Tag: Electricity

  • ভারতীয় রেলে বিদ্যুৎ বিপ্লব! বছরে বাঁচাল ৬০০০ কোটি টাকা

    ভারতীয় রেলে বিদ্যুৎ বিপ্লব! বছরে বাঁচাল ৬০০০ কোটি টাকা

    সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: ভারতীয় রেলের (Indian Railways) মুকুটে নয়া পালক। ডিজেল থেকে বৈদ্যুতিক চালনায় জোর দিয়ে ৬০০০ কোটি টাকার সাশ্রয় হয়েছে রেলের। মঙ্গলবার লোকসভায় এমনটাই দাবি করলেন রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব (Ashwini Vaishnaw)। এমনকি তিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন যে, দেশের এই জাতীয় পরিবহন সংস্থাটি এখন বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম পণ্য পরিবহনকারী প্রতিষ্ঠান। পাশাপাশি ভারতীয় রেলের একাধিক প্রকল্প নিয়েও এদিন তিনি আলোচনা করেন।

    ডিজেল চালিত ইঞ্জিন থেকে বৈদ্যুতিকে রুপান্তর

    এদিন লোকসভায় রেলমন্ত্রী বৈষ্ণব জানান যে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী সরকারের আমলে ৩৫ হাজার কিলোমিটার নতুন রেললাইন পাতা হয়েছে, আর আনুমানিক ২৭ হাজার কিলোমিটার রেললাইন বৈদ্যুতিকরণ করা হয়েছে। কংগ্রেস সিংহভাগ ডিজেল চালিত পরিষেবা ছিল। এমনকি তিনি বলেন যে, ভারতীয় রেলের ব্যয়ের ক্ষেত্রে কর্মীবাবদ খরচ সবথেকে বেশি। আর দ্বিতীয় বৃহত্তম ব্যয়ের খাত হল জ্বালানি বা শক্তি। তিনি আরও উল্লেখ করেছেন যে, আগামী দিনগুলোতে ডিজেল চালিত ইঞ্জিন সম্পূর্ণরূপে বিলুপ্ত হবে আর ১০০ শতাংশ বৈদ্যুতিক চালিত ইঞ্জিন সেই জায়গা দখল করবে।

    এদিকে রেল প্রকল্পগুলোর জন্য জমি অধিগ্রহণ সহ বিভিন্ন উন্নয়নমূলক প্রকল্পে অনুদান বরাদ্দ না করায় রাজ্যের INDIA জোট শাসন রাজ্য যেমন কেরালা, তামিলনাড়ু, পশ্চিমবঙ্গ, কর্ণাটক নিয়ে সমালোচনা করেছেন রেলমন্ত্রী। আর বিরোধী দলগুলিকে কাঠগড়ায় তুলেছেন। তিনি বলেন, ২০১৪ সালে নরেন্দ্র মোদী ক্ষমতায় আসার পর থেকে ভোটের রাজনীতির পরিবর্তে কাজের রাজনীতি প্রাধান্য পেয়েছে। আর প্রধানমন্ত্রী রেল বাজেটকে সবসময় অগ্রাধিকার দিয়ে থাকেন। যার ফলে তাঁর মন্ত্রকের জন্য আর্থিক বরাদ্দের পরিমাণও বাড়ানো হয়েছে। বর্তমানে সারা বছর ধরেই নতুন নতুন ট্রেনের উদ্ভাবন আর নতুন প্রকল্পের সূচনা হয়েই থাকে, যা আগে চোখে পড়ত না। রেলের আর্থিক স্বাস্থ্যের উন্নতি দিনের পর দিন বাড়ছে। এমনকি এদিন রেলমন্ত্রী জানিয়েছেন যে, অর্থ মন্ত্রক আর অন্যান্য সংস্থাগুলোর অত্যাধুনিক তথ্য প্রযুক্তি ব্যবস্থা ব্যবহার করে ভারতীয় রেল আরও প্রযুক্তিগতভাবে উন্নত হওয়ার চেষ্টা করছে।

