Tag: Election Commission Of India

  • নির্বাচন হোক ২ দফায়, কমিশনের কাছে আর কী কী দাবি জানাল বিজেপি?

    নির্বাচন হোক ২ দফায়, কমিশনের কাছে আর কী কী দাবি জানাল বিজেপি?

    সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনকে কেন্দ্র করে নির্বাচন কমিশনের (Election Commission of India) কাছে একগুচ্ছ দাবি জানিয়েছে বিজেপি (BJP on Commission)। সোমবার নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চের সঙ্গে বৈঠক করেছে পশ্চিমবঙ্গের বিজেপি প্রতিনিধি দল। আর সেখানে তারা মোট ১৬ দফা দাবি পেশ করেছে। বিরোধী দলের দাবি, রাজ্যে দীর্ঘদিন সময় ধরে বহু দফায় ভোট করানোর বদলে এবার এক বা দুই দফায় নির্বাচন করা হোক। তাদের মতে, এতে প্রশাসনিক চাপ অনেকটাই কমবে এবং দ্রুত আর সুষ্ঠুভাবে ভোট প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে।

    বলাবাহুল্য, ওই বৈঠকে বিজেপি প্রতিনিধিদের মধ্যে ছিলেন তাপস রায়, শিশির বাজোরিয়া এবং জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়। বৈঠকে নির্বাচন সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয় নিয়ে কমিশনের সঙ্গে তাঁর আলোচনা করেছেন। আর বৈঠকে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায় জানিয়েছেন যে, প্রায় আধাঘন্টা ধরে কমিশনের সামনে তাঁদের দাবি এবং প্রস্তাব তুলে ধরা হয়েছে।

    কী কী দাবি জানানো হল বিজেপির তরফ থেকে?

    বিজেপির দাবি, আগামী ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচন যাতে হিংসামুক্ত আর ভয়মুক্ত পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়, সেই লক্ষ্যেই এই দাবি জানানো হয়েছে। এ নিয়ে জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায় বলেছেন, শান্তিপূর্ণভাবে নির্বাচন সম্পন্ন করার জন্য বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়ার কথা কমিশনকে জানানো হয়েছে।

    বিজেপির দাবিগুলির মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল, ছয় সপ্তাহ ধরে দীর্ঘ ৭-৮ ধাপের পরিবর্তে স্বল্প সময়ের মধ্যেই একক বা সর্বোচ্চ দুটি ধাপে ভোট গ্রহণ করতে হবে। ভোটের মধ্যে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ কল্যাণ সংস্থাকে নিষিদ্ধ করা উচিত এবং তাদের সমস্ত অফিস ও কার্যক্রম এলাকা সিল করে দেওয়া উচিত। নির্বাচন কমিশনের নিয়ম অনুযায়ী, বড় বড় বহুতল কমপ্লেক্সের ভেতরে ভোটকেন্দ্র থাকা বাধ্যতামূলক। স্থানীয় পুলিশের উপর নির্ভর না করে সাধারণ এবং পুলিশ পর্যবেক্ষক দ্বারা চিহ্নিত এলাকাগুলির উপর ভিত্তি করেই সিএপিএফ-এর আধিপত্য যাচাই করতে হবে। সাধারণ এবং পুলিশ পর্যবেক্ষকদের এলাকা সম্পর্কে জানার জন্য আর মূল্যায়নের সুযোগ করে দেওয়ার জন্য আগেই মোতায়েন করা উচিত।

    আরও পড়ুন: ‘ইঞ্চিতে ইঞ্চিতে বুঝে নেব’ বকেয়া DA কাণ্ডে বড় ঘোষণা, ঘুরে যাবে খেলা? জল্পনা তুঙ্গে

    এছাড়াও পূর্ববর্তী তিনটি নির্বাচনে অর্থাৎ ২০১৯ লোকসভা নির্বাচন, ২০২১ বিধানসভা নির্বাচন আর ২০২৪ লোকসভা নির্বাচনে কমিশনের আদেশে বদলি হওয়া সকল কর্মকর্তাদের বদলি করার দাবি জানানো হয়েছে। পাশাপাশি শান্তিপূর্ণভাবে নির্বাচন সম্পন্ন করার জন্য বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়ার কথা বলা হয়েছে কমিশনকে। বিজেপির স্পষ্ট দাবি, আগামী ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচন যেন কোনও রকম অসন্তোষ ছাড়াই সম্পন্ন হয়।

  • খামেনির মৃত্যু মিছিল, হাইড্রোজেন ট্রেন…! আজকের সেরা ১০ খবর (৩ মার্চ)

    খামেনির মৃত্যু মিছিল, হাইড্রোজেন ট্রেন…! আজকের সেরা ১০ খবর (৩ মার্চ)

    সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: আজ ৩ মার্চ, মঙ্গলবার। খামেনির মৃত্যু মিছিল, হাইড্রোজেন ট্রেন, পাকিস্তান-আফগানিস্তান সংঘর্ষ, রাজ্য-রাজনীতি, অর্থনীতি, বহির্বিশ্ব, কোথায় কী ঘটল আজ? জানতে চোখ রাখুন আজকের সেরা দশে। India Hood-র তরফ থেকে আমরা নিয়ে এসেছি তরতাজা দশটি (Top 10 Bangla News in West Bengal And India) খবর, যা না পড়লে মিস করে যাবেন অনেক কিছুই। বিস্তারিত নতে হলে অবশ্যই প্রতিবেদনটি শেষ পর্যন্ত পড়ুন।

