Tag: Employees’ Provident Fund Organisation

  • খুব শীঘ্রই ৫২০০ কোটি টাকা বিতরণ করবে EPFO, কারা পাবে জানুন

    খুব শীঘ্রই ৫২০০ কোটি টাকা বিতরণ করবে EPFO, কারা পাবে জানুন

    সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: যাদের পুরনো পিএফ অ্যাকাউন্ট বন্ধ (Inactive PF Account) হয়ে পড়ে রয়েছে বা দীর্ঘকাল কোনও রকম লেনদেন হয়নি, তাদের জন্য বিরাট স্বস্তির খবর দিল কর্মচারী ভবিষ্যৎ নিধি সংগঠন বা ইপিএফও (EPFO)। এবার আর অকেজো হয়ে পড়ে থাকা অ্যাকাউন্টে টাকা (Provident Fund) তুলতে কোনও রকম সমস্যা পোহাতে হবে না, বরং ইপিএফও একটি বিশেষ অটোমেটেড সেটেলমেন্ট সিস্টেম আনতে চলেছে, যার মাধ্যমে প্রায় ৫২০০ কোটি টাকা সরাসরি গ্রাহকদের আধার লিঙ্কড ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে পাঠিয়ে দেওয়া হবে।

    কোনও ক্লেইম ছাড়াই মিলবে টাকা

    জানা যাচ্ছে, ইপিএফও-র এই নতুন উদ্যোগের সবথেকে বড় বৈশিষ্ট্য, টাকা তোলার জন্য কর্মীদের আলাদা করে কোনও রকম ফর্ম পূরণ করতে হবে না। প্রথম ধাপে আধারের মাধ্যমে যাচাই করা হয়েছে এরকম ২৫ শতাংশ ইনঅ্যাকটিভ অ্যাকাউন্টগুলিকে এই প্রক্রিয়ায় আনা হবে। আর প্রাথমিক হিসাব অনুযায়ী, প্রায় ৮ লক্ষ আধার ভেরিফাইড অ্যাকাউন্টের মালিক এই সুবিধা পাবে। সেক্ষেত্রে ধাপে ধাপে প্রায় ৫২০০ কোটি টাকা বণ্টন করা হবে।

    প্রসঙ্গত জানিয়ে রাখি, ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি মাসের একটি পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ইপিএফও-এর কাছে প্রায় ৩১ লক্ষ ইনঅ্যাকটিভ অ্যাকাউন্ট পড়ে রয়েছে। আর সেখানে সব মিলিয়ে মোট ১০,১৮১ কোটি টাকা জমা আছে। যার মধ্যে ১৪ হাজার অ্যাকাউন্টে ৫ লক্ষ টাকার বেশি করে জমা রয়েছে। আর ৩৮ হাজার অ্যাকাউন্টে ১ লক্ষ থেকে ৫ লক্ষ টাকার মধ্যে জমা রয়েছে। ইতিমধ্যেই ১০০০ টাকা পর্যন্ত ব্যালেন্স রয়েছে এরকম ছোট ছোট অ্যাকাউন্টগুলির অটো সেটেলমেন্ট সবুজ সংকেত দিয়েছে সেন্ট্রাল বোর্ড অফ ট্রাস্টিজ।

    আরও পড়ুন: পাকিস্তানে গুপ্তচরবৃত্তির জন্য গ্রেফতার ভারতীয় বায়ুসেনার এক বেসামরিক কর্মী

    কখন পিএফ অ্যাকাউন্ট ইনঅ্যাকটিভ হয়?

    জানিয়ে রাখি, সাধারণত কোনও কর্মচারী ৫৫ বছর বয়সে অবসর হওয়ার পর যদি টানা তিন বছর সেই অ্যাকাউন্টে কোনও রকম কন্ট্রিবিউশন বা টাকা জমা না পড়ে, তাহলে সেই অ্যাকাউন্টটিকে ইনঅ্যাকটিভ হিসেবেই গণ্য করা হয়। আর বর্তমানে ২০২৫-২৬ অর্থবছরের জন্য পিএফ আমানতের উপর ৮.২৫ শতাংশ সুদ দিচ্ছে ইপিএফও। আর এই উচ্চ সুদের হার চাকরিজীবীদের সঞ্চয়ে যে বিরাট অক্সিজেন দেবে তা বলার অপেক্ষা রাখে না।

