Tag: Dearness Allowance

  • শুধুমাত্র এদেরই বকেয়া DA দেবে নবান্ন? সুপ্রিম কোর্টে জমা রিপোর্ট ঘিরে চাঞ্চল্য

    শুধুমাত্র এদেরই বকেয়া DA দেবে নবান্ন? সুপ্রিম কোর্টে জমা রিপোর্ট ঘিরে চাঞ্চল্য

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ এখনই সরকার ডিএ (DA) দিতে পারবে না, সুপ্রিম কোর্টে MA ফাইল করে সাফ জানিয়ে দিয়েছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার (Government of West Bengal)। ভোটের মুখে সরকারের এহেন পদক্ষেপের ফলে স্বাভাবিকভাবেই ধাক্কা খেয়েছেন সরকারি আধিকারিক থেকে শুরু করে আন্দোলনকারীরা। যদিও সরকারের তরফে সুপ্রিম কোর্টে পেশ করা একটি হিসেব দেখে চমকে গিয়েছেন সকলে। নবান্নের (Nabanna) তরফে যে তথ্য দেওয়া হয়েছে, সেটা অনুযায়ী কর্মচারীদের সংখ্যা মাত্র ৩,১৭,৯৫৪ সেই সঙ্গে রয়েছেন পেনশনররাও। তবে সরকার বকেয়া দিলে শুধুমাত্র এরাই পাবেন টাকা? উঠছে প্রশ্ন।

    সবাইকে বকেয়া টাকা দেবে না সরকার?

    হিসেব দেখে অনেকেই বলতে শুরু করেছেন, তবে কি সরকার শিক্ষক, শিক্ষা কর্মীদের বকেয়া ভাতা দেওয়া থেকে বিরত থাকবে? এই বিষয়ে শিক্ষানুরাগী ঐক্য মঞ্চের সাধারণ সম্পাদক কিংকর অধিকারী বিস্ফোরক দাবি করেছেন। তিনি নিজের ফেসবুক বার্তায় সরকারের হিসেব তুলে ধরে লিখেছেন, ‘বকেয়া ২৫% ডিএ মেটানোর জন্য আগামী ডিসেম্বর মাস পর্যন্ত সময় চাইল রাজ্য সরকার সুপ্রিম কোর্টের কাছে। শিক্ষক, কর্মচারীদের দীর্ঘদিনের প্রাপ্য অর্থ নিয়ে ভোট রাজনীতি চলছে। আমরা চাই দীর্ঘদিনের এই বঞ্চনার বিরুদ্ধে সুপ্রিমকোর্ট কড়া বার্তা দিয়ে পূর্ববর্তী রায় অনুযায়ী বকেয়া মিটিয়ে দেওয়ার জন্য রাজ্যকে বাধ্য করুক।’

    তিনি আরও লেখেন, ‘কিন্তু অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় রাজ্য সরকার সুপ্রিম কোর্টের কাছে যে হিসেব পেশ করেছে তাতে কর্মচারীদের সংখ্যা মাত্র ৩,১৭,৯৫৪ এবং তার সাথে পেনশনারা। এই হিসেব বলে দিচ্ছে সুপ্রিম কোর্টের রায় অনুযায়ী রাজ্য সরকার শিক্ষক, শিক্ষাকর্মীদের বকেয়া মহার্ঘ ভাতা দেবে না। এর ফলে শিক্ষক, শিক্ষাকর্মী সমাজের ক্ষোভের আগুন ব্যাপকভাবে রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে যাবে। রাজ্য সরকার তাদের অবস্থান বদলাক। না হলে আইনি লড়াই এবং রাস্তার লড়াই আরো তীব্রতর হবে।’

    আরও পড়ুনঃ ‘পশ্চিমবঙ্গ সরকার MA ফিল করলেও …’ বকেয়া DA মামলায় নাটকীয় মোড়? এল বড় খবর

    ৩১ ডিসেম্বর অবধি সময় চাইল রাজ্য

    উল্লেখ্য, বকেয়া ২৫ শতাংশ DA দিতে পারবে না রাজ্য। আরও সময় চেয়ে সুপ্রিম কোর্টে আর্জি জানিয়েছে রাজ্যচ। ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত সময় চাইল রাজ্য সরকার বলে খবর। সেক্ষেত্রে বকেয়া ডিএ-র প্রথম কিস্তি দেওয়ার সময়সীমা ছিল ৩১ মার্চ। অর্থাৎ বকেয়া বুঝে নিতে এখনও লম্বা সময় অপেক্ষা করতে হবে সকলকে।

  • ‘পশ্চিমবঙ্গ সরকার MA ফিল করলেও …’ বকেয়া DA মামলায় নাটকীয় মোড়? এল বড় খবর

    ‘পশ্চিমবঙ্গ সরকার MA ফিল করলেও …’ বকেয়া DA মামলায় নাটকীয় মোড়? এল বড় খবর

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ ডিএ (Dearness allowance) নিয়ে বাংলার সরকারি কর্মীদের আশঙ্কাই যেন সত্যি হল। বকেয়া DA প্রদানের জন্য সুপ্রিম কোর্টের কাছে নতুন করে সময়সীমা চাইল পশ্চিমবঙ্গ সরকার। সাফ কথা, এখনই তাঁরা ডিএ দিতে পারবে না। যে কারণে এই মামলায় নতুন করে সর্বোচ্চ আদালতে ‘M.A’ করেছে সরকার। যদিও তা ফাইলিং হয়নি বলে খবর। এরই মধ্যে নয়া হুঁশিয়ারি দিলেন কনফেডারেশন অফ স্টেট গভর্নমেন্ট এমপ্লয়িজের সাধারণ সম্পাদক মলয় মুখোপাধ্যায়। তিনি জানালেন, ‘দেখা যাক, লড়াই জারি থাকবে।’

    চরম হুঁশিয়ারি সরকারি কর্মীদের

    তিনি নিজের ফেসবুক পোস্টে লেখেন, ‘সরকার MA করলেও Filling is not done yet. দেখা যাক লড়াই জরি থাকবে।’ এরপর অপর একটি পোস্টে তিনি লেখেন, ‘নির্লজ্জ বেহায়া, আবারও এম.এ অ্যাপ্লিকেশন করলো।’ অন্যদিকে সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের আহ্বায়ক ভাস্কর ঘোষ বলেছেন, ‘রাজ্য M.A ফাইল করে অধিকার আটকাতে চেয়েছে। এমনকি ২৫ শতাংশ দেবার জন্যও ডিসেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত সময় চেয়েছে! লড়াই জোরদার করতে হবে।’