    ১০) স্বাস্থ্য প্রকল্প নিয়ে বিরাট ঘোষণা পশ্চিমবঙ্গ সরকারের

    পশ্চিমবঙ্গ সরকার স্বাস্থ্য প্রকল্প নিয়ে বিরাট ঘোষণা করল। এবার তালিকাভুক্ত বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসার খরচ ২ লক্ষ টাকার বেশি হলেও সরকারি পেনশনভোগীরা ক্যাশলেস সুবিধা পাবে বলেই স্পষ্ট জানানো হয়েছে। এমনকি আগে এই সুবিধা কেবলমাত্র কর্মচারীদের মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল। কিন্তু বাজেটের প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী, অর্থ দফতর নির্দেশিকা জারি করেছে। আর নির্দিষ্ট ফর্ম জমা দিলে সর্বোচ্চ ৭৫ শতাংশ পর্যন্ত খরচ ক্যাশলেসে মেটানো যাবে। পাশাপাশি নির্দিষ্ট সময় অনুমোদন না আসলে তার ডিঅ্যাপ্রুভ বলে ধরা হবে। বিস্তারিত পড়তে– এখানে ক্লিক করুন

    ৯) খামেনির মৃত্যুর মিছিল নিয়ে প্রতিবাদ করাতে প্রহ্লাদ মাইতির বিরুদ্ধে অভিযোগ

    ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি নিহত হওয়ার পর বসিরহাটে প্রতিবাদ মিছিল নিয়ে বিতর্কে ইউটিউবার প্রহ্লাদ মাইতি অরফে বিষাক্ত ছেলে খামেনিকে কটুক্তি করে একটি ভিডিও পোস্ট করলে সেটা রীতিমতো ভাইরাল হয়। তবে এই নিয়েই ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। প্রতিবাদকারীরা তাঁর বিরুদ্ধে বসিরহাট থানায় এফআইআর দায়ের করেছেন। এমনকি বিষয়টি নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় তীব্র মতবিরোধ দেখা দিয়েছে। আর আন্তর্জাতিক পরিস্থিতির প্রেক্ষিতে উত্তেজনা যে আরও বাড়ছে তা বলার অপেক্ষা রাখে না। বিস্তারিত পড়তে– এখানে ক্লিক করুন

    ৮) দোলের দিন পার্ক স্ট্রিটে ভেঙে পড়ল ১৫০ বছরের পুরনো বাড়ি

    দোলের দিন সকলে কলকাতার পার্ক স্ট্রিটে ১৫০ বছরের পুরনো একটি বাড়ির অংশ ভেঙে পড়ে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে। তবে এই ঘটনায় কেউ হতাহত হননি। স্থানীয়রা দাবি করছে, সাম্প্রতিক ভূমিকম্পে কাঠামো দুর্বল হয়ে পড়ার কারণে এই দুর্ঘটনা ঘটেছে। যদিও কারণ এখনো পর্যন্ত স্পষ্ট নয়। তদন্ত শুরু হয়েছে। আর আগের দিন সেন্ট্রাল পার্ক স্ট্রিট মেট্রো স্টেশনের নিচেও কংক্রিট ঘষে পড়ায় নিরাপত্তা নিয়ে বিভিন্ন রকম প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। বিস্তারিত পড়তে– এখানে ক্লিক করুন

    ৭) ডুরান্ড লাইনে পাকিস্তান-আফগানিস্তান সংঘর্ষ

    বিতর্কিত ডুরান্ড লাইন ঘিরে আফগানিস্তান এবং পাকিস্তান সংঘর্ষ এবার তীব্র উঠল। তালেবান দাবি করছে, স্পিন বোলদাকসহ কয়েকটি পাকিস্তানী সীমান্ত পোস্ট করা দখল করে ফেলেছে। কিন্তু পাকিস্তান পাল্টা বিমান হামলা চালিয়ে অভিযানের নাম দিয়েছে ‘গজব লিল হক’। আর সেখানে অনেক তালেবানদের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছে। উভয় পক্ষই বড় ক্ষয়ক্ষতির দাবি করলেও নিরপেক্ষ ভাবে তা এখনো পর্যন্ত যাচাই করা হয়নি। আর দীর্ঘদিনের সীমান্ত বিরোধ নতুন করে যুদ্ধ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। বিস্তারিত পড়তে– এখানে ক্লিক করুন

    ৬) দেশের প্রথম হাইড্রোজেন ট্রেনের ট্রায়াল রান

    পরিবেশবান্ধব যাত্রার লক্ষ্যে দেশের প্রথম হাইড্রোজেন ট্রেনের ট্রায়াল রান সম্পন্ন হল দেশের হরিয়ানা রাজ্যের জিন্দিতে। ভারতীয় রেলের উদ্যোগে ট্রেনটি মোট আটটি কোচ নিয়ে ২০ কিলোমিটার পথ অতিক্রম করে সর্বোচ্চ ৭০ কিলোমিটার গতিতে চলেছে বলে খবর। নিরাপত্তা এবং প্রযুক্তিগত দিক থেকে সমস্ত ইতিবাচক ফলাফল পাওয়া গিয়েছে। আর আগামী এক সপ্তাহ আরও পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হবে। যদি সবকিছু ঠিকঠাক থাকে তাহলে খুব শীঘ্রই জিন্দা-সোনিপথ রুটে এই ট্রেনটি নিয়মিত পরিষেবা দেবে। বিস্তারিত পড়তে– এখানে ক্লিক করুন

