Tag: Chief Minister

  • ভারতের দীর্ঘমেয়াদি সরকার প্রধান হিসাবে ইতিহাস মোদীর, টপকালেন সিকিমের পবন চামলিংকে

    ভারতের দীর্ঘমেয়াদি সরকার প্রধান হিসাবে ইতিহাস মোদীর, টপকালেন সিকিমের পবন চামলিংকে

    সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর (Narendra Modi) মুকুটে নয়া পালক। রবিবার বিরাট মাইলফলক স্পর্শ করে ফেললেন মোদী। হ্যাঁ, দেশের যে কোনও সরকার প্রধান হিসেবে টানা ক্ষমতায় থাকার নিরিখে তিনি এবার সিকিমের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী পবন কুমার চামলিংয়ের (Pawan Kumar Chamling) দীর্ঘদিনের রেকর্ড গুঁড়িয়ে দিলেন। সেই সূত্রে তিনিই হয়ে উঠলেন ভারতের দীর্ঘমেয়াদী শাসক।

    ৮৯৩১ দিনের দ্বৈরথ মোদীর

    প্রসঙ্গত, এতদিন যাবৎ ভারতের কোনও রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী বা দেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে সম্মিলিতভাবে দীর্ঘতম সময় ক্ষমতায় থাকার রেকর্ড ছিল পবন কুমার চামলিংয়ের দখলে। তিনি টানা ৮৯৩০ দিন শাসনভার পরিচালনা করছিলেন। আর আজ ২২ মার্চ ক্ষমতায় থাকার ৮৯৩১ দিনে পদার্পণ করলেন তিনি। কাজেই সেই রেকর্ড এবার নিজের নামে লিখিয়ে ফেললেন প্রধানমন্ত্রী। তবে এক্ষেত্রে উল্লেখ করার বিষয়, নরেন্দ্র মোদী গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী তথা ভারতের প্রধানমন্ত্রী, এই দুই মেয়াদের সম্মিলিত পরিসংখ্যানের মাধ্যমেই এই খেতাব অর্জন করেছেন।

    এদিকে মোদীর এই রাজনৈতিক সফর শুধুমাত্র যে সময়ের হিসেবে এমনটা নয়, বরং রাজনৈতিক ধারাবাহিকতা, জনসমর্থনেরও জলজ্যান্ত প্রমাণ। জানিয়ে দিই, গুজরাটের ভদনগরের এক সাধারণ পরিবার থেকে তিনি উঠে এসেছিলেন। রেল স্টেশনের চা বিক্রি থেকে শুরু করে আরএসএস-এ যোগদান এবং পরবর্তীতে বিজেপির শীর্ষ সংগঠক হিসেবেই নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেন তিনি। এরপর ২০০১ সালে প্রথমবার গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে তিনি দায়িত্বভার গ্রহণ করেন। আর টানা এক দশকেরও বেশি সময় ধরে সেই পদে বহাল থাকেন তিনি। এরপর ২০১৪ সালের বিপুল জনসমর্থন নিয়েই তিনি দেশের প্রধানমন্ত্রীর সিংহাসনে বসেন। পরবর্তী সময়ে ২০১৯ এবং ২০২৪ সালে টানা জয়লাভ করে জহরলাল নেহেরু রেকর্ডে ভাগ বসান তিনি।

    আরও পড়ুন: ঈদের নামাজ শেষে পাকিস্তানে কুপিয়ে খুন লস্কর কমান্ডারকে! কে এই বিলাল আরিফ সালাফি?

    দীর্ঘমেয়াদে নরেন্দ্র মোদী বেশ কিছু কৃতিত্বেরও অধিকারী হয়েছেন। প্রথমত, তিনিই দেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী যিনি ভারতের স্বাধীনতার পর জন্মগ্রহণ করেছেন। দ্বিতীয়ত, দেশের একমাত্র প্রধানমন্ত্রী তিনিই যার মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দীর্ঘ সময় ধরেই রাজ্য চালনার অভিজ্ঞতা রয়েছে। এমনকি ২০২৫ সালের জুলাই মাসে তিনি ইন্দিরা গান্ধীকে টপকে ভারতের দ্বিতীয় দীর্ঘমেয়াদী প্রধানমন্ত্রী হন। আর ১৯৭১ সালের পর তিনিই প্রথম প্রধানমন্ত্রী যিনি কংগ্রেস বিরোধী নেতা হিসেবে পরপর দু’বার পূর্ণ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে ক্ষমতায় বসেছেন।