  • এই কর্মীদের পিএফের টাকা ট্রান্সফার হল আরও সহজ, ফের সুখবর শোনাল EPFO

    এই কর্মীদের পিএফের টাকা ট্রান্সফার হল আরও সহজ, ফের সুখবর শোনাল EPFO

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ সদস্যদের জন্য দারুণ পদক্ষেপ নিল EPFO। এবার দূরে প্রভিডেন্ট ফান্ডের (Provident Fund) টাকা ট্রান্সফার করার প্রক্রিয়াকে আরও সহজ করা হল। আসলে এমপ্লয়িজ প্রভিডেন্ট ফান্ড অর্গানাইজেশন (EPFO) একটি নতুন নিয়ম জারি করেছে, যার ফলে আন্তর্জাতিক কর্মীদের জন্য তাদের পিএফ এবং পেনশনের টাকা ট্রান্সফার করা আরও সহজ হবে। এই সুবিধাটি সেইসব দেশের জন্য প্রযোজ্য হবে, যাদের সঙ্গে ভারতের সামাজিক সুরক্ষা চুক্তি (এসএসএ) রয়েছে।

    নিয়ম শিথিল করল EPFO

    এখন, বিদেশি কর্মীরা তাদের সুবিধামতো ভারতে, নিজ দেশে বা অন্য কোনো তৃতীয় দেশের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ফান্ড ট্রান্সফার করতে পারবেন। আগে এই প্রক্রিয়ায় প্রচুর কাগজপত্রের কাজ এবং দেরির মতো সমস্যা ছিল। কাজ করতে গিয়ে কালঘাম ছুটে যেত কর্মী থেকে শুরু করে নিয়োগকারী সংস্থার। তবে আর তা হবে না।

    আরও পড়ুনঃ তাণ্ডব চালাবে শিলাবৃষ্টি, দক্ষিণবঙ্গের ৯ জেলায় সতর্কতা জারি, আজকের আবহাওয়া

    EPFO বিশেষভাবে ফর্ম 15CA এবং 15CB-এর প্রক্রিয়া সহজ করার চেষ্টা করেছে, যেগুলো আগে জটিল বলে বিবেচিত হতো। নয়া নিয়ম অনুযায়ী, এখন থেকে ব্যাঙ্ক স্টেটমেন্ট বা পাসবুক ব্যবহার করে বিদেশি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট যাচাই করা যাবে। এই উদ্দেশ্যে দিল্লির একটি আঞ্চলিক কার্যালয় নোডাল অফিস হিসেবে কাজ করবে। একজন চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টের সহায়তায় কর-সংক্রান্ত কাজ সম্পন্ন করা হবে। সমস্ত লেনদেনের রেকর্ড সংরক্ষণ করা হবে এবং প্রতি মাসে তার হিসাব মেলানো হবে।

    কী কী সুবিধা পাবেন কর্মচারীরা?

    ইপিএফও-র এই পরিবর্তনের সবচেয়ে বড় সুবিধা হবে বিদেশী কর্মচারীদের জন্য, যা তাদের সময়মতো এবং তেমন কোনো ঝামেলা ছাড়াই তাদের প্রাপ্য অর্থ প্রাপ্তি নিশ্চিত করবে। তাছাড়া, এই প্রক্রিয়াটি কোম্পানিগুলোর জন্যও সহজ হবে, যা তাদের সময় ও শ্রম সাশ্রয় করবে। আপনি চাকরি ছাড়লেও সহজেই টাকা পাবেন। ইপিএফও আরও স্পষ্ট করেছে যে, বিদেশি কর্মীদের পিএফ ও পেনশন শুধুমাত্র চাকরি ছাড়ার সময়েই প্রদান করা হবে, যেমনটা আগে থেকেই নিয়ম রয়েছে।

  • EPFO 3.0-র ধামাকা! এবার পেনশন ও ক্লেম সেটলমেন্ট হবে আরও সহজ, ঘোষণা কেন্দ্রের

    EPFO 3.0-র ধামাকা! এবার পেনশন ও ক্লেম সেটলমেন্ট হবে আরও সহজ, ঘোষণা কেন্দ্রের

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ সময় যত এগোচ্ছে ততই ক্রমে বাড়ছে EPFO 3.0 এর আশা। পেনশনের টাকা বৃদ্ধি থেকে শুরু করে সুদের হার বৃদ্ধি সহ একাধিক দাবি জানানো হচ্ছে সরকারের কাছে। এদিকে সরকারের দাবি অনুযায়ী, EPFO 3.0 চালু হলে সকল সদস্য দারুণ ভাবে লাভবান হবেন। প্রশ্ন উঠছে কীভাবে? সরকার এই বিষয়েই এক বড় আপডেট দিল যা প্রতিটি সদস্যের জেনে রাখা উচিৎ।