    ৫) হোলি উপলক্ষে কলকাতায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন

    হোলি উপলক্ষে কলকাতা পুলিশ শহরজুড়ে কড়া নিরাপত্তা দিয়েছে। আজ প্রায় চার ৪০০০ পুলিশ মোতায়ন করা হয়েছে। এমনকি ৪০০ পিকেট ও ৮৬টি গুরুত্বপূর্ণ স্থানে বিশেষ নজরদারি চালানো হবে বলে জানানো হয়েছে। রাস্তায় পিসিআর ভ্যান্ন, কুইক রেসপন্স টিম এবং বাইক টহল দেবে। আর ৬৬ গঙ্গার ঘাটে অতিরিক্ত নিরাপত্তা এবং ডিএমসি জল থাকবে বলে জানানো হয়েছে। এছাড়াও ছাদ থেকে রং বা বেলুন ছোড়া, মদ্যপ অবস্থায় স্নান বা পশুদের রং লাগানো রুখতে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বিস্তারিত পড়তে– এখানে ক্লিক করুন

    ৪) প্রতিটি ভোটকেন্দ্রের সামনে থাকবে সিসিটিভি ক্যামেরা, নির্দেশ নির্বাচন কমিশনের

    আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে নির্বাচন কমিশন বুথের ভিতর এবং বাইরে সিসিটিভি ক্যামেরা বসানো বাধ্যতামূলক করেছে। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের নেতৃত্বে ফুল বেঞ্চ ৯ মার্চ রাজ্যে আসবে বলে খবর। বুথের বাইরে নজরদারিতে থাকবেন মাইক্রো অবজার্ভাররা এবং কেন্দ্রীয় বাহিনীকে নিরপেক্ষতার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আর ইতিমধ্যে রাজ্যে ২৪০টি কোম্পানি কেন্দ্র বাহিনী মোতায়ন করেছে। এমনকি আরও বাহিনী আসছে বলে খবর। বিস্তারিত পড়তে– এখানে ক্লিক করুন

    ৩) রাহুল সিংহকে প্রার্থী ঘোষণা করল ভারতীয় জনতা পার্টি

    আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে পশ্চিমবঙ্গে প্রার্থী ঘোষণা করল ভারতীয় জনতা পার্টি। রাহুল সিংহকে প্রার্থী করেছে তারা। আগামী ১৬মার্চ দশ রাজ্যের ৩৭টি আসনে ভোট হবে। আর এর মধ্যে  বাংলায় হবে পাঁচটি। আগে তৃণমূল কংগ্রেস পার্টি ঘোষণা করেছে। এমনকি একাধিক নির্বাচনে পরাজিত হলেও এবার নিশ্চিত আসনে রাহুলকে সুযোগ দিয়েছে ভারতীয় জনতা পার্টি। আর মনোনয়ন হবে আগামী ৫ মার্চ। বিস্তারিত পড়তে– এখানে ক্লিক করুন

    ২) এসআইআর-র চাপে মৃত ৬১ জনের পরিবারের সদস্যদের হোমগার্ড নিয়োগপত্র দিলেন মমতা

    মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কলকাতার এক অনুষ্ঠানে এসে এসআইআর প্রক্রিয়ার চাপে মৃত ৬১ জনের পরিবারের সদস্যদের হোম গার্ড চাকরির নিয়োগপত্র তুলে দিয়েছেন। রাজ্য সরকারের দাবি, ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন নিয়ে মানসিক চাপে তাদের মৃত্যু হয়েছে। চূড়ান্ত তালিকায় ৭ কোটির বেশি নাম থাকলেও প্রায় ৬০ লক্ষ নাম এখনো বিচারাধীন। আর এর ফলেও দুশ্চিন্তে বাড়ছে। এমনকি আগে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার ঘোষণা করা হয়েছিল। তবে চাকরির সুযোগ দিয়ে শোকাহত পরিবারগুলোর পাশে দাঁড়িয়েছে রাজ্য সরকার। বিস্তারিত পড়তে– এখানে ক্লিক করুন

    ১) মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতে তেলের দাম বৃদ্ধি, বিকল্প রাস্তা ভারতের

    মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত এবং হরমুজ প্রণালী বন্ধ হওয়ার কারণে বিশ্বে অপরিশোধিত তেলের দাম দ্রুত হারে বেড়েছে। ইরানের হুশিয়ারিতে সরবরাহ অনিশ্চিত এখন পুরোপুরি। যার ফলে দাম ব্যারেল প্রতি ১০০ ডলার হতে পারে। পরিস্থিতি সামাল দিতে ভারত সরকার তেল রফতানি নিষিদ্ধ রাশিয়া থেকে আমদানি বাড়ানো এবং বিকল্প উৎস খোঁজার পরিকল্পনা শুরু করেছে। কিন্তু এতে ডোনাল্ড ট্রাম্পের আমেরিকার শুল্ক নীতির প্রভাব পড়তে পারে বলে খবর। বিস্তারিত পড়তে– এখানে ক্লিক করুন

  • বুথের ভিতরে-বাইরে সিসিটিভি বাধ্যতামূলক! ভোট প্রস্তুতিতে কড়া নির্দেশ কমিশনের

    বুথের ভিতরে-বাইরে সিসিটিভি বাধ্যতামূলক! ভোট প্রস্তুতিতে কড়া নির্দেশ কমিশনের

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: ২৬ এর বিধানসভা নির্বাচন শুরু হতে আর খুব বেশি দিন বাকি নেই। তাই ভোট প্রচারের জন্য বেশ জোরকদমে নেমেছে সকল রাজনীতিবিদ। এদিকে গত শনিবার SIR এর চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশের পরে শুরু হয়েছে নয়া উত্তেজনা। জানা গিয়েছে এবার বাংলায় ভোট প্রস্তুতি চূড়ান্ত ভাবে খতিয়ে দেখতে ফের আসছে দেশের নির্বাচন কমিশনের (Election Commission Of India) ফুলবেঞ্চ। আগামী ৯ মার্চ মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের নেতৃত্বে ফুলবেঞ্চের আসার কথা। এই অবস্থায় বুথের ভিতরে আর বাইরে সিসিটিভি বসানোর নির্দেশ দিল ECI।

