Tag: Employee

  • মিলতে পারে ১৫ লক্ষ টাকা! ৩১ মার্চের পর বকেয়া DA নিয়ে সুখবর শোনাবে সরকার?

    মিলতে পারে ১৫ লক্ষ টাকা! ৩১ মার্চের পর বকেয়া DA নিয়ে সুখবর শোনাবে সরকার?

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ অষ্টম বেতন পে কমিশন (8th Pay Commission) নিয়ে অপেক্ষার মাঝেই সামনে এল সুখবর। কপাল ভালো থাকলে মিলতে পারে ১৫ লক্ষ টাকা অবধি বকেয়া। শুনে চমকে গেলেন তো? কিন্তু বিভিন্ন সূত্র মারফত এমনটাই শোনা যাচ্ছে। যত সময় এগোচ্ছে লক্ষ লক্ষ কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারী ও পেনশনভোগীদের মধ্যে অষ্টম বেতন কমিশন নিয়ে উত্তেজনা বাড়ছে। এসবের মাঝেই বকেয়া টাকা কে কত পেতে পারেন সেটা নিয়ে একটি রিপোর্ট সামনে এসেছে।

    কে কত বকেয়া পেতে পারেন?

    সাম্প্রতিক এক রিপোর্ট অনুসারে, কমিশনের সুপারিশগুলি বাস্তবায়িত হলে কর্মচারীরা ২০ মাসের বকেয়া বেতন পেতে পারেন। এই টাকার পরিমাণ প্রায় ৩.৬ লক্ষ থেকে ১৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত হতে পারে, যা কর্মচারীদের জন্য একটি বড় স্বস্তি হিসেবে প্রমাণিত হতে পারে। বিভিন্ন বেতন স্তরের কর্মচারীরা বিভিন্ন পরিমাণে বকেয়া পেতে পারেন। কম মূল বেতনের কর্মচারীরা বেশি সুবিধা পাবেন বলে আশা করা হচ্ছে। উদাহরণ হিসেবে বললে, লেভেল ১,যাদের মূল বেতন ১৮,০০০ টাকা, সেই সকল কর্মচারীরা ৩.৬ লক্ষ থেকে ৫.৬৫ লক্ষ টাকার মধ্যে পেতে পারেন। অন্যদিকে, লেভেল ৮ যাদের মূল বেতন মূল বেতন ৪৭,৬০০ টাকা, সেসব কর্মচারীরা ৯.৫ লক্ষ থেকে ১.৫ মিলিয়ন টাকার মধ্যে পেতে পারেন।

    বড় ভূমিকা পালন করবে ফিটমেন্ট ফ্যাক্টর

    অষ্টম বেতন কমিশনে ফিটমেন্ট ফ্যাক্টর একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। সপ্তম বেতন কমিশনে এটি ছিল ২.৫৭, কিন্তু এবার সরকার ২.০ এবং ২.৫৭-এর মধ্যে বিভিন্ন বিকল্প বিবেচনা করছে। এদিকে, কর্মচারী সংগঠনগুলো এটিকে ৩.০ থেকে ৩.২৫ পর্যন্ত বৃদ্ধির দাবি জানাচ্ছে। এই দাবি মেনে নেওয়া হলে, ন্যূনতম মূল বেতন ১৮,০০০ টাকা থেকে বেড়ে ৫৪,০০০ টাকা হতে পারে, যা কর্মচারীদের জন্য একটি উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন হবে।

    আরও পড়ুনঃ কাটবে LPG সংকট, রাজ্যগুলিতে ২০% গ্যাস সরবরাহ বাড়ানোর ঘোষণা কেন্দ্রের

    এখন সকলের প্রশ্ন, কবে লাগু হবে অষ্টম বেতন পে কমিশন? একটি নতুন বেতন কমিশন সাধারণত প্রতি ১০ বছর পর পর গঠিত হয়। এই রীতি অনুসরণ করে, অষ্টম বেতন কমিশনের সুপারিশগুলো ২০২৬ সালের ১ জানুয়ারি থেকে কার্যকর হবে বলে আশা করা হচ্ছে। এই কমিশনের প্রধান হলেন বিচারপতি রঞ্জনা প্রকাশ দেশাই এবং এটি ১৮ মাসের মধ্যে তার রিপোর্ট জমা দেবে বলে আশা করা হচ্ছে। এরপর সরকার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে এবং নতুন বেতন কাঠামোটি কার্যকর করবে।

  • এই কর্মীদের পিএফের টাকা ট্রান্সফার হল আরও সহজ, ফের সুখবর শোনাল EPFO

    এই কর্মীদের পিএফের টাকা ট্রান্সফার হল আরও সহজ, ফের সুখবর শোনাল EPFO

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ সদস্যদের জন্য দারুণ পদক্ষেপ নিল EPFO। এবার দূরে প্রভিডেন্ট ফান্ডের (Provident Fund) টাকা ট্রান্সফার করার প্রক্রিয়াকে আরও সহজ করা হল। আসলে এমপ্লয়িজ প্রভিডেন্ট ফান্ড অর্গানাইজেশন (EPFO) একটি নতুন নিয়ম জারি করেছে, যার ফলে আন্তর্জাতিক কর্মীদের জন্য তাদের পিএফ এবং পেনশনের টাকা ট্রান্সফার করা আরও সহজ হবে। এই সুবিধাটি সেইসব দেশের জন্য প্রযোজ্য হবে, যাদের সঙ্গে ভারতের সামাজিক সুরক্ষা চুক্তি (এসএসএ) রয়েছে।

    নিয়ম শিথিল করল EPFO

    এখন, বিদেশি কর্মীরা তাদের সুবিধামতো ভারতে, নিজ দেশে বা অন্য কোনো তৃতীয় দেশের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ফান্ড ট্রান্সফার করতে পারবেন। আগে এই প্রক্রিয়ায় প্রচুর কাগজপত্রের কাজ এবং দেরির মতো সমস্যা ছিল। কাজ করতে গিয়ে কালঘাম ছুটে যেত কর্মী থেকে শুরু করে নিয়োগকারী সংস্থার। তবে আর তা হবে না।

