Tag: Employee

  • পোর্টালে সমস্যায় আপডেট করা যাচ্ছে না সার্ভিস বুক, কর্মীদের নয়া নির্দেশ রাজ্য সরকারের

    পোর্টালে সমস্যায় আপডেট করা যাচ্ছে না সার্ভিস বুক, কর্মীদের নয়া নির্দেশ রাজ্য সরকারের

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ চলতি অর্থ বর্ষ যখন শেষ হওয়ার দোরগোড়ায়, তখন আচমকা বিপাকে পড়লেন রাজ্য সরকারি কর্মচারীরা (Government Employees)। রাজ্য সরকারের গুরুত্বপূর্ণ পোর্টাল খুলছে না। যখনই পোর্টাল খুলতে যাওয়া হচ্ছে তখনই হয় বলছে Service Unavailable নয়তো Error। এদিকে ইয়ার এন্ডের কাজ করতে গিয়ে স্বাভাবিকভাবেই সমস্যার মুখে পড়তে হচ্ছে সকলকে। রাজ্য সরকারের ডব্লিউবিআইএফএমএস (WBIFMS) পোর্টালে বিশেষ সমস্যা দেখা দিয়েছে।

    খুলছে না সরকারের গুরুত্বপূর্ণ পোর্টাল

    সার্ভার সমস্যার কারণে এই পোর্টাল খুললেও আপডেট করা যাচ্ছে না eService Book। এদিকে অর্থবর্ষ শেষের দিকে এমন সমস্যার ফলে আটকে গিয়েছে অনলাইনে বহু কাজ। ফলে বেজায় উদ্বিগ্ন সরকারি কর্মীরা। থমকে রয়েছে একের পর এক গুরুত্বপূর্ণ কাজ। সময়ের মধ্যে সেই কাজগুলি কীভাবে শেষ হবে তা নিয়ে এখন চিন্তিত সকলে। অর্থ বিভাগের তরফে ইতিমধ্যে কাজগুলির জন্য ডেডলাইন বেঁধে দেওয়া হয়েছে। একদিকে সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করার চাপ, অন্যদিকে পোর্টাল না খোলার সমস্যা। কীভাবে কী হবে তা ভেবে কুল কিনারা পাচ্ছেন না কেউ।

    বিপাকে সরকারি কর্মীরা

    সামনেই রয়েছে বিধানসভা ভোট। এদিকে মার্চ মাসটাই হল অর্থবর্ষের শেষ মাস। সব কাজ সময়ের মধ্যে করতে হবে। WBIFMS এই নির্দিষ্ট পোর্টালটি রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের জন্য সমস্ত আর্থিক এবং পরিষেবা-সম্পর্কিত কার্যক্রমের প্রাথমিক মাধ্যম। তবে, ওয়েবসাইটটি অ্যাক্সেস করা যাচ্ছে না কিছুতেই। ব্যবহারকারীরা বারবার তাদের স্ক্রিনে ‘503 পরিষেবা অনুপলব্ধ’ বা কখনও কখনও ‘404 Page is Unavailable’ এর মতো বার্তা স্ক্রিনে ভেসে উঠছে। এই চলমান সার্ভার অচলাবস্থার কারণে, সরকারি অফিসগুলির স্বাভাবিক কার্যক্রম মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। তবে WBIFMS এর পোর্টালে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে যে, eService Book মডিউলের কাজ আপাতত রক্ষণাবেক্ষণ রয়েছে, যার জন্য ৭২ ঘণ্টা সময় লাগবে। কর্মীদের ৭২ ঘণ্টা পর নিজেদের কাজ শুরু করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

    ২০ মার্চের মধ্যে বিশেষ কাজ করার নির্দেশ নবান্নের

    আসলে আগামী ২০ মার্চের মধ্য সরকারি কর্মীদের একটি বিশেষ কাজ করে নেওয়ার জন্য বলা হয়েছে। রাজ্য অর্থ দফতরের তরফে জারি করা নতুন বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সব সরকারি কর্মচারীর সার্ভিস বুক (Service Book) ডিজিটাল বা ই-সার্ভিস বুক হিসেবে তৈরি করতে হবে।

    আরও পড়ুনঃ হানা দেবে কিউমুলোনিম্বাস মেঘ থেকে কালবৈশাখী! টানা ৬ দিন ভয়ঙ্কর দুর্যোগ বঙ্গে

    অর্থ দফতরের তরফে প্রকাশিত নতুন আদেশনামা 835-F(eGov) এবং ২৮/০২/২০২৬ অনুযায়ী, আগামী ২০ মার্চের মধ্যে সমস্ত সরকারি কর্মীর ই-সার্ভিস বুক তৈরির কাজ সম্পূর্ণ করতে হবে। প্রথমে সার্ভিস বুকের দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিক বা কাস্টোডিয়ানরা মূল নথির পাতাগুলি স্ক্যান করে অনলাইনে আপলোড করবেন। এরপর কর্মচারীদের নিজেদের দায়িত্ব নিতে হবে। তাঁরা সেই স্ক্যান করা নথিগুলি দেখে অনলাইনে নিজেদের সমস্ত তথ্য সতর্কতার সঙ্গে এন্ট্রি করবেন।

     

  • DA নিয়ে এবার নয়া পদক্ষেপ রাজ্য সরকারের, ধৈর্যের বাঁধ ভাঙল কর্মীদের

    DA নিয়ে এবার নয়া পদক্ষেপ রাজ্য সরকারের, ধৈর্যের বাঁধ ভাঙল কর্মীদের

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ বকেয়া ডিএ (DA) মামলায় খেলা যেন উল্টে গিয়েছে। সরকারি কর্মীদের পর এবার পাল্টা সক্রিয় হয়ে উঠেছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার। সুপ্রিম কোর্টের বেঁধে দেওয়া ডেডলাইনের মধ্যে সরকার কিছুতেই বকেয়া মহার্ঘ্য ভাতা (Dearness allowance) দিতে পারবে না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছে। এই সময়সীমা আগামী ৩১ ডিসেম্বর, ২০২৬ অবধি বাড়ানোর দাবি জানানো হয়েছে। এই নিয়ে প্রথমে এম-এ পিটিশন, এবার রিভিউ পিটিশন দাখিল করল পশ্চিমবঙ্গ সরকার। আর তা নিয়ে নতুন করে ক্ষোভে ফেটে পড়লেন সাধারণ কর্মচারীরা।