    আরও পড়ুন: ইতিহাস গড়লেন TTE, বিনা টিকিটে যাত্রীদের ধরে একদিনেই ২.৫৭ লাখ আদায় রেলের

    এদিকে স্বাস্থ্যবিমা নিয়েও লোকসভায় বড়সড় দাবি রাখেন রাজ্যের অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন। তিনি স্পষ্ট বলেন, স্বাস্থ্যবিমা এই সরকারের সবথেকে জনপ্রিয় অগ্রাধিকার। আর আশা করা যাচ্ছে যে, আগামী ২০৩৩ সালের মধ্যে দেশের প্রতিটি নাগরিককেই এই স্বাস্থ্যবিমা কভারেজের আওতায় নিয়ে আসা হবে। এমনকি প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি জানিয়েছেন যে, বীমা খাতের ব্যয় দিনের পর দিন বাড়ানো হচ্ছে। আর ২০২৪-২৫ অর্থবছরে এই খাতের আওতায় আনুমানিক ৫৮ কোটি টাকা মানুষ জীবনবিমার সুরক্ষা পেয়েছে।

  • চাঁদেই বসবে সোলার প্যানেল! পৃথিবীকে আজীবন বিদ্যুৎ দিতে জাপানের মহা পরিকল্পনা

    চাঁদেই বসবে সোলার প্যানেল! পৃথিবীকে আজীবন বিদ্যুৎ দিতে জাপানের মহা পরিকল্পনা

    সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: পরিষ্কার এবং দীর্ঘমেয়াদি জ্বালানির সন্ধানে এবার নতুন দিশা দেখছে বিশ্ব। ক্রমবর্ধমান বিদ্যুতের (Electricity) চাহিদা মেটাতে পৃথিবীর বাইরের সম্ভাবনা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। আর সেই সূত্রে জাপানের একটি সংস্থা এবার এমন এক পরিকল্পনা সামনে আনলো, যা বাস্তবায়িত হলে গোটা বিশ্বের বিদ্যুৎ সরবরাহের ধরন বদলে যেতে পারে। জানা যাচ্ছে, জাপানের নির্মাণ সংস্থা Shimizu Corporation এই প্রকল্পের প্রস্তাব দিয়েছে, যেটির নাম লুনা রিং (Luna Ring)। আর এই প্রকল্পে চাঁদের নিরক্ষরেখা ঘিরে বিশাল সৌর প্যানেলের একটি বলয় তৈরি করার পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে, যা থেকে উৎপন্ন বিদ্যুৎ সরাসরি পৃথিবীতে পাঠানো হবে।

    কী এই লুনা রিং প্রকল্প?

    বলে রাখি, লুনা রিং প্রকল্প অনুযায়ী চাঁদের নিরক্ষরেখা বরাবর একটি বিশাল সৌর বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যবস্থা করা হবে। আর সেই পরিকল্পনা অনুযায়ী, সৌর বলয়ের প্রস্থ হবে মোটামুটি ২৫০ মাইল এবং এটি চাঁদের চারদিকে প্রায় ৬৮০০ মাইল জুড়ে বিস্তৃত হবে। আর পুরো বলয়জুড়ে থাকবে অসংখ্য সৌর প্যানেল। এই সৌর প্যানেলগুলো মহাশূন্যে অবিরাম সূর্যালোক পাবে। যার ফলে পৃথিবীর মতো রাত, মেঘ বা আবহাওয়ার বাঁধা থাকবে না।

    প্রাথমিক হিসাব অনুযায়ী, এই প্রকল্প থেকে আনুমানিক ১৩ হাজার টেরাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করা যেতে পারে। তুলনায় বর্তমানে বিশ্বজুড়ে মোট বিদ্যুতের চাহিদা ঘরে ২০ টেরাওয়াট। অর্থাৎ যদি এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হয়, তাহলে বর্তমান বৈশ্বিক চাহিদার বহুগুণ বেশি বিদ্যুৎ সরবরাহ করা যাবে। বিশেষজ্ঞদের মতে, চাঁদের পরিবেশ সৌর বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য সুবিধাজনক। কারণ, চাঁদে কোনও রকম বায়ুমণ্ডল নেই। ফলে সূর্যালোক সরাসরি পৌঁছয় এবং মেঘ ও আবহাওয়ার কোনও বাধা নেই এখানে। পাশাপাশি চাঁদের ঘূর্ণন ধীর হওয়ার কারণে দীর্ঘ সময় ধরে সূর্যালোক পাওয়া যায়। আর কম মাধ্যাকর্ষণের কারণে বড় কাঠামো নির্মাণ করা আরও সহজ।

    কীভাবে তৈরি হবে এই বিশাল প্রকল্প?

