Tag: Dearness Allowance

  • মিলতে পারে ১৫ লক্ষ টাকা! ৩১ মার্চের পর বকেয়া DA নিয়ে সুখবর শোনাবে সরকার?

    মিলতে পারে ১৫ লক্ষ টাকা! ৩১ মার্চের পর বকেয়া DA নিয়ে সুখবর শোনাবে সরকার?

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ অষ্টম বেতন পে কমিশন (8th Pay Commission) নিয়ে অপেক্ষার মাঝেই সামনে এল সুখবর। কপাল ভালো থাকলে মিলতে পারে ১৫ লক্ষ টাকা অবধি বকেয়া। শুনে চমকে গেলেন তো? কিন্তু বিভিন্ন সূত্র মারফত এমনটাই শোনা যাচ্ছে। যত সময় এগোচ্ছে লক্ষ লক্ষ কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারী ও পেনশনভোগীদের মধ্যে অষ্টম বেতন কমিশন নিয়ে উত্তেজনা বাড়ছে। এসবের মাঝেই বকেয়া টাকা কে কত পেতে পারেন সেটা নিয়ে একটি রিপোর্ট সামনে এসেছে।

    কে কত বকেয়া পেতে পারেন?

    সাম্প্রতিক এক রিপোর্ট অনুসারে, কমিশনের সুপারিশগুলি বাস্তবায়িত হলে কর্মচারীরা ২০ মাসের বকেয়া বেতন পেতে পারেন। এই টাকার পরিমাণ প্রায় ৩.৬ লক্ষ থেকে ১৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত হতে পারে, যা কর্মচারীদের জন্য একটি বড় স্বস্তি হিসেবে প্রমাণিত হতে পারে। বিভিন্ন বেতন স্তরের কর্মচারীরা বিভিন্ন পরিমাণে বকেয়া পেতে পারেন। কম মূল বেতনের কর্মচারীরা বেশি সুবিধা পাবেন বলে আশা করা হচ্ছে। উদাহরণ হিসেবে বললে, লেভেল ১,যাদের মূল বেতন ১৮,০০০ টাকা, সেই সকল কর্মচারীরা ৩.৬ লক্ষ থেকে ৫.৬৫ লক্ষ টাকার মধ্যে পেতে পারেন। অন্যদিকে, লেভেল ৮ যাদের মূল বেতন মূল বেতন ৪৭,৬০০ টাকা, সেসব কর্মচারীরা ৯.৫ লক্ষ থেকে ১.৫ মিলিয়ন টাকার মধ্যে পেতে পারেন।

    বড় ভূমিকা পালন করবে ফিটমেন্ট ফ্যাক্টর

    অষ্টম বেতন কমিশনে ফিটমেন্ট ফ্যাক্টর একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। সপ্তম বেতন কমিশনে এটি ছিল ২.৫৭, কিন্তু এবার সরকার ২.০ এবং ২.৫৭-এর মধ্যে বিভিন্ন বিকল্প বিবেচনা করছে। এদিকে, কর্মচারী সংগঠনগুলো এটিকে ৩.০ থেকে ৩.২৫ পর্যন্ত বৃদ্ধির দাবি জানাচ্ছে। এই দাবি মেনে নেওয়া হলে, ন্যূনতম মূল বেতন ১৮,০০০ টাকা থেকে বেড়ে ৫৪,০০০ টাকা হতে পারে, যা কর্মচারীদের জন্য একটি উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন হবে।

    আরও পড়ুনঃ কাটবে LPG সংকট, রাজ্যগুলিতে ২০% গ্যাস সরবরাহ বাড়ানোর ঘোষণা কেন্দ্রের

    এখন সকলের প্রশ্ন, কবে লাগু হবে অষ্টম বেতন পে কমিশন? একটি নতুন বেতন কমিশন সাধারণত প্রতি ১০ বছর পর পর গঠিত হয়। এই রীতি অনুসরণ করে, অষ্টম বেতন কমিশনের সুপারিশগুলো ২০২৬ সালের ১ জানুয়ারি থেকে কার্যকর হবে বলে আশা করা হচ্ছে। এই কমিশনের প্রধান হলেন বিচারপতি রঞ্জনা প্রকাশ দেশাই এবং এটি ১৮ মাসের মধ্যে তার রিপোর্ট জমা দেবে বলে আশা করা হচ্ছে। এরপর সরকার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে এবং নতুন বেতন কাঠামোটি কার্যকর করবে।

  • DA কাণ্ডে রাজ্যের কাছে গেল কড়া চিঠি, চাপে পড়বে নবান্ন?

    DA কাণ্ডে রাজ্যের কাছে গেল কড়া চিঠি, চাপে পড়বে নবান্ন?

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ বিধানসভা ভোটের মুখে সরকারের গলায় ডিএ বিষয় (Bengal DA Issue) যেন কাঁটার মতো হয়ে আছে। বকেয়া ডিএ মিটিয়ে দেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হলে সরকারের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রশমন হওয়ার নামই নিচ্ছে না সরকারি কর্মীদের। শীঘ্রই যদি বকেয়া টাকা না মেটানো হয় তাহলে ফল ভালো হবে না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন আন্দোলনকারীরা। চলতি মার্চ মাসেই বকেয়া মহার্ঘ্য ভাতার প্রথম কিস্তি দেওয়ার কথা। কিন্তু এখনও অবধি সেই টাকা মেটানোর বিষয়ে কোনও উচ্চবাচ্য করেনি সরকার। যাইহোক, এরই মাঝে অর্থ দফতরের অতিরিক্ত মুখ্যসচিবের কাছে মেল দেওয়া হল সরকারি কর্মীদের পক্ষ থেকে।

    DA নিয়ে সরকারকে চিঠি

    কনফেডারেশন অফ স্টেট গভর্নমেন্ট এমপ্লয়িজের সাধারণ সম্পাদক মলয় মুখোপাধ্যায় মেলের একটা ছবি ফেসবুকে তুলে ধরেন। সেইসঙ্গে লেখেন, ‘সকলের জন্য ডিএ চাই। অর্থ দফতরের অতিরিক্ত মুখ্যসচিবের কাছে মেল মারফত পত্র।’ মেল অনুযায়ী,

    (১) আপনার স্মারক নং ৩৯৬-এফ(পি), ১৯৯-এফ(পি) এবং ১৯৮-এফ(পি) আদেশনামা গত ৩০.০১.২০২৬ তারিখে জারি হয়েছে এবং ০৬.০২.২০২৬ তারিখের মধ্যে কার্যকর করার কথা বলা হয়েছে। এটি একটি দীর্ঘদিনের বিষয়। ঘটনাক্রমে আদেশনামাটি ০১.০২.২০২৬ থেকে ০৬.০২.২০২৬ রাত ৮টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত গোপন রাখা হয়েছিল, যা বিধানসভা নির্বাচনের কোড অব কন্ডাক্ট জারির ৪০ মিনিট আগে (০৬.০২.২০২৬) মুখ্যমন্ত্রীকে নাটকীয়ভাবে ঘোষণা করার সুযোগ করে দিতে পরিকল্পিতভাবে করা হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে এবং এর কোনও সদুত্তর এখনও পাওয়া যায়নি।

    (২) আদেশনামা নং ৩৯৮-এফ(পি), ৩০.০১.২০২৬-এর ৮ নম্বর অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে—
    “The modalities for release of arrears of Dearness Allowance/Dearness Relief, as applicable, may be notified by the respective Administrative Departments thereafter with the concurrence of Finance Department.”