    ডিএ মামলায় রাজ্যের পদক্ষেপে ফের খুব্ধ সরকারি কর্মীরা

    কনফেডারেশন অফ স্টেট গভর্নমেন্ট এমপ্লয়িজের সাধারণ সম্পাদক তথা ডিএ মামলাকারী মলয় মুখোপাধ্যায় (Malay Mukherjee) সরকারের পদক্ষেপ নিয়ে ক্ষোভে ফেটে পড়েছেন। নিজের ফেসবুক পেজে গত ৬ মার্চ সরকারের এমএ পিটিশন এবং গত ৯ মার্চে রিভিউ পিটিশনের একটি স্ক্রিনশট তুলে ধরেন। সেইসঙ্গে সরকারকে তীব্র ভাষায় কটাক্ষ করেন। তিনি লেখেন, ‘DA মামলা রাজ্য সরকার দেশের সর্বোচ্চ আদালতকে কি মনে করছেন?’ অর্থাৎ সরকারের ডিএ নিয়ে এরকম মনোভাব সরকারি কর্মী থেকে শুরু করে পেনশন প্রাপকদের মধ্যে কত ক্ষোভের সৃষ্টি করছে তা যেন নতুন করে ফুটে উঠেছে তাঁর কথায়।

    এই নিয়ে বহু মানুষের প্রতিক্রিয়া সামনে এসেছে। একজন লিখেছেন, ‘এই মূহুর্তে রাজ্যের অর্থসচিব এবং মুখ্যসচিব কে তলব করে এই টালবাহানার নাটক বন্ধ করে ওনাদের বেতন ফ্রিজ করে দেওয়ার জন্য মাননীয় সর্বোচ্চ আদালতের দৃষ্টি আকর্ষণ করা প্রয়োজন।’ অন্য একজন বেশ মজার ছলে লিখেছেন, ‘সুপ্রীম কোর্ট রাজ্য সরকারকে কী মনে করেছে সেটাও তো জানা দরকার! এত আবদার লোক নিজের বৌয়েরও রাখতে পারে না! অপর একজন লিখেছেন, ‘এতদিন বাদে বকেয়া DA দেওয়ার রায় দিলেন বিচারপতিরা কোনো সুদ ছাড়া, এইজন্য এত সাহস পাচ্ছে।’

    আরও পড়ুনঃ ৫২৪টি LPG সিলিন্ডার ভর্তি ট্রাক উধাও! গ্যাসের সংকটের মধ্যেই চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঝাঁসিতে

    সরকারের এহেন পিটিশন নিয়ে অন্য আরেকজন ফেসবুক ব্যবহারকারী লিখেছেন, ‘করতেই পারে। যতটা সময় এই করে করে কাটানো যায় আর কি! কিন্তু ওপেন কোর্ট হিয়ারিং সবরিমালা কেসে হয়েছিল। কিন্তু সেই ভারডিক্টে কোনো স্টে নেই। আর ডেথ পেনাল্টি র ক্ষেত্রে ওপেন কোর্ট হিয়ারিং হয়। আর কোনো আইনি বাধ্যবাধকতা নেই এর। সুতরাং সম্ভাবনা খুবই ক্ষীণ। তবুও উনি হাল ছাড়বেন না আর কি।’

    কী বলছে সরকার?

    এমনিতেই বকেয়া ডিএ মামলায় নতুন করে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার। সুপ্রিম কোর্টে সরকার জানিয়েছে, এখনই রাজ্যের পক্ষে সকলের বকেয়া মেটানো সম্ভব নয়। যে কারণে আগামী ৩১ ডিসেম্বর, ২০২৬ সাল অবধি সময় দেওয়ার আবেদন জানানো হয়েছে। এদিকে সরকারের এহেন মন্তব্যে ক্ষোভে ফুঁসছেন সরকারি কর্মী থেকে শুরু করে পেনশন প্রাপকরা। তাঁদের অপেক্ষা আরও কত দীর্ঘ হবে? আদৌ টাকাটা মিলবে তো? এই আশঙ্কায় ভুগছেন সকলে।

  • ক্যাবিনেটের বৈঠকে বড় সিদ্ধান্ত! DA বাড়ছে শীঘ্রই? জানুন আপডেট

    ক্যাবিনেটের বৈঠকে বড় সিদ্ধান্ত! DA বাড়ছে শীঘ্রই? জানুন আপডেট

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ ডিএ (Dearness allowance) কি বাড়ল নাকি আশাহত হতে হল সকল কর্মচারীকে? বর্তমানে কয়েক কোটি সরকারি কর্মী এবং পেনশন প্রাপকরা মহার্ঘ্য ভাতা এবং অষ্টম বেতন পে কমিশন (8th Pay Commission) লাগু হওয়ার অপেক্ষা করছেন। অপরদিকে গতকাল মঙ্গলবার মন্ত্রিসভার বৈঠকের আয়োজন করা হয়েছিল। সকলে আশা করেছিলেন যে সরকার DA বৃদ্ধি নিয়ে কোনও ঘোষণা করবে। ঘোষণা হল কি? চলুন জেনে নেবেন।

    DA নিয়ে কী বলছে কেন্দ্র?