    প্রসঙ্গত, মানুষের পক্ষে এত বড় নির্মাণ কাজ সরাসরি করা খুবই কঠিন এবং ব্যয়বহুল, তা বলার অপেক্ষা রাখে না। তাই পরিকল্পনা করা হচ্ছে রোবট বা স্বয়ংক্রিয় কোনও যন্ত্রের মাধ্যমে কাজ সম্পন্ন করা হবে। আর এই রোবটগুলিতে চাঁদে মাটি খনন করবে, সৌর প্যানেল বসাবে এবং রক্ষণাবেক্ষণ আর কাঠামো নির্মাণ করবে। পৃথিবীতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সাহায্যেই এই রোবটগুলিকে নিয়ন্ত্রণ করা হতে পারে। তবে শুধুমাত্র বিদ্যুৎ উৎপাদন করলেই তো হবে না, বরং সেটাকে পৃথিবীতে পৌঁছনোর ব্যবস্থা করতে হবে। তার জন্য মাইক্রোওয়েভ ও লেজার প্রযুক্তি ব্যবহার করা হবে বলে জানানো হয়েছে। এর মাধ্যমে শক্তিকে ইলেকট্রোম্যাগনেটিক তরঙ্গে রূপান্তরিত করা হবে। তারপর পৃথিবীর নির্দিষ্ট রিসিভিং স্টেশনে পাঠানো হবে। সেখান থেকেই শক্তিকে বিদ্যুতের রূপান্তর করে বিদ্যুৎ গ্রিডে তা যুক্ত করা হবে।

    সবথেকে বড় ব্যাপার, এই প্রকল্প যদি চালু হয়, তাহলে বিদ্যুৎ উৎপাদনের সময় কোনও রকম কার্বন নির্গমন হবে না। তার কারণে বায়ু দূষণ তো হবেই না, আর পারমাণবিক বর্জ্যও তৈরি হবে না। যার ফলে এটি দীর্ঘ মেয়াদে পরিবেশবান্ধব শক্তির সবথেকে বড় উৎস হয়ে উঠতে পারে। কিন্তু চাঁদের পরিবেশে এত বিরাট অবকাঠামো নির্মাণের প্রভাব নিয়ে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বর্তমানে আলোচনা চলছে। এখন দেখার, আদৌ এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হয় কিনা।

  • লাগবে না গ্যাস-বিদ্যুৎ, রোদেই হবে রান্না! LPG সংকটে মুশকিল আসান এই উনুন

    লাগবে না গ্যাস-বিদ্যুৎ, রোদেই হবে রান্না! LPG সংকটে মুশকিল আসান এই উনুন

    সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: রান্নার গ্যাসের দাম বৃদ্ধি আর সরবরাহের সমস্যা (LPG Crisis) দিনের পর দিন চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে মধ্যবিত্ত থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষের। এই পরিস্থিতিতে বিকল্প রান্নার উপায় খুঁজছে এখন আমজনতা। ঠিক এরকম সময় আলোচনায় উঠে আসছে সূর্যের আলোতে চলা সোলার কুকার (Solar Cooker)। এই প্রযুক্তিতে রান্নার জন্য প্রয়োজন হবে না কোনও এলপিজি গ্যাস বা বিদ্যুতের। বিশেষজ্ঞদের মতে, যে সমস্ত অঞ্চলে প্রচুর রোদ সেখানে সোলার কুকার হতে পারে একেবারে দারুণ বিকল্প।

    কীভাবে কাজ করে এই সোলার কুকার?