    অর্থাৎ সংশ্লিষ্ট প্রশাসনিক দপ্তরগুলিকে এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলা হলেও এখনও পর্যন্ত কোনও দৃশ্যমান অগ্রগতি নেই। এর ফলে কর্মরত ও অবসরপ্রাপ্ত রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের মধ্যে চরম অসন্তোষ বিরাজ করছে।

    (৩) উপরন্তু, আদালতের নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও রাজ্য কোষাগার থেকে বেতন/পেনশন প্রাপ্য সকল কর্মচারী একসঙ্গে সুপ্রিম কোর্টের রায়ের সুফল থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন—যা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক।

    (৪) আদেশনামা নং ৩৯৮-এফ(পি), ৩০.০১.২০২৬ অনুযায়ী ‘Rule making authority’ সংক্রান্ত প্রক্রিয়া নির্ধারণ করা হলেও তা এখনও বাস্তবায়িত হয়নি।

    (৫) এপ্রিল ২০০৮ থেকে ডিসেম্বর ২০১৯ পর্যন্ত বেতন/পেনশনের তথ্য এইচ.আর.এম.এস পোর্টালে আপলোডের বিষয়ে দপ্তরের নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও সেই কাজ সম্পূর্ণ হয়নি। ফলে কর্মচারীদের প্রাপ্য বকেয়া নির্ধারণে সমস্যা সৃষ্টি হচ্ছে।

    আরও পড়ুনঃ পার্ক সার্কাস নয়, শিয়ালদা ডিভিশনের সবথেকে নোংরা স্টেশন কোনটি জানলে অবাক হবেন

    (৬) আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী এপ্রিল ২০০৮ থেকে ডিসেম্বর ২০১৯ পর্যন্ত বেতন/পেনশনের তথ্যভান্ডার প্রস্তুত করা জরুরি হলেও, বাস্তবে তা কার্যকর হয়নি—এটি অত্যন্ত দুঃখজনক। অতএব, উপরোক্ত বিষয়গুলি বিবেচনা করে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আপনার নিকট বিশেষভাবে আবেদন জানাচ্ছি।

  • পশ্চিমবঙ্গ সরকারের DA বিজ্ঞপ্তিতেও ভিজল না চিঁড়ে, এবার কলকাতা হাইকোর্টে নতুন মামলা

    পশ্চিমবঙ্গ সরকারের DA বিজ্ঞপ্তিতেও ভিজল না চিঁড়ে, এবার কলকাতা হাইকোর্টে নতুন মামলা

    সহেলি মিত্র, কলকাতা: পঞ্চম বেতন পে কমিশনের আওতায় এখনো অবধি ডিএ (Dearness allowance)-র প্রথম কিস্তি টাকা পাননি সরকারি কর্মীরা। অপরদিকে শীঘ্রই সপ্তম পেতন পে কমিশন লাগু হবে বলে নিজেদের ইস্তেহারে ঘোষণা করেছে তৃণমূল। এক কথায় যত সময় এগোচ্ছে ততই বকেয়া DA বা মহার্ঘ্য ভাতা নিয়ে পশ্চিমবঙ্গে উত্তেজনার পারদ ক্রমশ চড়ছে। তবে এসবের মাঝেই এবার ষষ্ঠ বেতন পে কমিশনের (6th Pay Commission) মামলা গড়াল কলকাতা হাইকোর্টে (Calcutta High Court)। শুনে চমকে গেলেন তো? কিন্তু এটাই সত্যি। কেন্দ্রের সঙ্গে রাজ্য সরকারের তুলনা টেনে এনে এবার আদালতেই মামলা করলেন সরকারি কর্মীরা। অর্থাৎ বিধানসভা ভোটের মুখে নতুন এক চাপের মুখে পশ্চিমবঙ্গ সরকার।

    এবার হাইকোর্টে ষষ্ঠ বেতন পে কমিশন মামলা

    ষষ্ঠ বেতন পে কমিশন নিয়ে মামলা করেছে ‘ইউনিটি ফোরাম’ নামের একই সংগঠন। বিচারপতি মধুরেশ প্রসাদের ডিভিশন বেঞ্চে এই মামলা দায়ের করা হয়েছে। সংগঠনের তরফে মামলায় দাবি করা হয়েছে। ষষ্ঠ বেতন কমিশনের প্রথম কিস্তির ডিএ অল ইন্ডিয়া প্রাইস ইনডেক্স (AICPI) অনুযায়ী নির্ধারণ করতে হবে। জানিয়ে রাখি, বর্তমানে কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীরা ৫৮% হারে ডিএ পাচ্ছেন। সেখানে বাংলার সরকারি কর্মীরা এতদিন ১৮ শতাংশ হারে মহার্ঘ্য ভাতা পাচ্ছিলেন। তবে রাজ্য বাজেটে আরও ৪ শতাংশ ডিএ বৃদ্ধির ঘোষণা করে পশ্চিমবঙ্গ সরকার। অর্থাৎ সরকারি কর্মীরা এখন ২২ শতাংশ হারে ডিএ পাবেন। তারপরেও কেন্দ্রের সঙ্গে বাংলার সরকারের ডিএ ফারাক ৪০%, যা নিঃসন্দেহে চোখে পড়ার মতো।

    আরও পড়ুনঃ বকেয়া DA থেকে নতুন পে কমিশন, বড় ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা

    বিস্ফোরক দাবি আবেদনকারীদের

    অর্থাৎ পঞ্চম বেতন কমিশনের পাশাপাশি এখন ষষ্ঠ বেতন পে কমিশন নিয়েও আইনি লড়াইয়ে ফাঁসল পশ্চিমবঙ্গ সরকার। আবেদনকারীদের বক্তব্য, কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীদের তুলনায় এখনও প্রায় ৪০ শতাংশ কম ডিএ পাচ্ছেন রাজ্যের কর্মীরা। এই বৈষম্য দূর করতেই আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন তাঁরা। এর আগে পঞ্চম বেতন কমিশনের বকেয়া ডিএ সংক্রান্ত মামলার রায়ে সুপ্রিম কোর্ট স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছিল, ভবিষ্যতে ডিএ নির্ধারণ করতে হবে অল ইন্ডিয়া প্রাইস ইনডেক্স মেনেই। কিন্তু সেই নির্দেশ বাস্তবায়িত হয়নি বলেই অভিযোগ। এই পরিস্থিতিতে নতুন করে ষষ্ঠ বেতন কমিশনের ক্ষেত্রেও একই নীতি কার্যকর করার দাবিতে হাইকোর্টে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