    সিসিটিভি বসানোর নির্দেশ দিল ECI এর

    সোমবার সব জেলার জেলাশাসক, পুলিশ সুপার, পুলিশ কমিশনার–সহ উচ্চপদস্থ কর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন ডেপুটি নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ ভারতী। আর সেখানেই রাজ্যে ভোটের প্রাক প্রস্তুতি নিয়ে একাধিক আলোচনা করা হয়। এদিন বুথে নজরদারি জোরদার করার জন্য সিসিটিভি ফুটেজের কথা বলা হয়। নির্বাচন কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে, বিধানসভা নির্বাচনের সময় বুথে-বুথে নজর আরও বাড়ানোর জন্য বুথের ভিতরে ও বাইরে সিসিটিভি বসাতে হবে। এর ফলে বুথের ভিতরে ও বাইরে যেখানেই গন্ডগোল হোক না কেন তা ধরা পড়বে ক্যামেরায়। আর সেই নিয়ে ব্যবস্থাও নেবে কমিশন।

    বুথের বাইরে পর্যবেক্ষণের দায়িত্বে থাকবেন কারা?

    প্রতিবার নির্বাচনের সময় বুথের ভিতর বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি দেখা যায়। ভোটারদের উপর জোর করে নির্দিষ্ট দলে ভোট দেওয়ার জন্য চাপ দেওয়া হয়। তাই সেই ঘটনা যাতে পুনরায় না ঘটে তার জন্য বুথের ভিতর সিসিটিভি বসানোর কথা বলা হয়েছে। এর ফলে, কেউ যদি বুথের ভিতর জোরপূর্বক ঢোকার চেষ্টা করে তাঁর বিরুদ্ধে ফুটেজ দেখে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এখানেই শেষ নয়, কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে, বুথের বাইরে পর্যবেক্ষণের দায়িত্বে থাকবেন মাইক্রো অবজার্ভাররা। এদিন বৈঠকে শুধু বুথে নজরদারি নিয়ে আলোচনা হয়নি, পাশাপাশি কমিশনের স্পষ্ট নির্দেশ কেন্দ্রীয় বাহিনী যেন কারও কোনও আতিথেয়তা গ্রহণ না করে তা লক্ষ্য রাখা।

    আরও পড়ুন: বনগাঁ শো কাণ্ডে চরম নাটকীয়তা! এবার মিমির বিরুদ্ধে দায়ের হল জোড়া মামলা

    প্রসঙ্গত, বিধানসভা নির্বাচনের নির্ঘণ্ট প্রকাশের আগেই প্রথম দফায় ২৪০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী এসে পৌঁছেছে রাজ্যে। আগামী ১০ মার্চ আরও ২৪০ কোম্পানি বাহিনী আসার কথা। ইতিমধ্যেই গত রবিবার, চার কোম্পানির কেন্দ্রীয় বাহিনী এসেছিল দক্ষিণ দিনাজপুরে। বিকেল থেকেই সেখানকার কুমারগঞ্জ, গঙ্গারামপুর, কুশমণ্ডি ও হরিরামপুরের আটটি ব্লকেই রুট মার্চ শুরু করেছে জওয়ানরা। আরও ছয় কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী দ্রুত জেলায় আসবে বলে জানা গিয়েছে। এছাড়াও ধূপগুড়ি এবং শ্রীরামপুরেও পৌঁছে গিয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনী।

  • ভোটার তালিকা থেকে নাম DELETED? পুনরায় কীভাবে তুলবেন জেনে নিন

    ভোটার তালিকা থেকে নাম DELETED? পুনরায় কীভাবে তুলবেন জেনে নিন

    সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: বাংলায় ভোটার তালিকা (Voter List) বিশেষ নিবিড় সংশোধন বা এসআইআর এর চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশিত হয়েছে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি। তবে সেই তালিকায় রয়েছে তিনটি ক্যাটাগরি। বৈধ ভোটার যারা তাদের নামের পাশে কিছুই লেখা নেই। তারা কোনও রকম সমস্যা ছাড়াই ভোট দিতে পারবেন। দ্বিতীয়ত রয়েছে ‘অ্যাডজুডিকেশন’ অর্থাৎ তাদের মামলা বিচারাধীন অবস্থায় রয়েছে। তাদের জন্য ধীরে ধীরে সাপ্লিমেন্টারি তালিকা বের করা হবে। আর তারপর রয়েছে ডিলিটেড ক্যাটাগরি। অর্থাৎ তাদের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়েছে। তারা আর ভোট দিতে পারবে না। কিন্তু প্রশ্ন উঠছে, তারা এবার কী করবে? কীভাবে পুনরায় ভোটার তালিকায় নাম তুলতে পারবে? জেনে নিন বিস্তারিত।

    নামের পাশে ডিলিটেড থাকলে কী করবেন?