    সকলে জানুয়ারি-জুন মাসের অর্ধ-বছরের জন্য মহার্ঘ্য ভাতা নিয়ে সিদ্ধান্তের অপেক্ষা করছেন। এমনিতে সাধারণত, কেন্দ্রীয় সরকার হোলির দিন বা তার আগে মহার্ঘ্য ভাতা ঘোষণা করে, রিপোর্ট অনুযায়ী, এবার এই নিয়ে কোনও উচ্চবাচ্য করেনি সরকার! অনেক কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারী আশা করেছিলেন যে মঙ্গলবার মোদী সরকারের মন্ত্রিসভার বৈঠকে এই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে, কিন্তু তা হয়নি।

    আরও পড়ুনঃ হবে মাল্টিট্র্যাকিং, চতুর্থ লাইন! বাংলায় ফের একগুচ্ছ রেল প্রকল্পের ঘোষণা

    এদিকে কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারীদের বেতন (Salary Hike) ও পেনশন সম্পর্কিত গঠিত হতে যাওয়া অষ্টম বেতন কমিশনের সামনে কর্মচারী সংগঠনগুলি তাদের দাবিগুলি পেশ করতে শুরু করেছে। এই বিষয়ে, অল ইন্ডিয়া ট্রেড ইউনিয়ন কংগ্রেস (AITUC) কমিশনের চেয়ারপারসন বিচারপতি রঞ্জনা প্রকাশ দেশাইয়ের কাছে ১৮টি প্রশ্নের উত্তর সহ বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ পাঠিয়েছে। এই পরামর্শগুলির মধ্যে রয়েছে কর্মচারীদের বেতন উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি, পুরাতন পেনশন প্রকল্প (OPS) পুনরুদ্ধার, আরও পদোন্নতি এবং ভাতা বৃদ্ধির মতো দাবি।

    কতটা ডিএ বাড়তে পারে?

    এখন প্রশ্ন উঠছে, সরকার যখনই ঘোষণা করুক, কতটা ডিএ বৃদ্ধি হবে? মুদ্রাস্ফীতির তথ্যের উপর ভিত্তি করে, জানুয়ারি-জুন ২০২৬ অর্ধ-বছরের জন্য মহার্ঘ ভাতা প্রায় ২% বৃদ্ধি পাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এটি বাস্তবায়িত হলে, বর্তমান ৫৮% থেকে মূল বেতনের প্রায় ৬০% পর্যন্ত ডিএ বৃদ্ধি পেতে পারে। এই মহার্ঘ্য ভাতা এবং মহার্ঘ্য ত্রাণ সরকারি কর্মীদের ওপর আর্থিক বোঝা কমানোর ক্ষেত্রে বড় ভূমিকা পালন করে।

     

  • অবশেষে বকেয়া DA দিচ্ছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার? ২০ মার্চের মধ্যে বিশেষ কাজ করার নির্দেশ নবান্নের

    অবশেষে বকেয়া DA দিচ্ছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার? ২০ মার্চের মধ্যে বিশেষ কাজ করার নির্দেশ নবান্নের

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ সামনেই রয়েছে বিধানসভা ভোট। এখনও অবধি বিধানসভা ভোটের নির্ঘন্ট প্রকাশ না পেলেও তোড়জোড় ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গিয়েছে। অন্যদিকে বকেয়া ডিএ (Dearness allowance) ইস্যুতে সরকারের চাপ বাড়াচ্ছেন রাজ্যের সরকারি কর্মীরা। এই ক্ষোভ কবে প্রশমন হবে? উত্তর জানা নেই কারোর। এরই মধ্যে সরকারি কর্মীদের উদ্দেশ্যে নতুন নির্দেশিকা জারি করল নবান্ন (Nabanna)। আগামী ২০ মার্চের মধ্য সরকারি কর্মীদের একটি বিশেষ কাজ করে নেওয়ার জন্য বলা হয়েছে। চলুন বিশদে জেনে নেওয়া যাক।

    ২০ মার্চের মধ্যে এই কাজ করার নির্দেশ নবান্নের

    আপনিও কি জানতে ইচ্ছুক যে সরকার ২০ মার্চের মধ্যে কী কাজ করার নির্দেশ দিয়েছে? তাহলে জানিয়ে রাখি, রাজ্য অর্থ দফতরের তরফে জারি করা নতুন বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সব সরকারি কর্মচারীর সার্ভিস বুক (Service Book) ডিজিটাল বা ই-সার্ভিস বুক হিসেবে তৈরি করতে হবে। তাহলে কি বকেয়া DA নিয়ে তোড়জোড় শুরু করতে চাইছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার? সুপ্রিম কোর্টে চলা পঞ্চম বেতন পে কমিশনের বকেয়া ডিএ মেটানোর বিষয়ে এটা প্রথম পদক্ষেপ? এই নিয়ে সরকারের তরফে কিছু না জানানো হলেও, ইতিমধ্যে সরকারি কর্মীদের মধ্যে ফিসফাস শুরু হয়ে গিয়েছে।

    এমনিতেই বকেয়া ডিএ মামলায় নতুন করে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার। সুপ্রিম কোর্টে শাসক দল জানিয়েছে, এখনই সরকারের পক্ষে সকলের বকেয়া মেটানো সম্ভব নয়। যে কারণে আগামী ৩১ ডিসেম্বর, ২০২৬ সাল অবধি সময় দেওয়ার আবেদন জানানো হয়েছে। এদিকে সরকারের এহেন মন্তব্যে ক্ষোভে ফুঁসছেন সরকারি কর্মী থেকে শুরু করে পেনশন প্রাপকরা। তাঁদের অপেক্ষা আরও কত দীর্ঘ হবে? আদৌ টাকাটা মিলবে তো? এই আশঙ্কায় ভুগছেন সকলে।

    কী আছে বিজ্ঞপ্তিতে?

