Tag: Diesel Fuel

  • পেট্রোলের পর এবার দাম বাড়ল ডিজেলের! জানুন নতুন রেট

    পেট্রোলের পর এবার দাম বাড়ল ডিজেলের! জানুন নতুন রেট

    সহেলি মিত্র, নয়াদিল্লিঃ পেট্রোলের পর এবার দাম বাড়ল ডিজেলের (Diesel Price)। হ্যাঁ একদম ঠিক শুনেছেন। একদিকে যখন এলপিজি নিয়ে সমগ্র দেশে হাহাকার পড়ে গিয়েছে, অন্যদিকে গাড়ি ভাড়া থেকে শুরু করে অটো ভাড়া বাড়ছে, তখন এবার গোঁদের ওপর বিষফোঁড়া হল ডিজেলও। এবার আরও দাম দিয়ে সকলকে ডিজেল কিনতে হবে। কত টাকা বাড়ল? কবে থেকে নতুন দাম লাগু হবে? চলুন বিশদে জেনে নেওয়া যাক।

    দাম বাড়ল ডিজেলের!

    জানা গিয়েছে, এবার লিটার প্রতি ডিজেলের দাম বাড়ল ২২.০৩ টাকা। তবে এখানে চমক রয়েছে। সাধারণ ডিজেলের দাম কিন্তু বৃদ্ধি পায়নি। মূলত শিল্পক্ষেত্রে যে ডিজেল (Industrial Diesel) ব্যবহার করা হয় সেটার দাম বেড়েছে। সরকার জানিয়েছে, শিল্পক্ষেত্রে ব্যবহৃত ডিজেলের দাম এখন লিটার প্রতি ২২.০৩ টাকা বেড়েছে। দাম লিটার প্রতি ৮৭.৫৭ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১০৯.৫৯ টাকা করা হয়েছে। ইন্ডিয়ান অয়েল কর্পোরেশন (আইওসি) শিল্পক্ষেত্রে ব্যবহৃত ডিজেলের দাম লিটার প্রতি ৮৭.৬৭ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১০৯.৫৯ টাকা করেছে।

    এদিকে শিল্পক্ষেত্রে ব্যবহৃত ডিজেলের দাম লিটার প্রতি ২২ টাকা বৃদ্ধির ফলে শিল্প, পরিবহন এবং বিদ্যুৎ উৎপাদন খরচ প্রভাবিত হবে। অর্থাৎ আগামী দিনে আরও চাপ বাড়তে চলেছে সাধারণ মানুষের ওপর। যদিও শিল্পক্ষেত্রে ব্যবহৃত ডিজেল সাধারণ যানবাহনে ব্যবহৃত না হলেও চাপ থাকবেই। ভাবছেন আপনার জীবনে এর প্রভাব পড়বে না? সেগুরে বালি। মূল্যবৃদ্ধি দৈনন্দিন জীবনে অবশ্যই প্রভাব ফেলবে। এতে কোম্পানিগুলোর খরচ বাড়বে এবং পরবর্তীকালে এই বোঝা সাধারণ ভোক্তাদের ওপর বর্তাতে পারে।

    শিল্পক্ষেত্রে ব্যবহৃত ডিজেল কী?

    এখন আপনিও নিশ্চয়ই ভাবছেন, এটা আবার কেমন ধরণের ডিজেল? তাহলে জানিয়ে রাখি, শিল্পক্ষেত্রে ব্যবহৃত ডিজেল সাধারণ যানবাহনে ব্যবহার করা হয় না। বরং কারখানা ও শিল্পকারখানায় শিল্প কার্যক্রমের জন্য ব্যবহৃত হয়। এটি শিল্প বা বাল্ক ডিজেল হিসাবে বিক্রি করা হয়। এই ডিজেলে কোনো ভর্তুকি দেওয়া হয় না। শিল্প ডিজেল কারখানা, শপিং মল, ডেটা সেন্টার এবং বড় বড় বাড়িতে ব্যবহৃত হয়, যেগুলো বিদ্যুৎ বিভ্রাটের সময় বড় জেনারেটরের সাহায্যে চলে। শিল্প ডিজেল জেসিবি, বুলডোজার এবং অবকাঠামো প্রকল্পে ব্যবহৃত ভারী যন্ত্রপাতিতে ব্যবহার করা হয়। উল্লেখ্য, তেল বিপণনকারী সংস্থাগুলোও স্পিড এবং পাওয়ারের মতো প্রিমিয়াম পেট্রোল ভ্যারিয়েন্টের দাম লিটার প্রতি ২.০৯ টাকা বাড়িয়েছে।