    আরও পড়ুনঃ তাণ্ডব চালাবে শিলাবৃষ্টি, দক্ষিণবঙ্গের ৯ জেলায় সতর্কতা জারি, আজকের আবহাওয়া

    EPFO বিশেষভাবে ফর্ম 15CA এবং 15CB-এর প্রক্রিয়া সহজ করার চেষ্টা করেছে, যেগুলো আগে জটিল বলে বিবেচিত হতো। নয়া নিয়ম অনুযায়ী, এখন থেকে ব্যাঙ্ক স্টেটমেন্ট বা পাসবুক ব্যবহার করে বিদেশি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট যাচাই করা যাবে। এই উদ্দেশ্যে দিল্লির একটি আঞ্চলিক কার্যালয় নোডাল অফিস হিসেবে কাজ করবে। একজন চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টের সহায়তায় কর-সংক্রান্ত কাজ সম্পন্ন করা হবে। সমস্ত লেনদেনের রেকর্ড সংরক্ষণ করা হবে এবং প্রতি মাসে তার হিসাব মেলানো হবে।

    কী কী সুবিধা পাবেন কর্মচারীরা?

    ইপিএফও-র এই পরিবর্তনের সবচেয়ে বড় সুবিধা হবে বিদেশী কর্মচারীদের জন্য, যা তাদের সময়মতো এবং তেমন কোনো ঝামেলা ছাড়াই তাদের প্রাপ্য অর্থ প্রাপ্তি নিশ্চিত করবে। তাছাড়া, এই প্রক্রিয়াটি কোম্পানিগুলোর জন্যও সহজ হবে, যা তাদের সময় ও শ্রম সাশ্রয় করবে। আপনি চাকরি ছাড়লেও সহজেই টাকা পাবেন। ইপিএফও আরও স্পষ্ট করেছে যে, বিদেশি কর্মীদের পিএফ ও পেনশন শুধুমাত্র চাকরি ছাড়ার সময়েই প্রদান করা হবে, যেমনটা আগে থেকেই নিয়ম রয়েছে।

  • DA-র প্রথম কিস্তির টাকা নিয়ে কী বলছে রাজ্যের নয়া বিজ্ঞপ্তি?

    DA-র প্রথম কিস্তির টাকা নিয়ে কী বলছে রাজ্যের নয়া বিজ্ঞপ্তি?

    সহেলি মিত্র, কলকাতা: যত সময় এগোচ্ছে বকেয়া ডিএ (Dearness allowance) নিয়ে উত্তেজনার পারদ ততটাই বাড়ছে। বাংলার রাজ্য সরকারি কর্মীদের মুখে বর্তমানে একটাই প্রশ্ন, কবে মিলবে প্রথম কিস্তির টাকা। এদিকে বাংলায় বিধানসভা ভোটের নির্ঘন্ট ঘোষণা হয়েছে। এহেন পরিস্থিতিতে অনেকের আশঙ্কা যে সরকার টাকা রিলিজ করবে কিনা। এসবের মাঝেই মহার্ঘ্য ভাতা বা DA নিয়ে সামনে এল বড় আপডেট যা সকলের জানা উচিৎ।

    বকেয়া DA নিয়ে প্রকাশ্যে বড় আপডেট

    সম্প্রতি পশ্চিমবঙ্গ সরকার ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের চলতি মার্চ মাস থেকে কর্মচারী ও পেনশনভোগীদের দীর্ঘদিনের বকেয়া মহার্ঘ ভাতা (ডিএ) প্রদান শুরু হবে। আশা করা হচ্ছে, এই পদক্ষেপে রাজ্য জুড়ে সরকারি কর্মচারী, অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারী, শিক্ষক এবং অনুদানপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানের কর্মীরা উপকৃত হবেন। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন, রাজ্য অর্থ দফতরের জারি করা বিজ্ঞপ্তি অনুসারেই এই অর্থ প্রদান করা হবে।

    কারা ডিএ পাবেন?

    • রাজ্য সরকারি কর্মচারী
    • পেনশনভোগীরা
    • শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও অশিক্ষক কর্মচারী
    • অনুদানপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানের কর্মচারী ও পেনশনভোগীরা
    • পঞ্চায়েত ও পৌরসভার মতো স্থানীয় সংস্থাগুলির কর্মচারীরা

    কবে টাকা দেওয়া হবে?

    রাজ্য সরকারের মতে, যোগ্য সুবিধাভোগীরা ২০২৬ সালের মার্চ মাস থেকে বকেয়া অর্থ পেতে শুরু করবেন। অর্থ বিভাগের সরকারি বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখিত পদ্ধতি অনুসরণ করেই এই অর্থ প্রদান করা হবে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায় জানিয়েছেন যে, ‘সরকার কর্মচারী এবং পেনশনভোগীদের প্রতি তার প্রতিশ্রুতি পূরণ করেছে এবং অনুমোদিত কাঠামো অনুযায়ী অর্থ প্রদান শুরু হবে।’ ডিএ বকেয়ার বিষয়ে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ বকেয়া ডিএ প্রদানের বিষয়টি বিচার বিভাগ পর্যন্তও পৌঁছেছিল। রাজ্য সরকারের কর্মচারীদের একটি দল বকেয়া অর্থ পরিশোধের দাবিতে ভারতের সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিল। আদালত রাজ্য সরকারকে ২০২৬ সালের ৩১শে মার্চের মধ্যে বকেয়া ডিএ-র ২৫% প্রদান করার নির্দেশ দিয়েছে। এদিকে সরকার এক বিজ্ঞপ্তি জারি করে জানিয়েছে যে মার্চ এবং সেপ্টেম্বর মাসে দুই দফায় প্রাথমিকভাবে ২০১৬ থেকে ২০১৯ সালের বকেয়া টাকা মেটানো হবে। বাকি ২০০৮ থেকে ২০১৫ সালের বকেয়া টাকা কীভাবে এবং কবে দেওয়া হবে, তা নির্ধারণ করতে সরকার পরে একটি পৃথক নির্দেশিকা জারি করবে। অর্থাৎ এর জন্য আরও অপেক্ষা করতে হবে সাধারণ কর্মীদের।

