Tag: Dearness Allowance

  • ‘দু’বছরের আগে হাত দেওয়া যাবে না DA-র টাকায়!’ মহার্ঘ ভাতার এ কেমন নিয়ম?

    ‘দু’বছরের আগে হাত দেওয়া যাবে না DA-র টাকায়!’ মহার্ঘ ভাতার এ কেমন নিয়ম?

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ বকেয়া ডিএ (Bengal DA) নিয়ে অবশেষে দীর্ঘ প্রতীক্ষিত বিজ্ঞপ্তি জারি হয়ে গিয়েছে। সোমবার পশ্চিমবঙ্গ সরকারের অর্থ দফতরের এক বিজ্ঞপ্তি অনুসারে, নবান্ন রাজ্য কর্মচারীদের মহার্ঘ ভাতার (Dearness allowance) বকেয়া একাধিক ধাপে পরিশোধ করবে। ২০০৮ সালের এপ্রিল থেকে ২০১৯ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত সময়ের এই বকেয়ার কথা রবিবার ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। যদিও সরকার জানিয়েছে মার ৪৮ মাসের বকেয়া আগে শোধ করা হবে। তারপরে বাকিটা কবে কী শোধ করা হবে তা পরে জানাবে সরকার। এখন প্রশ্ন উঠছে, কে কে টাকা পাবে এবং কবে থেকে পাবেন? চলুন জেনে নেওয়া যাক।

    ৪৮ মাসের টাকা দেবে সরকার

    সরকারের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, প্রথম পর্যায়ে, সর্বভারতীয় ভোক্তা মূল্য সূচকের ভিত্তিতে ২০১৬ সালের জানুয়ারি থেকে ২০১৯ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত বকেয়া গণনা করা হবে। এই অর্থ দুটি কিস্তিতে প্রদান করা হবে প্রথমটি ২০২৬ সালের মার্চ মাসে এবং দ্বিতীয়টি ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বর মাসে। বিচারপতি ইন্দু মালহোত্রার নেতৃত্বাধীন মনিটরিং কমিটি কর্তৃক মোট বকেয়ার চূড়ান্ত নির্ধারণের ওপর এই অর্থপ্রদান নির্ভরশীল থাকবে।

    এপ্রিল ২০০৮ থেকে ডিসেম্বর ২০১৫ সময়কালের জন্য কী কী করা হবে তা পরবর্তীতে জানানো হবে। কর্মকর্তারা আরও জানান, গ্রুপ ‘এ’, ‘বি’ এবং ‘সি’-এর বকেয়া তাদের জিপিএফ অ্যাকাউন্টে জমা করা হবে, আর গ্রুপ ‘ডি’-এর কর্মচারীদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে টাকা সরাসরি ট্রান্সফার করা হবে। হ্যাঁ একদম ঠিক শুনেছেন। যদিও এই টাকা নিয়ে অনেকেই নানা কথা বলছেন। কেউ বলছেন ডিএ-র টাকা যদি জিপিএফ অ্যাকাউন্টেই জমা হবে, তাহলে সেই তো একই বিষয় দাঁড়াল। এই টাকা আবার ২ বছরের আগে তোলা যাবে না।

    সরকারি কর্মী, পেনশন প্রাপকদের জন্য বিজ্ঞপ্তি জারি সরকারের

    সরকার বর্তমানে কর্মরত কর্মী, পেনশনভোগীদের জন্য ডিএ সংক্রান্ত পৃথক বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে। সরকার ৪৮ মাসের বকেয়া টাকাটি রাজ্য সরকারি কর্মচারী, পেনশনভোগী এবং অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মচারী, স্কুল ও কলেজের শিক্ষক এবং অশিক্ষক কর্মচারী, সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানের কর্মচারী ও পেনশনভোগী, পৌরসভা ও পঞ্চায়েতের মতো স্থানীয় সংস্থাগুলিতে কর্মরত কর্মচারীদের প্রদান করবে। রাজ্য সরকারের প্রাক্তন রাজ্য সরকারি কর্মচারী, পেনশনভোগীদের প্রাথমিকভাবে ২০১৬ সালের জানুয়ারি থেকে ২০১৯ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত বকেয়া ডিএ দেওয়া হবে। টাকা দেওয়া হবে দুটি সমান কিস্তিতে। প্রথম কিস্তির টাকা দেওয়া হবে মার্চে। দ্বিতীয় কিস্তির টাকা ঢুকবে সেপ্টেম্বরে। যাঁরা বর্তমানে পেনশনভোগী, তাঁদের অ্যাকাউন্টে সরাসরি নগদ টাকা ঢুকবে।

    আরও পড়ুনঃ বিজ্ঞপ্তি জারি করলেও DA নিয়ে ‘চালাকি’ রাজ্যের, ফের সুপ্রিম কোর্টে যাওয়ার হুঁশিয়ারি

    আসলে সরকারি কর্মচারীদের বেতন কাঠামোর একটি অপরিহার্য অংশ হলো মহার্ঘ ভাতা। ক্রমবর্ধমান মুদ্রাস্ফীতি ও জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির সাথে কর্মীদের মানিয়ে নিতে সাহায্য করার জন্যই এটি চালু করা হয়েছে। অন্যদিকে পেনশনভোগীদের জন্য ডিএ বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এটি অবসরের পর তাদের ক্রয়ক্ষমতা বজায় রাখতে সাহায্য করে। ডিএ প্রদানে দেরি হওয়া সকলের বাজেটকে অনেক ক্ষেত্রে প্রভাবিত করে।

     

  • বিজ্ঞপ্তি জারি করলেও DA নিয়ে ‘চালাকি’ রাজ্যের, ফের সুপ্রিম কোর্টে যাওয়ার হুঁশিয়ারি

    বিজ্ঞপ্তি জারি করলেও DA নিয়ে ‘চালাকি’ রাজ্যের, ফের সুপ্রিম কোর্টে যাওয়ার হুঁশিয়ারি

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ বকেয়া ডিএ (Bengal DA Issue) বা মহার্ঘ্য ভাতা নিয়ে সরকার জারি করেছে নয়া বিজ্ঞপ্তি। কবে থেকে এবং কত দফায় এই বকেয়া পরিশোধ করা হবে তা বিজ্ঞপ্তি জারি করে সকলের সামনে তুলে ধরেছে রাজ্য অর্থ দফতর। যদিও এতে সরকারের নতুন চালাকি দেখছেন সরকারি কর্মীরা। এই ইস্যুতে বড় তথ্য দিয়েছেন কনফেডারেশন অব স্টেট গভঃ এমপ্লয়িজের সাধারণ সম্পাদক মলয় মুখোপাধ্যায় (Malay Mukherjee)।

    DA নিয়ে সরকারের নতুন চালাকি?