    সরকারের জারি করা বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, মূলত পঞ্চম বেতন কমিশনের বকেয়া DA পেতে চলেছেন রাজ্য সরকারের ৩,১৭,৯৫৪ জন কর্মচারী, সবাই নন। পাবেন রাজ্য সরকারের পেনশনাররা। তবে বৃহত্তর কর্মচারীরা (শিক্ষক,শিক্ষাকর্মী,পঞ্চায়েত ও পৌর কর্মী প্রমুখ) এই বকেয়া পাওনা থেকে বাদই থাকতে চলেছেন। রাজ্য সরকার তার ২১৫ পাতার মডিফিকেশন আবেদনে সুপ্রিম কোর্টে যে পিটিশন জমা করেছে তার আইনজীবী মারফত।

    কী বলছে রাজ্য সরকার?

    শুক্রবার, রাজ্য সরকার সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়। তারা ডিএ মামলায় রায় কার্যকর করার জন্য আদালতের কাছে সময়সীমা বাড়ানোর জন্য একটি নতুন আবেদন জমা দেয়। শুক্রবার রাজ্য সরকার সুপ্রিম কোর্টকে জানিয়েছে যে ডিএ প্রদানের আদেশ বাস্তবায়নে তারা বেশ কয়েকটি প্রশাসনিক ও প্রযুক্তিগত সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে। সরকার তাদের আর্থিক অসুবিধাগুলিও তুলে ধরেছে। এই কারণেই তারা আদালতের রায় অনুসরণ করার জন্য আরও সময় চেয়েছে। রাজ্য সরকার তাদের আবেদনে দাবি করেছে যে অল্প সময়ের মধ্যে এত বিশাল আর্থিক প্রতিশ্রুতি পূরণ করা প্রায় অসম্ভব। সরকার ব্যাখ্যা করেছে যে মুলতুবি ডিএ গণনা করার জন্য ৩.১৭ লক্ষেরও বেশি বর্তমান কর্মচারীর পাশাপাশি অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মীদের তথ্য যাচাই করা প্রয়োজন।

    আরও পড়ুনঃ DA না দেওয়ার জন্য বিরাট যুক্তি রাজ্য সরকারের, কবে মিলবে বকেয়া? জানাল সময়

    রাজ্য সরকার সুপ্রিম কোর্টকে জানিয়েছে যে ২০১৬ সালের আগে, সমস্ত কর্মচারী তথ্য ডিজিটাল ছিল না। এই হাতে লেখা রেকর্ডগুলি, যা পরিষেবা বইতে রাখা হয়, যাচাই করা একটি বড় চ্যালেঞ্জ। ফলস্বরূপ, ভোটের মুখে এই তথ্য ডিজিটালাইজেশন এবং তারপর যাচাই করার প্রক্রিয়াটি অনেক সময় নিচ্ছে। এর ফলে নতুন করে বাংলার সরকারি কর্মীরা ফের একবার অনিশ্চয়তার মধ্যে থাকতে চলেছেন। বারবার সুপ্রিম নির্দেশ সত্ত্বেও ডিএ না পাওয়া, সরকারি কর্মীদের কাছে কতটা ধাক্কার সেটা আর বলার অপেক্ষা রাখে না।

    চালু পোর্টাল

    সরকার আরও জানিয়েছে যে ২০১৬ থেকে ২০১৯ সালের তথ্য আংশিকভাবে ‘ইন্টিগ্রেটেড ফাইন্যান্সিয়াল ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম’ (IFMS) তে পাওয়া যাচ্ছে এবং এই তথ্য ব্যবহার করে গণনা শুরু হয়েছে। তবে, ২০০৮ থেকে ২০১৫ সালের তথ্যের জন্য, তারা একটি পৃথক অনলাইন পোর্টাল তৈরি করছে। যাচাইয়ের জন্য কর্মীদের এই পোর্টালে তাদের বিবরণ আপলোড করতে হবে। ফলে সবদিক থেকে বিচার করে রাজ্য সরকার সুপ্রিম কোর্টের কাছে কমপক্ষে ৩১ ডিসেম্বর, ২০২৬ পর্যন্ত সময় বাড়ানোর আবেদন করেছে। এটি ডিএ-র প্রথম ২৫% কিস্তি পরিশোধের জন্য, যা আদালত ৩১ মার্চের মধ্যে পরিশোধ করার নির্দেশ দিয়েছিল। এদিকে চুপ করে বসে নেই আন্দোলনকারীরাও। সরকারের এহেন পদক্ষেপের পর রাজ্য সরকারি কর্মচারীরা পাল্টা সতর্কবার্তা জারি করেছেন। তারা ১৩ মার্চ, শুক্রবার ধর্মঘটের ডাক দিয়েছেন।

  • DA না দেওয়ার জন্য বিরাট যুক্তি রাজ্য সরকারের, কবে মিলবে বকেয়া? জানাল সময়

    DA না দেওয়ার জন্য বিরাট যুক্তি রাজ্য সরকারের, কবে মিলবে বকেয়া? জানাল সময়

    সহেলি মিত্র, কলকাতা: বকেয়া ডিএ (Dearness allowance)) নিয়ে নয়া জলঘোলা শুরু বাংলায়। আরও সময় চাইল পশ্চিমবঙ্গ সরকার। হ্যাঁ একদম ঠিক শুনেছেন। মার্চ নয়, আগামী ৩১ ডিসেম্বর, ২০২৬ অবধি সময়সীমা চেয়ে নিল পশ্চিমবঙ্গ সরকার। আর সরকারের এই আবেদন রাজ্য সরকারি কর্মীদের কাছে যথেষ্ট ধাক্কার সেটা আর নতুন করে বলার অপেক্ষা রাখে না। চলুন আরও বিশদে জেনে নেওয়া যাক।