    EPFO 3.0 নিয়ে বড় আপডেট দিল সরকার

    সরকার লোকসভায় ইপিএফও ৩.০ সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছে। এই নতুন ব্যবস্থার অধীনে, দাবি নিষ্পত্তির (Claim Settle) প্রক্রিয়াকে আরও প্রসারিত বা সহজ ভাষায় বললে উন্নত করা হয়েছে, পেনশন প্রদানের পদ্ধতির উন্নতি করা হয়েছে এবং কার্যপ্রণালীকে উল্লেখযোগ্যভাবে সরল করা হয়েছে। শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী শোভা করন্দলাজে জানিয়েছেন যে, ইপিএফও ৩.০ কম সময়ে গ্রাহকদের আরও বেশি সুবিধা প্রদানের জন্য পরিষেবাগুলিকে ডিজিটাইজ করছে।

    অটোমেটিক মোডে দাবি নিষ্পত্তি করা হচ্ছে

    সরকারের মতে, কেন্দ্রীভূত পেনশন প্রদান ব্যবস্থা (সিপিপিএস) এখন সম্পূর্ণরূপে বাস্তবায়িত হয়েছে। ১ জানুয়ারি, ২০২৫ থেকে ইপিএফও-এর সমস্ত অফিস এই ব্যবস্থায় কাজ করছে। এর ফলে প্রতি মাসে ৭০ লক্ষেরও বেশি পেনশনভোগীকে সময়মতো এবং ত্রুটিমুক্ত পেনশন প্রদান করা সম্ভব হচ্ছে। দাবি নিষ্পত্তিতেও উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়েছে। ২৫শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ পর্যন্ত, ৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত ৩৫.২ মিলিয়নেরও বেশি দাবি অটোমেটিক মোডে নিষ্পত্তি করা হয়েছে। চলতি অর্থ বছরে, মোট অগ্রিম দাবির ৭১.৩৭% ম্যানুয়াল প্রক্রিয়াকরণ ছাড়াই নিষ্পত্তি করা হয়েছে, যার মোট পরিশোধের পরিমাণ প্রায় ৫১,৬২০ কোটি টাকা।

    আরও পড়ুনঃ বর্ধমান লাইনে বিরাট কাজ করে ফেলল পূর্ব রেল, হাওড়া-দিল্লি রুট এখন আরও নিরাপদ

    যেসব কর্মচারী চাকরি পরিবর্তন করেন, তাদের জন্য ইপিএফ অ্যাকাউন্ট ট্রান্সফার করার প্রক্রিয়া এখন অনেক সহজ হয়ে গেছে। ২৫শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ পর্যন্ত, কর্মচারী বা নিয়োগকর্তার কোনোরকম সম্পৃক্ততা ছাড়াই ৭০.৫৪ লক্ষেরও বেশি ট্রান্সফার আবেদন স্বয়ংক্রিয়ভাবে শুরু করা হয়েছে। একবার কেওয়াইসি (KYC) সম্পন্ন হয়ে গেলে, পুরোনো বা নতুন নিয়োগকর্তা কারোরই অনুমোদনের আর প্রয়োজন হয় না। এছাড়াও, ২১.৩৯ লক্ষেরও বেশি কর্মচারী নিয়োগকর্তার কোনো সহায়তা ছাড়াই ট্রান্সফার আবেদন জমা দিয়েছেন। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, আগে যেখানে ক্লেইম সেটল করতে ২০ দিন পর্যন্ত সময় লাগত, এখন তা তিন দিনেরও কম সময়ে সম্পন্ন হচ্ছে। ফলে আখেরে লাভ হচ্ছে সদস্যদেরই।

     

  • EPFO-র পেনশন বাড়াতে সুপারিশ কমিটির, কতটা বৃদ্ধির আশা?

    EPFO-র পেনশন বাড়াতে সুপারিশ কমিটির, কতটা বৃদ্ধির আশা?