    তিনি ফেসবুক পোস্টে লিখেছেন, ‘ডিএ নোটিফিকেশন প্রেক্ষিত পশ্চিমবঙ্গ সরকার এপ্রিল ২০০৮ – ডিসেম্বর ২০১৯ পর্যন্ত DA/DR বকেয়া দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তবে সরকার প্রথম ধাপে জানুয়ারি ২০১৬ থেকে ডিসেম্বর ২০১৯ সময়ের বকেয়া দেওয়া হবে। এবং এই টাকা দুটি সমান কিস্তিতে দেওয়া হবে –১ম কিস্তি মার্চ ২০২৬ এবং ২য় কিস্তি সেপ্টেম্বর ২০২৬। বলা হয়েছে গ্রুপ A, B, C কর্মচারীদের টাকা GPF account-এ জমা করা হবে। তবে Group D কর্মচারী ও পেনশনভোগীদের টাকা সরাসরি ব্যাংক অ্যাকাউন্টে দেওয়া হবে। চালাকি এখানে বলা হয়েছে, ২০০৮–২০১৫ সময়ের DA বকেয়া দেওয়ার নিয়ম পরে জানানো হবে। যা সর্বোচ্চ আদালতের পরিপন্থি। আমরা, সরকার যে আদালতের নির্দেশের মান্যতা দেয়নি তা আবারও সর্বোচ্চ আদালতে তুলে ধরবো।’

    আরও পড়ুনঃ কবে, কত দফায় মিলবে বকেয়া DA? বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ পশ্চিমবঙ্গ সরকারের

    কেউ কেউ বলছেন, দয়া করে ১২.৫% হারে সুদের কথাটা তুলে ধরবেন। এতবছর ধরে টাকা গুলো সরকার খাটিয়ে নিল,তার তো একটা সুদ আছে। সুতরাং সুদসহ ফেরত দিতে হবে। একজন লিখেছেন, ‘এতো বছর পর এত টালবাহানা র পর টাকা GPF এ কেনো নেবো? তাও ২ বছর পর তোলা যাবে. মামার বাড়ি আব্দার স্যালারি অ্যাকান্ট এই দেওয়ার কথা তুলে ধরুন প্লিজ।’ অন্য আরেকজন লিখেছেন, ‘সুপ্রিম কোর্ট কি আগে ২০১৬ জানুয়ারি থেকে ২০১৯ ডিসেম্বর পর্যন্ত আগ দিয়ে পরে ২০০৮ থেকে ২০১৫ পর্যন্ত পরে দিতে বলেছে? সমস্ত হিসাব করে তার ২৫ শতাংশ দেওয়ার কথা।’

    বিজ্ঞপ্তি জারি সরকারের

    সোমবার রাজ্য অর্থ বিভাগের তরফে জারি করা বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, প্রথম পর্যায়ে, সরকার জানুয়ারি ২০১৬ থেকে ডিসেম্বর ২০১৯ পর্যন্ত চার বছরের জন্য বকেয়া ডিএ পরিশোধ করবে। সর্বভারতীয় ভোক্তা মূল্য সূচক (এআইসিপিআই)-এর ভিত্তিতে বকেয়ার পরিমাণ নির্ভুলভাবে গণনা করা হবে। রাজ্য সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে এই পর্বের বকেয়া দুটি সমান কিস্তিতে পরিশোধ করা হবে। প্রথম কিস্তি ২০২৬ সালের মার্চ মাসে এবং দ্বিতীয় কিস্তি ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বর মাসে প্রদান করা হবে।

     

  • কবে, কত দফায় মিলবে বকেয়া DA? বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ পশ্চিমবঙ্গ সরকারের

    কবে, কত দফায় মিলবে বকেয়া DA? বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ পশ্চিমবঙ্গ সরকারের

    সহেলি মিত্র, কলকাতা: বকেয়া ডিএ (DA) নিয়ে আরও এক ধাপ এগোলো পশ্চিমবঙ্গ সরকার। ভোটের মুখে সরকার আদৌ টাকা রিলিজ করবে কিনা, তা নিয়ে এখন সরকারি কর্মীদের মধ্যে নতুন আশঙ্কা তৈরী হয়েছিল। এদিকে এই আশঙ্কার মাঝেই সরকার বকেয়া DA ইস্যুতে বিজ্ঞপ্তি জারি করে জানাল কবে থেকে এবং কত দফায় সরকারি কর্মীদের বকেয়া মেটানো হবে। চলুন বিশদে জেনে নেওয়া যাক।

    বকেয়া DA নিয়ে বিজ্ঞপ্তি জারি রাজ্যের

    সোমবার রাজ্য অর্থ বিভাগের তরফে জারি করা বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, প্রথম পর্যায়ে, সরকার জানুয়ারি ২০১৬ থেকে ডিসেম্বর ২০১৯ পর্যন্ত চার বছরের জন্য বকেয়া ডিএ পরিশোধ করবে। সর্বভারতীয় ভোক্তা মূল্য সূচক (এআইসিপিআই)-এর ভিত্তিতে বকেয়ার পরিমাণ নির্ভুলভাবে গণনা করা হবে। রাজ্য সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে এই পর্বের বকেয়া দুটি সমান কিস্তিতে পরিশোধ করা হবে। প্রথম কিস্তি ২০২৬ সালের মার্চ মাসে এবং দ্বিতীয় কিস্তি ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বর মাসে প্রদান করা হবে।

    বড় ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

    গত রবিবার, পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের ঘোষণার ঠিক কয়েক ঘন্টা আগে, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর এক্স হ্যান্ডেলে সরকারি কর্মচারীদের দীর্ঘদিনের বকেয়া ডিএ পরিশোধের ঘোষণা করেন। তিনটি পৃথক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে অর্থ বিভাগ এপ্রিল ২০০৮ থেকে ডিসেম্বর ২০১৯ পর্যন্ত সময়ের বকেয়া ডিএ পরিশোধের সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেছে।

    রাজ্য সরকার মূলত ২০২৬ সালের ৫ই ফেব্রুয়ারি সুপ্রিম কোর্টের দেওয়া একটি যুগান্তকারী রায় এবং শীর্ষ আদালত কর্তৃক গঠিত একটি পর্যবেক্ষণ কমিটির জারি করা নির্দেশাবলী মেনেই এই পদক্ষেপ নিয়েছে বলে খবর। বিজ্ঞপ্তিগুলিতে রাজ্য সরকার স্পষ্টভাবে জানিয়েছে যে, বিভিন্ন কেন্দ্র-প্রযোজিত প্রকল্পের বিপুল পরিমাণ বকেয়া পাওনা এবং রাজ্যের অভ্যন্তরে বিভিন্ন সমাজকল্যাণমূলক কর্মসূচি ও উন্নয়নমূলক প্রকল্পে চলমান দায়বদ্ধতার কারণে বর্তমানে এর আর্থিক সক্ষমতা উল্লেখযোগ্য চাপের মধ্যে রয়েছে। এই আর্থিক সীমাবদ্ধতা সত্ত্বেও, সরকার জোর দিয়ে বলেছে যে তার কর্মচারীদের কল্যাণ ও স্বার্থই অগ্রাধিকার পায়। তাই, বকেয়া মহার্ঘ ভাতা একাধিক পর্যায়ে পরিশোধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

    আরও পড়ুনঃ বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম মেট্রো নেটওয়ার্ক ভারতে! পরিসংখ্যান দেখলে শিউরে উঠবেন

