Tag: Enforcement Directorate

  • এবার বাড়িতে ED-কে ডাকলেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়

    এবার বাড়িতে ED-কে ডাকলেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: ২৬ এর বিধানসভা নির্বাচন (West Bengal Election 2026) নিয়ে সরগরম রাজ্য রাজনীতি। ভোটের প্রচারে যাতে কোনো ত্রুটি না থাকে তার জন্য উঠে পড়ে লেগেছে সকল রাজনৈতিক দলগুলি। একদিকে বিজেপি অন্যদিকে তৃণমূল দুই পক্ষই কম যাচ্ছে না। আর এবার ফের খবরের শিরোনামে উঠে এল SSC নিয়োগ দুর্নীতি মামলা। প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রীর কাছে একাধিক বার ED-র নোটিস যাওয়ার পরও হাজিরা দিতে পারেন না। তাই এবার ED-কে চিঠি দিয়ে বাড়িতে এসে জিজ্ঞাসাবাদের আর্জি পাঠাল পার্থ চট্টোপাধ্যায় (Partha Chatterjee)।

    শিরোনামে SSC নিয়োগ দুর্নীতি মামলা

    ২০২২ সালের ২২ জুলাই দক্ষিণ কলকাতার নাকতলায় পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের বাড়িতে রাতভর তল্লাশি চালিয়েছিল ED আধিকারিকরা। এরপর ২৩ জুলাই তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে ২০২৪ সালের ১ অক্টোবর CBI পার্থকে গ্রেপ্তার করে। তিন বছরের বেশি সময় ধরে জেলবন্দি ছিলেন রাজ্যের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী। একাধিকবার জামিনের আবেদন জানিয়েছিলেন তিনি। পরে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হন। ডিসেম্বরে সুপ্রিম কোর্ট নির্দেশ দেয় যে, শর্তসাপেক্ষে জামিন পেতে পারেন পার্থ। অবশেষে গত নভেম্বরে জামিন পান তিনি। তবে তদন্ত এখনও মেটেনি। আর এবার SSC নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় বাড়িতে এসে জিজ্ঞাসাবাদের আর্জি জানালেন পার্থ।

    বাড়িতে জিজ্ঞাসাবাদের আর্জি পার্থর

    SSC নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের কাছে একাধিক বার ED নোটিস পাঠিয়েছিল সিজিও কমপ্লেক্সে হাজিরা দেওয়ার জন্য। কিন্তু কোনোবারই সিজিও কমপ্লেক্সে হাজিরা দেননি তিনি। ED সূত্রে খবর, প্রতিবারই পার্থ চট্টোপাধ্যায় তাঁর আইনজীবী মারফত চিঠি পাঠিয়ে জানিয়েছেন, অসুস্থ থাকায় তিনি তলবে হাজির হতে পারছেন না। তাই এবার বাড়িতে এসে জিজ্ঞাসাবাদের আর্জি জানিয়ে ED-কে চিঠি দিলেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়। যদিও প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রীর এই আবেদনে আমল না দিয়ে তাঁকে ফের পাঠানো হয়েছে হাজিরার নোটিস।

    আরও পড়ুন: শিয়ালদা ডিভিশনে একাধিক লোকাল ট্রেনের গন্তব্য বাড়াল রেল

    ED সূত্রে খবর, SSC নিয়োগ দুর্নীতির মামলায় ইডি চার্জশিট দিয়েছে বলে জানা গিয়েছে। কিন্তু তদন্ত চলাকালীন বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় পার্থ ও অর্পিতার নাম উঠে আসায় ফের জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে বলে জানা গিয়েছে। দিনকয়েক আগে SSC দুর্নীতি মামলায় ED-র দ্বিতীয় নোটিসে হাজিরা দেন অর্পিতা মুখোপাধ্যায়। সকালে নথি নিয়ে CGO কমপ্লেক্সে হাজির হন তিনি। কীভাবে SSC-র চাকরি বিক্রি করা হয়েছিল? সবটাই জিজ্ঞাসাবাদের মাধ্যমে জানার চেষ্টা করা হচ্ছে।

  • IPAC মামলায় সুপ্রিম কোর্টে ফের বাড়তি সময় চাইল রাজ্য সরকার

    IPAC মামলায় সুপ্রিম কোর্টে ফের বাড়তি সময় চাইল রাজ্য সরকার

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: ভোটের আবহে ফের খবরের শিরোনামে উঠে এল IPAC মামলা (IPAC ED Case)। আজ সুপ্রিম কোর্টে মামলার শুনানি শুরু হলে ফের বিতর্কের মুখে পড়ে রাজ্য। জানা গিয়েছে ইডির হলফনামার জবাব জমা দেওয়ার জন্য অতিরিক্ত সময় চেয়েছে। আর তাই নিয়ে বিরোধিতা করল ED। ভোটের ঠিক আগেই আই-প্যাককে ঘিরে কেন্দ্র ও রাজ্যের টানাপোড়েন এখন চরমে। এমতাবস্থায় ED-র অভিযোগের উত্তর দিতে রাজ্য সরকারকে সময় দিল সর্বোচ্চ আদালত।

