Tag: Election Commission

  • আজই বাংলা সহ ৫ রাজ্যের বিধানসভা ভোটের দিন ঘোষণা! বিকেলে বৈঠক কমিশনের

    আজই বাংলা সহ ৫ রাজ্যের বিধানসভা ভোটের দিন ঘোষণা! বিকেলে বৈঠক কমিশনের

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ সকল প্রতীক্ষার অবসান, আজ রবিবাসরীয় বিকেলে ঘোষণা হবে ৫ রাজ্যের ভোটের নির্ঘন্ট (Bengal Election 2026)। নির্বাচন কমিশন সূত্রে খবর, আজ পশ্চিমবঙ্গ, আসাম সহ মোট ৫ রাজ্যের নির্বাচনের দিনক্ষণ ঘোষণা হতে পারে। আরও বিশদে জানতে চোখ রাখুন আজকের এই প্রতিবেদনটির ওপর।

    আজ ৫ রাজ্যের ভোটের দিনক্ষণ ঘোষণা করবে কমিশন!

    সূত্রের খবর, আজ বিকেল ৪টের সময়ে দিল্লির বিজ্ঞান ভবনে একটি সাংবাদিক সম্মেলন ডাকা হয়েছে। সেখানেই ভারতীয় নির্বাচন কমিশন বাংলা, আসাম, কেরালা, তামিলনাড়ু এবং পুদুচেরিতে নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করবে বলে আশা করা হচ্ছে। নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, আসাম বিধানসভার মেয়াদ ২০ মে, কেরালা ২৩ মে, তামিলনাড়ু ১০ মে, পশ্চিমবঙ্গ ৭ মে এবং পুদুচেরির ১৫ জুন শেষ হচ্ছে। এর অর্থ হল, পাঁচটি রাজ্যেরই নির্বাচন ৭ মে-এর আগেই শেষ হতে পারে। যদিও যতক্ষণ না নির্ঘন্ট প্রকাশ পাচ্ছে কিছু বলা সম্ভব নয়। সংবাদ সম্মেলনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার, নির্বাচন কমিশনার সুখবীর সিং সান্ধু এবং বিবেক যোশী উপস্থিত থাকবেন।

    বাংলায় কত দফায় ভোট?

    বর্তমান সময়ে একটি প্রশ্ন বারবার উঠছে, বিশেষ করে বাংলায় কত দফায় ভোট হতে পারে? সূত্রের খবর, নির্বাচন কমিশন এবার কম দফায় ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার কথা বিবেচনা করছে। তারিখ ঘোষণার সাথে সাথেই এই সমস্ত রাজ্যে আদর্শ আচরণবিধি কার্যকর হবে। ২০২১ সালের নির্বাচনের তুলনায় এবার ভোটগ্রহণের দফার সংখ্যা কম হবে বলে আশা করা হচ্ছে। ২০২১ সালে পশ্চিমবঙ্গে আট দফায় ভোটগ্রহণ হয়েছিল, কিন্তু এবার সংখ্যা কমাতে কেন্দ্রীয় বাহিনীর মোতায়েন উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি করা হবে। বিশেষ করে পশ্চিমবঙ্গে, সুষ্ঠু ও হিংসামুক্ত নির্বাচন নিশ্চিত করার জন্য কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে বলে খবর।

    সূত্রের খবর, বাংলায় ৩ দফায় ভোট হতে পারে। ২ দফায় দক্ষিণবঙ্গে এবং উত্তরবঙ্গে ১ দফায়। কলকাতা, হাওড়া, দুই ২৪ পরগনা, হুগলি, নদিয়ায় ভোট হতে পারে একসঙ্গে। মুর্শিদাবাদ, বীরভূম, পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান, বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, দুই মেদিনীপুর ও ঝাড়গ্রামে একসঙ্গে ভোট হতে পারে। অন্যদিকে অশান্তি প্রবণ কিছু জেলা যেমন মুর্শিদাবাদ, মালদহ, বীরভূম, কোচবিহারে কড়া নজর থাকছে কমিশনের।

    আরও পড়ুনঃ এরা পাবেন না গ্যাস সিলিন্ডার! নয়া বিধি নিষেধ আরোপ কেন্দ্রের

    সম্প্রতি, মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের নেতৃত্বে কমিশনের একটি উচ্চ পর্যায়ের দল কলকাতা সফর করে গিয়েছে। এই সফরের প্রাথমিক উদ্দেশ্য ছিল রাজ্যে শান্তিপূর্ণ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য বাস্তবতা মূল্যায়ন করা। সফরকালে প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের সাথে নির্বাচন কমিশনার ডঃ সুখবীর সিং সান্ধু এবং ডঃ বিনীত যোশী ছিলেন।

     

  • জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে ১৯৩ সাংসদের স্বাক্ষর, সরানো সম্ভব নির্বাচন কমিশনারকে?

    জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে ১৯৩ সাংসদের স্বাক্ষর, সরানো সম্ভব নির্বাচন কমিশনারকে?

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: ২৬ এর বিধানসভা নির্বাচনকে (West Bengal Election 2026) ঘিরে উত্তপ্ত পরিস্থিতি রাজ্য রাজনীতিতে। আর এমন পরিস্থিতিতে মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের পদ থেকে জ্ঞানেশ কুমারকে (CEC Gyanesh Kumar) সরাতে উঠে পড়ে লেগেছে বিরোধীরা। জানা গিয়েছে, আজ সংসদে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে ইমপিচমেন্ট প্রস্তাব পেশ করলেন ইন্ডিয়া জোটের বিরোধীরা। প্রশ্ন উঠছে তবে কি বিধানসভা নির্বাচনের আগেই বিদায় ঘন্টা বাজবে জ্ঞানেশ কুমারের।

    জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে নোটিস বিরোধীদের

    সূত্রের খবর, প্রস্তাবে মোট ১৯৩ জন বিরোধী সাংসদ সই করেছেন। তাঁদের মধ্যে লোকসভার সাংসদ রয়েছেন ১৩০ জন। রাজ্যসভার সাংসদ রয়েছেন ৬৩ জন। আর উল্লেখযোগ্য বিষয় হল সাংসদদের অধিকাংশ ‘ইন্ডিয়া’-র সদস্য। তবে ওই বিরোধী শিবিরের অংশ না হয়েও আম আদমি পার্টির সাংসদেরা মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশের অপসারণ চেয়ে সই করেছেন। বেশ কয়েক জন নির্দল সাংসদও নোটিসে সই করেছেন। অবাক করা বিষয় হল সংসদীয় ইতিহাসে এই প্রথম এই প্রথম কোনও মুখ্য নির্বাচন কমিশনারকে সরাতে সংসদের দুই কক্ষে প্রস্তাব জমা পড়ল।

    উঠে এসেছে একাধিক অভিযোগ!

    শুরু থেকেই জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে পশ্চিমবঙ্গ-সহ বেশ কিছু অবিজেপিশাসিত রাজ্যে একাধিক বার পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ উঠেছে। তিনি বিজেপিকে সুবিধা পাইয়ে দিচ্ছেন বলে অভিযোগ ওঠে। তাই এবার তাঁকে অপসারণের জন্য সংসদে জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে ৭টি অভিযোগ আনা হয়েছে। অভিযোগের মধ্যে রয়েছে মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের বিরুদ্ধে পক্ষপাতদুষ্ট বা বৈষম্যমূলক আচরণ। এছাড়া, নির্বাচনী জালিয়াতির তদন্তে ইচ্ছাকৃতভাবে বাধা প্রদানের অভিযোগ উঠেছে। পাশাপাশি বিপুল সংখ্যার ভোটারদের ভোট দেওয়ার অধিকার থেকে বঞ্চিত করারও অভিযোগ উঠেছে নির্বাচন কমিশনারের বিরুদ্ধে।

    আরও পড়ুন: ৫টি পিছিয়ে পড়া সম্প্রদায়ের জন্য নয়া উন্নয়ন পর্ষদ গঠনের ঘোষণা নবান্নের

    সরানো সম্ভব নির্বাচন কমিশনারকে?

    উল্লেখ্য, দেশের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিককে অপসারণের পদ্ধতি সুপ্রিম কোর্ট বা হাই কোর্টের বিচারপতিকে অপসারণের মতোই। আসলে ভারতীয় সংবিধানের ৩২৪(৫) অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে সুপ্রিম কোর্টের কোনও বিচারপতিকে যে কারণে ও যে প্রক্রিয়ায় সরানো যায়, সেই একই প্রক্রিয়ায় কোনও মুখ্য নির্বাচন কমিশনারকে সরাতে হয়। সেক্ষেত্রে প্রেসিডেন্ট বা রাষ্ট্রপতির অর্ডার দরকার। এছাড়াও বিচারপতিকে সরাতে হলে সংসদের দুই কক্ষে দুই-তৃতীয়াংশ সদস্যের উপস্থিতিতে ভোটাভুটি করতে হবে। তারপরই রাষ্ট্রপতি সিদ্ধান্ত নেন। আজ সেই মতো নোটিস জমা দেওয়া হয়েছে। এখন দেখার এর ফলাফল কী হয়।