  • লিটারে ২ টাকা বাড়ল পেট্রোলের দাম! আজ থেকেই কার্যকর নয়া রেট

    লিটারে ২ টাকা বাড়ল পেট্রোলের দাম! আজ থেকেই কার্যকর নয়া রেট

    সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: পশ্চিম এশিয়ায় চলা যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে আবারও বিরাট ধাক্কা খেল ভারত। বিশ্ববাজারে জ্বালানি সংকটের মাঝেই লাগল ধাক্কা। আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম ব্যারেল প্রতি ১০০ ডলারের গণ্ডি পার হতেই দেশের বাজারে হাহাকার। জ্বালানির দাম দিনের পর দিন বাড়ছে। আর তেল বিপণন সংস্থাগুলি আজ থেকেই প্রিমিয়াম পেট্রোলের দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিল (Petrol Price Hike)। কতটা বাড়ল এবার দাম?

    দেশজুড়ে বাড়ল পেট্রোলের দাম

    তেল বিপণন সংস্থাগুলির ঘোষণা অনুযায়ী, সাধারণ পেট্রোলের দাম এখনই বাড়ছে না। কিন্তু হ্যাঁ, বিভিন্ন ব্র্যান্ডের প্রিমিয়াম পেট্রোলের দাম বাড়ানো হয়েছে। আর এবার প্রতি লিটারে ২.০৯ টাকা দাম বাড়ানো হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে বিপিসিএল-এর ‘স্পিড’, এইচপিসিএল-এর ‘পাওয়ার’ এবং আইওসিএল-এর ‘এক্সপি ৯৫’ এর মতো উন্নত মানের সব জ্বালানি। বিশেষ করে উন্নত ইঞ্জিন পারফরমেন্স এবং বেশি মাইলেজের জন্য ব্যবহার করা হয় এই জ্বালানি। তবে দাম বাড়ার কারনে বিলাসবহুল গাড়ি বা স্পোর্টস বাইক ব্যবহারকারীদের পকেটে যে আরও চাপ পড়বে তা বলার অপেক্ষা রাখে না।

    এদিকে ইরান সহ পশ্চিম এশিয়ার দেশগুলির মধ্যে দিনের পর দিন সংঘাত বেড়েই চলেছে। যার ফলে বাজারে অনিশ্চয়তা আরও বাড়ছে। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালী দিয়ে তেলবাহী জাহাজ চলাচলে বাধা সৃষ্টি হওয়ার কারণে বিশ্ব বাজারে তেলের দাম এখন আকাশছোঁয়া। তার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ইউরোপীয় দেশগুলি স্বাভাবিক রাখার চেষ্টা করলেও অপরিশোধিত তেলের দাম আপাতত ১০০ ডলারের কাছাকাছি ঘোরাফেরা করছে।

    আরও পড়ুন: সর্বকালের সর্বনিম্ন স্তরে ভারতীয় রুপি! এবার ১০০-র গন্ডি টপকানোর পালা?

    সাধারণ পেট্রোল-ডিজেলের দাম কি বাড়বে?

    বলাবাহুল্য, বর্তমানে কেবল প্রিমিয়াম বা ব্র্যান্ডেড জ্বালানির দাম বাড়ানো হলেও সাধারণ মানুষ বা ডিলারদের কপালে পড়ছে চিন্তার ভাঁজ। কারণ, বিশেষজ্ঞরা আশঙ্কা করছে, আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম যদি এই হারে বাড়তে থাকে, তাহলে খুব শীঘ্রই সাধারণ পেট্রোল বা ডিজেলের দামও বাড়ানো হতে পারে। আর তেমনটা হলে নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসের দাম আরও বাড়ার আশঙ্কা থাকছে।

  • ব্যারেল প্রতি ১৩৭ ডলার! হরমুজ সংকটে এপ্রিলে পেট্রোল-ডিজেলের দাম বাড়তে পারে ভারতে

    ব্যারেল প্রতি ১৩৭ ডলার! হরমুজ সংকটে এপ্রিলে পেট্রোল-ডিজেলের দাম বাড়তে পারে ভারতে

    সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধের (Middle East War) কারণে দিনের পর দিন দেশের অর্থনীতির উপর প্রভাব পড়ছে। শোনা যাচ্ছে, আগামী ৩১ মার্চের পর নাকি পেট্রোল-ডিজেলের দাম বাড়বে! হ্যাঁ, ইতিমধ্যে আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম ঊর্ধ্বগতিতে ঠেকেছে। জানা যাচ্ছে, যুদ্ধ শুরু হওয়ার আগে যেখানে এই তেলের দাম ছিল ৭০.৯ ডলার, সেখানে শুক্রবার তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৩৬.৫৬ ডলার। অর্থাৎ, ভারতীয় শোধনাগারগুলির জন্য এই অপরিশোধিত তেলের দাম প্রায় ৯৩ শতাংশ পর্যন্ত ঊর্ধ্বগতিতে ঠেকেছে। সেই সূত্রে আঁচ করা হচ্ছে যে, পেট্রোল-ডিজেলের দামও এবার অনেকটাই বাড়বে (Petrol-Diesel Price Hike)।

    ভারতে বাড়বে জ্বালানির দাম

    বেশ কিছু বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন যে, বাজেট লক্ষ্যমাত্রা আর আর্থিক ভারসাম্যের উপর নজর রেখেই আগামী ৩১ মার্চ সরকার তেলের দামের মূল্যবৃদ্ধি করতে পারে। তবে হ্যাঁ, যেহেতু বাংলা সহ মোট পাঁচটি রাজ্যে আসন্ন বিধানসভা নির্বাচন, তাই এই রাজ্যগুলিতে ২৯ এপ্রিল পর্যন্ত মূল্যবৃদ্ধির সম্ভাবনা খুবই কম। তবে তারপর দাম বাড়তে পারে।

    বলে দিই, গত ২৬ ফেব্রুয়ারি ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ছিল ব্যারেল প্রতি ৭০.৯ ডলার। আর ১২ মার্চ সেই দাম দাঁড়ায় ১৮৭.২ ডলার। এমনকি গত শুক্রবার সেই দাম পৌঁছে গিয়েছে এক্কেবারে ১৩৬.৫ ডলারে। যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ৪০ শতাংশের বেশি আর ইউরালস ক্রুডের দাম প্রায় ৫০ শতাংশের বেশি বেড়েছে। আসলে ইরানের সমুদ্রপথ হরমুজ প্রণালী বন্ধ করে দেওয়ার কারণে বিশ্বের ২০ শতাংশ তেল আর গ্যাস সরবরাহ কমে গিয়েছে। আর এই সংকটের কারণেই আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম বাড়ছে। যেহেতু ভারতের মোট জ্বালানির প্রায় ৬০% এই পথ দিয়ে আসে, সেই কারণেই পড়ছে প্রভাব।

    এদিকে এও বলে রাখি, ভারত দীর্ঘদিন ধরেই রাশিয়ায় রাশিয়া থেকে অল্প দামে তেল কিনে আসছে। কিন্তু সম্প্রতি রাশিয়ার ইউরালস ক্রুডের দাম ৫০ শতাংশের বেশি বেড়েছে। সেই কারণেই আরও চাপ বাড়ছে। এ বিষয়ে অর্থনীতিবিদ বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যদি অপরিশোধিত তেলের দাম সারা বছর প্রায় ১০০ ডলারের কাছাকাছি থাকে, তাহলে ভারতের আমদানি ব্যয় বেড়ে ৮০ বিলিয়ন ডলারের পৌঁছবে। এমনকি ২০২৬ সালে অপরিশোধিত তেলের গড় মূল্য ৮৫ ডলার থাকলে বৈশ্বিক প্রবৃদ্ধি ০.৩ থেকে ০.৪ শতাংশ কমে যেতে পারে, আর মুদ্রাস্ফীতি বাড়তে পারে ০.৬০%।

    আরও পড়ুন: পরিচারিকাতে ভরসা বিজেপির, আউশ গ্রামের পদ্মের প্রার্থী কলিতা মাজির নাম বিচারাধীন