  • ‘অন্য কোনও মুখ্যমন্ত্রী …’  মমতার ভূমিকায় ক্ষুব্ধ সুপ্রিম কোর্ট

    ‘অন্য কোনও মুখ্যমন্ত্রী …’ মমতার ভূমিকায় ক্ষুব্ধ সুপ্রিম কোর্ট

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: ২৬ এর বিধানসভা নির্বাচন (West Bengal Election 2026) নিয়ে বেশ তৎপর হয়ে উঠেছে রাজ্য রাজনীতি। প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করছে একেকটা রাজনৈতিক দল। আর এই অবস্থায় ফের খবরের শিরোনামে উঠে এল আইপ্যাক মামলা (IPAC ED Case)। আর এই মামলায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) কাণ্ডকারখানাকে ভালো চোখে দেখল না সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)। অন্যদিকে বুধবার শুনানি শুরু হতেই জবাব দেওয়ার জন্য অতিরিক্ত সময় চাইল মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আইনজীবী। যার বিরোধিতা করেন কেন্দ্রের অতিরিক্ত সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা।

    মুখ্যমন্ত্রীর পদক্ষেপ নিয়ে প্রশ্ন সুপ্রিম কোর্টের

    বুধবার সুপ্রিম কোর্টে বিচারপতি প্রশান্ত কুমার মিশ্র এবং বিচারপতি এন ভি আঞ্জারিয়া বেঞ্চে ফের সময় চেয়ে আবেদন জানান রাজ্যের আইনজীবী কপিল সিব্বল। তাতে সলিসেটর জেনারেল তুষার মেহেতার বক্তব্য, “সময় নষ্ট করার চেষ্টা করা হচ্ছে। মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ।” ইতিমধ্যেই রাজ্যকে যে আদালত চার সপ্তাহ সময় দিয়ে দিয়েছে, তা স্মরণ করান বিচারপতি। পাশাপাশি এদিন শীর্ষ আদালত মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রসঙ্গে জানায়, “ED-র তদন্তে কোনও মুখ্যমন্ত্রীর ঢুকে পড়াটা অনভিপ্রেত। যদি আর্টিকেল ৩২ বা আর্টিকেল ২২৬ অনুযায়ী মামলা করা না যায়, তাহলে কী করা যাবে? ভবিষ্যতে যদি অন্য কোনও মুখ্যমন্ত্রীও এ ভাবে অন্য কোনও দফতরে প্রবেশ করেন, তখন তার বিচার কী ভাবে হবে?”

    প্রশ্নের মুখে ED-র মৌলিক অধিকার

    উল্লেখ্য, সুপ্রিম কোর্টে আইপ্যাক মামলায় সরাসরি মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে নথি চুরির অভিযোগ এনেছিল ED। এর আগে সুপ্রিম কোর্টে হলফনামা পেশ করেছিল ED। হলফনামায় ইডি-র তরফে স্পষ্ট করে বলা হয়, “নথি নেওয়ার আগে কোনও তদন্তকারী আধিকারিকের অনুমতি নেননি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। যে নথিগুলি নিয়ে যাওয়া হয়েছে, তা তৃণমূলের নাকি কয়লাপাচারের সে সম্পর্কে নিশ্চিত করা যাচ্ছে না। এছাড়াও ED এও দাবি করেছিল যে ইডি র আধিকারিকদের কাজে বাধা দিয়ে এবং তাদের গতিবিধি নিয়ন্ত্রণ করে মৌলিক অধিকার খর্ব করা হয়েছে।

    আরও পড়ুন: ৩১ মার্চের পর শুধু আধার দিয়ে বানানো যাবে না প্যান কার্ড! কী কী লাগবে জানুন

    মামলা করার প্রসঙ্গে আজ, শুনানির সময় রাজ্যের তরফে বলা হয়, “আমরা বলছি, কেন্দ্রীয় সরকার এক্ষেত্রে মামলা করতে পারে। কিন্তু কোন দপ্তর নয় বা CID বা ইডির মত সংস্থা নয়। যদি তারা করেন, তাহলে সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১৪৫ ধারা অনুযায়ী সুপ্রিম কোর্টে পাঁচ বিচারপতির বেঞ্চ গঠন করে এ ধরনের সংস্থার ক্ষমতা এক্তিয়ার সব নতুন করে ঠিক করতে হবে।” এছাড়াও এদিন শুনানি শুরু হতেই ED-র জবাব দেওয়ার জন্য অতিরিক্ত সময় চান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আইনজীবী।, আর তাতে সায় দিল আদালত।

  • গ্যাসের দাম বাড়তেই ক্ষুব্ধ মমতা, নারী দিবসে হাঁড়ি-কড়াই নিয়ে প্রতিবাদের ডাক মুখ্যমন্ত্রীর

    গ্যাসের দাম বাড়তেই ক্ষুব্ধ মমতা, নারী দিবসে হাঁড়ি-কড়াই নিয়ে প্রতিবাদের ডাক মুখ্যমন্ত্রীর