    আরও পড়ুন: কালবৈশাখী থেকে শিলাবৃষ্টিতে তোলপাড় হবে দক্ষিণবঙ্গের ৭ জেলা, আজকের আবহাওয়া

    সরকার জানিয়েছে, গ্রুপ ‘এ’, ‘বি’ এবং ‘সি’-এর বকেয়া তাদের জিপিএফ অ্যাকাউন্টে জমা করা হবে, আর গ্রুপ ‘ডি’-এর কর্মচারীদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে টাকা সরাসরি ট্রান্সফার করা হবে। হ্যাঁ একদম ঠিক শুনেছেন। যদিও এই টাকা নিয়ে অনেকেই নানা কথা বলছেন। কেউ বলছেন ডিএ-র টাকা যদি জিপিএফ অ্যাকাউন্টেই জমা হবে, তাহলে সেই তো একই বিষয় দাঁড়াল। এই টাকা আবার ২ বছরের আগে তোলা যাবে না।

  • ‘দু’বছরের আগে হাত দেওয়া যাবে না DA-র টাকায়!’ মহার্ঘ ভাতার এ কেমন নিয়ম?

    ‘দু’বছরের আগে হাত দেওয়া যাবে না DA-র টাকায়!’ মহার্ঘ ভাতার এ কেমন নিয়ম?

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ বকেয়া ডিএ (Bengal DA) নিয়ে অবশেষে দীর্ঘ প্রতীক্ষিত বিজ্ঞপ্তি জারি হয়ে গিয়েছে। সোমবার পশ্চিমবঙ্গ সরকারের অর্থ দফতরের এক বিজ্ঞপ্তি অনুসারে, নবান্ন রাজ্য কর্মচারীদের মহার্ঘ ভাতার (Dearness allowance) বকেয়া একাধিক ধাপে পরিশোধ করবে। ২০০৮ সালের এপ্রিল থেকে ২০১৯ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত সময়ের এই বকেয়ার কথা রবিবার ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। যদিও সরকার জানিয়েছে মার ৪৮ মাসের বকেয়া আগে শোধ করা হবে। তারপরে বাকিটা কবে কী শোধ করা হবে তা পরে জানাবে সরকার। এখন প্রশ্ন উঠছে, কে কে টাকা পাবে এবং কবে থেকে পাবেন? চলুন জেনে নেওয়া যাক।

    ৪৮ মাসের টাকা দেবে সরকার

    সরকারের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, প্রথম পর্যায়ে, সর্বভারতীয় ভোক্তা মূল্য সূচকের ভিত্তিতে ২০১৬ সালের জানুয়ারি থেকে ২০১৯ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত বকেয়া গণনা করা হবে। এই অর্থ দুটি কিস্তিতে প্রদান করা হবে প্রথমটি ২০২৬ সালের মার্চ মাসে এবং দ্বিতীয়টি ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বর মাসে। বিচারপতি ইন্দু মালহোত্রার নেতৃত্বাধীন মনিটরিং কমিটি কর্তৃক মোট বকেয়ার চূড়ান্ত নির্ধারণের ওপর এই অর্থপ্রদান নির্ভরশীল থাকবে।

    এপ্রিল ২০০৮ থেকে ডিসেম্বর ২০১৫ সময়কালের জন্য কী কী করা হবে তা পরবর্তীতে জানানো হবে। কর্মকর্তারা আরও জানান, গ্রুপ ‘এ’, ‘বি’ এবং ‘সি’-এর বকেয়া তাদের জিপিএফ অ্যাকাউন্টে জমা করা হবে, আর গ্রুপ ‘ডি’-এর কর্মচারীদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে টাকা সরাসরি ট্রান্সফার করা হবে। হ্যাঁ একদম ঠিক শুনেছেন। যদিও এই টাকা নিয়ে অনেকেই নানা কথা বলছেন। কেউ বলছেন ডিএ-র টাকা যদি জিপিএফ অ্যাকাউন্টেই জমা হবে, তাহলে সেই তো একই বিষয় দাঁড়াল। এই টাকা আবার ২ বছরের আগে তোলা যাবে না।

    সরকারি কর্মী, পেনশন প্রাপকদের জন্য বিজ্ঞপ্তি জারি সরকারের

    সরকার বর্তমানে কর্মরত কর্মী, পেনশনভোগীদের জন্য ডিএ সংক্রান্ত পৃথক বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে। সরকার ৪৮ মাসের বকেয়া টাকাটি রাজ্য সরকারি কর্মচারী, পেনশনভোগী এবং অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মচারী, স্কুল ও কলেজের শিক্ষক এবং অশিক্ষক কর্মচারী, সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানের কর্মচারী ও পেনশনভোগী, পৌরসভা ও পঞ্চায়েতের মতো স্থানীয় সংস্থাগুলিতে কর্মরত কর্মচারীদের প্রদান করবে। রাজ্য সরকারের প্রাক্তন রাজ্য সরকারি কর্মচারী, পেনশনভোগীদের প্রাথমিকভাবে ২০১৬ সালের জানুয়ারি থেকে ২০১৯ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত বকেয়া ডিএ দেওয়া হবে। টাকা দেওয়া হবে দুটি সমান কিস্তিতে। প্রথম কিস্তির টাকা দেওয়া হবে মার্চে। দ্বিতীয় কিস্তির টাকা ঢুকবে সেপ্টেম্বরে। যাঁরা বর্তমানে পেনশনভোগী, তাঁদের অ্যাকাউন্টে সরাসরি নগদ টাকা ঢুকবে।