    সরকারি কর্মচারীদের জন্য, কর্মচারী শ্রেণীর উপর ভিত্তি করে অর্থ প্রদানের পদ্ধতি ভিন্ন হবে। নির্দেশিকা অনুসারে, গ্রুপ A, গ্রুপ B এবং গ্রুপ C শ্রেণীর কর্মচারীদের ডিএ এরিয়ার সরাসরি তাদের জেনারেল প্রভিডেন্ট ফান্ড (GPF) অ্যাকাউন্টে জমা করা হবে। তবে, জিপিএফ অ্যাকাউন্টে জমা করা অর্থ জমা দেওয়ার তারিখ থেকে ২৪ মাসের জন্য অগ্রিম বা চূড়ান্ত অর্থ হিসাবে তোলা যাবে না।

  • DA নিয়ে রাজ্য সরকারের নতুন ষড়যন্ত্র? নয়া লড়াই শুরুর ঘোষণা ভাস্কর ঘোষের

    DA নিয়ে রাজ্য সরকারের নতুন ষড়যন্ত্র? নয়া লড়াই শুরুর ঘোষণা ভাস্কর ঘোষের

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ ফের একবার আলোচনায় উঠে এল বাংলার ডিএ মামলা (Bengal DA Case)। অবশ্য এবারে সরকারের সিদ্ধান্তে খুশি চাকুরীজীবী থেকে শুরু করে সরকারি পেনশন প্রাপকরা। এর কারণ, চলতি মার্চ মাসেই ২০০৯ রোপা আইন মেনে ২৫% বকেয়া DA মেটানোর ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এরই সঙ্গে রাজ্য বিধানসভা ভোটের প্রাক্কালে এই সিদ্ধান্তকে সরকারের বিরাট মাস্টারস্ট্রোক হিসেবে দেখছে বিশিষ্ট মহল। তবে অপরদিকে অন্য কথা বললেন সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের আহ্বায়ক ভাস্কর ঘোষ (Bhaskar Ghosh)। তিনি জানালেন, লড়াই শেষ হয়নি, বরং নতুন করে শুরু হল। হ্যাঁ একদম ঠিক শুনেছেন।

    ডিএ নিয়ে বিস্ফোরক দাবি ভাস্কর ঘোষের

    ভাস্কর ঘোষ জানান, ‘সবার আগে, আমি বলতে চাই যে এটি মানুষের জন্য একটি বড় জয়। কর্মচারীরা সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের নেতৃত্বে শীত, গ্রীষ্ম, বর্ষা উপেক্ষা করে দাঁতে দাঁত চেপে লড়াই করে গিয়েছেন। আমরা যদি ঐক্যবদ্ধ হই, লড়াই যদি সঠিক পথে পরিচালিত হয়, লক্ষ্য স্থির রাখি, তাহলে স্বৈরাচারীনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় হলেও তাঁকে মাথা নত করতে হয়। অরাজনৈতিক সিস্টেমের কাছেই মাথানত করতে হয়। আমরা কুল গোত্রহীন। আমাদের শতাব্দীর ইতিহাস নেই। কিন্তু যা আমাদের আছে, তা হল যৌবনের তারণ্য এবং প্রবল তেজ। আজ পশ্চিমবঙ্গ সরকার এক কাটমানি সিন্ডিকেটের যে জাল বিস্তার করে রেখেছিল তাকে মাথা নত করতে হল।

    রাজ্য সরকারের নতুন ষড়যন্ত্র?

    ডিএ নিয়ে সরকারের সিদ্ধান্তের পেছনে গভীর ষড়যন্ত্র দেখছেন ভাস্কর ঘোষ। তিনি জানান, ‘আমরা যেন এই আনন্দের মুহূর্তে ভেসে না যাই। এর ষড়যন্ত্রটা বুঝুন। তিনি যদি স্বদিচ্ছায় সব মেনে নিতেন তাহলে আর মডিফিকেশন অ্যাপ্লিকেশন বা M.A. দায়ের করতে যেতেন না। তিনি বলেছিল এটি সাব-জুডিসের বিষয়। আজ চাপ পড়েছে বলে সাব-জুডিস উঠে গিয়েছে। তিনি কী বলেছিলেন? তিনি বলেছিলেন সুপ্রিম কোর্টে M.A. দায়ের করে যে শুধুমাত্র সরকারি কর্মকর্তাদেরই এটা ডিএ দেওয়া হবে। কিন্তু এখন তিনি বলছেন এটা সবাই পাবে। আজ, সবাই এটি পাবে। সুপ্রিম কোর্ট কী বলেছি? পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের কর্মচারীরা সবাই এটি পাবে। তিনি কী বললেন? পশ্চিমবঙ্গ সরকারের কর্মচারীরা ডিএ পাবেন। তাঁকে খারিজ করতে হল। নিজে যে থুতু ফেলেছিলেন সেটা চাটতে হল তাঁকে।’

    আরও পড়ুনঃ ১০ বছরের লড়াইয়ের পর জয়, ২৫% DA নিয়ে কী বলছেন সরকারি কর্মীরা?

    ভাস্কর ঘোষ জানান, ‘আমরা বলেছিলাম মুখ্যমন্ত্রীকে আমরা আন্দোলন শেখাবো। আজকের সময়ে দাঁড়িয়ে সেই মুখ্যমন্ত্রীকে কিন্তু আন্দোলন শেখানোই শুধু নয়, আন্দোলনের কাছে কীভাবে মাথানত করতে হয় সেটাও শেখালাম। কিন্তু এরই মাঝে অর্থ দফতর থেকে একটি খবর এসেছে। সরকার একটি ষড়যন্ত্র করছে। তাঁরা জিওটাকে এখন বের করবেন না। তাঁরা বলবেন যেহেতু ভোট ঘোষণা হয়ে গিয়েছে তাই জিও দেওয়া যাবে না।’

  • ১০ বছরের লড়াইয়ের পর জয়, ২৫% DA নিয়ে কী বলছেন সরকারি কর্মীরা?

    ১০ বছরের লড়াইয়ের পর জয়, ২৫% DA নিয়ে কী বলছেন সরকারি কর্মীরা?

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ অবশেষে দীর্ঘ লড়াইয়ের অবসান। লক্ষ লক্ষ রাজ্য সরকারি কর্মচারীর জন্য অবশেষে এল বড় সুখবর। দীর্ঘদিন ধরে বকেয়া থাকা বকেয়া ডিএ (Dearness allowance) নিয়ে রাজ্য সরকার বড় ঘোষণা করেছে। মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, সরকার তাদের প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী রোপা ২০০৯ অনুযায়ী বকেয়া DA পরিশোধের প্রক্রিয়া (Bengal DA) শুরু করছে। চলতি মার্চ ২০২৬ থেকেই শুরু হবে ডিএ এরিয়ার প্রদান। এদিকে সরকারের এহেন ঘোষণায় বেজায় খুশি সরকারি কর্মীরাও। সরকারের এহেন পদক্ষেপে এবার বড় মন্তব্য করলেন ডিএ মামলাকারী মলয় মুখোপাধ্যায় (Malay Mukherjee)।