    এসআইআর এর চূড়ান্ত তালিকা থেকে বিশেষ করে মৃত ভোটারদের নামই বাদ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি যারা একাধিক জায়গায় ভোটার তাদের নাম বাদ দেওয়া হয়েছে। কিন্তু এমন অনেকেই রয়েছে যারা জীবিত কিন্তু তথ্যগত অসঙ্গতির কারণে নাম বাদ পড়েছে, এবং সেখানে ডিলিটেড দেখাচ্ছে। তবে সেক্ষেত্রে চিন্তার কোনও কারণ নেই। কারণ, ডিইও বা সিইও-র কাছে পুনরায় আবেদন করলে আবারো ভোটার তালিকায় নাম উঠবে। এক্ষেত্রে তালিকা প্রকাশের ১৫ দিনের মধ্যেই জেলা শাসক বা ডিস্ট্রিক্ট ইলেকশন অফিসারের কাছে আবেদন জমা দিতে হবে। তবে সে যদি নাম তালিকায় না তোলার সিদ্ধান্ত নেন সেক্ষেত্রে ১৫ দিনের মধ্যে চিফ ইলেক্টোরিয়াল অফিসারের কাছে আবেদন করা যাবে।

    এছাড়াও আপনি অনলাইনের মাধ্যমে তথ্য পেতে পারেন। নির্বাচন কমিশন স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, voters.eci.gov.in ওয়েবসাইটে গিয়ে বিএলও-দের মাধ্যমে আবেদন জানানো যাবে। আর electoralsearch.eci.gov.in পোর্টালে গিয়ে এপিক নম্বর দিয়ে সংশ্লিষ্ট বিএলও-র নাম ও ফোন নম্বরও দেখতে পাবেন। তবে যদি সিইও দফতর আবেদন খারিজ করে দেয় সেক্ষেত্রে ৬ নম্বর ফর্ম পূরণ করে আবেদন করতে হবে। এমনকি নতুন করে ভোটার তালিকায় নাম তোলার জন্য এই ফর্ম পূরণ করতে হবে। কিন্তু কীভাবে এই ফর্ম পূরণ করবেন তা বিস্তারিত তুলে ধরা হল নিচে।

    আরও পড়ুন: ভোটের আগেই হাইকোর্টে জনস্বার্থে মামলা, কী দাবি?

    ফর্ম পূরণ করার পদ্ধতি

    ভোটার তালিকায় পুনরায় নাম তোলার জন্য যে ৬ নম্বর ফর্ম রয়েছে, সেটি আমাদের প্রতিবেদনের নিচেই দেওয়া রয়েছে। আপনারা চাইলে সেটি সরাসরি ডাউনলোড করে নিতে পারেন। তারপর প্রথমে নিজের জেলা এবং তারিখ লিখতে হবে। এরপর ধাপে ধাপে নিজের নাম, বাবা-মা বা স্বামীর নাম এবং ঠিকানা লিখতে হবে। তারপর নিজের এপিক নম্বর নির্দিষ্ট স্থানে পূরণ করতে হবে। তারপর বিধানসভার নম্বর, পার্ট নম্বর এবং সিরিয়াল নম্বর লিখতে হবে। মনে রাখবেন, নতুন যে তালিকা বেরিয়েছে সেখানে যে পার্ট নম্বর এবং সিরিয়াল নম্বর রয়েছে সেটাই হুবহু বসাতে হবে। তারপর শেষে নিজের নাম এবং ফোন নম্বর লিখে জমা দিতে হবে।

    ফর্ম ডাউনলোড করুন: ক্লিক করুন

  • ভোটের আগেই হাইকোর্টে জনস্বার্থে মামলা, কী দাবি?

    ভোটের আগেই হাইকোর্টে জনস্বার্থে মামলা, কী দাবি?

    সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: সামনেই বাংলায় বিধানসভা নির্বাচন। তবে তার আগে রক্তপাতহীন এবং সুষ্ঠু ভোটের দাবিতে কলকাতা হাইকোর্টে (Calcutta High Court) জনস্বার্থে মামলা দায়েরের আবেদন জানিয়েছেন এক আইনজীবী। আর তাঁর আবেদন গ্রহণ করেই মামলা করার অনুমতি দিয়েছে প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল এবং বিচারপতি পার্থসারথি সেনের ডিভিশন বেঞ্চ। কিন্তু ঠিক কী কী বললেন আইনজীবী?

    কী দাবি জানানো হল?

    মামলাকারীদের স্পষ্ট বক্তব্য, অতীতের নির্বাচনী হিংসার অভিজ্ঞতা রাজ্যের গণতান্ত্রিক পরিবেশকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছিল। তাই ভোটের আগেই সতর্কমূলক ব্যবস্থা নেওয়া সবথেকে জরুরী। এমনকি পিটিশনে একাধিক দাবি তোলা হয়েছে। প্রথমত, স্পর্শকাতর এবং অতি স্পর্শকাতর বুথগুলিতে পর্যাপ্ত পরিমাণে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়ন করতে হবে। দ্বিতীয়ত, প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে সিসিটিভি ক্যামেরা বসাতে হবে। তৃতীয়ত, বাধ্যতামূলকভাবে ভিডিওগ্রাফি করতে হবে। চতুর্থত, গোটা নির্বাচনী প্রক্রিয়ার উপর নজরদারির জন্য উচ্চপদস্থ প্রশাসনিক করমচারিদের নিয়ে একটি মনিটরী কমিটি গঠন করতে হবে। এছাড়াও রাজনৈতিক, সাম্প্রদায়িক এবং লিঙ্গভিত্তিক হিংসা নিস্পত্তির ব্যবস্থা নিতে হবে।

    এদিকে পিটিশনে ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনী পরবর্তী হিংসার ঘটনাগুলোর কথা তুলে ধরা হয়েছে। অভিযোগ উঠছে, ভোট পরবর্তী অশান্তিতে প্রাণহানি, অগ্নিসংযোগ, ভাঙচুর এবং ঘরছাড়া হওয়ার মতো একাধিক ঘটনা ঘটেছিল। আর সেই সময় বিষয়টি কলকাতা হাইকোর্টে পৌঁছয়। আদালতের নির্দেশে তদন্ত এবং নিরাপত্তা সংক্রান্ত পদক্ষেপ নেওয়াও হয়। কিন্তু পরবর্তী সময়ে বিচারপতির বেঞ্চ গুরুতর অভিযোগের ক্ষেত্রে সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দিয়েছিল।