    IPAC মামলার শুনানি সুপ্রিম কোর্টে

    আজ বিচারপতি প্রশান্ত কুমার মিশ্র এবং এন ভি আঞ্জারিয়া-র বেঞ্চে এই মামলার শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। কিন্তু এদিন শুনানির সময় পশ্চিমবঙ্গ সরকার ইডির হলফনামার জবাব জমা দেওয়ার জন্য অতিরিক্ত সময় চেয়েছে। তবে সলিসিটার জেনারেল তুষার মেহতা এই আবেদনের তীব্র বিরোধিতা করেন। তিনি বলেন, এই মামলাকে ইচ্ছাকৃতভাবে বিলম্বিত করার চেষ্টা করছে রাজ্য। ইডি ইতিমধ্যেই দুই সপ্তাহ আগে তাদের প্রতিক্রিয়া আদালতে দাখিল করেছে। এদিন আইপ্যাক মামলা স্থগিত করার রাজ্যের সিদ্ধান্তকে খারিজ করেছে সুপ্রিম কোর্ট। তবে ইডির অভিযোগের জবাব দিতে রাজ্যকে অতিরিক্ত সময় দেওয়া হয়েছে।

    বিরোধিতা করল কেন্দ্রের অতিরিক্ত সলিসিটর

    রিপোর্ট মোতাবেক আজ রাজ্যের তরফে ইডির মামলার যৌক্তিকতা নিয়েই প্রশ্ন তোলা হয়। আইনজীবী মেনকা গুরুস্বামী বলেন, “আমরা মামলার গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে শুনানি চাই।” এরপরই বিচারপতি প্রশান্ত কুমার মিশ্রর তরফে বলা হয়, “শুনানি শুরু করা হোক। আপনারা (রাজ্য) ইডির পাল্টা হলফনামা জমা দিতে চাইছেন। আবার মামলার গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন? আপনাদের মূল অবস্থান কী?” কেন্দ্রের অতিরিক্ত সলিসিটর জেনারেল সময় চাওয়ার আর্জির বিরোধিতা করে বলেন, “এটা অত্যন্ত আশ্চর্যজনক যে, একজন মুখ্যমন্ত্রী কেন্দ্রীয় সংস্থার তদন্তে হস্তক্ষেপ করছেন। আর এখন আবার মামলার শুনানিতে দেরি করা হচ্ছে?” এরপরই দুই পক্ষের উদ্দেশেই বিচারপতি বলেন, “শুনানি পিছিয়ে দেওয়ার লড়াই চলছে না। আপনারা সওয়াল শুরু করুন।”

    আরও পড়ুন: ‘অবৈধভাবে পশ্চিমবঙ্গে আটক স্ত্রী’, উদ্ধারের দাবিতে হাইকোর্টের দ্বারস্থ বাংলাদেশি নাগরিক

    মুখ্যমন্ত্রীর আইনজীবীর অতিরিক্ত সময়ের আবেদনের প্রেক্ষিতে সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি প্রশান্তকুমার মিশ্র বলেন, “চার সপ্তাহ সময় দেওয়া হয়েছে। আপনারা এত দিনেও কেন পাল্টা জবাব দিলেন না?” যদিও পড়ে ইডির অভিযোগের জবাব দিতে রাজ্যকে অতিরিক্ত সময় দেওয়া হয়েছে। এদিকে ইডি ইতিমধ্যেই দুই সপ্তাহ আগে তাদের প্রতিক্রিয়া আদালতে দাখিল করেছে। যেখানে বলা হয়, নথি নেওয়ার আগে কোনও তদন্তকারী আধিকারিকের অনুমতি নেননি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। যে নথিগুলি নিয়ে যাওয়া হয়েছে, তা তৃণমূলের নাকি কয়লাপাচারের সে সম্পর্কে নিশ্চিত করা যাচ্ছে না। এছাড়াও ED এও দাবি করেছিল যে ইডি র আধিকারিকদের কাজে বাধা দিয়ে মৌলিক অধিকার খর্ব করা হয়েছে।