    আমাদের আনন্দ ধরে রাখতে পারছি নাঃ মলয় মুখোপাধ্যায়

    মলয় মুখোপাধ্যায় এক ভিডিও বার্তায় জানান। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মেনে যেভাবে ডিএ-টা দিতে বলেছিল সেটা সরকার মেনে নিয়েছে এবঙ্গা মরা সেভাবেই ডিএটা পেতে চলেছি। কনফেডারেশন অফ স্টেট গভর্নমেন্ট এমপ্লয়িজ ২০১৬ সালে ডিএ মামলা দায়ের করেছিল। ২০১৬ থেকে ২০২৬ সাল দীর্ঘ ১০ বছর ধরে নির্দিষ্ট লক্ষ্য রেখে লড়াই করে গিয়েছি। আগেই বলেছিলাম রোপা মেনে যারাই ডিএ পান তাঁরা সকলেই পাবেন। শিক্ষক, অশিক্ষক, ভোট, পুরসভা সকলেই পাবেন। আমরা সকলের জন্যি লড়াই করেছি। মাঝখানে একটা বিভ্রান্ত তৈরি হওয়াতে আমরা খুব দুর্বল হয়ে পড়েছিলাম। ভেবেছিলাম শুধু আমরাই টাকা পাবো। এই লড়াই কি তাহলে অসম্পূর্ণ রয়ে গেল? কিন্তু সরকার যখন ঘোষণা করল সকলেই ডিএ পাবেন তখন আমরা আমাদের আনন্দ ধরে রাখতে পারছি না।’

    তিনি আরও জানিয়েছেন, আমাদের লড়াই কিছুটা পূর্ণতা পেল। নোটিফিকেশন যখন সামনে আসবে তখন আমরা সম্পূর্ণটা বলব। এটা মনে রাখতে হবে ২০১৯ সালে রাজ্য ট্রাইব্যুনাল যে রায়টা দিয়েছিল সেটাই কিন্তু সুপ্রিম কোর্টে যায় এবং সেটা এখন মান্যতা পেয়েছে।’ শেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী, অর্থ দফতরের সর্বশেষ নোটিফিকেশন অনুযায়ী ধাপে ধাপে এই বকেয়া টাকা কর্মীদের দেওয়া হবে। বহু বছর ধরে জমে থাকা এই বকেয়া অর্থ অবশেষে কর্মীদের হাতে পৌঁছাতে চলেছে, যা রাজ্যের বিপুল সংখ্যক কর্মচারী ও তাদের পরিবারের জন্য যা নিঃসন্দেহে বড় স্বস্তির খবর।

    বড় ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

    রবিবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে জানান যে তাঁর “মা-মাটি-মানুষ” সরকার কর্মচারী এবং পেনশনভোগীদের প্রতি তাদের প্রতিশ্রুতি পূরণ করেছে। তিনি বলেন যে লক্ষ লক্ষ শিক্ষক, অ-শিক্ষক কর্মী এবং পঞ্চায়েত, পৌরসভা এবং অন্যান্য স্থানীয় সংস্থার মতো অনুদান-সহায়তা প্রতিষ্ঠানের কর্মচারী এবং পেনশনভোগীরাও উপকৃত হবেন। মুখ্যমন্ত্রী বলেন যে , রোপা ২০০৯ আইনের অধীনে কর্মচারীদের বকেয়া মহার্ঘ্য ভাতা ও মহার্ঘ্য ত্রাণ প্রদান ২০২৬ সালের মার্চ মাসে শুরু হবে। তিনি আরও বলেন যে, রাজ্যের অর্থ বিভাগ কর্তৃক জারি করা বিজ্ঞপ্তিতে একটি বিস্তারিত পদ্ধতি নির্ধারণ করা হয়েছে।

     

  • ২৫% বকেয়া DA মেলার পর গ্রুপ এ থেকে গ্রুপ ডি কর্মীরা কত টাকা পাবেন? রইল হিসেব

    ২৫% বকেয়া DA মেলার পর গ্রুপ এ থেকে গ্রুপ ডি কর্মীরা কত টাকা পাবেন? রইল হিসেব

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ ২৬-এর বিধানসভা ভোটের মুখে বিরাট মাস্টারস্ট্রোক দিয়েছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার। অবশেষে পঞ্চম বেতন পে কমিশনের আওতায় সরকারি কর্মীদের ২০০৯ রোপা অনুযায়ী বকেয়া ডিএ (Dearness allowance) টাকা মেটানোর ঘোষণা করেছে। চলতি মার্চ মাস থেকেই এই টাকা রিলিজ করা হবে বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। স্বাভাবিকভাবেই সরকারের এহেন ঘোষণায় খুশি কর্মীরা। তবে এখন প্রশ্ন উঠছে, কে কত টাকা পাবেন? চলুন সে বিষয়ে বিশদে জেনে নেওয়া যাক।

    ২৫% বকেয়া ডিএ দেওয়ার ঘোষণা

    গতকাল রবিবার বিধানসভা ভোটের নির্ঘন্ট প্রকাশ পাওয়ার কয়েক ঘণ্টা আগেই ২৫% বকেয়া ডিএ মেটানোর ঘোষণা করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সুপ্রিম কোর্টের তরফে এই বকেয়া মেটানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল সরকারকে। অবশ্য দীর্ঘ টানাপোড়েনের পর এই ঘোষণা সামনে এল। এখন যাইহোক, আজ আলোচনা হবে গ্রুপ এ থেকে শুরু করে গ্রুপ ডি কর্মীরা হাতে কত টাকা পাবেন সে বিষয়ে। রাজ্য় সরকারি কর্মী ও পেনশনভোগীদের রোপা 2009 অনুযায়ী মহার্ঘ ভাতা ও মহার্ঘ ত্রাণ দেওয়া হবে।

    কে কত টাকা পাবেন?

    এক হিসেব অনুযায়ী, ২৫ শতাংশ মহার্ঘ ভাতার (DA) হিসেবে অনুযায়ী, রাজ্য সরকারের একজন গ্রুপ-ডি কর্মী হাতে পাবেন ১ থেকে দেড় লক্ষ টাকা পাবেন। অপরদিকে রাজ্য সরকারের একজন গ্রুপ-সি কর্মী হাতে পাবেন ২ লক্ষ টাকা। রাজ্য সরকারের একজন গ্রুপ-এ কর্মী হাতে পাবেন ৩ থেকে সাড়ে ৩ লক্ষ টাকা। একজন সর্বনিম্ন বেতনভুগ গ্রুপ-ডি কর্মী পাবেন প্রায় ৪ লক্ষ টাকার বেশি। এছাড়া একজন গ্রুপ-সি কর্মী পাবেন প্রায় ৬ লক্ষ টাকার বেশি। এই বকেয়া ডিএর আওতায় মাসে ৭ থেকে ৮ হাজার টাকা পেনশন প্রাপক গ্রুপ-ডি কর্মী পাবেন প্রায় ১ লক্ষ টাকা। সেইসঙ্গে ১০,০০০ টাকা পেনশন পাওয়া অবসরপাওয়া গ্রুপ-সি কর্মী পাবেন প্রায় ২ লক্ষ টাকা।

    আরও পড়ুনঃ ৭০ কিমি বেগে কালবৈশাখী, দক্ষিণবঙ্গের ৪ জেলায় ভারী বৃষ্টি, আজকের আবহাওয়া