    বকেয়া ডিএ মেটাতে সময় চাইল সরকার

    সরকারের এখন সাফ কথা, ‘এখন ডিএ দিতে পারব না।’ এমনিতে গত ফেব্রুয়ারি মাসে প্রায় ২০ লক্ষ সরকারি কর্মচারীকে স্বস্তি দিয়ে সুপ্রিম কোর্ট পশ্চিমবঙ্গ সরকারকে ২০০৮ থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত তাদের মহার্ঘ্য ভাতা (ডিএ) প্রদানের নির্দেশ দেয়। আদালতের দাবি, এটা সরকারি কর্মীদের অধিকার। বিচারপতি সঞ্জয় কারোল এবং প্রশান্ত কুমার মিশ্রের একটি বেঞ্চ রাজ্য সরকারকে ৩১ মার্চের মধ্যে তাদের কর্মচারীদের বকেয়া ডিএ-র ২৫% পরিশোধ করার নির্দেশ দিয়েছে। তারা বেতন প্রদানের তদারকির জন্য সুপ্রিম কোর্টের তিনজন অবসরপ্রাপ্ত বিচারক এবং অন্য একজন কর্মকর্তার সমন্বয়ে চার সদস্যের একটি কমিটিও গঠন করা হয়।

    বাকি ৭৫% ডিএ-র জন্য একটি পেমেন্ট পরিকল্পনা ঠিক করার জন্য কমিটিকে রাজ্য সরকারের সাথে কাজ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কমিটিকে ৬ মার্চের মধ্যে তাদের সুপারিশ পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। পেমেন্ট প্রদানের পর রাজ্য সরকারকে ১৫ এপ্রিলের মধ্যে আদালতে একটি সম্মতি প্রতিবেদন জমা দিতে হবে। যদিও এখন বকেয়া ২৫% DA-র প্রথম কিস্তি দিতে সময় চায় রাজ্য। ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত সময় বাড়াতে সুপ্রিম কোর্টে আবেদন।

    নতুন যুক্তি সরকারের

    সকলের আশঙ্কা সত্যি করে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছে রাজ্য সরকার। সেখানে তাদের বক্তব্য, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বকেয়া ডিএ মেটানো তাদের পক্ষে সম্ভব নয়। এই নিয়ে তাদের যুক্তি ২০১৬ সালের আগে নিয়োগ পাওয়া সরকারি কর্মী এবং পেনশনভোগীদের সার্ভিস বুক খুঁজে বার করতে অনেকটা সময় লাগবে। এহেন পরিস্থিতিতে নাকি ডিসেম্বর মাসের ৩১ তারিখের আগে তারা কোনও ভাবেই ডিএ দিতে পারবে না।

  • DA থেকে সপ্তম পে কমিশন, শাহের ওপর আস্থা? জানালেন পশ্চিমবঙ্গ সরকাররের কর্মীরা

    DA থেকে সপ্তম পে কমিশন, শাহের ওপর আস্থা? জানালেন পশ্চিমবঙ্গ সরকাররের কর্মীরা

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ বাংলায় বিধানসভা ভোটের মুখে প্রতিশ্রুতির বন্যা বইছে সকলের জন্য। ইতিমধ্যে ভোটকে নজরে রেখে পশ্চিমবঙ্গ সরকার লক্ষ্মীর ভান্ডারের টাকা বৃদ্ধি, বেকার ভাতার আওতায় ১৫০০ টাকা, ৪ শতাংশ ডিএ (Dearness allowance) বৃদ্ধি, সপ্তম বেতন পে কমিশনের ঘোষণা করেছে। অপরদিকে সম্প্রতি বাংলা সফরে এসে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ঘোষণা করেছেন, বাংলায় বিজেপি সরকার গড়ল ৪৫ দিনের মধ্যে সপ্তম বেতন পে কমিশন (7th Pay Commission) লাগু করা হবে। এতকিছু প্রতিশ্রুতির মধ্যে এখন প্রশ্ন উঠছে, বাংলার সরকারি কর্মীরা এসবের ওপর বিশ্বাস রাখতে পারছেন? সেই নিয়েই এবার মুখ খুললেন বকেয়া মহার্ঘ ভাতা আদায়ের আন্দোলনের অন্যতম প্রধান মুখ ও কনফেডারেশন অফ স্টেট গভর্নমেন্ট এমপ্লয়িজ-এর সাধারণ সম্পাদক মলয় মুখোপাধ্যায় (Malay Mukherjee)।

    অমিত শাহের প্রতিশ্রুতিতে আস্থা পশ্চিমবঙ্গ সরকারের কর্মীদের?

    অনেকেই ইতিমধ্যে প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছেন, DA, পেনশন, বেতন বৃদ্ধি নিয়ে অমিত শাহের কথার ওপর আস্থা রাখতে পারবেন বাংলার সরকারি কর্মীরা? কারণ দীর্ঘ বিগত কয়েক বছর ধরে পঞ্চম বেতন পে কমিশনের আওতায় বকেয়া ডিএ মামলা নিয়ে লড়াই চলছে। আর এই লড়াইয়ে আংশিক জয়ও পেয়েছেন সকলে। আগামী ৩১ মার্চ, ২০২৬-এর মধ্যে পশ্চিমবঙ্গ সরকারকে সরকারি কর্মীদের বকেয়া টাকা মিটিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। এসবের মধ্যেই মলয় মুখোপাধ্যায়ের আশঙ্কা, ভোটের পর তৃণমূল সরকার পুনরায় নির্বাচিত হলে পেনশন বন্ধ করে দিতে পারে। অমিত শাহের করা মন্তব্য প্রসঙ্গে মলয়বাবু জানান, ‘কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর মুখ দিয়ে একটা কথা বের হওয়া মানে সেটাকে একদম অবিশ্বাস আমরা করতে পারি না বা করছিও না।’

    ২০৩০ সালে লাগু হবে সপ্তম বেতন পে কমিশন!