    অর্থ দফতরের তরফে প্রকাশিত নতুন আদেশনামা 835-F(eGov) এবং ২৮/০২/২০২৬ অনুযায়ী, আগামী ২০ মার্চের মধ্যে সমস্ত সরকারি কর্মীর ই-সার্ভিস বুক তৈরির কাজ সম্পূর্ণ করতে হবে। প্রথমে সার্ভিস বুকের দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিক বা কাস্টোডিয়ানরা মূল নথির পাতাগুলি স্ক্যান করে অনলাইনে আপলোড করবেন। এরপর কর্মচারীদের নিজেদের দায়িত্ব নিতে হবে। তাঁরা সেই স্ক্যান করা নথিগুলি দেখে অনলাইনে নিজেদের সমস্ত তথ্য সতর্কতার সঙ্গে এন্ট্রি করবেন।

  • ৩০ এপ্রিলের মধ্যে দিতে হবে জমা, কর্মচারী ও পেনশনভোগীদের বিশেষ নির্দেশ সরকারের

    ৩০ এপ্রিলের মধ্যে দিতে হবে জমা, কর্মচারী ও পেনশনভোগীদের বিশেষ নির্দেশ সরকারের

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারীদের জন্য রইল জরুরি খবর। আর এই খবরটি হল অষ্টম বেতন পে কমিশন (8th Pay Commission) সংক্রান্ত। জানা গিয়েছে, কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারী এবং পেনশনভোগীদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে বিবেচিত অষ্টম কেন্দ্রীয় বেতন কমিশন এখন বিভিন্ন অংশীদারদের কাছ থেকে পরামর্শ এবং স্মারকলিপি চেয়েছে। সময়সীমা ৩০ এপ্রিল, ২০২৬।

    ৩০ এপ্রিল ডেডলাইন দিল কেন্দ্র

    জানা গিয়েছে, কমিশন তার অফিসিয়াল ওয়েবসাইটের মাধ্যমে জানিয়েছে যে কর্মচারী, পেনশনভোগী, ইউনিয়ন এবং অন্যান্য অংশীদাররা একটি অনলাইন পোর্টালের মাধ্যমে তাদের মতামত জমা দিতে পারবেন। এই পোর্টালটি ইতিমধ্যে গত ৫ মার্চ, ২০২৬ থেকে চালু করা হয়েছে এবং পরামর্শ জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ৩০ এপ্রিল, ২০২৬ নির্ধারণ করা হয়েছে। কমিশন স্পষ্ট করে জানিয়েছে যে সমস্ত পরামর্শ অফলাইন নয়, শুধুমাত্র অনলাইন পোর্টালের মাধ্যমে গ্রহণ করা হবে। হার্ড কপি, ইমেল বা পিডিএফ ফাইল বিবেচনা করা হবে না। অতএব, বেতন, ভাতা বা অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা সম্পর্কিত দাবি সহ যে কোনও কর্মচারী বা প্রতিষ্ঠানকে নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে অনলাইনেই তাদের প্রস্তাব জমা দিতে হবে।

    আরও পড়ুনঃ শুধুমাত্র এদেরই বকেয়া DA দেবে নবান্ন? সুপ্রিম কোর্টে জমা রিপোর্ট ঘিরে চাঞ্চল্য

    কী বলা হয়েছে ওয়েবসাইটে?

    অষ্টম বেতন কমিশনের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত মেসেজ অনুসারে, কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারী (শিল্প ও অ-শিল্প), সর্বভারতীয় পরিষেবার কর্মকর্তা, প্রতিরক্ষা বাহিনীর কর্মী, কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের কর্মচারী, ভারতীয় নিরীক্ষা ও হিসাব বিভাগের কর্মকর্তা ও কর্মচারী, সংসদের আইনের অধীনে গঠিত নিয়ন্ত্রক সংস্থার সদস্য (আরবিআই ছাড়া), সুপ্রিম কোর্ট এবং হাইকোর্টের কর্মচারী, অধস্তন আদালতের বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তা, পেনশনভোগী এবং কর্মচারী ইউনিয়ন এই প্রক্রিয়ায় তাদের মতামত জমা দিতে পারবেন।

    আরও পড়ুনঃ বাংলা ও বিহার হচ্ছে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল? স্পষ্ট জানিয়ে দিল সরকার

    এছাড়াও, কেন্দ্রীয় সরকারের মন্ত্রক, বিভিন্ন বিভাগ, সংস্থা, কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল প্রশাসন, কর্মচারী ইউনিয়ন, গবেষক এবং শিক্ষা বিশেষজ্ঞরাও কমিশনের কাছে পরামর্শ জমা দিতে পারবেন। কমিশন ইতিমধ্যেই বেতন কাঠামো, ভাতা, সুযোগ-সুবিধা এবং নিয়ম সম্পর্কিত বিষয়গুলির উপর প্রতিক্রিয়া জানতে ১৮টি প্রশ্নের একটি প্রশ্নপত্র জারি করেছে। এই প্রশ্নের উত্তর অনলাইনেও দিতে হবে, যার সময়সীমা ১৬ মার্চ, ২০২৬ পর্যন্ত।

  • DA থেকে সপ্তম পে কমিশন, শাহের ওপর আস্থা? জানালেন পশ্চিমবঙ্গ সরকাররের কর্মীরা

    DA থেকে সপ্তম পে কমিশন, শাহের ওপর আস্থা? জানালেন পশ্চিমবঙ্গ সরকাররের কর্মীরা

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ বাংলায় বিধানসভা ভোটের মুখে প্রতিশ্রুতির বন্যা বইছে সকলের জন্য। ইতিমধ্যে ভোটকে নজরে রেখে পশ্চিমবঙ্গ সরকার লক্ষ্মীর ভান্ডারের টাকা বৃদ্ধি, বেকার ভাতার আওতায় ১৫০০ টাকা, ৪ শতাংশ ডিএ (Dearness allowance) বৃদ্ধি, সপ্তম বেতন পে কমিশনের ঘোষণা করেছে। অপরদিকে সম্প্রতি বাংলা সফরে এসে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ঘোষণা করেছেন, বাংলায় বিজেপি সরকার গড়ল ৪৫ দিনের মধ্যে সপ্তম বেতন পে কমিশন (7th Pay Commission) লাগু করা হবে। এতকিছু প্রতিশ্রুতির মধ্যে এখন প্রশ্ন উঠছে, বাংলার সরকারি কর্মীরা এসবের ওপর বিশ্বাস রাখতে পারছেন? সেই নিয়েই এবার মুখ খুললেন বকেয়া মহার্ঘ ভাতা আদায়ের আন্দোলনের অন্যতম প্রধান মুখ ও কনফেডারেশন অফ স্টেট গভর্নমেন্ট এমপ্লয়িজ-এর সাধারণ সম্পাদক মলয় মুখোপাধ্যায় (Malay Mukherjee)।

    অমিত শাহের প্রতিশ্রুতিতে আস্থা পশ্চিমবঙ্গ সরকারের কর্মীদের?