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ এই মুদ্রাস্ফীতির বাজারে জীবনধারণ করা যেন মুশকিল হয়ে পড়ছে। সেখানে আবার বহু মানুষ মাত্র ১০০০ টাকার পেনশন (Pension) পাচ্ছেন। এই টাকা এখনকার সময়ে কিছুই না। একটা ওষুধ কিনতে বা বাজার করতে গিয়ে একদিনেই খরচ হয়ে যায়। এহেন পরিস্থিতিতে EPFO-র কাছে ন্যূনতম পেনশন ৭৫০০ টাকা করার দাবি জানিয়ে আসছেন পেনশন প্রাপকরা। কিন্তু সরকারের তরফে এই বিষয়ে কোনও পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। এই প্রসঙ্গ ফের একবার সংসদে উঠেছে।

    পেনশন বাড়ানোর সুপারিশ কমিটির

    সম্প্রতি, একটি সংসদীয় কমিটি এমপ্লয়িজ প্রভিডেন্ট ফান্ড অর্গানাইজেশন (EPF) ব্যবস্থার অধীনে ১,০০০ টাকার ন্যূনতম মাসিক পেনশনকে অত্যন্ত অপর্যাপ্ত এবং অসম্মানজনক বলে অভিহিত করেছে। সেইসঙ্গে এই টাকার পরিমাণ বৃদ্ধির সুপারিশ করেছে। ইপিএফ-এর ন্যূনতম পেনশন অবিলম্বে বৃদ্ধির সুপারিশ করে কমিটি স্পষ্টভাবে বলেছে যে, বর্তমান চাহিদার পরিপ্রেক্ষিতে এটিকে আরও বাস্তবসম্মত ও সম্মানজনক পর্যায়ে উন্নীত করা উচিত।

    পেনশন বাড়াবে সরকার?

    সংসদীয় কমিটির এই সুপারিশ ইপিএফ-এর অধীনে ন্যূনতম মাসিক ৭,৫০০ টাকা পেনশনের জন্য কর্মচারী সংগঠনগুলোর দীর্ঘদিনের দাবিকে আরও শক্তিশালী করেছে। সূত্রের খবর, নাকি সরকার ইতিমধ্যেই পেনশন বাড়িয়ে ২,৫০০ থেকে ৩,০০০ টাকা করার বিষয়টি বিবেচনা করছে। কমিটির মতে, ক্রমবর্ধমান মুদ্রাস্ফীতি সত্ত্বেও ১,০০০ টাকার ন্যূনতম পেনশন দীর্ঘদিন ধরে অপরিবর্তিত রয়েছে। বিশেষ করে বয়স্ক এবং অর্থনৈতিকভাবে দুর্বল সুবিধাভোগীদের আর্থিক অসুবিধার কথা বিবেচনা করে, পেনশনভোগীদের পক্ষ থেকে ন্যূনতম পেনশন বৃদ্ধির জন্য অসংখ্য অনুরোধ করা হয়েছে বিগত কয়েক বছরে। অভিযোগ, সরকার এই বিষয়ে কোনওরকম কর্নপাত করেনি।

    আরও পড়ুনঃ ইতিহাস গড়লেন TTE, বিনা টিকিটে যাত্রীদের ধরে একদিনেই ২.৫৭ লাখ আদায় রেলের

    কমিটির মতে, কেন্দ্রীয় সরকার ইতিমধ্যেই এই প্রকল্পে আর্থিক সহায়তা প্রদান করছে, যার মধ্যে বিদ্যমান ইপিএফ সদস্যদের জন্য ১.১৬ শতাংশ যোগদান এবং প্রতি মাসে ন্যূনতম ১,০০০ টাকা পেনশন নিশ্চিত করার জন্য বাজেট বরাদ্দ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। ন্যূনতম পেনশন বাড়ানোর জন্য, কমিটি শ্রম মন্ত্রককে বাজেট সহায়তা বাড়ানোর সম্ভাবনা খতিয়ে দেখার সুপারিশ করেছে, যাতে পেনশনভোগীরা আজকের জীবনযাত্রার ব্যয়ের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ একটি যুক্তিসঙ্গত ন্যূনতম পেনশন পেতে পারেন।