    মুখ্যমন্ত্রীর করা সপ্তম বেতন কমিশন প্রসঙ্গে মলয় মুখোপাধ্যায় জানান, ‘বর্তমান সরকার যদি আবার আসে তাহলে এই সপ্তম বেতন পে কমিশন ২০৩০ সালে লাগু হবে। মুখ্যমন্ত্রী এসে অনেক কথাই বলেছিল। তাঁর যে প্রতিশ্রুতি কতটা ফেক তা কর্মচারী সমাজ হারে হারে টের পাচ্ছেন। মুখ্যমন্ত্রী বলেছিলেন যে বাম আমলে যে যে বঞ্চনা হয়েছিল তা তাঁরা এসে ঠিক করে দেবেন। কিন্তু সেটা একদম মিথ্যে প্রতিশ্রুতি ছিল। এখানে শুধু দুর্নীতি আর দুর্নীতি। আর এসব করেই দীর্ঘ ১৫ বছর ধরে রাজত্ব করছে বর্তমান সরকার। তবে এই যে মাননীয় অমিত শাহের বক্তব্য এটা যদি সত্যি সত্যি লাগু হয় তাহলে ১০০ শতাংশ সরকারি কর্মচারীরা অনেক উপকৃত হবে, যেটা বর্তমান সরকার থাকলে আমরা পেতাম না।’

    আরও পড়ুনঃ দ্বিতীয় বা তৃতীয় সন্তানের জন্ম দিলেই ২৫,০০০ টাকা দেবে রাজ্য সরকার! কবে থেকে?

    অমিত শাহ বলেছেন ৪৫ দিনের মধ্যে পে কমিশন লাগু হবে। যদিও মলয় মুখোপাধ্যায় অন্য কথা বলছেন। তিনি জানান, ‘আমার মনে হয় মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এই বেতন কমিশনের বিস্তারিত তথ্য জানেন না। তবুও তাঁর মুখ থেকে ওই কথাটা বলা মানে কিন্তু বড় বিষয়।’

  • সপ্তম পে কমিশন লাগু হলে কী কী সুবিধা পাবেন পশ্চিমবঙ্গ সরকারের কর্মীরা?

    সপ্তম পে কমিশন লাগু হলে কী কী সুবিধা পাবেন পশ্চিমবঙ্গ সরকারের কর্মীরা?

    সহেলি মিত্র, কলকাতা: পঞ্চম বেতন পে কমিশনের আওতায় এখনও বকেয়া টাকা পাননি বাংলার সরকারি কর্মীরা। চলছে বিক্ষোভ। এদিকে বিক্ষোভ আন্দোলনের মাঝেই পশ্চিমবঙ্গ সরকার সপ্তম বেতন পে কমিশনের (7th Pay Commission) ঘোষণা করেছে। চলতি বছরের রাজ্য বাজেটে এই নতুন পে কমিশনের ঘোষণা করে স্বাভাবিকভাবেই সকলকে চমকে দেয় সরকার। এখন প্রশ্ন উঠছে, সরকার ঘোষণা তো করেছে বটে, কবে থেকে এটি লাগু হবে? ঠিক কী কী সুবিধা মিলবে তা এখনো স্পষ্ট নয় অনেকের কাছে। আজকের এই প্রতিবেদনে সেই বিষয়টি নিয়েই আলোচনা হবে।

    কবে থেকে লাগু হচ্ছে সপ্তম বেতন পে কমিশন?

    আগামী ৩১ মার্চ, ২০২৬- এর মধ্যে পঞ্চম বেতন পে কমিশনের (5th Pay Commission) আওতায় পশ্চিমবঙ্গ সরকারকে বকেয়া টাকা মেটানোর নির্দেশ দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। এদিকে এ বিষয়ে সরকারের এখন অবধি কোনওরকম হেলদোল না থাকায় দফায় দফায় বিক্ষোভ আন্দোলনের সামিল হচ্ছেন রাজ্য সরকারি কর্মীরা। এসবের মাঝেই চলতি বছরের রাজ্য বাজেটে পশ্চিমবঙ্গ সরকার ৪ শতাংশ ডিএ (Dearness allowance) বা মহার্ঘ্য ভাতা এবং সপ্তম বেতন পে কমিশনের ঘোষণা করে। আর এই ঘোষণা বিধানসভা ভোটের আগে বিরাট মাস্টারস্ট্রোক হিসেবে দেখছেন সকলে। প্রশ্ন একটাই নতুন বেতন কাঠামো কবে থেকে কার্যকর হবে এবং বেতন কতটা বাড়তে পারে? দেখে নিন এক নজরে।

    আরও পড়ুনঃ ‘DA, পেনশন দূর! বেতনই বন্ধ হতে পারে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের কর্মীদের!’ চাঞ্চল্যকর তথ্য

    গত ৫ ফেব্রুয়ারি অন্তর্বর্তী বাজেট পেশের সময় রাজ্য সরকার সপ্তম পে কমিশন গঠনের কথা জানায়। রাজ্যে বর্তমানে চালু থাকা ষষ্ঠ পে কমিশন বা রোপা ২০১৯-এর মেয়াদ শেষ হচ্ছে ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫। সেই হিসেবে নিয়ম মেনে ১ জানুয়ারি ২০২৬ থেকেই সপ্তম পে কমিশনের সুপারিশ কার্যকর হওয়ার কথা। তবে বেতন কাঠামো নিয়ে এখনো অবধি সরকারের তরফে কোনো বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়নি। এখানেও অবশ্য ফিটমেন্ট ফ্যাক্টরই শেষ কথা বলবে।

    এতটা বাড়তে পারে বেতন!

    বেতন কতটা বাড়বে সেটা জানার আগে বুঝতে হবে ফিটমেন্ট ফ্যাক্টরের বিষয়ে। কারণ যে কোনও পে কমিশনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল ‘ফিটমেন্ট ফ্যাক্টর’। বিশেষজ্ঞদের মতে, রাজ্য সরকার কেন্দ্রের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ফিটমেন্ট ফ্যাক্টর ২.৯১ থেকে ৩.১৫-এর মধ্যে রাখতে পারে। যদিও এ বিষয়ে এখনও কোনও সরকারি বিবৃতি মেলেনি। যদি এই হারে বেতন পরিকাঠামো সংশোধন হয়, তবে কর্মীদের বেসিক পে কার্যত তিনগুণ পর্যন্ত বাড়তে পারে।

    আরও পড়ুনঃ বজ্রবিদ্যুৎ সহ শিলাবৃষ্টি, দক্ষিণবঙ্গের ৬ জেলায় সতর্কতা! আজকের আবহাওয়া

    উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, কারও বর্তমান বেসিক বেতন যদি ১৮,০০০ টাকা হয়, তাহলে ২.৯১ ফিটমেন্ট ফ্যাক্টরে নতুন বেসিক দাঁড়াতে পারে প্রায় ৫২,৩৮০ টাকা। আর ৩.১৫ হলে তা বেড়ে প্রায় ৫৬,৭০০ টাকা হতে পারে। বেসিক বাড়ার পাশাপাশি অটোমেটিকভাবে  HRA, DA, DR বাড়বে। বাজেটে রাজ্য সরকার ৪% মহার্ঘ্য ভাতার ঘোষণা করেছিল। এর ফলে এখন সকলের ডিএ পরিমাণ ১৮% থেকে বেড়ে ২২%-এ এসে দাঁড়িয়েছে।

  • ‘DA, পেনশন দূর! বেতনই বন্ধ হতে পারে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের কর্মীদের!’ চাঞ্চল্যকর তথ্য

    ‘DA, পেনশন দূর! বেতনই বন্ধ হতে পারে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের কর্মীদের!’ চাঞ্চল্যকর তথ্য

    সহেলি মিত্র, কলকাতা: একদিকে যখন বকেয়া ডিএ (Dearness allowance), পেনশন নিয়ে আন্দোলন চলছে বাংলার সরকারি কর্মীদের। তখন অন্যদিকে বলা হল, নাকি এসবের পাশাপাশি এবার মাইনেটাও বন্ধ হয়ে যেতে পারে! শুনে চমকে গেলেন তো? কিন্তু এটাই সত্যি। আর ফেসবুক লাইভে এসে ঠিক এমনই মন্তব্য করে সকলের চিন্তা বাড়িয়েছেন বিশ্লেষক এবং অধ্যাপক বিশ্বনাথ চক্রবর্তী। চলুন তিনি কী বলেছেন সেটা বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক।

    DA, পেনশন, মাইনে সব বন্ধ হয়ে যাবে?

    বিশ্বনাথ চক্রবর্তী জানান, ‘কলেজগুলিতে শিক্ষা কর্মীদের পাওনা টাকা দেওয়া হচ্ছে না। স্যার, ম্যাডামদের দৈনন্দিন ক্লাসের টাকা অবধি দেওয়া হচ্ছে না। কম্পোজিট গ্রান্ট স্কুলগুলিতে পৌঁছাচ্ছে না। একটি রিপোর্ট অনুযায়ী, গত ৪ মার্চ অবধি প্রায় ৫৪ হাজার শিক্ষক, শিক্ষা কর্মীদের বেতন পাননি। সরকার ক্রমাগত দেউলিয়া হয়ে যেতে চলেছে। আগামী ৬ মার্চ অর্থাৎ আগামীকাল শুক্রবার জানা যাবে সরকারকে কত কিস্তিতে টাকা মেটাতে হবে কর্মীদের। এই দিনটার অপেক্ষা করছেন সকলে।’

    আরও পড়ুনঃ ১৫ মার্চই শেষ হবে ডেটা এন্ট্রি, কবে ঢুকবে বেকার ভাতার টাকা? যুবসাথী নিয়ে বড় খবর

    বকেয়া DA প্রসঙ্গে বিশ্বনাথবাবু জানান, ‘ডিএ-টা বড় কথা নয়, একটা সময়ে যদি মূল বেতনটাই না পাওয়া যায়! একবার ভাবুন আপনি লড়াই করছেন ডিএ-র জন্য। আমাদের কোষাগার, এমন হচ্ছে না তো নির্বাচনের পর সরকারি কর্মচারীদের বেতন দেওয়ার মতো জায়গায় থাকবে না সরকার! খবর বিভিন্নভাবে বুঝতে পারা যায়, সেটা হল, বেতন দেওয়া নিয়ে ইতিমধ্যে বেশ চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে হয়েছে সরকারকে। ডিএ তো অনেক দূরের কথা, ডিএ আপনি সুপ্রিম কোর্টের রায়ের পরেও পাননি। আদালত অবমাননার মামলা করা হয়েছে। কবে শুনানি হবে, কিভাবে হবে, আদৌ হবে কিনা কেউ জানেন না।’

    আরও পড়ুনঃ এক্সট্রা বোনাস, এই কর্মীরা পাবে সর্বোচ্চ ২২ হাজার টাকা! বিজ্ঞপ্তি জারি নবান্নর

    বিশ্ববিদ্যালয়গুলির হাল বেহাল

    বিশ্বনাথ চক্রবর্তী আগে জানান, ‘ডিএ সরকার দেবে না এটা আগেও বলেছিলাম। নানা অজুহাত দেবে এই সরকার। ভাবলে খারাপ লাগে অন্যান্য রাজ্যের কর্মীদের থেকে আমরা কত কম টাকা পাই। দীর্ঘদিন ধরে আমরা ডিএ থেকে বঞ্চিত হচ্ছি। আমরা আতঙ্কিত। কিন্তু একবার ভেবে দেখেছেন, এই নির্বাচনের পর সরকারের যে আর্থিক অবস্থা তৈরি হবে, তাতে বিশেষ করে শিক্ষা কর্মী, পঞ্চায়েত, পুরসভা কর্মী তাঁদের বেতনটা নিয়মিত হবে তো? যারা অধ্যাপক আছেন, কোথাও যদি গেস্ট প্রফেসর থাকে তাঁদের অনুদান এখন অনেকটা কমিয়ে দেওয়া হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়গুলি চলবে কীভাবে? প্রয়োজন অনুযায়ী শিক্ষক নেই, বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ বাধ্য হচ্ছে কোর্স কমপ্লিট করার জন্য গেস্ট অধ্যাপক রাখতে।’ লক্ষ্মীর ভাণ্ডার, বেকার ভাতা দেওয়ার জন্য সরকার যে পরিমাণে ঋণ নিচ্ছে হাত গুটিয়ে নেবে না তো সরকার? আশঙ্কায় ভুগছেন সরকারি কর্মীরা। বাকিটা শুনে নিন ভিডিওতে

  • বেতনে ৬৬% বৃদ্ধির সম্ভাবনা? DA থেকে ফ্যামিলি ইউনিট নিয়ে নতুন ফর্মুলার দাবি কর্মীদের