    আরও পড়ুনঃ বিজ্ঞপ্তি জারি করলেও DA নিয়ে ‘চালাকি’ রাজ্যের, ফের সুপ্রিম কোর্টে যাওয়ার হুঁশিয়ারি

    আসলে সরকারি কর্মচারীদের বেতন কাঠামোর একটি অপরিহার্য অংশ হলো মহার্ঘ ভাতা। ক্রমবর্ধমান মুদ্রাস্ফীতি ও জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির সাথে কর্মীদের মানিয়ে নিতে সাহায্য করার জন্যই এটি চালু করা হয়েছে। অন্যদিকে পেনশনভোগীদের জন্য ডিএ বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এটি অবসরের পর তাদের ক্রয়ক্ষমতা বজায় রাখতে সাহায্য করে। ডিএ প্রদানে দেরি হওয়া সকলের বাজেটকে অনেক ক্ষেত্রে প্রভাবিত করে।

     

  • বিজ্ঞপ্তি জারি করলেও DA নিয়ে ‘চালাকি’ রাজ্যের, ফের সুপ্রিম কোর্টে যাওয়ার হুঁশিয়ারি

    বিজ্ঞপ্তি জারি করলেও DA নিয়ে ‘চালাকি’ রাজ্যের, ফের সুপ্রিম কোর্টে যাওয়ার হুঁশিয়ারি

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ বকেয়া ডিএ (Bengal DA Issue) বা মহার্ঘ্য ভাতা নিয়ে সরকার জারি করেছে নয়া বিজ্ঞপ্তি। কবে থেকে এবং কত দফায় এই বকেয়া পরিশোধ করা হবে তা বিজ্ঞপ্তি জারি করে সকলের সামনে তুলে ধরেছে রাজ্য অর্থ দফতর। যদিও এতে সরকারের নতুন চালাকি দেখছেন সরকারি কর্মীরা। এই ইস্যুতে বড় তথ্য দিয়েছেন কনফেডারেশন অব স্টেট গভঃ এমপ্লয়িজের সাধারণ সম্পাদক মলয় মুখোপাধ্যায় (Malay Mukherjee)।

    DA নিয়ে সরকারের নতুন চালাকি?

    তিনি ফেসবুক পোস্টে লিখেছেন, ‘ডিএ নোটিফিকেশন প্রেক্ষিত পশ্চিমবঙ্গ সরকার এপ্রিল ২০০৮ – ডিসেম্বর ২০১৯ পর্যন্ত DA/DR বকেয়া দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তবে সরকার প্রথম ধাপে জানুয়ারি ২০১৬ থেকে ডিসেম্বর ২০১৯ সময়ের বকেয়া দেওয়া হবে। এবং এই টাকা দুটি সমান কিস্তিতে দেওয়া হবে –১ম কিস্তি মার্চ ২০২৬ এবং ২য় কিস্তি সেপ্টেম্বর ২০২৬। বলা হয়েছে গ্রুপ A, B, C কর্মচারীদের টাকা GPF account-এ জমা করা হবে। তবে Group D কর্মচারী ও পেনশনভোগীদের টাকা সরাসরি ব্যাংক অ্যাকাউন্টে দেওয়া হবে। চালাকি এখানে বলা হয়েছে, ২০০৮–২০১৫ সময়ের DA বকেয়া দেওয়ার নিয়ম পরে জানানো হবে। যা সর্বোচ্চ আদালতের পরিপন্থি। আমরা, সরকার যে আদালতের নির্দেশের মান্যতা দেয়নি তা আবারও সর্বোচ্চ আদালতে তুলে ধরবো।’

    আরও পড়ুনঃ কবে, কত দফায় মিলবে বকেয়া DA? বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ পশ্চিমবঙ্গ সরকারের

    কেউ কেউ বলছেন, দয়া করে ১২.৫% হারে সুদের কথাটা তুলে ধরবেন। এতবছর ধরে টাকা গুলো সরকার খাটিয়ে নিল,তার তো একটা সুদ আছে। সুতরাং সুদসহ ফেরত দিতে হবে। একজন লিখেছেন, ‘এতো বছর পর এত টালবাহানা র পর টাকা GPF এ কেনো নেবো? তাও ২ বছর পর তোলা যাবে. মামার বাড়ি আব্দার স্যালারি অ্যাকান্ট এই দেওয়ার কথা তুলে ধরুন প্লিজ।’ অন্য আরেকজন লিখেছেন, ‘সুপ্রিম কোর্ট কি আগে ২০১৬ জানুয়ারি থেকে ২০১৯ ডিসেম্বর পর্যন্ত আগ দিয়ে পরে ২০০৮ থেকে ২০১৫ পর্যন্ত পরে দিতে বলেছে? সমস্ত হিসাব করে তার ২৫ শতাংশ দেওয়ার কথা।’

    বিজ্ঞপ্তি জারি সরকারের

    সোমবার রাজ্য অর্থ বিভাগের তরফে জারি করা বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, প্রথম পর্যায়ে, সরকার জানুয়ারি ২০১৬ থেকে ডিসেম্বর ২০১৯ পর্যন্ত চার বছরের জন্য বকেয়া ডিএ পরিশোধ করবে। সর্বভারতীয় ভোক্তা মূল্য সূচক (এআইসিপিআই)-এর ভিত্তিতে বকেয়ার পরিমাণ নির্ভুলভাবে গণনা করা হবে। রাজ্য সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে এই পর্বের বকেয়া দুটি সমান কিস্তিতে পরিশোধ করা হবে। প্রথম কিস্তি ২০২৬ সালের মার্চ মাসে এবং দ্বিতীয় কিস্তি ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বর মাসে প্রদান করা হবে।

     

  • কবে, কত দফায় মিলবে বকেয়া DA? বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ পশ্চিমবঙ্গ সরকারের

    কবে, কত দফায় মিলবে বকেয়া DA? বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ পশ্চিমবঙ্গ সরকারের