    বিশেষ পোস্ট মুখ্যমন্ত্রীর

    মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে জানান যে তাঁর “মা-মাটি-মানুষ” সরকার কর্মচারী এবং পেনশনভোগীদের প্রতি তাদের প্রতিশ্রুতি পূরণ করেছে। তিনি বলেন যে লক্ষ লক্ষ শিক্ষক, অ-শিক্ষক কর্মী এবং পঞ্চায়েত, পৌরসভা এবং অন্যান্য স্থানীয় সংস্থার মতো অনুদান-সহায়তা প্রতিষ্ঠানের কর্মচারী এবং পেনশনভোগীরাও উপকৃত হবেন। মুখ্যমন্ত্রী বলেন যে , রোপা ২০০৯ আইনের অধীনে কর্মচারীদের বকেয়া মহার্ঘ্য ভাতা ও মহার্ঘ্য ত্রাণ প্রদান ২০২৬ সালের মার্চ মাসে শুরু হবে। তিনি আরও বলেন যে, রাজ্যের অর্থ বিভাগ কর্তৃক জারি করা বিজ্ঞপ্তিতে একটি বিস্তারিত পদ্ধতি নির্ধারণ করা হয়েছে।

  • বাংলায় ভোটের দিনক্ষণ, রাজ্যে ভাতা বৃদ্ধি…! আজকের সেরা ১০ খবর (১৫ মার্চ)

    বাংলায় ভোটের দিনক্ষণ, রাজ্যে ভাতা বৃদ্ধি…! আজকের সেরা ১০ খবর (১৫ মার্চ)

    সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: আজ ১৫ মার্চ, রবিবার। বাংলায় ভোটের দিনক্ষণ, রাজ্যে ভাতা বৃদ্ধি, পাকিস্তান-আফগানিস্থান সংঘর্ষ, রাজ্য-রাজনীতি, অর্থনীতি, বহির্বিশ্ব, কোথায় কী ঘটল আজ? জানতে চোখ রাখুন আজকের সেরা দশে। India Hood-র তরফ থেকে আমরা নিয়ে এসেছি তরতাজা দশটি (Top 10 Bangla News in West Bengal And India) খবর, যা না পড়লে মিস করে যাবেন অনেক কিছুই। বিস্তারিত নতে হলে অবশ্যই প্রতিবেদনটি শেষ পর্যন্ত পড়ুন।

    ১০) পুরী-পাটনা স্পেশাল ট্রেন নিয়ে বিরাট সুখবর

    রেল যাত্রীদের জন্য বিরাট সুখবর। পুরী-পাটনা স্পেশাল ট্রেনকে নিয়মিত এক্সপ্রেস ট্রেন হিসেবে চালু করা হল। এখন থেকে পুরী-পাটনা এক্সপ্রেস নামে চলবে এই ট্রেনটি। আর প্রতি শনিবার পুরী থেকে ছেড়ে পর দিন সকালে পাটনা পৌঁছবে। পথে ভুবনেশ্বর, খড়গপুর, আন্দুল, ডানকুনি, বর্ধমান, দুর্গাপুর, আসানসোল সহ বেশ কিছু স্টেশনে এই ট্রেনটি থামবে। আর এর ফলে ওড়িশা, পশ্চিমবঙ্গ আর বিহারের মধ্যে যাতায়াত আরও সহজ হয়ে যাবে। পাশাপাশি হাওড়-দেরাদুন, হাওড়া-জম্মু তাওয়াই এবং হাওড়া-প্রয়াগরাজসহ বেশ কয়েকটি ট্রেনের নম্বর পরিবর্তন করা হচ্ছে। বিস্তারিত পড়তে- এখানে ক্লিক করুন

    ৯) এবার থেকে এদের দেওয়া হবে না এলপিজি গ্যাস

    মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনার জেরে এবার গ্যাস সরবরাহে চাপ বাড়ার কারণে কেন্দ্র নতুন নির্দেশিকা জারি করেছে। পেট্রোলিয়াম মন্ত্রক জানিয়ে দিয়েছে, যে সমস্ত বাড়িতে পাইপ যুক্ত প্রাকৃতিক গ্যাস বা পিএনজি সংযোগ রয়েছে, তারা নতুন করে এলপিজি সিলিন্ডার সংযোগ নিতে পারবে না বা রিফিল করতে পারবে না। মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত আর হরমুজ প্রণালী সরবরাহে ব্যাহত হওয়ার কারণে ভারতে এলপিজি আমদানি কমেছে। আর পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার জন্য রিফাইনারিগুলিকে উৎপাদন বাড়ানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এমনকি ১৪.২ কেজি ঘরোয়া সিলিন্ডারের দাম বেড়ে ৯১৩ টাকা হয়েছে। বিস্তারিত পড়তে- এখানে ক্লিক করুন

    ৮) ফের আফগানিস্তানে বিমান হামলা পাকিস্তানের

    পাকিস্তান আর আফগানিস্তানের মধ্যে উত্তেজনা আবারো চরমে পৌঁছল। পাকিস্তান আফগানিস্তানের কান্দাহার অঞ্চলের তালিবান ঘাঁটি লক্ষ্য করে বিমান হামলা চালিয়েছে। পাকিস্তানের দাবি, সীমান্ত এলাকায় ড্রোন হামলার জবাব দেওয়ার জন্যই এই বিমান হামলা চালানো হয়েছে। আর ড্রোনের ধ্বংসাবশেষ পরে কোয়েটা এবং রাওয়ালপিন্ডিতে কয়েকজন আহত হওয়ার খবর মিলেছে। ইসলামাবাদ আফগানিস্তানকেই হামলার জন্য দায়ী করেছে। আর নিরাপত্তার কারণে আকাশপথ সাময়িকভাবে বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। বিস্তারিত পড়তে- এখানে ক্লিক করুন

    ৭) আলু চাষিদের বিরাট স্বস্তি দিল মুখ্যমন্ত্রী

    আলুর দাম কমে যাওয়ার কারণে সমস্যায় পড়া চাষীদের স্বস্তি দিতে এবার বিরাট ঘোষণা করলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রাজ্য সরকার কুইন্টাল প্রতি ৯৫০ টাকা দরে আলু কেনার সিদ্ধান্ত নিল, যাতে চাষিরা ন্যায্য দাম পায়। সরকারের আলু সংগ্রহ প্রকল্পে এবার বিভিন্ন হিমঘর অংশ নেবে। আর ছোট চাষিদের জন্য ৩০ শতাংশ সংরক্ষিত জায়গা থাকবে। পাশাপাশি অন্য রাজ্যে আলু রফতানিতে কোনও রকম বাধা দেওয়া হবে না। আর গত বছর রাজ্যে প্রায় ১১০ লক্ষ টন আলু উৎপাদন হয়েছিল। কিন্তু বাজারে দাম কম থাকার কারণে চাষিরা ক্ষতির মুখে পড়েছিল। বিস্তারিত পড়তে- এখানে ক্লিক করুন

    ৬) রাজ্যে আবারও ১৫ হাজার শিক্ষক নিয়ক, জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