    বেতনে ৬৬% বৃদ্ধির সম্ভাবনা? DA থেকে ফ্যামিলি ইউনিট নিয়ে নতুন ফর্মুলার দাবি কর্মীদের

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ দেশজুড়ে ৫০ লক্ষেরও বেশি কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারী এবং প্রায় ৬৯ লক্ষ পেনশনভোগী বর্তমানে অষ্টম বেতন কমিশনের (8th Pay Commission) বিষয়ে সরকারের উপর নজর রাখছেন। সকলেই ভাবছেন যে তারা কখন তাদের বর্ধিত বেতন এবং পেনশন পাবেন? ২৫শে ফেব্রুয়ারি প্রথম গুরুত্বপূর্ণ সভাটি অনুষ্ঠিত হয়, যার সভাপতিত্ব করেন অল ইন্ডিয়া রেলওয়েম্যানস ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক এবং কর্মীদের পক্ষের একজন নেতা শিব গোপাল মিশ্র। এদিনের বৈঠকে নানা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ওঠে। যার মধ্যে অন্যতম ছিল পারিবারিক ইউনিটের (Family Unit) সংখ্যা ৩ থেকে বাড়িয়ে ৫ করা হোক। নিশ্চয়ই ভাবছেন এর অর্থ কী? চলুন জেনে নেওয়া যাক।

    পারিবারিক ইউনিট বৃদ্ধি পাবে?

    জানা গিয়েছে, আগামী বৈঠক ১০ই মার্চ অনুষ্ঠিত হবে। এই সভা বা বৈঠকগুলিতে অষ্টম বেতন কমিশনে ফিটমেন্ট ফ্যাক্টর, পারিবারিক ইউনিট, DA একীভূতকরণ এবং ভাতার মতো প্রধান বিষয়গুলি নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে এবং হবে। যাইহোক, আজ আলোচনা হবে পারিবারিক ইউনিট বৃদ্ধির বিষয়ে এবং এর সঙ্গে ফিটমেন্ট ফ্যাক্টর (Fitment Factor) কীভাবে জড়িয়ে রয়েছে সে ব্যাপারে। কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারী সংগঠনগুলির মতে, বেতন গণনায় বিবেচিত পরিবারের সংখ্যা তিন থেকে পাঁচে বৃদ্ধির প্রস্তাব অষ্টম বেতন কমিশনের অধীনে বেতন সংশোধন উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি করতে পারে।

    সরকারি কর্মীদের বিশেষ যুক্তি

    সরকারি কর্মীদের যুক্তি, সরকার যদি এই দাবি মেনে নেয়, তাহলে মূল বেতন সংশোধনের জন্য ব্যবহৃত ফিটমেন্ট ফ্যাক্টর ৩ ছাড়িয়ে যেতে পারে, যার ফলে কর্মচারীদের বেতন একলপ্তে অনেক বেশি বৃদ্ধি পেতে পারে। ৩.০ ছাড়িয়ে যেতে পারে। অল ইন্ডিয়া ডিফেন্স এমপ্লয়িজ ফেডারেশন (AIDEF)-এর মহাসচিব সি. শ্রীকুমার বড় তথ্য দিয়েছেন। ২০০৭ সালের বাবা-মা এবং প্রবীণ নাগরিকদের ভরণপোষণ ও কল্যাণ আইন অনুসারে, শিশুদের তাদের বাবা ও মায়ের ভরণপোষণ করা একটি আইনি দায়িত্ব। এই বাধ্যবাধকতার কারণে, কর্মচারী সংস্থাগুলি বিশ্বাস করে যে পারিবারিক ইউনিট গণনার অংশ হিসাবে বিবেচনা করা উচিত। এতে করে একদিকে যেমন বেতন বাড়বে তেমনই আর্থিক বোঝাও অনেকটা কমবে।

    আরও পড়ুনঃ ৬ কিস্তিতে বকেয়া পরিশোধ, ৩ শতাংশ DA বৃদ্ধির ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

    ৬৬% অবধি হতে পারে বেসিক পে?

    যদি পরিবারের সংখ্যা তিন থেকে পাঁচে বৃদ্ধি করা হয়, তাহলে মূল বেতন ৬৬ শতাংশ বৃদ্ধি পাবে। একটি পরিবারের ইউনিট বৃদ্ধি করলে মূল বেতন ৩৩.৩৩ শতাংশ বৃদ্ধি পাবে বলে আশা করা হচ্ছে। দুই পরিবারের ইউনিট বৃদ্ধি করলে বেতন ৬৬ শতাংশ বৃদ্ধি পেতে পারে। যদি পুরো পরিবার ইউনিটের নিয়ম প্রযোজ্য হয়, তাহলে একজন কর্মচারীর মূল বেতন কত হবে? যদি কর্মচারীর মূল বেতন ৭৮,০০০ টাকা হয়, তাহলে বর্তমান ডিএ হার ৫৮%। ডিএ হার ৮% বৃদ্ধি পেতে পারে, যার বার্ষিক বৃদ্ধি ১২%। যদি ফিটমেন্ট ফ্যাক্টর ১.৭৬% থাকে, তাহলে ন্যূনতম মূল বেতন হবে ১,৩৮,৬৮৮ টাকা।

  • ৬ কিস্তিতে বকেয়া পরিশোধ, ৩ শতাংশ DA বৃদ্ধির ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

    ৬ কিস্তিতে বকেয়া পরিশোধ, ৩ শতাংশ DA বৃদ্ধির ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ রাজ্য সরকারি কর্মীদের পোয়া বারো। ফের একবার মহার্ঘ্য ভাতা বা ডিএ (Dearness allowance) বৃদ্ধির ঘোষণা করল সরকার। হ্যাঁ একদম ঠিক শুনেছেন। একদিকে যখন কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীরা ডিএ বৃদ্ধি থেকে শুরু করে অষ্টম বেতন পে কমিশন লাগু করার বিষয়ে আওয়াজ তুলছেন, তখন রাজ্য সরকার ৩ শতাংশ DA বৃদ্ধি করল। এরই সঙ্গে এখন ডিএ ৫৫ শতাংশ থেকে বেড়ে ৫৮ শতাংশে উন্নীত হয়েছে।