    সহেলি মিত্র, কলকাতা: বকেয়া ডিএ (DA) নিয়ে আরও এক ধাপ এগোলো পশ্চিমবঙ্গ সরকার। ভোটের মুখে সরকার আদৌ টাকা রিলিজ করবে কিনা, তা নিয়ে এখন সরকারি কর্মীদের মধ্যে নতুন আশঙ্কা তৈরী হয়েছিল। এদিকে এই আশঙ্কার মাঝেই সরকার বকেয়া DA ইস্যুতে বিজ্ঞপ্তি জারি করে জানাল কবে থেকে এবং কত দফায় সরকারি কর্মীদের বকেয়া মেটানো হবে। চলুন বিশদে জেনে নেওয়া যাক।

    বকেয়া DA নিয়ে বিজ্ঞপ্তি জারি রাজ্যের

    সোমবার রাজ্য অর্থ বিভাগের তরফে জারি করা বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, প্রথম পর্যায়ে, সরকার জানুয়ারি ২০১৬ থেকে ডিসেম্বর ২০১৯ পর্যন্ত চার বছরের জন্য বকেয়া ডিএ পরিশোধ করবে। সর্বভারতীয় ভোক্তা মূল্য সূচক (এআইসিপিআই)-এর ভিত্তিতে বকেয়ার পরিমাণ নির্ভুলভাবে গণনা করা হবে। রাজ্য সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে এই পর্বের বকেয়া দুটি সমান কিস্তিতে পরিশোধ করা হবে। প্রথম কিস্তি ২০২৬ সালের মার্চ মাসে এবং দ্বিতীয় কিস্তি ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বর মাসে প্রদান করা হবে।

    বড় ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

    গত রবিবার, পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের ঘোষণার ঠিক কয়েক ঘন্টা আগে, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর এক্স হ্যান্ডেলে সরকারি কর্মচারীদের দীর্ঘদিনের বকেয়া ডিএ পরিশোধের ঘোষণা করেন। তিনটি পৃথক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে অর্থ বিভাগ এপ্রিল ২০০৮ থেকে ডিসেম্বর ২০১৯ পর্যন্ত সময়ের বকেয়া ডিএ পরিশোধের সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেছে।

    রাজ্য সরকার মূলত ২০২৬ সালের ৫ই ফেব্রুয়ারি সুপ্রিম কোর্টের দেওয়া একটি যুগান্তকারী রায় এবং শীর্ষ আদালত কর্তৃক গঠিত একটি পর্যবেক্ষণ কমিটির জারি করা নির্দেশাবলী মেনেই এই পদক্ষেপ নিয়েছে বলে খবর। বিজ্ঞপ্তিগুলিতে রাজ্য সরকার স্পষ্টভাবে জানিয়েছে যে, বিভিন্ন কেন্দ্র-প্রযোজিত প্রকল্পের বিপুল পরিমাণ বকেয়া পাওনা এবং রাজ্যের অভ্যন্তরে বিভিন্ন সমাজকল্যাণমূলক কর্মসূচি ও উন্নয়নমূলক প্রকল্পে চলমান দায়বদ্ধতার কারণে বর্তমানে এর আর্থিক সক্ষমতা উল্লেখযোগ্য চাপের মধ্যে রয়েছে। এই আর্থিক সীমাবদ্ধতা সত্ত্বেও, সরকার জোর দিয়ে বলেছে যে তার কর্মচারীদের কল্যাণ ও স্বার্থই অগ্রাধিকার পায়। তাই, বকেয়া মহার্ঘ ভাতা একাধিক পর্যায়ে পরিশোধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

    আরও পড়ুনঃ বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম মেট্রো নেটওয়ার্ক ভারতে! পরিসংখ্যান দেখলে শিউরে উঠবেন

    সরকারি কর্মচারীদের জন্য, কর্মচারী শ্রেণীর উপর ভিত্তি করে অর্থ প্রদানের পদ্ধতি ভিন্ন হবে। নির্দেশিকা অনুসারে, গ্রুপ A, গ্রুপ B এবং গ্রুপ C শ্রেণীর কর্মচারীদের ডিএ এরিয়ার সরাসরি তাদের জেনারেল প্রভিডেন্ট ফান্ড (GPF) অ্যাকাউন্টে জমা করা হবে। তবে, জিপিএফ অ্যাকাউন্টে জমা করা অর্থ জমা দেওয়ার তারিখ থেকে ২৪ মাসের জন্য অগ্রিম বা চূড়ান্ত অর্থ হিসাবে তোলা যাবে না।

  • ২৫% বকেয়া DA মেলার পর গ্রুপ এ থেকে গ্রুপ ডি কর্মীরা কত টাকা পাবেন? রইল হিসেব

    ২৫% বকেয়া DA মেলার পর গ্রুপ এ থেকে গ্রুপ ডি কর্মীরা কত টাকা পাবেন? রইল হিসেব

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ ২৬-এর বিধানসভা ভোটের মুখে বিরাট মাস্টারস্ট্রোক দিয়েছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার। অবশেষে পঞ্চম বেতন পে কমিশনের আওতায় সরকারি কর্মীদের ২০০৯ রোপা অনুযায়ী বকেয়া ডিএ (Dearness allowance) টাকা মেটানোর ঘোষণা করেছে। চলতি মার্চ মাস থেকেই এই টাকা রিলিজ করা হবে বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। স্বাভাবিকভাবেই সরকারের এহেন ঘোষণায় খুশি কর্মীরা। তবে এখন প্রশ্ন উঠছে, কে কত টাকা পাবেন? চলুন সে বিষয়ে বিশদে জেনে নেওয়া যাক।

    ২৫% বকেয়া ডিএ দেওয়ার ঘোষণা

    গতকাল রবিবার বিধানসভা ভোটের নির্ঘন্ট প্রকাশ পাওয়ার কয়েক ঘণ্টা আগেই ২৫% বকেয়া ডিএ মেটানোর ঘোষণা করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সুপ্রিম কোর্টের তরফে এই বকেয়া মেটানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল সরকারকে। অবশ্য দীর্ঘ টানাপোড়েনের পর এই ঘোষণা সামনে এল। এখন যাইহোক, আজ আলোচনা হবে গ্রুপ এ থেকে শুরু করে গ্রুপ ডি কর্মীরা হাতে কত টাকা পাবেন সে বিষয়ে। রাজ্য় সরকারি কর্মী ও পেনশনভোগীদের রোপা 2009 অনুযায়ী মহার্ঘ ভাতা ও মহার্ঘ ত্রাণ দেওয়া হবে।

    কে কত টাকা পাবেন?