    অনেকেই ইতিমধ্যে প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছেন, DA, পেনশন, বেতন বৃদ্ধি নিয়ে অমিত শাহের কথার ওপর আস্থা রাখতে পারবেন বাংলার সরকারি কর্মীরা? কারণ দীর্ঘ বিগত কয়েক বছর ধরে পঞ্চম বেতন পে কমিশনের আওতায় বকেয়া ডিএ মামলা নিয়ে লড়াই চলছে। আর এই লড়াইয়ে আংশিক জয়ও পেয়েছেন সকলে। আগামী ৩১ মার্চ, ২০২৬-এর মধ্যে পশ্চিমবঙ্গ সরকারকে সরকারি কর্মীদের বকেয়া টাকা মিটিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। এসবের মধ্যেই মলয় মুখোপাধ্যায়ের আশঙ্কা, ভোটের পর তৃণমূল সরকার পুনরায় নির্বাচিত হলে পেনশন বন্ধ করে দিতে পারে। অমিত শাহের করা মন্তব্য প্রসঙ্গে মলয়বাবু জানান, ‘কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর মুখ দিয়ে একটা কথা বের হওয়া মানে সেটাকে একদম অবিশ্বাস আমরা করতে পারি না বা করছিও না।’

    ২০৩০ সালে লাগু হবে সপ্তম বেতন পে কমিশন!

    মুখ্যমন্ত্রীর করা সপ্তম বেতন কমিশন প্রসঙ্গে মলয় মুখোপাধ্যায় জানান, ‘বর্তমান সরকার যদি আবার আসে তাহলে এই সপ্তম বেতন পে কমিশন ২০৩০ সালে লাগু হবে। মুখ্যমন্ত্রী এসে অনেক কথাই বলেছিল। তাঁর যে প্রতিশ্রুতি কতটা ফেক তা কর্মচারী সমাজ হারে হারে টের পাচ্ছেন। মুখ্যমন্ত্রী বলেছিলেন যে বাম আমলে যে যে বঞ্চনা হয়েছিল তা তাঁরা এসে ঠিক করে দেবেন। কিন্তু সেটা একদম মিথ্যে প্রতিশ্রুতি ছিল। এখানে শুধু দুর্নীতি আর দুর্নীতি। আর এসব করেই দীর্ঘ ১৫ বছর ধরে রাজত্ব করছে বর্তমান সরকার। তবে এই যে মাননীয় অমিত শাহের বক্তব্য এটা যদি সত্যি সত্যি লাগু হয় তাহলে ১০০ শতাংশ সরকারি কর্মচারীরা অনেক উপকৃত হবে, যেটা বর্তমান সরকার থাকলে আমরা পেতাম না।’

    আরও পড়ুনঃ দ্বিতীয় বা তৃতীয় সন্তানের জন্ম দিলেই ২৫,০০০ টাকা দেবে রাজ্য সরকার! কবে থেকে?

    অমিত শাহ বলেছেন ৪৫ দিনের মধ্যে পে কমিশন লাগু হবে। যদিও মলয় মুখোপাধ্যায় অন্য কথা বলছেন। তিনি জানান, ‘আমার মনে হয় মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এই বেতন কমিশনের বিস্তারিত তথ্য জানেন না। তবুও তাঁর মুখ থেকে ওই কথাটা বলা মানে কিন্তু বড় বিষয়।’

  • এক্সট্রা বোনাস, এই কর্মীরা পাবে সর্বোচ্চ ২২ হাজার টাকা! বিজ্ঞপ্তি জারি নবান্নর

    এক্সট্রা বোনাস, এই কর্মীরা পাবে সর্বোচ্চ ২২ হাজার টাকা! বিজ্ঞপ্তি জারি নবান্নর

    সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: দুর্গাপুজো ও ঈদের আগে রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের জন্য বিরাট ঘোষণা করল পশ্চিমবঙ্গ সরকার (Government of West Bengal)। উৎসবের কথা মাথায় রেখে অ্যাড-হক বোনাস এবং সুদ মুক্ত ফেস্টিভাল অ্যাডভান্স দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে রাজ্যের তরফ থেকে। জানা যাচ্ছে, এ বিষয়ে ইতিমধ্যেই পশ্চিমবঙ্গ সরকারের প্রশাসনিক সদর দফতর নবান্ন (Nabanna) একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে। আর সেখানে চলতি বছর কর্মীদের আর্থিক স্বস্তি দিতে আগের তুলনায় কিছু কিছু ক্ষেত্রে টাকার পরিমাণও বাড়ানো হয়েছে। তাই উৎসবের মরসুমে সরকারি কর্মচারীদের মুখে যে হাসি ফুটবে তা বলার অপেক্ষা রাখে না।

