাহিদা প্রায় ৬০ লক্ষ টন। বাকিটা আগে বিহার, ওড়িশা, ঝাড়খণ্ড এবং আসামের মতো রাজ্যে পাঠানো হত। কিন্তু ২০১৯ থেকে ২০১৪ সালের মধ্যে বাংলা সরকার অন্যান্য রাজ্যে আলু বিক্রির উপর বারবার নিষেধাজ্ঞা আরোপ করায়, প্রতিবেশী রাজ্যগুলি আর বাংলার আলুর উপর নির্ভরশীল নয়, যার ফলে ব্যবসায়ীরা বিনিয়োগ নিয়ে শঙ্কিত।” হুগলি, পূর্ব বর্ধমান, বীরভূম এবং পশ্চিম মেদিনীপুর জেলায় প্রায় ১৫ লক্ষ আলু চাষী রয়েছে। তাঁদের সমস্যা শীঘ্রই দূর করতে বদ্ধপরিকর সরকার বলে খবর।

  • ভূমিহীন ক্ষেতমজুরদের অ্যাকাউন্টে কবে ঢুকবে টাকা? দিন ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

    ভূমিহীন ক্ষেতমজুরদের অ্যাকাউন্টে কবে ঢুকবে টাকা? দিন ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

    বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: সম্প্রতি রাজ্যের অন্তরবর্তী বাজেটে রাজ্যের ভূমিহীন ক্ষেতমজুর (Bhumihin Khetmajur) বা শ্রমিকদের জন্য বিশেষ প্রকল্প চালু করেছিল পশ্চিমবঙ্গ সরকার (Government Of West Bengal)। রাজ্য সরকারের তরফে নির্দেশিকা পেতেই, গত ফেব্রুয়ারি জুড়ে চলেছিল ভূমিহীন ক্ষেতমজুর প্রকল্পের আবেদন প্রক্রিয়া। পশ্চিমবঙ্গের স্থায়ী বাসিন্দা ভূমিহীন বহু মানুষ এই প্রকল্পের টাকা পেতে আবেদন করেছিলেন। সরকারের তরফে প্রাথমিকভাবে জানানো হয়েছিল, যুবসাথী প্রকল্পের পাশাপাশি আগামী পহেলা এপ্রিল থেকেই দেওয়া হবে ভূমিহীন ক্ষেতমজুর প্রকল্পের টাকা। তবে শনিবার, মেট্রো চ্যানেলে ধরনা মঞ্চ থেকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঘোষণা করে দিলেন, পহেলা এপ্রিল নয় বরং আজ অর্থাৎ 7 মার্চ থেকেই মিলবে ক্ষেতমজুর প্রকল্পের অর্থ।

    আজই ব্যাঙ্কে ঢুকবে ভূমিহীন ক্ষেতমজুর টাকা

    রাজ্য সরকারের তরফে আগেই জানিয়ে দেওয়া হয়েছিল, কৃষক বন্ধু প্রকল্পের আদলে যে নতুন ভূমিহীন ক্ষেতমজুর প্রকল্প চালু করা হল তাতে বছরে 4 হাজার টাকা করে পাবেন যোগ্য আবেদনকারীরা। মূলত দুটো কিস্তিতে 2 হাজার টাকা করে 4 হাজার টাকা দেওয়া হবে এই প্রকল্পে। সরকারি ঘোষণার পর গত মাসে ভূমিহীন ক্ষেতমজুর প্রকল্পে আবেদনের হিড়িক পড়েছিল কার্যত।

    বলাই বাহুল্য, রাজ্য সরকারের বিশেষ প্রকল্প যুবসাথীর আবেদন প্রক্রিয়া অনলাইন এবং অফলাইন উভয় মাধ্যমে হলেও ভূমিহীন ক্ষেতমজুর প্রকল্পের আবেদন প্রক্রিয়া চলেছিল শুধুমাত্র অফলাইন পদ্ধতিতে। অর্থাৎ নিকটবর্তী স্বনির্ভর বাংলা ক্যাম্প, পৌরসভা বা BDO অফিসে গিয়ে নিজেদের আবেদনপত্র জমা দিয়েছিলেন আবেদনকারীরা। এবার সেই প্রকল্পের প্রথম কিস্তি অর্থাৎ 2000 টাকা ঢুকবে আজই। এমনটাই ঘোষণা রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের।

    অবশ্যই পড়ুন: ‘যারা তৃণমূলের সঙ্গে নয়, তারা বাঙালি নয়!’ মহুয়া মৈত্রর মন্তব্য ঘিরে তুঙ্গে বিতর্ক