    আরও পড়ুন: জঙ্গল মহলে শক্তিবৃদ্ধি বিজেপির, গেরুয়া শিবিরে যোগ কুড়মিদের প্রধান উপদেষ্টার

    এদিকে মামলাকারীর আইনজীবী বক্তব্য রাখেন, আদালতের তত্ত্বাবধান থাকলে প্রশাসন আরও সক্রিয়ভাবে কাজ করতে পারবে। আর ভোটাররা নির্ভয়ে ভোট দিতে পারবে। তিনি চেয়েছেন, ভোটার আগে যাতে সবকিছু ঝুঁকিপূর্ণভাবে হয় সেই দিকে নজরদারি বাড়ানো। সেই কারণেই হাইকোর্টের কাছে তাঁর এই আবেদন।

  • ERO, AERO-র বদান্যতায় বিচারাধীন বিশ্বকাপজয়ী রিচা ঘোষের নাম, জানিয়ে দিল কমিশন

    ERO, AERO-র বদান্যতায় বিচারাধীন বিশ্বকাপজয়ী রিচা ঘোষের নাম, জানিয়ে দিল কমিশন

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: প্রকাশিত চূড়ান্ত ভোটার তালিকায় মোট ভোটারের সংখ্যা ৬ কোটি ৪৪ লক্ষ ৫২ হাজার ৬০৯ জন। সেখানে প্রথম দফার আপাতত বাদ গিয়েছে ৫ লক্ষ ৪৬ হাজার ৫৩ জনের নাম। আর বিচারাধীন রয়েছে ৬০ লক্ষ ৬ হাজার ৬৭৫ জন ভোটারের নাম। আর সেই তালিকায় এবার নাম উঠে এল ক্রিকেটার রিচা ঘোষের (Richa Ghosh), যিনি কিনা বিশ্বকাপ জিতিয়ে দেশকে গর্বিত করেছেন। স্পষ্টভাবে দেখা যাচ্ছে তাঁর নাম অমীমাংসিতের তালিকায় রাখা। আর সেই নিয়ে একাধিক প্রশ্ন উঠতেই জবাব দিলেন নির্বাচন কমিশন।

    অমীমাংসিতের তালিকায় রিচা ঘোষের নাম

    রিপোর্ট মোতাবেক শিলিগুড়ির কলেজপাড়ার ৩০ নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা রিচা ঘোষ। বরাবর ওই ওয়ার্ডেরই বাসিন্দা তিনি। সেখানেই রিচা ভোট দেন। কিন্তু SIR এর চূড়ান্ত তালিকায় এবার রিচা ঘোষের নামের পাশে জ্বলজ্বল করছে আন্ডার অ্যাডজুডিকেশনের স্ট্যাম্প। শুধু রিচা নয়, তাঁর দিদি সোমাশ্রীর নামও অ্যাপ্রুভড তালিকায় নেই। এমনই দাবি করেছেন রিচার বাবা। যে ক্রিকেটার দেশের হয়ে খেলেছেন, যে ক্রিকেটার ভারতের হয়ে বিশ্বকাপ খেলেছেন, কাপ জিতিয়েছেন দেশকে, সেই রিচা ঘোষের নাম কীভাবে অমীমাংসিতের তালিকায় থাকতে পারে, সেই প্রশ্ন তুলে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা। তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় কটাক্ষ করে বলেন, তা হলে তো ভারতের বিশ্বকাপটাই বিচারাধীন। এরপরই মুখ খুলল নির্বাচন কমিশন।

    কমিশনের সাফাই

    অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সাংবাদিক বৈঠকের অনতিবিলম্বে সমাজমাধ্যমে রিচাকে নিয়ে একটি পোস্ট করেছে নির্বাচন কমিশন। সেখানে স্পষ্ট জানানো হয়েছে “ SIR এর খসড়া তালিকায় প্রথমে তাঁকে ‘আনম্যাপ্‌ড’ হিসাবে চিহ্নিত করা হয়েছিল। সেই সময় তাঁর পরিবর্তে এক আত্মীয় শুনানিতে উপস্থিত হন এবং প্রয়োজনীয় নথি জমা দেন। কিন্তু এখন দেখা যাচ্ছে, সংশ্লিষ্ট ইলেক্টোরাল রেজিস্ট্রেশন অফিসার অর্থাৎ ERO বা অ্যাসিস্ট্যান্ট ইলেক্টোরাল রেজিস্ট্রেশন অফিসার AERO বিষয়টি নিষ্পত্তি করেননি। তাই সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী, বিষয়টি বিচারকদের কাছে নিষ্পত্তির জন্য পাঠানো হয়েছে।” অর্থাৎ এই ঘটনায় ERO কিংবা AERO-কেই পরোক্ষেভাবে দায়ী করা হয়েছে কমিশনের তরফে।

    আরও পড়ুন: SIR মামলা শুনছেন যিনি, ভোটার লিস্টে সেই বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীর নামেই বিরাট ভুল

    প্রসঙ্গত, ভোটার লিস্টে যোগ্য তালিকায় মেয়ের নাম না ওঠে বেশ চিন্তিত রিচা ঘোষের বাবা মায়ের। এদিকে ২০০২-এর তালিকায় রিচার বাবা-মা দুজনেরই নাম রয়েছে। তাহলে কেন রিচার নাম অমীমাংসিতের তালিকায় রয়েছে, তা বুঝতে পারছেন না রিচার বাবা-মা। যদিও বলে রাখা প্রয়োজন, অমীমাংসিতের তালিকায় নাম থাকলেই যে তাঁর নাম বাদ হয়ে যাবে, তা একেবারেই নয়। অমীমাংসিত তালিকায় যাঁদের নাম রয়েছে, তাঁরা এখনও বিচারাধীন প্রক্রিয়ায় রয়েছেন। আর তাঁদের নথি খতিয়ে দেখছেন জুডিশিয়াল অফিসাররা। নথি যাচাইয়ের পর সাপ্লিমেন্টারি লিস্ট প্রকাশিত হবে।

  • ভোটের আগেই ঝটকা, বদলে গেল হুমায়ুন কবিরের দলের নাম! এবার কী হল?