  • ঘরে বসেই ট্রান্সফার হবে পিএফ অ্যাকাউন্ট, নয়া সুবিধা আনল EPFO

    ঘরে বসেই ট্রান্সফার হবে পিএফ অ্যাকাউন্ট, নয়া সুবিধা আনল EPFO

    সহেলি মিত্র, কলকাতা: বর্তমান সময়ে কমবেশি কোম্পানিই নিজের কর্মীদের প্রভিডেন্ট ফান্ড (Provident Fund) অফার করে। এমন খুব কম মানুষই আছেন যারা ভবিষ্যতের কথা ভেবে PF অ্যাকাউন্ট করেননি। তবে আপনিও কি সম্প্রতি আবার চাকরি পরিবর্তননের কথা ভাবছেন, আপনার একাধিক পিএফ অ্যাকাউন্ট আছে? তাহলে আজকের এই প্রতিবেদনটি রইল আপনার যিনি। প্রায়শই, যখন আপনি আপনার পুরানো কোম্পানি ছেড়ে চলে যান, তখন আপনি আপনার পিএফ ব্যালেন্স ট্রান্সফার (PF Balance Transfer) করতে ভুলে যান। মনে পড়লে টাকা তুলতে গিয়ে সমস্যায় পড়তে হয়। যদিও ইপিএফও এখন এই প্রক্রিয়াটি সহজ করেছে। চলুন জেনে নেবেন।

    ঘরে বসে এভাবে করুন PF ট্রান্সফার

    EPFO এখনো পিএফ অ্যাকাউন্ট ট্রান্সফার প্রক্রিয়া আগের তুলনায় অনেকটাই সহজ করেছে।”এক সদস্য, এক ইপিএফ অ্যাকাউন্ট” সুবিধার মাধ্যমে, আপনি আপনার ঘরে বসেই আপনার সমস্ত পুরানো পিএফ অ্যাকাউন্ট নতুন তৈরি অ্যাকাউন্টে ট্রান্সফার করতে পারবেন। চলুন জেনে নেবেন প্রক্রিয়া।

    ১) সদস্যদের ইউনিভার্সাল অ্যাকাউন্ট নম্বর (UAN) অবশ্যই সক্রিয় থাকতে হবে এবং তাদের আধার, ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট এবং মোবাইল নম্বরের সাথে লিঙ্ক করতে হবে।

    ২) আপনার UAN এবং পাসওয়ার্ড দিয়ে ePF সদস্য পোর্টালে (unifiedportal-mem.epfindia.gov.in/memberinterface/) লগ ইন করুন।

    ৩)এখন ব্যবহারকারীরা ‘এক সদস্য এক পিএফ অ্যাকাউন্ট’ পরিষেবার মাধ্যমে ট্রান্সফারের অনুরোধ করতে পারবেন।

    আরও পড়ুনঃ বাংলা-পুরীর যোগাযোগ আরও উন্নত, স্পেশাল ট্রেনকে নিয়মিত করল রেল

    ৪) এই সিস্টেমে, ব্যবহারকারীদের তাদের ব্যক্তিগত এবং কর্মসংস্থানের বিবরণ যাচাই করতে হবে। দাবি যাচাই করার জন্য তাদের একজন নিয়োগকর্তা নির্বাচন করতে হবে এবং তাদের নিবন্ধিত মোবাইল নম্বরে প্রেরিত একটি OTP এর মাধ্যমে প্রক্রিয়াটি প্রমাণীকরণ করতে হবে।

    ৫) তারপর আপনি ফর্ম ১৩ পূরণ করে জমা দিতে পারেন, যার পরে আপনার PF অ্যাকাউন্ট ট্রান্সফার হবে।

    ৬) এই প্রক্রিয়াটি স্থানান্তরের জন্য প্রয়োজনীয় সময় এবং প্রচেষ্টা হ্রাস করে, যা অনেক কর্মচারীর জন্য এটি একটি পছন্দের বিকল্প।

    EPFO অ্যাকাউন্ট ট্রান্সফারের নিয়ম

    এটি মনে রাখা জরুরি যে সফলভাবে PF ট্রান্সফারের জন্য, পূর্ববর্তী নিয়োগকর্তাদের সিস্টেমে প্রস্থানের তারিখ আপডেট করতে হবে। এটি EPFO ​​পোর্টালে “Manage > Mark Exit” বিকল্পের মাধ্যমে করা যেতে পারে। এটি মনে রাখা গুরুত্বপূর্ণ যে পূর্ববর্তী PF অ্যাকাউন্টের জন্য শুধুমাত্র একটি স্থানান্তরের অনুরোধ করা যেতে পারে। EPFO নিশ্চিত করে যে Claim Status পরীক্ষা করা উচিত, এবং যদি ট্রান্সফার অনলাইনে হয়, তাহলে ফর্ম ১৩ সশরীরে জমা দেওয়ার প্রয়োজন নেই। তবে, একাধিক UAN বা অব্যাহতিপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানে কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে, ফর্ম ১৩ সহ একটি অফলাইন ম্যানুয়াল প্রক্রিয়ার প্রয়োজন হতে পারে।