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের আঁচ পড়েছে হেঁশেলে। আজ অর্থাৎ শনিবার থেকে ঘরোয়া এবং বাণিজ্যিক দুই রান্নার গ্যাসের দামই (Gas Cylinder Price Hike) এবার বাড়ানো হল। ঘরোয়া রান্নার গ্যাসের দাম একলাফে বাড়ানো হল সিলিন্ডার প্রতি ৬০ টাকা করে। অর্থাৎ কলকাতায় রান্নার গাসের দাম বেড়ে হল ৯৩৯ টাকা। এবং ১৯ কেজির বাণিজ্যিক রান্নার গ্যাসের দাম বাড়ানো হল সিলিন্ডার প্রতি ১১৪ টাকা ৫০ পয়সা। অর্থাৎ দাম বেড়ে হল ১৯৯০ টাকা। আর তাই গ্যাস সিলিন্ডার দাম বৃদ্ধি নিয়ে এবার কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ শানালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) ।

    গ্যাসের দাম বৃদ্ধি নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ মমতার

    রিপোর্ট মোতাবেক, আজ, শনিবার ধরনা মঞ্চে রান্নার গ্যাসের দাম বৃদ্ধি নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। গ্যাসের দাম ৬০ টাকা বাড়ানোর সিদ্ধান্তের সমালোচনা করে তিনি জানান, রান্নার গ্যাসের দাম বৃদ্ধির ফলে সাধারণ মানুষ, বিশেষ করে মহিলাদের উপর বাড়তি চাপ তৈরি হচ্ছে। গতকাল ৬০ টাকা গ্যাসের দাম বাড়িয়েছে। তার আগে তিনদিন আগে ৪৯ টাকা গ্যাসের দাম বাড়িয়েছে। বড় সিলিন্ডাররে দাম ২১০০ টাকা হয়ে গিয়েছে। আর ছোট সিলিন্ডারের দাম ১ হাজার টাকা হয়ে গিয়েছে। বলছে ২১ দিন আগে থেকে বুক করতে হবে। যার বাড়িতে গ্যাস শেষ হয়ে যাবে সে কী ২১ দিন রান্না না করে থাকবে? খাবেন কী করে? মাথা খাবেন?”

    মহিলাদেরকে নিয়ে প্রতিবাদের ডাক মমতার

    কেন্দ্রীয় সরকারের এই গ্যাসের দাম বৃদ্ধির প্রতিবাদে ধরনা মঞ্চ থেকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সমগ্র মহিলাদেরকে নিয়ে আন্তর্জাতিক নারী দিবসের দিন প্রতিবাদের ডাক দিলেন। তিনি বলেন, “কালকে মিছিল হবে। গ্যাস নাই, রান্না নাই। গ্যাস নাই, খাবার নেই। সেই জন্য হাঁড়ি, কড়াই, বাটি, ঘটি, হাতা, খুন্তি দিয়ে প্রতিবাদ মিছিল হবে আন্তর্জাতিক মহিলা দিবসে। মানবতাকে পালন করার জন্য কাল মা বোনেরা রাস্তায় নামুন, প্রতিবাদ করুন। প্রয়োজনে কালো শাড়ি পরুন। আর হাতে এইসব রাখবেন। গ্যাসের ওভেনও পারলে কেউ নিয়ে আসবেন। পারলে কাঁচা আনাজও ঝুড়িতে আনবেন।”

    আরও পড়ুন: ধর্ষণ করে খুন, গোডাউনে লুকোনো দেহ! সাঁইথিয়ায় নাবালিকা মৃত্যুতে ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী

    প্রসঙ্গত, গত কয়েক মাস ধরেই বাণিজ্যিক গ্যাসের দাম ধারাবাহিকভাবে বেড়েই চলেছে। চলতি বছরের শুরুতেই অর্থাৎ ১ জানুয়ারি একধাক্কায় ১১১ টাকা বেড়েছিল বাণিজ্যিক গ্যাসের দাম। এরপর পরের মাসে অর্থাৎ ১ ফেব্রুয়ারি আরও ৪৯ টাকা বৃদ্ধি করা হয়েছে গ্যাসের দাম। সংশোধিত দামের তালিকা অনুযায়ী, ১ মার্চ কলকাতায় ১৯ কেজির বাণিজ্যিক গ্যাসের দাম দাঁড়িয়েছিল ১৮৭৫ টাকা ৫০ পয়সা। এবার নতুন বৃদ্ধির পর সেই দাম বেড়ে হল ১৯৯৯ টাকা। বেশ দুশ্চিন্তায় রয়েছে সকলে।

  • ভূমিহীন ক্ষেতমজুরদের অ্যাকাউন্টে কবে ঢুকবে টাকা? দিন ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

    ভূমিহীন ক্ষেতমজুরদের অ্যাকাউন্টে কবে ঢুকবে টাকা? দিন ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

    বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: সম্প্রতি রাজ্যের অন্তরবর্তী বাজেটে রাজ্যের ভূমিহীন ক্ষেতমজুর (Bhumihin Khetmajur) বা শ্রমিকদের জন্য বিশেষ প্রকল্প চালু করেছিল পশ্চিমবঙ্গ সরকার (Government Of West Bengal)। রাজ্য সরকারের তরফে নির্দেশিকা পেতেই, গত ফেব্রুয়ারি জুড়ে চলেছিল ভূমিহীন ক্ষেতমজুর প্রকল্পের আবেদন প্রক্রিয়া। পশ্চিমবঙ্গের স্থায়ী বাসিন্দা ভূমিহীন বহু মানুষ এই প্রকল্পের টাকা পেতে আবেদন করেছিলেন। সরকারের তরফে প্রাথমিকভাবে জানানো হয়েছিল, যুবসাথী প্রকল্পের পাশাপাশি আগামী পহেলা এপ্রিল থেকেই দেওয়া হবে ভূমিহীন ক্ষেতমজুর প্রকল্পের টাকা। তবে শনিবার, মেট্রো চ্যানেলে ধরনা মঞ্চ থেকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঘোষণা করে দিলেন, পহেলা এপ্রিল নয় বরং আজ অর্থাৎ 7 মার্চ থেকেই মিলবে ক্ষেতমজুর প্রকল্পের অর্থ।

    আজই ব্যাঙ্কে ঢুকবে ভূমিহীন ক্ষেতমজুর টাকা

    রাজ্য সরকারের তরফে আগেই জানিয়ে দেওয়া হয়েছিল, কৃষক বন্ধু প্রকল্পের আদলে যে নতুন ভূমিহীন ক্ষেতমজুর প্রকল্প চালু করা হল তাতে বছরে 4 হাজার টাকা করে পাবেন যোগ্য আবেদনকারীরা। মূলত দুটো কিস্তিতে 2 হাজার টাকা করে 4 হাজার টাকা দেওয়া হবে এই প্রকল্পে। সরকারি ঘোষণার পর গত মাসে ভূমিহীন ক্ষেতমজুর প্রকল্পে আবেদনের হিড়িক পড়েছিল কার্যত।

    বলাই বাহুল্য, রাজ্য সরকারের বিশেষ প্রকল্প যুবসাথীর আবেদন প্রক্রিয়া অনলাইন এবং অফলাইন উভয় মাধ্যমে হলেও ভূমিহীন ক্ষেতমজুর প্রকল্পের আবেদন প্রক্রিয়া চলেছিল শুধুমাত্র অফলাইন পদ্ধতিতে। অর্থাৎ নিকটবর্তী স্বনির্ভর বাংলা ক্যাম্প, পৌরসভা বা BDO অফিসে গিয়ে নিজেদের আবেদনপত্র জমা দিয়েছিলেন আবেদনকারীরা। এবার সেই প্রকল্পের প্রথম কিস্তি অর্থাৎ 2000 টাকা ঢুকবে আজই। এমনটাই ঘোষণা রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের।

    অবশ্যই পড়ুন: ‘যারা তৃণমূলের সঙ্গে নয়, তারা বাঙালি নয়!’ মহুয়া মৈত্রর মন্তব্য ঘিরে তুঙ্গে বিতর্ক

    উল্লেখ্য, গত 26 ফেব্রুয়ারি শেষ হয়েছিল বেকার ভাতা প্রকল্প যুবসাথীর আবেদন প্রক্রিয়া। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, এই বিশেষ প্রকল্পে রাজ্যের প্রায় 85 লাখ আবেদনকারী আবেদন করেছিলেন। সবচেয়ে বেশি আবেদন জমা পড়েছিল দক্ষিণ 24 পরগনা, মুর্শিদাবাদ, উত্তর 24 পরগনা থেকে। এছাড়াও বাঁকুড়া, পুরুলিয়া সহ একাধিক জেলা থেকে অসংখ্য আবেদনকারী এই প্রকল্পে আবেদন করেছিলেন। আজ অর্থাৎ শনিবার থেকেই মিলবে যুবসাথী প্রকল্পের মাসিক 1500 টাকা।

  • রাজ্যসভায় নীতীশ কুমার, বিহারের পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী কে? উঠে এল ৫ নাম

    রাজ্যসভায় নীতীশ কুমার, বিহারের পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী কে? উঠে এল ৫ নাম

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: জল্পনার অবসান, এবার বিহারের মুখ্যমন্ত্রী পদ থেকে ইস্তফা দিয়ে রাজ্যসভার আসন্ন নির্বাচনে প্রার্থী হতে চলেছেন JDU সভাপতি নীতীশ কুমার (Nitish Kumar)। সব মিলিয়ে বিহারের (Bihar) রাজনীতিতে নতুন সমীকরণের ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে, কারণ এবার বিহারে প্রথমবারের মতো বিজেপির নিজস্ব মুখ্যমন্ত্রী হতে চলেছে। ইতিমধ্যেই নীতিন সংসদের উচ্চকক্ষে (Rajya Sabha Election) মনোনয়নের জন্য প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছেন। এখন প্রশ্ন, কে হতে চলেছেন সেই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী।

    রাজ্যসভার প্রার্থী হবেন নীতিন!