    রাজ্যের শিক্ষা মন্ত্রী ব্রাত্য বসু ঘোষণা করলেন, পশ্চিমবঙ্গে খুব শীঘ্রই ১৫ হাজার শিক্ষক নিয়োগ করা হবে। উত্তর ২৪ পরগনার তেঘরিয়াতে একটি স্কুলে সরকারি অনুষ্ঠানে যোগ দিতে গিয়ে তিনি জানিয়েছেন, শিক্ষক নিয়োগ সংক্রান্ত জটিলতা কাটিয়ে ২৬ হাজার প্রার্থীর চাকরি ফেরানোর উদ্যোগ চলছে। আর এর পাশাপাশি নতুন নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু হবে। এদিন তেঘরিয়া শিক্ষানিকেতন স্কুলকে বাংলা মাধ্যম থেকে সরাসরি কো-এড ইংরেজি আর বাংলা মাধ্যম বিদ্যালয় হিসেবে চালু করা হয়েছে। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন আরও বিধায়ক সহ মন্ত্রীরা। বিস্তারিত পড়তে- এখানে ক্লিক করুন

    ৫) পুরোহিত আর ইমামদের ৫০০ টাকা ভাতা বাড়ালেন মমতা

    ভোট ঘোষণার আগে আজ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিরাট ঘোষণা করেছিলেন। তিনি জানিয়েছেন, রাজ্যের পুরোহিত এবং ইমামদের মাসিক ভাতা ৫০০ টাকা করে বাড়ানো হচ্ছে। যার ফলে আগে যেখানে তারা ১৫০০ টাকা করে ভাতা পেতেন, এখন তারা ২০০০ টাকা করে পাবেন। মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, আধ্যাত্মিক আর সামাজিক জীবনে তাদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখার জন্য এই ভাতা বৃদ্ধি। পাশাপাশি পুরোহিত আর ইমামদের নতুন আবেদনগুলি অনুমোদন করেছে রাজ্য সরকার। এমনটাই জানালেন মুখ্যমন্ত্রী। বিস্তারিত পড়তে- এখানে ক্লিক করুন

    ৪) রাজ্যের কর্মীদের বকেয়া ডিএ দেওয়ার ঘোষণা মমতার

    মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ভোটের আগে রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের বকেয়া ডিএ দেওয়ার ঘোষণা করেছেন। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী, প্রথম কিস্তি ৩১ মার্চের মধ্যে দিতে হবে। আর সেই অনুযায়ী এবার চলতি মাস থেকেই কর্মীদের অ্যাকাউন্টে টাকা ঢোকা শুরু হবে বলে জানানো হয়েছে। আদালত ২৫ শতাংশ বকেয়া ডিএ দুই দফায় মেটানোর নির্দেশ দিয়েছিল। আর এই সুবিধা শিক্ষক থেকে শুরু করে অশিক্ষক কর্মী, পঞ্চায়েত, পৌরসভা আর অন্যান্য সংস্থার কর্মী এবং পেনশনভোগীরা পাবে বলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন। বিস্তারিত পড়তে- এখানে ক্লিক করুন

    ৩) হরমুজ প্রণালী দিয়ে আসতে পারল না বাংলাদেশের জাহাজ

    ইরান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে হরমুজ প্রণালী অঞ্চলে আটকে পড়া বাংলাদেশের শিপিং কর্পোরেশন জাহাজ এমভি বাংলার এবার বিরাট জয়যাত্রা। জানা যাচ্ছে, ওই জাহাজটিতে ৩১ জন বাংলাদেশি নাবিক রয়েছেন। মিসাইল হামলার আশঙ্কায় তারা প্রণালী পেরোতে সাহস পায়নি। যার ফলে পরে নিরাপত্তার কারণে সংযুক্ত আরব আমিরশাহীর কোস্টগার্ড জাহাজটিকে সরে যেতে নির্দেশ দিলে এটি পারস্য উপসাগরে ফিরে গিয়েছে। এমনকি পড়ে সারজা বন্দরের কাছে দাঁড়িয়েছে। যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে পরিকল্পিত পণ্য পরিবহনও এখনো পর্যন্ত সম্ভব হয়নি। জাহাজটিকে নিরাপদে দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য বাংলাদেশ সরকার উদ্যোগ নিয়েছে। বিস্তারিত পড়তে- এখানে ক্লিক করুন

    ২) বিজেপি কর্মী সমর্থক বোঝাই ট্রেনে পাথরবৃষ্টি

    প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর ব্রিগেড সমাবেশে যোগ দিতে গিয়ে ফেরার পথে বিজেপি কর্মী সমর্থক বোঝায় একটি ট্রেনে পাথর ছোঁড়ার অভিযোগ উঠল, যা নিয়ে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে শিলিগুড়িতে। অভিযোগ উঠছে, শহরের কয়লা ডিপো এলাকায় ট্রেনটিকে লক্ষ্য করে দুষ্কৃতীরা পাথর ছুঁড়েছে। যার ফলে কয়েকটি জানালার কাঁচ ভেঙে যায়। আর যাত্রীদের মধ্যেও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। বিজেপি দাবি করছে, তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা পরিকল্পনা করে হামলা চালিয়েছে। কিন্তু তৃণমূল কংগ্রেস অভিযোগ অস্বীকার করে দিয়েছে। স্থানীয়দের মতে, দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনার বসেই এই পাথর ছোড়াছুড়ি হয়েছে। বিস্তারিত পড়তে- এখানে ক্লিক করুন

    ১) বাংলায় বিধানসভা নির্বাচনের দিনক্ষণ ঘোষণা

    পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনের দিনক্ষণ ঘোষণা করল নির্বাচন কমিশন। এবার রাজ্যের মোট ২৯৪টি আসনে দুই দফায় ভোটগ্রহণ করা হবে। আর প্রথম দফার ভোট হবে ২৩ এপ্রিল, যেখানে ১৫২টি আসনে ভোট হবে। উত্তরবঙ্গ আর পশ্চিমের জেলায় এদিন ভোট হবে। যেমন দার্জিলিং থেকে শুরু করে কোচবিহার, মালদহ, মুর্শিদাবাদ, পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, বীরভূম। আর দ্বিতীয় দফার ভোট হবে ২৯ এপ্রিল। সেখানে ১৪২টি আসনে ভোট হবে দক্ষিণবঙ্গের বেশ কিছু জেলায়। যেমন নদীয়া, উত্তরা ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, হাওড়া, হুগলী, পূর্ব বর্ধমান এবং কলকাতায়। বিস্তারিত পড়তে- এখানে ক্লিক করুন

  • মার্চে বকেয়া DA-র কত শতাংশ পাবেন সরকারি কর্মীরা? জানুন

    মার্চে বকেয়া DA-র কত শতাংশ পাবেন সরকারি কর্মীরা? জানুন

    বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: অবশেষে মিটল অপেক্ষা (WB DA Latest Update)। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মেনে নিয়েই রাজ্যের সরকারি কর্মীদের বকেয়া DA দিতে চলেছে রাজ্য সরকার। রবিবার দুপুরেই নিজের X হ্যান্ডেলে সে কথা ঘোষণা করেছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষনার পরই একদিকে বকেয়া DA বা মহার্ঘ ভাতা পাবেন জেনে উচ্ছ্বসিত সরকারি কর্মী এবং অবসরপ্রাপ্তরা। অন্যদিকে, বকেয়া মহার্ঘ ভাতার ঠিক কত শতাংশ মার্চ মাসে দেওয়া হবে তা নিয়ে চিন্তিত অনেকেই। এবার সে বিষয়েই মুখ খুললেন রাজ্যের DA মামলাকারি মলয় মুখোপাধ্যায়।