    উল্লেখ্য, গত 26 ফেব্রুয়ারি শেষ হয়েছিল বেকার ভাতা প্রকল্প যুবসাথীর আবেদন প্রক্রিয়া। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, এই বিশেষ প্রকল্পে রাজ্যের প্রায় 85 লাখ আবেদনকারী আবেদন করেছিলেন। সবচেয়ে বেশি আবেদন জমা পড়েছিল দক্ষিণ 24 পরগনা, মুর্শিদাবাদ, উত্তর 24 পরগনা থেকে। এছাড়াও বাঁকুড়া, পুরুলিয়া সহ একাধিক জেলা থেকে অসংখ্য আবেদনকারী এই প্রকল্পে আবেদন করেছিলেন। আজ অর্থাৎ শনিবার থেকেই মিলবে যুবসাথী প্রকল্পের মাসিক 1500 টাকা।

  • কৃষকরা কবে পাবেন পিএম কিষাণের ২২ তম কিস্তির টাকা? এভাবে চেক করুন স্ট্যাটাস

    কৃষকরা কবে পাবেন পিএম কিষাণের ২২ তম কিস্তির টাকা? এভাবে চেক করুন স্ট্যাটাস

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ দেশের কোটি কোটি কৃষকদের জন্য রইল জরুরি খবর। বর্তমানে এখন কয়েক কোটি কৃষক করছেন পিএম কিষাণ যোজনার (PM Kisan Yojana) ২২ তম কিস্তির টাকার জন্য। কবে সেই টাকা পাঠাবে কেন্দ্রীয় সরকার? সেই প্রশ্ন সকলের। এসকল প্রশ্ন, অপেক্ষার মাঝেই সামনে এল বিরাট আপডেট যা প্রত্যেক কৃষকের জেনে রাখা উচিৎ। সেইসঙ্গে কবে পরবর্তী কিস্তির টাকা ঢুকবে সেটা জানতে চোখ রাখুন আজকের এই আর্টিকেলটির ওপর।

    কৃষকরা কবে পাবেন ২০০০ টাকা?

    আপনি যদি একজন কৃষক হয়ে থাকেন, আপনি যদি যোগ্য হন তবে প্রধানমন্ত্রী কিষাণ সম্মান নিধি যোজনায় (PM Kisan 22nd Installment) যোগদান করতে পারেন। এই প্রকল্পের মাধ্যমে, আপনাকে বছরে তিনবার ২০০০ টাকা করে মোট ৬০০০ টাকা দেওয়া হবে। এখনও পর্যন্ত, এই স্কিমের ২১টি কিস্তি দিয়েছে কেন্দ্র এবং এখন ২২তম কিস্তির পালা। যদিও ফেব্রুয়ারিতে ২২তম কিস্তি দেওয়ার কথা ছিল, তা হয়নি। এখন, ২২তম কিস্তি ১৩ মার্চ, ২০২৬ তারিখে আসার সম্ভাবনা রয়েছে বলে কানাঘুষো শোনা যাচ্ছে। যদিও এই বিষয়ে সরকারের তরফে আনুষ্ঠানিক কোনও বিবৃতি জারি করা হয়নি। যে কারণে এখনও অবধি ধোঁয়াশার মধ্যে রয়েছেন সাধারণ চাষিরা।

    প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (PM Narendra Modi) আগামী ১৩ মার্চ, ২০২৬-এ আসামের কোকরাঝার সফর করবেন। যেখানে একটি অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হতে পারে এই কর্মসূচির মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী মোদী অনেক উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন করতে পারেন। এহেন পরিস্থিতিতে এই আলোচনাও শুরু হয়েছে যে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী একই দিনে অর্থাৎ ১৩ মার্চ ২২তম কিস্তি প্রকাশ করতে পারেন। এই কর্মসূচির মাধ্যমে, প্রধানমন্ত্রী মোদী ডিবিটির মাধ্যমে এই প্রকল্পের সাথে যুক্ত কোটি কোটি যোগ্য কৃষকের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে প্রতিটি ২০০০ টাকা করে ট্রান্সফার করতে পারবেন। তবে এই বিষয়ে পাকাপাকিভাবে কিছু জানা সম্ভব হয়নি।

    কারা টাকা নাও পেতে পারেন? কীভাবে স্টেটাস চেক করবেন

    যদিও এই টাকা অনেক কৃষক নাও পেতে পারেন বলে মনে করা হচ্ছে। নিশ্চয়ই ভাবছেন কারা এই টাকা পাবেন না? আপনি যদি প্রধানমন্ত্রী কিষাণ যোজনার সাথে যুক্ত থাকেন এর জন্য, আপনাকে ই-কেওয়াইসি এবং জমি যাচাইয়ের মতো কাজও করতে হবে। সেইসঙ্গে আধার লিঙ্কিংয়ের কাজও সম্পন্ন করা বাধ্যতামূলক। যদি না করেন তাহলে টাকা পাওয়া আপনার ভাগ্যে নেই।

