Tag: Chief Justice of India

  • “পশ্চিমবঙ্গ ছাড়া আমাদের কি আর কোনও কাজ নেই!” রেগে অগ্নিশর্মা প্রধান বিচারপতি

    “পশ্চিমবঙ্গ ছাড়া আমাদের কি আর কোনও কাজ নেই!” রেগে অগ্নিশর্মা প্রধান বিচারপতি

    বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: সোমবার সুপ্রিম কোর্টে শুনানি চলাকালীন ফের ওঠে বাংলার SIR এর প্রসঙ্গ (Cji Suryakant On West Bengal SIR)। আর তারপরেই আচমকা রেগে যান দেশের শীর্ষ আদালতের (Supreme Court of India) প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্ত। এদিন সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারক রাগের বশে একেবারে সরাসরি বলে বসেন, “পশ্চিমবঙ্গ ছাড়া সুপ্রিম কোর্টে কি আর কোন কাজ নেই!” প্রশ্ন উঠছে, হঠাৎ কেন বাংলার SIR ইস্যু নিয়ে রেগে অগ্নি শর্মা হলেন প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্ত?

    হঠাৎ কেন রেগে গেলেন বিচারপতি?

    LIVE LAW এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, সোমবার, সুপ্রিম কোর্টে নতুন করে উত্থাপিত হয় বাংলার SIR সম্পর্কিত মামলা। প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্তের বেঞ্চে শুনানি চলাকালীন বঙ্গে ভোটার তালিকার নিবিড় সংশোধন মামলার প্রসঙ্গ ওঠে। এদিন রাজ্যের তরফে সিনিয়র অ্যাডভোকেট মেনকা গুরুস্বামী প্রধান বিচারপতির দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, “ভোটার তালিকা থেকে বহু ভোটারের নাম বাদ পড়েছে। যাঁদের নাম বাদ গিয়েছে তাঁদের নথি রেকর্ড করা হয়নি।”

    সুপ্রিম কোর্টের অভিজ্ঞ আইনজীবী জানান, “ভোটার তালিকা থেকে যাঁদের নাম বাদ দেওয়া হয়েছে তাঁরাও তো ভোটার। এর আগে তাঁরাও ভোট দিয়েছেন। কিন্তু এখন তাঁদের নথি গ্রহণ করা হচ্ছে না।” রাজ্য পক্ষের আইনজীবীর বক্তব্য শোনার পর সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি কিছুটা থমকে গিয়ে বলেন, “বর্তমানে সুপ্রিমকোর্ট বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তাদের সিদ্ধান্তের উপর সরাসরি হস্তক্ষেপ করতে পারে না।” এরপরই রাজ্যের আইনজীবী মেনকা নির্বাচনী আইনের 23 এবং 24 নম্বর ধারা উল্লেখ করে অনুরোধ করেন যাতে এই বিষয়টিকে মূল বিষয়ের সাথে যুক্ত করা হয়।

    অবশ্যই পড়ুন: “ভারত ক্রিকেটটাকেই ধ্বংস করে দিচ্ছে”, সূর্যরা ফাইনাল জিততেই বললেন শোয়েব আখতার

    রাজ্য পক্ষের আইনজীবীর তরফে এমন বক্তব্য শোনার পর সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্ত জানিয়ে দেন, মঙ্গলবার এই মামলার পরবর্তী শুনানি। সেদিন শুনানি চলাকালীন এই বিষয়ে উল্লেখ করা যেতে পারে। এদিন রাজ্যপক্ষের সিনিয়র আইনজীবী আবেদনকারীদের তরফে দায়ের করা আরেকটি আবেদন উল্লেখ করেছিলেন। যেখানে দাবি করা হয়েছিল, তাদের ভোটার তালিকার নিবিড় সংশোধন বা SIR প্রক্রিয়ায় অন্তর্ভুক্ত করা যাবে না। কারণ তাঁরা উপস্থিত হতে পারবেন না। এমন বক্তব্য শোনার পরই আচমকা রেগে গিয়ে বিচারপতি সূর্যকান্ত বলে বসেন, “পশ্চিমবঙ্গ ছাড়া আমাদের আর কোনও কাজ নেই নাকি। “

  • “কেউ আশা করবে না সূর্যকুমার..” সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতির গলায় কেন টিম ইন্ডিয়ার অধিনায়কের নাম?

    “কেউ আশা করবে না সূর্যকুমার..” সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতির গলায় কেন টিম ইন্ডিয়ার অধিনায়কের নাম?

    বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: হঠাৎ সুপ্রিমকোর্টের প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্তের গলায় ভারতীয় টি-টোয়েন্টি দলের অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব, জসপ্রীত বুমরাহদের নাম (Cji Suryakant On Suryakumar Yadav)। সম্প্রতি এক বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুষ্ঠানে ভাষণ দিতে গিয়ে একেবারে ক্রিকেটারদের প্রসঙ্গ টানেন প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্ত। এদিন মূলত জুনিয়র আইনজীবী বা আইনের ছাত্রদের উদ্দেশ্য করেই প্রধান বিচারপতি বুঝিয়েছিলেন নির্দিষ্ট একটি ক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞ হওয়াটা ঠিক কতটা গুরুত্বপূর্ণ। তাঁর বক্তব্য ছিল, সব ক্রিকেটার যেমন সব চরিত্রে মানানসই নয়, তেমনই আইনজীবীরাও এই পেশার প্রত্যেক ক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞ হতে পারে না।

    হঠাৎ সূর্যকুমারের নাম শোনা গেল প্রধান বিচারপতির গলায়

    Live Law এর রিপোর্ট অনুযায়ী, গত 28 ফেব্রুয়ারি, গুজরাত ন্যাশনাল ল ইউনিভার্সিটির সমাবর্তন অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে দেশের সর্বোচ্চ আদালতের প্রধান বিচারপতি ভাষণ দেওয়ার সময় বলেন, সূর্যকুমার যাদবকে ডেথ ওভারের সময় বোলিং করানো হবে এমনটা কেউ আশা করে না। কেউ আশা করে না যে জসপ্রীত বুমরাহ টপ অর্ডারে ব্যাট করে রান তাড়া করবেন। একইভাবে আইনজীবীদের ক্ষেত্রেও নিজেদের শক্তিশালী জায়গাগুলিকে চিহ্নিত করতে হবে।

    এদিন সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি বোঝাতে চেয়েছিলেন, সব পজিশনে সবাইকে মানায় না। আইনজীবীদের ক্ষেত্রেও সবাই সব বিষয়ে বিশেষজ্ঞ হতে পারেন না। তাই প্রত্যেকের উচিত নিজেরা যে ক্ষেত্রে বেশি পটু সেই ক্ষেত্রে বেশি করে কাজ করা। এদিন শীর্ষ আদালতের প্রধান বিচারপতি ইউনিভার্সিটির গ্রাজুয়েটদের উদ্দেশ্যে বলেন, “আমার প্রিয় স্নাতকরা, আপনারা এই পেশায় কোথায় ফিট করেন সে সম্পর্কে নিজেদের প্রশ্ন করতে হবে। এই কাজটা করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। যাঁরা এই পেশায় সবকিছু করার চেষ্টা করেন সব ভূমিকায় কাজ করতে চান তাদের ক্ষেত্রে সাফল্য আসার সম্ভাবনা খুব কম।”

    চন্দ্রকান্ত আরও বলেন, “আপনাদের মধ্যে কেউ কেউ ক্রিকেট পছন্দ করেন। আপনাদের মধ্যে কেউ যদি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ দেখে থাকেন তাহলে আপনারা একটা বিষয় লক্ষ্য করে থাকবেন সব দল কিন্তু এমনটা আশা করে না যে তাদের প্রত্যেক প্লেয়ার সব ক্ষেত্রে পটু হোক। এমনটা কেউ আশা করবে না যে সূর্যকুমার যাদব ডেথ ওভারে বোলিং করতে আসবেন। এমনটাও কেউ আশা করবে না যে জসপ্রীত বুমরাহ প্রথমদিকে ব্যাট করে রান চেজ করবেন।”

    অবশ্যই পড়ুন: মূল বেতনের সঙ্গে মিশে যাবে ৫০% DA? সরকারি কর্মীদের জন্য বড় খবর

    এদিন সূর্যকান্তের সংযোজন ছিল, বড় মাপের আইনজীবীরা কখনই সবকিছু করে উচু পদে পৌঁছননি। নিজেকে প্রশ্ন করতে হবে যে আমি কোন বিষয়ে বেশি পটু। এই প্রশ্ন নিজেকে বারবার জিজ্ঞেস করাটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কারণ যে আইনজীবীদের তাদের কাজের প্রতি সবচেয়ে স্বাচ্ছন্দ এবং আত্মবিশ্বাসী দেখায় তারা সেইসব লোক যারা আসলেই অ্যাডভোকেসি শুরু করে। এক কথায়, আইনের ছাত্র-ছাত্রীদের উদ্দেশ্যে দেশের প্রধান বিচারপতির উপদেশ ছিল, তাঁরা যে ক্ষেত্রে বেশি পটু সেদিকেই যেন বিশেষভাবে নজর দেন।