  • সাতসকালে দুর্গাপুরে ED-র হানা, কয়লা কাণ্ডে পুলিশ আধিকারিকের বাড়িতে তল্লাশি

    সাতসকালে দুর্গাপুরে ED-র হানা, কয়লা কাণ্ডে পুলিশ আধিকারিকের বাড়িতে তল্লাশি

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: ভোটের আবহে রাজ্যে ফের ED-র হানা! কয়লা পাচার মামলার (Coal Smuggling Scam) তদন্তে আজ, বুধবার সকালে দুর্গাপুরের সিটি সেন্টারে রাজ্য পুলিশের আধিকারিক মনোরঞ্জন মণ্ডলের বাড়িতে হানা দিল ED (Enforcement Directorate)। সকাল থেকেই গোটা বাড়ি ঘেরাও করে দিয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। এখনও চলছে তদন্ত। চাঞ্চল্যকর পরিস্থিতি এলাকা জুড়ে।

    সাতসকালে দুর্গাপুরে ED হানা

    রিপোর্ট অনুযায়ী, বুধবার, দুর্গাপুরে সিটি সেন্টার অঞ্চলে অম্বুজা নগরীতে বুদবুদ থানার প্রাক্তন ওসি মনোরঞ্জন মণ্ডলের বাড়িতে আচমকাই চলে আসে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ED। বাড়িতে ঢুকতেই ইডির আধিকারিকরা গেটেই হাজিরার নোটিস টাঙিয়ে দেয়। নোটিশে স্পষ্ট জানানো হয় আগামী ১৩ মার্চ দুপুর ১২টা থেকে ১টার মধ্যে তদন্তকারীদের সামনে হাজিরা দিতে হবে। জানা গিয়েছে এর আগে হাজিরা না দেওয়ায় এই নিয়ে তৃতীয়বার মনোরঞ্জনকে কয়লা পাচার মামলার তদন্তের জন্য সমন পাঠাল। এরপর তদন্তের ভিত্তিতে প্রাক্তন ওসি মনোরঞ্জন মণ্ডলের বাড়িতে ঢুকে পড়ে আধিকারিকরা। গোটা বাড়ি জুড়ে নথিপত্রের খোঁজে তল্লাশি চালাচ্ছেন একদল। এবং অপর দল জিজ্ঞাসাবাদ করছে পরিবারের সদস্যদের।

    পুলিশ আধিকারিকের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ

    ED-র তরফে অভিযোগ, কয়লা পাচার মামলায় যে প্রোটেকশন মানির লেনদেন হয়েছিল তাতে নাকি মনোরঞ্জন মণ্ডল মোটা টাকার বিনিময়ে সাহায্য করেছিল। আসলে কয়লা পাচার মামলায় দু’মাস আগে তদন্তের ভিত্তিতে বাজেয়াপ্ত করা হয়েছিল মোবাইল ফোন, হোয়াটস অ্যাপ চ্যাট-সহ আরও একাধিক ডিজিটাল নথি। সেই সময়ই উঠে আসে বুদবুদ থানার ওসি মনোরঞ্জন মণ্ডলের নাম। এছাড়াও তালিকায় উঠে আসে আখতার, প্রবীর দত্ত, অমিত বনশল, মির্জা নিজামুদ্দিন, চিন্ময় মণ্ডলের নামও। এর আগেও কয়লা পাচার মামলায় মনোরঞ্জনের বাড়িতে হানা দিয়েছিল ইডি। কিন্তু মেলেনি কোনো যথোপযুক্ত তথ্য। তবে আজকের তদন্তে রাজ্যের পুলিশ আধিকারিক বাড়িতে ছিলেন কি না, এখনও সে বিষয়ে কিছু জানা যায়নি।

    আরও পড়ুন: ক্যাবিনেটের বৈঠকে বড় সিদ্ধান্ত! DA বাড়ছে শীঘ্রই? জানুন আপডেট

    প্রসঙ্গত, বিগত কয়েক মাস ধরেই রাজ্যে কয়লা পাচার মামলা এবং বালি পাচার মামলাকে কেন্দ্র করে প্রায়শই একাধিক ব্যবসায়ী এবং পুলিশ আধিকারিকদের বাড়ি হানা দিচ্ছে ED, এবং বাজেয়াপ্ত করা হচ্ছে গুরুত্বপূর্ণ নথি। ফলে বোঝাই যাচ্ছে কয়লা পাচার মামলার তদন্তের জল গড়িয়েছে অনেকটা। এখন দেখার পালা সেই চক্রের সূত্র ধরতে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা কতটা সাফল্য অর্জন করে।