  • বাংলায় SIR তালিকা থেকে বাদ কত সংখ্যালঘুর নাম? রিপোর্টে চাঞ্চল্য

    বাংলায় SIR তালিকা থেকে বাদ কত সংখ্যালঘুর নাম? রিপোর্টে চাঞ্চল্য

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ সকল অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে প্রকাশ পেয়েছে SIR-এর চূড়ান্ত তালিকা। পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা ভোটের প্রাক্কালে গতকাল শনিবার নির্বাচন কমিশনের তরফে চূড়ান্ত তালিকা (SIR In Bengal) প্রকাশ করা হয়েছে। এদিকে এই তালিকা প্রকাশ পেতেই চক্ষু চড়কগাছ হয়েছে সকলের। নাম বাদ পড়েছে কয়েক লক্ষ মানুষের। সাড়ে ৬৩ লক্ষেরও বেশি নাম বাদ গিয়েছে। তবে চাপ নেই, নাম বাদ গেলেও পুনরায় আবেদন কয়রা যাবে বলে খবর। যদিও আজ কথা হবে, এবারের তালিকা থেকে কতজন সংখ্যালঘুর নাম বাদ গেল সে বিষয়ে। তাহলে চলুন বিশদে জেনে নেওয়া যাক।

    কতজন সংখ্যালঘুর নাম বাদ গেল?

    মুখ্য নির্বাচন কর্মকর্তা মনোজ কুমার আগরওয়াল এক সংবাদ সম্মেলনে জানিয়েছেন যে এসআইআর-এর পরে রাজ্যে মোট ভোটারের সংখ্যা ৭০,৪৫৯,২৮৪। তিনি আরও জানিয়েছেন যে বাংলায় ৬০ লক্ষেরও বেশি মানুষ এখনও বিচারাধীন বিভাগে রয়েছেন। তবে, এসআইআর-এর পরে প্রস্তুত ভোটার তালিকায় তাদের নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। তিনি আরও জানিয়েছেন যে রাজ্যে এসআইআর প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার পর থেকে প্রায় ৬৬ লক্ষ নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। যাইহোক, এদিকে মালদা থেকে মুর্শিদাবাদ, দক্ষিণ ২৪ পরগনার মতো মুসলিম অধ্যুষিত এলাকাগুলি বছরের পর বছর ধরে নির্বাচনে বড় ভূমিকা পালন করে আসছে। কিন্তু এবারে SIR-এর চূড়ান্ত তালিকা থেকে বহু জনের নাম বাদ পড়েছে। সেই রিপোর্টই এখন সামনে এসেছে।

    রিপোর্টে চাঞ্চল্য

    এক রিপোর্ট অনুযায়ী, মালদায় খসড়া তালিকায় ২ লক্ষ ১ হাজার ৮৭৩ জনের নাম বাদ গিয়েছিল। চূড়ান্ত তালিকায় সংখ্যাটা ২ লক্ষ ২০ হাজার ১৫৩। সেই অনুযায়ী বিচার করলে আরও ১৮ হাজার ২৮০ নাম বাদ গিয়েছে। অন্যদিকে মুর্শিদাবাদে খসড়া তালিকায় নাম বাদ গিয়েছিল ২ লক্ষ ৭৮ হাজার জনের। আর চূড়ান্ত তালিকায় বাদ গেল আরও ১৪ হাজার ৯৮৫ নাম, সব মিলিয়ে প্রায় ২ লক্ষ ৯৩ হাজার। জেলায় খসড়া তালিকায় নাম বাদ গিয়েছিল ৭ লক্ষ ৯২ হাজারের উপর। চূড়ান্ত তালিকায় দেখা গেল নাম বাদ গেছে আরও ১ লক্ষ ৪২ হাজার ২৯৭ জনের।

    আরও পড়ুনঃ মাসের প্রথম দিনে সোনা, রুপোর দামে মহা পরিবর্তন! আজকের রেট

    আবার দক্ষিণ ২৪ পরগনায় খসড়া তালিকায় ৮লক্ষ ১৮ হাজার ৪৩২ ভোটারের নাম বাদ গিয়েছিল, শনিবারের চূড়ান্ত তালিকায় দেখা গেল ৮৭ হাজার ৫৪৮ জন ভোটারের নাম বাদ গিয়েছে। এ নিয়ে বড় মন্তব্য করেছেন তৃণমূল নেতা ফিরহাদ হাকিম। তাঁর বক্তব্য, “ওরা যতই ফন্দি করুক, অমিত শাহ যতই মুর্শিদাবাদকে ভয় পান, যতই বাঙালি ভোটার কাটুন, বাংলাকে কাটাতে পারবে না। আমরা কেউ অনুপ্রবেশকারী নই, আমরা কেউ রোহিঙ্গা নই।”