    এরা পাবে ২২ হাজার টাকা উৎসব অগ্রিম

    নবান্নের তরফ থেকে জারি করা নির্দেশিকা অনুযায়ী, নির্দিষ্ট বেতনসীমার মধ্যে থাকা কর্মচারীরা এবার সুদমুক্ত ফ্যাসিভ্যাল অ্যাডভান্স পাবে। সেক্ষেত্রে যাদের মাসিক বেতন ৪৬ হাজার টাকার বেশি এবং ৫৪ হাজার টাকার মধ্যে, তারাই এই সুবিধার আওতায় আসবে। আর এই সমস্ত কর্মচারীরা সর্বোচ্চ ২২ হাজার টাকা পর্যন্ত সুদমুক্ত উৎসব অগ্রিম নিতে পারবে বলে জানানো হয়েছে। আর সবথেকে উল্লেখ করার বিষয়, গত বছর বেতন সীমা ছিল ৪৪ হাজার টাকা থেকে ৫২ হাজার টাকার মধ্যে। অর্থাৎ, চলতি বছরে সেই সীমা আরও ২ হাজার টাকা বাড়ানো হল। আর একইভাবে গত বছর উৎসবের অগ্রিম পরিমাণ ছিল ২০ হাজার টাকা। এবার তা ২২ হাজার টাকা করা হয়েছে।

    বাড়ানো হয়েছে অ্যাড-হক বোনাস

    এদিকে যে সমস্ত কর্মচারীর মাসিক বেতন ৪৬ হাজার টাকা কিংবা তার কম, তারা এবার অ্যাড হক বোনাস পাবে বলে জানানো হয়েছে। সেক্ষেত্রে বোনাসের পরিমাণ নির্ধারণ করা হয়েছে ৭৪০০ টাকা। গত বছর এই পরিমাণ ছিল মাত্র ৬৮০০ টাকা। অর্থাৎ, এবারও গত বছরের তুলনায় ৬০০ টাকা বাড়ানো হয়েছে অ্যাড-হক বোনাস।

    পেনশনভোগীদের জন্য বড় ঘোষণা

    অন্যদিকে রাজ্য সরকারি পেনশনভোগীদের কথাও মাথায় রেখেছে। যাদের মাসিক পেনশন ৪০ হাজার টাকার মধ্যে, তারা এবার উৎসব উপলক্ষে বিশেষ অনুদান পাবে। হ্যাঁ, এবার ৩৮০০ টাকা করে অনুদান দেওয়া হবে উৎসবের মরসুমে। আর গত বছর এই হার ছিল ৩৫০০ টাকার। ফলে তারাও এবার থেকে ৩০০ টাকা করে বেশি পাবে।

    নবান্ন সূত্রে জানা গিয়েছে, যে মুসলিম কর্মীদের ঈদ-উল-ফিতরের আগেই এই সুবিধা দিয়ে দেওয়া হবে। আর অন্যান্য কর্মচারীরা ২৮ সেপ্টেম্বর থেকে ১ অক্টোবর এর মধ্যেই বোনাস পাবে। অর্থাৎ দুর্গাপুজোর আগে এই বোনাস হাতে আসবে। তবে এই উৎসব অগ্রিম সম্পূর্ণ সুদমুক্ত হলেও পরে দশটি কিস্তিতে বেতন কেটে নেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে। সরকার জানিয়েছে যে, ৩১ আগস্ট ২০২৭ এর মধ্যে এই টাকা পরিশোধ করতে হবে।

    আরও পড়ুন: উদ্বোধন করেছিলেন মন্ত্রী, সেই স্ট্রিট লাইটে নেই বাল্ব! সরকারি প্রকল্পে দুর্নীতির অভিযোগ

    তবে হ্যাঁ, শুধুমাত্র রাজ্যের সরকারি কর্মচারীরা হন, বরং আরও কয়েকটি ক্ষেত্রের কর্মীরা এই সুবিধার আওতায় আসবে। সেক্ষেত্রে তালিকায় পড়ছে সরকারি এবং সরকারপোষিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কর্মচারীরা, রাজ্য সরকারের অধীনস্থ সংস্থার কর্মচারীরা এবং পারিবারিক পেনশনভোগী ও অতিরিক্ত পেনশনভোগীরা। এছাড়াও যে সমস্ত সরকারি সংস্থায় কর্মীদের মাসিক বেতন ১০ হাজার টাকা কিংবা তার কম, সেখানে কর্মীরা ৩৫০০ টাকা বোনাস পাবে বলে জানানো হয়েছে।

  • ৬ কিস্তিতে বকেয়া পরিশোধ, ৩ শতাংশ DA বৃদ্ধির ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

    ৬ কিস্তিতে বকেয়া পরিশোধ, ৩ শতাংশ DA বৃদ্ধির ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ রাজ্য সরকারি কর্মীদের পোয়া বারো। ফের একবার মহার্ঘ্য ভাতা বা ডিএ (Dearness allowance) বৃদ্ধির ঘোষণা করল সরকার। হ্যাঁ একদম ঠিক শুনেছেন। একদিকে যখন কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীরা ডিএ বৃদ্ধি থেকে শুরু করে অষ্টম বেতন পে কমিশন লাগু করার বিষয়ে আওয়াজ তুলছেন, তখন রাজ্য সরকার ৩ শতাংশ DA বৃদ্ধি করল। এরই সঙ্গে এখন ডিএ ৫৫ শতাংশ থেকে বেড়ে ৫৮ শতাংশে উন্নীত হয়েছে।

    ৩ শতাংশ DA বৃদ্ধির ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

    আসলে হোলির আবহে মধ্যপ্রদেশ সরকার (Government of Madhya Pradesh) ৩ শতাংশ ডিএ বৃদ্ধির ঘোষণা করেছে। এদিকে উৎসবের আবহে সরকারের এহেন ঘোষণায় খুশিতে ডগমগ সকলে। গত সোমবার মধ্যপ্রদেশ সরকার হোলির আগে রাজ্য কর্মচারীদের জন্য মহার্ঘ্য ভাতা (DA) ৩ শতাংশ বৃদ্ধির ঘোষণা করেছে। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মোহন যাদব এক বিবৃতিতে বলেছেন যে সমস্ত সরকারি কর্মচারী তাদের এপ্রিল ২০২৬ সালের বেতনের সঙ্গে এই ৫৮ শতাংশ মহার্ঘ্য ভাতা পাবেন, যা কেন্দ্রীয় সরকারের সমান।