    আরও পড়ুনঃ DA থেকে সপ্তম পে কমিশন, শাহের ওপর আস্থা? জানালেন পশ্চিমবঙ্গ সরকাররের কর্মীরা

    আপনি টাকা পাবেন কিনা সেটা জানতে নিজের স্টেটাস দেখতে হবে। এর জন্য কৃষকরা এই প্রকল্পের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে গিয়ে তাদের অবস্থান বা স্টেটাস পরীক্ষা করতে পারবেন। আপনার আধার নম্বর বা মোবাইল নম্বর এন্ট্রি করালে কিস্তি পরিশোধ হয়েছে কিনা সে সম্পর্কে তথ্য পাওয়া যাবে। যদি আপনার কোনও সমস্যার সম্মুখীন হন, তাহলে আপনি নিকটতম পরিষেবা কেন্দ্র বা কৃষি বিভাগের অফিসে যোগাযোগ করতে পারেন।

  • মিলবে ৩৬,০০০ টাকা পেনশন! বড় স্কিম সরকারের

    মিলবে ৩৬,০০০ টাকা পেনশন! বড় স্কিম সরকারের

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ আপনারও কি বাড়িতে নুন আনতে পান্তা ফুরোয়? সরকারের কাছ থেকে টাকা পেতে চান? তাহলে আজকের এই প্রতিবেদনটি রইল শুধুমাত্র আপনার জন্য। আজ আপনাদের সরকারের এমন একটি স্কিম সম্পর্কে তথ্য দেব যেখানে আপনি আবেদন করলে এবং যোগ্য হিসেবে প্রমাণিত হলে মাসে ৩০০০ টাকা এবং বছরে ৩৬,০০০ টাকা অবধি পেতে পারেন। শুনে চমকে গেলেন তো? কিন্তু এটাই সত্যি। আজ কথা হচ্ছে প্রধানমন্ত্রী কিষাণ মানধন যোজনা (PM Kisan Mandhan Yojana) নামে একটি মাসিক পেনশন প্রকল্প নিয়ে। চলুন বিশদে জেনে নেওয়া যাক।

    ৩০০০ টাকা করে দেবে মোদী সরকার

    প্রধানমন্ত্রী কিষাণ মানধন যোজনা হল একটি পেনশন প্রকল্প যা বিশেষভাবে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের জন্য তৈরি কয়রা হয়েছে। এই প্রকল্পের অধীনে, যখন একজন কৃষক ৬০ বছর বয়সী হলে প্রতি মাসে ৩,০০০ টাকা নির্দিষ্ট পেনশন পাওয়ার যোগ্য হবেন। এই প্রকল্পের সুবিধা কেবলমাত্র সেইসব কৃষকদের জন্য উপলব্ধ হবে যাদের বয়স ১৮ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে, যাদের ২ হেক্টর বা তার কম চাষযোগ্য জমি আছে এবং যারা ভারতীয় নাগরিক।

    আরও পড়ুনঃ মার্চে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের কর্মীদের জন্য একগাদা ছুটি, দেখুন নবান্নের হলিডে লিস্ট

    এই পরিমাণ অর্থ সরাসরি তাদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে সরাসরি ট্রান্সফার করা হয়। এই প্রকল্পের অধীনে, কৃষকদের তাদের বয়সের উপর ভিত্তি করে প্রতি মাসে একটি ছোট পরিমাণ জমা দিতে হবে। উদাহরণস্বরূপ, যদি কোনও কৃষক ২৯ বছর বয়সে এই প্রকল্পে যোগদান করেন, তাহলে তাদের প্রতি মাসে ১০০ টাকা অবদান রাখতে হবে।

    কীভাবে আবেদন করবেন?

    প্রধানমন্ত্রী কিষাণ মানধন যোজনা সিএসসি কেন্দ্র নিবন্ধন – এই প্রকল্পের জন্য আবেদন করার প্রক্রিয়া খুবই সহজ। কৃষকদের তাদের নিকটতম সিএসসি কেন্দ্রে (সাধারণ পরিষেবা কেন্দ্র) যেতে হবে। আপনার আধার কার্ড, ব্যাংক পাসবুক এবং জমির প্রমাণ (জমির নথি) সাথে আনতে হবে। সিএসসি কেন্দ্রে রেজিস্ট্রেশন করার পরে, কৃষক একটি অনন্য পেনশন আইডি নম্বর পাবেন। কৃষকের ব্যাংক অ্যাকাউন্টটি এই প্রকল্পের সাথে সংযুক্ত হবে এবং মাসিক অবদানের পরিমাণ অটোমেটিকভাবে কেটে নেওয়া হবে। এই প্রকল্পের আরও তথ্য এবং আরও বিশদে জানার জন্য https://nfwpis.da.gov.in/Home/PMKisanMaandhanYojana ওয়েবসাইট ভিজিট করতে পারেন।