    সূত্রের খবর, আগামী ৬ এপ্রিল এই মামলার প্রথম শুনানি হতে পারে। অর্থাৎ বিধানসভা ভোটের মুখে আরও একটা কমিশন সংক্রান্ত মামলা। এদিকে সরকার সপ্তম বেতন পে কমিশন লাগুর বিষয়ে বড় তথ্য দিয়েছে সরকার। সরকার ইস্তেহারে সপ্তম বেতন পে কমিশন চালুর প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। সরকার জানিয়েছে, রাজ্যে নতুন পে কমিশন গঠন করে সরকারি কর্মচারী, শিক্ষক, পেনশনভোগী এবং অনুদানপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের বেতন কাঠামোয় সামঞ্জস্য আনা হবে। এরইসঙ্গে সকল কর্মীদের মন জয় করার স্বার্থে ডিএ ছাড়াও একের পর এক কাজ করছে সরকার। অর্থ বিশেষজ্ঞদের মতে, সপ্তম পে কমিশন চালু হলে ডিএ-সহ অন্যান্য ভাতা এবং বেতনের গঠন নতুন করে নির্ধারিত হতে পারে। ফলে দীর্ঘমেয়াদে কর্মচারীদের আর্থিক অবস্থার উন্নতির সম্ভাবনা তৈরি হবে। যদিও এই প্রক্রিয়া কবে শুরু হবে, আদৌ শুরু হবে কিনা তা এখনই জোর দিয়ে বলা সম্ভব হচ্ছে না।

     

  • বকেয়া DA থেকে নতুন পে কমিশন, বড় ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা

    বকেয়া DA থেকে নতুন পে কমিশন, বড় ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ বকেয়া ডিএ (Dearness allowance) নিয়ে অপেক্ষা যেন শেষ হওয়ার নামই নিচ্ছে না বাংলার সরকারি কর্মীদের। ইতিমধ্যে সুপ্রিম কোর্টের রায় মেনে চলতি মার্চ মাসে প্রথম কিস্তির টাকা দেওয়ার ঘোষণা করেছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার। আরও একটি কিস্তির টাকা চলতি বছরের সেপ্টেম্বর মাসে রিলিজ করা হবে বলে খবর। যদিও সরকারের ওপর ভরসা রাখতে পারছেন না কর্মীরা। যাইহোক, এরই মাঝে ভোটের মুখে ইস্তেহার প্রকাশ করল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার। সেই ইস্তেহারে DA মেটানো থেকে শুরু করে সপ্তম বেতন পে কমিশন (7th Pay Commission) চালু এবং সামগ্রিক বেতন কাঠামো পুনর্বিন্যাসের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

    ইস্তেহারে সপ্তম বেতন পে কমিশন চালুর প্রতিশ্রুতি

    সম্প্রতি বাংলায় বিধানসভা ভোটের দিনক্ষণ ঘোষণার আগে বড় ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি জানান, ২০০৯ রোপা অনুযায়ী বকেয়া ডিএ ধাপে ধাপে মেটানো হবে। এই সংক্রান্ত একটি বিজ্ঞপ্তি অবধি জারি করে রাজ্য অর্থ দফতর। সেখানে বলা হয়, ২০১৬ থেকে ২০১৯ সাল অর্থাৎ মাত্র ৪৮ মাসের বকেয়া টাকা মেটানো হবে কর্মীদের। বাকিটা কবে কী দেওয়া হবে তা পরে জানানো হবে। যাইহোক, এদিকে ইস্তেহারে কিন্তু কেন্দ্রীয় হারে ডিএ সংক্রান্ত কোনও উল্লেখ করা হয়নি। বলা হয়েছে, যেহেতু কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে এই রাজ্যের বিপুল পরিমাণ বকেয়া টাকা আটকে রয়েছে, বাড়ছে আর্থিক চাপ। ফলে এক কালীন বা বিশাল বড় অঙ্কের ডিএ দেওয়া যাচ্ছে না। কিন্তু সরকার ইস্তেহারে সপ্তম বেতন পে কমিশন চালুর প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।

    আরও পড়ুনঃ হাওড়া-শিয়ালদা লাইনে বাতিল ৪৭টি লোকাল, বহু ট্রেনের সময়ও বদলাল রেল

    তবে কি শীঘ্রই লাগু হচ্ছে? বেতন, পেনশন বাড়ছে? সরকার জানিয়েছে, রাজ্যে নতুন পে কমিশন গঠন করে সরকারি কর্মচারী, শিক্ষক, পেনশনভোগী এবং অনুদানপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের বেতন কাঠামোয় সামঞ্জস্য আনা হবে। এরইসঙ্গে সকল কর্মীদের মন জয় করার স্বার্থে ডিএ ছাড়াও একের পর এক কাজ করছে সরকার। অর্থ বিশেষজ্ঞদের মতে, সপ্তম পে কমিশন চালু হলে ডিএ-সহ অন্যান্য ভাতা এবং বেতনের গঠন নতুন করে নির্ধারিত হতে পারে। ফলে দীর্ঘমেয়াদে কর্মচারীদের আর্থিক অবস্থার উন্নতির সম্ভাবনা তৈরি হবে। যদিও এই প্রক্রিয়া কবে শুরু হবে, আদৌ শুরু হবে কিনা তা এখনই জোর দিয়ে বলা সম্ভব হচ্ছে না।

  • অষ্টম পে কমিশনে DA ফর্মুলা পরিবর্তন! কত বাড়বে বেতন, পেনশন? রইল হিসেব

    অষ্টম পে কমিশনে DA ফর্মুলা পরিবর্তন! কত বাড়বে বেতন, পেনশন? রইল হিসেব

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ অষ্টম বেতন পে কমিশন নিয়ে উত্তেজনার পারদ চড়ছে সরকারি কর্মীদের মধ্যে। কবে লাগু হবে হবে? বেতন কত বাড়বে? ডিএ (Dearness Allowance) ফর্মুলা কী হবে? উঠছে প্রশ্ন। এসবের মাঝেই এখন অষ্টম বেতন কমিশনের (8th Pay Commission) ফিটমেন্ট ফ্যাক্টর বিষয়ে একটি বড় আপডেট সামনে এসেছে । পেনশনভোগীরা একটি নতুন ‘হাইব্রিড ফর্মুলা’র প্রস্তাব দিয়েছেন, যার ফলে বেতন ও পেনশনে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন আসতে পারে। সেইসঙ্গে ডিএ নিয়েও সামনে এসেছে নয়া আপডেট যা সকলের জেনে রাখা উচিৎ।

    কী হবে DA ফর্মুলা?