    সোলার কুকার মূলত বিজ্ঞান আর প্রযুক্তির প্রয়োগ। এতে একটি রিফ্লেক্টর বা চকচকে পৃষ্ঠ থাকে, যেটি সূর্যের আলোকে নির্দিষ্ট জায়গায় কেন্দ্রীভূত করে রাখে। আর ওভেনের ভেতরের অংশ সাধারণত কালো রঙের হয়ে থাকে, যাতে সূর্যের তাপ সহজেই শোষিত হয়। আর উপরে কাঁচের ঢাকনা থাকার কারণে ভিতরে গ্রীনহাউস ইফেক্ট তৈরি হয় এবং তা বাইরে যেতে পারে না। এভাবে সোলার কুকারের ভিতরে তাপমাত্রা অনেক সময় ১৫০ ডিগ্রি সেলসিয়াসেরও বেশি হয়ে যায়, যা কিনা ভাত, ডাল, সবজি বা অন্যান্য সাধারণ খাবার রান্নার জন্য একেবারে পারফেক্ট।

    তবে হ্যাঁ, বর্তমানে বাজারে মূলত দুই ধরনের সোলার কুকার পাওয়া যায়। প্রথমত রয়েছে বক্স টাইপ কুকার। এই ধরনের কুকারগুলি ছোট পরিবারের জন্য উপযোগী। এর দাম ২৫০০ টাকা থেকে ৪৫০০ টাকার মধ্যে হয়ে থাকে। আর দ্বিতীয়ত রয়েছে প্যারাবোলিক সোলার কুকার। এগুলি দ্রুত তাপ তৈরি করতে পারে আর তুলনামূলকভাবে বেশি কার্যকর। এর দাম ৫০০০ থেকে ৮০০০ টাকার মধ্যে হয়ে থাকে। এগুলি অনলাইনে অ্যামাজন বা ফ্লিপকার্টের মতো ই-কমার্স প্ল্যাটফর্ম থেকে অনায়াসে কিনে নিতে পারবেন।

    সোলার কুকারের প্রধান সুবিধা

    জানিয়ে রাখি, সোলার কুকার ব্যবহার শুধুমাত্র যে খরচ বাঁচাবে এমনটাই নয়, বরং পরিবেশের দিক থেকেও এটি উপকারী। কারণ, এক্ষেত্রে রান্নার জন্য গ্যাস বা বিদ্যুতের প্রয়োজন তো পড়েই না, পাশাপাশি দীর্ঘমেয়াদে রান্নার খরচ একেবারে শুন্য নেমে আসে। আর ধীরে রান্না হওয়ার কারণে খাবারের পুষ্টিগুণ অনেকটাই বাড়ে। পাশাপাশি গ্যাস লিকেজ বা আগুন লাগার ঝুঁকিও থাকে না, এবং  রক্ষণাবেক্ষণ খুবই সহজে করা যায়।

    আরও পড়ুন: LPG সংকটের জের, রেস্তোরাঁর বিলের সাথে যুক্ত হচ্ছে গ্যাসের চার্জ!

    এক্ষেত্রে উল্লেখ করার বিষয়, সোলার কুকার ব্যবহার করার জন্য কিছু বিষয় খেয়াল রাখতে হবে। যেমন, এমন জায়গায় এই কুকার রাখতে হবে যেখানে কমপক্ষে ৩ থেকে ৪ ঘণ্টা সরাসরি রোদ পড়ে, বিশেষ করে ছাদ বা বারান্দায় ব্যবহার করলে সবথেকে ভালো। তাছাড়া রান্নার জন্য কালো রঙের পাত্র ব্যবহার করুন। এতে দ্রুত তাপ শোষণ হয়। আর সকাল দশটা থেকে এগারোটার মধ্যে খাবার রাখলে দুপুরের মধ্যেই তা রান্না হয়ে যাবে বলে জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।

  • ২০০০ টাকায় কমিশন ২০ টাকা, গ্রামের মহিলাদের আয়ের পথ দেখাচ্ছে বিদ্যুৎ সখী প্রকল্প

    ২০০০ টাকায় কমিশন ২০ টাকা, গ্রামের মহিলাদের আয়ের পথ দেখাচ্ছে বিদ্যুৎ সখী প্রকল্প

    সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: গ্রামীণ মহিলাদেরকে আর্থিকভাবে স্বনির্ভর করে তোলার জন্য রাজ্য সরকারের জনপ্রিয় প্রকল্প এবার বিরাট নজির গড়ল। হ্যাঁ, রাজ্যের বিদ্যুৎ সখী প্রকল্পের (Vidyut Sakhi Scheme) আওতায় গ্রামীণ এলাকার মহিলারা বাড়ি বাড়ি গিয়ে বিদ্যুৎ বিল সংগ্রহ করে এখনো পর্যন্ত ৩২৫০ কোটি টাকার বেশি টাকা জমা করেছেন। মুখ্যমন্ত্রীর নেতৃত্বে চালু হওয়া এই উদ্যোগ শুধুমাত্র যে বিদ্যুৎ বিল সংগ্রহ সহজ করেছে এমনটা নয়, বরং গ্রামের মহিলাদের আয়ের নতুন পথও খুলে দিয়েছে।

    রাজ্য সরকারের জনপ্রিয় প্রকল্প বিদ্যুৎ সখী

    বলে রাখি, এই প্রকল্পটি চালু করা হয়েছে উত্তরপ্রদেশের যোগী আদিত্যনাথ সরকারের তরফ থেকে। রাজ্যে এখনো পর্যন্ত প্রায় ৩০ হাজার মহিলাকে বিদ্যুৎ সখী হিসেবে নিবন্ধিত করা হয়েছে। যার মধ্যে বর্তমানে ১৫ হাজারেরও বেশি প্রশিক্ষিত মহিলা সক্রিয়ভাবে মাঠে কাজ করছেন। তারা গ্রামে গ্রামে গিয়েই বাড়ি বাড়ি বিদ্যুৎ বিল সংগ্রহ করছেন আর গ্রাহকদের ডিজিটাল রশিদ দিচ্ছেন। সরকারের পরিকল্পনামাফিক, বাকি প্রশিক্ষিত মহিলাদেরকেও খুব শীঘ্রই এই কাজে নিযুক্ত করা হবে।

    এদিকে এই প্রকল্পে কাজ করা মহিলাদের জন্য নির্দিষ্ট কমিশনের ব্যবস্থাও রয়েছে। যার ফলে অনেকে এখন মোটা অংকের টাকা আয় করছে। সরকারি সূত্র অনুযায়ী খবর, ২০০০ টাকা পর্যন্ত বিদ্যুৎ বিল সংগ্রহ করলে বিদ্যুৎ সখীরা ২০ টাকা কমিশন পান। আর ২০০০ টাকার বেশি বিলের ক্ষেত্রে দেওয়া হয় ১ শতাংশ কমিশন। এই স্বচ্ছ কমিশন ব্যবস্থার আওতায় রাজ্যের বহু গ্রামীণ মহিলারা এখন আর্থিকভাবে স্বনির্ভর হচ্ছে। অনেকেই ইতিমধ্যেই লাখপতি দিদি হিসেবেও পরিচিত পেয়েছেন।

    আরও পড়ুন: এয়ারপোর্ট অবধি ছুটবে হাইস্পিড ট্রেন! ৭০ কিমি মাত্র ২১ মিনিটে, বিরাট প্ল্যান রেলের

    এমনকি এই প্রকল্পের ফলে গ্রামীণ এলাকার বাসিন্দারাও বিরাট সুবিধা পাচ্ছেন। আগে বিদ্যুৎ বিল জমা দিতে অনেককে ব্লক অফিস বা বিদ্যুৎ দফতরে গিয়ে দীর্ঘক্ষণ ধরে লাইনে দাঁড়াতে হতো। কিন্তু এখন বিদ্যুৎ সখীরা বাড়িতে বাড়িতে গিয়ে বিল সংগ্রহ করছেন। আর সঙ্গে সঙ্গে ডিজিটাল রশিদও দিচ্ছেন। যার ফলে গ্রাহকদের সময় আর পরিশ্রম দুটোই বাঁচছে।