    এখন বিশেষজ্ঞদের একটাই বক্তব্য, হরমুজ প্রণালী দিয়ে যতদিন না পর্যন্ত তৈলবাহী জাহাজগুলি সাধারণভাবে চলাচল করতে পারছে, ততদিন বাজারে এই অস্থিরতা বজায় থাকবে এবং ভারতীয় ভোক্তাদের উপরে প্রভাব পড়বে। এমনকি পশ্চিম এশিয়ার পরিস্থিতির কারণে বাণিজ্যের ক্ষেত্রেও দেখা যাচ্ছে চ্যালেঞ্জ। ফেব্রুয়ারি মাসের আমদানি-রফতানির পরিসংখ্যানেও দেখা গিয়েছে আমূল পরিবর্তন। হ্যাঁ, আমদানি ২৪.১১% বেড়ে ৬৩.৭১ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে। আর বাণিজ্য ঘাটতি দাঁড়িয়েছে ২৭.১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। এখন দেখার, পেট্রোল-ডিজেলের দামের উপর কোনও প্রভাব পড়ে কিনা, আর এই পরিস্থিতি নয়াদিল্লি কীভাবে সামাল দেয়।

  • ভারত থেকে আরও ৪৫ হাজার টন ডিজেল কিনবে বাংলাদেশ

    ভারত থেকে আরও ৪৫ হাজার টন ডিজেল কিনবে বাংলাদেশ

    সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: সেই প্রতিবেশী দেশই ভরসা। সংকটের মুখে আবারো ভারত থেকে ডিজেল আমদানি করবে বাংলাদেশ (Bangladesh Import Diesel)। ইতিমধ্যেই ৫ হাজার টন ডিজেল বাংলাদেশে পাঠিয়েছে ভারত (India-Bangladesh Trade)। আর এবার আরও ৪৫ হাজার টন ডিজেল আমদানি করার পথে ওপার বাংলা সরকার। সম্প্রতি বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশনের জেনারেল ম্যানেজার মোহম্মদ মুরশিদ হোসেন আজাদ ফোনে সংবাদমাধ্যম এএনআইকে নিজেই এ কথা জানিয়েছেন। তাহলে আবারও উন্নত হচ্ছে দুই দেশের সম্পর্ক?

    বাংলাদেশে ফের ৪৫ হাজার টন ডিজেল আমদানি

    ওই কর্মকর্তা জানিয়েছেন, আগামী ১৮ বা ১৯ মার্চের মধ্যে ভারত থেকে ৫ হাজার টন ডিজেল বাংলাদেশে যাবে এবং আরও অতিরিক্ত ৪০ হাজার টন ডিজেল আমদানির প্রস্তাব রয়েছে। অর্থাৎ সবমিলিয়ে মোট ৪৫ হাজার টন ডিজেল নেবে বাংলাদেশ। তবে তার জন্য কিছু প্রক্রিয়াগত কাজ রয়েছে। সেগুলো সম্পন্ন হলেই এই বিপুল পরিমাণ তেল এপ্রিল মাসের মধ্যে ওপার বাংলায় পৌঁছবে। এক্ষেত্রে জানিয়ে রাখি, দুই দেশের মধ্যে ডিজেল সরবরাহ উন্নত করার জন্য ২০২৩ সালের মার্চ মাসে ভারত-বাংলাদেশ মৈত্রী পাইপলাইন উদ্বোধন করা হয়েছিল। আর সেই চুক্তির মাধ্যমেই এই ডিজেল সরবরাহ করা হয়।

    জানা যায়, ওপার বাংলার তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর মধ্যেই এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়, এবং ভারতের রাষ্ট্রায়ত্ত নুমালিগড় রিফাইনারি লিমিটেড থেকেই বাংলাদেশের পার্বতীপুর ডিপোতে নিয়মিত পাইপলাইনের মাধ্যমে ডিজেল আমদানি করা হয়। কিন্তু ২০২৪ সালে শেখ হাসিনার পতনের পর এই চুক্তিতে ভাটা পড়ে। মহম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকার এই পাইপলাইনের মাধ্যমে ভারত থেকে ডিজেল আমদানি নিষিদ্ধ করে দিয়েছিল। তারপরে দীর্ঘদিন ধরেই দুই দেশের মধ্যে আমদানি-রফতানি বন্ধ থাকে। কিন্তু নির্বাচনের পর বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ক্ষমতায় আসার পরেই গত কয়েকদিনে পাইপলাইনের মাধ্যমে আবারো ৫ হাজার টন ডিজেল আমদানি হয়েছে এবং আরও ৪৫ হাজার টন আমদানি হবে।