    বিহারের ইতিহাসে নীতীশ কুমার অন্যতম এক প্রভাবশালী নেতা। তিনি ১০ বার মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন বিহারে এবং প্রায় ২০ বছর ধরে রাজ্যের ক্ষমতার কেন্দ্রে রয়েছেন। তাঁর এই দীর্ঘ রাজনৈতিক যাত্রা তাঁকে বিহারের রাজনীতির এক অনন্য চরিত্রে পরিণত করেছে। এই অবস্থায় নীতিশকে নিয়ে কয়েক দিন ধরেই এক জল্পনা শুরু হয়েছে বিহারের রাজনীতিতে। শোনা যাচ্ছে, বিহারের মুখ্যমন্ত্রী পদ থেকে ইস্তফা দিয়ে রাজ্যসভার আসন্ন নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারেন JDU সভাপতি নীতীশ কুমার। তবে অনেকেই এই কথা মানতে চাননি। আর এবার আসল রহস্য ফাঁস করলেন খোঁদ নীতীশ কুমার। স্বীকার করলেন রাজ্যসভার প্রার্থী হওয়ার কথা।

    সমাজমাধ্যমে পোস্ট নীতিশের

    আজ, বৃহস্পতিবার বিহারের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী নীতিশ কুমার তাঁর এক্স হ্যান্ডেলে রাজ্যসভার প্রার্থী হওয়া নিয়ে একটি পোস্ট করলেন। সেখানে তিনি জানিয়েছেন, “দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে, আপনারা আমার উপর আস্থা রেখেছেন এবং সেই শক্তির মাধ্যমেই আমি সম্পূর্ণ নিষ্ঠার সাথে বিহার এবং আপনাদের সকলের সেবা করেছি। তাই বহুবার এর জন্য আপনাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছি। তবে আমার সংসদীয় কর্মজীবন শুরু করার পর থেকেই বিহার আইনসভার উভয় কক্ষ এবং সংসদের উভয় কক্ষের সদস্য হওয়ার ইচ্ছা ছিল। তাই আমি রাজ্যসভার নির্বাচনে সদস্য হতে চাইছি।” তুমুল ভাইরাল হয়ে যায় সেই পোস্ট। জানা গিয়েছে আজ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের উপস্থিতিতে পাটনায় মনোনয়ন জমা দিয়েছেন নীতিশ। আর এই অবস্থায় স্বাভাবিকভাবে প্রশ্ন উঠছে, কে হবে বিহারের পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী।

    আরও পড়ুন: প্রথমবার বিধানসভায় কোয়েল মল্লিক, প্রার্থী হিসেবে জমা দিলেন মনোনয়নপত্র

    মুখ্যমন্ত্রীর তালিকায় উঠে আসছে ৫ নাম

    নীতীশ কুমার যদি জাতীয় রাজনীতিতে চলে যান, তা হলে বিহারে মুখ্যমন্ত্রীর পদে কে বসবেন তা নিয়ে ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে একাধিক জল্পনা। আশা করা যাচ্ছে বিজেপি নেতৃত্বাধীন জোট NDA-র ক্ষমতা ভাগাভাগির ফর্মুলা মেনে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর মন্ত্রিসভায় কোনও গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রী হতে পারেন তিনি। সম্ভাব্য মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে বিজেপির যে নেতাদের নাম উঠে আসছে তাঁরা হলেন বিহারের উপমুখ্যমন্ত্রী তথা পুলিশমন্ত্রী সম্রাট চৌধরি, নিত্যানন্দ রাই, দিলীপ জয়সওয়াল, বিজয় সিনহা এবং সঞ্জীব চৌরাসিয়া। তবে আশঙ্কা করা হচ্ছে সমঝোতার শর্ত মেনে নীতীশ-পুত্র নিশান্ত বিহারের উপমুখ্যমন্ত্রী হতে পারেন। তবে এই নিয়ে এখনো কিছু স্পষ্ট ঘোষণা হয়নি।

  • ৬ কিস্তিতে বকেয়া পরিশোধ, ৩ শতাংশ DA বৃদ্ধির ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

    ৬ কিস্তিতে বকেয়া পরিশোধ, ৩ শতাংশ DA বৃদ্ধির ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

    সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ রাজ্য সরকারি কর্মীদের পোয়া বারো। ফের একবার মহার্ঘ্য ভাতা বা ডিএ (Dearness allowance) বৃদ্ধির ঘোষণা করল সরকার। হ্যাঁ একদম ঠিক শুনেছেন। একদিকে যখন কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীরা ডিএ বৃদ্ধি থেকে শুরু করে অষ্টম বেতন পে কমিশন লাগু করার বিষয়ে আওয়াজ তুলছেন, তখন রাজ্য সরকার ৩ শতাংশ DA বৃদ্ধি করল। এরই সঙ্গে এখন ডিএ ৫৫ শতাংশ থেকে বেড়ে ৫৮ শতাংশে উন্নীত হয়েছে।