    ভোটের আগেই ঝটকা, বদলে গেল হুমায়ুন কবিরের দলের নাম! এবার কী হল?

    সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: সামনেই বিধানসভা নির্বাচন। তার আগেই রাজনৈতিক দলগুলি একের পর এক চমক দিচ্ছে। তবে এবার বিরাট ধাক্কা খেল ভরতপুরের বিধায়ক হুমায়ুন কবীর (Humayun Kabir)। নির্বাচন কমিশনের আপত্তির জেরে নবগঠিত রাজনৈতিক দল জনতা উন্নয়ন পার্টির নাম বদলাতে বাধ্য হয়েছেন তিনি। কিন্তু নতুন নাম কী রাখা হল?

    কেন বদলাতে হল দলের নাম?

    রবিবার সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে হুমায়ুন কবীর স্পষ্ট জানিয়েছেন, তাঁর আগের দলের নাম জনতা উন্নয়ন পার্টি ইতিমধ্যেই অন্য আরেক রাজনৈতিক সংগঠন নির্বাচন কমিশনের কাছে নিবন্ধিত করে রেখেছে। তিনি বলেছেন, রুহুল আমিন নামের এক রাজনৈতিক নেতা একই নামে নির্বাচন কমিশনে দলের নাম জমা দিয়ে স্বীকৃতি পেয়েছেন। আর সম্প্রতি দিল্লি থেকে নির্বাচন কমিশনের তরফ থেকে চিঠি এসেছিল। সেখানে বিষয়টি স্পষ্ট করা হয়। এরপর দিল্লিতে গিয়ে আলোচনা করে নাম পরিবর্তন করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। জনতা উন্নয়ন পার্টির পরিবর্তে এখন দলের নতুন নামকরণ করা হচ্ছে “আম জনতা উন্নয়ন পার্টি”।

    হুমায়ুনের দাবি, খুব শীঘ্রই নির্বাচন কমিশনের কাছ থেকে নতুন দলের লোগো এবং প্রতীক পাওয়া যাবে। তিনি জানিয়েছেন, তাঁরা তাঁদের নতুন দলের সঙ্গে কয়েকটি ছোট রাজনৈতিক দলের জোট গড়ানোর কথাবার্তা চলছে। যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল মিম, এসডিপিআই এবং আজাদ সমাজ পার্টি। এছাড়াও রুহুল আমিনের দলকেও জোটে শামিল দেওয়ার প্রস্তাব জানিয়েছেন তিনি এমনটাই খবর।

    আরও পড়ুন: মমতার বিরুদ্ধে হবে ভোটে লড়াই, ভবানীপুরে বিরাট কাজ করলেন শুভেন্দু

    জেনে রাখা ভাল, ধর্মের নামে রাজনীতি করার অভিযোগ তুলে গত বছরের শেষ দিকে হুমায়ুন কবীরকে তৃণমূল কংগ্রেস তাঁদের দল থেকে বহিষ্কৃত করেছিল। তারপর তিনি নিজস্ব রাজনৈতিক দল গঠনের ঘোষণা করেন এবং জনতা উন্নয়ন পার্টি নামে সংগঠন প্রতিষ্ঠা করেন। সম্প্রতি নির্বাচন কমিশনের কাছে প্রতীকের জন্য আবেদন করা হয়েছিল। কিন্তু নাম নিয়ে জটিলতার কারণে এবার তা বদলাতে বাধ্য হলেন ভরতপুরের বিধায়ক।

  • ভোটার তালিকা থেকে ৬৪ লক্ষ নাম বাদ, ৬ মার্চ ধর্মতলায় ধর্নায় বসবেন মমতা

    ভোটার তালিকা থেকে ৬৪ লক্ষ নাম বাদ, ৬ মার্চ ধর্মতলায় ধর্নায় বসবেন মমতা

    সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: এসআইআর এর চূড়ান্ত তালিকায় প্রায় ৬৪ লক্ষ নাম বাদ পড়ার অভিযোগে এবার রাজনৈতিক উত্তাপ আরও বাড়ল। নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে সরব হয়ে আগামী ৬ মার্চ ধর্মতলার মেট্রো চ্যানেলে ধর্নায় বসবেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। রবিবার সাংবাদিক বৈঠকে এই কর্মসূচির কথা জানিয়েছেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।

    কেন এই আন্দোলন?

    আসলে গত বছরের ২৭ অক্টোবর রাজ্য এসআইআর প্রক্রিয়া শুরু হয়েছিল। তখন থেকেই শাসক দল অভিযোগ করছে, ইচ্ছাকৃতভাবেই বহু ভোটারের নাম বাদ দেওয়ার চেষ্টা চলছে। তৃণমূলের স্পষ্ট দাবি, চূড়ান্ত তালিকায় প্রায় ৬৪ লক্ষ ভোটারের নাম বাদ পড়েছে, যা কিনা ভোটমুখী বাংলায় বেশ আতঙ্কের পরিবেশ সৃষ্টি করতে পারে। সেই কারণেই এই ধর্নার কর্মসূচি। এর আগে ৪ নভেম্বর দক্ষিণ কলকাতায় বিশাল মিছিল করেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিষয়টি নিয়ে দিল্লিতেও একাধিকবার সরব হয়েছে তিনি। আর মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের সঙ্গে বৈঠকে করেছেন মমতা এবং অভিষেক।

    আরও পড়ুন: হোলির ৪ দিন বন্ধ থাকবে হাওড়ার পুরনো ক্যাব রোড! বিকল্প উপায় কী?