    মার্চ মাসেই দেওয়া হবে বকেয়া DA

    আজ দুপুরে নিজের X হ্যান্ডেল থেকে একটি পোস্ট করে মুখ্যমন্ত্রী জানান, “আমি আনন্দের সাথে ঘোষনা করছি যে, আমাদের মা মাটি মানুষের সরকার সমস্ত সরকারি কর্মচারী ও পেনশনভোগীদের দেওয়া প্রতিশ্রুতি রাখলো। আমাদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের লক্ষ লক্ষ শিক্ষক, অশিক্ষক কর্মী, সেই সাথে পঞ্চায়েত এবং পৌর সংস্থা ও অন্যান্য সংস্থার কর্মীদেরও কথা রেখেছে আমাদের সরকার। রাজ্য সরকারের অর্থ দপ্তরের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ROPA 2009 হিসেবে বকেয়া মহার্ঘ ভাতা পাবেন তাঁরা। এই অর্থ মার্চ মাস থেকে অ্যাকাউন্টে ঢুকতে শুরু করবে।”

    মুখ্যমন্ত্রীর এমন ঘোষণার পরই এক ভিডিও বার্তায় ব্যাপক উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন রাজ্যের DA মামলাকারী মলয় মুখোপাধ্যায়। সেই সাথে রাজ্য সরকারের তরফে বকেয়া মহার্ঘ ভাতার ঘোষণার নেপথ্যে কনফেডারেশন অফ স্টেট গভারমেন্ট এমপ্লয়িজের দীর্ঘ আন্দোলন এবং লড়াইকে স্মরণ করিয়েছেন তিনি। পাশাপাশি রাজ্যের বকেয়া মহার্ঘ ভাতা প্রাপকদের অভিনন্দনও জানিয়েছেন মলয় বাবু। সেই সাথে প্রথম মাস অর্থাৎ মার্চ মাসে বকেয়া মহার্ঘ ভাতার কত শতাংশ দেওয়া হবে তা নিয়েও কথা বলেন তিনি।

    মার্চ মাসে বকেয়া DA র কত শতাংশ দেবে রাজ্য সরকার?

    মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষনার পরই বকেয়া DA নিয়ে কথা বলতে গিয়ে রাজ্যের DA মামলাকারি মলয় বাবু জানান, “সুপ্রিম কোর্টের তরফে আগেই জানিয়ে দেওয়া হয়েছে রাজ্য সরকারি কর্মীদের বকেয়া DA র অন্তত 25 শতাংশ এখনই মিটিয়ে দিতে হবে। বাকি বকেয়ার প্রথম কিস্তি কতটা দিতে পারবে 6 মার্চের মধ্যে কমিটির কাছে সেই পরিমাণ জানাতে হবে রাজ্য সরকারকে। এখন রাজ্য সরকার ঠিক কতটা বলেছে সেটা আমরা জানি না। অর্থাৎ 25 শতাংশের সাথে প্রথম কিস্তি যেটাই হোক সেটা যদি 10 শতাংশ হয় তবে 35 শতাংশ যদি 25 শতাংশ হয় তবে 50 শতাংশ বকেয়া ভাতা দেওয়া হবে মার্চ মাসের 31 তারিখের মধ্যে। এক কথায় বলা যেতে পারে, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মতো প্রথম 25 শতাংশ বকেয়া মহার্ঘ ভাতার সাথে সরকার প্রদত্ত প্রথম কিস্তির DA যুক্ত হয়ে মোট রাশি চলতি মাস শেষ হওয়ার আগেই হাতে পাবেন সরকারি কর্মী ও অবসরপ্রাপ্তরা।

    অবশ্যই পড়ুন: মিনিটে কাটা যাবে ১ লাখ ২৫ হাজার টিকিট, তৎকাল বুকিং নিয়েও ভোগান্তি দূর করছে রেল

    উল্লেখ্য, সুপ্রিম কোর্টের তরফে নির্দেশ সত্ত্বেও এতদিন রাজ্য সরকারি কর্মীদের বকেয়া মহার্ঘ ভাতা নিয়ে কোনও ঘোষণা আসছিল না রাজ্য সরকারের তরফে। যার কারণে ক্রমশ ক্ষোভ বাড়ছিল রাজ্যের কর্মীদের। এ নিয়ে গত শুক্রবার ধর্মঘটের ডাক দেয় সংগ্রামী যৌথ মঞ্চ। যদিও সেই ধর্মঘট সফল হয়নি। আর তার একদিন পর অর্থাৎ রবিবার দুপুরেই বকেয়া ভাতা দেওয়ার কথা ঘোষণা করে সরকারি কর্মীদের মুখে হাসি ফোটালেন মুখ্যমন্ত্রী।

  • ভোটের আগেই কল্পতরু মমতা, কর্মীদের বকেয়া DA দেওয়ার ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

    ভোটের আগেই কল্পতরু মমতা, কর্মীদের বকেয়া DA দেওয়ার ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

    সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: ভোট ঘোষণার আগেই একেবারে কল্পতরু হয়ে গেল পশ্চিমবঙ্গ সরকার। হ্যাঁ, এবার সরকারি কর্মচারীদের মুখে হাসি ফোটালো মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী ভোটের আগেই বকেয়া ডিএ (Dearness Allowance) দেবে রাজ্য সরকার। নিজেই এ কথা জানালেন মমতা। সেই অনুযায়ী, চলতি মার্চ মাসেই কর্মীদের অ্যাকাউন্টে এই বকেয়া ডিএ দেওয়া শুরু হবে। ভোট ঘোষণার কয়েক ঘণ্টা আগেই এ কথা জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।

    ভোটের আগে ডিএ দেবে রাজ্য

    বলে দিই, রাজ্যের সরকারি কর্মচারীদের বকেয়া ডিএ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই চলে আসছে আইনি জটিলতা। প্রথমে কলকাতা হাইকোর্ট রাজ্যকে সরকারি কর্মীদের ডিএ মেটানোর নির্দেশ দিয়েছিল। তবে সেই রায়কেই চ্যালেঞ্জ করে রাজ্য সরকার সুপ্রিম কোর্টে যায়। আর সেখানে অবিলম্বে ২৫ শতাংশ ডিএ মেটানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। এমনকি তার জন্য ছয় সপ্তাহ সময় বেঁধে দিয়েছিল দেশের সর্বোচ্চ আদালত। কিন্তু সেই সময়সীমার মধ্যে কোনও রকম ডিএ মেটাতে পারেনি রাজ্য। সেই কারণে সুপ্রিম কোর্টের কাছে আরও অতিরিক্ত ৬ মাস সময় চেয়েছিল নবান্ন। এই সময়সীমা শেষ হয়েছিল ২০২৫ এর সেপ্টেম্বর মাসে। এমনকি তখনো ডিএ মেটাতে ব্যর্থ হয় বাংলা।

    এদিকে গত ৫ ফেব্রুয়ারি বিচারপতি সঞ্জয় করোল এবং বিচারপতি মনোজ মিশ্রের বেঞ্চ স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছিল যে, যে করে হোক রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের বকেয়া ডিএ মেটাতেই হবে। আর আদালত ২৫ শতাংশ ডিএ মেটানোর জন্য মে মাস পর্যন্ত সময় বেঁধে দেয় এবং বলা হয় যে, দুই দফায় এই ২৫ শতাংশ ডিএ মেটাতে হবে। কিন্তু প্রথম কিস্তি অবশ্যই ৩১ মার্চের মধ্যে প্রদান করতে হবে। আর এবার ভোটের আগে সেই কথাই রাখল রাজ্য সরকার।

    আরও পড়ুন: লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের পর ভাতা বাড়ল পুরোহিত ও ইমামদের! এবার কত?