    ৩ শতাংশ DA বৃদ্ধির ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

    আসলে হোলির আবহে মধ্যপ্রদেশ সরকার (Government of Madhya Pradesh) ৩ শতাংশ ডিএ বৃদ্ধির ঘোষণা করেছে। এদিকে উৎসবের আবহে সরকারের এহেন ঘোষণায় খুশিতে ডগমগ সকলে। গত সোমবার মধ্যপ্রদেশ সরকার হোলির আগে রাজ্য কর্মচারীদের জন্য মহার্ঘ্য ভাতা (DA) ৩ শতাংশ বৃদ্ধির ঘোষণা করেছে। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মোহন যাদব এক বিবৃতিতে বলেছেন যে সমস্ত সরকারি কর্মচারী তাদের এপ্রিল ২০২৬ সালের বেতনের সঙ্গে এই ৫৮ শতাংশ মহার্ঘ্য ভাতা পাবেন, যা কেন্দ্রীয় সরকারের সমান।

    মুখ্যমন্ত্রী বলেন, জুলাই ২০২৫ থেকে মার্চ ২০২৬ পর্যন্ত বকেয়া বেতন ২০২৬ সালের মে মাস থেকে ছয়টি সমান কিস্তিতে পরিশোধ করা হবে। পেনশনভোগীরা ২০২৬ সালের জানুয়ারি থেকে ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত তাদের পেনশনের সাথে ৫৮ শতাংশ মহার্ঘ ভাতাও পাবেন। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “আমাদের সরকার সমাজের সকল শ্রেণীর কল্যাণের জন্য কাজ করছে।”

    আরও পড়ুনঃ ‘তিন মাসের সামগ্রী …’ যুদ্ধের আবহে রেশন নিয়ে রাজ্যগুলোকে বড় নির্দেশ কেন্দ্রের

    বিজেপি নেতৃত্বাধীন মধ্যপ্রদেশ সরকার সোমবার আরও ঘোষণা করেছে যে ট্রেজারি কর্মকর্তারা এখন ওয়ার্কিং হাওয়ারে যানবাহন ভাড়া করতে পারবেন। সোমবার গভীর রাতে এক বিবৃতিতে সরকার জানিয়েছে যে মুখ্যমন্ত্রী মোহন যাদব সমস্ত ট্রেজারি কর্মকর্তাদের জন্য যানবাহন ভাড়া করার সুবিধা অনুমোদন করেছেন। ট্রেজারি কর্মকর্তারা এই বিষয়ে একটি প্রস্তাব পেশ করেছিলেন, যা অনুমোদিত হয়েছে।সোমবার মধ্যপ্রদেশ সরকারের অর্থ বিভাগ প্রয়োজনীয় আদেশ জারি করেছে, যার মতে, “সমস্ত ট্রেজারি অফিসার ১ এপ্রিল, ২০২৬ থেকে ভাড়া করা গাড়ির সুবিধা গ্রহণের যোগ্য হবেন।”

    কপাল খুলেছে এই সরকারি কর্মীদেরও

    আপনাদের জানিয়ে রাখি যে, এর আগে মহারাষ্ট্র সরকারি কর্মচারী এবং অন্যান্য যোগ্য কর্মীদের মহার্ঘ্য ভাতা তিন শতাংশ বৃদ্ধি করা হয়েছিল। এর ফলে, মহার্ঘ্য ভাতা ৫৮ শতাংশে উন্নীত হবে। অর্থ প্রতিমন্ত্রী আশিস জয়সওয়াল গত বুধবার বিধানসভায় জানিয়েছিলেন যে এই বৃদ্ধি ২০২৫ সালের জুলাই থেকে কার্যকর হবে। সংশোধিত মহার্ঘ্য ভাতা এই মাস থেকে নগদে প্রদান করা হবে। ২০২৫ সালের জুলাই থেকে ২০২৫ সালের অক্টোবর পর্যন্ত সময়ের বকেয়া ২০২৬ সালের মার্চ মাসে ‘গুড়ি পড়ওয়া’ উপলক্ষে পরিশোধ করা হবে।

  • ৩৭ লক্ষ মানুষের অ্যাকাউন্টে ২০০০ টাকা, ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর! কারা পেলেন?

    ৩৭ লক্ষ মানুষের অ্যাকাউন্টে ২০০০ টাকা, ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর! কারা পেলেন?