    এক হিসেব অনুযায়ী, ২৫ শতাংশ মহার্ঘ ভাতার (DA) হিসেবে অনুযায়ী, রাজ্য সরকারের একজন গ্রুপ-ডি কর্মী হাতে পাবেন ১ থেকে দেড় লক্ষ টাকা পাবেন। অপরদিকে রাজ্য সরকারের একজন গ্রুপ-সি কর্মী হাতে পাবেন ২ লক্ষ টাকা। রাজ্য সরকারের একজন গ্রুপ-এ কর্মী হাতে পাবেন ৩ থেকে সাড়ে ৩ লক্ষ টাকা। একজন সর্বনিম্ন বেতনভুগ গ্রুপ-ডি কর্মী পাবেন প্রায় ৪ লক্ষ টাকার বেশি। এছাড়া একজন গ্রুপ-সি কর্মী পাবেন প্রায় ৬ লক্ষ টাকার বেশি। এই বকেয়া ডিএর আওতায় মাসে ৭ থেকে ৮ হাজার টাকা পেনশন প্রাপক গ্রুপ-ডি কর্মী পাবেন প্রায় ১ লক্ষ টাকা। সেইসঙ্গে ১০,০০০ টাকা পেনশন পাওয়া অবসরপাওয়া গ্রুপ-সি কর্মী পাবেন প্রায় ২ লক্ষ টাকা।

    আরও পড়ুনঃ ৭০ কিমি বেগে কালবৈশাখী, দক্ষিণবঙ্গের ৪ জেলায় ভারী বৃষ্টি, আজকের আবহাওয়া

    বিশেষ পোস্ট মুখ্যমন্ত্রীর

    মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে জানান যে তাঁর “মা-মাটি-মানুষ” সরকার কর্মচারী এবং পেনশনভোগীদের প্রতি তাদের প্রতিশ্রুতি পূরণ করেছে। তিনি বলেন যে লক্ষ লক্ষ শিক্ষক, অ-শিক্ষক কর্মী এবং পঞ্চায়েত, পৌরসভা এবং অন্যান্য স্থানীয় সংস্থার মতো অনুদান-সহায়তা প্রতিষ্ঠানের কর্মচারী এবং পেনশনভোগীরাও উপকৃত হবেন। মুখ্যমন্ত্রী বলেন যে , রোপা ২০০৯ আইনের অধীনে কর্মচারীদের বকেয়া মহার্ঘ্য ভাতা ও মহার্ঘ্য ত্রাণ প্রদান ২০২৬ সালের মার্চ মাসে শুরু হবে। তিনি আরও বলেন যে, রাজ্যের অর্থ বিভাগ কর্তৃক জারি করা বিজ্ঞপ্তিতে একটি বিস্তারিত পদ্ধতি নির্ধারণ করা হয়েছে।

  • পাকিস্তানে হাহাকার! কর্মীদের ৩০% বেতন কাটল সরকার

    পাকিস্তানে হাহাকার! কর্মীদের ৩০% বেতন কাটল সরকার

    সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: সংকটের মুখে কত কিছু যে করতে হবে কাঙাল পাকিস্তানের (Pakistan) তা হয়তো ভাবতেও পারবেন না আপনি। হ্যাঁ, টানাটানির মধ্যে পড়ে এবার দেশটির রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থাগুলিতে কর্মরত কর্মীদের ৩০ শতাংশ পর্যন্ত বেতন কাটছাঁটের সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরীফ। চলমান যুক্তরাষ্ট্র, ইজরায়েল আর ইরান সংঘাতের (Middle East War) জেরে তৈরি হওয়া এই জ্বালানির সংকট মেটানোর জন্যই বড়সড় সিদ্ধান্তের পথে হাঁটল সন্ত্রাসের দেশের প্রশাসন।

    জ্বালানি সংকট মেটাতে বড় সিদ্ধান্ত পাকিস্তানের

    প্রসঙ্গত, ইরানের সঙ্গে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র আর ইজরায়েলের সংঘাত দিনের পর দিন বাড়ছে। যার কারণে শুধুমাত্র পাকিস্তান নয়, বরং বিশ্বের একাধিক দেশে জ্বালানি সংকট তৈরি হয়েছে। কারণ, হরমুজ প্রণালী দিয়ে তৈলবাহী জাহাজগুলি আসতে পারছে না, যেহেতু ইরান সেখানে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। আর সেই কারণেই বিশ্বজুড়ে বাড়ছে অপরিশোধিত তেলের দাম। এমনকি সম্প্রতি পাকিস্তানে পেট্রোলের দাম ১৫ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। যার ফলে এখন ১ লিটার পেট্রোলের দামই পড়ছে ৩৪৫ টাকা। অন্যদিকে হাইস্পিড ডিজেলের দাম প্রায় ৩৫৫ টাকা প্রতি লিটার ছুঁয়েছে। সেই বৃদ্ধির ফলে সারা দেশে পরিবহন খরচ এবং খাদ্যের দামের উপর প্রভাব পড়েছে।