    এদিকে রবিবার সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ করেছেন। তাঁর অভিযোগ, নির্দিষ্ট রাজনৈতিক লক্ষ্য পূরণের জন্যই বিপুল সংখ্যক নাম বাদ দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেছেন, এত বিপুল সংখ্যক মানুষের নাম অ্যাডজুডিকেশন লিস্টে রেখে ভোট হলে তা অমীমাংস থেকে যেতে পারে। সরাসরি মুখ্য নির্বাচন কমিশনারকে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে তিনি বলেছেন, প্রয়োজনে তাঁর বিরুদ্ধে মামলাও করা হবে। সেই মামলা লড়েই তিনি সমস্ত তথ্য প্রকাশ্যে আনার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। এমনকি যাদের নাম বাদ পড়েছে তাদের ৬ নম্বর ফর্ম পূরণ করতেও পরামর্শ দেন অভিষেক।

  • চূড়ান্ত তালিকায় নামের পাশে “DELETED” দেখাচ্ছে? কী করবেন জেনে নিন

    চূড়ান্ত তালিকায় নামের পাশে “DELETED” দেখাচ্ছে? কী করবেন জেনে নিন

    সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন বা এসআইআর প্রক্রিয়া শেষে চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করেছে নির্বাচন কমিশন (SIR In Bengal)। তালিকা প্রকাশের পরে বিভিন্ন কেন্দ্র থেকে বহু নাম বাদ পড়ার খবর সামনে আসছে। সূত্র মারফৎ খবর, রাজ্যজুড়ে প্রায় ৬৫ লক্ষ নাম বাদ পড়েছে। আর কলকাতার ভবানীপুর কেন্দ্রেও বহু নাম বাদ গিয়েছে। খসড়া তালিকায় সেখানে প্রায় ৪৪,৭৮৬ জনের নাম বাদ পড়েছিল। আর চূড়ান্ত তালিকায় আরও যুক্ত হয়েছে ২৩২৪ জনের নাম। তবে সবথেকে বড় সমস্যা, জীবিত থাকা সত্ত্বেও অনেকের নামের পাশে “DELETED” দেখাচ্ছে। এক্ষেত্রে কী করবেন?

    কেন ডিলিট হতে পারে নাম?

    আসলে এসআইআর প্রক্রিয়ায় সাধারণত মৃত ভোটারদের নাম বাদ দেওয়া হয়েছে। আর অন্যত্র স্থানান্তরিত ভোটারদের নাম মুছে দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি একই নাম একাধিক জায়গায় থাকলে সেগুলিকে সংশোধন করে “DELETED” লেখা হয়েছে। কিন্তু কখনো কখনো ভুলবশত বা প্রযুক্তিগত ত্রুটির কারণেও জীবিত ভোটারদের নাম বাদ পড়ে যেতে পারে।

    নাম ডিলিট হলে কী করবেন?

    জীবিত থাকা সত্ত্বেও যদি আপনার নাম চূড়ান্ত ভোটার তালিকায় ডিলিট দেখায়, তাহলে চিন্তা করার কোনও কারণ নেই। কারণ, নির্দিষ্ট আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই তা সংশোধন করে নিতে পারবেন। এর জন্য আপনি ডিইও-র কাছে আবেদন করতে পারবেন। সেক্ষেত্রে তালিকা প্রকাশের ১৫ দিনের মধ্যেই সংশ্লিষ্ট জেলার ডিস্ট্রিক্ট ইলেকশন অফিসারের কাছে লিখিত আবেদন জানাতে হবে। আর প্রয়োজনে পরিচয়ের প্রমাণপত্র দিতে হবে। আর যদি সে আপনার আবেদন খারিজ করে দেয়, সেক্ষেত্রে পরবর্তী ১৫ দিনের মধ্যে রাজ্যের চিফ ইলেক্টোরাল অফিসারের কাছে আপিল করতে পারবেন।

    আরও পড়ুন: মাসের প্রথম দিনে সোনা, রুপোর দামে মহা পরিবর্তন! আজকের রেট

    অনলাইনেও করা যাবে আবেদন

    এদিকে নির্বাচন কমিশনের সরকারি পোর্টাল voters.eci.gov.in এবং electoralsearch.eci.gov.in এ সরাসরি আপনি আবেদন করতে পারবেন। সেক্ষেত্রে আপনার এপিক নম্বর ব্যবহার করে নিজের তথ্য যাচাই করতে হবে। তারপর প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট আপলোড করতে হবে। এমনকি সংশ্লিষ্ট বুথ লেভেল অফিসার বা বিএলও-র যোগাযোগের তথ্য আপনি সেখান থেকে পেয়ে যাবেন। এছাড়াও সরাসরি বিএলও-র মাধ্যমে আবেদন করতে পারবেন। তবে যদি আপিল প্রক্রিয়াতেও সমাধান না হয়, সেক্ষেত্রে ৬ নম্বর ফর্ম জমা দিয়ে নতুন করে ভোটার হিসেবে নাম অন্তর্ভুক্তির আবেদন করতে হবে। ১৮ বছর পূর্ণ হলেই আবেদন করা সম্ভব।