    আরও পড়ুন: মমতার ধরনা মঞ্চে ‘ভুয়ো সাধু’? ‘আমাদের কেউ না’ রামকৃষ্ণ মিশনের বিজ্ঞপ্তিতে নতুন বিতর্ক

    বলাই বাহুল্য, পশ্চিম এশিয়ায় চলমান সংঘাতের কারণে মোটরসাইকেল থেকে শুরু করে অন্যান্য যানবাহনের জ্বালানি ভরার জন্য দিনের পর দিন পেট্রোল পাম্পে ভিড় জমাচ্ছে সাধারণ মানুষ। সেই বিশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে সরকার সম্প্রতি জ্বালানি বিক্রির উপর রেশনিং সিস্টেমও আরোপ করেছিল। তবে এখন সরকার সেই বিধিনিষেধ তুলে দিয়েছে। আর যেহেতু সামনেই ঈদ, তাই বাংলাদেশের সবথেকে বড় উৎসবকে কেন্দ্র করে শহর থেকে গ্রাম সব জায়গায় জ্বালানি বিক্রি আরও বাড়বে বলেই অনুমান করা হচ্ছে। এমনকি কর্মকর্তারা বলছেন যে, দেশে এখনো পর্যন্ত পর্যাপ্ত জ্বালানি মজুদ রয়েছে। আতঙ্কিত হওয়ার কোনও কারণ নেই। কিন্তু ঈদের সময় যাতে কোনও রকম সমস্যা না হয়, তার জন্যই তারেক রহমান সরকার ভারত থেকে আরও ৪৫ হাজার টন ডিজেল আমদানির পথে।

  • পেট্রোল-ডিজেল কিনতে যাওয়ার আগে সাবধান! কড়া নির্দেশিকা জারি সরকারের

    পেট্রোল-ডিজেল কিনতে যাওয়ার আগে সাবধান! কড়া নির্দেশিকা জারি সরকারের

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ পেট্রোল-ডিজেল নিয়ে নয়া অ্যাডভাইজারি জারি করল কেন্দ্রীয় সরকার (Central Government)। আপনিও কি এখন পেট্রোল পাম্পে গিয়ে তেল ভরতে যাওয়ার প্ল্যান করছেন? তাহলে আপনার জন্য রইল জরুরি খবর। সরকার এমন এক নির্দেশিকা জারি করেছে যারপর সবটা না জানলে খালি হাতেই ফিরতে হবে। চলুন বিশদে জেনে নেওয়া যাক।

    পেট্রোল-ডিজেল নিয়ে নয়া অ্যাডভাইজারি জারি সরকারের

    পেট্রোল পাম্পগুলি আর খোলা পাত্রে পেট্রোল বিক্রি করবে না। পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস মন্ত্রক জানিয়েছে যে খোলা পাত্রে পেট্রোল সরবরাহ করলে যে কোনও পেট্রোল পাম্পের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সম্প্রতি, তামিলনাড়ুর চেন্নাইতে একটি ঘটনা সামনে এসেছে, যেখানে খোলা ক্যানে পেট্রোল ভর্তি করা হচ্ছিল। বিষয়টি জানার পর, মন্ত্রক কেবল তাৎক্ষণিকভাবে পাম্পটির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি, বরং দেশব্যাপী একটি নতুন নির্দেশিকাও জারি করেছে।

    আরও পড়ুনঃ এদের জন্য হরমুজ প্রণালীর দরজা খুলে দিল ইরান, তালিকায় ভারতও?

    এক্স হ্যান্ডেলে পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস মন্ত্রক নাগরিকদের আলগা বা অনুপযুক্ত পাত্রে পেট্রোল বা ডিজেল সংরক্ষণ না করার জন্য একটি পরামর্শ জারি করেছে। জানানো হয়েছে, “আমাদের নজরে এসেছে যে তামিলনাড়ুর একটি খুচরা বিক্রেতা আলগা পাত্রে পেট্রোল সরবরাহ করছে, যা অনিরাপদ এবং অযৌক্তিক।”

    জ্বালানি তেলের দাম বাড়বে?