    ৩ শতাংশ DA বৃদ্ধির ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

    আসলে হোলির আবহে মধ্যপ্রদেশ সরকার (Government of Madhya Pradesh) ৩ শতাংশ ডিএ বৃদ্ধির ঘোষণা করেছে। এদিকে উৎসবের আবহে সরকারের এহেন ঘোষণায় খুশিতে ডগমগ সকলে। গত সোমবার মধ্যপ্রদেশ সরকার হোলির আগে রাজ্য কর্মচারীদের জন্য মহার্ঘ্য ভাতা (DA) ৩ শতাংশ বৃদ্ধির ঘোষণা করেছে। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মোহন যাদব এক বিবৃতিতে বলেছেন যে সমস্ত সরকারি কর্মচারী তাদের এপ্রিল ২০২৬ সালের বেতনের সঙ্গে এই ৫৮ শতাংশ মহার্ঘ্য ভাতা পাবেন, যা কেন্দ্রীয় সরকারের সমান।

    মুখ্যমন্ত্রী বলেন, জুলাই ২০২৫ থেকে মার্চ ২০২৬ পর্যন্ত বকেয়া বেতন ২০২৬ সালের মে মাস থেকে ছয়টি সমান কিস্তিতে পরিশোধ করা হবে। পেনশনভোগীরা ২০২৬ সালের জানুয়ারি থেকে ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত তাদের পেনশনের সাথে ৫৮ শতাংশ মহার্ঘ ভাতাও পাবেন। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “আমাদের সরকার সমাজের সকল শ্রেণীর কল্যাণের জন্য কাজ করছে।”

    আরও পড়ুনঃ ‘তিন মাসের সামগ্রী …’ যুদ্ধের আবহে রেশন নিয়ে রাজ্যগুলোকে বড় নির্দেশ কেন্দ্রের

    বিজেপি নেতৃত্বাধীন মধ্যপ্রদেশ সরকার সোমবার আরও ঘোষণা করেছে যে ট্রেজারি কর্মকর্তারা এখন ওয়ার্কিং হাওয়ারে যানবাহন ভাড়া করতে পারবেন। সোমবার গভীর রাতে এক বিবৃতিতে সরকার জানিয়েছে যে মুখ্যমন্ত্রী মোহন যাদব সমস্ত ট্রেজারি কর্মকর্তাদের জন্য যানবাহন ভাড়া করার সুবিধা অনুমোদন করেছেন। ট্রেজারি কর্মকর্তারা এই বিষয়ে একটি প্রস্তাব পেশ করেছিলেন, যা অনুমোদিত হয়েছে।সোমবার মধ্যপ্রদেশ সরকারের অর্থ বিভাগ প্রয়োজনীয় আদেশ জারি করেছে, যার মতে, “সমস্ত ট্রেজারি অফিসার ১ এপ্রিল, ২০২৬ থেকে ভাড়া করা গাড়ির সুবিধা গ্রহণের যোগ্য হবেন।”

    কপাল খুলেছে এই সরকারি কর্মীদেরও

    আপনাদের জানিয়ে রাখি যে, এর আগে মহারাষ্ট্র সরকারি কর্মচারী এবং অন্যান্য যোগ্য কর্মীদের মহার্ঘ্য ভাতা তিন শতাংশ বৃদ্ধি করা হয়েছিল। এর ফলে, মহার্ঘ্য ভাতা ৫৮ শতাংশে উন্নীত হবে। অর্থ প্রতিমন্ত্রী আশিস জয়সওয়াল গত বুধবার বিধানসভায় জানিয়েছিলেন যে এই বৃদ্ধি ২০২৫ সালের জুলাই থেকে কার্যকর হবে। সংশোধিত মহার্ঘ্য ভাতা এই মাস থেকে নগদে প্রদান করা হবে। ২০২৫ সালের জুলাই থেকে ২০২৫ সালের অক্টোবর পর্যন্ত সময়ের বকেয়া ২০২৬ সালের মার্চ মাসে ‘গুড়ি পড়ওয়া’ উপলক্ষে পরিশোধ করা হবে।

  • DA মামলায় জোড়া চাপে পশ্চিমবঙ্গ সরকার

    DA মামলায় জোড়া চাপে পশ্চিমবঙ্গ সরকার

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ ডিএ (Dearness allowance) বা বকেয়া মহার্ঘ্য ভাতা নিয়ে সরকারের চাপ বাড়িয়েই চলেছেন কর্মীরা। কখনও মলয় মুখোপাধ্যায়রা তো আবার ভাস্কর ঘোষের নেতৃত্বাধীন সংগ্রামী যৌথ মঞ্চ, ভোটের আগে DA প্রদান নিয়ে চাপ সৃষ্টি করছেন। এবারেও যার ব্যতিক্রম ঘটল না। মলয় মুখোপাধ্যায়ের পর এবার পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের সংগঠন সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের তরফে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার মামলা দায়ের করা হল। আসন্ন বিধানসভা ভোটের মুখে সরকারের বিরুদ্ধে এহেন পদক্ষেপকে গুরুত্বপূর্ণ সহকারে দেখা হচ্ছে।

    ডিএ মামলায় সরকারের বিরুদ্ধে ফের আদালত অবমাননার মামলা

    গত ফেব্রুয়ারি মাসে দেশের শীর্ষ আদালত সুপ্রিম কোর্ট পশ্চিমবঙ্গ সরকারকে নির্দেশ দেয় সরকারি কর্মীদের বকেয়া ২৫ শতাংশ মিটিয়ে দিতে হবে ৩১ মার্চ, ২০২৬-এর মধ্যে। বাকি টাকা কিস্তিতে দিতে হবে। এদিকে সুপ্রিম নির্দেশ পাওয়ার পরেও সরকারের তরফে কোনও হেলদোল না থাকায় সরকারি কর্মীদের ক্ষোভ আরও দ্বিগুণ হয়েছে। রাস্তায় নেমে নতুন করে বিক্ষোভে সামিল হয়েছেন সকলে। তবে এরই মাঝে ভাস্কর ঘোষ জানালেন, সরকারের বিরুদ্ধে পঞ্চম বেতন পে কমিশনের আওতায় থাকা ডিএ মামলা নিয়ে আদালত অবমাননার মামলা দায়ের করা হয়েছে। তবে এই মামলার শুনানি কবে হবে সেই নিয়ে এখনও অবধি জানা যায়নি।