    সহেলি মিত্র, কলকাতা: হোলির আবহে বিরাট সিদ্ধান্ত নিল রাজ্য সরকার। প্রবীণ নাগরিক থেকে শুরু করে বিধবা, প্রতিবন্ধীদের অ্যাকাউন্টে টাকা ট্রান্সফার করল সরকার। হ্যাঁ একদম ঠিক শুনেছেন। তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী এম কে স্ট্যালিন মঙ্গলবার ঘোষণা করেছেন যে তাঁর সরকার পেনশন (Pension) বাবদ ৩৭.৭৯ লক্ষ সুবিধাবঞ্চিত মানুষের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে ২০০০ টাকা করে বিশেষ ফান্ড জমা করেছে।

    রাজ্যবাসীকে ২০০০ টাকা দিল সরকার

    মুখ্যমন্ত্রী স্ট্যালিন একটি সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট মারফট বলেছেন যে বয়স্ক, বিধবা, বয়স্ক তৃতীয় লিঙ্গের ব্যক্তি এবং প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জন্য অতিরিক্ত সহায়তার দাবিতে, সরকার আজ তাদের বিদ্যমান মাসিক পেনশনের পাশাপাশি প্রত্যেককে ২,০০০ টাকা করে প্রদান করা হয়েছে। স্বাভাবিকভাবেই উৎসবের আবহে সরকারের তরফে এমন টাকা প্রদান অনেকের কাছেই বিরাট উপহারের সমান। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, এই পদক্ষেপের লক্ষ্য হলো সমাজের প্রান্তিক মানুষের অর্থনৈতিক বোঝা কমানো।

    বিভিন্ন সামাজিক সুরক্ষা প্রকল্পের আওতায় সুবিধা গ্রহণকারী প্রায় ২৯.২৯ লক্ষ প্রবীণ নাগরিক এবং বিধবা তাদের নিয়মিত পেনশন ১,২০০ টাকার পাশাপাশি অতিরিক্ত ২,০০০ টাকা পেয়েছেন। মোট ৩,২০০ টাকা তাদের অ্যাকাউন্টে জমা করা হয়েছে। এছাড়াও রাজ্যের ৫.৯২ লক্ষ প্রতিবন্ধী ব্যক্তি ৩,৫০০ টাকা (১,৫০০ টাকা পেনশন + ২,০০০ টাকা বিশেষ তহবিল) পেয়েছেন। বিশেষ যত্নের প্রয়োজন এমন প্রায় ২.৫৮ লক্ষ প্রতিবন্ধী ব্যক্তি তাদের অ্যাকাউন্টে মোট ৪,০০০ টাকা জমা পেয়েছেন।

    মৎস্যজীবী এবং চা চাষীদের জন্য ত্রাণ ঘোষণা

    মুখ্যমন্ত্রী কেবল পেনশনভোগীদের জন্যই নয়, অন্যান্য শ্রমিক শ্রেণীর জন্যও গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা করেছেন। তিনি ঘোষণা করেছেন যে মাছ ধরার নিষেধাজ্ঞার সময়কালের জন্য (এপ্রিল থেকে জুন) ১,৬২,৯০০টি মৎস্যজীবী পরিবারকে প্রতি পরিবারে ৮,০০০ টাকা করে সহায়তা প্রদান করা হচ্ছে। এছাড়াও, নীলগিরি জেলার ১৪,৮৭০ জন ক্ষুদ্র চা চাষীর জন্য ৮.৫৩ কোটি টাকার সহায়তা মূল্য প্রকাশ করা হয়েছে।

    আরও পড়ুনঃ পদত্যাগ করতে পারেন বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতিশ কুমার! JDU-র সাথে জোট ভাঙবে BJP?

    উল্লেখ্য, গত ফেব্রুয়ারিতে কালাইগনার মাগালির উরিমাই থোগাই স্কিমের অধীনে মহিলাদের জন্য ২০০০ টাকার একটি বিশেষ গ্রীষ্মকালীন প্যাকেজ বিতরণ করা হয়েছিল, যার বর্তমান কিস্তির অর্থায়ন করা হয়েছে। এই স্কিমের ফলে অনেকের লাভ হয়েছে।  মুখ্যমন্ত্রীর মতে, সরকার রাজ্যের বিভিন্ন সামাজিক সুরক্ষা প্রকল্পের আওতায় সুবিধা গ্রহণকারী ২৯.২৯ লক্ষ সুবিধাভোগীর কাছে ৩,২০০ টাকার একটি বিশেষ সহায়তা প্যাকেজ হস্তান্তর করেছে, যার মধ্যে প্রবীণ নাগরিক এবং বিধবারাও রয়েছেন।

  • মমতার সংগ্রামের কাহিনী নিয়ে তথ্যচিত্র! ভোটের আগে আসছে ‘দ্য আনটোল্ড স্টোরি অফ ব্যানার্জি

    মমতার সংগ্রামের কাহিনী নিয়ে তথ্যচিত্র! ভোটের আগে আসছে ‘দ্য আনটোল্ড স্টোরি অফ ব্যানার্জি