    এদিকে গ্যাসের শুল্কও দিনের পর দিন বাড়ছে। বিশ্বব্যাপী জ্বালানি বাজারে এলএনজি আমদানির খরচ বৃদ্ধি পাওয়ার কারণে গৃহস্থালির গ্যাসের দামও ২৫ শতাংশ বেড়েছে পাকিস্তানের। সেই কারণেই এবার জ্বালানি সংকট কাটানোর জন্য বড়সড় সিদ্ধান্ত নিচ্ছে পাকিস্তান। সম্প্রতি অর্থ দফতরের তরফ থেকে বিজ্ঞপ্তি জারি করে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়েছে যে, রাষ্ট্রায়ত্ত মালিকানধীন প্রতিষ্ঠান এবং স্বায়ত্তশাসিত সংস্থাগুলির কর্মীদের বেতন এবার ৫ থেকে ৩০ শতাংশ পর্যন্ত কমানো হবে, যাতে ডুবে যাওয়া অর্থনীতিকে কিছুটা হলেও ত্বরান্বিত করা যায়।

    আরও পড়ুন: “বাড়িতে আঘাতের চিহ্ন নেই, পার্টি অফিসে ব্যান্ডেজ!” শশী পাঁজাকে একহাত নিলেন সজল ঘোষ

    তবে এই সিদ্ধান্ত সামনে আসতেই কর্মকর্তারা নিজেদের মত প্রকাশ করেছেন। কেউ কেউ বলছেন, এই পদক্ষেপ সরকারের আর্থিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে সাহায্য করবে। আর পাকিস্তানের সংকট এবং ক্রমবর্ধমান বৈশ্বিক জ্বালানির দামের ফলে অর্থনৈতিক ক্ষতি মোকাবেলা করতে পারবে। তবে কেউ কেউ দাবি করছে, বিশ্বজুড়ে চলমান সংকটের প্রভাব শুধুমাত্র কর্মকর্তাদের উপর চাপিয়ে দেওয়া ঠিক না। এদিকে অর্থনীতিবিদরা বলছেন যে, জ্বালানি আর গ্যাসের ক্রমবর্ধমান দাম বৃদ্ধি পাকিস্তানের অর্থনীতিকে আরও চাপে ফেলতে পারে আর মুদ্রাস্ফীতি আরও বাড়তে পারে। এখন দেখার দেশটির অর্থনীতি আবারও ঘুরে দাঁড়াতে পারে কিনা।

  • ভোটের আগেই কল্পতরু মমতা, কর্মীদের বকেয়া DA দেওয়ার ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

    ভোটের আগেই কল্পতরু মমতা, কর্মীদের বকেয়া DA দেওয়ার ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

    সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: ভোট ঘোষণার আগেই একেবারে কল্পতরু হয়ে গেল পশ্চিমবঙ্গ সরকার। হ্যাঁ, এবার সরকারি কর্মচারীদের মুখে হাসি ফোটালো মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী ভোটের আগেই বকেয়া ডিএ (Dearness Allowance) দেবে রাজ্য সরকার। নিজেই এ কথা জানালেন মমতা। সেই অনুযায়ী, চলতি মার্চ মাসেই কর্মীদের অ্যাকাউন্টে এই বকেয়া ডিএ দেওয়া শুরু হবে। ভোট ঘোষণার কয়েক ঘণ্টা আগেই এ কথা জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।

    ভোটের আগে ডিএ দেবে রাজ্য

    বলে দিই, রাজ্যের সরকারি কর্মচারীদের বকেয়া ডিএ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই চলে আসছে আইনি জটিলতা। প্রথমে কলকাতা হাইকোর্ট রাজ্যকে সরকারি কর্মীদের ডিএ মেটানোর নির্দেশ দিয়েছিল। তবে সেই রায়কেই চ্যালেঞ্জ করে রাজ্য সরকার সুপ্রিম কোর্টে যায়। আর সেখানে অবিলম্বে ২৫ শতাংশ ডিএ মেটানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। এমনকি তার জন্য ছয় সপ্তাহ সময় বেঁধে দিয়েছিল দেশের সর্বোচ্চ আদালত। কিন্তু সেই সময়সীমার মধ্যে কোনও রকম ডিএ মেটাতে পারেনি রাজ্য। সেই কারণে সুপ্রিম কোর্টের কাছে আরও অতিরিক্ত ৬ মাস সময় চেয়েছিল নবান্ন। এই সময়সীমা শেষ হয়েছিল ২০২৫ এর সেপ্টেম্বর মাসে। এমনকি তখনো ডিএ মেটাতে ব্যর্থ হয় বাংলা।

    এদিকে গত ৫ ফেব্রুয়ারি বিচারপতি সঞ্জয় করোল এবং বিচারপতি মনোজ মিশ্রের বেঞ্চ স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছিল যে, যে করে হোক রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের বকেয়া ডিএ মেটাতেই হবে। আর আদালত ২৫ শতাংশ ডিএ মেটানোর জন্য মে মাস পর্যন্ত সময় বেঁধে দেয় এবং বলা হয় যে, দুই দফায় এই ২৫ শতাংশ ডিএ মেটাতে হবে। কিন্তু প্রথম কিস্তি অবশ্যই ৩১ মার্চের মধ্যে প্রদান করতে হবে। আর এবার ভোটের আগে সেই কথাই রাখল রাজ্য সরকার।

    আরও পড়ুন: লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের পর ভাতা বাড়ল পুরোহিত ও ইমামদের! এবার কত?