  • সারদা কাণ্ডের গোপন নথি প্রকাশ্যে আসছে? ১৩ বছর পর বিরাট নির্দেশ হাইকোর্টের

    সারদা কাণ্ডের গোপন নথি প্রকাশ্যে আসছে? ১৩ বছর পর বিরাট নির্দেশ হাইকোর্টের

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: বিধানসভা নির্বাচনের আবহে সারদা কেলেঙ্কারি মামলা (Sarada Scam Case) নিয়ে বড় আপডেট দিল কলকাতা হাইকোর্ট। প্রায় ১৩ বছর পর মামলার তদন্তে রাজ্যের গঠিত বিচারপতি শ্যামল সেন কমিশনের রিপোর্ট প্রকাশের নির্দেশ দিল উচ্চ আদালত (Calcutta High Court)। আশঙ্কা করা হচ্ছে এত বছর পর এবার হয়ত আর্থিক হিসেব-নিকেশ সহ যাবতীয় রিপোর্ট এবং দীর্ঘদিন ধরে গোপন থাকা গুরুত্বপূর্ণ নথি এবার সকলের সামনে আসতে চলেছে।

    বিচারপতি শ্যামল সেনের নেতৃত্বে গড়ে উঠেছিল কমিশন

    উল্লেখ্য, শুরু থেকেই সারদা কেলেঙ্কারিকে ঘিরে রাজ্যজুড়ে তীব্র শোরগোল হয়ে চলেছে। ২০১৩ সালে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে আমানতকারীদের টাকা ফেরত দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। সেই কারণে রাজ্য সরকার, বিচারপতি শ্যামল সেনের নেতৃত্বে একটি কমিশন গঠন করেছিল। আর সেই কমিশনের মাধ্যমে রাজ্যের ঘোষিত ৫০০ কোটির তহবিল থেকে প্রায় ২২৫ কোটি টাকা আমানতকারীদের মধ্যে ফেরত দেওয়ার ব্যবস্থা করে। পরে কমিশনের কাজ শেষ হলে সমস্ত হিসেব নিকেশ এবং অবশিষ্ট অর্থ রাজ্য সরকারের কাছে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। এবং একটি প্রতিলিপি আদালতের কাছেও জমা দেওয়া হয়। কিন্তু প্রকাশ্যে আনা হয়নি পূর্ণাঙ্গ রিপোর্ট।

    পূর্ণাঙ্গ রিপোর্ট পেশের নির্দেশ হাইকোর্টের

    এক যুগ কেটে গেলেও বিচারপতি শ্যামল সেনের নেতৃত্বে গঠিত কমিশন রিপোর্ট না বের করায় আদালতে মামলা করা হয়। গতকাল, মঙ্গলবার সেই মামলার শুনানি ওঠে হাইকোর্টের বিচারপতি রাজর্ষি ভরদ্বাজ ও বিচারপতি উদয় কুমারের ডিভিশন বেঞ্চ। আমানতকারীদের আইনজীবী তাঁদের পক্ষের মন্তব্য পেশ করেছেন। কিন্তু এদিনও চিটফান্ডের মামলাগুলিতে সিবিআই ও ইডি-র আইনজীবী না থাকা নিয়ে ডিভিশন বেঞ্চ ক্ষোভ প্রকাশ করে। বিচারপতি ভরদ্বাজ বলেন, “চিটফান্ডের যাবতীয় কোম্পানির তদন্ত এই দুই সংস্থার হাতে। অথচ লক্ষ্য করছি, ৯০ শতাংশ চিটফান্ডের মামলায় এই দুই এজেন্সির আইনজীবী গরহাজির থাকছেন। এইভাবে চললে, আদালত পদক্ষেপ করতে বাধ্য হবে।” এরপরই আদালত স্পষ্ট জানায় শীঘ্রই ওই রিপোর্ট মামলার সব পক্ষকে দেখাতে হবে।

    আরও পড়ুন: হবে মাল্টিট্র্যাকিং, চতুর্থ লাইন! বাংলায় ফের একগুচ্ছ রেল প্রকল্পের ঘোষণা

    প্রসঙ্গত, সারদা কেলেঙ্কারি নিয়ে দীর্ঘদিনের আইনি লড়াইয়ের মধ্যে এই নির্দেশ নতুন করে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছে। আমানতকারীদের আইনজীবী শুভাশিস চক্রবর্তী ও অরিন্দম দাস বলেন, এতদিনে সারদা সংক্রান্ত শ্যামল সেন কমিশনের যাবতীয় রিপোর্ট প্রকাশ্যে এলে নতুন করে এই রিপোর্ট নিয়ে অগ্রসর হওয়া যাবে। এখন দেখার কবে এই রিপোর্ট প্রকাশ্যে আসে।