    অষ্টম বেতন কমিশন এখনও প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে, কর্মচারী ও পেনশনভোগীদের সংগঠনগুলোর পক্ষ থেকে উপযুক্ততা যাচাইয়ের বিষয়ে চাপ বাড়তে শুরু করেছে। ফিটমেন্ট ফ্যাক্টর (Fitment Factor) হলো সেই একই গুণক, যার মাধ্যমে পুরোনো মূল বেতন নতুন বেতনে রূপান্তরিত করা হয় এবং এটিই পেনশন ও অন্যান্য ভাতার বৃদ্ধি নির্ধারণ করে। অল ইন্ডিয়া ট্রেড ইউনিয়ন কংগ্রেস (এআইটিইউসি) সহ বেশ কয়েকটি কর্মচারী সংগঠন ক্রমবর্ধমান জীবনযাত্রার ব্যয়ের পরিপ্রেক্ষিতে বর্তমান ব্যবস্থাটি পুনর্বিবেচনা করার জন্য সরকারকে অনুরোধ করেছে। তাই, বেতন ও পেনশন নির্ধারণের পদ্ধতিটি পুনরায় খতিয়ে দেখা উচিত। যদিও সরকার ডিএ ফর্মুলায় পরিবর্তন আনার বিষয়ে এখনও কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করেনি।

    কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারী ও পেনশনভোগীদের বেতনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো ডিএ। মুদ্রাস্ফীতির তথ্যের ভিত্তিতে বছরে দুবার, জানুয়ারি ও জুলাই মাসে, এটি সংশোধন করা হয়। কর্মচারী সংগঠনগুলোর মতে, বর্তমান সূত্রটি এখন আর প্রকৃত ব্যয়কে সঠিকভাবে প্রতিফলিত করে না। কর্মচারী ইউনিয়নগুলোর যুক্তি হলো, সময়ের সাথে সাথে জীবনযাত্রার ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেলেও ডিএ (DA) গণনার ভিত্তি মূলত একই রয়ে গেছে। তাদের প্রধান দাবি হলো পরিবারের সদস্য সংখ্যায় পরিবর্তন। বর্তমানে, এই সূত্র অনুযায়ী একটি পরিবারকে তিনটি ভোগ একক হিসেবে বিবেচনা করা হয়। কর্মচারী ইউনিয়নগুলো চায়, নির্ভরশীল বাবা-মায়ের মতো খরচগুলো অন্তর্ভুক্ত করার জন্য এই সদস্য সংখ্যা বাড়িয়ে ৫ করা হোক।

    শিল্প শ্রমিকদের জন্য সর্বভারতীয় ভোক্তা মূল্য সূচক (AICPI-IW)-এর উপর ভিত্তি করে ডিএ (DA) গণনা করা হয়। মুদ্রাস্ফীতির উপর ভিত্তি করে এই শতাংশ নির্ধারণ করা হয় এবং মূল বেতনের উপর প্রয়োগ করা হয়। বর্তমানে, জুলাই ২০২৫ থেকে ডিএ হল ৫৮ শতাংশ। জানুয়ারি ২০২৬-এর মধ্যে ২ থেকে ৩ শতাংশ বৃদ্ধির সম্ভাবনা রয়েছে, যা এটিকে সম্ভাব্যভাবে ৬০ শতাংশ বা তারও বেশি নিয়ে যেতে পারে।

    বেতন বাড়বে?

    সরকার ডিএ (DA) সূত্র পরিবর্তন করলে তা বেতন ও পেনশনের উপর উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলতে পারে। পারিবারিক ভোগ ইউনিটের সংখ্যা তিন থেকে বাড়িয়ে পাঁচ করা হলে ন্যূনতম মজুরি ১৮,০০০ টাকা থেকে বেড়ে ৩০,০০০ টাকার বেশি হতে পারে। যেহেতু ডিএ মূল বেতনের একটি শতাংশ, তাই মূল বেতন বাড়লে ডিএ এবং পেনশন উভয়ই বাড়বে।

    কত ফিটমেন্ট ফ্যাক্টর দাবি করা হয়েছিল?

    ফেডারেশন অফ ন্যাশনাল পোস্টাল অর্গানাইজেশনস (FNPO) প্রাথমিকভাবে ৩.০-এর একটি ফিটমেন্ট ফ্যাক্টরের আহ্বান জানিয়েছিল। ২০২৫ সালের একটি রিপোর্টের পরিসর ১.৮২ থেকে ২.৪৬ পর্যন্ত হওয়ার পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছিল। এদিকে, রেলওয়ে প্রবীণ নাগরিক কল্যাণ কমিটি ২০২৬ সালের ১৪ই মার্চ কমিশনের চেয়ারপার্সনের কাছে একটি নতুন প্রস্তাব জমা দিয়েছে। কমিশনের ১৮টি প্রশ্ন সম্বলিত প্রশ্নমালার জবাবে এই পরামর্শটি পাঠানো হয়েছে। এই সংস্থাটি বলছে,সামঞ্জস্য গুণকটি এমন হওয়া উচিত, যা মুদ্রাস্ফীতি এবং পরিবর্তনশীল অর্থনৈতিক অবস্থার কারণে কর্মচারীদের, বিশেষ করে পেনশনভোগীদের, প্রকৃত আয়ের হ্রাসকে পূরণ করতে পারে।

    ফিটমেন্ট ফ্যাক্টরের হাইব্রিড সূত্রটি কী?

    সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, কমিটি ফিটমেন্ট ফ্যাক্টর নির্ধারণের জন্য একটি ‘হাইব্রিড মডেল’ গ্রহণের সুপারিশ করেছে। এই মডেলটি তিনটি পুরোনো পদ্ধতির সমন্বয়ে গঠিত: ডঃ ওয়ালেস অ্যাকরয়েডের সূত্র, সপ্তম বেতন কমিশনের পদ্ধতি এবং পঞ্চম বেতন কমিশনের কনস্ট্যান্ট রিলেটিভ ইনকাম মডেল।

  • নতুন চাপে পশ্চিমবঙ্গ সরকার, ফের সুপ্রিম কোর্টে যেতে পারে DA মামলা

    নতুন চাপে পশ্চিমবঙ্গ সরকার, ফের সুপ্রিম কোর্টে যেতে পারে DA মামলা

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ বিধানসভা ভোটের মুখে ফের চাপ বাড়তে চলেছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার (Government of West Bengal)। কীসের চাপ? ডিএ নিয়ে নতুন চাপ (Bengal DA Case) তৈরি হতে পারে সরকারের বলে খবর। একদিকে যখন বাংলায় নির্বাচনের দামামা বেজে গিয়েছে, তখন অন্যদিকে সরকারি কর্মীদের ডিএ সংক্রান্ত লড়াইও কিন্তু জারি রয়েছে। একদিকে যখন শাসক দলে ভোটের কাজে ব্যস্ত, গতখন অন্যদিকে সুদ সহ ডিএ ফেরানোর মামলা করতে চলেছেন রাজ্য সরকারি কর্মীরা। হ্যাঁ একদম ঠিক শুনেছেন। কানাঘুষো এমনটাই শোনা যাচ্ছে।