    এদিকে বকেয়া ডিএ দেওয়ার জন্য ৩ লক্ষ ১৭ হাজারের বেশি কর্মচারীর নথি খতিয়ে দেখতে হবে রাজ্যের অর্থ দফতরকে এমনটাই খবর। আর ২০১৬ সালের আগে পর্যন্ত যাদের তথ্য ডিজিটাল নেই তাদেরকে আবার নতুন করে সেই তালিকায় নথিভুক্ত করতে হবে। আর সেগুলো ডিজিটাইজ করতে সময় লাগছে বলেই জানিয়েছে রাজ্য। তবে তার আগেই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে বকেয়া ডিএ দেওয়ার ঘোষণা করলেন। তিনি এক্স হ্যান্ডেলে লিখেছেন, “আমি অত্যন্ত আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি, আমাদের মা মাটি মানুষ সরকার তাঁদের সকল কর্মচারী আর পেনশনভোগীদের বকেয়া ডিএ দেবে। যার মধ্যে শিক্ষক, অশিক্ষক কর্মী, পঞ্চায়েত, পৌরসভা এবং অন্যান্য স্থানীয় সংস্থার মতো প্রতিষ্ঠানের কর্মচারী রয়েছে। ২০১৬ সালের মার্চ মাস থেকে তাদের রোপা ২০০৯-এর বকেয়া মহার্ঘ ভাতা এই মাসেই ঢোকা শুরু হবে।

  • ১৮ মাসের বকেয়া DA মিলবে? যা জানল কেন্দ্র সরকার

    ১৮ মাসের বকেয়া DA মিলবে? যা জানল কেন্দ্র সরকার

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ ১৮ মাসের বকেয়া ডিএ (Dearness allowance) বা মহার্ঘ্য ভাতা কি আদৌ মিলবে? এই প্রশ্ন এখন সকল কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীর। ২০২০ এবং ২০২১ সালে কোভিড-১৯ মহামারীর সময় সরকার কেন্দ্রীয় কর্মচারী এবং পেনশনভোগীদের জন্য মহার্ঘ্য ভাতা/মহার্ঘ্য ত্রাণের তিনটি কিস্তি আটকে রেখেছিল। মহামারী শেষ হওয়ার পর, কর্মচারী ইউনিয়ন এবং কর্মচারী প্রতিনিধি সংস্থাগুলি মহামারী চলাকালীন আটকে রাখা DA-র ১৮ মাসের বকেয়া বেতন পরিশোধের জন্য কেন্দ্রের উপর চাপ বাড়িয়েই চলেছে। তবে এখনও অবধি সেই টাকা মেলেনি। আদৌ কি মিলবে? জবাব দিল কেন্দ্র।

    ১৮ মাসের বকেয়া ডিএ শোধ করবে কেন্দ্র?

    এই বিষয়টি সংসদেও বেশ কয়েকবার উত্থাপিত হয়েছিল, কিন্তু মোদী সরকার বলেছিল যে অর্থনৈতিক অস্থিরতার কারণে তারা কর্মচারীদের বকেয়া ডিএ দিতে পারবে না। ২০২০ সালের মার্চ মাসে যখন কোভিড-১৯ এর প্রথম ঢেউ দেশে আঘাত হানে, তখন আর্থিক পরিস্থিতির উপর চাপ কমাতে সরকার কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারী এবং পেনশনভোগীদের জন্য ডিএ এবং ডিআর বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত পিছিয়ে দেয়। পরবর্তীকালে, ডিএ-ডিআর বৃদ্ধি তিনটি কিস্তিতে স্থগিত করা হয়েছিল – জানুয়ারি ২০২০, জুলাই ২০২০ এবং জানুয়ারি ২০২১। এই স্থগিত মোট ১৮ মাস স্থায়ী ছিল। এদিকে অর্থ বর্ষ শেষ হওয়ার আগে ফের বিষয়টি নিয়ে সরব হয়েছেন সরকারি কর্মীরা। টাকা মিলবে? জবাব দিল কেন্দ্র।

    কী বলছে কেন্দ্র?

    কোভিড-১৯ পরবর্তী সময়ে কর্মচারীরা আশাবাদী ছিলেন যে সরকার ১৮ মাসের বকেয়া ডিএ পরিশোধ করবে। কর্মচারী সংগঠনগুলি এই দাবিটি বেশ কয়েকবার উত্থাপন করেছে। তবে, প্রতিটি সংসদ অধিবেশনে যখনই এই প্রশ্নটি জিজ্ঞাসা করা হয়েছে, সরকার একই উত্তর দিয়েছে, বকেয়া পরিশোধের কোনও পরিকল্পনা নেই। কেন্দ্রীয় সরকার সংসদে ধারাবাহিকভাবে বলে আসছে যে ১৮ মাসের বকেয়া ডিএ পরিশোধের কোনও ইচ্ছা তাদের নেই। সম্প্রতি আবারও সংসদে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল যে কোভিড-১৯-এর সময় কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারী এবং পেনশনভোগীদের ১৮ মাসের মহার্ঘ্য ভাতা এবং মহার্ঘ্য ত্রাণ স্থগিত করার সিদ্ধান্ত কি অর্থনৈতিক ব্যাঘাত এবং সরকারি অর্থের উপর চাপ কমানোর জন্য নেওয়া হয়েছিল?

    আরও পড়ুনঃ সেবক-রংপো রেল প্রকল্পের শেষ হল বড় কাজ, কবে ছুটবে ট্রেন?

    উত্তরে অর্থ মন্ত্রক বলেছে যে, “সরকারি অর্থায়নের উপর চাপ কমানোর জন্য, কোভিড-১৯-এর কারণে সৃষ্ট অর্থনৈতিক ব্যাঘাতের প্রেক্ষাপটে, কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারী/পেনশনভোগীদের ১৮ মাসের মহার্ঘ্য ভাতা (DA)/মহার্ঘ্য ত্রাণ (DR) এর তিনটি কিস্তি স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। এখনও অবধি মহার্ঘ্য ভাতার বকেয়া অর্থ প্রদান করা সম্ভব বলে মনে করা হয়নি।” অপরদিকে কর্মচারী ইউনিয়নগুলির যুক্তি, এই পরিমাণ কর্মীদের অধিকার এবং এটি আটকে রাখা যথাযথ নয়। বেশ কয়েকটি সংগঠন দাবি করেছে যে অষ্টম বেতন কমিশন কার্যকর হওয়ার সাথে সাথেই সরকারকে ১৮ মাসের বকেয়া ডিএ পরিশোধ করতে হবে।