  • মাসে ১০ হাজার আয় করা রিকশাচালকের অ্যাকাউন্টে ৩০০ কোটির লেনদেন

    মাসে ১০ হাজার আয় করা রিকশাচালকের অ্যাকাউন্টে ৩০০ কোটির লেনদেন

    সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: গুজরাটের আহমেদাবাদে (Ahmedabad) অবৈধ ক্রিকেট সাট্টা এবং শেয়ারবাজারে কারসাজিতে এবার ৫৫০ কোটি টাকার বিশাল জালচক্রের পর্দা ফাঁস হল। তদন্ত নেমে একাধিক চাঞ্চল্যকর তথ্য পেয়েছে ইডি। ইতিমধ্যেই আহমেদাবাদ ক্রাইম ব্রাঞ্চে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে এবং তদন্ত আরও জোরদার করা হয়েছে। সবথেকে চমক দেওয়া বিষয়, মাসে ১০ থেকে ১২ হাজার টাকা আয় করা একটি রিকশাচালকের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে নাকি ৩০০ কোটি টাকার বেশি লেনদেন হয়েছে!

    রিকশাচালকের অ্যাকাউন্ট কিনে প্রতারণা

    তদন্তে জানা যায়, দীপ ওড নামের ওই রিকশাচালক নিজের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ২৫ হাজার টাকার বিনিময়ে ভাড়া দিয়েছিলেন। আর অভিযুক্ত করণ পরমার ওরফে লালা নামের এক ব্যক্তি ওই অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করেই জাল চক্র চালাত। প্রতিটি চেকে সই করার জন্য দীপকে আবার ৪০০ টাকা করে দেওয়া হত। এমনকি তাঁর প্যান এবং আধার কার্ড ব্যবহার করেই দীপ এন্টারপ্রাইজেস নামের একটি বহু সংস্থা গড়ে তোলা হয়েছিল।

    তদন্তে আরও জানা যায়, কমলেশ ট্রেডিং এবং রোনক ট্রেডার্স নামের আরও দুই সংস্থা তৈরি করা হয়েছিল, যেগুলির কোনও বাস্তবে ব্যবসা ছিল না। এমনকি ২০২৪ সালে খোলা তিনটি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে মোট ৫৫০ কোটি টাকা লেনদেন হয়েছে। অথচ ওই সংস্থাগুলির কোনও রকম প্রকৃত ব্যবসায়ীক কার্যকলাপ ছিল না বলেই খবর। আর ইডি এও দাবি করছে, এই অ্যাকাউন্টগুলির মাধ্যমে অনলাইন ক্রিকেট সাট্টার টাকা ঘুরিয়ে লেনদেন করা হত।

    ওদিকে তদন্তে শেয়ার বাজারে সার্কুলার ট্রেডিং এর প্রমাণ মিলেছে। কৃত্রিমভাবে টার্নওভার বাড়িয়ে নির্দিষ্ট শেয়ারের দামগুলিকে অস্বাভাবিক হারে বাড়ানো হত। এমনকি একটি সংস্থার শেয়ারের দাম মাত্র ১২ মাসেই ১০,০০০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছিল। আর বিষয়টি সামনে আসার পরেই সেবি ওই শেয়ারের লেনদেন বন্ধ করে দেয়। পাশাপাশি ইডি-র তদন্তে উঠে এসেছে, বিভিন্ন সংস্থায় ৮০.৫০ কোটি, ৫২.১১ কোটি এবং ২২.৮৬ কোটি টাকা স্থানান্তর করা হয়েছিল। এছাড়াও ই-গুরু নামের একটি প্ল্যাটফর্মে অনুদান এবং পেনি স্টকে বিনিয়োগের আড়ালে টাকার লেনদেনের প্রমাণ মিলেছে।

    আরও পড়ুন: ২ লাখ দিয়েও মেলেনি পদ, পার্টি অফিসে TMC নেতাকে পেটালেন দলীয় কর্মী! ভাইরাল ভিডিও

    ইতিমধ্যেই এই ঘটনার কারণ কারণে পরমার ওরফে লালা মলালা সহ একাধিক ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। আর আহমেদাবাদ ক্রাইম ব্রাঞ্চের কাছে ইডি আনুষ্ঠানিকভাবে নালিশে জানিয়েছে। তবে তদন্তকারীরা মনে করছে, গরীব মানুষের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ভাড়া নিয়েই ভুয়ো সংস্থা করে কোটি কোটি টাকা লেনদেন চালানো হচ্ছিল। আর এই চক্রের পিছনে আরও কেউ জড়িত রয়েছ কিনা তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং তদন্ত চালানো হচ্ছে।