    DA মামলায় নয়া পদক্ষেপ নিতে পারে সরকারি কর্মীরা

    সরকারের অর্থ দফতরের তরফে ইতিমধ্যে বকেয়া ডিএ সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে। সেই বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ২০১৬ থেকে ২০১৯ সাল অবধি বকেয়া ডিএ দুই কিস্তিতে মেটানো হবে। একটা চলতি মার্চ মাসে অন্যটি সেপ্টেম্বর মাসে। বাকি টাকা কবে কীভাবে মেটানো হবে তা পরবর্তীকালে জানানো হবে। অর্থাৎ মাত্র ৪৮ মাসের টাকা মেটানোর ঘোষণা করেছে সরকার। তাও আবার সকলে নিজেদের ব্যাঙ্কে পাবেন না কিন্তু। সরকার জানিয়েছে, গ্রুপ ‘এ’, ‘বি’ এবং ‘সি’-এর বকেয়া তাদের জিপিএফ অ্যাকাউন্টে জমা করা হবে, আর গ্রুপ ‘ডি’-এর কর্মচারীদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে টাকা সরাসরি ট্রান্সফার করা হবে। এখন মনে হচ্ছে, এই বিষয়টিই সরকারি কর্মী থেকে শুরু করে পেনশনভোগীরা হজম করতে পারছেন না। ফলে আরও এক পদক্ষেপ নিতে চলেছেন সকলে। যৌথ সংগ্রামী মঞ্চের তরফে নাকি সুপ্রিম কোর্টে আবেদন করা হচ্ছে, ২০০৮ থেকে ২০১৬ সাল অবধি সরকার যাতে বকেয়া ডিএ সুদ সহ দেয় সেই ব্যবস্থা করতে। এই নিয়ে এবার মুখ খুললেন সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের আহ্বায়ক ভাস্কর ঘোষ।

    আরও পড়ুনঃ ভাড়া কমল উত্তরবঙ্গগামী এই ট্রেনের

    তিনি জানালেন, ‘মামলার শুনানির দিন আমাদের আইনজীবীকে দিয়ে আদালতকে সুদের বিষয়টি বলা করানো হয়েছিল। কম্পাউন্ড সুদ যাতে দেওয়া হয়, সেই আবেদন আমরা জানিয়েছিলাম শীর্ষ আদালতে। পরবর্তীকালে আমরা দেখি এই বিষয়টি খারিজ হয়নি। ফলে এখন ২০০৮ থেকে ২০১৬ সালের বকেয়া ডিএর সঙ্গে সুদটাও আদায় করা যায় কিনা তা নিয়ে আমরা আমাদের সিনিয়র আইনজীবীদের সঙ্গে আলোচনা করছি। তিনি যা মতামত দেবেন আমরা সেই অনুযায়ীই এগিয়ে যাবো।’

  • লটারি লাগল রেল কর্মীদের! ৫০% DA বৃদ্ধির পর এবার ২৫ শতাংশ বাড়ছে KMA

    লটারি লাগল রেল কর্মীদের! ৫০% DA বৃদ্ধির পর এবার ২৫ শতাংশ বাড়ছে KMA

    বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: নতুন বছর পড়তে না পড়তেই একের পর এক সুখবর পাচ্ছেন রেল কর্মীরা (Indian Railways)। সম্প্রতি কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে মহার্ঘ ভাতা বৃদ্ধির পর এবার রেলের লোকো পাইলট এবং গার্ডদের KMA ভাতা বাড়াল কেন্দ্রীয় সরকার। সেই মর্মেই মিলেছে সবুজ সংকেত। অল ইন্ডিয়া রেলওয়ে ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক শিব গোপাল মিশ্র ইতিমধ্যেই রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণবের (Ashwini Vaishnaw) সঙ্গে দেখা করে এই সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন। আর তারপরই নাকি রেল মন্ত্রকের তরফে এই বিশেষ ভাতা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে।

    আনুষ্ঠানিক ঘোষণার অপেক্ষা

    প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, অল ইন্ডিয়া রেলওয়ে ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদকের সাথে সাক্ষাতের পরই রেলের লোকো পাইলট এবং গার্ড অর্থাৎ কর্মীদের কিলোমিটার ভাতা বা KMA বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত নেন রেলমন্ত্রী। জানা যাচ্ছে, রেলমন্ত্রকের তরফে নীতিগতভাবে এই বৃদ্ধিতে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। সব ঠিক থাকলে আজ সন্ধ্যা বা আগামীকালের মধ্যেই রেলওয়ে বোর্ড এ সংক্রান্ত আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেবে।

    রেলওয়ে ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদকের তরফে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, রেলমন্ত্রক এবার কর্মীদের KMA ভাতা এক ধাক্কায় 25 শতাংশ বাড়াবে। আর সেটা হলে লোকো পাইলট ও গার্ডদের মাসিক বেতনের মধ্যে একটা বড় ফারাক তৈরি হবে সে কথা বলাই যায়। বলে রাখি, প্রতি 100 কিলোমিটারের হিসেবে এই বিশেষ ভাতা দেওয়া হয়ে থাকে।

     

    অবশ্যই পড়ুন: ভোটের আগে অন্য খেলা! শুভেন্দু হাইকোর্টে যেতেই শোরগোল

    এতদিন যেখানে মেল অথবা এক্সপ্রেস ট্রেনের লোকো পাইলটরা প্রতি 100 কিলোমিটার দূরত্বে 530 টাকা ভাতা পেতেন এবার সেটা 25 শতাংশ বেড়ে 662 টাকা 50 পয়সা হচ্ছে। একই সাথে প্যাসেঞ্জার বা মেমু প্যাসেঞ্জার ট্রেনের লোকো পাইলটরা এবার থেকে প্রতি 100 কিলোমিটারের হিসেবে 525 টাকার বদলে 656.25 টাকা ভাতা পাবেন। অন্যদিকে গুডস বা মাল গাড়ির লোকো পাইলটরা 520 টাকা প্রতি 100 কিলোমিটার ভাতার বদলে 650 টাকা ভাতা পেতে পারেন। একইভাবে সহকারী লোকো পাইলট 376 টাকার বদলে 470 টাকা পাবেন। এদিকে মেল অথবা এক্সপ্রেস ট্রেনের গার্ডরা প্রতি 100 কিলোমিটারের হিসেবে 480 টাকার বদলে একেবারে 600 টাকা KMA পাবেন।

  • DA-র প্রথম কিস্তির টাকা নিয়ে কী বলছে রাজ্যের নয়া বিজ্ঞপ্তি?

    DA-র প্রথম কিস্তির টাকা নিয়ে কী বলছে রাজ্যের নয়া বিজ্ঞপ্তি?

    সহেলি মিত্র, কলকাতা: যত সময় এগোচ্ছে বকেয়া ডিএ (Dearness allowance) নিয়ে উত্তেজনার পারদ ততটাই বাড়ছে। বাংলার রাজ্য সরকারি কর্মীদের মুখে বর্তমানে একটাই প্রশ্ন, কবে মিলবে প্রথম কিস্তির টাকা। এদিকে বাংলায় বিধানসভা ভোটের নির্ঘন্ট ঘোষণা হয়েছে। এহেন পরিস্থিতিতে অনেকের আশঙ্কা যে সরকার টাকা রিলিজ করবে কিনা। এসবের মাঝেই মহার্ঘ্য ভাতা বা DA নিয়ে সামনে এল বড় আপডেট যা সকলের জানা উচিৎ।

    বকেয়া DA নিয়ে প্রকাশ্যে বড় আপডেট

    সম্প্রতি পশ্চিমবঙ্গ সরকার ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের চলতি মার্চ মাস থেকে কর্মচারী ও পেনশনভোগীদের দীর্ঘদিনের বকেয়া মহার্ঘ ভাতা (ডিএ) প্রদান শুরু হবে। আশা করা হচ্ছে, এই পদক্ষেপে রাজ্য জুড়ে সরকারি কর্মচারী, অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারী, শিক্ষক এবং অনুদানপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানের কর্মীরা উপকৃত হবেন। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন, রাজ্য অর্থ দফতরের জারি করা বিজ্ঞপ্তি অনুসারেই এই অর্থ প্রদান করা হবে।

    কারা ডিএ পাবেন?