    এলপিজির দাম বৃদ্ধির পর এখন সকলে আশঙ্কা করছেন পেট্রোল ও ডিজেলের দাম বৃদ্ধির। কী বলছে সরকার? সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম X-এ একটি পোস্টে, মন্ত্রক আবারও জানিয়েছে যে সারা দেশে পেট্রোল এবং ডিজেলের পর্যাপ্ত রয়েছে এবং গ্রাহকদের কাছে অনুপযুক্তভাবে জ্বালানি সংরক্ষণ না করার আবেদন জানানো হচ্ছে।

  • তেলের সঙ্কট বাংলাদেশে, উদ্ধারে ৫ হাজার টন ডিজেল পাঠাচ্ছে ভারত

    তেলের সঙ্কট বাংলাদেশে, উদ্ধারে ৫ হাজার টন ডিজেল পাঠাচ্ছে ভারত

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের আবহে গোটা দেশ জুড়ে তীব্র তেলের সংকট দেখা যাচ্ছে। পেট্রোল ডিজেলের দাম বেড়েই চলেছে। এদিকে মূল্যবৃদ্ধির আঁচ পড়েছে বাংলাদেশে (Bangladesh)। জানা গিয়েছে, সেখানে বহু জায়গায় পেট্রোল পাম্প বন্ধ হয়ে গিয়েছে ইতিমধ্যেই। গাড়িতে তেল ভরার জন্য বাকি পাম্পগুলিতে ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইন দিয়ে দাঁড়িয়ে থাকতে হচ্ছে অনেককে। মহা সমস্যায় পড়েছে ওপার বাংলার মানুষ। আর এই পরিস্থিতিতে এবার ভারত থেকে ডিজেল (India Sends Diesel) পাঠানো হচ্ছে বাংলাদেশে, তাও আবার পাইপলাইনের মাধ্যমে।

    আজই বাংলাদেশে যাচ্ছে ডিজেল

    বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন ওরফে BPC-র বাণিজ্য ও অপারেশন বিভাগের মহাব্যবস্থাপক মুহাম্মদ মোরশেদ হোসাইন আজাদ জানিয়েছে, আজ মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ভারতের আসামের নুমালিগড় রিফাইনারি থেকে ৫ হাজার টন ডিজেল বাংলাদেশে যাচ্ছে। আর এই জ্বালানি তেল পাইপলাইনের মাধ্যমে ওই দেশে পৌঁছাবে। ইতিমধ্যেই সেই প্রক্রিয়া শুরু হয়ে গিয়েছে। মূলত জ্বালানি তেলের মজুত স্বাভাবিক রাখতে এবং দেশজুড়ে নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ নিশ্চিত করতে এই উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ সরকার।

    ভারত বাংলাদেশের উচ্চপর্যায়ে বৈঠক

    উল্লেখ্য, গত রবিবার জ্বালানি সংকট মেটাতে ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মার সঙ্গে বৈঠক করেন অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। সেখানে বাংলাদেশ-ভারত পাইপলাইন দিয়ে আগামী চার মাসে অতিরিক্ত ৫০ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল সরবরাহের একটি আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব দেয় বাংলাদেশ। তাই সরকারের এই উচ্চপর্যায়ের তৎপরতার ৫ হাজার টনের ডিজেল পাইপলাইনের মাধ্যমে বাংলাদেশে যাচ্ছে। অন্যদিকে পাইপলাইনের মাধ্যমে তেল সরবরাহে পরিবহন খরচ এবং সময় দুটোই সাশ্রয় হবে বলে জানা গিয়েছে।

    আরও পড়ুন: গ্যাস নিয়ে LPG কোম্পানিগুলোকে নয়া নির্দেশ কেন্দ্রের

    প্রসঙ্গত, ভারত, ২০২৩ সালে ৩৫ হাজার ৭১৮ মেট্রিক টন ডিজেল সরবরাহ করেছিল বাংলাদেশকে। এরপর ২০২৪ সালে ২৮ হাজার ২০৪ মেট্রিক টন এবং ২০২৫ সালে এক লাখ ২৪ হাজার ২১৬ মেট্রিক টন ডিজেল সরবরাহ করেছে। এছাড়া ভারত থেকে বিভিন্ন সময় জেটফুয়েল, ফার্নেস অয়েল এমনকি অকটেনও আমদানি করেছিল বাংলাদেশ। স্বাভাবিকভাবে আশা করা যাচ্ছে এইবারে হয়তো ধীরে ধীরে বাংলাদেশ এবং ভারতের মধ্যে সম্পর্কের উন্নতি হবে।