    এদিকে বকেয়া ডিএ দেওয়ার জন্য ৩ লক্ষ ১৭ হাজারের বেশি কর্মচারীর নথি খতিয়ে দেখতে হবে রাজ্যের অর্থ দফতরকে এমনটাই খবর। আর ২০১৬ সালের আগে পর্যন্ত যাদের তথ্য ডিজিটাল নেই তাদেরকে আবার নতুন করে সেই তালিকায় নথিভুক্ত করতে হবে। আর সেগুলো ডিজিটাইজ করতে সময় লাগছে বলেই জানিয়েছে রাজ্য। তবে তার আগেই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে বকেয়া ডিএ দেওয়ার ঘোষণা করলেন। তিনি এক্স হ্যান্ডেলে লিখেছেন, “আমি অত্যন্ত আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি, আমাদের মা মাটি মানুষ সরকার তাঁদের সকল কর্মচারী আর পেনশনভোগীদের বকেয়া ডিএ দেবে। যার মধ্যে শিক্ষক, অশিক্ষক কর্মী, পঞ্চায়েত, পৌরসভা এবং অন্যান্য স্থানীয় সংস্থার মতো প্রতিষ্ঠানের কর্মচারী রয়েছে। ২০১৬ সালের মার্চ মাস থেকে তাদের রোপা ২০০৯-এর বকেয়া মহার্ঘ ভাতা এই মাসেই ঢোকা শুরু হবে।

  • ১৮ মাসের বকেয়া DA মিলবে? যা জানল কেন্দ্র সরকার

    ১৮ মাসের বকেয়া DA মিলবে? যা জানল কেন্দ্র সরকার

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ ১৮ মাসের বকেয়া ডিএ (Dearness allowance) বা মহার্ঘ্য ভাতা কি আদৌ মিলবে? এই প্রশ্ন এখন সকল কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীর। ২০২০ এবং ২০২১ সালে কোভিড-১৯ মহামারীর সময় সরকার কেন্দ্রীয় কর্মচারী এবং পেনশনভোগীদের জন্য মহার্ঘ্য ভাতা/মহার্ঘ্য ত্রাণের তিনটি কিস্তি আটকে রেখেছিল। মহামারী শেষ হওয়ার পর, কর্মচারী ইউনিয়ন এবং কর্মচারী প্রতিনিধি সংস্থাগুলি মহামারী চলাকালীন আটকে রাখা DA-র ১৮ মাসের বকেয়া বেতন পরিশোধের জন্য কেন্দ্রের উপর চাপ বাড়িয়েই চলেছে। তবে এখনও অবধি সেই টাকা মেলেনি। আদৌ কি মিলবে? জবাব দিল কেন্দ্র।

    ১৮ মাসের বকেয়া ডিএ শোধ করবে কেন্দ্র?

    এই বিষয়টি সংসদেও বেশ কয়েকবার উত্থাপিত হয়েছিল, কিন্তু মোদী সরকার বলেছিল যে অর্থনৈতিক অস্থিরতার কারণে তারা কর্মচারীদের বকেয়া ডিএ দিতে পারবে না। ২০২০ সালের মার্চ মাসে যখন কোভিড-১৯ এর প্রথম ঢেউ দেশে আঘাত হানে, তখন আর্থিক পরিস্থিতির উপর চাপ কমাতে সরকার কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারী এবং পেনশনভোগীদের জন্য ডিএ এবং ডিআর বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত পিছিয়ে দেয়। পরবর্তীকালে, ডিএ-ডিআর বৃদ্ধি তিনটি কিস্তিতে স্থগিত করা হয়েছিল – জানুয়ারি ২০২০, জুলাই ২০২০ এবং জানুয়ারি ২০২১। এই স্থগিত মোট ১৮ মাস স্থায়ী ছিল। এদিকে অর্থ বর্ষ শেষ হওয়ার আগে ফের বিষয়টি নিয়ে সরব হয়েছেন সরকারি কর্মীরা। টাকা মিলবে? জবাব দিল কেন্দ্র।

    কী বলছে কেন্দ্র?

    কোভিড-১৯ পরবর্তী সময়ে কর্মচারীরা আশাবাদী ছিলেন যে সরকার ১৮ মাসের বকেয়া ডিএ পরিশোধ করবে। কর্মচারী সংগঠনগুলি এই দাবিটি বেশ কয়েকবার উত্থাপন করেছে। তবে, প্রতিটি সংসদ অধিবেশনে যখনই এই প্রশ্নটি জিজ্ঞাসা করা হয়েছে, সরকার একই উত্তর দিয়েছে, বকেয়া পরিশোধের কোনও পরিকল্পনা নেই। কেন্দ্রীয় সরকার সংসদে ধারাবাহিকভাবে বলে আসছে যে ১৮ মাসের বকেয়া ডিএ পরিশোধের কোনও ইচ্ছা তাদের নেই। সম্প্রতি আবারও সংসদে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল যে কোভিড-১৯-এর সময় কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারী এবং পেনশনভোগীদের ১৮ মাসের মহার্ঘ্য ভাতা এবং মহার্ঘ্য ত্রাণ স্থগিত করার সিদ্ধান্ত কি অর্থনৈতিক ব্যাঘাত এবং সরকারি অর্থের উপর চাপ কমানোর জন্য নেওয়া হয়েছিল?

    আরও পড়ুনঃ সেবক-রংপো রেল প্রকল্পের শেষ হল বড় কাজ, কবে ছুটবে ট্রেন?

    উত্তরে অর্থ মন্ত্রক বলেছে যে, “সরকারি অর্থায়নের উপর চাপ কমানোর জন্য, কোভিড-১৯-এর কারণে সৃষ্ট অর্থনৈতিক ব্যাঘাতের প্রেক্ষাপটে, কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারী/পেনশনভোগীদের ১৮ মাসের মহার্ঘ্য ভাতা (DA)/মহার্ঘ্য ত্রাণ (DR) এর তিনটি কিস্তি স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। এখনও অবধি মহার্ঘ্য ভাতার বকেয়া অর্থ প্রদান করা সম্ভব বলে মনে করা হয়নি।” অপরদিকে কর্মচারী ইউনিয়নগুলির যুক্তি, এই পরিমাণ কর্মীদের অধিকার এবং এটি আটকে রাখা যথাযথ নয়। বেশ কয়েকটি সংগঠন দাবি করেছে যে অষ্টম বেতন কমিশন কার্যকর হওয়ার সাথে সাথেই সরকারকে ১৮ মাসের বকেয়া ডিএ পরিশোধ করতে হবে।