    • রাজ্য সরকারি কর্মচারী
    • পেনশনভোগীরা
    • শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও অশিক্ষক কর্মচারী
    • অনুদানপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানের কর্মচারী ও পেনশনভোগীরা
    • পঞ্চায়েত ও পৌরসভার মতো স্থানীয় সংস্থাগুলির কর্মচারীরা

    কবে টাকা দেওয়া হবে?

    রাজ্য সরকারের মতে, যোগ্য সুবিধাভোগীরা ২০২৬ সালের মার্চ মাস থেকে বকেয়া অর্থ পেতে শুরু করবেন। অর্থ বিভাগের সরকারি বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখিত পদ্ধতি অনুসরণ করেই এই অর্থ প্রদান করা হবে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায় জানিয়েছেন যে, ‘সরকার কর্মচারী এবং পেনশনভোগীদের প্রতি তার প্রতিশ্রুতি পূরণ করেছে এবং অনুমোদিত কাঠামো অনুযায়ী অর্থ প্রদান শুরু হবে।’ ডিএ বকেয়ার বিষয়ে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ বকেয়া ডিএ প্রদানের বিষয়টি বিচার বিভাগ পর্যন্তও পৌঁছেছিল। রাজ্য সরকারের কর্মচারীদের একটি দল বকেয়া অর্থ পরিশোধের দাবিতে ভারতের সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিল। আদালত রাজ্য সরকারকে ২০২৬ সালের ৩১শে মার্চের মধ্যে বকেয়া ডিএ-র ২৫% প্রদান করার নির্দেশ দিয়েছে। এদিকে সরকার এক বিজ্ঞপ্তি জারি করে জানিয়েছে যে মার্চ এবং সেপ্টেম্বর মাসে দুই দফায় প্রাথমিকভাবে ২০১৬ থেকে ২০১৯ সালের বকেয়া টাকা মেটানো হবে। বাকি ২০০৮ থেকে ২০১৫ সালের বকেয়া টাকা কীভাবে এবং কবে দেওয়া হবে, তা নির্ধারণ করতে সরকার পরে একটি পৃথক নির্দেশিকা জারি করবে। অর্থাৎ এর জন্য আরও অপেক্ষা করতে হবে সাধারণ কর্মীদের।

    আরও পড়ুন: কালবৈশাখী থেকে শিলাবৃষ্টিতে তোলপাড় হবে দক্ষিণবঙ্গের ৭ জেলা, আজকের আবহাওয়া

    সরকার জানিয়েছে, গ্রুপ ‘এ’, ‘বি’ এবং ‘সি’-এর বকেয়া তাদের জিপিএফ অ্যাকাউন্টে জমা করা হবে, আর গ্রুপ ‘ডি’-এর কর্মচারীদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে টাকা সরাসরি ট্রান্সফার করা হবে। হ্যাঁ একদম ঠিক শুনেছেন। যদিও এই টাকা নিয়ে অনেকেই নানা কথা বলছেন। কেউ বলছেন ডিএ-র টাকা যদি জিপিএফ অ্যাকাউন্টেই জমা হবে, তাহলে সেই তো একই বিষয় দাঁড়াল। এই টাকা আবার ২ বছরের আগে তোলা যাবে না।

  • নবান্নর DA বিজ্ঞপ্তি নিয়ে ক্ষোভ, এরা আদৌ পাবেন মহার্ঘ ভাতা? ফের আন্দোলনের হুঁশিয়ারি

    নবান্নর DA বিজ্ঞপ্তি নিয়ে ক্ষোভ, এরা আদৌ পাবেন মহার্ঘ ভাতা? ফের আন্দোলনের হুঁশিয়ারি

    সহেলি মিত্র, কলকাতা: সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মেনে বকেয়া ডিএ (Dearness allowance) দেওয়ার ঘোষণা করেছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার। চলতি মার্চ মাসেই প্রথম কিস্তির টাকা দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়। যদিও এসবের  মাঝেই এক নয়া আশঙ্কায় ভুগতে শুরু করেছেন সরকারি কর্মীরা। বিশেষ করে শিক্ষক, শিক্ষাকর্মীরা টাকাটা আদৌ পাবেন কিনা তা নিয়ে ধন্ধে রয়েছেন সকলে। এই সংশয় নিয়েই এবার সকলে নতুন করে আন্দোলনে সামিল হতে চলেছেন। শুনে চমকে গেলে তো? কিন্তু এটাই সত্যি।

    ডিএ নিয়ে ফের পথে নামছে শিক্ষক সমাজ

    শিক্ষক সমাজের দাবি, রাজ্য সরকারের অর্থ দফতরের তরফে DA সংক্রান্ত যে বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে সেখানে আগামী ৩১ মার্চের মধ্যে প্রথম কিস্তির টাকা দেওয়ার বিষয়ে খোলসা করে কিছু বলা নেই। যে কারণে তারা টাকা পাবেন কিনা সেই নিয়ে ধোঁয়াশার মধ্যে রয়েছেন সকলে। তাঁরা টাকা নাও পেতে পারেন, এই আশঙ্কা তাঁদের তাড়া করে বেরাচ্ছে। ফলে নতুন করে আন্দোলনে সামিল হতে চলেছেন তাঁরা বলে খবর।

    এক শিক্ষক দাবি করেছেন, অর্থ দফতরের তরফে বকেয়া মহার্ঘ ভাতা নিয়ে যে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে, সেখানে সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মী, পঞ্চায়েত এবং পৌরসভার মতো স্থানীয় স্বশাসিত সংস্থার অনুদানপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানের কর্মচারী এবং পেনশনভোগীদের ২০১৮-এর এপ্রিল থেকে ২০১৯-এর ডিসেম্বর পর্যন্ত মহার্ঘ ভাতার পরিমাণ কত, তা উল্লেখ করা হয়নি। সংশ্লিষ্ট বিভাগ এই হিসাব জানাবে বলে উল্লেখ করা হয়েছে। এখানেই যত সংশয় তৈরি হয়েছে সংশয়। তা হলে বকেয়া মহার্ঘ ভাতা পাবেন না তাঁরা? স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠছে।

    বিজ্ঞপ্তি জারি সরকারের

    সোমবার পশ্চিমবঙ্গ সরকারের অর্থ দফতরের এক বিজ্ঞপ্তি অনুসারে, নবান্ন রাজ্য কর্মচারীদের মহার্ঘ ভাতার  বকেয়া একাধিক ধাপে পরিশোধ করবে। ২০০৮ সালের এপ্রিল থেকে ২০১৯ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত সময়ের এই বকেয়ার কথা রবিবার ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। যদিও সরকার জানিয়েছে মার ৪৮ মাসের বকেয়া আগে শোধ করা হবে। তারপরে বাকিটা কবে কী শোধ করা হবে তা পরে জানাবে সরকার।