  • পাকিস্তানে ৫৫ টাকা দাম বাড়ল পেট্রোল-ডিজেলের! জানুন নতুন রেট

    পাকিস্তানে ৫৫ টাকা দাম বাড়ল পেট্রোল-ডিজেলের! জানুন নতুন রেট

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ সাধারণ মানুষের মাথায় বাজ ভেঙে পড়ল। আশঙ্কা সত্যি করে এবার পেট্রোল এবং ডিজেল (Petrol Diesel Price)-রও দাম বাড়ল। এক ধাক্কায় ৫৫ টাকা অবধি তেলের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। হ্যাঁ একদম ঠিক শুনেছেন। তাহলে এখন এক লিটার পেট্রোল ও ডিজেলের দাম কত হল? চলুন সে বিষয়ে বিশদে জেনে নেওয়া যাক।

    দাম বাড়ল পেট্রোল-ডিজেলের

    আপনি কি ভাবছেন ভারতে? উত্তর হল না। মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের আবহে এখন জ্বালানির দাম বৃদ্ধি পেয়েছে পাকিস্তানে (Pakistan Petrol Diesel Price)। মূলত মধ্যপ্রাচ্যে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনা এবং ইরান ও আমেরিকা-ইসরায়েলের মধ্যে চলমান যুদ্ধের সরাসরি প্রভাব প্রতিবেশী পাকিস্তানের অর্থনীতিতে পড়ছে। বিশ্বব্যাপী অপরিশোধিত তেলের দাম তীব্র বৃদ্ধির পর, পাকিস্তান সরকার পেট্রোল এবং ডিজেলের দাম প্রতি লিটারে ৫৫ টাকা অবধি বৃদ্ধি করেছে। এমনিতে নানা ঘটনাকে কেন্দ্র করে অশান্ত হয়ে রয়েছে পাকিস্তান। নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসের দাম সেখানে আকাশছোঁয়া। এহেন পরিস্থিতিতে এবার তেলের দাম বৃদ্ধি, আমজনতার কাছে রামধাক্কা সেটা বলাই বাহুল্য।

    কত হল নতুন রেট?

    শুক্রবার পাকিস্তানের পেট্রোলিয়াম মন্ত্রী আলী পারভেজ মালিক, উপ-প্রধানমন্ত্রী ইসহাক দার এবং অর্থমন্ত্রী মুহাম্মদ আওরঙ্গজেব এক সাংবাদিক সম্মেলনে নতুন দাম ঘোষণা করেন। এগুলি ৭ মার্চ, ২০২৬ থেকে অর্থাৎ আজ থেকে কার্যকর হবে। আজ থেকে পাকিস্তানের পেট্রোল প্রতি লিটারে ২৬৬.১৭ টাকা থেকে বেড়ে ৩২১.১৭ টাকা হয়েছে। এছাড়া হাই স্পিড ডিজেল প্রতি লিটারে ২৮০.৮৬ টাকা থেকে বেড়ে ৩৩৫.৮৬ টাকা হয়েছে।

    আরও পড়ুনঃ শুধুমাত্র এদেরই বকেয়া DA দেবে নবান্ন? সুপ্রিম কোর্টে জমা রিপোর্ট ঘিরে চাঞ্চল্য

    তেলের দাম বৃদ্ধির বিষয়ে বড় তথ্য দিয়েছেন পাকিস্তানের উপ-প্রধানমন্ত্রী ইসহাক দার। তিনি স্পষ্ট করে বলেছেন যে ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে চলমান সংঘাত সমগ্র অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়েছে। আমেরিকা ও ইসরায়েলের ইরানের উপর আক্রমণ এবং ইরানের প্রতিশোধমূলক পদক্ষেপ বিশ্ব তেল বাজারে আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। হরমুজ প্রণালী দিয়ে সরবরাহ ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কায় আন্তর্জাতিক বাজারে ব্রেন্ট অপরিশোধিত তেল এবং WTI তেলের দাম ৬% থেকে ১০% অবধি বৃদ্ধি পেয়েছে।