  • বাড়াতে হবে পেনশন, বৃহত্তর আন্দোলনের ডাক সিনিয়র সিটিজেনদের

    বাড়াতে হবে পেনশন, বৃহত্তর আন্দোলনের ডাক সিনিয়র সিটিজেনদের

    সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: পিএফ-এর আওতায় থাকা ইপিএস-৯৫ পেনশনভোগীদের ন্যূনতম পেনশন (Pension) বৃদ্ধিতে কেন্দ্র সরকারের অবস্থান দীর্ঘদিন ধরেই অনড়। তার প্রতিবাদেই আন্দোলনের পথে নামছে প্রবীণ নাগরিকরা। দীর্ঘদিন ধরেই পেনশন বাড়ানোর দাবি জানিয়ে আসছিলেন তারা। তবে তাতে কোনও রকম কাজ না হওয়ায় বিরাট পদক্ষেপের পথে হাঁটছে প্রবীণ নাগরিকরা। একাধিক কমিটি সুপারিশ করলেও এখনো পর্যন্ত কোনও রকম পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি বলেই অভিযোগ।

    আসলে সম্প্রতি বাজেট অধিবেশন চলাকালীন সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্বে কেন্দ্রীয় শ্রম মন্ত্রকের বক্তব্যে স্পষ্ট জানানো হয়েছে, আপাতত নূন্যতম পেনশন বৃদ্ধির বিষয়ে সরকার কোনও রকম চিন্তাভাবনা করছে না। এর পরেই আন্দোলনের ঝাঁজ বাড়ানোর জন্য দিল্লিতে বৃহত্তর বিক্ষোভ কর্মসূচির ডাক দিয়েছে পেনশনভোগীদের সংগঠন।

    তিনদিনের সমাবেশ দিল্লিতে

    ইপিএস-৯৫ এর আওতায় পেনশনভোগীদের ভারতীয় সংগঠন ন্যাশনাল অ্যাগিটেশন কমিটি আগামী ৯ থেকে ১১ মাস দিল্লি যন্তরমন্তরে বিক্ষোভ সমাবেশের আয়োজন করেছে। সংগঠন দাবি করছে, দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ৫০ হাজার প্রবীণ নাগরিক এই কর্মসূচিতে অংশ নেবেন। এমনকি সংগঠনের রাজ্য শাখার সভাপতি তপন দত্ত জানিয়েছেন, দিল্লির কেন্দ্রীয় সমাবেশ সফল করতে ইতিমধ্যে বিভিন্ন জেলায় ছোট ছোট সভার আয়োজন করা হয়েছে। উদ্দেশ্য একটাই, পেনশনভোগীদের সচেতনতা বাড়ানো।

    এ বিষয় তিনি বলেছেন, আমরা কেন্দ্রীয় শাসকদলের প্রতিনিধিদের পাশাপাশি বিভিন্ন সাংসদদের কাছেও আমাদের দাবি বহুবারই জানিয়েছি। আর পিএফ-র কেন্দ্রীয় অছি পরিষদের সদস্যদের কাছে স্মারকলিপিও জমা দেওয়া হয়েছে। তবে প্রবীণ নাগরিকদের পক্ষে টানা তিনদিন দিল্লিতে অবস্থান করা শারীরিকভাবে কষ্টকর হলেও অনেকেই এই আন্দোলনে যোগ দিতে আগ্রহী বলে জানিয়েছেন সংগঠনের উচ্চ পদস্থ নেতারা।

    আরও পড়ুন: DA মামলায় জোড়া চাপে পশ্চিমবঙ্গ সরকার

    প্রসঙ্গত, সংগঠনের সচিব অমিয়কুমার দাস বানিয়েছেন, তাদের মূল দাবি হল ন্যূনতম মাসিক পেনশন ৭৫০০ হাজার টাকা করতে হবে। আর তার সঙ্গে মহার্ঘ ভাতা বা ডিএ যুক্ত করতে হবে, এবং প্রবীণ নাগরিকদের জন্য পৃথক স্বাস্থ্য সুবিধা প্রকল্প চালু করতে হবে। বর্তমানে ইপিএস-৯৫ প্রকল্পের আওতায় অত্যন্ত কম অংকের পেনশন পেয়ে থাকেন প্রবীণরা। আর এতে সংসার চালানোর কার্যত কঠিন বলে দাবি তাদের।