    আরও পড়ুনঃ আকাশ কালো করে ধেয়ে আসছে কালবৈশাখী, ৫ জেলায় প্রবল বৃষ্টি! আজকের আবহাওয়া

    সরকারের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, প্রথম পর্যায়ে, সর্বভারতীয় ভোক্তা মূল্য সূচকের ভিত্তিতে ২০১৬ সালের জানুয়ারি থেকে ২০১৯ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত বকেয়া গণনা করা হবে। এই অর্থ দুটি কিস্তিতে প্রদান করা হবে প্রথমটি ২০২৬ সালের মার্চ মাসে এবং দ্বিতীয়টি ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বর মাসে। বিচারপতি ইন্দু মালহোত্রার নেতৃত্বাধীন মনিটরিং কমিটি কর্তৃক মোট বকেয়ার চূড়ান্ত নির্ধারণের ওপর এই অর্থপ্রদান নির্ভরশীল থাকবে। এই বিষয়ে বড় মন্তব্য করেছেন শিক্ষানুরাগী ঐক্য মঞ্চের সাধারণ সম্পাদক কিঙ্কর অধিকারী। তিনি বলেন, “সুপ্রিম কোর্টের রায় অনুযায়ী শিক্ষক-শিক্ষাকর্মীদের ক্ষেত্রেও মার্চের মধ্যে নির্ধারিত বকেয়া মিটিয়ে দিতেই হবে। সরকারি কর্মচারীদের সঙ্গে কোন‌ও ভাবেই বিভাজন চলবে না। শিক্ষক-শিক্ষাকর্মীদের ক্ষেত্রে ধোঁয়াশা রেখে শাসকদলের ভোট বৈতরণী পেরোনোর কৌশল কোন‌ওমতেই মেনে নেব না আমরা।”

  • তৃণমূলের প্রার্থী ঘোষণা, কাবুলের হাসপাতালে হামলা…! আজকের সেরা ১০ খবর (১৭ মার্চ)

    তৃণমূলের প্রার্থী ঘোষণা, কাবুলের হাসপাতালে হামলা…! আজকের সেরা ১০ খবর (১৭ মার্চ)

    সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: আজ ১৭ মার্চ, মঙ্গলবার। তৃণমূলের প্রার্থী ঘোষণা, কাবুলের হাসপাতালে হামলা, ভারতে দূর হচ্ছে এলপিজি সংকট, রাজ্য-রাজনীতি, অর্থনীতি, বহির্বিশ্ব, কোথায় কী ঘটল আজ? জানতে চোখ রাখুন আজকের সেরা দশে। India Hood-র তরফ থেকে আমরা নিয়ে এসেছি তরতাজা দশটি (Top 10 Bangla News in West Bengal And India) খবর, যা না পড়লে মিস করে যাবেন অনেক কিছুই। বিস্তারিত নতে হলে অবশ্যই প্রতিবেদনটি শেষ পর্যন্ত পড়ুন।

    ১০) ২৫ হাজার কোটি দিয়ে সবুজ জ্বালানির চুক্তি রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজের

    ভারতের সবুজ জ্বালানির ক্ষেত্রে এবার বিরাট সাফল্য পেল রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজ। দক্ষিণ কোরিয়ার Samsung C&T Corporation এর সঙ্গে প্রায় ২৫ হাজার কোটি টাকার চুক্তিতে আগামী ১৫ বছর গ্রিন অ্যামোনিয়া সরবরাহ করবে সংস্থাটি, এমনটাই খবর। ২০১৯ থেকে কার্যকর হওয়া এই প্রকল্পের মাধ্যমে ভারত গ্রিন এনার্জি রফতানিতে শক্তিশালী অবস্থান দেখাবে। গ্রিন অ্যামোনিয়া যা কিনা কম কার্বন নিঃসরণযুক্ত একটি জ্বালানি, ভবিষ্যতের ক্লিন ফুয়েল হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে। আর এই উদ্যোগ ন্যাশনাল গ্রিন হাইড্রোজেন মিশনের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হবে। বিস্তারিত পড়তে- এখানে ক্লিক করুন

    ৯) ভারতে আসলো দুটি এলপিজি ভর্তি জাহজ

    এলপিজি সংকটের মধ্যেও স্বস্তি এনে ভারতে পৌঁছল দুটি জাহাজে মোট ৯৩ হাজার মেট্রিক টন গ্যাস। শিবালিক এবং নন্দাদেবী জাহাজ গুজরাট বন্দরে এলপিজি পৌঁছে দিয়েছে। আর বিশেষজ্ঞদের মতে, এতে সাময়িকভাবে সরবরাহ স্বাভাবিক হতে পারে। কিন্তু হ্যাঁ, দীর্ঘমেয়াদি সংকট এতে কাটবে না। পারস্য উপমহাসাগরে আটকে থাকা আরও জাহাজ দেশে ফিরলে পরিস্থিতি পুরোপুরি উন্নত হবে বলে জানানো হয়েছে। পাশাপাশি পশ্চিম এশিয়া থেকে আমদানি অব্যাহত রাখাও জরুরি বলে জানিয়েছে কেন্দ্র। এখনই গ্যাসের দাম কমবে কিনা সে বিষয়ে কোনও রকম তথ্য নেই। বিস্তারিত পড়তে- এখানে ক্লিক করুন

    ৮) সিকিমে রেলপথ তৈরি করে বিরাট সাফল্য

    ভারতের একমাত্র রেলবিহীন রাজ্য সিকিমে এবার বিরাট সাফল্য পেল ভারতীয় রেল। নর্থইস্ট ফ্রন্টিয়ার রেলের  উদ্যোগে পশ্চিমবঙ্গের সেবক থেকে রংপো পর্যন্ত রেললাইন তৈরির কাজ দ্রুত গতিতে এগোচ্ছে। দুর্গম হিমালয় অঞ্চলের মধ্য দিয়ে ১৪টি টানেলের মধ্যে ১৩টির কাজ ইতিমধ্যে সম্পন্ন হয়ে গিয়েছে। আর কঠিন পরিস্থিতিতে পুরনো পদ্ধতিতে খনন করে এই সাফল্য মিলেছে বলেই খবর। এই প্রকল্প সম্পন্ন হলে সিকিমে প্রথমবার রেলপথ যুক্ত হবে। আর সবকিছু যদি ঠিকঠাক থাকে তাহলে ২০২৭ সালের ডিসেম্বরের মধ্যেই কাজ শেষ হতে পারে। বিস্তারিত পড়তে- এখানে ক্লিক করুন

    ৭) কাবুলের হাসপাতালে হামলা পাকিস্তানের, মৃত্যু ৪০০

    আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলে ভয়াবহ বিমান হামলার অভিযোগ উঠল পাকিস্তানের বিরুদ্ধে। এই হামলায় একটি হাসপাতাল ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে বহু মানুষের মৃত্যু হয়েছে বলে দাবি করছে আফগান প্রশাসন। এর প্রতিবাদ জানিয়েছে তালিবান সরকার এবং একে নৃশংস বলেই আখ্যা দিয়েছে। কিন্তু পাকিস্তান সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করে জানিয়ে দিয়েছে যে, শুধুমাত্র সন্ত্রাসবাদী ঘাঁটিগুলি লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছে। সীমান্ত সংঘর্ষের পর এই ঘটনা ঘটেছে বলে খবর, যা কিনা দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা আরও বাড়িয়ে তুলেছে। বিস্তারিত পড়তে- এখানে ক্লিক করুন