    নজরে ১৩ মার্চ

    এদিকে ভোটের মুখে বকেয়া ডিএ সহ আরও নানা দাবিতে আগামী ১৩ মার্চ শুক্রবার রাস্তায় নামতে চলেছেন সরকারি কর্মচারীদের একাংশ। ধর্মঘট সফল করতে ইতিমধ্যে জায়গায় জায়গায় পোস্টার এবং ফ্লেক্স লাগানোর কাজ চলছে। এই প্রসঙ্গে বড় তথ্য দিয়েছেন সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের আহ্বায়ক ভাস্কর ঘোষ। তিনি জানিয়েছেন, মঙ্গলবার ডুয়ার্স কন্যার সামনে ধর্মঘটের স্বপক্ষে ব্যানার লাগানো হয়েছে।

    আরও পড়ুনঃ ATM-এ টাকা তোলা থেকে ডেবিট কার্ড, ১ এপ্রিল বদলাচ্ছে HDFC ব্যাঙ্কের একাধিক নিয়ম

    একগুচ্ছ দাবি নিয়ে ১৩ মার্চ নামতে চলেছেন সরকারি কর্মচারীদের একাংশ। দাবিগুলির মধ্যে রয়েছে সুপ্রিম কোর্টের রায় মেনে অবিলম্বে বকেয়া ডিএ প্রদান করতে হবে রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের, যোগ্য অনিয়মিত কর্মচারীদের নিয়মতিকরণ করতে হবে, সরকারি প্রতিষ্ঠানে অবিলম্বে ছয় লাখ শূন্যপদে স্বচ্ছ ও স্থায়ী নিয়োগ করতে হবে। এছাড়াও সরকারি দফতর ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ডিটেলমেন্ট এবং প্রতিহিংসামূলক বদলি বন্ধ করতে হবে। এখন দেখার সরকার ডিএ মামলায় কর্মচারীদের ক্ষোভ প্রশমনে কোনও পদক্ষেপ গ্রহণ করে কিনা সে বিষয়ে।

  • বাড়বে DA থেকে পেনশন, বাংলায় ৭ পে কমিশন গঠনের দিন ঘোষণা, তবে রয়েছে শর্ত

    বাড়বে DA থেকে পেনশন, বাংলায় ৭ পে কমিশন গঠনের দিন ঘোষণা, তবে রয়েছে শর্ত

    সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে রাজনৈতিক মহলে এখন প্রতিশ্রুতির ঝড় বইছে। বিভিন্ন দল নিজেদের নির্বাচনী রূপরেখা তুলে ধরা শুরু করেছে। আর সেই প্রেক্ষাপটেই রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের জন্য বিরাট ঘোষণা করল রাজ্যের বিরোধী দল ভারতীয় জনতা পার্টি বা বিজেপি। দলের তরফ থেকে স্পষ্ট জানানো হয়েছে, তারা ক্ষমতায় আসলে ৪৫ দিনের মধ্যেই সপ্তম বেতন কমিশন (7th Pay Commission) কার্যকর হবে।

    বেতন কমিশন নিয়ে চর্চা তুঙ্গে

    বলে রাখি, সাধারণ নিয়ম অনুযায়ী কেন্দ্র এবং রাজ্য প্রতি ১০ বছর অন্তর বেতন কমিশন গঠন করে। আর রাজ্যের ষষ্ঠ বেতন কমিশনের মেয়াদ শেষ হয়েছে ২০২৫ এর ৩১ ডিসেম্বর। সেই অনুযায়ী, জানুয়ারি থেকেই সপ্তম বেতন কমিশন গঠনের কথা। তবে রাজ্য বাজেটে নতুন বেতন কমিশনের প্রসঙ্গ তোলা হলেও তা কবে থেকে বাস্তবায়িত হবে সে বিষয়ে এখনো পর্যন্ত কিছু ঘোষণা করা হয়নি। যার ফলে সরকারি কর্মচারীদের মধ্যে স্বাভাবিক প্রত্যাশা আর অনিশ্চয়তা বাড়ছে।

    কিন্তু বিজেপির দাবি, তারা সরকার গঠন করলে ক্ষমতায় আসার ৪৫ দিনের মধ্যেই সপ্তম বেতন কমিশনের সুপারিশ কার্যকর করবে। যার ফলে বাড়বে DA থেকে পেনশন। তবে শর্ত একটি বিজেপিকে ক্ষমতায় আনতে হবে। আর দীর্ঘদিন ধরেই ডিএ এবং বেতন কাঠামো নিয়ে অসন্তোষে থাকা কর্মীদের মন জিততেই এই ঘোষণা করা হয়েছে বলেই মত প্রকাশ করছে রাজনৈতিক মহলের একাংশ। কিন্তু এই প্রতিশ্রুতি নির্বাচনের সমীকরণে ঠিক কতটা প্রভাব ফেলবে তা নিয়ে রয়েছে মতভেদ।

    আরও পড়ুন: স্বাস্থ্য প্রকল্প নিয়ে বড় ঘোষণা পশ্চিমবঙ্গ সরকারের, উপকৃত হবেন …

    ফিটমেন্ট ফ্যাক্টর ঠিক কত হতে পারে?

    এদিকে বেতন কমিশনের সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ দিক হল ফিটমেন্ট ফ্যাক্টর। এর উপরে নির্ভর করছে কর্মীদের মূল বেতন কতটা বাড়বে তা। বিশেষজ্ঞদের মতে, কেন্দ্রীয় সরকারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ফিটমেন্ট ফ্যাক্টর ২.৯১ থেকে ৩.১৫ পর্যন্ত করা হতে পারে। আর সেই হিসেবে বর্তমানে যাদের বেসিক বেতন ১৮ হাজার টাকা, তাদের বেতন বেড়ে হতে পারে ৫২ হাজার টাকা থেকে ৫৬ হাজার টাকা। কিন্তু এই অংক পুরোপুরি নির্ভর করবে চূড়ান্ত সুপারিশের উপরেই।