  • সুদের হার নিয়ে বিরাট ঘোষণা EPFO-র, উপকৃত হবেন ৭ কোটি সদস্য

    সুদের হার নিয়ে বিরাট ঘোষণা EPFO-র, উপকৃত হবেন ৭ কোটি সদস্য

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ EPFO সদস্যদের জন্য জরুরি খবর। প্রভিডেন্ট ফান্ডের সুদের হার নিয়ে বড় ঘোষণা করা হ। এবারেও অপরিবর্তিত থাকল সুদের হার (Interest Rate)। হ্যাঁ একদম ঠিক শুনেছেন। কর্মচারী ভবিষ্যনিধি সংস্থা ২০২৫-২৬ অর্থবছরের জন্য কর্মচারীদের PF জমার উপর ৮.২৫ শতাংশ সুদের হার নির্ধারণ করেছে। অর্থাৎ সুদের হারে কোনও বদল হয়নি।

    সুদের হার অপরিবর্তিত রাখল EPFO

    সূত্রের খবর, কেন্দ্রীয় ট্রাস্টি বোর্ডের (CBT) এক সভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই সিদ্ধান্তের ফলে সারা দেশের ৩১ কোটিরও বেশি সদস্য উপকৃত হবেন। গত আর্থিক বছরে, EPFO ​​৮.২৫ শতাংশ সুদের হার অফার করেছিল। এর আগে, ২০২২-২৩ সালে এই হার ছিল ৮.১৫ শতাংশ, যেখানে ২০২১-২২ সালে তা চার দশকের সর্বনিম্ন ৮.১ শতাংশে নেমে এসেছিল। এহেন পরিস্থিতিতে এবারে সুদের হার স্থিতিশীল রাখা কর্মীদের জন্য স্বস্তির কারণ বলে মনে করা হচ্ছে।

    উপকৃত হবেন ৭ কোটিরও বেশি EPFO সদস্য

    কেন্দ্রীয় শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী মনসুখ মান্ডব্যের সভাপতিত্বে এই বৈঠকে কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী শোভা করান্দলাজে, শ্রম সচিব বন্দনা গুরনানি এবং ইপিএফও-এর কেন্দ্রীয় কমিশনার রমেশ কৃষ্ণমূর্তি উপস্থিত ছিলেন। বোর্ডের সুপারিশ এখন অর্থ মন্ত্রকে পাঠানো হবে। অনুমোদন পাওয়ার পর, এই সুদের হার সারা দেশের ৭ কোটিরও বেশি ইপিএফও সদস্যের অ্যাকাউন্টে কার্যকর করা হবে।

    আরও পড়ুনঃ কলকাতা, শিয়ালদা, আসানসোল থেকে একাধিক ট্রেন ঘোষণা পূর্ব রেলের! জেনে নিন রুট

    এবার আলোচনা করা যাক কিভাবে EPF-এর সুদ জমা হয় সে বিষয়ে। EPFO প্রতি মাসে অ্যাকাউন্টে জমা হওয়া পরিমাণের উপর সুদ গণনা করে, কিন্তু আর্থিক বছরের শেষে তা এককালীন অ্যাকাউন্টে জমা হয়। এর মানে হল, যদি আপনি নিয়মিত কন্ট্রিবিউট রাখেন, তাহলে আপনি পুরো বছরের সুদ একবারে দেখতে পাবেন। তবে, যদি কোনও অ্যাকাউন্ট ৩৬ মাস ধরে নিষ্ক্রিয় থাকে অর্থাৎ কোনও টাকা না জমা হয়, তাহলে এটি অটোমেটিকভাবে নিষ্ক্রিয় হয়ে যায়।

     

  • পুরনো নিয়ম বাতিল EPFO-র! এখন সরাসরি অ্যাকাউন্টে ঢুকবে টাকা, কীভাবে?

    পুরনো নিয়ম বাতিল EPFO-র! এখন সরাসরি অ্যাকাউন্টে ঢুকবে টাকা, কীভাবে?