    ৬) বকেয়া ডিএ ইস্যুতে নয়া বিজ্ঞপ্তি নবান্নের

    বকেয়া ডিএ ইস্যুতে নতুন বিজ্ঞপ্তি জারি করল পশ্চিমবঙ্গ সরকার। স্পষ্ট জানানো হয়েছে যে, ২০১৬ থেকে ২০১৯ সালের ডিএ বকেয়া দুই কিস্তিতে দেওয়া হবে। কিন্তু ২০০৮ থেকে ২০১৫ সালের বকেয়া পরিশোধের নিয়ম পরে জানিয়ে দেওয়া হবে, যা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করছে কর্মীরা। কনফেডারেশনের নেতা মলয় মুখার্জি অভিযোগ করছেন যে, সরকার আদালতের নির্দেশ মানেনি এবং চালাকি করছে। এ নিয়ে ফের সুপ্রিম কোর্টে যাওয়ার হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে। কর্মচারীদের একাংশ সুদসহ টাকা ফেরত দেওয়ার দাবি তুলছেন। বিস্তারিত পড়তে- এখানে ক্লিক করুন

    ৫) আউশ গ্রামের বিজেপি প্রার্থী কলিতা মাজির নাম ভোটার তালিকায় বিচারাধীন

    আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আউসগ্রামের বিজেপি প্রার্থী কলিতা মাঝিকে ঘিরে এবার বিতর্ক শুরু হল। তাঁর নাম ভোটার তালিকায় আন্ডার অ্যাডজুডিকেশন হিসেবে চিহ্নিত থাকার কারণে প্রশ্ন তুলছে তৃণমূল কংগ্রেস। যদিও কলিতা জানিয়েছেন যে, প্রয়োজনীয় নথি জমা দিয়েছেন এবং কমিশনের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় রয়েছেন তিনি। পেশায় পরিচালিকা কলিতা আগেও এখানে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন। আর এবারও জয়ের আশাবাদী তিনি। বিষয়টি নিয়ে রাজনৈতিক বিতর্ক বেড়েছে। বিস্তারিত পড়তে- এখানে ক্লিক করুন

    ৪) আদ্রা ডিভিশনে একাধিক ট্রেন বাতিল

    মার্চ মাসে যাত্রীদের বিরাট ভোগান্তির মুখে ফেলল ভারতীয় রেল। দক্ষিণ-পূর্ব রেলের আদ্রা ডিভিশনে ১৬ থেকে ২২ মার্চ পর্যন্ত রক্ষণাবেক্ষণের কাজের জন্য একাধিক ট্রেন বাতিল আর দেরিতে চলবে বলে জানানো হয়েছে। কিছু ট্রেনের যাত্রাপথও সংক্ষিপ্ত করে দেওয়া হয়েছে। আর আদ্রা-মেদিনীপুর, আদ্রা-ভাগা ও ভজুডিহি-চন্দ্রপুরা রুটের মেমু ট্রেনগুলি নির্দিষ্ট দিনগুলোতে বাতিল থাকবে। পাশাপাশি টাটানগর-আসানসোল সহ বেশ কিছু ট্রেন আংশিক চলবে কিংবা দেরিতে পৌঁছবে। যাত্রীদের অসুবিধার জন্য দুঃখ প্রকাশ করেছে রেল কর্তৃপক্ষ। বিস্তারিত পড়তে- এখানে ক্লিক করুন

    ৩) রাজ্যপাল হিসাবে শপথ নিয়েই নবান্নকে চিঠি আরএন রবির

    নতুন রাজ্যপাল হিসেবে শপথ নিয়েই প্রশাসনিক কাজে তৎপর হয়েছেন আরএন রবি। আসন্ন পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনকে কেন্দ্র করে রাজভবনের একাধিক শূন্যপদ পূরণের জন্য নবান্নকে চিঠি পাঠিয়ে দিয়েছেন তিনি। সচিব, বিশেষ সচিব, যুগ্ম সচিব এবং ডেপুটি সচিবসহ মোট পাঁচটি নিয়োগের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে ফাঁকা থাকা পদগুলো দ্রুত পূরণ করে প্রশাসনিক কাজের গতি বাড়ানোই মূলত তাঁর লক্ষ্য। প্রাক্তন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসের সময় এই পদগুলি খালি ছিল বলে জানানো হয়েছে। আর এবার নতুন উদ্যোগে রাজভবন এবং নবান্নের সমন্বয় আরও জোরদার হবে। বিস্তারিত পড়তে- এখানে ক্লিক করুন

    ২) LPG সঙ্কটের মাঝে গ্যাস নিয়ে নয়া নির্দেশিকা কেন্দ্রের

    এলপিজি সংকটের মধ্যে কেন্দ্র সরকার নতুন করে নির্দেশিকা জারি করল। এখন সমস্ত গ্যাস গ্রাহকদের জন্য এলপিজি কেওয়াইসি বাধ্যতামূলক করে দেওয়া হয়েছে। প্রায় ৩৩ কোটি গ্রাহককে বায়োমেট্রিক আধার যাচাইকরন করতে হবে। আর যদি না করা হয়, তাহলে সিলিন্ডার পাওয়া বন্ধ হয়ে যেতে পারে। এই প্রক্রিয়া ঘরে বসে মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে করা যাচ্ছে। সরকারের মূল লক্ষ্য হল ভর্তুকি সঠিক গ্রাহকদের কাছে পৌঁছানো আর স্বচ্ছতা বজায় রাখা। বিশেষ করে প্রধানমন্ত্রী উজ্জ্বলা যোজনা প্রকল্পের আওতায় সুবিধাভোগীদের জন্য এই যাচাইকরন জরুরী। বিস্তারিত পড়তে- এখানে ক্লিক করুন

    ১) ভোটের প্রার্থী ঘোষণা করল তৃণমূল

    পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে এবার ২৯১টি আসনে প্রার্থী ঘোষণা করল তৃণমূল কংগ্রেস। জানা যাচ্ছে, দার্জিলিংয়ের তিনটি আসনে তারা লড়বে না। আর বিরাট চমক হিসেবে ভবানীপুরে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজেই প্রার্থী হয়েছেন। সেখানে তাঁর প্রতিদ্বন্ধী স্বয়ং শুভেন্দু অধিকারী। নন্দীগ্রামে তৃণমূল প্রার্থী হয়েছেন পবিত্র কর। এছাড়া ফিরগাদ হাকিম, মদন মিত্র, কুনাল ঘোষ সহ একাধিক পরিচিত মুখ রয়েছেন। রাজ্যের মোট ২৯৪ আসনের মধ্যে অধিকাংশ আসনে প্রার্থী ঘোষণা করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। বিস্তারিত পড়তে- এখানে ক্লিক করুন