    মুখ্যমন্ত্রী বলেন, জুলাই ২০২৫ থেকে মার্চ ২০২৬ পর্যন্ত বকেয়া বেতন ২০২৬ সালের মে মাস থেকে ছয়টি সমান কিস্তিতে পরিশোধ করা হবে। পেনশনভোগীরা ২০২৬ সালের জানুয়ারি থেকে ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত তাদের পেনশনের সাথে ৫৮ শতাংশ মহার্ঘ ভাতাও পাবেন। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “আমাদের সরকার সমাজের সকল শ্রেণীর কল্যাণের জন্য কাজ করছে।”

    আরও পড়ুনঃ ‘তিন মাসের সামগ্রী …’ যুদ্ধের আবহে রেশন নিয়ে রাজ্যগুলোকে বড় নির্দেশ কেন্দ্রের

    বিজেপি নেতৃত্বাধীন মধ্যপ্রদেশ সরকার সোমবার আরও ঘোষণা করেছে যে ট্রেজারি কর্মকর্তারা এখন ওয়ার্কিং হাওয়ারে যানবাহন ভাড়া করতে পারবেন। সোমবার গভীর রাতে এক বিবৃতিতে সরকার জানিয়েছে যে মুখ্যমন্ত্রী মোহন যাদব সমস্ত ট্রেজারি কর্মকর্তাদের জন্য যানবাহন ভাড়া করার সুবিধা অনুমোদন করেছেন। ট্রেজারি কর্মকর্তারা এই বিষয়ে একটি প্রস্তাব পেশ করেছিলেন, যা অনুমোদিত হয়েছে।সোমবার মধ্যপ্রদেশ সরকারের অর্থ বিভাগ প্রয়োজনীয় আদেশ জারি করেছে, যার মতে, “সমস্ত ট্রেজারি অফিসার ১ এপ্রিল, ২০২৬ থেকে ভাড়া করা গাড়ির সুবিধা গ্রহণের যোগ্য হবেন।”

    কপাল খুলেছে এই সরকারি কর্মীদেরও

    আপনাদের জানিয়ে রাখি যে, এর আগে মহারাষ্ট্র সরকারি কর্মচারী এবং অন্যান্য যোগ্য কর্মীদের মহার্ঘ্য ভাতা তিন শতাংশ বৃদ্ধি করা হয়েছিল। এর ফলে, মহার্ঘ্য ভাতা ৫৮ শতাংশে উন্নীত হবে। অর্থ প্রতিমন্ত্রী আশিস জয়সওয়াল গত বুধবার বিধানসভায় জানিয়েছিলেন যে এই বৃদ্ধি ২০২৫ সালের জুলাই থেকে কার্যকর হবে। সংশোধিত মহার্ঘ্য ভাতা এই মাস থেকে নগদে প্রদান করা হবে। ২০২৫ সালের জুলাই থেকে ২০২৫ সালের অক্টোবর পর্যন্ত সময়ের বকেয়া ২০২৬ সালের মার্চ মাসে ‘গুড়ি পড়ওয়া’ উপলক্ষে পরিশোধ করা হবে।

  • সুদের হার নিয়ে বিরাট ঘোষণা EPFO-র, উপকৃত হবেন ৭ কোটি সদস্য

    সুদের হার নিয়ে বিরাট ঘোষণা EPFO-র, উপকৃত হবেন ৭ কোটি সদস্য

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ EPFO সদস্যদের জন্য জরুরি খবর। প্রভিডেন্ট ফান্ডের সুদের হার নিয়ে বড় ঘোষণা করা হ। এবারেও অপরিবর্তিত থাকল সুদের হার (Interest Rate)। হ্যাঁ একদম ঠিক শুনেছেন। কর্মচারী ভবিষ্যনিধি সংস্থা ২০২৫-২৬ অর্থবছরের জন্য কর্মচারীদের PF জমার উপর ৮.২৫ শতাংশ সুদের হার নির্ধারণ করেছে। অর্থাৎ সুদের হারে কোনও বদল হয়নি।

    সুদের হার অপরিবর্তিত রাখল EPFO

    সূত্রের খবর, কেন্দ্রীয় ট্রাস্টি বোর্ডের (CBT) এক সভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই সিদ্ধান্তের ফলে সারা দেশের ৩১ কোটিরও বেশি সদস্য উপকৃত হবেন। গত আর্থিক বছরে, EPFO ​​৮.২৫ শতাংশ সুদের হার অফার করেছিল। এর আগে, ২০২২-২৩ সালে এই হার ছিল ৮.১৫ শতাংশ, যেখানে ২০২১-২২ সালে তা চার দশকের সর্বনিম্ন ৮.১ শতাংশে নেমে এসেছিল। এহেন পরিস্থিতিতে এবারে সুদের হার স্থিতিশীল রাখা কর্মীদের জন্য স্বস্তির কারণ বলে মনে করা হচ্ছে।

    উপকৃত হবেন ৭ কোটিরও বেশি EPFO সদস্য

    কেন্দ্রীয় শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী মনসুখ মান্ডব্যের সভাপতিত্বে এই বৈঠকে কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী শোভা করান্দলাজে, শ্রম সচিব বন্দনা গুরনানি এবং ইপিএফও-এর কেন্দ্রীয় কমিশনার রমেশ কৃষ্ণমূর্তি উপস্থিত ছিলেন। বোর্ডের সুপারিশ এখন অর্থ মন্ত্রকে পাঠানো হবে। অনুমোদন পাওয়ার পর, এই সুদের হার সারা দেশের ৭ কোটিরও বেশি ইপিএফও সদস্যের অ্যাকাউন্টে কার্যকর করা হবে।

    আরও পড়ুনঃ কলকাতা, শিয়ালদা, আসানসোল থেকে একাধিক ট্রেন ঘোষণা পূর্ব রেলের! জেনে নিন রুট