    সহেলি মিত্র, কলকাতা: EPFO সদস্যদের জন্য সম্প্রতি বড় ঘোষণা করেছে সরকার। দীর্ঘদিন ধরে নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়ে থাকা পিএফ অ্যাকাউন্টধারীদের টাকা ফেরানোর ব্যবস্থা করা হবে। শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রক ৭.১১ লক্ষ অকার্যকর EPF অ্যাকাউন্ট নিষ্পত্তির প্রস্তুতি নিচ্ছে। ১,০০০ টাকা বা তার কম ব্যালেন্সযুক্ত অ্যাকাউন্টগুলিতে এখন কোনও আবেদন ছাড়াই সরাসরি অ্যাকাউন্টধারীদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে তহবিল স্থানান্তর করা হবে। তবে এখনো অবধি এই ১০০০ টাকার হিসেবটা ঠিক বুঝতে পারছেন না। আপনিও কি তাঁদের মধ্যে একজন? তাহলে চলুন বিশদে জেনে নেওয়া যাক।

    EPFO -র ১০০০ টাকার অঙ্ক কী?

    এক রিপোর্ট অনুসারে, ছোট এবং নিষ্ক্রিয় অ্যাকাউন্টগুলিতে দীর্ঘ সময় ধরে প্রায় ৩০.৫২ কোটি টাকা দাবিবিহীন অবস্থায় পড়ে আছে। এই পরিমাণ স্বয়ংক্রিয়ভাবে আধার-সংযুক্ত ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টগুলিতে স্থানান্তরিত হবে। এর জন্য কোনও ফর্ম পূরণ বা EPFO ​​অফিসে যাওয়ার প্রয়োজন হবে না।শ্রম মন্ত্রক ৭.১১ লক্ষ বন্ধ অ্যাকাউন্টের হিসাব নিষ্পত্তির সিদ্ধান্ত নিয়েছে যাদের ব্যালেন্স ১,০০০ টাকা বা তার কম। যদি অ্যাকাউন্টধারী মারা যান, তাহলে এই অর্থ তাদের মনোনীত ব্যক্তি বা আইনি উত্তরাধিকারীকে দেওয়া হবে।

    আপনিও কীভাবে টাকা ফেরত পাবেন?

    ইপিএফও এখন ১,০০০ টাকা পর্যন্ত ব্যালেন্স সহ নিষ্ক্রিয় পিএফ অ্যাকাউন্ট থেকে সরাসরি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে টাকা স্থানান্তর করছে। অটোমেটিকভাবে টাকা ফেরতের জন্য কোনও ফর্ম পূরণ করার বা কোনও অফিসে যাওয়ার প্রয়োজন নেই। এই প্রক্রিয়ায় ৭ লক্ষেরও বেশি বন্ধ অ্যাকাউন্ট অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

    ১) টাকা সেই একই ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে আসবে যা আধার (আধার কেওয়াইসি) এর সাথে লিঙ্ক করা আছে।

    ২) এই সুবিধাটি শুধুমাত্র সেইসব অ্যাকাউন্টের জন্য যেগুলো দীর্ঘদিন ধরে নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়ে রয়েছে।

    ৩) যেসব অ্যাকাউন্টে ১০০০ টাকা বা তার কম ব্যালেন্স আছে, শুধুমাত্র সেইসব অ্যাকাউন্টই অটো-সেটেলমেন্টের জন্য যোগ্য হবে।

    ৪) টাকা পেতে আপনার UAN-তে লগইন করুন এবং আপনার আধার, প্যান এবং ব্যাঙ্কের বিবরণ আপডেট রাখুন, তবেই আপনি সহজেই টাকা পাবেন।

    আরও পড়ুনঃ দোলের আগে অনেকটাই দাম বাড়ল LPG সিলিন্ডারের, জানুন নতুন রেট

    নিষ্ক্রিয় EPF অ্যাকাউন্ট কী?

    যখন কোনও কর্মচারীর অ্যাকাউন্ট ৩৬ মাস ধরে নিয়োগকর্তার কাছ থেকে কোনও অবদান পায় না, তখন সেই অ্যাকাউন্টটি অকার্যকর বলে বিবেচিত হয়। প্রায়শই, কম ব্যালেন্স সহ এই অ্যাকাউন্টগুলি চাকরি পরিবর্তন, অবসর গ্রহণ বা অন্যান্য জিনিসের অভাবে কারণে অব্যবহৃত অবস্থায় পড়ে থাকে।