    প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: ২৬ এর বিধানসভা নির্বাচন নিয়ে উত্তাল পরিস্থিতি রাজ্য জুড়ে। মুখ্যমন্ত্রীর সিংহাসন কেড়ে নেওয়ার জন্য একদিকে যেমন বিজেপি শিবির উঠে পড়ে লেগেছে, ঠিক তেমনই চতুর্থবার সরকার গঠনের জন্য একাধিক পদক্ষেপ করে চলেছে তৃণমূল কংগ্রেস। এমতাবস্থায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের রাজনৈতিক সংগ্রাম নিয়ে তৈরি হতে চলেছে এক ডকু ফিচার। নাম দেওয়া হয়েছে ‘দ্য আনটোল্ড স্টোরি অফ ব্যানার্জি’ (The Untold Story Of Banerjee Documentary)। উদ্যোক্তাদের দাবি ভোটের আগে বিরোধীদের একহাত নিতেই নাকি নির্মিত এই তথ্যচিত্র।

    বিশেষ ডকু ফিচারটি লঞ্চ হবে আজই

    উল্লেখ্য, প্রতিবারই ভোটের আগে বাংলায় বিরোধীরা নানা ধরনের অপপ্রচার চালিয়ে থাকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে। এমনকি ভোটারদের মধ্যে তুমুল বিভ্রান্তিও ছড়িয়ে পড়ে। এবার সেই বিভ্রান্তি, অপপ্রচার এবং কুৎসা যাতে ছড়িয়ে না পরে তার জন্য একটি বিশেষ ডকু ফিচার ‘দ্য আনটোল্ড স্টোরি অফ ব্যানার্জি’ তৈরি হল। এবং এর সময়সীমা দেওয়া হল ২৫ মিনিট। রিপোর্ট মোতাবেক, তথ্যচিত্রটির টিজার লঞ্চ হতে চলেছে আজ, সোমবার কলকাতা প্রেস ক্লাবে। বিকেল চারটের সময় লঞ্চ হবে। আর কে এন্টারটেনমেন্টের ব্যানারে প্রস্তুত ডকু ফিচারটির প্রযোজনা করেছেন জুনেইদ খান, তিনি অভিনয়ও করেছেন। পরিচালনায় রয়েছেন রাহুল সাহা।

    The Untold Story Of Banerjee Documentary The Untold Story Of Banerjee Documentary

    কী তথ্য তুলে ধরা হবে ফিচারে?

    ২৫ মিনিটের ডকু ফিচার ‘দ্য আনটোল্ড স্টোরি অফ ব্যানার্জি’ মূলত ১৯৯৩ সাল থেকে ২০২৬ সাল পর্যন্ত সময়কালকে দেখানো হয়েছে। ১৯৯৩ সালে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আন্দোলন, তাঁর অনশন-সহ ইতিহাসের বেশ কিছু তথ্য তুলে ধরা হয়েছে। এছাড়াও রাজ্য-রাজনীতিতে যুবনেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের উত্থান, দলের হয়ে তাঁর মাঠে নামা-এই সব কিছুই ছবিতে দেখানো হয়েছে। এই ডকুমেন্ট প্রসঙ্গে আর্টিস্ট ফোরামের সদস্য জুনেইদ খান জানালেন, “অনেকেই জানেন না, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আন্দোলনের সূচনা-পর্বের সময় থেকেই অভিষেক তাঁর ছায়াসঙ্গী। অনেক ছোটবেলা থেকেই একটা ছোট পতাকা হাতে নিয়ে অভিষেক ঘুরে বেড়াতেন আর আন্দোলন করতেন। মাত্র চার বছর বয়স থেকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় আন্দোলন শুরু করেছিলেন। কাজেই আমি ছবিতে দেখাতে চাই, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তৃণমূল কংগ্রেস বাংলার মানুষের পাশে কীভাবে আছে।”

    আরও পড়ুন: ERO, AERO-র বদান্যতায় বিচারাধীন বিশ্বকাপজয়ী রিচা ঘোষের নাম, জানিয়ে দিল কমিশন

    এই ছবিতে অভিষেকের চরিত্রে অভিনয় করেছেন জুনেইদ খান। বাকিদের অডিশনের মাধ্যমে বেছে নেওয়া হয়েছে। এখনও বাকি শুটিং আসলে রমজানের জন্য কাজ বন্ধ রাখা হয়েছে। এর আগে জুনেইদ খান, অভিষেককে নিয়ে একটি ছবি তৈরি করেছেন, ‘আসছে বস’। জুনেইদ জানিয়েছেন, “মুখ্যমন্ত্রী আমার আবেগ, অভিষেক আমার আইডল। একবার গানের অ্যালবামের জন্য নিজের সোনার ব্রেসলেট বিক্রি করেছিলাম। এবার ডকু-ফিচার তৈরির জন্য পঞ্চান্ন গ্রামের একটি ফ্ল্যাট বিক্রি করে দিয়েছি। এত কিছু করার একটাই লক্ষ্য। আর সেটি হল, “আমি মুখ্যমন্ত্রীর ত্যাগকে সম্মান করতে চাই।”