  • ২৫ দিনের তেল মজুত, ভারতে বাড়বে গ্যাস থেকে পেট্রোল-ডিজেলের দাম? মিলল উত্তর

    ২৫ দিনের তেল মজুত, ভারতে বাড়বে গ্যাস থেকে পেট্রোল-ডিজেলের দাম? মিলল উত্তর

    সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: মধ্যপ্রাচ্যে ক্রমশ বাড়ছে ইরান এবং ইজরায়েলের সংঘাত। তবে এই আবহে বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম (Crude Oil Price) দিনের পর দিন ঊর্ধ্বগতিতে ঠেকছে। গত দুইদিনে প্রায় ১০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে ব্যারেল পিছু দাম। এমনকি এখন পৌঁছেছে ৮২ মার্কিন ডলারে। আর পরিস্থিতি দ্রুত স্বাভাবিক না হলে এই দাম ১০০ ডলার পর্যন্ত ছুঁতে পারে, এমনটাই মত বিশেষজ্ঞদের। তবে তেলের দাম বাড়ার প্রভাব শুধুমাত্র পেট্রোল-ডিজেলেই যে সীমাবদ্ধ থাকবে এমনটা নয়। তার ঢেউ পড়তে পারে মধ্যবিত্তর হেঁশেলেও। এমনটাই দাবি বিশেষজ্ঞদের।

    জ্বালানির দাম ঠিক কী হবে?

    প্রসঙ্গত, ভারত তাদের জ্বালানির সবথেকে বড় অংশ আমদানি করে থাকে। এমনকি তার সিংহভাগ মধ্যপ্রাচ্য থেকেই। ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে দাম বাড়লে তার সরাসরি প্রভাব পড়বে দেশের অর্থনীতিতে। সরকারি সূত্রের মতে ভারতের কাছে এখন ২৫ দিনের তেল মজুত আছে। সরকার সূত্র এও জানিয়েছে যে, এই মুহূর্তে ভারতে পেট্রোল-ডিজেলের দাম বাড়ছে না। তবে কোনও কারণে দাম বাড়লে পরিবহন খরচ বাড়বে এবং ট্র্যাক ও পণ্যবাহী গাড়ির ভাড়া বাড়বে। শুধু তাই নয়, চাল-ডাল, সবজি, দুধের মতো নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসের দাম অনেকটাই চড়তে পারে বলে জানা যাচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এলপিজি সিলিন্ডারের দামও বাড়ার সম্ভাবনা একেবারে উঠিয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। তবে এটাও বলে রাখি যে, ভারত কোনও একটি দেশ থেকে অপরিশোধিত তেল, LPG আমদানি করে না। তাই বিকল্প উৎসের সন্ধানে কাজ চলছে বলে খবর। কিন্তু গ্যাসের দাম বাড়লে নিম্নবিত্ত ও মধ্যবিত্ত পরিবারের পকেটে যে চাপ পড়বে তাও বলার অপেক্ষা রাখে না।

    এদিকে সংঘাতের জেরে পশ্চিম এশিয়ার একাধিক দেশ তাদের আকাশ সীমা বন্ধ করে দিয়েছে। যার ফলে ভারত থেকে ইউরোপ বা আমেরিকায় যাওয়ার ক্ষেত্রে প্রচলিত রুটে বাধা তৈরি হচ্ছে। এমনকি বিকল্প দীর্ঘ রুট ব্যবহার করতে হচ্ছে বিমান সংস্থাগুলিকে। যার ফলে জ্বালানির খরচ বাড়ছে এবং ভ্রমণের সময়ও বাড়ছে। আর সবথেকে বড় ব্যাপার, এর কারণে আন্তর্জাতিক ফ্লাইটের টিকিটের দামও অনেকটাই বেড়েছে।

    আরও পড়ুন: মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের মাঝে তেলের সঙ্কট এড়াতে বিরাট প্ল্যান ভারতের!

    সোনা, রুপোতে বাড়ছে বিনিয়োগ

    অন্যদিকে ভূ-রাজনৈতিক অস্থিরতার সময় সাধারণত সোনা এবং রুপোর চাহিদা বাড়ে। কারণ, সোনাকেই সবাই নিরাপদ বিনিয়োগের বিকল্প হিসেবে ভেবে থাকে। এর ফলে গয়নার বাজারে দাম অনেকটাই ঊর্ধ্বগতিতে ঠেকতে পারে বলে মত প্রকাশ করছে ওয়াকিবহাল মহল।