    এবার আলোচনা করা যাক কিভাবে EPF-এর সুদ জমা হয় সে বিষয়ে। EPFO প্রতি মাসে অ্যাকাউন্টে জমা হওয়া পরিমাণের উপর সুদ গণনা করে, কিন্তু আর্থিক বছরের শেষে তা এককালীন অ্যাকাউন্টে জমা হয়। এর মানে হল, যদি আপনি নিয়মিত কন্ট্রিবিউট রাখেন, তাহলে আপনি পুরো বছরের সুদ একবারে দেখতে পাবেন। তবে, যদি কোনও অ্যাকাউন্ট ৩৬ মাস ধরে নিষ্ক্রিয় থাকে অর্থাৎ কোনও টাকা না জমা হয়, তাহলে এটি অটোমেটিকভাবে নিষ্ক্রিয় হয়ে যায়।

     

  • মূল বেতনের সঙ্গে মিশে যাবে ৫০% DA? সরকারি কর্মীদের জন্য বড় খবর

    মূল বেতনের সঙ্গে মিশে যাবে ৫০% DA? সরকারি কর্মীদের জন্য বড় খবর

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ অষ্টম বেতন পে কমিশনের (8th Pay Commission) গঠনের অপেক্ষায় দিন গুনছেন সরকারি কর্মীরা। অষ্টম বেতন পে কমিশনের জন্য যে কমিটি গঠন করা হয়েছে সেখান থেকে রিপোর্ট আসতে এখনও নয় নয় করে ১৮ থেকে ২০ মাস সময় লাগতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। অপরদিকে বিভিন্ন কর্মচারী সংগঠন, ফেডারেশনগুলি অষ্টম বেতন পে কমিশন, বেতন বৃদ্ধি, ডিএ (Dearness allowance) বৃদ্ধি সহ একাধিক জিনিস দ্রুত লাগু করার জন্য চাপ বাড়াচ্ছে বলে খবর। এই বিষয়ে সম্প্রতি ফেডারেশন অফ ন্যাশনাল পোস্টাল অর্গানাইজেশন বা FNPO নাকি অষ্টম বেতন পে কমিশনের চেয়ারম্যান জাস্টিস রঞ্জনা প্রকাশ দেশাইকে চিঠি অবধি লিখেছে। কী আছে সেই চিঠিতে? চলুন জেনে নেওয়া যাক।

    অষ্টম বেতন পে কমিশন নিয়ে ফের চিঠি সরকারকে

    জানা গিয়েছে, ক্রমবর্ধমান মুদ্রাস্ফীতির প্রসঙ্গ তুলে ধরে FNPO সরকারের কাছে মহার্ঘ্য ভাতার (DA) ৫০% মূল বেতনের সাথে একীভূত করার আবেদন জানিয়েছে। চিঠিতে ১ জানুয়ারি ২০২৬ থেকে “অন্তর্বর্তীকালীন ত্রাণ” হিসাবে বাস্তবায়নের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। অর্গানাইজেশনের দাবি, মুদ্রাস্ফীতি কর্মীদের প্রকৃত মজুরি হ্রাস করেছে এবং তাদের ক্রয় ক্ষমতাকে বিরূপভাবে প্রভাবিত করেছে। ফলে যত দ্রুত সম্ভব সরকার এই বিষয়ের ওপর দৃষ্টি নিক্ষেপ করুক।

    DA-র সঙ্গে বেতন মেলালে কী সুবিধা হবে?

    বিগত কয়েক বছরে খাদ্য, বাড়ি ভাড়া, চিকিৎসা পরিষেবা এবং পেট্রোল ও ডিজেলের দাম অতিরিক্ত মাত্রায় বৃদ্ধি পেয়েছে। এর ফলে কর্মচারী এবং পেনশনভোগীদের উপর আর্থিক চাপ বেড়েছে। আগে দেখা গিয়েছে, যখনই ডিএ ৫০% অতিক্রম করেছে, তখনই বেতন কমিশন মুদ্রাস্ফীতির প্রভাব কমাতে এর একটি অংশ মূল বেতনের সাথে একীভূত করার সুপারিশ করেছে। যেহেতু এইচআরএ অর্থাৎ বাড়ি ভাড়া ভাতা, পরিবহন ভাতা এবং গ্র্যাচুইটির মতো সুবিধাগুলি মূল বেতনের উপর নির্ভর করে, তাই ডিএ একীভূত হওয়ার ফলে এগুলিও বৃদ্ধি পাবে। এটি দীর্ঘমেয়াদে কর্মীদের জন্য উপকারী হবে।

    আরও পড়ুনঃ টানা ৩ মাস বাতিল একাধিক ট্রেন, যাত্রা সংক্ষিপ্ত ৩০ এক্সপ্রেসের! তালিকা দিল রেল

    এছাড়াও অষ্টম বেতন কমিশনের চূড়ান্ত সুপারিশ চূড়ান্ত করতে এবং বাস্তবায়ন করতে কিছুটা সময় লাগতে পারে। ততক্ষণ পর্যন্ত কর্মীদের স্বস্তি দেওয়ার জন্য এই অন্তর্বর্তীকালীন ব্যবস্থাটি অত্যন্ত প্রয়োজনীয় বলে মনে কয়রা হচ্ছে। এদিকে সরকার যদি এই দাবি মেনে নেয়, তাহলে সরকারি কর্মীদের বেতনে কিছু পরিবর্তন হতে পারে যেমন, মূল বেতন বৃদ্ধির সাথে সাথে আপনার বাড়ি ভাড়া ভাতাও বৃদ্ধি পাবে। অবসরপ্রাপ্ত কর্মীদের পেনশন এবং গ্র্যাচুইটি নতুন মূল বেতনের উপর গণনা করা হবে, যার কারণে তারা আরও বেশি টাকার মুখ এখতে পাবেন। এছাড়াও বাদবাকি ভাতাগুলিও অটোমেটিকভাবে বৃদ্ধি পাবে। এতে আখেরে লাভ সরকারি কর্মী থেকে শুরু করে পেনশন প্রাপকদেরই হবে। এখন দেখার সরকার এই দাবিগুলি মেনে নেয় কিনা।